socialservice
1 Post • 90 views
PRATHAM ALOR BARTA
429 views 1 days ago
বারাসাতের ৬০ বছরের আশিস বাবুর নামের পাশে 'ডিলিটেড' - ভেঙে পড়েছেন পুরো পরিবার পেশায় আটো চালক আশিস বাবুর স্ত্রী ও ছেলের নাম আছে ভোটার লিস্টে। কিন্তু আশিস বাবুর নাম 'ডিলিটেড'। তালিকা প্রকাশের পর রীতিমতো ভেঙে পড়েছেন আশীষ দাস ও তার পরিবার।২০০২ এর তালিকায় আশিষ বাবুর বাবা-মা কারও নাম ছিলনা।নিজেরও নাম ছিলনা ২০০২ এর তালিকায়।কমিশনের জারি করা ১১ নথির একটিও দেখাতে পারেননি আশিষ বাবু।নো ম্যাপিং ভোটার হিসাবে প্রথম শুনানিতে কোনো নথি দেখাতে পারেননি।বিএলও ও ব্লক প্রশাসনের পরামর্শে দ্বিতীয় বার জমা দিয়েছিলেন ডমিসাইল সার্টিফিকেট।আশিষ বাবুর বাবা সুনীল কৃষ্ণ দাস ও মা লতা দাস।পূর্ব পাকিস্তান থেলে চলে এসেছিলেন ভারতে।পশ্চিমবঙ্গের বারাসাতে ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতেন।পাকিস্তানের হাইকমিশনারের স্ট্যাম্প লাগানো পাসপোর্ট এখনও বাড়িতে গচ্ছিত রেখেছেন আশীষ দাস।পাসপোর্টের বর্তমান কোনো অস্তিত্ব না থাকলেও বাবার স্মৃতি বা ডকুমেন্টস বলতে ওটুকুই।বর্তমানে চন্দ্রকোণার ভোটার রয়েছে ভোটার,আধারকার্ড,রেশন কার্ড।'সার' এর গেরোয় চুড়ান্ত তালিকা থেকে নাম বাদ পড়েছে চন্দ্রকোণার আশিষ দাসের।শেষ রক্ষা ছিল ডমিসাইল সার্টিফিকেট,তা দিয়েও তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া আটকাতে পারলেন না আশিষ বাবু।দুঃশ্চিন্তায় পরিবার। #social #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
8 likes
17 shares
PRATHAM ALOR BARTA
337 views 2 days ago
#ব্রেকিং নিউজ# *চন্দ্রকোনায় "ছেলেধরা" আতঙ্কে উত্তাল, পরিস্থিতি সামাল দিতে নামলো কেন্দ্রীয় বাহিনী!* চন্দ্রকোনা, পশ্চিম মেদিনীপুর: আজ হোলি! রঙের উৎসবে মেতেছে গোটা বাংলা। রং এর উৎসবে রঙিন হওয়ার সময়, হঠাৎই ছেলে ধরা আতঙ্ক ছড়ায়। ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা থানার জাড়া গ্রামে এক অপরিচিত ব্যক্তিকে উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘুরতে দেখেন স্থানীয়রা। আর তা থেকেই দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে ‘ছেলেধরা’ গুজব! তবে একটি ছেলে জানায় তাকে জোর করে ওই অচেনা ব্যক্তিটি মোটরসাইকেলে চাপিয়ে তুলে নিয়ে যাচ্ছিল। সেই সময় গ্রামবাসীদের চোখে পড়ায় গ্রামবাসীরা তাকে ধরে ফেলে। কোনো কিছু না বুঝে, সত্য-মিথ্যা যাচাই না করেই ওই ব্যক্তির ওপর চড়াও হয় উত্তেজিত জনতা। মুহূর্তের মধ্যে এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।" "খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় চন্দ্রকোনা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। কিন্তু জনরোষ এতটাই তীব্র ছিল যে পরিস্থিতি আয়ত্তের বাইরে চলে যায়। শেষ পর্যন্ত উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করতে এবং শান্তি বজায় রাখতে এলাকায় নামানো হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী বা সিআরপিএফ (CRPF)। বর্তমানে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে, তবে এলাকায় এখনও চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।" "পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে বারবার সতর্ক করা হচ্ছে—গুজবে কান দেবেন না। আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না। কোনো ব্যক্তিকে সন্দেহজনক মনে হলে মারধর না করে সরাসরি পুলিশের হাতে তুলে দিন।" "স্রেফ গুজবের জেরে এই অশান্তি আর কতদিন? প্রশ্ন তুলছে সচেতন সমাজ। আটক ব্যক্তির নাম সিরাজুল আলী, হুগলি গোঘাটের বাসিন্দা এমনটাই জানালেন ওই ব্যক্তি। তবে তার কথায় যথেষ্ট অসঙ্গতি লক্ষ্য করা যায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ, ওই ব্যক্তি কে আনা হয়েছে রামজীবনপুর ফাঁড়িতে। জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। #social #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
11 likes
14 shares
PRATHAM ALOR BARTA
559 views 3 days ago
নিজস্ব সংবাদদাতা, আরামবাগ ঃ আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে আরামবাগ শহরে নিরাপত্তা জোরদার করতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার সকাল থেকে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল এলাকায় এই রুটমার্চ চালানো হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ বাড়ানো এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শহরের প্রধান সড়ক, বাজার এলাকা ও স্পর্শকাতর অঞ্চলগুলি ঘুরে দেখেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন আরামবাগের এসডিপিও সুপ্রভাত চক্রবর্তী এবং আইসি রাকেশ সিং। রুটমার্চ চলাকালীন বাহিনীর কড়া নজরদারিতে গোটা শহর জুড়ে নিরাপত্তার বার্তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন পুলিশ আধিকারিকরা এবং যেকোনও গুজব বা উত্তেজনায় কান না দেওয়ার আবেদন জানান।প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচন পর্ব সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সমস্তরকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আরও রুটমার্চ ও নজরদারি বাড়ানো হবে বলেও জানানো হয়েছে।শহরের বাসিন্দাদের একাংশ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে এলাকায় নিরাপত্তা ও আস্থার পরিবেশ তৈরি হয়।সবমিলিয়ে, নির্বাচনকে ঘিরে আরামবাগে প্রশাসনের তৎপরতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এই রুটমার্চের মাধ্যমে। #social #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
5 likes
11 shares