বিদেশের খবর
অল্পের জন্য ড্রোন হামলা থেকে রক্ষা পেলেন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। শনিবার কারাকাসে মিলিটারিদের এক অনুষ্ঠান চলাকালীন তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। ড্রোন হামলায় প্রেসিডেন্ট মাদুরো অল্পের জন্য রক্ষা পেলেও সাত সৈন্য গুরুতর আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। ভেনেজুয়েলার সংযোগ মন্ত্রী জর্জ রড্রিগেজ জানিয়েছেন, বিস্ফোরক ভর্তি দুটি ড্রোন প্রেসিডেন্টের মঞ্চের কাছে এসে পড়ে। তিনি এই আক্রমণের পেছনে ভেনেজুয়েলার দক্ষিণপন্থীদের হাত আছে বলে জানিয়েছেন। পরে জাতির উদ্দেশ্যে এক ভাষণে মাদুরো জানিয়েছেন, উড়ন্ত একটা কিছু আমার সামনে এসে ফাটে এবং বিস্ফোরণ হয়। দু সেকেন্ড পরেই দ্বিতীয় বিস্ফোরণ হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ছবিতে দেখা যাচ্ছে বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গেই সেনা বাহিনীর জওয়ানরা প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে বুলেট প্রুফ জ্যাকেট দিয়ে ঘিরে দেন। এই ঘটনায় নিকোলাস মাদুরো অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছেন আমেরিকা ও কলম্বিয়ার দিকে। তিনি জানিয়েছেন, এটি দক্ষিণপন্থীদের চক্রান্ত ছাড়া কিছু নয়। আমি নিশ্চিত এর পেছেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল স্যান্টোস আছেন। যদিও কলম্বিয়ার পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। #বিদেশের খবর
#বাংলাদেশ_ছাত্র_আন্দোলন ✊স্যালুট জানাচ্ছি বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনকে✊ ছবিটি বাংলাদেশের । এরকম দৃশ্য বহুদিন দেখিনি (প্রথম ছবি)।ঢাকার রাস্তায় মেয়েদের এভাবেই গার্ড করে হাটল কিশোর ছাত্ররা । কারণটা শুনবেন?বাংলাদেশী সরকারের অনুগত ছাত্রলীগের দুষ্কৃতীরা ইতিমধ্যে এই আন্দোলনকারীদের মধ্যে ৪টি ছাত্রী ধর্ষণ করার ফলে এই মানুষসৃষ্ট সুরক্ষা কবচ ।এরা স্কুল পড়ুয়া,কিশোর-কিশোরী.. এদের মানসিকতা.. চিন্তাধারা ..আপনাদের থেকে অনেক এগিয়ে ..।এবার জিজ্ঞেস করবেন কিসের আন্দোলন ?গত রবিবার দুটি বাসের রেষারেষিতে পিষ্ট হয়ে মারা পরে দুই ছাত্র, জানি এটি শুনতে শুনতে আপনি অভ্যস্ত, এমনকি ঢাকারও এটি রোজকার ঘটনা, কিন্তু বাংলাদেশের ছাত্র-ছাত্রীরা এটি মেনে নেয়নি, আমাদের মতো খবরের পাতা উল্টায়নি, তারা চায়নি রাস্তায় এভাবে আর কোন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হোক, আরো কারো কল খালি হোক, তারা বদল চেয়েছে, সমস্ত স্কুল পড়ুয়া, কলেজ পড়ুয়ারা রাস্তায় নেমেছে, প্রতিবাদ করতে ? কেমন প্রতিবাদ শুনবেন ..?কিশোর-কিশোরীরা রাস্তায় নেমে ট্রাফিক কন্ট্রোল করছে নিখুঁত দক্ষতায়, সমস্ত গাড়ির সে আপনি যত বড়ই মন্ত্রী-আমলা হোন না কেন, পুলিশ, উকিল, উচ্চ পদস্থ কর্মচারী হোন না কেন, তাদের কাছে লাইসেন্স চাওয়া হচ্ছে, নইলে গাড়িতে লিখে দেখা হচ্ছে সাদা কালিতে "লাইসেন্স নাই, লাইসেন্স কই?" .. বা কখনো চকলেট খাইয়ে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে, চলছে গাড়িআটকানো, মিছিল.. । যথেষ্ট সক্রিয় অথচ শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়া ..ইতিমধ্যে এক মন্ত্রী বলে বসেন "এরকম ঘটনা তো রোজই হয়" .. ব্যস! আন্দোলন আরো জোড়দার হয় ।কিন্তু ছাত্রলীগের দুষ্কৃতীরা বাঁধ সাধে, ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়া হয়, ইন্টারনেট বন্ধ, চলে এই কিশোর-কিশোরীদেরউপর অত্যাচার.. এখনো চলছে .. । পুরোদস্তুর চলছে আন্দোলন দমন । কোন মিডিয়ার কভারেজ নেই, মিডিয়া চুপ ..প্রচুর প্রতিবাদী ছাত্ররা আহত, ৪জন ধর্ষিত হয়েছে, অনেকছাত্র ইতিমধ্যে মৃত । তাও ওরা মাথা নোওয়ায় নি..আমাদের ওদের কাছ থেকে শেখা উচিত প্রতিবাদ কিভাবে করতে হয়, রাস্তায় নেমে দেশকে বদলাবার ভাবনা .. দেশের দুর্নীতির বিরুদ্ধে এত প্রতিকূলতার মধ্যেও কিভাবে সরব হতে হয় । স্যালুট বাংলাদেশ..তোমরা শেখালে শিরদাঁড়া সোজা করে কিভাবে বাঁচতে হয় .. শেখালে শুধুমাত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় বুলি নয়, দেশ বদলাতে রাতে বামতে হয় ,শেখালে কিভাবে চলমান দুর্নীতির বিরুদ্ধে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক্যবব্ধ ভাবে লড়াই করতে হয় .. তোমরা যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে ইতিহাস গড়লে তা সমস্ত নতুন যুগের মানুষেরা মনে রাখবে, এই আন্দোলনের বীজ রোপিত হলোকত মানুষের মধ্যে তোমাদের ধারণা নেই ..সরকার যদি এর কোন পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নেয়, এই অচলাবস্থা চলবে ..প্রতিবাদ চলবে.. আন্দোলন চলবে .. আপনি শুধরান .. দেখবেন দেশ আপনা-আপনি শুধরে যাবে ....।। #বিদেশের খবর
#বাংলাদেশ_ছাত্র_আন্দোলন  নিরাপদ সড়কের দাবিতে সপ্তম দিনের মতো রাজধানীর রাস্তায় নেমেছিল বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা; বিভিন্ন স্থানে তাদের ওপর হামলার অভিযোগও পাওয়া গেছে। ব্যাগ কাঁধে ইউনিফর্ম পরা শিক্ষার্থীরা গতকাল শনিবার সকাল থেকে বৃষ্টির মধ্যেই বিভিন্নস্থানে অবস্থান নিয়ে সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের চালকদের সনদ পরীক্ষা করা শুরু করে। এর মধ্যে শাহবাগে গিয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতারা সংহতি প্রকাশ করেন। তবে ঝিগাতলা, ফার্মগেইট, মিরপুরে তাদের ওপর ছাত্রলীগ নামধারীরা হামলা চালায় বলে আন্দোলনকারীদের অভিযোগ। সকাল থেকে থাকার পর সন্ধ্যার দিকে প্রায় সব স্থান থেকেই সড়ক থেকে সরে যায় আন্দোলনকারীরা। এদিকে নিরাপদ সড়কের আন্দোলন থেকে ‘সাহস’ নিয়ে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে পুলিশ ‘কঠোর’ হচ্ছে জানিয়ে শিক্ষার্থীদের এখন ঘরে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। গত ২৯ জুলাই বাসচাপায় রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে নামে ঢাকার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। তাদের আন্দোলন থেকে ওঠা ৯টি দাবি পূরণের ঘোষণা দিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানানো হলেও শুধু আশ্বাসে সন্তুষ্ট নন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পাল্টায় পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা বাস না নামানোয় সড়কে শুধু ব্যক্তিগত গাড়ি ও সিএনজি অটোরিকশাই চলাচল করছে। এসব গাড়ি থামিয়ে চালকদের ও গাড়ির লাইসেন্স দেখতে চাচ্ছিল শিক্ষার্থীরা। ঢাকার মিরপুরে সকাল ১০টার পরে ১০ নম্বর গোল চত্বরে জড়ো হয়ে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে ১ নম্বরের দিকে যায়। ফিরে ওই চত্বরে অবস্থান নিয়ে গাড়ির লাইসেন্স পরীক্ষা শুরু করে। সেখানে থাকা আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের এক শিক্ষার্থী বলেন, “সব দাবি পূরণ না হলে রাস্তা ছাড়ব না।” ১০ নম্বর সেকশনের মতো ৬, ২ ও ১ নম্বর সেকশনেও সড়কে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে অন্য দিনের মতো যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছিল। রামপুরা সেতুতে শিক্ষার্থীরা বেলা সাড়ে ১০টার দিকে সড়কে নামতে চাইলেও তা করতে দেয়নি পুলিশ। সহকারী পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক পূর্ব অফিসের কেউ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে বলতে চায়নি। রামপুরা থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “জনগণের দুর্ভোগের কথা ভেবে সড়ক অবরোধ করতে দেবে না পুলিশ।” এ সময় শিক্ষার্থীদের ডেকে নিয়ে বোঝাতে দেখা গেছে পুলিশ সদস্যদের। মালিবাগ চৌধুরী পাড়ায় শিক্ষার্থীরা সড়কে অবস্থান নিয়ে যানবাহনের লাইসেন্স পরীক্ষা করে। শান্তিনগর মোড়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। সেখানে ভিকারুন নিসা, সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল ও কলেজের এবং স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিয়েছে। ফার্মগেইটেও অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। যানবাহনে শৃঙ্খলার পাশাপাশি পথচারীদের ওভারব্রিজ ব্যবহারে বাধ্য করছিল তারা। শান্তিনগরে দু’টি পুলিশ ভ্যান ও দুজন পুলিশ অফিসারের গাড়িও আটকায় তারা। দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে আন্দোলনকারীদের কয়েকজনকে আটকে রাখা হয়েছে বলে গুজব ছড়িয়ে পড়লে সৃষ্টি হয় উত্তেজনা। শিক্ষার্থীরা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের দিকে এগোলে হেলমেট পরা একদল যুবকের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বাঁধে। এই ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া বিকাল পর্যন্ত চলে। সেখানে সংঘর্ষে অর্ধশতের মতো আহত হয়েছে। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, শিক্ষার্থীদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে একদল দুর্বৃত্ত পরিকল্পিত হামলা চালায়, যাতে ১৭ জন আহত হয়। তার আগে বিকাল ৩টার দিকে বিজয়নগর মোড়ে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা একজন মোটরসাইকেল আরোহীর লাইসেন্স পরীক্ষা করতে গেলে তিনি লাইসেন্স না দেখিয়ে চলে যেতে উদ্যত হন। এসময় শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে আরোহী সড়কে পড়ে যান। বেলা ১টার দিকে ফার্মগেটে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সড়ক থেকে উঠে যেতে অনুরোধ করতে যান একদল যুবক। এসময় শিক্ষার্থীরা তাদের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে সড়কে অবস্থান নিয়ে থাকে। বিকালে তেজতুরি বাজারে তেজগাঁও সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা সড়কে নেমে চলাচলকারী যানবাহনগুলোকে আলাদা লেইনে চলার অনুরোধ করছিল। এ সময় একদল যুবক এসে তাদের সড়ক থেকে উঠে যেতে নির্দেশ দেয়। তখন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা সড়কে বসে পড়ে। একজন শিক্ষার্থী বলেন, “এলাকার ছাত্রলীগের ছেলেরা আমাদের ওপর আক্রমণ করে।” এ সময় পথচারীরা সংঘর্ষের দৃশ্য ভিডিও করতে গেলে সেই যুবক দল তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভিডিও ডিলিট করতে বাধ্য করে। বিকাল ৪টার দিকে বংশালের নর্থ সাউথ রোডে ১০ জনের একটি দল গণপরিবহনের জন্য আলাদা লেন তৈরি করে দিচ্ছিলেন। নয়াবাজারের ইংশিল রোডেও বেশ কয়েকজনকে যানবাহনের লেন নিয়ন্ত্রণ করতে দেখা গেছে। তবে পুরান ঢাকার এদের কারও পরণে স্কুলের পোশাক দেখা যায়নি। #বিদেশের খবর
র‌্যাটেল স্নেকের একছোবলে সব শেষ মাত্র ২০ সেকেন্ডে! তা তিনি যতবীর পালোয়ানই হোন না কেন। কিন্তু, উনি, টিম ফ্রেড এই বিষধরের ছোবল নিয়েও দিব্য থাকেন। বিষের ভারে হাত ফুলে ঢোল হলেও, তাঁকে 'বধ' করা র‌্যাটেল স্নেকের কম্ম নয়। শুধু র‌্যাটেল স্নেকেই কেন, আফ্রিকার মানুষ যে সাপের ভয়ে ত্রস্ত, সেই ভয়ংকর, বিপজ্জনক ব্ল্যাক মাম্বার কামড়ও হজম করে ফেলেন ফ্রেড। এ পর্যন্ত কত যে বিষধরের বিষ শরীরে নিয়েছেন, নিচ্ছেন, হিসেব নেই।আসুন, আলাপ করানো যাক ভয়ডরহীন 'ভেনম ম্যান'-এর সঙ্গে। মাদকাসক্তদের কেউ কেউ নেশার এক পর্যায়ে পৌঁছে জিভে সাপের ছোবল নেন। কিন্তু, টিম ফ্রেড 'নেশাড়ু' হলেও, মাদকাসক্ত নন কখনোই। তিনি নেশাড়ু বিজ্ঞানের। বিষধরের ভ্যাকসিন আবিষ্কারে মরণপণ লড়ছেন। নিজেকেই নিজের গবেষণার গিনিপিগ করে তুলেছেন।ইনি সেই 'ভেনম ম্যান' টিমফ্রেড....যদিও, নিজেকে শখের বিজ্ঞানী বলেই দাবি করেনফ্রেড। কারণ, প্রথাগত ডিগ্রি তো তাঁর নেই। ডিগ্রির তোয়াক্কাও অবশ্য করেন না। লক্ষ্যেঅবিচল থেকে ১৬ বছর ধরে নিজের উপর গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন নির্ভীক এই মানুষটি। ধীরে ধীরে 'ইমিউন' ক্ষমতা এমন একটা পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছেন, র‌্যাটেল স্নেক, ব্ল্যাক মাম্বারাও হাড় মানে তাঁর কাছে।এই অদ্ভুত নেশার পিছনে ছোটায়, স্ত্রী বেথ ফ্রেড তাঁকে ছেড়ে গিয়েছেন। একমাত্র ছেলেওতাঁকে ছেড়ে মায়ের সঙ্গে। সাংসারিক এই একাকিত্বও তাঁকে অদ্ভুত শখ থেকে বিরত করতে পারেনি। তিনি অবিচল গবেষণায়। ভয় নেই মৃত্যুতে। বলেন, বিষধর সাপের কামড়ে মৃত্যু এলেও, কুছ পরোয়া নেই। যত দিন বাঁচব চেষ্টা চালিয়ে যাব। তিনি প্রত্যয়ী, একদিন না একদিন বিষধরের প্রতিষেধক আবিষ্কার করবেনই। #বিদেশের খবর
01:05 / 2 MB
akash Ghosh #বিদেশের খবর
03:15 / 2.8 MB
#বিদেশের খবর
02:18 / 12.2 MB
Hare Krishna Dance in USA- #বিদেশের খবর
দেখুন আর চুপ করে থাকুন......👿👿👿😞 ওরা মরছে মরুক,তাতে আপনাদের কি,ওরা তো কেও আপনার পরিচিত নয়। কিন্তুু হা অন্য সময় BISSHO মানবতার বুলি আওড়াবেন না।তাছাড়া এই বাচচা গুলোতো সব জঙিগ তাই না??😞😞 নিষ্ঠুর পৃথিবীতে তোমাদের স্থান নেই। ইনশাআল্লাহ জান্নাতের বাগানে তোমরা বিচার চাইবে। ক্ষমা করে দিও হে আমাদের ভাই বোন তোমাদের জন্য কিছুই করতে পারিনি বলে..😞😖 #TheWorldlsSilent #StopTheKillingMuslims #Syria #Ghouta #StopTheKillingChildrens #PrayforSyria #বিদেশের খবর
01:28 / 10.1 MB
Kamon lagcha amar post #বিদেশের খবর