Radha Krishna

Radha Krishna

10
190 পোস্ট
19.1K জন দেখলো
Radha Krishna
GOURANGA SARKAR
#🌝শুভ দুপুর🌞 ' *╔════ஜ۩۞۩ஜ════╗* ❣ *"গীতানুভব"* ❣ *╚════ஜ۩۞۩ஜ════╝* *✧══════•❁❀❁•══════✧* *(পর্ব-২ )* *≪═══◄••❀••►═══≫* 💞💞 এই মনুষ্যলোকে প্রত্যেকেরই নিজ নিজ কর্তব্য নিষ্কাম ভাবে তৎপরতার সঙ্গে পালন করা উচিত,তা তিনি জ্ঞানী,অজ্ঞানী, বা ভগবৎ অবতার যাই-ই হোন না কেন ৷ কারণ সৃষ্টিচক্র চালিত থাকে প্রত্যেক প্রাণীর নিজ নিজ কর্তব্য পালনের মাধ্যমে ৷ 🍂🍃 মানুষ কর্ম অারম্ভ না করলে যেমন সিদ্ধি প্রাপ্ত হয় না, তেমনই কর্মত্যাগ করেও সিদ্ধি পেতে পারে না ৷ প্রজাপতি ব্রহ্মা সৃষ্টিকালে প্রজাদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, _"তোমরা নিজ নিজ কর্তব্যকর্মের দ্বারা একে অন্যের সহায়তা করো ও অন্যের উন্নতির সহায়ক হও, তাহলেই তোমরা সেই পরম শ্রেয়কে লাভ করবে"৷_ 💢💢 সৃষ্টিচক্রের মর্যাদা অনুসারে যে সকল মানুষ নিজের কর্তব্য পালন করে না, এই সংসারে তাদের বেঁচে থাকা অর্থহীন ৷ মনুষ্যরূপে অবতীর্ণ হলে ভগবানের কর্তব্যকর্ম বলে কাছু থাকে না বটে, তবে লোকশিক্ষার জন্য নিজ কর্তব্য তিনি তৎপরতার সঙ্গে পালন করেন ৷ জ্ঞানী মহাপুরুষগণেরও নিজ নিজ কর্তব্যকর্ম দক্ষতার সঙ্গে পালন করাই বিধেয় ৷ নিজ কর্তব্য নিষ্কাম ভাবে পালন কালে মানুষ যদি মৃত্যুমুখেও পতিত হয় তাতে তার কল্যাণই হয়ে থাকে ৷ 🏵🏵সমস্ত কর্ম ক্ষয় করার এবংসমস্ত কর্মবন্ধন থেকে মুক্তি পাবার দুটি উপায় অাছে—কর্মের তত্ত্ব জানা এবং সেই তত্ত্বজ্ঞানকে উপলব্ধি করা ৷ 🌿🌿 ভগবান তো সৃষ্টিকার্য করেনই কিন্তু তাতে কর্তৃত্বাভিমান এবং ফলাসক্তি না থাকায়,সেগুলি তাঁর বন্ধনের কারণ হয় না ৷ যে ব্যক্তি কর্মে নিয়োজিত থেকেও কর্মফলের কামনা,মমতা পোষণ করেন না, যিনি সর্বদা কর্মফলে নির্লিপ্ত থাকেন এবং নির্লিপ্ত হয়ে কর্ম করেন তিনি কর্মবন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে যান ৷ যিনি সমস্ত কর্মে সংকল্পশূন্য ও কামনাশূন্য হয়েছেন,তাঁর কর্ম বলে অার কিছু থাকে না ৷ যিনি কর্ম ও কর্মফলে অাসক্তিবিহীন,তিনি যথাযথভাবে কর্মকরলেও সেটি তাঁকে বন্ধনে ফেলে না ৷ ☀☀ কেবলমাত্র শরীর নির্বাহের জন্য যিনি কর্ম করেন এবং যিনি সিদ্ধি অসিদ্ধিতে নির্বিকার থাকেন তাঁর কৃতকর্ম বন্ধনের কারণ হয় না ৷ যে ব্রক্তি কেবল কর্মের ধারাবাহিকতা ঠিক রাখবার জন্যই কর্ম করে,তার কর্ম সম্পূর্ণ ক্ষয় প্রাপ্ত হয় ৷ *এই কর্মতত্ত্ব সম্যক্ রূপে অবহিত হলে মানুষ কর্ম-বন্ধন থেকে মুক্ত হয়*৷ ❇❇ জড়ত্ব(বিষয়)থেকে সম্বন্ধ বিচ্ছেদ হওয়াই হল তত্ত্বজ্ঞান প্রাপ্ত হওয়া ৷ এই তত্ত্বজ্ঞান নানা সামগ্রীর সাহায্যে সাধিত যজ্ঞের থেকেও শ্রেষ্ঠ ৷ তত্ত্বজ্ঞান প্রাপ্ত হলে মানুষের সকল কর্ম সমাপ্ত হয় ৷ তত্ত্বজ্ঞান লাভ হলে মোহগ্রস্ত হতে হয় না ৷ অত্যন্ত পাপী ব্যক্তিও যদি এই জ্ঞান প্রাপ্ত হয়,তবে সেও সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত হয় ৷ অগ্নি যেমন সমস্ত ইন্ধনকে ভষ্মীভূত করে, তেমনি জ্ঞানরূপ অগ্নি মানুষের সকল কর্ম ভষ্মীভূত করে ৷ 💫💫 অনুকূল বা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে মানুষের সুখী দুঃখী বা রাজি নারাজ হওয়া উচিত নয় ৷কারণ যে সকল মানুষ সুখ দুঃখ ইত্যাদি দ্বন্দ্বে প্রভাবিত হয় ,তারা সংসার চেতনার ওপরে উঠতে পারে না ৷ ✴✴ স্ত্রী পুত্র পরিবার বা ধন সম্পত্তি ত্যাগ করলেই সন্ন্যাসী হওয়া যায় না ৷ যিনি রাগ (অাসক্তি)-দ্বেষ বর্জিত হয়ে অাপন কর্তব্য পালন করেন,তিনিই প্রকৃত সন্ন্যাসী ৷ অনুকুল পরিস্থিতিতে যিনি পুলকিত হননা,প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও উদ্বিগ্ন হন না, এইরূপ দ্বন্দ্ব-রহিত ব্যক্তিই স্বরূপে(পরমাত্মায়)স্থিত থাকেন ৷ সাংসারিক সুখ দুঃখ এবং অনুকূলতা-প্রতিকূলতা ইত্যাদি দ্বন্দ্বই হল দুঃখের কারণ ৷ অতএব বুদ্ধিমান ব্যক্তির কখনও তাতে বদ্ধ হওয়া উচিত নয় ৷ * * * _*// "ওঁ তৎ সৎ" //*_ ●●●●●●●●●●●●● *┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈* *✧══════•❁❀❁•══════✧* *┄❈❥ًً❀──●❀🌹🍒🌻* *"হরে"কৃষ্ণ"হরে"কৃষ্ণ"* *"কৃষ্ণ"কৃষ্ণ"হরে"হরে।"* *"হরে"রাম"হরে"রাম"* *"রাম"রাম"হরে"হরে।।"* *┄❈❥ًً❀──●❀🌹🍒🌻* ╲\ | / /╭━━ " ҉♥️" ҉-━━╮╲\ | / / " ҉♥️" ҉ *কৃষ্ণময় দূপুর* " ҉♥️" ҉- ╱/ | \╲╰━━ " ҉♥️" ҉-"━━╯╱/| \╲ #🌝শুভ দুপুর🌞
#Radha Krishna
GOURANGA SARKAR
#🙌শুভকামনা . *╔════ஜ۩۞۩ஜ════╗* 🏵 *"জয় শ্রীরাধাকৃষ্ণ"* 🏵 *╚════ஜ۩۞۩ஜ════╝* *✧══════•❁❀❁•══════✧* 💞💞💞💞💞💞💞💞 *ভুলিয়া তোমারে,সংসারে আসিয়া,* *পেয়ে নানাবিধ ব্যথা।* *তোমার চরণে,আসিয়াছি আমি,* *বলিব দুঃখের কথা।* *বিদ্যার গৌরবে,ভ্রমি' দেশে দেশে,* *ধন উপার্জন করি।* *স্বজন পালন, করি একমনে,* *ভুলিনু তোমারে, হরি!* *বার্ধক্যে এখন, ভকতিবিনোদ,* *কাঁদিয়া কাতর অতি।* *না ভজিয়া তোরে,দিন বৃথা গেল,* *এখন কি হবে গতি।* 💞💞💞💞💞💞💞💞 *জয় শ্রীরাধারাণী* ●●●●●●●●●●●● *┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈* *✧══════•❁❀❁•══════✧* *┄❈❥ًً❀──●❀🌹🍒🌻* *"হরে"কৃষ্ণ"হরে"কৃষ্ণ"* *"কৃষ্ণ"কৃষ্ণ"হরে"হরে।"* *"হরে"রাম"হরে"রাম"* *"রাম"রাম"হরে"হরে।।"* *┄❈❥ًً❀──●❀🌹🍒🌻* ╭━━ " ҉♥️" ҉-━━╮ ╲\ | / / *কৃষ্ণময়* ╲\ | / / " ҉♥️" ҉ *শুভ সকাল* " ҉♥️" ҉- ╱/ | \╲ *বৃহস্পতিবার* ╱/| \╲ ╰━━ " ҉♥️" ҉-"━━╯ #🙌শুভকামনা
#Radha Krishna
GOURANGA SARKAR
#🌝শুভ দুপুর🌞 ' *╔════ஜ۩۞۩ஜ════╗* ❣ *"রামায়ণ"* ❣ *╚════ஜ۩۞۩ஜ════╝* *✧══════•❁❀❁•══════✧* ' *আজ শুক্রবার* *২০ই মার্চ ২০২০ইং* *০৬ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ* ≪━━━━━━◆❃◆━━━━━━≫ 🥀🥀 রামায়ণ যুগের বানর রাজ সুগ্রীবের নাম নিশ্চয়ই সবাই শুনেছেন? 🍂🍂সুগ্রীব ছিল সূর্যদেবের পুত্র! আর তার ভাই মহাশক্তিধর বালি আবার ছিল দেবতাদের রাজা ইন্দ্রের পুত্র! (অনেকটা অর্জুন ও কর্ণের মত)! বালি এতই শক্তিধর ছিল যে, একদিন সন্ধ্যকৃত্য করার সময় ধ্যানমগ্ন অবস্থায় রাক্ষস রাজ্ রাবণ বালির উপর আক্রমণ করে বসে! কিন্তু বালি ধ্যানমগ্ন থেকেই নিজের লেজ দিয়ে রাবণ কে ধরে এনে নিজে বগলের নিজে ঢুকিয়ে রাখে! 🌿🌿 সুগ্রীব তার সেই মহাশক্তিধর ভাই বালিকে বধ করতে ছল রচনা করেছিল! ঐ ছল রচনার রেশ ধরেই সুগ্রীব অভিশাপগ্রস্ত হয়েছিল এবং রামায়ণ যুগ শেষ হওয়ার পর ও মহাভারত যুগ শুরুর আগে সে এক রাক্ষস হয়ে জন্ম নিয়েছিল! নাম ছিল দম্ভোদভব; পূর্ব জন্মে সূর্যপুত্র সুগ্রীব পরজন্মে ছিল সূর্যের পরম ভক্ত; এবং কঠোর আরাধনা করে সে সূর্যদেব কে প্ৰসন্ন করে উনার কাছ থেকে এক সহস্র কবচের এক মহাশক্তিশালী সুরক্ষা প্রাপ্ত করেছিল! সেই কবচ গুলোর বিশেষত্ব ছিল এই যে, কাউকে সহস্র কবচের এক একটি ভেদ করতে হলে তাকে প্রতিবার এক হাজার বছর তপস্যার করে আসতে হবে এবং একটা কবচ কাটার পর যে কাটবে তার জীবনী শক্তি শেষ হয়ে সে মৃত্যু বরণ করবে! সেই এক হাজার কবচ প্রাপ্তির পর দম্ভোদব রাক্ষস সহস্র কবচ নামে পরিচিত হয়ে উঠল! আর এমন বজ্র কঠিন সহস্র কবচের সুরক্ষা পেয়ে সে মহা অত্যাচারী হয়ে উঠল এবং এক সময় সে দেবতাদের সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করে দিল! 🎋🎋 সেই সময় মহাদেবের পরামর্শে ভগবান বিষ্ণু দুই অংশ হয়ে ব্রহ্মমার মানসপুত্র ধর্ম ও মূর্তির ঘরে জমজ শিশু রূপে জন্ম নিলেন! তাদের নাম হল নর ও নারায়ণ! 🌴🌴 হিমালয়ে কেদার নামক পর্বতশৃঙ্গটি মহাদেবের অত্যন্ত প্রিয় এবং বহুকাল আগে থেকেই মহাদেবের আশীর্বাদ ছিল যে, এখানে যদি কেউ একদিন ধ্যান করে সেটা হবে এক হাজার দিন ধ্যানের সমান! 🌹🌹 একটা সময় নর ও নারায়ণ সেই কেদারশৃঙ্গে গিয়ে মহাদেবের শিষ্যত্ব বরণ করেন এবং মহাদেব কর্তৃক মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্রের জ্ঞান লাভ করে ধ্যানে লীন হয়ে গেলেন! এই ধ্যানমগ্ন অবস্থায় বহুকাল কেটে গেল! এক সময় রাক্ষস সহস্র কবচের নিকট সংবাদ পৌঁছল যে, নর ও নারায়ন নামক দুই ঋষি বহুকাল যাবৎ হিমালয়ের একটু পর্বতে ধ্যানমগ্ন হয়ে আছে; এবং তারা এতটাই শক্তি সঞ্চিত করেছে যে, তাদের মন্ত্র উচ্চারণের ত্যাজ পুরো পর্বতমালা কম্পিত হচ্ছে! 🌈🌈 সহস্র কবচ খুব চিন্তিত হয়ে পড়ল এবং একদিন সে নর ও নারায়ণের উপর আক্রমণ করে বসল! নর ও নারায়ন একজন একজন করে পর্যায়ক্রমে দম্ভোদবের সাথে যুদ্ধ করতে লাগলেন এবং একটা একটা করে কবচ কাটতে লাগলেন এবং প্রতিবার কবচ কাটার যখন তাদের জীবনী শক্তি শেষ হয়ে যায় 🌻🌻তখন একজন আরেক জন কে মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্রবলে বাঁচিয়ে তুলেন! এভাবে যখন ৯৯৯ টি কবচ কাটা পড়ল, তখন রাক্ষস সহস্র কবচ পালিয়ে সূর্য দেবের আশ্রয়ে চলে গেল! এবং সূর্যদেব তাকে নর ও নারায়নের হাত থেকে রক্ষা করতে তার অবশিষ্ট একটি কবচ সহ দেবী কুন্তীর গর্বে স্থাপন করে দেন! এবং কুন্তীর সেই পুত্রই হচ্ছে কর্ণ..! যাকে আমরা সূর্যপুত্র কর্ণও বলে থাকি! আর সেই নর ও নারায়ণ কে জানেন ? তাঁরা আর কেউ নন, নর হলেন স্বয়ং অর্জুন এবং নারায়ণ হলেন স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ! 🌸🌸পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় নর ও নারায়ণ বিষ্ণুর যুগল অবতার রূপে পূজিত হন! _*//জয় সীয়েরাম //*_ ●●●●●●●●●●●●● *┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈* *✧══════•❁❀❁•══════✧* *┄❈❥ًً❀──●❀🌹🍒🌻* *"হরে"কৃষ্ণ"হরে"কৃষ্ণ"* *"কৃষ্ণ"কৃষ্ণ"হরে"হরে।"* *"হরে"রাম"হরে"রাম"* *"রাম"রাম"হরে"হরে।।"* *┄❈❥ًً❀──●❀🌹🍒🌻* ╲\ | / /╭━━ " ҉♥️" ҉-━━╮╲\ | / / " ҉♥️" ҉ *কৃষ্ণময় দুপুর* " ҉♥️" ҉- ╱/ | \╲╰━━ " ҉♥️" ҉-"━━╯╱/| \╲ #🌝শুভ দুপুর🌞
#Radha Krishna
GOURANGA SARKAR
#🌕শুভ বিকেল ' *╔════ஜ۩۞۩ஜ════╗* ❣ *"জয় শ্রীরাধাকৃষ্ণ"* ❣ *╚════ஜ۩۞۩ஜ════╝* *✧══════•❁❀❁•══════✧* ☀☀করোনা'কে উপলদ্ধিতে মহাভারতের অশ্বত্থামা'র কাহিনী মনে পরে গেল...... 🌟🌟 অশ্বত্থামা'র পিতার নাম গুরু দ্রোন আর তার মাতার নাম কৃপী। জন্মের সময় অশ্বত্থামা অশ্বের মত শব্দ করেছিলেন বলে তার এইরূপ নামকরণ করা হয়। ⭐⭐অশ্বত্থামার পিতা গুরু দ্রোণ ছিলেন একজন ব্রাক্ষ্মণ। ব্রাক্ষ্মণ হয়েও তিনি ক্ষত্রিয়ের মতো যুদ্ধবিদ্যায় পারদর্শী ছিলেন। তিনি তার যুদ্ধ শিক্ষা শেখেন তার পিতা ভরদ্দাজ মুণির কাছ থেকে। তার তার পিতার দেওয়া শিক্ষাই তিনি তার ছাত্রদের শেখাতেন। ✴✴যারা ব্রাহ্মণ কুলে জন্মগ্রহণ করে একই সাথে ব্রাহ্মণ্য এবং ক্ষাত্রধর্ম পালন করে তাদের ব্রহ্মক্ষত্রিয় বলা হয়।এজন্য পরশুরামের মত এদেরকেও ব্রহ্মক্ষত্রিয় বলা হয়।একবার তার বাল্যকালের মিত্র রাজা দ্রুপদের কাছে গেলে তিনি গুরু দ্রোণকে অপমান করেন। আর সেই অপমানের প্রতিশোধ নিতে তিনি হস্তিনাপুরে এসে তার যোগ্য শিষ্য খুঁজতে থাকেন। সেখানে তিনি কৌরব কুমারদের সাথে তার একমাত্র ছেলে অশ্বত্থামাকে যুদ্ধ শিক্ষা দিতেন। গুরু দ্রোন দেখতে পেলেন সেখানে ধনু বিদ্যাতে অর্জুনের বিশেষ দক্ষতা অর্জন করছে, তাই তিনি তার ছেলে অশ্বত্থামাকে সেরা ধনুর্বি‌দ হবার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করতে থাকেন। অশ্বত্থামা বহু গুপ্ত অস্ত্র প্রয়োগের কৌশল পিতার কাছ থেকে শিখেছিলেন। ✳✳ কুরুক্ষেত্র যুদ্ধ এ অশ্বত্থামা কৌরবদের পক্ষ অবলম্বন করেন। আর তার পিতা গুরু দ্রোণ তার ছেলে অশ্বত্থামার স্মেহের কারণে কৌরবদের পক্ষে থাকেন। এই কুরুক্ষেত্রে যুদ্ধে অশ্বত্থামার বিশেষ অবদান রয়েছে। তিনি পাণ্ডবদের বহু সেনা হত্যা করেন। তাকে বধ করা প্রায় অসমম্ভ হয়ে পড়ে। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে দ্রোণাচার্য অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠলে দ্রোণকে বধ করার জন্য পাণ্ডবগণ শ্রীকৃষ্ণের সাথে পরামর্শ করেন। আর তখন শ্রীকৃষ্ণ পাণ্ডবদের বলেন কোন ভাবে যদি গুরু দ্রোণের কানে অশ্বত্থামার মৃত্যুর খবর পোঁছানো যায় তাহলে সে সময় ধৃষ্টদ্যুম্ন তাঁকে হত্যা করবে। 🌀🌀 শ্রীকৃষ্ণের পরামর্শ‌ মতে ভীম পাণ্ডবপক্ষের ইন্দ্রবর্মার অশ্বত্থামা নামক হাতীকে হত্যা করেন। আর সেখানে তখন উপস্থিত ছিলেন যুধিষ্ঠির। আর একমাত্র গুরু দ্রোণ যুধিষ্ঠিরের কথাকে বিশ্বাস করবেন। তাই যুধিষ্ঠির দ্রোণের উদ্দেশ্যে 'অশ্বত্থামা হতঃ- ইতি গজ' (অশ্বত্থামানামক হাতী নিহত হয়েছে) বাক্য উচ্চারণ করেন। ইতি গজ শব্দটি আস্তে বলাতে দ্রোণচার্য মনে করেন যে তাঁর পুত্র অশ্বত্থামার মৃত্যু সংবাদ দেওয়া হয়েছে। 🔰🔰এরপর দ্রোণাচার্য অস্ত্র ত্যাগ করলে– ধৃষ্টদ্যুম্ন তাঁকে হত্যা করেন। আর তাতে অশ্বত্থামা ভীষন খেপে যায়। ✨✨অর্জুন কর্তৃক কর্ণের মৃত্যুর পরে দুর্যোধন অশ্বত্থামাকে সেনাপতি নিয়োগ করেন। কুরুক্ষেত্র যুদ্ধে যখন দুর্যোধনসহ কৌরবদের সবাই মারা যায় তখন শেষ সময়ে এসে অশ্বত্থামা দুর্যোধনকে বলেন কি করলে দুর্যোধন মৃত্যু কালে খুশিতে মৃত্যু বরণ করতে পারবেন। আর তার উত্তরে দুর্যোধন বলেন তিনি পাণ্ডবদের বংশকে নিঃচিহ্ন করে দেখতে চান। তার মিত্রের কথা রক্ষার জন্য অশ্বত্থামা সাথে সাথে পাণ্ডবদের শিবিরে গমন করেন। তার সাথে ছিলেন কৌরবপক্ষীয় জীবিত আর দুইজন, কৃপাচার্য ও কৃতবর্মা। রাত্রে অশ্বত্থামা দেখেন গাছের ডালে কাকের বাসাকে প্যাঁচা আক্রমন করছে। তিনি ঘুমন্ত অবস্থায় পাণ্ডবদের হত্যার ষড়যন্ত্র করেন। কৃপ আর কৃত এই নীচ কাজে আপত্তি জানালেও অশ্বত্থামা শুনলেন না। 🌿🌿তারা শিবিরে গিয়ে ধৃষ্টদ্যুম্নকে দেখা মাত্র হত্যা করেন। তারপরে অশ্বত্থামা দ্রৌপদীর পাঁচ ঘুমন্ত পুত্রকে, শিখণ্ডী ও অন্যান্য পাণ্ডব বীরদের হত্যা করেন। উল্লেখ্য, এই সময় পঞ্চপাণ্ডব, কৃষ্ণ গঙ্গাতীরে অবস্থান করছিলেন। তারা এই খবর পেলে অশ্বত্থামা পলায়ন করেন। পুত্রশোকাহত দ্রৌপদীকে শান্ত করতে তাকে যেকোনো প্রকারে বধ করতে যান অর্জুন। তাদের দেখে অশ্বত্থামা শক্তিশালী ব্রহ্মশির অস্ত্র প্রয়োগ করলে অর্জুন বাধ্য হন ব্রহ্মশির দিয়ে ব্রহ্মশির প্রতিরোধ করতে। ব্যসদেবের মধ্যস্থতায় বিপর্যয় নিবৃত্ত হয় কিন্তু সেটা গিয়ে উত্তরার গর্ভে থাকা সন্তানের উপর পড়ে। 🎋🎋অশ্বত্থামার এই পাপের সাজা হিসেবে তার কাছ থেকে শ্রীকৃষ্ণ তার মাথার মনিটি কেড়ে নেন নি। যা ছিল তার বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক। অভিশাপ দেন যে," কখনো অশ্বত্থামার মৃত্যু হবে না। অশ্বত্থামা চাইলেও কোনদিন মৃত্যুবরণ করতে পারবেন না।পৃথিবী যতদিন থাকবে,ততদিন অমর থাকবেন।তবে সে সারা জীবন খুব রোগাগ্রস্থ হয়ে থাকবে।খুব যন্ত্রনা ভোগের থেকে রেহাই পেতেও তার মৃত্যু কিছুতেই হবে না।" এই ঘটনার পর অশ্বত্থামাকে আর কোথাও পাওয়া যায়নি। তিনি মনিহারা শৌর্যহারা হয়ে চলে যান। _*// জয় রাধেশ্যাম //*_ ●●●●●●●●●●●●●●● *┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈* *✧══════•❁❀❁•══════✧* *┄❈❥ًً❀──●❀🌹🍒🌻* *"হরে"কৃষ্ণ"হরে"কৃষ্ণ"* *"কৃষ্ণ"কৃষ্ণ"হরে"হরে।"* *"হরে"রাম"হরে"রাম"* *"রাম"রাম"হরে"হরে।।"* *┄❈❥ًً❀──●❀🌹🍒🌻* ╲\ | / /╭━━ " ҉♥️" ҉-━━╮╲\ | / / " ҉♥️" ҉ *কৃষ্ণময় বিকেল* " ҉♥️" ҉- ╱/ | \╲╰━━ " ҉♥️" ҉-"━━╯╱/| \╲ #🌕শুভ বিকেল
#Radha Krishna
GOURANGA SARKAR
#🙌শুভকামনা ' *╔════ஜ۩۞۩ஜ════╗* 🏵 *"শ্রীমদ্ভাগবত" ও* 🏵 🏵 *"করোনা ভাইরাস"* 🏵 *╚════ஜ۩۞۩ஜ════╝* *✧══════•❁❀❁•══════✧* *করোনা ভাইরাস ও* *ভগবদ গীতা ভাবনা* ≪━━━━━━◆❃◆━━━━━━≫ 🌿 *কার্যকারণকর্তৃত্বে* *হেতুঃ প্রকৃতিরুচ্যতে ।* *পুরুষঃ সুখদুঃখানাং* *ভোক্তৃত্বে হেতুরুচ্যতে ॥* ,,,,,,ভগবদ গীতা১৩/২১ *⚜⚜অনুবাদ :-* _"সমস্ত জড়ীয় কার্য ও কারণের কর্তৃত্ত্ব বিষয়ে প্রকৃতিকে হেতু বলা হয়, তেমনই জড়ীয় সুখ ও দুঃখের ভোগ বিষয়ে জীবকে হেতু বলা হয় ।"_ ● এইসব ভাইরাস , রোগ , শোক দুঃখ সৃষ্টির জন্য আমরাই দায়ী। প্রকৃ্তি শুধু আমাদের কর্ম অনুসারে এ সবের আয়োজন করেন। 💫💫 চুরাশি লক্ষ প্রজাতির জীব আছে এবং তা প্রকৃতিরই সৃষ্টি । জীব তার ইন্দ্রিয়সুখ ভোগের বাসনা অনুসারে ভিন্ন ভিন্ন শরীর প্রাপ্ত হয় । ভিন্ন ভিন্ন শরীরে তখন সে বিভিন্ন রকমের সুখ ও দুঃখ অনুভব করে। *"ময়াধ্যক্ষেণ প্রকৃতিঃ"* ,,,,,,,,,,,,,,(গীতা৯/১০) 🍁🍁 আর এই সমস্ত হয় কৃষ্ণের অধ্যক্ষতায় অর্থাৎ পরিচালনায়। মানুষের সুখ ও দুঃখের কারন তার এই জড় দেহ। আর দেহটি হচ্ছে ইন্দ্রিয়ের পরিণাম। ইন্দ্রিয়গুলি হচ্ছে কামনা বাসনা চরিতার্থ করার যন্ত্র। জীবের কামনা ও কর্ম অনুসারে জড়া প্রকৃতি তাকে বিভিন্ন আবাসনে প্রেরণ করে। কেউ কুকুর আবাসনে , কেউ মানুষ, কেউ গরু , কেউ ছাগল ইত্যাদি এই সমস্ত আবাসনগুলির অর্জনের জন্য জীব নিজেই দায়ী এবং সেই অনুসারে সে সুখ ও দুঃখ ভোগ করে। 🔰🔰 আসুন আমরা কৃষ্ণভাবনায় ভাবিত হই তাহলেই আমাদের জড়া প্রকৃতিকে ভোগ করার কামনা বাসনা থেকে মুক্তি পেয়ে অপ্রাকৃত সুখ লাভ করতে পারব। কারন যতক্ষন আমাদের এই জড় কামনা-বাসনা গুলো থাকবে ততক্ষন দেহান্তর তথা নতুন আবাসন পেতেই থাকবে। 🙏🏻🌿 হরেকৃষ্ণ/ করোনা থেকে সচেতন হোন । হাত সাবান দিয়ে না ধুয়ে চোখ , মুখ ও নাক স্পর্শ করবেন না। _*// রাধেশ্যাম //*_ ●●●●●●●●●●●●● *┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈* *✧══════•❁❀❁•══════✧* *┄❈❥ًً❀──●❀🌹🍒🌻* *"হরে"কৃষ্ণ"হরে"কৃষ্ণ"* *"কৃষ্ণ"কৃষ্ণ"হরে"হরে।"* *"হরে"রাম"হরে"রাম"* *"রাম"রাম"হরে"হরে।।"* *┄❈❥ًً❀──●❀🌹🍒🌻* ╲\ | / /╭━━ " ҉♥️" ҉-━━╮╲\ | / / " ҉♥️" ҉ * #🙌শুভকামনা রাত্রি * " ҉♥️" ҉- ╱/ | \╲╰━━ " ҉♥️" ҉-"━━╯╱/| \╲
#Radha Krishna
GOURANGA SARKAR
#🙏ভক্তি . *╔════ஜ۩۞۩ஜ════╗* ❣ *জয় শ্রীরাধাকৃষ্ণ* ❣ *╚════ஜ۩۞۩ஜ════╝* *✧══════•❁❀❁•══════✧* *❥❥❥════❥❥❥❥═✧* ☆☆╰☞❥ *RADHA KRISHNA*❥☜╯ *মাধব হে তুমি যে মোর নয়নে অঞ্জন।* *হৃদয় গহনে তুমি ভালবাসার মন।।* *মুকুরে মোর প্রতিবিম্ব তুমি দীনবন্ধু।* *ললাট গগনে তুমি পূর্ণিমার ইন্দু।।* *কুঞ্চিত কেশে তুমি মনোহর বেণী।* *মাণিকে খচিত তুমি ললিত উড়নী।।* *বিনোদ তুমি মোর শিরে বিনোদ চূড়া।* *কনকে রচিত তাহা মণি মুক্তায় মোড়া।।* *কপালে কপোলে তুমি সূচিত্র অলকা ।* *ভ্রূ দ্বয়ে আঁকা তুমি রামধনুকের রেখা।।* *নাসার নথ তুমি হে গণ্ডের মণ্ডলে।* *শ্রবনে শোভিত রও সুবর্ণ কুণ্ডলে।।* *অধরে কুমকুম তুমি অরুণ ঝলক।* *নখের চিকনী তুমি বিধুর আলোক।।* _*রাধেশ্যাম*_ *┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈* *✧══════•❁❀❁•══════✧* *┄❈❥ًً❀──●❀🌹🍒🌻* *"হরে"কৃষ্ণ"হরে"কৃষ্ণ"* *"কৃষ্ণ"কৃষ্ণ"হরে"হরে।"* *"হরে"রাম"হরে"রাম"* *"রাম"রাম"হরে"হরে।।"* *┄❈❥ًً❀──●❀🌹🍒🌻* ╭━" " ҉-" ҉♥️" ҉" ҉-"-━╮ ╲\ | / / *কৃষ্ণময়* ╲\ | / / " ҉♥️" ҉ *শুভ সকাল* " ҉♥️" ҉- ╱/ | \╲ *শুক্রবার* ╱/| \╲ ╰━" ҉- " ҉♥️" ҉-" ҉-"━╯ #🙏ভক্তি
#Radha Krishna