ভারতের তরুণদের পর সফল তরুণীরাও, বাংলাদেশকে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়ন অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা দলশুক্রবার ক্রিকেট বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ পুরুষ দল। আর শনিবাসরীয় বিকেলে আরও এক ট্রফিজয়। নেপালের পোখরা রঙ্গশালায় ভারতীয় অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা দলের ত্র্যহস্পর্শে পুড়ে ছারখার হয়ে গেল বাংলাদেশ। ৪-০ গোলে পদ্মাপারের দেশকে উড়িয়ে সাফ চ্যাম্পিয়ন হল নীল বাঘিনীরা।চলতি বছরের শুরুতে অনূর্ধ্ব-১৭ ভারতীয় দলকে এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন জুলান নংমাইথেন।তিনিই ৪২ মিনিটে ভারতের হয়ে ডেডলক ভাঙেন। প্রীতিকা বর্মনের কাছ থেকে পাস পেয়ে বল জালে জড়াতে ভুল করেননি ইয়ং টাইগ্রেসদের অধিনায়ক। সেই শুরু। তারপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। যদিও প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল ভারত।
দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই বাংলাদেশের গোলমুখে মুহুর্মুহু আক্রমণ চালায় ভারত। ৬৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিখুঁত স্পট কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এলিজাবেদ লাকরা। গোলের পর আরও উজ্জীবিত হয়ে ওঠেন ভারতের মেয়ারা। ৬৮ মিনিটে বিপক্ষ গোলরক্ষক ইয়ারজান বেগমের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে জালে জড়িয়ে দেন পার্ল ফার্নান্দেজ। গোটা টুর্নামেন্টে চারটি গোল করে তিনিই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা।
৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশ আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি। শেষের দিকে ভারত আবারও আক্রমণ শানায়। বক্সের মধ্যে সেঞ্জামের নিচু ক্রস থেকে অসাধারণ গোল করেন অন্বিতা রঘুরামন। শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলে বাংলাদেশকে পর্যুদস্ত করে মাঠ ছাড়ে নীল বাঘিনীরা। ইয়ং টাইগ্রেসরা রাউন্ড-রবিন পর্বে নেপালকে ১-০ এবং ভুটানকে ৮-০ গোলে হারিয়েছিল। তবে এই বাংলাদেশের কাছেই ২-০ গোলে হারতে হয়েছিল ভারতকে। এবার পদ্মাপারের দেশকে হারিয়ে মধুর প্রতিশোধ নিয়ে দু’বছর পর ফের সাফ শিরোপা ঘরে তুলল ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা দল। #📈লেটেস্ট আপডেট📰 #📰রাজ্যের আপডেট📰 #📰দেশের আপডেট📰
ভারতের তরুণদের পর সফল তরুণীরাও, বাংলাদেশকে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়ন অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা দলশুক্রবার ক্রিকেট বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ পুরুষ দল। আর শনিবাসরীয় বিকেলে আরও এক ট্রফিজয়। নেপালের পোখরা রঙ্গশালায় ভারতীয় অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা দলের ত্র্যহস্পর্শে পুড়ে ছারখার হয়ে গেল বাংলাদেশ। ৪-০ গোলে পদ্মাপারের দেশকে উড়িয়ে সাফ চ্যাম্পিয়ন হল নীল বাঘিনীরা।চলতি বছরের শুরুতে অনূর্ধ্ব-১৭ ভারতীয় দলকে এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন জুলান নংমাইথেন।তিনিই ৪২ মিনিটে ভারতের হয়ে ডেডলক ভাঙেন। প্রীতিকা বর্মনের কাছ থেকে পাস পেয়ে বল জালে জড়াতে ভুল করেননি ইয়ং টাইগ্রেসদের অধিনায়ক। সেই শুরু। তারপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। যদিও প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল ভারত।
দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই বাংলাদেশের গোলমুখে মুহুর্মুহু আক্রমণ চালায় ভারত। ৬৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিখুঁত স্পট কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এলিজাবেদ লাকরা। গোলের পর আরও উজ্জীবিত হয়ে ওঠেন ভারতের মেয়ারা। ৬৮ মিনিটে বিপক্ষ গোলরক্ষক ইয়ারজান বেগমের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে জালে জড়িয়ে দেন পার্ল ফার্নান্দেজ। গোটা টুর্নামেন্টে চারটি গোল করে তিনিই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা।
৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশ আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি। শেষের দিকে ভারত আবারও আক্রমণ শানায়। বক্সের মধ্যে সেঞ্জামের নিচু ক্রস থেকে অসাধারণ গোল করেন অন্বিতা রঘুরামন। শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলে বাংলাদেশকে পর্যুদস্ত করে মাঠ ছাড়ে নীল বাঘিনীরা। ইয়ং টাইগ্রেসরা রাউন্ড-রবিন পর্বে নেপালকে ১-০ এবং ভুটানকে ৮-০ গোলে হারিয়েছিল। তবে এই বাংলাদেশের কাছেই ২-০ গোলে হারতে হয়েছিল ভারতকে। এবার পদ্মাপারের দেশকে হারিয়ে মধুর প্রতিশোধ নিয়ে দু’বছর পর ফের সাফ শিরোপা ঘরে তুলল ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা দল। #📈লেটেস্ট আপডেট📰 #📰রাজ্যের আপডেট📰 #📰দেশের আপডেট📰
ভারতের তরুণদের পর সফল তরুণীরাও, বাংলাদেশকে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়ন অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা দলশুক্রবার ক্রিকেট বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ পুরুষ দল। আর শনিবাসরীয় বিকেলে আরও এক ট্রফিজয়। নেপালের পোখরা রঙ্গশালায় ভারতীয় অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা দলের ত্র্যহস্পর্শে পুড়ে ছারখার হয়ে গেল বাংলাদেশ। ৪-০ গোলে পদ্মাপারের দেশকে উড়িয়ে সাফ চ্যাম্পিয়ন হল নীল বাঘিনীরা।চলতি বছরের শুরুতে অনূর্ধ্ব-১৭ ভারতীয় দলকে এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন জুলান নংমাইথেন।তিনিই ৪২ মিনিটে ভারতের হয়ে ডেডলক ভাঙেন। প্রীতিকা বর্মনের কাছ থেকে পাস পেয়ে বল জালে জড়াতে ভুল করেননি ইয়ং টাইগ্রেসদের অধিনায়ক। সেই শুরু। তারপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। যদিও প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল ভারত।
দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই বাংলাদেশের গোলমুখে মুহুর্মুহু আক্রমণ চালায় ভারত। ৬৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিখুঁত স্পট কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এলিজাবেদ লাকরা। গোলের পর আরও উজ্জীবিত হয়ে ওঠেন ভারতের মেয়ারা। ৬৮ মিনিটে বিপক্ষ গোলরক্ষক ইয়ারজান বেগমের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে জালে জড়িয়ে দেন পার্ল ফার্নান্দেজ। গোটা টুর্নামেন্টে চারটি গোল করে তিনিই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা।
৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশ আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি। শেষের দিকে ভারত আবারও আক্রমণ শানায়। বক্সের মধ্যে সেঞ্জামের নিচু ক্রস থেকে অসাধারণ গোল করেন অন্বিতা রঘুরামন। শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলে বাংলাদেশকে পর্যুদস্ত করে মাঠ ছাড়ে নীল বাঘিনীরা। ইয়ং টাইগ্রেসরা রাউন্ড-রবিন পর্বে নেপালকে ১-০ এবং ভুটানকে ৮-০ গোলে হারিয়েছিল। তবে এই বাংলাদেশের কাছেই ২-০ গোলে হারতে হয়েছিল ভারতকে। এবার পদ্মাপারের দেশকে হারিয়ে মধুর প্রতিশোধ নিয়ে দু’বছর পর ফের সাফ শিরোপা ঘরে তুলল ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা দল। #📰রাজ্যের আপডেট📰 #📰দেশের আপডেট📰 #📈লেটেস্ট আপডেট📰
#🪙কী সস্তা, কী ব্যয়বহুল হল ২০২৬এর বাজেটে❓ ঐক্য জোট ২০২৬ নিয়ে কঠোর লড়াই, নারী কৃষক ও শিক্ষা বলে কটাক্ষ মতারনিল্লি যাওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রীর নেতাকে আখ্যা দেন। জীবন' হিসাবে।তাঁর অ
#🪙কী সস্তা, কী ব্যয়বহুল হল ২০২৬এর বাজেটে❓ ইউনিয়ন বাজেট ২০২৬ নিয়ে তীব্র আক্রমণ বিরোধীদের, নারী, কৃষক ও শিক্ষা বিরোধী বলে কটাক্ষ মমতারনিদিল্লি যাওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রী বাজেটকে আখ্যা দেন 'নারী বিরোধী, কৃষক বিরোধী ও শিক্ষা বিরোধী' হিসেবে।র্মলা সীতারমনের উপস্থাপিত ইউনিয়ন বাজেট ২০২৬-২৭ নিয়ে শুরু থেকেই তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, এই বাজেটে বাংলার জন্য "কিছুই নেই"।তাঁর অভিযোগ, এই বাজেটে সাধারণ মানুষের স্বার্থ সম্পূর্ণ উপেক্ষিত। পাশাপাশি তিনি একে "দিশাহীন" ও "দূরদর্শিতাহীন" বলেও কটাক্ষ করেন। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপির বিরুদ্ধে এই বাজেটকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবেও দেখছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
শুধু বাংলা নয়, বাজেট নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে দেশের অন্যান্য বিরোধী রাজ্যগুলিও। দিল্লিতে বিরোধী শিবির থেকে কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর জানান, নির্বাচনমুখী কেরালাও বাজেটে কার্যত উপেক্ষিত। তাঁর কথায়, "আমরা বহুদিন ধরে কেরালায় অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ আয়ুর্বেদ চেয়েছিলাম। কিন্তু বাজেট বক্তৃতায় কেরালার নামই শোনা গেল না।"
থারুর আরও বলেন, "মৎস্যজীবী ও নারকেলের প্রসঙ্গ উঠেছে যা কেরালার সঙ্গেই যুক্ত। অথচ জাহাজ মেরামতির ক্ষেত্রে বারাণসী ও পাটনার নাম উল্লেখ করা হলো, কেরালার নয়। বিষয়টি কিছুটা বিস্ময়কর।" তবে তিনি এটাও জানান, বাজেট নথি এখনও সম্পূর্ণ পড়া হয়নি ও বক্তৃতায় বিস্তারিত তথ্যের অভাব ছিল।
এদিকে, লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, "সংসদের মঞ্চে কাল এ বিষয়ে বলব।"
কংগ্রেস দল সামগ্রিকভাবে বাজেটকে 'নিষ্প্রভ' বলে অভিহিত করেছে। দলের জ্যেষ্ঠ সাংসদ জয়রাম রমেশ বলেন, "৯০ মিনিটের বক্তৃতার পরেই স্পষ্ট, বাজেট ২০২৬-২৭ নিয়ে যে বড় প্রত্যাশা তৈরি করা হয়েছিল, তা পূরণ হয়নি। এটি সম্পূর্ণরূপে অনুজ্জ্বল।" তাঁর আরও অভিযোগ, বাজেট বক্তৃতায় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ও কর্মসূচির জন্য কত টাকা বরাদ্দ হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও স্বচ্ছতা নেই।
তবে ইউনিয়ন বাজেট ২০২৬ নিয়ে বিরোধী শিবিরের অসন্তোষ ক্রমশই জোরালো হচ্ছে, যা আগামী দিনে সংসদের ভিতরে ও বাইরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র করবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
ইউনিয়ন বাজেট ২০২৬ নিয়ে তীব্র আক্রমণ বিরোধীদের, নারী, কৃষক ও শিক্ষা বিরোধী বলে কটাক্ষ মমতারনি#🪙কী সস্তা, কী ব্যয়বহুল হল ২০২৬এর বাজেটে❓ তাঁর অভিযোগ, এই বাজেটে সাধারণ মানুষের স্বার্থ সম্পূর্ণ উপেক্ষিত। পাশাপাশি তিনি একে "দিশাহীন" ও "দূরদর্শিতাহীন" বলেও কটাক্ষ করেন। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপির বিরুদ্ধে এই বাজেটকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবেও দেখছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
শুধু বাংলা নয়, বাজেট নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে দেশের অন্যান্য বিরোধী রাজ্যগুলিও। দিল্লিতে বিরোধী শিবির থেকে কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর জানান, নির্বাচনমুখী কেরালাও বাজেটে কার্যত উপেক্ষিত। তাঁর কথায়, "আমরা বহুদিন ধরে কেরালায় অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ আয়ুর্বেদ চেয়েছিলাম। কিন্তু বাজেট বক্তৃতায় কেরালার নামই শোনা গেল না।"
থারুর আরও বলেন, "মৎস্যজীবী ও নারকেলের প্রসঙ্গ উঠেছে যা কেরালার সঙ্গেই যুক্ত। অথচ জাহাজ মেরামতির ক্ষেত্রে বারাণসী ও পাটনার নাম উল্লেখ করা হলো, কেরালার নয়। বিষয়টি কিছুটা বিস্ময়কর।" তবে তিনি এটাও জানান, বাজেট নথি এখনও সম্পূর্ণ পড়া হয়নি ও বক্তৃতায় বিস্তারিত তথ্যের অভাব ছিল।
এদিকে, লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, "সংসদের মঞ্চে কাল এ বিষয়ে বলব।"
কংগ্রেস দল সামগ্রিকভাবে বাজেটকে 'নিষ্প্রভ' বলে অভিহিত করেছে। দলের জ্যেষ্ঠ সাংসদ জয়রাম রমেশ বলেন, "৯০ মিনিটের বক্তৃতার পরেই স্পষ্ট, বাজেট ২০২৬-২৭ নিয়ে যে বড় প্রত্যাশা তৈরি করা হয়েছিল, তা পূরণ হয়নি। এটি সম্পূর্ণরূপে অনুজ্জ্বল।" তাঁর আরও অভিযোগ, বাজেট বক্তৃতায় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ও কর্মসূচির জন্য কত টাকা বরাদ্দ হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও স্বচ্ছতা নেই।
তবে ইউনিয়ন বাজেট ২০২৬ নিয়ে বিরোধী শিবিরের অসন্তোষ ক্রমশই জোরালো হচ্ছে, যা আগামী দিনে সংসদের ভিতরে ও বাইরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র করবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
SIR চলাকালীন চাঞ্চল্যকর ঘটনা, সম্পত্তির দখল নিতেই বাবা পরিচয়ে ভোটার কার্ড? বিস্ফোরক অভিযোগ বাংলাদেশির বিরুদ্ধেরাজ্যে যখন এসআইআর (SIR) নিয়ে রাজনৈতিক পারদ তুঙ্গে, ঠিক তখনই শিলিগুড়ি মহকুমার ফাঁসিদেওয়া ব্লকের লিম্বুটারি এলাকায় এক চাঞ্চল্যকর জালিয়াতির ঘটনা প্রকাশ্যে এল। জনৈক ডিকারু রায় নামে এক ব্যক্তিকে নিজের 'বাবা' পরিচয় দিয়ে ভোটার কার্ড তৈরি করে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে এদেশে বসবাসের অভিযোগ উঠল হরেন রায় নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।অভিযোগের তির হরেন রায়ের দিকে। স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রায় দুই দশক আগে হরেন রায় ওপার বাংলা অর্থাৎ বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে এদেশ অনুপ্রবেশ করেন। অভিযোগ উঠেছে, তিনি স্থানীয় বাসিন্দা ডিকারু রায়ের নথিপত্র কৌশলে ব্যবহার করে নিজেকে তাঁর সন্তান হিসেবে পরিচয় দিয়ে সরকারি নথিতে নাম তোলেন। ডিকারু রায়ের আসল পরিবার অর্থাৎ তাঁর সন্তানরা এখন নিজেদের ভিটেমাটি ও আইনি পরিচয় নিয়ে আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন।ডিকারু রায়ের ছেলে বিশু রায় সংবাদমাধ্যমকে জানান, ২০ বছর আগে কাস্ট সার্টিফিকেট বা জাতিগত শংসাপত্র করে দেওয়ার নাম করে তাঁদের কাছ থেকে বেশ কিছু নথিপত্র নিয়েছিলেন হরেন রায়। অভিযোগ, সেই নথির অপব্যবহার করেই তিনি ডিকারু রায়কে নিজের বাবা হিসেবে দেখিয়ে ভোটার কার্ড বানিয়ে ফেলেন। ডিকারু বাবু স্পষ্ট ভাষায় বলেন, "আমার নাম ব্যবহার করে ও ভোটার কার্ড বানিয়েছে। আমার দুই ছেলে আর এক মেয়ে ছাড়া আর কোনো ওয়ারিশ নেই। আমি চাই অবিলম্বে ওর নাম তালিকা থেকে কাটা হোক।"দীর্ঘ ২০ বছর চুপ থাকলেও এখন কেন অভিযোগ তুলছেন? এই প্রশ্নের উত্তরে উঠে আসছে এসআইআর (SIR) আতঙ্ক। বর্তমানে রাজ্যে অনুপ্রবেশকারী শনাক্তকরণ ও নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিভিন্ন সমীক্ষার কাজ শুরু হওয়ার জল্পনায় ডিকারু রায়ের পরিবার শঙ্কিত। তাঁদের আশঙ্কা, হরেন রায় যদি সরকারি কাগজে ডিকারু বাবুর ছেলে হিসেবে থেকে যান, তবে ভবিষ্যতে তিনি সম্পত্তির ভাগ দাবি করবেন। সেই আইনি জটিলতা এড়াতেই এখন বিডিওর দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, অভিযুক্ত হরেন রায় নিজের বাংলাদেশি পরিচয়ের কথা অস্বীকার করেননি। তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে স্বীকার করেছেন যে, বাংলাদেশে ধর্মীয় উৎপীড়নের শিকার হয়ে ২০ বছর আগে তিনি এদেশে চলে আসতে বাধ্য হয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি ডিকারু বাবুর পাড়াতেই বসবাস করেন। তবে সম্পত্তির ভাগ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি জানান, তাঁর এমন কোনো উদ্দেশ্য নেই।এই ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। গত বছরের ২২ ডিসেম্বর ডিকারু রায় এবং চলতি মাসের ২ তারিখ বিশু রায় ফাঁসিদেওয়ার বিডিওর কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মৃত্যুঞ্জয় রায় এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। অন্যদিকে, ফাঁসিদেওয়ার বিডিও বনানী মজুমদারকে ফোন এবং হোয়াটসঅ্যাপ করা হলেও তাঁর কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের এই নীরবতায় লিম্বুটারি এলাকার সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভ দানা বাঁধছে। নাগরিকত্ব জালিয়াতির মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে কেন তদন্তে দেরি হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
#📈লেটেস্ট আপডেট📰 #📰রাজ্যের আপডেট📰 #📰দেশের আপডেট📰
SIR চলাকালীন চাঞ্চল্যকর ঘটনা, সম্পত্তির দখল নিতেই বাবা পরিচয়ে ভোটার কার্ড? বিস্ফোরক অভিযোগ বাংলাদেশির বিরুদ্ধেরাজ্যে যখন এসআইআর (SIR) নিয়ে রাজনৈতিক পারদ তুঙ্গে, ঠিক তখনই শিলিগুড়ি মহকুমার ফাঁসিদেওয়া ব্লকের লিম্বুটারি এলাকায় এক চাঞ্চল্যকর জালিয়াতির ঘটনা প্রকাশ্যে এল। জনৈক ডিকারু রায় নামে এক ব্যক্তিকে নিজের 'বাবা' পরিচয় দিয়ে ভোটার কার্ড তৈরি করে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে এদেশে বসবাসের অভিযোগ উঠল হরেন রায় নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।অভিযোগের তির হরেন রায়ের দিকে। স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রায় দুই দশক আগে হরেন রায় ওপার বাংলা অর্থাৎ বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে এদেশ অনুপ্রবেশ করেন। অভিযোগ উঠেছে, তিনি স্থানীয় বাসিন্দা ডিকারু রায়ের নথিপত্র কৌশলে ব্যবহার করে নিজেকে তাঁর সন্তান হিসেবে পরিচয় দিয়ে সরকারি নথিতে নাম তোলেন। ডিকারু রায়ের আসল পরিবার অর্থাৎ তাঁর সন্তানরা এখন নিজেদের ভিটেমাটি ও আইনি পরিচয় নিয়ে আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন।ডিকারু রায়ের ছেলে বিশু রায় সংবাদমাধ্যমকে জানান, ২০ বছর আগে কাস্ট সার্টিফিকেট বা জাতিগত শংসাপত্র করে দেওয়ার নাম করে তাঁদের কাছ থেকে বেশ কিছু নথিপত্র নিয়েছিলেন হরেন রায়। অভিযোগ, সেই নথির অপব্যবহার করেই তিনি ডিকারু রায়কে নিজের বাবা হিসেবে দেখিয়ে ভোটার কার্ড বানিয়ে ফেলেন। ডিকারু বাবু স্পষ্ট ভাষায় বলেন, "আমার নাম ব্যবহার করে ও ভোটার কার্ড বানিয়েছে। আমার দুই ছেলে আর এক মেয়ে ছাড়া আর কোনো ওয়ারিশ নেই। আমি চাই অবিলম্বে ওর নাম তালিকা থেকে কাটা হোক।"দীর্ঘ ২০ বছর চুপ থাকলেও এখন কেন অভিযোগ তুলছেন? এই প্রশ্নের উত্তরে উঠে আসছে এসআইআর (SIR) আতঙ্ক। বর্তমানে রাজ্যে অনুপ্রবেশকারী শনাক্তকরণ ও নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিভিন্ন সমীক্ষার কাজ শুরু হওয়ার জল্পনায় ডিকারু রায়ের পরিবার শঙ্কিত। তাঁদের আশঙ্কা, হরেন রায় যদি সরকারি কাগজে ডিকারু বাবুর ছেলে হিসেবে থেকে যান, তবে ভবিষ্যতে তিনি সম্পত্তির ভাগ দাবি করবেন। সেই আইনি জটিলতা এড়াতেই এখন বিডিওর দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, অভিযুক্ত হরেন রায় নিজের বাংলাদেশি পরিচয়ের কথা অস্বীকার করেননি। তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে স্বীকার করেছেন যে, বাংলাদেশে ধর্মীয় উৎপীড়নের শিকার হয়ে ২০ বছর আগে তিনি এদেশে চলে আসতে বাধ্য হয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি ডিকারু বাবুর পাড়াতেই বসবাস করেন। তবে সম্পত্তির ভাগ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি জানান, তাঁর এমন কোনো উদ্দেশ্য নেই।এই ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। গত বছরের ২২ ডিসেম্বর ডিকারু রায় এবং চলতি মাসের ২ তারিখ বিশু রায় ফাঁসিদেওয়ার বিডিওর কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মৃত্যুঞ্জয় রায় এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। অন্যদিকে, ফাঁসিদেওয়ার বিডিও বনানী মজুমদারকে ফোন এবং হোয়াটসঅ্যাপ করা হলেও তাঁর কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের এই নীরবতায় লিম্বুটারি এলাকার সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভ দানা বাঁধছে। নাগরিকত্ব জালিয়াতির মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে কেন তদন্তে দেরি হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
#📰দেশের আপডেট📰 #📰রাজ্যের আপডেট📰 #📈লেটেস্ট আপডেট📰
SIR চলাকালীন চাঞ্চল্যকর ঘটনা, সম্পত্তির দখল নিতেই বাবা পরিচয়ে ভোটার কার্ড? বিস্ফোরক অভিযোগ বাংলাদেশির বিরুদ্ধেরাজ্যে যখন এসআইআর (SIR) নিয়ে রাজনৈতিক পারদ তুঙ্গে, ঠিক তখনই শিলিগুড়ি মহকুমার ফাঁসিদেওয়া ব্লকের লিম্বুটারি এলাকায় এক চাঞ্চল্যকর জালিয়াতির ঘটনা প্রকাশ্যে এল। জনৈক ডিকারু রায় নামে এক ব্যক্তিকে নিজের 'বাবা' পরিচয় দিয়ে ভোটার কার্ড তৈরি করে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে এদেশে বসবাসের অভিযোগ উঠল হরেন রায় নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।অভিযোগের তির হরেন রায়ের দিকে। স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রায় দুই দশক আগে হরেন রায় ওপার বাংলা অর্থাৎ বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে এদেশ অনুপ্রবেশ করেন। অভিযোগ উঠেছে, তিনি স্থানীয় বাসিন্দা ডিকারু রায়ের নথিপত্র কৌশলে ব্যবহার করে নিজেকে তাঁর সন্তান হিসেবে পরিচয় দিয়ে সরকারি নথিতে নাম তোলেন। ডিকারু রায়ের আসল পরিবার অর্থাৎ তাঁর সন্তানরা এখন নিজেদের ভিটেমাটি ও আইনি পরিচয় নিয়ে আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন।ডিকারু রায়ের ছেলে বিশু রায় সংবাদমাধ্যমকে জানান, ২০ বছর আগে কাস্ট সার্টিফিকেট বা জাতিগত শংসাপত্র করে দেওয়ার নাম করে তাঁদের কাছ থেকে বেশ কিছু নথিপত্র নিয়েছিলেন হরেন রায়। অভিযোগ, সেই নথির অপব্যবহার করেই তিনি ডিকারু রায়কে নিজের বাবা হিসেবে দেখিয়ে ভোটার কার্ড বানিয়ে ফেলেন। ডিকারু বাবু স্পষ্ট ভাষায় বলেন, "আমার নাম ব্যবহার করে ও ভোটার কার্ড বানিয়েছে। আমার দুই ছেলে আর এক মেয়ে ছাড়া আর কোনো ওয়ারিশ নেই। আমি চাই অবিলম্বে ওর নাম তালিকা থেকে কাটা হোক।"দীর্ঘ ২০ বছর চুপ থাকলেও এখন কেন অভিযোগ তুলছেন? এই প্রশ্নের উত্তরে উঠে আসছে এসআইআর (SIR) আতঙ্ক। বর্তমানে রাজ্যে অনুপ্রবেশকারী শনাক্তকরণ ও নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিভিন্ন সমীক্ষার কাজ শুরু হওয়ার জল্পনায় ডিকারু রায়ের পরিবার শঙ্কিত। তাঁদের আশঙ্কা, হরেন রায় যদি সরকারি কাগজে ডিকারু বাবুর ছেলে হিসেবে থেকে যান, তবে ভবিষ্যতে তিনি সম্পত্তির ভাগ দাবি করবেন। সেই আইনি জটিলতা এড়াতেই এখন বিডিওর দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, অভিযুক্ত হরেন রায় নিজের বাংলাদেশি পরিচয়ের কথা অস্বীকার করেননি। তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে স্বীকার করেছেন যে, বাংলাদেশে ধর্মীয় উৎপীড়নের শিকার হয়ে ২০ বছর আগে তিনি এদেশে চলে আসতে বাধ্য হয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি ডিকারু বাবুর পাড়াতেই বসবাস করেন। তবে সম্পত্তির ভাগ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি জানান, তাঁর এমন কোনো উদ্দেশ্য নেই।এই ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। গত বছরের ২২ ডিসেম্বর ডিকারু রায় এবং চলতি মাসের ২ তারিখ বিশু রায় ফাঁসিদেওয়ার বিডিওর কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মৃত্যুঞ্জয় রায় এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। অন্যদিকে, ফাঁসিদেওয়ার বিডিও বনানী মজুমদারকে ফোন এবং হোয়াটসঅ্যাপ করা হলেও তাঁর কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের এই নীরবতায় লিম্বুটারি এলাকার সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভ দানা বাঁধছে। নাগরিকত্ব জালিয়াতির মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে কেন তদন্তে দেরি হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
#📰দেশের আপডেট📰 #📰রাজ্যের আপডেট📰 #📈লেটেস্ট আপডেট📰
রেকর্ড ঠান্ডার পর রাজ্যজুড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া দপ্তর। গত কয়েকদিনের হাড়কাঁপানো ঠান্ডা কমে যাওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, তবে কি এবার সময়ের আগেই বিদায় নিচ্ছে শীত? আগামী কয়েকদিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ঘন কুয়াশার সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।এবছর রেকর্ড করা ঠান্ডা উপভোগ করেছে রাজ্যবাসী।কনকনে ঠান্ডায় কার্যত গৃহবন্দি ছিলেন অনেকে। ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে বাড়তে শুরু করে ঠান্ডা। এবর কলকাতার তাপমাত্রা নেমেছিল প্রায় ১০ ডিগ্রিতে। তবে, শেষ ২-৩দিন ধরে ফের বদল হচ্ছে আবহাওয়া।
হাড়কাঁপানি সেই ঠান্ডা আর অনুভূত হচ্ছে না গত কদিন ধরে। এই পরিস্থিতিতে অনেকের মনেই প্রশ্ন, তাহলে কি এবারের মতো বিদায় নিতে চলেছে তীব্র শীত? এবার নিয়েনিয়ে পূর্বাভাস দিল IMD।
চলতি সপ্তাহ থেকে কমতে চলছে ঠান্ডা। 'মাঘের শীত বাঘের গায়ে' এই প্রবাদ কার্যকর হচ্ছে না এবছর। এবার রাজ্যে তাপমাত্রা বাড়বে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি। আজ কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ২৫ ডিগ্রি আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।আগামী পাঁচ দিন বাড়বে কুয়াশার দাপট। আগামী কয়েকদিন ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়তে পারে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার। কম ঘন থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে অন্যান্য রাজ্যে। এরই সঙ্গে রবিবার থেকে কমবে পারদ।উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর ও মালদা-তে শনিবার, রবিবার দার্জিলিং, কোচবিহার উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর ও মালদা এবং সোমবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুরের একটি বা দুটি অংশ পড়বে কুয়াশা। #📈লেটেস্ট আপডেট📰 #📰রাজ্যের আপডেট📰 #📰আবহাওয়ার আপডেট📰 #📰দেশের আপডেট📰













