"বসন্তোৎসব এককালে ছিল মদনোৎসব"
🏵️🥀🏵️🥀🏵️🥀🏵️🥀🏵️🥀🏵️🥀🏵️
2026.... এ বছর আগে তো দেবী সরস্বতী'র পুজো হয়েই গেলো 23rd january..... আমি বলেছিলাম,হারানো নদীই আসলে দেবী সরস্বতী।কিন্তু কেনো রাধার সঙ্গে হোলিতে মেতে উঠেছিলেন কৃষ্ণ...???‼️‼️‼️আজ হোলি বা দোলযাত্রা,সবাই রং মাখুন আনন্দ করুন আমার শুভেচ্ছা রইলো।আমি একটু গল্পের ছলে বিশ্লেষণ করি........ সুদূর অতীত থেকে ....বৃন্দাবন বরাবরই উদার পরিবেশ।গোঁড়ামির বাতাস তেমন হালে পানি পায়নি। এমন এক সময় সংকেত কুঞ্জে দেখা হয়েছে রাধা-কৃষ্ণের।দিনটা ছিল বসন্ত-পঞ্চমীর। আচমকাই শ্রীমতী খেয়াল করলেন উপর থেকে তাঁদের উপর কিছু ফুলের পাপড়ি ঝরে পরল।ব্যাপার কী? কৃষ্ণ যোগবলে জানলেন, দেবতারা স্বর্গে রঙের উৎসব পালন করছেন। শ্রীমতীও বায়না ধরলেন রং খেলার জন্য। কৃষ্ণ জানালেন,সেদনিটা দেবতাদের জন্যই থাক,অন্য একদিন রংয়ে রেঙে ওঠা যাবে’খন। দেখুন.............কৃষ্ণ কতটা শ্রদ্ধাশীল।।।‼️ শ্রীমতীর সে আবদারই পূরণ হল ফাল্গুনি পূর্ণিমায়।আবার এদিকে ছোট্ট কৃ্ষ্ণ পুতনার বিষ-স্তন পান করার পর থেকেই কালো-বরণ।এদিকে রাধা ও তাঁর সখীরা সকলেই গৌর-বরণী।তাই দেখে মা যশোদার কাছে অনুযোগ করলেন কৃষ্ণ।মা তাঁকে জানালেন,কোনও একদিন গিয়ে কৃষ্ণও যেন গোপীদের রঙে রাঙিয়ে দেয়।তাহলেই সব এক।সেই থেকেই রংয়ের উৎসবের সূচনা।কৃ্ষ্ণ আর তাঁর দলবল গিয়ে রাধাকে রঙ মাখিয়ে এসেছিলেন বরষাণায়।প্রত্যুত্তরে গোপীরা লাঠি হাতে তেড়ে এসেছিল নন্দগাঁওতে।আর আত্মরক্ষা করেছিল কৃ্ষ্ণের সখারা।এই হল লাঠমার হোলি।আমি পোস্টটা এভাবেই করলাম।সকলেই বেশ কিছু কমবেশি অবগত।
...‼️‼️সে যাই হোক বসন্তোৎসব এককালে ছিল মদনোৎসব।পরবর্তীকালে বিষ্ণুর জায়গা যেভাবে নিয়েছিলেন কৃষ্ণ,সেভাবেই মদনের জায়গাও নিলেন তিনি।এ কথা মনে করতেন স্বামিজীও।আমাদের আদর্শ হলেন তিনিই...স্বামী বিবেকানন্দ ....!!!ওনার নোভেল গুলো পড়লে অনেকটা ভেতরে যাওয়া যায়।আসলে মদনের সঙ্গে বসন্তের যোগাযোগ নিবিড়।এ যাগা'টা একটু মদনেরই কারসাজ্জি...!!তাই
" কুমারসম্ভবের কবি শিব-পার্বতীর মিলন ঘটাতে ডেকে এনেছিলেন বসন্ত-সখা'কে।" ⚡⚡কিন্তু👉মদনের পরিবর্তে কৃষ্ণের জায়গা নেওয়া আসলে 💖প্রেমের শিরোমণি হিসেবে কৃষ্ণের প্রতিষ্ঠার প্রতিই ইঙ্গিত দেয়। রাধা-কৃষ্ণের সঙ্গে দোলের যোগাযোগ এইভাবেই।নিশ্চয়ই এমনই কোনও ফাল্গুনি পূর্ণিমাতে গোপী-শ্রেষ্ঠাকে নিয়ে রঙ খেলার সময় দোলনাতেও দুলেছিলেন,সেই থেকে দোল লেগেছে।পরবর্তীকালে না না গানও হয়েছে সেই .........গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার‼️‼️‼️
💖দোলে দোদুল দোলে ঝুলনা.. দোলে কৃষ্ণ দোলে ঝুলনা... দোলে রাই দোলে ঝুলনা, দোলে দোদুল নাই তুলনা❕
💖রাধার অধরে জাগে হাসি (ওগো) কহিছে ডেকে শ্যামের বাঁশি এ লগন রাই ভুলো না❕ দোলে শিখি পাখা, দোলে শুকসারি ময়ূরী দোলে প্রেম অভিসারী......❕❕❕❕
এভাবেই.... বসন্তের এই উৎসব একদিনের নয়, বেশ প্রলম্বিতই ছিল।এখনও তাই!!!কোথাও কোথাও পঞ্চম দোল বা ষষ্ঠ দোল পালন করা হয়।আবার👉 ★মহাকবি হালের রচনা থেকে জানা যায়,দোলে কাদা ছোঁড়াছোঁড়িও হত।যা এখনও ‘মেটে হোলি’ নামে চালু আছে।দোলের সঙ্গে👈😎 মদ্যপানের যোগাযোগও প্রাচীন।★ভাসের রচনায় জানা যায়,এই রঙের উৎসবেই বলরাম বৃন্দাবনের বারুণি মদ পান করে এত উতলা হয়েছিলেন যে,যমুনাকে কাছে ডেকেছিলেন স্নান করবেন বলে।তবে এগুলো হাল আমলের নোংরামি নয়.. ইতিহাস সাক্ষী দেয় বেশ, ....!!! যমুনা নদীর
সেই গতিপথ পরিবর্তনের ইতিহাস ।এই যে কলহ,কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি,মদ্যপান এসবই জানায় যে,দোল মোটেও শৌখিন উৎসব ছিল না।বরং উদ্দামতা,উচ্ছ্বাস ছিল অনেক,....বলতে গেলে বড্ড বেশি।বর্তমান প্রজন্ম যাকে ভুলপথে চালিত করে তাঁদের দোহাই দিয়ে...⁉️⁉️⁉️আজ পোস্ট গুলো নেই আমি বোধহয় বছর দুই আগে একটা দোলের অসভ্যতামী নিয়ে পোস্ট দিয়েছিলাম।দেখিয়েছিলাম UP/Bihar,...!!! কোনো এক পাড়ায় অঙ্গলো লেডি'কে জোর করে ধরে পাঁচ-সাত জন ছেলে রং ছাড়াও নানা বিষয়ের মিশ্রণে খোলা জায়গায় এক তরফা স্নান করাচ্ছে,আর মহিলা কেঁদে চলেছে ... আশেপাশে দুনিয়া মুখে কোলুপ এঁটে দেখছে,অনেক মহিলাও ছিল সেখানে👈😎😎😎.. .আসলে ওই সেই কথা, ""আমরা কেউ ভালো নয়,ব্রাকেটে স্বভাবে"🤓🤓🤓👉❕❕❕❕আসলে দোল টা যে কি বোঝেই না অনেকেই....!!⁉️⁉️
এই দোলের মাত্রাই বদলে দিয়েছিলেন মহাপ্রভু।তাঁর দৌলতেই সর্ব-ভারতীয় হয়ে উঠেছিল দোল।এরকমই দোলপূর্ণিমা ছিল সেদিনও।বাংলা ৮৯১ সন। ১৪৮৫ খ্রীস্টাব্দ। অনেকে বলেন ১৪৮৬। পাঁচশো বছরেরও আগে এরকমই এক দিনে জন্ম নিয়েছিলেন মহাপ্রভু।....❕❕চৈতন্যচরিতামৃত-এ সেদিনের বর্ণনা দিয়ে কবি রাজ গোস্বামী লিখছেন, শুনুন
👉‼️চৌদ্দশত সাত শকে,মাস যে ফাল্গুন।
পূর্ণমাসীর সন্ধ্যাকালে হৈল শুভক্ষণ।।‼️👈
👉‼️অকলঙ্ক গৌরাঙ্গ দিলা দরশন।
সকলঙ্ক চন্দ্রে আর কিবা প্রয়োজন‼️👈
👉‼️এত জানি, চন্দ্রে রাহু করিল গ্রহণ।
‘কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরিনামে’ ভাসে ত্রিভুবন।‼️👈
এবারে চন্দ্রগ্রহণ আছে .....
তাহলে বলি আমার কথা .....❕🤓🙄🤓❕❕পূর্ণিমাতে চন্দ্রগ্রহণ যেন বাংলার সেই অবস্থার প্রতিনিধি স্বরূপ।ঐতিহ্য সত্ত্বেও এক রকমের ভঙ্গুর দশা চলছিল সে
সময়। আজও কি ভঙ্গুর দশা নয়???‼️যারা বুঝমান তারা বোঝেন ...মনে কেউ কিছু করলেও যেটা সত্যি সেটা সত্যিই,আমরা হিন্দু হিন্দু বলে লম্ফ ঝম্প করি অথচ এই চন্দ্র গ্রহণ ,এই শ্রী কৃষ্ণের দোল যাত্রা???কিন্তু মাংসর দোকানে তো ভিড়ে ভর্তি থাকছে। ‼️‼️
★ অতীতের সেই সময় ....একদিকে মুসলমান রাজত্বের জোরজুলুমে জেরবার সাধারণ মানুষ,অন্যদিকে ব্রাহ্মণ্যতন্ত্রের গোঁড়ামিতে তিতিবিরক্ত সমাজ...❕🤓🙄🤓 এহেন এক সময়েই গৌরচন্দ্রের আবির্ভাব।তার আগে থেকেই বিদ্যাচর্চার জন্য প্রসিদ্ধ ছিল নবদ্বীপ।নিমাই নিজেও ছিলেন বড় পণ্ডিত।তবে তর্কে যতদূর যাওয়া যায়,💖প্রেমে যে তার থেকেও বহুদূর,তা তিনি বুঝেছিলেন।আর তাই ক্ষয়াটে সমাজ ব্যবস্থার বদল আনতে 💖প্রেমেই ভরসা রেখেছিলেন।সে প্রেম কৃষ্ণপ্রেম। 🙏জয় শ্রী কৃষ্ণ🙏রাধে রাধে🙏🙏আর তাই মূলত মহাপ্রভুর কারণেই রাধা-কৃষ্ণের দোল সর্বভারতীয় উৎসবের চেহারা নিয়েছিল।কীভাবে মহা শিবরাত্রি ব্রত পালন করবেন,তা নিয়ে ভাবেন যতটা নারী সমাজ ,ঠিক ততটাই ভাবেননা তারা এই দোল কে নিয়ে ...আর বর্তমান প্রজন্ম অনেকটাই ক্ষেপাটে,বে-আব্রু গোছের। মনে কিছু নেবেন না কেউ...
এই মহাপ্রভুই...যবন শাসকের বিরুদ্ধে এককাট্টা করতে সারা ভারত তিনি প্রায় পদব্রজে ভ্রমণ করেছিলেন।আর যেখানে যেখানে গিয়েছিলেন সেখানেই ঘটেছে "কৃ্ষ্ণ"চর্চার প্রসার।ফলত "দোল"ও গণ্ডি ছেড়ে হয়ে উঠেছে সর্বভারতীয় স্তরে।ধর্মের বেড়া টপকে হয়ে উঠেছিল সার্বজনীন।মহাপ্রভু গৌড়ের শাসক হননি ঠিকই,কিন্তু তাঁর আদর্শ নবজাগরণ ঘটিয়েছিল।চৈতন্য রেনেসাঁ নামে যা পরিচিত।মহাপ্রভুর তিরোধানের পর, বৈষ্ণবদের সমাজ আবার পরেছিল ভাঙনের মুখে।পরবর্তী মোহন্তরা এই দোল'কে কেন্দ্র করেই পুনরায় তাঁর আদর্শ স্থাপন করেছিলেন।কৃষ্ণের সমস্ত কর্মকাণ্ডের মধ্যে সমণ্বয় একটা প্রধান ব্যাপারও ছিল।তা যেমন রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে,তেমনই সেই সময় সমস্ত ভাব ও দর্শনেরও সমণ্বয় ঘটিয়েছিলেন তিনি।এই হোলির মধ্যেও আছে সেই সমণ্বয়।পাশপাশি কয়েক হাজার বছর আগেও ★নারী স্বাধীনতার পরিবেশটা ঠিক কীরকম ছিল,এই উৎসবে ব্রজ রমণীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে'ই তার প্রমাণ মেলে।দোল আনন্দ উৎসব। রঙের নেশায় ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যে পৌঁছনোর সোপান।প্রাচীন রাধা-কৃ্ষ্ণের উপাখ্যান অবলম্বন করে মহাপ্রভু সেই কাজটিই করেছিলেন।আর তা থেকে দোল' বা হোলি'ও পেয়েছে এক বিভেদহীন উৎসবের পরম্পরা।
💖💮💖
কত ইউজার ছেড়ে চলে গেলো🙄🙄🙄🙄আমি সবাই'কে ডাকছি কেউ কথা শুনছে না জীবনের গতি তো না না রঙের বিলিনতায় শেষে তো সেই "সাদা" ই হয়..এই না না রঙের মধ্যেই তো চেনা যায় কে কৃষ্ণ কে বা রাধা
আজ আমরা সবাই ভুলে যাই না কেনো একটু "আমরা খুব দুঃখী" সত্যিই তো
ShareChat'টা বড্ড দুঃখী।তাহলেও
আসুন সবাই মিলে দোল খেলি শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্যদিয়ে।সাথে সকলেই মিষ্টি
আনবেন।আমি মিষ্টি খুব ভালবাসি।কতটুকুই বা জীবন কিন্তু এগুলোই তো স্মৃতি হয়ে থেকে যাবে।আমি চাইবো যা চিরো নবীন হয়ে থাকুক।খেলতে খেলতে দেখুন লাঠমার হোলির ভিডিও ফুটেজ।করা করা খেলছে বোলে দেওয়া নিষ্প্রয়োজন।হ্যা আমরাও আছি......‼️‼️‼️আশাকরি নিরাস হবেন না কেউই।
💖💮💖
🙏🙏
#শুভেচ্ছা #ভক্তি #🎆দোলযাত্রার স্ট্যাটাস ২০২৬✨ #🛕মথুরা বৃন্দাবন হোলি ২০২৬✨ #🎉শুভ দোলযাত্রা ২০২৬🎉