অটল বিহারী বাজপেয়ীর মৃত্যুবার্ষিকী 🙏

অটল বিহারী বাজপেয়ীর মৃত্যুবার্ষিকী 🙏

স্বর্গীয় শ্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর মৃত্যুবার্ষিকী তে উনাকে জানাই সশ্রদ্ধ প্রণাম #অটল বিহারী বাজপেয়ীর মৃত্যুবার্ষিকী 🙏
#অটল বিহারী বাজপেয়ী
আরো আপডেট পেতে আমাকে অনুসরণ করুন #অটল বিহারী বাজপেয়ী
atalji albida aj r amader kach theke uni porolok gomon korche ishwarer kache onar atmar santi parthana Kori salute Sir 👃👃👃👃👃👃👃 #অটল বিহারী বাজপেয়ী
কেন অটলবিহারী বাজপেয়ী দেশের জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী?  আমজনতার প্রিয় প্রধানমন্ত্রী নিঃসন্দেহে অটলবিহারী বাজপেয়ী। ৯৬’এর নির্বাচনে সরকার গড়তে না পারলেও ভারতীয়দের মনে জায়গা করে নেন তিনি। সমস্ত মিথ ভেঙে বাজপেয়ী প্রথম অকংগ্রেসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে টানা ৫ বছর দেশ চালান। অটল বিহারী বাজপেয়ী চোখের সামনে ভারতকে ঔপনিবেশিক শাসকের হাত থেকে বিশ্বের দ্রুততম ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিতে পরিণত হওয়া দেশ হতে দেখেছেন। জন্ম ১৯২৪ সালে। ভারত ছাড়ো আন্দোলন দেখেছেন। সেই সময় অর্থাৎ ১৯৪২ সালে রাজনীতিতে প্রবেশ। ১৯৯১, ১৯৯৬, ১৯৯৮, ১৯৯৯ এবং ২০০৪ সালে লখনৌ থেকে লোকসভায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। এখন বয়স ৯৩ বছর।  তিনিই প্রথম বিদেশমন্ত্রী যিনি রাষ্ট্রসংঘে হিন্দিতে ভাষণ দিয়েছিলেন। পরমাণু শক্তিধর দেশ 🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳 ‘ভারত একটি পরমাণু শক্তিধর দেশ। বড় বোমার ক্ষমতা আছে আমাদের। তবে অস্ত্র কেবল আত্মরক্ষার জন্য।’ ঘোষণা করেছিলেন অটলবিহারী বাজপেয়ী। পশ্চিমী দেশগুলি তাঁর পরমাণু শক্তির ব্যাপারে সমালোচনা করলেও তার ফল মিলছে এখন। রাজীব গান্ধী ছাড়ার সময় টেলিকম শিল্পে ভারতের বৃদ্ধি ০.৬% থেকে ২.৮%। বাজপেয়ীর প্রধানমন্ত্রীত্বে বিজেপি সরকারের আমলে নতুন টেলিকম নীতিতে বাজার অনুপ্রবেশ ৩% থেকে ৭০% বৃদ্ধি পেয়েছে, ২০১২ পর্যন্ত। সবার জন্য শিক্ষা অটল বিহারী বাজপেয়ী আরম্ভ করেছিলেন ‘সর্বশিক্ষা অভিযান’ প্রকল্প। লক্ষ্য সবার জন্য পারথমিক শিক্ষা। জিডিপি হার উর্ধমুখীঅটল বিহারী বাজপেয়ীর প্রধানমন্ত্রীত্বের সময়কাল গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর আমলেই ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধ, ২০০০ সালে সাইক্লোন। পরের বছরেই ভূজে ভূমিকম্প। ২০০২ আর ০৩ সালে তেল নিয়ে টানাটানি সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে গালফের যুদ্ধ। এতসবের মধ্যেও দেশের জিডিপি হার রেখেছেন উর্ধমুখী। বিদেশী দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্কে উন্নতি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ভারতের গুরুত্ব বাড়ানোর কারিগর বাজপেয়ী। বেশ কিছু কার্যকারী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন তিনি। ১) আমেরিকার সঙ্গে ভারতের সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। জিমি কার্টারের পর বিল ক্লিন্টন সেই আমেরিকান রাষ্ট্রপতি যিনি ভারতে আসেন, ২০০০ সালে। ২) দিল্লি-লাহোর বাস সার্ভিসে তিনিই প্রথম সওয়ারি হয়ে পাকিস্তানে যান। ৩) আঞ্চলিক বিরোধের অবসান ঘটিয়ে চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক গাঁটছড়া বাঁধেন। ৪) ইসরায়েলের থেকে কৌশলগত ও সামরিক সহযোগিতা লাভ। এবং অবশ্যই দিল্লি মেট্রো প্রকল্প। চাঁদে পা অটলবিহারী বাজপেয়ীর প্রধানমন্ত্রীত্ব কালেই চাঁদে সফল অবতরণ করে চন্দ্রযান ১। দেশের ৫৬ তম স্বাধীনতা দিবসের দিন জনগণের উদ্দেশ্যে ঘোষণা করেছিলেন, ‘বিজ্ঞানের উচ্চতর পর্যায়ে আলোচনার জন্য আমাদের দেশ প্রস্তুত। আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি ভারত চাঁদে মহাকাশযান পাঠাতে সক্ষম হয়েছে। নাম চন্দ্রযান ১। উচ্চমানের সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার উন্নতির জন্য চালু করেন জাতীয় মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প বা এনএইচডিপি। নির্মিত হয়েছে ৪৯,২৬০ কিমি জাতীয় সড়ক। বাগ্মী এবং কবি অসাধারণ জননেতা ছাড়াও অটলবিহারী বাজপেয়ী একজন বিদগ্ধ কবি এবং বাগ্মী। পার্লামেন্টে তাঁর ভাষণের উদাহরণ আজও মুখে মুখে ফেরে। অন্যান্য বাজপেয়ী মন্ত্রীসভায় আনেন উপজাতি মন্ত্রক। উত্তর পূর্ব ভারতের সামাজিক কল্যাণ মন্ত্রণালয়। ২০১৪ সালে ভারতরত্ন খেতাবে ভূষিত করা হয় অটল বিহারী বাজপেয়ীকে। তাঁর জন্মদিন ২৫ ডিসেম্বরকে এবার থেকে ‘গুড গভর্নেন্স ডে’ হিসাবে পালন করা হবে। ১৯৯৪ সালে ভারতের ‘শ্রেষ্ঠ সংসদবেত্তা’র খেতাব পান। খ্যাতনামা সংসদবেত্তা হিসাবে রাজনৈতিক জীবনের চার দশকের বেশি সময়ের বাজপেয়ী লোকসভায় ৯ বার এবং রাজ্যসভায় ২ বার নির্বাচিত হন। এটি একটি রেকর্ড। #অটল বিহারী বাজপেয়ী
চির বিদায় অটল বিহারী বাজপায়ী #অটল বিহারী বাজপেয়ী
চির বিদায় অটল বিহারী বাজপায়ী #অটল বিহারী বাজপেয়ী
অটলবিহারী বাজপেয়ীর জীবনাবসান #অটল বিহারী বাজপেয়ী
#অটল বিহারী বাজপেয়ী
ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রয়াত দেশের প্রথম অকংগ্রেসী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পুরো পাঁচ বছর সরকার চালানো অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রয়াত হলেন।: প্রয়াত অটল বিহারী বাজপেয়ী। এইমসে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। বিকেল ৫টা বেজে ৫ মিনিটে প্রয়াত হয়েছেন বাজপেয়ী। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুখে ভুগছিলেন অটল বিহারী বাজপেয়ী। ৯ সপ্তাহ ধরে এইমস-এ চিকিত্সাধীন ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার থেকে তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়। ফুসফুস ও অন্ত্রে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত বাজপেয়ীর একটি কিডনি দীর্ঘদিন ধরেই বিকল। শুধুমাত্র একটি কিডনি কাজ করছিল। এই পরিস্থিতিতে চিকিত্সা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। তবে চেষ্টার কোনও কসুর বাকি রাখেননি চিকিত্সকরা। বাজপেয়ীর শারীরিক পরিস্থিতির অবনতির খবর পেয়ে আজ সকাল থেকেই সারা দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা দিল্লিতে যান। এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও দিল্লি যাওয়ার কথা। এ দিন সকালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে যান উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নায়ডু, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ, বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ, লালকৃষ্ণ আডবাণী, শাহনওয়াজ হুসেন প্রমুখ। এইমসের সামনে ভিড় বাড়ছে সাধারণ মানুষের। কড়া নিরাপত্তা জারি করা হয়েছে। বুধবার রাতে চিকিত্সক আরতি ভিজ সংবাদমাধ্যমে বলেন, “গত ৯ সপ্তাহ ধরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। দুর্ভাগ্যজনক ভাবে গত ২৪ ঘণ্টায় তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। অবস্থা সঙ্কটজনক। তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে।” ইতিমধ্যে দেশের তাবড় রাজনৈতিক নেতারা বাজপেয়ীকে দেখে এসেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় জারি করা এক বিবৃতিতে এইমস জানিয়েছে, বাজপেয়ীর অবস্থা একই রকম সঙ্কটজনক। তাঁকে জীবনদায়ী ব্যবস্থায় রাখা হয়েছে। #অটল বিহারী বাজপেয়ী
#অটল বিহারী বাজপেয়ী