🤓🔥একটি গান হাজার বিতর্ক🔥🤓
🇮🇳আজ প্রজাতন্ত্র দিবস🇮🇳
একটি জাতির জীবনীশক্তি
বিতর্কিত
🔽বন্দেমাতরম🔽
⭐১৫০ বছর⭐
🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳
১৯৫০ সালে গণপরিষদ এটিকে ভারতের জাতীয় স্তোত্র হিসেবে গ্রহণ করে।"বন্দে মাতরম্" প্রথমে একটি গান হিসেবে 🖍️লেখা হয়েছিল,পরবর্তীকালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই গানটিকে তাঁর 'আনন্দমঠ' উপন্যাসে অন্তর্ভুক্ত করেন (১৮৮২ সালে প্রকাশিত)।তারও ১৩/১৪ বছর পর... ১৮৯৬ সালে কংগ্রেসের কলকাতা অধিবেশনে @ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম এই গানটি গেয়েছিলেন।
কিন্তু.... ১৯৩৮ সালের ১৬ নভেম্বর,এর দেশাত্মবোধক প্রকৃতির কারণে,★সরকার যে কোনো পরিস্থিতিতে বন্দে মাতরম গানটি গাওয়া নিষিদ্ধ করে।🤓🤓🔥💥🔥প্রতিবাদের রূপে,২৮ নভেম্বর, ১৯৩৮ সালে,ছাত্ররা দৃঢ়তার সাথে গানটি গেয়েছিল,যার কারণে কর্তৃপক্ষ তাদের গৃহবন্দী করে রেখেছিল।
বন্দে মাতরম্ ("বন্দনা করি মায়") বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক রচিত সংস্কৃত-বাংলা মিশ্র-ভাষায় লিখিত এই গানটি বন্দনা-গীতি এবং বাংলা মা তথা বঙ্গদেশের একটি জাতীয় মূর্তিকল্প।ঋষি শ্রী অরবিন্দ ঘোষ বন্দে মাতরম্ গানটিকে "বঙ্গদেশের জাতীয় সংগীত" বলে উল্লেখ করেন।
🇮🇳প্রজাতন্ত্র দিবসে বিতর্কিত বন্দেমাতরম গান এবং তাঁর রচয়িতার প্রতি শ্রদ্ধা রইলো🇮🇳🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
[[[[[🇮🇳➡️➡️❕###❕কারো মনে আঘাত বা বিরূপ প্রতিক্রিয়া পেষণ করার উদ্দেশ্যে এই লেখা বা প্রতিবেদন নয়...তবুও কেউ মনো ক্ষুণ্ন হলে ক্ষমা প্রার্থী❕###❕⬅️⬅️🇮🇳]]]]]
❕➡️❕➡️❕➡️❕➡️❕➡️❕➡️
চিরকালই ভারতবর্ষ তাঁর বাক স্বাধীনতা নিয়ে তুলকালাম বজায় রেখেছে।এমনই বছর দুয়েক আগে "জাতির জনকের" প্রিয় এমনই একটি গান'কে আমি প্রজেক্ট করেছিলাম। পোষ্টে.."tag line", নাকি ঠিক ছিলনা ..ShareChat tag কেরে নিয়েছিলও।
★আজ আমি যার পছন্দের সেই গান ছিল, তাঁর দৃষ্টি ভঙ্গির কিছুটা তাঁর নিজের কথায় তুলে ধরব।⏩⏩🔽⏩⏩
বন্দে মাতরম‼️‼️‼️একটা জাতির জীবনীশক্তি। ভারত স্বাধীনতার বহু বছর আগে থেকেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জনগণমন অধিনায়ক গানের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লড়াই করেছে 🙄😳🙄বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই মাতৃ বন্দনা-গীতি।বন্দে মাতরম এই দেশের পরাধীনতা থেকে মুক্তির লড়াইয়ের একমাত্র ধ্বনি,যা কালাপানি পারের কুখ্যাত সেলুলার জেলের নৃশংস অত্যাচার সহ্য করতেও সঞ্জীবনী বটিকার মতো কাজ করত।একটি স্তোত্র বা বন্দনা-গান যার🙏★🇮🇳★🇮🇳★ আয়ুষ্কাল ১৫০ বছর।..★🇮🇳★🇮🇳★🙏.................আমার জানা নেই,পৃথিবীর আর কোনও দেশে এমন দৃষ্টান্ত আছে কিনা। কমিউনিজমের পতনের পর লং লিভ রেভ্যুলেশন'ও হার মেনেছে বঙ্কিমচন্দ্রের বন্দে মাতরমের কাছে।......💥🔥💥বঙ্কিমচন্দ্র ১৮৮২.🙄🙄 সালে 'আনন্দমঠ' উপন্যাসে 'বন্দে মাতরম' সংযুক্ত করেন,তখন থেকেই এর উত্থান ও বিতর্কের সূত্রপাত। 💥🔥💥
'আনন্দমঠ' প্রথমবার প্রকাশ হওয়ার পর 'বন্দেমাতরম' গানের নীচে লেখা ছিল "‘মল্লার রাগ। কাওয়ালি তাল।’" কিন্তু,১৮৯৬ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অধিবেশনে সর্বপ্রথম রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই গানটির দুটি স্তবক পরিবেশন করেছিলেন স্বয়ং★ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।⬅️❕➡️তিনি সুর বদলে ""দেশ রাগে"" গেয়েছিলেন।স্বয়ং লেখকেরও তা পছন্দ হয়েছিল।পরের সংস্করণেই লেখা হলো 'দেশ রাগ'।
কবিতার সম্পূর্ণ ছ’টি স্তবকের ২৬ লাইনের মধ্যে প্রথম দু’টি স্তবকের ১২ লাইনকে জাতীয় স্তোত্র বা রাষ্ট্রগীত-এর স্বীকৃতি দেওয়া হয়⭐⭐ ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি থেকে। 🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳⬅️🔥🔥🔥⬅️আজ
২৬শে জানুয়ারি....❕❕..প্রজাতন্ত্র দিবস,প্রজারা কতটা ভালো আছে তারাই বলতে পারবে.....আমি কাল নারকলী কুল পেলাম সরস্বতী পুজোর পর কিনলাম,এক ধাক্কায় ৭০০/- কেজি থেকে ১৫০/- তে নেমে গেছে নাকি তাই বাজারে অল্প হলেও উঠেছে...."মা"কে আজ দেবো.........স্বদেশী আন্দোলনের সময় বক্তৃতা-মঞ্চে উঠে সরলাদেবী স্লোগান
তোলেন 'বন্দে মাতরম'...‼️🇮🇳➡️ এরপর থেকে এই স্লোগানেই এক জোট হতে শুরু করে ভারতীয়রা,স্বাধীনতা সংগ্রামীরা। ১৯০৫ সালে 'বঙ্গভঙ্গ' আন্দোলনের সময় মঞ্চে উঠে পুরো গানটা গান সরলাদেবী ও লেডি অবলা বসু।
এরপর একে একে মদনলাল ধিংড়া,প্রফুল্ল চাকি,ক্ষুদিরাম বসু,মাস্টারদা(সূর্য সেন)সহ বহু বিপ্লবীর ফাঁসির মঞ্চে শেষ উচ্চারণ ছিল, 'বন্দে মাতরম'। ব্রিটিশ পুলিশের হাতে মৃত্যুবরণের সময় মাতঙ্গিনী হাজরাও শেষ স্লোগান দিয়েছিলেন 'বন্দে মাতরম'।এই স্লোগানের ফলে ভারতীয়দের মনোবল দেখে রীতিমতো ভয় পেয়ে যায় ইংরেজরা। ফলে 'বন্দে মাতরম'নিষিদ্ধ করা হয়।এই ধ্বনি দেওয়ার অপরাধে বহু স্বাধীনতা সংগ্রামীকেই গ্রেফতার করে ব্রিটিশ সরকার। ##❕ এতো ..গেলো ব্রিটিশদের অনীহা❕##
একটা গান ❕❕❕❕কত বিতর্ক⁉️⁉️
১৯৩৭ সালে রবীন্দ্রনাথের পরামর্শেই এই গানের প্রথম দুটি স্তবককে বন্দনা-গীতি বা জাতীয় স্তোত্র বলে উল্লেখ করে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি।★যদিও মুসলিম লিগ এই গানটি গাইতে অস্বীকার করলে শুরু হয় বিস্তর বিতর্ক-বিবাদ।❕💥🔥💥ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ বলেন যে,এই গানটি ভারতের জাতীয় সঙ্গীত "জন গণ মন"-এর সমান সম্মানের অধিকারী।অরবিন্দ ঘোষও "বঙ্গের জাতীয় সঙ্গীত" হিসেবে বন্দে মাতরমকে উল্লেখ করেছিলেন।🤓🤓😳😳😳🙄🙄🙄
.....🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🇮🇳আমাদের জাতির জনক গান্ধীজির'ও প্রিয় গান নিয়ে বিতর্ক ছিল """রঘুপতি রাঘব রাজা রাম ......
ওনার মানসিক পরিস্থিতি..তুলে ধরলাম "বন্দে মাতরম" গানটিকে নিয়ে.....🙏এটাই প্রকৃত সন্মান জানানো হবে ১৫০ বছরের বিতর্কিত গান🙏
🇮🇳 "বন্দেমাতরম"🇮🇳 এর এবং তাঁর রচয়িতার প্রতি।🙏🇮🇳🇮🇳🇮🇳🙏বিষয় টা এমন............
★১৯৩৯ সালের জুলাই মাসে '' হরিজন" পত্রিকায় গান্ধী লিখেছিলেন,"*"এর উৎস যাই হোক না কেন,এবং কীভাবে এবং কখন এটি রচিত হয়েছিল,দেশভাগের সময় বাংলার হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে এটি একটি সবচেয়ে শক্তিশালী যুদ্ধের স্লোগান হয়ে উঠেছিল।এটি ছিল সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী স্লোগান। ছোটবেলায়,যখন আমি 'আনন্দ মঠ' বা এমনকী বঙ্কিম সম্পর্কে কিছুই জানতাম না,তখন এর অমর লেখক বন্দে মাতরম আমাকে আকৃষ্ট করেছিল এবং যখন আমি প্রথম এটি গাইতে শুনেছিলাম,তখন এটি আমাকে মুগ্ধ করেছিল।আমার কখনও মনে হয়নি যে,এটি একটি হিন্দু গান বা শুধুমাত্র হিন্দুদের জন্য।দুর্ভাগ্যবশত,এখন আমরা দুঃসময়ে পরে গেছি...।"..😳🙄😳🙄😳🙄😳🙄...তাঁর এই বক্তব্য যথার্থই ছিল,মনে হয় পাঠকেরা সকলে মান্যতা দেবেন।
❕❕❕🤓🤓আর এই গানে দুর্গার স্তব থাকাতেই স্বাধীনতার আগে থেকেই একে জাতীয় সঙ্গীত করা নিয়ে বিতর্ক চাগিয়ে তোলে মুসলিম লিগ।১৯৩৭ সাল। স্বাধীনতা না এলেও,সেই শুভক্ষণ যে আর বেশি দূরে নেই তা বুঝতে পারছিলেন সবাই।কলকাতায় শুরু হয়েছে নিখিল ভারত কংগ্রেস কমিটির বৈঠক।🇮🇳🙄🇮🇳🙄🇮🇳🙄🇮🇳🤓🤓🤓শুরু হল সমস্যা।‘বন্দে মাতরম’, না ‘জন-গণ-মন-অধিনায়ক’— কোনটি হবে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত এই নিয়ে চলল বিতর্ক।স্বাধীনতা আন্দোলনে ‘বন্দে মাতরম’-র অবদান তো অস্বীকার করা যাবে না।বিপ্লবী থেকে স্বদেশী,সাধারণ মানুষ— সবার মুখে মুখে ছড়িয়ে পরেছিল এই মন্ত্র। "বন্দে মাতরম ....!! বন্দে মাতরম.....".!!! অন্যদিকে ‘"জন-গণ-মন’"র মধ্যে সমগ্র ভারতের এক ছবি ফুটে উঠেছে,যা স্বয়ং কবিগুরুর নিজেরই সৃষ্টি। সেখানে ধর্ম-জাতি-অঞ্চলের কোনও ভেদ নেই। তাহলে কোনটি হবে জাতীয় সঙ্গীত?🇮🇳🤓🤓🤓🤓((★বিষয়টা আজ সংক্ষেপে শেষ করবো,ভেতরে অনেক কালো মেঘ লুকিয়ে আছে অন্য কোনো পোষ্টে লিখব....))
এদিকে...তর্কাতর্কি'তে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু ,জহরলাল নেহেরু প্রমুখ জড়িয়ে
পরেন,কিন্তু ন্যায় নীতি বিষয় ওই সকল ভারতীয় নেতা/নেত্রী বৃন্দ্র সমূহ সংযমের বাঁধ ভাঙেন'নি এটা সত্য।কিন্তু
সেই কবিগুরু ছাড়া সবটাই অচল ছিল সকলের ভরসাও তিনি ছিলেন .....
সংবাদ-মাধ্যমে বিবৃতি দিয়ে রবীন্দ্রনাথ বলেন,বন্দে মাতরম্-এর প্রথম অংশটি সুন্দর,একটি কোমল মধুর ভাবের উদ্রেক হয় বঙ্গ-মাতা বা ভারত-মাতার জন্য,সেটি জাতীয় সমাবেশে গাওয়ার উপযোগী,তাতে কারও আপত্তি থাকতে পারে না।কিন্তু দ্বিতীয়াংশে যে ‘ত্বং হি দুর্গা দশ-প্রহরণ-ধারিণী কমলা কমল-দল-বিহারিণী’ ইত্যাদি,তাতে আপত্তি ওঠারই কথা।কোনও গানের আসরে সম্পূর্ণ গানটি গাওয়া চলতেই পারে।কিন্তু কোনও জাতীয় সমাবেশে তা গাওয়া উচিত নয়।যখন জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গানটি গাওয়া হচ্ছে,যখন সব ধর্মের মানুষ একত্র হচ্ছেন— প্রথমাংশটি'ই গাওয়া উচিত।🙏🙏🙏🙏🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏চমৎকার🙏🙏🙏এই কারণেই তিনি বিশ্ব কবি🙏🙏🙏🇮🇳🇮🇳🇮🇳🙏🙏🙏
রবীন্দ্রনাথ দুটো কথা বলেছিলেন গানটি বিষয়ে।এক➡️ দ্বিতীয় অংশে দুর্গার আরাধনা রয়েছে।দুই➡️ ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসের অংশ এটি,যাতে মুসলমান-বিরোধী কিছু কথা ছিলই।ফলে সব মিলিয়ে দ্বিতীয় অংশটি বাদ দেওয়াই উচিত।⭐⭐⭐⭐⭐কিন্তু তিনি এও বললেন,যে দিন থেকে বন্দে মাতরম কথাটি একটা ধ্বনি বা মন্ত্রের মতো ব্যবহার হতে শুরু করল,অনেক বিপ্লবী এই মন্ত্রের জন্য বিরাট আত্মত্যাগ করেছেন,এই ধ্বনি মুখে নিয়ে কারাগারে রুদ্ধ হয়েছেন,ফাঁসির মঞ্চে গিয়েছেন।তাই সকলেরই,বিশেষত মুসলমান ভাইদের মনে রাখা উচিত যে এই ধ্বনির সঙ্গে কিন্তু অনেক বলিদানের স্মৃতি জড়িত।বন্দে মাতরম ধ্বনিকে তাই শ্রদ্ধা জানাতেই হবে।🇮🇳🙏🙏🙏🙏🙏
বিশ্ব কবি তুমি লহ মোর প্রণাম🙏🙏🙏🙏🙏🇮🇳
##@@##পরবর্তী কালে জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে "জনগণমন অধিনায়ক"-কে বেছে নেওয়া হলেও এখনও পর্যন্ত সংসদে বন্দে মাতরম্ ও জনগণমন দু’টি গানই বাজানো হয়। একটি বাজানো হয় সংসদীয় অধিবেশনের শুরুতে,একটি অধিবেশনের শেষে।🙏🙏🙏🙏🇮🇳🙏🙏🙏🙏
ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি আমার শ্রদ্ধার্ঘ্য,প্রণাম শত কোটি রইলো।🙏🙏🙏আপনারা সকলে ভালো থাকবেন।
📓🖍️🥀🥀🥀🥀🖍️📓
#শুভেচ্ছা #ভক্তি #🇮🇳🇮🇳প্রজাতন্ত্র দিবস স্ট্যাটাস🇮🇳🇮🇳 #🇮🇳🇮🇳প্রজাতন্ত্র দিবস স্ট্যাটাস🇮🇳🇮🇳 #🇮🇳৭৭ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা🇮🇳 #🇮🇳৭৭ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা🇮🇳