अंतरराष्ट्रीय

18 Posts • 32K views
PRATHAM ALOR BARTA
526 views 17 hours ago
ইরানের সঙ্গে গোপন চুক্তি আছে পাকিস্তানের - অভিযোগ ইজরাইলের শান্তি বৈঠক সফল না হলে ইরানকে তছনছ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এহেন পরিস্থিতির মাঝেই এবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলল ইজরায়েল। রাষ্ট্রসংঘের অধিবেশনে ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ডেনন বললেন, বিপুল টাকার বিনিময়ে ইরানের সঙ্গে গোপন চুক্তি করেছে পাকিস্তান। ইজরায়েলের নিশানায় ছিল চিন এবং ফ্রান্স। রবিবার সকালে সোশাল মিডিয়ায় রাষ্ট্রসংঘে ভাষণের এক ভিডিও পোস্ট করেন ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি। সেখানে পাকিস্তানের রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকে নিশানা করে বলেন, ‘আপনারা স্বীকার করেছেন ইরানের সঙ্গে আপনাদের চুক্তি হয়েছে।’ এরপর চিন ও ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতকে তিনি প্রশ্ন করেন, ‘আপনারা আপনাদের জাহাজ হরমুজ থেকে নিরাপদে পার করাতে ইরানকে ঠিক কত টাকা দিয়েছেন? ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের কাছে তিনি চেক পর্যন্ত দেখতে চান।’ ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘আমি এই দেশগুলির রাষ্ট্রদূতের কাছে প্রশ্ন করেছিলাম ইরানকে তারা ঠিক কত টাকা দিয়েছে? অদ্ভুতভাবে এর কোনও উত্তর ওদের কাছে ছিল না। চিন ও পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতদের কাছেও কোনো উত্তর ছিল না। স্পষ্টতই, এমন কিছু প্রশ্ন আছে যার উত্তর দিতে কেউই আগ্রহ দেখাচ্ছে না।’ #international #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
8 likes
17 shares
PRATHAM ALOR BARTA
549 views 5 days ago AI indicator
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ প্রায় শেষ করে এনেছি - ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নিয়ে রীতিমত নাটক করে চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এক এক সময় তিনি এক এক কথা বলেছেন। পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত শান্তি বৈঠক ব্যর্থ হয়েছে, তার পরেই ট্রাম্প বললেন -' যুদ্ধ প্রায় শেষ করে এনেছি। মধ্যপ্রাচ্যে চলা উত্তেজনার মধ্যেই দ্বিতীয়বার ইরানের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারে আমেরিকা। এরইমধ্যে ফক্স বিজনেস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, "আমার মনে হয় যুদ্ধ প্রায় শেষ। আমি এটাকে প্রায় শেষের কাছাকাছি বলেই দেখছি।" উল্লেখ্য বিষয় হল, এমন একটি সময়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই মন্তব্য করেছেন, যখন ইরানের বন্দরগুলিতে, হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন নৌসেনা অবরোধ শুরু করেছে। ইসলামাবাদে আগের শান্তি বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার পরেই এই অবরোধ শুরু করেছে আমেরিকা। ওয়াশিংটনের এই চালের ফলে গতকাল ইরানের বন্দর থেকে কোনও জাহাজ ছাড়েনি। বেশ কয়েকটি জাহাজ ইরানের জলসীমা থেকে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে। যুদ্ধ শেষ হচ্ছে বার্তা দিয়েও ট্রাম্প জানান, আমেরিকা এখনও এই যুদ্ধ থামায়নি। তিনি বলেন, “এখন যদি আমরা সরে যাই, তবে ইরানের সেই দেশ পুনর্গঠন করতে ২০ বছর লেগে যাবে। আমরা এখনও শেষ করিনি। দেখা যাক কী হয়। আমার মনে হয় তারা চুক্তি করতে খুবই আগ্রহী।” মঙ্গলবার ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার আলোচনা আগামী দু’দিনের মধ্যেই হতে পারে এবং তা ইসলামাবাদেই হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। প্রথম দফার আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনও সমাধান না হওয়ায় তা বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। #international #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
13 likes
13 shares
PRATHAM ALOR BARTA
772 views 8 days ago
ভেস্তে গেলো পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা ইরান ও আমেরিকার শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায়, আর তখনই অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন এই শান্তি আলোচনা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। যে পাকিস্তান জঙ্গিদের ঘাঁটি তারা নেতৃত্ব দেবে শান্তির - এটা বাস্তব নয়। বাস্তবে তাই হলো। তাকিয়ে ছিল গোটা বিশ্ব। কিন্তু যা খবর মিলছে তাতে দেখা যাচ্ছে ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন বৈঠক কার্যত নিষ্ফলা। ব্যর্থ ইরান-আমেরিতা শান্তি বৈঠক। তাতেই আরও জটিল পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি। হরমুজ নিয়েও বের হল না কোনও রফাসূত্র। ইরানকে এক তরফা দোষারোপ মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের। শর্ত মানতে রাজি নয় ইরান, দাবি জেডি ভান্সের। তিনি বলছেন, কোনওভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র না তৈরির বিষয়ে রাজি নয় ইরান। পাল্টা ইরান বলছে, আমেরিকার অনায্য দাবি মানার প্রশ্নই নেই। হরমুজ প্রণালীতে আমেরিকার দাদাগিরি তারা কোনওভাবেই মানবে না। তাঁদের সাফ কথা, হরমুজের পুরো নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে। প্রসঙ্গত, গত ৬ সপ্তাহ যুদ্ধের পর গত মঙ্গলবার ইরানের সঙ্গে দু’সপ্তাহ যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তারপরই ইসলামাবাদে দুপক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতা বৈঠক শুরু হয়। তাতেই আশার আলো দেখতে শুরু করেছিল গোটা বিশ্ব। শেয়ার বাজারেও দেখা গিয়েছিল বড়সড় লাভ। ফের ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছিল সেনসেক্স, নিফটি। কিন্তু ২১ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বৈঠক চললেও তা সম্পূর্ণ নিষ্ফলা। কোনও সমাধান সূত্র বের হয়নি বলে জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। সূত্রের খবর, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট সহ যে তিনজন প্রতিনিধি ছিল আমেরিকার তরফে তাঁদের শর্ত কোনওভাবেই মানতে নারাজ ইরান। অন্যদিকে ইরানের দাবি মানতেও অপারগ আমেরিকা। তাতেই জট যেন আরও পাকিয়ে গেল বলেই মনে করা হচ্ছে। হরমুজ প্রণালীকে নিজেদের হাতে রাখা, ইরানের স্কুলে হামলার দায় স্বীকার করার মতো একাধিক দাবি আমেরিকার কাছে রাখে ইরান। পাল্টা হরমুজ থেকে ইরানের নিয়ন্ত্রণ সরানোর মতো একাধিক দাবি রাখে আমেরিকা। কিন্তু কেউই কারও অবস্থান থেকে সরে আসতে নারাজ। #international #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
16 likes
11 shares