Me too
কাস্টিং কাউচ নিয়ে মুখ খুললেন.... অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত #Me too
#MeToo: যৌন হেনস্থায় অভিযুক্ত কুইন পরিচালক বিকাশ বহেল, লেখক চেতন ভগত আবার সামনে এল মি টু। এবার কাঠগড়ায় কুইন খ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক বিকাশ বহেল এবং বেস্ট সেলিং লেখক চেতন ভগত। এছাড়া টাইমস অফ ইন্ডিয়া অবং ডিএনএ-র প্রাক্তন মুখ্য সম্পাদক গৌতম অধিকারীকেও যৌন হেনস্থার দায়ে অভিযুক্ত করা হয়েছে। সোশাল মিডিয়া তোলপাড় হচ্ছে এই ইস্যুতে।যেসব ঘটনার কথা সামনে আসছে তাতে মৌখিক থেকে শারীরিক, সব রকমের যৌন হেনস্থার অভিযোগই উঠে এসেছে। সামনে এসেছে বিভিন্ন ধরনের সোশাল মিডিয়া চ্যাটের স্ন্যাপশট। এসব ঘটনা সংজ্ঞানুযায়ী কর্মক্ষেত্রে যৌন হেনস্থার মধ্যে পড়ে কি না, তা নিয়ে প্রশ্নও অবশ্য তুলতে শুরু করেছেন কেউ কেউ। তবে অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত বেশ কিছু সংস্থা জানিয়েছে, তারা এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিচ্ছে। #Me too
#MeToo: মহিলাকে কী লিখেছিলেন চেতন ভগত্‍‌? হোয়াটসঅ্যাপ 'ছবি' ভাইরালতনুশ্রী দত্তকে সমর্থন করে কয়েক দিন আগেই একটি টুইট করেছিলেন দ্য থ্রি মিস্টেকস অফ মাই লাইফ, টু স্টেটস খ্যাত লেখক চেতন ভগত্‍‌৷ কিন্ত‌ু শনিবার একটি হোয়াটসঅ্যাপ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই চেতন বিপাকে৷ট্যুইটারে লেখকের একটি হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথন ভাইরাল হতেই, বাঁচতে নিজেই নিজের দোষ স্বীকার করলেন সাহিত্যিক চেতন ভগত্‍‌৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজের সেই ছবি দ্রুত ছড়াচ্ছে৷ #Me too
নানা পাটেকরের কোন অন্ধকার দিকের কথা বললেন ডিম্পল, দেখুন বেশ কিছুদিন ধরেই বাংরবার সংবাদের শিরোনামে উঠে আসছেন অভিনেতা নানা পাটেকর। তাঁর বিরুদ্ধে দশ বছর আগে করা যৌন হেনস্থার অভিযোগের পুনরাবৃত্তি করেছেন প্রাক্তন অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত। বিস্ফোরক এই অভিযোগ ঘিরে আবারও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বি-টাউনে। কিন্তু দশ বছর আগে যা হয় নি, তা এবার হচ্ছে। তনুশ্রী পাশে পাচ্ছেন অনেককেই, এবং প্রশ্ন উঠছে, ২০০৮ সালে করা তাঁর এফআইআরের কোনও গতি হলো না কেন।এই প্রসঙ্গে উঠে এসেছে দুটি ভিডিও। একটিতে দেখা যাচ্ছে, ২০০৮ সালে স্টুডিও থেকে বেরোনোর সময় কীভাবে মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা দলের কর্মীদের হাতে লাঞ্ছিতা হচ্ছেন তনুশ্রী। #Me too
#MeToo ঝড়ে তোলপাড় বলিউড। অমিতাভ বচ্চনও সেই ঝড়ের আওতার বাইরে নন। এমতাবস্থায় রীতিমতো শেল ফাটালেন মুম্বইয়ের টেলিতারকা শিল্পা শিন্ডে। সাফ জানিয়ে দিলেন, #MeToo নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি হচ্ছে। ইন্ডাস্ট্রিতে কোনও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে না। দু’পক্ষের সম্মতিতে সব কিছু হয়। #MeToo প্রসঙ্গে মুখ না খুলেই শিল্পা শিন্ডে বলেন, ‘এই সুযোগে অনেকেই ইন্ডাস্ট্রির বদনাম করছেন। ইন্ডাস্ট্রির পরিবেশ খুব ভাল যে তা নয়। তেমনই খুব খারাপও নয়। যার কাজ করতে আসছেন, বা যাঁরা কাজ দিচ্ছেন সব্বাইকে তো আর খারাপ বলা সম্ভব নয়। ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে এলে পরিস্থিতি খারপ হবে কি হবে না সবটাই নিজের উপরে নির্ভর করে। এজন্য অন্যকে দোষ দিয়ে লাভ নেই।’ বলা বাহুল্য, বলিউডের #MeToo ঝড়কে পাত্তাই দিতে চান না অভিনেত্রী শিল্পা শিন্ডে। তাঁর মতে, যখন যৌন হেনস্তার শিকার হয়েছেন তখনই যদি মুখ খুলতেন তাহলে ঠিক ছিল। এতদিন পর তা নিয়ে কথা বলা বেকার। অনেকটা কবর দেওয়ার পর মাটি খুঁড়ে মৃতদেহ তোলার মতো ঘটনা। আচমকাই যৌন হেনস্তা নিয়ে ইন্ডাস্ট্রির মেয়েরা সরব হচ্ছেন। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসায় ইন্ডাস্ট্রিরই বদনাম হচ্ছে। নিজের জন্য কেন ইন্ডাস্ট্রির নাম খারাপ করা হবে? যখন অন্যায় হয়েছিল তখন কেন চুপ করেছিলেন? শুধু ইন্ডাস্ট্রিতেই এমন ঘটনা ঘটে না, যে কোনও কর্মক্ষেত্রেই ঘটে। পুরোটাই নির্ভর করে যার সঙ্গে ঘটছে তাঁর উপরে। উল্লেখ্য, #MeToo ঝড়ে মন্ত্রী এমজে আকবরের পাশে দাঁড়িয়েছেন মধ্যপ্রদেশের বিজেপির মহিলা মোর্চার নেত্রী লতা কেতকর। এমজে আকবর বিভিন্ন সংবাদ সংস্থায় কাজ করার সময় মহিলা সহকর্মীদের শারীরিকভাবে হেনস্তা করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে এমনই এক অভিযোগ প্রকাশ্যে এলে বহু মহিলা সাংবাদিকই #MeToo-কে সমর্থন জানান। বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রী নিজে এখনও মন্তব্য না করলেও মুখ খুলেছেন লতা কেতকর। ওই বিজেপি নেত্রীর বক্তব্য, যে সব মহিলা সাংবাদিক এমজে আকবরের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ এনেছেন তাঁরা কেউই নির্দোষ নন। এককথায় মহিলা সাংবাদিকদের ধোয়া তুলসীপাতা বলতে রাজি নন ওই বিজেপি নেত্রী। যদিও #MeToo-কে সমর্থন করেছেন তিনি। তাঁর মতে এই #MeToo ঝড় মহিলাদের শক্তি জোগাবে। কর্মক্ষেত্রে কোনও ধরনের হেনস্তার শিকার হলে মহিলারা সঙ্গে সঙ্গেই রুখে দাঁড়ানোর এক হাতিয়ার পেয়ে গেলেন। এমনটাই দাবি ওই বিজেপি নেত্রীর। #Me too
বলিউডের #মিটু আন্দোলন নিয়ে সম্প্রতি মুখ খুলেছেন অমিতাভ বচ্চন। নীরবতা ভেঙে দিন দুয়েক আগে নিজের জন্মদিনে তিনি বলেছিলেন, ‘‘কোনও মহিলাই যেন দুর্ব্যবহার বা অবাঞ্ছিত আচরণের শিকার নাহন। বিশেষ করে তাঁর কর্মক্ষেত্রে।’’ কিন্তু তিরটা যে তাঁর দিকেই ঘুরে যাবে, তাঁকেও যে নিশানা হতে হবে তা বোধহয় ভাবেননি বিগ বি। কারণ এ বার #মিটু নিয়ে অমিতাভকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেছেন বলিউডের হেয়ার স্টাইলিস্ট স্বপ্না ভাবনানি। স্বপ্নার টুইট নিয়ে শোরগোল শুরু হয়েছে বলিউডে। তিনি লিখেছেন, ‘‘বচ্চন যৌন হেনস্থা করেছেন, এমন বহু ঘটনা আমি শুনেছি। আমি আশা করব, সেই মহিলারা এ বার অন্তত মুখ খুলবেন। ওঁর ভণ্ডামি দেখতে দেখতে ক্লান্ত হয়ে গিয়েছি...।’ অমিতাভের নাম না করলেও, স্বপ্নার আক্রমণের নিশানা যে তিনিই, তা এক প্রকার স্পষ্ট। কারণ সদ্য নিজের জন্মদিনে #মিটু নিয়ে অমিতাভ মুখ খোলার পরই স্বপ্না লিখেছিলেন, ‘‘এটা সব চেয়ে বড় মিথ্যে। স্যর, ‘পিঙ্ক’ মুক্তি পেয়ে চলেও গিয়েছে। আপনার আন্দোলনকারী ভাবমূর্তিটাও দ্রুত উধাও হয়ে যাবে। আপনার সত্যিটা শীঘ্রই সামনে আসবে। আশা করি, আপনি (দুশ্চিন্তায়) হাত কামড়াচ্ছেন, কারণ, নখ আর অবশিষ্ট নেই।’’ আরও পড়ুন, ঘরে যাওয়ার পর সাজিদ পোশাক খুলতে বলেছিল... বিস্ফোরক র‌্যাচেল কিন্তু অমিতাভকে নিশানা করার সাহস দেখালেন যে স্বপ্না, তিনি কে? ৪৭ বছরের এই মহিলা পেশায় হেয়ার স্টাইলিস্ট। মুম্বইয়ের এই বাসিন্দা নিজেকে নারীবাদী বলতে পছন্দ করেন। ছবি তোলা, ব্লগ লেখা তাঁর শখ। নিজের প্রোডাকশন হাউসও রয়েছে। ‘বিগ বস’-এর মতো জনপ্রিয় টেলিভিশন শো-এ অংশ নিয়েছিলেন। আবার ‘প্যায়ার কা সাইড এফেক্টস’, ‘আগলি অউর পাগলি’র মতো সিনেমায় অভিনয়ও করেছেন। কিন্তু প্রশ্ন হল, স্বপ্নার এ হেন অভিযোগের পর বলি মহল কি আদৌ কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে অমিতাভকে? শুধু স্বপ্নাই নন, এক চলচ্চিত্র সাংবাদিক, যাঁর টুইটার হ্যান্ডল রোজি রোটি নামে, তিনিও সমর্থন করেছেন স্বপ্নাকে। তিনি টুইট করেন, ‘বচ্চনের দুর্ব্যবহারের বহু ঘটনা সাংবাদিকদের কাছে শুনেছি। কিন্তু এগুলো এমনই ঘটনা যেগুলো প্রকাশ্যে বলা যায় না। তবু কিছুটা বলে এই ঘটনাগুলো বন্ধের চেষ্টা তো করা যায়...।’ বলিউডের #মিটু আন্দোলন নিয়ে সম্প্রতি মুখ খুলেছেন অমিতাভ বচ্চন। নীরবতা ভেঙে দিন দুয়েক আগে নিজের জন্মদিনে তিনি বলেছিলেন, ‘‘কোনও মহিলাই যেন দুর্ব্যবহার বা অবাঞ্ছিত আচরণের শিকার নাহন। বিশেষ করে তাঁর কর্মক্ষেত্রে।’’ কিন্তু তিরটা যে তাঁর দিকেই ঘুরে যাবে, তাঁকেও যে নিশানা হতে হবে তা বোধহয় ভাবেননি বিগ বি। কারণ এ বার #মিটু নিয়ে অমিতাভকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেছেন বলিউডের হেয়ার স্টাইলিস্ট স্বপ্না ভাবনানি। স্বপ্নার টুইট নিয়ে শোরগোল শুরু হয়েছে বলিউডে। তিনি লিখেছেন, ‘‘বচ্চন যৌন হেনস্থা করেছেন, এমন বহু ঘটনা আমি শুনেছি। আমি আশা করব, সেই মহিলারা এ বার অন্তত মুখ খুলবেন। ওঁর ভণ্ডামি দেখতে দেখতে ক্লান্ত হয়ে গিয়েছি...।’ অমিতাভের নাম না করলেও, স্বপ্নার আক্রমণের নিশানা যে তিনিই, তা এক প্রকার স্পষ্ট। কারণ সদ্য নিজের জন্মদিনে #মিটু নিয়ে অমিতাভ মুখ খোলার পরই স্বপ্না লিখেছিলেন, ‘‘এটা সব চেয়ে বড় মিথ্যে। স্যর, ‘পিঙ্ক’ মুক্তি পেয়ে চলেও গিয়েছে। আপনার আন্দোলনকারী ভাবমূর্তিটাও দ্রুত উধাও হয়ে যাবে। আপনার সত্যিটা শীঘ্রই সামনে আসবে। আশা করি, আপনি (দুশ্চিন্তায়) হাত কামড়াচ্ছেন, কারণ, নখ আর অবশিষ্ট নেই।’’ আরও পড়ুন, ঘরে যাওয়ার পর সাজিদ পোশাক খুলতে বলেছিল... বিস্ফোরক র‌্যাচেল কিন্তু অমিতাভকে নিশানা করার সাহস দেখালেন যে স্বপ্না, তিনি কে? ৪৭ বছরের এই মহিলা পেশায় হেয়ার স্টাইলিস্ট। মুম্বইয়ের এই বাসিন্দা নিজেকে নারীবাদী বলতে পছন্দ করেন। ছবি তোলা, ব্লগ লেখা তাঁর শখ। নিজের প্রোডাকশন হাউসও রয়েছে। ‘বিগ বস’-এর মতো জনপ্রিয় টেলিভিশন শো-এ অংশ নিয়েছিলেন। আবার ‘প্যায়ার কা সাইড এফেক্টস’, ‘আগলি অউর পাগলি’র মতো সিনেমায় অভিনয়ও করেছেন। কিন্তু প্রশ্ন হল, স্বপ্নার এ হেন অভিযোগের পর বলি মহল কি আদৌ কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে অমিতাভকে? শুধু স্বপ্নাই নন, এক চলচ্চিত্র সাংবাদিক, যাঁর টুইটার হ্যান্ডল রোজি রোটি নামে, তিনিও সমর্থন করেছেন স্বপ্নাকে। তিনি টুইট করেন, ‘বচ্চনের দুর্ব্যবহারের বহু ঘটনা সাংবাদিকদের কাছে শুনেছি। কিন্তু এগুলো এমনই ঘটনা যেগুলো প্রকাশ্যে বলা যায় না। তবু কিছুটা বলে এই ঘটনাগুলো বন্ধের চেষ্টা তো করা যায়...।’ #Me too
#MeToo নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সুর চড়িয়েছিলেন কৌতুকশিল্পী অদিতি মিত্তল। এবার তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুললেন আর এক কৌতুকশিল্পী কানিজ সুরখা। টুইটারে একটি দীর্ঘ চিঠিতে কানিজ অভিযোগ করেছেন, দুবছর আগে তাঁকে জোর করে চুমু খেয়েছিলেন অদিতি মিত্তল। কানিজের কথায়,''একটি কৌতুক অনুষ্ঠানের মঞ্চে উঠে আসেন অদিতি। সেখানে তখন ছিলেন একশোজন দর্শক ও অন্য কৌতুকশিল্পীরা। তাঁদের সামনেই আচমকা জোর করে আমার ঠোটে চুম্বন দেন অদিতি। তাঁর জিভ আমার মুখের মধ্যে পুরে দিয়েছিলেন। তখন আমি মঞ্চেই ছিলাম। আমার অনুমতিও নেননি অদিতি''। ঘটনাটির পর মিত্তলের সঙ্গে এনিয়ে কথা বলেন কানিজ। তখন ক্ষমা চান তিনি। পরে অদিতি খারাপ আচরণ শুরু করেন। টুইটার পোস্টে কানিজ লিখেছেন, প্রত্যেকেরই নিজস্ব পছন্দ ও সীমা রয়েছে। কিন্তু সীমা লঙ্ঘন করেছিলেন অদিতি। কানিজ আরও লিখেছেন, হেনস্থার বিরুদ্ধে টুইটারে সোচ্চার হয়েছেন মিত্তল। সেই প্রসঙ্গ তুলে কানিজ লিখেছেন, ''এব্যাপারে গতকালও এক বন্ধুর মাধ্যমে অদিতি মিত্তলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। অনুরোধ করেছিলাম, আমি নিজের পরিচয় গোপন রাখব, আপনি প্রকাশ্যে ক্ষমা চান। আগে ব্যাপারটি স্বীকার করলেও এবার চুম্বনের বিষয়টি মানতেই চাননি তিনি''। সুরখার অভিযোগের পর #MeToo ক্যাম্পেনের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেন অভিযুক্ত পুরুষরা। তা অনুভব করেই কানিজ মনে করিয়ে দিয়েছেন, পুরুষদের বাঁচানোর জন্য নয়, বরং নিজের মনের কথাই তুলে ধরেছেন। বলে রাখি, অল ইন্ডিয়া বকচোদের সদস্য কানিজ সুরখা ও অদিতি মিত্তল। তাদের বেশ কয়েকটি ভিডিওতেও দেখা গিয়েছে তাঁদের। এআইবি-র বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়ে গিয়েছে #MeToo ক্যাম্পেন। #Me too
#মিটু’ ঝড়ে যখন তোলপাড় বলিউড, ঠিক তখনই যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠল গায়ক অভিজিৎ ভট্টাচার্যের দিকেও। অভিযোগ করলেন এক বিমানসেবিকা। আর সেই অভিযোগের উত্তর দিতে গিয়ে আরও এক প্রস্ত বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন অভিজিত। ওই বিমানসেবিকার অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে গায়ক বললেন, ‘‘মোটা আর কুৎসিত দেখতে মহিলারাই এই ধরনের অভিযোগ সচরাচর করে থাকেন।’’ ওই বিমানসেবিকার দাবি, ‘‘অভিজিত্ জোর করে আমায় চুমু খাওয়ার চেষ্টা করছিল। আমার বাঁ কানে বার বার খোঁচাচ্ছিল।’’ ২০ বছর আগে কলকাতার একটি পাবে ঘটনাটি ঘটেছিল বলে দাবি করেছেন ওই বিমানসেবিকা। সেই অভিযোগকে অবশ্য একেবারেই উড়িয়ে দিয়েছেন অভিজিৎ।সঙ্গে ব্যঙ্গ করে বলছেন, ‘‘সে সময় তো আমার জন্মই হয়নি!’’ আলটপকা মন্তব্যের জন্য তিনি কুখ্যাত। কখনও পড়শি মহিলাকে কুকথা তো আবার কখনও শাহরুখ খানকে খোঁচা। আর বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে বেশ কয়েকবার তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও দায়ের হয়েছে। তবে এ বার যেন শালীনতার সমস্ত মাত্রাই ছাপিয়ে গেলেন গায়ক অভিজিৎ ভট্টাচার্য। আরও পড়ুন: জোর করে চুমু খেয়ে অভিজিৎ বলল, কী ভাব আমাকে! # মিটু বিতর্কে অভিযোগ বিমানসেবিকার গায়কের কথায়, ‘‘বিষয়টা আমি ফোনে একজনের কাছ থেকে জানতে পারি। সে সময়ে তো আমার জন্মই হয়নি। আর আমার গোটা জীবনে এক দিনের জন্যও আমি পাবে যাইনি। আমি ফিল্মি পার্টিতে গিয়েছি— এরকম কোনও ছবি পেজ থ্রিতে দেখতে পাবেন না। আমার নামটা আসলে বিক্রি হয়। আর তাতে যদি কারও লাভ হয়, তা হলে আমার সমস্যা নেই। মানে, আমার নাম ভাঙিয়ে কারও যদি খাবারের সংস্থানটা হয়ে যায়, তাহলে ঠিক আছে।’’ আরও পড়ুন: ধর্ষণের কাঠগড়ায় এ বার ‘সংস্কারি’ অলোক নাথ, ফেসবুকে বিস্ফোরক পোস্ট বিনতা নন্দার অভিযোগকারিণীর এ হেন অভিযোগকে গুরুত্ব দিতেই নারাজ অভিজিৎ। তাঁর কথায়, ‘‘আমি সত্যিই জানি না কার বিরুদ্ধে আমার ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আর ওই মহিলাকে আমি গুরুত্ব দিতেই বা যাব কেন? যে সমস্ত মানুষে এখন এই বিষয়টা নিয়ে সরব হচ্ছেন, আদতে তাঁরা নোংরা এবং কুৎসিত। কোই মোটা হ্যয়, কোই পাতলা হ্যয়! শুধুমাত্র মিডিয়ার নজরে থাকার জন্যই এই কথাগুলো বলছেন তাঁরা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মোটা এবং কুৎসিত মহিলারাই এমন অভিযোগ সচরাচর করে থাকেন। আর সেই সময়ে তো আমি জন্মাইনি, তাই কোনও প্রশ্নই ওঠে না।” #Me too