CAB নিয়ে মতামত❓
#

CAB নিয়ে মতামত❓

এখন NEWS
#CAB নিয়ে মতামত❓
প্রশ্ন : CAB বিলটি কি ভারতীয় মুসলিমদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেবে?উত্তর: না,এটি নাগরিকত্ব দেওয়ার বিল। নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার বিল নয়।প্রশ্ন : CAB বিলটি তাহলে কাদের জন্য ? ভারতে যারা বসবাস করে তাদের জন্য নয়?উত্তর: না, এই বিলটি ভারতীয়দের জন্য নয়। পাকিস্তান, বাংলাদেশ বা আফগানিস্তান এই তিনটি বর্ডার শেয়ারিং দেশে "ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত" কোনো সংখ্যালঘু(ওখানে সংখ্যালঘু মানেই হিন্দু,খ্রিস্টান, শিখ,বৌদ্ধ,পার্সী,জৈন) যারা, ক্যাবের সুযোগ নিয়ে ভারতে থাকতে পারবে।প্রশ্ন : তার মানে "ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিতরা" ভারতে এলে সঙ্গে সঙ্গে ভারতের নাগরিক হয়ে যাবে?উত্তর: না না, 6 বছর ভারতে থাকার পর তবেই ওরা ভারতীয় নাগরিকত্ব পাবে।প্রশ্ন : আচ্ছা, পৃথিবীর সব হিন্দু,খ্রিস্টান, শিখ,বৌদ্ধ,পার্সী,জৈন তাহলে ভারতের নাগরিকত্ব পাবে ?উত্তর: না না, শুধু ওই তিন দেশের "ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত" হিন্দু,খ্রিস্টান, শিখ,বৌদ্ধ,পার্সী,জৈন 6 বছর থেকে নাগরিকত্ব পাবে। বাকি দেশের লোকদের 11 বছর থাকার পর নাগরিকত্ব পাবে।প্রশ্ন : ওই তিন দেশের মুসলিম নাগরিকরা তাহলে ভারতের নাগরিকত্ব পাবে না?উত্তর: হ্যাঁ, মুসলিমরাও পাবে। ওই মুসলিমদের 11 বছর ভারতে থেকে তবেই নাগরিকত্ব পাবে। এমনিতেই 2014-2019 এর মধ্যে ওই তিন দেশের 566 জন মুসলিমকে ভারত সরকার নাগরিকত্ব দিয়েছে।প্রশ্ন: আমাদের দেশ তো "ধর্মনিরপেক্ষ দেশ" তাহলে ওই ওই তিন দেশের মুসলিমরা কেন 11 বছর থাকার পর নাগরিকত্ব পাবে ?উত্তর: সব হিন্দু,খ্রিস্টান, শিখ,বৌদ্ধ,পার্সী,জৈনকে তো নাগরিকত্ব দেবে না। যারা "ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত"হবে তারা 6 বছরে ভারতের নাগরিকত্ব পাবে। আর ওই তিনটি দেশের রাষ্ট্র ধর্ম হলো ইসলাম। তাহলে একটি মুসলিম দেশে একজন মুসলিমকি "ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত" হবে ??আর রইল বাকি ধর্ম নিরপেক্ষতার কথা। ধর্মনিরপেক্ষতার সংজ্ঞা কি শুধুই মুসলিম থাকলে হয় ? খ্রিস্টান, শিখ,বৌদ্ধ,পার্সী,জৈন ধর্মও তো এই বিলেন আওতায়। এর পরেও বলবে এই বিল ধর্ম নিরপেক্ষ নয়প্রশ্ন : আচ্ছা যারা 2014 র আগে থেকে যারা "ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত" হয়ে বাংলাদেশ থেকে এসে ভারতে বাস করছে তাদের কি আবার তাড়িয়ে দেব?উত্তর: না না, এই বিলটিতো স্পেশাল ভাবে ওই নিপীড়িত মানুষদের জন্যই পাশ করা হয়েছে। যাতে তারা এখন নিশ্চিন্তে এই দেশে বসবাস করতে পারেপ্রশ্ন : তবে অনেকে বলছে ডিটেনশন ক্যাম্পে রেখে দেওয়া হবে। ওটা ভুল ?উত্তর: হ্যাঁ ওটা ভুল। CAB এর জন্য কাউকে ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখা হবে না। আর এই ডিটেনশন ক্যাম্পের তথ্য সম্পূর্ণ ভুয়ো। কিছু রাজনৈতিক দল নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য সাধারণ মানুষকে এই ভয় দেখাচ্ছে। নিশ্চিন্তে থাকুক, কোনো ভারতীয়কে ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখা হবে না।
আরো দেখুন
2 জন দেখলো
2 দিন আগে
#NRC #CAA #বিয়ের_বিজ্ঞাপন ঘোষ ২৯/ ৫ ফুট ৯ ইঞ্চি, হাই স্কুল শিক্ষক, এইচ এস পাস, ৫ ফুট ১ ইঞ্চি ঊর্ধ্বে ভারতীয় ১৯৭১-এর আগের প্রমাণ-সহ ঘোষ পাত্রী চাই।বেশি বয়সে বিয়ে বা যৌন ক্ষমতায় অক্ষম পাত্রের পাত্রী চাই। কিংবা সন্তান ধারণে অক্ষম পাত্রীর পাত্র চাই। এই ধরনের বিয়ের বিজ্ঞাপন অতীতেও দেখা গিয়েছে খবরের কাগজে। অনেক ক্ষেত্রেই পাত্র বা পাত্রী নিজেদের চাহিদার কথা খোলসা করে জানিয়েছেন সেখানে। কিন্তু সময় হিসেব করে নাগরিকত্বের প্রমাণ চেয়ে পাত্র-পাত্রীর বিজ্ঞাপন এর আগে কারও চোখেই পড়েনি। তবে গত রবিবারের এক বাংলা দৈনিকে এমন বিজ্ঞাপন দিয়ে রীতিমতো আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন মুর্শিদাবাদের এই হাইস্কুলের শিক্ষক পাত্র। বিয়ের এহেন বিজ্ঞাপন দেখে অনেকেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন, তবে কি এনআরসি’র খোঁচা এবার পাত্র-পাত্রীর কলামেও! নাহলে আর এমন বিজ্ঞাপন কেন?২৯ বছর বয়সি এই পাত্রের বাড়ি উত্তর চব্বিশ পরগনার হাবড়ায়। কিন্তু চাকরিসূত্রে তিনি থাকেন মুর্শিদাবাদে। বছর কয়েক হল চাকরি করেন। যে ফোন নম্বরটি সংবাদপত্রে দেওয়া রয়েছে, সেটি পাত্রের জামাইবাবুর। বিজ্ঞাপন দেখে তাই সোমবার বিকেলে ফোন করা হল সেই নম্বরে। প্রথমটায় বলতে না চাইলেও পরে জামাইবাবুই যুক্তি দিয়ে বোঝান বিষয়টি। “দেখাশোনা করে যখন শ্যালকের বিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তখন সব কিছু যাচাই করে নেওয়াই ভাল নয় কি! বিয়ের পর যদি এনআরসিতে নাম বাদ যায়! তবে তো অন্য দেশে পাঠিয়ে দেবে বউকে। বিয়ের পর বউ চলে গেলে তখন শ্যালকের হবে কী! তার চেয়ে আগে থেকেই সব দেখে নেওয়া ভাল।” বলেন জামাইবাবু। তিনি আরও জানান, পাত্রের বিশেষ কিছু চাহিদার কথা তো বলা হয়নি। শুধু চাওয়া হয়েছে এদেশের নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র। সেটা না থাকলে তেমন মেয়েকে বিয়ে করবে না তাঁর শ্যালক।কিন্তু নাগরিকত্বের জন্য তো ভোটার কার্ড, আধার কার্ড রয়েছে। তাহলে পাত্রীর পরিবারের ১৯৭১-এর আগের এ দেশের প্রমাণ চাওয়ার কী আছে! নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ব্যক্তি বলেন, “দেখুন চতুর্দিকে এনআরসি নিয়ে অশান্তি চলছে। তাতে আধার-ভোটার কার্ডের কী গুরুত্ব, তাই-ই বুঝতে পারছি না। তার থেকে যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে এ দেশের স্থায়ী বাসিন্দা, তাঁদের বাড়ির মেয়ের সঙ্গেই বিয়ে দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।”রবিবারের কাগজে বিজ্ঞাপন বের হওয়ার পর একাধিক ফোন এসেছে বলেও জানান পাত্রের জামাইবাবু। এদিকে এই বিজ্ঞাপন চোখে পড়তে কেউ কেউ ভ্রু কুঁচকেছেন। তাঁদের বক্তব্য, এটা বাড়াবাড়ি। পাত্রী খুঁজতে একেবারে বংশের প্রমাণপত্র! আবার কারও মতে গোটা দেশের যা অবস্থা, তাতে সাধারণ মানুষই বা আর কী করবে! পরিষ্কার করে সব বলে নেওয়াই ভাল। যদি বাঙাল-ঘটি, পাত্রের আয়, পরিবারের সদস্য সংখ্যা বিয়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় হয়, তবে নাগরিকত্বের প্রমাণ চাইলেই বা ক্ষতি কী! #CAB নিয়ে মতামত❓ #🎙আজকের শীর্ষ খবর 🎤
#

CAB নিয়ে মতামত❓

CAB নিয়ে মতামত❓ - 1106734 - 2385324 ৯ ঘােষ 29 / 59 হাইল । শিক্ষক HS Pass , 5 ' 1 । ঊর্ধ্বে ভারতীয় 1971 এর আগের প্রমাণ সহ ঘােষ , পাত্রী চাই । 7439012337 ( সােম থেকে শুক্র ) । পা sc দাস 34 / 6 ' BA প্রাইভেট | 6786 4 9 ৯ ৰ 995355 389435 ' ১৯৭১ - এর আগের প্রমাণ - সহ ঘােষ পাত্রী চাই ' , বিয়ের বিজ্ঞাপনে হইচই - ShareChat
170 জন দেখলো
1 মাস আগে
#

CAB নিয়ে মতামত❓

প্রশ্ন : CAB বিলটি কি ভারতীয় মুসলিমদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেবে?উত্তর: না,এটি নাগরিকত্ব দেওয়ার বিল। নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার বিল নয়।প্রশ্ন : CAB বিলটি তাহলে কাদের জন্য ? ভারতে যারা বসবাস করে তাদের জন্য নয়?উত্তর: না, এই বিলটি ভারতীয়দের জন্য নয়। পাকিস্তান, বাংলাদেশ বা আফগানিস্তান এই তিনটি বর্ডার শেয়ারিং দেশে "ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত" কোনো সংখ্যালঘু(ওখানে সংখ্যালঘু মানেই হিন্দু,খ্রিস্টান, শিখ,বৌদ্ধ,পার্সী,জৈন) যারা, ক্যাবের সুযোগ নিয়ে ভারতে থাকতে পারবে।প্রশ্ন : তার মানে "ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিতরা" ভারতে এলে সঙ্গে সঙ্গে ভারতের নাগরিক হয়ে যাবে?উত্তর: না না, 6 বছর ভারতে থাকার পর তবেই ওরা ভারতীয় নাগরিকত্ব পাবে।প্রশ্ন : আচ্ছা, পৃথিবীর সব হিন্দু,খ্রিস্টান, শিখ,বৌদ্ধ,পার্সী,জৈন তাহলে ভারতের নাগরিকত্ব পাবে ?উত্তর: না না, শুধু ওই তিন দেশের "ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত" হিন্দু,খ্রিস্টান, শিখ,বৌদ্ধ,পার্সী,জৈন 6 বছর থেকে নাগরিকত্ব পাবে। বাকি দেশের লোকদের 11 বছর থাকার পর নাগরিকত্ব পাবে।প্রশ্ন : ওই তিন দেশের মুসলিম নাগরিকরা তাহলে ভারতের নাগরিকত্ব পাবে না?উত্তর: হ্যাঁ, মুসলিমরাও পাবে। ওই মুসলিমদের 11 বছর ভারতে থেকে তবেই নাগরিকত্ব পাবে। এমনিতেই 2014-2019 এর মধ্যে ওই তিন দেশের 566 জন মুসলিমকে ভারত সরকার নাগরিকত্ব দিয়েছে।প্রশ্ন: আমাদের দেশ তো "ধর্মনিরপেক্ষ দেশ" তাহলে ওই ওই তিন দেশের মুসলিমরা কেন 11 বছর থাকার পর নাগরিকত্ব পাবে ?উত্তর: সব হিন্দু,খ্রিস্টান, শিখ,বৌদ্ধ,পার্সী,জৈনকে তো নাগরিকত্ব দেবে না। যারা "ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত"হবে তারা 6 বছরে ভারতের নাগরিকত্ব পাবে। আর ওই তিনটি দেশের রাষ্ট্র ধর্ম হলো ইসলাম। তাহলে একটি মুসলিম দেশে একজন মুসলিমকি "ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত" হবে ??আর রইল বাকি ধর্ম নিরপেক্ষতার কথা। ধর্মনিরপেক্ষতার সংজ্ঞা কি শুধুই মুসলিম থাকলে হয় ? খ্রিস্টান, শিখ,বৌদ্ধ,পার্সী,জৈন ধর্মও তো এই বিলেন আওতায়। এর পরেও বলবে এই বিল ধর্ম নিরপেক্ষ নয়প্রশ্ন : আচ্ছা যারা 2014 র আগে থেকে যারা "ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত" হয়ে বাংলাদেশ থেকে এসে ভারতে বাস করছে তাদের কি আবার তাড়িয়ে দেব?উত্তর: না না, এই বিলটিতো স্পেশাল ভাবে ওই নিপীড়িত মানুষদের জন্যই পাশ করা হয়েছে। যাতে তারা এখন নিশ্চিন্তে এই দেশে বসবাস করতে পারেপ্রশ্ন : তবে অনেকে বলছে ডিটেনশন ক্যাম্পে রেখে দেওয়া হবে। ওটা ভুল ?উত্তর: হ্যাঁ ওটা ভুল। CAB এর জন্য কাউকে ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখা হবে না। আর এই ডিটেনশন ক্যাম্পের তথ্য সম্পূর্ণ ভুয়ো। কিছু রাজনৈতিক দল নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য সাধারণ মানুষকে এই ভয় দেখাচ্ছে। নিশ্চিন্তে থাকুক, কোনো ভারতীয়কে ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখা হবে না।
2.8k জন দেখলো
1 মাস আগে
অন্য কোথাও শেয়ার করুন
Facebook
WhatsApp
লিংক কপি করুন
মুছে ফেলুন
Embed
আমি এই পোস্ট এর বিরুদ্ধে, কারণ...
Embed Post