@raju0057
@raju0057

অভিমানী রাজপুত্র।।।

আমি যাকে ভালোবাসি,সে আমায় ভালোবাসে।।।

🔵 মৃত্যুর পর মায়ের চিঠি ! 🔵 👉 মা মারা যাওয়ার কিছু দিন পর,মায়ের ঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে মায়ের হাতের লেখা একটি চিঠি পায় তার একমাত্র ছেলে। চিঠিতে লেখা ছিল খোকা,এই চিঠি যখন তোর হাতে পড়বে তখন আমি তোর কাছ থেকে অনেক দুরে চলে যাবো,যেখান থেকে কেউ কোনো দিন ফিরে আসে না। খোকা,তোর অনেক কথাই মনে নেই,তাই এই চিঠিতে লিখে গেলাম তোর মনে না থাকা সেই কথা গুলি।তুই যখন ছোট্ট ছিলি একবার তোর জ্বর এসেছিলো,আমি তিন রাত ঘুমাতে পারিনি তোকে বুকে নিয়ে বসে ছিলাম,কারন তোকে বিছানায় শোয়ালেই তুই কেঁদে উঠতি। তোর বাবা আমাকে বলেছিলো তোকে শুইয়ে রাখতে কিন্তু আমি পারিনি ! সে জন্য আমাকে অনেক কথা শুনিয়েছিলো তোর বাবা । তোকে যখন রাতে বিছানায় শোয়াতাম,তুই প্রশ্রাব করে বার বার বিছানা ভিজিয়ে ফেলতি তখন আমি তোকে আবার শুকনো জায়গায় শোয়াতাম আর আমি তোর প্রশ্রাবে ভেজা জায়গায় শুয়ে থাকতাম। তোর বাবা যখন মারা গেলো,তখন অনেক কষ্টে আমাকে সংসারটা চালাতে হয়েছিলো,একটা ডিম ভেজে দুই টুকরো করে তোকে দু'বেলায় দিতাম,এমনও দিন গেছে শুধু লবন দিয়ে ভাত খেয়েছি আমি,কিন্তু তোকে বুঝতে দেই নাই আমি।একদিন রান্না করার মতো কোনো চাল ছিলো না ঘরে,তখন কোনো উপায় না পেয়ে একবাড়িতে কাজ করে কিছু চাল এনে ভাত রেঁধে খাইয়েছিলাম তোকে। হয়তো তুই ভুলে গেছিস,যখন তোর এস এস সি পরিক্ষিার ফি দিতে পারছিলাম না তখন তোর বাবার দেয়া শেষ স্মৃতি নাকফুলটা বিক্রি করে দিয়েছিলাম,আরো অনেক কথা আছে যা লিখতে গেলে হয়তো খাতা শেষ হয়ে যাবে,কিন্তু লেখা শেষ হবে না। ভাবছিস এতো কথা তোকে কেন লিখে গেলাম,,, খোকা তুই যখন বড়ো হলি একটা ভালো চাকরি পেলি,, এর কিছুদিন পরে বিয়ে করলি,তখন আমি তোদের নিয়ে ভালোই ছিলাম। মনে আছে খোকা ? একদিন ঘর থেকে কিছু টাকা চুরি হলো,সেদিন তুই আমাকে জিগ্যেস করেছিলি আমি তোর টাকার ব্যাপারে কিছু জানি কি না,তুই আমাকে সরাসরি কিছু না বললেও আমি বুঝতে পেরেছিলাম তুই আমাকে চোর ভেবেছিলি। এর কিছুদিন পর তুই আমাকে চোরের অপবাদ দিয়ে অন্য একটি ঘরে রেখে দিলি। খোকা আমার সেই ঘরটিতে থাকতে অনেক ভয় করতো,কারন ঘরটি তোদের কাছ থেকে অনেক দুরে ছিলো,খোকা তোকে একদিন বলেও ছিলাম আমার একা একা থাকতে ভয় লাগে,তুই বলেছিলি মরন আসলে যে কোনো যায়গায় আসবে। আমার হাঁটুর ব্যাথাটা বেড়ে ছিলো তাই তোকে বলেছিলাম খোকা, আমাকে কিছু ঔষদ কিনে দিবি,তুই বলেছিলি এই বয়সে ঔষধ খাওয়া লাগে না,এমনি এমনি ঠিক হয়ে যাবে। খোকা বিছানা থেকে উঠতে পারতাম না,শরীরে ফোসকা পড়ে গিয়েছিলো শরীর থেকে পঁচা গন্ধ আসতো, কতো দিন যে স্নান করিনি তা ঠিক বলতে পারবো না,খোকা তোর ঘরটা ছিলো আমার ঘরের থেকে অনেক দুরে,কখন আশিস কখন চলে যাস আমি কিছুই দেখতে পারতাম না,তবুও পথের দিকে তাকিয়ে থাকতাম,খোকা, তুই যখন ছোট ছিলি আমি খেতে বসলে তোকে কোলে নিয়ে খেতে বসতাম,তবুও কখনো তোকে চোখের আড়াল হতে দিতাম না। খোকা, যখন তুই আমার কোলে পায়খানা করে দিতি,তোর পায়খানা পরিস্কার করতে আমার একটুও ঘৃনা লাগতো না,কিন্তু তুই যখন আমার কাছে আসতি তখন নাকে রুমাল দিয়ে আসতি,ক্যানোরে খোকা আমার শরীর দিয়ে গন্ধ আসতো বলে ? এক কাপড়ে আমাকে কতো মাস যে থাকতে হয়েছে তা আমি ঠিক বলতে পারবো নারে, খোকা। তুই যখন অনেক দিন পর একবার আমাকে দেখতে এসেছিলি আমার খুব ইচ্ছে ছিলো তোকে বুকে জড়িয়ে ধরি কিন্তু খোকা পারিনি তোকে বুকে জড়িয়ে ধরতে,কারণ, আমার শরীরে তো অনেক ময়লা ছিলো,তাতে যদি তোর দামি সার্ট প্যান্ট নষ্ট হয়ে যায় এই ভয়েতে তোকে বুকে নিতে পারিনি সেদিন। খোকা কখনো আমাকে একবারও জিগ্যেস করিসনি, মা তোমার কিছু খেতে মন চায়,খাওয়ার কথা থাক,, কতদিন যে তোর মুখে মা ডাক শুনিনি,তাও ঠিক বলতে পারবো না। খোকা,আমার কি অপরাধ ছিলো,যে আমাকে তোর কাছ থেকে অনেক দুরে রাখলি,খোকা, তুই কি পারতি না আমাকে তোর কাছে রাখতে ? খোকা তুই কি পারতি না,, আমাকে একটা কাপড় কিনে দিতে ? খোকা, তুই কি পারতি না,, আমাকে একটা ডাক্তার দেখাতে ? আমাকে একটা ডাক্তার দেখালে হয়তো এই পৃথিবীতে আরো কিছুদিন থাকতে পারতাম,খোকা, কোনো মা তার সন্তানের কাছে পেট ভরে খেতে চায় না,শুধু মন ভরে *মা* ডাক শুনতে চায়,যা তুই কখনোই বুঝতে চাসনি। খোকা তোকে একটি শেষ অনুরোধ করছি,আমার এই চিঠিটা তোর সন্তানদের পড়ে শোনাবি,কারণ,তুই বৃদ্ধ হলে তোর সাথে তোর সন্তানেরা যাতে এরকমটি আর না করে। ভালো থাকিশ খোকা। ইতি,,,,,,,,,,,,, তোর,,,,,,,মা #👩🏽‍💻প্রতিভা
#

👩🏽‍💻প্রতিভা

👩🏽‍💻প্রতিভা - ShareChat
138 জন দেখলো
3 দিন আগে
"প্রেক্ষাপট" বর্তমানে ইন এ রিলেশনশিপ একটা কমন ব্যাপার। আর এটা সহজ করে দিয়েছে সামাজিক মাধ্যমগুলো।ক্লাস সিক্সে পড়া ছেলে-মেয়েরা ও এখন ফেসবুকে পোস্ট দেয় ইন এ রিলেশনশিপ অমুক বা তমুক।তবে এখনকার রিলেশনশিপ গুলোতে ভালোবাসা কতটুকু থাকে সেটা নিয়েই সন্দেহ।এখনকার ভালোবাসা গুলো মনে হয় বেশীর ভাগই বয়ফ্রেন্ড গার্লফ্রেন্ড নামক মুখো শব্দের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।যেটা আবার সংক্ষিপ্ত আকারে বফ গফ ও বলা হয়ে থাকে। কিছু কিছু ভালোবাসা তো এখন দেহ ব্যবসার মত হয়ে গেছে।কথাটা খারাপ শোনালেও প্রেক্ষাপট এটাই বলে।কি এমন ভালোবাসে একটা ছেলে যে একটা মেয়ে সেই ছেলের কাছে নিজের সব থেকে দামী জিনিসটা তুলে দিচ্ছে।তার কি একটুও বোধগম্য হয় না যে ছেলে তার দেহ চাইতে পারে সে কখনও তাকে ভালোবাসতে পারে না।আর যে ছেলেটি একটি মেয়ের দেহের জন্য ভালোবাসে সে তো তার সাথে প্রতারণা করবেই এটা কি স্বাভাবিক নয়??? কেউ কেউ বলবে যে ছেলেটিকে বিশ্বাস করে ছিলো মেয়েটি তাই এমনটা করেছে।সেখানে একটা কথাই বলবো যে ছেলেটা কি মেয়েটাকে কালোযাদু করেছে যে একটা কু প্রস্তাব দেয়ার পরও রাজি হয়ে যাবে।আর নিজের সব থেকে অতি মুল্যবান জিনিসটা বিলিয়ে দিয়ে জিম্মি হয়ে থাকবে।হয়তো অতি আবেগপ্রবন হয়ে গিয়েছিল তার মানে এই না নিজের দেহ অন্যকে বিলিয়ে দিতে হবে। আবেগে জীবন চলে না, জীবন চলে বাস্তবতায়। প্রেক্ষাপট এই ভালোবাসার দিক দিয়ে সব থেকে ঠকায় যাদের তারা হলো মধ্যবিত্ত।মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেটি বা মেয়েটি যদি কাউকে ভালোবাসে তার পরিনতি কখনো ভালো হয় না।কারন যখন মেয়েটির বিয়ের জন্য বাসা থেকে বলা হয় তখন তার ভালোবাসার মানুষটি নিজের ক্যারিয়ার গড়তে প্রস্তুতি নিচ্ছে আর না হয় পরিবারের হাল ধরতে ব্যস্ত। বর্তমানে যে রিলেশনশিপ এ জড়ায় না সে একটা এলিয়েন।তার ধারনা একটু দেই দুই বন্ধুর কথোপকথনের মাধ্যমে....... - দোস্ত চল খেলতে যাই বিকেলে। -না আমার একটু কাজ আছে। -কি কাজ??? -বিকেলে একটু ঘুরতে যাবো ওরে নিয়ে। -ওহ যাহ তবে। -হুম,তুই তো বেটা একটা রিলেশন ও করতে পারলি না। কথাগুলো এমনি হয়।আসলে রিলেশন করাটাই কি সব কিছু???কিছু ছেলে মেয়েরা বন্ধুদের এসব কথায় বিরক্ত হয়েও রিলেশনে জড়ায়। আর তার পরিনামে বিপরীতে থাকা ছেলেটা বা মেয়েরাকে পেতে হয় মন ভাঙার কষ্ট। আর বর্তমানে ব্রেকাপ তো এক মুখো শব্দ মাত্র।যখন ইচ্ছা হয় রিলেশনে থাকলাম ইচ্ছা না হলেই ব্রেকাপ।যদি কোন একটা ছেলে যদি একটা মেয়ের রিলেশনে ব্রেকাপ করে তখন মেয়েটির কথাটা হয় এমন "" সব ছেলেরাই খারাপ""।আর বান্ধুবীদের মন্তব্য হয় এমন আরে ছেলের কি অভাব নাকি। এটাই হলো মন ভাঙার সান্তনা। আর যদি মেয়ে ব্রেকাপ করে তবে যদি ভালো ছেলে হয় তাহলে বলে "" সব মেয়েরাই খারাপ""।কিন্তু যদি একটু বাঁকা ধরনের হয় তবেই মেয়েটির মহাবিপদ।কেননা তখন মেয়েটির সম্পর্কে তার কথা বলার কোন মাত্রা থাকে না।কথা গুলো হয় এমন "" খেয়ে ছেড়ে দিছি,আরে ওইটা তো মা* ছিলো""।যদি তার থেকেও খারাপ কিছু বলা যায় তবে তাও বলে। রিলেশনশিপে অনেক ভালোবাসা থাকে আর থাকবে এটাই স্বাভাবিক। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপট অনুযায়ী এটা ব্যতিক্রম দিক বলা চলে।ব্যতিক্রম বলার কারন খুব কম সংখ্যক রিলেশনই সমাপ্তি সফলভাবে হয়।পেয়ে যায় একটি মেয়ে বা একটি ছেলে তার মনের মধ্যে ধরে রাখা সেই মানুষকে। তবে প্রেক্ষাপট কখনো ব্যতিক্রম দিকে নজর দেয় না।তারা সবসময় অসমাপ্ত দিকেই ছুটে চলে।তবে আমাদের নিজেকে পাল্টাতে হবে ভালো দিকের বিষয়ে নজর দিতে হবে।অসমাপ্ত ও ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিতে রুখে দাঁড়াবার। আর সাফল্য থেকে শিক্ষা নিতে হবে আগামীর পথ চলা। ভালো থাকুক ভালোবাসা গুলো,ভালো থাকুক ভালোবাসার মানুষগুলো আর মানুষের ভালোবাসা আজীবন...... #ছেলে-vs-মেয়ে
#

ছেলে-vs-মেয়ে

ছেলে-vs-মেয়ে - . - ShareChat
147 জন দেখলো
6 দিন আগে
--"এই শোন না! --"কি হয়েছে কি। --"তোমার চুলগুলো আঁচড়ে দেই! সাথে ছোট করে একটা বেণী করে দেই। --"'দরকার নেই! --"কেন? --"ভাল লাগে না। --"এই শোন? --"কি? --"তোমার পায়ে আলতা লাগিয়ে দেই? --"লাগবেনা। --"চলো না ছাদে গিয়ে বসি। --"না। --"তোমার হাতটা ধরি? --"উহু। --"বলছি বাপের বাড়ি কি যাওয়াই লাগবে? হ্যা না গেলে হয়না? --"না। --"কেন যাবে। --"যেতে মন চাইছে। --"যদি যেতে না দেই......যেতে না দিলে এভাবে রেগে থাকবে তাইতো? --"জানিনা। --"কিছুদিন পরে গেলে পারতে নাহ এক্ষুনি যাবে হবে। --"হবেনা। আমি কান্না করব। --"কর কেউ আসবেনা দেখতে। --"মানে কি আশিক? --"যাওয়া হচ্ছেনা। --"যাব,যাব,যাব। --"না বলেছি। --"কিন্তু কেন? --"জানিনা। --"কি বোঝাতে চাইছো? --"ভালবাসি তোমাকে। --"জানি কিন্তু আমাকে যেতে দিবে না কেন? --"ইচ্ছে আমার। --"বললেই হলো? --"হ্যা। --"আমি যাবো পারলে ঠেকাও। --"হুম। . এইযে মিষ্টি বউটা আমার। সকাল থেকেই মুখভার করে বসে আছে। বাপের বাড়ি যেতে চায়। আমি রাতেই না করে দিয়েছি।আব্বু আম্মু অবশ্য যেতে বলেছে কিন্তু আমার অনুমতি ছাড়া ও কখনই যাবেনা। রাহি কে আব্বু আম্মু পছন্দ করেই এনেছে। . নিজেদের মনের মত বউমা। বিয়ের পরেও একজনের প্রতি অন্যরকম অনুভূতির ভালবাসা থাকে যা রাহি আসাতেই বুঝেছি।এ যুগে এতটা সংসারী মেয়ে লাখে একটা। রাহি প্রতি আলাদা একটা দূর্বলতা সবসময় কাজ করে। বউ পাগল নামটা বোধহয় এসব গুনাবলী দেখেই প্রকাশ পায়। তবে আমি বউ পাগল না। স্ত্রী মানে অর্ধাঙ্গীনি আমার সবকিছুর ভাগ তাকে নিতে হবে।ভালবাসি বলে এই নয় যে আদরে আহ্লাদে আটখানা। স্ত্রীর মর্যাদা দিয়েই ওকে ভালবাসি। এই ভালবাসটা এক অন্যরকমভাবে দুজনকে আরও কাছে টেনেছে। কাল রাত থেকেই ও বলছে বাপের বাড়ি যাবে। কিন্তু আমি যেতে দিতে চাইছি না। রাহিকে ছাড়তে ইচ্ছে করেনা। কিন্তু বুঝতে দেওয়া যাবেনা। কত কি বলে ভোলানোর চেষ্টা করতেছি কিন্তু ও তো বাচ্চা মেয়ে না সহজে ভুলে যাবে। জেদ ধরে বসে আছে যাবে যাবেই। আমিও নাছোড়বান্দার মতসায় দিচ্ছি না। জানি রাহি মনে মনে কষ্ট পাচ্ছে তবু আমার যে রাহিকে ছাড়তে ইচ্ছে করছেনা। এদিকে অফিসেও ছুটি দিবেনা সাথেও যেতে পারছিনা। . মেয়েটা যে কেন বোঝেনা আমায়।এখন ও আবার চেষ্টা করে বৃথা হয়ে আমার দিকে ভ্যাংচি কেটে চলে গেল খাওয়া দাওয়া সাড়তেই হল? --"হুম সব ছাড়বো। --"কেন? --"নিজেকে কষ্ট দিতে চাই। --"আব্বু আম্মুর কাছে কি খুব যেতে ইচ্ছে করছে? --'হুম। কিন্তু আমি তো যেতে দিব না। --"প্লিজ আশিক একবার যাব। --"আর কোনদিনও যেতে চাইবো না। --"হবে না বললাম তো। --"উহু উহু উহু। --"কাঁদার কি হল? --"তুমি এত খারাপ কেন? --"হা হা হা। --"হাসবে না। --"তুমি জেনে বুঝে করছো এসব। --"কে বলল? --"তুমি জান আমি তোমার অনুমতি পাওয়া না পর্যন্ত যেতে পারবো না আর তাই তুমি এমন করছ তাই না? --"হুম। প্লিজ আশিক। --"উহু। --"খেয়ে আসো। --"খাবো না। --"খেতে বলেছি তোমায়। --"খাবো না বললাম তো। --"বেশ খেও না। --"হুম। ঘুমিয়ে পড়ো। --"না। --"বসেই রাত জাগো তাহলে। --"হ্যা। . রাহিকে কাল সকালেই গাড়িতে তুলে দিবো। কিন্তু কিছু জানাইনি। শেষ মূহুর্তে ওর রাগী মুখটা আরেকটু দেখতে ইচ্ছে হচ্ছিলো।মেয়েটি আমার উপর অনেকটাই রেগে আছে কিন্তু মুখে কিছু বলবেনা। . শেষ মূহুর্তে বললাম কারন কয়েকটা দিন তো ওকে না দেখেই থাকতে হবে। সব সন্তানেরই তো নিজের বাবা মায়ের জন্য মন কেমন করে ওরও ব্যাতিক্রমনয়। তাছাড়া অনেকদিন হল বাপের বাড়ি যায়না সবাইকে দেখতে ইচ্ছে করছে। আমাকে অনেকটা সম্মান করে বলে অন্যদের মত বিনা অনুমতি চলে যায়নি না খেয়ে নিজেকে কষ্ট দিচ্ছে। তবে ওকে না খাইয়ে তো একটু রাখতেই হবে। একটা রাত ও পারবে আমি জানি। যদিও ক্ষুদায় সারারাত এপাশ ওপাশ করবে সকালে খেয়ে নিবে যাওয়ার কথা শুনলে। --"কই হলো তোমার ব্যাগ গোছানো। --"এইতো হলো চলো। --"হুম চলো। --"দাড়াও আব্বু আম্মুকে সালাম দিয়ে আসি। --"হুম। . কিছুক্ষন পর বেরিয়ে পড়েছি। রিক্সা নিয়ে কাউন্টারে পৌছেছি। রাহিকে বাসে তুলে দিয়ে দাড়িয়ে আছি নিচে ওর দিকে মুখ করে। . --"মনটা কি চাইছে জান? --কি? --সারাজীবন তোমায় বুকের মধ্যে রাখি। --"ন্যাকা বুকের মধ্যে মানুষ কেমনে রাখে। --"রাখে গো রাখে ভালোবাসলে সব করা যায়। --"হয়েছে। --"শোন নিজের খেয়াল রাখবা কিন্তু। --"হুম তুমিও। --"খাওয়া দাওয়া করবা ঠিকমত। --হুম। . দুইদিন পর রাহিকে কল দিলাম...... --"হ্যালো। --"হুম বলো। --"বলো মানে কি হুম? --"বাহ ফোন করেছো তো কিছু বলার জন্য তাই না? --"দুইদিন হল আমি এখানে একটু খোঁজখবর তো নিতে হয়। --"আমি জানি তুমি ভাল আছো। --"কঁচু জানো। --"কি করছ এখন? --"লুঙী ড্যান্স দিচ্ছি। --"আমি দেখবো। --"হুম। --"তোমার ফোন অফ থাকে কেন? --"অফিসে গেলে অফ করে রাখতে হয়। মিটিং এ থাকতে হচ্ছে দুইদিন। --"তাই বলে আমায় ভুলে যাবে। --"কই ভুলে গেছি। --"জানি আমি। --"ভুল জানো। জানো কাল রাতে তোমায় খুব মনে পড়ছিলো তোমার দুষ্টুমিগুলোও খুব কান্না করেছি। --"কেন? --"তোমাকে মিস করছি। --"হুম। --"ভালবাসি তোমাকে। --"হুম। --"তুমি কি রেগে আছো বাবু? --"উহু। তাহলে কিছু বলছো না কেন? --"বলছিতো। --"তুমি কাল আসবে একটু খুব দেখতে ইচ্ছে করছে তোমায়। --"ছুটি নেই। --"চেষ্টা করো না বাবু। --"বাদ দাও রাতে খেয়েছো? --"বলনা আসবে তো। --"খেয়ে নাও রাখছি। . রাহিকে ফোন দেইনি ইচ্ছা করেই। জানি ওর সাথে কথা বললে দেখতে ইচ্ছে করবে।দুদিন পর কল করাতে কেঁদেই ফেলেছে মেয়েটা। যেতে বলছে। হ্যা আমি তো যাব।তবে রাহিকে না জানিয়েই। একা ফেলে যাওয়ার মজা বুঝুক। কাঁদছে কাঁদুক পাগলীটা। কাঁদলে ভালবাসা বাড়বে। আমি আসছি পাগলী। . #পাগলী_বউ
#

আমি আর আমার মন

আমি আর আমার মন - ShareChat
141 জন দেখলো
9 দিন আগে
ফ্রী আছো ?" "না , টিউশনিতে আসছি । পরে কথা বলবো ।" . "তুমি কী বিজি ?" "আমি একটু বাইরে , আড্ডা দিচ্ছি , ফিরতে দেরী হবে , পরে ফোন দিব , কেমন পাখি ?" . "কী করো ? কথা বলি একটু?" "ধুর কী যে করোনা তুমি , জানোনা এইটা আমার পড়ার সময় ? নিজেও পড়বা না আমাকেও পড়তে দিবা না ..." . "কী করছো ? তুমি না বলছিলা অনেক কথা জমা আছে" "হুম বলছিলাম , কিন্তু এখন বিজি, বড় ভাইদের সাথে মিটিং আছে , রাখছি ।" . হতাশ হয়ে একসময় ফোনটা রেখে দেয় মেয়েটা । গত কয়েকটা মাস ধরে এভাবেই চলছে । সব সময় ব্যস্ততা , সব কিছুর জন্য সময় আছে , শুধু ওর জন্য কোন সময় নেই ছেলেটার । সারাক্ষণ কিছু না কিছু করছে । সম্পর্কের শুরুর দিকটার কথা খুব মনে পড়ে মেয়েটার । . . আজ ছয় বছরের বেশি হলো ওদের সম্পর্কের । ইদানিং অনেক বেশি দূরত্ব তৈরী হচ্ছে ওদের মধ্যে । এমন না যে ছেলেটা মেয়েটাকে ভালোবাসে না , কিন্তু বড় বেশি ব্যস্ত সে । আগে ফোন দিলে একটু হলেও কথা বলতো , এখন ফোন ধরারও টাইম নেই তার । কেঁদে কেঁদে বহুবার বালিশ ভিজিয়েছে মেয়েটা । এখন আর কাঁদে না । আগে ছেলেটার কাছে খুব অভিযোগ করতো এসব নিয়ে । এখন করে না । শেষ কবে বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে আইসক্রিম খেয়েছে মনে পড়ে না । অথচ এক সময় বৃষ্টি হলেই দুজন ব্যাঙাচির মতো লাফিয়ে উঠতো । ছেলেটাই ওকে হাত ধরে বৃষ্টিতে নামিয়ে আনতো । সবই স্মৃতি এখন । মেয়েটা আর জোর করে না এখন । যে যেমন থাকতে চায় তাকে তেমন থাকতে দেওয়া উচিত্ । ছেলেটা যদি এভাবেই ভালো থাকে তাহলে মেয়েটাও ভালো থাকবে । বুক ভরা অভিমান নিয়ে সবার সাথে খুব ভালো থাকার , হাসিখুশি থাকার অভিনয় করে মেয়েটা । কার কী এসে যায় তাতে ! . . সন্ধ্যাবেলা ঘুম ভাঙে মেয়েটার । আজকাল ওর সব নিয়ম কানুন ওলট পালট হয়ে গেছে । কিছুই ভালো লাগে না । ওর ঘুম ভাঙতে দেখে মা এগিয়ে আসে । . "যাক , তোর ঘুম ভাঙলো । " মায়ের খুশি খুশি চেহারা দেখে একটু অবাক লাগে তার । আশেপাশে তাকিয়ে দেখে পুরো বাড়িতেই উৎসব উৎসব ভাব । অনেক মেহমান এসেছে । মা হাসিমুখে বলেন , "রাকিবের বাড়ির বড়রা আসছে তোকে দেখতে । পছন্দ হলে আজই আকদ । ওতো তোকে আগে থেকেই পছন্দ করে রেখেছে ।" অবাক হয়ে প্রশ্ন করে মেয়েটা , "কার কথা বলছো মা ?" "হায় হায় , ভুলে গেছিস ? তোর ফিরোজ আঙ্কেলের ছেলে । কদিন আগে এমবিএ করে ফিরেছে দেশে । তোকে না বলেছিলাম কদিন আগে ?" . অস্পষ্টভাবে মনে পড়ে মেয়েটার । তখন মায়ের কথা সিরিয়াসলী নেয়নি। . ভূতে পাওয়া মানুষের মত ফোন হাতে নেয় । ব্যস্ত হাতে ছেলেটার নাম্বার ডায়াল করে । ওপাশে ডায়াল টোন বাজতে থাকে । একবার । দুবার । তিনবার । কেউ রিসিভ করে না । . হতাশায় ভেঙ্গে পড়ে মেয়েটা । আবার ডায়াল করতে থাকে । অসংখ্য বার ডায়াল করার পর ফোন রিসিভ করে ছেলেটা । রিসিভ করেই ধমকে উঠে , "উফ , আমাকে কী একটু শান্তিতেও থাকতে দিবা না তুমি?" চোখের জল মুছে ভাঙ্গা গলায় বলে মেয়েটা , "আমার বিয়ে হয়ে যাচ্ছে । প্লিজ কিছু করো ।" বিরক্ত হয়ে ছেলেটা বললো , "তাহলে বিয়ে করো । আমাকে বলছো কেন ?" কান্নাভেজা কন্ঠে প্রায় আর্তনাদ করে উঠে মেয়েটা , "বিয়ে করবো ! অন্য কাউকে ! কী বলছো এসব ?" "ভুলটা কী বললাম ? বিজি আছি , ডিস্টার্ব করো না ।" ফোন কেটে দেয় ছেলেটা । আবার ফোন দেয় মেয়েটা । কেটে দেয় । আবার ফোন । এবার বন্ধ । ফোন বন্ধ করে মনে মনে গজ গজ করতে থাকে ছেলেটা , "কোন কমনসেন্স নেই মেয়েটার । এমনিতেই এত পড়া আর কাজের চাপে মাথা ঠিক নাই , আরো যতসব আজগুবি কথা । কী দেখে যে এই মেয়ের প্রেমে পড়েছিলাম !" . আয়নার সামনে শেষ বারের মত নিজেকে দেখে নেয় মেয়েটা বিয়ের সাজে অপূর্ব লাগছে ওকে । বাবা মা অসম্ভব খুশি । তাদের খুশি দেখে নিজেরও ভালো লাগছে ওর । যেই মানুষটার কাছে ওর কোন মূল্য নেই তার কথা ভেবে আর কষ্ট পেতে দেবে না নিজেকে । বরং যেই মানুষটা ওর সব কিছু জেনেও ওকে আপন করে নিতে চেয়েছে তাকে নিয়ে এখন থেকে স্বপ্ন দেখবে ও । সব চোখের জল মুছে ফেলে প্রতিজ্ঞা করলো আর কাঁদবেনা । রাত এগারোটার দিকে একরাশ খুশি আর আনন্দ নিয়ে বিয়েটা হয়ে গেলো। . . সপ্তাহ খানেক পর হঠাৎ একদিন ফিল করে ছেলেটা , ওকে এখন আর কেউ বিরক্ত করে না । খুশী হওয়ার বদলে একটু মন খারাপ হয় ছেলেটার । সেদিন কী একটু বেশী বকে দিয়েছিলো মেয়েটাকে ? মেয়েরা বড় বেশি অভীমানি হয় । এখনো নিশ্চয় ঠোঁট ফুলিয়ে রেখেছে । থাক , আজ না হয় ওকেই একটু টাইম দেওয়া যাক । কান ধরে একবার স্যরি বললেই সব অভিমান গলে জল হয়ে যাবে । মেয়েটার নাম্বার ডায়াল করতে থাকে ছেলেটা । প্রায় তিন বছর পর এই প্রথম একটা বিশ্রি মেয়ে কন্ঠ বার বার ঘ্যান ঘ্যান করতে থাকে , "আপনি যে নাম্বারে ডায়াল করেছেন তা এই মুহুর্তে বন্ধ আছে ....." . . ছেলেটা এখন মস্ত বড় চাকুরিজীবি । বাড়ি গাড়ি সম্মানজনক চাকরি ভালো সেলারি সবই আছে তার । তবু জীবনটা বড্ড বেশি ফাঁকা ফাঁকা লাগে । যার জন্য একদিন ভালো ক্যারিয়ার দরকার ছিল ক্যারিয়ারের পেছনে ছুটতে ছুটতে তাকেই যে হারিয়ে ফেলেছে সে ! . . এখনো মাঝরাতে কারো ঘুম ভেঙ্গে যায় । আলতো পায়ে বারান্দায় এসে দাঁড়ায় সে । একরাশ অভিমান আর বহু পুরোনো মিষ্টি কিছু স্মৃতি মনকে দোলা দিয়ে যায় । অভিমান গুলো কান্না হয়ে ঝরে পড়ে । মিশে যায় রাতের কালিগোলা আধাঁরের সাথে. ##গল্পটা ভালো লাগলে জানাবেন।।।। আপনাদের ভালো লাগাকে ঘিরে আমাদের এই আয়োজন।।।। #👫সম্পর্ক
#

👫সম্পর্ক

👫সম্পর্ক - பபபபாாாபாபாபாபாபாபாபாபா - ShareChat
130 জন দেখলো
12 দিন আগে
অন্য কোথাও শেয়ার করুন
Facebook
WhatsApp
লিংক কপি করুন
মুছে ফেলুন
Embed
আমি এই পোস্ট এর বিরুদ্ধে, কারণ...
Embed Post
অন্য কোথাও শেয়ার করুন
Facebook
WhatsApp
আন-ফলো
লিংক কপি করুন
অভিযোগ
ব্লক
আমি অভিযোগ করতে চাইছি কারন...