নিউ ইয়ারের মজা

নিউ ইয়ারের মজা

#

নিউ ইয়ারের মজা

১০-০১-১৯ প্রাতঃমুরলী ওম শান্তি "বাপদাদা" মধুবন "মিষ্টি বাচ্চারা - বাবার হয়ে বাবার নাম উজ্জ্বল(মহিমান্বিত) করো, তোমরা সম্পূর্ণ পবিত্র হলে বাবার নাম উজ্জ্বল হবে। তোমাদেরকে সম্পূর্ণ মিষ্টি হতে হবে" প্রশ্ন:- সঙ্গমযুগে বাচ্চারা তোমাদের এমন কোন্ চিন্তা রয়েছে যা সত্যযুগে থাকবে না ? উত্তর:- সঙ্গমে তোমাদের পবিত্র হওয়ারই চিন্তা থাকে, বাকি আর সব বিষয় থেকে বাবা তোমাদের নিশ্চিন্ত করে দেন। তোমরা পুরুষার্থ করো এইজন্যে, যেন পুরোনো শরীর প্রসন্ন চিত্তে ত্যাগ করা যায়। তোমরা জানো যে, পুরোনো বস্ত্র(শরীর) ত্যাগ করে নতুন নিতে হবে। প্রত্যেক বাচ্চারা নিজেদের হৃদয়কে(মন) জিজ্ঞাসা করো যে আমাদের খুশী কতটা থাকে, আমরা কতটা সময় বাবাকে স্মরণ করি*। ওম্ শান্তি। মিষ্টি মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের রুহানী বাবা বোঝান। তিনি পড়ানও আবার বোঝানও। তিনি পড়ান রচয়িতা আর রচনার আদি, মধ্য, অন্তের গুপ্ত রহস্য আর বোঝান সর্বগুণসম্পন্ন হও, দৈব-গুণ ধারণ করো। স্মরণ করতে করতে তোমরা সতোপ্রধান হয়ে যাবে তোমরা জানো যে এইসময় এই সৃষ্টি হলো তমোপ্রধান, সতোপ্রধান সৃষ্টি ছিল যা এখন ৫ হাজার বছরে তমোপ্রধানহয়ে গেছে। এ হলো পুরোনো দুনিয়া। সকলের উদ্দেশ্যেই বলা হবে, তাই না ! এরা নতুন দুনিয়ায় ছিল, না শান্তিধামে ছিল। বাবা আত্মাদেরই বসে বোঝান - হে রুহানী বাচ্চারা, তোমাদের সতোপ্রধান অবশ্যই হতে হবে। বাবার আশীর্ব্বাদ অবশ্যই নিতে হবে। আমাকে অর্থাৎ নিজের পিতাকে অবশ্যই স্মরণ করতে হবে। লৌকিক বাচ্চারাও (লৌকিক পিতাকে) স্মরণ করে। যত বড় হতে থাকে পার্থিব সম্পত্তির আশীর্ব্বাদ(হদের বর্সা) পাওয়ার অধিকারী হতে থাকে। তোমরা হলে বেহদের পিতার সন্তান। বাবার থেকে বেহদের উত্তরাধিকার নিতে হবে। এখন ভক্তি ইত্যাদি করার প্রয়োজন নেই। এ তো বাচ্চারা বুঝে গেছে যে - এ হলো ইউনিভার্সিটি। সব মানুষকেই লেখা-পড়া করতে হয়। বেহদের বুদ্ধি ধারণ করতে হবে। এখন এই পুরোনো দুনিয়াকে পরিবর্তিত হতে হবে। যা এখন তমোপ্রধাণ সেটাই সতোপ্রধান হয়ে যাবে। বাচ্চারা জানে, এইসময় আমরা বেহদের বাবার কাছ থেকে বেহদের সুখের( অসীম সুখের) আশীর্ব্বাদ পাচ্ছি। এখন আমাদের একমাত্র রুহানী বাবার মতানুসারেই চলতে হবে। এই রুহানী স্মরণের যাত্রা দ্বারাই তোমাদের আত্মা সতোপ্রধান হতে থাকে কারণ আবার সেই সতোপ্রধান দুনিয়ায় তোমাদের যেতে হবে। তোমরা বুঝতে পেরেছো যে আমরা হলাম ব্রাহ্মণ। আমরা বাবার হয়ে গিয়েছি। পড়া করছি আর পড়াকেই তো জ্ঞান বলা হয়। ভক্তি হলো আলাদা। তোমাদের ব্রাহ্মণদের বাবা জ্ঞান শোনান আর কেউই এই জ্ঞানকে জানে না। তারা এটা জানে না যে জ্ঞানের সাগর বাবা, যিনি টিচারও তিনি কিভাবে পড়ান। বাবা বিভিন্ন বিষয়ে(টপিকস) অনেক কিছু বোঝাতে থাকেন। মুখ্যকথা হলো সম্পূর্ণ বাবার হয়ে বাবার নাম উজ্জ্বল করতে হবে। সম্পূর্ণ পবিত্র হতে হবে। সম্পূর্ণ মিষ্টি হতে হবে। এ হলো ঈশ্বরীয় বিদ্যা। ভগবান বসে পড়ান। সেই উচ্চ থেকে উচ্চতম পিতাকে বসে স্মরণ করতে হবে। এ হলো এক সেকেন্ডের কথা। নিজেকে আত্মা নিশ্চয় কর। তোমরা জানো যে, আমরা আত্মারা শান্তিধামে বসবাস করি, তারপর আবার এখানে আসি অভিনয় করতে। পুনর্জন্মে আসতেই থাকি। নম্বরের ক্রমানুসারে ৮৪ জন্মের পার্ট আমরা এখন পূর্ণ করেছি। এই পড়াকেও(জ্ঞান) বুঝতে হবে, পার্টকেও বুঝতে হবে। ড্রামার রহস্যও বুদ্ধিতে রয়েছে। তোমরা জানো যে, এ হলো আমাদের অন্তিম জন্ম আর এখনই বাবাকে পেয়েছি। যখন ৮৪ জন্ম পূর্ণ হয়, তখনই পুরোনো দুনিয়ার পরিবর্তন হয়। তোমরা এই বেহদের ড্রামাকে, ৮৪ জন্মকে আর এই পড়াকে জানো। ৮৪ জন্ম নিতে-নিতে এখন অন্তিম লগ্নে এসে দাঁড়িয়েছো। এখন পড়ছো, পুনরায় নতুন দুনিয়ায় যাবে। নতুন-নতুনরা তো আসতেই থাকে। কিছু না কিছু নিশ্চয় হতে থাকে। কেউ কেউ তো এই পড়ায় মগ্ন হয়ে যায়। বুদ্ধিতে থাকে যে আমরা সতোপ্রধান পবিত্র হতে চলেছি। আমরা পবিত্র হতে-হতেই উন্নতি প্রাপ্ত করব। বাবা বোঝান, তোমরা যত স্মরণ কর ততই তোমাদের আত্মা পবিত্র হতে থাকে। বাচ্চাদের বুদ্ধিতে সম্পূর্ণ ড্রামাই ফিক্সড হয়ে আছে। এটাও জানো যে, তোমরা এই দুনিয়ার সবকিছু ত্যাগ করে এসেছো। যা কিছু এই নয়ন দ্বারা দ্যাখো তা আর দেখো না। এ সবকিছুই শেষ হয়ে যাবে। এখন এ হলো তোমাদের অন্তিম জন্ম আর কেউই এই বেহদের ড্রামাকে জানে না। তোমরা এখন সম্পূর্ণ চক্রকেই জানো, বাবা এসেছেন এখন তোমাদের তমোপ্রধান থেকে সতোপ্রধান বানাতে। যেমন লৌকিক জগতের পরীক্ষা ১২ মাস পর হয়। তোমাদের স্মরণের যাত্রা এখনো সম্পূর্ণ হয় নি। অনেক কিছুই স্মরণে আসে, তারপর পুনরায় যখন পরিপক্ক হতে থাকবে তখন আর কিছুই স্মরণে থাকবে না। আত্মা সম্পূর্ণ অশরীরী এসেছে, অশরীরী-ই যেতে হবে। তোমরা সমগ্র সৃষ্টির প্রতিটি মানুষেরই পার্টকে জানো। মানুষের সংখ্যা ক্রমাগত অত্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েই চলেছে। কোটি-কোটি হয়ে গেছে। সত্যযুগে তো আমরা অনেক অল্প সংখ্যক থাকবো। পুনর্জন্ম নিতে-নিতে আর অন্য সব ধর্মের মঠ-পন্থ, শাখা-প্রশাখা বাড়তে-বাড়তে ঝাড়(সৃষ্টিরূপী কল্প বৃক্ষ) অনেক বড় হয়ে গেছে। আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্মই প্রায়ঃ লুপ্ত হয়ে গেছে। আমরাই দেবী-দেবতা ধর্মে ছিলাম, সতোপ্রধান ছিলাম। এখন সেই ধর্মই তমোপ্রধাণ হয়ে গেছে, এখন আবার সতোপ্রধান হতে হবে আর তা হওয়ার জন্যই আমরা পড়ছি। যত পড়বে, পড়াবে, ততই অনেকের কল্যাণ হবে। অত্যন্ত স্নেহ-পূর্বক বোঝাতে হবে। এরোপ্লেন থেকে প্রচারপত্র ফেলতে হবে। তাতেও এটাই বোঝাতে হবে যে তোমরা জন্ম-জন্মান্তর ধরে ভক্তি করে এসেছো। গীতা পড়াও হলো ভক্তি। এমন নয় যে গীতা পড়ে কেউ মনুষ্য থেকে দেবতা হয়ে যাবে। ড্রামানুসারে বাবা যখন আসেন তখনই এসে সতোপ্রধান হওয়ার যুক্তি দেন। তখন পুনরায় আমাদের সতোপ্রধান পদ প্রাপ্তি ঘটে। তোমরা জানো, এই পড়ার দ্বারাই আমরা এমন (দেবী-দেবতা) হবো। এ হলো ঈশ্বরীয় পাঠশালা। ভগবান তোমাদের পড়িয়ে নর থেকে নারায়ণ তৈরী করেন। আমরা যখন সতোপ্রধান ছিলাম তখন স্বর্গ ছিল। এখন তমোপ্রধান হয়ে যাওয়ায় তা নরক হয়ে গেছে। পুনরায় চক্রকে ঘুরতেই হবে। বাবা-ই এসে মনুষ্য থেকে দেবতা, বিশ্বের মালিক হওয়ার পুরুষার্থ করান। বাবাকে স্মরণ করতে হবে আর দৈব-গুণ ধারণ করতে হবে। লড়াই-ঝগড়া করবে না। দেবতারা কখনো লড়াই-ঝগড়া করে না। তোমাদেরও তেমন-ই হতে হবে। তোমরাই এমন সর্বগুণসম্পন্ন ছিলে, শ্রীমত অনুসারে চলে তেমনই হতে হবে। নিজেকে জিজ্ঞাসা করো যে আমরা কতটা খুশীতে থাকি? কতখানি নিশ্চয়তা রয়েছে? এ তো সারাদিন স্মরণ করা উচিৎ। কিন্তু মায়া এমনই যে ভুলিয়ে দেয়। তোমরা জানো যে, বাবার সাথে আমারও হলাম বিশ্বসেবাধারী। পূর্বে তোমরা পার্থিব(হদের) জগতের পড়াশোনা করতে, আর এখন বেহদের বাবার থেকে বেহদের পড়া পড়ো। এ হলো পুরোনো শরীর যা নিজের সময় অনুযায়ী মুক্ত হয়ে যাবে, সময় না হলে মুক্ত হতে পারে না। আমরা যেন হাসতে হাসতে এই শরীর ছাড়ি। আমরা এই ছিঃছিঃ শরীরকে ছেড়ে, পুরানো দুনিয়াকেও ছেড়ে খুশী মনে চলে যাই। কোনো বড় দিন থাকলে খুশী হয়ে নতুন বস্ত্র পড়ি, তাই না ! এখানে তোমরা জানো যে নতুন দুনিয়ায় আমরা নতুন শরীর পাবো(ধারণ করব)। এখন আমাদের একটাই চিন্তা তা হলো পবিত্র হওয়ার আর সব চিন্তা থেকে আমরা মুক্ত হয়ে যাই। এ সবকিছুই শেষ হয়ে যাবে তাহলে চিন্তা কেন করব। আধাকল্প আমরা ভক্তিমার্গে, চিন্তায় ছিলাম। পুনরায় আধাকল্প আর কোনো চিন্তা থাকবে না। বাকী সময় কিন্তু অতি অল্প। পবিত্র হওয়ার চিন্তা একটু রয়েছে, তারপরে আর কোনো চিন্তা থাকবে না। এ হলো সুখ-দুঃখের খেলা। সত্যযুগে সুখ, কলিযুগে দুঃখ রয়েছে। বাবা বুঝিয়েছেন, তোমরা জিজ্ঞাসা করতে পারো যে সত্যযুগ, সুখধাম নিবাসী না কি কলিযুগ দুঃখধামের? তোমরা এরকম নতুন-নতুন কথা শোনাও। এখন অবশ্যই বলবে যে দুঃখধামের নিবাসী। অত্যন্ত স্নেহ-পূর্বক জিজ্ঞাসা করো যাতে মানুষ নিজেই বুঝতে পারে যে আমরা কোথাকার নিবাসী। তারাই বলবে যে এদের প্রশ্ন করার যুক্তি খুব সুন্দর। যত বড় গণ্যমান্য ব্যক্তিই হোক, ধনবান হোক সকলেই কিন্তু হলো নরকবাসী, তাই না ! স্বর্গ তো নতুন দুনিয়াকে বলা হয়। এখন কলিযুগ হলো পুরোনো দুনিয়া। এই প্রশ্ন অত্যন্ত ভালো। সিড়ির চিত্রেও সব ক্লিয়ার রয়েছে। তোমরা সুখধামে রয়েছো না দুঃখধামে রয়েছো? এ হেল(নরক) না হেভেন(স্বর্গ)? ডিটি (পবিত্র) না ডেভিল (অপবিত্র)? এসব জিজ্ঞাসা করতে হবে। অবশ্যই সত্যযুগকে ডিটি ওয়ার্ল্ড বলা হবে। কলিযুগকে নরক ডেভিল ওয়ার্ল্ড( অপবিত্র দুনিয়া) বলা হবে। জিজ্ঞাসা করতে হবে যে সত্যযুগ পবিত্র দুনিয়ার নিবাসী না কি কলিযুগ অপবিত্র দুনিয়ার নিবাসী? যত বড়ই বিত্তশালী হও না কেন কিন্তু নিবাসী কোথাকার? এখন তোমরা জ্ঞান প্রাপ্ত করেছো। পূর্বে এই সব কথা খেয়ালেও আসতো না। এখন তোমরা বুঝতে পারো যে আমরা সঙ্গমে রয়েছি। যারা কলিযুগে রয়েছে তারা পতিত, নরকবাসী, তাই পুনরায় পবিত্র হতে হবে। তবেই তো ডাকে(আহ্বান করে) - হে পতিত-পাবন এসো, এসে আমাদের পবিত্র করো। একথাও বোঝাতে হবে। তোমাদের কাছে কত অসংখ্য মানুষ আসে কিন্তু তারমধ্যে থেকেও কোটিতে কেউ- কেউই বেরোয়। আমি(পরমাত্মা) যা, যেমন এবং যা শেখাই - সেই অনুযায়ী কোনো বিরলতম ব্যক্তিই চলতে পারে। প্রভাত-ফেরীতেও এটাই দেখাও যে আমরা এই পড়ার(জ্ঞান) দ্বারাই স্বর্গবাসী হতে চলেছি। সত্যযুগ-ত্রেতা-দ্বাপর-কলিযুগ....... এইভাবে চক্র ঘুরতেই থাকে, তাই না। তোমাদের বুদ্ধিতে সম্পূর্ণ চক্র রয়েছে। পুনরায় তোমরা সুখধাম-শান্তিধামের মালিক হও। সুখধামে, দুঃখধামের নামও থাকে না। যদি পড়া সম্পূর্ণ না হয় তাহলে পদপ্রাপ্তি কম হবে। এ তো সাধারণ কথা তাই বেহদের পড়া পড়ে বেহদের আশীর্ব্বাদ নিতে হবে। শুধুমাত্র নিজেকে আত্মা মনে করে বেহদের পিতাকে স্মরণ করতে হবে। বাবা অতি মিষ্টি। ওঁনার ডায়রেক্শন হলো, দেহ-সহিত দেহের সর্ব বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে যাও। আত্মা হলো অবিনাশী। অতি শীঘ্র শরীর ধারণ করা আবার ততক্ষনাৎ শরীর ত্যাগ করা খুব দেরী লাগে কি, না লাগে না। এইসময় তো দিন-প্রতিদিন সবাই তমোপ্রধাণ হয়ে পড়ে। যখন আমরা সতোপ্রধান ছিলাম তখন আমরা লম্বা আয়ুষ্কালের অধিকারী ছিলাম। আর অত্যন্ত অল্প সংখ্যক ছিলাম। অন্য কোনো ধর্মই ছিল না। তোমাদের আয়ু এখনের পুরুষার্থের দ্বারাই বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়। যতই স্মরণ করবে ততই তোমাদের আয়ু বৃদ্ধি পাবে। যখন তোমরা সতোপ্রধান ছিলে তখন তোমাদের আয়ুষ্কাল অনেক বড় ছিল। কিন্তু যখন থেকে নীচে অবতরণ করেছো তখন থেকেই আয়ু কম হয়ে গেছে। রজো-তে নেমে আয়ু কমেছে, তমো-তে নেমে তো আয়ু আরও কমেছে। যেমন জল সেচের ঘানি(ঘানি = যেটা ঘোরে, চাষের কাজে ব্যবহৃত হয়), একদিক থেকে পাত্র ভরে আর অন্যদিকে খালি হতে থাকে। এও হলো বেহদের জল সেচের ঘানি। তোমরা এখন পূর্ণ হচ্ছ। পূর্ণ হতে হতে যখন তোমরা সম্পূর্ণ হয়ে যাবে তখন আবার ধীরে-ধীরে খালি হতে থাকবে। এর সাথে ব্যাটারীর উদাহরণও দেওয়া যেতে পারে। এখন আমরা সতোপ্রধান হয়ে যাই, তারপর পুনরায় ৮৪ জন্ম নিই। আধাকল্প পরে রাবণ রাজ্য শুরু হয়। রাবণ-রাজ্যে সকলকেই নরকবাসী বলা হবে। পরে যারা আসবে তারা তো নরকেই আসবে। প্রথমে তোমরাই স্বর্গে যাও। এ হলো তোমাদের বাবার থেকে পাওয়া ভক্তির ফল। মনে করা হয় যে, এ অনেক ভক্তি করেছে তাই জ্ঞানও সঠিকভাবে নিতে থাকে। এই সব রহস্য বাবা তোমাদের বোঝান। তোমাদের আবার অন্যদের-কেও বোঝাতে হবে। মনুষ্যরা তো অনেক পাপের পর পাপ করে চলেছে। এখন বাবা এসেছেন, তোমাদের জ্ঞান দান করছেন। বাবা যখন আসেন, এসে তখনই তোমাদের পড়ান। এতদিন পর্য্যন্ত একথা তো জানা ছিল না।ক্রমাগত পাপাত্মাই হয়ে গেছো। পুণ্যাত্মা কিভাবে হয় আর পাপাত্মাই বা কিভাবে হয়; কারা সত্যযুগ-নিবাসী; কারা কলিযুগ-নিবাসী - কিছুই জানা ছিল না। এখন বাবা বুঝিয়েছেন। বাবাকে শাম্মাও(অগ্নিশিখা) বলা হয়ে থাকে। তাঁর মধ্যে লাইটও রয়েছে আবার মাইটও(শক্তি) রয়েছে। যখন লাইটে আসো অর্থাৎ আত্ম-জ্যোতি জাগ্রত হয় তখন মাইটও আসে।তোমাদের আয়ুও(লাইফ) অনেক বড় হয়ে যায়। সেখানে(সত্যযুগ) কাল তোমাদের গ্রাস করতে পারে না। খুশী-খুশী এক শরীর ছেড়ে অন্য শরীরে চলে যাও। দুঃখের কোনো কথাই নেই। এ যেন এক ধরণের খেলা।( সাঁপ-সিড়ির উদাহরণ) তোমরা সত্যযুগ থেকে কলিযুগ পর্য্যন্ত অভিনয় করেছো একথা তোমাদের বুদ্ধিতে একদম বসে গেছে। বাবা তোমাদের পিতাও, শিক্ষকও আবার সদ্গুরুও। একথা একমাত্র বাচ্চারাই পুরুষার্থের নম্বরের ক্রমানুসারে জানে। পুনর্জন্মকেও তোমরাই বোঝো যে তোমরা কতবার জন্মগ্রহণ করো। ব্রাহ্মণ ধর্মে তোমরা কত জন্ম নাও? (এক জন্ম) কেউ কেউ দুই-তিন জন্মও নেয়। মনে করো, কেউ শরীর ত্যাগ করেছে, সে ব্রাহ্মণত্বের সংস্কার নিয়ে গেছে। তাই ব্রাহ্মণত্বের সংস্কার থাকার কারনেই তারা পুনরায় সত্যিকারের ব্রাহ্মণ কুলেই আসবে। ব্রাহ্মণ কুলের আত্মারা তো সংখ্যায় বৃদ্ধি পেতেই থাকবে। ব্রাহ্মণকুলের সংস্কার তো সাথে নিয়ে যায়, তাই না। কিছু হিসাব-নিকাশ থাকলে পরে কেউ-কেউ দুই-তিন জন্মও নিতে পারে। এক শরীর ত্যাগ করে অন্য শরীর নেবে। আত্মা ব্রাহ্মণকুল থেকে দৈবীকুলে যাবে। এরমধ্যে শরীরের কোনো কথাই নেই। এখন তোমরা বাবার হয়েছো, তোমরা হলে ঈশ্বরীয় সন্তান আবার প্রজাপিতা ব্রহ্মারও সন্তান। অন্য কোনো সম্বন্ধ তোমাদের নেই। বেহদের পিতার হয়ে যাওয়া কোনো কম কথা নয়, তাই না! তোমরা সুখধামের মালিক হয়ে যাও। যদি তোমরা শুধু মহান পিতাকেও চিনে নাও তাহলেও তোমাদের নৌকা(বেরা) পার হয়ে যাবে। আচ্ছা ! মিষ্টি মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাত-পিতা বাপদাদার স্নেহ-স্মরণ ও সুপ্রভাত। রুহানী বাবার রুহানী বাচ্চাদেরকে নমস্কার। ধারণার জন্য মুখ্য সার :- ১. নিজেকেই নিজে প্রশ্ন করো যে - ১) আমাদের খুশী কতক্ষণ থাকে? ২) সর্বগুণসম্পন্ন ছিলে এখন শ্রীমত অনুসারে চলে আবার হতে হবে, এই নিশ্চয়তা কতক্ষণ থাকে? ৩)আমরা কতখানি সতোপ্রধান হয়েছি? দিন-রাত সতোপ্রধান(পবিত্র) হওয়ার চিন্তা থাকে কি? ২. বেহদের পিতার সাথে বিশ্বসেবা করতে হবে। বেহদের পড়া পড়তেও হবে আবার পড়াতেও হবে। দেহ-সহ যা কিছু বন্ধন রয়েছে সেগুলিকে বাবার স্মরণে থেকে মুক্ত করতে হবে। বরদান:- সেবায় মান-সম্মানের কাঁচা ফলকে ত্যাগ করে সদা প্রসন্নচিত্ত থাকা অভিমান-মুক্ত ভব রয়্যাল-রূপের ইচ্ছার স্বরূপ হলো নাম, মান, সম্মান। যারা নামের জন্য সেবা করে, তাদের নাম অল্পকালের জন্য হয় আর উচ্চ পদপ্রাপ্তিতে তাদের নাম পিছনের সারিতে চলে যায় কারণ ফল কাঁচা থাকতেই খেয়ে নেয়। অনেক বাচ্চারা মনে করে যে সেবার ফল স্বরূপ আমার সম্মান পাওয়া উচিৎ। কিন্তু এ কোনো সম্মান নয়, এ হলো অভিমান। যেখানে অভিমান থাকে সেখানে প্রসন্নতা থাকতে পারে না, সেই কারণে অভিমান মুক্ত হয়ে সদা প্রসন্নতার অনুভব করো। স্লোগান:- পরমাত্ম প্রেমের সুখদায়ী দোলনায় দুলতে থাকো তাহলে দুঃখের তরঙ্গ(লহর) আসতে পারবে না।
139 views
2 months ago
#

নিউ ইয়ারের মজা

10.01.2019           Morning Malayalam Murli       Om Shanti           BapDada Madhuban മധുരമായ കുട്ടികളെ - അച്ഛന് റേതായി മാറി അച്ഛന് റെ പേരിനെ പ്രശസ്തമാക്കു , സമ്പൂര് ണ്ണ പവിത്രമാകുന്നതിലൂടെയാണ് പേര് പ്രശസ്തമാവുക , നിങ്ങള് ക്ക് സമ്പൂര് ണ്ണമായും മധുരമായി മാറണം . ചോദ്യം :- സത്യയുഗത്തിലില്ലാത്ത ഏതൊരു ചിന്തയാണ് നിങ്ങള് കുട്ടികള്ക്ക് സംഗമയുഗത്തിലുളളത്? ഉത്തരം :- സംഗമയുഗത്തില് നിങ്ങള്ക്ക് പാവനമാകണമെന്ന ചിന്ത തന്നെയാണുള്ളത്, ബാബ നിങ്ങളെ ബാക്കി എല്ലാ കാര്യങ്ങളില് നിന്നും നിശ്ചിന്തരാക്കി മാറ്റി. നിങ്ങള് പുരുഷാര്ത്ഥം ചെയ്യുന്നത് തന്നെ ഈ പഴയ ശരീരം സന്തോഷത്തോടെ ഉപേക്ഷിക്കുവാനാണ്. നിങ്ങള്ക്ക് അറിയാം പഴയ വസ്ത്രം അഴിച്ച് പുതിയത് ധരിക്കും. ഓരോ കുട്ടിയും തന്റെ ഹൃദയത്തോട് ചോദിക്കണം എനിക്ക് എത്ര സന്തോഷമുണ്ട്, ഞാന് എത്ര സമയം അച്ഛനെ ഓര്മ്മിക്കുന്നുണ്ട്. ഓംശാന്തി. മധുര മധുരമായ കളഞ്ഞുപോയി തിരികെക്കിട്ടിയ മക്കള്ക്ക് ആത്മീയ അച്ഛന് മനസ്സിലാക്കിത്തരുകയാണ്. പഠിപ്പിക്കുന്നുമുണ്ട്, മനസ്സിലാക്കിത്തരുന്നുമുണ്ട്. രചയിതാവിന്റേയും രചനയുടെ ആദി മദ്ധ്യ അന്ത്യത്തിന്റേയും രഹസ്യമാണ് പഠിപ്പിച്ചുതരുന്നത് സമ്പൂര്ണ്ണ സമ്പന്നരായി മാറൂ, ദൈവീക ഗുണങ്ങള് ധാരണ ചെയ്യൂ എന്നതാണ് മനസ്സിലാക്കിത്തരുന്നത്. ഓര്മ്മിച്ച് ഓര്മ്മിച്ച് നിങ്ങള് സമ്പൂര്ണ്ണ സതോപ്രധാനമായി മാറും. നിങ്ങള്ക്ക് അറിയാം ഈ സമയം സൃഷ്ടി തമോപ്രധാനമാണ്, സതോപ്രധാന സൃഷ്ടി ആയിരുന്നു 5000 വര്ഷങ്ങള്ക്കുള്ളില് അത് തമോപ്രധാനമായി മാറി. ഇതാണ് പഴയ ലോകം. എല്ലാവര്ക്കുമായാണ് പറയുന്നത്. ഇവര് പുതിയ ലോകത്തിലായിരുന്നുവോ അതോ ശാന്തീധാമത്തിലായിരുന്നുവോ. അച്ഛന് ആത്മാക്കള്ക്കുതന്നെയാണ് മനസ്സിലാക്കിത്തരുന്നത്- അല്ലയോ ആത്മീയ കുട്ടികളേ, നിങ്ങള്ക്ക് തീര്ച്ചയായും സതോപ്രധാനമായി മാറണം. അച്ഛനില് നിന്ന് തീര്ച്ചയായും സമ്പത്ത് എടുക്കണം. നിങ്ങളുടെ അച്ഛനായ എന്നെ തീര്ച്ചയായും ഓര്മ്മിക്കണം. ലൗകിക സന്താനങ്ങളും ഓര്മ്മിക്കാറുണ്ട്. വലുതാകുന്തോറും പരിധിയുള്ള സമ്പത്ത് നേടുന്നതിന് അര്ഹതയുള്ളവരായി മാറും. നിങ്ങള് പരിധിയില്ലാത്ത അച്ഛന്റെ കുട്ടികളാണ്. അച്ഛനില് നിന്ന് പരിധിയില്ലാത്ത സമ്പത്ത് നേടണം. ഇപ്പോള് ഭക്തി മുതലായവ ചെയ്യേണ്ട ആവശ്യമില്ല. ഇത് സര്വ്വകലാശാലയാണ്- എന്നത് കുട്ടികള് മനസ്സിലാക്കിക്കഴിഞ്ഞു. എല്ലാ മനുഷ്യരേയും പഠിപ്പിക്കണം. പരിധിയില്ലാത്ത ബുദ്ധി ധാരണ ചെയ്യണം. ഇപ്പോള് ഈ പഴയ ലോകത്തിന് പരിവര്ത്തനം ഉണ്ടാകണം. ആരാണോ തമോപ്രധാനമായിരിക്കുന്നത് അവര് സതോപ്രധാനമാകും. കുട്ടികള്ക്ക് അറിയാം ഈ സമയം നമ്മള് പരിധിയില്ലാത്ത അച്ഛനില് നിന്നും പരിധിയില്ലാത്ത സുഖത്തിന്റെ സമ്പത്ത് നേടുകയാണ്. ഇപ്പോള് നമ്മുക്ക് ഒരേ ഒരു ആത്മീയപിതാവിന്റെ മതമനുസരിച്ച് തന്നെ നടക്കണം. ഈ ആത്മീയ യാത്രയിലൂടെ തന്നെയാണ് നിങ്ങള് ആത്മാക്കള് സതോപ്രധാനമായി മാറുന്നത് പിന്നീട് സതോപ്രധാന ലോകത്തിലേയ്ക്ക് പോകണം. നമ്മള് ബ്രാഹ്മണരാണ് എന്നത് നിങ്ങള് മനസ്സിലാക്കുന്നുണ്ട്. നമ്മള് ബാബയുടേതായി മാറി. പഠിപ്പ് പഠിക്കുകയാണ് ഈ പഠിപ്പിനെത്തന്നെയാണ് ജ്ഞാനം എന്നു പറയുന്നത്. ഭക്തി വേറിട്ടതാണ്. നിങ്ങള് ബ്രാഹ്മണരെ അച്ഛന് ജ്ഞാനം കേള്പ്പിക്കുകയാണ് ബാക്കി ഈ ലോകത്തിലെ ആര്ക്കും ഈ ജ്ഞാനമില്ല. ജ്ഞാനസാഗരനായ അച്ഛന് ടീച്ചറുമാണ് അവര് എങ്ങനെയാണ് പഠിപ്പിക്കുന്നത് എന്നത് ലോകത്തിലുള്ളവര്ക്ക് അറിയില്ല. ബാബ ഒരുപാട് വിഷയങ്ങള് മനസ്സിലാക്കിത്തരുന്നുണ്ട്. നമ്പര് വണ് കാര്യമിതാണ് അച്ഛന്റേതായി മാറി അച്ഛന്റെ പേരിനെ പ്രശസ്തമാക്കുക. സമ്പൂര്ണ്ണ പവിത്രമായി മാറുക. സമ്പൂര്ണ്ണരീതിയില് മധുരമായും മാറണം. ഇതാണ് ഈശ്വരീയ വിദ്യ. ഭഗവാന് ഇരുന്ന് പഠിപ്പിക്കുകയാണ്. ആ ഉയര്ന്നതിലും ഉയര്ന്ന അച്ഛനെ ഓര്മ്മിക്കണം. സെക്കന്റിന്റെ കാര്യമാണ്. സ്വയം ആത്മാവാണെന്നു മനസ്സിലാക്കു. നിങ്ങള്ക്ക് അറിയാം നമ്മള് ആത്മാക്കള് ശാന്തീധാമത്തില് വസിക്കുന്നവരായിരുന്നു പിന്നീട് പാര്ട്ട് അഭിനയിക്കാനായി ഇവിടേയ്ക്കു വന്നു. പുനര്ജന്മങ്ങള് എടുത്തുകൊണ്ടേയിരുന്നു. നമ്പര്വൈസായി നമ്മള് ഇപ്പോള് 84 ജന്മങ്ങളുടെ പാര്ട്ട് പൂര്ത്തിയാക്കി. ഈ പഠിപ്പിനേയും മനസ്സിലാക്കണം, പാര്ട്ടിനേയും മനസ്സിലാക്കണം. ഡ്രാമയുടെ രഹസ്യവും ബുദ്ധിയിലുണ്ട്. ഇത് നമ്മുടെ അന്തിമ ജന്മമാണ് എന്നത് അറിയാം, ഇപ്പോള് ബാബയെ ലഭിച്ചു. എപ്പോള് 84 ജന്മങ്ങള് പൂര്ത്തിയാക്കുന്നുവോ അപ്പോള് പഴയലോകം മാറുന്നു. നിങ്ങള് ഈ പരിധിയില്ലാത്ത നാടകത്തേയും, 84 ജന്മങ്ങളേയും, ഈ പഠിപ്പിനേയും അറിയുന്നു. 84 ജന്മങ്ങള് എടുത്ത് എടുത്ത് ഇപ്പോള് അവസാനമെത്തി നില്ക്കുകയാണ്. ഇപ്പോള് പഠിച്ചുകൊണ്ടിരിക്കുകയാണ് പിന്നീട് പുതിയ ലോകത്തിലേയ്ക്ക് പോകും. പുതിയ പുതിയ ആളുകള് വന്നുകൊണ്ടിരിക്കും. എതെങ്കിലും നിശ്ചയം അവര്ക്ക് ഉണ്ടായിക്കൊണ്ടിരിക്കും. ചിലര് ഈ പഠിപ്പില്ത്തന്നെ മുഴുകും. നമ്മള് സതോപ്രധാനവും പവിത്രവുമായി മാറുകയാണ് എന്നത് ബുദ്ധിയിലുണ്ട്. നമ്മള് പവിത്രമായിമാറി ഉന്നതി നേടിക്കൊണ്ടിരിക്കും. ബാബ മനസ്സിലാക്കിത്തന്നിട്ടുണ്ട് നിങ്ങള് എത്ര ഓര്മ്മിക്കുന്നുവോ അത്രത്തോളം നിങ്ങള് ആത്മാക്കള് പവിത്രമായി മാറും. കുട്ടികളുടെ ബുദ്ധിയില് മുഴുവന് ഡ്രാമയുമുണ്ട്. ഇതും അറിയാം നിങ്ങള് ഈ ലോകത്തിലെ എല്ലാം ഉപേക്ഷിച്ച് വന്നിരിക്കുകയാണ്. എന്തെല്ലാമാണോ ഈ കണ്ണുകള് കൊണ്ട് കാണുന്നത് അതൊന്നും കാണാന് യോഗ്യമല്ല. ഇതെല്ലാം അവസാനിക്കാനുള്ളതാണ്. ഇപ്പോള് ഇത് നിങ്ങളുടെ അന്തിമ ജന്മമാണ് ബാക്കി ആര്ക്കും ഈ പരിധിയില്ലാത്ത ഡ്രാമയെ അറിയില്ല. നിങ്ങള് ഇപ്പോള് മുഴുവന് ചക്രത്തേയും അറിയുന്നു, ബാബ വന്നിരിക്കുകയാണ് ഇപ്പോള് നിങ്ങളെ തമോപ്രധാനത്തില് നിന്നും സതോപ്രധാനമാക്കി മാറ്റുവാന്. എങ്ങനെയാണോ 12 മാസങ്ങള്ക്കുശേഷം മറ്റു പരീക്ഷകള് നടക്കുന്നത് അതുപോലെ. അതുപോലെ നിങ്ങളുടെ ഓര്മ്മയുടെ യാത്രയും ഇപ്പോള് പൂര്ത്തിയായിട്ടില്ല. വളരെ അധികം കാര്യങ്ങള് ഇപ്പോഴും ഓര്മ്മയിലുണ്ട് പിന്നീട് പക്കയാവുമ്പോള് ഒന്നും ഓര്മ്മയില് വരില്ല. ആത്മാവ് തീര്ത്തും അശരീരിയായാണ് വന്നത്, അശരീരിയായിത്തന്നെ പോവുകയും വേണം. നിങ്ങള് മുഴുവന് സൃഷ്ടിയിലേയും മനുഷ്യരുടെ പാര്ട്ടിനെ അറിയുന്നു. മനുഷ്യരുടെ എണ്ണം വന്തോതില് വര്ദ്ധിക്കുന്നു. കോടിക്കണക്കിനായിരിക്കുന്നു. സത്യയുഗത്തില് നമ്മള് കുറച്ചുപേരേ ഉണ്ടാകൂ. പുനര്ജന്മങ്ങള് എടുത്ത് എടുത്ത് മറ്റു ധര്മ്മങ്ങളും മഠങ്ങളും ശാഖകളും കൊമ്പുകളുമായി വര്ദ്ധിച്ച് വര്ദ്ധിച്ച് വൃക്ഷം വളരെ വലുതായി. ആദിസനാതന ദേവീ ദേവതാ ധര്മ്മം തന്നെ പ്രായലോപമായിപ്പോയി. നമ്മള് തന്നെയാണ് ദേവീദേവതാ ധര്മ്മത്തിലുണ്ടായിരുന്നത്, സതോപ്രധാനമായിരുന്നത്. ഇപ്പോള് ആ ധര്മ്മംതന്നെ തമോപ്രധാനമായി മാറി, ഇപ്പോള് വീണ്ടും സതോപ്രധാനമാകണം അതിനുവേണ്ടിത്തന്നെയാണ് നമ്മള് പഠിക്കുന്നത്. എത്രത്തോളം പഠിക്കുന്നുവോ, പഠിപ്പിക്കുന്നുവോ അത്രത്തോളം മറ്റുള്ളവരുടെ മംഗളമുണ്ടാകും. വളരെ സ്നേഹത്തോടെ മനസ്സിലാക്കിക്കൊടുക്കണം. വിമാനത്തിലൂടെ നോട്ടീസ് വിതരണം ചെയ്യണം. അതിലും ഇത് മനസ്സിലാക്കിക്കൊടുക്കണം നിങ്ങള് ജന്മ ജന്മാന്തരങ്ങളായി ഭക്തി ചെയ്തുവന്നു. ഗീത പഠിക്കുന്നതും ഭക്തിയാണ്. ഗീത പഠിക്കുന്നതിലൂടെ മനുഷ്യന് ദേവതയായി മാറില്ല. ഡ്രാമ അനുസരിച്ച് എപ്പോഴാണോ ബാബ വരുന്നത് അപ്പോള് മാത്രമാണ് സതോപ്രധാനമായി മാറുന്നതിനുള്ള യുക്തി പറഞ്ഞുതരുന്നത്. പിന്നീട് സതോപ്രധാന പദവി ലഭിക്കുന്നു. നിങ്ങള്ക്ക് അറിയാം ഈ പഠിപ്പിലൂടെ നമ്മള് ദേവതയാവുകയാണ്. ഇത് ഈശ്വരീയ പാഠശാലയാണ്. ഭഗവാന് പഠിപ്പിച്ച് നിങ്ങളെ നരനില് നിന്നും നാരായണനാക്കി മാറ്റുകയാണ്. നമ്മള് സതോപ്രധാനമായിരുന്നപ്പോള് സ്വര്ഗ്ഗത്തിലായിരുന്നു. തമോപ്രധാനമായപ്പോള് നരകമാണ്. വീണ്ടും ചക്രത്തിന് കറങ്ങണം. ബാബ തന്നെയാണ് വന്ന് മനുഷ്യനില് നിന്നും ദേവത, വിശ്വത്തിന്റെ അധികാരിയാക്കുന്നതിനുള്ള പുരുഷാര്ത്ഥം ചെയ്യിപ്പിക്കുന്നത്. ബാബയെ ഓര്മ്മിക്കണം പിന്നെ ദൈവീക ഗുണങ്ങള് ധാരണ ചെയ്യണം. വഴക്കിടുകയും അടികൂടുകയും ചെയ്യരുത്. ദേവകതള് ഒരിക്കലും വഴക്കിടുകയില്ല, നിങ്ങള്ക്കും അവര്ക്ക് സമാനമായിത്തീരണം. നിങ്ങളും അവരെപ്പോലെ സര്വ്വഗുണ സമ്പന്നമായിരുന്നു, ഇനി വീണ്ടും ശ്രീമത പ്രകാരം അതുപോലെയാകണം. എനിക്ക് എത്രത്തോളം സന്തോഷമുണ്ട്? എനിക്ക് എത്രത്തോളം നിശ്ചയമുണ്ട്? എന്നത് മുഴുവന് ദിവസവും ഓര്മ്മവേണം. പക്ഷേ മായ അത് മറപ്പിക്കും. നിങ്ങള്ക്ക് അറിയാം നമ്മള് ബാബയോടൊപ്പം വിശ്വസേവകരാണ്. മുമ്പ് നിങ്ങള് പരിധിയുള്ള പഠിപ്പാണ് പഠിച്ചിരുന്നത്, ഇപ്പോള് നിങ്ങള് പരിധിയില്ലാത്ത അച്ഛനില് നിന്നും പരിധിയില്ലാത്ത പഠിപ്പ് പഠിക്കുകയാണ്. ഇത് പഴയ ശരീരമാണ് അതിന്റെ സമയമാകുമ്പോള് ഉപേക്ഷിക്കണം, അത് സ്വയം തന്നെ ഇല്ലാതാകില്ല. നമുക്ക് സന്തോഷത്തോടെ ഈ ശരീരം ഉപേക്ഷിക്കണം. ഈ സമയത്ത് പഴയ മോശമായി ശരീരത്തെ ഉപേക്ഷിച്ച്, പഴയ ലോകത്തേയും ഉപേക്ഷിച്ച് സന്തോഷത്തോടെ പോകുകയാണ്. ഏതെങ്കിലും ആഘോഷദിവസമാണെങ്കില് സന്തോഷത്തോടെ പുതിയ വസ്ത്രങ്ങള് ധരിക്കാറില്ലേ. ഇവിടെ നിങ്ങള്ക്ക് അറിയാം നമ്മുക്ക് പുതിയ ലോകത്തില് പുതിയ ശരീരം ലഭിക്കും. നമ്മുക്ക് ഒരേ ഒരു ചിന്തയേയുള്ളു അത് പാവനമാകണം എന്നതാണ് ബാക്കി എല്ലാചിന്തയില് നിന്നും നമ്മള് മുക്തമായി. ഇതെല്ലാം അവസാനിക്കാനുള്ളതാണ്, പിന്നെ എന്തിനെക്കുറിച്ചാണ് ചിന്തവെയ്ക്കേണ്ടത്. അരകല്പം നമ്മള് ഭക്തിമാര്ഗ്ഗത്തില് വിഷമിച്ചുകൊണ്ടിരുന്നു. ഇനി അരകല്പം നിശ്ചിന്തമായിരിക്കും. ഇനി ബാക്കി കുറച്ച് സമയമേയുള്ളു. പാവനമാകണം എന്ന ചിന്തമാത്രം കുറച്ചുണ്ട്. പിന്നീട് ഒരു ചിന്തയുമുണ്ടാകില്ല. ഇത് സുഖ ദുഃഖത്തിന്റെ കളിയാണ്. സത്യയുഗത്തിലാണ് സുഖം, കലിയുഗത്തില് ദുഃഖമാണ്. ബാബ മനസ്സിലാക്കിത്തന്നിട്ടുണ്ട്, മറ്റുളളവരോട് നിങ്ങള്ക്ക് ചോദിക്കാന് സാധിക്കും നിങ്ങള് സത്യയുഗമാകുന്ന സുഖധാമത്തില് വസിക്കുന്നവരാണോ അതോ ദുഃഖധാമത്തില് വസിക്കുന്നവരാണോ? നിങ്ങള് പുതിയ പുതിയ കാര്യങ്ങളാണ് ചോദിക്കുന്നത്. അവര് തീര്ച്ചയായും പറയും ഇപ്പോള് ദുഃഖധാമ വാസിയാണെന്ന്. വളരെ സ്നേഹത്തോടെ ചോദിക്കണം അവര്ക്ക് സ്വയം മനസ്സിലാക്കാന് സാധിക്കണം നമ്മള് എവിടെയാണ് വസിക്കുന്നത്. ഇവരുടെ ചോദ്യം ചോദിക്കുന്ന യുക്തി വളരെ നല്ലതാണ് എന്ന് അവര് പറയും. എത്ര വലിയ ആളുമാകട്ടെ, ധനവാനായിക്കൊള്ളട്ടെ പക്ഷേ നരകവാസിയല്ലേ. സ്വര്ഗ്ഗമെന്ന് പുതിയ ലോകത്തെയാണ് പറയുന്നത്. ഇപ്പോള് കലിയുഗമാണ് പഴയലോകമാണ്. ഈ ചോദ്യം വളരെ നല്ലതാണ്. ഏണിപ്പടിയിലും കാര്യങ്ങള് വ്യക്തമാണ്. നിങ്ങള് സുഖധാമത്തിലാണോ അതോ ദുഃഖധാമത്തിലാണോ? ഇത് സ്വര്ഗ്ഗമാണോ അതോ നരകമാണോ? ദൈവീകമാണോ അതോ ആസുരീയമാണോ? ഇത് ചോദിക്കണം. തീര്ച്ചയായും സത്യയുഗത്തെ ദൈവീകലോകം എന്നാണ് പറയുന്നത്. കലിയുഗത്തെ ആസുരീയ ലോകം നരകം എന്നും പറയുന്നു. അതുകൊണ്ട് ചോദിക്കണം സത്യയുഗമാകുന്ന ദൈവീകലോകത്തില് വസിക്കുന്നവരാണോ അതോ കലിയുഗ ആസുരീയലോകത്തില് വസിക്കുന്നവരാണോ? എത്ര തന്നെ ധനവാനായിക്കൊള്ളട്ടെ പക്ഷേ എവിടെ വസിക്കുന്നവരാണ്? ഇപ്പോള് നിങ്ങളുടെ ഉള്ളില് ജ്ഞാനമുണ്ട്. മുമ്പ് ഈ കാര്യങ്ങള് ചിന്തയില്പോലും വന്നിരുന്നില്ല. ഇപ്പോള് നിങ്ങള് മനസ്സിലാക്കുന്നുണ്ട് നമ്മള് സംഗമവാസികളാണ്. ആരാണോ കലിയുഗത്തിലുള്ളത് അവര് പതിത നരകവാസികളാണ്, പിന്നീട് പാവനമായി മാറണം. അതുകൊണ്ടാണ് വിളിക്കുന്നത്- അല്ലയോ പതിതപാവനാ വരൂ, വന്ന് ഞങ്ങളെ പാവനമാക്കൂ. ഇതും മനസ്സിലാക്കിക്കൊടുക്കണം. നിങ്ങളുടെ അടുത്തേയ്ക്ക് എത്ര ആളുകളാണ് വരുന്നത് പക്ഷേ അതിലും കോടിയില് ചിലരേ മനസ്സിലാക്കു. ഞാന് എന്താണോ, എങ്ങനെയാണോ, എന്താണോ പഠിപ്പിക്കുന്നത്- അതനുസരിച്ച് വിരളംപേരേ നടക്കൂ. പ്രഭാതഫേരിയില് ചുറ്റിക്കറങ്ങുമ്പോഴും ഇതുതന്നെ കാണിക്കൂ, നമ്മള് ഈ പഠിപ്പിലൂടെ സ്വര്ഗ്ഗവാസിയാവുകയാണ്. സത്യയുഗം-ത്രേതായുഗം-ദ്വാപരം-കലിയുഗം ഈ ചക്രം കറങ്ങുമല്ലോ. നിങ്ങളുടെ ബുദ്ധിയില് മുഴുവന് ചക്രവുമുണ്ട്. നിങ്ങള് വീണ്ടും സുഖധാമം ശാന്തിധാമത്തിന്റെ അധികാരിയാവുകയാണ്. സുഖധാമത്തില് ദുഃഖത്തിന്റ പേരുപോലുമുണ്ടാകില്ല. അഥവാ പൂര്ണ്ണമായി പഠിക്കുന്നില്ലെങ്കില് പദവിയും കുറഞ്ഞുപോകും. ഇത് പൊതുവായ കാര്യമാണ് അതിനാല് പതിധിയില്ലാത്ത പഠിപ്പ് പഠിച്ച് പരിധിയില്ലാത്ത സമ്പത്ത് എടുക്കു. കേവലം സ്വയം ആത്മാവാണെന്നു മനസ്സിലാക്കി പരിധിയില്ലാത്ത അച്ഛനെ ഓര്മ്മിക്കണം. വളരെ മധുരമായ ബാബയാണ്. ബാബയുടെ നിര്ദ്ദേശമാണ് ദേഹസഹിതം ദേഹത്തിന്റെ സര്വ്വബന്ധനങ്ങളേയും അവസാനിപ്പിക്കു. ആത്മാവ് അവിനാശിയാണ്. ഇപ്പോള് തന്നെ ശരീരം എടുത്തു, ഇപ്പോള് തന്നെ ഉപേക്ഷിച്ചു. സമയം എടുക്കുന്നേയില്ല. ഇക്കാലത്ത് ഓരോ ദിവസം തോറും ആളുകള് തമോപ്രധാനമായിക്കൊണ്ടിരിക്കുകയാണ്. എപ്പോഴാണോ നമ്മള് സതോപ്രധാനമായിരുന്നത് അപ്പോള് നമ്മുക്ക് വളരെയധികം ആയുസ്സ് ഉണ്ടായിരുന്നു, നമ്മള് കുറച്ച് പേരേയുണ്ടായിരുന്നുള്ളു. രണ്ടാമത് ഒരു ധര്മ്മവും ഉണ്ടായിരുന്നില്ല. നിങ്ങളുടെ ആയുസ്സ് ഇപ്പോള് ചെയ്യുന്ന പുരുഷാര്ത്ഥത്താലാണ് വര്ദ്ധിക്കുന്നത്. എത്ര ഓര്മ്മിക്കുന്നുവോ അത്രയും ആയുസ്സ് വര്ദ്ധിക്കും. നിങ്ങള് സതോപ്രധാനമായിരുന്നപ്പോള് നിങ്ങളുടെ ആയുസ്സ് വളരെ കൂടുതലായിരുന്നു. പിന്നീട് എത്രത്തോളം താഴേയ്ക്ക് വന്നോ അതിനനുസരിച്ച് ആയുസ്സും കുറഞ്ഞു. രജോയിലേയ്ക്ക് ഇറങ്ങിവന്നപ്പോള് ആയുസ്സും കുറഞ്ഞു, തമോയിലേയ്ക്ക് വന്നപ്പോള് അതിലും കുറഞ്ഞു. എങ്ങനെയാണോ ജലചലിത ചക്രത്തില് കപ്പികള് മുകളിലേക്ക് പോകുമ്പോള് വെളളം നിറയുകയും കപ്പികള് താഴേക്കു വരുമ്പോള് വെളളം താഴേക്കു വീഴുകയും ചെയ്യുന്നത്, അതുപോലെ നിങ്ങളിപ്പോള് മുകളിലേക്കു പൊയ്ക്കൊണ്ടിരിക്കുകയാണ് അതായത് നിറച്ചു കൊണ്ടിരിക്കുകയാണ്, പിന്നീട് ഇറങ്ങുവാന് ആരംഭിക്കുമ്പോള് കാലിയാവുന്നു. ഇതിനെ ബാറ്ററിയോടും ഉപമിക്കാം. ഇപ്പോള് നമ്മള് സതോപ്രധാനമായി തിരിച്ച് പോവുകയാണ് പിന്നീട് 84 ജന്മങ്ങള് എടുക്കും. അരകല്പത്തിനുശേഷം രാവണരാജ്യം ആരംഭിക്കും. രാവണരാജ്യത്തില് എല്ലാവരേയും നരകവാസി എന്നാണ് പറയുന്നത്. പിന്നാലെ ആരാണോ വരുന്നത് അവര് നരകത്തില്ത്തന്നെയാണ് വരുക. നിങ്ങള് ആദ്യം സ്വര്ഗ്ഗത്തിലേയ്ക്കാണ് പോവുക. ഇത് അച്ഛനില് നിന്നും ലഭിക്കുന്ന ഭക്തിയുടെ ഫലമാണ്. ഇവര് വളരെ അധികം ഭക്തി ചെയ്തിട്ടുണ്ട് അതിനാലാണ് ജ്ഞാനവും എടുക്കുന്നത് എന്ന് മനസ്സിലാക്കാന് സാധിക്കും. ഈ മുഴുവന് രഹസ്യങ്ങളും ബാബ നിങ്ങള്ക്ക് മനസ്സിലാക്കിത്തന്നിട്ടുണ്ട്. നിങ്ങള് പിന്നീട് മറ്റുള്ളവര്ക്ക് മനസ്സിലാക്കിക്കൊടുക്കണം. മനുഷ്യര് അനേക പ്രകാരത്തിലുള്ള പാപങ്ങള് ചെയ്തിട്ടുണ്ട്. ഇപ്പോള് അച്ഛന് വന്നിട്ടുണ്ട്, നിങ്ങള്ക്ക് ജ്ഞാനം നല്കുകയാണ്. അച്ഛന് എപ്പോഴാണോ വരുന്നത് അപ്പോള്ത്തന്നെയാണ് പഠിപ്പിക്കുന്നത്. ഇതുവരെ ഇതൊന്നും അറിയില്ലായിരുന്നു. പാപാത്മാവായിക്കൊണ്ടേയിരുന്നു. പുണ്യത്മാവായി മാറുന്നത് എങ്ങനെയാണ് പിന്നീട് എങ്ങനെയാണ് പാപാത്മാവായി മാറിയത്; ആരാണ് സത്യയുഗത്തില് വസിക്കുന്നത്, ആരാണ് കലിയുഗവാസികളാകുന്നത്- ഇതൊന്നും അറിയില്ലായിരുന്നു. ഇപ്പോള് ബാബയാണ് മനസ്സിലാക്കിത്തന്നത്. ബാബയെ പ്രകാശം എന്നും പറയാറുണ്ട്. ബാബയില് പ്രകാശവുമുണ്ട് ശക്തിയുമുണ്ട്. പ്രകാശം ലഭിക്കുമ്പോള് അതായത് ജ്ഞാനം ലഭിക്കുമ്പോള് ഉണരുന്നു അപ്പോള് ശക്തിയും ലഭിക്കുന്നു. നിങ്ങളുടെ ജീവിതവും അഭിവൃദ്ധിപ്പെടുന്നു. അവിടെ നിങ്ങളെ കാലന് വിഴുങ്ങാന് കഴിയില്ല. സന്തോഷത്തോടെ ഒരു ശരീരം ഉപേക്ഷിച്ച് അടുത്തത് എടുക്കുന്നു. ദുഃഖത്തിന്റെ ഒരു കാര്യവുമില്ല. കളിക്കുന്നതുപോലെയാണ്. സര്പ്പം തന്റെ ഉറ ഊരുന്നതുപോലെയാണ്. നിങ്ങള് സത്യയുഗം മുതല് കലിയുഗത്തിന്റെ അന്ത്യം വരെ പാര്ട്ട് അഭിനയിച്ചു. ഇത് ബുദ്ധിയില് ഇരുക്കുന്നുണ്ട്. ബാബ നിങ്ങളുടെ അച്ഛനുമാണ് ടീച്ചറുമാണ് സദ്ഗുരുവുമാണ്. ഇത് നിങ്ങള് കുട്ടികള് മാത്രമാണ് നമ്പര്വൈസ് പുരുഷാര്ത്ഥം അനുസരിച്ച് അറിയുന്നത്. പുനര്ജന്മങ്ങളെക്കുറിച്ചും നിങ്ങള് എത്ര ജന്മങ്ങള് എടുക്കുന്നു എന്നതും നിങ്ങള് മനസ്സിലാക്കി. ബ്രാഹ്മണധര്മ്മത്തില് നിങ്ങള് എത്ര ജന്മം എടുക്കുന്നുണ്ട്? (ഒന്ന്). ചിലര് രണ്ടോ മൂന്നോ ജന്മങ്ങളും എടുക്കുന്നുണ്ട്. അഥവാ ആരെങ്കിലും ശരീരം വിടുകയാണെന്നു കരുതു, അവര് ബ്രാഹ്മണസംസ്ക്കാരവും കൊണ്ടാണ് പോകുന്നത്. സംസ്ക്കാരം ബ്രാഹ്മണന്റേതായതിനാല് സത്യംസത്യമായ ബ്രാഹ്മണകുലത്തിലേയ്ക്കുതന്നെ വീണ്ടും വരും. ബ്രാഹ്മണകുലത്തിലെ ആത്മാക്കളുടെ വൃദ്ധി ഉണ്ടായിക്കൊണ്ടിരിക്കും. ബ്രാഹ്മണകുലത്തിലെ സംസ്ക്കാരത്തെ കൊണ്ടുപോകില്ലേ. എന്തെങ്കിലും കണക്കുണ്ടെങ്കില് രണ്ടോ മൂന്നോ ജന്മങ്ങള് വരെ എടുക്കും. ഒരു ശരീരം ഉപേക്ഷിച്ചു അടുത്തത് എടുത്തു. ആത്മാവ് ബ്രാഹ്മണകുലത്തില് നിന്നും ദൈവീകകുലത്തിലേയ്ക്ക് പോകും. ഇവിടെ ശരീരത്തിന്റെ കാര്യമേയില്ല. ഇപ്പോള് നിങ്ങള് അച്ഛന്റേതായി മാറിയിരിക്കുന്നു, നിങ്ങള് ഈശ്വരീയ സന്താനങ്ങളാണ് ഒപ്പം പ്രജാപിതാ ബ്രഹ്മാവിന്റെ സന്താനങ്ങളുമാണ്. രണ്ടാമതായി ഒരു സംബന്ധവും നിങ്ങള്ക്ക് ഇല്ല. പരിധിയില്ലാത്ത അച്ഛന്റേതായി മാറുക എന്നത് ഒരു ചെറിയകാര്യമാണോ! നിങ്ങള് സുഖധാമത്തിന്റെ അധികാരിയായാണ് മാറുന്നത്. നിങ്ങള് കേവലം നിങ്ങളുടെ വലിയ അച്ഛനെ തിരിച്ചറിഞ്ഞാല് മതി നിങ്ങളുടെ തോണി അക്കരെയെത്തും.ശരി! വളരെക്കാലത്തെ വേര്പാടിന്നുശേഷം തിരിച്ചു കിട്ടിയ മധുരമധുരമായ ഓമന സന്താനങ്ങള്ക്ക് മാതാവും പിതാവുമായ ബാപ്ദാദയുടെ സ്നേഹസ്മരണകളും പുലര്കാല വന്ദനവും. ആത്മീയ പിതാവിന്റെ ആത്മീയ കുട്ടികള്ക്ക് നമസ്കാരം. ധാരണയ്ക്കുള്ള മുഖ്യ സാരം:- 1. സ്വയം തന്നോടുതന്നെ ചോദിക്കണം-1- എനിക്ക് എത്രത്തോളം സന്തോഷമായിരിക്കാന് സാധിക്കുന്നുണ്ട്? 2- സര്വ്വഗുണ സമ്പന്നരായിരുന്നു, ഇപ്പോള് ശ്രീമതമനുസരിച്ച് വീണ്ടും ആയിമാറണം, ഈ നിശ്ചയം എത്രത്തോളമുണ്ട്? 3- ഞാന് എത്രത്തോളം സതോപ്രധാനമായി മാറി? എനിക്ക് രാത്രിയും പകലും സതോപ്രധാനമായി അഥവാ പാവനമായി മാറണമെന്ന ചിന്തയുണ്ടോ? 2. പരിധിയില്ലാത്ത അച്ഛനോടൊപ്പം വിശ്വത്തിന്റെ സേവനം ചെയ്യണം. പരിധിയില്ലാത്ത പഠിപ്പ് പഠിക്കുകയും പഠിപ്പിക്കുകയും വേണം. ദേഹസഹിതം എന്തെല്ലാം ബന്ധനങ്ങളുണ്ടോ അതിനെയെല്ലാം അച്ഛന്റെ ഓര്മ്മയില് ഇരുന്ന് അവസാനിപ്പിക്കണം. വരദാനം :- സേവനത്തില് പേരിന്റെയും പ്രശസ്തിയുടെയും കച്ചയായ ഫലത്തെ ത്യാഗം ചെയ്ത് സദാ പ്രസന്ന ചിത്തരായിരിക്കുന്ന അഭിമാനത്തില് നിന്നും മുക്തരായി ഭവിയ്ക്കട്ടെ. രാജകീയ രൂപത്തിന്റെ ഇച്ഛയുടെ സ്വരൂപമാണ് പേര്, അംഗീകാരം, പ്രശസ്തി. ആരാണോ പേരിനു പിറകെ സേവനം ചെയ്യുന്നത്, അവരുടെ പേര് അല്പകാലത്തേക്കുളളതാണ്, എന്നാല് ഉയര്ന്ന പദവിയില് പേര് പിറകിലായിരിക്കും. എന്തുകൊണ്ടെന്നാല് പാകമാകാത്ത പഴം കഴിച്ചു. പല കുട്ടികളും ചിന്തിക്കാറുണ്ട് സേവനത്തിന്റെ റിസള്ട്ടില് എനിക്ക് അംഗീകാരം ലഭിക്കണം. എന്നാല് ഇത് അംഗീകാരമല്ല അഭിമാനമാണ്. എവിടെ അഭിമാനമുണ്ടോ അവിടെ പ്രസന്നരായിരിക്കുവാന് സാധിക്കില്ല. അതിനാല് അഭിമാനത്തില് നിന്നും മുക്തമായിമാറി സദാ പ്രസന്നതയുടെ അനുഭവം ചെയ്യൂ. സ്ലോഗന് :- പരമാത്മാ സ്നേഹത്തിന്റെ സുഖദായി ഊഞ്ഞാലില് ആടൂ, എന്നാല് ദുഖത്തിന്റെ അലകള്ക്ക് വരാന് സാധിക്കില്ല. ബ്രഹ്മാബാബയ്ക്ക് സമാനമാകുന്നതിനുളള വിശേഷ പുരുഷാര്ത്ഥം - നമ്പര്വണ് ബ്രഹ്മാവിന്റെ ആത്മാവിനൊപ്പം താങ്കളെല്ലാവര്ക്കും ഫരിസ്തയായിമാറി അവ്യക്തവതനത്തിലേക്ക് പോയി പിന്നീട് പരമധാമത്തിലേക്ക് പോകണം. അതിനാല് മനസ്സിന്റെ ഏകാഗ്രതയില് വിശേഷ ശ്രദ്ധ നല്കൂ, ആജ്ഞയനുസരിച്ച് മനസ്സിനെ നടത്തൂ. ഓരോ കാര്യത്തിലും വൃത്തിയില് ദൃഷ്ടിയില് കര്മ്മത്തില്, വേറിട്ട അവസ്ഥ അനുഭവമാകണം. ഫരിസ്ത സ്ഥിതിയുടെ അഭ്യാസം സ്വയം ചെയ്യൂ, മറ്റുളളവരെക്കൊണ്ടും ചെയ്യിപ്പിക്കൂ.
128 views
2 months ago
#

নিউ ইয়ারের মজা

১০-০১-১৯ প্রাতঃমুরলী ওম শান্তি "বাপদাদা" মধুবন "মিষ্টি বাচ্চারা - বাবার হয়ে বাবার নাম উজ্জ্বল(মহিমান্বিত) করো, তোমরা সম্পূর্ণ পবিত্র হলে বাবার নাম উজ্জ্বল হবে। তোমাদেরকে সম্পূর্ণ মিষ্টি হতে হবে" প্রশ্ন:- সঙ্গমযুগে বাচ্চারা তোমাদের এমন কোন্ চিন্তা রয়েছে যা সত্যযুগে থাকবে না ? উত্তর:- সঙ্গমে তোমাদের পবিত্র হওয়ারই চিন্তা থাকে, বাকি আর সব বিষয় থেকে বাবা তোমাদের নিশ্চিন্ত করে দেন। তোমরা পুরুষার্থ করো এইজন্যে, যেন পুরোনো শরীর প্রসন্ন চিত্তে ত্যাগ করা যায়। তোমরা জানো যে, পুরোনো বস্ত্র(শরীর) ত্যাগ করে নতুন নিতে হবে। প্রত্যেক বাচ্চারা নিজেদের হৃদয়কে(মন) জিজ্ঞাসা করো যে আমাদের খুশী কতটা থাকে, আমরা কতটা সময় বাবাকে স্মরণ করি*। ওম্ শান্তি। মিষ্টি মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের রুহানী বাবা বোঝান। তিনি পড়ানও আবার বোঝানও। তিনি পড়ান রচয়িতা আর রচনার আদি, মধ্য, অন্তের গুপ্ত রহস্য আর বোঝান সর্বগুণসম্পন্ন হও, দৈব-গুণ ধারণ করো। স্মরণ করতে করতে তোমরা সতোপ্রধান হয়ে যাবে তোমরা জানো যে এইসময় এই সৃষ্টি হলো তমোপ্রধান, সতোপ্রধান সৃষ্টি ছিল যা এখন ৫ হাজার বছরে তমোপ্রধানহয়ে গেছে। এ হলো পুরোনো দুনিয়া। সকলের উদ্দেশ্যেই বলা হবে, তাই না ! এরা নতুন দুনিয়ায় ছিল, না শান্তিধামে ছিল। বাবা আত্মাদেরই বসে বোঝান - হে রুহানী বাচ্চারা, তোমাদের সতোপ্রধান অবশ্যই হতে হবে। বাবার আশীর্ব্বাদ অবশ্যই নিতে হবে। আমাকে অর্থাৎ নিজের পিতাকে অবশ্যই স্মরণ করতে হবে। লৌকিক বাচ্চারাও (লৌকিক পিতাকে) স্মরণ করে। যত বড় হতে থাকে পার্থিব সম্পত্তির আশীর্ব্বাদ(হদের বর্সা) পাওয়ার অধিকারী হতে থাকে। তোমরা হলে বেহদের পিতার সন্তান। বাবার থেকে বেহদের উত্তরাধিকার নিতে হবে। এখন ভক্তি ইত্যাদি করার প্রয়োজন নেই। এ তো বাচ্চারা বুঝে গেছে যে - এ হলো ইউনিভার্সিটি। সব মানুষকেই লেখা-পড়া করতে হয়। বেহদের বুদ্ধি ধারণ করতে হবে। এখন এই পুরোনো দুনিয়াকে পরিবর্তিত হতে হবে। যা এখন তমোপ্রধাণ সেটাই সতোপ্রধান হয়ে যাবে। বাচ্চারা জানে, এইসময় আমরা বেহদের বাবার কাছ থেকে বেহদের সুখের( অসীম সুখের) আশীর্ব্বাদ পাচ্ছি। এখন আমাদের একমাত্র রুহানী বাবার মতানুসারেই চলতে হবে। এই রুহানী স্মরণের যাত্রা দ্বারাই তোমাদের আত্মা সতোপ্রধান হতে থাকে কারণ আবার সেই সতোপ্রধান দুনিয়ায় তোমাদের যেতে হবে। তোমরা বুঝতে পেরেছো যে আমরা হলাম ব্রাহ্মণ। আমরা বাবার হয়ে গিয়েছি। পড়া করছি আর পড়াকেই তো জ্ঞান বলা হয়। ভক্তি হলো আলাদা। তোমাদের ব্রাহ্মণদের বাবা জ্ঞান শোনান আর কেউই এই জ্ঞানকে জানে না। তারা এটা জানে না যে জ্ঞানের সাগর বাবা, যিনি টিচারও তিনি কিভাবে পড়ান। বাবা বিভিন্ন বিষয়ে(টপিকস) অনেক কিছু বোঝাতে থাকেন। মুখ্যকথা হলো সম্পূর্ণ বাবার হয়ে বাবার নাম উজ্জ্বল করতে হবে। সম্পূর্ণ পবিত্র হতে হবে। সম্পূর্ণ মিষ্টি হতে হবে। এ হলো ঈশ্বরীয় বিদ্যা। ভগবান বসে পড়ান। সেই উচ্চ থেকে উচ্চতম পিতাকে বসে স্মরণ করতে হবে। এ হলো এক সেকেন্ডের কথা। নিজেকে আত্মা নিশ্চয় কর। তোমরা জানো যে, আমরা আত্মারা শান্তিধামে বসবাস করি, তারপর আবার এখানে আসি অভিনয় করতে। পুনর্জন্মে আসতেই থাকি। নম্বরের ক্রমানুসারে ৮৪ জন্মের পার্ট আমরা এখন পূর্ণ করেছি। এই পড়াকেও(জ্ঞান) বুঝতে হবে, পার্টকেও বুঝতে হবে। ড্রামার রহস্যও বুদ্ধিতে রয়েছে। তোমরা জানো যে, এ হলো আমাদের অন্তিম জন্ম আর এখনই বাবাকে পেয়েছি। যখন ৮৪ জন্ম পূর্ণ হয়, তখনই পুরোনো দুনিয়ার পরিবর্তন হয়। তোমরা এই বেহদের ড্রামাকে, ৮৪ জন্মকে আর এই পড়াকে জানো। ৮৪ জন্ম নিতে-নিতে এখন অন্তিম লগ্নে এসে দাঁড়িয়েছো। এখন পড়ছো, পুনরায় নতুন দুনিয়ায় যাবে। নতুন-নতুনরা তো আসতেই থাকে। কিছু না কিছু নিশ্চয় হতে থাকে। কেউ কেউ তো এই পড়ায় মগ্ন হয়ে যায়। বুদ্ধিতে থাকে যে আমরা সতোপ্রধান পবিত্র হতে চলেছি। আমরা পবিত্র হতে-হতেই উন্নতি প্রাপ্ত করব। বাবা বোঝান, তোমরা যত স্মরণ কর ততই তোমাদের আত্মা পবিত্র হতে থাকে। বাচ্চাদের বুদ্ধিতে সম্পূর্ণ ড্রামাই ফিক্সড হয়ে আছে। এটাও জানো যে, তোমরা এই দুনিয়ার সবকিছু ত্যাগ করে এসেছো। যা কিছু এই নয়ন দ্বারা দ্যাখো তা আর দেখো না। এ সবকিছুই শেষ হয়ে যাবে। এখন এ হলো তোমাদের অন্তিম জন্ম আর কেউই এই বেহদের ড্রামাকে জানে না। তোমরা এখন সম্পূর্ণ চক্রকেই জানো, বাবা এসেছেন এখন তোমাদের তমোপ্রধান থেকে সতোপ্রধান বানাতে। যেমন লৌকিক জগতের পরীক্ষা ১২ মাস পর হয়। তোমাদের স্মরণের যাত্রা এখনো সম্পূর্ণ হয় নি। অনেক কিছুই স্মরণে আসে, তারপর পুনরায় যখন পরিপক্ক হতে থাকবে তখন আর কিছুই স্মরণে থাকবে না। আত্মা সম্পূর্ণ অশরীরী এসেছে, অশরীরী-ই যেতে হবে। তোমরা সমগ্র সৃষ্টির প্রতিটি মানুষেরই পার্টকে জানো। মানুষের সংখ্যা ক্রমাগত অত্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েই চলেছে। কোটি-কোটি হয়ে গেছে। সত্যযুগে তো আমরা অনেক অল্প সংখ্যক থাকবো। পুনর্জন্ম নিতে-নিতে আর অন্য সব ধর্মের মঠ-পন্থ, শাখা-প্রশাখা বাড়তে-বাড়তে ঝাড়(সৃষ্টিরূপী কল্প বৃক্ষ) অনেক বড় হয়ে গেছে। আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্মই প্রায়ঃ লুপ্ত হয়ে গেছে। আমরাই দেবী-দেবতা ধর্মে ছিলাম, সতোপ্রধান ছিলাম। এখন সেই ধর্মই তমোপ্রধাণ হয়ে গেছে, এখন আবার সতোপ্রধান হতে হবে আর তা হওয়ার জন্যই আমরা পড়ছি। যত পড়বে, পড়াবে, ততই অনেকের কল্যাণ হবে। অত্যন্ত স্নেহ-পূর্বক বোঝাতে হবে। এরোপ্লেন থেকে প্রচারপত্র ফেলতে হবে। তাতেও এটাই বোঝাতে হবে যে তোমরা জন্ম-জন্মান্তর ধরে ভক্তি করে এসেছো। গীতা পড়াও হলো ভক্তি। এমন নয় যে গীতা পড়ে কেউ মনুষ্য থেকে দেবতা হয়ে যাবে। ড্রামানুসারে বাবা যখন আসেন তখনই এসে সতোপ্রধান হওয়ার যুক্তি দেন। তখন পুনরায় আমাদের সতোপ্রধান পদ প্রাপ্তি ঘটে। তোমরা জানো, এই পড়ার দ্বারাই আমরা এমন (দেবী-দেবতা) হবো। এ হলো ঈশ্বরীয় পাঠশালা। ভগবান তোমাদের পড়িয়ে নর থেকে নারায়ণ তৈরী করেন। আমরা যখন সতোপ্রধান ছিলাম তখন স্বর্গ ছিল। এখন তমোপ্রধান হয়ে যাওয়ায় তা নরক হয়ে গেছে। পুনরায় চক্রকে ঘুরতেই হবে। বাবা-ই এসে মনুষ্য থেকে দেবতা, বিশ্বের মালিক হওয়ার পুরুষার্থ করান। বাবাকে স্মরণ করতে হবে আর দৈব-গুণ ধারণ করতে হবে। লড়াই-ঝগড়া করবে না। দেবতারা কখনো লড়াই-ঝগড়া করে না। তোমাদেরও তেমন-ই হতে হবে। তোমরাই এমন সর্বগুণসম্পন্ন ছিলে, শ্রীমত অনুসারে চলে তেমনই হতে হবে। নিজেকে জিজ্ঞাসা করো যে আমরা কতটা খুশীতে থাকি? কতখানি নিশ্চয়তা রয়েছে? এ তো সারাদিন স্মরণ করা উচিৎ। কিন্তু মায়া এমনই যে ভুলিয়ে দেয়। তোমরা জানো যে, বাবার সাথে আমারও হলাম বিশ্বসেবাধারী। পূর্বে তোমরা পার্থিব(হদের) জগতের পড়াশোনা করতে, আর এখন বেহদের বাবার থেকে বেহদের পড়া পড়ো। এ হলো পুরোনো শরীর যা নিজের সময় অনুযায়ী মুক্ত হয়ে যাবে, সময় না হলে মুক্ত হতে পারে না। আমরা যেন হাসতে হাসতে এই শরীর ছাড়ি। আমরা এই ছিঃছিঃ শরীরকে ছেড়ে, পুরানো দুনিয়াকেও ছেড়ে খুশী মনে চলে যাই। কোনো বড় দিন থাকলে খুশী হয়ে নতুন বস্ত্র পড়ি, তাই না ! এখানে তোমরা জানো যে নতুন দুনিয়ায় আমরা নতুন শরীর পাবো(ধারণ করব)। এখন আমাদের একটাই চিন্তা তা হলো পবিত্র হওয়ার আর সব চিন্তা থেকে আমরা মুক্ত হয়ে যাই। এ সবকিছুই শেষ হয়ে যাবে তাহলে চিন্তা কেন করব। আধাকল্প আমরা ভক্তিমার্গে, চিন্তায় ছিলাম। পুনরায় আধাকল্প আর কোনো চিন্তা থাকবে না। বাকী সময় কিন্তু অতি অল্প। পবিত্র হওয়ার চিন্তা একটু রয়েছে, তারপরে আর কোনো চিন্তা থাকবে না। এ হলো সুখ-দুঃখের খেলা। সত্যযুগে সুখ, কলিযুগে দুঃখ রয়েছে। বাবা বুঝিয়েছেন, তোমরা জিজ্ঞাসা করতে পারো যে সত্যযুগ, সুখধাম নিবাসী না কি কলিযুগ দুঃখধামের? তোমরা এরকম নতুন-নতুন কথা শোনাও। এখন অবশ্যই বলবে যে দুঃখধামের নিবাসী। অত্যন্ত স্নেহ-পূর্বক জিজ্ঞাসা করো যাতে মানুষ নিজেই বুঝতে পারে যে আমরা কোথাকার নিবাসী। তারাই বলবে যে এদের প্রশ্ন করার যুক্তি খুব সুন্দর। যত বড় গণ্যমান্য ব্যক্তিই হোক, ধনবান হোক সকলেই কিন্তু হলো নরকবাসী, তাই না ! স্বর্গ তো নতুন দুনিয়াকে বলা হয়। এখন কলিযুগ হলো পুরোনো দুনিয়া। এই প্রশ্ন অত্যন্ত ভালো। সিড়ির চিত্রেও সব ক্লিয়ার রয়েছে। তোমরা সুখধামে রয়েছো না দুঃখধামে রয়েছো? এ হেল(নরক) না হেভেন(স্বর্গ)? ডিটি (পবিত্র) না ডেভিল (অপবিত্র)? এসব জিজ্ঞাসা করতে হবে। অবশ্যই সত্যযুগকে ডিটি ওয়ার্ল্ড বলা হবে। কলিযুগকে নরক ডেভিল ওয়ার্ল্ড( অপবিত্র দুনিয়া) বলা হবে। জিজ্ঞাসা করতে হবে যে সত্যযুগ পবিত্র দুনিয়ার নিবাসী না কি কলিযুগ অপবিত্র দুনিয়ার নিবাসী? যত বড়ই বিত্তশালী হও না কেন কিন্তু নিবাসী কোথাকার? এখন তোমরা জ্ঞান প্রাপ্ত করেছো। পূর্বে এই সব কথা খেয়ালেও আসতো না। এখন তোমরা বুঝতে পারো যে আমরা সঙ্গমে রয়েছি। যারা কলিযুগে রয়েছে তারা পতিত, নরকবাসী, তাই পুনরায় পবিত্র হতে হবে। তবেই তো ডাকে(আহ্বান করে) - হে পতিত-পাবন এসো, এসে আমাদের পবিত্র করো। একথাও বোঝাতে হবে। তোমাদের কাছে কত অসংখ্য মানুষ আসে কিন্তু তারমধ্যে থেকেও কোটিতে কেউ- কেউই বেরোয়। আমি(পরমাত্মা) যা, যেমন এবং যা শেখাই - সেই অনুযায়ী কোনো বিরলতম ব্যক্তিই চলতে পারে। প্রভাত-ফেরীতেও এটাই দেখাও যে আমরা এই পড়ার(জ্ঞান) দ্বারাই স্বর্গবাসী হতে চলেছি। সত্যযুগ-ত্রেতা-দ্বাপর-কলিযুগ....... এইভাবে চক্র ঘুরতেই থাকে, তাই না। তোমাদের বুদ্ধিতে সম্পূর্ণ চক্র রয়েছে। পুনরায় তোমরা সুখধাম-শান্তিধামের মালিক হও। সুখধামে, দুঃখধামের নামও থাকে না। যদি পড়া সম্পূর্ণ না হয় তাহলে পদপ্রাপ্তি কম হবে। এ তো সাধারণ কথা তাই বেহদের পড়া পড়ে বেহদের আশীর্ব্বাদ নিতে হবে। শুধুমাত্র নিজেকে আত্মা মনে করে বেহদের পিতাকে স্মরণ করতে হবে। বাবা অতি মিষ্টি। ওঁনার ডায়রেক্শন হলো, দেহ-সহিত দেহের সর্ব বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে যাও। আত্মা হলো অবিনাশী। অতি শীঘ্র শরীর ধারণ করা আবার ততক্ষনাৎ শরীর ত্যাগ করা খুব দেরী লাগে কি, না লাগে না। এইসময় তো দিন-প্রতিদিন সবাই তমোপ্রধাণ হয়ে পড়ে। যখন আমরা সতোপ্রধান ছিলাম তখন আমরা লম্বা আয়ুষ্কালের অধিকারী ছিলাম। আর অত্যন্ত অল্প সংখ্যক ছিলাম। অন্য কোনো ধর্মই ছিল না। তোমাদের আয়ু এখনের পুরুষার্থের দ্বারাই বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়। যতই স্মরণ করবে ততই তোমাদের আয়ু বৃদ্ধি পাবে। যখন তোমরা সতোপ্রধান ছিলে তখন তোমাদের আয়ুষ্কাল অনেক বড় ছিল। কিন্তু যখন থেকে নীচে অবতরণ করেছো তখন থেকেই আয়ু কম হয়ে গেছে। রজো-তে নেমে আয়ু কমেছে, তমো-তে নেমে তো আয়ু আরও কমেছে। যেমন জল সেচের ঘানি(ঘানি = যেটা ঘোরে, চাষের কাজে ব্যবহৃত হয়), একদিক থেকে পাত্র ভরে আর অন্যদিকে খালি হতে থাকে। এও হলো বেহদের জল সেচের ঘানি। তোমরা এখন পূর্ণ হচ্ছ। পূর্ণ হতে হতে যখন তোমরা সম্পূর্ণ হয়ে যাবে তখন আবার ধীরে-ধীরে খালি হতে থাকবে। এর সাথে ব্যাটারীর উদাহরণও দেওয়া যেতে পারে। এখন আমরা সতোপ্রধান হয়ে যাই, তারপর পুনরায় ৮৪ জন্ম নিই। আধাকল্প পরে রাবণ রাজ্য শুরু হয়। রাবণ-রাজ্যে সকলকেই নরকবাসী বলা হবে। পরে যারা আসবে তারা তো নরকেই আসবে। প্রথমে তোমরাই স্বর্গে যাও। এ হলো তোমাদের বাবার থেকে পাওয়া ভক্তির ফল। মনে করা হয় যে, এ অনেক ভক্তি করেছে তাই জ্ঞানও সঠিকভাবে নিতে থাকে। এই সব রহস্য বাবা তোমাদের বোঝান। তোমাদের আবার অন্যদের-কেও বোঝাতে হবে। মনুষ্যরা তো অনেক পাপের পর পাপ করে চলেছে। এখন বাবা এসেছেন, তোমাদের জ্ঞান দান করছেন। বাবা যখন আসেন, এসে তখনই তোমাদের পড়ান। এতদিন পর্য্যন্ত একথা তো জানা ছিল না।ক্রমাগত পাপাত্মাই হয়ে গেছো। পুণ্যাত্মা কিভাবে হয় আর পাপাত্মাই বা কিভাবে হয়; কারা সত্যযুগ-নিবাসী; কারা কলিযুগ-নিবাসী - কিছুই জানা ছিল না। এখন বাবা বুঝিয়েছেন। বাবাকে শাম্মাও(অগ্নিশিখা) বলা হয়ে থাকে। তাঁর মধ্যে লাইটও রয়েছে আবার মাইটও(শক্তি) রয়েছে। যখন লাইটে আসো অর্থাৎ আত্ম-জ্যোতি জাগ্রত হয় তখন মাইটও আসে।তোমাদের আয়ুও(লাইফ) অনেক বড় হয়ে যায়। সেখানে(সত্যযুগ) কাল তোমাদের গ্রাস করতে পারে না। খুশী-খুশী এক শরীর ছেড়ে অন্য শরীরে চলে যাও। দুঃখের কোনো কথাই নেই। এ যেন এক ধরণের খেলা।( সাঁপ-সিড়ির উদাহরণ) তোমরা সত্যযুগ থেকে কলিযুগ পর্য্যন্ত অভিনয় করেছো একথা তোমাদের বুদ্ধিতে একদম বসে গেছে। বাবা তোমাদের পিতাও, শিক্ষকও আবার সদ্গুরুও। একথা একমাত্র বাচ্চারাই পুরুষার্থের নম্বরের ক্রমানুসারে জানে। পুনর্জন্মকেও তোমরাই বোঝো যে তোমরা কতবার জন্মগ্রহণ করো। ব্রাহ্মণ ধর্মে তোমরা কত জন্ম নাও? (এক জন্ম) কেউ কেউ দুই-তিন জন্মও নেয়। মনে করো, কেউ শরীর ত্যাগ করেছে, সে ব্রাহ্মণত্বের সংস্কার নিয়ে গেছে। তাই ব্রাহ্মণত্বের সংস্কার থাকার কারনেই তারা পুনরায় সত্যিকারের ব্রাহ্মণ কুলেই আসবে। ব্রাহ্মণ কুলের আত্মারা তো সংখ্যায় বৃদ্ধি পেতেই থাকবে। ব্রাহ্মণকুলের সংস্কার তো সাথে নিয়ে যায়, তাই না। কিছু হিসাব-নিকাশ থাকলে পরে কেউ-কেউ দুই-তিন জন্মও নিতে পারে। এক শরীর ত্যাগ করে অন্য শরীর নেবে। আত্মা ব্রাহ্মণকুল থেকে দৈবীকুলে যাবে। এরমধ্যে শরীরের কোনো কথাই নেই। এখন তোমরা বাবার হয়েছো, তোমরা হলে ঈশ্বরীয় সন্তান আবার প্রজাপিতা ব্রহ্মারও সন্তান। অন্য কোনো সম্বন্ধ তোমাদের নেই। বেহদের পিতার হয়ে যাওয়া কোনো কম কথা নয়, তাই না! তোমরা সুখধামের মালিক হয়ে যাও। যদি তোমরা শুধু মহান পিতাকেও চিনে নাও তাহলেও তোমাদের নৌকা(বেরা) পার হয়ে যাবে। আচ্ছা ! মিষ্টি মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাত-পিতা বাপদাদার স্নেহ-স্মরণ ও সুপ্রভাত। রুহানী বাবার রুহানী বাচ্চাদেরকে নমস্কার। ধারণার জন্য মুখ্য সার :- ১. নিজেকেই নিজে প্রশ্ন করো যে - ১) আমাদের খুশী কতক্ষণ থাকে? ২) সর্বগুণসম্পন্ন ছিলে এখন শ্রীমত অনুসারে চলে আবার হতে হবে, এই নিশ্চয়তা কতক্ষণ থাকে? ৩)আমরা কতখানি সতোপ্রধান হয়েছি? দিন-রাত সতোপ্রধান(পবিত্র) হওয়ার চিন্তা থাকে কি? ২. বেহদের পিতার সাথে বিশ্বসেবা করতে হবে। বেহদের পড়া পড়তেও হবে আবার পড়াতেও হবে। দেহ-সহ যা কিছু বন্ধন রয়েছে সেগুলিকে বাবার স্মরণে থেকে মুক্ত করতে হবে। বরদান:- সেবায় মান-সম্মানের কাঁচা ফলকে ত্যাগ করে সদা প্রসন্নচিত্ত থাকা অভিমান-মুক্ত ভব রয়্যাল-রূপের ইচ্ছার স্বরূপ হলো নাম, মান, সম্মান। যারা নামের জন্য সেবা করে, তাদের নাম অল্পকালের জন্য হয় আর উচ্চ পদপ্রাপ্তিতে তাদের নাম পিছনের সারিতে চলে যায় কারণ ফল কাঁচা থাকতেই খেয়ে নেয়। অনেক বাচ্চারা মনে করে যে সেবার ফল স্বরূপ আমার সম্মান পাওয়া উচিৎ। কিন্তু এ কোনো সম্মান নয়, এ হলো অভিমান। যেখানে অভিমান থাকে সেখানে প্রসন্নতা থাকতে পারে না, সেই কারণে অভিমান মুক্ত হয়ে সদা প্রসন্নতার অনুভব করো। স্লোগান:- পরমাত্ম প্রেমের সুখদায়ী দোলনায় দুলতে থাকো তাহলে দুঃখের তরঙ্গ(লহর) আসতে পারবে না।
182 views
2 months ago
#

নিউ ইয়ারের মজা

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━ ❍ 07 / 01 / 19  की  मुरली  से  चार्ट ❍       ⇛  TOTAL MARKS:- 100  ⇚ ━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━   ∫∫ 1 ∫∫ होमवर्क (Marks: 5*4=20)   ➢➢ *जो बीता उसे याद तो नहीं किया ?*   ➢➢ *संकल्प शक्ति को जमा कर स्व प्रति व विश्व प्रति इसका प्रयोग किया ?*   ➢➢ *निश्चित विजय के नशे में रह बाप की पदमगुना मदद प्राप्त की ?*   ➢➢ *अपनी अंतर्मुखी, अलोकिक व रूहानी स्थिति में सदकाल रहने का अभ्यास किया ?* ──────────────────────── ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚   ✰ *अव्यक्त पालना का रिटर्न* ✰          ❂ *तपस्वी जीवन* ❂ ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚   〰✧  अशरीरी स्थिति का अनुभव करने के लिए सूक्ष्म संकल्प रुप में भी कहाँ लगाव न हो, सम्बन्ध के रुप में, सम्पर्क के रुप में अथवा अपनी कोई विशेषता की तरफ भी लगाव न हो। *अगर अपनी कोई विशेषता में भी लगाव है तो वह भी लगाव बन्धन-युक्त कर देगा और वह लगाव अशरीरी बनने नहीं देगा।*   ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚   ∫∫ 2 ∫∫ तपस्वी जीवन (Marks:- 10)   ➢➢ *इन शिक्षाओं को अमल में लाकर बापदादा की अव्यक्त पालना का रिटर्न दिया ?*   ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚ ──────────────────────── ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚ ✰ *अव्यक्त बापदादा द्वारा दिए गए* ✰              ❂ *श्रेष्ठ स्वमान* ❂ ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚   ✺   *"मैं 'मधुबन तीर्थ' की स्मृति द्वारा समस्याओंको हल करने वाली आत्मा हूँ"*   〰✧  भाग्य विधाता की भूमि पर पहुंचना यह भी बहुत बड़ा भाग्य है। यह कोई खाली स्थान नहीं है, महान तीर्थ स्थान है। वैसे भी भक्ति मार्ग में मानते हैं कि तीर्थ स्थान पर जाने से पाप खत्म हो जाते हैं, लेकिन कब होते हैं, कैसे होते हैं, यह जानते नहीं हैं। इस समय तुम बच्चे अनुभव करते हो कि *इस महान तीर्थ स्थान पर आने से पुण्य आत्मा बन जाते हैं। यह तीर्थ स्थान की स्मृति जीवन की अनेक समस्याओंसे पार ले जायेगी। यह स्मृति भी एक तावीज का काम करेगी।*   〰✧  जब भी याद करेंगा तो यहाँ के वातावरण की शान्ति और सुख आपके जीवन में इमर्ज हो जायेगा। तो पुण्य आत्मा हो गये ना। *इस धरनी पर आना भी भाग्य की निशानी है। इसलिए बहुत-बहुत भाग्यशाली हो। अब भाग्यशाली तो बन गये लेकिन सौभाग्यशाली बनना वा पद्मापद्म भाग्यशाली बनना यह आपके हाथ में है।*   〰✧  बाप ने भाग्यशाली बना दिया, यही भाग्य समय प्रति समय सहयोग देता रहेगा। *कोई भी बात हो तो मधुवन में बुद्धि से पहुंच जाना। फिर सुख और शान्ति के झूले में झूलने का अनुभव करेंगे।*   ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚   ∫∫ 3 ∫∫ स्वमान का अभ्यास (Marks:- 10)   ➢➢ *इस स्वमान का विशेष रूप से अभ्यास किया ?*   ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚ ──────────────────────── ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚          ❂ *रूहानी ड्रिल प्रति* ❂ ✰ *अव्यक्त बापदादा की प्रेरणाएं* ✰ ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚   〰✧  कितना भी बिजी हो, लेकिन पहले से ही साधन के साथ साधना का समय एड करो। होता क्या है - सेवा तो बहुत अच्छी करते हो, समय भी लगाते हो, उसकी तो मुबारक है। लेकिन स्व-उन्नति या साधना बीच-बीच में न करने से थकावट का प्रभाव पडता है। बुद्धि भी थकती है, हाथ-पाँव भी थकता है और *बीच-बीच में अगर साधना का समय निकालो तो जो थकावट है ना, वह दूर हो जाए।*   〰✧  *खुशी होती है ना खुशी में कभी थकावट नहीं होती है।* काम में लग जाते हो, बापदादा तो कहते हैं कि काफी समय एक्शन-कान्सेस रहते हो। ऐसा होता है ना? एक्शन-कान्सेस की माक्र्स तो मिलती हैं, वेस्ट तो नहीं जाता है लेकिन सोल-कान्सेस की माक्र्स और एक्शन कान्सेस की माक्र्स में अन्तर तो होगा ना। फर्क होता है ना? तो अभी बैलेन्स रखो।   〰✧  लिंक को तोडो नहीं, जोडते रहो क्योंकि मैजारिटी डबल विदेशी काम करने में भी डबल बिजी रहते हैं। *बापदादा जानते हैं कि मेहनत बहुत करते हैं लेकिन बैलेन्स रखो।* जितना समय निकाल सको, सेकण्ड निकाली, मिनट निकालो, निकालो जरूरा हो सकता है? पाण्डव हो सकता है? टीचर्स हो सकता है? और जो ऑफिस में काम करते हैं, उनका हो सकता है? हाँ तो बहुत अच्छा करते हैं। अच्छा।   ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚   ∫∫ 4 ∫∫ रूहानी ड्रिल (Marks:- 10)   ➢➢ *इन महावाक्यों को आधार बनाकर रूहानी ड्रिल का अभ्यास किया ?*   ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚ ──────────────────────── ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚          ❂ *अशरीरी स्थिति प्रति* ❂ ✰ *अव्यक्त बापदादा के इशारे* ✰ ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚   〰✧  *फ़रिश्ते अर्थात् कर्मातीत अवस्था वाले।* आज के दिन सदा अपने को डबल लाइट समझ उड़ती कला का अनुभव करते रहना। कर्मयोगी का पार्ट बजाते भी कर्म और योग का बैलेन्स चेक करना कि कर्म और याद अर्थात् योग दोनों ही शक्तिशाली रहे? अगर कर्म शक्तिशाली रहा और याद कम रही तो बैलेन्स नहीं। और याद शक्तिशाली रही और कर्म शक्तिशाली नहीं तो भी बैलेन्स नहीं। तो *कर्म और याद का बैलेन्स रखते रहना।* सारा दिन इसी श्रेष्ठ स्थिति में रहने से अपनी कर्मातीत अवस्था के नज़दीक आने का अनुभव करेंगे। सारा दिन कर्मातीत स्थिति वा अव्यक्त फ़रिश्ते स्वरूप स्थिति में चलते फिरते रहना और नीचे की स्थिति में नहीं आना। आज नीचे नहीं आना, ऊपर ही रहना। अगर कोई कमज़ोरी से नीचे आ भी जाए तो एक-दो को स्मृति दिलाए समर्थ बनाए सभी ऊँची स्थिति का अनुभव करना। यह आज की पढ़ाई का होम वर्क है। होम वर्क ज़्यादा है, पढ़ाई कम है। *बाप का बनना अर्थात् डबल लाइट बनना।* क्योंकि बाप के बनते ही सब बोझ बाप को दे दिया। सदा बाप के हो ना! सब कुछ बाप को दे दिया। तन-मन-धनसम्बन्ध सब कुछ सरेन्डर कर दिया। फिर बोझ काहे का? अभी यही याद रखना - *जब सब कुछ बाप का हो गया तो सदा डबल लाइट बन गये।*   ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚   ∫∫ 5 ∫∫ अशरीरी स्थिति (Marks:- 10)   ➢➢ *इन महावाक्यों को आधार बनाकर अशरीरी अवस्था का अनुभव किया ?*   ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚ ────────────────────────   ∫∫ 6 ∫∫ बाबा से रूहरिहान (Marks:-10) ( आज की मुरली के सार पर आधारित... )   ✺   *"ड्रिल :- आत्मा की उन्नति वा चढ़ती का साधन बाप ही बतलाते हैं"*   ➳ _ ➳  *मैं आत्मा सेण्टर में बाबा के कमरे में बैठ अपने दिल दर्पण में देख रही हूँ- अपने तकदीर की तस्वीर को... स्वयं भाग्यविधाता परमात्मा ने मेरी सोई हुई तकदीर को जगाकर, मेरा सुन्दर भाग्य बनाया है... परमात्मा ने अपने ज्ञान-योग के जल से मेरी तकदीर को सींचा है... अपने स्नेह-प्यार के फूलों की खुशबू से खुशबूदार बना दिया है...* 21 जन्मों तक सुख-शांति का वर्सा देकर मुझे एवर हेल्थी, एवर वेल्थी बना दिया है... अपने भाग्य के गुण गाती मैं आत्मा पहुँच जाती हूँ सूक्ष्म वतन में मेरे भाग्यविधाता बाबा के पास...   ❉  *मुझे राजयोग सिखलाकर मेरी बिगड़ी को सुधारकर तकदीरवान बनाते हुए प्यारे बाबा कहते हैं:-* “मेरे मीठे बच्चे... मुझ पिता के सिवाय दुःख भरी दुनिया से छुड़ा न सके... सुख भरे जीवन जो दुखो के पहाड़ बन गए है... मेरे सिवाय परिवर्तन हो न सके... *मेरे सोने से फूल बच्चों की बिगड़ी तकदीर को मै ही संवार सकता हूँ... अपनी सारी शक्तिया ज्ञान देकर मै ही भाग्यवान बना सकता हूँ कोई और नही...”*   ➳ _ ➳  *अपने सुन्दर भाग्य के नशे में खुशियों के गगन में उड़ते हुए मैं आत्मा कहती हूँ:-* “हाँ मेरे मीठे बाबा... मै आत्मा... आप संग ज्ञानवान बन रही हूँ... *अपने बिगड़ी सी किस्मत को हीरों से सजा रही हूँ... ज्ञान रत्नों से चमकती जा रही हूँ...  और भाग्यवान आत्मा बनती जा रही हूँ...”*   ❉  *ज्ञान रत्नों की झंकार से मेरे जीवन को सुरीला बनाकर प्यारे बाबा कहते हैं:-* “मीठे प्यारे फूल बच्चे.... कितने सुखो और आनंद खुशियो से भरपूर दुनिया के रहवासी थे... और किस विकारो के दलदल में फस कर धस से गए हो.... *मुझ विश्व पिता से बच्चों की यह दशा देखी न जाय... बच्चों की तकदीर जगाने आया हूँ... ज्ञान रत्नों का खजाना लिए उतर आया हूँ...”*   ➳ _ ➳  *विकारी दलदल से निकल खुबसूरत दुनिया की मालिक बनने की अधिकारी बन मैं आत्मा कहती हूँ:-* “मेरे प्राणप्रिय बाबा... मुझ आत्मा ने तो दुखो को ही जीवन का अटल सत्य मान लिया था... *आपने आकर भाग्य की लकीर ही बदल दी... सुंदर जीवन का आधार दे दिया... सारे रत्न भरे खजाने मेरे हाथो में देकर सुखो से मेरा श्रृंगार कर दिया...”*   ❉  *प्रेम के खजाने मुझ पर बरसाते हुए प्रेम के सागर मेरे बाबा कहते हैं:-* “प्यारे सिकीलधे बच्चे... *जब सब ही खेल में उतर गए तो बाहर तो सिवाय ईश्वर पिता के कोई निकाल न सके... इन दर्दो से परमपिता ही उबार सके... वही खूबसूरत सुख दामन में वही सजा सके...* फूलो भरा महकता सतयुग वही तो बना सके... सारे विश्व को सम्पन्नता की दौलत से आबाद कर दे...”   ➳ _ ➳  *स्वर्ग का राज्य तिलक अपने नाम कर बाबा के दिल तख़्त पर बैठकर मैं आत्मा कहती हूँ:-* “हाँ मेरे मीठे बाबा... मै आत्मा खुशनुमा भाग्य को पाकर निखरती जा रही हूँ... *अपनी काली हो गई तकदीर को सुनहरा सजाती जा रही हूँ... आपके दिए ज्ञान धन से विश्व की मालिक बन सुंदर तकदीर पाती जा रही हूँ..."*   ────────────────────────   ∫∫ 7 ∫∫ योग अभ्यास (Marks:-10) ( आज की मुरली की मुख्य धारणा पर आधारित... )   ✺   *"ड्रिल :- कम से कम 8 घण्टा ईश्वरीय गवर्मेन्ट की सर्विस कर अपना समय सफल करना*   ➳ _ ➳  इस पतित सृष्टि को पावन सतयुगी दुनिया मे परिवर्तन करने का जो कर्तव्य इस समय स्वयं भगवान इस धरा पर आकर कर रहें हैं उस ऑल माइटी अथॉरिटी, पाण्डव गवर्मेंट के साथ इस कर्तव्य में उसका मददगार बनना कितने महान सौभाग्य की बात है! *कितना श्रेष्ठ भाग्य है मेरा जो भगवान की मदद करने का गोल्डन चांस भगवान ने स्वयं मुझे दिया है। कोटो में कोई, कोई में भी कोई मैं वो महान सौभाग्यशाली आत्मा हूँ जिसे भगवान ने स्वयं अपने सर्वश्रेष्ठ कार्य के लिए चुना है*। "वाह मैं आत्मा और वाह मेरा भाग्य"। अपने श्रेष्ठ भाग्य को स्मृति में लाकर वाह - वाह के गीत गाती हुई मैं आत्मा अपने उस प्यारे पिता का कोटि - कोटि शुक्रिया अदा करके उनसे वादा करती हूँ कि *अपनी हर रोज की दिनचर्या में मैं 8 घण्टे पांडव गवर्मेंट की मदद अवश्य करूँगी। तन मन धन से ईश्वरीय कार्य मे सहयोग जरूर दूँगी*।   ➳ _ ➳  अपने सर्वशक्तिवान, सृष्टि के रचयिता पिता से वादा करके मैं जैसे ही मन बुद्धि को उनकी याद में स्थिर करती हूँ मुझे आभास होता है जैसे मेरे पिता अपना असीम बल भरकर मुझे अथक और अचल अडोल बनाने के लिए अपने पास बुला रहें हैं। *स्वयं भगवान मेरा आह्वान कर रहें हैं यह विचार कर मन ही मन गदगद होती हुई मैं सेकण्ड में देह भान का त्याग कर अपने अनादि बिंदु स्वरूप में स्थित हो जाती हूँ और अपने मन बुद्धि को पूरी तरह अपने प्यारे पिता के स्वरूप पर फोकस कर लेती हूँ*। देख रही हूँ अपने सर्वशक्तिवान शिव पिता को मैं फरिश्तो के अव्यक्त वतन में अपने अव्यक्त रथ में विराजमान होकर बाहें फैलाये अपना इंतजार करते हुए। अव्यक्त ब्रह्मा बाबा की भृकुटि में अनन्त प्रकाशवान अपने शिव पिता को मैं देख रही हूँ जो मुस्कारते हुए अव्यक्त इशारे से मुझे बुला रहें हैं।   ➳ _ ➳  ऐसा लग रहा है जैसे एक अद्भुत शक्ति मेरे अंदर जागृत हो रही है जो मुझे धीरे - धीरे अव्यक्त स्थिति में स्थित कर रही है। मेरा साकार शरीर लाइट के शरीर मे परिवर्तित होता जा रहा है। *ऊपर से लेकर नीचे तक अब मैं स्वयं को एक सुंदर प्रकाश की काया में अनुभव कर रही हूँ। स्वयं को मैं इतना हल्का महसूस कर रही हूँ कि ऐसा लग रहा है जैसे मेरे पाँव धरती को स्पर्श ही नही कर रहे और धीरे - धीरे अपनी प्रकाश की काया के साथ मैं ऊपर उड़ रही हूँ*। एक बहुत ही सुंदर अनुभूति और लाइट स्थिति का अनुभव करते हुए सारे विश्व का चक्कर लगा कर अब मैं आकाश से ऊपर जा रही हूँ। *निरन्तर ऊपर की ओर उड़ते हुए अब मैं सफेद प्रकाश की उस खूबसूरत दुनिया मे प्रवेश कर रही हूँ जहाँ अव्यक्त बापदादा मेरा इंतजार कर रहें हैं*।   ➳ _ ➳  फ़रिश्तों की इस लाइट की दुनिया में अपने सम्पूर्ण लाइट माइट स्वरूप में अपना अनन्त प्रकाश पूरे वतन में फैलाते हुए बापदादा को मैं सामने देख रही हूँ। अपनी दोनों बाहों को फैलाये अपने इंतजार में खड़े बापदादा के मुस्कारते हुए सुंदर मनभावन स्वरूप को निहारते हुए बापदादा के पास पहुंच कर मैं उनकी बाहों में समा जाती हूँ। *उनके नयनो में अथाह प्यार का सागर मेरे लिए उमड़ रहा है उस स्नेह सागर की गहराई में डूब कर मैं गहन अतीन्द्रिय सुख का अनुभव कर रही हूँ। अपने प्यारे बापदादा का अथाह प्यार पाकर तृप्त होकर अब मैं उनके सम्मुख बैठी हूँ और उनसे मीठी दृष्टि लेकर परमात्म शक्तियों को अपने अंदर भर रही हूँ*। बाबा के मस्तक से निकल रही तेज लाइट सीधी मुझ में प्रवाहित हो रही है। अथक सेवाधारी बन पाण्डव गवर्मेंट अर्थात ईश्वरीय कार्य मे मदद करने के लिए बाबा अपने हाथ मे मेरा हाथ लेकर अपनी सारी शक्तियों का बल मुझे दे रहें हैं। वरदानों से मेरी झोली भरकर मुझे भरपूर कर रहें हैं।   ➳ _ ➳  सर्व शक्तियों, सर्व वरदानों और सर्व खजानो से सम्पन्न होकर अब मैं अपनी लाइट की शक्तिशाली सूक्ष्म काया के साथ वापिस साकारी दुनिया मे लौट कर अपने साकार ब्राह्मण तन में आकर विराजमान हो जाती हूँ। *भगवान की पाण्डव गवर्मेंट का सच्चा सेवक बन सृष्टि परिवर्तन के उनके कार्य मे मदद करने के लिए अब मैं सम्पूर्ण समर्पण भाव से भगवान द्वारा रचे रुद्र ज्ञान यज्ञ में पूरा सहयोग दे रही हूँ। शरीर निर्वाह अर्थ अपने सभी दैनिक कर्तव्यों को पूरा करने के साथ - साथ 8 घण्टा पाण्डव गवर्मेंट की सेवा में सहयोगी बन, परमात्म सेवा और परमात्म याद द्वारा अपने संगमयुगी ब्राह्मण जीवन को मैं श्वांसों श्वांस सफल कर रही हूँ*।   ────────────────────────   ∫∫ 8 ∫∫ श्रेष्ठ संकल्पों का अभ्यास (Marks:- 5) ( आज की मुरली के वरदान पर आधारित... )   ✺   *मैं संकल्प शक्ति को जमा कर स्व प्रति वा विश्व प्रति इसका प्रयोग करने वाली शक्तिशाली आत्मा हूँ  ।*   ➢➢ इस संकल्प को आधार बनाकर स्वयं को श्रेष्ठ संकल्पों में स्थित करने का अभ्यास किया ? ────────────────────────   ∫∫ 9 ∫∫ श्रेष्ठ संकल्पों का अभ्यास (Marks:- 5) ( आज की मुरली के स्लोगन पर आधारित... )   ✺   *मैं निश्चित विजय के नशे में रह बाप की पदमगुणा  मदद प्राप्त करने वाली मायाजीत आत्मा हूँ।*   ➢➢ इस संकल्प को आधार बनाकर स्वयं को श्रेष्ठ संकल्पों में स्थित करने का अभ्यास किया ? ────────────────────────   ∫∫ 10 ∫∫ अव्यक्त मिलन (Marks:-10) ( अव्यक्त मुरलियों पर आधारित... )   ✺ अव्यक्त बापदादा :-   ➳ _ ➳  अब आप लोगों की सेवा है, वायब्रेशन्स द्वारा आत्माओं को समीप लाना... आपस में तो होना ही है... आपसी स्नेह औरों को वायब्रेशन द्वारा खींचेगा... अभी आप लोगों को यह साधारण सेवा करने की आवश्यकता नहीं है... *भाषण करने वाले तो बहुत हैं, लेकिन आप लोग हरेक आत्मा को ऐसी भासना दो जो वह समझें कि हमको कुछ मिला...*  ब्राह्मण परिवार में भी आपके संगठन के वायब्रेशन द्वारा निर्विघ्न बनाना है... मन्सा सेवा की विधि को और तीव्र करो... वाचा वाले बहुत हैं... मन्सा द्वारा कोई न कोई शक्ति का अनुभव हो... *वह समझें कि इन आत्माओं द्वारा यह शक्ति का अनुभव हुआ... चाहे शान्ति का हो, चाहे खुशी का हो, चाहे सुख का हो, चाहे अपने-पन का...* तो जो भी अपने को महारथी समझते हैं उन्हों को अभी यह सेवा करनी है... सभी अपने को महारथी समझते हो? महारथी हो? अच्छा है। (जगदीश भाई ने गीत गाया) अभी औरों को भी आप द्वारा ऐसा अनुभव हो... बढ़ता जायेगा... इससे ही अभी ऐसी अनुभूति शुरू करेंगे तब साक्षात्कार शुरू हो जायेगा...   ➳ _ ➳  *बापदादा ने यह भी देखा की जो नये नये बच्चे आते है, उन्हो मे कई आत्मायें ऐसी भी है जिन्हों को बापदादा के सहयोग के साथ-साथ आप ब्राह्मण आत्माओं के द्वारा हिम्मत, उमंग, उत्साह,समाधान मिलने की आवश्यकता है...* छोटे-छोटे है ना! फिर भी है छोटे लेकिन हिम्मत रख ब्राह्मण बने तो है ना! तो छोटों को शक्तियों द्वारा पालना की आवश्यकता है... और पालना नही, शक्ति देने के पालना की आवश्यकता है... तो जल्दी से स्थापना की ब्राह्मण आत्मायें तैयार हो जाएं क्यों की कम से कम 9 लाख तो चाहिए ना! तो शक्तियों का सहयोग दो, शक्तियों से पालना दो, शक्तियाँ बढाओ... *ज्यादा डिसकस करने की शिक्षायें नही दो... शक्ति दो... उनकी कमजोरी नहीं देखो लेकिन उसमे विशेषता वा जो शक्ति की कमी हो वह भरते जाओ...* आजकल जो निमित्त है उन्हों को इस पालना के निमित्त बनने की आवश्यकता है... जिज्ञासु बढायें, सेवाकेन्द्र बढायें यह तो कामन है, लेकिन हर एक आत्मा को शक्तिशाली बाप की मदद से बनायें, अभी इसकी आवश्यकता है... सेवा तो सब कर रहे हो और करने के बिना रह भी नही सकते... लेकिन सेवा मे शक्ति स्वरूप के वायब्रेशन आत्माओं को अनुभव हो, शक्तिशाली सेवा हो... *साधारण सेवा तो आजकल की दुनिया मे बहुत करते है लेकिन आपकी विशेषता है -'शक्तिशाली सेवा'*... ब्राह्मण आत्माओं को भी शक्ति की पालना आवश्यक है... अच्छा...   ✺   *ड्रिल :-  "अपने को महारथी समझ मन्सा सेवा द्वारा शक्तियों का अनुभव कराना"*   ➳ _ ➳  समय की समीपता की ओर इशारा करती बाबा की अव्यक्त वाणियों पर विचार सागर मन्थन करते हुए मैं स्वय से ही सवाल करती हूं कि समय जिस तीव्र गति से आगे बढ़ रहा है, क्या समय के हिसाब से मेरे पुरुषार्थ की गति भी उतनी ही तीव्र है? *समय की समीपता को देखते हुए आने वाले समय प्रमाण जो मनसा बल मेरे अंदर जमा होना चाहिए, क्या वो बल मैं जमा कर रही हूँ?* मन में उठ रहे इन सवालों जवाबों की उलझन के बीच मैं देखती हूँ अंत का वो सीन जिसमे मुझे महारथी बन लाचार, बेबस, दुखी आत्माओं को मनसा बल द्वारा शक्तिशाली बनाने की आवश्यकता है...   ➳ _ ➳  अनेक प्रकार के सीन एक - एक करके मेरी आँखों के सामने आ रहें हैं... मैं देख रही हूँ *कहीं प्रकृति का विकराल रूप, कहीं विकारों का विकराल रूप, कहीं तमोगुणी आत्माओं का वार और कहीं भगवान को पुकारती भक्त आत्माओं की हृदय विदीर्ण पुकार... राज्य सत्ता, धर्म सत्ता, और अनेक प्रकार के बाहुबल सब हलचल की स्थिति में दिखाई दे रहें हैं...* सभी आशापूर्ण निगाहों से उन महारथी आत्माओं की इंतजार कर रहें हैं जो मसीहा बन कर उन्हें इन सभी मुसीबतों से बाहर निकाल कर, पल भर की शांति, सुख का अनुभव करवा सके...   ➳ _ ➳  तभी एक और दृश्य आंखों के सामने उभर आता है... मैं देख रही हूँ *बापदादा के साथ अनेक महारथी ब्राह्मण आत्मायें मसीहा बन उन तड़पती हुई आत्माओं के पास आ रही है और अपनी शीतल दृष्टि से, अपनी शक्तिशाली मनसा शक्ति से उन्हें बल प्रदान कर रही हैं...* उन्हें शांति की अंचलि दे कर तृप्त कर रही हैं... एक तरफ हाहाकार और दूसरी तरफ जयजयकार हो रही है... इस दृश्य को देखते देखते मैं स्वयं से प्रतिज्ञा करती हूं कि समय की इन अंतिम घड़ियों के नजदीक आने से पहले मुझे अपने अंदर इतना बल जमा करना है कि महारथी बन, विश्व की सभी दुखी अशांत आत्माओ को मनसा द्वारा शक्तियों का अनुभव करवा सकूँ और भगवान की प्रत्यक्षता में सहयोगी बन सकूँ...   ➳ _ ➳  इसी दृढ़ निश्चय के साथ अपने फ़रिशता स्वरूप को धारण कर मैं बापदादा के पास पहुंच जाती हूँ सूक्ष्म वतन और बाबा की सर्वशक्तियाँ स्वयं में समाहित कर, परमात्म बल से मैं भरपूर हो जाती हूँ... परमात्म शक्तियों से स्वयं को सम्पन्न कर अपने ब्राह्मण स्वरूप में आकर अब मैं निरन्तर परमात्म याद में रह, अपनी मनसा वृति को शक्तिशाली बनाने का पुरुषार्थ कर रही हूँ... *अपने अंदर मनसा बल को जमा करने के साथ - साथ मनसा शक्तियों के प्रयोग से अनेको आत्माओ को परमात्म पालना का अनुभव करवाकर उन्हें अपने ईश्वरीय परिवार के समीप ला रही हूँ...*   ➳ _ ➳  महारथी बन अपने सम्बन्ध सम्पर्क में आने वाली और सेवा स्थल पर आने वाली आत्माओं को मैं मनसा शक्ति द्वारा कोई ना कोई शक्ति का अनुभव करवा रही हूँ... *कोई आत्मा शांति का, कोई सुख का, कोई खुशी का और कोई अपनेपन का अनुभव करके जैसे तृप्त हो रही हैं...* इन मनसा शक्तियों के प्रयोग से सेवा स्थल का वायुमण्डल भी निर्विघ्न बन रहा है।   ➳ _ ➳  सेवा स्थल का वायुमण्डल निर्विघ्न होने से ब्राह्मण संगठन भी शक्तिशाली बन रहा है जिससे सेवा स्थल पर आने वाले नए बच्चो को बापदादा के सहयोग के साथ साथ  ब्राह्मण आत्माओं के द्वारा उमंग, उत्साह, हिम्मत और समाधान मिलने से वो भी तीव्र गति से आगे बढ़ रहें हैं... *शक्तियों का सहयोग और शक्तियों की पालना मिलने से निर्बल और उत्साह हीन आत्मायें भी अपने अंदर शक्ति भरने से शक्तिशाली स्थिति का अनुभव कर रही है...*   ➳ _ ➳  *सेवा मे शक्ति स्वरूप के वायब्रेशन आत्माओं को अनुभव हो, शक्तिशाली सेवा हो इसी लक्ष्य को ले कर अब सभी ब्राह्मण आत्मायें अपनी मनसा शक्ति को बढ़ा कर महारथी बन मनसा द्वारा शक्तियों का अनुभव कर और करवा रही है...*   ━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━   ⊙_⊙  आप सभी बाबा के प्यारे प्यारे बच्चों से अनुरोध है की रात्रि में सोने से पहले बाबा को आज की मुरली से मिले चार्ट के हर पॉइंट के मार्क्स ज़रूर दें ।   ♔ ॐ शांति ♔ ━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
115 views
2 months ago
#

নিউ ইয়ারের মজা

07.01.19       Morning Assame Murli        Om Shanti      BapDada       Madhuban " মৰমৰ সন্তানসকল – মনুষ্যই শৰীৰৰ উন্নতিৰ বাবেহে প্ৰৱন্ধ কৰে , আত্মাৰ উন্নতি বা আৰোহণ কৰাৰ সাধন পিতাইহে শুনায় - এয়া পিতাৰহে ৰেচপন্ চিবিলিটি ( দায়িত্ব ) ” প্ৰশ্ন: সন্তানসকল ৰ যাতে সদায় উন্নতি হৈ থাকে তাৰ কাৰণে পিতাই কি - কি শ্ৰীমত দিয়ে ? উত্তৰ: সন্তানসকল, নিজৰ উন্নতিৰ কাৰণে - 1) সদায় স্মৃতিৰ যাত্ৰাত থাকা, স্মৰণ কৰিলেহে আত্মাৰ মামৰ আতৰিব। 2) কেতিয়াও যি হৈ গ’ল সেয়া স্মৃতিলৈ নানিবা আৰু আগলৈ কোনো আশা নাৰাখিবা। 3) শৰীৰ নিৰ্বাহৰ অৰ্থে কৰ্ম কৰা কিন্তু যিমান সময় পোৱা সেয়া নষ্ট নকৰিবা, পিতাৰ স্মৃতিত থাকি সময়ক সফল কৰা। 4) অতি কমেও 8 (আঠ) ঘণ্টা ঈশ্বৰীয় সেৱা কৰা তেতিয়া তোমালোকৰ উন্নতি হৈ থাকিব। ওঁম্ শান্তি। আত্মিক পিতাই বহি আত্মিক সন্তানসকল অথবা আত্মাসকলক বুজায়, মনুষ্যই কয় আত্মাৰ দায়িত্ব পৰমাত্মাৰ ওপৰত। তেওঁহে সকলো আত্মাক উন্নতি আৰু মনৰ শান্তিৰ ৰাস্তা দেখুৱাব পাৰে। আত্মাই সকলোৰে পৰা উপৰাম হৈ ভ্ৰূকুটিত থাকে। সাধাৰণতে শৰীৰতহে ৰোগ হয়। এই ভ্ৰূকুটিত নহয়। লাগিলে মূৰৰ বিষ নহওঁক কিয় কিন্তু আত্মাৰ যি আসন আছে তাত কোনো কষ্ট নহয় কিয়নো সেই আসনত আত্মা বিৰাজমান হৈ থাকে। এতিয়া আত্মাৰ উন্নতি অথবা শান্তিৰ দাতা চার্জন (চিকিৎসক) হৈছে এজন পৰমাত্মা। যেতিয়াই আত্মাৰ উন্নতি হয় তেতিয়াই আত্মাই স্বাস্থ্য-সম্পত্তি প্ৰাপ্ত কৰে। শৰীৰৰ কাৰণে যিমানেই নকৰা কিয় তাৰ পৰা উন্নতি নহয়। শৰীৰৰ কিবা নহয় কিবা বেমেজালি হৈয়ে থাকে। আত্মাৰ উন্নতি পিতাৰ বাহিৰে অন্য কোনেও কৰিব নোৱাৰে। দুনিয়াত সকলোৱে শৰীৰৰ উন্নতিৰ বাবেহে প্ৰবন্ধ কৰে, কিন্তু তাৰ দ্বাৰা আত্মাৰ উন্নতি বা উৰন্ত কলা নহয়। সেয়াতো পিতাইহে শিকায়। সকলো আত্মাৰ ওপৰতে নিৰ্ভৰ কৰে। আত্মায়ে 16 কলা হয় পিছলৈ আত্মায়ে একেবাৰে কলাহীন হৈ যায়। 16 কলা হোৱাৰ পিছত কলা কেনেকৈ কম হয়, এয়াও পিতাইহে বুজায়। পিতাই কয় সত্যযুগত তোমালোক বহুত সুখী আছিলা। আত্মাও উৰন্ত কলাত আছিল অন্য সৎসঙ্গত আত্মাৰ উন্নতি কেনেকৈ হ’ব - এই কথা বুজোৱা নহয়। তেওঁলোক পাৰ্থিৱ নিচাত থাকে। দেহ-অভিমান আছে, পিতাই তোমালোকক দেহী-অভিমানী কৰি তোলে। আত্মা যি তমোপ্ৰধান হৈ গৈছে তাক সতোপ্ৰধান কৰি তুলিব লাগিব। ইয়াত সকলো আত্মিক কথা। তাত সকলো পাৰ্থিৱ কথা। চার্জনসকলে এটা হাৰ্ট (হৃদযন্ত্ৰ) উলিয়াই আন এটা লগাই দিয়ে। তাৰ লগত আত্মাৰ কোনো সম্বন্ধ নাই। আত্মাতো ভ্ৰূকুটিত থাকে, আত্মাৰ অপাৰেচন (অস্ত্ৰপ্ৰচাৰ) আদি একো নহয়। অচ্ছা পিতাই বুজায় যে আত্মাৰ উন্নতিতো এবাৰহে হয়। যেতিয়া আত্মা তমোপ্ৰধান হৈ যায় তেতিয়াই আত্মাৰ উন্নতি কৰোঁতা পিতা আহে। তেওঁৰ অবিহনে কোনো আত্মাৰ উৰন্ত কলা হ’ব নোৱাৰে। পিতাই কয় এই ছিঃ ছিঃ তমোপ্ৰধান আত্মাসকল মোৰ ওচৰলৈ আহিব নোৱাৰে। তোমালোকৰ ওচৰলৈ যেতিয়া কোনোবা আহে তেতিয়া সোধে শান্তি কেনেকৈ পোৱা যাব অথবা উন্নতি কেনেকৈ হ’ব? কিন্তু এয়া নাজানে যে উন্নতিৰ পিছত আমি কলৈ যাম, কি হ’ব? আহ্বানো কৰে পতিতৰ পৰা পাৱন কৰি তোলা। জীৱনমুক্তিধামলৈ লৈ যোৱা। তেন্তে আত্মাসকলকে লৈ যাব নহয় জানো। শৰীৰতো ইয়াতেই শেষ হৈ যাব। কিন্তু এই কথা কাৰো বুদ্ধিত নাই। এইয়া হৈছে ঈশ্বৰীয় মত। বাকী সেয়া হৈছে মানৱ মত। ঈশ্বৰীয় মতেৰে একেবাৰে আকাশলৈ উঠি যোৱা - শান্তিধাম, সুখধামলৈ। পিছত ড্ৰামা অনুসৰি তললৈ নামিবই লাগিব। আত্মাৰ উন্নতিৰ কাৰণে পিতাৰ বাহিৰে আৰু অন্য কোনো চার্জন নাই। চাৰ্জনে আকৌ তোমালোকক নিজৰ সমান কৰি তোলে। কোনোৱেতো ভালকৈ বহুতৰ উন্নতি কৰায়, কোনোৱে মধ্যম, কোনোৱে তৃতীয় স্থানত আনৰ উন্নতি কৰায়। আত্মাৰ উন্নতিৰ উত্তৰদ্বায়িত্ব এজন পিতাৰে। দুনিয়াত এই কথা আৰু কোনেও নাজানে। পিতাই কয় মই এই সাধু-সন্ত আদিৰো উদ্ধাৰ কৰিবলৈ আহো। আত্মা যেতিয়া প্রথমতে আহে তেতিয়া পৱিত্ৰ হৈ আহে। এতিয়া পিতা আহিছে সকলোৰে উন্নতি কৰাবলৈ। পুৰুষাৰ্থৰ ক্ৰম অনুসৰি চোৱা তোমালোকৰ কিমান উন্নতি হৈ গৈ থাকে। তাত (সত্যযুগত) তোমালোকে শৰীৰো অতি সুন্দৰ পোৱা। পিতা হৈছেই অবিনাশী চার্জন। তেৱেঁই আহি তোমালোকৰ উন্নতি কৰায়। গতিকে তোমালোক উচ্চৰো উচ্চ মিঠা ঘৰলৈ গুছি যাবা। তেওঁলোক চন্দ্ৰলৈ যায়। অবিনাশী চাৰ্জনে তোমালোকৰ উন্নতি প্ৰাপ্ত কৰাবৰ বাবে কয় মোক স্মৰণ কৰিলে বিকর্ম বিনাশ হ’ব। পিতাই বিশ্বৰ সন্তানসকলক উদ্ধাৰ কৰে। তোমালোক যেতিয়া স্বৰ্গলৈ যোৱা তেতিয়া সকলো শান্তিধামত থাকিব। পিতাই কিমান আশ্চৰ্যজনক কাম কৰে। কমাল হৈছে পিতাৰ! সেয়েহে কোৱা হয় তোমাৰ গতি-মতি তুমিহে জানা। আত্মাতেই মত থাকে, আত্মা ভিন্ন হৈ গ’লে মত পোৱা নাযায়। ঈশ্বৰীয় মতৰ দ্বাৰা উৰন্ত কলা, মানৱ মতৰ দ্বাৰা অধোগতি কলা - এয়াও ড্ৰামাত নিৰ্ধাৰিত হৈ আছে। তেওঁলোকে ভাবে যে এতিয়া স্বৰ্গ তৈয়াৰ হৈ গ’ল। আগলৈ গম পাব যে এয়া স্বৰ্গ নে নৰক। ভাষাৰ ওপৰত কিমান কাজিয়া কৰে। দুখী নহয় জানো। স্বৰ্গত দুখ নাথাকে। ভূমিকম্পও নহ’ব। এতিয়া পুৰণি দুনিয়াৰ বিনাশ হ’ব আকৌ স্বর্গ তৈয়াৰ হৈ যাব। তাৰ পিছত আধাকল্প সেয়াও লুপ্ত হৈ যায়। এনেকৈ কয় যে দ্বাৰকা সাগৰৰ তললৈ গুছি গ’ল। সোণৰ সামগ্ৰীবোৰ তলত সোমাই গৈছে। সেয়াতো নিশ্চয় ভূমিকম্পৰ ফলত তললৈ যাব। সাগৰক জানো খান্দি উলিয়াব। ধৰণীক খান্দে, তাৰ পৰা মাল উলিয়ায়। পিতাই কয় মই সকলোৰে উপকাৰ কৰো। পিছত সকলোৱে আহি মোৰ অপকাৰ কৰে, গালি দিয়ে। মইতো অপকাৰীকো উপকাৰ কৰো, গতিকে মোৰ মহিমা হোৱা উচিত। ভক্তি মাৰ্গত চোৱা কিমান মান দিয়ে। তোমালোক সন্তানসকলেও পিতাৰ কিমান মহিমা কৰা। চিত্ৰত 32 গুণ দেখুওৱা হৈছে। এতিয়া তোমালোকেও পিতাৰ সমান গুণৱান হৈ আছা গতিকে কিমান পুৰুষাৰ্থ কৰা উচিত। সময় নষ্ট কৰিব নালাগে। উচ্চ পিতাই পঢ়ায় গতিকে নিতৌ পঢ়া উচিত। এওঁ অবিনাশী পিতাও হয়, শিক্ষকো হয়, পিছত অহাসকল পুৰণা সকলতকৈও তীক্ষ্ণ হৈ গৈ আছে। এতিয়া গোটেই দুনিয়াৰে উন্নতি হৈ আছে - পিতাৰ দ্বাৰা। শ্ৰীকৃষ্ণকো গুণৱান কৰি তোলোঁতাজন পিতাই হয়, সকলোকে দিওঁতা হয়। বাকী সকলোৱে লয়। এয়া ৰাজবংশ ৰচি থকা হৈছে – পুৰুষাৰ্থৰ ক্ৰম অনুসৰি। বেহদৰ পিতাক চোৱা কিমান মিঠা আৰু কিমান মৰমৰ। উচ্চৰো উচ্চ পিতাৰ দ্বাৰা এতিয়া সকলোৰে উন্নতি হৈ আছে। বাকী সকলোৱে তললৈ নামিব লাগিব। পিতাও কমাল হয়। লাগিলে খোৱা-লোৱা সকলো কৰা কেৱল পিতাৰ গুণ গোৱা। এনে নহয় যে পিতাৰ স্মৃতিত ভোজন কৰিব নোৱাৰিবা। ৰাতি বহুত সময় পোৱা যায়। 8 (আঠ) ঘণ্টাতো সময় পোৱা। পিতাই কয় অতিকমেও 8 (আঠ) ঘণ্টা এই চৰকাৰৰ সেৱা কৰা। যিয়ে আহে তেওঁক আত্মাৰ উন্নতিৰ কাৰণে ৰাস্তা দেখুওৱা। জীৱন মুক্তি মানে বিশ্বৰ মালিক আৰু মুক্তি মানে ব্ৰহ্মাণ্ডৰ মালিক। এয়া বুজোৱাতো সহজ নহয় জানো। কিন্তু ভাগ্যত নাথাকিলে হাতৰ ৰেখাই কি কৰিব। পিতাই বুজায় যে পিতাক স্মৰণ নকৰিলে আত্মাৰ মামৰ আতৰাব নোৱাৰি। লাগিলে জ্ঞান গোটেই দিন শুনোৱা কিন্তু আত্মাৰ উন্নতিৰ বাবে স্মৰণৰ বাহিৰে আৰু আন একো নাই। পিতাই অতি মৰমেৰে সন্তানসকলক নিতৌ বুজায় কিন্তু নিজৰ উন্নতি কৰে নে নকৰে, সেয়া প্ৰত্যেকে নিজে ভালদৰে বুজিব পাৰে। এয়া কেৱল তোমালোকেই নুশুনা সকলো চেণ্টাৰৰ সন্তানে শুনে। এয়া টেপ ৰখা হৈছে। এই টেপেও নিজৰ মাজত শব্দ ভৰপূৰ কৰি যায় - সেৱাত। ইয়াৰ দ্বাৰাও বহুত সেৱা হয়। সন্তানসকলে বুজে যে আমি শিৱবাবাৰ মুৰুলী শুনো। তোমাৰ দ্বাৰা শুনিলে ইনডাইৰেক্ট (আওপকীয়া) হৈ যায় আকৌ ইয়ালৈ আহে পোনপটীয়াকৈ শুনিবলৈ। তেতিয়া বাবাই ব্ৰহ্মা মুখৰ দ্বাৰা শুনায় অথবা মুখৰ দ্বাৰা জ্ঞান অমৃত দিয়ে। এই সময়ত দুনিয়া তমোপ্ৰধান হৈ গৈছে সেয়েহে তেওঁলোকৰ ওপৰত জ্ঞানৰ বৰ্ষাৰ প্ৰয়োজন। সেই পানীৰ বৰ্ষাতো বহুত হয়। সেই পানীৰেতো কোনেও পাৱন হ’ব নোৱাৰে। এয়া সকলো হৈছে জ্ঞানৰ কথা। পিতাই কয় এতিয়া জাগা, মই তোমালোকক শান্তিধামলৈ লৈ যাওঁ। আত্মাৰ উন্নতিও ইয়াতেই, বাকী সকলো হৈছে পাৰ্থিৱ কথা। আত্মিক কথা কেৱল তোমালোকেহে শুনা। পদমপতি, ভাগ্যশালী কেৱল তোমালোকেহে হোৱা। পিতা হৈছে দৰিদ্ৰ নিবাসী। দৰিদ্ৰইহে শুনে, সেয়েহে পিতাই কয় অহল্যা, গণিকাসকলকো বুজোৱা। সত্যযুগত এনেকুৱা কথা নাথাকে। সেয়া হৈছে বেহদৰ শিৱালয়। এতিয়া হৈছে বেহদৰ বেশ্যালয়, সম্পূৰ্ণ তমোপ্ৰধান। ইয়াতকৈ আৰু সীমা নাই। এতিয়া এই পতিত দুনিয়া পৰিৱৰ্তন হ’ব। ভাৰততে ৰাম ৰাজ্য আৰু ৰাৱণ ৰাজ্য হয়। যেতিয়া অনেক ধৰ্ম হৈ যায় তেতিয়া অশান্তি হয়। যুদ্ধতো লাগিয়ে থাকে। এতিয়াতো যুদ্ধ বহুত তীব্ৰতৰ হ’ব। ভয়ানক যুদ্ধ লাগি আকৌ বন্ধ হৈ যাব কিয়নো ৰাজ্যও স্থাপন হ’ব লাগিব, কৰ্মাতীত অৱস্থাও হ’ব লাগিব। এতিয়াতো কোনেও ক’ব নোৱাৰে। সেই অৱস্থা আহি গ’লে পঢ়া সম্পূৰ্ণ হৈ যাব। তাৰপিছত ট্ৰান্সফাৰ (স্থানান্তৰ) হ’ব - নিজৰ পুৰুষাৰ্থ অনুযায়ী। এই খেৰৰ জুমুঠি ৰূপী দুনিয়াত জুইতো লাগিবই। তৎক্ষণাৎ বিনাশ হৈ যাব। তাকেই ভয়ানক তেজৰখেল বুলি কোৱা হয়। অকাৰণতে সকলো মৰি যাব। ৰক্তৰ নদী বৈ যাব। তাৰ পিছত ঘি-গাখীৰৰ নদী ব’ব। হাহাকাৰৰ পিছত জয়জয়কাৰ হ’ব। বাকী সকলো অজ্ঞান নিদ্ৰাত শুই থাকোতেই শেষ হৈ যাব। বহুত যুক্তিৰে স্থাপনা হয়। বিঘিনিও আহিব, অত্যাচাৰো হ’ব। এতিয়া মাতাসকলৰ দ্বাৰা স্বৰ্গৰ দুৱাৰ খুলিব। পুৰুষতো বহুত আছে পিছে মাতাই জন্ম দিয়াৰ কাৰণে পুৰুষতকৈ বেছি পুৰস্কাৰ পায়। স্বৰ্গত ক্ৰমানুসৰি সকলোৱে যাব কোনোৱে দুটা জন্ম পুৰুষৰো পাব পাৰে, হিচাব-নিকাচ যি ড্ৰামাত নিহিত হৈ আছে সেয়াই হ’ব। আত্মাৰ উন্নতি হ’লে কিমান পার্থক্য আহি যায়। কোনোবা একেবাৰে উচ্চলৈ গুচি যায় কোনোবা আকৌ একেবাৰে নীচ। ক’ত ৰজা ক’ত প্ৰজা। মিঠা-মিঠা সন্তানসকলক পিতাই বুজায় এতিয়া পুৰুষাৰ্থ কৰা। যোগেৰে পৱিত্ৰ হোৱা তেতিয়া ধাৰণা হ’ব। লক্ষ্য অতি উচ্চ। নিজকে আত্মা বুলি ভাবি বহুত মৰমেৰে পিতাক স্মৰণ কৰিব লাগে। আত্মাৰ পৰমাত্মা সৈতে প্ৰেম আছে নহয় জানো। এয়া হৈছে আত্মিক প্ৰেম, যাৰ দ্বাৰা আত্মাৰ উন্নতি হয়। পাৰ্থিৱ প্ৰেমৰ দ্বাৰা অধোগতি হয়। ভাগ্যত নাথাকিলে আতৰি যায়। যজ্ঞক বহুত চম্ভালিব লাগে। মাতাসকলৰ এটি এটি টকাৰে যজ্ঞৰ সেৱা হৈ আছে। ইয়াত দুখীয়াই চহকী হয়। সকলো পঢ়াৰ ওপৰত নিৰ্ভৰ কৰে। তোমালোক এতিয়া সদায় সধবা হোৱা - এয়া সকলোৰে অনুভৱ হয়। মালাৰ দানা হ’বলগীয়াসকলৰ কিমান ভাল অনুভৱ হোৱা উচিত। শিৱবাবাক স্মৰণ কৰিলে, সেৱা কৰি থাকিলে উন্নতি হ’ব। শিৱবাবাৰ সেৱাত শৰীৰো সমৰ্পিত কৰা উচিত। গোটেই দিন যাতে নিচা থাকে - এয়া মাহীৰ ঘৰ নহয়। চাব লাগে আমি নিজৰ কিমান উন্নতি কৰিছো। বাবাই কয় – যি হৈ গ’ল সেয়া স্মৃতিলৈ নানিবা। আগলৈ কোনো আশা নাৰাখিবা। শৰীৰ নিৰ্বাহৰ অৰ্থে কৰ্মতো কৰিব লাগিব। যিখিনি সময় পোৱা পিতাক স্মৰণ কৰা তেতিয়া বিকৰ্ম বিনাশ হ’ব। পিতাই বান্ধোনত থকা সকলকো বুজায় যে তোমালোকে পতিক বহুত নম্ৰতাৰে মৰমেৰে বুজাব লাগে, কোনোৱে মাৰিলে তেওঁৰ ওপৰত ফুলৰ বৰ্ষা কৰা। নিজক ৰক্ষা কৰিবলৈ বহুত উপায় উলিয়াব লাগে। দৃষ্টি বহুত শীতল হোৱা উচিত। কেতিয়াও যাতে চঞ্চল নহয়। ইয়াৰ ওপৰত অংগদৰ দৃষ্টান্তও আছে, একেবাৰে অটল আছিল। তোমালোক সকলো মহাবীৰ হোৱা, যি হৈ গ’ল তাক স্মৰণ কৰিব নালাগে। সদায় হৰ্ষিত হৈ থাকিব লাগে। ড্ৰামাত অটল হৈ থাকিব লাগে। পিতাই নিজে কয় ময়ো ড্ৰামাৰ বান্ধোনত বান্ধ খাই আছো। বাকী অন্য কোনো কথা নাই। কৃষ্ণৰ কাৰণে লিখি দিছে - স্বদৰ্শন চক্ৰৰে মাৰিলে। এয়া সকলো কাহিনী। পিতাইতো হিংসা কৰিব নোৱাৰে। এওঁতো পিতা, শিক্ষক হয়, মাৰাৰ কথাই নাই। এই সকলো এতিয়াৰে কথা। এফালে অনেক মনুষ্য আনফালে তোমালোক, যি আহিব লগা আছে আহি থাকিব। কল্পৰ আগৰ দৰে পদ পাই থাকিব। ইয়াত চমৎকাৰৰ কোনো কথা নাই। পিতা হৈছে দয়াশীল, দুখ হৰ্তা, সুখ কৰ্তা, তেন্তে দুখ কেনেকৈ দিব। ভাল বাৰু! অতি মৰমৰ কল্পৰ পিছত পুনৰাই লগ পোৱা সন্তানসকলৰ প্ৰতি মাতা-পিতা বাপদাদাৰ স্নেহপূৰ্ণ স্মৰণ আৰু সুপ্ৰভাত। আত্মিক পিতাৰ আত্মিক সন্তানসকলক নমস্কাৰ। ধাৰণাৰ বাবে মুখ্য সাৰ :- (1) অতি কমেও 8 (আঠ) ঘণ্টা ঈশ্বৰীয় সেৱা কৰি নিজৰ সময় সফল কৰিব লাগে। পিতাৰ দৰে গুণৱান হ’ব লাগে। (2) যি হৈ গ’ল সেয়া স্মৰণ কৰিব নালাগে। হৈ যোৱাক যতি লগাই সদায় হৰ্ষিত হৈ থাকিব লাগে। ড্ৰামাত অটল হৈ থাকিব লাগে। বৰদান: নিশ্চিত বিজয়ৰ নিচাত থাকি পিতাৰ পদমগুণ সহায় প্ৰাপ্ত কৰো ঁ তা মায়াজি ৎ হোৱা পিতাৰ পদমগুণ সহায়ৰ পাত্ৰ সন্তানে মায়াৰ আক্ৰমণক প্ৰত্যাহ্বান জনায় যে মায়াৰ কাম হ’ল অহা আৰু আমাৰ কাম হ’ল বিজয় প্ৰাপ্ত কৰা। তেনে সন্তানে মায়াৰ সিংহ ৰূপক পৰুৱা বুলি ভাবে কিয়নো জানে যে এতিয়া মায়াৰ ৰাজ্য সমাপ্ত হ’ব, আমি অনেক বাৰ বিজয়ী আত্মাসকলৰ বিজয় 100 শতাংশই নিশ্চিত। এই নিশ্চিতৰ নিচাই পিতাৰ পদমগুণ সহায়ৰ অধিকাৰ প্ৰাপ্ত কৰায়। এই নিচাৰে সহজে মায়াজিৎ হৈ যোৱা। স্লোগান: সংকল্প শক্তিক জমা কৰি নিজৰ প্ৰতি বা বিশ্ব ৰ প্ৰতি ইয়া ক প্ৰয়োগ কৰা।   ব্ৰহ্মা পিতাৰ সমান হ ’ বলৈ বিশেষ পুৰুষাৰ্থ ব্ৰহ্মা পিতাৰ সমান তোমালোকৰ এই নয়নজুৰিয়ে আত্মিকতাৰ অনুভৱ কৰাওঁক, চলনে পিতাৰ চৰিত্ৰৰ সাক্ষ্যৎকাৰ কৰাওঁক, মস্তকে মস্তকমণিৰ সাক্ষ্যৎকাৰ কৰাওঁক, এই অব্যক্ত চেহেৰা দিব্য, অলৌকিক স্থিতিৰ প্রত্যক্ষ ৰূপ দেখুৱাওঁক। ইয়াৰ কাৰণে নিজৰ অন্তৰ্মুখী, অলৌকিক বা আত্মিক স্থিতিত সদা কাল থকাৰ অভ্যাস কৰা।
145 views
2 months ago
#

নিউ ইয়ারের মজা

০৭-০১-১৯ প্রাতঃ মুরলি ওম্ শান্তি বাপদাদা" মধুবন "মিষ্টি বাচ্চারা -- মনুষ্য দেহের উন্নতির ব্যবস্থা করতে, আত্মার উন্নতি বা উত্তরণের সাধন বাবা-ই বলে দেন - এটা বাবারই রেস্পন্সিবিলিটি" প্রশ্ন:- বাচ্চাদের সর্বদা উন্নতি হোক এর জন্যে বাবা কোন্ শ্রীমৎ দেন ? উত্তর:- বাচ্চারা, নিজের উন্নতির জন্য ১. সদা স্মরণের যাত্রা করো। স্মরণের দ্বারা-ই আত্মার মরচে দূর হবে। ২. কখনও অতীতকে স্মরণ করবে না এবং ভবিষ্যতের জন্যে কোনো আশা রাখবে না। ৩. জীবনধারণের জন্য কাজকর্ম করো কিন্তু যদি সময় পাও তবে সময় নষ্ট না করে বাবার স্মরণে সময় সফল করো। ৪. কমপক্ষে ৮ ঘন্টা ঈশ্বরীয় সেবা করো তাহলে তোমাদের উন্নতি হতে থাকবে । ওম্ শান্তি । রূহানী বাবা বসে রূহানী বাচ্চাদের অর্থাৎ আত্মাদের বোঝাচ্ছেন, মানুষ বলে আত্মার রেস্পন্সিবিলিটি হল পরমাত্মার। তিনি-ই সকল আত্মাদের উন্নতি এবং মনের শান্তির পথ বলে দিতে পারেন। আত্মা বাস করে ভ্রুকুটির মধ্যে সবার থেকে নির্লিপ্ত। প্রায়শই রোগ হয় শরীরে। এখানে ভ্রুকুটিতে নয়। যদিও মাথায় ব্যথা হবে কিন্তু যেখানে আত্মার আসন আছে সেখানে কোনো কষ্ট হবে না, কারণ সেই আসনে আত্মা বিরাজিত থাকে। এবারে আত্মার উন্নতি অথবা শান্তি প্রদান করেন যে সার্জেন তিনি হলেন একমাত্র পরমাত্মা। যখন আত্মার উন্নতি হয় তখনই আত্মা হেল্থ ওয়েল্থ প্রাপ্ত করে। শরীরের জন্যে যতই করো কোনো উন্নতি হবে না। শরীরে কিছু না কিছু সমস্যা তো থাকবেই। আত্মার উন্নতি তো বাবা ব্যতীত কেউ করতে পারেনা। অন্য সবাই দুনিয়ায় শরীরের উন্নতির ব্যবস্থা করে, তাতে আত্মার উত্তরণ কলা বা উন্নতি হয়না। সে তো বাবাই শেখান। সবকিছুই আত্মার উপর নির্ভর করছে। আত্মা-ই ১৬ কলা সম্পূর্ণ হয় তারপরে আত্মা একেবারে কলা বিহীন হয়ে যায়। ১৬ কলা হয় আবার কলা বা গুণ কম কিভাবে হয়, সে কথাও বাবা বোঝান। বাবা বলেন সত্যযুগে তোমাদের অনেক সুখ ছিল। আত্মা উত্তরণ কলায় ছিল অন্য সৎসঙ্গে আত্মার উন্নতি কিভাবে হবে - সেই কথা বোঝানো হয় না। তারা দেহের নেশায় থাকে। দেহ-অভিমান আছে, বাবা তোমায় দেহী-অভিমানী করেন। আত্মা যে তমোপ্রধান হয়েছে তাকে সতোপ্রধান করতে হবে। এখানে সবই হল অলৌকিক (রূহানী) কথা। সেখানে হল দৈহিক কথা। সার্জেন একটি হার্ট বের করে অন্যটি লাগিয়ে দেয়। তাদের আত্মার সঙ্গে কোনো সম্বন্ধ নেই। আত্মা তো ভ্রুকুটি তে বাস করে, তার অপারেশন ইত্যাদি হয় না। আচ্ছা বাবা বোঝান যে আত্মার উন্নতি তো একবারই হয়। আত্মা যখন তমোপ্রধান হয়ে যায় তখন আত্মার উন্নতি করতে বাবা আসেন। বাবা ব্যতীত কোনো আত্মার উত্তরণ কলা হতে পারেনা। বাবা বলেন এই ছিঃ ছিঃ তমোপ্রধান আত্মারা আমার কাছে আসতে পারে না। তোমাদের কাছে যখন কেউ এসে বলে শান্তি কিভাবে পাওয়া যাবে অথবা উন্নতি কিভাবে হবে ? কিন্তু সে কথা কেউ জানে না যে উন্নতির পরে আমরা কোথায় যাব, কি হবে ? আহ্বান করে পতিত থেকে পবিত্র করো। জীবনমুক্তি ধামে নিয়ে চলো। অর্থাৎ আত্মাদেরই নিয়ে যাবে তাইনা। শরীর তো এখানেই শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু এই কথা কারো বুদ্ধিতে নেই। এই হল ঈশ্বরীয় মতামত। বাকি ঐ সব হল মানব মত। ঈশ্বরীয় মতামতের আধারে একদম আকাশে উঠে যাও - শান্তিধাম, সুখধামে। তারপরে ড্রামা অনুযায়ী নীচে নামতেও হবে। আত্মার উন্নতির জন্যে বাবা ব্যতীত অন্য কেউ সার্জেন নেই। সার্জেন আবার তোমাদের নিজ সমান তৈরি করেন। কেউ অন্যদের খুব ভালো উন্নতি করে, কেউ মিডিয়াম, কেউ থার্ড ক্লাস উন্নতি করে অন্যদের। আত্মাদের উন্নতির দায়িত্ব একমাত্র বাবার। দুনিয়ায় এই কথা কারো জানা নেই। বাবা বলেন এই সাধু সন্ন্যাসী ইত্যাদিদের উদ্ধার করতে আমি আসি। প্ৰথমে আত্মা যখন আসে তখন পবিত্র-ই আসে। এখন বাবা এসেছেন সবার উন্নতি করতে। নম্বর অনুযায়ী পুরুষার্থ অনুসারে তোমাদের দেখো কত উন্নতি হয়ে যায়। সেখানে তোমরা ফার্স্ট ক্লাস শরীরও প্রাপ্ত কর।বাবা হলেন অবিনাশী সার্জেন। তিনি এসে তোমাদের উন্নতি করেন। ফলে তোমরা উঁচু থেকে উঁচু নিজের সুইট হোমে ফিরে যাবে। তারা চাঁদে যায়। অবিনাশী সার্জেন তোমাদের উন্নতির জন্যে বলেন মামেকম্ স্মরণ করো তো বিকর্ম বিনাশ হবে। বাবা বিশ্বের বাচ্চাদের লিবারেট করেন অর্থাৎ উদ্ধার করেন। যখন তোমরা স্বর্গে যাবে তখন সবাই শান্তিধামে থাকবে। বাবা কত ওয়ান্ডারফুল কাজ করেন। বাবার তুলনা নেই ! তবেই বলা হয় তোমার গতি তুমিই জানো। আত্মাতে মত আছে, আত্মা পৃথক হলে মত প্রাপ্ত হতে পারে না। ঈশ্বরীয় মত দ্বারা উত্তরণ কলা, মনুষ্য মত দ্বারা অবনমন কলা - এও ড্রামায় ফিক্স আছে। তারা ভাবে এখন স্বর্গের নির্মাণ হয়েছে। ভবিষ্যতে জানতে পারবে যে এইটি নরক না স্বর্গ। ভাষা নিয়ে কত হাঙ্গামা করে। দুঃখে আছে কিনা। স্বর্গে তো দুঃখ হয়না। ভূমিকম্পও হবে না। এখন পুরানো দুনিয়ার বিনাশ হবে তারপরে স্বর্গে পরিণত হবে। তারপরে অর্ধকল্প পরে সেইটিও লুপ্ত হয়। বলা হয় দ্বারকা সাগরের নীচে চলে গেছে। সোনার জিনিস নীচে চাপা পড়ে গেছে। তাহলে অবশ্যই ভূমিকম্পের দ্বারা নীচে যাবে। সমুদ্রের নীচে থেকে নিশ্চয়ই খুঁড়ে বের করা হবেনা। ভূমি খনন করা হয়, সেখান থেকে জিনিস বের হয়। বাবা বলেন আমি সকলের উপকার করি। আমার সবাই অপকার করে, অপশব্দ বলে। আমি তো অপকারীরও উপকার করি, তাই আমার অবশ্যই মহিমা হওয়া উচিত। ভক্তি মার্গে দেখো কত মান। তোমরা বাচ্চারাও বাবার কত মহিমা কর। চিত্রে ৩২- টি গুণ দেখানো হয়েছে। এখন তোমরাও বাবার মতন গুণবান হচ্ছ তাহলে কত পুরুষার্থ করা উচিত। সময় নষ্ট করা উচিত নয়। সর্বোচ্চ পিতা পড়াচ্ছেন তাই রোজ অবশ্যই পড়া উচিত। ইনি হলেন অবিনাশী পিতা, টিচার, যারা পরে আসছে তারা পুরনোদের থেকে তীক্ষ্ণ যেতে পারে। এখন সম্পূর্ণ দুনিয়ার উন্নতি হচ্ছে - বাবার সাহায্যে। শ্রীকৃষ্ণ কেও গুণবান করেন বাবা, সবাইকে দান করেন। বাকিরা সবাই প্রাপ্ত করে। এই বংশ বিস্তার হচ্ছে - নম্বর অনুযায়ী পুরুষার্থ অনুসারে। বেহদের বাবা দেখো কত মিষ্টি এবং কত প্রিয়। উঁচু থেকে উঁচু বাবার দ্বারা সবার উন্নতি হচ্ছে। বাকি তো সবাইকে সিঁড়ি দিয়ে নীচে নামতে হবে। বাবা হলেন অতুলনীয়। খাও দাও সবকিছু কর শুধুমাত্র বাবার গুণ গাও। এমন নয় বাবার স্মরণে থাকলে খাওয়া হবেনা। রাত্রে অনেক সময় থাকে। ৮ ঘন্টা তো সময় থাকে। বাবা বলেন কমপক্ষে ৮ ঘন্টা এই গভর্নমেন্টের সার্ভিস করো। যে আসবে তাকে আত্মার উন্নতির পথ বলো। জীবনমুক্তি অর্থাৎ বিশ্বের মালিক ও মুক্তি অর্থাৎ ব্রহ্মাণ্ডের মালিক। এই কথা বোঝানো তো সহজ তাইনা। কিন্তু ভাগ্যে না থাকলে কি আর উপায় করবে। বাবা বোঝান বাবার স্মরণ ব্যতীত আত্মার মরচে মিটবে না। যদিও সারা দিন জ্ঞান শোনাও কিন্তু আত্মার উন্নতির উপায় স্মরণ ছাড়া সম্ভব নয়। বাবা বাচ্চাদের ভালোবেসে প্রতিদিন বোঝান কিন্তু নিজের উন্নতি করবে বা করবেনা, সে তো প্রত্যেকে নিজেরা বুঝতে পারবে। এই কথা শুধু তোমরা শোনো না সব সেন্টারের বাচ্চারা শোনে। এই টেপ রাখা আছে। এইটিও নিজের ভিতরে রেকর্ড করে যায় - সার্ভিসে। এইটি অনেক সার্ভিস করে। বাচ্চারা বোঝে আমরা শিববাবার মুরলী শুনছি। তোমাদের মুখে শুনলে ইনডাইরেক্ট(অপ্রত্যক্ষ) হয়ে যায় তখন এখানে আসে ডাইরেক্ট শুনবার জন্যে। তখন বাবা ব্রহ্মা মুখ দ্বারা শোনান অথবা মুখ দ্বারা জ্ঞান অমৃত প্রদান করেন। এই সময় দুনিয়া তমো প্রধান হয়েছে তাই জ্ঞান বর্ষার প্রয়োজন আছে। জল বিন্দুর বৃষ্টি তো অনেক হয়। জল দিয়ে কেউ পবিত্র হতে পারেনা। এই হল সম্পূর্ণ জ্ঞানের কথা। বাবা বলেন এখন জাগো, আমি তোমাদের শান্তিধামে নিয়ে যাই। আত্মার উন্নতিও এতেই হয়, বাকি সবই হল দৈহিক কথা। রূহানী কথা শুধুমাত্র তোমরাই শোনো। পদমপতি, ভাগ্যশালী শুধুমাত্র তোমরাই হও। বাবা হলেন গরিব নিবাজ অর্থাৎ দীন নাথ। গরীবরা শোনে, তবেই বাবা বলেন অহল্যা, গণিকাদের বোঝাও। সত্যযুগে এমন কথা হয় না। ঐ হল বেহদের শিবালয়। এখন হল বেহদের বেশ্যালয়, একেবারেই তমোপ্রধান। এতে বিশেষ মার্জিন নেই। এখন এই পতিত দুনিয়াকে চেঞ্জ হতেই হবে। ভারতে রাম রাজ্য ও রাবণ রাজ্য তো হয়। যখন অনেক ধর্ম হয় তখন অশান্তি হয়। যুদ্ধ তো লেগেই থাকে। এবার তো খুব জোরে যুদ্ধ লাগবে। কঠিন যুদ্ধ লেগে বন্ধ হয়ে যাবে কারণ রাজত্ব স্থাপন হয়ে, কর্মাতীত অবস্থা হবে। এখন তো কেউ বলতে পারেনা। সেই অবস্থা হলে পড়াশোনা পূর্ণ হবে। তখন ট্রান্সফার হয়ে যাবে - নিজের পুরুষার্থ অনুসারে। এই পুরানো দুনিয়ায় তো আগুন লাগবে। অতি শীঘ্রই বিনাশ হবে। তাকে রক্তের খেলা বলা হয়। সবার মৃত্যু হবে। রক্তের নদী বইবে। তারপরে ঘি দুধের নদী বইবে। হাহাকার থেকে জয়জয়কার হবে। বাকিরা সবাই অজ্ঞান নিদ্রায় ঘুমিয়ে থেকেই শেষ হয়ে যাবে। খুব যুক্তি সহকারে স্থাপনা হয়। বিঘ্ন আসবে, অত্যাচারও হবে। এখন মাতাদের দ্বারা স্বর্গের দ্বার খোলে। যদিও পুরুষও অনেক আছে কিন্তু মাতা হল জন্মদায়িনী তাই পুরুষদের থেকে বেশি গুরুত্ব প্রাপ্ত করে। স্বর্গে তো নম্বর অনুসারে সবাই যাবে কেউ দুই জন্ম পুরুষের ধারণ করে, হিসেব নিকেশ যা কিছু ড্রামা নির্দিষ্ট (ফিক্স) রয়েছে তাই হয়। আত্মার উন্নতি হলে কত তফাৎ হয়ে যায়। কেউ তো একদম হাইয়েস্ট হয় কেউ একেবারে লোয়েস্ট। কোথায় রাজা তো কোথায় প্রজা। মিষ্টি মিষ্টি বাচ্চাদের বাবা বোঝান এখন পুরুষার্থ করো। যোগের দ্বারা পবিত্র হও তবে ধারণা হবে। লক্ষ্য খুব উঁচুতে আছে। নিজেকে আত্মা ভেবে ভালোবেসে বাবাকে স্মরণ করতে হবে। পরমাত্মার সঙ্গে আত্মার ভালোবাসা আছে তাইনা। এ হল অলৌকিক (রূহানী) ভালোবাসা, যার দ্বারা আত্মার উন্নতি হয়। দৈহিক ভালোবাসার দ্বারা পতন হয়। ভাগ্যে না থাকলে ভাগন্তি হয়ে যায় অর্থাৎ পালিয়ে যায়। যজ্ঞের রক্ষণাবেক্ষণের কাজে খুব সাবধানতা চাই। মাতাদের পাই পয়সা দিয়ে যজ্ঞের সার্ভিস করা হচ্ছে। এখানে গরীব-ই ধনী হয়। সমস্ত কিছু নির্ভর করছে পড়াশোনার উপরে। তোমরা এখন সদা সৌভাগ্য বতী হও - সবার এই রকম অনুভূতি হয়। মালার পুঁতি যারা হয় তাদের খুব ভালো অনুভূতি হওয়া চাই। শিববাবা কে স্মরণ করতে করতে সার্ভিস করতে থাকো তাহলে অনেক উন্নতি হতে পারে। শিববাবার সার্ভিসে শরীরও সমর্পণ করা উচিত। সারা দিন যেন নেশা থাকে - এইটি মাসির বাড়ি নয়। দেখতে হবে আমরা নিজের কত উন্নতি করেছি। বাবা বলেন - অতীত কে স্মরণ করবে না। ভবিষ্যতের জন্যে কোনো আশা রেখো না। জীবন নির্বাহের উদ্দেশ্যে কর্ম তো করতে হবে। যখন সময় পাবে তখন বাবাকে স্মরণ করো তো বিকর্ম বিনাশ হবে। বাবা যারা বন্ধনে রয়েছে (বাঁধেলিদের) বোঝান যে তোমরা নিজের যুগলকে খুব নম্র হয়ে ভালোবেসে বোঝাও, মারধর করলে তাদের উপরে ফুলের বর্ষা করো। নিজেদের রক্ষা করার অনেক যুক্তি চাই। শীতল চোখ হওয়া উচিত। কখনো যেন নড়চড় না হয়। এই পয়েন্টে অঙ্গদের দৃষ্টান্ত দেওয়া হয়েছে, অটল ছিল। তোমরা সবাই হলে মহাবীর, যা কিছু পাস্ট হয়েছে সেসব স্মরণ করবে না। সর্বদা খুশীতে থাকতে হবে। ড্রামায় অটল থাকতে হবে। বাবা নিজেই বলেন আমিও ড্রামার বন্ধনে আবদ্ধ। আর কোনো কথা নেই। কৃষ্ণের জন্যে লেখা আছে স্বদর্শন চক্র দিয়ে মেরেছেন। এইসবই হল কাহিনী। বাবা হিংসা তো করতে পারেন না। এই বাবা তো হলেন টিচার, মারের কথা নেই। এইসব কথা হল এখনকার। একদিকে অনেক মানুষ আছে অন্য দিকে আছো তোমরা, যাদের আসার হবে তারা আসবে। কল্প পূর্বের মতন পদের অধিকারী হবে। এতে কোনো চমৎকার নেই। বাবা হলেন দয়ালু , দুঃখ হর্তা সুখ কর্তা, তাহলে দুঃখ দেবেন কিভাবে। আচ্ছা ! মিষ্টি মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা পিতা, বাপদাদার স্মরণ স্নেহ ও গুডমর্নিং। রূহানী বাবার রূহানী বাচ্চাদেরকে নমস্কার। ধারণার জন্যে মুখ্য সার :- ১. কমপক্ষে (মিনিমাম) ৮ ঘন্টা ঈশ্বরীয় গভর্নমেন্টের সার্ভিস করে নিজের সময় সফল করতে হবে। বাবার মতন গুণ সম্পন্ন হতে হবে। ২. যা অতীতে ঘটে গেছে সেসব স্মরণ করবে না। অতীতকে (পাস্ট) অতীত করে সর্বদা খুশীতে থাকতে হবে। ড্রামার পয়েন্টে অচল থাকতে হবে। বরদান:- নিশ্চিত বিজয়ের নেশায় থেকে বাবার পদমগুণ সাহায্য প্রাপ্তকারী মায়াজিত ভব বাবার পদমগুণ সাহায্যের যোগ্য পাত্র বাচ্চারা মায়ার আক্রমণকে চ্যালেঞ্জ করে যে মায়া তোমার কাজ হল আসা আর আমাদের কাজ হল বিজয়ী হওয়া। তারা মায়ার সিংহ রূপকে পিপীলিকা ভাবে কারণ তারা জানে যে এই মায়ার রাজ্য এখন শেষ হবে, আমরা অনেক বারের বিজয়ী আত্মা, আমাদের বিজয় ১০০% নিশ্চিত। এই নিশ্চিত ভাবের নেশা বাবার পদমগুণ সাহায্যের অধিকার প্রাপ্ত করায়। এই নেশায় তোমরা সহজেই মায়াজিত হয়ে যাও। স্লোগান:- সঙ্কল্প শক্তি জমা করে নিজের প্রতি ও বিশ্বের প্রতি এর প্রয়োগ করো ।
204 views
2 months ago
#

নিউ ইয়ারের মজা

07-01-2019 ఉదయము మురళి ఓంశాంతి బాప్‌దాదా మధువనము ''మధురమైన పిల్లలారా - మనుష్యులు శారీరిక ఉన్నతి కొరకు ఏర్పాట్లు రచిస్తారు. ఆత్మ ఉన్నతికి లేక ఆత్మ వికాసానికి సాధనము ఒక్క తండ్రి మాత్రమే తెలియజేస్తారు. ఈ బాధ్యత తండ్రిదే.'' ప్రశ్న :- సదా పిల్లలలో ఉన్నతి జరుగుతూ ఉండేందుకు తండ్రి ఏ ఏ శ్రీమతమును ఇస్తారు? జవాబు :- పిల్లలారా! మీ ఉన్నతి కొరకు 1. సదా స్మృతియాత్రలో ఉండండి. స్మృతి ద్వారానే ఆత్మలోని త్రుప్పు(మైల) వదిలిపోతుంది. 2. ఎప్పుడూ గడిచిపోయిన వాటిని గుర్తు చేసుకోకండి. భవిష్యత్తు కొరకు ఎటువంటి ఆశలు ఉంచుకోకండి. 3. శరీర నిర్వహణార్థము కర్మలు భలే చేయండి కాని ఎంత సమయము లభిస్తుందో దానిని వ్యర్థంగా గడపకండి. తండ్రి స్మృతిలో సమయాన్ని సఫలము చేయండి. 4. కనీసము 8 గంటలు ఈశ్వరీయ సేవ చేసినట్లైతే మీ ఉన్నతి జరుగుతూ ఉంటుంది. ఓంశాంతి. ఆత్మిక తండ్రి కూర్చుని ఆత్మిక పిల్లలకు లేదా ఆత్మలకు అర్థము చేయిస్తున్నారు. ఆత్మల బాధ్యత పరమాత్మదేనని మనుష్యులంటారు. వారే సర్వాత్మల ఉన్నతికి, మనశ్శాంతికి మార్గాన్ని తెలియజేయగలరు. ఆత్మ భృకుటి మధ్యలో అన్నింటికంటే అతీతంగా ఉంటుంది. తరచుగా రోగాల పాలయ్యేది శరీరమే. ఇక్కడ భృకుటిలో రోగము రాదు. భలే తల నొప్పి వస్తుంది కాని ఆత్మకు సింహాసనమైన భృకుటిలో ఏ కష్టమూ కలుగదు. ఎందుకంటే ఆ సింహాసనము పై ఆత్మ విరాజమానమై ఉంటుంది. ఆత్మకు ఉన్నతిని లేక శాంతినిచ్చే సర్జన్‌ ఒక్క పరమాత్మయే. ఆత్మ ఉన్నతి అయినప్పుడే ఆత్మకు ఆరోగ్య-ఐశ్వర్యాలు కూడా లభిస్తాయి. శరీరము కొరకు ఎన్ని చేసినా దాని ద్వారా ఏ విధమైన ఉన్నతి జరగదు. శరీరములో ఏదో కొంత గడబిడ జరుగుతూనే ఉంటుంది. ఆత్మోన్నతిని తండ్రి తప్ప మరెవ్వరూ చేయలేరు. ప్రపంచములోని వారందరూ శరీర ఉన్నతి కొరకు ఏర్పాట్లు చేసుకుంటూ ఉంటారు. కాని ఆత్మ వికాసము గాని లేక ఆత్మోన్నతి గాని జరగదు. దానిని తండ్రియే నేర్పిస్తారు. ఆధారమంతా ఆత్మ పైనే ఉంది. ఆత్మనే 16 కళా సంపూర్ణంగా అవుతుంది మరలా పూర్తి కళాహీనముగా కూడా ఆత్మయే అవుతుంది. 16 కళలు కలిగినదిగా ఎలా అవుతుంది, మళ్లీ కళలు ఏ విధంగా తగ్గుతూ పోతాయనే విషయాన్ని కూడా ఒక్క తండ్రి మాత్రమే అర్థము చేయిస్తారు. తండ్రి చెప్తున్నారు - సత్యయుగములో మీకు చాలా సుఖముండేది. ఆత్మ ఎక్కేకళలో ఉండేది. ఇతర సత్సంగాలలో ఆత్మ ఉన్నతి ఎలా జరుగుతుందనే విషయము గురించి అర్థం చేయించడం జరగదు. వారు శారీరిక నషాలో ఉంటారు. దేహాభిమానములో ఉంటారు. తండ్రి మిమ్ములను దేహీ-అభిమానులుగా చేస్తారు. ఆత్మ ఏదైతే తమోప్రధానంగా అయ్యిందో దానిని సతోప్రధానంగా చేయాలి. ఇక్కడ అన్ని విషయాలు ఆత్మకు సంబంధించినవే. అక్కడ శరీరానికి సంబంధించిన విషయాలుంటాయి. సర్జన్‌ ఒక గుండెను తొలగించి మరొకదానిని పెడ్తారు. గుండెతో ఆత్మకు ఏ విధమైన సంబంధము లేదు. ఆత్మ భృకుటి మధ్యలో ఉంటుంది. దానికి ఆపరేషన్‌ మొదలైనవేవీ జరగవు. మంచిది. తండ్రి అర్థము చేయిస్తున్నారు - ఆత్మ ఉన్నతి కేవలం ఒక్కసారి మాత్రమే జరుగుతుంది. ఆత్మ తమోప్రధానమైనప్పుడు ఆత్మలను ఉన్నతంగా చేసే తండ్రి వస్తారు. వారు లేకుండా ఏ ఆత్మకూ ఎక్కే కళ జరగదు. తండ్రి చెప్తున్నారు - ఈ ఛీ-ఛీ తమోప్రధాన ఆత్మలు నా వద్దకు(పరంధామానికి) రాలేవు. మీ వద్దకు ఎవరైనా వచ్చినప్పుడు - శాంతి ఎలా లభిస్తుంది? లేదా ఆత్మ ఉన్నతి ఏ విధంగా జరుగుతుంది? అని అడుగుతారు. కాని ఆత్మ ఉన్నతి జరిగిన తర్వాత మనము ఎక్కడకు వెళ్తాము. ఏమి జరుగుతుంది? అనే విషయాలు వారికి తెలియవు. పతితుల నుండి పావనంగా తయారు చేయండి, జీవన్ముక్తి ధామములోకి తీసుకెళ్ళండి అని పిలుస్తూ ఉంటారు. మరి ఆత్మలనే తీసుకు వెళ్తారు కదా! శరీరమైతే ఇక్కడే సమాప్తమైపోతుంది కాని ఈ విషయాలు ఎవరి బుద్ధిలోనూ లేవు. ఇది ఈశ్వరీయ మతము. మిగిలినవన్నీ మానవ మతములు. ఈశ్వరీయ మతము ద్వారా ఒక్కసారిగా ఆకాశములోకి ఎక్కిపోతారు(ఉన్నతిని పొందుతారు) - అనగా శా౦తిధామము, సుఖధామములోకి వెళ్తారు. మళ్లీ డ్రామానుసారము క్రిందికి కూడా దిగాల్సిందే. ఆత్మ ఉన్నతిని కలుగజేసేందుకు తండ్రి తప్ప ఏ ఇతర సర్జన్‌ లేడు. ఈ సర్జన్‌ మిమ్ములను మళ్లీ తమ సమానంగా చేస్తారు. కొందరైతే అనేకమందికి ఉన్నతిని బాగా చేస్తారు. కొందరు మధ్య శ్రేణిలోను, కొందరు తృతీయ శ్రేణిలోను ఇతరుల ఉన్నతిని చేస్తారు. ఆత్మల ఉన్నతి కొరకు బాధ్యుడు ఒక్క తండ్రి మాత్రమే. ప్రపంచములో ఇది ఎవ్వరికీ తెలియదు. తండ్రి చెప్తున్నారు - ఈ సాధువులు మొదలైన వారిని కూడా ఉద్ధరించేందుకు నేను వస్తాను. మొట్టమొదట ఆత్మ వచ్చినప్పుడు పవిత్రంగానే వస్తుంది. ఇప్పుడు తండ్రి సర్వుల ఉన్నతి కొరకు వచ్చారు. నెంబరువారు పురుషార్థానుసారము మీకు ఎంత ఉన్నతి అవుతోందో చూసుకోండి. అక్కడ మీకు శరీరము కూడా ఫస్ట్‌క్లాస్‌ది లభిస్తుంది. తండ్రి అవినాశి సర్జన్‌. వారే వచ్చి మీకు ఉన్నతిని కలుగజేస్తారు. అప్పుడు మీరు సర్వోన్నతమైన మీ మధురమైన ఇంటిలోకి వెళ్లిపోతారు. వారు చంద్రుని పైకి వెళ్తారు. అవినాశి సర్జన్‌ మీకు ఉన్నతిని ప్రాప్తింపజేసేందుకు చెప్తున్నారు - ''నన్ను ఒక్కరినే స్మృతి చేసినట్లైతే వికర్మలు వినాశనమౌతాయి.'' తండ్రి విశ్వములోని పిల్లలందరినీ ముక్తులుగా చేస్తారు. మీరు స్వర్గములోకి వెళ్లినప్పుడు మిగిలినవారంతా శాంతిధామములో ఉంటారు. తండ్రి ఎటువంటి అద్భుతమైన కార్యమును చేస్తున్నారు! అద్భుతము తండ్రిదే! అందుకే - మీ గతి, మతి మీకే తెలుసు(తుమ్హారీ గత్‌ మత్‌ తుమ్‌ హీ జానో) అని అంటారు. మతము ఆత్మలోనే ఉంటుంది. ఆత్మ (శరీరము నుండి) వేరైనట్లైతే మతము లభించదు. ఈశ్వరీయ మతము ద్వారా ఉన్నతమయ్యే కళ, మానవ మతము ద్వారా దిగే కళ - ఇది కూడా డ్రామాలో నిశ్చితమై ఉంది. ఇప్పుడే స్వర్గము తయారైపోయిందని వారనుకుంటారు. ఇది నరకమా లేక స్వర్గమా? అనేది పోను పోను తెలుస్తుంది. భాషను గురించి ఎన్నో గొడవలు జరుగుతాయి. దు:ఖితులుగా ఉన్నారు కదా! స్వర్గములో దు:ఖము ఉండదు. భూకంపాలు కూడా సంభవించవు. ఇప్పుడు పురాతన ప్రపంచ వినాశనము జరగాలి. తర్వాత స్వర్గము తయారైపోతుంది. తర్వాత అర్ధకల్పము పాటు వారు(తండ్రి) కూడా గుప్తమైపోతారు. ద్వారక సముద్ర గర్భములోకి వెళ్ళిపోయిందని అంటారు. బంగారు వస్తువులన్నీ క్రిందకు వెళ్లిపోయాని అంటారు. కనుక తప్పకుండా భూకంపాల ద్వారానే క్రిందికి వెళ్తాయి. సముద్రాన్నేమీ త్రవ్వి వెలికి తీయరు కదా! భూమినైతే తవ్వుతారు. అలా తవ్వినప్పుడు సంపద లభిస్తుంది. తండ్రి చెప్తున్నారు - నేను అందరికీ ఉపకారము చేస్తాను. నాకు అందరూ అపకారము చేస్తారు, నిందిస్తారు. నేనైతే అపకారులకు కూడా ఉపకారమే చేస్తాను. మరి నాకు తప్పకుండా మహిమ జరగాలి కదా. భక్తిమార్గములో నాకు ఎంత గౌరవముందో చూడండి! పిల్లలైన మీరు కూడా తండ్రిని ఎంతో మహిమ చేస్తారు. (శివబాబా) చిత్రములో 32 గుణాలు చూపించారు. ఇప్పుడు మీరు కూడా తండ్రి సమానముగా గుణవంతులుగా అవుచున్నారు. మరి అందుకు ఎంతగా పురుషార్థము చేయాలి. సమయాన్ని వృథా చేయరాదు. అత్యంత ఉన్నతమైన తండ్రి చదివిస్తున్నారు కనుక తప్పకుండా ప్రతి రోజూ చదవాలి. వీరు అవినాశి తండ్రి, టీచరు కూడా అయినారు. చివర్లో వచ్చేవారు పురాతనమైన వారి కంటే తీక్షణంగా వెళ్తున్నారు. ఇప్పుడు ప్రపంచమంతటికీ తండ్రి ద్వారా ఉన్నతి జరుగుతోంది. శ్రీకృష్ణుని కూడా గుణవంతునిగా చేసేవారు తండ్రియే. వారు అందరికీ ఇచ్చేవారు. మిగిలిన వారంతా తీసుకునేవారు. ఇప్పుడు రాజ్య పరివారము నంబరువారు పురుషార్థానుసారంగా తయారవుతోంది. అనంతమైన తండ్రి ఎంత మధురమైనవారో, ఎంత ప్రియమైనవారో చూడండి! సర్వోన్నతమైన తండ్రి ద్వారా ఇప్పుడు అందరికి ఉన్నతి జరుగుతోంది. మిగిలినవారంతా మెట్లు దిగవలసిందే. తండ్రిదే అద్భుతము! భలే తినండి - త్రాగండి అన్నీ చేయండి. కేవలం తండ్రి గుణగానము చేయండి. బాబా స్మృతిలో ఉండడం ద్వారా భోజనము తినలేమని కాదు. రాత్రిపూట చాలా తీరిక సమయం లభిస్తుంది. 8 గంటల సమయమైతే లభిస్తుంది. తండ్రి చెప్తున్నారు - కనీసం 8 గంటలైనా ఈ గవర్నమెంటు(ఈశ్వరీయ ప్రభుత్వపు) సేవ చేయండి. ఎవరు వచ్చినా వారికి ఆత్మోన్నతి కొరకు మార్గాన్ని తెలియజేయండి. జీవన్ముక్తి అనగా విశ్వానికి అధిపతులు, ముక్తి అనగా బ్రహ్మాండానికి అధిపతులు. ఇది అర్థము చేయించడం సులభము కదా! కాని అదృష్టములో లేకుంటే పురుషార్థము ఏమి చేయగలరు? తండ్రి అర్థము చేయిస్తున్నారు - తండ్రిని స్మృతి చేయకుండా ఆత్మలోని త్రుప్పు తొలగిపోదు. భలే జ్ఞానాన్ని రోజంతా వినిపించినా, ఆత్మ ఉన్నతి కొరకు స్మృతి చేయడం తప్ప వేరే ఉపాయమేదీ లేదు. తండ్రి పిల్లలకు చాలా ప్రేమతో ప్రతిరోజూ అర్థము చేయిస్తారు. కాని తమ ఉన్నతిని చేసుకుంటున్నారా, లేదా? అని ప్రతి ఒక్కరూ స్వయమే అర్థం చేసుకోవచ్చు. ఇది కేవలం మీరు మాత్రమే కాదు, అన్ని సేవాకేంద్రాల పిల్లలు వింటారు. ఇక్కడ టేప్‌రికార్డు పెడ్తారు. ఇది సేవ చేసేందుకు తనలో శబ్ధాన్ని నింపుకొని వెళ్తుంది. ఇది చాలా సేవ చేస్తుంది. శివబాబా మురళిని మేము వింటున్నామని పిల్లలు భావిస్తారు. మీ ద్వారా వినడం పరోక్షంగా అవుతుంది. తర్వాత వారు ఇక్కడికి ప్రత్యక్షంగా వినేందుకు వస్తారు. తర్వాత శివబాబా బ్రహ్మ నోటి ద్వారా వినిపిస్తారు లేదా అతని నోటి ద్వారా జ్ఞానామృతమునిస్తారు. ఈ సమయములో ప్రపంచమంతా తమోప్రధానముగా అయిపోయింది. కనుక ప్రపంచము పై ఇప్పుడు జ్ఞాన వర్షము కురవాలి. నీటి వర్షము అయితే చాలా కురుస్తుంది. ఆ నీటి ద్వారా ఎవ్వరూ పావనంగా అవ్వలేరు. ఇదంతా జ్ఞానానికి సంబంధించిన విషయము. తండ్రి చెప్తున్నారు - ఇప్పుడు మేల్కోండి. నేను మిమ్ములను శాంతిధామానికి తీసుకెళ్తాను. ఇందులోనే ఆత్మ ఉన్నతి కూడా ఉంది. మిగిలినవన్నీ శారీరిక విషయాలు. ఆత్మిక విషయాలను కేవలం మీరు మాత్రమే వింటారు. మీరు మాత్రమే పదమాపతులుగా, భాగ్యశాలురుగా అవుతారు. తండ్రి పేదలపెన్నిధి. పేదలే వింటారు. అందుకే తండ్రి చెప్తున్నారు - అహల్యలు, వేశ్యలకు కూడా జ్ఞానాన్ని అర్థం చేయించండి. సత్యయుగంలో ఇటువంటి విషయాలే ఉండవు. అది అనంతమైన శివాలయము. ఇప్పుడిది అనంతమైన వేశ్యాలయము. పూర్తి తమోప్రధానంగా ఉన్నారు. దీనిలో ఇక ఎక్కువ మార్జిన్‌ (సమయము) లేదు. ఇప్పుడు ఈ పతిత ప్రపంచము పరివర్తన చెందాలి. భారతదేశములో రామరాజ్యము మరియు రావణ రాజ్యము రెండూ ఉంటాయి. అనేక ధర్మాలుగా అయినప్పుడు అశాంతి కలుగుతుంది. యుద్ధాలైతే జరుగుతూనే ఉంటాయి. ఇప్పుడైతే ఇంకా తీక్షణంగా యుద్ధము జరుగుతుంది. చాలా పెద్ద యుద్ధము జరిగి తర్వాత ఆగిపోతుంది. ఎందుకంటే రాజ్యస్థాపన కూడా జరగాలి, కర్మాతీత అవస్థ కూడా రావాలి. ఇప్పుడైతే ఎవ్వరూ ఆ విధంగా(కర్మాతీత స్థితిని పొందినామని) చెప్పలేరు. ఆ అవస్థ వచ్చినట్లైతే చదువు పూర్తి అయిపోతుంది. తర్వాత మళ్లీ ట్రాన్స్‌ఫర్‌(బదిలీ) అవుతారు. అయితే ఇది తమ పురుషార్థమనుసారంగానే జరుగుతుంది. ఈ ఎండిపోయిన వెదురు అడవికి మంటలు అంటుకోనున్నాయి. త్వరత్వరగా వినాశనం జరిగిపోతుంది. దానినే అనవసరమైన రక్తపాతపు ఆట (ఖూనీ నాహేక్‌ ఖేల్‌) అని అంటారు. అకారణంగా అందరూ మరణిస్తారు. రక్తపు నదులు ప్రవహిస్తాయి. తర్వాత నేతి నదులు, క్షీర(పాల) నదులు ప్రవహిస్తాయి. హాహాకారాల తర్వాత జయ జయ ధ్వనులు జరుగుతాయి. మిగిలినవారంతా అజ్ఞాన నిద్రలో నిదురిస్తూ-నిదురిస్తూ అంతమైపోతారు. చాలా యుక్తిగా స్థాపన జరుగుతుంది. విఘ్నాలు కూడా వస్తాయి. అత్యాచారాలు కూడా జరుగుతాయి. ఇప్పుడు మాతల ద్వారానే స్వర్గ ద్వారము తెరచుకుంటుంది. పురుషులు కూడా చాలామంది ఉన్నారు. కాని మాతలు జన్మనిస్తారు కనుక వారికి పురుషుల కంటే అధిక ఫలము లభిస్తుంది. స్వర్గములోనికైతే నంబరువారుగా అందరూ వెళ్తారు - కొందరు వరుసగా రెండు జన్మలు పురుషునిగా కూడా అవ్వవచ్చు. లెక్కాచారమంతా డ్రామాలో నిశ్చితమై ఉంది. అదే జరుగుతూ ఉంటుంది. ఆత్మ ఉన్నతి జరగడం ద్వారా ఎంతో తేడా ఏర్పడ్తుంది. కొందరైతే ఒక్కసారిగా అత్యంత ఉన్నతంగా అయిపోతారు. కొందరైతే పూర్తి క్రింది స్థాయికి వెళ్లిపోతారు. రాజులెక్కడ! ప్రజలెక్కడ! అత్యంత మధురమైన పిల్లలకు తండ్రి ఇప్పుడు పురుషార్థము చేయండి అని అర్థము చేయిస్తున్నారు. యోగము ద్వారా పవిత్రమైనప్పుడే ధారణ జరుగుతుంది. లక్ష్యము చాలా ఉన్నతమైనది. స్వయాన్ని ఆత్మగా భావించి తండ్రిని చాలా ప్రీతిగా స్మృతి చేయాలి. ఆత్మకు పరమాత్మతో ప్రేమ ఉంది కదా. ఇది ఆత్మిక ప్రేమ. దీని ద్వారా ఆత్మోన్నతి జరుగుతుంది. శారీరిక ప్రేమ ద్వారా క్రింద పడిపోతారు. అదృష్టములో లేకుంటే పారిపోతారు. యజ్ఞాన్ని చాలా సంభాళన చేయాలి. మాతల ఒక్కొక్క పైసా ద్వారానే యజ్ఞ సేవ జరుగుతోంది. ఇక్కడ పేదలే అక్కడ ధనవంతులుగా అవుతారు. పూర్తి ఆధారమంతా చదువు పైనే ఉంది. ఇప్పుడు మీరు సదా సౌభాగ్యవంతులుగా అవుతారు. ఇది అందరికీ అనుభూతి అవుతుంది. మాలలోని మణిగా అయ్యేవారికి ఎంతో మంచి ఫీలింగ్‌ ఉండాలి. శివబాబాను స్మృతి చేస్తూ, సేవ చేస్తూ ఉంటే చాలా ఉన్నతి జరుగుతుంది. శివబాబా సేవలో శరీరమును కూడా అర్పణ చేయాలి. రోజంతా నషా ఉండడం పిన్నమ్మ ఇంటికి వెళ్ళినంత సులభము కాదు. మేము ఎంతగా మా ఉన్నతి చేసుకున్నామని స్వయాన్ని చూసుకోవాలి. బాబా చెప్తున్నారు - గడిచిపోయిన వాటిని గుర్తు చేసుకోకండి. భవిష్యత్తు కొరకు ఎలాంటి ఆశలు ఉంచుకోకండి. శరీర నిర్వహణార్థము కర్మలైతే చేయాల్సిందే. ఎంత సమయము లభిస్తుందో, అందులో తండ్రిని స్మృతి చేసినట్లైతే వికర్మలు వినాశనమౌతాయి. బాబా బంధనములో ఉన్న మాతలకు కూడా ఇలా అర్థం చేయిస్తారు - మీరు మీ పతికి చాలా నమ్రతగా, ప్రేమతో అర్థం చేయించాలి. ఎవరైనా కొట్టినారంటే, వారి పై మీరు పుష్పాల వర్షము కురిపించండి. స్వయాన్ని రక్షించుకునేందుకు చాలా యుక్తి కావాలి. కనులు చాలా శీతలంగా ఉండాలి, ఎప్పుడూ చంచలము అవ్వరాదు. దీనిని గురించి అంగదుని ఉదాహరణ కూడా ఉంది. అతడు పూర్తి స్థిరంగా ఉండేవాడు. మీరంతా మహావీరులు. ఏదైతే గడిచిపోయిందో దానిని స్మృతి చేయరాదు. సదా హర్షితంగా ఉండాలి. డ్రామా పై స్థిరంగా ఉండాలి. తండ్రి స్వయంగా చెప్తున్నారు - నేను కూడా డ్రామా బంధనములో బంధింపబడి ఉన్నాను. అంతేకాని ఇంకే విషయమూ లేదు. కృష్ణుడు స్వదర్శన చక్రముతో సంహరించారని వ్రాశారు. ఇవన్నీ కథలు. తండ్రి హింస చేయలేరు. వీరు తండ్రి మరియు టీచరు కూడా అయినారు. హతమార్చే విషయమే లేదు. ఈ విషయాలన్నీ ఈ సమయానికి చెందినవే. ఒకవైపు లెక్కలేనంత మంది మనుష్యులున్నారు. మరోవైపు మీరున్నారు. ఎవరైతే రావలసి ఉందో వారు వస్తూ ఉంటారు. కల్పక్రితము వలె పదవి పొందుకుంటూ ఉంటారు. ఇందులో చమత్కారము విషయమే లేదు. తండ్రి దయాసాగరులు. దు:ఖహర్త-సుఖకర్త మరి వారు దు:ఖమునెలా ఇస్తారు? అచ్ఛా! మధురాతి మధురమైన అపురూపమైన పిల్లలకు మాత - పిత, బాప్‌దాదాల ప్రియస్మృతులు మరియు గుడ్‌మార్నింగ్‌ ఆత్మిక పిల్లలకు ఆత్మిక తండ్రి నమస్తే. ధారణ కొరకు ముఖ్య సారము :- 1. కనీసము 8 గంటలు ఈశ్వరీయ ప్రభుత్వ సేవను చేసి తమ సమయాన్ని సఫలము చేసుకోవాలి. తండ్రి వలె గుణవంతులుగా అవ్వాలి. 2. గడచినవాటిని గుర్తు చేసుకోరాదు. గడచిన వాటిని వదిలేసి సదా హర్షితంగా ఉండాలి. డ్రామా పై స్థిరంగా ఉండాలి. వరదానము :- '' ''నా విజయం నిశ్చయం'' అను నశాలో ఉండి తండ్రి నుండి పదమారెట్లు సహాయాన్ని ప్రాప్తి చేసుకునే మాయాజీత్‌ భవ '' తండ్రి నుండి పదమారెట్ల సహాయానికి పాత్రులైన పిల్లలు మాయను - ''నీ పని రావడం (దాడి చేయడం), నా పని నీ పై విజయం ప్రాప్తి చేసుకోవడం'' అని సవాలు(ఛాలెంజ్‌) చేస్తారు. వారు పులి రూపంలో వచ్చే మాయను చీమగా భావిస్తారు. ఎందుకంటే ఇప్పుడు మాయ రాజ్యము సమాప్తమౌతుందని, అనేకసార్లు విజయం పొందిన ఆత్మలమైన మా విజయం 100 శాతం నిశ్చితమని వారికి తెలుసు. ఈ నిశ్చింత నశా తండ్రి నుండి పదమారెట్లు సహాయం పొందేందుకు అధికారాన్ని ప్రాప్తి చేయిస్తుంది. ఈ నశాతో సులభంగా మాయాజీతులుగా అవుతారు. స్లోగన్‌ :- ''సంకల్పశక్తిని జమ చేసుకొని స్వయం పట్ల లేక విశ్వం పట్ల ఆ శక్తిని ప్రయోగించండి.'' బ్రహ్మబాబా సమానంగా అయ్యేందుకు విశేషమైన పురుషార్థము బ్రహ్మబాబా సమానంగా మీ కనులు ఆత్మీయతను అనుభవం చేయించాలి, మీ నడవడిక తండ్రి చరిత్రలను (గుణాలను) సాక్షాత్కారము చేయించాలి, మస్తకము, మస్తకమణిని సాక్షాత్కారం చేయించాలి, ఈ అవ్యక్త ముఖము దివ్య అలౌకిక స్థితిలోని ప్రత్యక్ష రూపాన్ని చూపించాలి. అందుకు మీ ఆంతర్ముఖి, అలౌకిక లేక ఆత్మిక స్థితిలో సదాకాలం ఉండే అభ్యాసము చేయండి.
130 views
2 months ago
#

নিউ ইয়ারের মজা

06.01.19       Avyakt Bapdada        Odia Murli        08.04.84    Om Shanti     Madhuban ବାବା ବର୍ତ୍ତମାନ ପିଲାମାନଙ୍କୁ ବୁଝାଉଛନ୍ତି ଯେ ଯେଉଁମାନେ ଏଠାରେ ଜନ୍ମ ନେଇ ଶ୍ରେଷ୍ଠ କର୍ତ୍ତବ୍ୟ କରିଯାଇଛନ୍ତି । “ସଂଗମଯୁଗରେ ପ୍ରାପ୍ତ ହେଉଥିବା ଅଧିକାର ଦ୍ୱାରା ବିଶ୍ୱ ରାଜ୍ୟ ଅଧିକାରୀ” ଆଜି ବାପଦାଦା ସ୍ୱରାଜ୍ୟ ଅଧିକାରୀ ଶ୍ରେଷ୍ଠ ଆତ୍ମାମାନଙ୍କର ଦିବ୍ୟ ଦରବାରକୁ ଦେଖୁଛନ୍ତି । ବିଶ୍ୱର ରାଜ୍ୟ ଦରବାର ଏବଂ ସ୍ୱରାଜ୍ୟ ଦରବାର— ଏହି ଦୁଇଟିଯାକ ଦରବାରର ଅଧିକାରୀ ତୁମେ ଶ୍ରେଷ୍ଠ ଆତ୍ମାମାନେ ହିଁ ହେଉଛ । ବର୍ତ୍ତମାନର ସ୍ୱରାଜ୍ୟ ଅଧିକାରୀ ହିଁ ବିଶ୍ୱ ରାଜ୍ୟ ଅଧିକାରୀ ହୋଇଥା’ନ୍ତି । ତେବେ ସଦା ସର୍ବଦା ଏହିଭଳି ଡବଲ ନିଶା ଅର୍ଥାତ୍ ଖୁସି ରହୁଛି ? ବାବାଙ୍କର ହେବା ଅର୍ଥ ଅନେକ ଅଧିକାର ପ୍ରାପ୍ତି କରିବା । ତେବେ କେତେ ପ୍ରକାରର ଅଧିକାର ପ୍ରାପ୍ତ କରିଛ, ତାହା ଜାଣିଛ ? ତେଣୁ ନିଜର ଅଧିକାରର ମାଳାକୁ ମନେ ପକାଅ । ପ୍ରଥମ ଅଧିକାର— ପରମାତ୍ମ ସନ୍ତାନ ହେଲ ଅର୍ଥାତ୍ ସର୍ବଶ୍ରେଷ୍ଠ ମାନନୀୟ ଏବଂ ପୂଜନୀୟ ଆତ୍ମା ହେବାର ଅଧିକାର ପ୍ରାପ୍ତ କରିଲ । କାରଣ ବାବାଙ୍କର ସନ୍ତାନ ନ ହେଲେ ପୂଜନୀୟ ଆତ୍ମା ହେବାର ଅଧିକାର ପ୍ରାପ୍ତ ହୋଇପାରିବ ନାହିଁ । ତେଣୁ ପ୍ରଥମ ଅଧିକାର ହେଲା ପୂଜନୀୟ ଆତ୍ମା ହେଲ । ଦ୍ୱିତୀୟ ଅଧିକାର— ଜ୍ଞାନରୂପକ ସମ୍ପତ୍ତିର ମାଲିକ ହେଲ ଅର୍ଥାତ୍ ଅଧିକାରୀ ହେଲ । ତୃତୀୟ ଅଧିକାର— ସର୍ବଶକ୍ତିକୁ ପ୍ରାପ୍ତ କରିବାର ଅଧିକାରୀ ହେଲ । ଚତୁର୍ଥ ଅଧିକାର— ସର୍ବ କର୍ମେନ୍ଦ୍ରିୟଜିତ୍ ସ୍ୱରାଜ୍ୟ ଅଧିକାରୀ ହେଲ । ତେବେ ଏହି ସମସ୍ତ ଅଧିକାର ଦ୍ୱାରା ମାୟାଜିତ୍ ତଥା ଜଗତଜିତ୍ ହୋଇ ବିଶ୍ୱ ରାଜ୍ୟର ଅଧିକାରୀ ହୋଇଯାଉଛ । ତେଣୁ ନିଜର ସମସ୍ତ ଅଧିକାର ଗୁଡିକୁ ସଦା ସର୍ବଦା ସ୍ମୃତିରେ ରଖି ସମର୍ଥ ଆତ୍ମା ହୋଇଯାଉଛ । ଏହିଭଳି ସମର୍ଥ ହୋଇଛ ନା । ସ୍ୱରାଜ୍ୟ ବା ବିଶ୍ୱର ରାଜ୍ୟ ପ୍ରାପ୍ତ କରିବା ପାଇଁ ବିଶେଷ କରି ତିନିଟି କଥାର ଧାରଣା ଦ୍ୱାରା ହିଁ ସଫଳତାକୁ ପ୍ରାପ୍ତ କରିଛ । କୌଣସି ବି ଶ୍ରେଷ୍ଠ କାର୍ଯ୍ୟର ସଫଳତାର ଆଧାର ହେଲା ତ୍ୟାଗ, ତପସ୍ୟା ଏବଂ ସେବା । ଏହି ତିନିଟିଯାକ ଧାରଣା ଆଧାରରେ ସଫଳତା ମିଳିବ କି ନାହିଁ, ଏଭଳି ପ୍ରଶ୍ନ ମଧ୍ୟ ଉଠିପାରିବ ନାହିଁ । ଯେଉଁଠି ଏହି ତିନିଟି କଥାର ଧାରଣା ରହିଛି ସେଠାରେ ଗୋଟିଏ ସେକେଣ୍ଡରେ ସଫଳତା ନିଶ୍ଚିତ ମିଳିବ । ଯେପରିକି ପୂର୍ବ ନିଶ୍ଚିତ ଅଟେ । ତେବେ ତ୍ୟାଗ କେଉଁ କଥାର କରିବାକୁ ହେବ ? କେବଳ ଗୋଟିଏ କଥାର ତ୍ୟାଗ ହିଁ ସବୁ ପ୍ରକାରର ତ୍ୟାଗକୁ ସହଜରେ ଏବଂ ଆପେ ଆପେ କରାଇ ଦେଇଥାଏ । ସେହି ଗୋଟିଏ ତ୍ୟାଗ ହେଲା— ଦେହଭାନ ଅର୍ଥାତ୍ ଦୈହିକ ସ୍ମୃତିର ତ୍ୟାଗ ଯାହାକି ମୁଁ ପଣିଆର ତ୍ୟାଗ ସହଜରେ କରାଇ ଦେଇଥାଏ, କାରଣ ଏହି ହଦର ମୁଁ ପଣିଆ ତପସ୍ୟା ଏବଂ ସେବାରୁ ବଞ୍ଚିତ କରାଇ ଦେଇଥାଏ । ଯେଉଁଠି ହଦର ମୁଁ ପଣିଆ ଅଛି ସେଠାରେ ତ୍ୟାଗ, ତପସ୍ୟା ଏବଂ ସେବା ହୋଇପାରିବ ନାହିଁ । ତେଣୁ ହଦର ମୁଁ ପଣିଆ ବା ମୋର ପଣିଆ—ଏହି ଗୋଟିଏ କଥାର ତ୍ୟାଗ କରିବା ଦରକାର । ଯଦି ମୁଁ ଏବଂ ମୋର ସମାପ୍ତ ହୋଇଗଲା ତେବେ ଆଉ କ’ଣ ବାକି ରହିଲା ? ବେହଦର ସ୍ମୃତି । ମୁଁ ଏକ ଶୁଦ୍ଧ ପବିତ୍ର ଆତ୍ମା ଅଟେ ଏବଂ ମୋର ଏକମାତ୍ର ବାବା ଦ୍ୱିତୀୟ କେହି ନୁହେଁ । ଯେଉଁଠି ବେହଦର ସର୍ବଶକ୍ତିମାନ ପିତା ସାଥୀରେ ଅଛନ୍ତି । ସେଠାରେ ସଫଳତା ମଧ୍ୟ ସଦା ସର୍ବଦା ସାଥୀରେ ରହିଛି । ଏହି ତ୍ୟାଗ ଦ୍ୱାରା ତପସ୍ୟା ମଧ୍ୟ ସିଦ୍ଧ ହୋଇଗଲା ନା । ତେବେ ତପସ୍ୟା ମଧ୍ୟ କାହାକୁ କୁହାଯାଉଛି ? ମୁଁ ସେହି ଜଣଙ୍କର ହିଁ ଅଟେ । ଜଣଙ୍କର ହିଁ ଶ୍ରେଷ୍ଠ ମତ ଅନୁସାରେ ଚାଲୁଛି । ଏହା ଦ୍ୱାରା ଏକରସ ଅବସ୍ଥା ମଧ୍ୟ ଆପେ ଆପେ ହୋଇଥାଏ । ସଦା ସର୍ବଦା ଏକମାତ୍ର ପରମାତ୍ମାଙ୍କର ସ୍ମୃତି ହିଁ ହେଉଛି ତପସ୍ୟା । ଏକରସ ସ୍ଥିତି ଅର୍ଥାତ୍ ସ୍ଥିର ଅବସ୍ଥା ହିଁ ଶ୍ରେଷ୍ଠ ଆସନ ଅଟେ । କମଳ ପୁଷ୍ପ ସମାନ ସ୍ଥିତି ହିଁ ତପସ୍ୟାର ଆସନ । ତେଣୁ ତ୍ୟାଗ ଦ୍ୱାରା ତପସ୍ୟା ମଧ୍ୟ ଆପେ ଆପେ ସିଦ୍ଧ ହୋଇଯାଏ ଅର୍ଥାତ୍ ସଫଳ ହୋଇଯାଏ । ଯେବେକି ତ୍ୟାଗ ଏବଂ ତପସ୍ୟାର ସ୍ୱରୂପ ହୋଇଗଲ ତେବେ କ’ଣ କରିବ ? ନିଜର ପଣିଆର ତ୍ୟାଗ ଅଥବା ମୁଁ ପଣିଆ ସମାପ୍ତ ହୋଇଗଲା । ଯେତେବେଳେ ଜଣଙ୍କର ଲଗନ ଅର୍ଥାତ୍ ସ୍ନେହରେ ମଗ୍ନ ରହୁଥିବା ତପସ୍ୱୀ ହୋଇଗଲ ତେବେ ସେବା ନ କରି ରହିପାରିବ ନାହିଁ । ଏହି ହଦର ମୁଁ ଏବଂ ମୋର ପଣିଆ ପ୍ରକୃତ ସେବା କରିବାକୁ ଦେଇନଥାଏ । ତେଣୁ ତ୍ୟାଗୀ ଏବଂ ତପସ୍ୱୀମୂର୍ତ୍ତି ଆତ୍ମାମାନେ ହିଁ ସଚ୍ଚା ସେବାଧାରୀ ଅଟନ୍ତି । ମୁଁ ଏହି ସବୁ କରିଛ, ମୁଁ ଏହିପରି ଅଟେ, ଏହିଭଳି ଦେହ ଅଭିମାନ ଯଦି ଟିକିଏ ବି ଆସିଲା ତେବେ ସେବାଧାରୀ ପରିବର୍ତ୍ତେ କ’ଣ ହୋଇଯିବ ? କେବଳ ନାମଧାରୀ ସେବାଧାରୀ ହୋଇଯିବ । ପ୍ରକୃତ ସେବାଧାରୀ ହୋଇପାରିବ ନାହିଁ । କାରଣ ପ୍ରକୃତ ସଚ୍ଚା ସେବାର ମୂଳଦୁଆ ହେଲା ତ୍ୟାଗ ଏବଂ ତପସ୍ୟା । ଏହିଭଳି ତ୍ୟାଗୀ-ତପସ୍ୱୀ ସେବାଧାରୀ ସଦାସର୍ବଦା ସଫଳତାର ସ୍ୱରୂପ ଅଟନ୍ତି । ବିଜୟ ବା ସଫଳତା ସେମାନଙ୍କର ଗଳାର ମାଳା ହୋଇଯାଏ । ସେମାନେ ବିଜୟର ଜନ୍ମସିଦ୍ଧ ଅଧିକାରୀ ହୋଇଯାଆନ୍ତି । ତେବେ ବାପଦାଦା ସାରା ବିଶ୍ୱର ସମସ୍ତ ସନ୍ତାନମାନଙ୍କୁ ଏହି ଶ୍ରେଷ୍ଠ ଶିକ୍ଷା ଦେଉଛନ୍ତି ଯେ ତ୍ୟାଗୀ ହୁଅ, ତପସ୍ୱୀ ହୁଅ ଏବଂ ସଚ୍ଚା ସେବାଧାରୀ ହୁଅ । ଆଜିର ସଂସାର ମୃତ୍ୟୁର ଭୟରେ ଭୟଭୀତ ସଂସାର (ଖୁବ୍ ଜୋରରେ ଝଡ ଆସିଲା) ପ୍ରକୃତିର ହଲଚଲରେ ତୁମେମାନେ ତ ଅଚଳ ଅଟ ନା! ତମୋଗୁଣୀ ପ୍ରକୃତିର କାମ ହେଲା ହଲଚଲ୍ କରିବା ଏବଂ ତୁମେ ଅଚଳ ସ୍ଥିତିବାଲା ଆତ୍ମାମାନଙ୍କର କାର୍ଯ୍ୟ ହେଲା ପ୍ରକୃତିକୁ ପରିବର୍ତ୍ତନ କରିବା । କିଛି ବି ନୂଆ ନୁହେଁ । ଏସବୁ ତ ନିଶ୍ଚିତ ହେବ । ହଲଚଲ୍ ହେଲେ ତ ଆମେ ଅଚଳ ହେବା । ତେବେ ସ୍ୱରାଜ୍ୟ ଅଧିକାରୀ ଦରବାର ନିବାସୀ ଶ୍ରେଷ୍ଠ ଆତ୍ମାମାନେ ବୁଝିପାରିଲ! ଏହା ମଧ୍ୟ ରାଜ୍ୟ ଦରବାର ଅଟେ ନା । ରାଜଯୋଗୀ ଅର୍ଥାତ୍ ନିଜ ଉପରେ ରାଜା । ରାଜଯୋଗୀ ଦରବାର ଅର୍ଥାତ୍ ସ୍ୱରାଜ୍ୟ ଦରବାର । ତୁମେମାନେ ମଧ୍ୟ ରାଜନେତା ହୋଇଯାଇଛ ନା । ସେମାନେ ହେଲେ ଦେଶର ରାଜନେତା ଏବଂ ତୁମେମାନେ ହେଲ ସ୍ୱରାଜ୍ୟ ନେତା । ନେତା ଅର୍ଥାତ୍ ନୀତି ଅନୁସାରେ ଚାଲିବାବାଲା । ତେଣୁ ତୁମେମାନେ ଧର୍ମନୀତି ଏବଂ ସ୍ୱରାଜ୍ୟ ନୀତି ଅନୁସାରେ ଚାଲୁଥିବା ସ୍ୱରାଜ୍ୟ ନେତା ଅଟ । ଯଥାର୍ଥ ଶ୍ରେଷ୍ଠ ନୀତି ଅର୍ଥାତ୍ ଶ୍ରୀମତ । କାରଣ ଶ୍ରୀମତ ହିଁ ଯଥାର୍ଥ ନୀତି ଅଟେ । ଏହି ନୀତି ଅନୁସାରେ ଚାଲୁଥିବା ତୁମେମାନେ ସଫଳ ନେତା ଅଟ । ବାପଦାଦା ଦେଶର ନେତାମାନଙ୍କୁ ଅଭିନନ୍ଦନ ଦେଉଛନ୍ତି । କାହିଁକି ନା ଯାହା ବି ହେଉ ସେମାନେ ପରିଶ୍ରମ ତ କରୁଛନ୍ତି ନା । ଯଦିଓ ସେମାନଙ୍କ ଭିତରେ ମଧ୍ୟ ଭିନ୍ନ ଭିନ୍ନ ପ୍ରକାରର ଅଛନ୍ତି, ପୁଣି ବି ଦେଶପ୍ରତି ସ୍ନେହ ତ ଅଛି ନା । ଆମର ରାଜ୍ୟ ଅମର ରହୁ— ଏହି ଲଗନରେ ମେହନତ ତ କରୁଛନ୍ତି ନା । ଆମର ଭାରତ ଉଚ୍ଚ ଆସନରେ ରହୁ, ଏହିଭଳି ଲଗନ ମଧ୍ୟ ଆପେ ଆପେ ମେହନତ କରାଇଥାଏ । ଆଗକୁ ସମୟ ମଧ୍ୟ ଆସିବ ଯେବେକି ରାଜ୍ୟସତ୍ତା ଏବଂ ଧର୍ମସତ୍ତା ଉଭୟ ମିଶିଯିବେ, ସେତେବେଳେ ହିଁ ସାରା ବିଶ୍ୱରେ ଭାରତର ଜୟଜୟକାର ହେବ । ଭାରତ ହିଁ ଲାଇଟ୍ ହାଉସ୍ ଅର୍ଥାତ୍ ଆଲୋକର କେନ୍ଦ୍ର ହେବ । ଭାରତ ଆଡକୁ ହିଁ ସମସ୍ତଙ୍କର ଦୃଷ୍ଟି ରହିଥିବ । ଭାରତକୁ ହିଁ ସାରା ବିଶ୍ୱ ପ୍ରେରଣାର ପୁଞ୍ଜ ଅନୁଭବ କରିବ । ଭାରତ ହିଁ ଅବିନାଶୀ ଖଣ୍ଡ ଅର୍ଥାତ୍ ମହାଦ୍ୱୀପ ଅଟେ । ଏହା ଅବିନାଶୀ ପିତା ପରମାତ୍ମାଙ୍କର ଅବତରଣ ଭୂମି ହୋଇଥିବା କାରଣରୁ ଏହାର ମହତ୍ୱ ସଦାସର୍ବଦା ମହାନ ଅଟେ । ଆଚ୍ଛା! ତେବେ ସମସ୍ତେ ନିଜର ମିଠା ଘରେ ପହଞ୍ଚିଯାଇଛ । ବାପଦାଦା ସମସ୍ତ ସନ୍ତାନମାନଙ୍କୁ ଏଠାକୁ ଆସିଥିବା କାରଣରୁ ଅଭିନନ୍ଦନ ଦେଉଛନ୍ତି । ବାବାଙ୍କର ଘରର ଶୋଭା ତୁମେ ପିଲାମାନେ ହିଁ ଅଟ ତେଣୁ ଆସିଛ ବହୁତ ଭଲ କରିଛ । ଆଚ୍ଛା! ସମସ୍ତ ସଫଳତାର ତାରକା ପିଲାମାନଙ୍କୁ, ସର୍ବଦା ଏକରସ ସ୍ଥିତିର ଆସନରେ ସ୍ଥିତ ରହୁଥିବା ତପସ୍ୱୀ ପିଲାମାନଙ୍କୁ, ସଦାସର୍ବଦା ଏକମାତ୍ର ପରମାତ୍ମାଙ୍କର ଶ୍ରେଷ୍ଠ ସ୍ମୃତିରେ ରହୁଥିବା ମହାନ ଆତ୍ମାମାନଙ୍କୁ ଶ୍ରେଷ୍ଠ ଭାବନା, ଶ୍ରେଷ୍ଠ କାମନା କରୁଥିବା ବିଶ୍ୱ କଲ୍ୟାଣକାରୀ ସେବାଧାରୀ ପିଲାମାନଙ୍କୁ ବାପଦାଦାଙ୍କର ସ୍ନେହଭରା ସ୍ମୃତି ସହିତ ନମସ୍ତେ । ଅବ୍ୟକ୍ତ ବାପଦାଦାଙ୍କ ସହିତ ଗୁଜୁରାଟର ମୁଖ୍ୟମନ୍ତ୍ରୀଙ୍କର ସାକ୍ଷାତ:- ପିତାଙ୍କର ଘରକୁ ବା ନିଜ ଘରକୁ ହିଁ ଆସିଛ । ବାବା ଜାଣିଛନ୍ତି ଯେ ତୁମର ସେବା କରିବାର ବହୁତ ଭଲ ଲଗନ ରହିଛି । କୋଟିକ ଭିତରେ କେହି ଗୋଟିଏ ଏହିଭଳି ସେବାଧାରୀ ଥାଆନ୍ତି ସେଥିପାଇଁ ସେବାରେ ମେହନତ କରିବାର ଆନ୍ତରିକ ଖୁସି ପ୍ରତ୍ୟକ୍ଷ ଫଳ ରୂପରେ ତୁମକୁ ସଦାସର୍ବଦା ମିଳୁଥିବ । ଏହି ମେହନତ ହିଁ ତୁମର ସଫଳତାର ଆଧାର । ଯଦି ସମସ୍ତ ନିମିତ୍ତ ସେବାଧାରୀ (ନେତା) ମାନେ ମେହନତ କରିବାରେ ଲାଗିପଡିବେ ତେବେ ଭାରତର ରାଜ୍ୟ ସଦାସର୍ବଦା ସଫଳତା ପ୍ରାପ୍ତ କରିଚାଲିବ । ତେବେ ଏହା ତ ନିଶ୍ଚିତ ଯେ ସଫଳତା ତ ମିଳିବ ହିଁ ମିଳିବ କିନ୍ତୁ ଏଥିରେ ଯେଉଁମାନେ ନିମିତ୍ତ ହୋଇଥା’ନ୍ତି ସେମାନଙ୍କୁ ସେବାର ପ୍ରତ୍ୟକ୍ଷ ଫଳ ଏବଂ ଭବିଷ୍ୟତ ଫଳ ମଧ୍ୟ ପ୍ରାପ୍ତ ହୋଇଥାଏ । ତୁମେ ମଧ୍ୟ ସେବାର ନିମିତ୍ତ ଅଟ । ତେଣୁ ନିମିତ୍ତ ଭାବନା ରଖି ସଦାସର୍ବଦା ସେବାରେ ଆଗକୁ ବଢିଚାଲ । ଯେଉଁଠାରେ ନିମିତ୍ତ ଭାବନା ରହିଛି, ମୁଁ ପଣିଆର ଭାବନା ନାହିଁ ସେଠାରେ ସର୍ବଦା ଉନ୍ନତି ହୋଇଚାଲିବ । ଏହି ନିମିତ୍ତ ଭାବନା, ଶୁଭଭାବନା ଏବଂ ଶୁଭକାମନାକୁ ସ୍ୱତଃ ଜାଗ୍ରତ କରିଥାଏ । ଆଜି ଯଦି ଶୁଭଭାବନା ଶୁଭ କାମନାର ଅଭାବ ଅଛି ତେବେ ଏହାର କାରଣ ହେଲା ନିମିତ୍ତ ଭାବନା ପରିବର୍ତ୍ତେ ମୁଁ ପଣିଆ ଆସିଯାଇଛି । ଯଦି ନିଜକୁ ନିମିତ୍ତ ବୋଲି ମନେ କରିବେ ତେବେ କରାଇବାବାଲା ପରମାତ୍ମା ଅଟନ୍ତି ବୋଲି ଭାବିବେ କାରଣ କରିକରାଇଲାବାଲା ସ୍ୱାମୀ ପରମାତ୍ମା ସବୁବେଳେ ଶ୍ରେଷ୍ଠ କର୍ମ ହିଁ କରାଇବେ । ତେବେ ଟ୍ରଷ୍ଟୀ ଅର୍ଥାତ୍ ନିମିତ୍ତ ପଣିଆ ପରିବର୍ତ୍ତେ ରାଜ୍ୟ ଚଳାଇବାର ଗୃହସ୍ଥୀ ହୋଇଯାଇଛନ୍ତି ଏବଂ ଗୃହସ୍ଥୀରେ ବୋଝର ଅନୁଭବ ହୋଇଥାଏ କିନ୍ତୁ ଟ୍ରଷ୍ଟୀ ଭାବନାରେ ହାଲୁକା ରହିଥା’ନ୍ତି । ଯେପର୍ଯ୍ୟନ୍ତ ହାଲୁକା ଅର୍ଥାତ୍ ଚିନ୍ତାମୁକ୍ତ ହୋଇ ନାହାଁନ୍ତି ସେପର୍ଯ୍ୟନ୍ତ ନିର୍ଣ୍ଣୟ ଶକ୍ତିର ମଧ୍ୟ ଅଭାବ ରହିବ । ଯଦି ନିଜକୁ ଟ୍ରଷ୍ଟୀ ମନେ କରିବେ ତେବେ ହାଲୁକା ରହିବେ ଏବଂ ନିର୍ଣ୍ଣୟଶକ୍ତି ମଧ୍ୟ ଶ୍ରେଷ୍ଠ ରହିବ, ସେଥିପାଇଁ ସର୍ବଦା ନିଜକୁ ଟ୍ରଷ୍ଟୀ ମନେ କର । ମୁଁ ନିମିତ୍ତ ଅଟେ, ଏହିଭଳି ଭାବନା ବହୁତ ଫଳଦାୟକ ଅଟେ କାରଣ ଭାବନାର ଫଳ ମଧ୍ୟ ମିଳିଥାଏ । ତେଣୁ ଏହିଭଳି ନିମିତ୍ତ ପଣିଆର ଭାବନା ସଦାସର୍ବଦା ଶ୍ରେଷ୍ଠ ଫଳ ପ୍ରାପ୍ତ କରାଇ ଚାଲିବ । ତେଣୁ ସମସ୍ତ ସାଥୀମାନଙ୍କୁ ଏହି କଥା ସ୍ମରଣ କରାଇ ଦିଅ ଯେ ନିମିତ୍ତ ଭାବନା ବା ଟ୍ରଷ୍ଟୀ ପଣିଆର ଭାବନା ରଖ । ତେବେ ଏହି ରାଜନୀତି ବିଶ୍ୱ ପାଇଁ ଶ୍ରେଷ୍ଠ ନୀତି ହୋଇଯିବ । ସାରା ବିଶ୍ୱ ଭାରତର ରାଜନୀତିକୁ ଅନୁକରଣ କରିବ କିନ୍ତୁ ଏହାର ଆଧାର ହେଲା ଟ୍ରଷ୍ଟୀ ଭାବନା ଅର୍ଥାତ୍ ନିମିତ୍ତ ଭାବନା । କୁମାରମାନଙ୍କ ସହିତ:- କୁମାର ଅର୍ଥାତ୍ ସର୍ବଶକ୍ତିକୁ, ସର୍ବସମ୍ପତ୍ତିକୁ ଜମା କରି ଅନ୍ୟମାନଙ୍କୁ ମଧ୍ୟ ଶକ୍ତିବାନ କରିବାର ସେବା କରିବାବାଲା । ତେବେ ସର୍ବଦା ଏହି ସେବାରେ ବ୍ୟସ୍ତ ରହୁଛ ନା । ଯଦି ସର୍ବଦା ସେବାରେ ବ୍ୟସ୍ତ ରହିବ ତେବେ ଉନ୍ନତି ହେବାକୁ ଲାଗିବ । ଯଦି ଟିକିଏ ବି ଏଠାକୁ ମୁକ୍ତ ଅର୍ଥାତ୍ ଖାଲି ରହିବ ତେବେ ବ୍ୟର୍ଥ ସଂକଳ୍ପ ଚାଲିବ । ତେଣୁ ସମର୍ଥ ରହିବା ପାଇଁ ସର୍ବଦା ବ୍ୟସ୍ତ ରୁହ । ନିଜର ଦିନଚର୍ଯ୍ୟାର ଟାଇମ୍ ଟେବୁଲ୍ ଅର୍ଥାତ୍ ସମୟ ସାରଣୀ ନିର୍ଦ୍ଧାରିତ କର । ଯେପରି ଶରୀରର ଟାଇମ୍ ଟେବୁଲ୍ ନିର୍ଦ୍ଧାରିତ କରୁଛ ସେହିପରି ବୁଦ୍ଧିର ମଧ୍ୟ ଟାଇମ୍ ଟେବୁଲ୍ ତିଆରି କର । ବୁଦ୍ଧି ଦ୍ୱାରା ବ୍ୟସ୍ତ ରହିବାର ଯୋଜନା ତିଆରି କର । ତେଣୁ ବ୍ୟସ୍ତ ରହିବା ଦ୍ୱାରା ସର୍ବଦା ଉନ୍ନତି ହୋଇ ଚାଲିବ । ଆଜିକାଲିର ସମୟ ଅନୁସାରେ କୁମାର ଜୀବନରେ ଶ୍ରେଷ୍ଠ ହେବା ବହୁତ ବଡ ଭାଗ୍ୟ । ମୁଁ ଏକ ଶ୍ରେଷ୍ଠ ଭାଗ୍ୟବାନ ଆତ୍ମା—ଏହିକଥା ସବୁବେଳେ ସ୍ମରଣ କର । ସର୍ବଦା ସେବା ଏବଂ ଯୋଗର ସନ୍ତୁଳନ ରହିବା ଦରକାର । ଏଥିରେ ସନ୍ତୁଳନ ରକ୍ଷା କରିବା ଦ୍ୱାରା ସର୍ବଦା ସମସ୍ତଙ୍କର ଆଶୀର୍ବାଦ ମିଳିବାକୁ ଲାଗିବ । ଆଚ୍ଛା! ସଂଗୃହୀତ ହୋଇଥିବା ବିଶେଷ ଅବ୍ୟକ୍ତ ମହାବାକ୍ୟ:- ପରମାତ୍ମ ସ୍ନେହରେ ସଦା ସର୍ବଦା ମଜ୍ଜି ରୁହ । ପରମାତ୍ମ ସ୍ନେହ ଆନନ୍ଦମୟ ଝୁଲଣା ଅଟେ । ଏହି ସୁଖଦାୟୀ ଝୁଲଣାରେ ଝୁଲିବା ସହିତ ସଦାସର୍ବଦା ପରମାତ୍ମ ସ୍ନେହରେ ମଜ୍ଜି ରୁହ ତେବେ କେବେ ବି କୌଣସି ପରିସ୍ଥିତି ବା ମାୟାର ହଲଚଲ ଆସିପାରିବ ନାହିଁ । ପରମାତ୍ମ ସ୍ନେହ ଅସରନ୍ତି, ଅଟଳ ଏବଂ ଏତେ ମାତ୍ରାରେ ଅଛି ଯାହାକି ସମସ୍ତଙ୍କୁ ପ୍ରାପ୍ତ ହୋଇପାରିବ କିନ୍ତୁ ପରମାତ୍ମ ସ୍ନେହ ପ୍ରାପ୍ତ କରିବାର ବିଧି ହେଲା ନ୍ୟାରା ହେବା ଅର୍ଥାତ୍ ଅନାସକ୍ତ ହେବା ଏବଂ ଯିଏ ଯେତେ ଦୁନିଆ ପ୍ରତି ଅନାସକ୍ତ ରହିଥା’ନ୍ତି ସିଏ ସେତେ ପରମାତ୍ମ ସ୍ନେହର ଅଧିକାରୀ ହୋଇଥା’ନ୍ତି । ପରମାତ୍ମ ସ୍ନେହରେ ସମାହିତ ହୋଇ ରହିଥିବା ଆତ୍ମା କେବେହେଲେ ହଦର ପ୍ରଭାବରେ ଆସିପାରିବେ ନାହିଁ କାରଣ ସେମାନେ ସଦା ସର୍ବଦା ବେହଦର ପ୍ରାପ୍ତିରେ ମଗ୍ନ ରହିଥା’ନ୍ତି । ସେମାନଙ୍କଠାରୁ ସଦାସର୍ବଦା ଆତ୍ମିକ ଭାବନାର ସୁଗନ୍ଧ ଆସିଥାଏ । ତେବେ ସ୍ନେହର ଚିହ୍ନ ହେଲା— ଯାହା ପ୍ରତି ସ୍ନେହ ଥାଏ ତାହା ଉପରେ ସବୁ କିଛି ଲୁଟାଇ ଦେଇଥା’ନ୍ତି । ସେହିପରି ବାବାଙ୍କର ପିଲାମାନଙ୍କ ପ୍ରତି ଏତେ ସ୍ନେହ ରହିଛି ଯାହାକି ପ୍ରତିଦିନ ସ୍ନେହର ପ୍ରମାଣ ଦେବା ପାଇଁ ଏତେ ବଡ ପତ୍ର ଲେଖୁଛନ୍ତି ଅର୍ଥାତ୍ ମୁରଲୀ ଶୁଣାଉଛନ୍ତି । ସ୍ନେହଭରା ସ୍ମୃତି ମଧ୍ୟ ଦେଉଛନ୍ତି ଏବଂ ପିଲାମାନଙ୍କର ସାଥୀ ହୋଇ ସଦାସର୍ବଦା ସଂଗରେ ରହୁଛନ୍ତି । ତେଣୁ ବାବାଙ୍କର ଏହି ସ୍ନେହ ଉପରେ ତୁମେମାନେ ନିଜର ସମସ୍ତ ଦୋଷ-ଦୁର୍ବଳତାକୁ ସ୍ୱାହା କରିଦିଅ । ପିଲାମାନଙ୍କ ପ୍ରତି ବାବାଙ୍କର ସ୍ନେହ ରହିଛି ସେଥିପାଇଁ ସବୁବେଳେ କହୁଛନ୍ତି ପିଲାମାନେ ତୁମେ ଯିଏ ହୋଇଥାଅ, ଯେଭଳି ହୋଇଥାଅ କିନ୍ତୁ ମୋର ସନ୍ତାନ । ସେହିଭଳି ତୁମେମାନେ ମଧ୍ୟ ସଦାସର୍ବଦା ସ୍ନେହରେ ବୁଡି ରୁହ ଏବଂ ହୃଦୟର ସହିତ କୁହ ଯେ ବାବା ଆପଣ ଯିଏ ହୁଅନ୍ତୁ କିନ୍ତୁ ଆପଣ ହିଁ ମୋର ସବୁ କିଛି ଅଟନ୍ତି । କେବେହେଲେ ଅସତ୍ୟର ରାଜ୍ୟର ପ୍ରଭାବରେ ଆସ ନାହିଁ । ଯେଉଁମାନେ ଗେହ୍ଲା ହୋଇଥା’ନ୍ତି ସେମାନଙ୍କୁ ମନେ ପକାଇବାକୁ ପଡେ ନାହିଁ, ତାଙ୍କର ସ୍ମୃତି ଆପେ ଆପେ ଆସିଥାଏ । କେବଳ ସ୍ନେହ ଆନ୍ତରୀକ ହେବା ଦରକାର, ସଚ୍ଚା ଏବଂ ନିସ୍ୱାର୍ଥ ହେବା ଦରକାର । ଯେବେକି କହୁଛ ମେରା ବାବା, ପ୍ୟାରା ବାବା ତେବେ ପ୍ୟାରା ଅର୍ଥାତ୍ ପ୍ରିୟତମଙ୍କୁ କେହି ଭୁଲିପାରିବେ ନାହିଁ ଏବଂ ନିଃସ୍ୱାର୍ଥ ସ୍ନେହ ମଧ୍ୟ ବାବାଙ୍କ ବ୍ୟତୀତ ଅନ୍ୟ କୌଣସି ଆତ୍ମାଠାରୁ ମିଳିପାରିବ ନାହିଁ । ସେଥିପାଇଁ କେବେହେଲେ ସ୍ୱାର୍ଥ ପୂରଣ କରିବା ପାଇଁ ମନେ ପକାଅ ନାହିଁ, ନିଃସ୍ୱାର୍ଥ ସ୍ନେହରେ ବୁଡି ରୁହ । ପରମାତ୍ମ ସ୍ନେହର ଅନୁଭବୀ ହୁଅ ତେବେ ସେହି ଅନୁଭବ ଦ୍ୱାରା ସହଜଯୋଗୀ ହୋଇ ଉଡିବାକୁ ଲାଗିବ, କାରଣ ପରମାତ୍ମ ସ୍ନେହ ଉଡାଇବାର ଆଧାର ଅଟେ ଏବଂ ଉଡିଲାବାଲା କେବେହେଲେ ଧରଣୀର ଆକର୍ଷଣରେ ଆସିପାରିବେ ନାହିଁ । ତେବେ ମାୟାର କେତେ ବି ଆକର୍ଷିତ ରୂପ ହୋଇଥାଉ କିନ୍ତୁ ସେହି ଆକର୍ଷଣ ଉଡନ୍ତା ସ୍ଥିତିରେ ରହୁଥିବା ଆତ୍ମାଙ୍କ ନିକଟରେ ପହଞ୍ଚି ପାରିବ ନାହିଁ । ପରମାତ୍ମ ସ୍ନେହର ଏହି ଡୋରୀ ବହୁତ ଦୂରରୁ ଟାଣିଆଣିଥାଏ । ଏହା ଏପରି ସୁଖଦାୟୀ ସ୍ନେହ ଯାହାକି ଏହି ସ୍ନେହରେ ଯିଏ ଗୋଟିଏ ସେକେଣ୍ଡ ମଧ୍ୟ ହଜିଯାଆନ୍ତି ସେମାନଙ୍କର ଅନେକ ଦୁଃଖ ଭୁଲି ହୋଇଯାଏ ଏବଂ ସେମାନେ ସଦାକାଳ ପାଇଁ ସୁଖର ଝୁଲଣାରେ ଝୁଲିବାକୁ ଲାଗିଥା’ନ୍ତି । ଜୀବନରେ ଯାହା ଆବଶ୍ୟକ ଥାଏ ତାହା ଯଦି କେହି ଦେଇ ଦିଅନ୍ତି ତେବେ ତାହା ହିଁ ସ୍ନେହର ପ୍ରତୀକ ହୋଇଯାଏ । ତେଣୁ ବାବାଙ୍କର ତୁମମାନଙ୍କ ପ୍ରତି ଏତେ ସ୍ନେହ ରହିଛି ଯାହାକି ଜୀବନରେ ସୁଖ-ଶାନ୍ତି ପାଇବାର ସମସ୍ତ ମନୋକାମନା ପୂରଣ କରିଦେଉଛନ୍ତି । ବାବା କେବଳ ସୁଖ ଦେଉନାହାଁନ୍ତି କିନ୍ତୁ ସୁଖର ଭଣ୍ଡାରର ମାଲିକ କରିଦେଉଛନ୍ତି । ତା’ସହିତ ଶ୍ରେଷ୍ଠ ଭାଗ୍ୟର ରେଖା ଟାଣିବାର କଲମ ମଧ୍ୟ ଦେଉଛନ୍ତି, ଯାହା ଦ୍ୱାରା ଯେତେ ଇଚ୍ଛା ସେତେ ନିଜର ଶ୍ରେଷ୍ଠ ଭାଗ୍ୟ ଗଢିପାରିବ—ଏହା ହିଁ ହେଉଛି ପରମାତ୍ମ ସ୍ନେହ । ଯେଉଁ ପିଲାମାନେ ପରମାତ୍ମ ସ୍ନେହରେ ସଦାସର୍ବଦା ବୁଡି ରହିଥା’ନ୍ତି, ହଜି ଯାଇଥା’ନ୍ତି ସେମାନଙ୍କର ଆତ୍ମାର ଚମକ ଏବଂ ଆତ୍ମିକ ନିଶା, ଅନୁଭୂତିର କିରଣ ଏତେ ଶକ୍ତିଶାଳୀ ହୋଇଥାଏ ଯାହାକି କୌଣସି ବି ସମସ୍ୟା ତାଙ୍କ ନିକଟକୁ ଆସିବା ତ ଦୂରର କଥା କିନ୍ତୁ ଆଖି ଖୋଲି ଦେଖି ପାରିନଥାଏ । ସେମାନଙ୍କୁ କେବେ ବି କୌଣସି ପ୍ରକାରର ମେହନତ କରିବାକୁ ପଡିନଥାଏ । ତେବେ ବାବାଙ୍କର ପିଲାମାନଙ୍କ ପ୍ରତି ଏତେ ସ୍ନେହ ଅଛି ଯାହାକି ଅମୃତବେଳା ହିଁ ପିଲାମାନଙ୍କର ପାଳନା କରିଥା’ନ୍ତି ଏବଂ ଦିନର ଆରମ୍ଭ ମଧ୍ୟ କେତେ ଶ୍ରେଷ୍ଠ ହୋଇଥାଏ! ସ୍ୱୟଂ ଭଗବାନ ମିଳନ କରିବା ପାଇଁ ଡାକିଥା’ନ୍ତି ଏବଂ ବାର୍ତ୍ତାଳାପ କରିଥାଆନ୍ତି, ଶକ୍ତି ଭରିଥା’ନ୍ତି । ବାବାଙ୍କର ସ୍ନେହଭରା ସଂଗୀତ ତୁମମାନଙ୍କୁ ନିଦରୁ ଉଠାଉଛି । କେତେ ସ୍ନେହର ସହିତ ଡାକୁଛନ୍ତି, ଉଠାଉଛନ୍ତି—ମିଠେ ବଚ୍ଚେ, ପ୍ୟାରେ ବଚ୍ଚେ, ଆସ...... । ତେବେ ଏହି ସ୍ନେହଭରା ପାଳନାର ବାସ୍ତବିକ ସ୍ୱରୂପ ହେଉଛି “ସହଜଯୋଗୀ ଜୀବନ” । ଯାହାର ଯାହା ପ୍ରତି ସ୍ନେହଥାଏ, ତାକୁ ଯାହା ଭଲ ଲାଗେ ତାହା ହିଁ କରିଥା’ନ୍ତି । ତେବେ ବାବାଙ୍କୁ ମଧ୍ୟ ପିଲାମାନଙ୍କର ହଲଚଲ୍ ହେବା ଅର୍ଥାତ୍ ଦୁଃଖୀ ହେବା ଭଲ ଲାଗେ ନାହିଁ । ସେଥିପାଇଁ କେବେ ବି ଏହି କଥା କୁହନାହିଁ ଯେ କ’ଣ କରିବି, ପରିସ୍ଥିତି ସେହିଭଳି ଥିଲା ସେଥିପାଇଁ ହଲଚଲ୍ ହୋଇଗଲି.... ଯଦି ବି ହଲଚଲ୍ ହେଲାଭଳି କୌଣସି କଥା ଆସୁଛି କିନ୍ତୁ ତୁମେ ହଲଚଲ୍ ସ୍ଥିତିକୁ ଆସ ନାହିଁ । ବାପଦାଦାଙ୍କର ପିଲାମାନଙ୍କ ପ୍ରତି ଏତେ ସ୍ନେହ ଅଛି ଯାହାକି ଭାବୁଛନ୍ତି ପ୍ରତ୍ୟେକ ସନ୍ତାନ ମୋଠାରୁ ମଧ୍ୟ ଆଗକୁ ଚାଲିଯାଆନ୍ତୁ । ଦୁନିଆରେ ମଧ୍ୟ ଯାହା ପ୍ରତି ଅଧିକ ସ୍ନେହ ଥାଏ ତାକୁ ନିଜଠାରୁ ଆଗକୁ ବଢାଇ ଥାଆନ୍ତି । ଏହା ହିଁ ହେଉଛି ସ୍ନେହର ପ୍ରତୀକ । ତେଣୁ ବାପଦାଦା ମଧ୍ୟ କହୁଛନ୍ତି ମୋ ପିଲାମାନଙ୍କ ଭିତରେ ଏବେ ଆଉ କୌଣସି ଦୁର୍ବଳତା ନ ରହୁ, ସମସ୍ତେ ସମ୍ପୂର୍ଣ୍ଣ, ସମ୍ପନ୍ନ ଏବଂ ସମାନ ହୋଇଯାଆନ୍ତୁ । ତେଣୁ ଆଦିକାଳ ଅର୍ଥାତ୍ ଅମୃତବେଳାରେ ନିଜର ହୃଦୟରେ ପରମାତ୍ମାଙ୍କର ସ୍ନେହକୁ ସମ୍ପୂର୍ଣ୍ଣ ରୂପରେ ଧାରଣ କରିନିଅ । ଯଦି ହୃଦୟରେ ପରମାତ୍ମ ସ୍ନେହ, ପରମାତ୍ମ ଶକ୍ତି, ପରମାତ୍ମ ଜ୍ଞାନ ଭରପୁର ହୋଇ ରହିଥିବ ତେବେ କେବେ ବି ଅନ୍ୟ କୌଣସି ଆଡକୁ ଆସକ୍ତି ବା ସ୍ନେହ ଯାଇପାରିବ ନାହିଁ । ତେବେ ପରମାତ୍ମ ସ୍ନେହ ମଧ୍ୟ ଏହି ଗୋଟିଏ ଜନ୍ମରେ ହିଁ ପ୍ରାପ୍ତ ହୋଇଥାଏ । ୮୩ ଜନ୍ମ ଦେବାତ୍ମାମାନଙ୍କ ଦ୍ୱାରା ବା ସାଧାରଣ ଆତ୍ମାଙ୍କ ଦ୍ୱାରା ସ୍ନେହ ମିଳିଲା! କେବଳ ବର୍ତ୍ତମାନ ସମୟରେ ହିଁ ପରମାତ୍ମାଙ୍କର ସ୍ନେହ ମିଳୁଛି । ସେହି ଆତ୍ମାମାନଙ୍କର ସ୍ନେହ ରାଜ୍ୟ-ଭାଗ୍ୟ ହରାଇ ଦେଇଥାଏ ଏବଂ ପରମାତ୍ମାଙ୍କର ସ୍ନେହ ରାଜ୍ୟ ଭାଗ୍ୟ ପ୍ରାପ୍ତ କରାଇଥାଏ । ତେଣୁ ଏହି ସ୍ନେହର ଅନୁଭୂତି ମଧ୍ୟରେ ସମାହିତ ହୋଇ ରୁହ । ଯଦି ପିତାଙ୍କ ସହିତ ସଚ୍ଚା ସ୍ନେହ ଅଛି ତେବେ ତା’ର ଚିହ୍ନ ହେଲା— ପିତାଙ୍କ ସମାନ ହୁଅ ଏବଂ କର୍ମାତୀତ ହୁଅ । କରାଇବାବାଲା ହୋଇ କର୍ମ କର ଏବଂ କରାଅ । କର୍ମେନ୍ଦ୍ରିୟମାନେ ତୁମ ଦ୍ୱାରା କର୍ମ ନ କରାନ୍ତୁ କିନ୍ତୁ ତୁମେ କର୍ମେନ୍ଦ୍ରିୟମାନଙ୍କ ଦ୍ୱାରା କର୍ମ କରାଅ । କେବେ ବି ମନ, ବୁଦ୍ଧି ବା ସଂସ୍କାରର ବଶୀଭୂତ ହୋଇ କୌଣସି ବିକର୍ମ କର ନାହିଁ । ବରଦାନ:- ନିର୍ବଳରୁ ବଳବାନ ହୋଇ ଅସମ୍ଭବକୁ ସମ୍ଭବ କରୁଥିବା ସାହସୀ ଆତ୍ମା ହୁଅ । କଥାରେ ଅଛି ପିଲାମାନଙ୍କର ସାହସ ଆଧାରରେ ବାବା ସାହାଯ୍ୟ କରିଥା’ନ୍ତି । ଏହି ବରଦାନ ଆଧାରରେ ସାହାସର ପ୍ରଥମ ଦୃଢ ସଂକଳ୍ପ କରିଛ ଯେ ଆମକୁ ପବିତ୍ର ହେବାର ହିଁ ଅଛି ଏବଂ ବାବା ମଧ୍ୟ ପଦମଗୁଣା ସହଯୋଗ ଦେଇଛନ୍ତି ଯେ ତୁମେ ଆତ୍ମାମାନେ ଅନାଦି-ଆଦି ପବିତ୍ରି ଅଟ, ଅନେକ ଥର ପବିତ୍ର ହୋଇଛ ଏବଂ ଆଗକୁ ମଧ୍ୟ ହେଉଥିବ । ଅନେକ ଥରର ସ୍ମୃତି ଆସିବା ଦ୍ୱାରା ସମର୍ଥ ହୋଇଯାଉଛ । ନିର୍ବଳରୁ ଏତେ ବଳବାନ ହୋଇଯାଇଛ ଯାହାକି ଚ୍ୟାଲେଞ୍ଚ କରୁଛ ଯେ ବିଶ୍ୱକୁ ମଧ୍ୟ ପବିତ୍ର କରି ଦେଖାଇ ଦେବୁ, ଯାହାକୁ ଋଷି-ମୁନି, ଇତ୍ୟାଦି ମହାନ ଆତ୍ମାମାନେ ଭାବୁଛନ୍ତି ଯେ ଘର ଗୃହସ୍ଥ ଭିତରେ ରହି ପବିତ୍ର ରହିବା କଷ୍ଟକର, ତାହାକୁ ତୁମେମାନେ ଅତି ସହଜ ବୋଲି କହୁଛ । ସ୍ଲୋଗାନ:- ଦୃଢ ସଂକଳ୍ପ କରିବା ହିଁ ବ୍ରତ ପାଳନ କରିବା, ତେଣୁ ସଚ୍ଚା ଭକ୍ତ କେବେହେଲେ ବ୍ରତକୁ ଭାଙ୍ଗିଦିଅନ୍ତି ନାହିଁ । ବ୍ରହ୍ମାବାବାଙ୍କ ସମାନ ହେବା ପାଇଁ ବିଶେଷ ପୁରୁଷାର୍ଥ:- ଯେପରି ବ୍ରହ୍ମାବାବା ସାଧାରଣ ରୂପରେ ରହି ମଧ୍ୟ ଆସାଧାରଣ ବା ଅଲୌକିକ ସ୍ଥିତିରେ ରହୁଥିଲେ, ସେହିପରି ଫଲୋ ଫାଦର କର ଅର୍ଥାତ୍ ପିତାଙ୍କୁ ଅନୁକରଣ କର । ଯେପରି ତାରାମାନଙ୍କର ସଂଗଠନ ଭିତରେ ଯେଉଁମାନେ ବିଶେଷ ତାରା ଥା’ନ୍ତି ସେମାନଙ୍କର ଚମକ ଏବଂ ଝଲକ ଦୁରରୁ ହିଁ ଭିନ୍ନ ଏବଂ ସୁନ୍ଦର ଅନୁଭବ ହୋଇଥାଏ, ସେହିପରି ତୁମେ ଆତ୍ମାରୂପୀ ତାରକାମାନେ ମଧ୍ୟ ସାଧାରଣ ଆତ୍ମାମାନଙ୍କ ଭିତରେ ବିଶେଷ ଆତ୍ମା ରୂପରେ ଦେଖାଯାଅ ।
145 views
2 months ago
#

নিউ ইয়ারের মজা

06.1.19    Avyakt Bapdada     Assame Murli     08.04.84     Om Shanti     Madhuban “সংগম যুগত প্ৰাপ্ত অধিকাৰৰ দ্বাৰা বিশ্ব ৰাজ্য অধিকাৰী” বাপদাদাই আজি স্বৰাজ্য অধিকাৰী শ্ৰেষ্ঠ আত্মাসকলৰ দিব্য দৰবাৰ চাই আছেহঁক। বিশ্ব ৰাজ্য দৰবাৰ আৰু স্বৰাজ্য দুয়োখন দৰবাৰৰ অধিকাৰী তোমালোক শ্ৰেষ্ঠ আত্মাসকল হোৱা। স্বৰাজ্য অধিকাৰীয়েই বিশ্ব ৰাজ্য অধিকাৰী হয়। এইটো ডবল নিচা সদায় থাকেনে? পিতাৰ হোৱা অৰ্থাৎ অনেক অধিকাৰ প্ৰাপ্ত কৰা। কিমান প্ৰকাৰৰ অধিকাৰ প্ৰাপ্ত কৰিলা, জানানে? অধিকাৰ মালাক স্মৰণ কৰা। প্ৰথম অধিকাৰ – পৰমাত্ম (ঈশ্বৰীয়) সন্তান হ'লা অৰ্থাৎ সৰ্বশ্ৰেষ্ঠ মাননীয় পূজনীয় আত্মা হোৱাৰ অধিকাৰ প্ৰাপ্ত কৰিলা। পিতাৰ সন্তান নোহোৱাকৈ পূজনীয় আত্মা হোৱাৰ অধিকাৰ প্ৰাপ্ত কৰিব নোৱাৰি। গতিকে প্ৰথম অধিকাৰ - পূজনীয় আত্মা হ'লা। দ্বিতীয় অধিকাৰ - জ্ঞানৰ খাজনাৰ মালিক হ'লা অৰ্থাৎ অধিকাৰী হ'লা। তৃতীয় অধিকাৰ - সৰ্বশক্তি প্ৰাপ্তিৰ অধিকাৰী হ'লা। চতুৰ্থ অধিকাৰ – সকলো কৰ্মেন্দ্ৰিয়জিৎ স্বৰাজ্য অধিকাৰী হ'লা। এই সৰ্ব অধিকাৰৰ দ্বাৰা মায়াজীৎ তথা জগতজীৎ বিশ্ব ৰাজ্য অধিকাৰী হৈ পৰে। নিজৰ এই সৰ্ব অধিকাৰক সদায় স্মৃতিত ৰাখি সমৰ্থ আত্মা হৈ যায়। এনেকুৱা সমৰ্থ হৈছা নহয় জানো। স্বৰাজ্য বা বিশ্বৰ ৰাজ্য প্রাপ্ত কৰিবৰ কাৰণে বিশেষ তিনিটা কথাৰ ধাৰণাৰ দ্বাৰাহে সফলতা প্রাপ্ত কৰিব পাৰি। যিকোনো শ্রেষ্ঠ কাৰ্যৰ সফলতাৰ আধাৰ হ'ল ত্যাগ, তপস্যা আৰু সেৱা। এই তিনিটা কথাৰ আধাৰত সফলতা হ'ব নে নহ’ব, এইটো প্রশ্ন উদয় হ’ব নোৱাৰে। য'ত তিনিওটি কথাৰ ধাৰণা আছে ত’ত চেকেণ্ডত সফলতা আছেই। হৈয়েই আছে। ত্যাগ কিহৰ? কেৱল এটা কথাৰ ত্যাগে সকলো ত্যাগ সহজে আৰু স্বতঃ কৰাই দিয়ে। সেই এটা ত্যাগ হৈছে –‘দেহ ভাৱ’ৰ ত্যাগ, যিয়ে হদৰ ‘মই ভাৱ’ৰ ত্যাগ সহজে কৰাই দিয়ে। এই হদৰ ‘মই ভাৱে’ তপস্যা আৰু সেৱাৰ পৰা বঞ্চিত কৰি দিয়ে। য'ত হদৰ ‘মই ভাৱ’ আছে ত’ত ত্যাগ, তপস্যা আৰু সেৱা হ'ব নোৱাৰে। হদৰ ‘মই ভাৱ’, ‘মোৰ ভাৱ’, এই এটা কথাৰ ত্যাগ কৰিব লাগে। ‘মই’ আৰু ‘মোৰ’ সমাপ্ত হৈ গ'ল তেন্তে বাকী কি থাকিল? বেহদৰ। মই এটা শুদ্ধ আত্মা হওঁ আৰু মোৰতো এজন পিতা দ্বিতীয় কোনো নাই। গতিকে য'ত বেহদৰ পিতা সৰ্বশক্তিমান আছে, ত’ত সফলতা সদায় লগত আছে। এইটো ত্যাগৰ দ্বাৰা তপস্যাও সিদ্ধ হৈ নগ'ল জানো। তপস্যা কি হয়? মই এজনৰ হওঁ। এজনৰ শ্রেষ্ঠ মতত চলোতা হওঁ। ইয়াৰ দ্বাৰা একৰস স্থিতি স্বতঃ হৈ যায়। সদায় এটাই পৰমাত্ম স্মৃতি, এয়াই তপস্যা। একৰস স্থিতি এয়াই শ্ৰেষ্ঠ আসন। কমল পুষ্পৰ সমান স্থিতি এয়াই তপস্যাৰ আসন। ত্যাগৰ দ্বাৰা তপস্যাও স্বতঃ সিদ্ধ হৈ যায়। যেতিয়া ত্যাগ আৰু তপস্যা স্বৰূপ হৈ গ'লা তেন্তে কি কৰিবা? নিজৰ (মোৰ) ভাৱৰ ত্যাগ অথবা মই ভাৱ সমাপ্ত হৈ গ'ল। এজনৰ লগনত মগন তপস্বী হৈ গ'লা তেন্তে সেৱাৰ অবিহনে থাকিব নোৱাৰা। এই হদৰ মই আৰু মোৰে সঁচা সেৱা কৰিব নিদিয়ে। ত্যাগী আৰু তপস্বীমূৰ্ত সঁচা সেৱাধাৰী হয়। মই এইটো কৰিলোঁ, মই এনেকুৱা হওঁ, এই দেহৰ ভাৱ অলপো যদি আহে তেন্তে সেৱাধাৰীৰ সলনি কি হৈ যোৱা? কেৱল নামধাৰী সেৱাধাৰী হৈ যোৱা। সঁচা সেৱাধাৰী নোহোৱা। সঁচা সেৱাৰ ভেটি হৈছে ত্যাগ আৰু তপস্যা। এনেকুৱা ত্যাগী, তপস্বী, সেৱাধাৰী সদায় সফলতা স্বৰূপ হয়। বিজয়, সফলতা তেওঁলোকৰ ডিঙিৰ মালা হৈ যায়। জন্ম সিদ্ধ অধিকাৰী হৈ যায়। সেয়েহে বাপদাদাই বিশ্বৰ সকলো সন্তানক এয়াই শ্রেষ্ঠ শিক্ষা দিয়ে যে ত্যাগী হোৱা, তপস্বী হোৱা, সঁচা সেৱাধাৰী হোৱা। আজিৰ সংসাৰ মৃত্যুৰ ভয়ৰ সংসাৰ হয়। (ধুমুহা আহিল) প্ৰকৃতি অস্থিৰ তোমালোক অচল-অটল হোৱা নহয় জানো। তমোগুণী প্ৰকৃতিৰ কাম হ’ল অস্থিৰ কৰা আৰু তোমালোক অচল-অটল আত্মাসকলৰ কাম হ’ল প্ৰকৃতিকো পৰিৱৰ্তন কৰা। নাথিং নিউ (একো নতুন নহয়)। এই সকলোটো হ’বই। অস্থিৰতাতে অচল-অটল হৈ উঠিবা। তেন্তে স্বৰাজ্য অধিকাৰী দৰবাৰৰ নিবাসী শ্ৰেষ্ঠ আত্মাসকলে বুজিলা! এয়াও ৰাজ্য দৰবাৰ নহয় জানো। ৰাজযোগী অৰ্থাৎ নিজে নিজৰ ৰজা। ৰাজযোগী দৰবাৰ অৰ্থাৎ স্বৰাজ্য দৰবাৰ। তোমালোক সকলোৱেও ৰাজনেতা হৈ গ’লা নহয়। তেওঁলোক হ’ল দেশৰ ৰাজনেতা আৰু তোমালোক স্বৰাজ্য নেতা। নেতা অৰ্থাৎ নীতি অনুসৰি চলোঁতা। গতিকে তোমালোক ধৰ্ম নীতি, স্বৰাজ্য নীতি অনুসৰি চলোঁতা স্বৰাজ্য অধিকাৰী নেতা হোৱা। যথাৰ্থ শ্ৰেষ্ঠ নীতি অৰ্থাৎ শ্রীমত। শ্ৰীমতেই হৈছে যথাৰ্থ নীতি। এই নীতিত চলোঁতাসকল সফল নেতা হয়। বাপদাদাই দেশৰ নেতাসকলক মোবাৰক দিয়ে কিয়নো তথাপিও পৰিশ্ৰমতো কৰে নহয় জানো। যদিও ভেৰাইটি (ভিন্নতা) আছে। তথাপিও দেশৰ প্ৰতি লগন আছে। আমাৰ ৰাজ্য অমৰ হওঁক - এইটো লগনেৰে পৰিশ্ৰমতো কৰে। আমাৰ ভাৰত উচ্চ হৈ থাকক, এইটো লগনে স্বতঃ পৰিশ্ৰম কৰাই দিয়ে। এতিয়া সময় আহিব যেতিয়া ৰাজ্য সত্বা আৰু ধৰ্ম সত্বা দুয়ো লগতে থাকিব, তেতিয়া বিশ্বত ভাৰতৰ জয়-জয়কাৰ হ’ব। ভাৰতেই লাইট-হাউচ হ’ব। সকলোৰে দৃষ্টি ভাৰতৰ ওপৰত হ’ব। ভাৰতকে বিশ্বই প্ৰেৰণাৰ পুঞ্জ এনেকুৱা অনুভৱ কৰিব। ভাৰত হৈছে অবিনাশী খণ্ড। অবিনাশী পিতাৰ অৱতৰণ ভূমি হয়। সেয়েহে ভাৰতৰ মহত্ব সদায় মহান হয়। অচ্ছা। সকলোৱে নিজৰ চুইট হ'মত উপস্থিত হৈ গ’লা। বাপদাদাই সকলো সন্তানকে আগমনৰ শুভেচ্ছা জনাই আছে। স্বাগতম। পিতাৰ ঘৰৰ শৃংগাৰ স্বাগতম। অচ্ছা। সকলো সফলতাৰ তৰাক, সদায় একৰস স্থিতিৰ আসনত স্থিত হৈ থাকোঁতা তপস্বী সন্তানসকলক, সদায় এটাই পৰমাত্ম শ্রেষ্ঠ স্মৃতিত থাকোঁতা মহান আত্মাসকলক, শ্রেষ্ঠ ভাৱনা শ্রেষ্ঠ কামনা কৰোঁতা বিশ্ব কল্যাণকাৰী সেৱাধাৰী সন্তানসকলক বাপদাদাৰ স্নেহপূৰ্ণ স্মৰণ আৰু নমস্কাৰ। অব্যক্ত বাপদাদাৰ সৈতে গুজৰাট ৰাজ্যৰ মুখ্যমন্ত্রীৰ সাক্ষাৎ পিতাৰ ঘৰলৈ বা নিজৰ ঘৰলৈ স্বাগতম। পিতাই জানে যে সেৱাৰ লগন বহুত ভাল। কোটিৰ ভিতৰত কোনোবাহে এনেকুৱা সেৱাধাৰী হয় সেয়েহে সেৱাৰ পৰিশ্রমৰ আন্তৰিক আনন্দ প্রত্যক্ষফলৰ ৰূপত সদায় প্ৰাপ্ত কৰি থাকিবা। এই পৰিশ্রম সফলতাৰ আধাৰ হয়। যদি সকলো নিমিত্ত সেৱাধাৰীয়ে পৰিশ্রম কৰে তেন্তে ভাৰতৰ ৰাজ্যই সদায় সফলতা প্রাপ্ত কৰি থাকিব। সফলতাতো পোৱা যাবই। এয়াতো নিশ্চিত কিন্তু যি নিমিত্ত হয়, নিমিত্ত হোৱাসকলে সেৱাৰ প্রত্যক্ষফল আৰু ভৱিষ্যত ফল প্রাপ্ত হয়। তেন্তে সদায় সেৱাৰ নিমিত্ত হোৱা। নিমিত্ত ভাৱ ৰাখি সদায় সেৱাত আগবাঢ়ি যোৱা। য'ত ‘নিমিত্ত ভাৱ’ আছে, ‘মই ভাৱ’ নাই ত’ত সদায় উন্নতি হৈ থাকিব। এই নিমিত্ত ভাৱে শুভ ভাৱনা, শুভ কামনা স্বতঃ জাগ্রত কৰে। আজিকালি শুভ ভাৱনা, শুভ কামনা নাই, তাৰ কাৰণে ‘নিমিত্ত ভাৱ’ৰ সলনি ‘মই ভাৱ’ আহি গ'ল। যদি নিমিত্ত বুলি ভাবে তেন্তে পিতাক কৰাৱনহাৰ (কৰাওঁতা) বুলি বুজিব। কৰণকৰাৱনহাৰ স্বামীয়ে সদায়েই শ্রেষ্ঠ কৰাব। নিমিত্ত ভাৱৰ সলনি ৰাজ্যৰ প্রবৃত্তিৰ গৃহস্থী হৈ গ'লা, গৃহস্থীত বোজা থাকে, আৰু নিমিত্ত ভাৱত বোজা মুক্ত ভাৱ থাকে। যেতিয়ালৈকে বোজা মুক্ত নোহোৱা তেন্তে নিৰ্ণয় শক্তিও নাথাকে। নিমিত্ত যদি হোৱা তেন্তে বোজা মুক্ত হয় আৰু তেতিয়া নিৰ্ণয় শক্তি শ্রেষ্ঠ হয়, সেয়েহে সদায় নিমিত্ত হয়। নিমিত্ত হওঁ, এইটো ভাৱনা ফলদায়ক হয়। ভাৱনাৰ ফল পোৱা যায়। এই নিমিত্ত হোৱাৰ ভাৱনাই সদায় শ্রেষ্ঠ ফল দি থাকিব। গতিকে সকলো সংগীকে এইটো মনত পেলাই দিয়া যে নিমিত্ত ভাৱ, ট্ৰাষ্টী ভাৱ ৰাখা। তেতিয়া এই ৰাজনীতি বিশ্বৰ বাবে শ্ৰেষ্ঠ নীতি হৈ যাব। সমগ্ৰ বিশ্বই এই ভাৰতৰ এই ৰাজনীতিক নকল কৰিব। কিন্তু ইয়াৰ আধাৰ হ’ল ট্ৰাষ্টী ভাৱ অৰ্থাৎ নিমিত্ত ভাৱ। কুমাৰসকলৰ প্ৰতি :- কুমাৰ অৰ্থাৎ সৰ্ব শক্তি, সৰ্ব খাজনা জমা কৰি আনকো শক্তিশালী কৰি তোলাৰ সেৱা কৰোঁতা। সদায় এইটো সেৱাতে ব্যস্ত হৈ থাকা নহয়। ব্যস্ত হৈ থাকিলে উন্নতি হৈ থাকিব। যদি অলপো খালী (ফ্ৰি) হোৱা তেন্তে ব্যৰ্থ চলিব। সমৰ্থ হৈ থাকিবৰ বাবে ব্যস্ত হৈ থাকা। নিজৰ টাইম টেবুল (সময়ৰ তালিকা) বনোৱা। যিদৰে শৰীৰৰ টাইম টেবুল বনোৱা সেইদৰে বুদ্ধিৰো টাইম টেবুল বনোৱা। বুদ্ধিৰে ব্যস্ত হৈ থকাৰ প্লেন (পৰিকল্পনা) কৰা। ব্যস্ত হৈ থাকিলে সদায় উন্নতি হৈ থাকিব। বৰ্তমানৰ সময় অনুসৰি কুমাৰ জীৱনত শ্ৰেষ্ঠ হোৱাতো বহুত ডাঙৰ ভাগ্য হয়। আমি শ্ৰেষ্ঠ ভাগ্যৱান আত্মা হওঁ, সদায় এইটোৱে ভাবিবা। স্মৃতি আৰু সেৱাৰ যাতে সদায় ভাৰসাম্যতা থাকে। ভাৰসাম্য ৰাখোঁতাসকলে সদায় আৰ্শীবাদ প্ৰাপ্ত কৰি থাকিব। অচ্ছা। নিৰ্বাচিত বিশেষ অব্যক্ত মহাবাক্য পৰমাত্ম (ঈশ্বৰীয়) প্ৰেম ত সদায় লৱলীন হৈ থাকা পৰমাত্ম প্ৰেম হৈছে আনন্দময় দোলনা, এইসুখদায়ী দোলনাত দুলি সদায় পৰমাত্ম প্ৰেমত লবলীন হৈ থাকা তেতিয়া কোনো পৰিস্থিতি বা মায়াৰ অস্থিৰতা আহিব নোৱাৰে। পৰমাত্ম প্ৰেম সীমাহীন, অটল হয়, ইমান যে সকলোৱে প্ৰাপ্ত কৰিব পাৰে। কিন্তু পৰমাত্ম প্ৰেম প্ৰাপ্ত কৰাৰ বিধি হ’ল – উপৰাম (অনাসক্ত) হোৱা। যিয়ে যিমান উপৰাম হয় সিমানে তেওঁ পৰমাত্ম প্ৰেমৰ অধিকাৰী হয়। পৰমাত্ম প্ৰেমত সমাহিত হৈ থকাৰ আত্মাসকলে কেতিয়াও হদৰ প্ৰভাৱত আহিব নোৱাৰে, সদায় বেহদৰ প্ৰাপ্তিত মগ্ন হৈ থাকে। তেওঁলোকৰ পৰা সদায় আত্মিকতাৰ সুবাস আহে। প্ৰেমৰ লক্ষণ হ’ল -যাৰ প্ৰতি প্ৰেম থাকে তেওঁৰ নামত সকলো ত্যাগ কৰি দিয়ে। পিতাৰ সন্তানসকলৰ প্ৰতি ইমান স্নেহ আছে যে নিতৌ প্ৰেমৰ সঁহাৰি দিবৰ বাবে ইমান ডাঙৰ পত্ৰ লিখে। স্নেহ সহিত স্মৰণ কৰে আৰু সদায় সংগী হৈ সান্নিধ্য দিয়ে। গতিকে এই প্ৰেমত নিজৰ সকলো দুৰ্বলতা কোৰবান কৰি দিয়া। সন্তানসকলৰ প্ৰতি পিতাৰ স্নেহ আছে সেয়েহে সদায় কয় - হে সন্তানসকল, যিয়েই নোহোৱা, যেনেকুৱাই নোহোৱা - মোৰ হোৱা। সেইদৰে তোমালোকো সদায় প্ৰেমত লবলীন হৈ অন্তৰেৰে কোৱা - বাবা আপুনিয়েই মোৰ সকলো হোৱা। কেতিয়াও অসত্যৰ ৰাজ্যৰ প্ৰভাৱত নাহিবা। যি স্নেহী হয় তেওঁক স্মৰণ কৰিবলগীয়া নহয়, তেওঁৰ স্মৃতি স্বতঃ আহে। কেৱল স্নেহ অন্তৰৰ হওঁক, সঁচা আৰু নিস্বাৰ্থ হওঁক। যেতিয়া কোৱা মোৰ বাবা, মৰমৰ বাবা - তেন্তে যি মৰমৰ তেওঁক কেতিয়াও পাহৰিব নোৱাৰা। আৰু নিস্বাৰ্থ প্ৰেম পিতাৰ বাহিৰে কোনো আত্মাৰ পৰা পাব নোৱাৰি সেয়েহে কেতিয়াও স্বাৰ্থ ৰাখি স্মৰণ নকৰিবা, নিস্বাৰ্থ প্ৰেমত লবলীন হৈ থাকা। পৰমাত্ম প্ৰেমৰ অনুভৱী হোৱা তেতিয়া এই অনুভৱেৰে সহজযোগী হৈ উৰি থাকিবা। পৰমাত্ম প্ৰেম উৰুৱাৰ সাধন হয়। উৰি থকাসকল কেতিয়াও ধৰাৰ আকৰ্ষণত আহিব নোৱাৰে। মায়াৰ যিমানেই আকৰ্ষিত ৰূপ নহওঁক কিন্তু সেই আকৰ্ষণে উৰন্ত কলাধাৰীসকলৰ ওচৰলৈ আহিব নোৱাৰে। এই পৰমাত্ম প্ৰেমৰ ৰছীয়ে দূৰ-দূৰণিৰ পৰা টানি লৈ আহে। এয়া এনেকুৱা সুখদায়ী প্ৰেম হয় যিয়ে এই প্ৰেমত এক চেকেণ্ডৰ বাবেও মগ্ন হৈ যায় তেওঁ অনেক দুখ পাহৰি যায় আৰু চিৰকালৰ বাবে সুখৰ দোলনাত দুলিবলৈ ধৰে। জীৱনত যি লাগে সেয়া যদি কোনোবাই দি দিয়ে তেন্তে এয়াই প্ৰেমৰ চিন হয়। গতিকে পিতাৰ তোমালোক সন্তানসকলৰ প্ৰতি ইমান প্ৰেম আছে যে জীৱনৰ সুখ-শান্তিৰ সকলো কামনা পূৰ্ণ কৰি দিয়ে। পিতাই সুখেই নিদিয়ে কিন্তু সুখৰ ভড়ালৰ মালিক কৰি তোলে। লগতে শ্ৰেষ্ঠ ভাগ্যৰ ৰেখা অঁকাৰ কলমো দিয়ে, যিমান বিচৰা সিমান ভাগ্য গঢ়িব পাৰা - এয়াই পৰমাত্ম প্ৰেম। যি সন্তানে সদায় পৰমাত্ম প্ৰেমত লবলীন, মগ্ন হৈ থাকে তেওঁৰ ৰেঙনি আৰু চেহেৰা, অনুভুতিৰ কিৰণ ইমান শক্তিশালী হয় যে কোনো সমস্যা ওচৰলৈ অহাতো দূৰৰ কথা কিন্তু চকু দাঙিও চাব নোৱাৰে। তেওঁলোকৰ কেতিয়াও কোনো প্ৰকাৰৰ পৰিশ্ৰম হ'ব নোৱাৰে। পিতাৰ সন্তানসকলৰ প্ৰতি ইমান স্নেহ আছে যে অমৃতবেলাৰ পৰাই সন্তানসকলৰ প্ৰতিপালন কৰে। দিনটোৰ আৰম্ভণিয়ে কিমান শ্ৰেষ্ঠ হয়! স্বয়ং ভগৱানে মিলন উদ্যাপন কৰিবৰ বাবে আহ্বান কৰে, বাৰ্তালাপ কৰে, শক্তিৰে ভৰপূৰ কৰে। পিতাৰ স্নেহৰ গীতে তোমালোকক জগায়। কিমান স্নেহেৰে মাতে, জগায় – মিঠা সন্তানসকল, মৰমৰ সন্তানসকল, আহা………। এই স্নেহৰ প্ৰতিপালনৰ প্ৰেক্টিকেল স্বৰূপ হ'ল – “সহজ যোগী জীৱন”। যাৰ প্ৰতি স্নেহ থাকে, তেওঁৰ যি ভাল লাগে তাকে কৰা হয়। গতিকে পিতাৰ সন্তানসকল অপচেট (বিচলিত) হোৱাতো ভাল নালাগে সেয়েহে কেতিয়াও এনেকৈ নক’বা যে কি কৰো, কথাই এনেকুৱা আছিল, সেয়েহে বিচলিত হৈ গ'লো…. যদি বিচলিত কৰিবলগীয়া কথা আহেও তোমালোক বিচলিত হোৱাৰ স্থিতিত নাহিবা। বাপদাদাৰ সন্তানসকলৰ প্ৰতি ইমান মৰম আছে যে ভাবে প্ৰত্যেক সন্তান মোতকৈও আগবাঢ়ক। দুনিয়াতো যাৰ প্ৰতি বেছি স্নেহ থাকে তেওঁক নিজতকৈও আগবঢ়াই দিয়ে। এয়াই প্ৰেমৰ চিন। সেয়েহে বাপদাদায়ো কয় - মোৰ সন্তানসকলৰ মাজত এতিয়া একোৰে অভাৱ নাথাকক, সকলো সম্পূৰ্ণ, সম্পন্ন আৰু সমান হৈ যাওঁক। আদিকাল, অমৃতবেলা নিজৰ অন্তৰত পৰমাত্ম প্ৰেমক সম্পূৰ্ণ ৰূপত ধাৰণ কৰি লোৱা। যদি অন্তৰত পৰমাত্ম প্ৰেম, পৰমাত্ম শক্তি, পৰমাত্ম জ্ঞান ভৰপূৰ হৈ থাকে তেন্তে কেতিয়াও আৰু কোনোফালে আসক্তি বা স্নেহ যাব নোৱাৰে। এই পৰমাত্ন প্ৰেম এই এটা জন্মতে প্ৰাপ্ত হয়। 83 জন্ম দেৱ আত্মা বা সাধাৰণ আত্মাৰ দ্বাৰা স্নেহ পালা, এতিয়াহে পৰমাত্ম স্নেহ পোৱা যায়। সেই আত্ম-প্ৰেমৰ দ্বাৰা ৰাজ্য-ভাগ্য হেৰুবলগীয়া হয় আৰু পৰমাত্ম প্ৰেমে ৰাজ্য-ভাগ্য প্ৰাপ্ত কৰোৱায়। সেয়েহে এই প্ৰেমৰ অনুভূতিত সমাহিত হৈ থাকা। পিতাৰ সৈতে সঁচা প্ৰেম থাকিলে তেন্তে সেই প্ৰেমৰ চিন হ'ল - সমান, কৰ্মাতীত হোৱা। ‘কৰাৱনহাৰ’ হৈ কৰ্ম কৰা আৰু কৰোৱা। কৰ্মেন্দ্ৰিয়বোৰে তোমালোকৰ দ্বাৰা যাতে নকৰায় কিন্তু তোমালোকে কৰ্মেন্দ্ৰিয়ৰ দ্বাৰা কৰোৱা। কেতিয়াও মন-বুদ্ধি বা সংস্কাৰৰ বশীভূত হৈ কোনো কৰ্ম নকৰিবা। বৰদান: নিৰ্ব লী ৰ পৰা বলৱান হৈ অসম্ভৱক সম্ভৱ কৰি তোলোঁতা সাহসী আত্মা হোৱা "সন্তানে সাহস দেখুৱালে পিতাই সহায় কৰিব" - এইটো বৰদানৰ আধাৰত সাহসৰ প্ৰথমটো দৃঢ় সংকল্প কৰিলা যে আমি পবিত্ৰ হ’বই লাগিব আৰু পিতাই পৰমগুণ সহায় কৰিলে যে তোমালোক আত্মাসকল আদি-অনাদি পবিত্ৰ হোৱা, অনেকবাৰ পবিত্ৰ হৈছা আৰু হৈয়ে থাকিবা। অনেক বাৰৰ স্মৃতিৰে সমৰ্থ হৈ গ'লা। নিৰ্বলীৰ পৰা ইমান বলৱান হৈ গ'লা যে প্ৰত্যাহ্বান কৰা যে বিশ্বকো পাৱন কৰিহে দেখুৱাম, যাৰ কাৰণে ঋষি-মুনি মহান আত্মাসকলে ভাৱে যে প্ৰবৃত্তিত থাকি পবিত্ৰ হৈ থকাতো কঠিন হয়, সেয়া তোমালোকে অতি সহজে কৰা। স্লোগান: দৃঢ় সংকল্প কৰা মানেই ব্ৰত লোৱা , সঁচা ভক্তই কেতিয়াও ব্ৰত নাভাঙে। ব্ৰহ্মা পিতাৰ সমান হ'বৰ বাবে বিশেষ পুৰুষাৰ্থ যিদৰে ব্ৰহ্মা পিতাই সাধাৰণ ৰূপত থাকিও অসাধাৰণ অলৌকিক স্থিতিত থাকিল। এইদৰে ফ'ল ফাদাৰ। যিদৰে তৰাৰ সংগঠনত যি বিশেষ তৰা হয় তাৰ চমক, ৰেঙনি দূৰৈৰ পৰাই উপৰাম আৰু স্নেহী লাগে। এইদৰে তোমালোক তৰাসকলো সাধাৰণ আত্মাসকলৰ মাজত বিশেষ আত্মা ৰূপত দেখা দিয়ক।
114 views
2 months ago
#

নিউ ইয়ারের মজা

০৬-০১-১৯ প্রাতঃ মুরলি ওম্ শান্তি "অব্যক্ত বাপদাদা" রিভাইসঃ ০৮-০৪-৮৪ মধুবন সঙ্গমযুগের অধিকার প্রাপ্তির দ্বারা বিশ্ব রাজ্যের অধিকারী হওয়া বাপদাদা আজ স্বরাজ্য অধিকারী শ্রেষ্ঠ আত্মাদের দিব্য দরবার দেখছেন l তোমরা শ্রেষ্ঠ আত্মারা, বিশ্ব রাজত্বের দরবার এবং স্বরাজ্য, উভয় দরবারের অধিকারী হও l স্বরাজ্য অধিকারীই বিশ্ব-রাজত্বের অধিকারী হয়ে ওঠে l এই ডবল নেশা সবসময় থাকে তোমাদের ? বাবার হওয়া অর্থাৎ অনেক অধিকারের প্রাপ্তি l কতো রকম অধিকার প্রাপ্ত করেছো, জানো তোমরা ? তোমাদের অধিকারের মালা স্মরণ করো l প্রথম অধিকার- তোমরা ঈশ্বরীয় সন্তান হয়েছো অর্থাৎ সর্বশ্রেষ্ঠ মাননীয় পূজন যোগ্য আত্মা হওয়ার অধিকার লাভ করেছো l বাবার বাচ্চা হওয়া ব্যতীত পূজ্য আত্মা হওয়ার অধিকার প্রাপ্ত হতে পারে না l সুতরাং, প্রথম অধিকার- তোমরা পূজন যোগ্য আত্মা হয়েছো l দ্বিতীয় অধিকার - জ্ঞান-ভান্ডারের মালিক হয়েছো অর্থাৎ অধিকারী হয়েছো l তৃতীয় অধিকার - সর্বশক্তি প্রাপ্তির অধিকারী হয়েছো l চতুর্থ অধিকার- সর্ব কর্মেন্দ্রিয়জিৎ স্বরাজ্য অধিকারী হয়েছো l এই সমস্ত অধিকারের সাথে তুমি মায়াজিৎ তথা জগৎজিত হয়ে, বিশ্ব রাজত্বের অধিকারী হও l সুতরাং, এই সকল অধিকার সদা তোমার স্মৃতিতে রেখে, তুমি সমর্থ আত্মা হয়ে ওঠো l এইরকম সমর্থ আত্মা হয়েছো তোমরা, তাই না ! স্বরাজ্য বা বিশ্বের রাজত্ব প্রাপ্ত করার জন্য বিশেষভাবে তিনটে বিষয়ের ধারণার মাধ্যমেই তোমরা সাফল্য অর্জন করতে পারো l যে কোনও শ্রেষ্ঠ কার্যের সাফল্যের আধার ত্যাগ, তপস্যা আর সেবা l এই তিন বিষয়ের আধারে সফলতা হবে কি হবে না, এই কোশ্চেন হতেই পারে না l যেখানে তিন বিষয়ের ধারণা আছে, সেখানে সেকেন্ডে সফলতা নিশ্চিত, এটা আগে থেকেই সম্পন্ন হয়ে আছে l ত্যাগ স্বীকার কোন বিষয়ে ? শুধু একটা বিষয়ের ত্যাগ, সহজে এবং স্বভাবতঃই সকল ত্যাগ করতে তোমাদের সমর্থ করে তুলবে l সেই ত্যাগ হলো, দেহ-অভিমানের ত্যাগ, যা সীমিত পরিসরের (হদ) আমিত্ব ভাবের ত্যাগ সহজে করিয়ে দেয় l হদের এই আমিত্ব ভাব তপস্যা আর সেবা থেকে তোমাকে বঞ্চিত রাখে l যেখানে সীমিত পরিসরের আমিত্ব ভাব থাকে, সেখানে ত্যাগ, তপস্যা আর সেবা হতেই পারে না l হদের 'আমি' আর 'আমার' বোধ, এই এক বিষয়ের ত্যাগ প্রয়োজন l যখন 'আমি' আর 'আমার' সমাপ্ত হয়ে গেছে তো বাকি কি থাকলো? যা বেহদের, *"আমি এক শুদ্ধ আত্মা"* আর *"আমার তো এক বাবা, দ্বিতীয় কেউ নেই"* l সুতরাং যখন বেহদের বাবা সর্বশক্তিমান তোমাদের সাথে আছেন, সেখানে তোমাদের সাফল্য নিশ্চিত l এই ত্যাগের দ্বারা তোমাদের তপস্যাও নিজে থেকেই সাফল্য লাভ করেছে, তাই না ! তপস্যা কি ? আমি একের l আমি শুধুমাত্র একের শ্রেষ্ঠ মত অনুসরণ করে চলি l এর দ্বার একরস স্থিতি নিজে থেকেই হয়ে যায় l সদা এক পরমাত্মার স্মৃতি থাকাই তপস্যা l একরস স্থিতিই তোমার শ্রেষ্ঠ আসন l কমল পুষ্পের মতো হওয়ার স্থিতিই তোমার তপস্যার আসন l ত্যাগের মাধ্যমে তপস্যাও নিজে থেকেই সফল হয়ে যায় l তোমরা যখন ত্যাগ আর তপস্যার প্রতিমূর্তি হয়ে যাবে, তখন কি করবে ? আপন ভাবের ত্যাগ অর্থাৎ আমিত্ব বোধ সমাপ্ত তখন হয়ে যাবে l একের ভালোবাসায় একনিষ্ঠ তোমরা যখন তপস্বী হয়ে যাও তো সেবা ব্যতীত তোমরা থাকতে পারো না l সীমিত পরিসরের এই 'আমি' আর 'আমার' তোমাদেরক প্রকৃত সেবা করতে দেয় না l ত্যাগী আর তপস্বীমূর্ত প্রকৃত সেবাধারী l 'আমি এই করেছি, আমি এইরকম', এই দেহ-ভাব যখন তোমাদের একটুও থাকে, তোমরা সেবাধারী হওয়ার পরিবর্তে কি হও? শুধু নামে মাত্র তোমরা সেবাধারী হও, প্রকৃত সেবাধারী হয়ে উঠতে পারো না l প্রকৃত সেবার ফাউন্ডেশন হলো ত্যাগ আর তপস্যা l এইরকম ত্যাগী তপস্বী সেবাধারী সদা সফলতার প্রতিমূর্তি l বিজয়, সাফল্য তাদের গলার মালা হয়ে যায় l জন্মসিদ্ধ অধিকারী হয়ে যায় l সুতরাং বাপদাদা বিশ্বের সকল বাচ্চাকে এই শিক্ষা দিচ্ছেন, ত্যাগী হও, তপস্বী হও, প্রকৃত সেবাধারী হও l আজকের দুনিয়া মৃত্যু ভয়ে পরিপূর্ণ l (ঝড় উঠেছে) প্রকৃতি অস্থির হলেও, তোমরা স্থির, (অনড়), তাই না ! তমোগুণী প্রকৃতির কাজ হলো অস্থিরতা তৈরি করা, আর তোমরা সব অনড় আত্মার কাজ প্রকৃতিকে পরিবর্তন করা l নাথিং নিউ ! যেভাবেই হোক, এই সবকিছু হওয়ারই আছে l অস্থিরতার মধ্যেই তো তোমরা অনড় থাকবে l সুতরাং, স্বরাজ্য দরবারের অধিকারী-অধিবাসী, তোমরা শ্রেষ্ঠ আত্মারা বুঝেছো ! এটাও রাজ্য দরবার, তাই না ! রাজযোগী অর্থাৎ স্ব-এর রাজা l রাজযোগী দরবার অর্থাৎ স্বরাজ্য দরবার l সবাই তোমরা রাজনেতা হয়ে গেছ, তাই না ! তারা দেশের রাজনেতা আর তোমরা স্বরাজ্য নেতা l নেতা অর্থাৎ যারা যথার্থ নীতি অনুসরণ ক'রে চলে l সুতরাং, তোমরা ধর্মনীতি, স্বরাজ্য নীতি অনুসরণকারী স্বরাজ্য নেতা l যথার্থ শ্রেষ্ঠ নীতিসমূহই শ্রীমৎ l শ্রীমতই যথার্থ নীতি l এই যথার্থ নিয়মনীতি অনুসরণকারীই সফল নেতা l বাপদাদা দেশের নেতাদের অভিনন্দিত করেন কারণ তারা অন্ততপক্ষে পরিশ্রম তো করেন, তাই না ! যদিও তাদের ভ্যারাইটি আছে, তবুও দেশের প্রতি ভালোবাসা আছে l "আমার রাজ্য অমর হোক" - এই ভাবনার সাথে তারা অন্ততঃ কর্তব্যকর্ম করে, তাই না ! "আমার ভারত মহান" - এই দেশভক্তি নিজে থেকেই কাজকর্ম (পরিশ্রম) করতে তাদের উৎসাহিত করে l এখন, সময় আসবে, যে সময়ে রাজ্য সত্ত্বা আর ধর্ম সত্ত্বা উভয়ই একসাথে আসবে, তখন বিশ্বমাঝে ভারতের জয়জয়কার হবে l ভারতই হবে লাইট হাউজ l ভারতের দিকেই সবার দৃষ্টি থাকবে l বিশ্ববাসীর অনুভূত হবে, ভারতই প্রেরণা ভূমি l ভারত অবিনাশী খন্ড, অবিনাশী বাবার অবতরণ ভূমি, সেইজন্য ভারতের মহত্ব সদা মহান l আচ্ছা l সবাই তোমরা সুইট হোমে পৌঁছে গেছ l বাপদাদা সব বাচ্চাকে এখানে আসার জন্য অভিনন্দিত করছেন l সুস্বাগতম্ ! বাবার ঘরের অলঙ্কার সুস্বাগতম্ l আচ্ছা l সাফল্যের নক্ষত্র সকলকে, সদা একরস স্থিতির আসনে স্থিত তপস্বী বাচ্চাদের, সদা এক পরমাত্মার পবিত্র স্মরণে থাকা মহান আত্মাদের, শ্রেষ্ঠ ভাবনা এবং শ্রেষ্ঠ কামনা করে এমন বিশ্ব কল্যাণকারী সেবাধারী বাচ্চাদের বাপদাদার স্মরণ-স্নেহ আর নমস্কার l *অব্যক্ত বাপদাদার সাথে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎকারঃ* বাবার ঘরে, আপনার নিজের ঘরে স্বাগত l বাবা জানেন যে সেবায় আপনার নিষ্ঠা খুব ভালো l কোটির মধ্যে মাত্র মুষ্টিমেয় এমন সেবাধারী আছেন, সেইজন্য সেবায় পরিশ্রমের জন্য আন্তরিক খুশির রূপে অবিরতভাবে প্রত্যক্ষ ফল প্রাপ্ত হতে থাকবে l সাফল্যের আধার এই পরিশ্রম l যদি সকল নিমিত্ত সেবাধারী এই কর্তব্যকর্মকে আপন করে নেয়, তবে ভারতের রাজ্য সদাই সাফল্য অর্জন করবে l সফলতা তো অবশ্যই লাভ হবে l এটা নিশ্চিত, কারণ যারা নিমিত্ত হয়, তারা সেবার প্রত্যক্ষ ফল লাভ করে এবং ভবিষ্যৎ ফলও লাভ করে l অতএব, আপনি সেবার নিমিত্ত l নিমিত্ত হওয়ার ভাব বজায় রেখে প্রতিনিয়ত সেবাতে এগিয়ে চলুন l যেখানে নিমিত্ত ভাব আছে, আমিত্বের ভাব নেই সেখানে নিরন্তর উন্নতি হবে l নিমিত্ত হওয়ার এই ভাব নিজে থেকেই শুভ কামনা, শুভ ভাবনার জাগরণ ঘটায় l আজ দুনিয়ায় শুভ কামনা, শুভ ভাবনা অনুপস্থিত, তার কারণ নিমিত্ত হওয়ার ভাব থাকার পরিবর্তে আমিত্ব ভাবের উপস্থিতি l যদি তারা নিজেদের নিমিত্ত ভাবে, তবে করাবনহার বাবাকেও বুঝবে l করণকরাবনহার স্বামী, যা কিছু শ্রেষ্ঠ সেটা করতেই প্রেরণা দেবেন l ট্রাস্টি হওয়ার পরিবর্তে তারা রাজ্যের গার্হস্থ্য প্রবৃত্তির হয়ে গেছে, গৃহস্থ হওয়াতে বোঝা হয় আর ট্রাস্টি ভাবে হালকা বোধ হয় l যতক্ষণ না পর্যন্ত হালকা হওয়া যায়, নির্ণয় শক্তি থাকতে পারে না l যদি আপনি ট্রাস্টি ভাব বজায় রাখেন তো আপনি হালকা আর আপনার নির্ণয় শক্তিও শ্রেষ্ঠ l অতএব, সদা ট্রাস্টি হয়ে থাকতে হবে l নিমিত্ত হওয়ার ভাব ফলদায়ী l এই ভাবনার ফল অবশ্যই পাওয়া যায় l নিমিত্ত হওয়ার এই ভাবনা আপনাকে সদা শ্রেষ্ঠ ফল দিতে থাকবে l সুতরাং, আপনার সঙ্গীদের স্মরণ করিয়ে দিতে হবে, নিমিত্ত হওয়ার এবং ট্রাস্টি হওয়ার ভাব বজায় রাখতে l তাহলে এই রাজনীতি সমগ্র বিশ্বের জন্য শ্রেষ্ঠ নীতি হয়ে যাবে l সারা বিশ্ব এই ভারতের রাজনীতির কপি করবে l যতোই হোক, এর আধার হলো, ট্রাস্টি হওয়ার ভাব অর্থাৎ নিমিত্ত ভাব l *কুমারদের সাথে বাপদাদাঃ* - কুমার অর্থাৎ যারা সর্বশক্তি এবং সর্ব ধনভান্ডার জমা করে অন্যদেরও শক্তিমান বানানোর সেবা করে l সদা এই সেবায় বিজি থাকো, তাই না! যদি বিজি থাকো তো উন্নতি হতে থাকবে l যদি তোমরা এতটুকুও ফ্রী হবে তো ব্যর্থ সঙ্কল্প চলবে l সমর্থ থাকতে বিজি থাকো l নিজেদের টাইমটেবল বানাও l তোমাদের শরীরের জন্য যেমন টাইমটেবল বানাও, সেইরকম বুদ্ধিরও টাইমটেবল বানাও l বুদ্ধিকে বিজি রাখতে প্ল্যান বানাও, তো বিজি থাকলে সদা উন্নতি হতে থাকবে l বর্তমান সময় অনুসারে কুমার জীবনে শ্রেষ্ঠ হওয়া খুব বড়ো ভাগ্য ! সদাসর্বদা ভাবো, তুমি শ্রেষ্ঠ ভাগ্যবান আত্মা l স্মরণ আর সেবার মধ্যে প্রতিনিয়ত ব্যালেন্স বজায় রাখো l যারা সদা এই ব্যালেন্স রাখে, তারা অবিরত ব্লেসিংস লাভ করে l আচ্ছা ! *বাছাই করা বিশেষ অব্যক্ত মহাবাক্যঃ* *পরমাত্ম ভালোবাসায় সদা লাভলীন থাকো* পরমাত্ম ভালোবাসা এক আনন্দময় দোলা, এই সুখদায়ী দোলায় দোলাকালীন নিরন্তর পরমাত্ম ভালোবাসায় থাকো তো কখনো কোনো বিপরীত পরিস্থিতি বা মায়ার বিপর্যয় তোমাদের সামনে আসতে পারে না l পরমাত্ম-প্রেম অসীম, অটল এবং এত আছে যে সবাই নিতে পারে l কিন্তু ঈশ্বরীয় ভালোবাসা প্রাপ্ত করার বিধি - নির্লিপ্ত হওয়া l যে যতো নির্লিপ্ত সে ততোই ঈশ্বরীয় ভালোবাসার অধিকারী l পরমাত্ম ভালোবাসায় নিমজ্জিত আত্মারা কখনও সীমিত পরিসরের (হদের ) প্রভাবে প্রভাবিত হয় না l সদা বেহদের সকল প্রাপ্তিতে মগ্ন থাকে, যা থেকে সদা রূহানিয়তের সৌরভ বাতাবরণে ছড়িয়ে পড়ে l ভালোবাসার নিদর্শন হলো, যার প্রতি তোমার অগাধ ভালোবাসা থাকে, তাকে তুমি সবকিছু দিয়ে দাও l বাচ্চাদের প্রতি বাবার এত ভালোবাসা যে ভালোবাসার রেসপন্স দিতে তিনি প্রতিদিন এত বড়ো পত্র লেখেন ! তিনি স্মরণ-স্নেহ দেন আর সাথী হয়ে প্রতিনিয়ত স্নেহের দায়িত্ব পরিপূর্ণ করেন l তাহলে তোমরা এই ভালোবাসায় সব দুর্বলতা বলিদান করো l বাচ্চারা, বাবা তোমাদের ভালোবাসেন বলে তিনি সবসময় বলেন, তোমরা যা-ই হও, যেমনই হও, তোমরা আমার l এইভাবে তোমরাও ভালোবাসায় লাভলীন থাকো আর অন্তর থেকে বলো, বাবা তুমি যেই হও, তুমিই সব l কখনও অসত্য রাজ্যের প্রভাবে প্রভাবিত হয়োনা l যে তোমার ভালোবাসার পাত্র, তাকে সচেতনভাবে স্মরণ করতে হয়না, তার স্মরণ আপনা থেকেই আসে l তোমাদের ভালোবাসা শুধু হৃদয়ের প্রকৃত আর নিঃস্বার্থ ভালোবাসা যেন হয় l যখন তুমি বলো, আমার বাবা, প্রিয় বাবা, তুমি তখন তাঁকে ভুলতে পারো না l আর বাবা ব্যতীত অন্য কোনও আত্মার থেকে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা তোমরা পাবে না l সেইজন্য কোনো উদ্দেশে তাঁকে স্মরণ কোরোনা, বরং নিঃস্বার্থ ভালোবাসায় লাভলীন থাকো l ঈশ্বরীয় ভালোবাসার অনুভাবী হলে, এই অনুভবের দ্বারা সহজ যোগী হয়ে নিরন্তর উড়তে থাকবে l পরমাত্ম ভালোবাসা ওড়ানোর সাধন l যারা উড়তে পারে, ধরণীর আকর্ষণে তারা আবদ্ধ হয় না l যতোই মায়ার আকর্ষণীয় রূপ হোক না কেন, যারা বিহঙ্গম(উড়তি কলা) কলায় আছে তাদের কাছে তা'পৌঁছাতে পারে না l পরমাত্ম ভালোবাসার ডোর দূর দূর থেকে তোমাদের এখানে টেনে আনে l এই ভালোবাসা তোমাদের এত সুখ দেয় যে, তোমরা যদি এক সেকেন্ডও এই ভালোবাসায় হারিয়ে যাও তো তোমরা সবরকম দুঃখ ভুলে যাবে l আর সদাকালের জন্য সুখদোলায় দুলতে শুরু করবে l জীবনে যা প্রয়োজন তা' যদি তোমাকে কেউ দিয়ে দেয়, সেটাই ভালোবাসার লক্ষণ l তোমরা সব বাচ্চার প্রতি বাবার এত ভালোবাসা আছে যে তোমাদের জীবনের সুখ-শান্তির সব কামনা তিনি পূর্ণ করে দেন l বাবা শুধু সুখই দেন না, বরং সুখের ভান্ডারের মালিক বানিয়ে দেন l সেইসঙ্গে তিনি তোমাদের শ্রেষ্ঠ ভাগ্যের রেখা টানার কলমও দেন, তোমরা যতোটা চাও, ভাগ্য তৈরি করতে পারো l এটাই পরমাত্ম ভালোবাসা l যে বাচ্চারা ঈশ্বরীয় প্রেমে সদা লাভলীন অর্থাৎ নিমগ্ন এবং আত্মহারা হয়, তাদের ঝলক আর আকুলতা, অনুভূতির কিরণ এত শক্তিশালী হয় যে কোনো সমস্যা তাদের থেকে শুধু দূরে থাকাই নয়, বরং চোখ তুলে তাদের দিকে তাকাতেও পারে না l তাদের কখনও কোনরকম কষ্ট থাকতে পারে না l বাচ্চাদের প্রতি বাপদাদার এত স্নেহ যে অমৃতবেলা থেকেই তোমাদের পালনা করেন l দিনের শুরুই কতো শ্রেষ্ঠ হয় l মিলন উদযাপন করতে স্বয়ং ঈশ্বর তোমাদের আহ্বান করেন, মনখোলা অন্তরঙ্গ (রূহরিহান) আলাপচারিতা করেন এবং শক্তিতে পূর্ণ করেন l বাবার স্নেহের গীত তোমাদের জাগিয়ে তোলে l কতো স্নেহের সাথে তোমাদের ডাকেন, জাগিয়ে তোলেন - মিষ্টি বাচ্চারা, প্রিয় বাচ্চারা এসো! ভালোবাসার এই পালনার প্র্যাকটিক্যাল স্বরূপ হলো, 'সহজ যোগী জীবন' l যার প্রতি ভালোবাসা থাকে, তার যা ভালো লাগে সাধারণতঃ তোমরা তাই করো l বাচ্চাদের আপসেট হওয়া বাবার ভালো লাগে না, সেইজন্য কখনো বোলোনা, কি করবো! ঘটনা প্রবাহ এমনই ছিলো, সেইজন্য আপসেট হয়ে গেছ l এমনকি, তোমাদের আপসেট হওয়ার মতো পরিস্থিতি যদি উদ্ভূত হয়ও, তবুও তোমরা আপসেট হওয়ার স্থিতিতে নিজেদের ঠেলে দিও না l তোমরা সব বাচ্চার প্রতি বাপদাদার ভালোবাসা এত গভীর যে তিনি মনে করেন বাচ্চারা সবাই তাঁর থেকে এগিয়ে l জাগতিক স্তরেও, যার প্রতি তোমাদের ভালোবাসা থাকে, তাকে তোমাদের সামনে এগিয়ে যেতে দাও l এটাই ভালোবাসার লক্ষণ l বাপদাদাও বলেন, আমার বাচ্চাদের মধ্যে এখন কোনও দুর্বলতা থাকে না, সবাই সম্পূর্ণ, সম্পন্ন আর সমান হয়ে যাও l দিনের শুরুতে, অমৃতবেলায় পরমাত্ম-স্নেহে আপন হৃদয় পূর্ণ করে নাও l পরমাত্ম-প্রেম, পরমাত্ম-শক্তি এবং পরমাত্ম-জ্ঞানে তোমাদের হৃদয় যদি পরিপূর্ণ থাকে, তবে কখনো কোনো বিষয়ে আকর্ষণ বা স্নেহের অনুভূতি হবে না l ঈশ্বরীয় প্রেম শুধুমাত্র একবার এই জন্মেই প্রাপ্ত হতে পারে l ৮৩ জন্ম দেবাত্মা বা সাধারণ আত্মার থেকেই ভালোবাসা পাওয়া যায়, কেবলমাত্র এখনই পরমাত্ম-ভালোবাসা তোমরা লাভ করতে পারো l আত্মার প্রতি ভালোবাসায় রাজ্যভাগ্যের লক্ষ্য ভ্রষ্ট হয়, কিন্তু পরমাত্ম-ভালোবাসা রাজ্যভাগ্য লাভ করতে তোমাদের সমর্থ বানায় l সুতরাং, এই ভালোবাসার অনুভূতিতে তন্ময় হয়ে থাকো l বাবার প্রতি প্রকৃত ভালোবাসা যদি থাকে, তার লক্ষণ হলো - সমান এবং কর্মাতীত হওয়া l করাবনহার হয়ে কর্ম করো এবং কর্ম করাও l তোমাদের কর্মেন্দ্রিয় কিছু করাবে, সেইরকম নয়, বরং তোমরা কর্মেন্দ্রিয় দিয়ে করাও l কখনও মন, বুদ্ধি, সংস্কারের বশবর্তী হয়ে কোনো কর্ম কোরোনা l বরদান:- নির্বল থেকে বলবান হয়ে অসম্ভবকে সম্ভব করে সাহসী আত্মা ভব "হিম্মতে বচ্চে মদতে বাপ" অর্থাৎ 'বাচ্চারা যখন সাহসী হয়, বাবা সহায় হন' - এই বরদানের আধারে তোমাদের প্রথম দৃঢ় সঙ্কল্প ছিল যে তোমরা পবিত্র হবে এবং বাবা তোমাদের লক্ষ-কোটি (পদমগুণা) অভাব মোচন (মদত) করেছেন l তিনি বলেছেন, তোমরা সব আত্মা অনাদি-আদি পবিত্র, বহুবার তোমরা পবিত্র হয়েছো আর হতেও থাকবে l পূর্বের অনেকবারের স্মৃতি দ্বারা তোমরা সমর্থ হয়েছো l নির্বল থেকে এত বলবান হয়েছো যে তোমরা চ্যালেঞ্জ করছো, বিশ্বকেও অবশ্যই পবিত্র করে সবাইকে দেখাবে, যা ঋষি, মুনি, মহান আত্মাগণ মনে করে প্রবৃত্তিতে থেকে পবিত্র থাকা কঠিন, সেটাই তোমরা বলো অতি সহজ l স্লোগান:- দৃঢ় সঙ্কল্প থাকাই ব্রত নেওয়া, প্রকৃত ভক্ত কখনো ব্রত ভাঙেনা* l
154 views
2 months ago
#

নিউ ইয়ারের মজা

06.01.2019   ஓம்சாந்தி  மதுபன் அவ்யக்த பாப்தாதா   ரிவைஸ் 08.04.1984,   சங்கமயுகத்தில் பிராப்தி ஆகியிருக்கும் அதிகாரம் மூலமாக உலக இராஜ்ய அதிகாரி ஆவது   இன்று பாப்தாதா சுயராஜ்ய அதிகாரி சிரேஷ்ட ஆத்மாக்களின் தெய்வீக தர்பாரை (இராஜசபை) பார்த்துக்கொண்டிருக்கிறார். உலக இராஜ்ய சபை மற்றும் சுயராஜ்ய சபை இரண்டின் அதிகாரிகளாக நீங்கள் சிரேஷ்ட ஆத்மாக்கள் ஆகிறீர்கள். சுயராஜ்ய அதிகாரி தான் உலக இராஜ்ய அதிகாரி ஆகிறார்கள். இந்த இரட்டை போதை எப்பொழுதும் இருக்கிறதா? தந்தையின் குழந்தை ஆவது என்றால் அனேக அதிகாரங்களை பிராப்தி செய்வது. எத்தனை விதமான அதிகாரங்களை பிராப்தி செய்திருக்கிறீர்கள் என்று தெரிந்திருக்கிறீர்களா? அதிகாரம் என்ற மாலையை நினைவு செய்யுங்கள். முதல் அதிகாரம் - பரமாத்மாவின் குழந்தையாக ஆகியிருக்கிறீர்கள் என்றால் மிக உயர்ந்த வந்தனத்திற்குரிய பூஜைக்குரிய ஆத்மா ஆவதற்கான அதிகாரத்தை அடைந்திருக்கிறீர்கள். தந்தையின் குழந்தை ஆகாமல் பூஜைக்குரிய ஆத்மா ஆவதற்கான அதிகாரம் பிராப்தி ஆக முடியாது. முதலில் அதிகாரம் பூஜைக்குரிய ஆத்மாவாக ஆகியிருக்கிறீர்கள். இரண்டாவது அதிகாரம் - ஞானத்தின் பொக்கிஷங்களின் அதிபதி ஆனீர்கள், அதாவது அதிகாரி ஆகியிருக்கிறீர்கள். மூன்றாவது அதிகாரம் - அனைத்து சக்திகளின் பிராப்தியின் அதிகாரி ஆகியிருக்கிறீர்கள். நான்காவது அதிகாரம் - அனைத்து கர்மேந்திரியங்களை வென்ற சுயராஜ்ய அதிகாரி ஆகியிருக்கிறீர்கள். இந்த அனைத்து அதிகாரங்கள் மூலமாக மாயாவை வென்றவர் ஆகி உலகை வென்ற உலகராஜ்ய அதிகாரி ஆகியிருக்கிறீர்கள். தன்னுடைய இந்த அனைத்து அதிகாரங்களை எப்பொழுதும் நினைவில் வைத்திருப்பவர் சக்திசாலியான ஆத்மா ஆகிவிடுகிறார். நீங்கள் அந்த மாதிரி சக்திசாலியாக ஆகியிருக்கிறீர்கள் இல்லையா?   சுயராஜ்யம் மற்றும் உலக இராஜ்யத்தை பிராப்தி செய்வதற்காக விஷேசமாக மூன்று விஷயங்களின் தாரணை மூலம் தான் வெற்றி அடைந்திருக்கிறீர்கள். எந்தவொரு சிரேஷ்ட காரியத்தின் வெற்றிக்கான ஆதாரம் தியாகம், தபஸ்யா. மற்றும் சேவை.. இந்த மூன்று விஷயங்களின் ஆதாரத்தில் வெற்றி இருக்குமா அல்லது இருக்காது என்ற இந்த கேள்வி எழ முடியாது. எங்கு இந்த மூன்று விஷயங்களின் தாரணைஇருக்குமோ, அங்கு ஒரு வினாடியில் வெற்றி கண்டிப்பாக இருக்கும். அது நிச்சயக்கப்பட்டது. எந்த விஷயத்தின் தியாகம்? ஒரு விஷயத்தின் தியாகம் மட்டும் மற்ற அனைத்து தியாங்களை சகஜமாக மற்றும் இயல்பாக செய்விக்கிறது. அந்த ஒரு தியாகம் - உடல் உணர்வின் தியாகம், அது எல்லைக்குட்பட்ட நான் என்பதின் தியாகத்தை சுலபமாக செய்வித்து விடுகிறது. இந்த எல்லைக்குட்பட்ட நான் என்பது தபஸ்யா மற்றும் சேவையில் இருந்து ஒருவரை வஞ்சிக்கப்பட்டவராக ஆக்கிவிடுகிறது. எங்கு எல்லைக்குட்பட்ட நான் என்பது இருக்கிறதோ, அங்கு தியாகம், தபஸ்யா மற்றும் சேவை இருக்க முடியாது. எல்லைக்குட்பட்ட நான், என்னுடையது என்ற இந்த ஒரு விசயத்தின் தியாகம் வேண்டும். நான் மற்றும் என்னுடையது இல்லையென்றால் வேறு என்ன மீதம் இருக்கிறது? எல்லைக்கு அப்பாற்பட்டது தான் இருக்கிறது. நான் ஒரு தூய்மையான சுத்தமான ஆத்மா மேலும் என்னுடையவரோ ஒரு தந்தையை தவிர வேறு யாருமில்லை. எங்கு எல்லைக்கு அப்பாற்பட்ட தந்தை சர்வசக்திவான் இருக்கிறாரோ, அங்கு வெற்றி எப்பொழுது உடன் இருக்கும். இதே தியாகம் மூலமாக தபஸ்யாவும் வந்துவிட்டது இல்லையா! தபஸ்யா என்றால் என்ன? நான் ஒருவருடையவன். ஒருவரின் சிரேஷ்ட வழிப்படி நடப்பவன், இதன் மூலம் ஒரே சீரான நிலை இயல்பாக வந்துவிடும். எப்பொழுதும் ஒரு பரமாத்மாவின் நினைவு என்ற இதுதான் தபஸ்யா. ஒரே சீரான நிலை என்பது தான் சிரேஷ்ட ஆசனம். தாமரை மலருக்கு சமமான நிலை தான் தபஸ்யாவின் ஆசனம். தியாகம் மூலம் தபஸ்யாவும் இயல்பாகவே வந்து விடுகிறது. எப்பொழுது தியாகம் மற்றும் தபஸ்யா சொரூபம் ஆகிவிட்டீர்கள் என்றால் என்ன செய்வீர்கள்? தன்னுடையது என்பதின் தியாகம் மற்றும் நான் என்பது முடிவடைந்து விட்டது. ஒருவரின் அன்பிலேயே மூழ்கியிருக்கும் தபஸ்வி ஆகிவிட்டீர்கள் என்றால், சேவையின்றி இருக்க முடியாது. இந்த எல்லைக்குட்பட்ட நான் மற்றும் என்னுடையது என்பது உண்மையான சேவை செய்ய விடாது. தியாகி மற்றும் தபஸ்வியாக இருப்பவர் உண்மையான சேவாதாரி. நான் இதைச் செய்தேன், நான் அப்படிப்பட்டவன் என்ற தேக உணர்வு கொஞ்சமாவது வந்து விட்டது என்றால், சேவாதாரிக்கு பதிலாக என்னவாகி விடுகிறார்? பெயரளவில் மட்டும் சேவாதாரி ஆகிவிடுகிறார், உண்மையான சேவாதாரி ஆவதில்லை. உண்மையான சேவாதாரியின் அஸ்திவாரம் தியாகம் மற்றும் தபஸ்யா. அந்த மாதிரி சேவாதாரி எப்பொழுதும் வெற்றி சொரூபமாக இருக்கிறார். வெற்றி அவருடைய கழுத்தின் மாலை ஆகிவிடுகிறது. பிறப்புரிமை உள்ளவராக ஆகிவிடுகிறார். எனவே உலகில் உள்ள அனைத்து குழந்தைகளுக்கும் தியாகி ஆகுங்கள், தபஸ்யா ஆகுங்கள். உண்மையான சேவாதாரி ஆகுங்கள் என்ற உயர்ந்த அறிவுரையை பாப்தாதா கொடுக்கின்றார்.   இன்றைய உலகம் மரண பயம் உள்ள உலகம். (புயல், சூறாவளி வந்தது) இயற்கை குழப்பத்தில் வந்திருக்கிறது, நீங்களோ உறுதியாக இருக்கிறீர்கள் இல்லையா! மிகவும் தமோகுண இயற்கையின் வேலை குழப்பம் செய்வது மேலும் உறுதியான ஆத்மாக்கள் உங்களுடைய வேலை இயற்கையையும் பரிவர்த்தனை செய்வது. ஒன்றும் புதிதல்ல. இவை அனைத்தும் நடந்தே தீரும். குழப்பம் இருந்தால் தானே நீங்கள் உறுதியானவர் ஆவீர்கள். எனவே சுயராஜ்ய அதிகாரி தர்பாரில் இருக்கும் ஆத்மாக்கள் புரிந்துக்கொண்டீர்களா? இதுவும் அதாவது இராஜ்ய சபை தான் இல்லையா! இராஜயோகி என்றால் சுயத்தின் இராஜா. இராஜயோகி சபை என்றால் சுயராஜ்ய சபை. நீங்களும் அனைவரும் கூட அரசியல் தலைவர்கள் ஆகிவிட்டீர்கள் இல்லையா! அவர்கள் தேசத்தின் அரசியல் தலைவர்கள், நீங்களோ சுயராஜ்யத்தின் தலைவர்கள். தலைவர் என்றால் நீதிப்படி நடப்பவர்கள், அதேமாதிரி நீங்கள் தர்ம நீதி, சுயராஜ்ய நீதிப்படி நடக்கும் சுயராஜ்ய தலைவர்கள். யதார்த்த சிரேஷ்ட நீதி என்றால் ஸ்ரீமத். ஸ்ரீமத் தான் யதார்த்த (சரியான) நீதி. இந்த நீதிப்படி நடப்பவர்கள் வெற்றியடையும் தலைவர்கள்.   பாப்தாதா தேசத்தின் தலைவர்களுக்கும் வாழ்த்துக்கள் கூறுகிறார், ஏனென்றால் இருந்தும் கடுமையாக உழைக்கவோ செய்கிறார்கள் தான் இல்லையா! விதவிதமானவர்களோ இருக்கிறார்கள். இருந்தும் தேசத்திற்காக முழு ஈடுபாடு இருக்கிறது. நம்முடைய இராஜ்யம் நீண்ட காலம் இருக்க வேண்டும் என்ற இந்த ஈடுபாட்டுடன் கடுமை உழைப்பையோ செய்கிறார்கள் தான் இல்லையா? நம்முடைய பாரதம் உயர்ந்ததாக இருக்க வேண்டும் என்ற இந்த ஈடுபாடு இயல்பாகவே உழைக்க வைத்துவிடும். இப்பொழுது அந்த மாதிரி நேரமும் வரும் எப்பொழுது அரசியல் தலைவர்கள், மதத் தலைவர்கள் இருவரும் உடன் இருப்பார்கள், அப்பொழுது உலகில் பாரதத்தின் வெற்றி முழக்கம் ஏற்படும். பாரதம் தான் கலங்கரை விளக்காக இருக்கும். பாரதத்தின் பக்கம் அனைவரின் பார்வை இருக்கும். பாரதத்தைத் தான் முழு உலகமும் பிரேரணை கொடுக்க கூடியது என்ற அனுபவம் செய்வார்கள். பாரதம் அழியாத தேசம். அழியாத தந்தையின் அவதார பூமி எனவே பாரதத்தின் மகத்துவம் எப்பொழுதும் மகான் ஆனது. நல்லது.   அனைவரும் தன்னுடைய இனிமையான இல்லத்திற்கு வந்து சேர்ந்து விட்டீர்கள். பாப்தாதா அனைத்து குழந்தைகளுக்கும் வந்ததற்காக வாழ்த்துகள் தெரிவிக்கிறார். வருக வருக, என்று வரவேற்கிறார். தந்தையின் வீட்டின் அலங்காரங்கள் உங்களை வரவேற்கிறோம். நல்லது.   அனைத்து வெற்றி நட்சத்திரங்களுக்கு, எப்பொழுதும் ஒரே சீரான நிலை என்ற ஆசனத்தில் நிலைத்திருக்கும் தபஸ்வி குழந்தைகளுக்கு, எப்பொழுதும் ஒரு பரமாத்மாவின் சிரேஷ்ட நினைவில் இருக்கக் கூடிய மகான் ஆத்மாக்களூக்கு, சிரேஷ்ட பாவனை, சிரேஷ்ட விருப்பங்கள் வைக்கக் கூடிய உலக நன்மை செய்யும் குழந்தைகளுக்கு பாப்தாதாவின் அன்பு நினைவுகள் மற்றும் நமஸ்காரம்.   அவ்யக்த பாப்தாதாவுடன் குஜராத் மாநிலத்தின் முதல் அமைச்சர் சந்திப்பு: தந்தையின் வீட்டிற்கு மற்றும் தன்னுடைய வீட்டிற்கு வந்திருக்கிறீர்கள். சேவையில் உள்ள ஈடுபாடு மிக நன்றாக இருக்கிறது என்று தந்தை தெரிந்திருக்கிறார். கோடியில் சிலர் தான் அந்த மாதிரி சேவாதாரிகளாக இருக்கிறார்கள் எனவே சேவையின் உழைப்பினால் மனதில் ஏற்படும் குஷி பிரத்யக்ஷ பலனின் ரூபத்தில் எப்பொழுதும் கிடைத்துக் கொண்டேயிருக்கும். இந்த உழைப்பு வெற்றிக்கான ஆதாரம். ஒருவேளை அனைத்து பொறுப்பிலிருக்கும் சேவாதாரிகள் நன்றாக உழைத்தார்கள் என்றால், பாரத அரசாங்கம் எப்பொழுதுமே வெற்றி அடைந்து கொண்டேயிருக்கும். வெற்றியோ கண்டிப்பாக கிடைக்கும். இது உறுதியானது, ஆனால் யார் பொறுப்பாளர் ஆகிறார்களோ, பொறுப்பாளர் ஆபவருக்கு சேவையின் பிரத்யக்ஷ பலன் மற்றும் எதிர்கால பலன் பிராப்தி ஆகிறது. அப்படி நீங்கள் சேவையின் பொறுப்பாளர். பொறுப்புணர்வு வைத்து எப்பொழுதும் சேவையில் முன்னேறி சென்று கொண்டேயிருங்கள். எங்கு பொறுப்பாளர் என்ற உணர்வு, கருவி என்ற உணர்வு இருக்கிறதோ, நான் என்ற உணர்வு இல்லையோ, அங்கு எப்பொழுதும் முன்னேற்றத்தை அடைந்து கொண்டேயிருப்பார்கள். இந்த பொறுப்புணர்வு இயல்பாகவே சுபபாவணை மற்றும் சுப விருப்பங்களை விழிப்படைய வைக்கிறது, இன்று சுபபாவனை, சுப விருப்பங்கள் இல்லை அதன் காரணமாக பொறுப்புணர்விற்கு பதிலாக நான் என்பது வந்துவிட்டது. ஒருவேளை கருவி என்று புரிந்துக்கொண்டார்கள் என்றால் செய்விப்பவர் தந்தை என்று புரிந்து கொள்வார். செய்பவர் செய்விப்பவர் சுவாமி எப்பொழுதுமே உயர்ந்தாகத் தான் செய்விப்பார். தான் ஒரு டிரஸ்டி என்பதற்குப் பதிலாக இராஜ்யத்தின் குடும்பத்தின் குடும்பஸ்தன் ஆகிவிட்டால், குடும்பஸ்தனுக்கு சுமையிருக்கும் மேலும் டிரஸ்டி என்பதில் இலேசான நிலை இருக்கும். எதுவரை சுமையற்று இலேசானவராக இல்லையோ, அதுவரை முடிவெடுக்கும் சக்தியும் இருக்காது. டிரஸ்டியாக இருந்து சுமையற்றவராக இருக்கிறார் என்றால், முடிவெடுக்கும் சக்தி சிரேஷ்டமானதாக இருக்கும், எனவே எப்பொழுதும் நான் டிரஸ்டி. கருவி என்ற பாவனை பலன் கொடுக்கும். பாவனைக்கான பலன் கிடைக்கிறது. இந்த கருவி என்ற பாவனை எப்பொழுதும் சிரேஷ்ட பலனைக் கொடுத்துக் கொண்டேயிருக்கும். எனவே உங்கள் உடன் இருக்கும் சக அமைச்சர் களுக்கும் நான் ஒரு கருவி என்ற உணர்வை, டிரஸ்டி என்ற உணர்வை வையுங்கள் என்ற நினைவூட்டுங்கள். இந்த அரசு கடமைகள் செய்யும் முறை உலகிற்காக உயர்ந்த வழி காட்டுதல் ஆகிவிடும். முழு உலகமும் பாரதத்தின் இந்த அரசு கடமை செய்யும் முறையை அப்படியே பின்பற்றி செய்வார்கள். ஆனால் இதற்கான ஆதாரம் டிரஸ்டி என்ற உணர்வு அதாவது கருவி என்ற உணர்வு.   குமாரர்களுடன் சந்திப்பு: குமார் என்றால் அனைத்து சக்திகளை, அனைத்து பொக்கிஷங்களை சேமிப்பு செய்து மற்றவர்களையும் சக்தி நிறைந்தவராக ஆக்கும் சேவை செய்பவர். எப்பொழுதுமே இதே சேவையில் பிஸியாக இருக்கிறீர்கள் தான் இல்லையா? பிஸியாக இருந்தீர்கள் என்றால் முன்னேற்றம் ஏற்பட்டுக் கொண்டேயிருக்கும். ஒருவேளை கொஞ்சமாவது ஒய்வாக இருக்கிறீர்கள் என்றால் வீணானவை இருக்கும், சக்திசாலியாக இருப்பதற்காக பிஸியாக இருங்கள். தன்னுடைய கால அட்டவணையைத் தயாரியுங்கள். எப்படி உடலுக்கான கால அட்டவணை தயாரிக்கிறீர்கள் அதேபோன்று புத்தியின் கால அட்டவணையைத் தயாரியுங்கள். புத்தியால் பிஸியாக இருப்பதற்கான திட்டத்தை உருவாக்குங்கள். பிஸியாக இருப்பதினால் எப்பொழுதும் முன்னேற்றத்தை அடைந்து கொண்டேயிருப்பீர்கள். இன்றைய காலத்திற்கு ஏற்றப்படி குமார வாழ்க்கையில் சிரேஷ்டமாக ஆவது மிகப் பெரிய பாக்கியம். நான் சிரேஷ்ட பாக்கியம் நிறைந்த ஆத்மா என்ற இதையே எப்பொழுதும் நினையுங்கள். நினைவு மற்றும் சேவைக்கான சமநிலையை எப்பொழுதும் வையுங்கள். சமநிலை வைப்பவர்களுக்கு எப்பொழுதும் ஆசீர்வாதம் கிடைத்துக் கொண்டேயிருக்கும். நல்லது.   தேர்ந்தெடுக்கப்பட்ட விசேஷ அவ்யக்த மகாவாக்கியம் : பரமாத்மா அன்பில் எப்பொழுதும் மூழ்கியிருங்கள். பரமாத்மாவின் அன்பு ஆனந்தம் நிறைந்த ஊஞ்சல், இந்த சுகம் நிறைந்த ஊஞ்சலில் ஆடிக்கொண்டே எப்பொழுதும் பரமாத்மாவின் அன்பில் முழ்கியிருந்தீர்கள் என்றால் ஒருபொழுதும் ஏதாவது பிரச்சினையோ அல்லது மாயாவின் குழப்பமோ வர முடியாது. பரமாத்மாவின அன்பு அளவற்றது, இடைவிடாது கிடைப்பது, அந்தளவு இருக்கிறது, அது அனைவருக்கும் கிடைக்க முடியும். ஆனால் பரமாத்மாவின் அன்பைப் பெறுவதற்கான விதி - விலகியிருப்பவராக ஆவது. யார் எந்தளவு விலகியிருக்கிறரோ, அந்தளவிற்கு பரமாத்மாவின் அன்பிற்கு உரியவர் ஆகிறார். பரமாத்மாவின் அன்பில் மூழ்கியிருக்கும் ஆத்மாக்கள் ஒருபொழுதும் எல்லைக்குட்பட்ட பிராவத்தில் வர முடியாது, எப்பொழுதும் எல்லைக்கப்பாற்பட்ட பிராப்தியில் மூழ்கியிருப்பார். அவரிடமிருந்து எப்பொழுதும் ஆன்மீகத்தின் நறுமணம் வரும். அன்பின் அடையாளமே யார் மேல் அன்பு ஏற்படுகிறதோ, அவர் மீது அனைத்தையும் அர்ப்பணம் செய்துவிடுவர். தந்தைக்கு குழந்தைகள் மேல் அந்தளவு அன்பு இருக்கிறது, அதனால் தினசரி அன்பிற்கான பிரதிபலன் கொடுப்பதற்காக இவ்வளவு பெரிய கடிதம் எழுதுகிறார். அன்பு நினைவு கொடுக்கிறார் மற்றும் துணைவன் ஆகி எப்பொழுதும் துணையை வைத்து நடந்துகொள்கிறார். எனவே இந்த அன்பில் தன்னுடைய அனைத்து பலஹீனங்களை அர்ப்பணம் செய்து விடுங்கள். தந்தைக்கு குழந்தைகள் மேல் அன்பு இருக்கிறது, எனவே குழந்தைகளை நீங்கள் என்னவாக இருக்கிறீர்களோ, எப்படி இருக்கிறீர்களோ, என்னுடைய குழந்தைகள் என்று எப்பொழுதும் கூறுகிறார். அதேபோல் நீங்களும் எப்பொழுதும் அன்பில் மூழ்கியிருங்கள் மேலும் உள்ளப்பூர்வமாக பாபா நீங்கள் என்னவாக இருக்கிறீர்களோ எனக்கு அனைத்தும் நீங்கள் தான் என்று கூறுங்கள். ஒருபொழுதும் அசத்தியத்தின் இராஜ்யத்தின் பிரபாவத்தில் வராதீர்கள். யார் அன்பானவராக இருப்பரோ, அவரை நினைவு செய்யப்படுவதில்லை, அவரின் நினைவு இயல்பாக வரும். ஆனால் அன்பு உள்ளபூர்வமானதாக, உண்மை யானதாக மற்றும் சுயநலமற்றதாக இருக்க வேண்டும். எப்பொழுது நீங்கள் என்னுடைய பாபா, அன்பான பாபா என்று கூறுகிறீர்களோ, அன்பானவரை ஒருபொழுதும் மறக்க முடியாது, மேலும் சுயநலமற்ற அன்பு தந்தையிடமிருந்து தவிர வேறு எந்த ஆத்மாவிடமிருந்தும் கிடைக்க முடியாது, எனவே ஒருபொழுதும் ஏதாவது தேவைக்காக நினைவு செய்யாதீர்கள். சுயநலமற்ற அன்பில் மூழ்கியிருங்கள். பரமாத்மாவின் அன்பின் அனுபவசாஆனீர்கள் என்றால், இதே அனுபவம் மூலம் சகஜயோகி ஆகி பறந்து கொண்டேயிருப்பீர்கள். பரமாத்மாவின் அன்பு பறப்பதற்கான சாதனம். பறப்பவர் ஒருபொழுதும் பூமியின் கவர்ச்சியில் வரமுடியாது. மாயாவின் எவ்வளவுதான் கவர்ச்சி செய்யும் ரூபமாக இருந்தாலும், ஆனால் அந்தக் கவர்ச்சி பறக்கும் கலை உள்ளவரைச் சென்றடைய முடியாது. இந்த பரமாத்மாவின் அன்பு என்ற கயிறு தூரத்திலிருந்தே இழுத்து வந்து விடுகிறது. இது அந்த மாதிரி சுகம் அளிக்கும் அன்பு, இந்த அன்பில் ஒரு வினாடியாவது யாராவது மூழ்கி விட்டார் என்றால், அவருடைய துக்கம் மறந்து விடும், மேலும் எப்பொழுதும் சுகத்தின் ஊஞ்சலில் ஆடத்தொடங்கி விடுவார். வாழ்க்கையில் எது வேண்டுமோ, ஒருவேளை அதை யாராவது கொடுத்துவிட்டார் என்றால், அது தான் அன்பின் அடையாளமாக இருக்கும். எனவே தந்தைக்கு குழந்தைகள் உங்கள் மீது அந்தளவு அன்பு இருக்கிறது, அவர் வாழ்க்கையின் சுகம், சாந்திக்கான அனைத்து மன விருப்பங்களை நிறைவேற்றி விடுகிறார். தந்தை சுகம் மட்டும் கொடுக்கவில்லை, ஆனால் சுகத்தின் களஞ்சியத்தின் அதிபதியாக ஆக்கிவிடுகிறார். கூடவே சிரேஷ்ட பாக்கிய ரேகையை போடுவதற்கான எழுதுகோலையும் கொடுக்கிறார். எந்தளவு விரும்புகிறீர்களோ, அந்தளவு பாக்கியத்தை உருவாக்கிக் கொள்ள முடியும். இது தான் பரமாத்மாவின் அன்பு. எந்தக் குழந்தைகள் பரமாத்மாவின் அன்பில் எப்பொழுதும் மூழ்கி தன்னை மறந்து இருக்கிறார்களோ அவர்களுடைய பொலிவு மற்றும் ஜொலிப்பு, அனுபவங்களின் கிரணங்கள் அந்தளவு சக்திசாலியாக இருக்கும், அதன் காரணமாக எந்தவொரு பிரச்சனையும் அருகில் வருவதோ, தூரமான விஷயம் ஆனால் கண்ணா ஏறிட்டுக் கூட பார்க்க முடியாது. அவருக்கு ஒருபொழுதும் எந்த விதமான கடின உழைப்பும் இருக்க முடியாது.   தந்தைக்கு குழந்தைகள் மீது அந்தளவு அன்பு இருக்கிறது, அதன் காரணமாக அவர் அமிர்தவேளையில் இருந்தே குழந்தைகளை பாலனை செய்கிறார். நாளின் ஆரம்பமே எவ்வளவு சிரேஷ்டமாக இருக்கிறது! சுயம் பகவான் சந்திப்பதற்காக அழைக்கிறார், ஆன்மீக உரையாடல் செய்கிறார், சக்திகளை நிரப்புகிறார். தந்தையின் அன்பின் பாடல் உங்களை எழுப்புகிறது. எவ்வளவு அன்பாக அழைக்கிறார், எழுப்புகிறார்- இனிமையான குழந்தைகளே, அன்பான குழந்தைகளே வாருங்கள்.. இந்த அன்பின் பாலனையின் நடைமுறை சொரூபம் சகஜயோகி வாழ்க்கை. யார் மேல் அன்பு இருக்கிறதோ, அவருக்கு என்ன பிடிக்குமோ அதைத் தான் செய்வார்கள். தந்தைக்கு குழந்தைகள் நிலைகுலைந்து போவது பிடிப்பதில்லை, எனவே ஒருபொழுதும் என்ன செய்வது, விசயமே அப்படி இருந்தது, எனவே நிலைகுலைந்து போய்விட்டேன் என்று கூறாதீர்கள். ஒருவேளை நிலைகுலையும் விசயம் வந்தாலும் கூட நீங்கள் நிலைகுலைந்த நிலையில் வராதீர்கள்.   பாப்தாதாவிற்கு குழந்தைகள் மேல் அந்தளவு அன்பு இருக்கிறது, அதனால் ஒவ்வொரு குழந்தையும் தன்னை விடவும் முன்னுக்கு செல்லட்டும் என்று நினைக்கிறார். உலகத்தில் கூட யார் மேல் அதிக அன்பு இருக்குமோ, அவரை தன்னை விடவும் முன்னேறச் செய்வார். இது தான் அன்பின் அடையாளம். பாப்தாதாவும் என்னுடைய குழந்தைகளில் இப்பொழுது எந்தக் குறையும் இருக்க கூடாது, அனைவரும் சம்பூர்ணமாக, சம்பன்னமாக மேலும் சமமாக ஆகிவிட வேண்டும் என்று கூறுகிறார். தொடக்க காலம் அமிர்தவேளையில் தன்னுடைய இதயத்தில் பரமாத்மாவின் அன்பை சம்பூர்ண ரூபத்தில் தாரணை செய்துவிடுங்கள். ஒருவேளை இதயத்தில் பரமாத்மாவின் அன்பு, பரமாத்மாவின் சக்திகள், பரமாத்மாவின் ஞானம் முழுமையாக இருக்கிறது என்றால் ஒருபொழுதும் எந்தப் பக்கத்திலும் பற்றுதலும் மற்றும் அன்பும் செல்ல முடியாது.   இந்த பரமாத்மாவின் அன்பு இந்தவொரு ஜென்மத்தில் தான் பிராப்தி ஆகிறது..83 ஜென்மங்கள் தேவ ஆத்மாக்கள் மற்றும் சாதாரண ஆத்மாக்கள் மூலமாகத் தான் அன்பு கிடைத்தது, இப்பொழுது மட்டும் தான் பரமாத்மாவின் அன்பு கிடைக்கிறது. ஆத்மாவின் அன்பு இராஜ்ய பாக்கியத்தை இழக்க வைக்கிறது, மேலும் பரமாத்மாவின் அன்பு இராஜ்ய பாக்கியத்தை கொடுக்கிறது. எனவே இந்த அன்பில் மூழ்கி இருங்கள். தந்தை மீது உண்மையான அன்பு இருக்கிறது என்றால் அன்பின் அடையாளம் சமமானவராக, கர்மாதீத் ஆனவராக ஆகுங்கள். செய்விப்பவர் ஆகி காரியம் செய்யுங்கள். செய்வியுங்கள். கர்மேந்திரியங்கள் உங்கள் மூலம் செய்விக்க வேண்டாம், ஆனால் நீங்கள் கர்மேந்திரியங்கள் மூலம் செய்வியுங்கள். ஒருபொழுதும் மனம், புத்தி, சம்ஸ்காரங்களின் வசமாகி எந்தவொரு காரியமும் செய்யாதீர்கள்.   வரதானம்: பலமற்றவரிலிருந்து பலம் நிறைந்தவர் ஆகி நடக்க முடியாததையும் நடத்திக் காட்டக் கூடிய தைரியம் நிறைந்த ஆத்மா ஆகுக.   தைரியம் உள்ள குழந்தைகளுக்கு தந்தையின் உதவி இருக்கிறது. என்ற இந்த வரதானத்தின் ஆதாரத்தில் தைரியத்தின் முதல் திட எண்ணமாக நான் கண்டிப்பாக தூய்மை ஆக வேண்டும் என்பதை வைத்தீர்கள், மேலும் தந்தை நீங்கள் ஆத்மாக்கள் அனாதி - ஆதி தூய்மையானவர்கள் - அனேக தடவைகள் தூய்மையாகி இருக்கிறீர்கள், மேலும் ஆகிக் கொண்டேயிருப்பீர்கள் என்ற உதவி செய்தார். அனேக தடவையின் நினைவு மூலம் சக்திசாலி ஆகி விட்டீர்கள். பலமற்றவரிலிருந்து அந்தளவு பலம் நிறைந்தவராக ஆகிவிட்டீர்கள், அதனால் உலகத்தை அவசியம் தூய்மையாக்கி காண்பிப்போம் என்று சவால் விடுகிறீகள். எதை இல்லறத்தில் இருந்துக்கொண்டே தூய்மையாக இருப்பது கடினம் என்று ரிஷி, முனி, மகான் ஆத்மாக்கள் நினைக்கிறார்களோ, அதை நீங்கள் மிக சுலபம் என்று கூறுகிறீர்கள்.   சுலோகன்: திட எண்ணம் வைப்பது தான் விரதம் இருப்பது, உண்மையான பக்தன் ஒருபொழுதும் விரதத்தை துண்டிப்பதில்லை.   பிரம்மா பாபாவிற்கு சமமாக ஆவதற்காக விசேஷ முயற்சி   எப்படி பிரம்மா பாபா சாதாரண ரூபத்தில் இருந்தும் அசாதாரண மற்றும் ஆன்மீக நிலையில் இருந்தார். அந்தமாதிரி தந்தையைப் பின்பற்றி செய்யுங்கள். எப்படி நட்சத்திரங்களின் கூட்டத்தில் விசேஷ நட்சத்திரமாக இருப்பதின் ஜொலிப்பு மற்றும் மின்மினுப்பு தூரத்தில் இருந்தே வேறுபட்டதாகவும், மிகவும் பிடித்தமானதாகவும் இருக்கும், அதேபோல் நட்சத்திரங்களாகிய நீங்களும் சாதாரண ஆத்மாக்களின் மத்தியில் விசேஷ ஆத்மாக்களாகத் தென்படுங்கள்.   ஓம்சாந்தி
135 views
2 months ago
#

নিউ ইয়ারের মজা

06/01/19 Madhuban Avyakt BapDada Om Shanti 08/04/84 By attaining the rights of the confluence age you become one who has a right to the kingdom of the world. Today, BapDada is seeing the divine court of the elevated souls who have claimed a right to be self-sovereigns. You elevated souls become those who have a right to the court of the kingdom of the world and the court of self-sovereigns. Only those who have the right to be self-sovereigns have a right to the kingdom of the world. Do you constantly have this double intoxication? To belong to the Father means to claim innumerable rights. Do you know how many types of right you have claimed? Remember the rosary of your rights. The first right is that you have become a child of God, that is, you have each claimed the right to become a most elevated soul who is worthy of respect and worship. You cannot claim a right to be a soul worthy of worship without first becoming a child of the Father. Therefore, the first right is that you have become a soul worthy of being worshipped. The second right is that you have become a master of the treasures of knowledge, that is, you have claimed all rights. The third right is that you have claimed a right to all powers. The fourth right is that you have become a self-sovereign who has conquered all your physical organs. With all of these rights, you have become a conqueror of Maya and thereby a conqueror of the world, one who has a right to the kingdom of the world. So, by constantly keeping all of these rights in your awareness, you have become a powerful soul. You have become powerful in this way, have you not? You can achieve success in attaining self-sovereignty and the kingdom of the world by especially imbibing three things. The basis of success in any elevated task is renunciation, tapasya and service. On the basis of these three, there can be no question as to whether there will be success or not. Success in a second is guaranteed when all of these three are imbibed - it is already accomplished. Renunciation of what? The renunciation of just one thing easily and naturally enables you to renounce everything else. That one renunciation is the renunciation of the consciousness of the body, which easily makes you renounce the consciousness of any limited "I". This consciousness of any limited "I" stops you from doing tapasya and service. Where there is the consciousness of a limited "I", there cannot be renunciation, tapasya or service. The renunciation of one thing is needed and that is the consciousness of any limited "I" and "mine". What else remains when "I" and "mine" have ended? That which is unlimited. I am a pure soul and mine is the one Father and none other. So, when you have the unlimited Father, the Almighty Authority, with you, success is guaranteed for you. With this renunciation, your tapasya is also automatically achieved. What is tapasya? I belong to the One; I only follow the elevated directions of the One. It is with this that your stage automatically becomes constant and stable. Constantly to have the awareness of the one God is tapasya. A constant and stable stage is your elevated seat. The stage of being like a lotus flower is your seat of tapasya. Through renunciation, your tapasya is automatically achieved. When you have become an embodiment of renunciation and tapasya, what will you do? To renounce the consciousness of the self, means that the consciousness of "I" has ended. You become tapaswis who are lost in the love of One and you cannot then stay without doing service. Any limited "I" and "mine" don't allow you to do true service. Those who are embodiments of renunciation and tapasya are real servers. When you have the slightest consciousness of the body, "I did this", "I am like this", what do you become instead of being a server? You become a server in name only; you don't become a true server. The foundation of real service is renunciation and tapasya. Those who are such renunciates, tapaswi servers, are constant embodiments of success. Victory and success become the garland around their necks. They become those who have this as a birthright. Therefore, BapDada is giving all the children of the world these elevated teachings: Become a renunciate, become a tapaswi and become a real server. Today's world is a world filled with the fear of death. (There were storms.) Even though there is upheaval of the elements of nature, you are unshakeable, are you not? The duty of the tamoguni elements of nature is to create upheaval and the duty of you unshakeable souls is to transform the elements of nature. Nothing new! All of this is to happen anyway. It is only through upheaval that you will become unshakeable. So, have you elevated souls who are residents of the court and self-sovereigns, understood? This too is a royal court, is it not? “Raja Yogis” means those who are kings of the self. “A court of Raja Yogis” means a court of those who are self-sovereigns. All of you have also become political leaders, have you not? They are political leaders of their country and you are leaders of the self. A leader means one who conducts everything according to the right principles. Therefore, you are the leaders of the self who follow the principles of religion and kingdom. Accurate, elevated principles are shrimat. Elevated directions are the right moral principles. Those who follow these moral principles are successful leaders. BapDada is congratulating the leaders of the world because they are at least making effort, although there is a variety of them. At least they have love for their country. At least they make effort with the thought that their kingdom should remain forever. Their love for keeping their Bharat elevated is automatically inspiring them to make effort. Now, the time will come when both the authority of the kingdom and the authority of religion will come together. There will then be cries of the victory of Bharat throughout the whole world. Bharat will be the lighthouse. Everyone's vision will be on Bharat. Everyone will experience Bharat to be the land of inspiration. Bharat is the imperishable land. It is the land of the incarnation of the eternal Father. This is why the praise of Bharat is always great. Achcha. All of you have reached your sweet home. BapDada congratulates all the children for coming here. Welcome! The decoration of the Father's home is welcome. Achcha. To all the stars of success who remain constantly stable on the seat of a constant and stable stage, to the tapaswi children, the great souls who always stay in remembrance of the one Supreme, to the world benefactor, serviceable children who have elevated good wishes and elevated pure feelings, BapDada's love, remembrance and namaste. BapDada meeting the Chief Minister of Gujarat: Welcome to the Father's home and your home! The Father knows that you very much love doing service. Only a handful out of multimillions are such servers and this is why you will constantly continue to receive the instant fruit for the hard work you do in service in the form of internal happiness. This effort is the basis of success. If all instrument servers make this effort, the kingdom of Bharat will constantly continue to achieve success. You are definitely to receive success. This is guaranteed, because those who become instruments definitely receive the instant fruit of service and also receive fruit in the future. Therefore, you are an instrument for service. Have the consciousness of being an instrument and constantly continue to move forward in service. Where there is the consciousness of being an instrument and there isn't any consciousness of "I", there will constantly be progress. This feeling of being an instrument automatically awakens good wishes and pure feelings. The reason why there aren't good wishes and pure feelings in the world today is that, instead of having the feelings of being instruments, there is the consciousness of "I". If they considered themselves to be instruments, they would also understand the Karavanhar Father. Karankaravanhar Swami (Lord who acts and inspires others to act) will always inspire you to do what is elevated. Instead of being trustees, they have become householders of the kingdom. There is a burden in being a householder and lightness in being a trustee. Unless you become light, you cannot have decision-making power. If you are a trustee, you are light and your decision-making power is also elevated. Therefore, always be a trustee. The consciousness of being an instrument is fruitful. You definitely receive the fruit of this awareness. This feeling of being an instrument will always continue to give you elevated fruit. Therefore, remind all your companions to have the consciousness of being an instrument and a trustee. These principles of the kingdom will become the elevated principles for the whole world. The whole world will copy the principles of the Government of Bharat. However, the basis of this is the consciousness of being a trustee, that is, of being an instrument. BapDada speaking to Kumars: “Kumars” means those who accumulate all powers and all treasures and do the service of making others powerful. You are constantly busy doing this service, are you not? If you remain busy, there will continue to be progress. When you are even a little free, there are wasteful thoughts. Remain busy in order to remain powerful. Make your own timetable. Just as you make a timetable for your body, in the same way, also make a timetable for your intellect. Make a plan to keep your intellect busy. By remaining busy, you will constantly continue to progress. According to the present time, to be elevated in the life of a kumar is a very great fortune. Always think that you are an elevated fortunate soul. Always keep a balance between remembrance and service. Those who constantly keep this balance continue to receive blessings. Achcha. Constantly remain absorbed in God’s love God’s love is a blissful swing. While swinging in this swing of happiness, remain constantly absorbed in God’s love and no adverse situation or upheaval of Maya can then come in front of you. God’s love is infinite and unshakeable and there is so much of it that everyone can attain it. However, the way to attain God’s love is to be detached. To the extent that you become detached, you will accordingly claim a right to God’s love. Remain absorbed in God’s love to such an extent that nothing limited can influence you or attract you to itself. Remain constantly lost in your unlimited attainments through which the fragrance of spirituality spreads into the atmosphere. The sign of love is: you sacrifice everything for the one you love. The Father has so much love for the children that He writes a letter every day giving the response of love. He gives love and remembrance and as the Companion, He constantly fulfils the responsibility of love. Sacrifice all your weaknesses for this love. The Father loves you children and this is why He constantly says: Children, whatever you are, however you are, you are Mine. Similarly, you also remain absorbed in love and say with your hearts: Baba, whatever You are, You are everything. Never be influenced by the kingdom of falsehood. You don’t have to remember consciously someone you love for you automatically love that one. Simply let your love be true and altruistic and from the heart. Since you say, “My Baba, lovely Baba”, you cannot then forget the One you love. You cannot receive altruistic love from any soul except the Father. Therefore, do not remember Him with any other motives, but remain absorbed in altruistic love. Become experienced in God’s love, because through this experience you will become an easy yogi and continue to fly. God’s love is a means to make you fly. Those who fly cannot be trapped by any pull of gravity. No matter how attractive a form of Maya may be, that attraction cannot reach those who are in the flying stage. The string of God’s love pulls you here from far, far away. This love gives so much happiness that, if you become lost in this love for even a second, you will forget all types of sorrow and begin to swing in the swing of happiness for all time. When you receive what you need in life from someone, that is a sign of love. The Father has so much love for you children that He fulfils all your desires for happiness and peace in life. Not only does the Father give you happiness, but He also makes you into masters of the treasure of happiness. Along with this, He also gives you a pen with which to draw your line of elevated fortune. You can create as much fortune as you want. This is God’s love. The rays of the sparkle, intoxication and experience of the children who remain constantly absorbed and lost in God’s love are so powerful that any problem is not only far away from them, but it cannot even raise its eyes to look at them. They cannot have any type of hardship. The Father has so much love for the children that He sustains you from amrit vela. The beginning of the day is so elevated. God Himself calls you to celebrate a meeting, has a heart-to-heart conversation and fills you with power. It is the songs of the Father’s love that awaken you. He calls you and awakens you with so much love: Sweet children, lovely children, come! The practical form of this sustenance of love is an easy yogi life. You would generally do whatever the person you love likes. The Father doesn’t like it when you children get upset. So, never say: What can I do? The situation was like that, which was why I got upset. Even if a situation that can upset you, comes in front of you, do not allow yourself to get into the stage of being upset. BapDada has so much love for you children that He feels that each of His children should go ahead of Himself. In the world too, you make whoever you have a lot of love for go ahead of you. This is a sign of love. BapDada also says: Let no weaknesses remain in My children. Let all become complete, perfect and equal. At the beginning of the day, at amrit vela, completely fill your hearts with God’s love. If your hearts are full of God’s love, God’s powers and God’s knowledge, your feelings of attachment and love can never go in any other direction. God’s love can only be received in this one birth. For 83 births you received love from deity souls and ordinary souls. It is only now that you receive God’s love. Love for souls enables you to lose the fortune of the kingdom whereas God’s love enables you to receive the fortune of the kingdom. So remain lost in the experience of this love. If you have true love for the Father, the sign of that is to become equal and karmateet. Perform actions as a ‘karavanhar” (one who inspires). Not that your physical organs make you do something, but rather you make your physical organs work. Do not perform any actions under the influence of your mind, intellect or sanskars. Special effort to become equal to Father Brahma. In his ordinary form, Father Brahma had an extraordinary and an alokik stage. Similarly, follow the father. In the galaxy of stars, the twinkle and sparkle of the special stars is seen to be unique and lovely from a distance. In the same way, you stars are seen are as special souls in the midst of ordinary souls. Blessing: May you be a courageous soul who makes the impossible possible by becoming strong from weak. On the basis of the blessing “When the child has courage, the Father helps”, you first had the determination that you definitely had to become pure. The Father gave you multi-million-fold help. He said: You souls are eternally and originally pure, you have to become that many times and you will continue to become that. By becoming aware of “many times before”, you have become powerful. From being weak, you have become so strong that you challenge people and say that you will definitely make the world pure and show everyone. What the rishis, munis and great souls consider to be difficult – staying in a household and remaining pure – you say is extremely easy. Slogan: To make a vow is to have determination. True devotees never break their vow.
241 views
2 months ago
#

নিউ ইয়ারের মজা

06-01-19 प्रात:मुरली ओम् शान्ति ''अव्यक्त-बापदादा'' रिवाइज: 08-04-84 मधुबन संगमयुग पर प्राप्त अधिकारों से विश्व राज्य अधिकारी बापदादा आज स्वराज्य अधिकारी श्रेष्ठ आत्माओं की दिव्य दरबार देख रहे हैं। विश्व राज्य दरबार और स्वराज्य दोनों ही दरबार अधिकारी आप श्रेष्ठ आत्मायें बनती हो। स्वराज्य अधिकारी ही विश्व राज्य अधिकारी बनते हैं। यह डबल नशा सदा रहता है? बाप का बनना अर्थात् अनेक अधिकार प्राप्त करना। कितने प्रकार के अधिकार प्राप्त किये हैं, जानते हो? अधिकार माला को याद करो। पहला अधिकार - परमात्म बच्चे बने अर्थात् सर्वश्रेष्ठ माननीय पूज्यनीय आत्मा बनने का अधिकार पाया। बाप के बच्चे बनने के सिवाए पूज्यनीय आत्मा बनने का अधिकार प्राप्त हो नहीं सकता। तो पहला अधिकार - पूज्यनीय आत्मा बने। दूसरा अधिकार - ज्ञान के खजानों के मालिक बने अर्थात् अधिकारी बने। तीसरा अधिकार - सर्व शक्तियों के प्राप्ति के अधिकारी बने। चौथा अधिकार - सर्व कर्मेन्द्रियों जीत स्वराज्य अधिकारी बने। इस सर्व अधिकारों द्वारा मायाजीत सो जगत जीत विश्व राज्य अधिकारी बनते। तो अपने इन सर्व अधिकारों को सदा स्मृति में रखते हुए समर्थ आत्मा बन जाते। ऐसे समर्थ बने हो ना। स्वराज्य वा विश्व का राज्य प्राप्त करने के लिए विशेष 3 बातों की धारणा द्वारा ही सफलता प्राप्त की है। कोई भी श्रेष्ठ कार्य की सफलता का आधार त्याग, तपस्या और सेवा है। इन तीनों बातों के आधार पर सफलता होगी वा नहीं होगी, यह क्वेश्चन नहीं उठ सकता। जहाँ तीनों बातों की धारणा है वहाँ सेकण्ड में सफलता है ही है। हुई पड़ी है। त्याग किस बात का? सिर्फ एक बात का त्याग सर्व त्याग सहज और स्वत: कराता है। वह एक त्याग है - देह भान का त्याग, जो हद के मैं-पन का त्याग सहज करा देता है। यह हद का मैं पन तपस्या और सेवा से वंचित करा देता है। जहाँ हद का मै-पन हैं वहाँ त्याग, तपस्या और सेवा हो नहीं सकती। हद का मैं-पन, मेरा-पन, इस एक बात का त्याग चाहिए। मैं और मेरा समाप्त हो गया तो बाकी क्या रहा? बेहद का। मैं एक शुद्ध आत्मा हँ और मेरा तो एक बाप दूसरा न कोई। तो जहाँ बेहद का बाप सर्वशक्तिमान है, वहाँ सफलता सदा साथ है। इसी त्याग द्वारा तपस्या भी सिद्ध हो गई ना। तपस्या क्या है? मैं एक का हूँ। एक की श्रेष्ठ मत पर चलने वाला हूँ। इसी से एकरस स्थिति स्वत: हो जाती है। सदा एक परमात्म स्मृति, यही तपस्या है। एकरस स्थिति यही श्रेष्ठ आसन है। कमल पुष्प समान स्थिति यही तपस्या का आसन है। त्याग से तपस्या भी स्वत: ही सिद्ध हो जाती है। जब त्याग और तपस्या स्वरुप बन गये तो क्या करेंगे? अपने पन का त्याग अथवा मैं-पन समाप्त हो गया। एक की लगन में मगन तपस्वी बन गये तो सेवा के सिवाए रह नहीं सकते। यह हद का मैं और मेरा सच्ची सेवा करने नहीं देता। त्यागी और तपस्वी मूर्त सच्चे सेवाधारी हैं। मैंने यह किया, मैं ऐसा हूँ, यह देह का भान जरा भी आया तो सेवाधारी के बदले क्या बन जाते? सिर्फ नामधारी सेवाधारी बन जाते। सच्चे सेवाधारी नहीं बनते। सच्ची सेवा का फाउन्डेशन है त्याग और तपस्या। ऐसे त्यागी तपस्वी सेवाधारी सदा सफलता स्वरुप हैं। विजय, सफलता उनके गले की माला बन जाती है। जन्म सिद्ध अधिकारी बन जाते। तो बापदादा विश्व के सर्व बच्चों को यही श्रेष्ठ शिक्षा देते हैं कि त्यागी बनो, तपस्वी बनो, सच्चे सेवाधारी बनो। आज का संसार मृत्यु के भय का संसार है। (आंधी तूफान आया) प्रकृति हलचल में आप तो अचल हो ना! तमो-गुणी प्रकृति का काम है हलचल करना और आप अचल आत्माओं का कार्य है प्रकृति को भी परिवर्तन करना। नथिंग न्यु। यह सब तो होना ही है। हलचल में ही तो अचल बनेंगे। तो स्वराज्य अधिकारी दरबार निवासी श्रेष्ठ आत्माओं ने समझा! यह भी राज्य दरबार है ना। राजयोगी अर्थात् स्व के राजे। राजयोगी दरबार अर्थात् स्वराज्य दरबार। आप सभी भी राजनेता बन गये ना। वह हैं देश के राजनेता और आप हो स्वराज्य नेता। नेता अर्थात् नीति प्रमाण चलने वाले। तो आप धर्मनीति, स्वराज्य नीति प्रमाण चलने वाले स्वराज्य नेता हो। यथार्थ श्रेष्ठ नीति अर्थात् श्रीमत। श्रीमत ही यथार्थ नीति है। इस नीति पर चलने वाले सफल नेता हैं। बापदादा देश के नेताओं को मुबारक देते हैं क्योंकि फिर भी मेहनत तो करते हैं ना। भल वैराइटी हैं। फिर भी देश के प्रति लगन है। हमारा राज्य अमर रहे - इस लगन से मेहनत तो करते हैं ना। हमारा भारत ऊंचा रहे, यह लगन स्वत: ही मेहनत कराती है। अब समय आयेगा जब राज्य सत्ता और धर्म सत्ता दोनों साथ होंगी, तब विश्व में भारत की जय-जयकार होगी। भारत ही लाइट हाउस होगा। भारत की तरफ सबकी दृष्टि होगी। भारत को ही विश्व प्रेरणा पुंज अनुभव करेंगे। भारत अविनाशी खण्ड है। अविनाशी बाप की अवतरण भूमि है इसलिए भारत का महत्व सदा महान है। अच्छा! सभी अपने स्वीट होम में पहुँच गये। बापदादा सभी बच्चों के आने की बधाई दे रहे हैं। भले पधारे। बाप के घर के श्रृंगार भले पधारे। अच्छा! सभी सफलता के सितारों को सदा एकरस स्थिति के आसन पर स्थित रहने वाले तपस्वी बच्चों को, सदा एक परमात्म श्रेष्ठ याद में रहने वाली महान आत्माओं को श्रेष्ठ भावना श्रेष्ठ कामना करने वाले विश्व कल्याणकारी सेवाधारी बच्चों को बापदादा का यादप्यार और नमस्ते। अव्यक्त बापदादा से गुजरात राज्य के मुख्यमंत्री की मुलाकात बाप के घर में वा अपने घर में भले आये। बाप जानते हैं कि सेवा में लगन अच्छी है। कोटों में कोई ऐसे सेवाधारी हैं इसलिए सेवा के मेहनत की आन्तरिक खुशी प्रत्यक्षफल के रूप में सदा मिलती रहेगी। यह मेहनत सफलता का आधार है। अगर सभी निमित्त सेवाधारी मेहनत को अपनायें तो भारत का राज्य सदा ही सफलता को पाता रहेगा। सफलता तो मिलनी ही है। यह तो निश्चित है लेकिन जो निमित्त बनता है, निमित्त बनने वाले को सेवा का प्रत्यक्षफल और भविष्य फल प्राप्त होता है। तो सेवा के निमित्त हो। निमित्त भाव रख सदा सेवा में आगे बढ़ते चलो। जहाँ निमित्त भाव है, मैं-पन का भाव नहीं है वहाँ सदा उन्नति को पाते रहेंगे। यह निमित्त भाव शुभ भावना, शुभ कामना स्वत: जागृत करता है। आज शुभ भावना, शुभ कामना नहीं है उसका कारण निमित्त भाव के बजाए मैं-पन आ गया है। अगर निमित्त समझें तो करावनहार बाप को समझें। करनकरावनहार स्वामी सदा ही श्रेष्ठ करायेंगे। ट्रस्टी-पन के बजाए राज्य की प्रवृत्ति के गृहस्थी बन गये हैं, गृहस्थी में बोझ होता है और ट्रस्टी पन में हल्कापन होता है। जब तक हल्के नहीं तो निर्णय शक्ति भी नहीं है। ट्रस्टी हैं तो हल्के हैं तो निर्णय शक्ति श्रेष्ठ है, इसलिए सदा ट्रस्टी हैं। निमित्त हैं, यह भावना फलदायक है। भावना का फल मिलता है। तो यह निमित्त पन की भावना सदा श्रेष्ठ फल देती रहेगी। तो सभी साथियों को यह स्मृति दिलाओ कि निमित्त भाव, ट्रस्टीपन का भाव रखो। तो यह राजनीति विश्व के लिए श्रेष्ठ नीति हो जायेगी। सारा विश्व इस भारत की राजनीति को कापी करेगा। लेकिन इसका आधार ट्रस्टीपन अर्थात् निमित्त भाव। कुमारों से:- कुमार अर्थात् सर्व शक्तियों को, सर्व खजानों को जमा कर औरों को भी शक्तिवान बनाने की सेवा करने वाले। सदा इसी सेवा में बिजी रहते हो ना। बिजी रहेंगे तो उन्नति होती रहेगी। अगर थोड़ा भी फ्री होंगे तो व्यर्थ चलेगा। समर्थ रहने के लिए बिजी रहो। अपना टाइमटेबल बनाओ। जैसे शरीर का टाइमटेबल बनाते हैं ऐसे बुद्धि का भी टाइमटेबल बनाओ। बुद्धि से बिजी रहने का प्लैन बनाओ। तो बिजी रहने से सदा उन्नति को पाते रहेंगे। आजकल के समय प्रमाण कुमार जीवन में श्रेष्ठ बनना बहुत बड़ा भाग्य है। हम श्रेष्ठ भाग्यवान आत्मा हैं, यही सदा सोचो। याद और सेवा का सदा बैलेन्स रहे। बैलेन्स रखने वालों को सदा ब्लैसिंग मिलती रहेगी। अच्छा! चुने हुए विशेष अव्यक्त महावाक्य परमात्म प्यार में सदा लवलीन रहो परमात्म प्यार आनंदमय झूला है, इस सुखदाई झूले में झूलते सदा परमात्म प्यार में लवलीन रहो तो कभी कोई परिस्थिति वा माया की हलचल आ नहीं सकती। परमात्म-प्यार अखुट है, अटल है, इतना है जो सर्व को प्राप्त हो सकता है। लेकिन परमात्म-प्यार प्राप्त करने की विधि है-न्यारा बनना। जो जितना न्यारा है उतना वह परमात्म प्यार का अधिकारी है। परमात्म प्यार में समाई हुई आत्मायें कभी भी हद के प्रभाव में नहीं आ सकती, सदा बेहद की प्राप्तियों में मगन रहती हैं। उनसे सदा रूहानियत की खुशबू आती है। प्यार की निशानी है-जिससे प्यार होता है उस पर सब न्यौछावर कर देते हैं। बाप का बच्चों से इतना प्यार है जो रोज़ प्यार का रेसपान्ड देने के लिए इतना बड़ा पत्र लिखते हैं। यादप्यार देते हैं और साथी बन सदा साथ निभाते हैं। तो इस प्यार में अपनी सब कमजोरियां कुर्बान कर दो। बच्चों से बाप का प्यार है इसलिए सदा कहते हैं बच्चे जो हो, जैसे हो-मेरे हो। ऐसे आप भी सदा प्यार में लवलीन रहो दिल से कहो बाबा जो हो वह सब आप ही हो। कभी असत्य के राज्य के प्रभाव में नहीं आओ। जो प्यारा होता है उसे याद किया नहीं जाता, उसकी याद स्वत: आती है। सिर्फ प्यार दिल का हो, सच्चा और नि:स्वार्थ हो। जब कहते हो मेरा बाबा, प्यारा बाबा-तो प्यारे को कभी भूल नहीं सकते। और नि:स्वार्थ प्यार सिवाए बाप के किसी आत्मा से मिल नहीं सकता इसलिए कभी मतलब से याद नहीं करो, नि:स्वार्थ प्यार में लवलीन रहो। परमात्म-प्यार के अनुभवी बनो तो इसी अनुभव से सहजयोगी बन उड़ते रहेंगे। परमात्म-प्यार उड़ाने का साधन है। उड़ने वाले कभी धरनी की आकर्षण में आ नहीं सकते। माया का कितना भी आकर्षित रूप हो लेकिन वह आकर्षण उड़ती कला वालों के पास पहुँच नहीं सकती। यह परमात्म प्यार की डोर दूर-दूर से खींच कर ले आती है। यह ऐसा सुखदाई प्यार है जो इस प्यार में एक सेकण्ड भी खो जाते हैं उनके अनेक दु:ख भूल जाते हैं और सदा के लिए सुख के झूले में झूलने लगते हैं। जीवन में जो चाहिए अगर वह कोई दे देता है तो यही प्यार की निशानी होती है। तो बाप का आप बच्चों से इतना प्यार है जो जीवन के सुख-शान्ति की सब कामनायें पूर्ण कर देते हैं। बाप सुख ही नहीं देते लेकिन सुख के भण्डार का मालिक बना देते हैं। साथ-साथ श्रेष्ठ भाग्य की लकीर खींचने का कलम भी देते हैं, जितना चाहे उतना भाग्य बना सकते हो - यही परमात्म प्यार है। जो बच्चे परमात्म प्यार में सदा लवलीन, खोये हुए रहते हैं उनकी झलक और फ़लक, अनुभूति की किरणें इतनी शक्तिशाली होती हैं जो कोई भी समस्या समीप आना तो दूर लेकिन आंख उठाकर भी नहीं देख सकती। उन्हें कभी भी किसी भी प्रकार की मेहनत हो नहीं सकती। बाप का बच्चों से इतना प्यार है जो अमृतवेले से ही बच्चों की पालना करते हैं। दिन का आरम्भ ही कितना श्रेष्ठ होता है! स्वयं भगवन मिलन मनाने के लिये बुलाते हैं, रुहरिहान करते हैं, शक्तियाँ भरते हैं! बाप की मोहब्बत के गीत आपको उठाते हैं। कितना स्नेह से बुलाते हैं, उठाते हैं - मीठे बच्चे, प्यारे बच्चे, आओ.....। तो इस प्यार की पालना का प्रैक्टिकल स्वरूप है ‘सहज योगी जीवन'। जिससे प्यार होता है, उसको जो अच्छा लगता है वही किया जाता है। तो बाप को बच्चों का अपसेट होना अच्छा नहीं लगता इसलिए कभी भी यह नहीं कहो कि क्या करें, बात ही ऐसी थी इसलिए अपसेट हो गये... अगर बात अपसेट की आती भी है तो आप अपसेट स्थिति में नहीं आओ। बापदादा का बच्चों से इतना प्यार है जो समझते हैं हर एक बच्चा मेरे से भी आगे हो। दुनिया में भी जिससे ज्यादा प्यार होता है उसे अपने से भी आगे बढ़ाते हैं। यही प्यार की निशानी है। तो बापदादा भी कहते हैं मेरे बच्चों में अब कोई भी कमी नहीं रहे, सब सम्पूर्ण, सम्पन्न और समान बन जायें। आदिकाल, अमृतवेले अपने दिल में परमात्म प्यार को सम्पूर्ण रूप से धारण कर लो। अगर दिल में परमात्म प्यार, परमात्म शक्तियाँ, परमात्म ज्ञान फुल होगा तो कभी और किसी भी तरफ लगाव या स्नेह जा नहीं सकता। ये परमात्म प्यार इस एक जन्म में ही प्राप्त होता है। 83 जन्म देव आत्मायें वा साधारण आत्माओं द्वारा प्यार मिला, अभी ही परमात्म प्यार मिलता है। वह आत्म प्यार राज्य-भाग्य गँवाता है और परमात्म प्यार राज्य-भाग्य दिलाता है। तो इस प्यार के अनुभूतियों में समाये रहो। बाप से सच्चा प्यार है तो प्यार की निशानी है-समान, कर्मातीत बनो। ‘करावनहार' होकर कर्म करो, कराओ। कर्मेन्द्रियां आपसे नहीं करावें लेकिन आप कर्मेन्द्रियों से कराओ। कभी भी मन-बुद्धि वा संस्कारों के वश होकर कोई भी कर्म नहीं करो। ब्रह्मा बाप समान बनने के लिए विशेष पुरुषार्थ जैसे ब्रह्मा बाप साधारण रूप में होते असाधारण वा अलौकिक स्थिति में रहे। ऐसे फालो फादर। जैसे सितारों के संगठन में जो विशेष सितारे होते हैं उनकी चमक, झलक दूर से ही न्यारी और प्यारी लगती है। ऐसे आप सितारे भी साधारण आत्माओं के बीच विशेष आत्मायें दिखाई दो। वरदान:- निर्बल से बलवान बन असम्भव को सम्भव करने वाली हिम्मतवान आत्मा भव "हिम्मते बच्चे मददे बाप'' इस वरदान के आधार पर हिम्मत का पहला दृढ़ संकल्प किया कि हमें पवित्र बनना ही है और बाप ने पदमगुणा मदद दी कि आप आत्मायें अनादि-आदि पवित्र हो, अनेक बार पवित्र बनी हो और बनती रहेंगी। अनेक बार की स्मृति से समर्थ बन गये। निर्बल से इतने बलवान बन गये जो चैलेन्ज करते हो कि विश्व को भी पावन बनाकर ही दिखायेंगे, जिसको ऋषि मुनि महान आत्मायें समझती हैं कि प्रवृत्ति में रहते पवित्र रहना मुश्किल है, उसको आप अति सहज कहते हो। स्लोगन:- दृढ़ संकल्प करना ही व्रत लेना है, सच्चे भक्त कभी व्रत को तोड़ते नहीं है।
131 views
2 months ago
#

নিউ ইয়ারের মজা

০৫-০১-১৯ প্রাতঃ মুরলী ওম্ শান্তি "বাপদাদা" মধুবন "মিষ্টি বাচ্চারা -- নিজেকে আত্মা মনে করে, আত্মা রূপী ভাইদের সাথে কথা বল। এমন দৃষ্টি (আত্মিক) নিশ্চিত করতে পারলে কোনওরকম ভূত (বিকার) প্রবেশ করতে পারবে না। কারও মধ্যে বিকারের ভূত দেখলে নিজেকে সরিয়ে নাও" প্রশ্ন:- বাবার হওয়ার পরেও আস্তিক আর নাস্তিক বাচ্চা আছে, কিভাবে ? উত্তর:- আস্তিক তারাই যারা ঈশ্বরীয় নিয়ম পালন করে । দেহী-অভিমানী হওয়ার পুরুষার্থ করে আর নাস্তিক তারাই যারা ঈশ্বরীয় নিয়ম লঙ্ঘন করে বিকারের বশীভূত হয়ে নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করে । ২ -- আস্তিক বাচ্চারা দেহ সহ দেহের সব সম্বন্ধ থেকে বুদ্ধিযোগ সরিয়ে সবাইকে ভাই-ভাই মনে করে । নাস্তিকরা দেহ -অভিমান নিয়ে থাকে* । ওম্ শান্তি । সর্বপ্রথম বাবা বাচ্চাদের বোঝান যে , বাচ্চারা বুদ্ধিতে সবসময় এটাই স্মরণ রেখো যে শিববাবা আমাদের সুপ্রিম ফাদার, সুপ্রিম শিক্ষক আবার সুপ্রিম সদ্গুরু । সর্বপ্রথম বুদ্ধিতে অবশ্যই এটা আসা উচিত । প্রত্যেকেই নিজেরটা বুঝতে পারে যে আমার বুদ্ধিতে এসেছে কিনা । যদি বুদ্ধিতে এসে থাকে তবে সে আস্তিক, না এসে থাকলে নাস্তিক । স্টুডেন্টদের বুদ্ধিতে ঝটপট আসা উচিত যে, টিচার এসেছেন । তোমরা ঘরে থাকলেই সব ভুলে যাও । অনেক কষ্টসাধ্য করে কেউ কেউ বোঝে আমাদের সুপ্রিম বাবা এসেছেন । উনি একাধারে শিক্ষক এবং সদ্গুরুও । যিনি তোমাদের ঘরে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে এসেছেন । স্মৃতিতে এলে খুশির মাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকবে, নয়তো এই দুঃখ যন্ত্রণাময় দুনিয়ার কার্য, কথাবার্তায়, ভিন্ন ভিন্ন চিন্তা ভাবনা নিয়ে বসে থাকতে হবে । দ্বিতীয় কথা হলো অনেকেই বাচ্চাদের জিজ্ঞাসা করে বিনাশের জন্য আর কত সময় বাকি আছে । ওদের বলো, এসব জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজন নেই । প্রথম কথা হলো যিনি আমাদের এসব বুঝিয়েছেন তাঁকে জানো । প্রথমেই বাবার পরিচয় দাও । অভ্যাস থাকলে ওদের বোঝাতে পারবে, নয়তো ভুলে যাবে । বাবা কত বলেন নিজেকে আত্মা মনে কর । অন্যদেরও আত্মিক দৃষ্টি দিয়ে দেখো, কিন্তু ঐ দৃষ্টি স্থায়ী রাখতে তোমরা অক্ষম। এক আনাও খুব অতি কষ্টেও স্থায়ী হয়। বুদ্ধিতে যেন বসেই না । বাবা কিন্তু অভিশাপ দেন না । বাবা তো বোঝাচ্ছেন এই জ্ঞান কত উচ্চ মার্গের । রাজ্য স্থাপনা হয় । তোমরা ভিখারি থেকে বিত্তশালী হয়ে উঠবে । বিত্তশালী অল্পই হবে । বাকি দরিদ্ররা নম্বর অনুসারে হবে । শেষ নম্বরে যে থাকবে তার বুদ্ধিতে কোনও কথাই ঢুকবে না । সুতরাং প্রথম যখন কাউকে বোঝাও তখন শিববাবার যে ৩২ গুণ সমন্বিত চিত্র বানানো হয়েছে সেটা দিয়ে বোঝানো উচিত । ওতেও লেখা আছে সুপ্রিম ফাদার, সুপ্রিম টিচার, সদ্গুরু । সর্বপ্রথম যখন এটা নিশ্চিত হবে যে, শিববাবাই বোঝাচ্ছেন তখন আর সংশয় আসবে না । বাবা ছাড়া এই স্থাপনা আর কেউ করতে পারবে না । তোমরা যখন বোঝাও যে, স্থাপনা হতে চলেছে তখন ওদের বুদ্ধিতে নিশ্চয়ই আসা উচিত এদের অবশ্যই কেউ বুঝিয়েছে । কোনও মানুষ তো বলতে পারে না এই রাজ্য স্থাপন হতে চলেছে । সুতরাং সর্বপ্রথম বাবার প্রতি বিশ্বাস নিশ্চিত করাতে হবে । আমাদের পরমাত্মা বাবা শিক্ষা প্রদান করছেন । এ কোনও মানুষের মত নয়, এ হলো ঈশ্বরীয় মত । নতুন দুনিয়া নিশ্চয়ই বাবার দ্বারাই স্থাপন হবে । পুরানো দুনিয়ার বিনাশ ঘটবে, এটাও বাবার কাজ। এই নিশ্চয় যতদিন না আসবে জিজ্ঞাসা করতেই থাকবে - কি করে হবে । সর্বপ্রথম শ্রী মৎ-এর কথা বুদ্ধিতে বসাতে হবে, তবেই সব বুঝবে । নাহলে মানুষের মত মনে করবে । প্রতিটি মানুষের মত আলাদা । মানুষের মত কখনও এক হতে পারে না । এই সময় তোমাদের একজনই মত দিয়ে থাকেন । ওনার শ্রী মৎ -এ সঠিকভাবে চলা সেটাও বড় মুশকিল হয়ে পড়ে । বাবা বলেন দেহী -অভিমানী হও । এমনটাই মনে কর যে , আমরা ভাই -ভাইয়ের সাথে বাক্যালাপ করি তবে আর লড়াই ঝগড়া কখনও হবে না । দেহ -অভিমান আসা মানেই বুঝে নাও নাস্তিক । দেহী -অভিমানী না হলে সে নাস্তিক । দেহী -অভিমানী যে হতে পারে সে আস্তিক । দেহ -অভিমান অনেক ক্ষতির কারণ । সামান্য লড়াই ঝগড়া করলেও বুঝবে সে নাস্তিক, বাবাকে জানেই না । ক্রোধের ভূত যার মধ্যে থাকবে নাস্তিক বলে বিবেচিত হবে । বাবার বাচ্চাদের মধ্যে ভূত ( বিকার ) কোথা থেকে আসবে ! বাচ্চারা আস্তিক। যতই কেউ বলুক না কেন আমার বাবার সাথেই ভালবাসা, কিন্তু ঈশ্বরীয় মতের বিপক্ষে কথা বললেই তাকে রাবণ সম্প্রদায়ের বলেই ধরে নেওয়া উচিত । সে দেহ -অভিমানে আছে । কোনওরকম বিকার দেখলে বা দৃষ্টি খারাপ বুঝলে সঙ্গে -সঙ্গে যাওয়া উচিত । বিকারের মধ্যে দাড়িয়ে থাকলে বিকারের প্রবেশ ঘটবে । বিকার বিকারগ্রস্তর সাথে লড়াই করতে থাকে । ভূত আসা মানেই সম্পূর্ণ নাস্তিক । দেবতারা তো সর্বগুণ সম্পন্ন হয় । সেইসব গুণ না থাকলে সে নাস্তিক । নাস্তিক অবিনাশী বর্সা কোনও ভাবেই পাবে না । সামান্যতম ত্রুটিও যেন না থাকে । নয়তো অনেক সাজা খেয়ে প্রজাতে যেতে হবে । ভূতেদের থেকে দূরে থাকা উচিত । ভূতেদের মুখোমুখি হলেই ভূত প্রবেশ করে । ভূতকে ( বিকার) প্রতিরোধ করা যায় না । ওদের সাথে বেশি কথা বলাও উচিত নয় । বাবা বলেন এ হলো ভূতের দুনিয়া । যতক্ষণ না বিকার দূরীভূত হবে শাস্তি পেতে হবে । পদও ভ্রষ্ট হবে । একটাই তো লড়াই । কেউ বিত্তশালী হয়, কেউ বা দরিদ্র । দরিদ্রদের দুনিয়া ছিল এখন বিত্তবানদের দুনিয়া হতে যাচ্ছে । সবার মধ্যে বিকার আছে । বিকারকে দূর করতে সম্পূর্ণ পুরুষার্থ করা উচিত । বাবা মুরলী দ্বারা অনেক বোঝান । এতো ধরনের স্বভাব হয় যে, সে সব না বলাই ভালো । প্রদর্শনী ইত্যাদিতে সর্বপ্রথম বাবার পরিচয় দিতে হবে । বাবা কত স্নেহশীল । তিনিই আমাদের দেবতা করে তোলেন । মহিমাও আছে মানুষ থেকে দেবতা করতে বেশি সময় লাগে না ••••• দেবতারা ছিল সত্যযুগে নিশ্চয়ই তার আগে কলিযুগ ছিল । এই সৃষ্টি চক্রের জ্ঞানও এখন বাচ্চারা, তোমাদের বুদ্ধিতে ধারণ হয়েছে । ওখানে (সত্যযুগে) এই জ্ঞান দেবতাদের মধ্যে থাকবে না । এখন তোমরা নলেজফুল হচ্ছো, এরপর পদ প্রাপ্ত হলে নলেজের আর প্রয়োজন নেই । ইনি হলেন বেহদের বাবা, যাঁর কাছ থেকে ২১ জন্ম তোমরা স্বর্গের অবিনাশী বর্সা প্রাপ্ত কর। সুতরাং এমন বাবাকে কতো স্মরণ করা উচিত । বাবা সবসময় বোঝাচ্ছেন যে, সব সময় মনে রেখো শিববাবা আমাদের বোঝাচ্ছেন । শিববাবা এই রথ (ব্রহ্মার শরীর ) দ্বারা আমাদের শিক্ষা প্রদান করছেন । উনি আমাদের বাবা, টিচার এবং সদ্গুরু । এ হলো বেহদের অধ্যয়ণ । তোমরা বুঝেছ আমরা প্রথমে তুচ্ছ বুদ্ধির ছিলাম । এই কলেজ সম্পর্কে সবাই অজ্ঞাত, তাই বোঝানোর সময় খুব স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যাতে তাদের ভিতরে প্রবেশ করে । কৃষ্ণের কোনও কথাই নেই । বাবা বুঝিয়েছেন কৃষ্ণের কোনও ভূমিকা নেই এক শিববাবা ছাড়া। ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শঙ্করেরও ভূমিকা নেই । ভূমিকা শুধু একজনেরই, যিনি মানুষ থেকে দেবতা বানাচ্ছেন । বিশ্বকে হেভেন করে তুলছেন । তোমরা সেই শ্রীমৎ অনুসারে চলো বাবার সহযোগী হয়ে । বাবা না থাকলে তোমরা কিছুই করতে পারবে না । তোমরা কড়িহীন থেকে টাকার সমান মূল্যবান হয়ে উঠছ । এখন নম্বর অনুসারে পুরুষার্থ অনুযায়ী তোমরা সব জেনে গেছো । সুতরাং সর্বপ্রথম বাবার পরিচয় দিতে হবে । কৃষ্ণ তো ছোট শিশু । সত্যযুগে কৃষ্ণ বেহদের বাদশাহি প্রাপ্ত করে । তার রাজত্বে আর কেউ ছিল না । এখন তো কলিযুগ। কত রকমের ধর্ম । এই এক আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্ম কবে স্থাপন হয়ছিল এটা কারও বুদ্ধিতেই নেই । তোমরা বাচ্চাদের বুদ্ধিতেও নম্বর অনুসারে পুরুষার্থ অনুযায়ী আছে, অতএব বাবার মহিমাকে ভালো করে বোঝানো উচিত । আমরা জানি বাবার কাছ থেকেই আমরা নিজেদের পরিচয় পেয়েছি । বাবা বলেন সবার সদ্গতি দাতা আমিই । কল্পে-কল্পে আমি তোমাদের, অর্থাৎ বাচ্চাদের নির্দেশ দিই নিজেকে আত্মা মনে কর আর আমাকে স্মরণ কর । তবেই আত্মা পতিত থেকে পাবন হতে পারবে। 'আত্ম অভিমানী ভব' । অন্যদেরও আত্মিক দৃষ্টি দিয়ে দেখলে তোমাদের ক্রিমিনাল দৃষ্টি হবে না । আত্মাই শরীর দ্বারা কর্ম করে -- আমি আত্মা, এও আত্মা -- এটাই প্রথম নিশ্চিত করতে হবে । তোমরা জানো সর্বপ্রথম আমরা একশ শতাংশ পবিত্র ছিলাম, তারপর পতিত হয়েছি । আত্মাই ডেকে বলে বাবা এসো । আত্মার অভিমান (দেহী -অভিমানী ) দৃঢ় রূপে নিশ্চিত হওয়া উচিত আর সব সম্বন্ধ ভুলে যাওয়া উচিত । আমি আত্মা সুইট হোমের বাসিন্দা এখানে অভিনয় করতে এসেছি। এটাও তোমরা বাচ্চারা বুঝেছ । তোমাদের মধ্যে ও নম্বর অনুসার আছে যাদের স্মরণে থাকে । ভগবান পড়াচ্ছেন, কতটা খুশি থাকা উচিত। ভগবান আমাদের বাবা, টিচার এবং সদ্গুরু । তোমরা বলবে আমরা ওঁনাকে ছাড়া আর কাউকে স্মরণ করিনা । বাবা বলেন দেহ সহ দেহের সব সম্বন্ধ ছেড়ে মামেকম্ স্মরণ কর । তোমরা সবাই ভাই-ভাই, কেউ কেউ সেটা মানে । কেউ না মানলে বুঝবে সে নাস্তিক । আমরা শিববাবার সন্তান সুতরাং পবিত্র হওয়া উচিত । বাবাকে ডেকে বলাও হয়ে থাকে বাবা তুমি এসে আমাদের পবিত্র করে বিশ্বের মালিক বানাও । সত্যযুগে পবিত্র হওয়ার তো কোনও প্রশ্নই আসেনা । প্রথমে এটাই বোঝো যে ইনি শিববাবা, এঁনার দ্বারাই নতুন দুনিয়া স্থাপন হয় । যদি জিজ্ঞাসা করে বিনাশ কবে হবে, তাহলে বলো ঈশ্বরকে প্রথমে জান । ঈশ্বরকে না জানলে পরের কোনও কথা বুদ্ধিতে কিভাবে আসবে ! আমরা সত্য বাবার বাচ্চারা সত্যই বলে থাকি । আমরা কোনও মানুষের সন্তান নই, আমরা শিববাবার সন্তান । ভগবানুবাচঃ। ভগবান তাঁকেই বলা হয় যিনি ভাইদের(আত্মা রূপী) পিতা । মানুষ কখনোই নিজেকে ভগবান বলতে পারে না । ভগবান তো নিরাকার । তিনি বাবা, টিচার, সদ্গুরুও । কোনও মানুষ বাবা, টিচার এবং সদ্গুরু হতে পারে না । কোনও মানুষ কারও সদ্গতি করতে পারে না । ভগবান হতে পারে না । বাবা হলেন পতিত পাবন । পতিত করে তোলে রাবণ । বাকি সবাই ভক্তি মার্গের গুরু। এটাও তোমরা বুঝেছ এখানে যে আসে সে আস্তিক হয়ে যায় । বেহদের বাবার কাছে এসে নিশ্চয় করে যে, ইনিই আমাদের বাবা, টিচার, গুরু। যখন সম্পূর্ণ দৈবী গুণ ধারণ হবে তখন (মহাভারত) লড়াইও হবে। সময়ানুসারে তোমরা নিজেরাই বুঝতে পারবে যে, এখন কর্মাতীত অবস্থায় পৌঁছচ্ছি । এখন কর্মাতীত অবস্থা কোথায় হয়েছে । এখনও অনেক কাজ বাকি । অনেককেই সংবাদ দিতে হবে । বাবার অবিনাশী বর্সা গ্রহণের অধিকার প্রত্যেকের আছে । এখন তো দ্রুত গতিতে লড়াই শুরু হবে । তারপর এই হসপিটাল ডাক্তার ইত্যাদি কিছুই থাকবে না । বাবা বাচ্চাদের সামনে এসে বোঝাচ্ছেন যে, তোমরা আত্মারা ৮৪ জন্ম শরীর ধারণ করে নিজ -নিজ অভিনয় করে চলেছ । কারও কারও ৭০ --৮০ জন্মও হবে । এখন তো সবাইকেই যেতে হবে । বিনাশ হবেই । অপবিত্র আত্মারা যেতে পারবে না । পবিত্র হওয়ার জন্য অবশ্যই বাবাকে স্মরণ করতে হবে, এতেই পরিশ্রম আছে । ২১ জন্মের জন্য স্বর্গবাসী হবে একি কম বড় কথা ! মানুষ তো বলে দেয় অমুক স্বর্গবাসী হয়েছে। স্বর্গ কোথায় ? কিছুই বোঝেনা । বাচ্চারা, তোমাদের অনেক খুশিতে থাকা উচিত যে ,ভগবান আমাদের শিক্ষা প্রদান করে বিশ্বের মালিক করে তুলছেন । খুশিও এক হয় স্থায়ী অপরটি হয় অল্প সময়ের জন্য । পড়ব, পড়াব নয়তো খুশি কি করে হবে ? আসুরি গুণকে দূর করতে হবে । বাবা কত বোঝান, কত কর্মভোগ আছে । যতক্ষণ কর্মভোগ থাকবে তার চিহ্নই এই যে, কর্মাতীত অবস্থা এখনও আসেনি। এখনও পরিশ্রম করতে হবে । কোনও রকম মায়ার তুফান যেন না আসে । বাচ্চাদের এই নিশ্চয় আছে যে, বাবা আমাদের অনেকবার মানুষ থেকে দেবতা বানিয়েছেন । এটাও বুদ্ধিতে থাকলে অসীম সৌভাগ্য। এ হলো বেহদের বড় স্কুল । ওটা (লৌকিক ) হলো হদের ছোট স্কুল । বাবার তো ভীষণ দয়া হয় এই ভেবে যে, কিভাবে বোঝাব -- কারও কারও তো এখনও বিকারের ভূত দূর হয়নি । বাবার হৃদয়ে জায়গা পাওয়ার বদলে অধঃপতন হয় । কিছু বাচ্চা তো প্রস্তুত হচ্ছে, অনেকের কল্যাণ করার জন্য । আচ্ছা! মিষ্টি -মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপদাদার স্নেহ স্মরণ আর গডমর্নিং । রূহানী বাবার রূহানী বাচ্চাদের নমস্কার । ধারণার জন্য মুখ্য সার :- ১. ঈশ্বরীয় মতের বিপক্ষে কোনও কথা বলা উচিত নয় । কারও মধ্যে যদি বিকার থাকে, বা দৃষ্টিতে অপবিত্রতা থাকে তবে তার সামনে থেকে সঙ্গে সঙ্গে সরে যেতে হবে, তার সাথে বেশি কথা বলা উচিত নয় । ২. খুশিকে স্থায়ী ভাবে ধরে রাখার জন্য অধ্যয়ণের প্রতি সম্পূর্ণ মনোযোগী হতে হবে । আসুরি গুণকে অপসরণ করে দৈবী গুণ ধারণ করে আস্তিক হতে হবে । বরদান:- প্রতিটি সেকেন্ডে প্রতিটি সংকল্পের মহত্ত্বকে জেনে জমার খাতা পরিপূর্ণ করতে সমর্থ আত্মা ভব সঙ্গমযুগে অবিনাশী বাবা-র দ্বারা প্রতিটি মুহূর্তে অবিনাশী প্রাপ্তি হতেই থাকে । সমগ্র কল্পে এমন ভাগ্য প্রাপ্ত করার এটাই সময় --- তাই তোমাদের স্লোগান হলো - "এখন নয় তো কখনোই নয়"। যে শ্রেষ্ঠ কার্যই কর না কেন তা এখনই করতে হবে । এই স্মৃতি স্মরণে রেখে সময়, সংকল্প বা কর্ম ব্যর্থ নষ্ট কোরো না । সমর্থ সংকল্প দ্বারা সঞ্চিত খাতা পরিপূর্ণ হবে আর আত্মাও সমর্থ হয়ে যাবে । স্লোগান:- প্রতিটি বাক্য, প্রতিটি কর্মের মধ্যে অলৌকিকতাতেই পবিত্রতা আছে । সাধারণকে অলৌকিকতাতে পরিবর্তন করে দাও* ।
220 views
2 months ago
#

নিউ ইয়ারের মজা

06.01.19    Avyakt Bapdada     Kannada Murli     08.04.84     Om Shanti     Madhuban “ ಸಂಗಮಯುಗದಲ್ಲಿ ಪ್ರಾಪ್ತಿಯಾಗಿರುವ ಅಧಿಕಾರಗಳಿಂದ ವಿಶ್ವರಾಜ್ಯಾಧಿಕಾರಿ ” ಬಾಪ್ದಾದಾರವರು ಇಂದು ಸ್ವರಾಜ್ಯ-ಅಧಿಕಾರಿ ಶ್ರೇಷ್ಠಾತ್ಮರುಗಳ ದಿವ್ಯ ಸಭೆಯನ್ನು ನೋಡುತ್ತಿದ್ದಾರೆ. ವಿಶ್ವ ರಾಜ್ಯ ಸಭೆ ಮತ್ತು ಸ್ವರಾಜ್ಯವೆರಡರ ಸಭೆಯ ಅಧಿಕಾರಿಗಳಾದ ತಾವು ಶ್ರೇಷ್ಠಾತ್ಮರೇ ಆಗುತ್ತೀರಿ. ಸ್ವರಾಜ್ಯ ಅಧಿಕಾರಿಗಳೇ ವಿಶ್ವ ರಾಜ್ಯ ಅಧಿಕಾರಿಯಾಗುವರು. ಈ ಡಬಲ್ ನಶೆಯು ಸದಾಕಾಲವೂ ಇರುತ್ತದೆಯೇ? ತಂದೆಯ ಮಗುವಾಗುವುದು ಅರ್ಥಾತ್ ಅನೇಕ ಅಧಿಕಾರಗಳನ್ನು ಪ್ರಾಪ್ತಿ ಮಾಡಿಕೊಳ್ಳುವುದು. ಎಷ್ಟೊಂದು ಪ್ರಕಾರದ ಅಧಿಕಾರಗಳನ್ನು ಪ್ರಾಪ್ತಿ ಮಾಡಿಕೊಂಡಿದ್ದೀರಿ, ಗೊತ್ತಿದೆಯೇ? ಅಧಿಕಾರಗಳ ಮಾಲೆಯನ್ನು ನೆನಪು ಮಾಡಿಕೊಳ್ಳಿರಿ. ಮೊದಲ ಅಧಿಕಾರ - ಪರಮಾತ್ಮನ ಮಗುವಾಗುವುದು ಅರ್ಥಾತ್ ಸರ್ವಶ್ರೇಷ್ಠ ಮಾನ್ಯತೆಯುಳ್ಳ ಪೂಜ್ಯನೀಯ ಆತ್ಮರಾಗುವ ಅಧಿಕಾರವನ್ನು ಪಡೆದಿರುವುದು. ತಂದೆಯ ಮಕ್ಕಳಾಗದೆಯೇ ಪೂಜ್ಯನೀಯ ಆತ್ಮನಾಗುವ ಅಧಿಕಾರವು ಪ್ರಾಪ್ತಿಯಾಗಲು ಸಾಧ್ಯವಿಲ್ಲ. ಅಂದಮೇಲೆ ಮೊದಲ ಅಧಿಕಾರ- ಪೂಜ್ಯನೀಯ ಆತ್ಮರಾಗುವುದು. ಎರಡನೆಯ ಅಧಿಕಾರ - ಜ್ಞಾನದ ಖಜಾನೆಗಳ ಮಾಲೀಕರಾದಿರಿ ಅರ್ಥಾತ್ ಅಧಿಕಾರಿಯಾದಿರಿ. ಮೂರನೆಯ ಅಧಿಕಾರ - ಸರ್ವಶಕ್ತಿಗಳ ಪ್ರಾಪ್ತಿಯ ಅಧಿಕಾರಿಯಾದಿರಿ. ನಾಲ್ಕನೆಯ ಅಧಿಕಾರ – ಸರ್ವ ಕರ್ಮೇಂದ್ರಿಯಗಳ ವಿಜಯಿ, ಸ್ವರಾಜ್ಯ ಅಧಿಕಾರಿಯಾದಿರಿ. ಈ ಸರ್ವ ಅಧಿಕಾರಗಳ ಮೂಲಕ ಮಾಯಾಜೀತರಿಂದ ಜಗಜ್ಜೀತ, ವಿಶ್ವರಾಜ್ಯಾಧಿಕಾರಿಯಾಗುತ್ತೀರಿ. ಅಂದಮೇಲೆ ತಮ್ಮ ಈ ಸರ್ವಾಧಿಕಾರಗಳನ್ನು ಸದಾಕಾಲವೂ ಸ್ಮೃತಿಯಲ್ಲಿಟ್ಟುಕೊಳ್ಳುತ್ತಾ ಸಮರ್ಥ ಆತ್ಮರಾಗಿ ಬಿಡುತ್ತೀರಿ. ಹೀಗೆ ಸಮರ್ಥರಾಗಿದ್ದೀರಲ್ಲವೆ. ಸ್ವರಾಜ್ಯ ಅಥವ ವಿಶ್ವ ರಾಜ್ಯವನ್ನು ಪ್ರಾಪ್ತಿ ಮಾಡಿಕೊಳ್ಳುವುದಕ್ಕಾಗಿ ವಿಶೇಷವಾಗಿ 3 ಮಾತುಗಳ ಧಾರಣೆಯ ಮೂಲಕವೇ ಸಫಲತೆಯು ಪ್ರಾಪ್ತಿಯಾಗುತ್ತದೆ. ಯಾವುದೇ ಶ್ರೇಷ್ಠ ಕಾರ್ಯದ ಸಫಲತೆಗೆ ಆಧಾರವು - ತ್ಯಾಗ, ತಪಸ್ಸು ಮತ್ತು ಸೇವೆ ಆಗಿದೆ. ಈ ಮೂರು ಮಾತುಗಳ ಆಧಾರದಿಂದ ಸಫಲತೆಯಾಗುತ್ತದೆಯೋ ಅಥವಾ ಇಲ್ಲವೋ ಎನ್ನುವ ಪ್ರಶ್ನೆಯೇ ಉತ್ಪನ್ನವಾಗಲು ಸಾಧ್ಯವಿಲ್ಲ. ಎಲ್ಲಿ ಮೂರು ಮಾತುಗಳ ಧಾರಣೆಯಿದೆ, ಅಲ್ಲಿ ಸೆಕೆಂಡಿನಲ್ಲಿನ ಸಫಲತೆಯು ಇದ್ದೇ ಇರುತ್ತದೆ. ಸಫಲತೆಯಾಗಿಯೇ ಇರುತ್ತದೆ. ತ್ಯಾಗವು ಯಾವ ಮಾತಿನಲ್ಲಿ? ಕೇವಲ ಒಂದು ಮಾತಿನ ತ್ಯಾಗವು ಸರ್ವ ತ್ಯಾಗಳನ್ನು ಸಹಜ ಮತ್ತು ಸ್ವತಹವಾಗಿಯೇ ಮಾಡಿಸುತ್ತದೆ. ಆ ಒಂದು ತ್ಯಾಗವಾಗಿದೆ - ದೇಹಭಾನದ ತ್ಯಾಗ, ಅದು ಅಲ್ಪಕಾಲದ ನಾನೆನ್ನುವುದರ ತ್ಯಾಗವನ್ನು ಸಹಜವಾಗಿ ಮಾಡಿಸಿ ಬಿಡುತ್ತದೆ. ಈ ಅಲ್ಪಕಾಲದ ನಾನೆನ್ನುವುದು ತಪಸ್ಸು ಮತ್ತು ಸೇವೆಯಿಂದ ವಂಚಿತರನ್ನಾಗಿ ಮಾಡಿಸಿ ಬಿಡುತ್ತದೆ. ಎಲ್ಲಿ ಅಲ್ಪಕಾಲದ ನಾನು ಎನ್ನುವುದಿದೆ, ಅಲ್ಲಿ ತ್ಯಾಗ ತಪಸ್ಸು ಮತ್ತು ಸೇವೆಯಾಗಲು ಸಾಧ್ಯವಿಲ್ಲ. ಅಲ್ಪಕಾಲದ ನಾನು, ನನ್ನದು, ಈ ಒಂದು ಮಾತಿನ ತ್ಯಾಗವಿರಬೇಕು. ನಾನು ಮತ್ತು ನನ್ನದು ಸಮಾಪ್ತಿಯಾಯಿತೆಂದರೆ ಇನ್ನೇನು ಉಳಿಯಿತು? ಬೇಹದ್ದಿನಲ್ಲಿರುವುದು. ನಾನು ಒಂದು ಶುದ್ಧಾತ್ಮನಾಗಿದ್ದೇನೆ ಮತ್ತು ನನ್ನವರಂತು ಒಬ್ಬರು ತಂದೆಯನ್ನು ಬಿಟ್ಟು ಮತ್ತ್ಯಾರೂ ಇಲ್ಲ. ಅಂದಮೇಲೆ ಎಲ್ಲಿ ಬೇಹದ್ದಿನ ಸರ್ವಶಕ್ತಿವಂತನಿದ್ದಾರೆ, ಅಲ್ಲಿ ಸಫಲತೆಯು ಸದಾ ಜೊತೆಯಿರುತ್ತದೆ. ಇದೇ ತ್ಯಾಗದ ಮೂಲಕ ತಪಸ್ಸು ಸಹ ಸಿದ್ಧವಾಗುತ್ತದೆಯಲ್ಲವೆ. ತಪಸ್ಸು ಎಂದರೆ ಏನಾಗಿದೆ? ನಾನು ಒಬ್ಬರವನಾಗಿದ್ದೇನೆ. ಒಬ್ಬರ ಶ್ರೇಷ್ಠ ಮತದಲ್ಲಿಯೇ ನಡೆಯುವವನಾಗಿದ್ದೇನೆ. ಇದರಿಂದಲೇ ಏಕರಸ ಸ್ಥಿತಿಯೂ ಸಹ ಸ್ವತಹವಾಗಿ ಆಗಿ ಬಿಡುತ್ತದೆ. ಸದಾ ಒಬ್ಬ ಪರಮಾತ್ಮನ ಸ್ಮೃತಿ - ಇದೇ ತಪಸ್ಸಾಗಿದೆ. ಏಕರಸ ಸ್ಥಿತಿಯೇ ಶ್ರೇಷ್ಠಾಸನವಾಗಿದೆ. ಕಮಲಪುಷ್ಪ ಸಮಾನ ಸ್ಥಿತಿ - ಇದೇ ತಪಸ್ಸಿನ ಆಸನವಾಗಿದೆ. ತ್ಯಾಗದಿಂದ ತಪಸ್ಸು ಸಹ ಸ್ವತಹವಾಗಿಯೇ ಸಿದ್ಧವಾಗಿ ಬಿಡುತ್ತದೆ. ಯಾವಾಗ ತ್ಯಾಗ ಮತ್ತು ತಪಸ್ವಿ ಸ್ವರೂಪದವರಾಗಿ ಬಿಡುತ್ತೀರಿ, ಆಗ ಏನು ಮಾಡುತ್ತೀರಿ? ನನ್ನದೆನ್ನುವುದರ ತ್ಯಾಗ ಅಥವಾ ನಾನು ಎನ್ನುವುದು ಸಮಾಪ್ತಿಯಾಗಿ ಬಿಟ್ಟಿತು. ಒಬ್ಬರ ಲಗನ್ನಿನಲ್ಲಿ ಮಗ್ನ ತಪಸ್ವಿಯಾಗಿ ಬಿಟ್ಟಿರೆಂದರೆ, ಸೇವೆಯಿಲ್ಲದಿರಲು ಸಾಧ್ಯವಿಲ್ಲ. ಈ ಅಲ್ಪಕಾಲದ ನಾನು ಮತ್ತು ನನ್ನದು ಸತ್ಯ ಸೇವೆಯನ್ನು ಮಾಡಲು ಬಿಡುವುದಿಲ್ಲ. ತ್ಯಾಗಿ ಮತ್ತು ತಪಸ್ವಿಮೂರ್ತಿಯು ಸತ್ಯ ಸೇವಾಧಾರಿಯಾಗಿದ್ದಾರೆ. ನಾನು ಇದನ್ನು ಮಾಡಿದೆನು, ನಾನು ಹೀಗಿದ್ದೇನೆ, ಈ ದೇಹಭಾನವು ಸ್ವಲ್ಪವೇನಾದರೂ ಬಂದಿತೆಂದರೆ ಸೇವಾಧಾರಿಗೆ ಬದಲು ಏನಾಗಿ ಬಿಡುತ್ತೀರಿ? ಕೇವಲ ಹೆಸರಿಗೆ ಸೇವಾಧಾರಿಯಾಗಿ ಬಿಡುತ್ತೀರಿ. ಸತ್ಯ ಸೇವಾಧಾರಿಯಾಗುವುದಿಲ್ಲ. ಸತ್ಯ ಸೇವೆಯ ಆಧಾರವಾಯಿತು - ತ್ಯಾಗ ಮತ್ತು ತಪಸ್ಸು. ಇಂತಹ ತ್ಯಾಗಿ-ತಪಸ್ವಿ ಸೇವಾಧಾರಿಯು ಸದಾ ಸಫಲತಾ ಸ್ವರೂಪನಾಗಿರುತ್ತಾರೆ. ವಿಜಯ, ಸಫಲತೆಯು ಅವರ ಕೊರಳಿನ ಮಾಲೆಯಾಗಿ ಬಿಡುತ್ತದೆ. ಜನ್ಮಸಿದ್ಧ ಅಧಿಕಾರಿಯಾಗಿ ಬಿಡುತ್ತಾರೆ. ಅಂದಮೇಲೆ ವಿಶ್ವದ ಸರ್ವ ಮಕ್ಕಳಿಗೆ ಬಾಪ್ದಾದಾರವರು ಇದೇ ಶ್ರೇಷ್ಠ ಶಿಕ್ಷಣವನ್ನು ಕೊಡುತ್ತಾರೆ - ತ್ಯಾಗಿಯಾಗಿರಿ, ತಪಸ್ವಿಯಾಗಿರಿ, ಸತ್ಯ ಸೇವಾಧಾರಿಯಾಗಿರಿ. ಇಂದಿನ ಪ್ರಪಂಚವು ಮೃತ್ಯುವಿನ ಭಯದ ಪ್ರಪಂಚವಾಗಿದೆ. (ಬಿರುಗಾಳಿಯು ಬಂದಿತು) ಪ್ರಕೃತಿಯ ಏರುಪೇರಿನಲ್ಲಿ ತಾವಂತು ಅಚಲರಾಗಿದ್ದೀರಲ್ಲವೇ! ತಮೋಗುಣಿ ಪ್ರಕೃತಿಯ ಕೆಲಸವಾಗಿದೆ-ಏರುಪೇರು ಮಾಡುವುದು ಮತ್ತು ತಾವು ಅಚಲ ಆತ್ಮರ ಕಾರ್ಯವಾಗಿದೆ- ಪ್ರಕೃತಿಯನ್ನೂ ಪರಿವರ್ತನೆ ಮಾಡುವುದು. ಹೊಸದೇನಲ್ಲ. ಇದೆಲ್ಲವೂ ಆಗಲೇಬೇಕು. ಏರುಪೇರಿನಲ್ಲಿಯೇ ಅಚಲರಾಗುವಿರಿ. ಅಂದಮೇಲೆ ಸ್ವರಾಜ್ಯ ಅಧಿಕಾರಿಗಳ ಸಭೆಯ ನಿವಾಸಿಗಳಾದ ಶ್ರೇಷ್ಠಾತ್ಮರು ತಿಳಿದುಕೊಂಡಿರೇ! ಇದೂ ಸಹ ರಾಜ್ಯ ಸಭೆಯಾಗಿದೆಯಲ್ಲವೆ. ರಾಜಯೋಗಿ ಅರ್ಥಾತ್ ಸ್ವಯಂಗೆ ರಾಜ. ರಾಜಯೋಗಿ ಸಭೆ ಅರ್ಥಾತ್ ಸ್ವರಾಜ್ಯದ ಸಭೆ. ತಾವೆಲ್ಲರೂ ಸಹ ರಾಜನೇತರಾಗಿದ್ದೀರಲ್ಲವೆ. ಅವರುಗಳು ದೇಶದ ರಾಜನೇತರು ಮತ್ತು ತಾವು ಸ್ವರಾಜ್ಯ ನೇತರು. ನೇತ ಅರ್ಥಾತ್ ನೀತಿಯನುಸಾರ ನಡೆಯುವವರು. ಅಂದಮೇಲೆ ತಾವು ಧರ್ಮ ನೀತಿ, ಸ್ವರಾಜ್ಯ ನೀತಿಗಳನುಸಾರವಾಗಿ ನಡೆಯುವಂತಹ ಸ್ವರಾಜ್ಯ ನೇತರಾಗಿದ್ದೀರಿ. ಯಥಾರ್ಥ ಶ್ರೇಷ್ಠ ನೀತಿ ಅರ್ಥಾತ್ ಶ್ರೀಮತ. ಶ್ರೀಮತವೇ ಯಥಾರ್ಥವಾದ ನೀತಿಯಾಗಿದೆ. ಈ ನೀತಿಯಲ್ಲಿ ನಡೆಯುವವರು ಸಫಲನೇತರಾಗಿದ್ದಾರೆ. ಬಾಪ್ದಾದಾರವರು ದೇಶದ ರಾಜಕೀಯ ವರ್ಗದವರಿಗೆ ಶುಭಾಷಯಗಳನ್ನು ಕೊಡುತ್ತಾರೆ. ಏಕೆಂದರೆ ಪರಿಶ್ರಮವನ್ನಂತು ಪಡುತ್ತಾರಲ್ಲವೆ. ಭಲೆ ವಿಭಿನ್ನವಾಗಿದ್ದಾರೆ. ಆದರೂ ದೇಶದ ಬಗ್ಗೆ ಲಗನ್ ಇದೆ. ನಮ್ಮ ರಾಜ್ಯವು ಅಮರವಾಗಿರಲಿ - ಈ ಲಗನ್ನಿಂದ ಪರಿಶ್ರಮವನ್ನಂತು ಪಡುತ್ತಾರಲ್ಲವೆ. ನಮ್ಮ ಭಾರತವು ಶ್ರೇಷ್ಠವಾಗಿರಲಿ ಎನ್ನುವ ಲಗನ್ ಸ್ವತಹವಾಗಿಯೇ ಪರಿಶ್ರಮ ತೆಗೆದುಕೊಳ್ಳುತ್ತದೆ. ಈಗ ಸಮಯವು ಬರುತ್ತದೆ, ಯಾವಾಗ ರಾಜ್ಯಶಕ್ತಿ ಮತ್ತು ಧರ್ಮಶಕ್ತಿಯೆರಡೂ ಜೊತೆಯಿರುತ್ತದೆ, ಆಗಲೇ ವಿಶ್ವದಲ್ಲಿ ಭಾರತದ ಜಯಜಯಕಾರವಾಗುತ್ತದೆ. ಭಾರತವೇ ಲೈಟ್ಹೌಸ್ ಆಗುತ್ತದೆ. ಭಾರತದ ಕಡೆ ಎಲ್ಲರ ದೃಷ್ಟಿಯು ಹರಿಯುತ್ತದೆ. ಭಾರತವನ್ನೇ ವಿಶ್ವ ಪ್ರೇರಣೆಯ ಪುಂಜವೆಂದು ಅನುಭವ ಮಾಡುತ್ತಾರೆ. ಭಾರತವು ಅವಿನಾಶಿ ಖಂಡವಾಗಿದೆ. ಅವಿನಾಶಿ ತಂದೆಯ ಅವತರಣಾ ಭೂಮಿಯಾಗಿದೆ. ಆದ್ದರಿಂದ ಭಾರತದ ಮಹತ್ವವು ಸದಾ ಮಹಾನ್ ಆಗಿರುತ್ತದೆ. ಒಳ್ಳೆಯದು. ಎಲ್ಲರೂ ತಮ್ಮ ಮಧುರ ಮನೆಗೆ ತಲುಪಿದ್ದೀರಿ. ಬಾಪ್ದಾದಾರವರು ಎಲ್ಲಾ ಮಕ್ಕಳೂ ಬಂದಿರುವುದಕ್ಕಾಗಿ ಶುಭಾಷಯಗಳನ್ನು ಕೊಡುತ್ತಿದ್ದಾರೆ. ಭಲೆ ಬಂದಿದ್ದೀರಿ. ತಂದೆಯ ಮನೆಯ ಶೃಂಗಾರವು ಭಲೆ ಬಂದಿದ್ದೀರಿ. ಒಳ್ಳೆಯದು. ಎಲ್ಲಾ ಸಫಲತೆಯ ನಕ್ಷತ್ರಗಳಿಗೆ, ಸದಾ ಏಕರಸ ಸ್ಥಿತಿಯ ಆಸನದಲ್ಲಿ ಕುಳಿತಿರುವ ತಪಸ್ವಿ ಮಕ್ಕಳಿಗೆ, ಸದಾ ಒಬ್ಬ ಪರಮಾತ್ಮನ ಶ್ರೇಷ್ಠ ನೆನಪಿನಲ್ಲಿರುವ ಮಹಾನ್ ಆತ್ಮರಿಗೆ, ಶ್ರೇಷ್ಠ ಭಾವನೆ ಶ್ರೇಷ್ಠ ಕಾಮನೆಯಿರುವ ವಿಶ್ವ ಕಲ್ಯಾಣಕಾರಿ ಸೇವಾಧಾರಿ ಮಕ್ಕಳಿಗೆ ಬಾಪ್ದಾದಾರವರ ನೆನಪು-ಪ್ರೀತಿ ಹಾಗೂ ನಮಸ್ತೆ. ಅವ್ಯಕ್ತ ಬಾಪ್ದಾದಾರವರು ಗುಜರಾತ್ ರಾಜ್ಯದ ಮುಖ್ಯಮಂತ್ರಿಯವರೊಂದಿಗೆ ವಾರ್ತಾಲಾಪ ತಂದೆಯ ಮನೆಯಲ್ಲಿ ಅಥವಾ ತಮ್ಮ ಮನೆಯಲ್ಲಿ ಭಲೆ ಬಂದಿದ್ದೀರಿ. ತಂದೆಯವರಿಗೆ ಗೊತ್ತಿದೆ- ಸೇವೆಯಲ್ಲಿ ಲಗನ್ ಚೆನ್ನಾಗಿದೆ. ಕೋಟಿಯಲ್ಲಿ ಕೆಲವರು ಇಂತಹ ಸೇವಾಧಾರಿಯಿದ್ದಾರೆ, ಆದ್ದರಿಂದ ಸೇವೆಯ ಪರಿಶ್ರಮದಲ್ಲಿ ಆಂತರಿಕ ಖುಷಿಯ ಪ್ರತ್ಯಕ್ಷಫಲದ ರೂಪದಲ್ಲಿ ಸದಾಕಾಲವೂ ಸಿಗುತ್ತಿರುತ್ತದೆ. ಈ ಪರಿಶ್ರಮವು ಸಫಲತೆಗೆ ಆಧಾರವಾಗಿದೆ. ಒಂದುವೇಳೆ ನಿಮಿತ್ತವಾಗಿರುವ ಸೇವಾಧಾರಿಗಳೆಲ್ಲರೂ ಪರಿಶ್ರಮವನ್ನು ತೆಗೆದುಕೊಂಡರೆ, ಭಾರತದ ರಾಜ್ಯವು ಸದಾಕಾಲವೇ ಸಫಲತೆಯನ್ನು ಪಡೆಯುತ್ತಿರುತ್ತದೆ. ಸಫಲತೆಯಂತು ಸಿಗಲೇಬೇಕು. ಇದಂತು ನಿಶ್ಚಿತವಿದೆ ಆದರೆ ಯಾರು ನಿಮಿತ್ತರಾಗುತ್ತಾರೆ, ನಿಮಿತ್ತರಾಗುವವರಿಗೆ ಸೇವೆಯ ಪ್ರತ್ಯಕ್ಷಫಲ ಮತ್ತು ಭವಿಷ್ಯ ಫಲವು ಪ್ರಾಪ್ತಿಯಾಗುತ್ತದೆ. ಅಂದಮೇಲೆ ಸೇವೆಗೆ ನಿಮಿತ್ತರಾಗಿದ್ದೀರಿ. ನಿಮಿತ್ತ ಭಾವವನ್ನಿಟ್ಟುಕೊಂಡು ಸದಾ ಸೇವೆಯಲ್ಲಿ ಮುಂದುವರೆಯುತ್ತಾ ಇರಿ. ಎಲ್ಲಿ ನಿಮಿತ್ತ ಭಾವವಿದೆ, ನಾನೆನ್ನುವ ಭಾವವಿಲ್ಲ, ಅಲ್ಲಿ ಸದಾ ಉನ್ನತಿಯನ್ನು ಪಡೆಯುತ್ತಿರುತ್ತೀರಿ. ಈ ನಿಮಿತ್ತ ಭಾವ ಶುಭ ಭಾವನೆ, ಶುಭ ಕಾಮನೆಯು ಸ್ವತಹವಾಗಿ ಜಾಗೃತಗೊಳಿಸುತ್ತದೆ. ವರ್ತಮಾನದಲ್ಲಿ ಶುಭಭಾವನೆ, ಶುಭಕಾಮನೆಯಿಲ್ಲ. ಆದ್ದರಿಂದ ನಿಮಿತ್ತಭಾವಕ್ಕೆ ಬದಲಾಗಿ ನಾನೆನ್ನುವುದು ಬಂದು ಬಿಟ್ಟಿದೆ. ಒಂದುವೇಳೆ ನಾನು ನಿಮಿತ್ತನೆಂದು ತಿಳಿದುಕೊಂಡರೆ ಮಾಡಿಸುವವರು ತಂದೆಯೆಂದು ತಿಳಿದುಕೊಳ್ಳಲಿ. ಮಾಡಿಮಾಡಿಸುವ ಸ್ವಾಮಿಯು ಸದಾ ಶ್ರೇಷ್ಠವಾಗಿರುವುದನ್ನೇ ಮಾಡಿಸುತ್ತಾರೆ. ನಿಮಿತ್ತವಾಗುವ ಬದಲು ರಾಜ್ಯದ ಪ್ರವೃತ್ತಿಯ ಗೃಹಸ್ಥಿಯಾಗಿ ಬಿಟ್ಟಿದ್ದಾರೆ, ಗೃಹಸ್ಥಿಯಲ್ಲಿ ಹೊರೆಯಾಗುತ್ತದೆ ಮತ್ತು ನಿಮಿತ್ತರಾಗಿರುವುದರಲ್ಲಿ ಹಗುರತೆಯಿರುತ್ತದೆ. ಎಲ್ಲಿಯವರೆಗೆ ಹಗುರವಾಗುವುದಿಲ್ಲ, ಅದರಿಂದ ನಿರ್ಣಯ ಶಕ್ತಿಯೂ ಇಲ್ಲ. ನಿಮಿತ್ತರಾಗಿದ್ದರೆ ಹಗುರತೆಯಿರುತ್ತದೆ, ನಿರ್ಣಯ ಶಕ್ತಿಯು ಶ್ರೇಷ್ಠವಾಗಿರುತ್ತದೆ. ಆದ್ದರಿಂದ ಸದಾ ನಿಮಿತ್ತರಾಗಿದ್ದೀರಿ. ನಿಮಿತ್ತನಾಗಿದ್ದೇನೆ - ಈ ಭಾವನೆಯು ಫಲದಾಯಕವಾಗಿದೆ. ಭಾವನೆಯ ಫಲವು ಸಿಗುತ್ತದೆ. ಈ ನಿಮಿತ್ತತನದ ಭಾವನೆಯು ಸದಾ ಶ್ರೇಷ್ಠ ಫಲವನ್ನು ಕೊಡುತ್ತಿರುತ್ತದೆ. ಅಂದಮೇಲೆ ಜೊತೆಗಾರರೆಲ್ಲರಿಗೂ ಈ ಸ್ಮೃತಿಯನ್ನು ತರಿಸಿರಿ - ಏನೆಂದರೆ, ನಿಮಿತ್ತಭಾವ, ನಿಮಿತ್ತತನದ ಭಾವವನ್ನಿಡಿ. ಅದರಿಂದ ಈ ರಾಜನೀತಿಯು ವಿಶ್ವಕ್ಕಾಗಿ ಶ್ರೇಷ್ಠ ನೀತಿಯಾಗಿ ಬಿಡುತ್ತದೆ. ಇಡೀ ವಿಶ್ವವು ಈ ಭಾರತದ ರಾಜನೀತಿಯನ್ನು ಕಾಪಿ ಮಾಡುತ್ತದೆ. ಆದರೆ ಇದರ ಆಧಾರವು ನಿಮಿತ್ತತನ ಅರ್ಥಾತ್ ನಿಮಿತ್ತಭಾವ. ಕುಮಾರರೊಂದಿಗೆ:- ಕುಮಾರ ಅರ್ಥಾತ್ ಸರ್ವ ಶಕ್ತಿಗಳನ್ನು, ಸರ್ವ ಖಜಾನೆಗಳನ್ನು ಜಮಾ ಮಾಡಿಕೊಂಡು, ಅನ್ಯರನ್ನೂ ಶಕ್ತಿಶಾಲಿಗೊಳಿಸುವ ಸೇವೆಯನ್ನು ಮಾಡುವವರು. ಸದಾ ಇದೇ ಸೇವೆಯಲ್ಲಿ ಬ್ಯುಸಿಯಾಗಿರುತ್ತೀರಲ್ಲವೆ. ಬ್ಯುಸಿಯಾಗಿರುತ್ತೀರೆಂದರೆ ಉನ್ನತಿಯಾಗುತ್ತಿರುತ್ತದೆ. ಒಂದುವೇಳೆ ಸ್ವಲ್ಪವೇನಾದರೂ ಫ್ರೀ ಆಗುತ್ತೀರೆಂದರೆ ವ್ಯರ್ಥ ವಿಚಾರ ನಡೆಯುತ್ತದೆ. ಸಮರ್ಥರಾಗಿರುವುದಕ್ಕಾಗಿ ಬ್ಯುಸಿಯಾಗಿ ಇರಬೇಕು. ತಮ್ಮ ದಿನಚರಿಯನ್ನು ತಯಾರು ಮಾಡಿಕೊಳ್ಳಿರಿ. ಹೇಗೆ ಶರೀರದ ದಿನಚರಿಯನ್ನು ಮಾಡುತ್ತೀರಿ ಹಾಗೆಯೇ ಬುದ್ಧಿಗಾಗಿಯೂ ದಿನಚರಿಯನ್ನು ಮಾಡಿರಿ. ಬುದ್ಧಿಯಿಂದ ಬ್ಯುಸಿಯಾಗಿರುವ ಯೋಜನೆಯನ್ನು ಮಾಡಿಕೊಳ್ಳಿರಿ. ಬ್ಯುಸಿಯಾಗಿರುವುದರಿಂದ ಸದಾ ಉನ್ನತಿಯನ್ನು ಪಡೆಯುತ್ತಿರುತ್ತೀರಿ. ವರ್ತಮಾನ ಸಮಯದನುಸಾರವಾಗಿ ಕುಮಾರ ಜೀವನದಲ್ಲಿ ಶ್ರೇಷ್ಠರಾಗುವುದು, ಬಹಳ ಶ್ರೇಷ್ಠ ಭಾಗ್ಯವಾಗಿದೆ. ನಾವು ಶ್ರೇಷ್ಠ ಭಾಗ್ಯಶಾಲಿ ಆತ್ಮರಾಗಿದ್ದೇವೆ - ಇದನ್ನೇ ಸದಾ ಯೋಚಿಸಿರಿ. ನೆನಪು ಮತ್ತು ಸೇವೆಯ ಯೋಜನೆಯೇ ಸದಾ ನಡೆಯುತ್ತಿರಲಿ. ಬ್ಯಾಲೆನ್ಸ್ ಇಡುವವರಿಗೆ ಸದಾ ಬ್ಲೆಸ್ಸಿಂಗ್ ಸಿಗುತ್ತಿರುತ್ತದೆ. ಒಳ್ಳೆಯದು. ಆಯ್ಕೆ ಮಾಡಿಕೊಂಡಿರುವ ವಿಶೇಷ ಅವ್ಯಕ್ತ ಮಹಾವಾಕ್ಯಗಳು : ಪರಮಾತ್ಮಪ್ರೀತಿಯಲ್ಲಿ ಸದಾ ಲವಲೀನರಾಗಿರಿ ಪರಮಾತ್ಮ ಪ್ರೀತಿಯು ಆನಂದಮಯವಾದ ಉಯ್ಯಾಲೆಯಾಗಿದೆ, ಈ ಸುಖದಾಯಿ ಉಯ್ಯಾಲೆಯಲ್ಲಿ ತೂಗುತ್ತಾ ಸದಾ ಪರಮಾತ್ಮ ಪ್ರೀತಿಯಲ್ಲಿ ಲವಲೀನರಾಗಿ ಇರುತ್ತೀರೆಂದರೆ, ಎಂದಿಗೂ ಯಾವುದೇ ಪರಿಸ್ಥಿತಿ ಅಥವಾ ಮಾಯೆಯ ಏರುಪೇರಿನಲ್ಲಿ ಬರಲು ಸಾಧ್ಯವಿಲ್ಲ. ಪರಮಾತ್ಮ-ಪ್ರೀತಿಯು ಅಕೂಟವಾಗಿದೆ, ಅಟಲವಾಗಿದೆ, ಇಷ್ಟೊಂದಿದೆ ಅದು ಸರ್ವರಿಗೂ ಪ್ರಾಪ್ತಿಯಾಗಲು ಸಾಧ್ಯವಾಗುತ್ತದೆ. ಆದರೆ ಪರಮಾತ್ಮ ಪ್ರೀತಿಯನ್ನು ಪ್ರಾಪ್ತಿ ಮಾಡಿಕೊಳ್ಳುವ ವಿಧಿಯಾಗಿದೆ - ಭಿನ್ನರಾಗಿ ಇರುವುದು. ಯಾರೆಷ್ಟು ಭಿನ್ನವಾಗಿರುತ್ತಾರೆಯೋ ಅವರಷ್ಟೇ ಪರಮಾತ್ಮ ಪ್ರೀತಿಯ ಅಧಿಕಾರಿಯಾಗಿದ್ದಾರೆ. ಪರಮಾತ್ಮ ಪ್ರೀತಿಯಲ್ಲಿ ಸಮಾವೇಶವಾಗಿರುವ ಆತ್ಮರೆಂದಿಗೂ ಸಹ ಅಲ್ಪಕಾಲದ ಪ್ರಭಾವಗಳಲ್ಲಿ ಪ್ರಭಾವಿತರಾಗಲು ಸಾಧ್ಯವಿಲ್ಲ, ಸದಾ ಬೇಹದ್ದಿನ ಪ್ರಾಪ್ತಿಗಳಲ್ಲಿ ಮಗ್ನರಾಗಿರುತ್ತಾರೆ. ಅವರಿಂದ ಸದಾಕಾಲವೂ ಆತ್ಮೀಯತೆಯ ಸುಗಂಧವೇ ಬರುತ್ತದೆ. ಪ್ರೀತಿಯ ಸಂಕೇತವಾಗಿದೆ - ಯಾರೊಂದಿಗೆ ಪ್ರೀತಿಯಿರುತ್ತದೆ, ಅದರ ಮೇಲೆ ಅರ್ಪಣೆ ಮಾಡಿ ಬಿಡುತ್ತಾರೆ. ತಂದೆಗೆ ಮಕ್ಕಳೊಂದಿಗೆ ಇಷ್ಟೂ ಪ್ರೀತಿಯಿದೆ, ಅದರಿಂದ ಪ್ರತಿನಿತ್ಯವೂ ಪ್ರೀತಿಯ ಪ್ರತ್ಯುತ್ತರವನ್ನು ಕೊಡುವುದಕ್ಕಾಗಿ ಇಷ್ಟೊಂದು ದೊಡ್ಡ ಪತ್ರವನ್ನು ಬರೆಯುತ್ತಾರೆ. ನೆನಪು-ಪ್ರೀತಿಯನ್ನು ಕೊಡುತ್ತಾರೆ ಮತ್ತು ಜೊತೆಗಾರನಾಗಿ ಸದಾ ಜೊತೆಯನ್ನು ನಿಭಾಯಿಸುತ್ತಾರೆ. ಅಂದಮೇಲೆ ಈ ಪ್ರೀತಿಯಲ್ಲಿ ತಮ್ಮೆಲ್ಲಾ ಬಲಹೀನತೆಗಳನ್ನು ಅರ್ಪಣೆ ಮಾಡಿಬಿಡಿ. ಮಕ್ಕಳೊಂದಿಗೆ ತಂದೆಗೆ ಪ್ರೀತಿಯಿದೆ, ಆದ್ದರಿಂದ ಸದಾ ಹೇಳುತ್ತಾರೆ - ಮಕ್ಕಳು ಯಾರಾಗಿದ್ದೀರಿ, ಹೇಗಿದ್ದೀರಿ ಆದರೆ ನನ್ನ ಮಕ್ಕಳು. ಹಾಗೆಯೇ ತಾವೂ ಸಹ ಸದಾ ಪ್ರೀತಿಯಲ್ಲಿ ಲವಲೀನರಾಗಿರಿ, ಹೃದಯದಿಂದ ಹೇಳಿ - ಬಾಬಾ ತಾವೇ ಎಲ್ಲವೂ ಆಗಿದ್ದೀರಿ. ಎಂದಿಗೂ ಅಸತ್ಯ ರಾಜ್ಯದ ಪ್ರಭಾವದಲ್ಲಿ ಬರದಿರಿ. ಯಾರು ಪ್ರಿಯವಾಗಿರುವವರಿರುತ್ತಾರೆ, ಅವರನ್ನು ನೆನಪು ಮಾಡಲಾಗುವುದಿಲ್ಲ, ಸ್ವತಹವಾಗಿಯೇ ನೆನಪು ಬರುತ್ತಿರುತ್ತದೆ. ಕೇವಲ ಪ್ರೀತಿಯು ಹೃದಯದಿಂದ ಇರಲಿ, ಸತ್ಯ ಮತ್ತು ನಿಸ್ವಾರ್ಥವಾಗಿರುವುದಾಗಿರಲಿ. ಯಾವಾಗ ನನ್ನ ಬಾಬಾ, ಪ್ರಿಯವಾದ ಬಾಬಾ ಎಂದು ಹೇಳುತ್ತೀರೆಂದರೆ, ಪ್ರಿಯರನ್ನೆಂದಿಗೂ ಮರೆಯಲು ಸಾಧ್ಯವಿಲ್ಲ. ಮತ್ತು ನಿಸ್ವಾರ್ಥ ಪ್ರೀತಿಯಿಲ್ಲದೆ ತಂದೆಯು ಯಾವುದೇ ಆತ್ಮನೊಂದಿಗೆ ಮಿಲನವಾಗಲು ಸಾಧ್ಯವಿಲ್ಲ. ಆದ್ದರಿಂದ ಎಂದಿಗೂ ತೋರ್ಪಡಿಕೆಯ ನೆನಪು ಮಾಡಬೇಡಿ, ನಿಸ್ವಾರ್ಥ ಪ್ರೀತಿಯಲ್ಲಿ ಲವಲೀನರಾಗಿ ಇರಿ. ಪರಮಾತ್ಮ ಪ್ರೀತಿಯ ಅನುಭವಿ ಆಗುತ್ತೀರೆಂದರೆ, ಇದೇ ಅನುಭವದಿಂದ ಸಹಜಯೋಗಿಯಾಗಿ ಹಾರುತ್ತಿರುತ್ತೀರಿ. ಪರಮಾತ್ಮ ಪ್ರೀತಿಯು ಹಾರಿಸಲು ಸಾಧನವಾಗಿದೆ. ಹಾರುವವರೆಂದಿಗೂ ಸಹ ಧರಣಿಯ ಆಕರ್ಷಣೆಯಲ್ಲಿ ಬರಲು ಸಾಧ್ಯವಿಲ್ಲ. ಮಾಯೆಯೆಷ್ಟೇ ಆಕರ್ಷಿತ ರೂಪದಲ್ಲಿರಲಿ. ಆದರೆ ಆ ಆಕರ್ಷಣೆಯು ಹಾರುವವರ ಬಳಿ ತಲುಪಲು ಸಾಧ್ಯವಿಲ್ಲ. ಪರಮಾತ್ಮ ಪ್ರೀತಿಯ ಈ ಸಂಬಂಧವು ದೂರ ದೂರದಿಂದ ಸೆಳೆದು ಕರೆದುಕೊಂಡು ಬರುತ್ತದೆ. ಇದು ಇಂತಹ ಸುಖ ಕೊಡುವ ಪ್ರೀತಿಯಾಗಿದೆ, ಯಾರು ಈ ಪ್ರೀತಿಯಲ್ಲಿ ಒಂದು ಸೆಕೆಂಡಿಗಾದರೂ ಮುಳುಗಿ ಬಿಡುತ್ತಾರೆ, ಅವರು ಅನೇಕ ದುಃಖಗಳನ್ನು ಮರೆತು ಬಿಡುತ್ತಾರೆ ಮತ್ತು ಸದಾಕಾಲಕ್ಕಾಗಿ ಸುಖದ ಉಯ್ಯಾಲೆಯಲ್ಲಿ ತೂಗುತ್ತಾರೆ. ಜೀವನದಲ್ಲಿ ಏನು ಬೇಕು, ಒಂದುವೇಳೆ ಅವರೇನಾದರೂ ಕೊಡುತ್ತಾರೆಂದರೆ ಪ್ರೀತಿಯ ಸಂಕೇತವೂ ಇದೇ ಆಗಿರುತ್ತದೆ. ಅಂದಮೇಲೆ ತಂದೆಗೆ ತಾವು ಮಕ್ಕಳೊಂದಿಗೆ ಇಷ್ಟೂ ಪ್ರೀತಿಯಿದೆ, ಅವರು ಜೀವನದ ಸುಖ-ಶಾಂತಿಯ ಎಲ್ಲಾ ಕಾಮನೆಗಳನ್ನು ಪೂರ್ಣಗೊಳಿಸಿ ಬಿಡುತ್ತಾರೆ. ತಂದೆಯು ಸುಖವನ್ನಷ್ಟೇ ಕೊಡುವುದಿಲ್ಲ ಆದರೆ ಸುಖದ ಭಂಡಾರದ ಮಾಲೀಕರನ್ನಾಗಿ ಮಾಡಿ ಬಿಡುತ್ತಾರೆ. ಜೊತೆ ಜೊತೆಗೆ ಶ್ರೇಷ್ಠ ಭಾಗ್ಯದ ರೇಖೆಯನ್ನೆಳೆದುಕೊಳ್ಳುವ ಲೇಖನಿಯನ್ನೂ ಕೊಡುತ್ತಾರೆ, ಯಾರಿಗೆಷ್ಟು ಬೇಕು ಅಷ್ಟೂ ಭಾಗ್ಯವನ್ನು ರೂಪಿಸಿಕೊಳ್ಳಬಹುದು - ಇದೇ ಪರಮಾತ್ಮನ ಪ್ರೀತಿಯಾಗಿದೆ. ಯಾವ ಮಕ್ಕಳು ಪರಮಾತ್ಮ ಪ್ರೀತಿಯಲ್ಲಿ ಸದಾ ಲವಲೀನ, ಅದರಲ್ಲಿಯೇ ಮುಳುಗಿ ಬಿಟ್ಟಿರುತ್ತಾರೆ. ಅವರ ಹೊಳಪು ಮತ್ತು ನಶೆ, ಅನುಭೂತಿಯ ಕಿರಣಗಳು ಬಹಳ ಶಕ್ತಿಶಾಲಿ ಆಗಿರುತ್ತದೆ, ಅದು ಯಾವುದೇ ಸಮಸ್ಯೆಯನ್ನು ಸಮೀಪ ಬರುವುದಂತು ದೂರದ ಮಾತು ಆದರೆ ನೋಡುವುದಕ್ಕೂ ಬಿಡಲು ಸಾಧ್ಯವಿಲ್ಲ. ಅವರಿಗೆ ಎಂದೂ ಯಾವುದೇ ಪ್ರಕಾರದ ಪರಿಶ್ರಮವಾಗಲು ಸಾಧ್ಯವಿಲ್ಲ. ತಂದೆಗೆ ಮಕ್ಕಳೊಂದಿಗೆ ಇಷ್ಟೂ ಪ್ರೀತಿಯಿದೆ, ಅವರು ಅಮೃತವೇಳೆಯಿಂದಲೇ ಮಕ್ಕಳ ಪಾಲನೆಯನ್ನು ಮಾಡುತ್ತಾರೆ. ದಿನದ ಆರಂಭವಾಗುತ್ತಿದ್ದಂತೆ ಎಷ್ಟು ಶ್ರೇಷ್ಠವಾಗುತ್ತದೆ! ಸ್ವಯಂ ಭಗವಂತನ ಮಿಲನವಾಗುವುದಕ್ಕಾಗಿ ಕರೆಯುತ್ತಾರೆ, ಆತ್ಮಿಕ ವಾರ್ತಾಲಾಪ ಮಾಡುತ್ತಾರೆ, ಶಕ್ತಿಗಳನ್ನು ತುಂಬುತ್ತಾರೆ! ತಂದೆಯ ಪ್ರಿಯವಾದ ಗೀತೆಯು ತಮ್ಮನ್ನೇಳಿಸುತ್ತದೆ. ಎಷ್ಟೊಂದು ಸ್ನೇಹದಿಂದ ಕರೆಯುತ್ತಾರೆ, ಏಳಿಸುತ್ತಾರೆ – ಮಧುರ ಮಕ್ಕಳೇ, ಪ್ರಿಯವಾದ ಮಕ್ಕಳೇ, ಬನ್ನಿರಿ..... ಅಂದಮೇಲೆ ಈ ಇದು ಪ್ರೀತಿಯ ಪಾಲನೆಯ ಪ್ರತ್ಯಕ್ಷ ಸ್ವರೂಪವಾಗಿದೆ - ಸಹಜಯೋಗಿ ಜೀವನದ ಪ್ರತ್ಯಕ್ಷ ಸ್ವರೂಪ. ಯಾರೊಂದಿಗೆ ಪ್ರೀತಿಯಿರುತ್ತದೆ, ಅವರಿಗೇನು ಇಷ್ಟವಾಗುತ್ತದೆ ಅದನ್ನೇ ಮಾಡುತ್ತಾರೆ. ಅಂದಾಗ ತಂದೆಯವರಿಗೆ ಮಕ್ಕಳಲ್ಲಿ ಅಪ್ಸೆಟ್ ಆಗುವುದು ಇಷ್ಟವಾಗುವುದಿಲ್ಲ. ಆದ್ದರಿಂದ ಎಂದಿಗೂ ಸಹ ಹೀಗೆಳಬೇಡಿ - ಏನು ಮಾಡಲಿ, ಮಾತೇ ಹಾಗಿತ್ತು ಆದ್ದರಿಂದ ಅಪ್ಸೆಟ್ ಆಗಿ ಬಿಟ್ಟೆನು..... ಒಂದುವೇಳೆ ಮಾತು ಅಪ್ಸೆಟ್ ಆಗುವಂತಹದ್ದು ಬರಲೂಬಹುದು, ಆಗ ತಾವು ಅಪ್ಸೆಟ್ನ ಸ್ಥಿತಿಯಲ್ಲಿ ಬರಬೇಡಿ. ಬಾಪ್ದಾದಾರವರಿಗೆ ಮಕ್ಕಳೊಂದಿಗೆ ಇಷ್ಟೂ ಪ್ರೀತಿಯಿದೆ, ಅವರು ತಿಳಿಯುತ್ತಾರೆ- ಪ್ರತಿಯೊಂದು ಮಗುವೂ ನನಗಿಂತಲೂ ಮುಂದಿರಲಿ. ಪ್ರಪಂಚದಲ್ಲಿಯೂ ಯಾರೊಂದಿಗೇ ಹೆಚ್ಚಿನ ಪ್ರೀತಿಯಾಗುತ್ತದೆ, ಅವರನ್ನು ತನಗಿಂತಲೂ ಮುಂದುವರೆಸುತ್ತಾರೆ. ಇದೇ ಪ್ರೀತಿಯ ಚಿಹ್ನೆಯಾಗಿದೆ. ಅಂದಮೇಲೆ ಬಾಪ್ದಾದಾರವರೂ ಸಹ ಹೇಳುತ್ತಾರೆ – ನನ್ನ ಮಕ್ಕಳಲ್ಲಿ ಈಗ ಯಾವುದೇ ಕೊರತೆಯಿರಬಾರದು, ಎಲ್ಲರೂ ಸಂಪೂರ್ಣ, ಸಂಪನ್ನ ಮತ್ತು ಸಮಾನರಾಗಿ ಬಿಡಲಿ. ಆದಿಕಾಲ, ಅಮೃತವೇಳೆಯಲ್ಲಿ ತಮ್ಮ ಹೃದಯದಲ್ಲಿ ಪರಮಾತ್ಮ ಪ್ರೀತಿಯನ್ನು ಸಂಪೂರ್ಣವಾಗಿ ಧಾರಣೆ ಮಾಡಿಕೊಳ್ಳಿರಿ. ಒಂದುವೇಳೆ ಹೃದಯದಿಂದ ಪರಮಾತ್ಮ ಪ್ರೀತಿ, ಪರಮಾತ್ಮನ ಶಕ್ತಿಗಳು, ಪರಮಾತ್ಮನ ಜ್ಞಾನವು ಫುಲ್ ಆಗಿರುತ್ತದೆಯೆಂದರೆ ಎಂದೂ ಯಾವುದೇ ಕಡೆಯಲ್ಲಿ ಸೆಳೆತ ಅಥವಾ ಸ್ನೇಹವಾಗಲು ಸಾಧ್ಯವಿಲ್ಲ. ಈ ಪರಮಾತ್ಮನ ಪ್ರೀತಿಯು ಈ ಒಂದು ಜನ್ಮದಲ್ಲಿಯೇ ಪ್ರಾಪ್ತಿಯಾಗುತ್ತದೆ. 83 ಜನ್ಮಗಳಲ್ಲಿ ದೇವಾತ್ಮ ಹಾಗೂ ಸಾಧಾರಣ ಆತ್ಮರ ಮೂಲಕ ಪ್ರೀತಿ ಸಿಕ್ಕಿದೆ, ಈಗಷ್ಟೇ ಪರಮಾತ್ಮನ ಪ್ರೀತಿಯು ಸಿಗುತ್ತದೆ. ಆ ಆತ್ಮನ ಪ್ರೀತಿಯು ರಾಜ್ಯಭಾಗ್ಯವನ್ನು ಕಳೆಯುತ್ತದೆ ಮತ್ತು ಪರಮಾತ್ಮನ ಪ್ರೀತಿಯು ರಾಜ್ಯಭಾಗ್ಯವನ್ನು ಕೊಡಿಸುತ್ತದೆ. ಅಂದಮೇಲೆ ಈ ಪ್ರೀತಿಯ ಅನುಭೂತಿಗಳಲ್ಲಿ ಸಮಾವೇಶವಾಗಿರಿ. ತಂದೆಯೊಂದಿಗೆ ಸತ್ಯ ಪ್ರೀತಿಯಿದೆಯೆಂದರೆ ಪ್ರೀತಿಯ ಚಿಹ್ನೆಯಾಗಿದೆ - ಸಮಾನ, ಕರ್ಮಾತೀತರಾಗಿರಿ. `ಮಾಡುವವನು' ಆಗಿದ್ದು ಕರ್ಮವನ್ನು ಮಾಡಿರಿ, ಮಾಡಿಸಿರಿ. ಕರ್ಮೇಂದ್ರಿಯಗಳು ತಮ್ಮಿಂದ ಮಾಡಿಸದಿರಲಿ ಆದರೆ ತಾವು ಕರ್ಮೇಂದ್ರಿಯಗಳಿಂದ ಮಾಡಿಸಿರಿ. ಎಂದಿಗೂ ಸಹ ಮನಸ್ಸು-ಬುದ್ಧಿ ಹಾಗೂ ಸಂಸ್ಕಾರಗಳಿಗೆ ವಶರಾಗಿ ಯಾವುದೇ ಕರ್ಮವನ್ನು ಮಾಡಬಾರದು.   ವರದಾನ: ನಿರ್ಬಲನಿಂದ ಬಲಶಾಲಿಯಾಗಿ ಅಸಂಭವವನ್ನು ಸಂಭವ ಮಾಡುವಂತಹ ಸಾಹಸವಂತ ಆತ್ಮ ಭವ. "ಸಾಹಸ ಮಕ್ಕಳದು, ಸಹಯೋಗ ತಂದೆಯದು" ಈ ವರದಾನದ ಆಧಾರದ ಮೇಲೆ ಸಾಹಸದ ಮೊದಲ ಧೃಡ ಸಂಕಲ್ಪವನ್ನು ಮಾಡಿದಿರಿ - ನಾವು ಪವಿತ್ರರಾಗಲೇಬೇಕು ಮತ್ತು ತಂದೆಯು ಪದಮದಷ್ಟು ಸಹಯೋಗವನ್ನು ಕೊಟ್ಟರು - ತಾವು ಆತ್ಮರು ಅನಾದಿ-ಆದಿ ಪವಿತ್ರರಿದ್ದಿರಿ, ಅನೇಕ ಬಾರಿ ಪವಿತ್ರರಾಗಿದ್ದೀರಿ ಮತ್ತು ಆಗುತ್ತಿರುತ್ತೀರಿ. ಅನೇಕ ಬಾರಿಯ ಸ್ಮೃತಿಯಿಂದ ಸಮರ್ಥರಾಗಿ ಬಿಟ್ಟಿರಿ. ನಿರ್ಬಲನಿಂದ ಇಷ್ಟೂ ಶಕ್ತಿಶಾಲಿ ಆಗಿ ಬಿಟ್ಟಿರಿ, ಅದರಿಂದ ಚಾಲೆಂಜ್ ಮಾಡುತ್ತೀರಿ - ವಿಶ್ವವನ್ನೂ ಪಾವನಗೊಳಿಸಿ ತೋರಿಸುತ್ತೇವೆ, ಯಾವುದಕ್ಕಾಗಿ ಋಷಿ-ಮುನಿ ಮಹಾತ್ಮರು ತಿಳಿಯುತ್ತಿದ್ದರು - ಪ್ರವೃತ್ತಿಯಲ್ಲಿರುತ್ತಾ ಪವಿತ್ರರಾಗಿರುವುದು ಕಷ್ಟವಿದೆ, ಅದನ್ನು ತಾವು ಅತಿ ಸಹಜವಿದೆಯೆಂದು ಹೇಳುತ್ತೀರಿ. ಸ್ಲೋಗನ್: ಯಾರು ಸರ್ವರಿಗೆ ಗೌರವ ಕೊಡುವರು ಅವರ ರಿರ್ಕಾಡ್ ಸ್ವತಃ ಸರಿಯಾಗುತ್ತಾ ಹೋಗುವುದು. ಬ್ರಹ್ಮ ತಂದೆಯ ಸಮಾನರಾಗಲು ವಿಶೇಷ ಪುರುಷಾರ್ಥ ಹೇಗೆ ಬ್ರಹ್ಮ ತಂದೆಯು ಸಾಧಾರಣ ರೂಪದಲ್ಲಿದ್ದರೂ ಅಸಾಧಾರಣ ಅಥವಾ ಅಲೌಕಿಕ ಸ್ಥಿತಿಯಲ್ಲಿದ್ದರು. ಇದೇ ರೀತಿ ಫಾಲೋ ಫಾದರ್. ಹೇಗೆ ನಕ್ಷತ್ರಗಳ ಸಂಘಟನೆಯಲ್ಲಿ ವಿಶೇಷವಾದ ನಕ್ಷತ್ರವೇನಿರುತ್ತದೆ, ಅದರ ಹೊಳಪು, ಪ್ರಕಾಶತೆಯು ದೂರದಿಂದಲೇ ಭಿನ್ನ ಹಾಗೂ ಪ್ರಿಯವೆನಿಸುತ್ತದೆ. ಅದೇರೀತಿ ತಾವು ನಕ್ಷತ್ರಗಳೂ ಸಹ ಸಾಧಾರಣ ಆತ್ಮರ ಮಧ್ಯದಲ್ಲಿದ್ದು ವಿಶೇಷ ಆತ್ಮರೆಂದು ಕಂಡುಬರಲಿ.
176 views
2 months ago
#

নিউ ইয়ারের মজা

06-01-2019 ఉదయముమురళి ''అవ్యక్తబాప్‌దాదా'' రివైజ్‌-08-04-1984 మధువనము సంగమ యుగములో ప్రాప్తించిన అధికారాలతో విశ్వ రాజ్యాధికారులు బాప్‌దాదా ఈ రోజు స్వరాజ్య అధికారులైన శ్రేష్ఠ ఆత్మల దివ్య దర్బారును చూస్తున్నారు. విశ్వరాజ్య దర్బారు మరియు స్వరాజ్య దర్బారు, ఈ రెండు దర్బారులకు అధికారులుగా శ్రేష్ఠ ఆత్మలైన మీరే అవుతారు. స్వరాజ్య అధికారులే విశ్వ రాజ్య అధికారులుగా అవుతారు. ఈ డబల్‌ నషా సదా ఉంటోందా? తండ్రి చెందినవారిగా అవ్వడమనగా అనేక అధికారాలను పొందడము. ఎన్ని రకాల అధికారాలను పొందారో మీకు తెలుసా? అధికారాల మాలను గుర్తు చేసుకోండి. మొట్టమొదటి అధికారము - పరమాత్మకు పిల్లలుగా అయ్యారు. అనగా సర్వ శ్రేష్ఠమైన గౌరవింపదగిన, పూజ్యనీయులైన ఆత్మలుగా అయ్యే అధికారాన్ని పొందారు. తండ్రికి పిల్లలుగా అవ్వకుండా పూజ్యనీయ ఆత్మలుగా అయ్యే అధికారము పాప్తించజాలదు. కావున మొదటి అధికారము -పూజ్యనీయ ఆత్మలుగా అయ్యారు. రెండవ అధికారము - జ్ఞాన ఖజానాలకు అధిపతులుగా అయ్యారు అనగా అధికారులుగా అయ్యారు. మూడవ అధికారము - సర్వ శక్తులకు, ప్రాప్తులకు అధికారులుగా అయ్యారు. నాల్గవ అధికారము - సర్వ కర్మేంద్రియజీతులుగా, స్వరాజ్య అధికారులుగా అయ్యారు. ఈ సర్వ అధికారాల ద్వారా మాయాజీతుల నుండి జగత్‌జీతులుగా, విశ్వరాజ్య అధికారులుగా అవుతారు. కావున మీ సర్వ అధికారాలను సదా స్మృతిలో ఉంచుకుంటూ, సమర్థ ఆత్మలుగా అయిపోతారు. ఇటువంటి సమర్థులుగా అయ్యారు కదా! స్వరాజ్యమును లేక విశ్వ రాజ్యమును పొందేందుకు విశేషంగా మూడు విషయాలను ధారణ చేయుట ద్వారానే సఫలతను ప్రాప్తి చేసుకున్నారు. ఎటువంటి శ్రేష్ఠ కార్యము సఫలత అవ్వాలన్నా అందుకు - ఆధారము త్యాగము, తపస్సు మరియు సేవ. ఆధారమైన ఈ మూడు విషయాలు ఉంటే సఫలత లభిస్తుందా లేక లభించదా అన్న ప్రశ్నయే ఉత్పన్నమవ్వజాలదు. ఎక్కడైతే ఈ మూడు విషయాల ధారణ ఉందో అక్కడ సెకండులో సఫలత ఉండనే ఉంటుంది. సఫలత అయ్యే ఉంది. ఏ విషయంలో త్యాగము? కేవలం ఒక్క విషయాన్ని త్యాగము చేస్తే ఆ త్యాగము అన్ని త్యాగాలను సహజంగా మరియు స్వతహాగా చేయిస్తుంది. అదేమంటే - దేహ భావమును త్యాగము చేయడం. అది హద్దులోని 'నాది (మైపన్‌)' అన్నదానిని సహజంగా త్యాగం చేయిస్తుంది. ఈ హద్దులోని మైపన్‌ - తపస్సు మరియు సేవ నుండి వంచితులుగా చేసేస్తుంది. ఎక్కడైతే హద్దులోని 'మైపన్‌' ఉందో అక్కడ త్యాగము, తపస్సు మరియు సేవ జరగజాలదు. హద్దులోని 'నేను - నాదిని' త్యాగం చేయాలి. నేను - నాది సమాప్తమైపోతే ఇక మిగిలిందేమిటి? బేహద్‌ మైపన్‌. నేను ఒక శుద్ధమైన ఆత్మను, నాకు ఒక్క తండ్రి తప్ప ఇంకెవ్వరూ లేరు. కనుక ఎక్కడైతే సర్వ శక్తివంతుడైన బేహద్‌ తండ్రి ఉంటారో అక్కడ సదా సఫలత తోడుగా ఉంటుంది. ఈ త్యాగము ద్వారానే తపస్సు కూడా నిరూపించబడింది కదా! తపస్సు అంటే ఏమిటి? నేను ఒక్కరికి చెందినవాడిని, ఒక్కరి శ్రేష్ఠ మతము పైనే నడుచుకునేవాడను. దీని ద్వారా ఏకరస స్థితి స్వతహాగా ఏర్పడ్తుంది. సదా ఒక్క పరమాత్ముని స్మృతి ఉండడమే తపస్సు. ఏకరస స్థితియే శ్రేష్ఠమైన ఆసనము. కమలపుష్ప సమానమైన స్థితియే తపస్సుకు ఆసనము. త్యాగము ద్వారా తపస్సు కూడా స్వతహాగా సిద్ధిస్తుంది. ఎప్పుడైతే త్యాగము మరియు తపస్యా స్వరూపులుగా అయిపోయారో అప్పుడిక ఏమి చేస్తారు? నాది అన్నది త్యాగము లేక మైపన్‌ సమాప్తమైపోయింది. ఒక్కరి లగనంలో (ప్రేమలో) మగ్నమై తపస్వీలుగా అయిపోతే సేవ లేకుండా ఉండలేరు. ఈ హద్దులోని నేను - నాది సత్యమైన సేవను చేయనివ్వదు. త్యాగి మరియు తపస్వీ మూర్తులే సత్యమైన సేవాధారులు. నేను ఇది చేశాను, నేను ఇలా ఉన్నాను, ఈ దేహ భావము కొద్దిగా వచ్చినా సేవాధారులకు బదులుగా ఎలా అయిపోతారు? కేవలం పేరు కొరకు(నామధారీ) సేవ చేసే సేవాధారులుగా అయిపోతారు. సత్యమైన సేవాధారులుగా అవ్వరు. సత్యమైన సేవకు పునాది త్యాగము మరియు తపస్సు. ఇటువంటి త్యాగి, తపస్వీ సేవాధారులు సదా సఫలతా స్వరూపులుగా ఉంటారు. విజయము, సఫలత వారి కంఠహారంగా అయిపోతుంది. జన్మ సిద్ధ అధికారులుగా అయిపోతారు. కావున బాప్‌దాదా విశ్వంలో పిల్లలందరికి త్యాగులుగా అవ్వండి, తపస్వీలుగా అవ్వండి, సత్యమైన సేవాధారులుగా అవ్వండి అనే శ్రేష్ఠమైన శిక్షణనే ఇస్తారు. ఈనాటి ప్రపంచము మృత్యు భయం గల ప్రపంచం(తుఫాను వచ్చింది). ప్రకృతి అలజడిలో మీరైతే అచలంగా ఉన్నారు కదా! తమోగుణీ ప్రకృతి పని అలజడి చేయడం మరియు అచల ఆత్మలైన మీ పని ప్రకృతిని కూడా పరివర్తన చేయడం. నథింగ్‌ న్యూ(క్రొత్తదేమీ కాదు). ఇవన్నీ జరగాల్సిందే. అలజడి ఉంటేనే కదా అచలంగా అవుతారు. కనుక స్వరాజ్య అధికారి దర్బారులో నివసించే శ్రేష్ఠమైన ఆత్మలూ! అర్థం చేసుకున్నారా! ఇది కూడా రాజ్య దర్బారే కదా! రాజయోగులు అనగా స్వయం పైన రాజులు. రాజయోగి దర్బారు అనగా స్వరాజ్య దర్బారు. మీరందరూ రాజ్య నేతలుగా అయిపోయారు కదా! వారు దేశ రాజ్య నేతలు కాని మీరు స్వరాజ్య నేతలు. నేత అనగా నీతి అనుసారంగా నడిచేవారు. కావున మీరు ధర్మ నీతి - స్వ రాజ్య నీతి అనుసారంగా నడిచే స్వరాజ్య నేతలు. యధార్థమైన శ్రేష్ఠ నీతి అనగా శ్రీమతము. శ్రీమతమే యదార్థమైన నీతి. ఈ నీతి పై నడిచేవారే సఫల నేతలు. బాప్‌దాదా దేశ నేతలకు అభినందనలు తెలియజేస్తున్నారు. ఎందుకంటే వారు కూడా కష్టపడ్తున్నారు కదా! భలే వెరైటీగా ఉన్నారు. అయినా దేశము పట్ల లగనము ఉంది. మా రాజ్యము అమరంగా ఉండాలి అన్న లగనంతో శ్రమనైతే చేస్తున్నారు కదా! మా భారతదేశం ఉన్నతంగా ఉండాలి అన్న ఈ లగనము స్వతహాగానే శ్రమ చేయిస్తుంది. ఇప్పుడు రాజ్య సత్తా మరియు ధర్మ సత్తా రెండూ కలిసి తోడుగా ఉండే సమయం ఇక వస్తుంది. అప్పుడు విశ్వంలో భారతదేశానికి జయ జయ ధ్వనులు జరుగుతాయి. భారతదేశమే లైట్‌హౌస్‌గా అవుతుంది. అందరి దృష్టి భారతదేశము వైపే ఉంటుంది. భారతదేశమునే విశ్వ ప్రేరణకు మూలధనంగా అనుభవం చేస్తారు. భారత ఖండము అవినాశి ఖండము. అవినాశి తండ్రి అవతరించిన భూమి. కనుక భారతదేశ మహత్వము సదా మహోన్నతమైనది. మంచిది. అందరూ తమ స్వీట్‌ హోమ్‌లోకి(మధువనానికి) వచ్చి చేరుకున్నారు. బాప్‌దాదా పిల్లలందరూ విచ్చేసినందుకు అభినందనలను తెలియజేస్తున్నారు. భలే విచ్చేయండి. తండ్రి ఇంటికి శృంగారమైన పిల్లలూ! భలే విచ్చేయండి. మంచిది. సఫలతా సితారలందరికీ సదా ఏకరస స్థితి అనే ఆసనం పై స్థితులై ఉండే తపస్వీ పిల్లలకు, సదా ఒక్క పరమాత్ముని శ్రేష్ఠ స్మృతిలో ఉండే మహాన్‌ ఆత్మలకు, శ్రేష్ఠ భావన, శ్రేష్ఠ కామనను ఉంచే విశ్వ కళ్యాణకారి సేవాధారులైన పిల్లలకు - బాప్‌దాదా ప్రియ స్మృతులు మరియు నమస్తే. అవ్యక్త బాప్‌దాదాతో గుజరాత్‌ రాష్ట్ర ముఖ్య మంత్రి కలయిక - తండ్రి ఇంటికి లేక మీ ఇంటికి భలే వచ్చారు. సేవలో లగనము బాగుందని తండ్రికి తెలుసు. కోట్లాది మందిలో ఏ ఒక్కరో ఇటువంటి సేవాధారులు ఉంటారు. కావున సేవ చేయుటలో శ్రమ పడినందుకు ఆంతరిక సంతోషము ప్రత్యక్షఫలం రూపంలో సదా లభిస్తూ ఉంటుంది. ఈ శ్రమ సఫలతకు ఆధారము. ఒకవేళ నిమిత్తమైన సేవాధారులందరూ శ్రమను అవలంభించినట్లయితే భారతదేశ రాజ్యము సదా సఫలతను పొందుతూ ఉంటుంది. సఫలత అయితే లభించవలసిందే. ఇది నిశ్చితము కాని ఎవరైతే నిమిత్తంగా అవుతారో ఆ నిమిత్తంగా అయ్యేవారికి సేవకు ప్రత్యక్ష ఫలము మరియు భవిష్య ఫలము ప్రాప్తిస్తాయి. కావున మీరు సేవకు నిమిత్తంగా ఉన్నారు. నిమిత్త భావముతో సదా సేవలో ముందుకు వెళ్తూ ఉండండి. ఎక్కడ నిమిత్త భావముంటుందో, నేను అన్న భావము ఉండదో అక్కడ సదా ఉన్నతిని పొందుతూ ఉంటారు. ఈ నిమిత్త భావము, శుభ భావన, శుభ కామనలను స్వతహాగా జాగృతము చేస్తుంది. ఈ రోజు శుభ భావన, శుభ కామనలు లేవు. దానికి కారణం నిమిత్త భావానికి బదులుగా నేను అన్నది వచ్చేసింది. ఒకవేళ నిమిత్తంగా భావించినట్లయితే చేయించేవారైన తండ్రిని అర్థం చేసుకుంటారు. చేసి చేయించే స్వామి సదా శ్రేష్ఠంగానే చేయిస్తారు. నిమిత్త భావానికి(ట్రస్టీపన్‌కు) బదులుగా రాజ్య ప్రవృత్తి గల గృహస్థులుగా అయిపోయారు. గృహస్థములో భారముంటుంది మరియు (ట్రస్టీపన్‌) నిమిత్త భావముతో తేలికదనం ఉంటుంది. ఎప్పటివరకైతే తేలికగా ఉండరో అప్పటివరకు నిర్ణయ శక్తి కూడా ఉండదు. ట్రస్టీగా ఉంటే తేలికగా ఉంటారు కనుక నిర్ణయ శక్తి శ్రేష్ఠంగా ఉంటుంది. కనుక సదా ట్రస్టీగా ఉండండి. నిమిత్తంగా ఉన్నాననే భావన ఈ భావన ఫలదాయకంగా ఉంటుంది. భావనకు ఫలము లభిస్తుంది. కనుక ఈ నిమిత్త భావన సదా శ్రేష్ఠమైన ఫలమును ఇస్తూ ఉంటుంది. కనుక తోటివారందరికీ నిమిత్త భావము, ట్రస్టీ భావమును ఉంచమనే స్మృతిని కలిగించండి. అప్పుడు ఈ రాజనీతి విశ్వము కొరకు శ్రేష్ఠమైన నీతిగా అయిపోతుంది. విశ్వమంతా ఈ భారతదేశ రాజనీతిని కాపీ చేస్తుంది. కాని దీనికి ఆధారం ట్రస్టీ భావన అనగా నిమిత్త భావము. కుమారులతో - కుమారులు అనగా సర్వ శక్తులను, సర్వ ఖజానాలను జమ చేసి ఇతరులను కూడా శక్తివంతులుగా తయారుచేసే సేవను చేసేవారు. సదా ఇదే సేవలో బిజీగా ఉంటున్నారు కదా! బిజీగా ఉన్నట్లయితే ఉన్నతి జరుగుతూ ఉంటుంది. ఒకవేళ కొద్దిగా అయినా ఫ్రీగా ఉన్నట్లయితే వ్యర్థము నడుస్తుంది. సమర్థులుగా ఉండేందుకు బిజీగా ఉండండి. మీ టైమ్‌టేబుల్‌ను తయారు చేసుకోండి. ఏ విధంగా శరీరానికి టైమ్‌టేబుల్‌ను తయారు చేస్తారో, అలా బుద్ధికి కూడా టైమ్‌టేబుల్‌ తయారు చేయండి. బుద్ధి బిజీగా ఉండే ప్లాను తయారు చేయండి. కావున బిజీగా ఉండడం ద్వారా సదా ఉన్నతిని పొందుతూ ఉంటారు. ఇప్పటిి సమయ ప్రమాణంగా కుమార జీవితములోనే శ్రేష్ఠఠగా అవ్వడం చాలా గొప్ప భాగ్యము. ''మేము శ్రేష్ఠ భాగ్యశాలి ఆత్మలము'' - సదా ఇదే ఆలోచించండి. స్మృతి మరియు సేవల బ్యాలన్స్‌ను(సమతుల్యతను) సదా ఉంచండి. బ్యాలన్స్‌ ఉంచేవారికి సదా బ్లెస్సింగ్స్‌ (ఆశీర్వాదాలు) లభిస్తూ ఉంటాయి. మంచిది. కొన్ని విశేషమైన అవ్యక్త మహావాక్యాలు పరమాత్మ ప్రేమలో సదా లవలీనమై ఉండండి పరమాత్మ ప్రేమ ఆనందమయమైన ఊయల. ఈ సుఖప్రదమైన ఊయలలో సదా ఊగుతూ పరమాత్మ ప్రేమలో లవలీనమై ఉన్నట్లయితే ఎప్పుడూ ఎటువంటి పరిస్థితి లేక మాయ అలజడి రాజాలదు. పరమాత్మ ప్రేమ తరగనిది, చలించనిది(స్థిరమైనది). ఎంత ఉందంటే అందరికి లభించగలదు. కాని పరమాత్మ ప్రేమను ప్రాప్తి చేసుకునేందుకు విధి - అతీతంగా అవ్వడం. ఎవరు ఎంతగా అతీతంగా ఉంటారో అంతగా వారు పరమాత్మ ప్రేమకు అధికారులుగా ఉంటారు. పరమాత్మ ప్రేమలో ఇమిడిపోయి ఉన్న ఆత్మలు ఎప్పుడూ హద్దు ప్రభావంలోకి రారు. ఎప్పుడూ బేహద్‌ ప్రాప్తులలో మగ్నమై ఉంటారు. వారి నుండి సదా ఆత్మీయతా సుగంధం వస్తుంది. ఇదే ప్రేమకు గుర్తు. ఎవరి పై ప్రేమ ఉంటుందో వారికి అన్నీ సమర్పిస్తారు. తండ్రికి పిల్లలం పై ఎంత ప్రేమ ఉందంటే, ప్రతిరోజూ ప్రేమకు(రిటర్న్‌) బదులు ఇచ్చేందుకు ఇంత పెద్ద ఉత్తరాన్ని వ్రాస్తారు, ప్రియ స్మృతులను ఇస్తారు మరియు సదా సాథీగా (స్నేహితునిగా) అయ్యి తోడు నిభాయిస్తారు. కావున ఈ ప్రేమలో మీ బలహీనతలన్నిటినీ సమర్పణ చేయండి. పిల్లలంటే తండ్రికి ప్రేమ కావున పిల్లలు ఎవరు ఎలా ఉన్నా సదా నా వారని అంటారు. అలాగే మీరు కూడా సదా ప్రేమలో లవలీనమై ఉండండి. బాబా, మా సర్వ సంబంధాలు మీరే అని హృదయపూర్వకంగా అనండి. ఎప్పుడూ అసత్య రాజ్య ప్రభావంలోకి రాకండి. ఎవరి పై ప్రేమ ఉంటుందో వారిని గుర్తు చేసుకోవలసిన అవసరముండదు, వారి స్మృతి స్వతహాగానే వచ్చేస్తుంది. కేవలం హృదయ పూర్వకమైన ప్రేమ ఉండాలి. సత్యమైన, నిస్వార్థమైన ప్రేమ ఉండాలి. మేరా బాబా (నా తండ్రి), ప్యారా బాబా(ప్రియమైన బాబా) అని అంటారు కనుక ప్రియమైన వారిని ఎప్పుడూ మర్చిపోలేరు. నిస్వార్థ ప్రేమ తండ్రి నుండి తప్ప ఏ ఇతర ఆత్మల నుండి లభించజాలదు. కావున ఎప్పుడూ స్వార్థంతో స్మృతి చేయకండి. నిస్వార్థమైన ప్రేమలో లవలీనమై ఉండండి. పరమాత్మ ప్రేమను అనుభవం చేసేవారిగా అయితే ఈ అనుభవంతో సహజయోగులుగా అయ్యి ఎగురుతూ ఉంటారు. పరమాత్మ ప్రేమ ఎగిరింపజేసే సాధనము. ఎగిరేవారు ఎప్పుడూ ధరణి ఆకర్షణలోకి రాలేరు. మాయ ఎంత ఆకర్షిత రూపంలో ఉన్నా ఆ ఆకర్షణ ఎగిరేకళలోని వారి వద్దకు చేరుకోలేదు. ఈ పరమాత్మ ప్రేమ అనే దారము దూర-దూరాల నుండి లాక్కుని తీసుకొస్తుంది. ఇది ఎటువంటి సుఖప్రదమైన ప్రేమ అంటే, ఎవరైతే ఈ ప్రేమలో ఒక్క సెకను అయినా మునిగిపోతారో వారు తమ అనేక దు:ఖాలను మర్చిపోతారు మరియు సదా కొరకు సుఖ ఊయలలో ఊగుతూ ఉంటారు. జీవితంలో ఏది కావాలో దానిని ఒకవేళ ఎవరైనా ఇచ్చినట్లయితేఅదే ప్రేమకు గుర్తుగా అవుతుంది. కావున తండ్రికి పిల్లలైన మీరంటే ఎంత ప్రేమ ఉందంటే జీవితములోని సుఖ-శాంతుల కామనలన్నిటిని పూర్తి చేసేస్తారు. తండ్రి కేవలం సుఖము ఇవ్వడమే కాదు, సుఖ భండారానికి(ఖజానాలకు) యజమానులుగా చేస్తారు. తోడుతోడుగా శ్రేష్ఠ భాగ్య రేఖను గీసుకునే కలమును కూడా ఇస్తారు. ఎంత కావాలంటే అంత భాగ్యాన్ని తయారు చేసుకోగలరు - ఇదే పరమాత్మ ప్రేమ. ఏ పిల్లలైతే సదా పరమాత్ముని ప్రేమలో లవలీనమై మునిగిపోయి ఉంటారో, వారి మెరుపు మరియు నషా, అనుభూతుల కిరణాలు ఎంత శక్తిశాలిగా ఉంటాయంటే, ఏ సమస్య కూడా సమీపంగా రాలేదు సరి కదా కన్నెత్తి కూడా చూడలేదు. వారికి ఎప్పుడూ ఏ విధమైన శ్రమ ఉండజాలదు. తండ్రికి పిల్లలంటే ఎంతో ప్రేమ ఉంది కనుక అమృతవేళ నుండే పిల్లల పాలన చేస్తారు. ప్రతిరోజు ఆరంభ సమయమే ఎంత శ్రేష్ఠ౦గా ఉంటుంది! స్వయం భగవంతుడు మిలనము జరుపుకునేందుకు పిలుస్తారు, ఆత్మిక సంభాషణ చేస్తారు, శక్తులను నింపుతారు! తండ్రి ప్రేమ గీతము మిమ్ములను మేల్కొల్పుతుంది. ఎంత స్నేహంతో పిలుస్తారు, మేల్కొల్పుతారు - మీఠే బచ్చే(మధురమైన పిల్లలు), ప్యారే బచ్చే(ప్రియమైన పిల్లలు) రండి అని నిద్ర లేపుతారు. కావున ఈ ప్రేమతో కూడిన పాలనకు ప్రాక్టికల్‌ స్వరూపం '' సహజయోగీ జీవితం. '' ఎవరి పై ప్రేమ ఉంటుందో వారికి ఇష్టమైన దానినే చేస్తారు. కావున తండ్రికి పిల్లలు అప్‌సెట్‌ అవ్వడం(నిరాశ అవ్వడం) బాగనిపించదు. అందువలన ఎప్పుడూ ఏమి చేయాలి, విషయమే అలా ఉంది. కనుక అప్‌సెట్‌ అయిపోయామని (కలవరపడ్డామని) అనకండి. ఒకవేళ అప్‌సెట్‌ అయ్యే విషయం వచ్చినా మీరు అప్‌సెట్‌ స్థితిలోకి రాకండి. బాప్‌దాదాకు పిల్లలంటే ఎంతో ప్రేమ ఉంది. ప్రతి పిల్లవాడు నా కంటే ముందు ఉండాలని భావిస్తారు. ప్రపంచంలో కూడా ఎవరి పై ఎక్కువ ప్రేమ ఉంటుందో వారిని తమకన్నా ముందుకు వృద్ధిలోకి తీసుకొస్తారు. ఇదే ప్రేమకు గుర్తు. కనక బాప్‌దాదా కూడా నా పిల్లల్లో ఇప్పుడు ఏ విధమైన లోపమూ ఉండకూడదు, అందరూ సంపూర్ణంగా, సంపన్నంగా మరియు సమానంగా అయిపోవాలని అంటారు. ఆదికాలమైన అమృతవేళలో మీ హృదయంలో పరమాత్మ ప్రేమను సంపూర్ణ రూపంలో ధారణ చేయండి. ఒకవేళ హృదయంలో పరమాత్మ ప్రేమ, పరమాత్మ శక్తులు, పరమాత్మ జ్ఞానము నిండుగా ఉన్నట్లయితే ఎప్పుడూ, ఎవరి వైపు ఆకర్షణ లేక స్నేహం వెళ్లజాలదు. ఈ పరమాత్మని ప్రేమ ఈ ఒక్క జన్మలో మాత్రమే ప్రాప్తిస్తుంది. 83 జన్మలు దేవాత్మలు లేక సాధారణ ఆత్మల ద్వారా ప్రేమ లభించింది. ఇప్పుడు మాత్రమే పరమాత్మని ప్రేమ లభిస్తుంది. ఆ ఆత్మల ప్రేమ రాజ్య భాగ్యాన్ని పోగొడ్తుంది, పరమాత్ముని ప్రేమ రాజ్య భాగ్యాన్ని ఇప్పిస్తుంది. కావున ఈ ప్రేమ అనుభూతులలో ఇమిడిపోయి ఉండండి. తండ్రితో సత్యమైన ప్రేమ ఉన్నట్లయితే ప్రేమకు గుర్తు - సమానంగా, కర్మాతీతంగా అవ్వండి. 'చేయించేవారిగా' అయ్యి కర్మలు చేయండి, చేయించండి. కర్మేంద్రియాలు మీతో చేయించరాదు కాని మీరు కర్మేంద్రియాలతో చేయించండి. ఎప్పుడూ మనసు- బుద్ధి లేక సంస్కారాలకు వశమై ఏ కర్మను చేయకండి. వరదానము :- '' నిర్బలుర నుండి బలవంతులుగా అయ్యి అసంభవాన్ని సంభవం చేసే ధైర్యశాలి(హిమ్మత్‌వాన్‌) ఆత్మా భవ '' '' పిల్లలు ధైర్యం చేస్తే తండ్రి సహాయం లభిస్తుంది '' ఈ వరదానము ఆధారంగా ధైర్యంగా మేము పవిత్రంగా అవ్వనే అవ్వాలి అని ధృడ సంకల్పాన్ని చేశారు. ఈ ధైర్యం చేసినందుకు తండ్రి పదమారెట్లు సహాయము చేశారు - మీరు అనాది - ఆది పవిత్రమైన ఆత్మలు, అనేకసార్లు పవిత్రంగా అయ్యారు ఇంకా అవుతూనే ఉంటారు. అనేకసార్లు అనే స్మృతితో సమర్థులుగా అయిపోయారు. నిర్బలుర నుండి ఎంత బలవంతులుగా అయిపోయారంటే విశ్వాన్ని కూడా పావనంగా తయారుచేసి చూపిస్తామని ఛాలెంజ్‌ చేస్తారు. దేనినైతే ఋషులు, మునులు, మహాన్‌ ఆత్మలు, ప్రవృత్తిలో ఉంటూ పవిత్రంగా ఉండడం కష్టమని భావించారో దానిని మీరు అతిసహజమని అంటారు. స్లోగన్‌ :- '' ధృడ సంకల్పాన్ని చేయడమే వ్రతమును చేపట్టడం. సత్యమైన భక్తులు ఎప్పుడూ వ్రతమును ఉల్లంఘించరు. '' బ్రహ్మాబాబా సమానంగా తయారవ్వడానికి విశేషమైన పురుషార్థము ఎలాగైతే బ్రహ్మాబాబా సాధారణ రూపంలో ఉంటూ అసాధారణ లేక అలౌకిక స్థితిలో ఉండినారో, అలా తండ్రిని అనుసరించండి. ఎలాగైతే నక్షత్రాల సమూహంలో విశేషమైన నక్షత్రాలు ఏవైతే ఉంటాయో, వాటి మెరుపు, ప్రకాశము దూరం నుండే అతీతంగా మరియు ప్రియంగా అనిపిస్తుందో, అలా నక్షత్రాలైన మీరు కూడా సాధారణ ఆత్మల మధ్యలో విశేష ఆత్మలుగా కనిపించాలి.
211 views
2 months ago
#

নিউ ইয়ারের মজা

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━ ❍ 05 / 01 / 19  की  मुरली  से  चार्ट ❍       ⇛  TOTAL MARKS:- 100  ⇚ ━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━   ∫∫ 1 ∫∫ होमवर्क (Marks: 5*4=20)   ➢➢ *पढाई पर पूरा ध्यान दे स्थायी ख़ुशी का अनुभव किया ?*   ➢➢ *साधारणता को अलोकिकता में परिवर्तित किया ?*   ➢➢ *हर सेकंड के हर संकल्प का महत्व जानकार जमा का खाता भरपूर किया ?*   ➢➢ *"शरीर से न्यारी मैं आत्मा" - स्वयं को इस रूप में स्थित कर हर कार्य किया ?* ──────────────────────── ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚   ✰ *अव्यक्त पालना का रिटर्न* ✰          ❂ *तपस्वी जीवन* ❂ ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚   〰✧  *जैसे हठयोगी अपने श्वांस को जितना समय चाहें उतना समय रोक सकते हैं। आप सहजयोगी, स्वत: योगी, सदायोगी, कर्मयोगी, श्रेष्ठयोगी अपने संकल्प को, श्वांस को प्राणेश्वर बाप के ज्ञान के आधार पर जो संकल्प, जैसा संकल्प जितना समय करना चाहो उतना समय उसी संकल्प में स्थित हो जाओ।* अभी-अभी शुद्ध संकल्प में रमण करो, अभी-अभी एक ही लगन अर्थात् एक ही बाप से मिलन की, एक ही अशरीरी बनने के शुद्ध-संकल्प में स्थित हो जाओ।   ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚   ∫∫ 2 ∫∫ तपस्वी जीवन (Marks:- 10)   ➢➢ *इन शिक्षाओं को अमल में लाकर बापदादा की अव्यक्त पालना का रिटर्न दिया ?*   ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚ ──────────────────────── ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚ ✰ *अव्यक्त बापदादा द्वारा दिए गए* ✰              ❂ *श्रेष्ठ स्वमान* ❂ ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚   ✺   *"मैं सर्व श्रेष्ठ परमात्म दिलतख्तनशीन आत्मा हूँ"*   〰✧  *संगमयुग पर ब्राह्मणों का विशेष स्थान है- बापदादा का दिलतख्त-सभी अपने को बापदादा के दिलतख्त नशीन अनुभव करते हो? ऐसा श्रेष्ठ स्थान कभी भी नहीं मिलेगा।*   〰✧  सतयुग में हीरे सोने का मिलेगा लेकिन दिलतख्त नहीं मिलेगा। *तो सबसे श्रेष्ठ आप 'ब्राह्मण' और आपका श्रेष्ठ स्थान 'दिलतख्त'। इसलिए ब्राह्मण चोटी अर्थात् ऊंचे ते ऊंचे हैं।* इतना नशा रहता है कि हम तख्तनशीन हैं?   〰✧  ताज भी हैं, तख्त भी है, तिलक भी है। तो सदा ताज, तख्त, तिलकधारी रहते हो, स्मृति भव का अविनाशी तिलक लगा हुआ है ना? *सदा इसी नशे में रहो कि सारे कल्प में हमारे जैसा कोई भी नहीं। यही स्मृति सदा नशे में रहेगी और खुशी में झूमते रहेंगे।*   ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚   ∫∫ 3 ∫∫ स्वमान का अभ्यास (Marks:- 10)   ➢➢ *इस स्वमान का विशेष रूप से अभ्यास किया ?*   ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚ ──────────────────────── ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚          ❂ *रूहानी ड्रिल प्रति* ❂ ✰ *अव्यक्त बापदादा की प्रेरणाएं* ✰ ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚   〰✧  सेवा के लिए साधन है क्योंकि विश्व कल्याण करना है तो यह भी साधन सहयोग देते हैं। *साधनों के वश नहीं होना। लेकिन साधन को सेवा में यूज करना।* यह बीच का समय है जिसमें साधन मिले हैं। आदि में भी कोई इतने साधन नहीं थे और अंत में भी नहीं रहेंगे। यह अभी के लिए हैं।   〰✧  सेवा बढ़ाने के लिए हैं। लेकिन यह साधन हैं, साधना करने वाले आप हो। *साधन के पीछे साधना कम नहीं हो।* बाकी बापदादा खुश होते हैं। बच्चों की सीन देखते हैं। फटाफट काम कर रहे हैं। बापदादा आपके ऑफिस का भी चक्कर लगाते हैं। कैसे काम कर रहे हैं।   〰✧  बहुत बिजी रहते हैं ना। अच्छी तरह से ऑफिस चलती है ना! जैसे एक सेकण्ड में साधन यूज करते हो ऐसे ही बीच-बीच में कुछ समय साधना के लिए भी निकाली। सेकण्ड भी निकालो। *अभी साधन पर हाथ है और अभी-अभी एक सेकण्ड साधना, बीच-बीच में अभ्यास करो।*   ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚   ∫∫ 4 ∫∫ रूहानी ड्रिल (Marks:- 10)   ➢➢ *इन महावाक्यों को आधार बनाकर रूहानी ड्रिल का अभ्यास किया ?*   ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚ ──────────────────────── ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚          ❂ *अशरीरी स्थिति प्रति* ❂ ✰ *अव्यक्त बापदादा के इशारे* ✰ ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚   〰✧  *फ़रिश्ते अर्थात् बेहद में रहने वाले।* सारे ज्ञान का वा इस पढ़ाई के चारों ही सबजेक्ट का मूल सार यही एक बात 'बेहद' है। *बेहद शब्द के स्वरूप में स्थित होना यही फस्र्ट और लास्ट का पुरुषार्थ है।* पहले बाप का बनना अर्थात् मरजीवा बनना। इसका भी आधार है - देह की हद से बेहद देही स्वरूप में स्थित होना और लास्ट में फ़रिश्ता स्वरूप बन जाना है। इसका भी अर्थ है - सर्व हद के रिश्ते से परे फ़रिश्ता बनना। तो आदि और अन्त पुरुषार्थ और प्राप्ति, लक्षण और लक्ष्य, स्मृति और समर्थी दोनों ही स्वरूप में क्या रहा? ‘बेहद'। आदि से लेकर अन्त तक किन-किन प्रकार की हदें पार कर चुके हो वा करनी हैं? इस लिस्ट को तो अच्छी तरह से जानते हो ना! *जब सर्व हदों से पार बेहद स्वरूप में, बेहद घर, बेहद के सेवाधारी, सर्व हदों के ऊपर विजय प्राप्त करने वाले विजयी रत्न बन जाते तब ही अन्तिम कर्मातीत स्वरूप का अनुभव स्वरूप बन जाते।* हद हैं अनेक, बेहद है एक। अनेक प्रकार की हदें अर्थात् अनेक - ‘मेरा मेरा”। एक मेरा बाबा दूसरा न कोई, इस बेहद के मेरे में अनेक मेरा समा जाता है। विस्तार सार स्वरूप बन जाता है। विस्तार मुश्किल होता है या सार मुश्किल होता है? तो आदि और अन्त का पाठ क्या हुआ? - बेहद। *इसी अन्तिम मंज़िल पर कहाँ तक समीप आये हैं, इसको चेक करो।* हद की लिस्ट सामने रख देखो कहाँ तक पार किया है!   ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚   ∫∫ 5 ∫∫ अशरीरी स्थिति (Marks:- 10)   ➢➢ *इन महावाक्यों को आधार बनाकर अशरीरी अवस्था का अनुभव किया ?*   ✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚••✰••✧゚゚ ────────────────────────   ∫∫ 6 ∫∫ बाबा से रूहरिहान (Marks:-10) ( आज की मुरली के सार पर आधारित... )   ✺   *"ड्रिल :- अपने को आत्मा समझ आत्मा भाई से बात करना"*   ➳ _ ➳  *मैं आत्मा मधुबन डायमंड हाल में सभी फरिश्तों के बीच बैठी हूँ... अपने सभी भाई-बहनों के साथ बाबा मिलन की घड़ियों का इन्तजार करती... कितनी भाग्यशाली हूँ मैं आत्मा जो की इतनी बड़ी ईश्वरीय फैमिली मिली है... मेरे शिव बाबा ने मुझे एडाप्ट करके अपना बनाया है...* बेहद के बाबा ने अपना बनाकर बेहद का अलौकिक परिवार गिफ्ट में दिया है... इन्तजार की घड़ियों को ख़तम करते हुए अव्यक्त बापदादा दादी के तन में आकर मुझे मीठी प्यारी शिक्षाएं और समझानी देते हैं...    ❉   *प्यारे बाबा अपनी दृष्टि से निहाल कर मेरा अलौकिक श्रृंगार करते हुए कहते हैं:-* "मेरे मीठे फूल बच्चे... ईश्वरीय राहो में पवित्रता से सजधज कर देवताई श्रृंगार को पाकर... अनन्त सुखो के मालिक बन इस विश्व धरा पर मुस्कराओ... *ईश्वर पिता की सन्तान आपस में सब भाई भाई हो... इस भाव में गहरे डूबकर पावनता की छटा बिखेर... धरा पर स्वर्ग लाने में सहयोगी बन जाओ..."*   ➳ _ ➳  *मैं आत्मा पवित्रता के सागर से पवित्र किरणों को लेकर चारों ओर फैलाते हुए कहती हूँ:-* "हाँ मेरे प्यारे बाबा... मै आत्मा आपकी यादो में दिव्य गुणो की धारणा और पवित्रता की ओढनी पहन कर निखर उठी हूँ... *मै आत्मा विश्व धरा को पवित्र तरंगो से आच्छादित कर रही हूँ... शरीर के भान से परे होकर आत्मिक स्नेह की धारा बहा रही हूँ..."*   ❉   *बुझी हुई ज्योति को जगाकर आत्मदर्शन कराकर मीठे बाबा कहते हैं:-* "मीठे प्यारे लाडले बच्चे... *अपने खुबसूरत सत्य स्वरूप को स्मृति में रखकर, सच्चे प्रेम की लहरियां पूरे विश्व की हवाओ में फैला दो... आत्मा भाई भाई और ब्राह्मण भाई बहन के सुंदर नातो से पवित्रता की खुशबु चारो ओर फैलाओ...* विकारो से परे आत्मिक भावो से भरे सम्बन्धो से, विश्व को सजा दो..."   ➳ _ ➳  *स्वदर्शन कर अपने सत्य स्वरुप के स्वमान में टिकते हुए मैं आत्मा कहती हूँ:-* "मेरे प्राणप्रिय बाबा... मैं आत्मा देह के मटमैले पन से निकल अब आत्मिक भाव् से भर गयी हूँ... *अपने अविनाशी सत्य स्वरूप को जान, विकारो को सहज ही त्याग रही हूँ... सम्पूर्ण पवित्रता को अपनाकर पवित्र तरंगे बिखरने वाली सूर्य रश्मि हो गयी हूँ..."*   ❉   *मेरे अंतर के नैनों को खोल अमृत रस पान कराते हुए प्यारे बाबा कहते हैं:-* "मेरे सिकीलधे मीठे बच्चे...  *अपनी दृष्टि वृत्ति और कृति को पावनता के रंग से सराबोर करो... दिव्यता और पवित्रता को विश्व धरा पर छ्लकाओ...* विकारो की कालिमा से निकल खुबसूरत दिव्यता को बाँहों में भरकर मुस्कराओ... आत्मिक सच्चे प्यार की सुगन्ध से विश्व धरा महकाओ..."   ➳ _ ➳  *मैं आत्मा प्रभु मिलन कर परमानन्द को पाकर प्यारे बाबा से कहती हूँ:-* "हाँ मेरे मीठे बाबा... *मै आत्मा सबके मस्तक में आत्मा मणि को निहार रही हूँ... और सच्चा सम्मान देकर गुणो और शक्तियो से भरपूर हो रही हूँ...* मनसा वाचा कर्मणा पावनता से सजधज कर मै आत्मा हर दिल पर यह दौलत लुटा रही हूँ..."   ────────────────────────   ∫∫ 7 ∫∫ योग अभ्यास (Marks:-10) ( आज की मुरली की मुख्य धारणा पर आधारित... )   ✺   *"ड्रिल :- आसुरी गुणों को निकाल दैवी गुण धारण कर आस्तिक बनना है*"   ➳ _ ➳  एकांत में अंतर्मुखी बन कर बैठी मैं ब्राह्मण आत्मा विचार करती हूँ कि मेरा यह जीवन जो कभी हीरे तुल्य था आज रावण की मत पर चलने से कैसा कौड़ी तुल्य बन गया है! *दैवी गुणों से सम्पन्न थी मैं आत्मा और आज आसुरी अवगुणों से भर गई हूँ। रावण रूपी 5 विकारों की प्रवेशता ने मेरे दैवी गुण छीन कर मेरे अंदर काम, क्रोध, लोभ, मोह, अहँकार पैदा कर मेरे जीवन को ही श्रापित कर दिया है और अब जबकि स्वयं भगवान आकर मेरे इस श्रापित जीवन से मुझे छुड़ा कर फिर से पूज्य देवता बना रहे हैं तो मेरा भी यह परम कर्तव्य बनता है कि उनकी श्रेष्ठ मत पर चल कर, अपने जीवन मे दैवी गुणों को धारण कर अपने जीवन को पलटा कर भविष्य जन्म जन्मान्तर के लिए सुख, शांति और पवित्रता का वर्सा उनसे ले लूँ*। मन ही मन इन्ही विचारो के साथ अपने दैवी गुणों से सम्पन्न स्वरूप को मैं स्मृति में लाती हूँ और अपने उस अति सुन्दर दिव्य स्वरूप को मन बुद्धि के दिव्य चक्षु से निहारने मे मगन हो जाती हूँ।   ➳ _ ➳  दैवी गुणों से सजा मेरा पूज्य स्वरूप मेरे सामने है। लक्ष्मी नारायण जैसे अपने स्वरूप को देख मैं मन ही मन आनन्दित हो रही हूँ। अपने सर्वगुण सम्पन्न, 16 कला सम्पूर्ण, सम्पूर्ण निर्विकारी, मर्यादा पुरुषोत्तम स्वरूप में मैं बहुत ही शोभायमान लग रही हूँ। *मेरे चेहरे की हर्षितमुखता, नयनो की दिव्यता, मुख मण्डल पर पवित्रता की दिव्य आभा मेरे स्वरूप में चार चांद लगा रही है। अपने इस अति सुन्दर स्वरूप का भरपूर आनन्द मैं ले रही हूँ । मन ही मन अपनी इस ऐम ऑब्जेक्ट को बुद्धि में रख, ऐसा बनने की मन मे दृढ़ प्रतिज्ञा कर, अपने जीवन को पलटाने के लिए दैवी गुणों को धारण करने का संकल्प लेकर, पुजारी से पूज्य बनाने वाले अपने परमपिता परमात्मा का दिल की गहराइयों से मैं शुक्रिया अदा करती हूँ* और 63 जन्मो के आसुरी अवगुणों को योग अग्नि में दग्ध करने के लिए अपने प्यारे पिता की याद में अब सम्पूर्ण एकाग्रचित होकर बैठ जाती हूँ।     ➳ _ ➳  एकाग्रता की शक्ति जैसे - जैसे बढ़ने लगती है मेरा वास्तविक स्वरूप मेरे सामने पारदर्शी शीशे के समान चमकने लगता है और अपने स्वरूप का मैं आनन्द लेने में व्यस्त हो जाती हूँ। एक चमकते हुए बहुत ही सुन्दर स्टार के रूप में मैं स्वयं को देख रही हूँ। *उसमे से निकल रही रंगबिरंगी किरणें चारों और फैलते हुए बहुत ही आकर्षक लग रही हैं। उन किरणों से मेरे अंदर समाये गुण और शक्तियों के वायब्रेशन्स जैसे - जैसे मेरे चारों और फैल रहें है, एक सतरंगी प्रकाश का खूबसूरत औरा मेरे चारो और बनता जा रहा है*। प्रकाश के इस खूबसूरत औरे के अंदर मैं स्वयं को ऐसे अनुभव कर रही हूँ जैसे किसी कीमती खूबसूरत जगमगाती डिब्बी के अंदर कोई बहुमूल्य हीरा चमक रहा हो और अपनी तेज चमक से उस डिब्बी की सुंदरता को भी बढ़ा रहा हो।   ➳ _ ➳  सर्वगुणों औऱ सर्वशक्तियों की किरणें बिखेरते अपने इस सुन्दर स्वरूप का अनुभव करके और इसका भरपूर आनन्द लेकर अब मैं चमकती हुई चैतन्य शक्ति देह की कुटिया से निकल कर, स्वयं को कौड़ी से हीरे तुल्य बनाने वाले अपने प्यारे शिव बाबा के पास उनके धाम की ओर चल पड़ती हूँ। *प्रकाश के उसी खूबसूरत औरे के साथ मैं ज्योति बिंदु आत्मा अपनी किरणे बिखेरती हुई अब धीरे - धीरे ऊपर उड़ते हुए आकाश में पहुँच कर, उसे पार करके, सूक्ष्म वतन से होती हुई अपने परमधाम घर मे पहुँच जाती हूँ*। आत्माओं की इस निराकारी दुनिया में चारों और चमकती जगमग करती मणियों के बीच मैं स्वयं को देख रही हूँ। चारों और फैला मणियो का आगार और उनके बीच मे चमक रही एक महाज्योति। ज्ञानसूर्य शिव बाबा अपनी सर्वशक्तियों की अनन्त किरणे फैलाते हुए इन  चमकते हुए सितारों के बीच बहुत ही लुभावने लग रहे हैं। *उनकी सर्वशक्तियों की किरणों का तेज प्रकाश पूरे परमधाम घर मे फैल रहा है जो हम चैतन्य मणियों की चमक को कई गुणा बढ़ा रहा है*।   ➳ _ ➳  अपने प्यारे पिता के इस सुंदर मनमनोहक स्वरूप को देखते हुए मैं चैतन्य शक्ति धीरे - धीरे उनके नजदीक जाती हूँ और उनकी सर्वशक्तियों की किरणों रूपी बाहों में ऐसे समा जाती हूँ जैसे एक बच्चा अपनी माँ के आंचल में समा जाता है। मेरे पिता का प्यार उनकी अथाह शक्तियों के रूप में मेरे ऊपर निरन्तर बरस रहा है। *मेरे पिता के निस्वार्थ, निष्काम प्यार का अनुभव, उनका प्यार पाने की मेरी जन्म - जन्म की प्यास को बुझाकर मुझे तृप्त कर रहा है। परमात्म प्यार से भरपूर होकर योग अग्नि में अपने विकर्मों को दग्ध करने के लिए अब मैं बाबा के बिल्कुल समीप जा रही हूँ और उनसे आ रही जवालास्वरूप शक्तियों की किरणों के नीचे बैठ, योग अग्नि में अपने पुराने आसुरी स्वभाव संस्कारों को जलाकर भस्म कर रही हूँ*। बाबा की शक्तिशाली किरणे आग की भयंकर लपटों का रूप धारण कर मेरे चारों और जल रही है, जिसमे मेरे 63 जन्मो के विकर्म विनाश हो रहें हैं और मैं आत्मा शुद्ध पवित्र बन रही हूँ।   ➳ _ ➳  सच्चे सोने के समान शुद्ध और स्वच्छ बनकर अपने प्यारे पिता की श्रेष्ठ मत पर चल कर, अब मैं अपने जीवन को पलटाने और श्रेष्ठ बनाने के लिए स्वयं में दैवी गुणों की धारणा करने के लिए फिर से साकार सृष्टि पर लौट आती हूँ और अपने ब्राह्मण स्वरूप में स्थित होकर पूज्य बनने के पुरुषार्थ में लग जाती हूँ। *अपने आदि पूज्य स्वरूप को सदा स्मृति में रखते हुए, बाबा की याद से पुराने आसुरी स्वभाव संस्कारों को दग्ध कर, नए दैवी संस्कार बनाने का पुरुषार्थ करते हुए अब मैं स्वयं का परिवर्तन बड़ी सहजता से करती जा रही हूँ*   ────────────────────────   ∫∫ 8 ∫∫ श्रेष्ठ संकल्पों का अभ्यास (Marks:- 5) ( आज की मुरली के वरदान पर आधारित... )   ✺   *मैं हर सेकण्ड के हर संकल्प का महत्व जान कर जमा का खाता भरपूर करने वाली समर्थ आत्मा हूँ।*   ➢➢ इस संकल्प को आधार बनाकर स्वयं को श्रेष्ठ संकल्पों में स्थित करने का अभ्यास किया ? ────────────────────────   ∫∫ 9 ∫∫ श्रेष्ठ संकल्पों का अभ्यास (Marks:- 5) ( आज की मुरली के स्लोगन पर आधारित... )   ✺  *हर बोल, हर कर्म की अलौकिकता ही पवित्रता है, मैं साधारणता को अलौकिकता में परिवर्तन कर देने वाली पवित्र आत्मा हूँ  ।*   ➢➢ इस संकल्प को आधार बनाकर स्वयं को श्रेष्ठ संकल्पों में स्थित करने का अभ्यास किया ? ────────────────────────   ∫∫ 10 ∫∫ अव्यक्त मिलन (Marks:-10) ( अव्यक्त मुरलियों पर आधारित... )   ✺ अव्यक्त बापदादा :-   ➳ _ ➳  सारे दिन में गलती नहीं की लेकिन समय, संकल्प, सेवा, सम्बन्ध-सम्पर्क में स्नेह, संतुष्टता द्वारा जमा कितना किया? *कई बच्चे सिर्फ यह चेक कर लेते हैं - आज बुरा कुछ नहीं हुआ। कोई को दुःख नहीं दिया। लेकिन अब यह चेक करो कि सारे दिन में श्रेष्ठ संकल्पों का खाता कितना जमा किया? श्रेष्ठ संकल्प द्वारा सेवा का खाता कितना जमा हुआ?* कितनी आत्माओं को किसी भी कार्य से सुख कितनों को दिया? योग लगाया लेकिन योग की परसेन्टेज किस प्रकार की रही? आज के दिन दुआओं का खाता कितना जमा किया?         ➳ _ ➳  *कोई कितना भी हिलावे, हिलना नहीं अखण्ड गुणदानी, अटल, कोई कितना भी हिलावे, हिलना नहीं।* हरेक एक दो को कहते हो, सभी ऐसे हैं, तुम ऐसे क्यों अपने को मारता है, तुम भी मिल जाओ। कमजोर बनाने वाले साथी बहुत मिलते हैं। लेकिन *बापदादा को चाहिए हिम्मत, उमंग बढ़ाने वाले साथी। तो समझा क्या करना है? सेवा करो लेकिन जमा का खाता बढ़ाते हुए करो, खूब सेवा करो। पहले स्वयं की सेवा, फिर सर्व की सेवा।*   ✺   *ड्रिल :-  "दुआओं का खाता जमा करने का अनुभव"*   ➳ _ ➳  *मैं आत्मा भृकुटी सिंहासन में विराजमान बैठी हूँ... मैं मन-बुद्धि द्वारा आसमान की ओर उड़ती हूँ... धीरे-धीरे आसमान की तरफ उड़कर मैं एक सफेद प्रकाश की दुनिया सूक्षमवतन में पहुँच जाती हूँ...* वहाँ एकदम साइलेंस की दुनिया हैं... एक तिनके तक की आवाज़ नहीं हैं... एकदम सन्नाटा हैं... वहाँ ब्रह्मा बाबा शिव बाबा का इंतज़ार कर रहे है...   ➳ _ ➳  सूक्ष्मवतन में शिव बाबा ब्रह्मा बाबा के तन में आते हैंं और उनके आते ही वहाँ का वातावरण फ़ूलों से भर जाता हैं... फ़ूलों की धीमी-धीमी खुशबू आने लगती हैं... बाबा मुझ आत्मा पर सुनहरी किरणें डाल रहे हैं... *मैं उन किरणों में खो चुकी हूँ... मुझ आत्मा का माँ वैष्णो देवी का स्वरूप इमर्ज हो रहा हैं... मुझ आत्मा के इस माँ वैष्णो देवी के स्वरूप से बाबा की किरणें भक्तों पर न्यौछावर हो रही हैं...*   ➳ _ ➳  सभी भक्त बहुत ख़ुशी से झूम रहे हैं... उन्हें ऐसा लग रहा हैं मानों जैसे उनकी सभी मुरादे पूरी हो चुकी हैं... वह सब आसमान की ओर देखकर मन ही मन मुझ पूज्य स्वरूप का शुक्रिया कर रहे हैं... *उन करोड़ों आत्माओं की दुआएं मुझ आत्मा तक पहुँच रही हैं... अब मेरे मन मे श्रेष्ठ संकल्प ही चलते हैं... योग में भी वृद्धि हो रही हैं... मुझ आत्मा का दुआओं का खाता जमा होता जा रहा हैं...*   ➳ _ ➳  अब कोई कितना भी बाबा से दूर करने की कोशिश करें, कोई भी कहे कि तुम कहाँ फँस चुके हो परन्तु मैं हिलती नहीं हूँ... मुझ आत्मा में हिम्मत बढ़ चुकी हैं... मैं किसी की उल्टी बातों पर ध्यान नहीं देती हूँ... *अब मैं सेवा तो करती हूँ परन्तु साथ-साथ जमा के खाते को बढ़ाकर करती हूँ... मैं आत्मा बाबा से वादा करती हूं कि मैं योग और ज्ञान से सर्व आत्माओं का कल्याण करूँगी...*   ➳ _ ➳  *अपनी दिनचर्या में मैं आत्मा अब समय बरबाद नहीं करती हूँ... मुझ आत्मा के लौकिक व अलौकिक सम्बन्धों में स्नेह बढ़ता जा रहा है और मैं सदा संतुष्ट रहती हूँ... सभी के प्रति शुभभावना और शुभकामना रखती हूँ...* अब मैं सवेरे-सवेरे उठते ही पहले स्व को ज्ञान रत्नों से भरपूर करके स्व की सेवा स्वमान लेकर, अमृतवेला करकें और मुरली सुनकर करती हूँ... फिर सर्व आत्माओं की सेवा करती हूँ...   ━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━   ⊙_⊙  आप सभी बाबा के प्यारे प्यारे बच्चों से अनुरोध है की रात्रि में सोने से पहले बाबा को आज की मुरली से मिले चार्ट के हर पॉइंट के मार्क्स ज़रूर दें ।   ♔ ॐ शांति ♔ ━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
119 views
2 months ago
#

নিউ ইয়ারের মজা

04.01.19       Morning Assame Murli        Om Shanti      BapDada       Madhuban " মৰমৰ সন্তানসকল – পিতাৰ স্মৃতিত সদায় হৰ্ষিত হৈ থাকা , পিতাৰ স্মৃতিত থকাসকল বহুত ৰমণীয় আৰু মিঠা হ ’ ব । আনন্দত থাকি সেৱা কৰিব ” প্ৰশ্ন: জ্ঞানৰ মজাৰ (আনন্দৰ) লগতে কোনটো পৰীক্ষণ কৰাৰ অতি প্ৰয়োজন? উত্তৰ: জ্ঞানৰ আনন্দতো থাকেই কিন্তু পৰীক্ষণ কৰা যে কিমান দেহী-অভিমানী হৈছা? জ্ঞানতো বহুত সহজ কিন্তু যোগত মায়াই বিঘিনি আনে। গৃহস্থ ব্যৱহাৰত অনাসক্ত হৈ থাকিব লাগে। এনেকুৱা হ'ব নালাগে যে মায়া নিগনিয়ে ভিতৰি ভিতৰি কাটি থাকিব অথচ গমেই নাপাবা। নিজৰ নাড়িৰ স্পন্দন নিজেই চাই থাকা যে বাবাৰ লগত আমাৰ গভীৰ মৰম আছেনে? কিমান সময় আমি স্মৃতিত থাকো? গীত: চগাবোৰ কিয় জ্বলি নুঠে …. ( জ্বলে কিউ ন পৰৱানা …..) ওঁম্ শান্তি। মৰমৰ সন্তানসকলে গীতটিৰ লাইন শুনিলে। যিহেতু পিতাই ইমান চমৎকাৰ দেখুৱায়, তোমালোক ইমান সুন্দৰ হৈ পৰা, তেন্তে কিয়নো এনেকুৱা পিতাৰ হৈ নোযোৱা যিয়ে শ্যামৰপৰা সুন্দৰ কৰি তোলে। সন্তানসকলে বুজি পায় যে আমি শ্যাম বৰণৰ পৰা বগা হওঁ। এজনৰ কথা নহয়। তেওঁলোকে কৃষ্ণক শ্যাম-সুন্দৰ বুলি কৈ দিয়ে। চিত্ৰও এনেকুৱাই তৈয়াৰ কৰে। কোনোবা সুন্দৰ যদি আন কোনোবা শ্যাম। মনুষ্যই বুজি নাপায় যে এয়া কেনেকৈ হ'ব পাৰে। সত্যযুগৰ ৰাজকুমাৰ কৃষ্ণ শ্যামবৰণীয়া হ'ব নোৱাৰে। কৃষ্ণৰ বাবেতো সকলোৱে কয় যে কৃষ্ণৰ দৰে যাতে সন্তান পাওঁ, পতি পাওঁ। তেন্তে তেওঁ শ্যাম কেনেকৈ হ'ব পাৰে। একোৱে বুজি নাপায়। কৃষ্ণক শ্যামবৰণীয়া কিয় কৰিলে, তাৰ কাৰণ দৰ্শোৱা উচিত। এয়া যি দেখুৱায় সাপৰ ওপৰত নৃত্য কৰিলে - এনেকুৱা কথাটো হ'ব নোৱাৰে। শাস্ত্ৰত এনেধৰণৰ কথা শুনি কৈ দিয়ে। বাস্তৱতএনেকুৱা কোনো কথা নাই। যেনেকৈ চিত্ৰত দেখুৱায় যে সৰ্প শয্যাত নাৰায়ণ বহি আছে, এনেকুৱা কোনো স্বৰ্পৰ শয্যা আদি নাথাকে। ইমান অসংখ্য মূখ থাকে জানো? কেনেকুৱা কেনেকুৱা চিত্ৰ বনাই দিছে। পিতাই বুজায় - এইবোৰত একোৱে নাই, এইবোৰ সকলো ভক্তিমাৰ্গৰ চিত্ৰ। কিন্তু এয়াও নাটকত সন্নিৱিষ্ট হৈ আছে। আৰম্ভণিৰপৰা এতিয়ালৈকে যি নাটক দৃশ্যগ্ৰহণ হৈছে সেয়া আকৌ পুনৰাবৃত্তি কৰিব লাগিব। এইয়া মাত্ৰ বুজোৱা হয় যে ভক্তিত কি কি কৰে। কিমান খৰচ কৰে। কেনেকুৱা কেনেকুৱা চিত্ৰ আদি বনায়। আগতে এই সকলোবোৰ যেতিয়া দেখিছিলা তেতিয়া আচৰিত হোৱা নাছিলা। এতিয়া যিহেতু পিতাই বুজাই দিলে সেইবাবে বুদ্ধিত আহে যে যথাযথ এই সকলোবোৰ ভক্তিমাৰ্গৰ কথা। ভক্তিত যিবোৰ হয় সেইয়া পুনৰ নিশ্চয় হ'ব। তোমালোকৰ বাহিৰে আন কোনেও এইয়া বুজিব নোৱাৰে। এয়াটো জানা যে নাটকত যি আগৰে পৰা সন্নিবিষ্ট হৈ আছে, সেয়াই ঘটি থাকে। অনেক ধৰ্মৰ বিনাশ হৈ এক ধৰ্মৰ প্ৰতিষ্ঠা হয়। ইয়াত বহুত কল্যাণ আছে। এতিয়া তোমালোকে এই প্ৰাৰ্থনা আদি একো নকৰা। তেওঁলোকে কৰে ভগৱানৰ পৰা ফল পাবৰ বাবে। ফল হৈছে জীৱনমুক্তি, এই সকলোবোৰ বুজোৱা হয়। ইয়াত হৈছে প্ৰজাৰ ওপৰত প্ৰজাৰ ৰাজ্য। গীতাত আছে হে ভাৰতবাসী, কৌৰৱ-পাণ্ডৱ তোমালোকে কৰি আছা। যথাযথ যাদৱসকলে মিচাইল উলিয়ালে। নিজৰ কূলৰ বিনাশ কৰিলে। এয়া সকলো পৰস্পৰ শত্ৰু। তোমালোকে খবৰ আদি নুশুনা, যিয়ে শুনে তেওঁলোকে ভালদৰে বুজি পায়। দিনে-প্ৰতিদিনে নিজৰ ভিতৰতে হাই-কাজিয়া বহুত হয়। হওঁতেতো সকলোৱে খ্ৰীষ্টিয়ান, কিন্তু নিজৰ মাজত হাই-কাজিয়া বহুত আছে, ঘৰত বহি থাকিয়েই ইজনে সিজনক উৰুৱাই দিব। তোমালোকে ৰাজযোগ শিকি আছা যেতিয়া ৰাজ্য কৰিবৰ বাবে পুৰণি দুনিয়াক নিশ্চয় চাফা কৰিব লাগিব। পিছত নতুন দুনিয়াত সকলো নতুন হ'ব। 5 ত্বত্তও তাত সতোপ্ৰধান হ'ব। সমুদ্ৰৰ এনেকুৱা শক্তি নাথাকে যে ঢৌ উঠি ক্ষতি কৰিব। এতিয়াতো 5 ত্বত্তই কিমান ক্ষতি কৰে। তাত গোটেই প্ৰকৃতি দাসী হৈ যাব, সেয়েহে দুখৰ কোনো কথা নাথাকে। এইয়াও পূৰ্ব নিৰ্ধাৰিত নাটকৰ খেল। সত্যযুগক স্বৰ্গ বুলি কোৱা হয়, খ্ৰীষ্টিয়ান লোকেও কয় যে পোনপ্ৰথমে স্বৰ্গ আছিল। ভাৰত হৈছে অবিনাশী খণ্ড। মাথো তেওঁলোকে এইটো নাজানে যে আমাক উদ্ধাৰ কৰোঁতা পিতা ভাৰতত আহে। শিৱ জয়ন্তীও পালন কৰে তথাপিও বুজিব নোৱাৰে। এতিয়া তোমালোকে বুজোৱা যে ভাৰতত শিৱ জয়ন্তী পালন কৰা হয়, গতিকে নিশ্চয় শিৱবাবা ভাৰতত আহি স্বৰ্গ স্থাপনা কৰিছে, এতিয়া আকৌ স্থাপনা কৰি আছে। যিসকল প্ৰজা হ'বলগীয়া হ’ব তেওঁলোকৰ বুদ্ধিত একোৱে নবহিব। যি ৰাজধানীৰ হ'ব তেওঁলোকে বুজি পাব যে আমি যথাযথ শিৱবাবাৰ সন্তান হওঁ। প্ৰজাপিতা ব্ৰহ্মাও হয়। মুক্তিদাতা, জ্ঞানৰ সাগৰ বাবা নিজেই হয়। ব্ৰহ্মাক তেনেকৈ কোৱা নহয়। ব্ৰহ্মাও তেওঁৰ দ্বাৰাই উদ্ধাৰ হয়। মুক্তি সকলোকে এজন পিতাই দিয়ে কিয়নো সকলোৱে তমোপ্ৰধান। এনেকৈ ভিতৰত বিচাৰ সাগৰ মন্থন চলি থাকিব লাগে। আমি এনেকৈ মুৰুলী শুনাব লাগে যাতে মনুষ্যই তৎক্ষণাত বুজি পায়। সন্তানসকলতো ক্ৰমানুসৰি হয়েই। এয়া হৈছে জ্ঞান, এয়া সদায় অধ্যয়ন কৰিব লাগে। ভয়তে নপঢ়াটো এয়া ভাল কথা নহয়। আকৌ ক’ব কৰ্মবন্ধন আছে। চোৱা, আৰম্ভণিতে কিমানে বন্ধন মুক্ত হৈ আহিল আকৌ কোনোবা গুচিও গ’ল। সিন্ধুত বহুত কন্যা আহিছিল পিছত হাংগামাৰ কাৰণে কিমান শত্ৰু হৈ পৰিল। প্ৰথমতে তেওঁলোকৰ জ্ঞান বহুত ভাল লাগিছিল। ভাবিছিল তেওঁলোকে ভগৱানৰ দান পালে। এতিয়াও এনেকৈ বুজে যে কোনোবা শক্তি আছে, এইটো নুবুজে যে পৰমাত্মাৰ প্ৰৱেশ হৈছে। আজিকালিতো ৰিদ্ধি-সিদ্ধিৰ শক্তি বহুতৰে আছে। গীতা উঠাই শুনাই থাকে। পিতাই কয় যে এয়া সকলো ভক্তি মাৰ্গৰ কিতাপ। জ্ঞানৰ সাগৰতো মই হওঁ। মোকেই ভক্তি মাৰ্গত সকলোৱে স্মৰণ কৰে। ড্ৰামাৰ পৰিকল্পনা অনুসৰি এইয়াও ড্ৰামাত নিহিত হৈ আছে। সাক্ষাৎকাৰো হয়। ভক্তিমাৰ্গত থকা সকলকো ৰাজি কৰে। জ্ঞান নচলিলে তেন্তে তেওঁলোকৰ কাৰণে ভক্তিও ভাল তথাপিও মনুষ্যৰ শুধৰণিতো হয়, নহয় জানো। চুৰি আদি নকৰিব। ভগৱানৰ ভজন কৰা সকলৰ কাৰণে কেতিয়াও উল্টা কথা নকয়। তথাপিও ভক্ত হয়। আজিকালি যদিও ভক্ত আছে তথাপি বহুত দেউলীয়া হৈ যায়। এনেকুৱা নহয় যে শিৱবাবাৰ সন্তান ল’লা যেতিয়া দেউলীয়া নহ’বা। অতীতৰ কৰ্মৰ কাৰণে দেউলীয়া হৈ যায়। জ্ঞানত আহিলেও দেউলীয়া হৈ যায়, ইয়াত সৈতে জ্ঞানৰ কোনো সম্বন্ধ নাই। তোমালোক সন্তানসকল এতিয়া সেৱাত লাগি আছা। বুজি পোৱাযে শ্ৰীমত অনুসৰি সেৱাত লাগিলে ফল পাম। আমি সকলোবোৰ তালৈ (সত্যযুগ) ট্ৰান্সফাৰ (স্থানান্তৰ) কৰি দিব লাগে। বাবাৰ আৰম্ভণিতে বহুত মজা লাগিছিল। তাৰ পৰা যেতিয়া ওলাই আহিছিল তেতিয়া গীত ৰচিলে – অল্ফ কো মিলা অল্লাহ, বে কো মিলি বাদশ্বাহী... (এজনে আল্লাক পালে, আনজনে বাদশ্বাহী পালে… ) শ্ৰীকৃষ্ণৰ, চতুৰ্ভুজৰ সাক্ষাৎকাৰ হওঁতে ভবিছিল দ্বাৰকাৰ বাদশ্বাহ হ’ম। এনেকুৱা নিচা লাগিছিল। এতিয়া এই বিনাশী পইচা কি কৰিম। তেন্তে তোমালোক সন্তানসকলো আনন্দিত হোৱা উচিত। আমাক বাবাই স্বৰ্গৰ বাদশ্বাহী দিয়ে। কিন্তু সন্তানসকলে ইমান পুৰুষাৰ্থই নকৰে। চলোতে চলোতে অধঃপতিত হৈ যায়। ভাল ভাল সন্তানসকলে, বাবাক নিমন্ত্ৰণ দিওতাসকলে কেতিয়াও বাবাক স্মৰণ নকৰে। বাবাৰ ওচৰলৈ পত্ৰ আহিব লাগে যে বাবা আমি বহুত আনন্দত আছো। আপোনাৰ স্মৃতিত বিভোৰ হৈ আছো। বহুত এনেকুৱা আছে যিয়ে কেতিয়াও স্মৰণ নকৰে। স্মৰণৰ যাত্ৰাৰ দ্বাৰাই আনন্দৰ তীব্ৰতা বাঢ়িব। জ্ঞানত যদিও কিমান বিভোৰ হৈ থাকে কিন্তু দেহ-অভিমান কিমান আছে। দেহী-অভিমানীৰ সংস্কাৰ ক’ত? জ্ঞানতো বহুত সহজ। যোগতেই মায়াই বিঘিনি আনে। গৃহস্থ ব্যৱহাৰতো অনাসক্ত হৈ থাকিব লাগে। এনেকুৱা নহয় যে মায়াই বশীভূত কৰি দিব। মায়াই এনেকৈ কাটে যেনেকৈ নিগনিয়ে কাটে। নিগনিয়ে এনেকৈ কাটে যে তেজ ওলাই গ’লেও গম পোৱা নাযায়। সন্তানসকলে গম নাপায় যে দেহ-অভিমান আহিলে কিমান লোকচান হয়। উচ্চ পদ পাব নোৱাৰে। পিতাৰ পৰা সম্পূৰ্ণ উত্তৰাধিকাৰ ল’ব লাগে। মম্মা বাবাৰ দৰে আমিও সিংহাসনৰ অধিকাৰী হওঁ। পিতা হৈছে হৃদয় লওঁতা। দিলৱাড়া মন্দিৰতো পুৰা স্মাৰক আছে, ভিতৰত হাতীৰ ওপৰত মহাৰথী বহি আছে। তোমালোকৰ ভিতৰতো মহাৰথী, অশ্বাৰোহী, পদাতিক আছে। প্ৰত্যেকে নিজৰ নিজৰ নাড়িৰ স্পন্দন চাব লাগে। বাবাই কিয় চাব। তোমালোকে নিজক চোৱা আমি বাবাক স্মৰণ কৰোনে, আৰু বাবাৰ দৰে সেৱা কৰোনে! আমাৰ বাবাৰ সৈতে যোগ আছেনে! ৰাতি উঠি বাবাক স্মৰণ কৰোনে? আমি বহুতৰ সেৱা কৰোনে? চাৰ্ট ৰাখিব লাগে - বাবাক গভীৰভাবে কিমানে স্মৰণ কৰো? কোনোৱে ভাবে মই নিৰন্তৰ স্মৰণ কৰো, এইটো হ’ব নোৱাৰে। কোনোবাই ভাবে মই বাবাৰ সন্তান হৈ গ’লো, বচ্। কিন্তু নিজক আত্মা বুলি ভাবি বাবাক স্মৰণ কৰিব লাগে। বাবাক স্মৰণ নকৰাকৈ কিবা কাম কৰা মানে বাবাক স্মৰণ নকৰা। বাবাৰ স্মৃতিত সদায় হৰ্ষিত হৈ থাকিব লাগে। স্মৃতিত থকাসকল সদায় ৰমণীয় হৈ থাকিব, হৰ্ষিত মুখৰ হৈ থাকিব। সকলোকে বহুত আনন্দৰে আৰু ৰমণীয়তাৰে বুজাব। বহুত কম সংখ্যকৰহে সেৱাৰ চখ আছে। চিত্ৰৰ ওপৰত বুজোৱা অতি সহজ। এওঁ হৈছে উচ্চতকৈও উচ্চ ভগৱান আকৌ তেওঁৰ ৰচনাৰ আমি সকলো আত্মা ভাই-ভাই। ব্ৰাডাৰহুদ (ভ্ৰাতৃত্ববোধ) হয়, তেওঁলোকে ফাডাৰহুদ (সকলোৱে পিতা) বুলি কৈ দিলে। প্ৰথমতে শিৱবাবাৰ চিত্ৰৰ ওপৰত বুজাব লাগে যে এওঁ সকলো আত্মাৰ পিতা পৰমপিতা পৰমাত্মা নিৰাকাৰ। আমি আত্মাসকলো নিৰাকাৰ, ভ্ৰুকুটিৰ মাজত থাকো। শিৱবাবাও তৰা কিন্তু তৰাৰ পূজা কেনেকৈ হ’ব সেইকাৰণে ডাঙৰকৈ বনায়। বাকী আত্মাই কেতিয়াও 84 লাখ জন্ম নলয়। পিতাই বুজায় আত্মা প্ৰথমে অশৰীৰী হৈ আহে পুনৰ শৰীৰ ধাৰণ কৰি ভূমিকা পালন কৰে। সতোপ্ৰধান আত্মা পুনৰ্জন্ম লৈ লৈ আইৰন এজত (কলি যুগ) আহি যায়। পিছত অহাসকলেতো 84 জন্ম নল’ব। সকলোৱেতো 84 জন্ম ল’ব নোৱাৰে। আত্মাই এটা শৰীৰ এৰি বেলেগ এটা লয়। নাম-ৰূপ, দেশ-কাল সকলো সলনি হৈ যায়। এনেকৈ ভাষণ কৰিব লাগে। কোৱা হয় চেল্ফ ৰিয়েলাইজেশ্বন (আত্মানুভূতি)। কিন্তু কৰাব কোনে? আত্মায়ে পৰমাত্মা বুলি কোৱাটো – এয়া জানো চেল্ফ ৰিয়েলাইজেশ্বন হ’ল! এয়া নতুন জ্ঞান। পিতা যি জ্ঞানৰ সাগৰ, পতিত পাৱন, সকলোৰে সৎগতি দাতা, তেৱেঁই বহি বুজায়। আকৌ তেওঁৰ বহুত মহিমা কৰা, তেখেতৰ মহিমা শুনিলা। আত্মাৰ পৰিচয় দিলো, এতিয়া পৰমাত্মাৰো পৰিচয় দিম। তেখেতক কোৱা হয় সকলো আত্মাৰ পিতা। তেওঁ সৰু-ডাঙৰ নহয়। পৰমপিতা পৰমাত্মা মানে চুপ্ৰিম চ’ল (soul)। চ’ল মানে আত্মা। পৰমাত্মাতো হৈছে অতিকৈ দূৰৈত থাকোঁতা। তেওঁ পুনৰ্জন্মত নাহে সেইকাৰণে তেওঁক পৰমপিতা বুলি কোৱা হয়। ইমান সূক্ষ্ম আত্মাত পাৰ্ট নিহিত হৈ আছে। পতিত পাৱণ বুলিও তেওঁকে কোৱা হয়। তেওঁৰ নাম সৰ্বদা শিৱবাবা। ৰুদ্ৰ বাবা নহয়, ভক্তি মাৰ্গত অনেক নাম ৰাখিছে, তেওঁক সকলোৱে স্মৰণ কৰে যে পতিত-পাৱন আহি পাৱন কৰি তোলা। তেন্তে নিশ্চয় আহিব লাগিব। তেওঁ তেতিয়া আহে যেতিয়া এটা ধৰ্মৰ প্ৰতিষ্ঠা কৰিবলগীয়া হয়। আদি সনাতন দেৱী-দেৱতা ধৰ্ম। এতিয়া কলিযুগত, অনেক মনুষ্য। সত্যযুগত বহুত কম মনুষ্য থাকে। ব্ৰহ্মাৰ দ্বাৰা স্থাপনা, শংকৰ দ্বাৰা বিনাশ… গীতাৰ দ্বাৰাই আদি সনাতন ধৰ্মৰ প্ৰতিষ্ঠা হৈছিল। কেৱল তাতো ভুল কৰি কৃষ্ণৰ নাম দি দিলে। পিতাই কয় তেওঁতো পুনৰ্জন্মত আহোঁতা হয়। মইতো পুনৰ্জন্মত ৰহিত। গতিকে এতিয়া বিচাৰ কৰি চোৱা পৰমপিতা পৰমাত্মা নিৰাকাৰ শিৱ নে শ্ৰীকৃষ্ণ। গীতাৰ ভগৱান কোন? ভগৱানতো এজনকে কোৱা হয়। তথাপিও যদি এই কথাবোৰ কোনোবাই নামানে তেতিয়া বুজিব লাগে এওঁ আমাৰ ধৰ্মৰ নহয়। সত্যযুগত আহিবলগীয়াজনে ততালিকে মানিব আৰু পুৰুষাৰ্থ কৰিবলৈ লাগি যাব। মূল কথা হৈছেই এইটো। ইয়াতেই তোমালোকৰ বিজয়। কিন্তু দেহী-অভিমানী অৱস্থা কিমান ক’ত? ইজনে সিজনৰ নাম ৰূপত আৱদ্ধ হৈ যায়। ভক্তি মাৰ্গতো কোৱা হয়, ব্যথা আছিল ব্ৰহ্মৰ সিপাৰে থাকোতা পৰমাত্মাৰ, বাকী কিহৰ ভয়। বহুত সাহস লাগে। কৰোঁতাসকলে আত্মাৰ জ্ঞান বহুত আনন্দৰে দিব লাগে। আকৌ পৰমাত্মা বুলি কাক কয় - সেয়াও বুজাব লাগে। পিতাৰ মহিমা হৈছে - প্ৰেমৰ সাগৰ, জ্ঞানৰ সাগৰ… এনেকৈ সন্তানসকলৰো মহিমা আছে। কাৰোবাক খং কৰা মানে আইন হাতত তুলি লোৱা। বাবা কিমান মিঠা। সন্তানসকলে যদি কোনো কাম কৰিবলৈ মান্তি নহয় তেন্তে কৃষ্ণৰ দৰে হ’ব নোৱাৰিব। বহুত মিঠা হব লাগে। অচ্ছা! অতি মৰমৰ কল্পৰ পিছত পুনৰাই লগ পোৱা সন্তানসকলৰ প্ৰতি মাতা-পিতা বাপদাদাৰ স্নেহপূৰ্ণ স্মৰণ আৰু সুপ্ৰভাত। আত্মিক পিতাৰ আত্মিক সন্তানসকলক নমস্কাৰ। ধাৰণাৰ বাবে মুখ্য সাৰ :- (1) নিজৰ টালি-টোপোলা সকলো স্থানান্তৰ কৰি বহুত আনন্দত থাকিব লাগে। মম্মা-বাবাৰ সমান সিংহাসনৰ অধিকাৰী হ’ব লাগে। অতি গভীৰ স্মৃতিত থাকিব লাগে। (2) কাৰোবালৈ ভয় কৰি পঢ়া এৰি দিব নালাগে। যোগৰ দ্বাৰা নিজৰ কৰ্মবন্ধন নোহোৱা কৰিব লাগে। কেতিয়াও ক্ৰোধৰ বশীভূত হৈ আইন হাতত তুলি ল’ব নালাগে। কোনো সেৱাতে অমান্তি হ’ব নালাগে। বৰদান: ব্ৰাহ্মণ জীৱনৰ সম্পত্তি আৰু ব্যক্তিত্বৰ অনুভৱ ক ৰোঁতা আৰু ক ৰাওঁতা বিশেষ আত্মা হোৱা বাপদাদাই সকলো ব্ৰাহ্মণ সন্তানক মনত পেলাই দিয়ে যে ব্ৰাহ্মণ হ’লা - অতি সৌভাগ্য! কিন্তু ব্ৰাহ্মণ জীৱনৰ উত্তৰাধিকাৰ, সম্পত্তি হৈছে সন্তুষ্টতা আৰু ব্ৰাহ্মণ জীৱনৰ ব্যক্তিত্ব হৈছে প্ৰসন্নতা। এইটো অনুভৱৰ পৰা কেতিয়াও বঞ্চিত নহ’বা। অধিকাৰী হোৱা। যেতিয়া দাতা, বৰদাতাই খোলা অন্তৰেৰে সকলো প্ৰাপ্তিৰ খাজনা দি আছে তেন্তে সেয়া অনুভৱত আনা আৰু আনকো অনুভৱী কৰি তোলা তেতিয়া কোৱা হ’ব বিশেষ আত্মা। স্লোগান: অন্তিম সময়ৰ কথা ভ বা তকৈ অন্তিম স্থিতিৰ কথা ভা বা। ব্ৰহ্মা পিতাৰ সমান হ ’ বলৈ বিশেষ পুৰুষাৰ্থ সেৱাত প্ৰত্যক্ষফল দেখুৱাবলৈ হ'লে যেনেকৈ ব্ৰহ্মাবাবাই নিজৰ আত্মিক স্থিতিৰ দ্বাৰা সেৱা কৰিছিল ঠিক তেনেকৈ তোমালোক সন্তানসকলেও নিজৰ আত্মিক স্থিতি প্ৰত্যক্ষ কৰা। ৰুহ আত্মাকো কোৱা হয় আৰু ইচেন্সকো (সত্তা) কোৱা হয়। গতিকে আত্মিক স্থিতিত থাকিলে দুয়োটাই আহি যাব। দিব্য গুণৰ আকৰ্ষণ অৰ্থাৎ ইচেন্স সেই ৰুহো থাকিব আৰু আত্মিক স্বৰূপো দেখা পোৱা যাব।
174 views
2 months ago
#

নিউ ইয়ারের মজা

০৪-০১-১৯ প্রাতঃমুরলী ওম শান্তি "বাপদাদা" মধুবন "মিষ্টি বাচ্চারা - বাবার স্মরণে থেকে সদা প্রফুল্ল থাকো। স্মরণে থাকা বাচ্চারা অত্যন্ত রমণীয় আর মিষ্টি হবে। খুশীতে থেকে সার্ভিস করবে" প্রশ্ন:- জ্ঞানের নেশার সাথে সাথে কিসের চেকিং করা অত্যন্ত আবশ্যক ? উত্তর:- জ্ঞানের নেশা তো থাকে কিন্তু চেক্(পরীক্ষা) করো যে আত্ম-অভিমানী কতটা হয়েছো ? জ্ঞান তো অত্যন্ত সহজ কিন্তু যোগেই মায়া বিঘ্ন ঘটায়। গৃহস্থ ব্যবহারে অনাসক্ত থাকতে হবে। এমন যেন না হয় যে ইঁদুর-রূপী মায়া ভিতরে ভিতরে কাটতেই থাকে আর তোমরা উপলব্ধিও করতে না পারো। নিজের নাড়ী(স্পন্দন) নিজেই দেখো যে বাবার সাথে আমাদের সুগভীর ভালবাসা আছে কি? কতটা সময় আমরা বাবার স্মরণে থাকি ? গীত:- বহ্নি-পতঙ্গ কেন জ্বলবে না... ওম্ শান্তি। মিষ্টি মিষ্টি বাচ্চারা গানের লাইন শুনেছে। যেমন বাবা এমন চমক(ভেল্কি) দেখায় যে তোমরা অতি সুন্দর হয়ে যাও। যে বাবা শ্যাম(কালো) থেকে সুন্দর(ফর্সা) বানায়, আমরা কেন সেই বাবার হয়ে যাবো না ! বাচ্চারা জানে যে আমরা এখন শ্যাম(কালো) থেকে সুন্দর হচ্ছি। একথা একজনের উদ্দেশ্যে বলা হয় না। । ওরা তো কৃষ্ণকে শ্যাম-সুন্দর বলে দেয়। চিত্রও এমনই তৈরী করে। কেউ সুন্দর, তো কেউ শ্যামবর্ণের। মানুষ তো জানে না যে এরকম কি করে হতে পারে। সত্যযুগের প্রিন্স(যুবরাজ) শ্যামবর্ণের হতে পারে না। কৃষ্ণের উদ্দেশ্যে সকলেই বলে যে, যেন কৃষ্ণের মতো সন্তান পাই, পতি পাই। তাহলে সে শ্যাম কি করে হতে পারে। কিছুই বোঝে না। কৃষ্ণকে কালো কেন বানানো হয়েছে, তার কারণ জানা চাই। এই যে দেখানো হয়েছে, সর্পের উপর নাচ করছে - এরকম ব্যাপার তো হতে পারে না। শাস্ত্রে এরকম ধরণের কথা শুনে বলে দেয়। বাস্তবে এরকম কোনো কথা নেই। যেমন চিত্রতে দেখানো হয় যে শেষনাগের শয্যার উপর নারায়ণ বসে রয়েছে, এরকম কোনো শেষনাগের শয্যা ইত্যাদি হয় না। এতো শত শত মুখ হয় নাকি? কিরকম ধরণের চিত্র বসে তৈরী করে। বাবা বোঝান যে এই সবের মধ্যে কিছুই নেই, এইসব ভক্তিমার্গের চিত্র। কিন্তু এও ড্রামায় ফিক্সড(নিশ্চিত) হয়ে রয়েছে। প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত যে নাটক শ্যুট করা হয়েছে তারই পুনরাবৃত্তি(রিপীট) হবে। একথা শুধু বোঝানোর জন্য যে ভক্তিতে কি কি করতে থাকে। কত খরচ করে। কেমন কেমন চিত্র ইত্যাদি তৈরী করে। পূর্বে যখন এইসব চিত্র দেখতাম তখন এতো আশ্চর্য হতাম না। এখন, যখন বাবা বুঝিয়েছেন, তখন ঠিকমতো বুদ্ধিতে আসে যে এসব হলো ভক্তিমার্গের কথা। ভক্তিতে যা কিছুই করা হয় তা পুনরায় অবশ্যই হবে। তোমরা ছাড়া এ'কথা আর কেউই বুঝতে পারে না। এটা তো জানোই যে ড্রামায় যা পূর্বেই স্থির হয়ে রয়েছে, তাই-ই পুনরায় হতে থাকে। অনেক ধর্মের বিনাশ আর এক ধর্মের স্থাপনা হয়। এতো অতি কল্যাণকারী। এখন তোমরা প্রার্থনা ইত্যাদি কিছুই কর না। এইসব করা হয় ভগবানের থেকে ফল পাওয়ার জন্য। ফল হলো জীবনমুক্তি, এসব কথা তোমাদের বোঝানো হয়েছে । এখানে হলো প্রজার উপর প্রজার রাজত্ব । গীতায় বর্ণিত রয়েছে, হে ভারত বাসী - কৌরব, পান্ডব তোমরা কি করছো ! বরাবর যাদব-রাই মুসল(মিসাইল) বের করে। আর তারা নিজ কুলেরই বিনাশ করে। এরা পরস্পরের শত্রু হয়ে যায়। তোমরা সংবাদ ইত্যাদি শোনো না, যারা শোনে তারা ভালমতন বুঝতে পারে। দিন-প্রতিদিন নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব(মনোমালিন্য) বাড়তেই থাকে। সকলেই খ্রিস্টান কিন্তু পরস্পরের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে প্রচুর, ঘরে বসেই একে-অপরকে উড়িয়ে(মেরে ফেলে) দেয়। তোমরা রাজযোগ শিখছো তাই রাজত্ব করার জন্য পুরোনো দুনিয়াকে অবশ্যই পরিষ্কার(সাফ) করা উচিৎ। পুরোনো দুনিয়ায় আবার সব কিছু নতুন হবে। ৫ তত্ব-ও সেখানে সতোপ্রধান হবে। সমুদ্রের শক্তি নেই যে সেখানে উছলে পড়ে ক্ষতি করবে, এখানে তো ৫ তত্ব-ও অনেক ক্ষতি করে। ওখানে সম্পূর্ণ প্রকৃতিই দাসী হয়ে যাবে তাই দুঃখের কোনো কথাই নেই। এ হলো ফিক্সড হয়ে থাকা ড্রামার খেলা। স্বর্গ বলা হয় সত্যযুগকে, খ্রিস্টানরাও বলে যে প্রথমে হেভেন(স্বর্গ) ছিল। ভারত হলো অবিনাশী খন্ড। শুধু তাদের একথা জানা নেই যে আমাদের মুক্তিদাতা পিতা ভারতেই আসেন। শিব-জয়ন্তীও পালন করা হয় তাও বুঝতে পারে না। তোমরা এখন সকলকে বোঝাও যে ভারতেই শিব-জয়ন্তী পালন করা হয়। অবশ্যই শিববাবা ভারতে এসেই হেভেন তৈরী করেছেন, এখন আবার তৈরী করছেন। যারা প্রজা হবে তাদের বুদ্ধিতে কিছুই প্রবেশ করবে না। যারা রাজত্বের অধিকারী হবে তারাই সঠিকভাবে বুঝবে যে আমরাই হলাম শিববাবার সন্তান । প্রজাপিতা ব্রহ্মাও রয়েছেন। মুক্তিদাতা, জ্ঞানের সাগর হলেন স্বয়ং বাবা। ব্রহ্মাকে বলা যাবে না। ব্রহ্মাও ওঁনার থেকেই(জ্ঞানের দ্বারা) লিবারেট(মুক্ত) হন। একমাত্র বাবাই হলেন সকলের মুক্তিদাতা, কারণ সবাই তো তমোপ্রধাণ। এরকমভাবে ভিতরে-ভিতরে বিচার সাগর মন্থন করা উচিৎ। আমরা মুরলী যেন এমনভাবে পড়ি যাতে মানুষ স্পষ্টভাবে তা বোঝে। বাচ্চারা তো নম্বরের ক্রমানুসারেই হয়। এ হলো জ্ঞান, তাই সর্বদা এর অনুশীলন করা উচিৎ। ভয়ের কারণে পড়া না করা এ তো ঠিক নয়। তখন আবার বলে কর্মবন্ধন আছে। দেখো, প্রথমেই কতজন মুক্ত হয়ে এসেছিল আবার অনেকে চলেও গেছে। সিন্ধুপ্রদেশে অনেক কন্যারা এসেছিল আবার অশান্তির কারণে কত শত্রুও হয়ে গেছে। প্রথমে তাদের জ্ঞান খুব ভাল লাগতো। মনে করতো যে, এরা ভগবানের দান(পুরষ্কার) প্রাপ্ত করেছে। এখনো এটাই মনে করে যে, কোনো শক্তি রয়েছে, কিন্তু এটা বোঝে না যে পরমাত্মা স্বয়ং অবতরিত হয়েছেন। আজকাল রিদ্ধি-সিদ্ধি-র শক্তি তো অনেকের মধ্যেই রয়েছে। গীতা নিয়ে শোনাতেই থাকে। বাবা বলেন, এসব হলো ভক্তিমার্গের পুস্তক। জ্ঞানের সাগর তো এক - আমিই। ভক্তিমার্গে আমাকেই সকলে স্মরণ করে। ড্রামার পরিকল্পনা অনুসারে, এই সবই ড্রামায় নির্ধারিত হয়ে রয়েছে। সাক্ষাৎকারও হয়। তিনি(বাবা) ভক্তিমার্গের লোকেদেরকেও খুশী খুশী করেন । জ্ঞান ধারণ না করতে পারলে তাদের জন্য ভক্তিও ভালো, তবুও মানুষ এতে একটু শুধরোয় তো, তাই না। চুরি ইত্যাদি করবে না। ভগবানের ভজন যারা করে তাদের উদ্দেশ্যে কখনো ভুল কথা বলবে না, যেহেতু তারা হলো ভক্ত। আজকাল ভক্ত হলেও, তারাও দেউলিয়া(কপর্দক-শূন্য) হয়ে যায়। আবার এরকমও নয় যে শিববাবার বাচ্চা হয়ে গেলে তারা আর দেউলিয়া হবে না। অতীতের(পাস্ট) কোনো কর্ম এমন হয়ে থাকলে দেউলিয়া হবে। জ্ঞানে আসলেও দেউলিয়া হতে পারে কারণ এর সঙ্গে জ্ঞানের কোনো সম্পর্কই নেই। বাচ্চারা, তোমরা এখন সার্ভিসে(সেবায়) যুক্ত রয়েছো। তোমরা মনে কর যে, শ্রীমত অনুসারে সেবায় নিযুক্ত হলে ভাল ফল পাবে। আমাদের সবকিছু ওখানে ট্রান্সফার করতে হবে। ব্যাগ-ব্যাগেজ(মালপত্র) সবকিছু ট্রান্সফার করতে হবে। শুরুতে বাবার(ব্রহ্মা) খুব আনন্দ হতো, ওখান থেকে যখন এখানে আসেন তখন গান বানান - অল্ফ পেলো আল্লাহ-কে (ভগবান) আর বে পেলো বাদশাহী... শ্রীকৃষ্ণের, চতুর্ভুজের(বিষ্ণুর) সাক্ষাৎকার হয়েছিল । তাই তিনি মনে করতেন যে দ্বারকার রাজা(কৃষ্ণ) হবো। এরকম নেশায় মত্ত থাকতেন। এখন এই বিনাশী ধন দিয়ে কি করবো। তাই বাচ্চারা, তোমাদেরও খুশী হওয়া উচিৎ। বাবা আমাদের স্বর্গের রাজত্ব দেন। বাচ্চারা কিন্তু ভালো ভাবে পুরুষার্থ করে না। চলতে-চলতে পড়ে যায়। ভালো ভালো বাচ্চারা, যারা বাবাকে নিমন্ত্রণ জানায় তারাও বাবাকে স্মরণ করে না। বাবার কাছে পত্র আসা উচিৎ যে, বাবা আমরা খুব খুশী। তোমার স্মরণে সদা মেতে থাকি। অনেকেই আছে যারা কখনো স্মরণ করে না। স্মরণের যাত্রায় থাকলেই খুশীর নেশায় বিভোর হয়ে থাকবে। জ্ঞানে যদিও খুবই মত্ত থাকে কিন্তু দেহ- অভিমানও অনেক রয়েছে। আত্ম-অভিমানীভাব কোথায় ? জ্ঞান তো অনেক সহজ। যোগেই মায়া বিঘ্ন ঘটায়। গৃহস্থ ব্যবহারে অনাসক্ত হয়ে থাকতে হবে। এমন যেন না হয় যে মায়া বশীভূত করে নিলো। মায়া এমনভাবে কাটে যেন ইঁদুর। ইঁদুর এরকমভাবেই কামড়ায়, রক্ত বেরিয়ে যায় কিন্তু বুঝতে পারা যায় না। বাচ্চারা বুঝতেও পারে না যে দেহ-অভিমান এলে কত ক্ষতি হয়ে যায়। উচ্চপদ প্রাপ্ত করতে পারবে না। বাবার থেকে সম্পূর্ণ আশীর্ব্বাদ নেওয়া উচিৎ। মাম্মা-বাবার মতো আমরাও যেন রাজসিংহাসনের(তখ্তনসীন) অধিকারী হই। বাবা হলেন হৃদয় হরণকারী। দিলবাড়া মন্দিরেও এর সম্পূর্ণ স্মারকচিহ্ন ( ইয়াদগার) রয়েছে, ভিতরে হাতীর উপর মহারথী বসে রয়েছে। তোমাদের মধ্যেও মহারথী, ঘোড়-সওয়ার, পেয়াদা রয়েছে। প্রত্যেককে নিজের নিজের নাড়ী পরীক্ষা করতে হবে। বাবা কেন দেখবে ! দেখো, আমরা বাবাকে স্মরণ করি এবং বাবার মতো সার্ভিসও করি। আমাদের বাবার সাথে যোগ রয়েছে ! রাত জেগে কি বাবাকে স্মরণ করা হয় ? আমরা কি অনেকের সেবা করি ? চার্ট রাখা উচিৎ - বাবাকে অন্তর থেকে কতটা সময় স্মরণ কর ? কেউ কেউ মনে করে, আমরা নিরন্তর স্মরণ করি, এটা তো হতে পারে না। আবার কেউ কেউ মনে করে, আমরা বাবার বাচ্চা হয়ে গেছি, ব্যস্। কিন্তু নিজেকে আত্মা মনে করে বাবাকে স্মরণ করতে হবে। বাবার স্মরণ ব্যতীত কোনো কাজ করা মানেই বাবাকে স্মরণ না করা। বাবার স্মরণে সদা প্রফুল্ল থাকা উচিৎ। যারা বাবার স্মরণে থাকে তারা সর্বদা রমনীয় থাকবে আর হর্ষিতমুখী থাকবে। কাউকে যখন বোঝাবে তখন অত্যন্ত খুশী হয়ে ও রমণীয়তার সাথে বোঝাবে। এমন অতি অল্পই আছে যাদের সার্ভিসের অনেক শখ রয়েছে। চিত্রের দ্বারা বোঝানো অতি সহজ। তিনি হলেন উচ্চ থেকে উচ্চতম ভগবান আবার তাঁর রচনা হলো সব বাচ্চারা, আমরা হলাম ভাই-ভাই। এ হলো ভাতৃত্ববোধ (ব্রাদারহুড), তারা তো পিতৃত্বোবোধ(ফাদারহুড) বলে দেয়। প্রথমে শিববাবার চিত্রের দ্বারা বোঝাতে হবে যে ইনি হলেন সব আত্মাদের পিতা পরমপিতা পরমাত্মা নিরাকার। আমরা আত্মারাও নিরাকার, ভ্রুকুটির মধ্যভাগে বিরাজমান। শিববাবাও নক্ষত্র (স্টার) কিন্তু নক্ষত্রের পূজা কিভাবে হবে। তাই আকৃতি বড় করে। এছাড়া আত্মা কখনো ৮৪ লক্ষ জন্ম নেয় না। বাবা বোঝান যে আত্মা প্রথমে অশরীরী আসে তারপর শরীর ধারণ করে অভিনয়(পার্ট) করে। সতোপ্রধান আত্মা পুনর্জন্ম নিতে নিতে আয়রন এজে(লৌহযুগে) চলে আসে। পরে যারা আসবে তারা তো ৮৪ জন্ম নেবে না। সবাই তো ৮৪ জন্ম নিতে পারে না। আত্মাই এক শরীর ত্যাগ করে অন্য শরীর ধারণ করে। নাম, রূপ, দেশ, কাল সবকিছুই বদলে যায়। ভাষণ এভাবেই করা উচিৎ। বলাও হয় যে সেল্ফ রিয়েলাইজেশন( আত্ম-সচেতনতা)। কিন্তু সেটা কে করাবে ? আত্মাই পরমাত্মা বলা - এ কোনো সেল্ফ রিয়েলাইজেশন কী। এ হলো নতুন নলেজ। বাবা, যিনি হলেন জ্ঞানের সাগর, পতিত-পাবন, সকলের সদ্গতি দাতা, তিনি বসে বোঝান। তাই তাঁর খুব মহিমা করো, তাঁর মহিমা শোনো। আত্মার পরিচয় দিয়েছেন, এখন পরমাত্মার পরিচয়ও দিচ্ছেন। তাঁকে বলা হয় সকল আত্মার পিতা। তিনি ছোটো বা বড় হন না। পরমপিতা পরমাত্মা অর্থাৎ সুপ্রীম সোল। সোল অর্থাৎ আত্মা। পরমাত্মা তো পরপারে নিবাস করেন। উনি পুনর্জন্মতে আসেন না। তাই তাঁকে পরমপিতা বলা হয়। এতো ছোট আত্মায় পার্ট ভরা থাকে। পতিত-পাবনও ওঁনাকেই বলা হয়। সর্বকালেই ওঁনার নাম শিববাবা। রুদ্রবাবা নয়। ভক্তিমার্গে তো অনেক নাম রাখা হয়, সকলেই ওঁনাকে স্মরণ করে বলে যে পতিত-পাবন এসো আমাদের পবিত্র করো। তাই অবশ্যই আসতে হয়। যখন এক ধর্ম স্থাপন করতে হয় তখনই তিনি আসেন। আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্ম। এখন হলো কলিযুগ, অসংখ্য মানুষ। সত্যযুগে তো অনেক কম মনুষ্য থাকে। গায়নও রয়েছে যে ব্রহ্মার দ্বারা স্থাপনা, শঙ্কর দ্বারা বিনাশ....... গীতার দ্বারাই আদি সনাতন ধর্ম স্থাপন হয়েছিল। আর তাতেও ভুলবশত: কৃষ্ণের নাম বসিয়ে দিয়েছে। বাবা বলেন, তিনি(কৃষ্ণ) তো পুনর্জন্মে আসেন। আমি হলাম পুনর্জন্ম-রহিত। তাহলে এখন বিচার কর যে, পরমপিতা পরমাত্মা কে, নিরাকার শিব না কৃষ্ণ। গীতার ভগবান কে? ভগবান তো একজনকেই বলা হয়, আবার সেইকথা যদি কেউ না মানে তাহলে বোঝা উচিৎ যে এরা আমাদের ধর্মের নয়। সত্যযুগে যারা আসবে তারা শীঘ্রই মেনে নেবে আর পুরুষার্থ করতে থাকবে। এই হলো মুখ্য ব্যাপার। এতে তোমাদেরই বিজয় হয়। কিন্তু আত্ম-অভিমানী অবস্থা(স্থিতি) কোথায়? একে অপরের নাম, রূপে আবদ্ধ হয়ে পড়ে। ভক্তিমার্গেও বলা হতো যে, ভরসা ছিল পরপারের ব্রহ্মতত্ব নিবাসী পরমাত্মার প্রতি, তাহলে ভয় কিসের। অনেক সাহসের প্রয়োজন। যারা ভাষণ করেন, তাদের (জ্ঞানের) নেশায় অত্যন্ত বিভোর হয়ে আত্মার জ্ঞান দেওয়া উচিৎ। আবার পরমাত্মা কাকে বলা হয় - সে বিষয়েও বোঝানো উচিৎ। বাবার মহিমা হলো তিনি প্রেমের সাগর, জ্ঞানের সাগর...... তেমনই বাচ্চাদেরও মহিমা। কারোর উপর ক্রোধ করা অর্থাৎ আইন(ল) নিজের হাতে তুলে নেওয়া। বাবা কত মিষ্টি। বাচ্চারা যদি কোনো কার্যে না বলে দেয় তবে তারা কৃষ্ণের মতো হতে পারবে না। অত্যন্ত মিষ্টি হতে হবে। *আচ্ছা*! মিষ্টি মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাত-পিতা বাপদাদার স্নেহ- স্মরণ ও সুপ্রভাত। রুহানী বাবার প্রতি রুহানী বাচ্চাদের নমস্কার। ধারণার জন্য মুখ্য সার :- ১. নিজের ব্যাগ-ব্যাগেজ সব ট্রান্সফার করে অত্যন্ত খুশীতে এবং বিভোর হয়ে থাকতে হবে। মাম্মা-বাবার মতো রাজসিংহাসনের অধিকারী হতে হবে। অন্তর থেকে স্মরণ করতে হবে। ২. কারো ভয়ে পড়া কখনো ছেড়ে দেওয়া উচিৎ নয়। স্মরণের দ্বারা নিজের কর্মবন্ধনকে হাল্কা করতে হবে। কখনো ক্রোধের বশে আইন নিজের হাতে নেওয়া উচিৎ নয়। কোনো সেবায় না করা উচিৎ নয়। বরদান:- ব্রাহ্মণ জীবনের প্রপার্টি (সম্পদ) এবং পার্সোনালিটিকে (ব্যক্তিত্ব) অনুভব করা এবং করানো বিশেষ আত্মা ভব বাপদাদা সমস্ত ব্রাহ্মণ বাচ্চাদের এই স্মৃতি স্মরণ করান যে ব্রাহ্মণ হয়েছো - অহো ভাগ্য ! কিন্তু ব্রাহ্মণ জীবনের আশীর্ব্বাদ, সম্পদ হলো সন্তুষ্টতা আর ব্রাহ্মণ জীবনের পার্সোনালিটি হলো প্রসন্নতা। এই অনুভব থেকে কখনো বঞ্চিত হয়ে থেকো না। তোমরা অধিকারী। যখন দাতা, বরদাতা উন্মুক্ত হৃদয়ে প্রাপ্তির ভান্ডার(খাজানা) দিচ্ছেন তখন তা অনুভবে নিয়ে এসো এবং অন্যদেরও অনুভাবী বানাও, তবেই বলা হবে বিশেষ আত্মা। স্লোগান:- অন্তিম সময়ের কথা মননের(ভাবার) পরিবর্তে অন্তিম স্থিতির(অবস্থা) কথা মনন করো*।
150 views
2 months ago
#

নিউ ইয়ারের মজা

04.01.2019           Morning Malayalam Murli       Om Shanti           BapDada Madhuban മധുരമായ കുട്ടികളേ - ബാബയുടെ ഓര് മ്മയിലിരുന്നുകൊണ്ട് സദാ ഹര് ഷിതരായിരിയ്ക്കൂ , ഓര് മ്മയിലിരിക്കുന്നവര് വളരെ മനോഹരവും മധുരവുമായിരിക്കും . സന്തോഷത്തോടെയിരുന്നുകൊണ്ട് സേവനം ചെയ്യും . ചോദ്യം :- ജ്ഞാനത്തിന്റെ ലഹരിയോടൊപ്പം തന്നെ ഏതൊരു കാര്യം തീര്ച്ചയായും പരിശോധിക്കണം? ഉത്തരം :- ജ്ഞാനത്തിന്റെ ലഹരിയിലിരിക്കുന്നുണ്ടെങ്കിലും എത്രത്തോളം ദേഹിഅഭിമാനിയായിരിക്കുന്നുണ്ട് എന്ന് പരിശോധിക്കണം.ജ്ഞാനം വളരെയധികം സഹജമാണ് പക്ഷേ യോഗത്തിലാണ് മായ വിഘ്നം ഉണ്ടാക്കുന്നത്. ഗൃഹസ്ഥവ്യവഹാരത്തിലും അനാസക്തമായിരിക്കണം. മായയാകുന്ന എലി ഉളളിന്റെ ഉളളില് കാര്ന്നു തിന്നുകൊണ്ടിരിയ്ക്കുന്നത് അറിയാതിരിക്കരുത്. സ്വയം സ്വയത്തിന്റെ നാഡി നോക്കിക്കൊണ്ടിരിയ്ക്കൂ എനിക്ക് ബാബയോട് തീവ്രമായ സ്നേഹമുണ്ടോ? എത്ര സമയം ഞാന് ഓര്മ്മയിലിരിക്കുന്നുണ്ട്? ഗീതം :- ഈയാമ്പാറ്റകള് എന്തുകൊണ്ട് കത്തി എരിയുന്നില്ല........ ഓംശാന്തി. മധുരമധുരമായ കുട്ടികള് പാട്ടിന്റെ വരി കേട്ടു. ബാബ ഇത്രയ്ക്കും അത്ഭുതം കാണിക്കുമ്പോള്, നിങ്ങളെ ഇത്രയ്ക്കും സുന്ദരമാക്കി മാറ്റുമ്പോള് എന്തുകൊണ്ട് ആ ബാബയുടേതായി മാറി ശ്യാമില് നിന്നും സുന്ദരമായി മാറിക്കൂടാ. കുട്ടികള്ക്ക് അറിയാം നമ്മള് കറുപ്പില് നിന്നും വെളുത്തതായിത്തീരുകയാണ്. ഒരാളുടെ മാത്രം കാര്യമല്ല പറയുന്നത്. മനുഷ്യര് കൃഷ്ണനെ ശ്യാമസുന്ദര് എന്നു പറയുന്നു. ചിത്രവും അങ്ങനെയാണ് ഉണ്ടാക്കുന്നത്. ചിലത് വെളുത്തതാണെങ്കില് ചിലത് കറുത്തതാണ്. മനുഷ്യര്ക്ക് ഇത് എങ്ങനെയാണെന്നുളളത് മനസ്സിലാക്കാന് സാധിക്കില്ല. സത്യയുഗത്തിലെ രാജകുമാരനായ ശ്രീകൃഷ്ണന് ഒരിക്കലും കറുത്തതാവില്ല. കൃഷ്ണനെക്കുറിച്ച് എല്ലാവരും പറയുന്നു കൃഷ്ണനെപ്പോലുളള പതിയെ ലഭിയ്ക്കണം,കുട്ടിയെ ലഭിക്കണമെന്ന്.എങ്കില് കൃഷ്ണനെങ്ങനെ കറുത്തതാകും.ഒന്നും തന്നെ മനസ്സിലാക്കുന്നില്ല. കൃഷ്ണനെ എന്തുകൊണ്ട് കറുത്ത(ശ്യാമം)താക്കി മാറ്റി, കാരണം വേണമല്ലോ? സര്പ്പം കൊത്തി എന്നെല്ലാം പറയുന്നുണ്ട് പക്ഷേ അങ്ങനെയുളള കാര്യമൊന്നും തന്നെയില്ല. ശാസ്ത്രങ്ങളില് ഇങ്ങനെയെല്ലാമുളള കാര്യങ്ങള് കേട്ട് പറയുകയാണ്. വാസ്തവത്തില് അങ്ങനെയൊന്നും തന്നെയില്ല. ചിത്രത്തില് സര്പ്പത്തിന്റെ ശയ്യയില് നാരായണന് കിടക്കുന്നതായി കാണിക്കുന്നുണ്ട്, പക്ഷേ അങ്ങനെയുളള സര്പ്പത്തിന്റെ ശയ്യയൊന്നും തന്നെ ഉണ്ടാകുന്നില്ല. ഇത്രയ്ക്കും നൂറുകണക്കിന് മുഖമുളള സര്പ്പമുണ്ടാവുമോ? ചിത്രങ്ങള് എങ്ങനെയെല്ലാമാണ് ഉണ്ടാക്കിയിരിക്കുന്നത്. ബാബ മനസ്സിലാക്കിത്തരുന്നു ഭക്തിമാര്ഗ്ഗത്തിലെ ഈ ചിത്രങ്ങളിലൊന്നുംതന്നെയില്ല. പക്ഷേ ഇതും ഡ്രാമയില് അടങ്ങിയിട്ടുണ്ട്. ആരംഭം മുതല്ക്ക് ഇപ്പോള് വരെയ്ക്കും എന്തെല്ലാം നാടകങ്ങളാണോ ഉണ്ടായത് അതെല്ലാം തന്നെ ആവര്ത്തിക്കണം. ഭക്തിയില് എന്തെല്ലാമാണ് എന്നുളളത് മനസ്സിലാക്കി തന്നതാണ്. എത്രയാണ് ചിലവാക്കുന്നത്. എങ്ങനെയെല്ലാമുളള ചിത്രങ്ങളാണ് ഉണ്ടാക്കുന്നത്? മുമ്പ് ഇതെല്ലാം തന്നെ കാണുമ്പോള് ഇത്രയ്ക്ക് അത്ഭുതം തോന്നിയിരുന്നില്ല. ഇപ്പോള് ബാബ ഇതെല്ലാം തന്നെ മനസ്സിലാക്കിത്തരുമ്പോള് ബുദ്ധിയിലേക്ക് വരുന്നുണ്ട് ഇതെല്ലാം ഭക്തിമാര്ഗ്ഗത്തിലെ കാര്യങ്ങളാണെന്ന്. ഭക്തിയില് എന്തെല്ലാമാണോ ഉണ്ടായത് അത് വീണ്ടും ഉണ്ടാകും.നിങ്ങള്ക്കല്ലാതെ ഇതൊന്നും മറ്റാര്ക്കും തന്നെ മനസ്സിലാകില്ല. ഇതും അറിയാം ഡ്രാമയില് എന്തെല്ലാമാണോ ആദ്യം മുതല്ക്കു തന്നെ അടങ്ങിയിട്ടുളളത് അതുതന്നെ സംഭവിക്കുമെന്ന്. അനേകധര്മ്മങ്ങളുടെ വിനാശവും ഒരേയൊരു ധര്മ്മത്തിന്റെ സ്ഥാപനയും ഉണ്ടാകുന്നു. ഇതില് വളരെ വലിയ മംഗളമാണ് അടങ്ങിയിരിക്കുന്നത്. ഇപ്പോള് നിങ്ങള് പ്രാര്ത്ഥനകളൊന്നും തന്നെ ചെയ്യുന്നില്ല. അവര് അതെല്ലാം തന്നെ ചെയ്യുന്നത് ഭഗവാനില് നിന്നും ഫലം നേടുന്നതിനാണ്. ഫലം ജീവന്മുക്തിയാണ്, അപ്പോള് ഇതെല്ലാം തന്നെ മനസ്സിലാക്കിത്തന്നിട്ടുണ്ട്. ഇവിടെ പ്രജകള് പ്രജകളുടെമേലെരാജ്യം ഭരിക്കുന്നു. ഗീതയില് ഭാരതവാസികളായ കൗരവരും പാണ്ഡവരും എന്തുചെയ്തു എന്ന് കാണിച്ചിരിക്കുന്നു.യാദവരാണ് മിസൈലുകള് കണ്ടുപിടിച്ചത്. അവര് തന്റെ കുലത്തെ നശിപ്പിച്ചു. ഇവരെല്ലാം തന്നെ പരസ്പരം ശത്രുക്കളാണ്. നിങ്ങള് വാര്ത്തകളൊന്നും കേള്ക്കുന്നില്ലല്ലോ, കേള്ക്കുന്നവര്ക്ക് നല്ല രീതിയില് മനസ്സിലാക്കാന് സാധിക്കുന്നു. ഓരോദിവസം കൂടുന്തോറും ധാരാളം പ്രശ്നങ്ങളുണ്ട്. എല്ലാവരും ക്രിസ്ത്യാനികളാണെങ്കില് പോലും വളരെയധികം പ്രശ്നങ്ങളുണ്ട്, വീട്ടിലിരിക്കെത്തന്നെ എല്ലാവരെയും ഇല്ലാതാക്കും.നിങ്ങള് രാജയോഗമാണ് പഠിച്ചുകൊണ്ടിരിക്കുന്നത്, അപ്പോള് രാജ്യം ഭരിക്കുന്നതിനായി ഈ പഴയലോകത്തെ ശുദ്ധീകരിക്കണം. പിന്നീട് പുതിയലോകത്തില് എല്ലാം തന്നെ പുതിയതായിരിക്കും. പഞ്ചതത്വങ്ങളും അവിടെ സതോപ്രധാനമായിരിക്കും. സമുദ്രത്തിന് അലയടിച്ച് എല്ലാം നശിപ്പിക്കാനുളള ശക്തിയൊന്നുമുണ്ടാകില്ല. ഇപ്പോള് പഞ്ച തത്വങ്ങള് എത്രയാണ് നഷ്ടമുണ്ടാക്കുന്നത്. അവിടെ മുഴുവന് പ്രകൃതിയും ദാസിയായിരിക്കും അതുകൊണ്ട് ദുഖത്തിന്റെതായ കാര്യമൊന്നുമില്ല. ഇതും ഉണ്ടായതും ഉണ്ടാക്കപ്പെട്ടിട്ടുളളതുമായ ഡ്രാമയിലെ കളിയാണ്. സത്യയുഗത്തെയാണ് സ്വര്ഗ്ഗമെന്നു പറയുന്നത്. ക്രിസ്ത്യാനികളും പറയുമായിരുന്നു ഭാരതത്തില് ആദ്യമാദ്യം സ്വര്ഗ്ഗമായിരുന്നു എന്ന്. ഭാരതം അവിനാശി ഖണ്ഡമാണ്. നമ്മെ മുക്തമാക്കുന്ന ബാബ ഭാരതത്തിലാണ് വരുന്നതെന്ന ് അവര്ക്ക് അറിയില്ല. ശിവജയന്തി ആഘോഷിക്കുന്നുണ്ടെങ്കിലും മനസ്സിലാക്കാന് സാധിക്കുന്നില്ല. ഇപ്പോള് നിങ്ങള്ക്ക് മനസ്സിലാക്കി കൊടുക്കാന് സാധിക്കും ഭാരതത്തിലാണ് ശിവജയന്തി ആഘോഷിക്കുന്നത്. അപ്പോള് തീര്ച്ചയായും ശിവബാബ ഭാരതത്തിലാണ് വന്ന് സ്വര്ഗ്ഗം സ്ഥാപിയ്ക്കുന്നത്,ഇപ്പോള് വീണ്ടും സ്ഥാപിച്ചുകൊണ്ടിരിക്കുകയാണ്. പ്രജകളാകാന് പോകുന്നവരുടെ ബുദ്ധിയില് ഒന്നും തന്നെയിരിക്കില്ല. രാജധാനിയിലിരിക്കുന്നവര് മനസ്സിലാക്കും നമ്മള് ശിവബാബയുടെ മക്കളാണെന്ന്. പ്രജാപിതാ ബ്രഹ്മാവുമുണ്ട്. മുക്തേശ്വരനും ജ്ഞാനത്തിന്റെ സാഗരനും സ്വയം ഭഗവാനാണ്. ബ്രഹ്മാവിനെ പറയുകയില്ല. ബ്രഹ്മാവും ശിവബാബയിലൂടെയാണ് മുക്തമായിത്തീരുന്നത്. എല്ലാവരും തമോപ്രധാനമായതു കാരണം എല്ലാവരെയും മുക്തമാക്കുന്നത് ഒരേയൊരു ബാബ തന്നെയാണ്.ഇങ്ങനെ ഉളളില് വിചാരസാഗരമഥനം നടക്കണം. മനുഷ്യര്ക്ക് പെട്ടെന്ന് മനസ്സിലാകുന്ന വിധത്തില് മുരളി വായിക്കണം. കുട്ടികള് നമ്പര്വൈസാണ്. ഇത് ജ്ഞാനമാണ് ഇത് ദിവസേന പഠിക്കണം. പേടിച്ച് പഠിക്കാതിരിക്കുന്നത് ശരിയല്ല. പിന്നീട് കര്മ്മബന്ധനമാണെന്ന് പറയും. ആദ്യം എത്ര പേരാണ് മുക്തമായി വന്നത്, പിന്നീട് പലരും പോയി. സിന്ധില് ധാരാളം കുട്ടികള് വന്നു പിന്നീട് പ്രശ്നം കാരണം എത്രപേരാണ് ശത്രുക്കളായത്. ആദ്യം അവര്ക്ക് ജ്ഞാനം വളരെ നല്ലതായി തോന്നിയിരുന്നു. ഇവര്ക്ക് ഭഗവാന്റെ വരദാനം ലഭിച്ചിട്ടുണ്ട് എന്ന് മനസ്സിലാക്കിയിരുന്നു. ഇപ്പോഴും ഇങ്ങനെ മനസ്സിലാക്കുന്നുണ്ട് എന്തോ ഒരു ശക്തിയുണ്ടെന്ന്, അല്ലാതെ പരമാത്മാവ് പ്രവേശിച്ചിട്ടുണ്ടെന്ന് അറിയില്ല. ഇന്നത്തെക്കാലത്ത് തന്ത്രവിദ്യകളുടെ ശക്തി വളരെയധികം പേരിലുണ്ട്. ഗീത എടുത്ത് കേള്പ്പിച്ചുകൊണ്ടിരിക്കുന്നുണ്ട്. ബാബ പറയുന്നു ഇതെല്ലാം തന്നെ ഭക്തിമാര്ഗ്ഗത്തിലെ പുസ്തകങ്ങളാണ്. ജ്ഞാനസാഗരന് ഞാനാണ്. എന്നെ തന്നെയാണ് ഭക്തിമാര്ഗ്ഗത്തില് എല്ലാവരും ഓര്മ്മിച്ചുകൊണ്ടിരിക്കുന്നത്. ഡ്രാമാപ്ലാന് അനുസരിച്ച് ഇതും ഡ്രാമയില് അടങ്ങിയിട്ടുണ്ട്. സാക്ഷാത്കാരങ്ങളുമുണ്ട്. ഭക്തിമാര്ഗ്ഗത്തിലുള്ളവരെയും പ്രീതിപ്പെടുത്തണം. ജ്ഞാനം എടുക്കുന്നില്ലെങ്കില് അവര്ക്ക് ഭക്തി തന്നെയാണ് നല്ലത്, അങ്ങനെയെങ്കിലും മനുഷ്യര് പരിവര്ത്തനപ്പെടുമല്ലോ. മോഷണമൊന്നുംതന്നെ ചെയ്യില്ലല്ലോ. ഭഗവാനെ ഭജിക്കുന്നവര്ക്കുവേണ്ടി ഒരിക്കലും തലകീഴായ കാര്യങ്ങള് ചെയ്യില്ല. എന്നാലും ഭക്തരാണല്ലോ. ഇന്നത്തെക്കാലത്ത് ഭക്തരാണെങ്കിലും പാപ്പരായി എന്നും വരാം. ശിവബാബയുടെ കുട്ടിയായാല് പാപ്പരാവുകയില്ല എന്നില്ല. കഴിഞ്ഞുപോയ വികര്മ്മം ഉണ്ടെങ്കില് പാപ്പരാവുക തന്നെ ചെയ്യും. ജ്ഞാനത്തില് വന്നിട്ടും പാപ്പരാവുന്നവരുണ്ട്, ഇതിന് ജ്ഞാനവുമായി യാതൊരു ബന്ധവുമില്ല. നിങ്ങള് കുട്ടികള് ഇപ്പോള് സേവനത്തില് മുഴുകിയിരിക്കുകയാണ്. നമുക്ക് സര്വ്വതും അവിടേയ്ക്ക് ട്രാന്സ്ഫര് ചെയ്യണം. തന്റെ എല്ലാ സാമഗ്രികളും ട്രാന്സ്ഫര് ചെയ്യണം. ബാബയ്ക്ക് ആരംഭത്തില് വളരെയധികം ലഹരി തോന്നിയിരുന്നു. അവിടെ നിന്നും വന്നപ്പോള് ഒരു പാട്ട് എഴുതിയിരുന്നു, ബാബയ്ക്ക് അളളാഹുവിനെയും പാര്ട്ടണര്ക്ക് ഇഹലോകസമ്പത്തും ലഭിച്ചു ....... ശ്രീകൃഷ്ണന്റെയും ചതുര്ഭുജധാരിയുടെയും സാക്ഷാത്കാരം ലഭിച്ചപ്പോള് ഞാന് ദ്വാരകയിലെ ചക്രവര്ത്തിയായിത്തീരുമെന്ന് മനസ്സിലാക്കി.അത്രയ്ക്കും ലഹരി വര്ദ്ധിച്ചിരുന്നു. ഇപ്പോള് ഈ വിനാശി സമ്പത്ത് എന്ത് ചെയ്യാനാണ്? അപ്പോള് നിങ്ങള് കുട്ടികള്ക്കും സന്തോഷം ഉണ്ടായിരിക്കണം. നമുക്ക് ബാബ സ്വര്ഗ്ഗത്തിന്റെ ചക്രവര്ത്തി പദവി നല്കുകയാണ്. പക്ഷേ കുട്ടികള് ഇത്രയ്ക്കും പുരുഷാര്ത്ഥം ചെയ്യുന്നില്ല. മുന്നോട്ടു പോകുന്തോറും വീണുപോകുന്നു. നല്ല നല്ല കുട്ടികള്, ബാബയ്ക്ക് ക്ഷണം നല്കുന്നവര് പോലും ബാബയെ ഓര്മ്മിക്കുന്നില്ല. ബാബയ്ക്ക് എഴുത്ത് വരണം ബാബാ ഞങ്ങള് വളരെയധികം സന്തുഷ്ടമാണ്. താങ്കളുടെ ഓര്മ്മയില് മുഴുകിയിരിയ്ക്കുന്നത്. വളരെപേര് ബാബയെ ഓര്മ്മിക്കുന്നതു പോലുമില്ല. ഓര്മ്മയുടെ യാത്രയിലൂടെ മാത്രമേ സന്തോഷം ശക്തമായി വര്ദ്ധിക്കൂ. ജ്ഞാനത്തില് എത്ര തന്നെ ലഹരിയിലിരുന്നാലും ദേഹാഭിമാനം എത്രയാണ്.ദേഹിഅഭിമാനി അവസ്ഥ എവിടെക്കിടക്കുന്നു? ജ്ഞാനം വളരെയധികം എളുപ്പമാണ്. യോഗത്തിലാണ് മായ വിഘ്നമുണ്ടാക്കുന്നത്. ഗൃഹസ്ഥ വ്യവഹാരത്തിലും അനാസക്തമായിരിക്കണം. ഒരിക്കലും മായയുടെ പിടിയില് അകപ്പെടരുത്. മായ എലിയെപ്പോലെയാണ് കടിയ്ക്കുന്നത്. എലി കടിച്ചു മുറിക്കുമ്പോള് രക്തം വെളിയിലേക്കു വരുന്നതുവരെ തിരിച്ചറിയാനേ സാധിയ്ക്കില്ല. കുട്ടികള്ക്ക് അറിയുന്നില്ല ദേഹാഭിമാനത്തിലേക്കു വരുന്നതിലൂടെ എത്ര ബുദ്ധിമുട്ടാണ് ഉണ്ടാകുന്നത്.ഉയര്ന്ന പദവി നേടാന് സാധിക്കില്ല. ബാബയില് നിന്നും പൂര്ണ്ണ സമ്പത്ത് നേടണം. മമ്മാ ബാബയെപ്പോലെ നമുക്കും സിംഹാസനധാരിയായിത്തീരണം. ബാബ ഹൃദയം കവരുന്ന ആളാണ്. ദില്വാഡാ ക്ഷേത്രത്തില് പൂര്ണ്ണമായ ഓര്മ്മചിഹ്നങ്ങളുണ്ട്. ഉളളില് ആനയ്ക്കു മുകളിലായി മഹാരഥി ഇരിക്കുന്നു. നിങ്ങളിലും മഹാരഥികളും കുതിരസവാരിക്കാരും കാലാള്പടയാളികളുമുണ്ട്. ഓരോരുത്തര്ക്കും അവരവരുടെ നാഡി നോക്കണം. ബാബ എന്തിനാണ് നോക്കുന്നത്, നിങ്ങള് തന്നെ സ്വയത്തില് നോക്കൂ, ഞങ്ങള് ബാബയെ ഓര്മ്മിക്കുന്നുണ്ടോ ബാബയ്ക്കു സമാനം സേവനം ചെയ്യുന്നുണ്ടോ എന്ന്? നമ്മുടെ യോഗം ബാബയോടൊപ്പമാണ്! രാത്രിയില് ഉണര്ന്നെഴുന്നേറ്റ് ബാബയെ ഓര്മ്മിക്കുന്നുണ്ടോ? ഞാന് വളരെ പേരുടെ സേവനം ചെയ്യുന്നുണ്ടോ? ചാര്ട്ട് വെക്കണം ഞാന് ബാബയെ ഉളളുകൊണ്ട് തീവ്രമായി എത്രത്തോളം ഓര്മ്മിക്കുന്നുണ്ടെന്ന്? ചിലര് ഞാന് നിരന്തരം ബാബയെ ഓര്മ്മിക്കുന്നുണ്ടെന്നു പറയുന്നു,എന്നാല് അത് ഒരിക്കലും സാധിക്കില്ല. ചിലര് ഞാന് ബാബയുടെ കുട്ടിയായി മാറിയല്ലോ അതുമതി ഇങ്ങനെ ചിന്തിയ്ക്കുന്നു. പക്ഷേ സ്വയത്തെ ആത്മാവാണെന്നു മനസ്സിലാക്കി ബാബയെ ഓര്മ്മിക്കണം. ബാബയെ ഓര്മ്മിക്കാതെ എന്തെങ്കിലും ജോലി ചെയ്യുകയാണെങ്കില് അതും ബാബയെ ഓര്മ്മിക്കാത്തതിനു സമാനമാണ്. ബാബയുടെ ഓര്മ്മയില് സദാ സന്തോഷത്തോടെയിരിക്കണം. ഓര്മ്മയിലിരിക്കുന്നവര് സദാ മനോഹരമായിരിയ്ക്കും.സദാ സന്തുഷ്ടരായിരിക്കും. മറ്റുളളവര്ക്കും വളരെയധികം സന്തോഷത്തോടെയും പ്രിയങ്കരമായും മനസ്സിലാക്കി കൊടുക്കും. സേവനത്തിന്റെ ലഹരി വളരെയധികമുളള കുറച്ചുപേര് മാത്രമേയുളളൂ. ചിത്രങ്ങള്ക്കുമേല് മനസ്സിലാക്കി കൊടുക്കാന് വളരെ എളുപ്പമാണ്. ഇത് ഉയര്ന്നതിലും ഉയര്ന്ന ഭഗവാനാണ് പിന്നീട് അവരുടെ രചന നമ്മള് എല്ലാ ആത്മാക്കളും സഹോദരങ്ങളാണ്. സാഹോദര്യബന്ധമാണ്.മറ്റുളളവര് എല്ലാവരും അച്ഛന്മാരാണെന്നു പറഞ്ഞു(സര്വ്വവ്യാപി). ആദ്യം ശിവബാബയുടെ ചിത്രത്തിനുമേല് മനസ്സിലാക്കി കൊടുക്കണം. ഇതാണ് എല്ലാ ആത്മാക്കളുടെയും അച്ഛന് പരമപിതാ പരമാത്മാവ് -നിരാകാരന്. നമ്മള് ആത്മാക്കളും നിരാകാരികളാണ്. ഭൃകുടി മദ്ധ്യത്തിലാണ് വസിക്കുന്നത്. ശിവബാബയും നക്ഷത്രമാണ് പക്ഷേ നക്ഷത്രത്തിനെ എങ്ങിനെ പൂജിക്കാന് സാധിക്കും,അതുകൊണ്ടാണ് വലുത് ഉണ്ടാക്കുന്നത്. ബാക്കി ആത്മാക്കള് 84 ലക്ഷം ജന്മങ്ങളൊന്നും തന്നെ എടുക്കുന്നില്ല. ബാബ മനസ്സിലാക്കി തരുന്നു ആത്മാക്കള് ആദ്യം അശരീരിയായാണ് വരുന്നത് പിന്നീട് ശരീരം ധാരണ ചെയ്ത് പാര്ട്ട് അഭിനയിക്കുന്നു. സതോപ്രധാന ആത്മാവ് പുനര്ജന്മങ്ങളെടുത്ത് കലിയുഗത്തിലേക്ക് വന്നിരിക്കുകയാണ്. ഇതിനുശേഷം വരുന്നവര് ഒരിക്കലും 84 ജന്മങ്ങള് എടുക്കില്ല. എല്ലാവര്ക്കും 84 ജന്മങ്ങള് എടുക്കാന് സാധിക്കില്ല. ആത്മാവ് തന്നെയാണ് ഒരു ശരീരം ഉപേക്ഷിച്ച് മറ്റൊന്ന് എടുക്കുന്നത്. നാമം,രൂപം,ദേശം,കാലം എല്ലാം തന്നെ മാറുന്നു. ഇതുപോലെ പ്രഭാഷണം ചെയ്യണം. ഇതിനെയാണ് സ്വയം തിരിച്ചറിയുക എന്നു പറയുന്നത്. പക്ഷേ ഇത് ആരാണ് ചെയ്യിപ്പിക്കുന്നത്? ആത്മാ തന്നെയാണ് പരമാത്മാവെന്നു പറയുന്നത് സ്വയത്തെ തിരിച്ചറിയലാണോ? ഇത് പുതിയ ജ്ഞാനമാണ്. ജ്ഞാനസാഗരന്, പതിതപാവനന്, സര്വ്വരുടെയും സദ്ഗതിദാതാവായ ബാബയാണ് മനസ്സിലാക്കിത്തരുന്നത്. പിന്നീട് ബാബയെക്കുറിച്ചുളള വളരെ നല്ല മഹിമ പാടൂ. ആത്മാവിന്റെ പരിചയം നല്കി ഇപ്പോള് പരമാത്മാവിന്റെയാണ് നല്കുന്നത്. പരമാത്മാവിനെ സര്വ്വാത്മാക്കളുടെയും അച്ഛന് എന്നാണ് പറയുന്നത്,ചെറുതോ വലുതോ ആകുന്നില്ല. പരംപിതാ പരമാത്മാ അര്ത്ഥം സുപ്രീം സോള്. സോള് അര്ത്ഥം ആത്മാവ്.പരമാത്മാവാണ് ഉയര്ന്നതിലും ഉയര്ന്ന സ്ഥാനത്തിരിക്കുന്നു.പുനര്ജന്മത്തിലേക്ക് വരാത്തതുകൊണ്ട് പരമപിതാവെന്നു പറയുന്നു. ഇത്രയ്ക്കും ചെറിയ ആത്മാവിലാണ് പാര്ട്ട് അടങ്ങിയിരിക്കുന്നത്. പതിതപാവനന് എന്നും പരമാത്മാവിനെയാണ് പറയുന്നത്,പേര് എപ്പോഴും ശിവബാബ എന്നാണ്,രുദ്രബാബ എന്നല്ല. ഭക്തിമാര്ഗ്ഗത്തില് അനേക പേരുകള് വെച്ചിട്ടുണ്ട്, പതിതപാവനാ വരൂ വന്ന് പാവനമാക്കിമാറ്റൂ എന്ന് പറഞ്ഞ് എല്ലാവരും ഓര്മ്മിക്കുന്നു.ഒരേയൊരു ധര്മ്മത്തിന്റെ സ്ഥാപനയുടെ സമയമാകുമ്പോള് തീര്ച്ചയായും വരേണ്ടി വരുന്നു.ആദിസനാതനാദേവീദേവതാധര്മ്മം.ഇപ്പോള് കലിയുഗമാണ്, ധാരാളം മനുഷ്യരുണ്ട്. സത്യയുഗത്തില് വളരെ കുറച്ച് മനുഷ്യരെയുളളൂ. ഇങ്ങനെയൊരു മഹിമയുണ്ട് ബ്രഹ്മാവിലൂടെ സ്ഥപന, വിഷ്ണുവിലൂടെ പാലന, ശങ്കരനിലൂടെ വിനാശമെന്ന്.....ഗീതയിലൂടെത്തന്നെയാണ് ആദിസനാതനാ ദേവീദേവതാധര്മ്മത്തിന്റെ സ്ഥാപനയുണ്ടായത്. എന്നാലും അതില് കൃഷ്ണന്റെ പേര് തെറ്റായി വെച്ചു. പക്ഷേ കൃഷ്ണന് പുനര്ജന്മത്തിലേക്ക് വരുന്നവനാണ്. ഞാന് പുനര്ജന്മ രഹിതനാണ്. ഇപ്പോള് തീരുമാനിക്കൂ,പരമപിതാ പരമാത്മാവ് ശിവനാണോ അതോ ശ്രീകൃഷ്ണനാണോ? ഗീതയുടെ ഭഗവാന് ആരാണ്? ഭഗവാന് എന്ന് ഒരാളെയാണ് പറയുന്നത്. അഥവാ ഈ കാര്യങ്ങളെ ആരെങ്കിലും അംഗീകരിക്കുന്നില്ലെങ്കില് ഇവര് നമ്മുടെ ധര്മ്മത്തിലുള്ളവരല്ല എന്ന് മനസ്സിലാക്കണം.സത്യയുഗത്തിലേക്കു വരുന്നവര് പെട്ടെന്നുതന്നെ അംഗീകരിക്കും പുരുഷാര്ത്ഥത്തില് മുഴുകും. മുഖ്യമായ കാര്യം തന്നെ ഇതാണ്. ഇതിലാണ് നിങ്ങളുടെ വിജയം. പക്ഷേ എത്രത്തോളം ദേഹിഅഭിമാനി അവസ്ഥയുണ്ടെന്ന് നോക്കണം? പരസ്പരം നാമരൂപത്തില് കുടുങ്ങിയിട്ടുണ്ടോ? ഭക്തിമാര്ഗ്ഗത്തില് പറഞ്ഞിരുന്നു ഏറ്റവും ഉപരിയിലുളള ബ്രഹ്മാലോകത്തില് വസിക്കുന്ന പരമാത്മാവിനെക്കുറിച്ച് ചിന്തയുണ്ടായിരുന്നു ബാക്കി ആരെ ഭയക്കാനാണ്? വളരെയധികം ധൈര്യം ആവശ്യമാണ്. പ്രഭാഷണം ചെയ്യുന്നവര് ആത്മ ജ്ഞാനം വളരെയധികം ലഹരിയോടെ നല്കണം. പിന്നീട് പരമാത്മാവ് എന്ന് ആരെയാണ് പറയുന്നത് എന്നതിനെക്കുറിച്ചും മനസ്സിലാക്കി കൊടുക്കണം. ബാബയുടെ മഹിമയാണ് സ്നേഹത്തിന്റെ സാഗരന്, ജ്ഞാനത്തിന്റെ സാഗരന്....... അതുപോലെത്തന്നെയാണ് കുട്ടികളുടെയും മഹിമ. ആരോടെങ്കിലും ദേഷ്യപ്പെടുക അര്ത്ഥം നിയമം കയ്യിലെടുക്കുകയാണ്. ബാബ എത്ര മധുരമാണ്. കുട്ടികള് ഏതെങ്കിലും കാര്യം ചെയ്യുന്നില്ലെങ്കിലും ബാബ ദേഷ്യപ്പെടില്ല. വളരെയധികം മധുരമായിത്തീരണം. ശരി! വളരെക്കാലത്തെ വേര്പാടിന്നുശേഷം തിരിച്ചു കിട്ടിയ മധുരമധുരമായകുട്ടികളെ പ്രതി മാതാവും പിതാവുമായ ബാപ്ദാദയുടെ സ്നേഹസ്മരണയും പുലര്കാല വന്ദനവും ആത്മീയഅച്ഛന്റെ ആത്മീയകുട്ടികള്ക്ക് നമസ്കാരം. ധാരണയ്ക്കുള്ള മുഖ്യ സാരം:- 1. തന്റെ എല്ലാ ഭാണ്ഢങ്ങളും ട്രാന്സ്ഫര് ചെയ്ത് വളരെയധികം സന്തോഷത്തോടെയും ലഹരിയോടെയുമിരിക്കണം. മമ്മാ-ബാബയ്ക്കു സമാനം സിംഹാസനധാരിയായിത്തീരണം. ഉളളുകൊണ്ട് ബാബയുടെ ഓര്മ്മയിലിരിക്കണം. 2. ആരെയെങ്കിലും ഭയപ്പെട്ട് പഠിപ്പ് ഒരിക്കലും ഉപേക്ഷിക്കരുത്. ഓര്മ്മയിലൂടെ തന്റെ കര്മ്മ ബന്ധനത്തെ കുറയ്ക്കണം. ഒരിക്കലും ക്രോധത്തിലേക്കു വന്ന് നിയമത്തെ കൈയ്യിലെടുക്കരുത്. ഏതൊരു സേവനവും പറ്റില്ല എന്നു പറയരുത്. വരദാനം :- ബ്രാഹ്മണ ജീവിതത്തിന്റെ സമ്പന്നതയും വ്യക്തിത്വവും അനുഭവം ചെയ്യുന്നവരും ചെയ്യിപ്പിയ്ക്കുന്നവരുമായ വിശേഷ ആത്മാവായി ഭവിയ്ക്കട്ടെ. ബാപ്ദാദ എല്ലാകുട്ടികള്ക്കും സ്മൃതി ഉണര്ത്തിത്തരികയാണ്-ബ്രാഹ്മണനാകുക അഹോ സൗഭാഗ്യമാണ്,ബ്രാഹ്മണ ജീവിതത്തിന്റെ സമ്പത്ത് അഥവാ ധനം സന്തുഷ്ടതയാണ്,ബ്രാഹ്മണ ജീവിതത്തിന്റെ വ്യക്തിത്വം പ്രസന്നതയാണ്. ഈ അനുഭവത്തില് നിന്ന് ഒരിയ്ക്കലും വഞ്ചിതരാകരുത്. ദാതാവും വരദാതാവും തുറന്ന ഹൃദയത്തോടുകൂടി സര്വ്വ പ്രാപ്തികളുടേയും ഖജനാവ് നല്കിക്കൊണ്ടിരിയ്ക്കുമ്പോള് അതിനെ അനുഭവത്തിലേക്ക് കൊണ്ടുവരൂ, മറ്റുള്ളവരേയും അനുഭവിയാക്കൂ,അപ്പോള് വിശേഷ ആത്മാവെന്ന് പറയാം. സ്ലോഗന് :- അന്തിമ സമയത്തെക്കുറിച്ച് ചിന്തിയ്ക്കുന്നതിനു പകരം അന്തിമ സ്ഥിതിയെക്കുറിച്ച് ചിന്തിയ്ക്കൂ. ബ്രഹാമാബാബയ്ക്ക് സമാനമായി മാറുന്നതിനുള്ള പുരുഷാര്ത്ഥം. സേവനത്തിന്റെ പ്രത്യക്ഷഫലം കാണിയ്ക്കുന്നതിനു വേണ്ടി ബ്രഹ്മാബാബ തന്റെ ആത്മീയ സ്ഥിതിയിലൂടെ സേവനം ചെയ്തതുപോലെ താങ്കള് കുട്ടികളും തന്റെ ആത്മീയ സ്ഥിതിയെ പ്രത്യക്ഷപ്പെടുത്തൂ, ആത്മാവിനെയും റൂഹ് എന്നു പറയുന്നു,സത്തയെയും റൂഹ് എന്ന് പറയുന്നു. അതിനാല് റുഹാനി സ്ഥിതിയില് ഇരിയ്ക്കുമ്പോള് രണ്ടുമാകും.ദിവ്യഗുണങ്ങളുടെ ആകര്ഷണം അതായത് സത്ത് ഇത് റുഹുമാകും,ആത്മീയ സ്വരൂപവും കാണാനാകും.
281 views
2 months ago