অনুসরণ করুন
-☞ℝ ᭄デ𝕃.ℙデ𝕃𝕖𝕒𝕕𝕖𝕣
@no__inbox__me__
457
পোস্ট
643
ফলোয়ার্স
-☞ℝ ᭄デ𝕃.ℙデ𝕃𝕖𝕒𝕕𝕖𝕣
422 জন দেখলো
2 ঘন্টা আগে
একজন পুরুষ নারীকে দেখার সময় তাকে একজন মানুষ হিসেবে নয় একটা শরীর হিসেবেই দেখে কিন্তু কেনো? পুরুষ কেন নারীর শরী,রে,র পাগল—সমাজের এক তিক্ত বাস্তবতা কথাটা শুনতে নেগেটিভ লাগে, প্রায়ই অস্বস্তি তৈরি করে। কিন্তু সমাজের অন্দরমহলে তাকালে আমরা দেখব—এ প্রশ্নের উত্তর কোনো এক লাইনে মেলে না। এর ভিতরে আছে মনোবিজ্ঞান, সমাজের কাঠামো, লালন-পালন, দৃষ্টিভঙ্গি, অশিক্ষা, মিডিয়ার প্রভাব—সব মিলে এক জটিল বাস্তবতা। ১. পুরুষকে ছোটবেলা থেকেই “শরীরকেন্দ্রিক” করে তোলা হয় ছোটবেলা থেকে আমাদের ছেলেদের শেখানো হয় না নারীর সম্মান কী, তার অনুভূতি কী, তার ইচ্ছা-অনিচ্ছা কী। “নারীর শরীর লুকানোর জিনিস।” “মেয়েদের শরীর মানেই লজ্জার, গোপনের।” “না তাকালে নাকি ছেলে কম পুরুষ মনে হয়।” এই থেকেই পুরুষের মনে নারীকে মানুষ হিসেবে নয়—শরীর হিসেবে দেখার বীজ রোপণ হয়ে যায়। ২. সমাজ নারীর শরীরকে এক রহস্য বানিয়ে রেখেছে নারীর শরীর নিয়ে শত নিষেধ: এটা ঢাকো ওটা পেঁচিয়ে রাখো এভাবে হাঁটো না ওভাবে কথা বলো না যে জিনিস সমাজ যত লুকায়, মানুষ ততই কৌতূহলী হয়। ফলে বহু পুরুষ নারীর শরীরকে প্রাকৃতিকভাবে নয়—রহস্য, উত্তেজনা ও নিষিদ্ধ আকর্ষণ তৈরি হয় —ফলে পুরুষের মধ্যে নারীর শরী,র দেখার আকর্ষণ যাগে। ৩. মিডিয়া, সিনেমা, বিজ্ঞাপন পুরুষকে ভুল বার্তা দেয় আজকের মিডিয়াতে নারী মানেই— গ্ল্যামার সৌন্দর্য শরীরের প্রদর্শন পুরুষের বিনোদনের উপাদান সিনেমাতে নায়কের শক্তি দেখাতে নায়িকার শরী--র ব্যবহার করা হয়। বিজ্ঞাপনে সাবান দেখাতে নারীর শরী"""র, শ্যাম্পু দেখাতে চুল—সবকিছুতেই নারীকে পণ্য বানানো হয়। ফলে বহু পুরুষের মাথায় বসে যায়— “নারীর মূল্য = শরী"""""র” ৪. জৈবিক আকর্ষণ থাকলেও সেটাকে নিয়ন্ত্রণের শিক্ষা নেই পুরুষ নারীর প্রতি জৈবিকভাবে আকৃষ্ট হবে—এটি প্রকৃতি। কিন্তু সমস্যা তখনই হয় যখন— আকর্ষণকে সম্মান করা হয় না, ইচ্ছে নিয়ন্ত্রণ করতে শেখানো হয় না, নারীর ‘না’ এর মূল্য বোঝানো হয় না, ফলে স্বাভাবিক আকর্ষণ অসভ্য আকর্ষণে রূপ নেয়। ৫. চরিত্রবান পুরুষ কম নয়—কিন্তু সমস্যার উৎস সংখ্যায় নয়, চিন্তায় সব পুরুষ খারাপ—এ কথা সত্য নয়। কিন্তু সমাজে এমন একটি মানসিকতা তৈরি হয়েছে যেখানে— নারীর গুণকে নয়, আগে দেখা হয় তার গঠন চরিত্রের আগে মূল্যায়ন হয় সৌন্দর্যের সম্মান নয়, প্রাধান্য দেয় কামনাকে এই চিন্তাভাবনাই আমাদের সমস্যার মূল। শেষ কথা পুরুষ নারীর শরীরে"""র পাগল হয়—এটা কেবল প্রকৃতির কারণে নয়, সমাজের তৈরি এক বিকৃত সংস্কৃতি। যে সমাজে— সম্মান শেখানো হয় না নারীকে মানুষ হিসেবে দেখা হয় না শরী"র"কে রহস্য বানিয়ে রাখা হয় মিডিয়া নারীকে প""ণ্য হিসেবে উপস্থাপন করে সেখানে নারীর শরী""র নিয়ে পাগলামি নয়—সম্মানহীনতা, কৌতূহল, কামনা, আধিপত্য—সব মিলিয়ে এক অস্বস্তিকর বাস্তবতা জন্ম নেয়। মানুষ পরিবর্তন হবে তখনই— যখন নারীকে শরী"""র নয়, একজন সম্পূর্ণ মানুষ হিসেবে দেখার শিক্ষা ঘর থেকেই শুরু হবে। ✍️ সংগ্রহীত লেখা সংগৃহীত #s
-☞ℝ ᭄デ𝕃.ℙデ𝕃𝕖𝕒𝕕𝕖𝕣
329 জন দেখলো
2 ঘন্টা আগে
আমরা অনেকেই মনে করি, বাচ্চাকে বেশি শাসন না করলে সে “বিগড়ে যাবে”। তাই ছোট ভুলেও রাগ, বকা, চিৎকার—এটাই যেন আমাদের স্বাভাবিক অভ্যাস। কিন্তু আপনি কি জানেন, এই বারবার বকা খাওয়ানো শিশুর মস্তিষ্কের গঠনে স্থায়ী পরিবর্তন ঘটাতে পারে? এটা শুধু মানসিক কষ্ট নয়—এটা সরাসরি শিশুর ব্রেইন ডেভেলপমেন্টে আঘাত করে। --- 🧠 ১. শিশুর মস্তিষ্কে ‘ভয়’ এর হরমোন বেড়ে যায় বারবার বকা, চিৎকার ও অপমানের ফলে শিশুর শরীরে বেড়ে যায় কর্টিসল (Stress Hormone)। এই হরমোন দীর্ঘদিন বেশি থাকলে— শিশুর স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যায় শেখার আগ্রহ কমে যায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে অর্থাৎ, শিশুটি ধীরে ধীরে মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। --- 💔 ২. শিশুর আত্মবিশ্বাস ধ্বংস হয়ে যায় যে শিশুকে প্রতিদিন বলা হয়— “তুই কিছু পারবি না” “তুই ভালো না” “তোর দ্বারা কিছু হবে না” সে ধীরে ধীরে এগুলোই নিজের পরিচয় হিসেবে বিশ্বাস করতে শুরু করে। ফলাফল— শিশু নিজেকে তুচ্ছ মনে করে নতুন কিছু চেষ্টা করতে ভয় পায় বড় হয়েও সিদ্ধান্ত নিতে ভয় পায় এই ভয় তাকে সারাজীবন পিছু তাড়া করে। --- 😞 ৩. উদ্বেগ ও বিষণ্ণতায় (Anxiety & Depression) ভোগে গবেষণায় দেখা গেছে— যেসব শিশু নিয়মিত বকা ও মানসিক চাপের মধ্যে বড় হয়, তাদের ভেতরে— ডিপ্রেশন অতিরিক্ত ভয় ঘুমের সমস্যা অকারণ রাগ এই সমস্যাগুলো অনেক বেশি দেখা যায়। অনেক সময় তারা নিজের কষ্ট কাউকে বলতেও পারে না—ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়ে। --- 🗣️ ৪. শিশু সত্য বলা বন্ধ করে দেয় বারবার বকা খাওয়া শিশুরা ধীরে ধীরে শেখে— “সত্য বললে শাস্তি, মিথ্যা বললে বাঁচা।” ফলে তারা— মিথ্যা বলা শিখে যায় বাবা–মার সাথে দূরত্ব তৈরি করে নিজের অনুভূতি গোপন রাখতে শেখে একসময় বাবা–মা আর সন্তানের মধ্যে বিশ্বাসটাই হারিয়ে যায়। --- 🌱 ৫. শিশু ভয়ে নয়, ভালোবাসায় বদলায় শিশুর সবচেয়ে বড় চাহিদা হলো— ✅ নিরাপত্তা ✅ ভালোবাসা ✅ বোঝাপড়া যে শিশু ভালোবাসা ও উৎসাহ পায়, সে ভুল করলেও শেখে, সামনে এগোতে পারে। কিন্তু যে শিশু শুধু ভয় পায়, সে শুধু ভুল লুকাতে শেখে—ভালো মানুষ হতে শেখে না। --- ✅ তাহলে একজন সচেতন অভিভাবক হিসেবে আমরা কী করবো? চিৎকার নয়, শান্তভাবে বোঝাবো ভুলে শাস্তি নয়, শিক্ষা দেবো তুলনা নয়, উৎসাহ দেবো অপমান নয়, আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলবো একটা কথা মনে রাখবেন— “আজকের শিশুই আগামীর বাংলাদেশ।” আপনার একটি কথাই আপনার সন্তানের পুরো জীবন বদলে দিতে পারে—ভালো দিকেও, খারাপ দিকেও। --- ❤️ শেষ কথা একটি শিশুর কাছে বাবা–মাই তার পুরো পৃথিবী। আপনার মুখের একটি কঠিন কথা তার মনে গভীর ক্ষত তৈরি করতে পারে, আবার একটি মমতার কথা তার ভেতরে পাহাড়সম আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে পারে। আজ যে শিশুটি বারবার বকা খাচ্ছে, অপমান সহ্য করছে— সে শুধু আজ কাঁদছে না, সে কাঁদছে তার ভবিষ্যৎ নিয়েও। আমরা যেন এমন বাবা–মা না হই, যাদের কারণে সন্তানের মনে এই প্রশ্ন জন্মায়— “আমাকে বকা ছাড়া ভালোবাসা কি কেউ করবে না?” আসুন, ভয় দিয়ে নয় — ভালোবাসা দিয়ে মানুষ গড়ি। চিৎকার দিয়ে নয় — সময় দিয়ে সন্তান গড়ি। শাস্তি দিয়ে নয় — বিশ্বাস দিয়ে ভবিষ্যৎ গড়ি। কারণ, একটি সুন্দর আগামী শুরু হয়— একটি নিরাপদ শৈশব থেকে। 🌸 #বাচ্ছা
-☞ℝ ᭄デ𝕃.ℙデ𝕃𝕖𝕒𝕕𝕖𝕣
343 জন দেখলো
2 ঘন্টা আগে
কমার্স ডিপার্টমেন্টের কয়েকজন ছাত্র ট্রেনে চড়ে কোথাও যাচ্ছিল এবং মার্কেটিং নিয়ে আলোচনা করছিল। একজন বয়স্ক ভদ্রলোক তাদের আলোচনা মন দিয়ে শুনছিলেন আর মুচকি মুচকি হাসছিলেন। হঠাৎ ভদ্রলোকটি ছাত্রদেরকে বললেন, আমি কি মার্কেটিং বিষয়টি সহজ দুএকটি কথায় ব্যাখ্যা করতে পারি? ছাত্ররা কৌতূহলী হয়ে তার দিকে তাকাল। ভদ্রলোক বলতে শুরু করলেন, মনে করো তুমি কোনো বিয়ে বাড়ীতে দাওয়াত খেতে গিয়েছ। তো সেখানে গিয়ে এক অসামান্য সুন্দরী মেয়ের দেখা পেলে। তুমি তার কাছে গিয়ে বললে, "আমি উচ্চশিক্ষিত এবং ধনী। তুমি কি আমায় বিয়ে করবে?" এটাকে বলে সরাসরি বিপণন (ডাইরেক্ট মার্কেটিং)। তোমার বন্ধু তার কাছে গিয়ে তোমাকে দেখিয়ে বলল, "ও উচ্চশিক্ষিত এবং ধনী। তুমি কি ওকে বিয়ে করবে?" এটাকে বলে বিজ্ঞাপন। মেয়েটি নিজেই তোমার কাছে এগিয়ে এসে বলল, 'আপনি উচ্চশিক্ষিত এবং ধনী। আপনি কি আমায় বিয়ে করবেন?' এটাকে বলে ব্র্যান্ড ভ্যালু। তুমি বিয়ের প্রস্তাব দেবার পর মেয়েটি জানাল যে, সে বিবাহিতা। এটাকে বলে চাহিদা ও জোগানের ফারাক (ডিম্যান্ড সাপ্লাই গ্যাপ)। তুমি মেয়েটির কাছে গিয়ে কিছু বলার আগেই আরেকজন তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিল এবং মেয়েটি সম্মত হয়ে তার সাথে চলে গেল। এটাকে বলে প্রতিযোগিতা (কম্পিটিশন)। মেয়েটি তোমার বিয়ের প্রস্তাব গ্রহণ করল এবং বছর ঘুরতেই তোমাদের একটি সন্তান হলো। একে বলে প্রোডাকশন (উৎপাদন)। তুমি মেয়েটিকে বিয়ের অফার দেবার সাথে সাথে সে তোমার গালে ঠাস করে একটা চড় মারল। এটাকে বলে উপভোক্তার প্রতিক্রিয়া (কাস্টমার্স ফিডব্যাক)। তুমি যখন মেয়েটিকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে সেই সময় তোমার স্ত্রী এসে উপস্থিত হল। এটাকে বলে নতুন ব্যবসাক্ষেত্রে প্রবেশ করার ঝুঁকি (রিস্ক অফ এন্টারিং নিউ মার্কেট)।" #ছাত্র প্রেম কাহানি
-☞ℝ ᭄デ𝕃.ℙデ𝕃𝕖𝕒𝕕𝕖𝕣
540 জন দেখলো
23 ঘন্টা আগে
সেই পুরুষটা অসম্ভব সুন্দর— যে পুরুষটা নিজের শখের নারীর মেসেজ দেখেই সময় থামিয়ে দেয়, এক সেকেন্ডও দেরি না করে রিপ্লাই দেয়, কারণ তার কাছে “ব্যস্ততা” নয়, তার কাছে সবচেয়ে জরুরি হলো—একটা অপেক্ষা করা মন। সেই পুরুষটা অসম্ভব সুন্দর— যে নিজের শখের নারীকে অন্য কোনো পুরুষের সঙ্গে সামান্য কথা বলতে দেখলেই অস্থির হয়ে ওঠে, কারণ সেটা দখলদারিত্ব নয়, ওটা হারিয়ে ফেলার ভয়— ভালোবাসা থাকলেই যে ভয়টা জন্মায়। সেই পুরুষটা অসম্ভব সুন্দর— যে নিজের শখের নারী রাগ করলে রাগের আগুনে পানি ঢালে না, বরং নরম করে ধরে, শব্দ কমিয়ে, চোখে চোখ রেখে বলে— “চুপ করো, আমি আছি।” সেই পুরুষটা অসম্ভব সুন্দর— যার সামনে হাজারো নারী থাকলেও, সে বেছে নেয় শুধুমাত্র নিজের শখের নারীর চোখ— কারণ সে জানে, এই দুই চোখেই আছে তার ভবিষ্যৎ, তার শান্তি, তার সারাজীবনের ঠিকানা। আর সত্যি বলতে কী— সেই পুরুষটাই সবচেয়ে সুন্দর, যে একজন নারীকে ভালোবাসার আগে সম্মান করতে জানে… কারণ সম্মান ছাড়া ভালোবাসা কখনোই টিকে না। 😊🤍 #পুরুষ মন
-☞ℝ ᭄デ𝕃.ℙデ𝕃𝕖𝕒𝕕𝕖𝕣
527 জন দেখলো
23 ঘন্টা আগে
নিজে এতগুলো টায়ার বহন করেও বিপদের সময় একটি টায়ারও কাজে আসে না তার… ঠিক তেমনি জীবনের পথে চলতে গেলে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব অনেকেই থাকবে, কিন্তু খারাপ সময়ে খুব অল্প কিছু মানুষকেই কাছে পাবেন। 😔 আপনি কার জন্য কতটা কী করেছেন, সেটা খুব কম মানুষই মনে রাখে… বরং আপনি তাদের কাছ থেকে কী নিয়েছেন, সেটাই বিভিন্নভাবে ফেরত নেওয়ার হিসাব কষে মানুষ। 🫤 এই জন্যই বোধহয় পৃথিবীতে মানুষ চিনে নেওয়া সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর একটা। 🤍 জীবন সত্যিই নাটকের চেয়েও বেশি নাটকীয়… 😭🎭 #এটাই সভ্য সমাজ
-☞ℝ ᭄デ𝕃.ℙデ𝕃𝕖𝕒𝕕𝕖𝕣
384 জন দেখলো
2 দিন আগে
আপনি অধৈর্য, মেজাজি মেয়ে— তারপরও চান পুরুষ আপনাকে পছন্দ করুক? ভালোবাসুক? কমনসেন্স কি পানিতে গুলে খেয়ে ফেলেছেন নাকি? 🙂 কখনও ভেবে দেখেছেন, পুরুষ আসলে কেমন নারী পছন্দ করে? পুরুষ পছন্দ করে— শান্তশিষ্ট, ধৈর্যশীল, অতিরিক্ত “মানিয়ে নেওয়া” জানে এমন নারী। কেন জানেন? কারণ এমন নারীদের বিয়ে করে ঘরে আনলে বাবা–মা–ভাই–বোন মিলে শারীরিক, মানসিক হাজারটা কষ্ট দিলেও তারা চুপচাপ সহ্য করে যায়। প্রতিবাদ? না। স্বামীর কাছ থেকেও প্রতিবাদ আশা করে না। চোখের পানি মুছে বলে— “মেয়েদের জীবনটাই এমন 😭” কান্না শেষ করে উঠে কী করে জানেন? কোনো সুখী, প্রতিবাদী নারীর পিছনে আঙুল তোলে, পরচর্চা করে, চোগলখোরিতে মেতে ওঠে 😊 অন্যের সংসারে অশান্তি লাগানো, অন্য নারীর দোষ খোঁজা— এটাই তাদের বিনোদন! এদের ঘরে রেখে জামাইরা বাইরে হাজারটা বান্ধবী পালতে পারে। কারণ এরা “মানিয়ে নিতে জানে”। আর মজার ব্যাপার কী? তলে তলে এরাও “বন্ধু” নামের নাগর পুষে রাখে 🫠 তারপর গর্ব করে বলে— ❝পুরুষ মানুষ একটু আধটু আকাম-কুকাম করবেই! করুক গিয়া! আমার জন্য কি পুরুষের অভাব হবে নাকি? আমিও কয়েকজনের সঙ্গী হবো— চিক্কুন বুদ্ধি দিয়া সব লুকাই রাখবো!❞ 🫠 এদের ধারণা— পুরুষকে হাতে, গলায়, পকেটে রাখতে পারলেই জীবন সফল। তাই ব্যাডা পুরুষরাও এদের খুব “ভালোবাসে” 🥰 কিন্তু— প্রতিবাদী নারী? যে নিজের অধিকার আর দায়িত্ব বোঝে? সে এসব মানে না। করেও না। এই কারণেই ওই ধরনের নারী পুরুষের “পছন্দ” না 😕 তাই যদি পুরুষের পছন্দ হতে চান— নরম হোন, সরম হোন, পরচর্চাকারী হোন, চোগলখোর হোন, বন্ধু নামের নাগর পালুন, অন্য নারীর দোষ ধরুন, পশ্চাতে আঙুল তুলুন, আর সব অন্যায়কে “মানিয়ে নেওয়া”র নামে গিলে ফেলুন। কিন্তু শুনে রাখুন— অধৈর্য, মেজাজি নারীরা শুধু অধিকার নয়, দায়িত্ব সম্পর্কেও সচেতন। তারা অন্যায় করে না, তাই অন্যায় মানতেও পারে না। পুরুষ পছন্দ করলো কি না— এইসবের ধার তারা ধারে না। তারা পুরুষ দেখলেই হেসে গলে পড়ে না, ডজনখানেক পুরুষ ধরে চলে না। ওরা নিজের শক্তিতে বিশ্বাসী। অধিকার আদায় করে নিতে জানে। আর এই কারণেই— ওরা ভয়ংকর। ওরা স্বাধীন। ওরা অনপছন্দের… পুরুষতান্ত্রিক সমাজের কাছে। 🔥 #নারী শক্তি
-☞ℝ ᭄デ𝕃.ℙデ𝕃𝕖𝕒𝕕𝕖𝕣
468 জন দেখলো
2 দিন আগে
🔥 “এক পা কবরে—তবু শরীরে আগুন!” — সমাজের মুখে আয়না ধরার এক নিষিদ্ধ সত্য “পঞ্চাশ পেরোলেই নাকি সব শেষ!” দাঁড়ি পেকে গেছে, ত্বক কুঁচকে গেছে, ছেলের বউ ঘরে এসেছে— এখন আর কীসের ভালোবাসা? কীসের শরীরের চাহিদা? এখন নাকি শুধু তসবিহ টিপে, চুপচাপ মৃত্যুর দিন গোনা উচিত। এই কথাগুলো কে বানিয়েছে? প্রকৃতি না সমাজ? আজ সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এই লেখা। ⸻ ✦ সমাজের ভণ্ডামির শুরু এখানেই ✦ আমরা এমন এক সমাজে বাস করি— যেখানে ১৮ বছরের শরীর চাইলেই “অপরাধ”, আর ৫০ বছরের শরীর চাইলে “ভীমরতি”! কিন্তু প্রশ্ন একটাই— 👉 মানুষের শরীর কি জন্মদিন দেখে চলে? 👉 হরমোন কি সমাজের অনুমতি নিয়ে নিঃসৃত হয়? আজ আমি সেই সমাজের চোখে চোখ রেখে কথা বলতে এসেছি। ⸻ দৃশ্য–১ 🧔 “ভদ্র লোকের নীরব আর্তনাদ” রহমান সাহেব—বয়স ৫২। সম্মানিত মানুষ। সন্তান প্রতিষ্ঠিত। সমাজে মাথা উঁচু করে চলেন। কিন্তু রাত নামলেই— তার ঘরের ভেতর এক অদৃশ্য যুদ্ধ শুরু হয়। শরীর কথা বলে। তিনি স্ত্রীর দিকে হাত বাড়ান। উত্তর আসে— “ছিঃ! এই বয়সে এসব? পাশের রুমে ছেলের বউ, নাতনি ঘুমাচ্ছে! মরণকালে ভীমরতি ধরলো নাকি?” একটা বাক্য— আর রহমান সাহেবের ভেতরের পুরুষটা ধীরে ধীরে মরে যায়। তিনি চুপ থাকেন। কারণ তিনি ভদ্র। তার শরীর জ্বলে— কিন্তু মুখ খুললে সমাজ ছিঁড়ে খাবে। 🔬 অথচ বিজ্ঞান বলে— পুরুষের যৌন সক্ষমতা ৫০-এ শেষ হয় না। ৭০, ৮০—এমনকি তারও পরে থাকতে পারে। কিন্তু সমাজ শিখিয়েছে— “এই বয়সে চাওয়া মানেই লজ্জা।” ফল? ডিপ্রেশন। একাকীত্ব। কখনো ভুল পথে পা বাড়ানো। তারপর সমাজই বলে— “দেখেছো? বুড়ো বয়সে চরিত্র নষ্ট!” না। চরিত্র নষ্ট হয়নি। ক্ষুধার্ত মানুষ খাবার না পেলে ডাস্টবিনে তাকায়—এটাই বাস্তবতা। ⸻ দৃশ্য–২ 👩 “এক নারীর না বলা দোজখ” শেফালী বেগম—বয়স ৪২। শরীর এখনো জীবন্ত। মন এখনো ভালোবাসা চায়। কিন্তু স্বামী—৫৫। সারা জীবনের অনিয়ম, ধূমপান, মদের ফল— আজ বিছানায় নীরবতা। তিনি কী করবেন? ডিভোর্স? সমাজ বলবে—“নষ্টা!” পরকীয়া? বিবেক মানে না। চুপচাপ সহ্য? প্রতিদিন একটু একটু করে নিঃশেষ হয়ে যাওয়া। এই যন্ত্রণার নাম— সম্মানিত নারীর নীরব শাস্তি। ⸻ ✦ আমরা যে সত্যটা মানতে চাই না ✦ নারীদের অনেকের মেনোপজ হয় ৪৫–৫০ এ। শরীর বদলায়। ইচ্ছে কমে। কিন্তু অনেক পুরুষের এই সময়েও চাহিদা পুরোপুরি শেষ হয় না। স্বামী চায়—স্ত্রী পারে না। স্ত্রী চায়—স্বামী পারে না। দুজনেই ভাবে— “আমাকে আর ভালোবাসে না।” আর এখানেই সম্পর্ক ভাঙে। ⸻ নারীদের জন্য একটি অনুরোধ 🌸 মেনোপজ মানেই আপনার নারীত্ব শেষ নয়। আপনি না চাইতে পারেন— কিন্তু আপনার স্বামী তো এখনো আপনাকেই চায়। এই বয়সে সহবাসের চেয়ে ঘনিষ্ঠতা বেশি জরুরি। ❌ গালি দেবেন না ❌ “বুড়ো শয়তান” বলবেন না এই শব্দগুলো শরীরে নয়— আত্মসম্মানে আঘাত করে। ⸻ পুরুষদের জন্য একটি সতর্কতা 🌿 আপনার শরীরে আগুন থাকতে পারে— কিন্তু স্ত্রীর শরীর এখন বদলের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। জোর ভালোবাসা নয়— ক্ষত তৈরি করে। এই বয়সে দরকার— ✔ ধৈর্য ✔ আদর ✔ বোঝাপড়া আর হ্যাঁ— ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো “ম্যাজিক পিল” নয়। সুখ নিতে গিয়ে মৃত্যু ডেকে আনবেন না। ⸻ ✦ শেষ কথা ✦ আপনার বাবা শুধু বাবা নন— তিনি একজন পুরুষ। আপনার মা শুধু মা নন— তিনি একজন নারী। ৪০ বা ৫০ এ জীবন শেষ নয়— এটা নতুন অধ্যায়। 👉 শরীর কুলালে মিলন। 👉 না কুলালে হাত ধরা, গল্প, আদর। কিন্তু দয়া করে এই পবিত্র সম্পর্ককে “বুড়ো বয়সের ভীমরতি” বলে অপমান করবেন না। একজন তৃপ্ত বৃদ্ধ হাজার নীতিকথার চেয়েও সুন্দর #এটাই সভ্য সমাজ
-☞ℝ ᭄デ𝕃.ℙデ𝕃𝕖𝕒𝕕𝕖𝕣
532 জন দেখলো
4 দিন আগে
গল্পের নাম: প্রশংসার ফাঁদ সে জানালার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। বয়সের ছাপ চোখে পড়লেও কেউ বললে বিশ্বাস করত না। কারণ প্রতিদিনই কেউ না কেউ এসে বলত— “আপনাকে দেখে তো এখনও কলেজে পড়ুয়া মনে হয়!” “আপনার হাসিতে আলাদা একটা মায়া আছে!” প্রথমে ভালো লাগত। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে নতুন করে দেখতে ইচ্ছে হতো। অথচ যে মানুষটা প্রতিদিন পাশে থাকে, সে এসব বলে না। সে শুধু জিজ্ঞেস করে— “খেয়েছো?” “বাচ্চাটা ঠিক আছে তো?” আর ঠিক তখনই তৃতীয় একজন এসে ফিসফিস করে বলে— “আপনি অনেক স্পেশাল… আপনার স্বামী সেটা বোঝে না।” এই কথাটাই ধীরে ধীরে বিষ হয়ে ঢুকে যায় মনে। ছোট ছোট অভিমান বড় হয়ে ওঠে। সংসারের শান্ত ঘরটায় ফাটল ধরে। স্বামীর নীরবতা তখন অবহেলা মনে হয়, দায়িত্ব নেওয়াটা মনে হয় বিরক্তি। কিন্তু সে বুঝতে পারেনি— যে মানুষটা প্রশংসা করে, সে কখনো দায়িত্ব নিতে আসে না। সে আসে শুধু নিজের স্বার্থ নিয়ে। যতদিন প্রশংসার দরকার, ততদিন সে স্পেশাল। স্বার্থ শেষ হলে, সে শুধু আরেকটা গল্প। একদিন সে বুঝতে পারে— যে মানুষটা কবির মতো কথা বলে না, কিন্তু জ্বরে রাত জেগে মাথায় পানি দেয়, সন্তানের স্কুল ফি নিয়ে চিন্তা করে, সংসারের বোঝা কাঁধে নেয়— সে-ই আসল ভালোবাসা। ক্ষণিকের প্রশংসা মিষ্টি হয়, কিন্তু তার পরিণতি ভয়ংকর তেতো। #ফাঁদ
See other profiles for amazing content