শ্রী রামকৃষ্ণের প্রয়াণ দিবস

শ্রী রামকৃষ্ণের প্রয়াণ দিবস

#শ্রী রামকৃষ্ণের প্রয়াণ দিবস
#শ্রী রামকৃষ্ণের প্রয়াণ দিবস
#শ্রী রামকৃষ্ণের প্রয়াণ দিবস
রামকৃষ্ণ দেবের চরণে শত কোটি প্রনাম #শ্রী রামকৃষ্ণের প্রয়াণ দিবস
#শ্রী রামকৃষ্ণের প্রয়াণ দিবস
#শ্রী রামকৃষ্ণের প্রয়াণ দিবস
#শ্রী রামকৃষ্ণের প্রয়াণ দিবস
🌼🌻''প্রয়াণদিনে স্মরণ করি ঊনবিংশ শতকের এক প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি যোগসাধক দার্শনিক ও ধর্মগুরু ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংসকে'''---- 🌿🌿🌿ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংস ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ১৮৩৬ – ১৬ই আগস্ট, ১৮৮৬; পূর্বাশ্রমের নাম গদাধর চট্টোপাধ্যায় ঊনবিংশ শতকের এক প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি যোগসাধক দার্শনিক ও ধর্মগুরু। তাঁর প্রচারিত ধর্মীয় চিন্তাধারায় রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠা করেন তাঁর প্রধান শিষ্য স্বামী বিবেকানন্দ তাঁরা উভয়েই বঙ্গীয় নবজাগরণেরএবং ঊনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীর হিন্দু নবজাগরণের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব।তাঁর শিষ্য সমাজে,এমনকি তাঁর আধুনিক ভক্তসমাজেও তিনি ঈশ্বরের অবতার রূপে পূজিত হন।রামকৃষ্ণ পরমহংস গ্রামীণ পশ্চিমবঙ্গের এক দরিদ্র বৈষ্ণব ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়িতে পৌরোহিত্য গ্রহণের পর বঙ্গীয় তথা ভারতীয় শক্তিবাদের প্রভাবে তিনি কালীর আরাধনা শুরু করেন।তাঁর প্রথম গুরু তন্ত্র ও বৈষ্ণবীয় ভক্তি তত্ত্বজ্ঞা এক সাধিকা।পরবর্তীকালে অদ্বৈত বেদান্ত মতে সাধনা করে নির্বিকল্প সমাধি লাভ করেন রামকৃষ্ণ।অন্যান্য ধর্মীয় মতে,বিশেষত ইসলাম ও খ্রিস্টীয় মতে সাধনা তাঁকে “যত মত, তত পথ” উপলব্ধির জগতে উন্নীত করে।পশ্চিমবঙ্গের আঞ্চলিক গ্রামীণ উপভাষায় ছোটো ছোটো গল্পের মাধ্যমে প্রদত্ত তাঁর ধর্মীয় শিক্ষা সাধারণ জনমানসে বিরাট প্রভাব বিস্তার করে।প্রথাগত দৃষ্টিভঙ্গিতে অশিক্ষিত হলেও রামকৃষ্ণ বাঙালি বিদ্বজ্জন সমাজ ও শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সম্প্রদায়ের সম্ভ্রম অর্জনে সক্ষম হয়েছিলেন।১৮৭০-এর দশকের মধ্যভাগ থেকে পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত বুদ্ধিজীবীদের নিকট তিনি হয়ে ওঠেন হিন্দু পুনর্জাগরণের কেন্দ্রীয় চরিত্র।তৎসঙ্গে সংগঠিত করেন একদল অনুগামী, যাঁরা ১৮৮৬ সালে রামকৃষ্ণের প্রয়াণের পর সন্ন্যাস গ্রহণ করে তাঁর কাজ চালিয়ে যান।এঁদেরই নেতা ছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ।১৮৯৩ সালে শিকাগোতে বিশ্ব ধর্ম মহাসভায় বিবেকানন্দ তাঁর ধর্মীয় চিন্তাধারাকে পাশ্চাত্যের জনসমক্ষে উপনীত করেন।বিবেকানন্দ যেবিশ্বমানবতা বাদের বার্তা প্রেরণ করে তা সর্বত্র সমাদৃত হয় এবং তিনিও সকল সমাজের সমর্থন অর্জন করেন।যুক্তরাষ্ট্রে হিন্দু দর্শনের সার্বজনীন সত্য প্রচারের উদ্দেশ্যে তিনি এরপর প্রতিষ্ঠা করেন বেদান্ত সোসাইটি এবং ভারতে রামকৃষ্ণের ধর্মীয় সমন্বয়বাদ ও “শিব জ্ঞানে জীবসেবা”র আদর্শ বাস্তবায়িত করার জন্য স্থাপনা করেন রামকৃষ্ণ মিশন নামে একটি ধর্মীয় সংস্থা।রামকৃষ্ণ আন্দোলন ভারতের অন্যতম নবজাগরণ আন্দোলনরূপে বিবেচিত হয়।২০০৮ সালে ভারত ও বহির্ভারতে রামকৃষ্ণ মিশনের মোট ১৬৬টি শাখা কেন্দ্র বিদ্যমান।এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় পশ্চিমবঙ্গের হাওড়ার বেলুড় মঠে অবস্থিত।।🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 -সংগৃহীত #শ্রী রামকৃষ্ণের প্রয়াণ দিবস
#শ্রী রামকৃষ্ণের প্রয়াণ দিবস
#শ্রী রামকৃষ্ণের প্রয়াণ দিবস