অনুসরণ করুন
H M SHABNAM HAPPY
@happyful
6
পোস্ট
3
ফলোয়ার্স
H M SHABNAM HAPPY
585 জন দেখলো
সেদিন বিকেলে হঠাৎ বৃষ্টি নেমেছিল। পুরো শহরটা যেন ভিজে যাচ্ছিল, কিন্তু নীলার মনে হচ্ছিল — সে যেন আরও বেশি একা হয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টি পড়লেই তার মনে পড়ে রাফির কথা। রাফি, যে একসময় তার প্রতিদিনের সকাল ছিল, তার হাসির কারণ ছিল। দু’জন একসাথে কলেজ যেত, একই ছাতার নিচে হেঁটে যেত। রাফি সবসময় বলত, > “তুই যদি কখনো হারিয়ে যাস, আমি বৃষ্টির গন্ধে তোকেই খুঁজে নেব।” আজও নীলা সেই গন্ধ পায়, কিন্তু পাশে রাফি নেই। একটা ছোট ভুল বোঝাবুঝি, একটু অভিমান — তারপর দু’জনের দূরত্বটা এত বেড়ে গেল যে বৃষ্টি এলেও আর কেউ ছাতা ধরতে আসে না। নীলা এখনো জানালার পাশে বসে, বৃষ্টি পড়ে — আর ফিসফিস করে বলে, > “রাফি, তুই যদি আজও কোথাও থাকিস, মনে রেখিস, বৃষ্টির গন্ধ এখনো তোর নামেই ভিজে যায়।” #🌄প্রকৃতি ও পশু-পাখি প্রেমী🐕 #😍 Love Art 😍 #📸ফোটোগ্রাফি টিপ্স ও ট্রিক্স✨
H M SHABNAM HAPPY
614 জন দেখলো
🌤️ “ভোরের আলোয় তুমি” 🌤️ ভোরের আলোয় যখন জেগে ওঠে পাখি, তোমার হাসি মনে পড়ে—নরম, শান্ত, ভালোবাসি। শিশির ভেজা ঘাসে পা রাখলে মনে হয়, পৃথিবী যেন নতুন করে বাঁচতে চায়। তোমার চোখে লুকিয়ে থাকে নদীর নীল ধারা, তোমার কথায় বাজে মিষ্টি সুরের সারা। তুমি এলে ঝরার ফুলও হাসতে শেখে, নির্জন মনেও রঙ ছড়ায় মেঘে মেঘে। তোমার ছোঁয়ায় দিন হয় কবিতা, তোমার নীরবতায় লুকায় গভীর ব্যথা। তবু তোমাকে ছাড়া ভাবতে পারি না, তুমি যেন ভোরের আলো—আমার প্রাণের গহীনা। #📸ফোটোগ্রাফি টিপ্স ও ট্রিক্স✨ #🥰লাভ goals❤ #😍আমার পছন্দের স্টেটাস😍 #😍 Love Art 😍 #🌄প্রকৃতি ও পশু-পাখি প্রেমী🐕
H M SHABNAM HAPPY
1K জন দেখলো
রাত নেমে আসে নিঃশব্দ পায়ে, নীল আকাশে তারা জ্বলে ঝিকিমিকি গায়ে। চাঁদের হাসি মিষ্টি আলোয় ভাসে, পৃথিবী স্বপ্নে ডুবে যায়, নরম আকাশে। বাতাসে ফিসফাস, গাছের পাতার সুর, রাতের কোলে মিলে যায় দিনের সব দূর। জোনাকির আলোয় পথ চলে অজানায়, মনের গভীরে খুঁজে পায় শান্তির ঠিকানায়। রাতের বুকে লুকানো কত গল্পের ভাঁজ, স্বপ্নের রঙে রাঙায় মনের ক্যানভাস। ও নিশি, তুমি এসো, গোপন কথা বলো, তারার আলোয় আমার মনটা একটু দোলো। #রাত #📸ফোটোগ্রাফি টিপ্স ও ট্রিক্স✨ #🥰লাভ goals❤ #🎵বাংলা রোম্যান্টিক গান❤ #🎵বাংলা গানের ডাবস্ম্যাশ 💕😍
H M SHABNAM HAPPY
585 জন দেখলো
সূর্য তখন পশ্চিমাকাশে হেলে পড়েছে। আকাশ জুড়ে কমলা আর গোলাপি রঙের এক অপরূপ মেলা। বাতাসে হালকা শীতলতা, যেন প্রকৃতি নিজেই একটা নরম কম্বল জড়িয়ে দিচ্ছে। গ্রামের পথ ধরে হাঁটছে রিমি, একটা ছোট্ট মেয়ে, যার হাতে একটা বাঁশের ঝুড়ি। সে ফুল তুলতে বেরিয়েছে, কিন্তু তার চোখ আটকে গেছে বিকালের এই মায়াবী রূপে। পথের পাশে ধানক্ষেত। হাওয়ায় ধানের শীষ নুয়ে-নুয়ে নাচছে, যেন তারা গান গাইছে। দূরে একটা বক উড়ে গেল, তার সাদা ডানায় সূর্যের আলো ঝিকমিক করে উঠল। রিমি থমকে দাঁড়াল। তার কানে ভেসে এলো একটা মিষ্টি সুর—পাখির কিচিরমিচির, আর দূরের নদী থেকে আসা পানির কলকল শব্দ। সে পথ ছেড়ে একটা ছোট্ট টিলার দিকে এগিয়ে গেল। টিলার ওপর একটা পুরোনো বটগাছ, যার ডালপালা ছড়িয়ে আছে চারদিকে। গাছের নিচে বসে রিমি তার ঝুড়িটা পাশে রাখল। সামনে দিগন্তে সূর্য ডুবছে। আকাশে এখন আরও গাঢ় রঙ—লাল, বেগুনি, আর একটু নীলের মিশেল। মনে হচ্ছে, কেউ যেন আকাশে রং তুলি দিয়ে ছড়িয়ে দিয়েছে। রিমি হঠাৎ লক্ষ করল, তার পাশে একটা ছোট্ট খরগোশ কখন যেন এসে বসেছে। তার কান দুটো খাড়া, আর চোখ দুটো ঝকঝকে। রিমি হাসল। সে ভাবল, এই বিকালটা যেন তাকে গল্প শোনাচ্ছে। খরগোশটা একটু নড়েচড়ে বসল, আর তখনই একটা প্রজাপতি উড়ে এসে রিমির হাতের কাছে বসল। তার ডানায় ছিল হলুদ আর সবুজ রঙের ছোঁয়া। “তোমরা কি আমার সঙ্গে খেলতে এসেছ?” রিমি ফিসফিস করে বলল। খরগোশ আর প্রজাপতি যেন তার কথা বুঝল। খরগোশটা একটু লাফিয়ে গাছের কাছে গেল, আর প্রজাপতিটা তার পিছু নিল। রিমি হেসে উঠল। সে দৌড়ে তাদের পিছু নিল। টিলার ওপর দিয়ে ছুটতে-ছুটতে সে দেখল, চারপাশে ফুলের মধ্যে আরও প্রজাপতি উড়ছে। কখন যেন বিকালের আলো ফিকে হয়ে এল, আর তার জায়গায় আকাশে জ্বলে উঠল প্রথম তারাটি। রিমি থামল। তার হাতে এখন কয়েকটা বুনো ফুল। সে ফুলগুলো ঝুড়িতে রাখল আর মনে মনে ভাবল, এই বিকালটা তার জন্য একটা উপহার। প্রকৃতি যেন তাকে বলছে, “দেখ, আমি কত সুন্দর! তুইও এই সৌন্দর্যের একটা অংশ।” সন্ধ্যার আঁধার নামার আগে রিমি বাড়ির পথ ধরল। তার পিছনে বটগাছটা দাঁড়িয়ে রইল, যেন প্রকৃতির এক নীরব প্রহরী। আর আকাশে, সূর্যের শেষ আলো মিলিয়ে যাওয়ার আগে, একটা শান্তির গল্প লিখে গেল। সমাপ্তি #😍আমার পছন্দের স্টেটাস😍 #🎄গাছ🎄 #🌄প্রকৃতি ও পশু-পাখি প্রেমী🐕 #😮লাইফ হ্যাকস🤩 #📸ফোটোগ্রাফি টিপ্স ও ট্রিক্স✨
H M SHABNAM HAPPY
1.8K জন দেখলো
#📲আমার প্রথম পোস্ট✨ অচিন পাখির গান গ্রামের শেষ প্রান্তে, যেখানে বাঁশঝাড়ের ফাঁকে মেঘলা আকাশের ছায়া পড়ে, সেখানে থাকতো রিমি। ছোট্ট একটা কুঁড়েঘর, পাশে একটা আমগাছ আর সামনে খেতের মাঝে ধানের শীষের নাচন। রিমির জীবন ছিল সাদামাটা, কিন্তু তার মনে ছিল অজানা একটা খোঁজ—যেন কিছু হারিয়ে গেছে, যা সে কখনো পায়নি। এক বর্ষার দুপুরে, যখন আকাশ কালো মেঘে ঢেকে গিয়ে ঝিরঝির বৃষ্টি নামল, রিমি আমগাছের নিচে দাঁড়িয়ে ছিল। হঠাৎ কোথা থেকে একটা অদ্ভুত সুর ভেসে এল। মিষ্টি, কিন্তু অচেনা। সে তাকিয়ে দেখল, বাঁশঝাড়ের মধ্যে একটা ছেলে বসে বাঁশি বাজাচ্ছে। ছেলেটার চোখে একটা গভীর শান্তি, যেন সে পৃথিবীর সব দুঃখ ভুলে গেছে। রিমির পা দুটো যেন নিজে থেকেই এগিয়ে গেল। "তুমি কে?" রিমি জিজ্ঞেস করল, তার কণ্ঠে কৌতূহল। ছেলেটা বাঁশি নামিয়ে মুচকি হাসল। "আমি রাহুল। এই গ্রামে নতুন এসেছি। তুমি?" "আমি রিমি। এই গানটা... এটা কীসের গান?" রাহুল হাসল, "এটা কোনো গান নয়। এটা আমার মনের কথা, যা শব্দে বলতে পারি না, তাই বাঁশিতে বাজাই।" সেই দিন থেকে রিমি আর রাহুলের দেখা হতো প্রায়ই। বর্ষার বৃষ্টিতে ভিজে, ধানখেতের আল ধরে হাঁটতে হাঁটতে তারা কথা বলত। রাহুল বলত তার ভ্রমণের গল্প, দূরের পাহাড়, নদীর গান, আর রিমি বলত তার ছোট্ট গ্রামের স্বপ্ন। রিমি জানত না ভালোবাসা কী, কিন্তু রাহুলের বাঁশির সুর আর তার গল্পে সে যেন একটা নতুন পৃথিবী খুঁজে পেত। একদিন রাহুল বলল, "রিমি, আমি চলে যাব। আমার বাড়ি এখানে নয়। আমি একটা অচিন পাখি, যে কখনো এক জায়গায় থাকে না।" রিমির বুকটা হিম হয়ে গেল। "তুমি ফিরবে না?" রাহুল একটা ছোট্ট বাঁশি রিমির হাতে দিয়ে বলল, "এটা রাখো। যখনই এই বাঁশি বাজাবে, আমি তোমার কাছে থাকব।" রাহুল চলে গেল। গ্রামের সেই বাঁশঝাড় আর আমগাছের নিচে রিমি একা দাঁড়াত। কিন্তু প্রতি বর্ষায়, যখন মেঘ ডাকত, রিমি সেই #কবিতা বাঁশি বাজাত। অদ্ভুতভাবে, সেই সুরে রাহুলের গল্প, তার হাসি, তার চোখের শান্তি যেন ফিরে আসত। রিমি বুঝতে পারল, ভালোবাসা মানে শুধু কাছে থাকা নয়, কখনো কখনো কারো স্মৃতিকে বুকে ধরে বেঁচে থাকা। বছরের পর বছর কেটে গেল। রিমি বুড়ি হল, কিন্তু সেই বাঁশি আর তার সুর রইল তার সঙ্গী। গ্রামের মানুষ বলত, বর্ষার দিনে আমগাছের নিচে একটা অচিন পাখির গান ভেসে আসে। কেউ জানত না, সেটা রিমির ভালোবাসার গান, যা কখনো হারায়নি
See other profiles for amazing content