🙏বিনয় বাদল দীনেশ অমর রহে 🙏

🙏বিনয় বাদল দীনেশ অমর রহে 🙏

বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্সের বিপ্লবীরা কারাবিভাগের ইন্সপেক্টর জেনারেল কর্নেল এন এস সিম্পসনের উপরে হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেন। সিম্পসন কারাগারে রাজবন্দীদের উপরে অত্যাচারের জন্য কুখ্যাত ছিলেন। সিম্পসনকে হত্যা করা ছাড়াও বিপ্লবীদের লক্ষ্য ছিলো কলকাতার ব্রিটিশ শাসকদের সচিবালয় রাইটার্স ভবনে হামলা চালিয়ে ব্রিটিশ শাসকদের মনে ত্রাস সৃষ্টি করা। ১৯৩০ সালের ৮ই ডিসেম্বর দীনেশ গুপ্ত ও বিনয় বসুর সাথে মিলে বাদল বসু ইউরোপীয় বেশভুষার ছদ্মবেশ নিয়ে রাইটার্স ভবনে প্রবেশ করেন, এবং কর্নেল সিম্পসনকে গুলি করে হত্যা করেন। ব্রিটিশ পুলিশ পালটা গুলি চালাতে শুরু করে। বন্দুকযুদ্ধে ব্রিটিশ পুলিশ অফিসার টোয়াইনাম, প্রেন্টিস ও নেলসন আহত হন। নিকটের লালবাজার থেকে কমিশনার টেগার্টের নেতৃত্বে পুলিশবাহিনী তাদের ঘিরে ফেলে এবং অচিরেই তিন বিপ্লবী পরাস্ত হন। তবে তারা পুলিশের হাতে ধরা দিতে চাননি, তাই বাদল পটাশিয়াম সায়ানাইড খান এবং বিনয় ও দীনেশ আত্মহত্যার জন্য নিজেদের উপরে গুলি চালান। বিষ খেয়ে ঘটনাস্থলেই বাদল গুপ্তের মৃত্যু হয়। ইতিহাসে এই তিন বীরের মহাকরণ আক্রমন 'অলিন্দ যুদ্ধ' নামে খ্যাত।Memory of martyrdomভারত স্বাধীন হওয়ার পরে বিনয়-বাদল—দীনেশের নামানুসারে কলকাতার ডালহৌসি স্কোয়ারের নাম পালটে রাখা হয় বি-বা-দী বাগ (বিনয়- বাদল-দীনেশ বাগ)। এই অলিন্দ যুদ্ধের স্মৃতিতে রাইটার্স বিল্ডিং এর দ্বিতলে একটি প্রস্তর ফলক আছে।
#

🙏বিনয় বাদল দীনেশ অমর রহে 🙏

🙏বিনয় বাদল দীনেশ অমর রহে 🙏 - বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্সের বিপ্লবীরা কারাবিভাগের ইন্সপেক্টর জেনারেল কর্নেল এন এস সিম্পসনের উপরে হামলা চালানাের সিদ্ধান্ত নেন । সিম্পসন কারাগারে রাজবন্দীদের উপরে অত্যাচারের জন্য কুখ্যাত ছিলেন । সিম্পসনকে হত্যা করা ছাড়াও বিপ্লবীদের লক্ষ্য ছিলাে কলকাতার ব্রিটিশ শাসকদের সচিবালয় রাইটার্স ভবনে হামলা চালিয়ে | ব্রিটিশ শাসকদের মনে ত্রাস সৃষ্টি করা । ১৯৩০ সালের ৮ই ডিসেম্বর দীনেশ গুপ্ত ও বিনয় বসুর সাথে মিলে বাদল বসু ইউরােপীয় বেশভুষার ছদ্মবেশ নিয়ে রাইটার্স ভবনে প্রবেশ করেন , এবং কর্নেল সিম্পসনকে গুলি করে হত্যা করেন । ব্রিটিশ পুলিশ পালটা গুলি চালাতে শুরু করে । বন্দুকযুদ্ধে ব্রিটিশ পুলিশ অফিসার টোয়াইনাম , প্রেন্টিস ও নেলসন আহত হন । নিকটের লালবাজার থেকে কমিশনার টেগার্টের নেতৃত্বে পুলিশবাহিনী তাদের ঘিরে ফেলে এবং অচিরেই তিন বিপ্লবী পরাস্ত হন । তবে তারা পুলিশের হাতে ধরা দিতে চাননি , তাই বাদল পটাশিয়াম সায়ানাইড খান এবং বিনয় ও দীনেশ আত্মহত্যার জন্য নিজেদের উপরে গুলি । চালান । বিষ খেয়ে ঘটনাস্থলেই বাদল গুপ্তের মৃত্যু হয় । ইতিহাসে এই তিন বীরের । মহাকরণ আক্রমন ' অলিন্দ যুদ্ধ ' নামে খ্যাত । Memory of martyrdomভারত স্বাধীন হওয়ার পরে বিনয় - বাদল - দীনেশের নামানুসারে কলকাতার ডালহৌসি স্কোয়ারের নাম পালটে রাখা হয় বি - বা - দী বাগ ( বিনয় - বাদল - দীনেশ বাগ ) । এই অলিন্দ যুদ্ধের স্মৃতিতে রাইটার্স বিল্ডিং এর দ্বিতলে একটি প্রস্তর ফলক আছে । - ShareChat
4.3k জন দেখলো
1 মাস আগে
অন্য কোথাও শেয়ার করুন
Facebook
WhatsApp
লিংক কপি করুন
মুছে ফেলুন
Embed
আমি এই পোস্ট এর বিরুদ্ধে, কারণ...
Embed Post