জলপাইগুড়ি#
উত্তর পূর্ব ভারতের অন্যতম শৈব তীর্থে নামবে ভক্তদের ঢল।
দিন কয়েক পরেই শিব চতুর্দশী। কি কি নিয়ম নীতি রয়েছে এবছরের জল্পেশ মন্দিরে? কিভাবেই বা এতো ভিড় সামলে পুজো দেবেন? জানুন বিস্তারিত।
জলপাইগুড়িতে শিব চতুর্দশী মানেই জল্পেশের ঐতিহ্যবাহী শৈব তীর্থে পুজো আর জমজমাট মেলা। সেই মহেন্দ্রক্ষণকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই ভক্তসমাগমে মুখর হয়ে উঠেছে জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি ব্লকের অন্তর্গত উত্তরবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ শিবতীর্থ জল্পেশ মন্দির। বাবা জল্পেশ্বরের মাথায় জল ঢালার আশায় দূরদূরান্ত থেকে ভক্তরা আসতে শুরু করেছেন।
ভক্তদের সুবিধার্থে এ বছর বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। মন্দিরে প্রবেশের জন্য চালু করা হয়েছে দুই ধরনের টিকিট ব্যবস্থা—সাধারণ টিকিটের মূল্য রাখা হয়েছে ২০ টাকা এবং দ্রুত দর্শনের জন্য স্পেশাল টিকিটের মূল্য ১০০ টাকা। মন্দিরের গর্ভ গৃহে প্রবেশ করেই শিবের মাথায় জল ঢালা যাবে। মন্দির কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, শিব চতুর্দশীর দিন রাত ৮টা থেকেই জল ঢালার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে।
উৎসবের আমেজে জল্পেশ মন্দির যেন নতুন রূপে সেজে উঠছে। চিনা টুনি লাইট ও ট্রেড লাইটে ঝলমল করছে গোটা মন্দির চত্বর। সন্ধ্যা নামলেই আলোয় আলোয় আলোকিত হয়ে উঠছে শিবধামের প্রতিটি কোণ। নিরাপত্তার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়েছে—মন্দির ও সংলগ্ন এলাকায় বসানো হয়েছে একাধিক সিসি ক্যামেরা, বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। এদিকে, ভক্তদের যাতায়াত আরও সহজ করতে বড় ভূমিকা নিচ্ছে জর্দা নদীর উপর রাজ্য সরকারের অনুদানে নির্মিত নতুন সেতু। শিব চতুর্দশী উপলক্ষে মন্দির সংলগ্ন এলাকায় বসছে ঐতিহ্যবাহী মেলা, যার ফলে গোটা জল্পেশ চত্বরজুড়ে এখন সাজো সাজো রব। ভক্তি, বিশ্বাস আর উৎসবের আনন্দে শিব চতুর্দশীকে ঘিরে জল্পেশ মন্দির প্রাঙ্গণে এখন কার্যত উত্তরবঙ্গের এক আধ্যাত্মিক মিলনক্ষেত্র!
#social
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta