Sandy
2.2K views
8 days ago
⚜️🔱⚜️🔱⚜️🔱⚜️🔱⚜️🔱⚜️🔱⚜️ জীবনের সব লড়াইয়ে শক্তি জোগায় স্বামীজি ⚜️🔱⚜️🔱⚜️🔱⚜️🔱⚜️🔱⚜️🔱⚜️ তিনি যে ধর্মের কথা বলতেন সেটা মানুষ গড়ার ধর্ম।তিনি তাঁর জীবন দিয়ে স্পষ্ট করে দেখিয়েছেন যে,ধ্যানের জগৎ আর সমাজ-সেবার জগৎ— এ দুটি পরস্পর বিরুদ্ধ নয়, একই সত্যের এপিঠ আর ওপিঠ।স্বামীজি উপলব্ধি করেছিলেন যে,প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই অপরিমেয় আধ্যাত্মিক শক্তি আছে। সেই শক্তিতে শক্তিমান হয়ে মানুষ ধীরে ধীরে নিজেকে পরিপূর্ণতার দিকে নিয়ে যায়।এই পরিপূর্ণতা অবাধ অর্থ-সঞ্চয়ের মধ্যে নেই, নেই খ্যাতি আর প্রতিপত্তির মধ্যে।এই পরিপূর্ণতা রয়েছে মানুষের★হৃদয়-কন্দরে, যেখানে অসীমের স্পর্শ মানুষকে নিরন্তর এমন প্রেরণা দেয়,যাতে সে বহু মানুষের মধ্যে ঈশ্বরকে প্রত্যক্ষ করতে পারে,★জীবকে শিবরূপে উপসনা করতে পারে।🔱⚜️🔱 †★†★†★†★†“শক্তি হল জীবন,দুর্বলতা হল মৃত্যু। সম্প্রসারণ হল জীবন,সংকোচন হল মৃত্যু।প্রেম হল জীবন,ঘৃণা হল মৃত্যু।”†★†★†★†★† তিনি বুঝিয়েছেন....নিজের ভেতর থেকে জাগ্রত হওয়ার মন্ত্র।বলতেন,""অন্য কেউ তোমাকে শিক্ষা দিতে পারবে না।অন্য কেউ তোমাকে ধর্মের পথে চালাতে পারবে না।অন্য কেউ নয়,তোমার আত্মাই তোমার শিক্ষক।"" স্বামী বিবেকানন্দের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকী🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 পালিত হচ্ছে গোটা দেশজুড়ে।তাঁর জন্ম-দিবসকে জাতীয় যুব দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ১৮৬৩ সালের ১২ জানুয়ারি এই মহান মনীষীর জন্ম হয়।সন্ন্যাস গ্রহণের আগে তাঁর নাম ছিল নরেন্দ্রনাথ দত্ত।দক্ষিণেশ্বরের কালী বাড়িতে শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন তিনি।ভারতীয় বেদ ও বেদান্তের দর্শনকে পাশ্চাত্য দুনিয়ায় প্রচার করেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ।দীর্ঘদিন পরাধীনতার অন্ধকারে থাকা জাতিকে স্বামীজি মহিমান্বিত করে তোলেন।১৮৯৩ সালে শিকাগোয় বিশ্বধর্ম সম্মেলনে হিন্দু ধর্মের গরিমার কথা তুলে ধরেন।মানুষের সেবায় ব্রতী হয়ে পরবর্তীকালে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। আসলে.......ভারতবর্ষ যখন পরাধীন ধর্ম,বর্ণ, জাত-পাতে ঘেরা সমাজে আচ্ছন্ন ঠিক তখনই ধরণীর কোল আলো করে,আবির্ভূত হলেন এক বীর শিশু।নাম তাঁর "বিলে" ....হিংসার আগুনে ঘেরা নরকে জন্ম হয়েছিল তাঁর।ছিল তাঁর বুদ্ধিমত্তা।তাই তিনি অতি সহজেই বলতে পেরেছিলেন ...“তুমি খ্রিস্টের মতো ভাবলে তুমি একজন খ্রিস্টান,তুমি বুদ্ধের মতো ভাবলে তুমি একজন বৌদ্ধ।তোমার ভাবনা,অনুভূতিই তোমার জীবন,শক্তি,জীবনীশক্তি।যতই বুদ্ধি দিয়ে কাজ করো,এগুলি ছাড়া ভগবানের কাছে পৌঁছনো সম্ভব নয়।”🙏⚜️🔱🙏⚜️🔱🙏⚜️🔱🙏⚜️🔱🙏⚜️🔱🙏⚜️🔱🙏 কৃতজ্ঞতা ও মনুস্ব ধর্ম বিষয় বলতেন_-_-_-_-_-_-_-_-👉👉যাঁরা তোমায় সাহায্য করেছে,তাঁদের কখনও ভুলে যেও না।যাঁরা তোমাকে ভালোবাসে,তাঁদের কোনওদিন ঘৃণা করো না।আর যাঁরা তোমাকে বিশ্বাস করে,তাঁদের কখনও ঠকিয়ো না।.... একাগ্রতা প্রসঙ্গে তাঁর উপলদ্ধি ছিল বৃহৎ মূল্য_বোধে ঘেরা...‼️এমনটাই....যে কোনও একটা ভাবনা মাথায় আনো।সেই একটা ভাবনাকেই তোমার জীবন করে ফেলো - সেটা নিয়েই ভাবো,সেটা নিয়েই স্বপ্ন দেখো,সেটা নিয়েই বাঁচো।সেই ভাবনাকে বাস্তবায়িত করতে তোমার মস্তিষ্ক,তোমার পেশি,তোমার শরীরের প্রত্যেকটি অঙ্গকে কাজে লাগাও।প্রত্যেকটা ভাবনাকে অন্য ভাবনার থেকে আলাদা করে রাখো।এই পথেই সাফল্য আসবে।👉➡️⭐⭐⭐⭐⭐ ওপরের প্রত্যেকটা বিষয় আমি নিজে উপলদ্ধি করে দেখেছি,বাস্তবিকই সত্যি,মানুষের হৃদয়েই ঈশ্বর আছেন,আর এমন যে বিষয় নিজের ভালো লাগে সেই বিষয়টাই,ধরে থাকলে নিজের জ্ঞানে সফলতা আসে।⬅️👈 একসময় ...মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শিকাগো ধর্ম-মহাসম্মেলনে (১৮৯৩) বিভিন্ন ধর্মের প্রথম সারির বক্তাদের যেভাবে বিবেকানন্দ অতি সহজে পরাজিত করে 🇮🇳ভারতবর্ষের গৌরব তুলে ধরেছিলেন।★আমার তো মনে হয়,সেই উপলদ্ধি থাকলে,আমাদের আধুনিক ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকালে যে-কেউ স্পষ্ট দেখতে পাবে স্বামী বিবেকানন্দের কাছে তারা কতটা ঋণী...!...‼️‼️‼️ ভারতের আত্ম-মহিমার দিকে ভারতের নয়ন তিনি উন্মীলিত করে দিয়েছিলেন।তিনি রাজনীতির আধ্যাত্মিক ভিত্তি নির্মাণ করেছিলেন।বেশি মানুষেরা অন্ধ ছিল,তিনি তাদের দৃষ্টি দিয়েছেন।তিনিই ভারতীয় স্বাধীনতার জনক, — মানুষের রাজনৈতিক,সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক স্বাধীনতার তিনি পিতা।স্বামী বিবেকানন্দ হিন্দু-ধর্ম এবং ভারতবর্ষ'কে রক্ষা করেছিলেন।##🇮🇳##তিনি না থাকলে ভারতবাসী ধর্ম হারাত এবং স্বাধীনতা লাভ করতে পারত না। ★★★আমার মনে হয়......আমাদের সবকিছুর জন্য তাই আমরা বিবেকানন্দের কাছে ঋণী।###✨⭐✨স্বামীজীর জীবনে একটি মস্ত বড় দিক হলো গ্রহণ।পরিব্রাজক সন্ন্যাসী,ভীষণ বৈরাগ্য,জগত আর জীবনের দিকে তাকাবার কি প্রয়োজন......! ....‼️‼️‼️হিমালয়ের শীতল গুহায় ‘চক্ষু কর্ণ মুদিয়া’ বসে পরতে পারতেন ধ্যানে,তা কিন্তু তিনি করেননি।👉👉🙏🙏🙏🙏🙏👉গুরুদেব বলেছিলেন স্পষ্ট চোখে মানব-লীলা দেখো,জীবন থেকে জীবনের পাঠ নাও।মানুষই ভগবান,মানুষই শাস্ত্র।তাই সব ক্ষেত্রেই স্বামীজি ছিলেন প্রথম একজন ছাত্র, শ্রীরামকৃষ্ণপরমংস দেবের★#★ কবিগুরু'ও অল্প কথায় বলে গেছেন... 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 ★""""""আধুনিক কালের ভারতবর্ষে বিবেকানন্দই একটি মহৎ বাণী প্রচার করেছিলেন,সেটি কোন আচারগত নয়।তিনি দেশের সকলকে ডেকে বলেছিলেন,তােমাদের সকলের মধ্যে ব্রহ্মের শক্তি,দারিদ্র্যের মধ্যে দেবতা তােমাদের সেবা চান।এই কথাটা যুবকদের চিত্তকে সমগ্র'ভাবে জাগিয়েছে।তাই এই বাণীর ফল দেশের সেবায় আজ বিচিত্র ভাবে বিচিত্র ত্যাগে ফলছে।তাঁর বাণী মানুষকে যখনি সম্মান দিয়েছে তখনি শক্তি দিয়েছে।সেই শক্তির পথ কেবল এক-ঝোঁকা নয়,তা কোন দৈহিক প্রক্রিয়ার পুনরা-বৃত্তির মধ্যে পর্যবসিত নয়,তা মানুষের প্রাণ-মন'কে বিচিত্রভাবে প্রাণ-বান করেছে।দেশের যুবকদের মধ্যে,এমনকি স্বাধীনতা আন্দোলনের ক্ষেত্রে যে সব দুঃসাহসিক অধ্যবসায়ের পরিচয় পাওয়া যায়,তার মূলে আছে বিবেকানন্দের সেই বাণী যা মানুষের আত্মাকে ডেকেছে,আঙ্গুল'কে নয়। ⭐⭐⭐⭐ বিবেকানন্দ বলেছিলেন,  “প্রত্যেক মানুষের মধ্যে ব্রহ্মের শক্তি।” বলেছিলেন,“দরিদ্রের মধ্য দিয়ে নারায়ণ আমাদের সেবা পেতে চান।”  ‼️‼️‼️........ একে বলি বাণী। এই বাণী স্বার্থ-বােধের সীমার বাইরে মানুষের আত্ম-বােধকে অসীম মুক্তির পথ দেখায়।এ তাে কোন বিশেষ আচারের উপদেশ নয়।⁉️❔ ব্যবহারিক সংকীর্ণ অনুশাসন নয়।ছুৎ মার্গের বিরুদ্ধতা এর মধ্যে আপনিই এসে পরেছে। তার দ্বারা রাষ্ট্রিক স্বাতন্ত্রের সুযােগ হ'তে পারে বলে ভয়⁉️তার দ্বারা মানুষের অপমান দূর হবে বলে,সে অপমানে আমাদের প্রত্যেকের আত্মাবমাননা।....⁉️বিবেকানন্দের এই বাণী–সম্পূর্ণ মানুষের উদ্বোধন বলেই কর্মের মধ্য দিয়ে,ত্যাগের মধ্য দিয়েই মুক্তির পবিত্র পথে আমাদের যুবকদের প্রবৃত্ত করেছে।”""""★🇮🇳🙏🙏🙏🇮🇳 ✨🔱🔱✨⚜️⚜️⚜️✨🔱🔱✨ 🙏তাঁর জন্মদিন আজ, তাঁকে শতকোটি প্রণাম🙏 ✨🔱🔱✨⚜️⚜️⚜️✨🔱🔱✨ ‼️........ধৈর্য ধর কিছুকাল হে বীর হৃদয় কল্যাণের নাহিক বিলয়। জ্ঞানী গুণী মুষ্টিমেয় জীবনের পথে— তবুও তাঁরাই হেথা হন কর্ণধার, জনগণ তাঁহাদের বোঝে বহু পরে; 🤓🌅😳😱😌😱😳🌅🤓 চাহিও না কারও পানে,ধীরে লয়ে চল। সাথে তব ক্রান্তদর্শী দূরদর্শী যাঁরা,😳😳 সাথে তব ভগবান্ সর্বশক্তিমান্‌, 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 আশিস ঝরিয়া পরে তব শিরে—তুমি মহাপ্রাণ সত্য হোক,শিব হোক সকলি তোমার। ‼️‼️‼️‼️🔱🌹🔱‼️‼️‼️‼️ সকলের জন্য রইলো শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা। #স্বামী বিবেকানন্দের শুভ জন্মদিন ও তাঁর চিরন্তন বাণী #শুভেচ্ছা #ভক্তি #বিবেকানন্দ