Sandy
456 views
10 hours ago
বুদ্ধের শিক্ষা ও বিশ্বমানবতা 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 আমি একটা পোস্ট দিচ্ছি প্রায় হিসেব করলে ১০/১৫ বার 26.4.2026থেকে কিন্তু Share Chat delete করে দিচ্ছে...অন্যায়ের প্রতিবাদে।এই হলো কলি যুগ...ShareChat অ্যাপস'টা অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় আর যারা সত্যিই ভদ্র সভ্য তাদের ব্যান করে...🤖☠️🤖☠️🤖☠️🤖☠️,একটা অত্যন্ত নিকৃষ্ট মনের ইউজার প্রকাশ্যে কুরুচিকর বাক্য আমার পোস্ট এ ছাড়াও অন্যান্য পোস্ট এমনকি নিজের পোস্টে আমার DP তুলে নোংরা কথা DP তে লিখে পোস্ট করে বসে আছে তাকে ব্যান করে না ??????নির্লজ্য অ্যাপস🤖☠️☠️☠️ যদি এদের ব্যান করত তাহলে শত শত মহিলা ইউজার পোস্ট বন্ধ করে বা বক্স বন্ধ করে পোস্ট দিত না ....👉☠️☠️☠️.আমরা খুঁটিয়ে দেখিনা কত মহিলা ইউজারের পোস্টে এরকম নোংরা ছবি লেখা পোস্ট করে দেয় তাছাড়া ইনবক্স তো আছেই....আজ অনেকে অফ হয়ে আছে 🤖🤖☠️☠️☠️ আমি তাই ঘোর কলিতে গৌতম বুদ্ধকে বিশ্লেষণ করলাম।না হলে এ পোস্ট দিতাম না ...★ আজ মহান বুদ্ধপূর্ণিমা।দিনটি মানব বিশ্বের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় ও বরণীয় দিন। বৌদ্ধ বিশ্বে আজ থেকে ২৫৬৭ বুদ্ধবর্ষ শুরু হলো।দিনটি বিশ্বমানবতার জন্যও এক মহান তিথি।৬২৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে কপিলাবাস্তুর লুম্বীনি উদ্যানে এমনই এক শুভ তিথিতে গৌতম বুদ্ধের জন্ম হয়।৫৮৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তিনি বুদ্ধত্ব লাভ করেন গয়ার বোধি-বৃক্ষ মূলে এবং ৫৪৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তিনি মহা-পরিনির্বাণ লাভ করেন কুশিনগরের মল্লদের শালবনে। বুদ্ধ জীবনের তিনটি বিশেষ ঘটনা বুদ্ধ পূর্ণিমার বিশেষত্ব বহন করে।বুদ্ধপূর্ণিমা শুধু কোনো জাতি, গোষ্ঠী, সম্প্রদায় কিংবা বিশ্বের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য নয়,এটি সমগ্র বিশ্বের মুক্তিকামী ও মানবতাবাদী সব মানুষের জন্য।তাই জাতিসংঘও এ মহান বুদ্ধপূর্ণিমাকে গুরুত্ব দিয়েছে অত্যন্ত মর্যাদার সঙ্গে। বুদ্ধের জন্ম ও ধর্ম প্রচারের মধ্য দিয়েই পৃথিবীর বুকে এমন একটি সর্বজনীন ধর্ম প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল,যার বাণী ছিল আদিতে কল্যাণ, মধ্যে কল্যাণ এবং অন্তে কল্যাণ;যা সম্পূর্ণ অহিংস ও মানবতাবাদী।সর্ব জীব ও সর্ব মানুষের সুখ-শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এ ধর্ম। অতএব,বিশ্বের সব জীবের মুক্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে এ ধর্মে এবং সব মানুষের মানবিক মূল্যবোধ ও অধিকারের সুযোগও দেওয়া হয়েছে।এ জন্যই মহামানব বুদ্ধের বাণীগুলো চিরন্তন,শাশ্বত এবং মানবিক আবেদনে পরিপূর্ণ। গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা হলো বিশ্ব মানবতার এবং ইহজাগতিক পারমার্থিক জীবনের। বৌদ্ধমতে,শীল সমাধি প্রজ্ঞাময় জীবনের মধ্য দিয়েই একজন মানুষের সর্বোত্তম জীবন গড়ে ওঠে,যেখানে তিনি হন সত্য,সুন্দর ও নীতিবান এবং মানব জীবনের সর্বোচ্চ দুঃখ মুক্তিমার্গ লাভ করতে সক্ষম হন।তাই শীল সমাধি প্রজ্ঞা সাধনাই বৌদ্ধ ধর্মের প্রধান ব্রত।অন্যদিকে মানুষের নৈতিক ও চারিত্রিক সাধনার বিষয়টিকে বৌদ্ধ ধর্ম বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছে।বৌদ্ধমতে, শীলময় জীবন,সমাধি এবং প্রজ্ঞাময় জীবনই মানুষকে সৎ পথে পরিচালিত করে এবং বিশ্ব মানবতাকে আলোকিত করতে পারে।তাই বৌদ্ধশাস্ত্র বলে, যে মানুষ যত বেশি শীলাচারণ-সম্পন্ন, সমাধি-পরায়ণ ও প্রজ্ঞা-সম্পন্ন,তিনি তত বেশি জীবনে সুখী,নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ অবস্থানে বসবাস করতে পারেন এবং বিশ্ব মানবতার সেবা দিতে পারেন।তাই বৌদ্ধ জীবন পদ্ধতিতে এবং বৌদ্ধ মানস গঠনের লক্ষ্যে প্রথমে পঞ্চশীল বা পঞ্চনীতির কথা বলা হয়েছে, যেখানে একজন ব্যক্তি তার জীবনের প্রথম থেকেই এই সৎগুণ চর্চার মাধ্যমে তার জীবনকে আদর্শায়িত করতে পারেন।এ পঞ্চনীতিতে ব্যক্তি শুধু নিজেই যে নীতিপরায়ণ হয় তা নয়,সমাজ ও রাষ্ট্রের অন্যকেও নীতিবোধে উদ্বুদ্ধ করে।এ জন্যই আমাদের ব্যবহারিক জীবনের সব পর্যায়ে বৌদ্ধ পঞ্চনীতির শিক্ষা সার্থকভাবে অনুশীলন করা উচিত।বৌদ্ধ পঞ্চনীতিতে বলা হচ্ছে-(১) কোনো ধরনের প্রাণীকে বধ কিংবা আঘাত না করা,(২) কোনো ধরনের চৌর্যবৃত্তি না করা, (৩)কোনো ধরনের কামাচার কিংবা অবৈধ ব্যভিচার না করা, (৪)কোনো ধরনের মিথ্যা না বলা এবং সর্বশেষ (৫)কোনো ধরনের নেশা বা মাদকদ্রব্য সেবন না করা।এখন নিজকে প্রশ্ন করুন,এ নীতিগুলো যদি আমি এবং আমরা সবাই পালন করি,তাহলে কখনো কি আমরা অন্যের ক্ষতির কারণ হতে পারি? আমরা কি কখনো জীবনে সহিংসতা,যুদ্ধ কিংবা কোনো ধরনের আঘাত বা সংঘাত করতে পারি?আজ তো সারা বিশ্বে যুদ্ধ .... আমরা কি পারি অনৈতিক,অসামাজিক ও অমানবিক কাজ করতে?শীল পালনের গুরুত্বকে তাই বুদ্ধ সবিশেষ মর্যাদা দিয়েছেন।জীবনের সব ক্ষেত্রে এ পাঁচটি নীতি অনুশীলন করলে ‘শ্রেষ্ঠ জীবন’ গঠন করা যায়-যেখানে কোনো ধরনের পাপাচার ও অকল্যাণ থাকবে না।যদিও কলি যুগ এটা....আবার সৎ জীবন গঠন ও সৎ জীবন পরিচালনার জন্য বৌদ্ধ ধর্মে আটটি বিশুদ্ধ পথের কথা বলা হয়েছে,যাকে বৌদ্ধ পরিভাষায় বলা হয়👉‘আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ’; যেমন-সৎ দৃষ্টি,সৎ বাক্য,সৎ কর্ম,সৎ জীবিকা, সৎ সংকল্প,সৎ প্রচেষ্টা,সৎ স্মৃতি এবং সৎ সমাধি।এগুলো ব্যক্তির ব্যবহারিক ও পারিবারিক জীবনে যেমন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়,তেমনি সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেও এর প্রয়োজনীয়তা অত্যধিক।এর প্রতিটি নীতি দিয়েই যদি আমাদের জীবন গঠন করা যায়,তাহলে আমরা কখনো পারি না সমাজ,রাষ্ট্র কিংবা বিশ্বের কোনো ধরনের ক্ষতি বা সংঘাত সৃষ্টি করতে।বৌদ্ধ মতে,সামাজিক অস্থিরতা ও অসাম্য কখনো সমাজ ও রাষ্ট্রে শান্তি-শৃঙ্খলা নিয়ে আসতে পারে না।মানুষ সততার সঙ্গে চেষ্টা করলে তা দূর করতে পারে এবং সমাজ ও রাষ্ট্রে শান্তিপূর্ণ সহ-অবস্থান তৈরি করতে পারে।হিংসার ব্যবহারে প্রতিহিংসা ও সংঘাত সৃষ্টি হয় এবং সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর অবস্থা তৈরি হয়,যা পরে ধংসাত্মক যুদ্ধ-বিগ্রহের জন্ম দেয়।তাই বুদ্ধ ও বৌদ্ধ ধর্ম জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অহিংসা ও বিশ্ব মানবতার কথা বলেছেন। বৌদ্ধ মতে ‘আত্মশক্তি’ জীবনের এক পরম সম্পদ।মানবজীবনে এ শক্তি উদ্বোধনের জন্য প্রত্যেক মানুষকে শ্রেষ্ঠত্বের সম্মানে ভূষিত করেছে।★মানুষ হিসাবে আমি যেমন শ্রেষ্ঠ, আত্ম-শক্তিতেও আমি শ্রেষ্ঠ।সুতরাং আমি যদি উত্তম হই,সর্বশ্রেষ্ঠ হই,তাহলে আমার প্রতিটি কর্ম ও চিন্তাও হবে উত্তম ও সর্বশ্রেষ্ঠ। কারণ, উত্তম মানুষ কখনো অধম কাজ করতে পারে না। শাস্ত্র বলছে,....👉👉👉🙏🙏🙏🙏🙏..... ‘হীনধম্ম ন সেবেয়্য, পমাদেন ন সংবসে, মিচ্ছাদিটইঠং ন সেবেয্য ন সিয়া লোকবন্ধনো।’ .....অর্থাৎ👉 কখনো হীন আচরণ করো না,প্রমত্ত হয়োনা।এ জন্য ধর্মপদে বলা হয়েছে..... ‘কায়িক সংযম সাধুকর, বাচনিক সংযম সাধুকর, আর মানসিক সংযম সাধুকর; যিনি ত্রিবিধ দ্বারে সংযত তিনিই সর্বোত্তম সাধুকর।’ .....🙏🙏🙏🙏👉কী অসাধারণ বাণী বৌদ্ধ ধর্মের! এগুলো নিয়ে চিন্তা করলে সমাজের প্রত্যেক মানুষ হবে সৎ,সুন্দর ও নীতিবান।নীতিবান জীবনই একজন ব্যক্তির আদর্শ জীবন ও মহৎ জীবন।তাই বুদ্ধ বলেছেন,মন সব ধর্মের ঊর্ধ্বে।প্রদুষ্ট মনে কেউ যদি কিছু বলে বা করে তখন দুঃখের উৎপত্তি হয়,আর ভালো মনে কিছু বললে বা করলে সুখ ছায়ার মতো তার অনুগামী হয়। 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 ‘ধর্ম’ হলো মানবজাতির সামগ্রিক কল্যাণের জন্য একটি উপাদানবিশেষ,যেখানে মানুষের সর্বাঙ্গীন কল্যাণ,মঙ্গল ও সুখ-শান্তি বিদ্যমান। ধর্ম মানুষের নীতিবোধ ও আদর্শকে গড়ে তোলে।এ জন্যই ধর্মের সঙ্গে ব্যক্তির,পরিবার ও সমাজের সম্পর্ক গভীর ও অবিচ্ছেদ্য। সুতরাং যেসব কর্মে ন্যায়-নীতি বা সদাচার থাকবে,তাকে বলা হয় সধর্ম।আর যেসব কর্মে এ গুণাবলির অভাব সেটি হলো ‘অধর্ম’। অতএব,মানুষ যদি জীবনাচরণে,কর্মে ও চিন্তায় এবং জ্ঞান ও মননশীলতায় বড় না হয়, তাহলে সে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে পারে না।এ জন্যই বৌদ্ধ ধর্মে শীলাচার জীবন এবং নৈতিকতার কথা বারবার বলা হয়েছে।বৌদ্ধ ধর্ম শুধু আধ্যাত্ম সাধনার জন্য মুক্তি বা নির্বাণ লাভের কথা বলেনি,বরং এতে জীবনের সব ক্ষেত্রে মন্দ বা অসৎ প্রবণতা থেকে মুক্তি এবং জীবনের সব কার্যকলাপে সৎ,নির্লোভ,নির্মোহ এবং বিত্ত-বৈভবে অনাসক্ত ও তৃষ্ণাবিমুক্ত নির্বাণ লাভের কথা বলা হয়েছে।মহামতি গৌতম বুদ্ধ শুধু জীবনের অনিত্যতা, জীবনের দুঃখ-দুর্দশা এবং পারমার্থিক জীবনদর্শন নিয়ে ভাবেননি, তিনি ভেবেছিলেন ব্যক্তিগত,সমাজ বা রাষ্ট্রীয় জীবনদর্শন নিয়ে,যা আমাদের প্রত্যেক মানুষের জন্য আজ অত্যন্ত অপরিহার্য। এমনকি ইহজাগতিক মানবতার সামগ্রিক কল্যাণের জন্যও।এ জন্যই বুদ্ধ তার নবধর্ম প্রচারের প্রথম বাণীতেই পঞ্চবর্গীয় ভিক্ষুদের নির্দেশ দিয়ে বলেছিলেন-......👉👉👉‘হে ভিক্ষুগণ! তোমরা বহুজনের হিত ও বহুজনের সুখের জন্য এবং সামগ্রিক কল্যাণের জন্যই চতুর্দিকে ছড়িয়ে পরো।...... ......তাই তো আমরা দেখি গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা ছিল সম্পূর্ণ মানবিক, মনুষ্যবোধের এবং কুশলকর্মে উৎসাহব্যঞ্জক।এ শিক্ষা আলোকিত হৃদয় বৃত্তির শিক্ষা এবং শীল, সমাধি, প্রজ্ঞা সম্প্রযুক্ত বৌদ্ধ মানবতার শিক্ষা।এ শিক্ষাতে কারও কোনো একক অধিকার নেই,নেই কোনো প্রকার বৈষম্য; আছে সবার সমঅধিকার।এ জন্যই বুদ্ধ বলেছেন,......🙏🙏🙏🙏👉👉👉👉 ‘ন জটাহি ন গোত্তেন ন জচ্চা হোতি ব্রাহ্মণো,/যম্হি সচ্চঞ্চ ধম্মো চ সো সুচি-সো চ ব্রাহ্মণো।’ 👉👉অর্থাৎ জন্ম বা জাতির দ্বারা কেহ ব্রাহ্মণ-অব্রাহ্মণ হয় না,কর্মের দ্বারাই ব্রাহ্মণ-অব্রাহ্মণ হয়।আচার-অনুষ্ঠান ও শীল পালনের দ্বারাই প্রকৃত ব্রাহ্মণ হয়।  আশাকরি সঠিক কথাই বললাম তাঁর শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পনে........সকলে অন্তত একবার পড়বেন মনটা নির্মল হবে ঠিকই..... 🙏বুদ্ধায় নমঃ 🙏 🙏🙏🙏🙏🙏🙏 সকলে ভালো থাকবেন #ভক্তি #শুভেচ্ছা #😇বুদ্ধ পূর্ণিমা🙏 #বুদ্ধ পূর্ণিমা #😎আমার প্রিয় ভিডিও স্ট্যাটাস ❤