@lxmi2474
@lxmi2474

𝓣𝓱𝓮 𝓹𝓻𝓲𝓬𝓮𝓼𝓮 𝓸𝓯 𝓱𝓮𝓪𝓻𝓽

𝓶𝔂 𝓵𝓲𝓯𝓮 𝓶𝔂 𝓻𝓮𝓾𝓵𝓼 𝓵𝓸𝓿𝓮 𝓶𝓮 𝓻𝓮𝓳

সমস্ত দেবদেবীরা প্রভু শিবেরই শরীর স্বরূপ। কুর্ম্ম পুরাণে তাই বলা হয়েছে-- "ঈশ্বরঃ সর্ব্বভূতানাং সর্ব্বদেবতনুর্হরঃ।।" --- হরই সর্বভূতের ঈশ্বর, সকল দেবতারা তাঁর শরীর স্বরূপ। সুতরাং জ্ঞানের নামে অজ্ঞানীদের কল্পিত মতবাদে কখনোই বিভ্রান্ত হওয়া উচিত নয়। কেউ যদি পরমেশ্বর শিবকে বহু শ্রদ্ধা করে কিন্তু পরিণামে তাঁকে বিষ্ণুর আজ্ঞাবহ হিসেবে প্রতিপাদন করে তবে বুঝতে হবে সেই ব্যক্তি সমধিক ভ্রান্ত। অবশ্যই সেই মিথ্যাচারী বেশধারী মাত্র। সে সাধু নয়। সে মায়ামোহময় মিথ্যাজ্ঞান প্রচার করছে। মিথ্যাচারের সাথে কখনোই সত্যের সমঝোতা হয় না, হতে পারে না। মিথ্যাচারীর প্ররোচনামূলক মিষ্টি কথায় বিভ্রান্ত হয়ে কখনোই সত্য স্বরূপ সদাশিব হতে বিচ্ছিন্ন হওয়া উচিত নয়। মিথ্যা তো মিথ্যাই। শিবজ্ঞানের অতিরিক্ত তত্ত্ব বলে কিছুই নাই। শিবজ্ঞানের অতিরিক্ত কিছু মানেই তা বিদ্যা নয়, বরং অবিদ্যাই। কেননা ভগবান সদাশিবই সমস্ত বিদ্যা তথা জ্ঞানের ঈশ্বর। যথা-- সর্ব্ববিদ্যানিধির্দেবো হরশ্চাসীন্মহামুনে। ঈশানঃ সর্ব্ব বিদ্যানাং শ্রুতিরেষা সনাতনী।। -----(জ্ঞান সংহিতা) --- হে মহামুনে! মহাদেব সকল বিদ্যার নিধি এবং সকল বিদ্যার ঈশ্বর। সনাতন স্মৃতি হতে তা জ্ঞাত হওয়া যায়। ওঁ নমঃ শিবায়। #🐍ভোলানাথ #🙏ভক্তি
#

🐍ভোলানাথ

🐍ভোলানাথ - BODEGULEUR @ ramesstudios - Sosya RA SVETELE - ShareChat
322 জন দেখলো
8 ঘন্টা আগে
🙏🙏হরে কৃষ্ণ? 🙏🙏 #শুধু মাত্র আমরাই ঈশ্বরের সৃষ্টি হিসেবে বৃক্ষ,পাথর, নদী,গোমাতা,পাহাড় পূজা করে থাকি। কারণ আমরা বিশ্বাস করি সৃষ্টির মাঝেই ঈশ্বর বিরাজমান। সকল জীবাত্মার মাঝে পরমাত্মার অংশ খুঁজে পাই বলেই ঈশ্বরের সৃষ্টিকে পূজা করে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। যে জাতি পাহাড় পূজা করে তাদের মাঝে হিংসা আসবে কিভাবে? যে জাতি বৃক্ষ পূজা করে তাদের মাঝে হিংসা আসবে কিভাবে? যে জাতি গোমাতার পূজা করে তাদের মাঝে হিংসা আসবে কিভাবে? এইসব আমাদের উদারতার পরিচয় দেয়।পরিচয় দেয় সনাতন ধর্মের মহত্তের। আমাদের ধর্ম আমাদের উদার হতে শিখায়।শিখায় ঈশ্বরের প্রতিটি সৃষ্টির সম্মান দিতে। যারা সৃষ্টির মাঝে ঈশ্বর খুঁজে বেড়ায় তারা সাম্প্রদায়িক হবে কিভাবে? আমরা সকল প্রানীর মধ্যেই পরমাত্মার হদিস পায়। আর তাই জাতি হিসেবে আমরা সারা পৃথিবীর মঙ্গল কামনা করি। শান্তি কামনা করি প্রতিটি প্রানীর। আর এটাই আমাদের ধর্ম। মহান ধর্ম সনাতন আমাদের মহান হতেই শিক্ষা দেয়। শিক্ষা দেয় অহিংসার। আমি বিশ্বাস করি সনাতন ধর্মের ছায়াতলে থাকা অবস্থায় কোন ভাবেই কোন মানুষের অমঙ্গল হতে পারে না। অশান্তিতে ভুগতে পারে না কোন মানুষ। সনাতনী শিক্ষা লাভের মাধ্যমে আমরা পারিমার্থিক কল্যাণ সাধনের ব্যবস্থা করতে পারি। এমন মধুর ধর্ম সনাতন যে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা সারা পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় গিয়েও খ্যাতি অর্জন করে। পৃথিবীর কোন দেশ হিন্দুদের ঘৃণা করেনা। হিন্দুরা কোন দেশে গিয়েই অপমানিত হননা। সত্যিই গর্ব হয় এমন ধর্মাবলম্বী হতে পেরে। আমি এমন ধর্মে জন্মগ্রহণ করেছি যা শ্রেষ্ঠ ধর্ম। তাই গর্ব করে বলুন আপনি হিন্দু। আর গর্বিত হউন সনাতনী হতে পেরে। শপথ নিন সনাতনী ছায়াতলে থাকার। সনাতন ধর্ম রক্ষায় কাজ করার।মানবকল্যানে সনাতন ধর্ম প্রচারের শপথ নিন। মাথা উচু করে বলুন যে, আমি হিন্দু এবং আমি গর্বিত আমি হিন্দু। সবাইকে নমষ্কার 🙏🙏🙏 #🙏ভক্তি
#

🙏ভক্তি

🙏ভক্তি - 10 ) - ShareChat
359 জন দেখলো
10 ঘন্টা আগে
ধর্ম কি? —সৃষ্টির সকল জীবে প্রেম(অনাসক্ত+মৈত্রী) করাই ধর্ম৷ —অহিংসাকে লালন করাটাই ধর্ম৷ —লোভকে নিয়ন্ত্রন করাই ধর্ম৷ —কাম, ক্রোম, মাৎসর্য নিয়ন্ত্রন করাই ধর্ম৷ —অাত্মদম্ভ নিয়ন্ত্রন করাই ধর্ম৷ —চিত্তকে সকল প্রকার কুকর্ম হতে বিরত রাখাই ধর্ম৷ —এক দুঃখীর পাশে জাতিভেদ ভুলে সহায়তার উষ্ম হাত এগিয়ে দেয়ার নামই ধর্ম৷ —স্নেহাশীষ হতে বঞ্চিত পথ শিশুদের স্নেহাবরণ দেয়াটাই ধর্ম৷ —সন্তানহারা বৃদ্ধ মায়ের পাশে সন্তানের সম ভরণপোষন করাটাও ধর্ম৷ — যেই কাজের কুপ্রভাবে অাপনার চারপাশের লোকজন দুঃখে পতিত হবে এমন কাজ হতে বিরত থাকাই ধর্ম৷ — সম্মানীয়দের সম্মান করাই ধর্ম৷ —প্রত্যেক কাজে জ্ঞাণের প্রয়োগ করে উচিত-অনুচিত, সত্য-মিথ্যা, যৌক্তিক-অযৌক্তিকের বিচার করে নিজের কাছে যদি তা সত্য বলে প্রমানিত হয় তবেই সেটাই ধর্ম৷ ----------------- অর্ধম কি? —নির্দয়তা, নির্মমতাকে মনে পোষন করাই অধর্ম৷ —কাম, ক্রোধ, মাৎসর্যকে অদমিত রাখাই অধর্ম৷ —লোভকে অনিয়ন্ত্রিত রাখাই অধর্ম৷ —ঈর্ষাকে সদা লালন করাই অধর্ম৷ —ক্ষমার বিপরীতে প্রতিশোধের ভাব পোষন করাই অধর্ম৷ —অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয়াই অধর্ম৷ —মৈত্রীর(প্রেম) নামে অাসক্ত হয়ে যাওয়াই অধর্ম৷ —সম্মানের যোগ্য ব্যক্তিদের সম্মান না দেয়াই অধর্ম(মাতা, পিতা, অাচার্য, গুরুবর) —উচিত-অনুচিত, সত্য-মিথ্যা, যৌক্তিক-অযৌক্তিক নির্নয় না করে, অন্ধ ভক্তি করাই অর্ধম৷ অাপনি যদি এই ধর্মগুলোই পালন না করেন তাহলে অন্য যে ধর্মই পালন করুন সবই বৃথা৷ কারণ অপবিত্র মনে পবিত্র ধর্মের বাস হয় না৷ #🙏ভক্তি
#

🙏ভক্তি

🙏ভক্তি - Star - ShareChat
349 জন দেখলো
1 দিন আগে
#যম_দেবতাও_ভয়ে_পালিয়েছিলেনঃ সত্য যুগের কথা। #মৃকণ্ডু ঋষি ও তাঁর পত্নী #মরুদবতী। মৃকণ্ডু ঋষি দেবাদিদেব #শিবের আরাধনা করতো এবং উনার পত্নী মরুদবতী ছিলো আদ্যাশক্তি #দেবী_দূর্গারভক্ত। কিন্তু তারা দুইজনেই দুঃখিত ছিল কারন তাদের কোন সন্তান ছিল না । তাদের ছিল সন্তানের অপূর্ণতা, মাতৃত্বের অপূর্ণতা, পিতৃত্বের অপূর্ণতা। মরুদবতী বলল, স্বামী আমার একান্ত ইচ্ছা মাতৃত্ব স্বাদ পেতে, একটি সন্তানের। পত্নী মুখে এইবাক্য শুনে ঋষি খুবই চিন্তিত হলেন। ঋষি মৃকণ্ডু বললেন, তাহলে আমাদের মহাদেবের তপস্যা শুরু করতে হবে। তখন ঋষি পত্নী মরুদবতী বলল, ঠিক আছে তবে তাই হোক; তারপরও আমি মাতৃত্ব স্বাদ পেতে চায়। এরপর তাঁরা দুজনে গভীর বনে পুত্রকামনায় ভগবান #শিবের আরাধনা তপস্যা শুরু করে। খুবই কঠোর তপস্যা। তাঁদের তপস্যায় তুষ্ট হয়ে মহাদেব তাঁদের সম্মুখে উপস্থিত হন। মহাদেব জিজ্ঞাসা করেন, কি তোমাদের মনবাঞ্ছা? কেন তোমাদের এই কঠোর তপস্যা? উত্তরে ঋষি মৃকণ্ডু ও মরুদবতী বললেন, পুত্র কামনায় প্রভু! মহাদেব বললেন, কেমন পুত্র চাও? #দীর্ঘজীবী_পুত্র, #মূর্খপুত্র নাকি #ক্ষণজীবী_জ্ঞানীপুত্র? উত্তরে ঋষি মৃকণ্ডু বললেন, মূর্খ দীর্ঘজীবী পুত্রের চেয়ে ক্ষণজীবী জ্ঞানী পুত্রই শ্রেয়। তখন মহাদেব বললেন, তথাস্তু! এবং অতঃপর মহাদেব সেখান থেকে অদৃশ্য হয়ে যান। তারপর ঠিক বছর পর ঋষি মৃকণ্ডু পত্নী মরুদবতী এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। জন্মের পর মরুদবতী সেই সন্তানের নামকরণ করে #মার্কন্ডেয়। সন্তান জন্মের পরে যখন ঋষি #মৃকণ্ডু পুত্রকে দেখতে যান, তখন ঋষি মৃকণ্ডু পত্নীকে বললেন, আমাদের পুত্র স্বল্পায়ু! কিন্তু সে এত অল্পায়ু হবে তা কখনও কল্পনা করিনি। ঋষি মৃকণ্ডু পত্নী বললেন, কতসময় পরমায়ু নিয়ে এসেছে আমাদের পুত্র? উত্তরে ঋষি মৃকণ্ডু বলল, মাত্র ষোলদিন। ঋষি মুখে এইবাক্য শুনে মরুদবতী স্তব্ধ হয়ে গেল। বলতে লাগলেন হে মাতা আদ্যাশক্তি! এ কেমন অবিচার আমাদের উপরে? এই যদি আপনার ইচ্ছা তাহলে কেন এই বরদান দিয়েছিলেন প্রভু #মহাদেব! তখন মরুদবতী বলল, না এ হতে পারেনা, এইবাক্য বলার কিছু সময় পরে মরুদবতী পুত্র মার্কণ্ডেয়কে নিয়ে কৈলাশের দিকে চললেন। দ্বিতীয় দিনে মরুদবতী কৈলাসে উপস্থিত হয়ে, নিজ পুত্রকে আদ্যাশক্তি দেবী দূর্গার পায়ে রেখে দিলেন এবং বললেন; মাতা আপনাদের কৃপালাভ সরুপ এই পুত্র কিন্তু আমি এই ষোলদিনের পুত্র মোহে মোহিত হয়ে মাতৃত্ব স্বাদ পেতে চাই না। তাই আপনাদের দেওয়া আশীর্বাদ আপনার চরণে রেখে গেলাম। এই বলে মরুদবতী কৈলাস থেকে প্রস্থান করলেন। তখন দেবী দূর্গা ভক্তের দীর্ঘদিনের ইচ্ছা পূর্ণের জন্য ধ্যান যোগে সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মাকে স্মরণ করলেন। সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মা দেবীর ধ্যান স্থিতির আবাস পেয়ে নিজেও ধ্যানমগ্ন হইলেন। ধ্যান অবস্থায় দেবী দূর্গা ব্রহ্মাকে বললেন, এই পুত্রের অল্পায়ুর কারণ কি? ব্রহ্মা দেবীকে বিস্তারিত ভাবে বললেন। অতঃপর দেবী দূর্গা ব্রহ্মাকে বললেন, হে সৃষ্টি সরুপ আমার একান্ত ইচ্ছা এই সন্তানের পরমায়ু বৃদ্ধি হেতু! তখন ব্রহ্মা বললেন, মাতা এই সন্তানের পরমায়ু স্বর্গের সময়ানুসারে মাত্র তিথি যা মত্যলোকের সময়ানুসারে মাত্র ষোলদিন। তবে মাতা আপনার ইচ্ছা পূর্ণ হেতু আমি এই সন্তানের পরমায়ু স্বর্গের সময়ানুসারে #ষোলদিন প্রদান করছি যা মত্যলোকের সময়ানুসারে #ষোলবছর হবে, কিন্তু মাতা ক্রোধিত হবেন না; এর উর্দ্দে পরমায়ু প্রদান আমার ক্ষমতায় নেই। দেবী দূর্গা ব্রহ্মাকে বলল, আমি যথাযথ সন্তুষ্ট সৃষ্টিবর। এরপর মার্কণ্ডেয় কৈলাসে অবস্থান করে এবং যখন মার্কণ্ডেয়র বয়স #আটবছর অতিক্রম করে, তখন আদ্যাশক্তি দেবী #দূর্গা মার্কেণ্ডকে একটি #শিবলিঙ্গ তৈরী করে দেয় এবং তাঁকে মহামন্ত্র প্রদান করে। দেবী দূর্গা মার্কেণ্ডকে আরো বললেন, পুত্র যতকিছু হোক তুমি এই মন্ত্রজপ বন্ধ করবে না এবং এই #শিবলিঙ্গ থেকে প্রস্থানের মনোভাব আনবে না। তখন মার্কেণ্ড জিজ্ঞাসা করলেন, মাতা এই মন্ত্রটি কিসের? উত্তরে দেবী দূর্গা মার্কেণ্ডকে বলল, এটি #মহা_মৃত্যুঞ্জয়_মন্ত্র! এই মন্ত্রটিই তোমার ভাগ্য নির্ধারণ করবে। আর সেই মহা মৃত্যুঞ্জয়ী মন্ত্রটি হলো:- ওঁম ত্র্যম্বকম্ য়াজামহে সুগন্ধিম্ পুষ্টি বর্ধনম্। উর্বারুকমিব বন্ধনান্ মৃত্যুর্মুক্ষী য়ামামৃতাৎ ।। এটিই বেদে উল্লেখিত মহামৃত্যুঞ্জয়ী মন্ত্র! তখন মার্কণ্ডেয় সেই মন্ত্রকে পাঠ করে এবং শিবলিঙ্গটিকে আরাধনা করে। এভাবে মার্কেণ্ড প্রায় #ষোলবছর বয়স পূর্ন পর্যন্ত সেই শিবলিঙ্গ এর সম্মুখে মহা মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র জপ করে। এরপর একদিন, যখন মার্কণ্ডেয়র #ষোলবছর বয়স পূর্ন হয়; তখন যমরাজ তাঁকে নিয়ে যেতে এলে মার্কণ্ডেয় সেই শিবলিঙ্গটি ছেড়ে যেতে অস্বীকার করে। যমরাজ তাঁর রজ্জু দিয়ে মার্কণ্ডেয়কে বন্ধন করলে, মার্কণ্ডেয় শিবলিঙ্গটিকে আঁকড়ে ধরে এবং মহাদেব শিবের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করতে থাকে। করুণাময় #শিব ভক্তের এমন দুর্দশা দেখে শিবলিঙ্গ থেকে আবির্ভূত হন। ক্রুদ্ধ ভগবান #শিব আক্রমণ করেন #যমকে। যম পরাভূত হন এবং মার্কণ্ডেয়ের উপর থেকে তাঁর দাবি ত্যাগ করে ফিরে যান। ভগবান শিব যমকে পরাজিত করে মৃত্যুঞ্জয় নামে পরিচিত হন। তখন থেকে মহাদেবের আরেকটি নাম প্রচারিত হয় "#মহা_মৃত্যুঞ্জয় অতঃপর মহাদেব মার্কেণ্ডকে বলল উঠো পুত্র, তোমাকে আর মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র জপ করতে হবে না; কারণ তোমার জপশক্তির প্রভাবে তোমার পূর্বের ষোড়শদিন পরমায়ু এখন #ষোড়শকল্পে রুপান্তর হয়েছে। যাও পুত্র এখন তোমার মাতা-পিতার ইচ্ছা পূর্ণের সময় এসেছে। তখন সেই স্থান থেকে মহাদেব অদৃশ্য হয়ে যান। ঠিক এভাবে ঋষি মার্কেণ্ড মহা মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র জপ করে #ষোড়শকল্প পরমায়ু অর্জন করে। আমার ধৃষ্টতা মার্জ্জ্বনা করবেন। #জয়_ভোলানাথ_সবার_মঙ্গল_করো #🐍ভোলানাথ
#

🐍ভোলানাথ

🐍ভোলানাথ - ShareChat
287 জন দেখলো
1 দিন আগে
অন্য কোথাও শেয়ার করুন
Facebook
WhatsApp
লিংক কপি করুন
মুছে ফেলুন
Embed
আমি এই পোস্ট এর বিরুদ্ধে, কারণ...
Embed Post
অন্য কোথাও শেয়ার করুন
Facebook
WhatsApp
আন-ফলো
লিংক কপি করুন
অভিযোগ
ব্লক
আমি অভিযোগ করতে চাইছি কারন...