moner kotha😊
00:06 / 358.9 KB
hlw friend #moner kotha😊
আমি বলছি না ভালবাসতেই হবে, আমি চাই কেউ একজন আমার জন্য অপেক্ষা করুক, শুধু ঘরের ভিতর থেকে দরোজা খুলে দেবার জন্য। বাইরে থেকে দরোজা খুলতে খুলতে আমি এখন ক্লান্ত। আমি বলছি না ভালবাসতেই হবে, আমি চাই কেউ আমাকে খেতে দিক। আমি হাতপাখা নিয়ে কাউকে আমার পাশে বসে থাকতে বলছি না, আমি জানি, এই ইলেকট্রিকের যুগ নারীকে মুক্তি দিয়েছে স্বামী-সেবার দায় থেকে। আমি চাই কেউ একজন জিজ্ঞেস করুক; আমার জল লাগবে কি না, নুন লাগবে কি না, পাটশাক ভাজার সঙ্গে আরও একটা তেলে ভাজা শুকনো মরিচ লাগবে কি না। এঁটো বাসন, গেঞ্জি-রুমাল আমি নিজেই ধুতে পারি আমি বলছি না ভালবাসতেই হবে, আমি চাই কেউ একজন ভিতর থেকে আমার ঘরের দরোজা খুলে দিক। কেউ আমাকে কিছু খেতে বলুক। কাম-বাসনার সঙ্গী না হোক, কেউ অন্তত আমাকে জিজ্ঞেস করুক : ‘তোমার চোখ এতো লাল কেন?’ " gunda" #moner kotha😊
00:30 / 847.4 KB
I'm bad boy 👦 #moner kotha😊
My spelling something wrong. Hopeless lover boy #moner kotha😊
#পিরিয়ড,,,, পিরিয়ড হলে আজও সেই মেয়েটিকে ছেলেদের কাছে শুনতে হয় ন্যাপকিনেক "পাউরুটি", "রক্তকে "জেলি" এবং মেয়েটিকে সেই জেলি-পাউরুটি "দোকানদার"। পিরিয়ড হলে আজও সেই মেয়েটি দাগ লাগা অংশটি সমাজের থেকে লুকোয়। পিরিয়ড হলে মেডিকেল শপে গিয়ে আজও সেই মেয়েটি মুখ ফুটে বলতে পারেনা কি কিনবে, টাকা নিয়ে ঠায় দাঁড়িয়েই থাকে। কেন সমাজ আজও মানতে পারেনা একটা সাধারণ বিষয়কে? মলমুত্র ত্যাগের মতন এটিও যে একটি অত্যন্ত সাধারণ শারীরিক প্রতিক্রিয়া? আলাদা তো কিছু নেই এখানে যা নিয়ে ব্যাঙ্গার্থক কোনো বিষয় থাকবে বা খিল্লি করতে হবে! স্কুলে ক্লাস চলাকালিন সেই বিরক্তিকর বিব্রতকর পরিস্থিতি, অসহায় বাচ্চা মেয়েটি বুঝে ওঠে তখন যখন পিছন বেঞ্চ থেকে রঙিন জামা দেখে হাসির শব্দ আসে। বাড়িতে কোনো বিয়ে-থা লাগছে, কিংবা কারো মুখেভাত, হয়তো বা দুগ্গা পূজো, তখন মেয়েটি সবার আগে ক্যালেন্ডারের পাতা ওল্টাতে শুরু করে। আগত অনুষ্ঠানের সাথে যদি মিলে যায় ব্যাস মুখ চুপসে যায় তার। এমন কি যে পিরিয়ড নিয়েই হিন্দুধর্মের সর্ববৃহত্তম জাগ্রত মন্দির কাম্যাখা, সেই পিরিয়ড হলেই সবার আগে মেয়েরা অচ্ছুত হয়ে যায় এবং পৃথিবীর সব মন্দিরের দরজা একসাথে তাদের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। একটি মেয়ের কতটা ধৈর্যশীল থাকলে এরকম পরিস্থিতি সামলে দিতে পারে তা কয়েকটি লেখার মাধ্যমে বোঝানো সম্ভব নয়। তা জানতে গেলে আপনাকে একটি মেয়ে হয়েই জন্ম নিতে হবে। কাউকে কিছু না জানিয়ে নিজে নিজে সহ্য করার এক অবিশ্বাস্য শক্তি নিয়ে জন্মায় প্রত্যেকটি মেয়ে। পুতুলখেলার বয়েসে থেকেই লড়াই সহ্যশক্তির প্রথম অধ্যায় শুরু হয়ে যায় প্রত্যেকটি মেয়ের। যাষ্ট একবার ভাবুন তো একটি মেয়ের দিনের পর দিন টিউশন ব্যাচের ইম্পরটেন্ট পড়া কামাই করছে শুধুমাত্র অসহ্য যন্ত্রণার কারনে। বন্ধুরা যখন একসাথে ফার্স্টফুড খাচ্ছে তখন সে লোভে সংবরন করে সেইখানে দলছুট হচ্ছে। টোটো বা রিক্সাটা যখনই রাস্তার হাম্প ক্রশ করছে সে এক হাত তলপেটটা অন্য হাতে রিক্সার হাতলটি শক্ত করে ধরেছে। ছোটেখাটো সামান্য একটি ঝাঁকুনিও তার প্রত্যেকটি হাড়ের রিড অবদি ভিতর থেকে নড়িয়ে দিচ্ছে। এতো কিছু শোনার পরও নিতান্তই মানুষের বাচ্ছা না হলে মেয়েদের অসম্মান করাটা কঠিন ব্যাপার। কিছুজন কমেন্ট সহমত প্রকাশ করে আবার আড়ালে খিল্লি শুরু করবে, তারা বদলাবে না। তবু বদলাবে না দুনিয়া, বদলাবো না আমরা কেউই। আবার কাল থেকে ফার্মেসি তে যাওয়া মেয়েটা জোর গলায় বলতে পারবে না' একটা ন্যাপকিন দিন তো কাকু।" ফার্মেসিতে লোক কমার অপেক্ষা করবে অথবা মা-কে দিয়ে বলে বাবাকে ঠেলে পাঠাবে। আজও পিরিয়ডের মতো সাধারণ জিনিষ আমাদের চোখে অশুদ্ধ। হ্যাঁ জীবানু আছে, অবশ্যই এই রক্তে জার্ম আছে। তা ছেলেরা যে মোতে তাতে জার্ম নেই? মোতের শেষে ওটা ঝাঁকানোর সময় বা ঝাঁকিয়ে ঢুকিয়ে নেবার পর প্যান্টেও তো কয়েক ফোঁটা লাগে। তাতে জার্ম নেই?? সেই প্যান্ট পরেই তো তারা মন্দিরে ঢুকে যায়। ইসলাম ধর্মমতে পুরুষাঙ্গের অগ্রভাগের চামড়া কাটার সাথে সাথে শুরু হয় উৎসবের, আর সেই একই স্থানের মেয়েদের ক্ষেত্রে পিরিয়ড চলাকালিন অবলম্বন করা হয় চরম গোপনিয়তার। শাস্ত্রমতে বলে নাকি একটি মেয়েকে সাহায্য করার অর্থ পুরুষকে জন্ম হওয়ার সুযোগ করে দেওয়া তাহলে একজন নারীকে সম্মান করার অর্থ কি পুরুষকে ভালোবাসা না? কিন্তু এই সমাজ ঘারত্যারা, এতেটাই গোঁয়ার ও একরোখা যে তারা কখনো বুঝবে না। তবুও তারা আজো বাসে রিক্সায় টোটোতে ট্রামে অসহায়। পুরুষ হাত সর্বদাই ছোঁয়ার সুযোগ খোঁজে। এই একটা ভয়ে মেয়েরা বারো হাত কাপড় পরে আজো মাথা নিচু করে হাঁটে। ভদ্র হন, ভদ্রতা শিখুন, সম্মান করুন, সম্মান দিতে শিখুন। তবেই তো আগামী দিনে আপনার কন্যা সন্তানও সেই সম্মান পাওনা হিসেবে পাবে। তাই নয় কি? আর শক্তির কথাই যদি বলি তাহলে বলবো শক্তি নামক শব্দটিকে নিয়ে পুরুষের এতো গর্ব করা সাজে না। কারণ জিম করে মাসল্ ফোলালেই শক্তির নির্দেশন হয় না। শক্তি তার সহ্যশক্তি যার। একটি তলোয়ারের চেয়ে বেশি ক্ষমতা একটি ঢালের যা সহ্যের নির্দশন। আর নারীশক্তি থেকে প্রকৃত সহ্যশক্তি এ জগতে নেই। তাই নারীশক্তি পুরুষের মতন বাইসেপ বা সিক্সপ্যাক এসব উপকরনের শো-অফ করে না। কারন নারী শক্তির উপকরণ নয় উদাহরণ হয়ে ওঠে। লেখার মধ্যে কোনো ত্রুটি থাকলে ক্ষমার চোখে দেখবেন।।🙏 #Collected #moner kotha😊