🙏ভক্তি
#

🙏ভক্তি

জয় মা মনসা, জয় নিতাই গৌর হরিবোল, হরে কৃষ্ণ, জয় রাধে শ্যাম, জয় রাধে। (আমি শুভদীপ ) সাধন ভজন কাকে বলে, ধর্মকথা কাকে বলে, এখন ডিজিটাল ইন্ডিয়া বিজ্ঞানের যুগ, এইসব ধর্মকথা সাধন ভজন কাকে বলে সেটা কি, কেউ শুনতে চাই না , তবুও আমি বলছি সময় পেলে একবার পড়ে দেখবেন, কোন একদিন কাজে লাগবে কথাগুলো, এই পর শোনেন বিজ্ঞানের দ্বারাই সবকিছু হয়, সাধুরা দীক্ষা শিক্ষা কেন দেয়, এতে কি উন্নতি হয়, আমি বিজ্ঞানের অপমাননা করে কিছু বলবো না, তবে দুটো সাবজেক্ট আলাদা, বিজ্ঞান দুই প্রকার, একটা হচ্ছে বস্তুবিজ্ঞান, আর একটা হচ্ছে অদার্থবিজ্ঞান, জাগতিক জগতে যার বৈজ্ঞানিক, তারা স্রষ্টার সৃষ্টি কে নিয়ে এনালাইসিস করে গবেষণা করে তারা নতুন নতুন আবিষ্কার করতে পারেন, আর যারা অদার্থবিজ্ঞানি তারা সৃষ্টিকর্তার খোঁজে গভীর ধ্যানে মগ্ন হয়, এই পর দীক্ষা শিক্ষা তারই লাগবে যদি কেউ চিন্তা করে যে আমি কোথায় ছিলাম, কোথা থেকে এলাম, কোথায় যাব বাবা, আমার বাবা, তার বাবা, তার বাবা, তার বাবা, কত বাবাই তো এলো সবাই তো চলে গেলো, আমিও তো চলে যাব, আমি মোবাইলে টাইপ করছি ধর্মকথা তত্ত্বকথা, দেখা গেল টাইপ করতে করতে হার্ট অ্যাটাক হয়ে গেলো, তাহলে আমার জন্মের আগে কি আমি ছিলাম, মৃত্যুর পর কি আমার অস্তিত্ব থাকবে, কি না থাকবে, মোবাইলটা যদি আমার হয় আমি তো আর মোবাইলে নয়, আর ফেসবুক আইডিটা যদি আমার হয় আমি তো আর ফেসবুক নই, আমার মাথা, আমার হাত, আমার আঙ্গুল, আমার কান, আমার চোখ, আমার নক, আমার মুখ, এই কথাগুলো আমরা বলি তাই তো, তাহলে দেহটা যদি আমার হয়, আমি তো আর দেহ নই, তাহলে দেহের মধ্যে আমি কে, এটা জাগতিক জগতের কোন বিজ্ঞানের কোন সাবজেক্টে নাই, এই জন্য দর্শনের প্রথম প্রশ্ন হচ্ছে হুইচ আই আমি কে, এই প্রশ্ন সেদিন থেকে মানুষের মধ্যে জাগ্রত হল, সেদিন থেকে জগতের সাধন-ভজন এলো, একে বলে অদার্থবিজ্ঞান, আমাকে আমায় জানতে হবে, এইজন্য শ্রীমানমহাপ্রভুর কাছে সনাতন গোস্বামী যখন গিয়েছিলেন আর অন্য কোন প্রশ্ন করেননি শুধু প্রশ্ন করেছিলেন, আমি কে এই দেহের মধ্যে আমি কে আমি কোথায়, তাহলে আমাদের যে এই দেহ জমি এই জমিতে চাষ করতে হবে, চাষ করার পদ্ধতি সাধুগুরু মহাপুরুষ দের কাছ থেকে জেনে নিতে হবে, আপনি যদি বিশ্ব বিখ্যাত বিজ্ঞানী আইনস্টাইন এর কাছে যদি জিজ্ঞাসা করেন, যে আমার দেহ জমিটা চাষ করব আপনি এ দেহের জমি চাষ করার বীজ দেবেন, তাহলে সেই বীজ কে দেয় আমার গুরুদেব, জয় জয় শ্রী গুরু নিতাই গৌড় প্রেমানন্দে হরি হরিবোল, দেখুন ধর্মকথা যেটা প্রকৃত ধর্ম কথা, সেই ধর্মের কথা তে কখনো হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, এগুলো থাকে না, সবার কথা আর যে ধর্ম কোথায় বিশেষ কোনো জাতির কথা বলা হয় তা কোন ধর্ম কথা হয়না, তখন সেটা ভন্ডামি হয় তাহলে আমাদের দেহের মধ্যে মন আছে, আমি যদি কোন বৈজ্ঞানিক আবার যারা মেডিকেল সাইন্স নিয়ে পড়ছেন, ডাক্তার কে যদি বলা হয়, আমাকে অপারেশন করে, আমার দেহের মধ্যে থাকা মন টাকে কেটে বার করে দিতে পারবেন, পারবে না, ডাক্তার বাবুর বাবার বাবার বাবার বাবার এলেও পারবেনা, কিন্তু মন আছে ইহা সত্য, আমার লেখাটা একটু ভালো করে পরবেন একটু ভালো করে বুঝবেন, গুরু পায়ে 10 বছর তেল দিলেও এসব কথা বলবে না, বেশিরভাগ গুরু কানে দেয় ফিসফিস বলে মাসে মাসে চাঁদা দিস, তাহলে আমাদের দেহের মধ্যে মন আছে, জগতের সবচাইতে বড় কোন ড্রেন যদি থাকে, বড় কোন আবর্জনা থাকে, সেটা হচ্ছে মানুষের মন, এই মন কে যে পরিষ্কার করে রাখে তারই হয় সাধন ভজন, এই মনের দুটো স্ত্রী আছে, তাদের কি কি নাম, একটার নাম সুমতি, আর একটা নাম কুমতি , দুই বউ মনের, সুমতির কটা ছেলে মেয়ে তিনটে ছেলে একটা মেয়ে আছে, কি কি নাম, জ্ঞান, বিবেক, বৈরাগ্য, আর ভক্তি বলে একটা মেয়ে আছে, কুমতি তার ছেলে মেয়ে কয়টা ওর ছয়টা ছেলে কি কি, কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ, মাৎসর্য, এই 6 টা ছেলে, এরাই কিন্তু মানুষকে কুপথে টানে এটা হিন্দুর ও আছে, মুসলমানের আছে, খ্রিস্টানদের আছে ব্রাহ্মণদের আছে, বৈষ্ণবদের আছে, সমস্ত মানবজাতির মধ্যে আছে, ধর্মকথা শুধু একজনের জন্য নয় সমস্ত মানুষের ধর্ম কথা, বিশ্ব মানবের কল্যান যেখানে সেখানেই ধর্মকথা সেখানে প্রকৃত সৎ গুরু রা এই জায়গাটায় দাঁড়ানো থাকে, আমাদের দেহের জমিদার মধ্যে দশটা কৃষক আছে, চোখ, কান, মুখ, জিভ, নাক ,হাত, পা, ত্বক , লিঙ্গ, বাঘ, পাঁচটা হচ্ছে জ্ঞান ইন্দ্রিয়, পাঁচটা হচ্ছে কর্মেন্দ্রিয়, এদের বশ করতে হবে, নাহলে দেহ জমি চাষ হবে না বাবা, চোখ সব সময় সুন্দরী রমণী দেখলে সেই দিকে আকর্ষিত হবে, কান কু কথা কথা শুনতে চাইবে, মুখ কুকথা বলতে চাইবে, জীব রসনা কু রস অ্যাস্বা দিবে, এখান থেকে হুঁশিয়ার হয়ে এদেরকে অন্তর্মুখী করতে হবে, যার দাঁড়ায় দশ ইন্দ্রিয় ছয় রিপু মন সহ ঈশ্বর মুখী হয়, অন্তর্মুখী হয়, তাকেই বলে সাধনা, এটা কোন বিজ্ঞানের সাবজেক্টে পাওয়া যায় না, দেখবেন জমিতে রস থাকলে জমির মাটি শক্ত ইট হয়ে যায়, সেই মাটিতে যদি বীজ ফেলা হয় তাহলে কি ফসল হয়, হয় না তাহলে এই দেহ জমি যোগী যৌবনকাল, দেখবেন একটা কালো মেয়ে একটা কালো ছেলে যদি রাস্তা দিয়ে হেটে যায় ফর্সাও না, তাদের মধ্যে একটা জ্যোতি বের হয় তাই না, ওটা যৌবনের জ্যোতি, আবার দেখবেন যারা বুড়ো হয়ে গেছে তাদের রস শুকায়ে গেছে বাবা, কিন্তু রস থাকতে এই দেহ জমি বীজর কথা বললে বলবে এখনো সময় হয়নি ওসব হরে কৃষ্ণ বলার, তাহলে কি বুড়ো বয়সে বলিবে হরে কৃষ্ণ নাম, ঠিকমতো কথাই বলতে পারবেন না, দাঁত পড়ে যাবে, চোখে ভালো দেখতে পাবেন না, ঠিক মত সোজা হয়ে চলতে পারবেন না, তারপরে জমির রস নষ্ট করে ফেলে বেশিরভাগ মানুষ যৌবন কালে কুসঙ্গে,সেই জমির রস নষ্ট করে ফেলে, ছোট্ট একটা গল্প আমার মনে পড়ে, আমি বলছি তিন বন্ধু একটা দোকান থেকে একই কোম্পানির টচ লাইট কিনেছে, এ ভারিটি কোম্পানির তিনটি টচ লাইট ভালো, এক মাস পরে তিন জনের লাইটের দেখা হল, রাস্তার মোড়ে তিনজন দেখা হাতে টর্চ লাইট নিয়ে দেখা, একজনের টর্চলাইট সাদা ধবধবে জ্বলছে নতুনের মতো, আর একজনের টচ লাইট নিভছে জ্বলছে, আরেকজন টর্চ লাইটের নিভু নিভু হয়ে গেছে , তো যার টচ লাইট একদম জ্বলছে না, ওই দুইজনকে বলছে এক মাস আগে তিনজনে একই দিনে টচ লাইট কিনলাম, তাহলে তোরটা নতুনের মত জ্বলছে, আর তোর টা নিবুনিবু জ্বলছে নিভছে জ্বলছে, আর আমারটা তো জ্বলছে না, এর মানে কি, তা যে লোকটার ভালো টচ লাইট জ্বলছে, সে ওই দুজন কে বলছে দরকার পড়েছে টর্চ লাইটের সুইচ টিপেছি দরকার মিটে গেছে এই ব্যাটারি উল্টে দিয়ে রেখেছি , আর যার জ্বলছে নিভছে সে বলছে আমি দু-একবার নারকেল গাছে আছাড় মেরেছি বলে আমার লাইটটা নিভছে জ্বলছে, আর যে লোকটার লাইটটা একবারে জ্বলছে না সে বলছে আমাকে তো কেউ তথ্য বলিনি আমি দিনেও জেলেছি রাতেও জেলেছি, এই করে ব্যাটারি লাইট ডুম সব শেষ করে ফেলেছি,বোঝা গেল আর বলবো না বুঝলে তো বোঝো না হলে বুঝতে হবে না, যৌবনকালে তথ্য না জানলে দেহের জমির রস শুকিয়ে ফেললে, আর ওই দেহ জমিতে ফসল ফলবে না, দেহ জমি চাষ করে কারা সদ্ গুরু রা, তাদের কাছ থেকে দেহ জমি চাষ করার বীজ নিয়ে নিজের দেহ জমি টাকে চাষ করতে হবে, চাষ করে শুদ্ধ ফসল ফলাতে হবে, এই যে আমি কথাগুলো বলছি আমি কিন্তু দেহ না, আমি হলাম আত্মা, বুকের মাঝে শুভদীপ তুমি বাজাও আপন সুর, আমার মাঝে তোমার প্রকাশ তাই এত মধুর, তাহলে আমার আত্মা টা হচ্ছে নিরাকার তাহলে আমাদের দেহের আত্মা আমাদের দেহটাকে নিয়ে শাখার মানব হচ্ছে এই আত্মাকে দর্শন করে কারা, যারা আত্মদর্শী মহাপুরুষ হয় তারা, আর সাধু সাধুদের কাছে হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, জাত ভেদাভেদ কিছু থাকে না, সেইজন্য লালন ফকির গান লিখেছেন, সাধুর ও গুন যায় না বলা শুদ্ধ চিত্ত অন্তর খোলা, সেই জন্য প্রত্যেকটা জাতির ধর্ম গ্রন্থ তে বলেছে, আগে নিজেকে জানো নিজের মন কে চেনো, নাহলে সব কিছু যাবে বিফলে, যারা মূল মানুষ তারা কখনো গুরু কথা বলেনা, ভুল মানুষগুলো ভুলটা কে সরিয়ে মানুষ মানুষের ধ্বংস সৃষ্টি করে, আর আমরা মূল জিনিসটাকে বহন করি গ্রহণ করি, আর ভুল জিনিসটা কি ধরে ফেলি, বিন্দাবনের সর্বশ্রেষ্ঠ নীলা ছিল রাস নীলা, এটা হচ্ছে রসের নীলা, কোন রস, মাধুর্য মধুর পান্তা রস, এই রসের অধিকারী কে, শ্রীমতি রাধারানী, এই রস ৫০০০ বছর গোপনেতে ছিল, শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু যখন নবদ্বীপে এলো, তখন এই ভক্তি প্রেম রস জগতে ছড়িয়ে পরলো, জয় আমার গুরু মাতা গুরু পিতার রাঙা চরণে শত সহ কোটি প্রমাণ, আমার দীক্ষা শিক্ষা গুরু মাতা মনসার রাঙা চরণে কোটি কোটি প্রণাম, জয় জয় রাধা কৃষ্ণ প্রেমানন্দে হরি হরিবোল, জয় জয় শ্রী গুরু নিতাই গৌড় প্রেমানন্দে হরি হরিবোল হরে কৃষ্ণ। তবে একটা কথাই আমি বলতে চাই, যে যে কাজে ব্যস্ত থাকেন সেই কাজকে নিষ্ঠা ভক্তিতে করুন, সব কাজ কে সম্পূর্ণ করুন, কোন কাজকে অসম্পন্ন করবেন না, তার মধ্যে একবার হলেও ভগবানকে স্মরণ করুন, মনটাকে পরিষ্কার রাখুন নিজেকে ভালবাসুন নিজেকে চিনুন তারপর সমস্ত মানুষকে ভালোবাসুন মানুষের মধ্যে ভগবান, প্রত্যেকটা মানুষের মধ্যে ভগবান বিরাজমান, সেই জন্যই ভগবান বলেছেন হামা হতে আমার ভক্ত বড়, আমায় যদি পেতে চাও আগে আমার ভক্তের হাত ধরো, আমার ভক্ত কে সম্মান করো, জয় মা মনসা, জয় রাধে হরে কৃষ্ণ জয় নিতাই গৌর হরিবোল।
160 views
1 months ago
#

🙏ভক্তি

🙏স্পন্দন 🙏 🙏🙏🙏 বক্ষের স্পন্দন আর নাড়ীর স্পন্দন,🌿 এ স্পন্দন সারা বিশ্বে হয় সর্ব ক্ষণ 🔥🔥 🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼 দিবা করে চন্দ্রমায় গ্ৰহ তার কায় 🌿 ধুলি মাঝে অণু মাঝে রক্ত কণিকায়🔥🔥 ♥️❣️❣️❣️❣️❣️❣️❣️❣️ এই ভাবে চক্ষুর হয় উন্মেষ নিমেষ 🔥 আবর্ত বিবর্ত ধর্ম জেনো সবিশেষ 🔥🔥 🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲 স্পন্দ ও নিঃস্পন্দ ক্রিয়া চলে অনিবার 🔥 ইহাই আত্মার ধর্ম ব্রহ্মে বিহার 🔥🔥 ♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️ ভূমিষ্ঠ হইয়া শিশু দুগ্ধ পান করে 🔥 স্পন্দন ক্রিয়া ও করে যথা বক্ষ ভরে 🔥🔥 ❣️❣️❣️❣️❣️❣️❣️❣️❣️❣️ এই ভাবে স্পন্দন ক্রিয়া চলে সর্বক্ষণ🔥 নিঃশব্দ হইলে তোমার নিশ্চিত মরন 🔥🔥 🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲 ❣️❣️❣️❣️❣️ সৌজন্যে ❣️❣️❣️❣️❣️ 🌲🌲🌲🌲🌲সারস্বত গ্ৰুপ🌲🌲🌲🌲 ♥️♥️♥️♥️♥️ওঁ নমঃ শিবায়♥️♥️♥️♥️ 🌲🌲🌲🌲🌲 অশ্বিনী মহারাজ 🌲🌲🌲🌲🌲
150 views
1 months ago
No more posts
Share on other apps
Facebook
WhatsApp
Copy Link
Delete
Embed
I want to report this post because this post is...
Embed Post