শুভ রাখী বন্ধন

শুভ রাখী বন্ধন

#

রাখী বন্ধনের শুভেচ্ছা

दोस्तों अगर आप एक्स्ट्रा इनकम करना चाहते है तो ये आप के लिए एक सुनहरा मौका है। 👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇MoneyKing आप को हर रोज कम से कम 1000 रुपए कमाने का मौका दे रहा है। 😲😲😲😲😲😲😲😲😲😲 अब आप ये सोच रहे होंगे की कोई हमें इतने रुपए क्यों देगा, तो हम आप को बता दे की MoneyKing आप को ये रुपए फ्री में नहीं दे रहा है, आप को हर रोज इस ऐप्प पर कुछ देर काम करना है अपना थोड़ा सा समय इस app को देना है, उसके बदले में आप को ये इनकम दी जाएगी। 📱📱📱📱📱📱📱📱📱📱दोस्तों कंपनी ये सब अपने प्रमोशन के लिए कर रही है। तो अभी app download करे और अपने दोस्तों को भी शेयर करे। Hey check out my app at: https://play.google.com/store/apps/details?id=com.paisaking99
132 views
6 months ago
#

শুভ রাখী বন্ধন

গল্প : দাদা বোনের পবিত্র ভালোবাসা, হাতে ৫ মিনিট সময় থাকলে আমার লেখা গল্পটি পড়তে পারেন আশা করি ভালো লাগবে ********************* রাত্রি -: দাদা, ও সোনা দাদা। রানা-:(ঘুম জড়িত কন্ঠে) কিরে কি হয়েছে? রাত্রি-: ও দাদা কলেজে যাবেনা? মা বকছে। রানা-: হ্যাঁ রে যাবো। রাত্রি-:তাহলে ওঠোনা কেন? মহিষের মতো পরে পরে ঘুমালে হবে? ওঠো। রানা-:ওরে আমার পিচ্চি বুড়ি এত শাসন? রাত্রি-: হুম, এই বাঁন্দর তোকে উঠতে বলছিনা। রানা-:উঠছি পিচ্চি বুড়ি,উম্মম্মাহহ। """"""""""" খুব দ্রত উঠে রানা রাত্রিকে একটা পাপ্পি দিয়ে ফ্রেশ হতে চলে গেল। রানা বাবা মায়ের একমাত্র ছেলে আর রাত্রি হল তার একমাত্র আদরের ছোট বোন। সারাদিন দুষ্টুমিষ্টি ভালবাসায় কাটে এদের দিন। রানা ফ্রেস হয়ে নাস্তার টেবিলে বসলো। রানা-:মা রাত্রি কি নাস্তা করেছে? মা-:না, তোর পাগলি বোন কি তোকে ছাড়া খায়? রানা-: হুম।রাত্রিকে ডাকো। """"""""""""" রাত্রি-: ও দাদা আমাকে ডেকেছো? রানা-:হুম, এই পিচ্চি বুড়ি তুই খাসনি কেন? রাত্রি-:গাধা টা আমি কি তোকে ছাড়া কখনো একা খাই? রানা-:বুঝেছি পাকা বুড়ি, এখন বস নাস্তা করবি। রাত্রি-:ঠিক আছে। """""""""" রানা-:কিরে কিছুই তো খাচ্ছিসনা। রাত্রি-:খাবো কিভাবে? রানা-:কেন তোর হাত আছেনা? রাত্রি-: আছে, কিন্তু,,,,। রানা-:কিন্তু কি? বল। রাত্রি-:আমার হাত তো......। রানা-:দেখি কি হয়েছে তোর হাতে। রাত্রি-:কই কিছুনাতো। রানা-: এটা কিভাবে হলো? তোর হাত এতখানি পুড়লো কিভাবে? রাত্রি-:ধুর গাধা এইটুকু কিচ্ছু হবেনা। রানা-:আজকে আর কলেজে যাবোনা। মা, ওমা এদিকে এসো তাড়াতাড়ি। মা-:কি হয়েছে? রানা-:রাত্রির হাত পুড়ে গেল কিভাবে? মা-:এইতো আমাকে বললো, মা আমি আজকে দাদার জন্য রুটি বানাবো।আমি বললাম তুই পারবিনা কিন্তু জানিস তো তোর বোন কত জেদী মেয়ে কিচ্ছু শোনেনা।তারপর আমি ওকে রান্না ঘড়ে রেখে রুমে এসেছিলাম।তারপর ও গ্যাস চালু করে কিভাবে যেন পুড়িয়ে ফেলেছে। রানা-:এই পাগলি তুই রুটি বানাতে গেয়েছিলি কেন? রাত্রি-:বা রে আমার দাদার জন্য বুঝি আমি রুটি বানাতে পারবোনা। রানা-:হুম শিখেছিস তো বড় বড় কথা তাহলে হাত পুড়ে গেল কেন। রাত্রি-:ধুরর এইটুকু কিচ্ছু হবেনা। """""""""" রাত্রিকে এসব বলছিলো আর রানার দুচোখ বেয়ে জল পরছিল। আর ভাবছিল এত ভালবাসে তাকে এই পিচ্চি বুড়িটা, এইটুকু বয়সে সে এতকিছু করতে চায় তার জন্য। """"""" রাত্রি-:ও দাদা তুমি কাঁদো কেন? রানা-:তুই জানিস না তুই আমার কলিজা।তোর কিছু হলে আমি বাঁচবো কি করে। অনেকটা পুড়ে গেছে রাত্রির হাত তবু যেন সেদিকে তার খেয়াল নেই। দাদার কথা শুনে খুশি হয়ে সে তার মাকে বলে,, রাত্রি-:ও মা তুমি তো বলছিলে দাদা পচা। তুমি পচা,, দেখো দাদা কতো ভাল,, দাদা বলেছে আমি তার কলিজা। রানা-: আর কোনদিন রুটি বানাতে যাবিনা। রাত্রি-:আচ্ছা। আমার লক্ষী দাদা আর কাঁদবেনা। রানা-:আর মা তুমি আমাকে বললেনা কেন একথা। মা-:তোকে বলিনি কারন,তুই আবার চিল্লাচিল্লি, কান্না শুরু করে দিবি। রানা-:এই বুড়ি চল ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবো তোকে। রাত্রি-:এই গাধা আমি বুড়ি না।তুই বুড়া। """"""""" তারপর রানা রাত্রিকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যায়। রানা অনেক ভালবাসতো তার এই ছোট বোনকে।রাত্রির সামান্য কিছু হলেই রানা কাঁদতো। এভাবে চলতো তাদের দাদা বোনের পবিত্র ভালবাসা। """"""""" একদিন কিছু একটা নিয়ে মা বাবার সাথে ঝগড়া হয় রানার। সেদিন রানা সারাদিন বাড়ি ফেরেনি। বাড়ি না ফেরার কারনে রাত্রিকে অনেক চেষ্টা করেও একটিবারেও খাওয়াতে পারেনি কেউ। আরা প্রচন্ড কান্না করছিল সে। রাত্রি-: তোমরা সবাই পচা, তোমাদের জন্য আমার সোনা দাদাটা চলে গেছে, তোমরা যাও আমার কাছ থেকে কেউ আসবে না। """"""" তারপর অনেকটা রাত হয়ে সবাই ঘুমিয়ে পরে শুধু এই পাগলিটা ছাড়া। সবাই ঘুমিয়ে পড়লেও দাদার আশায় জেগে থাকে ছোট্ট মেয়েটি। অনেক রাতে রানা বাড়ি ফিরে আসলো আর না খেয়েই রুমে গিয়ে শুয়ে পড়লো। রানা যে এসেছে এটা রাত্রি ঠিক বুঝতে পারলো কারন সে তখনো জেগে ছিল আর কাঁদছিলো। রাত্রি তখন দ্রুত টেবিল থেকে এক প্লেট ভাত নিয়ে রানার রুমে গেল। রাত্রি-: দাদা, ও সোনা দাদা। রানা-:(ঘুম জড়িত কন্ঠে) কিরে বুড়ি কিছু বলবি। রাত্রি-:(কাঁদে আর বলে) ও দাদা তুমি কোথায় ছিলে সারাদিন? রাত্রির কান্নার শব্দ শুনেই বিছানা থেকে লাফ দিয়ে উঠে যায় রানা। রানা-:এই পাগলি তুই কাঁদছিস কেন আর তোর হাতে ভাতের প্লেট কেন? রাত্রি-:আমি ভেবেছিলাম তুমি চলে গেছো। আর সারাদিন তো মনে হয় কিছু খাওনি কারন তুমি তো আমাকে না খাইয়ে দিয়ে আগে কিছু খাওনা। """"""""" এরপর রানা রাত্রির হাত থেকে ভাতের প্লেট নিয়ে টেবিলে রেখেই রাত্রিকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে আর সাথে রাত্রিও। রানা-: আমি এই পিচ্চি বুড়িটাকে রেখে কোথাও যাবোনা।আমি জানি তুইও সারাদিন না খেয়ে আছিস কারন তুইও তো আমাকে ছাড়া খাসনা। """"""""" এরপর রানা নিজের হাতে রাত্রিকে খাইয়ে দেয় আর নিজেও খায়। সকালে মা রাত্রিকে বিছানায় না পেয়ে খুজতে খুজতে রানার রুমে চলে যায়। তিনি দেখতে পান পিচ্চি বুড়িটা তার দাদার বুকের উপর ঘুমিয়ে আছে আর পাশের টেবিলে প্লেট। এটে দেখে তিনি সব বুঝতে পারলেন।নিজের চোখের জলকে আর আটকাতে পারলেন না, কেঁদে ফেললেন পাগল পাগলির ভালবাসা দেখে। """"""""""" কে জানতো এমন একটা ভালবাসার মধ্যেও কালবৈশাখী ঝড় প্রবেশ করে ভাইবোনের এই পবিত্র ভালবাসার ইতি টানবে। """"" কিছুদিন পর রানার বাবা মা তাদের গ্রামের বাড়িতে যেতে চাইলো রাত্রিকে নিয়ে।কিন্তু রাত্রি রানাকে ছেড়ে যেতে চাইল না, আর রানাও যেতে দিতে চাইল না। বাবা মা অনেক বুঝিয়ে রানা আর রাত্রিকে রাজি করালো। এরপর তারা রাত্রিকে নিয়ে গ্রামে চলে গেল আর রানা একা থেকে গেল বাড়িতে কারন তার কলেজ ছিল তাই সে যায়নি। """""""" এরপর প্রতিদিন বারবার ছোট্ট বুড়িটা ফোন করে রানার খোঁজ নিত,,,,খেয়েছে কিনা, তার জন্য যেন না কাঁদে আরো অনেক কিছু। এরপর ঘটলো এক ভয়ানক দূর্ঘটনা যা সব শেষ করে দিল। রাত্রিকে সহ তার বাবা মা শহরের উদ্দেশ্য রওনা দিলো। অনেকটা পথ এসেই ঘটলো দূর্ঘটনা। তাদের সেই বাসটা নিয়ন্ত্রন হারিয়ে পরে যায় বিশাল একটা খাদে।তারপর সব শেষ। তার বাবা মা যখন জ্ঞান ফিরে পেল তখন তারা রাত্রিকে খুজতে লাগল সেই হাসপাতালে। ডাক্তাররা জানায় বাসের সবাইকে এই হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। তারা খুজকে খুজতে মর্গে চলে গেল যেখানে লাশ রাখা ছিল। একটা একটা করে লাশ দেখতে হঠাৎ চিৎকার করে উঠলেন রানার মা। বুঝতে আর বাকি রইলনা যে, পৃথিবী ত্যাগ করে না ফেরার দেশে চলে গেছে পিচ্চি বুড়ি রাত্রি। রাত্রির বডিটা একদম বিভৎস্য হয়ে গেছে, মনে হয় উল্টে যাওয়া বাসের নিচে পরে গেছিল। এটা সহ্য করতে না পেরে অজ্ঞান হয়ে যায় তার মা। রানাকে ফোন করলো তার বাবা। রানা পাগলের মতো ছুটে এলো হাসপাতালে।এরমধ্যে তার মায়ের জ্ঞান ফিরেছে। রানা এসেই চিৎকার করতে থাকে,কোথায় রাত্রি। এরপর রাত্রির লাশের কাছে তাকে নিয়ে যাওয়া হল। রাত্রিকে দেখেই হতভম্ব হয়ে যায় রানা।অনেকক্ষন কোন কথা বলেনা রানা। সবাই ভাবলো এ আবার পাগল হল নাকি। হঠাৎ চিৎকার শুরু করে দিল রানা আর তার বাবা মাকে বলতে লাগল,,, রানা-:(চিৎকার করে) তোমরা খুনি,তোমরাই মেরে ফেলেছো আমার পিচ্চি বুড়িটাকে, তোমাদের কতো করে বললাম ওকে নিয়ে যেওনা, পাগলীটা থাকতে পারবেনা আমাকে ছাড়া তবুও তোমরা নিয়ে গেলে আর মেরে ফেললে, ফিরিয়ে দাও আমার পিচ্চি বুড়িকে। """"""" রানার চিৎকার শুনে হতভম্ব হয়ে যায় পুরো হাসপাতাল। রানা-:(কেঁদে কেঁদে) কিরে পাগলী তুই নাকি আমাকে ছাড়া থাকতে পারিসনা,তুই তো আমাকে না দেখলে কেঁদে ফেলিস তাহলে এখন ঘুমিয়ে আছিস কেন? কেন একা রেখে গেলি আমাকে সার্থপরের মতো? ওঠনা পাগলি আর কখনো তোকে ছেড়ে কোথাও যাবোনা, ও বাবা ও মা আমার পিচ্চি বুড়িটা কথা বলেনা কেন, ও কি আর ঘুম থেকে উঠবেনা? এসব বলে আর চিৎকার করে কাঁদে রানা। ওর কান্না দেখে সবাই কেঁদে ফেলে। """""""""""" তারপর সেই ছোট্ট পরীটাকে ছোট্ট সাদা কাপড়ে ঢেকে রেখে শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হলো। এরপর প্রতিরাতেই রানাকে চিৎকার করে কাঁদতে শোনা যায়। বেশিরভাগ সে যখন খেতে বসতো আর পিচ্চি বুড়িটাকে দেখতো পেতোনা খাবার টেবিলে তখন। মাঝে মাঝে রানাকে শ্মশানের পাশে দেখা যেত। সে বলতো, কিরে বুড়ি কিভাবে আছিস আমাকে ছেড়ে ।তোর কি ভয় করেনা?? -----(সমাপ্ত)----- বি: দ্র: গল্পটা কেমন হয়েছে জানাবেন। লেখায় ভুল-ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। ..........#MYSTERIOUS__BOY✍️✍️😭😭
37.4k views
6 months ago
#

রাখী বন্ধনের শুভেচ্ছা

ღ_ღ_ মেঘার সাথে আমার প্রথম দেখা আজ থেকে প্রায় ২ বছর আগে। কোন এক পড়ন্ত বিকেলে সূর্য যখন প্রায় ডুবতে যাচ্ছে ঠিক এমন সময়ে ক্লাস শেষ করে বাসায় আসছিলাম। এমনিতেই সারাদিনের ক্লাসের চাপে প্রচন্ড টায়ার্ড। বাসে একটি সিট পেতেই বসে পরলাম। পাশে একটি মেয়ে বসেছিল। বাসের হেল্পার যখন ভাড়া নিতে আসল তখন আমি ভাড়া দিয়ে দিলাম। কিন্তু পাশের মেয়েটি বলল ভাড়া পরে নিতে। হেল্পার চলে গেলে মেয়েটি ফোনে কার সাথে যেন কথা বলছিল। কথা-বার্তা থেকে বুঝলাম ওর কাছে কোন টাকা নেই। আমি সাধারণত অপরিচিত কারও সাথে যেচে পড়ে কথা কখনই বলি না। কিন্তু ফোন রাখার পর আমি ওকে বললাম যে ভাড়া নিয়ে কোন টেনশন না করতে। আমি দিয়ে দিব। সাথে সাথে ও আমার সাথে ঝগড়া করা শুরু করে দিল। কেন আমি তার ভাড়া দিব, আমার কি ঠেকা পড়েছে এই নিয়ে বিশাল প্যানপ্যানানি শুরু করল। এমনিতেই খুব ক্লান্ত ছিলাম তাই আর কোন কথা না বলে ওকে সরি বলে সিটে মাথাটা এলিয়ে দিলাম। কিছুক্ষণের মধ্যে বোধ হয় হেল্পার এল এবং বিশাল জোড়ে চিল্লাচিল্লি করা শুরু করল। সামনের সিট থেকে উতসুক কয়েকজন উঠে এল এবং নানাকথা বলতে লাগল। পাশে তাকিয়ে দেখি প্রচন্ড শক্ত মেয়েটা লজ্জায় একেবারে চুপসে গিয়েছে। আমি আর কোন কথা না বলে হেল্পারকে ১০ টাকা দিয়ে দিলাম। সারা রাস্তায় ও আরেকবারও একটি কথাও বলল না। মনে মনে বললাম কি রকম দেমাগ মেয়ের! একটা ধন্যবাদও দিল না। দুনিয়া বড়ই আজীব। পরের স্টপিজে ও যখন নামতে নিল তখন হঠাত করেই বলল- আপনার মোবাইল নম্বরটা দিন। টাকা ফ্লেক্সি করে দিব। আমি তাকে আমার মোবাইল নম্বরটা দিয়ে দিলাম। সেদিন রাতেই আমার মোবাইলে ১০ টাকা চলে আসল। টাকা পাওয়ার সাথে সাথে মনে মনে হেসে উঠলাম। কয়েকদিন পরের ঘটনা। আমি এক দিন একা হাটতে হাটতে বই মেলায় চলে এসেছি। চারদিকে অনেক তরুন-তরুনী। প্রত্যেকটা সেকেন্ডে আমার অনুভূতি তখন চেঞ্জ হচ্ছিল। একবার মনে হচ্ছিল একা এসে চরম বোরিং লাগছে। ফ্রেন্ডদের নিয়ে আসলে অনেক ভাল হত। আবার মনে হচ্ছিল একা এসে ঠিকই করেছি। আমার আবার পুরা পাগলা রোগ ধরেছে। যেই দৃশ্যই দেখি কেন যেন মনে হয় এটাই আমি কিছুদিন আগে স্বপ্নে দেখেছি! হঠাত করে পকেটের মোবাইলে রিং বেজে উঠল। সম্পূর্ণ অপরিচিত এক নম্বর। ফোন টোন রিসিভ করতে এক-দম ইচ্ছে করছিল না। তাও করলাম। ওপাশ থেকে এক মেয়ে কন্ঠ প্রথমেই জিজ্ঞাস করল আমি ব্যস্ত কি না!! ফোন করলে মানুষ হাই হ্যালো এসব বলে। কিন্তু ব্যস্ত কি না এটা জিজ্ঞাস করতে এই প্রথম দেখলাম। আমার ইতস্তত দেখে ওপাশ থেকেই বলল যে ও ওই বাসের মেয়েটা। ওই ঘটনা প্রায় ভুলেই গিয়েছিলাম। যাই হোক, কিছুক্ষণ কথা হল। হঠাত করে ও বলল ও বইমেলায়। পুরাই টাস্কি খেয়ে গেলাম। তারপর ওকে আমার অবস্থানের কথা বললাম। ও সব কিছু জেনে আমাকে ৪ মিনিট বট-বৃক্ষের মত দাড়ায়ে থাকতে বলল। আমি তার আদেশ পালন করতে লাগলাম। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই মনে হল আমার এই উসকো চেহারা দেখলে ও তো দৌড়ে পালাবে! তাও কথা যেহেতু দিয়েই ফেলেছি সেহেতু থাকতেই হয়। ও এসে উপস্থিত হয়েই আমার চেহারার করুণ অবস্থা নিয়ে প্রচন্ড বড় বক্তৃতা দেওয়া শুরু করল। আরে বাপ, একজন আরেকজনের নামই জানি না তাতেই এত কিছু! আরও কথার মাঝখানে তার নাম পরিচয় নেওয়া হল। কথা থেকে বুঝলাম দুইজনই বই পাগল। সেখান থেকেই শুরু। কি এক অজানা বাধনে বাধা পড়লাম। না পারলাম বাধনটাকে কাটতে না পারলাম ভেঙ্গে ফেলতে। প্রতিদিনই বই মেলায় আসা। মেলার সব বই নিয়েই আমাদের দীর্ঘ গবেষণা। কোন বইয়ে কি ভাল কি লেখলে আরও বেশি ভাল হত এসব নিয়ে আমাদের যুক্তি তর্কের কোন শেষ হত না। আমার প্রিয় লেখক হুমায়ুন আহমেদ আর ও ক্লাসিকেল বই বেশি পড়ত। এসব নিয়ে আমাদের যুক্তি আর ঝগড়া ছিল নিত্য-নৈমিত্তিক ব্যাপার। ও যুক্তিতে হেরে গেলে যে কি প্রচন্ড মন খারাপ করত। ওর মন খারাপ করা দেখে আমিও ইচ্ছে করে ওর সাথের যুক্তিতে হেরে যেতাম। ও যে ঠিকই বুঝে নিত ওর কাছে হেরে যেতে আমার ভাল বই খারাপ লাগে না এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই!! আমরা একই ভার্সিটিতে পড়তাম (ডিপার্টমেন্ট আলাদা)। আমাদের দুজনকে নিয়ে ফ্রেন্ড সার্কেলে প্রায় সব সময়ই আলোচনার ঝড় উঠত। ফ্রেন্ডগুলাও যে কি রকমের! আরেক জনের প্রেম সহ্য করতে পারে না। আড়ালে আবডালে কত কথা। অবশ্য আমরা এসব কথার নিকুচি করতাম। যত্ত সব আতেলগিরি!! আমরা আমাদের মতই সময় কাটাতাম। সময় পেলেই রিকশা করে ঘুরে বেড়ানো। রিকশা দিয়ে ঘুরাও যে চরম রোমান্টিক তা আমি মেঘার কাছে থেকেই প্রথম জেনেছি! নাম মেঘা দেখেই ও মনে হয় বৃষ্টির জন্য পাগল। আমিও যে ভিজতে খুব অপছন্দ করি তাও না। তবে বৃষ্টি হলে মেঘার আর কোন কথা নেই। বৃষ্টিতে তার ভিজা লাগবেই। আর তার সঙ্গী হওয়া লাগে এই আমাকে। এই বৃষ্টিতে ভেজা নিয়ে কত ঝগড়া হয়েছে তার সাথে। একবার তো প্রায় রিলেশন ভেঙ্গে যাওয়ারই উপক্রম হয়েছিল!! সেবারের মধুর ঝগড়া শুরু হয়েছিল অনেক ছোট্ট একটা কারণে- একদিন সকাল থেকে প্রচন্ড মেঘে আকাশ ঢেকে গিয়েছিল। আমার সাত সকালের কঠিন ঘুম পাগলীটা। সেদিন আমাকে নিয়ে বৃষ্টিতে কই কই কিভাবে ভিজবে তার দীর্ঘ বর্ণনা করতে লাগল। আমার প্রচণ্ড ঠান্ডা লেগেছিল। কিন্তু, এটা জানতে পারলে পাগলীটা মনে অনেক কষ্ট পাবে তাই আর কিছু না বলে পাগলীর সাথে প্রায় সারাদিনই বৃষ্টিতে ভিজলাম। ফলে যা হওয়ার তাই হল। বাসায় ফিরলাম ১০৩ ডিগ্রি জ্বর নিয়ে। পরদিন ঘুম থেকে উঠে দেখি বাসায় প্রচণ্ড কান্নার শব্দ। তাকিয়ে দেখি পাগলী বাসায় এসে হাজির। ফ্রেন্ডদের কাছ থেকে ঠিকানা নিয়ে বাসায় এসে হাজির। আমি কেন তাকে বলি নি আমার সেদিন ঠান্ডা লেগেছিল সেটা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙ্গে পড়তে লাগল। কেমনে কেমনে আমার আম্মুকেও পটিয়ে ফেলল! যদিও সে সেদিন বাসা থেকে অনেক খাবার রান্না করে নিয়ে আসল। খেতে যে কত অসাধারণ হয়েছিল তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। বিশেষত আমার আম্মু যখন অন্য রুমে গেল সে তখন আমাকে মুখে তুলে খাইয়ে দিতে লাগল। কেন যেন তখন মনে হল জ্বর হয়ে তো অনেক ভালই হয়েছে। তার সাথে আমার যত ঝগড়া হয় অন্য জুটির মধ্যে বোধ হয় এত ঝগড়া হয় না। উফফ!! বিয়ের পর বাচ্চা কাচ্চা হলে কি নাম হবে, প্রথম বাচ্চা ছেলে হবে না মেয়ে হবে তা নিয়ে কত ঝগড়া! কে কাকে বেশি ভালবাসে এসব নিয়ে ঝগড়ার কোন শেষ হয় না। ভালই লাগে এসব মধুর ঝগড়া গুলো। আজকে আবার ভ্যালেন্টাইন ডে। বিশেষ দিন। এই দিনে সেজেগুজে ওই মহারানীর জন্য দশটা লাল গোলাপ কিনে নিয়ে যেতে হবে। একটা জিনিসই বুঝি না ভালবাসার জন্য আবার বিশেষ দিনের কি দরকার!! যত্তসব। তাও মহারাণীর হুকুম যখন মানতে তো হবেই।
244 views
6 months ago
#

রাখী বন্ধনের শুভেচ্ছা

📱Playstore में Search करें👉OneAD 📥Install📥 कीजिए Reffer Code डालिए👉 91AUC835E Registration कीजिए whatsapp नंबर से। Join होते ही सारी जानकारी आपको Whatsapp कर दी जाएगी📲। 📮NOTICE - एक बार install करने के बाद uninstall नही करना। नहीं तो आपको जॉईन होने से कुछ भी फायदा नही होगा। 🔰अब आपकी सोच होगी🤔 असभंव बकवास फेक जी,हां मेरी भी यही सोच थी। 🔰पर जब करके देखा तो दोस्त। वाकेई इससे बढ़िया Concept कोई नहीं। यहां सिर्फ रेफर करना है। और Income 10level तक मिलेगी। 🔰एकबार अपने सभी प्लान को छोड़ कर इसपे 7 दिन work करके देखो। ना बढ़िया लगा तो बोलना। 🔰6 लोगों को रेफर कीजिए और हर एक को बोलिए आगे 6 लोगों को रेफर करें। भारत का सबसे Fast Income देनेवाला Free Mobile Apps जितना बड़ा नेटवर्क उतना ज्यादा पैसा..!! 👉No Task 👉No Click 👉No app download 👉No Invest 👉Refer and Earn 👉No Risk 🔝 Income fix ➡➡➡➡➡➡➡➡➡➡ 🎩10 Level Income Plan दोस्तों। 📱हमारे फोन में बहुत सी ऐसी Apps होती है जो हमारे लिए कोई काम की नहीं होती फिर भी हम 📥Install 📥 करके रखते है। जिनसे हमे 1₹ भी नहीं मिलता। लेकिन जब 📥OneAD📥 App को फोन में रखने से 100,200₹ भी आता है। तो क्या गलत हैhttps://play.google.com/store/apps/details?id=com.application.onead&referrer=91AUC835E
151 views
6 months ago
#

রাখী বন্ধনের শুভেচ্ছা

📱Playstore में Search करें👉OneAD 📥Install📥 कीजिए Reffer Code डालिए👉 91AUC835E Registration कीजिए whatsapp नंबर से। Join होते ही सारी जानकारी आपको Whatsapp कर दी जाएगी📲। 📮NOTICE - एक बार install करने के बाद uninstall नही करना। नहीं तो आपको जॉईन होने से कुछ भी फायदा नही होगा। 🔰अब आपकी सोच होगी🤔 असभंव बकवास फेक जी,हां मेरी भी यही सोच थी। 🔰पर जब करके देखा तो दोस्त। वाकेई इससे बढ़िया Concept कोई नहीं। यहां सिर्फ रेफर करना है। और Income 10level तक मिलेगी। 🔰एकबार अपने सभी प्लान को छोड़ कर इसपे 7 दिन work करके देखो। ना बढ़िया लगा तो बोलना। 🔰6 लोगों को रेफर कीजिए और हर एक को बोलिए आगे 6 लोगों को रेफर करें। भारत का सबसे Fast Income देनेवाला Free Mobile Apps जितना बड़ा नेटवर्क उतना ज्यादा पैसा..!! 👉No Task 👉No Click 👉No app download 👉No Invest 👉Refer and Earn 👉No Risk 🔝 Income fix ➡➡➡➡➡➡➡➡➡➡ 🎩10 Level Income Plan दोस्तों। 📱हमारे फोन में बहुत सी ऐसी Apps होती है जो हमारे लिए कोई काम की नहीं होती फिर भी हम 📥Install 📥 करके रखते है। जिनसे हमे 1₹ भी नहीं मिलता। लेकिन जब 📥OneAD📥 App को फोन में रखने से 100,200₹ भी आता है। तो क्या गलत हैhttps://play.google.com/store/apps/details?id=com.application.onead&referrer=91AUC835E
147 views
6 months ago
#

রাখী বন্ধনের শুভেচ্ছা

👀🎎 শুভ রাখী বন্ধন উৎসব 🎎👀 😘🙏 আমার পক্ষ থেকে 🙏 😘 সকল ছোট বড় মোটা পাতলা কালো ফর্সা বাচ্চা বুড়ো যুবক পুরুষ মহিলা আর ধনী গরিব শহুরে গ্রামীন এবং আপনাদের সবার কাকা কাকী জেঠা জেঠী সালা শালী পিসি পিসে মামা মামী দেওর বৌদি ননদ জামাইবাবু ভাগ্নে ভাগ্নী ভাইপো ভাইঝি আর নাতি নাতনি দাদু দিদা নানা নানী দাদা দিদি বাবা মা শ্বশুর শ্বাশুড়ি ভাই বোন বন্ধু বান্ধবী মিত্র আত্মীয় সবাইকে 😍শুভ রাখী বন্ধন এর😍 অনেক অনেক 🎀শুভকামনা 🎀 কেউ বাকি নেই তো?? 🙏যদি বাকি থাকে তো দুঃখীত🙏 💗মন থেকে 💗 💞 অগ্রিম 💞 💗শুভ💗 💖রাখী💖 💗বন্ধন 💗
4.3k views
7 months ago
No more posts
Share on other apps
Facebook
WhatsApp
Copy Link
Delete
Embed
I want to report this post because this post is...
Embed Post