🥹রাজা সাজতে আমি আসিনি🥹
🥹🥹🥹🥹🥹🥹🥹🥹🥹🥹🥹
প্রাত্যহিক জীবনে প্রতিটি কাজকর্মে আমাদের সতর্ক থাকা উচিত। আমার দ্বারা যেন কেউ বিন্দুমাত্র জুলুমের শিকার না হয় সে বিষয়ে সচেতন থাকা। ক্ষমতা থাকলে তা যেন অত্যাচারের মাধ্যম না হয়ে ওঠে। আমরা যেন মানুষের উপকারের মাধ্যম হতে পারি, সেটা মনে প্রাণে ধারণ করতে হবে।তাহলে আশা করা যায়, আমাদের দ্বারা জুলুম হওযার আশাঙ্কা অনেকাংশে কমে যাবে। এরপরও যদি অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে কারও প্রতি জুলুম হয়ে যায়, কারও অধিকার হরণ হয়ে যায় তাহলে আমাদের উচিত হলো সঙ্গে সঙ্গে তার সে অধিকার পূরণ করে দেওয়া বা তার কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া।অন্যায় কখনোই সমর্থনযোগ্য নয়।কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, "অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে,তব ঘৃণা তারে তৃণসম দহে।" তাই অন্যায়কারী এবং অন্যায় সহ্যকারী—উভয়েই প্রকারান্তরে সমান অপরাধী
👁️🥹🥹........সন্ন্যাসী রাজা' বা 'ভাওয়ালের সন্ন্যাসী' হলো ব্রিটিশ ভারতের এক আলোড়ন সৃষ্টিকারী সত্য ঘটনা। ঢাকার ভাওয়াল এস্টেটের মেজোকুমার রমেন্দ্রনারায়ণ রায় ১৯০৯ সালে দার্জিলিংয়ে মারা যান। প্রায় ১২ বছর পর, এক রহস্যময় নাগা সাধু হিসেবে তিনি ফিরে আসেন এবং নিজের রাজকীয় সম্পত্তির অধিকার ফিরে পেতে আইনি লড়াই শুরু করেন।
এই বাস্তব ঐতিহাসিক ঘটনাটি এবং এর পেছনের উপাখ্যানটি অত্যন্ত চমকপ্রদ:👉🏿👉🏿👉🏿👉🏿
অন্তর্ধান: ১৯০৯ সালে ভাওয়ালের মেজোকুমার রমেন্দ্রনারায়ণ রায় অসুস্থতার কারণে স্ত্রী ও আত্মীয়দের সাথে দার্জিলিং যান। সেখানে হঠাৎ তার মৃত্যু হয় বলে প্রচার করা হয়। তবে শোনা যায়,সম্পত্তি হাতছাড়া করার উদ্দেশ্যে তার স্ত্রী ও চিকিৎসকদের ষড়যন্ত্রে তাকে বিষ প্রয়োগ করে মৃত ঘোষণা করা হয়েছিল। সন্ন্যাসীর আবির্ভাব: ঘটনার ১২ বছর পর ১৯২১ সালে, এক দীর্ঘদেহী নাগা সাধু ঢাকার বাকল্যান্ড বাঁধে এসে উপস্থিত হন। স্থানীয় প্রজা ও তার পরিবারের অনেকেই তাকে চিনে ফেলেন। ভাওয়াল সন্ন্যাসী মামলা: 👉🏿👉🏿সাধুটি নিজেকে মৃত মেজোকুমার বলে দাবি করলে তার স্ত্রী বিভাবতী দেবী তা অস্বীকার করেন।অবশেষে ১৯৩০ সালে সম্পত্তির অধিকার ও সত্য প্রমাণের জন্য আদালতে মামলা দায়ের হয়। দীর্ঘ ১৫ বছর টানাপোড়েনের পর ১৯৪৬ সালে লন্ডনের প্রিভি কাউন্সিল রায় দেয় যে, ওই সন্ন্যাসীই ভাওয়ালের মেজোকুমার। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, রায় শোনার ঠিক কয়েক ঘণ্টা পরেই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
এই অবিশ্বাস্য গল্পটি নিয়ে চলচ্চিত্রও তৈরি হয়েছে। উত্তম কুমার অভিনীত বিখ্যাত বাংলা ছবি "সন্ন্যাসী রাজা" (১৯৭৫) এবং পরবর্তীতে সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত "এক যে ছিল রাজা" (২০১৮) এই মামলার ছায়া অবলম্বনে নির্মিত।
🥹🥹👉🏿এই শেয়ারচ্যাট,তথা সোশ্যাল মিডিয়াতে,এবং বাস্তবে সমাজের নানা কোণে ধামাচাপা দেওয়া অন্যায় হয়ে চলেছে।জনকল্যাণ মূলক প্রকল্প ,অর্থের ডালা ছড়িয়ে ছিটিয়ে বর্তমান সরকার গুলি নিজেদের আত্ম মহিমা প্রকাশ করতে আদাজল খেয়ে উঠে পরে লেগেছে এক দশক কাল।কিন্তু প্রকৃত নারী,শিশু আর আসল গরিব তার থেকে বঞ্চিতই।আজ দোষী লোকের শাস্তি সীমিত নির্দোষের শাস্তি বিদ্যমান।যারা অন্যায় করছে এই অ্যাপস তাদের প্রশ্রয় দিচ্ছে,আর নির্দোষী রা ব্যান হচ্ছে।কত ভালো ইউজার ,এমনকি 50k এর ওপর followers অ্যাপস এ ঢুকতে পারছে না...???🥹🥹🥹🥹🥹🥹আজ বুলডোজার রাজনীতির অলিন্দে কাজ করছে???
রেল 50 বছরের ওপর মানুষকে বসতে দিয়েছে সেটা অন্যায় নয়?????অথচ আইন আছে আপনি আপনার জমিতে কেউ কে 12 বছরের ওপর বসতে দিলে তার প্রচ্ছন্ন দাবি থেকে যায়।....কাজেই
অন্যায়'টা অন্যায়ই কোনো সংস্থা অন্যায় করলেও ক্ষমা যজ্ঞ নয়।.......এই অনুভূতি অত্যন্ত স্পষ্ট এবং যুক্তিসঙ্গত। একটি অন্যায় সবসময়ই অন্যায়,তা কোনো ব্যক্তি করুক বা কোনো বড় সংস্থা।কোনো শক্তিশালী বা প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠান অন্যায় করেছে বলেই তাকে সহজে ক্ষমা করে দেওয়া যায় না।সাধারণত মানুষ যখন কোনো বড় সংস্থার অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়,তখন কয়েকটি মূল বিষয় সামনে আসে:👉জবাবদিহিতা:⏩ বড় সংস্থাগুলোর সমাজে অনেক দায়িত্ব থাকে।তাই তাদের অন্যায়ের জবাবদিহিতাও কঠোর হওয়া উচিত।আইনের শাসন:👉🏿 অপরাধী ব্যক্তি হোক বা কোনো কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, আইন সবার জন্য সমান হওয়া প্রয়োজন।ক্ষতিপূরণ 👉🏿 সংস্থার ভুলের কারণে সাধারণ মানুষের যে ক্ষতি হয়, তার সঠিক বিচার এবং ক্ষতিপূরণ পাওয়া জরুরি। নীতি এবং নৈতিকতার প্রশ্নে কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা অন্যায় করলে তার জন্য কোনো "ক্ষমা যজ্ঞ" বা বিশেষ ছাড় থাকা উচিত নয়। ভুল যেখানেই হোক, তার সঠিক তদন্ত এবং জবাবদিহিতা অত্যন্ত জরুরি।
থাকলো মহা নায়কের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধার্ঘ্য
🙏🏾🙏🏾🙏🏾🙏🏾🙏🏾🙏🏾🙏🏾🙏🏾🙏🏾🙏🏾🙏🏾🙏🏾🙏🏾🙏🏾
#শুভকামনা #sharechat #😔মহানায়ক উত্তম কুমারের মৃত্যু বার্ষিকী 😔 #📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল #😎আমার প্রিয় ভিডিও স্ট্যাটাস ❤
5K views•13 days ago
00:00
01:58
#🤪राजनीतिक jokes #❤️Love You ज़िंदगी ❤️ #💞दिल की धड़कन #⛈️हैप्पी मानसून Status🥰 #💔 हार्ट ब्रेक स्टेटस