@syedezaz
@syedezaz

Syed Ezaz Hosin (ইজাজ)

★ THE UPDATE NEWS ★ নিয়মিত খবরের আপডেট পেতে আমাকে অনুসরণ করুন।

শাহরুখ খানের টুইটার ফ্যান পেজ এসআরকে ইউনিভার্স ফ্যান ক্লাব প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল পিএম-কেয়ার্সে ১ লাখ টাকা দান করল। টুইটে তারা জানিয়েছে, করোনা তহবিলে তাদের প্রিয় নায়কের একের পর এক সাহায্য দেখে তারাও এই পথে হেঁটেছে।সঙ্গে দিয়েছে ১ লাখ টাকা ডোনেশনের রসিদের স্ক্রিনশট। শাহরুখের অন্যান্য অনুরাগীরা এই ফ্যান পেজের কাজে আপ্লুত, টুইটার ভরে গিয়েছে প্রশংসায়। তবে এসআরকে নিজে এখনও এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানাননি। শুক্রবার শাহরুখ টুইটারে জানান, তাঁর সংস্থা কলকাতা নাইট রাইডার্স, রেড চিলিজ এন্টারটেনমেন্ট, মীর ফাউন্ডেশন আর রেড চিলিজ ভিএফএক্স- ত্রাণ তহবিলে বেশ কয়েক ধরনের সাহায্য করেছে। তিনি টুইট করেন, এই সময়ে সকলে আপনার জন্য অক্লান্তভাবে কাজ করুক, এটাই দরকার.. হয়তো তাদের সঙ্গে আপনার কোনও সম্পর্ক নেই.. হয়তো আপনাকে চেনেও না.. কিন্তু তারা যে একা নয়, তা বোঝাতে চলুন, আমরাও কিছু না কিছু অবদান রাখি। ভারত ও ভারতীয়রা এক বৃহৎ পরিবার। #😥বিশ্বজুড়ে করোনা 😥 #🤧India fights corona😲 #🤝করোনার বিরুদ্ধে অঙ্গীকার 🙏 #কিং খান 🎬
#

😥বিশ্বজুড়ে করোনা 😥

😥বিশ্বজুড়ে করোনা 😥 - আদর্শের পথে চলেছি , এসআরকে ফ্যানরাও করােনা ত্রাণ তহবিলে দিলেন ১ লাখ টাকা । - ShareChat
596 জন দেখলো
5 ঘন্টা আগে
চিকিৎসা-সহ করোনা মোকাবিলায় যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জরুরি তহবিল হিসেবে ভারতকে ১০০ কোটি ডলার অর্থসাহায্য করবে বিশ্বব্যাঙ্ক। পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান-সহ বাকি ২৪টি উন্নয়নশীল দেশকে দেবে আরও ৯০ কোটি ডলার। করোনা মোকাবিলায় ভারত-সহ ২৫টি দেশকে এই অর্থসাহায্য করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্বব্যাঙ্ক। এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ ভারত বিশ্বব্যাঙ্কের এই অর্থসাহায্যের সিংহভাগ পাচ্ছে।এও জানানো হয়েছে, ওই সব দেশে ইতিমধ্যেই বিশ্বব্যাঙ্কের অর্থসাহায্যে যে সব প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে, এই অভূতপূর্ব পরিস্থিতিতে সেই সব প্রকল্পেও বাড়তি সাহায্যের কথা ভাবা হচ্ছে। ওই সব প্রকল্পে বিশ্বব্যাঙ্কের মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ১৭০ কোটি ডলার।ভারত ছাড়া আর যে উন্নয়নশীল দেশগুলিকে অর্থসাহায্য করা সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্বব্যাঙ্ক, তাদের মধ্যে রয়েছে পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান এবং ইথিওপিয়া। পাকিস্তান পাবে ২০ কোটি ডলার। শ্রীলঙ্কা পাবে ১২ কোটি ৯০ লক্ষ ডলার। আর আফগানিস্তান ও ইথিওপিয়া পাবে যথাক্রমে ১০ কোটি ডলার এবং ৮ কোটি ২৬ লক্ষ ডলার। বিশ্বব্যাঙ্ক জানিয়েছে, করোনা মোকাবিলায় আগামী ১৫ মাসে ১৬ হাজার কোটি ডলার ব্যয় করতে তারা প্রস্তুত রয়েছে। বিশ্বব্যাঙ্কের গ্রুপ প্রেসিডেন্ট ডেভিড ম্যালপাস বলেছেন, ‘‘করোনা মোকাবিলা ও তার পর অর্থনৈতিক ও সামাজিক দুর্বলতা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলিকে যতটা সম্ভব সাহায্য করা হবে। এটা ধরেই নেওয়া হচ্ছে, দরিদ্রতম দেশগুলিই করোনা সঙ্কটে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’’ এই পরিস্থিতিতে আগামী ১ মে থেকে দরিদ্রতম দেশগুলির নেওয়া ঋণের সুদ যাতে না নেওয়া হয়, সে ব্যাপারে আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডারের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে বলেও জানিয়েছেন বিশ্বব্যাঙ্কের গ্রুপ প্রেসিডেন্ট।ম্যালপাস জানিয়েছেন, দরিদ্রতম দেশগুলির কাঁধে এখন ঋণের বোঝা যাতে আরও বেশি করে না চেপে বসে তার জন্য ‘জি-২০’ জোটের দেশগুলির মধ্যে সৌদি আরব ও ফ্রান্স অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে। #😥বিশ্বজুড়ে করোনা 😥 #🤧India fights corona😲 #🤝করোনার বিরুদ্ধে অঙ্গীকার 🙏
#

😥বিশ্বজুড়ে করোনা 😥

😥বিশ্বজুড়ে করোনা 😥 - WORLD BANK 7 / ATT করােনা মােকাবিলায় ভারতকে ১০০ কোটি ডলার অর্থ | সাহায্য করবে বিশ্বব্যাঙ্ক । - ShareChat
219 জন দেখলো
5 ঘন্টা আগে
করোনা মোকাবিলায় লকডাউনে রাজ্য। চারদিকে সব বন্ধ। ব্যবসা-বাণিজ্য, কাজ সব বন্ধ। স্বাভাবিকভাবেই তার প্রভাব পড়েছে ভাঁড়ারে।এই পরিস্থিতিতে তাই নতুন নিয়োগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। একইসঙ্গে স্থগিত করে দেওয়া হল নতুন প্রকল্পও।করোনার জন্য খরচে লাগাম দিতে ৫ দফা সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। সেগুলি হল- ১/ নতুন নিয়োগ বন্ধ, ২/নতুন প্রকল্প নয়, ৩/গাড়ি-কম্পিউটার-ফার্নিচার কেনা যাবে না, ৪/গাড়ি ভাড়া করা যাবে না, ৫/ GPF থেকে শুধুমাত্র শিক্ষা, চিকিৎসা ও বিবাহ খাতে টাকা তোলা যাবে।তবে বেতন, পেনশন, কন্যাশ্রী সহ অন্যান্য প্রকল্পের খাতে খরচ বন্ধ হবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছে রাজ্য সরকার।  #😥বিশ্বজুড়ে করোনা 😥 #Kolkata will fight corona✊🏻✊🏻
#

😥বিশ্বজুড়ে করোনা 😥

😥বিশ্বজুড়ে করোনা 😥 - করােনায় লকডাউনে ভাড়ারে টান , নতুন নিয়ােগ - প্রকল্প সব বন্ধের সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের - ShareChat
492 জন দেখলো
5 ঘন্টা আগে
দেশ জুড়ে ৯ মিনিটের জন্য বাড়ির আলো নেভানো হলে আচমকা জোরাল ধাক্কা খেতে পারে পাওয়ার গ্রিড। আবার ৯টা বেজে ৯মিনিটের পরেই দেশ জুড়ে তৈরি হবে বিদ্যুতের বিপুল চাহিদা। এই টানাপড়েনে ঘটতে পারে বড়সড় বিপর্যয়। বিপত্তি এড়াতে রবিবার রাত ৮টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ধাপে ধাপে লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নিল উত্তরপ্রদেশের বিদ্যুৎ দফতর। রাজ্যের বিদ্যুৎ দফতরের কর্তাদের মতে, এমন কৌশলে প্রধানমন্ত্রীর আর্জিও রক্ষা হবে। আবার পাওয়ার গ্রিডেও বাড়তি চাপ পড়বে না। ওই বিশেষ ৯ মিনিট দেশের প্রতিটি বিদ্যুৎ সংস্থাকে সতর্ক থাকার নির্দেশ জারি করেছে পাওয়ার গ্রিড কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া লিমিটেডও। স্টেট লোড ডেসপ্যাচ সেন্টারের (এসএলডিসি) কর্তাদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর কথা মতো, রবিবার রাত ৯টা থেকে ৯টা বেজে ৯ মিনিট পর্যন্ত দেশ জুড়ে বাড়ির আলো নেভানো হলে উত্তরপ্রদেশের পাওয়ার গ্রিডে বিপুল চাপ পড়বে। অন্তত ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাড়তি হবে। ওই ‘বিপুল পরিমাণ’ বিদ্যুৎ জোরাল ঘা দিতে পারে পাওয়ার গ্রিডে। সেই দুর্ঘটনা ঘটলে রাজ্য জুড়ে নেমে আসতে পারে অন্ধকার। করোনা সঙ্কটের মধ্যে এই বিপত্তি সামলানোই এখন চ্যালেঞ্জ বিদ্যুৎ দফতরের কর্তাদের কাছে। এ নিয়ে দফতরের কর্তাদের চিঠি পাঠিয়েছেন এসএলডিসি-র ডিরেক্টর রাম স্বরথ। তাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে,  রবিবার রাত ৮টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত রাজ্য জুড়ে ধাপে ধাপে যেন লোডশেডিং করা হয়। তাতে সামলানো যাবে বিপর্যয়।শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী যুক্তি দেন, করোনা সঙ্কটে যে অন্ধকার তৈরি হয়েছে, তা শেষ করতে আলোর দিকে এগিয়ে যেতে হবে। এ জন্য ১৩০ কোটি দেশবাসীকে ‘মহাশক্তি’ জাগ্রত করার আর্জি জানান তিনি। মোদীর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে খোঁচা দিয়েছেন কংগ্রেস নেতা শশী তারুর। টুইটে তিনি লিখেছেন, ‘রবিবার রাত ৯টায় বিদ্যুতের চাহিদা আচমকা কমবে, এবং রাত ৯টা ৯ মিনিটের পর চাহিদা আচমকা বাড়বে, প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুতের গ্রিডে বিপর্যয় ঘটাতে পারেন। তাই বিদ্যুৎ দফতর ওই দিন রাত ৮টা থেকে ধাপে ধাপে লোডশেডিংয়ের চিন্তা ভাবনা করছে এবং ধাপে ধাপে তা ফিরবেও। রাত ৯টা বেজে ৯ মিনিট থেকে তা স্বাভাবিক হতে থাকবে। এটা আরও একটা ব্যাপার, যা প্রধানমন্ত্রী চিন্তাই করেননি!’শুক্রবার পাওয়ার গ্রিড কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া লিমিটেড (পিজিসিআইএল)-এর কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রী আরকে সিংহ। এর পর রবিবার ৯টা থেকে ৯টা বেজে ৯মিনিট পর্যন্ত দেশের সমস্ত বিদ্যুৎ সংস্থাকেই বিশেষ ভাবে সতর্ক থাকতে বলেছে পিজিসিআইএল। বলা হয়েছে। • ৫ এপ্রিল ওই নির্দিষ্ট সময়ে চূড়ান্ত ভাবে সতর্ক থাকতে হবে। কোনও রকম অস্বাভাবিকতা দেখলে বা সাহায্য প্রয়োজন হলে দ্রুত ন্যাশনাল ট্রান্সমিশন অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট সেন্টার (এনটিএএমসি)-এর সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। • পরিষেবা মসৃণ ভাবে চালিয়ে নিয়ে যেতে স্টেশন ইন চার্জ ও আধিকারিকদের নিজেদের অফিসের কন্ট্রোল রুমে উপস্থিত থাকতে হবে। স্পেশ্যাল ডিউটিতে যাঁরা থাকবেন, তাঁদের বিস্তারিত বিবরণ ও মোবাইল নম্বর এনটিএএমসি-কে ৪ এপ্রিলের মধ্যে জানাতে হবে • করোনা রুখতে সামাজিক দূরত্ব মেনে ও মাস্ক ব্যবহারের মতো সতর্কতা মেনে এই কাজ করতে হবে এর আগে ২০১২ সালের জুলাই মাসের শেষাশেষি উত্তর ও উত্তর-পূর্ব ভারত জুড়ে পাওয়ার গ্রিড বিপর্যয় নেমে এসেছিল। তার কবলে পড়েছিল উত্তরপ্রদেশও। মোদীর উল্টো যুক্তি দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের বিদ্যুৎমন্ত্রী নিতিন রাউত-ও। তাঁর মতে, একসঙ্গে সব আলো নেভালে ভেঙে পড়তে পারে গ্রিড ব্যবস্থা। তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে জরুরি পরিষেবা। রাজ্যের জনসাধারণের প্রতি একটি বার্তায় নিতিন বলেছেন, ‘‘একসঙ্গে সব আলো নিভিয়ে দিলে তা বিদ্যুতের চাহিদা ও জোগানের মধ্যে বিস্তর ফারাক তৈরি করবে। এমনিতেই লকডাউনের জন্য কারখানা বন্ধ। ফলে ২৩ হাজার মেগাওয়াট থেকে চাহিদা নেমে ১৩ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছেছে।’’ তার উপর এমন ঘটনা ঘটলে যে বিপদের আশঙ্কা আছে সে কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে নিতিন বলেছেন, ‘‘একসঙ্গে সব আলো নিভিয়ে দিলে ব্ল্যাকআউট হতে পারে। তখন পুরো পরিষেবা ফের চাঙ্গা করতে তুলতে ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। করোনার মতো অতিমারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য বিদ্যুৎ খুবই প্রয়োজনীয়।’’ সারা দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা তিন হাজার ছুঁই ছুঁই। এর মধ্যে নিতিন রাউত যে রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী, সেই মহারাষ্ট্রেই ওই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা চারশোর গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে, যা সারা দেশে সবচেয়ে বেশি। #প্রধানমন্ত্রী মোদীর ঘোষণা 👆 #🕘 ৯টায় ৯ মিনিট 🕘
#

প্রধানমন্ত্রী মোদীর ঘোষণা 👆

প্রধানমন্ত্রী মোদীর ঘোষণা 👆 - মােদীর দীপাবলিতে লােডশেডিং থাকবে উত্তরপ্রদেশে , গ্রিড - উদ্বেগ সারা দেশে - ShareChat
372 জন দেখলো
5 ঘন্টা আগে
বিশ্ব জুড়ে করোনা ত্রাসের মধ্যেই প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়ে গিয়েছে দাবি করলেন একটি মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। তাঁদের দাবি, ইতিমধ্যেই পরীক্ষামূলক ভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে ইঁদুরের দেহে। পাওয়া গিয়েছে সাফল্য।পিটসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব মেডিসিনের গবেষকদের দাবি, আঙুলের ডগার মাপে বা একটা ছোট্ট ব্যান্ডেডের মাপে ত্বকের উপর এই প্রতিষেধক প্রয়োদ করলে সুফল পাওয়া যাবে।ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের দাবি, তাঁরা খুব দ্রুত সাফল্য পেয়েছেন কারণ দীর্ঘ দিন ধরে তাঁরা সার্স (সিভিয়ার অ্যাকুউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম) এবং মার্স (মিডল ইস্ট রেসপিরেটরি সিনড্রোম)-এর প্রতিষেধক তৈরির জন্য গবেষণা চালাচ্ছিলেন। পিট স্কুল অব মেডিসিনের অধ্যাপক আন্দ্রিয়া গ্যামবোটো বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ‘‘সার্স এবং মার্স ভাইরাস চরিত্রগত দিক থেকে কোভিড-১৯ ভাইরাসের খুব কাছাকাছি। ওই দু’টি ভাইরাস নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে আমরা জানতে পেরেছি স্পাইক নামে একটি প্রোটিনের কথা। ওই প্রোটিন ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।” তিনি জানিয়েছেন, ‘‘আমরা চিহ্নিত করতে পেরেছি, ঠিক কোন জায়গায় আঘাত হানতে হবে।” একটি নামী মেডিক্যাল জার্নালে ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে ওই গবেষণার কথা।সেখানে বলা হয়েছে, সাধারণ ফ্লুয়ের প্রতিষেধক তৈরি করতে যে চিরাচরিত পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়, সেই পদ্ধতিতেই এগনো হয়েছে কোভিড-১৯-এর প্রতিষেধক তৈরির ক্ষেত্রে। সাধারণ ফ্লুয়ের প্রতিষেধক তৈরির ক্ষেত্রে গবেষণাগারে তৈরি প্রোটিনের ব্যাবহার করা হয়। সেই প্রোটিন ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ভাইরাসকে লড়াইয়ে পরাস্ত করে।গবেষকদের দাবি, তাঁরা ইঁদুরের উপর ওই প্রোটিন প্রয়োগ করে দেখেছেন। দু’সপ্তাহের মধ্যে ওই প্রোটিন ইঁদুরের দেহে পর্যাপ্ত পরিমাণ অ্যান্টিবডি তৈরি করতে পেরেছে। গবেষকদের আশা, আরও কিছু দিনের মধ্যেই মানব দেহে এই প্রতিষেধকের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করতে পারবেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই গবেষকরা অনুমোদন চেয়ে আবেদন করেছেন ইউনাইটেড স্টেট ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কাছে। গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, চিরাচরিত প্রথায় সূচ দিয়ে ওই প্রতিষেধক মানুষের শরীরে প্রয়োগের বদলে তাঁরা ত্বকের মধ্যে দিয়ে ওই প্রতিষেধক পৌঁছে দেবেন শরীরে। শর্করা এবং প্রোটিনের ৪০০টি মাইক্রো নিডল্‌ বা অতি সূক্ষ্ম সূচ দিয়ে তৈরি হবে ব্যান্ডেডের আকৃতির পট্টি। সেটি ত্বকে লাগানো মাত্র ওই মাইক্রো নিডলের মধ্যে দিয়ে শরীরে ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ বাড়ানোর স্পাইক প্রোটিন শরীরে ঢুকবে। শর্করা এবং প্রোটিনে তৈরি অতি সূক্ষ্ম সূঁচ নিজে নিজেই মিশে যাবে শরীরে।গবেষকদের দাবি, জানুয়ারি মাসের ২১ তারিখ থেকে তাঁরা এই প্রতিষেধক তৈরির কাজ শুরু করেন। খুব দ্রুত তাঁরা সাফল্য পেয়েছেন। এই প্রতিষেধক নিতে বিন্দুমাত্র ব্যথা লাগবে না বলেও দাবি গবেষকদের। বিশেষজ্ঞদের ধারণা মানব দেহে এই প্রতিষেধক সাফল্য পেলেও প্রায় এক বছর সময় লাগবে বাজারে আসতে। তবে গবেষকদের আশা, মার্কিন সরকার দ্রুত সবুজ সঙ্কেত দিলে আরও আগে ওই প্রতিষেধক সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। #😥বিশ্বজুড়ে করোনা 😥 #করোনা: প্রতিরোধের নিয়মাবলী😷 #ডাক্তারকে প্রশ্ন করো 👆 #করোনার সঠিক খবর 👆 #🤝করোনার বিরুদ্ধে অঙ্গীকার 🙏
#

😥বিশ্বজুড়ে করোনা 😥

😥বিশ্বজুড়ে করোনা 😥 - কোভিড - ১৯ - এর প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়েছে , দাবি মার্কিন গবেষকদের - ShareChat
621 জন দেখলো
5 ঘন্টা আগে
করোনা সতর্কতায় বন্ধ রয়েছে স্কুল। আগামী শিক্ষাবর্ষে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সমস্ত পড়ুয়াকে পাশ করিয়ে দেওয়ার নির্দেশ আগেই দিয়েছে রাজ্য সরকার। এবার নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের ভারচুয়াল ক্লাসের ব্যবস্থা করছে রাজ্য। এ প্রসঙ্গে শুক্রবার শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, ৭ থেকে ১৩ এপ্রিল বিকেল চারটে থেকে পাঁচটা দূরদর্শনে বিভিন্ন বিষয়ে ক্লাস করাবেন শিক্ষকরা। এদিকে চলতি শিক্ষাবর্ষে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সমস্ত পড়ুয়াকে পাশ করিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল আইসিএসই বোর্ডও। এর আগে CBSE বোর্ডও একই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকারের ‘বাংলার শিক্ষা’ পোর্টালে ই-মেল করে, হোয়াটস অ্যাপে বা ফোন করে ভারচুয়াল ক্লাসে প্রশ্ন করতে পারবে ছাত্রছাত্রীরা। ১৮০০১০৩৭০৩৩ নম্বরটি এডুকেশন হেল্পলাইন হিসাবে চালু থাকবে বলে এদিন জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। পার্থবাবু এদিন আরও জানিয়েছেন, ক্লাস এইট পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদের হোম টাস্ক দেওয়া হবে। বাংলার শিক্ষা পোর্টালে বিষয় অনুযায়ী হোম টাস্ক দেওয়া হবে। স্কুল খোলার পর শিক্ষকদের তা দেখাতে হবে প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীকে।অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পাস-ফেল তুলে দেওয়া প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণার পর অনেকেই বলেছিলেন, এই সিদ্ধান্তের জেরে ছাত্রছাত্রীরা আর পড়বে না। তারা পড়াশোনাকে হালকা ভাবে নিতে পারে। সবাই যদি জেনেই যায় পরের ক্লাসে উঠে যাবে তাহলে সারা বছর পূর্ণ উদ্যমে পড়াশোনা করবে না। শিক্ষা মহল মনে করছে, সেসব কথা বিবেচনা করেই ক্লাস এইট পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের হোম টাস্কের সিদ্ধান্ত নিল সরকার। নবম-দ্বাদশ শ্রেণির ছেলে-মেয়েরা ইমেল এবং হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে প্রশ্ন করতে পারবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। সেই ইমেল আইডি বা হোয়াটস অ্যাপ নম্বরও দেওয়া হবে বাংলার শিক্ষা পোর্টালে। শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ইতিমধ্যে প্রযুক্তির সাহায্যে ক্লাস নিচ্ছে।দেশজুড়ে নোভেল করোনা ভাইরাসের দাপট এখন বড় মাথাব্যথার বিষয়। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার বিপদ টের পেতেই দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল প্রশাসন। বিভিন্ন রাজ্যেও এই সিদ্ধান্ত লাগু হয়েছিল। মার্চ মাসের মাঝামাঝি ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে মাঝপথেই স্থগিত হয়ে যায় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষাও। ১৫ এপ্রিলের পর নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। #😥বিশ্বজুড়ে করোনা 😥 #Kolkata will fight corona✊🏻✊🏻 #🎙আজকের শীর্ষ খবর 🎤
#

😥বিশ্বজুড়ে করোনা 😥

😥বিশ্বজুড়ে করোনা 😥 - दूरदर्शन নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের ক্লাস হবে | দূরদর্শনে , হােয়াটসঅ্যাপে পাঠানাে যাবে প্রশ্ন । - ShareChat
611 জন দেখলো
5 ঘন্টা আগে
গরম, করোনা পরিস্থিতি ও লকডাউনে রক্তের সঙ্কট কাটাতে সোমবারই পুলিশকে রক্তদান শিবির আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মতো পদক্ষেপ করেছে পুলিশ। বুধবার বিকেল ৫টায় মুখ্যমন্ত্রী নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে কলকাতা পুলিশের মাসব্যাপী রক্তদান কর্মসূচির সূচনা করেছেন। শুক্রবার নবান্ন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, 'বাংলায় পুলিশ প্রতিদিন আইনশৃঙ্খলা সামাল দিয়ে ১৩০০ বোতল রক্ত দিচ্ছে। থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য যা জরুরি। প্রতিদিন ১১০০ বোতল রক্ত দরকার থ্যালাসেমিয়া রোগীর জন্য। কোনও রাজনৈতিক দলকে এই পরিস্থিতিতে রক্ত দান শিবিরের আয়োজন করতে দিইনি।'একই সময়ে রাজ্য পুলিশের সব জেলা, ইউনিট, ব্যাটেলিয়ন ও ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে মাসব্যাপী এই রক্তদান প্রকল্পের কাজও এ দিন শুরু হয়েছে। সেই সব জায়গাতেও রক্তদান করেন পুলিশ অফিসার ও কর্মীরা। করোনাসংক্রমণ যাতে না-ছড়ায়, সেই ব্যাপারে সতর্কতা তো আছেই। সেই সঙ্গে লকডাউন। যার ফলে সর্বত্র বন্ধ রক্তদান শিবির। ক্লাব কিংবা বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উদ্যোগে যে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হত, সে সবই এখন বন্ধ। কিন্তু একেই গরম, সেই সঙ্গে করোনার দাপট। সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছে রক্তের সংঙ্কট। বিচ্ছিন্ন ভাবে মুমূর্ষুকে পুলিশ কর্মীরা রক্ত দিচ্ছিলেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে পুলিশকে মুখ্যমন্ত্রী রক্তদান শিবিরের আয়োজন করতে নির্দেশ দেন।নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে প্রতিদিন অন্তত রক্তদান করেন কলকাতা পুলিশের কর্মী-অফিসাররা। লালবাজার জানিয়েছে, রবিবার বাদে সপ্তাহে প্রতিদিন অন্তত ৬০ জন পুলিশকর্মী রক্তদান করবেন। কলকাতা পুলিশের ৩০টি ইউনিট ও ডিভিশনের তরফে রোজ বিকেলে একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হবে।শুধু কলকাতা নয়, পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তা-সহ সিভিক ভলান্টিয়ার, পুলিশকর্মী ও তাঁদের পরিবারের লোকজনরাও রক্তদান করছেন। রক্তদানের পাশাপাশি রাস্তার সারমেয়দের খাবারের ব্যবস্থাও করেছেন জেলা পুলিশের কর্তারা। লকডাউনের জেরে সমস্যায় পড়েছে রাস্তার সারমেয়রাও। বাজার নিয়মিত বসলেও মানুষের উপস্থিতি অনেক কম। অন্যান্য দোকানপাটও বন্ধ। বাড়ির পোষ্যদের খাবারের ব্যবস্থা হলেও পথকুকুরদের খাবারে টান পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে, রাস্তার অভুক্ত সারমেয়দের খাবারের ব্যবস্থাও করেছে পুলিশ। এমনিতেই গরমকালে রক্তের আকাল দেখা দেয়। কিন্তু এ বার করোনার প্রকোপ শুরু হতেই বিভিন্ন জায়গায় কয়েক সপ্তাহ ধরে বন্ধ রয়েছে রক্তদান শিবির। এমনকী, বিভিন্ন থানায় পুলিশ যে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করত, তা-ও বন্ধ ছিল। যার জেরে ভুগতে হচ্ছে রোগীদের। ব্লাড ব্যাঙ্কে মিলছে না প্রয়োজনীয় রক্ত। বিশেষ করে সমস্যায় পড়েছেন থ্যালাসেমিয়া রোগীরা। সঙ্কটকালে রক্ত মিলছে না অন্য রোগীদেরও। এই পরিস্থিতি সামাল দিতেই পুলিশকে রক্তদান শিবির করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। আর পুলিশকর্মীরাও দিন-রাত খাটনির পাশাপাশি রক্তও দিয়ে যাচ্ছে সাধারণ মানুষের জন্য। #😥বিশ্বজুড়ে করোনা 😥 #Kolkata will fight corona✊🏻✊🏻 #🎙আজকের শীর্ষ খবর 🎤
#

😥বিশ্বজুড়ে করোনা 😥

😥বিশ্বজুড়ে করোনা 😥 - রিয়েল হিরাে , আইন - শৃঙ্খলা সামলে প্রতিদিন ১৩০০ | বােতল রক্ত দিচ্ছে বাংলার পুলিশ ! - ShareChat
610 জন দেখলো
5 ঘন্টা আগে
অন্য কোথাও শেয়ার করুন
Facebook
WhatsApp
লিংক কপি করুন
মুছে ফেলুন
Embed
আমি এই পোস্ট এর বিরুদ্ধে, কারণ...
Embed Post
অন্য কোথাও শেয়ার করুন
Facebook
WhatsApp
আন-ফলো
লিংক কপি করুন
অভিযোগ
ব্লক
আমি অভিযোগ করতে চাইছি কারন...