socialservice
1 Post • 85 views
নিজস্ব সংবাদদাতা, আরামবাগ ঃ আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে আরামবাগ শহরে নিরাপত্তা জোরদার করতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার সকাল থেকে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল এলাকায় এই রুটমার্চ চালানো হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ বাড়ানো এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শহরের প্রধান সড়ক, বাজার এলাকা ও স্পর্শকাতর অঞ্চলগুলি ঘুরে দেখেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন আরামবাগের এসডিপিও সুপ্রভাত চক্রবর্তী এবং আইসি রাকেশ সিং। রুটমার্চ চলাকালীন বাহিনীর কড়া নজরদারিতে গোটা শহর জুড়ে নিরাপত্তার বার্তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন পুলিশ আধিকারিকরা এবং যেকোনও গুজব বা উত্তেজনায় কান না দেওয়ার আবেদন জানান।প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচন পর্ব সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সমস্তরকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আরও রুটমার্চ ও নজরদারি বাড়ানো হবে বলেও জানানো হয়েছে।শহরের বাসিন্দাদের একাংশ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে এলাকায় নিরাপত্তা ও আস্থার পরিবেশ তৈরি হয়।সবমিলিয়ে, নির্বাচনকে ঘিরে আরামবাগে প্রশাসনের তৎপরতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এই রুটমার্চের মাধ্যমে। #social #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
5 likes
11 shares
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে - বারাসাতের সুলেখা দাস আটকে গেছেন বাহারিনে মেয়ে বাহারিনে আটকে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগের আছে সুলেখা দাসের পরিবার। মধ্যপ্রাচ্যে মহারণ। আমেরিকা এবং ইজরায়েলের হামলায় তছনছ ইরান। লাগাতার হামলা-পালটা হামলার খবর প্রতিদিনই প্রকাশ্যে আসছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে। যুদ্ধ পরিস্থিতির এই অস্থিরতার ছায়া এসে পড়েছে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের এক সাধারণ পরিবারের জীবনে। বারাসাতের ন’পাড়া কালীবাড়ি এলাকার বাসিন্দা শঙ্কর দাসের কন্যা সুলেখা দাস বর্তমানে কর্মসূত্রে রয়েছেন মধ্যপ্রাচ্যের দেশ বাহরিনে। হোটেল মধ্যপ্রাচ্যের দেশ বাহরিনে। হোটেল ম্যানেজমেন্ট পড়াশোনা শেষ করে গত তিন বছর ধরে সেখানেই একটি হোটেলে কর্মরত তিনি। দেড় বছর আগে এক মাসের জন্য ছুটিতে বাড়ি এলেও তার পর থেকে আর দেশে ফেরা হয়নি। হামলার পর থেকে সুলেখার সঙ্গে ফোন ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে যোগাযোগ থাকলেও উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে দাস পরিবারের। বাবা শঙ্কর দাস জানান, মেয়ের সঙ্গে নিয়মিত কথা হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ভীষণ দুশ্চিন্তায় গোটা পরিবার। কবে বাড়ির মেয়ে নিরাপদে দেশে ফিরবে, সেটাই এখন একমাত্র চিন্তা। পরিবারের দাবি, সংঘাত যত দীর্ঘায়িত হচ্ছে, ততই উদ্বেগ বাড়ছে। শুধু তাঁদের মেয়ে নয়, ওই জায়গায় কর্মরত অন্যান্য ভারতীয়দেরও দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হোক। শঙ্কর দাস বলেন, ভারত সরকার যেন দ্রুত পদক্ষেপ করে তার মেয়ে- সহ সমস্ত ভারতীয়কে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনে। প্রত্যেক পরিবারেরই একই অবস্থা, সবাই আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। সুলেখাও মানসিকভাবে চাপে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর বাবা। #social #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
13 likes
12 shares