mysterious_boy
আমি সেই মেয়েটার গল্প বলি, কালো শাড়ি আর কপালের ছোট্ট টিপে যার সরলতা মুগ্ধতাই ছড়িয়েছিল আকাঙ্খিত প্রহরে। কাছে এসে সে বলেছিল, হাতে হাত রেখে হাঁটবেন আমার পাশে? নাকি ছুঁয়ে দিতে সংকোচ বোধ করেন নিয়মের খেলায়? আমি বলেছিলাম, আগে কপালের টিপটা তো ঠিক করো মেয়ে। চোখে মুখে কপট রাগ এঁকে সে বলেছিল, বলতে হয়? ঠিক করে দিলেই তো হয়। এক গাল হেসে অনভিজ্ঞ হাতে ঠিক করে দিয়েছিলাম টিপ। পথ শেষ হয়ে গিয়েছিল, নীরবতা ভেঙ্গে বলা হয় নি কোনো কথা, তবু সব কথাই যেন পৌঁছে গিয়েছিল মন থেকে মনে। একসময় বিদ্যুৎ চমকে উঠেছিল আকাশজুড়ে। সে হুট করেই ভয় পেয়ে মুখ লুকিয়েছিল এই বুকে, বলেছিল, আমায় আগলে রাখবেন এমন করে? আমি কি বলবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না, শুধু মনে হচ্ছিল, এই মেয়েটার সাথে সারাজীবন কিছু না ভেবেই কাটিয়ে দেয়া যায়। আচ্ছা, বৃষ্টিতে ভিজলে আপনার ঠান্ডা লাগবে না তো?,তার চোখে শন্কা দেখছিলাম আমি। আমি যখন মাথা নাড়লাম, সে যে কি খুশি হয়েছিল! বলছিল, জানেন আমি প্রচুর বৃষ্টিতে ভিজতে পছন্দ করি। আম্মু বকা দেয় খুব এজন্য। আপনি কিন্তু একদমই বকা দেবেন না বলে দিলাম। আপনি আমার সঙ্গী হবেন বৃষ্টিতে ভেজার? সে রাজি হওয়ার অপেক্ষা করে নি, তার ছেলেমানুষিতায় মনের অজান্তেই সায় দিয়েছিলাম সেদিন। আমাদের গল্প এমন করেই এগিয়েছিল। অদিতি নামের সেই মেয়েটা একদিন খুব সকালে ফোন দিলো। এমনিতে সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে যাওয়া স্কুল জীবন থেকেই অভ্যেস হয়ে গিয়েছে। সেদিনও উঠে গিয়ে বই পড়ছিলাম। 'দ্যা এলকেমিস্ট'। “And, when you want something, all the universe conspires in helping you to achieve it.” পাউলো কোয়েনহোর লেখা অসাধারণ সব উক্তিতে ভরা উপন্যাসটায় বুঁদ থাকতে পারলাম না আর তার মিষ্টি গলা শুনে। "মাহতাব সাহেব, আজ আমার জন্মদিন। সময় হবে আমায় কিছুটা সময় দেয়ার?" বিকেলটা তার নামে লিখেছিলাম সেদিন। সে অবাক হয়ে জানতে চেয়েছিল ,' কিছুই আনেন নি? এক মুঠো কৃষ্ণচূড়াও না? আপনি এত বোকা কেনো বলেন তো! হুহ রাগ করলাম কিন্তু। ' না সে রাগ করে নি। সে কখনোই চাওয়া পাওয়ার হিসেবে নিজেকে হারিয়ে ফেলে নি। তার ছোট্ট পাওয়াগুলোতেই মিশে থাকতো সন্তুষ্টি। আমায় কেন যেন টানতো এই ব্যাপারটা। পার্কের বেঞ্চিতে তার কথার নীরব স্রোতা হয়ে ছিলাম সেদিন। এ কথা সে কথায় গোধূলীর আলো যখন বাড়ি ফেরার তাড়ায়, লুকিয়ে আনা এক রঙা চুড়িগুলো তার হাতে দিয়েছিলাম। দিয়েছিলাম তার প্রিয় কৃষ্ণচূড়া। সে কিছু বলতে পারে নি, আমি কেবল অশ্রুদের গড়িয়ে যাওয়া দেখছিলাম তার মায়াবী চোখগুলোয়। আমার কাঁধে মাথা রেখে সে ছেলেমানুষিতায় হারাচ্ছিল যেন, 'আচ্ছা আমি যে আপনাকে এত্ত জ্বালাই, আপনি বকা দেন না কেন আমায়? জানেন আমার খুব ভয় হয়, হুট করে একদিন যদি আপনাকে হারিয়ে ফেলি, যদি শহর থেকে শহরে হন্যে হয়ে খুঁজেও আপনার আর দেখা না পাই, আমায় এমন করে ভালবাসবে না কেউ আর, এটা মনে করেই আমার বুকটা শূণ্যতার মেঘে ভরে যায়। কথা বলেন না কেনও? আমায় একা করে দেবেন না তো কখনও?' অদিতিকে সেদিন আমি কিছু বলতে পারি নি। শুধু একটুখানি আস্হার হাসিতেই যেন বলে দিয়েছিলাম না বলা সব কথা। আমি জানি প্রতিশ্রতির টানাপোড়েনে আজকাল সম্পর্কগুলোয় বিষাদের কালো ছায়া ঘিরে থাকে। জীবন আমাদের সুখ সহ্য করার মানুষিকতায় অভ্যস্ত হতে পারে না। তাই ভালোবাসায় ভালোলাগাটা আপেক্ষিক হয়ে যায় বোঝাপড়ার প্রশ্নে। তবু বেঁচে থাকে স্বপ্ন, পিছুটানকে পেছনে রেখেই এগিয়ে যেতে হয় ভালোবাসার মিছিলে। আমাদের একসাথে বেঁচে থাকার গল্পে অভিমান ছিল, ছিল রাগ নামের বিষন্নতারাও। অদিতিও কারণে অকারণে রাগ করতো। কিন্তু সে প্রকাশ করতে চাইতো না। ভীষণ লুকোনো স্বভাবের মেয়েটাকে নিজের ভাবনাগুলো অন্যের উপর চাপিয়ে দিতে যেমন দেখিনি কোনোদিন, তেমনি রেগে গিয়ে তাকে কখনোই বিষন্নমায়ায় জড়াতে দেখিনি, হয়ত সেই বিষন্নতা লুকিয়ে রাখতো সে, আড়ালে ঝরতো অশ্রু হয়ে, কিন্তু আমায় বুঝতে দেয় নি কখনও। তবে মাঝে মাঝে সেটা নিয়ন্ত্রণে রাখতো পারতো না বোধহয়। একবার হলো কি, দোকান থেকে সিগারেট কিনে বের হলাম, সে দেখে ফেললো। তারপর আর সারাদিন তার খোঁজ নেই। আমার মনে আছে, তার খোঁজে আমি তার হলের সামনে দাঁড়িয়েছিলাম সন্ধ্যে অবধি। সে দেখা দেয় নি। আমায় কেমন যেন শূণ্যতা ঘিরে ধরেছিল চারপাশটায়। সব থেমে গিয়েছিলো, নিঃশব্দ জোনাকের মতো, অব্যক্ত অশ্রুধারার মতো কিংবা ঘাসের কোণায় জমে থাকা এক ফোঁটা শিশিরের মতো। এমনও হয়েছে, নিয়মিত ভোরটাকেও ভারী বিরক্তিকর লাগতো। সেবারই প্রথম আমার মনে হয়েছিল, এই মেয়েটাকে কষ্ট দেয়াটা অন্যায়। আমি বোধহয় ভালোবেসে ফেলেছি অদিতিকে। তিনদিন পর খুব সকালে অদিতির ফোন। 'আপনি আমার সাথে এখনই দেখা করেন।' আমি ছুটে গিয়েছিলাম, তার মলিন চোখে দেখেছিলাম কিছু একটা হারিয়ে ফেলার ভয়। সে আমার হাত খুব শক্ত করে ধরেছিল, যেন হাতটা ছেড়ে দিলেই আমি অদৃশ্য হয়ে যাবো তার সামনে থেকে। বলেছিল, জানেন সিগারেটের নেশা আমার বাবাটাকে বাঁচতে দেয় নি। ফুসফুসের ক্যান্সারে আমার বাবাটা কষ্ট পেয়ে পেয়ে শেষ হয়ে গিয়েছিল। এজন্য আপনার হাতে সেদিন সিগারেট দেখে পুরনো সেই খারাপ লাগাটা ফিরে এসেছিল। আমি আর হারানোর গল্পে নিজেকে দেখতে চাই না। আপনি আর সিগারেট ধরবেন না, আমায় ছুঁয়ে বলেন। সেদিনের পর নিকোটিন আর আমার সাথে দূরত্ব তৈরি হতে শুরু করেছিল। বিকেল পেরিয়ে সন্ধ্যা নামলো বলে। এক পশলা বৃষ্টি ভিজিয়ে দিয়ে গেলো আমাকে। আমি অদিতির অপেক্ষার দাঁড়িয়ে আছি ওর ডিপার্টমেন্টের সামনে। পরীক্ষা দিয়ে বের হয়ে এসেই সে অবাক, 'আপনি? বললেন না যে আসবেন?' 'বললে কি আর সারপ্রাইজ দেয়া হতো? ' 'আচ্ছা, আজকে তাহলে মাহতাব সাহেবের সারপ্রাইজ দিতে ইচ্ছে হলো?' আমি মুচকি হেসে দিলাম। 'ক'দিন আগেই তো জ্বরটা গেলো। আবার তাকে ডাকার স্বাদ হয়েছে? ' সে তার ওড়না দিয়ে আমার মাথা মুছে দিল। আমরা পাশাপাশি হাঁটছিলাম। বৃষ্টিশেষের হিমেল হাওয়ায় তার খোলা চুল উড়ছিলো, কপট বিরক্তি নিয়ে কপাল থেকে চুল সরানোতেই বোধহয় তার সমস্ত মনোযোগ। তার জন্যই হোচঁট খেয়ে পড়তে যাওয়ায় তার হাত ধরে ফেললাম। সে হাতটা আর ছাড়তেই দিলো না। যেন এমন সুযোগের অপেক্ষাতেই ছিল পাগলিটা। আমি তাকে দাঁড় করিয়ে তার পায়ে তার জন্য আনা একটা নুপুর পরিয়ে দিলাম। 'অদিতি? আমার চাকুরীটা হয়ে গেছে। বেতন খুব অল্প। তবে চলে যাবে আমাদের দিন'। সেদিনের সেই মুহূর্তটা আজও আমার চোখে ভাসে। সে কেমন করে খুশিটা প্রকাশ করবে সেটা নিয়ে তাকে প্রচন্ড দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগতে দেখছিলাম। সাময়িক এই দ্বন্দ্ব কাটিয়ে সে হুট করেই জড়িয়ে ধরেছিলো আমায়। তার চোখের কোণে জমা অশ্রুরা আমার শার্ট ভিজিয়ে দিয়েছিল। সময় পেরিয়ে যাচ্ছিলো, পাখিরা তাদের সারাদিনের ভীষণ ব্যস্ততাকে বিদায় জানিয়ে ফিরছিল গোধূলী আলোয় মেখে। সে তবু মুখ লুকিয়ে রেখেছিল এই বুকে। যেন নোনা জলে মাখা মুখটা দেখালেই মুহূর্তরাও ছুট দেবে পাখিদের সাথে। এমন মুগ্ধতা নিয়ে বাঁচার ভাগ্য কয়জনের হয়! এই মায়াবীমুখটাকে আগলে রাখতে হবে, এই সম্পর্কটাকে পবিত্রতার আলিঙ্গনে ঘিরে রাখতে হবে, সেই মুহূর্তে এই ভাবনাগুলো দায়িত্ববান হয়ে উঠতে চাইছিলো। #mysterious_boy #bad_boy #💑রোমান্টিক ছবি #💌প্রেমের কোটস #👫সম্পর্ক
#

mysterious_boy

mysterious_boy - দায়িত্ববান - ShareChat
138 জন দেখলো
1 দিন আগে
#অক্ষমতা #শেষ_পর্ব তুমি তো আমাকে ভালোবেসেছিলা, অনিরূদ্ধ এটা কেমন ভালোবাসা" ভাবির দুচোখ বেয়ে পানি পড়ছে। আর উনার উড বি হাত দিয়ে পানি মুচে দিয়ে বলতেছে " আর কখনো যাতে কাদঁতে না দেখি, এবার থেকে ঠোটেঁ হাসি দেখতে চাই" ঘরোয়া ভাবে ছোট করেই নিরূপমা ভাবির বিয়েটা হয়ে যায়। বিয়ের মাসখানেকের মাথায় বান্দরবনের নীলাচল জায়গাটায় উনারা ঘুরতে যায়। সেখানে একজন উপজাতি মহিলা তাদের দেখাশুনা করতো। উপজাতির জাত বেধেঁ তিনি ছিলেন চাকমা। ভাবির সাথে উনার দ্রুতই সখ্যতা গড়ে উঠে। কোনো এক বেলায় ভাবি দুঃখ করে বলে ওঠেন, আমার স্বামি খুব ভালো একজন মনের মানুষ। আমার এতো বড় অক্ষমতার কথা জেনেও তিনি আমাকে বিয়ে করলেন। আফসোস আমি তাকে সর্বচ্চ সুখ দিতে পারলাম না। চাকমা মহিলাটি ভালোভাবে বুঝতে জিগেস করলো "অক্ষমতা বলতে কি বুঝিয়েছো?" ভাবি তখন সম্পূর্ণ ব্যপারটা খোলাসা করে বললেন। দিদি আমাদের এখানে একজন গাছের শিকড়-বাকড় থেকে ঔষুধ তৈরী করে দেয়। যা খেয়ে এমন অনেকেরই সন্তান হয়েছে। তোমরা বাবু বড় বড় ডাক্তার দেখিয়েছো তারা খুব বিজ্ঞ মানুষ। আরো একবার চেষ্টা করে দেখো। হয়তো ওনার দাবাই খেয়ে তুমি খুশির খবর পেতেও পারো। তুমি বললে আমি এনে দিব.. ভাবি বলল আচ্ছা। নিরূপমা ভাবি বিশ্বাসের সাথে দাবাই খেতে লাগলো। সাথে ডাক্তারের নানা পরামর্শ মেনে চলল। হয়তো পাহাড়ি দাওয়াই, বা ডাক্তারদের হাত আর নয়তো উপরওয়ালার ইচ্ছায় তিনি মা হতে চললেন। এই খবর পেয়ে উনার স্বামি অত্যন্ত খুশি হলেন। __নিরূ আমি তোমাকে বলেছিলাম ভগবানের ওপর বিশ্বাস রাখো। ভগবান চাইলে অবশ্যই আমাদের ঘর আলোকিত হবে। ভাবির বিশ্বাস পাহাড়ি দাবাইয়ের কারনে সে মা হতে যাচ্ছে। সেদিন ভাবির হাজব্যান্ড বললেন " নিরূ তাড়াতাড়ি তৈরী হও, আজকে আমরা ঘুরতে বের হবো।" তোমার জন্য সারপ্রাইজড আছে। ভাবির মানা স্বত্বেও তিনি ঘুরতে বের হলেন। সারাদিন ভালোভাবেই কাটলো। বাড়ি ফিরার পথে সন্ধ্যে হয়ে গেলো। সাথে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। চারদিক আবছা অন্ধকার সেই সাথে গাড়ির হেডলাইট ও নষ্ট হয়ে গেলো। কিছু বুঝে ওঠার আগেই হাইস্রিডে একটা বাস এসে তাদের গাড়িটাকে ধাক্কা দিল। ভাবি, তার হাজব্যান্ড,গাড়ির ড্রাইভার মারাত্নক ভাবে জখম হলেন। উনার হাজব্যান্ড মারাত্মক ভাবে আহত হন। হসপিটালে অটি রুমে নেওয়ার পর ডাক্তার জানালেন তিনি বাবা হওয়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছেন। বাবা হতে তিনি অক্ষম। ভাবির অবস্থাও খুব সোচনীয় ছিল। কয়েকদিন হসপিটালিজড হওয়ার পর বাড়ি ফিরে আসে। স্বাভাবিক ভাবেই দিন যাচ্ছে। হঠ্যাৎ একদিন তিনি লক্ষ করলেন তার ব্লিডিং হচ্ছে। সাথে সাথে ডাক্তারের কাছে গেলেন। ডাক্তার জানালো ওনার বেবিটা নষ্ট হয়ে গেছে। খবরটা শুনেই নিরূপমা ভাবি মানসিক ডিপ্রেশনে চলে যায়। তিনি এটা কিছুতেই মেনে নিতে পারলেন না। ভগবান দিয়ে কেনো নিয়ে গেলো বার বার চিৎকার দিয়ে এই কথাই বলতে লাগলো। ওনার হাজব্যন্ড তখন আবার মানসিক সাপোর্ট দিলেন। বললেন " নিরূ এতো ভেঙে পড়ো না। ভগবান চায় নি তাই তিনি নিয়ে গেছেন। " তুমি চাইলে নতুন করে আবার জীবন সাজাতে পারো। ভাবি উত্তর দিলেন আমার অক্ষমতার কথা জেনেও তুমি হাত শক্ত করে ধরেছো। তবে কি করে ভাবলে তুমি অক্ষম এটা জেনে আমি তোমাকে ছেড়ে দিব। একদিন শপিং করতে এসে নিরূপমা ভাবির অনিরূদ্ধ ভাইয়ার সাথে দেখা হয়ে গেলো। প্রায় পাচঁ বছর পর তাদের দেখা। ভাবি হঠ্যাৎ জিগেস করলেন "অনিরূদ্ধ আমাকে চিনতে পেরেছো? আমি নিরূপমা। যাকে তুমি ছেড়ে দিয়েছো? ভাইয়া সেদিনের মতো আজকের মাথা নিচু করে দাড়িয়ে আছে। উত্তর না পেয়ে ভাবি আবার বলতে লাগলো, __অনিরূদ্ধ তুমি ভালো আছো? তোমার সংসার কেমন চলছে? তোমার সন্তান ভালো আছে? এবার আর ভাইয়া নিজেকে সামলাতে না পেরে ভাবির দুহাত ধরে কেদেঁ কেদেঁ বলা শুরু করলো __নিরূপমা আমি শুধু তোমাকে ভালোবাসি। বিশ্বাস করো আমি বিয়ে করিনি। সেদিন তুমি যা জানলে, যা শুনলে সব সাজানো ছিল। মায়ের কথার চালে আমি ভুলে গেলাম বাচ্চা না হলেও চলবে। তবে আমার তোমাকে লাগবে, তুমি আমার জীবনের একটা পার্ট। বিশ্বাস করো নিরুপমা তোমাকে ছাড়া আমার একটা দিন ও ভালো কাটেনি.. ভাবি ডুকরে কেদেঁ উঠে ভাইয়াটার হাত ঝটকা দিয়ে ফেলে বললেন, " এই কথাগুলো কয়েকবছর আগে কেনো ভাবো নি? জানো অনিরূদ্ধ আমার বিয়ে হয়ে গেছে। আমি আর শুধুমাত্র তোমার নিরূপমা নেই" ( যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি গল্পটি মার্জিত ভাষায় লিখতে। তবুও যদি কোন খারাপ ভাষা থাকে ক্ষমা করবেন। গল্পটি আপনাদের কেমন লেগেছে অবশ্যই পড়া শেষে ভালো/খারাপ যেকোনো একটি মন্তব্য করুন। নাইস/নেক্সট / ভালো প্লিজ এগুলা লিখবেন না😞😞 আর আমার ভুলত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন ) @❤❤ আমার সাথি ❤❤ @BAD BOY #mysterious_boy #bad_boy #💔ভগ্নহৃদয় শায়েরি #👫সম্পর্ক
#

mysterious_boy

mysterious_boy - অক্ষমতা - ShareChat
146 জন দেখলো
1 দিন আগে
#অক্ষমতা #২য়_পর্ব ভাইয়াটা মাথা নিচু করে একটাই কথা বলেছিল "নিরূপমা আমাকে তুমি ক্ষমা করো" ভাবি ওইদিন ভাইয়াটার মুখের ওপর কোনো কথা না বলে বাড়িতে চলে আসে। নিজেকে ব্যস্ত রাখার জন্য একটা স্কুলে জব নেয়। ছোট ছোট বাচ্চাদের সাথে সারাদিন সময় কাটিয়ে আসার পর, বন্ধ চার দেওয়ালে নিজেকে আবারও বন্ধি করে। এতোগুলো সময় সহজে কি ভুলে যাওয়া যায়... সেদিন চলে আসার পর ভাবি ভুল করেও আর ভাইয়ার কোনো খবর নেন নি। ইদানিং ফ্যামেলি প্রচুর চাপ দিচ্ছে বিয়ে করার জন্য। উনার বাবা-মা ভাবছেন বিয়ে হয়ে গেলে সব ঠিক হয়ে যাবে। ভেতরে ভেতরে আর কষ্ট পেয়ে মরবে না। অন্তত মানসিক ভাবে সুস্থ থাকবে। ভাবি রাজী না থাকা স্বত্বের তারা বিয়ের জন্য ঘটক লাগিয়ে দেয়। অল্প সময়েই ভালো একটা পাত্রও পেয়ে যায়। তবে তারা ভাবির যে বাচ্চা হবে না সে বিষয়টি পাত্রকে জানায় না। ভাবিকে না জানিয়ে বিয়ের কাজ অনেকটা এগিয়ে নেয়। যেহেতু সমস্ত ব্যপারটা এতো দূর গড়ালো তাই ভাবিও না করতে পারলো না। ভাবি ভাবলো বৃদ্ধ বাবা-মা কে আর কষ্ট না দেই। তাই সব কিছু তিনি মেনে নেন। তবে ভাবি জানতেন না বাবা মা তার অক্ষমতার কথা তার উড বি কে জানায় নি। ভাবিও সময়-সুযোগ কিছুই পায় নাই উনাকে সব খুলে বলার। বিয়ের ডেট ফাইনাল। এর দুই দিন আগে ভাবির সাথে উনার উড বি রেস্তোরায় দেখা করতে যায়। তখন তিনি তার অতীত, তার অক্ষমতা সব কিছু খুলে বলেন। টেবিলে বসে মাথা নিচু করে আরো বলেন "আমি দুঃখিত, আসলে আমি আপনাকে আরো আগে সব জানাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সুযোগের অভাবে বলতে পারিনি। আপনি ইচ্ছা করলে বিয়ে ভেঙে দিতে পারেন। এখন অনেকটা সময় আছে" ভাবিকে অবাক করে দিয়ে লোকটি বলল "ভগবান চাইলে অবশ্যই আমাদের সন্তান হবে। আমি আপনার সততায় খুশি হয়েছি। আপনি চাইলে সমস্ত ব্যপার চাপা দিয়ে বিয়ে করতে পারতেন কিংবা আমাকে অনুরোধ করতেন আপনাকে যাতে বিয়ে করি। আর সত্যি কথা হলো আমি আপনাকে ভালোবেসেছি, আপনার অতিত জানার আমার ইচ্ছা ছিল না। যা হবে আমি মনে করি সব ভগবানের ইচ্ছায় হবে। আমি আপনাকে বিয়ে করবো" ভাবি অবাক চোখে লোকটার দিকে তাকিয়ে আছে আর ভাবছে "অনিরূদ্ধ তুমি কেনো এভাবে ভাবতে পারলে না? একটা বাচ্চার জন্য আমাকে ছেড়ে দিলা। আমরা একটা বাচ্চা দত্তক ও নিতে পারতাম। তুমি তো আমাকে ভালোবেসেছিলা, অনিরূদ্ধ এটা কেমন ভালোবাসা" ভাবির দুচোখ বেয়ে পানি পড়ছে। আর উনার উড বি হাত দিয়ে পানি মুচে দিয়ে বলতেছে " আর কখনো যাতে কাদঁতে না দেখি, এবার থেকে ঠোটেঁ হাসি দেখতে চাই" (পরবর্তী পর্বে শেষ করে দেওয়া হবে) @BAD BOY #mysterious_boy #bad_boy #💔ভগ্নহৃদয় শায়েরি #👫সম্পর্ক
#

mysterious_boy

mysterious_boy - অক্ষমত ) - ShareChat
130 জন দেখলো
1 দিন আগে
পালিয়ে যাওয়া মেয়ের প্রতি বাবার চিঠিঃ মা'রে, শুরুটা কিভাবে করবো বুজে উঠতে পারছিলাম না। যেদিন তুই তোর মায়ের অস্তিত্ব ছেড়ে ভূমিষ্ঠ হয়েছিলি সেদিন থেকে তোকে মা বলে ডাকতে শুরু করলাম। তোকে মা ডাকতে গিয়ে নিজের মা হারানোর ব্যাথা ভুলেই গিয়েছিলাম। তোর মাকেও কোনদিন মা ছাড়া অন্য নামে ডাকেতে শুনিনি। বিদ্যালয়ে প্রথম দিন শিক্ষক তোর নাম জিজ্ঞেস করেছিলেন। তোকে মা বলে ডাকতে ডাকতে তোর ডাক নামটাও ভুলে গিয়েছিলাম। আমি তোর নাম বলতে না পারায় সবাই আমাকে নিয়ে হাসতে ছিলো। তাই চিঠির উপরে তোর নামের জাগায় মা লিখেছি। হঠাৎ করে তুই এভাবে চলে যাবি আমি তা বুজতেই পারিনি। ছেলেটা যেদিন বাইরে ব্যাগ হাতে তোর জন্য অপেক্ষা করছিল কখন তুই দরজা খুলে বাইরে বের হয়ে আসবি। আমি তখন ভেতরে বসে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করছিলাম আর কতটা ভালবাসতে পারলে তুই আমাকে ছেড়ে চলে যাবি না। তুই ঘরে বসে ভাবছিলি আজ যেতে না পারলে ছেলেটার কাছে ছোট হয়ে যাবি। আর আমি ভাবছিলাম তুই চলে গেলে সমস্ত পিতৃজাতীর কাছে কি করে মুখ দেখাব। জানিস মা তুই তোর তিন বছরের ভালবাসা খুজে পেয়েছিস। কিন্তু আমার জীবন থেকে বিশ বছরের ভালবাসা হারিয়ে গেছে। মা'রে প্রত্যেকটা বাবা জানে রক্ত পানি করে গড়ে তোলা মেয়েটা একদিন অন্যের ঘরে চলে যাবে। তারপরও একটুও কৃপণতা থাকেনা বাবাদের ভেতরে। বাবাদের ভালবাসা শামুকের খোলসের মতো মা,বাহিরটা শক্ত হলেও ভেতরটা খুব নরম হয়ে থাকে। বাবারা সন্তানদের কতটা ভালবাসে তা বুঝাতে পারেনা, তবে অনেকটা ভালবাসতে পারে। জানি মা আমার লেখাগুলো পড়ে তোর খারাপ লাগতে পারে। কি করবো বল? তোরা তো যৌবনে পা রাখার পর চোখ, নাক, কান সবকিছুর প্রতি বিবেচনা করে প্রেম করিস। কিন্তু যেদিন জানতে পারলাম তুই তোর মায়ের গর্ভে অবস্থান করেছিস সেদিন বুজতে পারিনি তুই কালো না ফর্সা হবি, ল্যাংড়া না বোবা হবি,কোন কিছুর অপেক্ষা না করেই তোর প্রেমে পরেছিলাম তাই এতকিছু লিখলাম। আমি জানি মা তোদের সব সন্তানদের একটা প্রশ্ন বাবারা কেন তাদের ভাললাগাটাকে সহজে মানতে চায় না। উত্তর টা তোর ঘাড়ে তোলা থাকলো,তুই যেদিন মা হবি সেদিন নিজে নিজে উত্তর টা পেয়ে যাবি।তোরা যখন একটা ছেলের হাত ধরে পালিয়ে যাস তখন ওই ছেলে ছাড়া জীবনে কারও প্রয়োজন বোধ করিস না।কিন্তু একটা বাবা বুঝে তার জীবনে নিজের মেয়েটার কতটা প্রয়োজন। যেদিন তোর দাদুর কাছ থেকে তোর মাকে গ্রহন করেছিলাম সেদিন প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যে,যদি মেয়ে হয় তাহলে,নিজের মেয়েটাকে তার স্বামীর হাতে তুলে দিয়ে কণ্যাদানের দায়িত্ব থেকে নিজেকে হালকা করবো।তাই তোর প্রতি এত অভিমান। মারে বাবার উপর রাগ করিসনা। তোরা যদি অল্প দিনের ভালবাসার জন্য ঘর ছেড়ে পালাতে পারিস, তবে আমরা বিশ বছরের ভালবাসার জন্য বেপরোয়া হব না কেন?? বাবারা মেয়ে সন্তানের জন্মের পর চিন্তা করতে থাকে নিজের মেয়েটাকে সুপাত্রের হাতে তুলে দিতে পারবে তো।আর যৌবনে পা রাখার পর চিন্তা করে কোন প্রতারনার ফাঁদে পরে পালিয়ে যাবে না তো। তাই মেয়েদের প্রতি প্রত্যেকটা বাবার এতটা নজরদারী। যদি মন কাঁদে চলে আসিস বুক পেতে দেব। হয়তো তোর মায়ের মতো তোকে পেটে ধরিনি, তবে পিঠে ধরার যন্ত্রণাটা সহ্য করতে পারছিনা। ইতি তোর জন্মদাতা "পিতা" (এই চিঠিটা পড়ে অন্তত একটি মেয়ে/ছেলেও যদি তাদের সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আসে মন্দ কি.........? #mysterious_boy #👨‍👦‍👦পরিবার #👫সম্পর্ক #💔ভগ্নহৃদয় শায়েরি
#

mysterious_boy

mysterious_boy - 6C . EU - ShareChat
165 জন দেখলো
3 দিন আগে
কিছু মেয়ের শেষ চিঠি'টা হয়তো এমন হবে..!! . আমার বিয়ে তোমার সাথে হবেনা, অন্য কারো সাথে হবে যাকে চিনিনা জানিনা। আমার অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সে আমাকে ছোঁবে আমি চাইলেও কিছু করতে পারবনা ঐ শক্তি আমার থাকবেনা। . আমার অনেক ঘৃণা লাগবে কারন আমাকে যে অন্য কারো ছোঁয়ার কথা ছিল যখন তাকিয়ে দেখবো এটা সে না অন্য কেউ।আমি কান্না করবো তখন সে ভাববে আমি সুখের কান্না করছি। কিন্তু সে বুঝবেনা এভাবে প্রতিদিন একেকটা রাত হবে আমার কাছে ধর্ষণের রাত। . কিন্তু তখন আমার যে কিছুই করার নেই। আমি যে একটা কাগজে সাক্ষর করে নিজের জীবন অন্যের হাতে তুলে দিয়েছি। প্রতিদিন তার পরিবারের মন জোগাড় করে চলতে হবে। কিন্তু আমি তো তোমার ফ্যামেলি নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলাম। তাদের মন জয়ের স্বপ্ন দেখেছিলাম অথচ দেখো কিছুই হলোনা। . একসময় আমি এসবে অভ্যস্ত হয়ে যাবো। তারপর হঠাৎ একদিন জানবো আমি মা হবো। এটা তো নারীর জীবনের সবচাইতে সুখের দিন, কিন্তু আসলেই কি আমি ঐদিন সুখি হবো.....? . না হবোনা। চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছা হবে কারণ বাচ্চাটা আমার ভালোবাসার চিহ্ন না। তাও ওকে দুনিয়ায় আনতে হবে কারন ওর তো আর কোনো দোষ নেই। ও ভুমিষ্ট হওয়ার পর ওর মুখের দিকে তাকিয়ে সব মেনে নিতে হবে। একসময় ওকে বড়ো করা, স্কুলে নিয়ে যাওয়া, ওকে মানুষের মত মানুষ বানাতে গিয়ে কখন যে ৫০ পেরিয়ে চুল পাকতে শুরু হয়ে যাবে বুঝতেই পারবোনা। . এর মাঝখানে তোমাকে অনেক মনে পড়বে লুকিয়ে লুকিয়ে কাঁদবো, তারপর দীর্ঘশাস ফেলে আবার ব্যস্ত হয়ে যাবো। এভাবেই সময় কেটে যাবে। তারপর হয়তো কোনো এক রাতে ঘুমের মধ্যেই চলে যাবো পরকালে। হয়তো তুমি সেদিন জানবেনা। হয়তো আমার কথা মনে করে তুমিও কোনো বর্ষামূখর দিনে চোখ ভিজাবে । না হয় ভিজাবেনা। . কিন্তু আমার মনের সেই কষ্টগুলো অব্যক্তই থেকে যাবে,তবুও তুমি ভালো থেকো...!! #mysterious_boy #💔ভগ্নহৃদয় শায়েরি #👫সম্পর্ক
#

mysterious_boy

mysterious_boy - অব্যক্ত কথা - ShareChat
160 জন দেখলো
4 দিন আগে
১. হোস্টেলে এক বান্ধবী ছিল, তার সম্পর্ক ছিল আমাদেরই মেডিকেলের দুই বছর সিনিয়র এক দাদার সাথে। ফাইনাল প্রফের অমানবিক চাপে দাদা তখন নাকেমুখে পড়ায় ব্যস্ত। এদিকে ক্যাম্পাসের অন্যান্য কপোতকপোতিরা ঘুরছে ফিরছে, শাড়ি পড়ে ভালবাসা দিবস পালন করছে। আর বান্ধবী আমার মুখ বেজার করে বই খাতা নিয়ে লাইব্রেরী ছুটছে, তাও যদি দাদার দেখা মেলে! এরকমই একদিন রুমে বসে বান্ধবী হা হুতাশ করছে আর তখনই দাদার ফোন, একটু গেইটে আসো তো হোস্টেলের। দশ মিনিট পর বান্ধবী একান ওকান হাসি নিয়ে ফিরল আর হাতে গোটা দশেক আমড়া!! কাহিনী কি?!? লাইব্রেরী যাবার রাস্তায় আমড়াওয়ালার সামনে মেয়েদের বিশাল লাইন দেখে দাদার মনে হলো তার সোহাগীটাও আমড়া খেতে পছন্দ করে। সরল মনে আমড়াগুলো মেয়েটার হাতে দিয়ে তিনি আবার পড়ায় মনোযোগ দিলেন। কিন্তু এই তিন টাকার আমড়া আমার বান্ধবীর মুখে যে তিনশ ওয়াট এর বাল্ব জ্বালালো, ওইটা শুধু আমরা রুমমেটরাই দেখলাম। . ২. ইন্টার্ণ করছি। কলিগ বান্ধবীর সকাল সকাল ভীষণ মেজাজ খারাপ। কাজে মন বসছে না, টুকটাক ভুলও হচ্ছে। জিজ্ঞেস করায় বলল, তোর ভাইয়ার জ্বালায় আর পারলাম না, করবো না শালার চাকরি বাকরি আর। ভাল্লাগে না এত নাটক। আমি আর ঘাটালাম না। চুপচাপ পাশে বসে কাজে মনোযোগ দিলাম। একটু পর মেসেজের টুট টুট শব্দ। খানিক বাদে দেখি বান্ধবী মুচকি মুচকি হাসে। কিরে পাগল হয়ে গেলি? - নারে ! দেখনা তোর দুষ্টু ভাইটা কি যে লিখে! হিহি.. অদ্ভুত একটা প্রশান্ত হাসি নিয়ে মেয়েটা বাকি দিন সব কাজ করল, ফাঁকে ফোকরে আমাদের সাথে হাসি ঠাট্টা, আমি অবাক হয়ে শুধু চেয়ে থাকলাম! . ৩. সার্জারীর এক খুব পছন্দের বড় আপু। প্রচন্ড ক্যারিয়ার ওরিয়েন্টেড। আপু সার্জারীর হওয়ায় আপুকেই বেশি ব্যস্ত থাকতে হতো। গত শীতে একদিন ইমারজেন্সি ওটি শেষ হতে হতে প্রায় রাত এগারটা। ভাইয়া আসলেন আপুকে নিতে, সাথে প্যাকেটভর্তি গরম ভাপা পিঠা আমাদের সবার জন্য! রাস্তার পাশের বিক্রেতা থেকে আনা এই ছোট ভালবাসার নিদর্সন দেখে আপু যেই মুগ্ধ লাজুক হাসিটা দিয়েছিলেন, সেটা ওনাদের সদ্য বৈদেশগমনের অসাধারণ সুন্দর ছবিগুলোকেও হার মানাবে! . ৪. বান্ধবীর বিয়ে হয়েছে প্রায় তিন বছর। পড়ালেখা, ইন্টার্ণ এর চাপে আর সংসার করা হয়ে ওঠেনি ওভাবে, মায়ের আদর যত্নেই ছিল এই সময়টা। ইন্টার্ণ শেষে গত একমাস ধরে সত্যিকার অর্থেই স্বামী সংসার নিয়ে ব্যস্ত। সেখানেও শ্বশুরবাড়ির সবার আদরে থাকে, কোন কাজই করতে হয়না পড়ালেখা ছাড়া। তো একদিন একটা বিশেষ কাজে শ্বাশুড়ি বাইরে আটকা পড়লেন, ফিরতে দেরি হবে। স্বামীও কাজে। সে ভাবল আজকে রান্নাবান্না সে নিজেই করবে। স্বামীকেও জানিয়ে দিল তা। কিছুক্ষণ পর স্বামীর চিন্তিত ফোন,'' তুমিতো কখনো মাড় গালনি। খবরদার একা একা ওইটা করতে যেও না। চাল সিদ্ধ হলে চুলা বন্ধ করে রাখো, আমি এসে গেলে দিব।" বান্ধবীর মুখে এই কাহিনী শুনি আর মুগ্ধ হয়ে তার ছলছল চোখের ঝিলিক দেখি! . গল্প, উপন্যাস, সিনেমা, গান দেখে যারা ভালবাসা শেখে, বিচার করে, তাদের মতো কাঙাল আর দ্বিতীয়টা নেই! দামী গিফট, চাইনিজে ডেট, লং ড্রাইভ, সারপ্রাইজ, ডে আউটে নারে পাগলা; আসেপাশে তাকিয়ে দেখ! ভালবাসা আছে ওই তিন টাকার আমড়া, পাঁচ টাকার পিঠা, ঝগড়া শেষে দুলাইনের মেসেজ আর সেই হন্তদন্ত চিন্তিত ফোনকলটায়! মিষ্টি আবদার আর মোলায়েম ব্যবহার তাকে যতটা কাছে টানবে, ঔদ্ধত্য, জেদ তাকে ঠিক ততটাই দূরে সরিয়ে দেবে; তখন তোমার লাখ টাকার গুচি, লুই ভুটন গিফট প্যাকও তার কাছে মূল্যহীন মনে হবে। ... #mysterious_boy #💑রোমান্টিক ছবি #💌প্রেমের কোটস #👫সম্পর্ক
#

mysterious_boy

mysterious_boy - ShareChat
185 জন দেখলো
6 দিন আগে
পিয়াজ আর কাঁচা মরিচ কাটার পর বউয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে বললাম " আমি আর এসব কাটতে পারবো না। আমার হাত জ্বলছে "। বউ মুখের উপর ধমক দিয়ে বললো " আদা আর রসুন বাটবে কে? সব করে তারপর উঠবা। আর সকাল বেলা যে এতগুলো কাপড় ভিজিয়ে রাখছ সেসব কাপড় ধুয়ে দিবে কে শুনি"? পিয়াজ কাটার জন্য এমনিতেই চোখ জ্বলছে তার উপর কাপড় ধুয়ে দেওয়ার কথা শুনে মেজাজ আরো খারাপ হয়ে গেলো। বউকে কিছু বলতে যাবো এর মধ্যেই ও আবার বলে উঠলো " তাড়াতাড়ি হাত চালাও। কাপড় ধুয়ে দিয়ে রোমান কে রেডি করে দিতে হবে। ওর স্কুল বাস আসার সময় হয়ে যাচ্ছে। সব মনোযোগ দিয়ে করবা। আর আমার আজ ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে। তোমার সাথে না গেলেও চলবে। ড্রাইভার সাথে গেলেই হবে"। বসে বসে রসুনের কোয়া ছিলছি আর ভাবছি কোন ভূতের খপ্পরে পড়ে এই মেয়েকে বিয়ে করেছি। মানুষ বিয়ে করে শান্তিতে থাকে। আমি আছি অশান্তিতে। মনোযোগ দিয়ে কাজ করছি।হঠাৎ ল্যান্ডলাইনে ফোন এলো.... হ্যালো স্যার আপনি কি আর অফিস আসবেন না? দেখো ম্যানেজার তোমার ম্যাডাম প্রেগন্যান্ট। ওকে রেখে এই সময় অফিস যাওয়া পসিবল নয়৷ তুমিই আপাতত কিছুদিন অফিস চালিয়ে নেও। যা যা লাগে বাসায় এসে করে নিয়ে যেও। আর বাসায় আসার আগে আমাকে একবার ফোন দিও।( ম্যানেজারের সামনে অফিসের বস পিয়াজ রসুন কাটছে দৃশ্য টা হঠাৎ মনে হতেই ওর আসার আগে ফোনের কথা টা বলে দিলাম)বলেই ফোন রেখে দিলাম। আচ্ছা ব্যাপার টা খুলেই বলি।আমার আর ওর বিয়ে হওয়ার এক বছরের মাথায় আমাদের প্রথম সন্তান রোমান হয়। রোমান কে কোলে নিয়ে আমার দাদী বলেছিল এবার একটা মেয়ে হলে ষোলকলা পূর্ণ হয়। সেই সময় দাদীর কথা শুনে আমার বউ কানে কানে বলেছিল,"খবরদার আর কোনো বাচ্চার কথা মাথায় নিবা না। এটাই শেষ । আর যদি কখনো কোনো ভুলে আমি কনসিভ করেই ফেলি তাহলে সেই দায় তোমার।এরপর প্রেগন্যান্ট আমি হবো না। তুমি হবে। কথাটা যেন মাথায় থাকে"। যাইহোক মাস সাতেক আগে বউ এসে বলে সে আবার প্রেগন্যান্ট। আমি তো আকাশ থেকে পরলাম। কারণ অনেক আগেই সে প্রটেকশনের দায়ীত্ব দিয়েছিল আমার উপর। আমি কাচুমাচু করছি এমন সময় বউ বলে উঠেছিল "দোষ করবা তুমি আর ফল ভোগ করবো আমি? দাঁড়াও দেখাচ্ছি মজা। আজ থেকে তোমার অফিস যাওয়া বন্ধ। বাসায় কোনো কাজের মানুষ থাকবে না। বাসার সব কাজ তুমি করবে। নাহলে খবর করে ছাড়বো। "। হাজার হোক বউ বলে কথা। কথা না শুনে উপায় নেই। তারপর থেকে সংসারের সব কাজ আমি করছি। সে রানীর মতো পায়ের উপর পা তুলে দিয়ে অর্ডার করছে। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে সম্পূর্ণ বাড়ি ঝাড়ু দেই।আর সে রানীর মতো ঘুম থেকে উঠে এসে বলবে" টেবিলের নিচে ঠিকমতো ঝাড়ু দেওয়া হয়নি।আবার ঝাড়ু দেও"। উপায় না পেয়ে আবার ঝাড়ু দেই। তারপর মুছে রান্নাঘরে যাই। সেখানে সব থালাবাসন ধুয়ে রান্না করি। কতদিন যে খোটা দিছে আমার থালাবাসন ধোয়া নাকি পরিস্কার হয় না। পরে শেষমেশ ইউটিউব থেকে থালাবাসন ধোয়ার টিউটোরিয়াল দেখে থালাবাসন ধোয়া শিখেছি। ছেলেটাও ওর মায়ের মতো শয়তান হয়েছে। দুদিন পরপর ওর মায়ের কাছে নালিশ দেয় ওর স্কুল ড্রেস নাকি আমি পরিষ্কার করে ধুতে পারিনা। মনে মনে বলি আমি " বাবা তুই যদি কাপড় ধুইতি তাহলে বুঝতি মাসের কয়দিন যায়"। আর পোলার আমার বদ অভ্যাস আছে। প্রত্যেকটা দিন স্কুল বাস আসার টাইমে তার বাথরুম পায়। এদিকে স্কুল বাস হর্ন দেয়। আর আমি ওর বাথরুমের পাশে দাঁড়িয়ে থেকে বলি কিরে বাপ তোর হলো? সে নবাবের ছেলের মতো উত্তর দেয়," আব্বু স্কুল বাসকে ওয়েট করতে বলো, আমার আরেকটু সময় লাগবে"। সম্পূর্ণ দিন এসব করি আর মনে মনে বলি "বাচ্চা হতে কতো দেড়ি পাঞ্জেরী"? অবশেষে আবার ছেলের বাবা হয়েছি। দাদীও তার নাতির ছেলেকে আবার দেখতে এসেছে। আবার দাদী সেই একি বাহানা " এবার একটা মেয়ে হলে ষোলকলা পূর্ণ হতো। দাদীর কথা শুনে বউয়ের মুখের দিকে তাকালাম। আমি ওর চোখের ভাষা জানি। ও মনে মনে বলছে "নিবি নাকি আরেকটা বাচ্চা? আবারো তোকে দিয়ে মরিচ পিয়াজ কাটাবো"। বাচ্চার বাবা #mysterious_boy #👨‍👦‍👦পরিবার #👼বাচ্চাদের গল্প #👶শিশু সচেতনতা #👶বাচ্চাদের ছড়া
#

mysterious_boy

mysterious_boy - ShareChat
151 জন দেখলো
17 দিন আগে
-----ইন্দু----- 3 সন্ধ্যা থেকে রাত অবধি ইন্দুকে নিয়ে বাড়িতে ভালোই ঝামেলা হয়।রাতে ইন্দুকে খাইয়ে মামনির ঘরে যেতে বলে তাকে কাবেরী।কিন্তু বায়না ধরে যে যাবেনা,সে মায়ের সাথেই থাকবে।ছোট্টবেলা থেকে কাবেরীই ইন্দুকে বড় করেছে,তার আদরের কোনো সীমা ছিলো না, এমনকি কোনো দিনও ইন্দুকে বকা তো দূর কাবেরী জোড়ে কথাও বলেনি।কিন্তু আজ ইন্দু বায়না করতেই রেগে যায় কাবেরী। “তুই যাবি???? এতো বায়না কিসের তোর??? যা নিজের মায়ের কাছে গিয়ে চুপচাপ ঘুমিয়ে পর।আমি তো তোর মা নই”। কাবেরীর কথা শুনে তার ঘর থেকে কাঁদতে কাঁদতে চলে যায় ইন্দু। “বাচ্চাটাকে বকে কি শান্তি পেলে করি!!!!!ওর কি দোষ বলো!!!” কথা শেষ না হতেই সমীরকে জড়িয়ে কাঁদতে থাকে কাবেরী। “আমি জানিনা গো কিচ্ছু….. কি পাপ করেছিলাম সমু আমি যে ভগবান আমায় এতো বড় শাস্তি দিলো!!!!” “তোমার কোনো দোষ নেই করি।দোষী তো আমি। আমি জানি তোমার কষ্টটা। কিন্তু কি করবো বলো!!!!আমি তো……” “কোনোদিনও কারোর ক্ষতি করিনি।কোনো মায়ের মনে কষ্ট দিইনি। আগের জন্মের পাপের ফল কি এটা সমু!!!!! আমি আর পারছিনা সমু…. পারছিনা আর।ইন্দুকে নিয়ে যাও ভালো থাকি,ওকে মেজ কেড়ে নিলে আমি বাঁচবোনা আর সমু….” বলেই চিৎকার করে কাঁদতে থাকে সে। “চুপ করো করি।মা শুনতে পারবে। তখন মা ও কষ্ট পাবে।চোখ মোছো বাবু। তুমিও কোনোদিনও কারোর ক্ষতি করোনি আমিও করিনি।আমি বিশ্বাস রাখি করি, যা হবে ভালো হবে। দেখে নিও তুমি।জানি তোমার কষ্ট হয় কিন্তু আমি ভালো আছি করি। তোমার মতো স্ত্রী আছে আমার।আমার আর কাওকে চাইনা। আমার অক্ষমতা তুমি কাওকে জানতে দাওনি বরং সেটা নিজে মাথায় নিয়েছো।কতোবার বললাম মা কে সত্যিটা বলে দাও যে তোমার দোষ না।বললে না”। “আমি চাই না তোমাকে কেউ ছোটো নজরে দেখুক।বাড়িতে সবাই জানলে পাঁচকান হতে সময় লাগবে না।তোমাকে মুখের ওপর কেউ কিছু না বললেও পেছনে বলবে।তারপর শুরু করবে আমার উপর আজেবাজে তকমা দেওয়া। হয়তো বলেই দিলো নিজের সন্তুষ্টির জন্য বাইরে যাই। এই তকমার থেকে তোমার অসময়ে তোমার কষ্টটা নিজের মাথাতেই নাহয় নিলাম”। “আমার চাই না কোনো সন্তান করি।তুমি শুধু আমার হাত ছেড়ে দিওনা, আমি আর কিচ্ছু চাইনা তোমার কাছে।সন্তান আজ ভালো, বড় হয়ে গেলে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাতে দুবারও ভাববে না।আমি ওই দুঃখ সহ্য করতে পারবো না করি।তোমার কাছে আমার এই একটাই চাওয়া,তুমি ছেড়েদিওনা আমাকে প্লিজ”। মেয়েদের চোখের জল খুব সহজ ব্যাপার। অনেকে বলে থাকে মেয়েমানুষের অস্ত্র বলে চোখের জল,যা নিজের ক্ষমতায় মেয়েরা পায়না তা চোখের জল দিয়ে আদায় করে নেয়।জানিনা কথাটির মর্ম কি।হয়তো মেয়েরা ইমোশনাল বেশি তাই বেশি কাঁদে,সেটা সবার কাছে নরমাল ব্যাপার। কিছু পুরুষেরা অনেকটাই শক্ত সংযত হয়।ইমোশন কম না বেশি জানিনা। তবে তাদের চোখের জল সচরাচর দেখা যায়না। আর একটি মেয়ে যাকে ভালোবাসে,যাকে আকরে ধরে বাঁচে,সেই ভালোবাসার মানুষের চোখেরজল কোনো মেয়েরই সহ্য হয়না। সেদিন কথা গুলো বলতেই সমীরের চোখে জল দেখতে পায় কাবেরী। “তুমি কি পাগল হয়ে গেছো সমু!!!!!!! কাঁদছো!!!!!! ছিঃ,চোখ মোছো বাবু। আমি কি এতোটাই খারাপ যে তোমাকে ছেড়ে চলে যাবো????? যদি যাবারই হতো তাহলে সাতবছর কেনো থাকলাম????? যেদিন জানতে পেরেছিলাম ওইদিনই চলে যেতাম।আমি তোমার হাত ধরে এই বাড়িতে এসেছি,সন্তানের হাত ধরে না।ভালোবাসি তোমাকে,তার কি কোনো দাম নেই সমু??? হ্যাঁ, সন্তানের জন্য মন হয় মাঝে মাঝে খারাপ। কিন্তু….…..…………. ছাড়ো এসব, চলো সিনেমা দেখি,অনেক দিন থেকে দেখিনা। কালকে একটু বাড়িতে থাকবে, ঘরে টুকিটাকি কাজ করবো। একা করতে পারবো না,কোমরের ব্যথা বেড়েছে”। “তা বাড়বে না তো আর কি বাড়বে!!! রাজ্যের কাজ নিজে করবে কোমর ব্যাথা তো হবেই। কাজের লোক তো মুখ দেখার জন্য তাই না!!!!!” “ওকে দিয়ে কাজ করানো না করানো সমান। দু মিনিটে তিনটে মোছা হয়ে যায় ওর।মানুষ না মেশিন বুঝে পাই না”। “ল্যাপটপটা দাও,নতুন বই ডাউনলোড করা আছে।দেখো কি দেখবে”। টেবিল থেকে ল্যাপটপ নিয়ে নিজেই সিনেমা চালিয়ে নেয় কাবেরী। দুজন মিলে কিছুক্ষণ সিনেমা দেখে ঘুমিয়ে পরে।সিনেমায় কোনো মন ছিলো না কাবেরীর।সমীরের মন ঘুরিয়ে দেবার জন্যেই সিনেমার কথা বলা। মাথায় ঘুরছিল অন্বেষার কথা গুলো, চোখে ভাসছিলো সমুর চোখের জল। হাত বাঁধা তার,কোনো সমাধান করতে সে অপারক,কেননা ত্রুটি তার মধ্যে ছিলো না। পরদিন সকালে স্নান সেরে রোজের মতো রান্নাঘরে নিজের মনে কাজ করছিলো কাবেরী।হঠাৎই মনে হলো কেউ যেন তাকে জড়িয়ে ধরেছে, বুঝতে অসুবিধে হলো না,কেননা এতো লম্বা একজন মানুষকে কোমোরের ওখানে একজন নাগাল পাবে। “কিরে তুই!!!!!! ঘুম হয়ে গেলো এতো তাড়াতাড়ি????” “আমি তো এই সময়েই উঠি।আর আমি কি মামনির মতো নাকি যে নাক ডেকে ঘুমতেই থাকবো!!!!” “চুপ দুষ্টু। আয় এদিকে, ব্রাশ করেছিস???” বলেই গ্যাসটা অফ করে কোলে তুলে নেয় ইন্দুকে কাবেরী। “হ্যাঁ, করেছি। একা একাই করেছি।তোমাকে বলিনি আজ ব্রাশ করিয়ে দেবার জন্য।দেখেছ আমি বড় হয়ে গেছি। এখন থেকে সব একাই করবো। তোমাকেও জ্বালাবোনা মামনিকে তো না ই”। “ ওরে আমার পাকা বুড়িরে।বড় হয়ে গেছি….. কোনোদিনও না।তুই আমার ছোট্ট মেয়ে,ছোট্টই থাকবি। কালকের কথায় রাগ করেছিস তাইনা সোনা?????? মা খুব খারাপ, একদম পঁচা”। “তুমি কাল আমায় ওভাবে কেনো বকলে মা???? আমি দুষ্টু তাই???? আমি আর বায়না করবো না তোমার কাছে মা।প্লিজ আমাকে তুমি বোকোনা।কাল কে কেঁদেছি শুধু জানো???” “সরি মা। সরি….. এই যে আমি কান ধরলাম। মা আর বকবে না তোকে”। “ইটস্ ওকে,আমি তোমায় ক্ষমা করে দিতে পারি যদি তুমি আমায় আজ আইসক্রিম খাওয়াও তবেই”। “এই ব্যাপার। তোর ঠান্ডার দোষ আছে।আমি দেবো না। আইসক্রিম বাদে অন্য যা খুশি খা,আমি আইসক্রিম দেবোনা”। “না আমি আইসক্রিমই খাবো। মা প্লিজ প্লিজ প্লিজ….. ও মা,আজই খাবো।ও মা দাও না মা।আর চাইবো না”। “দেবো না আমি।তারপর কাশি জ্বর হলে তোর মামনি আমায় আবার কথা শোনাবে”। “শোনাবে না।কারন মামনি তো থাকছেই না”। “থাকছেনা মানে”??? “কোলে নাও,কানে কানে বলি….. কাল আমি যখন শুয়েছিলাম চুপ করে চোখ বন্ধ করে,তখন শুনলাম, মামনি আজ অফিসের কাজে সাতদিনের জন্যে বাইরে যাচ্ছে।পাপা থাকবে,কিন্তু পাপা তো আমায় কিছু বলেই না তোমার কাছে থাকলে।আমরা এই কদিন একসাথে থাকবো। খুব আনন্দ করবো মা।তুমি আমি বাবু পাপা ঠাম্মি সবাই মিলে একসাথে”। বলেই গলা জড়িয়ে কাবেরীকে আদর করতে থাকে ইন্দু।কাবেরীও খুব খুশি হয় যেন সাতদিনের জন্য সে সুখরাজ্যের চাবিকাঠি নিজের হাতে পেয়েছে। “আচ্ছা চল খাইয়ে দিই তোকে।মামনি উঠে পরলে তখন দৌড়দৌড়ি শুরু করে দেবে। সময় পাবো না।চটপট খেয়ে নে।আমার হাতের কাজ সব পরে আছে।রান্না সেরে ঘরের কাজ ধরবো, তোর বাবুকে আটকে রেখেছি আজ এর জন্যে, যায় নি কাজে”। “বাবু কাজে যায় নি আজ!!!! কি মজা….. বাবু…… বাবু…….” বলেই ছুটে চলে যায় ইন্দু। “ইন্দু দাঁড়া। শোন মা….. আগে খেয়ে তো যা”…….. #ক্রমশ চলবে সব পার্ট টাইম লাইনে পেয়ে যাবেন। #mysterious_boy #👨‍👦‍👦পরিবার #💌প্রেমের কোটস #👫সম্পর্ক #গোলমেলে ভাষ্য
#

mysterious_boy

mysterious_boy - 29 / 04 09 - ShareChat
199 জন দেখলো
2 মাস আগে
অন্য কোথাও শেয়ার করুন
Facebook
WhatsApp
লিংক কপি করুন
মুছে ফেলুন
Embed
আমি এই পোস্ট এর বিরুদ্ধে, কারণ...
Embed Post