@krishnakatha
@krishnakatha

kanta shiromoni das

💖💖হে কৃষ্ণ!! যার কেউ নেই তার তো তুমি আছো। যার তুমি আছো তার আর অন্যের কি প্রয়োজন।💖💖

ভালোবাসা শব্দের অর্থ হইলো প্রেম, বিশ্বাস, অতিশয় প্রীতি বা সৌহার্দ। ধ্বংশের বিবিধ কারন উপস্থিত হইলেও নায়ক-নায়িকার ভাব-বন্ধন যে ভাবের ফলে অটুট থাকে প্রেম বা ভালোবাসা। জীবের প্রেম হইবে একমাত্র ভগবানের সাথে। যেখানে চাওয়া পাওয়া আশা থাকবে সেইখানে প্রেম থাকিবে না। শ্রীভগবানের সাথে জীবের যে নিত্য, নিষ্কাম ভাব তাহাই প্রেম। জাগতিক নর-নারীর মধ্য যে সম্পর্ক তাহা প্রেম নহে কাম। "আত্ম-ইন্দ্রিয় প্রীতি বাঞ্চা তারে বলি কাম। কৃষ্ণ- ইন্দ্রিয় প্রীতি বাঞ্চা ধরে প্রেম নাম।। আসুন আমাদের সকল ভালবাসা শ্রীভগবানকে অর্পন করি। -----------------------------
#

কৃষ্ণকথা

কৃষ্ণকথা - Sila Shegy - ShareChat
95 views
7 days ago
★★#এক বিজ্ঞানী নদী পার হওয়ার সময় মাঝিকে প্রশ্ন করলো, তুমি কি জগদীশ চন্দ্ৰ বসুর নাম শুনেছ ? মাঝি না বললে বিজ্ঞানী তাকে বলেন, তোমার জীবনটাই বৃথা শুন্য। কিছুক্ষন পর কাল বৈশাখীর ঝড়ে নৌকা টলমল করতে থাকলে বিজ্ঞানীর ভয়ে ভীত হওয়া দেখে মাঝি বললো, স্যার আপনি সাঁতার জানেন না ? বিজ্ঞানী উত্তর দিল, না। ★মাঝি বললো , স্যার আমি আর কিছু না জানলেও জীবন বাঁচানোর জন্য সাঁতার জানি। তখন নৌকা ডুবে গেলে মাঝি সাঁতরায়ে পাড়ে উঠলেও বিজ্ঞানী তার সমস্ত জ্ঞান নিয়ে নদীতে ডুবে মারা গেল। যে শিক্ষা সামান্য নদীর ঝড়ের মধ্যে জীবন বাঁচাতে পারে না, তার চেয়ে বড় ঝড় ঝণ্ডা সম্মলিত সাগর পাড়ি দিয়ে কিভাবে বৈকুন্ঠে যাবেন ??? ভবসিন্ধু পাড়ি দিতে আগে নিজের হৃদয়ে আনন্দ সিন্ধু স্থাপন করুন। হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে I হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।। হরিনামের মাধ্যমে পারমাৰ্থিক জীবনের মঙ্গলময় আনন্দ সিন্ধু উদয় হয়। তার মানে - যেমন একটি ছোট্ট বীজ থেকে বিরাট বৃক্ষ প্ৰকটিত হয়, তেমনি হরিনাম রুপ বীজ থেকে পারমাৰ্থিক জীবনের উদয় হয়। ক্ষুদ্র জীব যখন হরিনামের আশ্ৰয় নেয়, তখন সে দিব্যানন্দের সীমাহীন মহাসমুদ্রের আনন্দে নিমজ্জিত হয়। হরিনামে যে ডুবেছে সেই জেনেছে , অন্যের জানা বড় দায় ,হরিনামে কি এক আনন্দ, ডুবলে জানা যায়''।। শ্ৰীল রুপগোস্বামী আনন্দকে তিনভাগে ভাগ করেছেনঃ ১ । জড়সুখ ভোগের আনন্দ। ২ । পরব্ৰহ্মের সঙ্গে নিজেকে এক বলে মনে করার আনন্দ বা ব্ৰহ্মানন্দ। ৩ । কৃষ্ণভাবনামৃতের আনন্দ । জড় সুখ ভোগে রত মানুষেরা আধুনিক ভোগের বন্দোবস্ত করার চেষ্টায় ব্যাপ্ত থেকে, আমি খুব ভাল আছি, আমার পরিবার আছে, আমার সুন্দর বাড়ি আছে, আমার সন্তান- স্ত্রী পরিবার আছে, আমার যশ মান মর্যাদা চরিতার্থ করেছি, আমি খুব সুখী। এই জড় জগতে কেউ সুখী হতে পারে না। এই জগত প্রকৃতপক্ষে দুঃখ্যালয় শাশ্বতম। এক মদ্যপ মাতাল ডাস্টবিনে পরে ঘুমাচ্ছে, রাস্তায় হেটে যাওয়ার সময় মানুষ ভাবছে মাতালের কি অবস্থা, আর মাতাল বলছে, আমি খুব সুখী, আই এ্যাম হ্যাপী। আমরা যদি জড় জাগতিক আনন্দ লাভ করি, সেই সঙ্গে আমরা দুঃখও লাভ করি। এটা একটা প্যাকেজের মতে দুঃখটা জড়া প্ৰকৃতির বিনা মূল্যের উপহার। আমরা যদি আনন্দ চাই, তাহলে আমরা বিনা মূল্যে দুঃখও লাভ করি। জাগতিক কোন কিছুই প্ৰত্যশা করা উচিত নয়, কেননা জাগতিক সুখ কখনোই যথাৰ্থ আনন্দ দিতে পারে না। এটা শুধুই মনের ভ্ৰম। কিন্তু যেহেতু আমরা চিন্ময় আনন্দ সম্পৰ্কে অজ্ঞাত এবং জড় দেহে বন্দি হয়ে আছি, তাই আমরা জড় বস্তুর মধ্যেই আনন্দের সন্ধান করি। যেমন - অতি উন্নত খাবার দেওয়া হলেও আপনার পেট ভৰ্তি হলে আপনি বলবেন, আমি আর খেতে চাই না, কারন অতিরিক্ত খেলে আপনার জন্য তা ক্ষতি করবে। তাই এর একটা শেষ আছে । শ্রীল প্ৰভুপাদ একবার এক হিপ্পিকে জিজ্ঞাসা করেন, ''এক বোতল মদ খেয়ে তুমি কত ঘণ্টা আনন্দ পাও?'' সে মাতাল উত্তর দিল, 'তিন ঘণ্টা'। তখন প্ৰভুপাদ বললেন, ''তুমি আট বোতল মদ খাও তাহলে তুমি চব্বিশ ঘণ্টা আনন্দ পাবে''। তখন মাতাল বলল, না না আট বোতল মদ খেলে কেউ বেঁচে থাকে নাকি ? সে নিশ্চিত মারা যাবে''। তখন প্ৰভুপাদ বললেন, ''তাহলে মদ না খেয়ে হরিনাম জপ কর চব্বিশ ঘন্টাই দিব্য আনন্দ পাবে আর এটিই হচ্ছে প্রকৃত ও অনন্ত আনন্দ , যার কোন শেষ নাই।। আসুন সবাই মিলে প্রাণভরে হরিনাম জপ করি ★জয় শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ শ্রী অদ্বৈত গদাধর শ্রীবাসাদি গৌর ভক্তবৃন্দ হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে। হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।
#

কৃষ্ণকথা

কৃষ্ণকথা - ShareChat
112 views
7 days ago
Share on other apps
Facebook
WhatsApp
Copy Link
Delete
Embed
I want to report this post because this post is...
Embed Post
Share on other apps
Facebook
WhatsApp
Unfollow
Copy Link
Report
Block
I want to report because