সুখ দিবসের শুভেচ্ছা
2 Posts • 250 views
Sandy
3K views 5 months ago
বিদায়ের মধ্যেই ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি, 🕉️⚜️🕉️⚜️🕉️⚜️🕉️⚜️🕉️⚜️ 🙄‼️❕⚜️🕉️⚜️❕‼️🙄 ন’দিন ন’রাত্রি মহিষাসুরের সঙ্গে যুদ্ধ করে শেষপর্যন্ত দশম দিনে দেবী জয়ী হন।হৃত স্বর্গরাজ্য ফিরে পেয়ে স্বর্গ ও মর্ত্যে পালিত হয় বিজয়োৎসব।সেই ঘটনাকে মনে রেখেই দশমীর আগে ‘বিজয়া’ শব্দের প্রতিষ্ঠা। সম্বচ্ছরের শোক তাপ জ্বালা জুড়িয়ে তিনটে মাত্র দিনের জন্য যে উমাকে গিরিজায়া বুকের মাঝে পেয়েছিলেন,শত অনুরোধ, অশ্রুমোচন, বিলাপ,দীর্ঘশ্বাসের পথ পেরিয়ে হলেও সেই উমাকে নবমী নিশি পার করেই প্রস্তুত করতে হবে পতিগৃহে যাত্রার জন্য।শোকের ছায়া.....❕❕বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের "মৃণালিনী" উপন্যাসে তার অনেকটাই ব্যাক্ত।আমি একটু রূপক ভাবে লিখি ......ডানার নীল রং আকাশের গায়ে মাখিয়ে আগে আগে উড়ে যাবে নীলকণ্ঠ পাখি,কৈলাসে ভূতপ্রেত বেষ্টিত নন্দী-ভৃঙ্গীর মাঝে বসে থাকা শ্মশানচারী মহাদেবকে সেই আগমনের খবর পৌঁছে দিতে।তবু মায়ের মন কি মানে...!!!‼️ সমস্ত রাগ গিয়ে পরে সেই নবমী নিশির উপর। নারীর স্বামীগৃহে যাত্রার পাশাপাশি মায়ের চিরন্তন এই বেদনার কথা ‘গিরীশের রাণী’র বয়ানে তাঁর ‘বিজয়া দশমী’ কবিতায় ধরে রেখেছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। ....‼️..... 🙄‼️"তিনটি দিনেতে,কহ,লো তারা-কুন্তলে, এ দীর্ঘ বিরহ-জ্বালা এ মন জুড়াবে?‼️ তিন দিন স্বর্ণদীপ জ্বলিতেছে ঘরে দূর করি অন্ধকার;শুনিতেছি বাণী- মিষ্টতম এ সৃষ্টিতে এ কর্ণ-কুহরে!❕❕ দ্বিগুণ আঁধার ঘর হবে,আমি জানি, নিবাও এ দীপ যদি!”- কহিলা কাতরে নবমীর নিশা-শেষে গিরীশের রাণী। মনেপরে যায় একের পর এক শাক্ত পদাবলীর বিজয়া পর্যায়ের গানগুলি।সেখানেও সেই একই আর্তি যেন শব্দের মাঝে বসে পাথর হয়ে আছে! কমলাকান্ত ভট্টাচার্য্যের লেখা একটি পদে দেখতে পাই....❕❕❕ “ওরে নবমী'নিশি..! না হৈও'রে অবসান।/ শুনেছি দারুণ তুমি, না'রাখো সতের মান।।/ খলের প্রধান যত,কে আছে তোমার মত, আপনি হইয়ে হত,বধো'রে পরের'ই প্রাণ।।” ...❕❕শুধু তো মেনকা নয়, বিসর্জনের ঢাকে কাঠি পরলেই এই কাতর অনুরোধ এসে বসে আপামর বাঙালির কণ্ঠেও।পিতৃপক্ষের অবসানে মহালয়ার ভোরে পূর্বপুরুষদের তর্পণ দিয়ে যে দেবীপক্ষের সূচনা হয়েছিল,তারই ষষ্ঠীতে,বোধনের মাধ্যমে দেবী দুর্গার মৃন্ময়ী রূপে প্রতিষ্ঠা।শরতের এই অকাল বোধনে,সপ্তমী,অষ্টমী,নবমীর পূজা পেরিয়ে,দশমীর দিন পূজার পরিসমাপ্তি। ঢাকের লয় আবাহন থেকে বিসর্জনের সুরে গড়ালেই দেবী আবার ফিরে যান তাঁর নিরাকার রূপে।তাই মাঝের কটা দিনই তাঁকে কন্যারূপে পাওয়া।আর দশমীতে সেই পেয়ে হারানোর বেদনায় ভারী হয়ে থাকা বুকে একে অপরকে জড়িয়ে নিয়ে কোলাকুলি,ভাগ করে নেওয়া,কষ্টের মাঝে সিঁদুর খেলার আনন্দ, বড়োদের পা ছুঁয়ে প্রণাম(★তবে এসব আর নেই লিখতে হয় তাই লিখলাম)আর মুখে তুলে দেওয়া মিষ্টির আস্বাদে মনে করে নেওয়া ‘আসছে বছর আবার হবে’।প্রতিমা জলে পরলে একে অপরকে বিজয়ার শুভেচ্ছা জানানো।এই বিজয়া শুভেচ্ছার ইতিহাস, কেনই বা তা শুভ?শুধুমাত্র বাংলায় নয়,সারা ভারতবর্ষ জুড়ে পালিত ‘দশেরা’র প্রকৃত অর্থও বুঝতে হবে।।অতীতে দুর্গাপুজো ছিল ফসল কাটার উৎসব,কীভাবে বিলুপ্ত হল দুর্গা-ভোগ ধান?আমরা তো কেউ খোঁজই রাখি না...!!! দশমীকে ‘বিজয়া’ বলার পিছনের কারণ একটা মাত্র নয়।পুরাণ কথন অনুযায়ী, মহিষাসুর বধের যুদ্ধের সময় ন’দিন ন’রাত্রি, দেবী শেষপর্যন্ত মহিষাসুরের সঙ্গে যুদ্ধ করে জয়ী হন।সেই ঘটনাকে মনে রেখেই দশমীতে ‘বিজয়া’।শ্রীশ্রীচন্ডীর কাহিনীতেও এই ঘটনারই সমর্থন পাই।আশ্বিনের কৃষ্ণা চতুর্দশীতে দেবীর আবির্ভাব ও শুক্লা দশমীতে মহিষাসুর বধের কথা পাই সেখানে।দশমীর দিন উত্তর ও মধ্য ভারতে বিশেষভাবে উদাযাপিত হয় ‘দশেরা’।সংস্কৃত ‘দশহর’ শব্দটি থেকে ‘দশেরা’ শব্দটির উৎপত্তি।বাল্মিকী রচিত রামায়ণের কাহিনীসূত্র অনুযায়ী,ত্রেতা যুগে অকাল বোধনে দেবীর আশীর্বাদ পেয়ে,আশ্বিন মাসের শুক্লা দশমীতেই রাবণকে বধ করতে সমর্থ হয়েছিলেন রামচন্দ্র।দশানন রাবণের সমাপ্তি সূচক দিনটিতে তাই উত্তর ও মধ্য ভারতের নানা স্থানে রাবণের কুশপুত্তলিকা পুড়িয়ে রাবণ-দহনের মাধ্যমে ‘দশেরা’ পালন করা হয়।রাবণের পরাজয়ের আনন্দে পালিত বিজয়োৎসব আর নবরাত্রির শেষে অশুভ শক্তির বিনাশে,শুভ শক্তির বিজয়'কে মাথায় রেখে তাই দশমীতে ‘শুভ বিজয়া’ বলা চলে। আবার মাইসোরে দেবী দুর্গার মহিষাসুর বধের কাহিনীকে মাথায় রেখেই দশেরা পালন করা হয়।আশ্বিনের শুক্লপক্ষের দশমী তিথিতেই হিমালয়'দুহিতা,আমাদের ঘরের মেয়ে উমার কৈলাস যাত্রার সূত্রপাত ঘটে।পুজোর চার দিনের দিন দশমীতে প্রতিমা বিসর্জন হলে দেবীকে প্রতিমার আধার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।এবার তিনি তাঁর ইচ্ছামতো স্থানে গমন করতে পারেন,তবে অনুরোধ একটাই,শত্রু বিনাশের কাজ শেষ করে যেন দেবী আবার ফিরে আসেন তাঁর পিতৃগৃহে- “ওঁ গচ্ছ দেবি পরং স্থানং যত্র দেব নিরঞ্জনঃ।অস্মাকং তু সুখং দত্তা পুনরেস্যসি সর্বদা।। … ওঁ গচ্ছ ত্বং ভগবত্যম্ব স্বস্থানং পরমেশ্বরী। শত্রোদর্পবিনাশায় পুনরাগমনায় চঃ।।” বিজয়ার বিসর্জনে দেবীকে তাই ত্যাগ নয়, আসলে তা বিশেষরূপে অর্জন।নয়ন ভুলানো রূপের চর্ম'চক্ষের বাইরে এবার তাঁকে ধরা যাবে শুধুমাত্র অনুভূতিতে।সারা বছরের অনুভূতি।তাই যেন হৃদয়ের সেই অধিষ্ঠাত্রী'কে মনে রেখে সমস্ত রাগ-ক্ষোভ-ঈর্ষা-অসূয়ার মতো ঋণাত্মক শক্তিদের দূরে সরিয়ে বিজয়ার কোলাকুলিতে প্রকৃত অর্থে মিলন মানুষের সঙ্গে মানুষের।রবীন্দ্রনাথের ‘ধর্ম’ বইটির ‘উৎসবের দিন’ প্রবন্ধের কথাও প্রাসঙ্গিক- “আজ আমাদের কীসের উৎসব? শক্তির উৎসব। … জ্ঞানে,প্রেমে,বা কর্মে মানুষ যে অপরিমেয় শক্তিকে প্রকাশ করিয়াছে,আজ আমরা সেই শক্তির গৌরব স্মরণ করিয়া উৎসব করিব।আজ আমরা আপনাকে,ব্যক্তি বিশেষ নয়,কিন্তু মানুষ বলিয়া জানিয়া ধন্য হইব।” তাই বিজয়া সম্মিলনী।★আমিও আজ বিজয়া সম্মিলনী করলাম পোস্ট দিয়ে। ভাসানের আগে বরণের সময় দেবীর কানে কানে বলে দেওয়া হয়,‘পরের বছর আবার এসো, মা!’।ঘরের মেয়েকে বিদায় দেবার এই বিষাদ গাথার সুরটিকে🙄🙄 দীনেন্দ্র কুমার রায় তাঁর ‘পল্লীচিত্র’-এর ‘দুর্গোৎসব’ রচনায় ধরে রেখেছেন- “আজ দশমীর এই বিষাদাপ্লুত প্রভাতে সানাইয়ের আর বিরাম নাই;সে শুধু কাঁদিয়া কাঁদিয়া বিরহ গাথা গাহিয়া যাইতেছে। … তিন দিনের উৎসব যে নিমিষের মধ্যে শেষ হইয়া গেল,তাই পিতা মাতার চক্ষে জল ও বক্ষে দুর্বহভার।” সেই চিরন্তন ‘যেতে নাহি দিব’-র কান্না।তবুও তো যেতে দিতে হয়। ★আমার আগের পোস্টেই একজন বিচক্ষণ ব্যক্তি খুব সুন্দর বলেছেন,কান্না পেলেও মেনে নিতে হয় স্যার..... বিজয়া পেরিয়ে শুধু দেবী দুর্গার নয়,প্রবাস থেকে আসা প্রতিটা মানুষেরও তাড়া পরে নিজের ঘরে ফেরার।আগেকার দিনে যেমন নদীর ঘাটে ঘাটে জমে উঠত বাক্স প্যাঁটরা, বর্তমানে দাম বাড়ে ফ্লাইটের,‘সোশ্যাল ডিসট্যান্স’ মেনে ফেসবুকে, হোয়াটসঅ্যাপে সেরে নেওয়া যায় ভার্চুয়াল কোলাকুলি। দেশের বয়স যত বাড়ে,পায়ে হাত দিয়ে প্রণামের মানুষ ফুরোয় দ্রুত।তারই মধ্যে যতটা কাছে যাওয়া যায় আর কী! তারপর একাদশী বা দ্বাদশীর দিন সেই ‘যাত্রা করা’, বচ্ছরকার জমানো ছুটি খরচা করে ফেরা নিজের নিজের কর্মক্ষেত্রে,নিজের নিজের ঘরে,যাকে যেখানে মানায়।ফিরতে তো হয়ই,শুধু আমাদের প্রত্যেকের ভিতরে বসে থাকা নাছোড় এক নীলু অবিরাম শুধু বলে চলে – “শেষ? হ্যাঁ,শেষ। প্রণাম তোমায়, শেষ। প্রণাম তোমায়,ওই দ্বাদশীর বিকেল। প্রণাম,ওই খালের মুখে নদীর জলের ঢেউ। প্রণাম তোমায় তুলসীতলা,মঠ।প্রণাম ফুলমামি। প্রণাম,তবে প্রণাম তোমায় সুপুরিবনের সারি।”মেয়ের ‘যাত্রা করা’,বরণ ও ভাসান শেষ হলে একে অপরের মুখে তুলে দেওয়া মিষ্টি,যাতে মিশে যায় পরবর্তী দীর্ঘ অপেক্ষার রেশ।যে পথে দুর্গা বেরোবেন,সেই পদচিহ্ন ধরেই আলপনার পথ বেয়ে ফিরে আসেন শ্রী লক্ষ্মী।আশ্বিন পেরিয়ে কার্তিকে পরবে শুক্ল চাঁদের জ্যোৎস্না।নুয়ে'পরা ধানের বুকে জমে উঠবে দুধ,হিম নামবে,‘অক্ষয় মালবেরি’র ছেলেটি লণ্ঠন নিয়ে বড়পুকরের ঘাটে গিয়ে দেখবে,জলে ডোবা ঘাটের পইঠায় নিথর হয়ে কেমন স্নিগ্ধ সেঁটে থাকে শামুকেরা।...কার্তিকের ভরে ওঠা ধানের গোলার পাশ দিয়ে গৃহস্থীর আঁকা আলপনায় পা ফেলে আমাদের রূপ,জয়,যশ প্রাপ্তির প্রার্থনাকে সত্যি করে ঘরে এসে উঠবেন ঐশ্বর্যের দেবী। আবারও সেই শঙ্খ ঘোষের লেখা ‘সুপুরি'বনের সারি’ বইয়ের ফুল'মামিমার কথা,এমনই এক বিজয়া শেষের ভোরে যিনি নিরুদ্দেশ হয়ে গিয়েছিলেন আর বোকা নীলু বিশ্বাস করেছিল,“যেন লক্ষ্মীপুজোর দিন ওই পায়ের চিহ্ন ধরে ধরে ঘরে ফিরে আসছে ফুলমামি,তার নিজের ঘরে।”তবে আমি চাইব বোকা নীলুর বিশ্বাস যেনো প্রতিটি ''অভয়া"র পিতা মাতার সাথে থাকে,তাদের সেই লক্ষী মেয়ে ফিরবে তার নিজের ঘরে লক্ষী পুজোর দিন।কিজানি হয় তো তাই,বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদূর।মা লক্ষ্মী সকলকে ধন,মান ও ঐসর্য্যে ভরিয়ে দিক,এই কামনা রইলো। 🙏শ্রী শ্রী লক্ষী দেব্যই নমঃ 🙏 ⚜️🌸🕉️🌸🕉️🌸🕉️⚜️ #শুভেচ্ছা #🔱শুভ বিজয়ার স্ট্যাটাস 🪷 #👣জয় মা লক্ষ্মী🌷 #🙏 কোজাগরী লক্ষ্মী পুজা স্ট্যটাস ২০২৫👣 #ভক্তি
127 likes
176 comments
Sandy
3K views 5 months ago
⚜️""বোধদয়ের অন্তরালে....""⚜️ 💮☸️🔱💮☸️🔱💮☸️🔱💮 আজ তো ষষ্ঠী।এর পরই তো সকলে ব্যস্ত হয়ে যাবেন আরও !!!‼️পুজোর কেনা কাটার রেশ এখনো শেষ যেনো নয়।আমার তো ওই পঞ্চমী আর আজ,যা কিছু সারা বছরে এই কটা দিন। এ উৎসব বাঙালির আবেগ ঠিক কিন্তু শুধু তাই নয়‼️‼️বিশ্বের কোল জুড়ে রয়েছে,বিদেশীরাও কেনা কাটা করে,সমগ্র ধর্মের মানুষের'ই একটা আবেগ এ যেনো নস্টালজিয়া... এ বিষয়'টা পরের পোস্টে লিখব।পোস্ট ৬ মাস তো থাকবে পুজোর আনন্দের মাঝে না হলেও পড়বেন আশাকরি ভালো লাগবে।আজ আমি একটু গল্পের ছলে বলি হালকা শব্দে কারণ এই কাহিনী গুলো পূরাণে ভীষণ সম্পৃত্য জটিল শব্দে ভরা। ওভাবে ভালো লাগবে না,তারচেয়ে সরলীকরণ করে বলি..... শ্রীরামচন্দ্রের অকাল বোধনের ফলেই শরৎকালে দুর্গাপুজোর সূচনা।একথা সকলেই প্রায় জানে!কিন্তু এই অকাল বোধনেরই কত অজানা কাহিনি ছড়িয়ে আছে,আমরা তার খোঁজ রাখি না।যার মধ্যে অন্যতম হল,রাবণ'ই রামচন্দ্রের পুজোয় পৌরোহিত্য করেছিলেন!এটাই সত্য। না না।...❕❕বাল্মীকির রামায়ণে রামচন্দ্রের এই অকাল বোধন বা পুজোর উল্লেখ নেই।তবে কৃত্তিবাস ওঝা সবিস্তারে লিখেছেন অকাল বোধনের কথা।এছাড়া দেবী ভাগবত পুরাণ ও কালিকা পুরাণেও রয়েছে এর উল্লেখ।তাছাড়া পুঁথি থেকে পুঁথিতে ভাষান্তর,নতুন ঘটনার সংযোজন তো ছিলই।তারপর লোকায়ত চর্চায় মিশে যায় নানা কাহিনি। দেবীর অকাল বোধনে রামের পুরোহিত ছিলেন স্বয়ং রাবণ! ‼️‼️‼️তাহলে নিজের মৃত্যু নিশ্চিত করতে নিজেই এ কাজ করেছিলেন রাক্ষস রাজ?⁉️❔❕❕❕❕আসলে রাবণও কম পন্ডিত ছিলেন না,বুদ্ধির চূড়ান্ত শীর্ষে।  দেবীর বরপ্রাপ্ত রামের পক্ষে রাবণকে বধ করা ছিল কেবলই সময়ের অপেক্ষা।তাহলে কি,মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও দেবীর অকাল বোধনে রামের পুরোহিত ছিলেন স্বয়ং রাবণ!⁉️⁉️⁉️কিন্তু রাবণ কেন রামের অকাল বোধনের পুরোহিত হলেন?তিনি তো জানতেনই রামচন্দ্র তাঁকে বধ করে সীতাকে উদ্ধার করতে চান।নিজেই নিজের মৃত্যুকে নিশ্চিত করতে কেন চাইলেন রাক্ষস রাজ? ★এ ভাবনা গুলো আমারও হয়েছিল কিন্তু বেশ কিছু পড়ে,বর্তমান সময়ের কলি যুগের সাথে তাল মিলিয়ে দেখেছি,এই ২১ শতকের রাজনৈতিক অভিসন্ধির পরম্পরা আর পারিবারিক অস্থিরতা,সেই পৌরাণিক যুগেই রচিত হয়ে গিয়েছিল।বর্তমানের রাজনৈতিক দল গুলো সম্মন্ধে সকলেই কম বেশি বোঝেন।আসলে আজকের ফাঁকা রাজনীতির কৌশল সেই পৌরাণিক যুগেই রচিত।তবে ভাবনার অন্তরালে থেকে যায়,রাবণ কী করে ব্রাহ্মণ হলেন?আসলে রাবণের বাবা বিশ্রবা মুনি ছিলেন ব্রাহ্মণ।তাই রাক্ষসী কৈকসীর পুত্র হলেও রাবণ ব্রাহ্মণ।এখানেই শেষ নয়, শাস্ত্রজ্ঞ ছিলেন তিনি।সংস্কৃতজ্ঞ,সুপণ্ডিত এবং মৃত্যুর দিন পর্যন্ত ত্রিসন্ধ্যা গায়ত্রী করা রাবণকে তাই একজন উচ্চশ্রেণীয় ব্রাহ্মণ হিসেবেই ধরা হত।কেবল রাবণই নন, অহিরাবণ এবং মহিরাবণের মতো রাবণ বংশীয় অন্যদের সম্পর্কেও বলা হয়,যে তাঁরা রীতিমতো সাধক ছিলেন। বর্তমানে তো ওই সব মানার বলাই নেই বিশেষ করে বারোয়ারী পুজো মণ্ডপে।একবার সল্টলেকে বিজেপির দুর্গাপুজোয় মহিলা পুরোহিত হয়েছিলেন।ওই শুনে নাড্ডা-শাহ রা এসে ছিলেন দিল্লি থেকে উড়ে। যাই হোক,রাম-রাবণের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরে যখন একে একে লঙ্কার বড় বড় বীররা ধরাশায়ী,তখন রাবণ মা দুর্গার স্তব পড়তে লাগলেন।দুর্গা কালীরূপে রাবণকে অভয় দিলেন।মা কালীর কোলে আশ্রিত রাবণ যুদ্ধে অপরাজেয় হয়ে উঠতে লাগলেন।তাহলে ★খেয়াল করে দেখবেন সকলে মায়ের'ই তো আর এক রূপ ⁉️ বর্তমানেও দেখা যায় কোনো মা তাঁর বড় ছেলেকে বেশি দেখেন ফলে ভবিষ্যতে সম্পত্তি গত বিবাদ লেগে আছে,সেই মা তখন স্বর্গে⁉️ বাস্তব সত্য'টা বললাম মনে কিছু করবেন না ।.....‼️‼️‼️‼️দেখুন ‼️‼️এই পরিস্থিতিতে দুর্গাকে তুষ্ট করতে অকালেই (বসন্তকালের বদলে শরৎকালে)তাঁর পুজো করতে মনস্থ করলেন রাম।কিন্তু সেই পুজোয় কে করবেন পৌরোহিত্য?রামের অকাল বোধনের পুরোহিত হিসেবে রাবণের নাম উত্থাপন করেন স্বয়ং প্রজাপতি ব্রহ্মা।ভাবুন একবার⁉️⁉️,মেলান বর্তমান কে❕❕❕‼️তিনিই পরামর্শ দেন,”তোমার এই পুজোর উপযুক্ত পুরোহিত হতে পারেন রাবণই।” অগত্যা রাক্ষস'রাজ রাবণকেই পৌরোহিত্যের প্রস্তাব দেন রঘুনন্দন।আর রাবণও রাজি হয়ে যান।অর্থাৎ যা হয় হোক সকলে মায়ের'ই সন্তান..‼️👁️🤖👁️আজ আভয়া বিচার পেলো না শুধুমাত্র এই রাজনীতির কারণে বোধনের মন্ত্র বলার সময় রাবণ উচ্চারণ করেন, ”রাবণস্য বধার্থায়…” অর্থাৎ নিজের মৃত্যুর জন্য পুজোয় নিজেই পৌরোহিত্য করলেন,সংকল্প করলেন তিনি। আসলে রাবণ জানতেন,রাক্ষস বংশের উদ্ধারের জন্য রামের হাতেই তাঁর বধ হওয়া প্রয়োজন।আজও তাই শত শত নারী রাক্ষস ঘুরে বেড়াচ্ছে।আর সেই কারণেই এই পুজোয় পৌরোহিত্য করতে তাঁর রাজি হওয়া।সেই মনে পরে আড়াল করতে পুলিশ কমিশনার গোয়েল টাকে উচু পোষ্টে প্রমোশন করানো আর আর.জি.করের প্রিন্সিপাল টাকে অন্য মেডিকেল কলেজ এ বদলি করা,শুধু তাই নয় তিনি পুলিশ কর্তাকে দিয়ে এক কারি টাকা অভয়ার পিতা মাতাকে ঘুষ দিতে পাঠিয়েছিলেন।মমতায় ভরপুর মা মমতা । কি ছিল রাবণের মনে⁉️⁉️⁉️❕❕ সীতাহরণের সময়'ই কি রামের হাতে বধ হওয়ার আশঙ্খা কাজ করেছিল রাবণের মনে? তাই নতজানু ❕❕❔কিন্তু দেখা গেল,রাবণ যতই পৌরোহিত্য করুন,যুদ্ধে তিনি অপরাজেয়।‼️❕❕রাম যতবার মুণ্ডচ্ছেদ করেন ততবার সেই ছিন্ন মাথা জোড়া লেগে যায় দেবীর আশীর্বাদে। বাস্তব মেলাবেন ......❕কিন্তু শ্রীরাম তো রাম'ই,সেই শ্রীকৃষ্ণ এসে যায়...অর্জুন'কে দেওয়া উপদেশ এসে পরে যেনো....সৎ ব্যক্তিরও অধমের সাথে কুট বুদ্ধি প্রয়োগ জরুরি ❕এই পরিস্থিতিতে রাম বুঝতে পারলেন চণ্ডী অশুদ্ধ করতে হবে।আর উপায় নেই।এই ভার পরল হনুমানের উপর।মাছির রূপ ধরে পবন পুত্র গিয়ে পরে চণ্ডীর উপরে।ঢাকা পরল একটি অক্ষর।ফলে মন্ত্র পড়তে গিয়ে ভুল করলেন রাবণ।তিনি ওই একটি অক্ষর উচ্চারণ না করায় চণ্ডী হল অশুদ্ধ।‼️‼️চণ্ডী অশুদ্ধ হওয়ায় ....দেবী হলেন ক্ষুদ্ধ।...❕❕❕####@তবে এই কাহিনি কিন্তু কৃত্তিবাসী রামায়ণে আলাদা।পড়ে দেখেছি...?....সেখানে বলা আছে,রাবণ রামের পুজোর কথা জানতে পেরে শঙ্কিত। তাই দেবীর কৃপা পেতে তিনি ডাক পাঠালেন দেবগুরু বৃহস্পতিকে।কিন্তু রাত্রিকালে চণ্ডীপাঠ নিষিদ্ধ।আর তাই বৃহস্পতি বেঁকে বসলেন। বিবাদ বাঁধলো ....❕কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাবণের রক্তচক্ষু দেখে ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বৃহস্পতি শুরু করলেন পাঠ।আর তখনই সেখানে হাজির হলেন হনুমান।মাছির রূপ ধারণ করে।....‘যথা বৃহস্পতি আছে, উপনীত তাঁর কাছে,/ একমনে করে চণ্ডীপাঠ ।।/ মক্ষিকার রূপ ধরে, চাটিলেন দ্বি অক্ষরে,/ দেখিতে না পান বৃহস্পতি ।/ অভ্যাস আছিল তায়, পড়িল অবহেলায়,/ হনুমান সচিন্তিত অতি ।।’ স্বাভাবিক ভাবেই চণ্ডীপাঠে ত্রুটি হওয়ায় দেবী ক্রুদ্ধ হলেন।এদিকে রাবণও পালটা ক্রোধ দেখিয়ে বললেন,যেহেতু দেবী তাঁর শত্রুর পক্ষ নিয়েছেন,তাই দেবীও এখন তাঁর শত্রু।এমনই রাক্ষস রাজের অহং।.......‼️‼️‼️‼️‼️‼️‼️‼️⁉️❔দেখলেন ??? এই লোককেই কালী মাতা কোলে করে রেখেছিলেন ??? হয় না ? বাস্তবে হাজার হাজার পরিবার আছে এমনই,কলি যুগের অনেক মা ও কিঞ্চিত অমনই।আসলে মহাজ্ঞানী হলেও রাবণ শেষ পর্যন্ত ছিলেন রাক্ষস--গুণসম্পন্ন,দাম্ভিক।সাধে কী বলেছে ‘অতি দর্পে হত লঙ্কা…’ ফলে দেবীর কৃপা আর রইল না রাবণের উপরে।প্রশস্ত হল তাঁর বধের পথ।এর সঙ্গেই এসে পরে,মানস সরোবর থেকে আনা ১০৮টি নীলপদ্মের সেই কাহিনি।হনুমানের এনে দেওয়া পদ্মগুলি দেবীর উদ্দেশে অর্পণ করতে গিয়ে রামের নজরে পড়ল একটি পদ্ম কম।তখন তিনি নিজের নীলপদ্মের মতো চোখ দেবীকে নিবেদন করতে চাইলেন।এরপর? কৃত্তিবাস বলছেন, ”চক্ষু উৎপাটিতে রাম বসিলা সাক্ষাতে।/ হেনকালে কাত্যায়নী ধরিলেন হাতে।।/ কর কি কর কি প্রভু জগৎ গোঁসাই।/ পূর্ণ তোমার সংকল্প চক্ষু নাহি চাই।।” এরপর দেবীর বরপ্রাপ্ত রামের পক্ষে রাবণকে বধ করা ছিল অত্যন্ত সহজ।বর্তমানেও দেখা যায় মায়ের বড় ছেলে বিদেশে ,হুকুম বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাতে,আর ছোট ছেলে কোনো কিছু না পেয়েও মা কে নিজ অর্থে নিজ গৃহে যত্নে মগ্ন সামর্থ্য না থাকলেও।বসন্তকালের বদলে শরৎকালে দেবীর সেই পুজোই আজকের দুর্গাপুজোর কাহিনি।যা বাল্মীকি রামায়ণে নেই।পরে সংযোজিত হয়েছে।আবার অকাল বোধনে রাবণের পৌরোহিত্যের কাহিনিও একই ভাবে ঢুকে পরেছে কোনও কোনও রামায়ণের কাহিনিতে। আসলে রামায়ণের নানা সংস্করণ ছড়িয়ে রয়েছে।এই বিভিন্ন সংস্করণ গুলির কথা ভাবতে বসলে সত্যিই অবাক হতে হয়।চেনা কাহিনি বদলে বদলে গিয়েছে ভিন্ন ভাষা,ভিন্ন সংস্কৃতির আঁচে!রামায়ণ-মহাভারতের কথা বলতে গিয়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, ‘এত বড়ো বৃহৎ দুইটি গ্রন্থ,আমাদের সমস্ত ভারতবর্ষ-জোড়া দুইটি কাব্য,তাহাদের নিজের রচয়িতা কবিদের নাম হারাইয়া বসিয়া আছে— কবি আপন কাব্যের এতই অন্তরালে পড়িয়া গেছে।’ এভাবেই মহাকাব্য দেশের ভিন্ন সংস্কৃতিকে নিজের মধ্যে ধারণ করে ভিন্ন ভিন্ন রূপ ধারণ করেছে। এখন প্রশ্ন হলো আমরা মায়ের কাছে কি চাইব?????⁉️‼️ মা এসেছেন।আনন্দদায়িনী ময়ের আশীর্বাদ আমাদের সকলেরই প্রয়োজন।তাঁর কাছে আমি যা চাই আমার ভিডিও পোস্টেই চেয়েছি।আসুন দেখুন আশাকরি সহমত হবেন। আবদার এই টুকুই যেন তিনি আমাদের সারা বছর খুশি ,আর সুস্থতা বজয় রাখেন। তাঁকে সহস্র কোটি প্রণাম।🙏🙏🙏🙏 সকলে পুজোর শুভেচ্ছা নেবেন। অনেক অনেক শারদীয় অভিনন্দন রইলো। ##NB.. উক্ত লেখার সম্পূর্ণ দায়ভার নিজস্ব 💮💮💮💮💮 #শুভেচ্ছা #🔱শুভ ষষ্ঠী২০২৫🪔 #🙂ভক্তি😊 #🌷সিদ্ধিদাতা গণেশ🐘 #🙏জয় মা দুর্গা🙏
130 likes
131 comments
Sandy
4K views 6 months ago
⚜️⭐⚜️⭐⚜️⭐⚜️⭐⚜️⭐⚜️ দুর্গাদেবীর আগমনী সংগীতই মহালয়া ‼️দানবীর কর্ণ ও মহালয়‼️ ⚜️⭐⚜️⭐⚜️⭐⚜️⭐⚜️⭐⚜️ ঐযে বলে নিয়তি কেনো বধ্যতে...‼️‼️ দানবহাভারতের আখ্যান মতে,কর্ণ কুন্তী পুত্র হয়েও নিয়তির খেলাতে নিজের অজ্ঞাতেই তিনি দুর্যোধনের সবচেয়ে কাছের বন্ধুতে পরিণত হন।বীরত্বের পাশাপাশি তিনি দাতা হিসেবে অদ্বিতীয় হয়ে ওঠেন।তার কাছে কিছু চেয়ে বিমুখ হয়নি কখনো কেউ।সোনা-দানা, মণিমাণিক্য যে যা চেয়েছে তাই দিয়েছেন তিনি।এমনকি নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় সুরক্ষা অভেদ্য কবচকুণ্ডলও তিনি অবলীলায় হাসিমুখে দান করেছেন।কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে কর্ণ নিহত হন।তবে পুণ্যময় কাজের পরিণামে স্থান পান স্বর্গে।নরলোকে যে পরিমাণ সম্পদ তিনি দান করেছিলেন তার সহস্রগুণ ফিরে আসে তাঁর কাছে।স্বর্ণ-সম্পদের বিপুল বৈভবের নিচে তিনি যেন চাপা পরে যান।তবুও দুঃখী তিনি। সব পাচ্ছেন তিনি কিন্তু পাচ্ছেন না খাদ্য।এই যন্ত্রণা তাকে অস্থির করে তোলে। ক্ষুধায় তৃষ্ণায় কাতর কর্ণ যান যমরাজের কাছে।ক্ষুব্ধ কণ্ঠেই বলেন,এ কেমন বিচার! অফুরন্ত স্বর্ণ রত্ন তিনি পাচ্ছেন,কিন্তু সেসব তো খাদ্য নয়।ক্ষুধার অন্ন নয়।কাজেই সোনাদানার তাঁর দরকার নেই।দরকার খাদ্য। কর্ণের এই জিজ্ঞাসার মুখে যমরাজ কিছুটা বিব্রত কণ্ঠেই বলেন,এর আমি কী করব? নরলোকে মানুষ যা দান করে,পরলোকে এসে তাই কয়েক সহস্রগুণ ফিরে পান।কর্ণ কুণ্ঠিত ভাবেই বলেন,আমি তো মর্ত্যে দানে কোনো ত্রুটি রাখিনি।আমার সব ধনসম্পদ আমি অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছি।তাহলে কেন বঞ্চিত থাকব খাদ্য-পানীয় থেকে?যমরাজ বলেন, তুমি ধনসম্পদ দান করেছ,এটা সত্য।কিন্তু তুমি কোনো দিন কাউকে অন্নদান করোনি। দাওনি কোনো তৃষ্ণার্তকে জল।সে কারণে এখানে বঞ্চিত তুমি সেসব থেকে।কিন্তু আমি যে ক্ষুধায় অস্থির।এর একটা বিহিত করুন আপনি।ফিরিয়ে নিন সম্পদ,পরিবর্তে দিন একটু খাদ্য।একটু জল।যমরাজ বলেন,আমি নিরুপায়।ঈশ্বরের বিধান বদলের কোনো ক্ষমতা আমার নেই।না জেনে অপরাধ করেছি।অন্ন-জল দান যে এত মহত্তোম দান, এটা জানা ছিল না।সেই অনিচ্ছাকৃত অপরাধ ক্ষমা করুন।একটা কিছু প্রতিবিধান করুন। কর্ণের প্রতি যমরাজ সদয় হন।বলেন,বেশ একটা সুযোগ তোমাকে দিচ্ছি।তুমি এক পক্ষের জন্য মর্ত্যলোকে ফিরে যাও।যথেচ্ছ দান কর অন্ন-জল।এরপর পনেরো দিনের জন্য কর্ণ ফিরে আসেন মর্ত্যে।এই পনেরো দিন তিনি অকাতরে দান করেন অন্ন-জল। পরিণামে ফিরে গিয়ে স্বর্গে,ফিরে পান অন্ন-জল।..... আশ্বিনের কৃষ্ণপক্ষের প্রতিপদ থেকে অমাবস্যা পর্যন্ত পনেরো দিন কর্ণের ছিল দ্বিতীয় দফার মর্ত্য বাস।আর এই পনেরটি দিনই হিন্দু শাস্ত্রে পিতৃপক্ষ হিসেবে চিহ্নিত।কর্ণ স্বর্গে ফিরে আসেন যে অমাবস্যা তিথিতে- সেটিই অভিহিত মহালয় বা মহালয়া নামে।‼️‼️.....আজ সেই দিন,তামাম ভারতবর্ষের বিভিন্ন মানুষ গঙ্গায় যান পিতৃ পক্ষের শেষ সময় পূর্ব পুরুষ দের অন্ন জল দান করেন।তাদের বিশ্বাস স্বর্গ থেকে তাঁরা পাপ মোচন করবেন আশীর্বাদ দেবেন। তবে শাস্ত্র-বিশেষজ্ঞরা বলেন,পিতৃপক্ষের অবসানে,অমাবস্যার অন্ধকার পেরিয়ে আমরা আলোকোজ্জ্বল দেবীপক্ষে আগমন করি,তাই সেই মহা-লগ্ন আমাদের জীবনে ‘মহালয়া’।এ ক্ষেত্রে দেবী দুর্গা কেই সেই মহান আশ্রয় বলা হয়ে থাকে এবং আঁধার থেকে আলোকে উত্তরণের লগ্ন টিকে বলা হয় মহালয়া।কিন্তু গত বছরের দগ-দগে ঘা শুকোলো না।অভয়ার পিতা মাতার চোখের জল কেউই পারেনি মোছাতে।খালি রাজনীতি সার।বাংলার মুখ্য মন্ত্রী মঞ্চে উঠে যে দান ক্ষয়রাতের আসফালন,নাচানাচি,চিৎকার করে,মানুষের করের অর্থে দম্ভ,এক দিন ছুটবে,কারণ প্রকৃত গরীব মানুষ,অসহায় ফুট পাথ বাসী গৃহ মঞ্চিত মানুষের অভিসম্পাত,তাদের অন্ন জল জোটে না,আমাদেরই হাল তলানিতে।পাপ খণ্ডাবে কে?শত "তর্পণ" এও খন্ডন সম্ভব নয়। কৃষ্ণপক্ষ বা পিতৃপক্ষের অবসান এবং শুক্লপক্ষ বা দেবীপক্ষের সূচনায় অমবস্যার একটি নির্দিষ্ট ক্ষণকে মহালয়া বলা হয়।আর এক্ষেত্রে প্রশ্ন আসে মহালয়া আসলে কী? মহালয়া শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হল মহান যে আলয় বা আশ্রয়।অর্থাৎ মহা+আলয় জুড়ে এই শব্দ।যদিও সন্ধির নিয়ম মেনে শব্দটি‘মহালয়’ হওয়ার কথা।তবে‘মহালয়া’ বলার পিছনে কোনও ব্যকরণগত ব্যাখ্যা নেই। দেবীপক্ষের শুভ সূচনা হয় বলে শব্দটিকে স্ত্রীলিঙ্গ করে ‘মহালয়া’ বলা হয়।এক্ষেত্রে দেবী দুর্গাই হলেন,সেই মহান আলয়।আমাদের পরম আরাধ্য দেবী,দেবী দুর্গতিনাশিনী।মা তুমি এসো দেখো কী অনাচার টাই'না চলছে,গরীব গর্বারা খেতে পাচ্ছেনা,তাদের যে দুবেলা অন্ন জল জোটে না।শাসক শ্রেণী কোটি কোটি মানুষের করের টাকায়,ধন্দার টাকায় অপ্রয়োজনীয় দান করে চলেছে।সেদিন দেখছিলাম আমারই জানা একজন তাঁর পোষ্টে ট্যাগ লাইন দিয়েছেন....!!!কিছু পুরুষ আর কিছু নারী অত্যন্ত ভয়ংকর এই অ্যাপস এ।প্রকৃত নারী শক্তিকে জগাও মা তুমি।সর্ব শক্তি চেতনা যোগাও।তা না হলে ধ্বংস অনিবার্য।পুরাণ থেকে মহাভারত, মহালয়া ঘিরে বর্ণিত আছে নানা কাহিনি।পুরাণ মতে, ব্রহ্মার বরে মহিষাসুর অমর হয়ে উঠেছিলেন।শুধুমাত্র কোনও নারীশক্তির কাছে তার পরাজয় নিশ্চিত ছিল।অসুরদের অত্যাচারে যখন দেবতারা অতিষ্ঠ,তখন ত্রিশক্তি ব্রহ্মা,বিষ্ণু ও মহেশ্বর নারীশক্তির সৃষ্টি করেন।তিনিই মহামায়া'রূপী দেবী দুর্গা। দেবতাদের দেওয়া অস্ত্র দিয়ে মহিষাসুরকে বধ করেন দুর্গা।সেইকারণে বিশ্বাস করা হয়,এই উৎসবে অশুভ শক্তির বিনাশ করে শুভ শক্তির প্রতিষ্ঠা হয়।★যদিও মহালয়ার সঙ্গে দুর্গা পুজোর প্রত্যক্ষ ভাবে কোনও যোগ নেই। বরং মহালয়ার রয়েছে পৃথক মাহাত্ম্য। দুর্গাপুজোর সঙ্গে যুক্ত উৎসব নয় মহালয়া। আসলে এই দিনটি পিতৃপুরুষের উদ্দেশে শ্রদ্ধা জানানোর দিন।সারাবছর কোনও সময় তর্পণ না করলেও মহালয়ার তর্পণে সর্বসিদ্ধি বলে মনে করা হয়।লঙ্কা জয় করে সীতাকে উদ্ধারের জন্য ত্রেতা যুগে ভগবান শ্রীরামচন্দ্র শরৎকালে দুর্গাপুজোর আয়োজন করেন,যা অকালবোধন নামে পরিচিত।এরপর থেকেই যুগ যুগ ধরে শারদীয়া দুর্গাপুজো চলে আসছে।আগে রাজবাড়ি কিংবা জমিদার বাড়িতেই দুর্গাপুজো হত।রথের দিন কাঠামো পুজো হত এবং মহাসপ্তমীর দিন নবপত্রিকা প্রবেশের পর দেবীর চক্ষুদান পর্ব হত।যেহেতু মহালয়ার দিন দেবীপক্ষের সূচনা হয়,তাই পরবর্তীকালে মহালয়ার দিনই প্রতিমার চক্ষু আঁকার চল শুরু হয়। 👉🔱⚜️🔱 দেবী তোমার আগমনের ..প্রস্তুতি তাই, মহেশ তোমায় দিলেন বিদায় ..‼️ মহিষাসুরের নিধন করে, চলেই এসো পিত্রালয় …‼️ 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 দেবী তুমি আসবে বলে,শিশির বিন্দু ঘাসে, মাঠে মাঠে শোভা বাড়ায়,শুভ্র বরণ কাশে …‼️ এটা ২১শ শতাব্দীর ২৫তম বছর; এমনি আশ্বিনের এক প্রাগৈতিহাসিক সকালে শ্রীরামচন্দ্র যে দুর্গার বোধন করেছিলেন স্বর্গের দেব'পুরুষগণ যুদ্ধে পরাজিত হয়ে যে রণ'দেবীকে অসুর নিধনে পাঠিয়েছিলেন, সেই দুর্গাই একুশ শতকে নারীর ক্ষমতায়ন। তাঁর মহা তেজ চির'জাগরুক আগুন হয়ে জ্বলে উঠুক,মাটির পৃথিবীর প্রতিটি নারীর মধ্যে। 🔱🙏🌅🙏🌅🙏🌅🙏🌅🙏🌅🙏🔱 হে মহামানবী,দেবী তোমাকে সহস্র কোটি প্রণাম। সকলে খুশির জোয়ারে মেতে জান।পুজো খুশির হোক। #শুভেচ্ছা #🙏তর্পণ ২০২৫🙏 #🔱শুভ মহালয়া ২০২৫🌷 #🌷মহিষাসুরমর্দিনী ২০২৫🔱 #🙂ভক্তি😊
130 likes
115 comments