গেরুয়া আবিরে ভরে উঠছে প্রায় সর্বত্র - ক্ষমতার খুবই কাছে বিজেপি
একপ্রকার বলাই যায়, সকালের দিকে টক্করে লড়াই থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উড়ে যাচ্ছে তৃণমূল। এই মুহূর্তে ১৬৫ আসনে এগিয়ে বিজেপি আর ১০৩ আসনে এগিয়ে তৃণমূল। অন্যান্য ৭। বোঝাই যাচ্ছে বিজেপির জয় হয়তো শুধু সময়ের অপেক্ষা।
তবে প্রতি মুহূর্তে বদলে যাচ্ছে এই হিসাব। আর তা প্রতি মুহূর্তের নজরে রাখছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল থেকে দিল্লির কন্ট্রোল রুমে রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁকে গণনার ‘মিনিট টু মিনিট’ রিপোর্ট সল্টলেক পার্টি অফিসের কন্ট্রোল রুমে থেকে পাঠানো হচ্ছে বলে খবর। এবারের নির্বাচন বিজেপির কাছে প্রেস্টেজিয়াস ফাইট ছিল। প্রায় ১৪ দিন রাজ্যে পড়ে থেকে একের পর এক সভা, রোড শো করেছেন অমিত শাহ। শুধু তাই নয়, দফায় দফায় সমস্ত স্তরের কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকও সেরেছেন তিনি। এবার সবার নজর ফলাফলের দিকে। চাপা টেনশন। প্রত্যাবর্তন নাকি পরিবর্তনের পক্ষে মানুষের রায় গোটা বাংলার নজর রয়েছে।
রাজধানীতে বসে নজর রাখছেন মোদির ডেপুটিও। জানা গিয়েছে, রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা এদিন কলকাতাতেই রয়েছেন। সল্টলেকের কন্ট্রোল রুম থেকে গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন তাঁরা। সেখান থেকেই ২৯৩ টি আসনে গণনার গতিপ্রকৃতি, কোন আসনে বা কত আসন এগিয়ে দলের প্রার্থীরা, সে সব খবর শাহকে রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা পাঠাচ্ছেন বলে খবর। বলে রাখা প্রয়োজন, গত কয়েকদিনে ভোট গণনার প্রস্তুতি নিয়ে দলীয় স্তরে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা। মালদহ, শিলিগুড়ি, কলকাতায় আলাদা আলাদা বৈঠক করেন রাজ্যের পর্যবেক্ষক সুনীল বনশল। ছিলেন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। চার ধাপে ভাগ করে জেলা সভাপতি, প্রার্থী, কেন্দ্রভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের নিয়ে বৈঠক চলে। গণনার দিন দলের সব প্রার্থী থেকে শুরু করে সমস্ত স্তরের নেতা ও কর্মীদের এবং কাউন্টিং এজেন্টদের কী ভূমিকা থাকবে তা নিয়ে বিস্তারিত নির্দেশ দেন বনশলরা। এমনকী প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়।
#political