-☞ℝ ᭄デ𝕃.ℙデ𝕃𝕖𝕒𝕕𝕖𝕣
ShareChat
click to see wallet page
@no__inbox__me__
no__inbox__me__
-☞ℝ ᭄デ𝕃.ℙデ𝕃𝕖𝕒𝕕𝕖𝕣
@no__inbox__me__
হারিয়ে গেলে খুঁজে নিতাম,কিন্তু তুমি তো বদলে গেছো
কমার্স ডিপার্টমেন্টের কয়েকজন ছাত্র ট্রেনে চড়ে কোথাও যাচ্ছিল এবং মার্কেটিং নিয়ে আলোচনা করছিল। একজন বয়স্ক ভদ্রলোক তাদের আলোচনা মন দিয়ে শুনছিলেন আর মুচকি মুচকি হাসছিলেন। হঠাৎ ভদ্রলোকটি ছাত্রদেরকে বললেন, আমি কি মার্কেটিং বিষয়টি সহজ দুএকটি কথায় ব্যাখ্যা করতে পারি? ছাত্ররা কৌতূহলী হয়ে তার দিকে তাকাল। ভদ্রলোক বলতে শুরু করলেন, মনে করো তুমি কোনো বিয়ে বাড়ীতে দাওয়াত খেতে গিয়েছ। তো সেখানে গিয়ে এক অসামান্য সুন্দরী মেয়ের দেখা পেলে। তুমি তার কাছে গিয়ে বললে, "আমি উচ্চশিক্ষিত এবং ধনী। তুমি কি আমায় বিয়ে করবে?" এটাকে বলে সরাসরি বিপণন (ডাইরেক্ট মার্কেটিং)। তোমার বন্ধু তার কাছে গিয়ে তোমাকে দেখিয়ে বলল, "ও উচ্চশিক্ষিত এবং ধনী। তুমি কি ওকে বিয়ে করবে?" এটাকে বলে বিজ্ঞাপন। মেয়েটি নিজেই তোমার কাছে এগিয়ে এসে বলল, 'আপনি উচ্চশিক্ষিত এবং ধনী। আপনি কি আমায় বিয়ে করবেন?' এটাকে বলে ব্র্যান্ড ভ্যালু। তুমি বিয়ের প্রস্তাব দেবার পর মেয়েটি জানাল যে, সে বিবাহিতা। এটাকে বলে চাহিদা ও জোগানের ফারাক (ডিম্যান্ড সাপ্লাই গ্যাপ)। তুমি মেয়েটির কাছে গিয়ে কিছু বলার আগেই আরেকজন তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিল এবং মেয়েটি সম্মত হয়ে তার সাথে চলে গেল। এটাকে বলে প্রতিযোগিতা (কম্পিটিশন)। মেয়েটি তোমার বিয়ের প্রস্তাব গ্রহণ করল এবং বছর ঘুরতেই তোমাদের একটি সন্তান হলো। একে বলে প্রোডাকশন (উৎপাদন)। তুমি মেয়েটিকে বিয়ের অফার দেবার সাথে সাথে সে তোমার গালে ঠাস করে একটা চড় মারল। এটাকে বলে উপভোক্তার প্রতিক্রিয়া (কাস্টমার্স ফিডব্যাক)। তুমি যখন মেয়েটিকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে সেই সময় তোমার স্ত্রী এসে উপস্থিত হল। এটাকে বলে নতুন ব্যবসাক্ষেত্রে প্রবেশ করার ঝুঁকি (রিস্ক অফ এন্টারিং নিউ মার্কেট)।" #ছাত্র প্রেম কাহানি
ছাত্র প্রেম কাহানি - 99 ) MIHIHSISHDa   ইহাকেট মরকেটিং বলেঃ 99 ) MIHIHSISHDa   ইহাকেট মরকেটিং বলেঃ - ShareChat
সেই পুরুষটা অসম্ভব সুন্দর— যে পুরুষটা নিজের শখের নারীর মেসেজ দেখেই সময় থামিয়ে দেয়, এক সেকেন্ডও দেরি না করে রিপ্লাই দেয়, কারণ তার কাছে “ব্যস্ততা” নয়, তার কাছে সবচেয়ে জরুরি হলো—একটা অপেক্ষা করা মন। সেই পুরুষটা অসম্ভব সুন্দর— যে নিজের শখের নারীকে অন্য কোনো পুরুষের সঙ্গে সামান্য কথা বলতে দেখলেই অস্থির হয়ে ওঠে, কারণ সেটা দখলদারিত্ব নয়, ওটা হারিয়ে ফেলার ভয়— ভালোবাসা থাকলেই যে ভয়টা জন্মায়। সেই পুরুষটা অসম্ভব সুন্দর— যে নিজের শখের নারী রাগ করলে রাগের আগুনে পানি ঢালে না, বরং নরম করে ধরে, শব্দ কমিয়ে, চোখে চোখ রেখে বলে— “চুপ করো, আমি আছি।” সেই পুরুষটা অসম্ভব সুন্দর— যার সামনে হাজারো নারী থাকলেও, সে বেছে নেয় শুধুমাত্র নিজের শখের নারীর চোখ— কারণ সে জানে, এই দুই চোখেই আছে তার ভবিষ্যৎ, তার শান্তি, তার সারাজীবনের ঠিকানা। আর সত্যি বলতে কী— সেই পুরুষটাই সবচেয়ে সুন্দর, যে একজন নারীকে ভালোবাসার আগে সম্মান করতে জানে… কারণ সম্মান ছাড়া ভালোবাসা কখনোই টিকে না। 😊🤍 #পুরুষ মন
পুরুষ মন - ShareChat
♻️ সম্পর্কের অলিগলি বুঝতে বুঝতেই অনেকের পুরো জীবন কেটে যায়। তবুও আধুনিক মনোবিজ্ঞানের গবেষণা নারী ও পুরুষের মানসিক গঠনের এমন কিছু মৌলিক পার্থক্য সামনে এনেছে— যেগুলো বুঝতে পারলে প্রিয় মানুষের সঙ্গে অকারণ দূরত্ব অনেকটাই কমে যেতে পারে। চলুন, বিষয়টা সহজ করে দেখি— ⸻ 👉 ১. পুরুষের জগৎ বনাম নারীর মনস্তত্ত্ব 🔹 পুরুষের ক্ষেত্রে একজন পুরুষ যখন ক্যারিয়ার বা কাজ নিয়ে চাপে থাকেন, তখন তিনি চাইলেও সম্পর্কের দিকে পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারেন না। কারণ, বহু পুরুষের কাছে সাফল্যই আত্মপরিচয়ের মূল ভিত্তি। কাজে অস্থিরতা মানেই নিজের ভেতরে ব্যর্থতার অনুভূতি— আর সেই চাপ অজান্তেই সম্পর্কের ওপর ছায়া ফেলে। 🔹 নারীর ক্ষেত্রে একজন নারী যদি সম্পর্ক বা ব্যক্তিগত জীবনে মানসিকভাবে অশান্ত থাকেন, তাহলে কাজ বা ক্যারিয়ারে মন বসানো তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। কারণ, তার কাছে সম্পর্কের স্থিতি ও আবেগী নিরাপত্তাই মানসিক শক্তির প্রধান উৎস। ⸻ 👉 ২. এই পার্থক্য বোঝা কেন জরুরি? একটি বাস্তব উদাহরণ ভাবুন— 🔹 স্বামী কাজের প্রচণ্ড চাপে চুপচাপ। ফোনে কথা কম, আবেগ প্রকাশও কম। স্ত্রীর মনে প্রশ্ন আসে— “ও কি আমাকে আগের মতো ভালোবাসে না?” কিন্তু বাস্তবতা হলো— মানুষটি এতটাই মানসিকভাবে ক্লান্ত যে ভালোবাসা প্রকাশের শক্তিটুকুও সে খুঁজে পাচ্ছে না। 🔹 আবার সকালে মান-অভিমান হলে— স্বামী অফিসে গিয়ে কাজে ডুবে যেতে পারেন। কিন্তু স্ত্রী সারাদিন বারবার ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকেন। কারণ, সম্পর্ক ঠিক না থাকলে তার কাছে বাকি সবকিছুই অর্থহীন মনে হয়। ⸻ 👉 ৩. কার কী প্রয়োজন? 🔹 পুরুষের প্রয়োজন — Respect Factor সম্মান, বিশ্বাস ও পরিশ্রমের স্বীকৃতি। কঠিন সময়ে সঙ্গীর একটি বাক্য— “আমি জানি তুমি পারবে”— একজন ভেঙে পড়া পুরুষকেও আবার দাঁড় করাতে পারে। অনেক সময় তার কাছে সম্মানহীন ভালোবাসার চেয়ে সম্মানজনক নীরবতাই বেশি মূল্যবান। 🔹 নারীর প্রয়োজন — Emotional Security ভালোবাসা, মনোযোগ আর মানসিক নিরাপত্তা। দামী উপহারের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ— কেউ কি মন দিয়ে তার কথা শুনছে? দিনের শেষে শুধু এই কথাটুকু— “আমি তোমার পাশেই আছি”— তাকে নতুন করে শক্ত করে তোলে। ⸻ 👉 ৪. সমাধান কোথায়? সম্পর্ক বড় বড় ত্যাগে টিকে থাকে না, টিকে থাকে ছোট কিন্তু গভীর বোঝাপড়ায়। 🥀 নারীদের জন্য সঙ্গী কাজের চাপে থাকলে অভিযোগের আগে ভরসা দিন। তাকে স্পেস দিন, সম্মান দিন। কাজ গুছোলেই দেখবেন— সে আবার আপনাকেই খুঁজছে। 🥀 পুরুষদের জন্য কাজ যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক, প্রতিদিন অন্তত কিছুটা সময় দিন। মন দিয়ে শুনুন। আপনার এই অল্প সময়ই তার সারাদিনের ক্লান্তি মুছে দিতে পারে। ⸻ 🪷 শেষ কথা নারী ও পুরুষ প্রতিদ্বন্দ্বী নয়— তারা একে অপরের পরিপূরক। সঠিক বোঝাপড়া কোনো জাদু নয়, এটা একটি দৈনন্দিন অভ্যাস। আজ থেকেই অভিযোগ নয়— ভালোবাসা ও সম্মান দিয়ে একে অপরের অভাব পূরণ করার চেষ্টা করুন। শান্তি আপনার মনের ভেতরেই অপেক্ষা করছে 🌿 #অ সম্পুর্ন জীবন 💔😞
অ সম্পুর্ন জীবন 💔😞 - ShareChat
নিজে এতগুলো টায়ার বহন করেও বিপদের সময় একটি টায়ারও কাজে আসে না তার… ঠিক তেমনি জীবনের পথে চলতে গেলে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব অনেকেই থাকবে, কিন্তু খারাপ সময়ে খুব অল্প কিছু মানুষকেই কাছে পাবেন। 😔 আপনি কার জন্য কতটা কী করেছেন, সেটা খুব কম মানুষই মনে রাখে… বরং আপনি তাদের কাছ থেকে কী নিয়েছেন, সেটাই বিভিন্নভাবে ফেরত নেওয়ার হিসাব কষে মানুষ। 🫤 এই জন্যই বোধহয় পৃথিবীতে মানুষ চিনে নেওয়া সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর একটা। 🤍 জীবন সত্যিই নাটকের চেয়েও বেশি নাটকীয়… 😭🎭 #এটাই সভ্য সমাজ
এটাই সভ্য সমাজ - সবইপশে থঁকে সুবিখর সম্রয়] খরপ সম্য]-ই আসল মননুষ চিনিয়ে দেয়]'] সবইপশে থঁকে সুবিখর সম্রয়] খরপ সম্য]-ই আসল মননুষ চিনিয়ে দেয়]'] - ShareChat
আপনি অধৈর্য, মেজাজি মেয়ে— তারপরও চান পুরুষ আপনাকে পছন্দ করুক? ভালোবাসুক? কমনসেন্স কি পানিতে গুলে খেয়ে ফেলেছেন নাকি? 🙂 কখনও ভেবে দেখেছেন, পুরুষ আসলে কেমন নারী পছন্দ করে? পুরুষ পছন্দ করে— শান্তশিষ্ট, ধৈর্যশীল, অতিরিক্ত “মানিয়ে নেওয়া” জানে এমন নারী। কেন জানেন? কারণ এমন নারীদের বিয়ে করে ঘরে আনলে বাবা–মা–ভাই–বোন মিলে শারীরিক, মানসিক হাজারটা কষ্ট দিলেও তারা চুপচাপ সহ্য করে যায়। প্রতিবাদ? না। স্বামীর কাছ থেকেও প্রতিবাদ আশা করে না। চোখের পানি মুছে বলে— “মেয়েদের জীবনটাই এমন 😭” কান্না শেষ করে উঠে কী করে জানেন? কোনো সুখী, প্রতিবাদী নারীর পিছনে আঙুল তোলে, পরচর্চা করে, চোগলখোরিতে মেতে ওঠে 😊 অন্যের সংসারে অশান্তি লাগানো, অন্য নারীর দোষ খোঁজা— এটাই তাদের বিনোদন! এদের ঘরে রেখে জামাইরা বাইরে হাজারটা বান্ধবী পালতে পারে। কারণ এরা “মানিয়ে নিতে জানে”। আর মজার ব্যাপার কী? তলে তলে এরাও “বন্ধু” নামের নাগর পুষে রাখে 🫠 তারপর গর্ব করে বলে— ❝পুরুষ মানুষ একটু আধটু আকাম-কুকাম করবেই! করুক গিয়া! আমার জন্য কি পুরুষের অভাব হবে নাকি? আমিও কয়েকজনের সঙ্গী হবো— চিক্কুন বুদ্ধি দিয়া সব লুকাই রাখবো!❞ 🫠 এদের ধারণা— পুরুষকে হাতে, গলায়, পকেটে রাখতে পারলেই জীবন সফল। তাই ব্যাডা পুরুষরাও এদের খুব “ভালোবাসে” 🥰 কিন্তু— প্রতিবাদী নারী? যে নিজের অধিকার আর দায়িত্ব বোঝে? সে এসব মানে না। করেও না। এই কারণেই ওই ধরনের নারী পুরুষের “পছন্দ” না 😕 তাই যদি পুরুষের পছন্দ হতে চান— নরম হোন, সরম হোন, পরচর্চাকারী হোন, চোগলখোর হোন, বন্ধু নামের নাগর পালুন, অন্য নারীর দোষ ধরুন, পশ্চাতে আঙুল তুলুন, আর সব অন্যায়কে “মানিয়ে নেওয়া”র নামে গিলে ফেলুন। কিন্তু শুনে রাখুন— অধৈর্য, মেজাজি নারীরা শুধু অধিকার নয়, দায়িত্ব সম্পর্কেও সচেতন। তারা অন্যায় করে না, তাই অন্যায় মানতেও পারে না। পুরুষ পছন্দ করলো কি না— এইসবের ধার তারা ধারে না। তারা পুরুষ দেখলেই হেসে গলে পড়ে না, ডজনখানেক পুরুষ ধরে চলে না। ওরা নিজের শক্তিতে বিশ্বাসী। অধিকার আদায় করে নিতে জানে। আর এই কারণেই— ওরা ভয়ংকর। ওরা স্বাধীন। ওরা অনপছন্দের… পুরুষতান্ত্রিক সমাজের কাছে। 🔥 #নারী শক্তি
নারী শক্তি - ShareChat
একটি “না” কতটা শক্তিশালী হতে পারে— আমরা বেশিরভাগ মানুষ তা কল্পনাও করি না। কিন্তু ইতিহাস জানে, একটি কণ্ঠ… একটি সিদ্ধান্ত… একটি দৃঢ় অস্বীকৃতি— পুরো সমাজের নৈতিক মানচিত্র বদলে দিতে পারে। 📍 ১৯৬৫ সাল। ইতালির সিসিলি। মাত্র ১৭ বছরের এক কিশোরী—ফ্রাঙ্কা ভিয়োলা। তার সামনে দাঁড়িয়ে ছিল পরিবার, সমাজ আর আইন—সবাই একসাথে। তাকে বলা হয়েছিল— “ধ’র্ষণ হয়েছে তো কী হয়েছে? লোকটা বিয়ে করতে চায়। বিয়ে করলেই সম্মান ফিরে পাবে।” ফ্রাঙ্কা উত্তর দিয়েছিল মাত্র একটি শব্দে— “না।” এই “না” ছিল সমাজের মুখে এক চপেটাঘাত। কারণ তখন ইতালির আইন বলত— 👉 ধ’র্ষক যদি ভিকটিমকে বিয়ে করে, 👉 সে আর অপরাধী থাকে না। 👉 এটাকেই বলা হতো “সম্মান পুনরুদ্ধার”। কিন্তু প্রশ্ন ছিল— ❝ ধ’র্ষককে মুক্ত করে কিসের সম্মান উদ্ধার হয়? ❞ ফ্রাঙ্কাকে অপহরণ করে ৮ দিন ৮ রাত নির্মম যৌ’ন নির্যাতন করা হয়েছিল। একটাই দাবি ছিল— “আমাকে বিয়ে করো।” সে রাজি হয়নি। উদ্ধারের পরও সমাজ বলেছিল— “বিয়ে করো, নইলে জীবন শেষ।” কিন্তু ফ্রাঙ্কা ঠিক করেছিল— 👉 জীবন হারালেও চলবে, 👉 আত্মসম্মান নয়। ⚖️ ১৯৬৬ সালে আদালতে দাঁড়িয়ে একজন কিশোরী প্রথমবার প্রকাশ্যে বলেছিল— “আমি ভিকটিম নই। আমি অপরাধীর স্ত্রী হব না।” সে মামলায় জিতেছিল। ধ’র্ষক ফিলিপ্পো মেলোডিয়া পেয়েছিল ১১ বছরের কারাদণ্ড। আর ফ্রাঙ্কা হয়ে উঠেছিল— একটি বর্বর সামাজিক প্রথার মুখে প্রথম সাহসী “না” বলা নারী। এই মামলাটি নাড়িয়ে দিয়েছিল পুরো ইউরোপ। পোপ, রাষ্ট্রপতি, বিশ্বনেতারা— সবাই তার সাহসের প্রশংসা করেছিল। কিন্তু ফ্রাঙ্কা খ্যাতি চায়নি। সে চেয়েছিল শুধু ন্যায়বিচার। এবং সে তা পেয়েছিল। ⏳ অবশেষে ১৯৮১ সালে ইতালি বাধ্য হয় সেই লজ্জাজনক আইন বাতিল করতে। ফ্রাঙ্কা পরে বিয়ে করেছিল তার শৈশবের বন্ধু জিউসেপ্পেকে— যে কখনো বলেনি, “তুমি ধর্ষিতা।” সে সবসময় বলেছিল— “তুমি একজন যোদ্ধা।” এই গল্প শুধু ইতালির নয়। এই গল্প প্রতিটি সমাজের জন্য আয়না। কারণ আজও বহু জায়গায় মেয়েদের বলা হয়— “মেনে নাও।” কিন্তু ইতিহাস বলে— 👉 আত্মসম্মান মেনে নেওয়ায় আসে না। 👉 আসে প্রতিবাদে। সে ছিল ১৭ বছরের এক কিশোরী। সমাজ বলেছিল নত হতে। সে বলেছিল— “না।” আর একটি দেশ বদলে গিয়েছিল— চিরতরে। #অ সম্পুর্ন জীবন 💔😞
অ সম্পুর্ন জীবন 💔😞 - সে শুধু "না" বলেছিল-আর একটি দেশের আইন ভেঙে পড়েছিল সে শুধু "না" বলেছিল-আর একটি দেশের আইন ভেঙে পড়েছিল - ShareChat
🔥 “এক পা কবরে—তবু শরীরে আগুন!” — সমাজের মুখে আয়না ধরার এক নিষিদ্ধ সত্য “পঞ্চাশ পেরোলেই নাকি সব শেষ!” দাঁড়ি পেকে গেছে, ত্বক কুঁচকে গেছে, ছেলের বউ ঘরে এসেছে— এখন আর কীসের ভালোবাসা? কীসের শরীরের চাহিদা? এখন নাকি শুধু তসবিহ টিপে, চুপচাপ মৃত্যুর দিন গোনা উচিত। এই কথাগুলো কে বানিয়েছে? প্রকৃতি না সমাজ? আজ সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এই লেখা। ⸻ ✦ সমাজের ভণ্ডামির শুরু এখানেই ✦ আমরা এমন এক সমাজে বাস করি— যেখানে ১৮ বছরের শরীর চাইলেই “অপরাধ”, আর ৫০ বছরের শরীর চাইলে “ভীমরতি”! কিন্তু প্রশ্ন একটাই— 👉 মানুষের শরীর কি জন্মদিন দেখে চলে? 👉 হরমোন কি সমাজের অনুমতি নিয়ে নিঃসৃত হয়? আজ আমি সেই সমাজের চোখে চোখ রেখে কথা বলতে এসেছি। ⸻ দৃশ্য–১ 🧔 “ভদ্র লোকের নীরব আর্তনাদ” রহমান সাহেব—বয়স ৫২। সম্মানিত মানুষ। সন্তান প্রতিষ্ঠিত। সমাজে মাথা উঁচু করে চলেন। কিন্তু রাত নামলেই— তার ঘরের ভেতর এক অদৃশ্য যুদ্ধ শুরু হয়। শরীর কথা বলে। তিনি স্ত্রীর দিকে হাত বাড়ান। উত্তর আসে— “ছিঃ! এই বয়সে এসব? পাশের রুমে ছেলের বউ, নাতনি ঘুমাচ্ছে! মরণকালে ভীমরতি ধরলো নাকি?” একটা বাক্য— আর রহমান সাহেবের ভেতরের পুরুষটা ধীরে ধীরে মরে যায়। তিনি চুপ থাকেন। কারণ তিনি ভদ্র। তার শরীর জ্বলে— কিন্তু মুখ খুললে সমাজ ছিঁড়ে খাবে। 🔬 অথচ বিজ্ঞান বলে— পুরুষের যৌন সক্ষমতা ৫০-এ শেষ হয় না। ৭০, ৮০—এমনকি তারও পরে থাকতে পারে। কিন্তু সমাজ শিখিয়েছে— “এই বয়সে চাওয়া মানেই লজ্জা।” ফল? ডিপ্রেশন। একাকীত্ব। কখনো ভুল পথে পা বাড়ানো। তারপর সমাজই বলে— “দেখেছো? বুড়ো বয়সে চরিত্র নষ্ট!” না। চরিত্র নষ্ট হয়নি। ক্ষুধার্ত মানুষ খাবার না পেলে ডাস্টবিনে তাকায়—এটাই বাস্তবতা। ⸻ দৃশ্য–২ 👩 “এক নারীর না বলা দোজখ” শেফালী বেগম—বয়স ৪২। শরীর এখনো জীবন্ত। মন এখনো ভালোবাসা চায়। কিন্তু স্বামী—৫৫। সারা জীবনের অনিয়ম, ধূমপান, মদের ফল— আজ বিছানায় নীরবতা। তিনি কী করবেন? ডিভোর্স? সমাজ বলবে—“নষ্টা!” পরকীয়া? বিবেক মানে না। চুপচাপ সহ্য? প্রতিদিন একটু একটু করে নিঃশেষ হয়ে যাওয়া। এই যন্ত্রণার নাম— সম্মানিত নারীর নীরব শাস্তি। ⸻ ✦ আমরা যে সত্যটা মানতে চাই না ✦ নারীদের অনেকের মেনোপজ হয় ৪৫–৫০ এ। শরীর বদলায়। ইচ্ছে কমে। কিন্তু অনেক পুরুষের এই সময়েও চাহিদা পুরোপুরি শেষ হয় না। স্বামী চায়—স্ত্রী পারে না। স্ত্রী চায়—স্বামী পারে না। দুজনেই ভাবে— “আমাকে আর ভালোবাসে না।” আর এখানেই সম্পর্ক ভাঙে। ⸻ নারীদের জন্য একটি অনুরোধ 🌸 মেনোপজ মানেই আপনার নারীত্ব শেষ নয়। আপনি না চাইতে পারেন— কিন্তু আপনার স্বামী তো এখনো আপনাকেই চায়। এই বয়সে সহবাসের চেয়ে ঘনিষ্ঠতা বেশি জরুরি। ❌ গালি দেবেন না ❌ “বুড়ো শয়তান” বলবেন না এই শব্দগুলো শরীরে নয়— আত্মসম্মানে আঘাত করে। ⸻ পুরুষদের জন্য একটি সতর্কতা 🌿 আপনার শরীরে আগুন থাকতে পারে— কিন্তু স্ত্রীর শরীর এখন বদলের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। জোর ভালোবাসা নয়— ক্ষত তৈরি করে। এই বয়সে দরকার— ✔ ধৈর্য ✔ আদর ✔ বোঝাপড়া আর হ্যাঁ— ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো “ম্যাজিক পিল” নয়। সুখ নিতে গিয়ে মৃত্যু ডেকে আনবেন না। ⸻ ✦ শেষ কথা ✦ আপনার বাবা শুধু বাবা নন— তিনি একজন পুরুষ। আপনার মা শুধু মা নন— তিনি একজন নারী। ৪০ বা ৫০ এ জীবন শেষ নয়— এটা নতুন অধ্যায়। 👉 শরীর কুলালে মিলন। 👉 না কুলালে হাত ধরা, গল্প, আদর। কিন্তু দয়া করে এই পবিত্র সম্পর্ককে “বুড়ো বয়সের ভীমরতি” বলে অপমান করবেন না। একজন তৃপ্ত বৃদ্ধ হাজার নীতিকথার চেয়েও সুন্দর #এটাই সভ্য সমাজ
এটাই সভ্য সমাজ - ShareChat
গল্পের নাম: প্রশংসার ফাঁদ সে জানালার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। বয়সের ছাপ চোখে পড়লেও কেউ বললে বিশ্বাস করত না। কারণ প্রতিদিনই কেউ না কেউ এসে বলত— “আপনাকে দেখে তো এখনও কলেজে পড়ুয়া মনে হয়!” “আপনার হাসিতে আলাদা একটা মায়া আছে!” প্রথমে ভালো লাগত। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে নতুন করে দেখতে ইচ্ছে হতো। অথচ যে মানুষটা প্রতিদিন পাশে থাকে, সে এসব বলে না। সে শুধু জিজ্ঞেস করে— “খেয়েছো?” “বাচ্চাটা ঠিক আছে তো?” আর ঠিক তখনই তৃতীয় একজন এসে ফিসফিস করে বলে— “আপনি অনেক স্পেশাল… আপনার স্বামী সেটা বোঝে না।” এই কথাটাই ধীরে ধীরে বিষ হয়ে ঢুকে যায় মনে। ছোট ছোট অভিমান বড় হয়ে ওঠে। সংসারের শান্ত ঘরটায় ফাটল ধরে। স্বামীর নীরবতা তখন অবহেলা মনে হয়, দায়িত্ব নেওয়াটা মনে হয় বিরক্তি। কিন্তু সে বুঝতে পারেনি— যে মানুষটা প্রশংসা করে, সে কখনো দায়িত্ব নিতে আসে না। সে আসে শুধু নিজের স্বার্থ নিয়ে। যতদিন প্রশংসার দরকার, ততদিন সে স্পেশাল। স্বার্থ শেষ হলে, সে শুধু আরেকটা গল্প। একদিন সে বুঝতে পারে— যে মানুষটা কবির মতো কথা বলে না, কিন্তু জ্বরে রাত জেগে মাথায় পানি দেয়, সন্তানের স্কুল ফি নিয়ে চিন্তা করে, সংসারের বোঝা কাঁধে নেয়— সে-ই আসল ভালোবাসা। ক্ষণিকের প্রশংসা মিষ্টি হয়, কিন্তু তার পরিণতি ভয়ংকর তেতো। #ফাঁদ
ফাঁদ - dsI <5/7 dsI <5/7 - ShareChat
★•• গল্পের নাম: এক মিটার দূরত্ব, সত্তর বছরের ব্যবধান ✍️ Atik একজন বৃদ্ধা আর একজন শিশু— দুজনেই মানুষ, তবু দাঁড়িয়ে আছে জীবনের দুই ভিন্ন প্রান্তে। পার্থক্য শুধু সময়ের— মাত্র এক মিটার উচ্চতা আর সত্তর বছরের ব্যবধান। শিশুটি সামনে তাকায়— বিস্ময়, স্বপ্ন আর সম্ভাবনার দিকে। তার চোখে ভবিষ্যৎ, শেখার আগ্রহ আর এগিয়ে যাওয়ার অদম্য তৃষ্ণা। আর বৃদ্ধা তাকায় পেছনে— স্মৃতি, হারানো সময় আর অপূর্ণ স্বপ্নের দিকে। তার চোখে ভয়— সামনের অনিশ্চিত দ্বারের জন্য। তার চোখে আক্ষেপ— যদি আরেকটু ভালোভাবে বাঁচা যেত! এই দুই চাহনির মাঝেই লুকিয়ে আছে জীবনের সত্য। একজন তাকায় আশায়, আরেকজন তাকায় আক্ষেপে। সময় খুব দ্রুত চলে যায়। আজ যে শিশু স্বপ্ন দেখে, কাল সে-ই বৃদ্ধ হয়ে অতীতের দিকে তাকাবে। তাই এখনই জীবনকে অর্থপূর্ণ করো। এমনভাবে বাঁচো— যেন একদিন পেছনে তাকিয়ে আফসোস করতে না হয়। জীবন দীর্ঘ নয়— অর্থপূর্ণ হওয়াই আসল। সময় চলে যায়, স্মৃতিই থেকে যায়। #মায়ের ভালোবাসা
মায়ের ভালোবাসা - ShareChat
কাজ থেকে বাড়ি ফেরত ভির ট্রেনে, জালনার ধরে দাঁড়িয়ে বাইরে অন্ধকারে নিজের প্রতিবিম্ব দেখলাম। হঠাৎ চমকে উঠলাম...... এই মানুষটা কে?"" এইতো বছর কয়েক আগেও এই মুখে কত স্বপ্ন ছিলো, চোখে মুখে তেজ ছিলো। আর আজ? আজ শুধু একরাশ ক্লান্তি, আর দায়িতের ছাপ ।"" রোজ সকালে উঠে মুখোশ পরে দৌড় শুরু করি, আর রাতে যখন ফিরি তখন আমি একটা জ্যান্ত লাস। আমার হাসিটা কি কাজের জায়গাতেই ফেলে আসলাম?"" আমরা এখন সবাই ব্যাটারি চালিত পুতুল। চার্জ দিই,কাজ করি,আমার চার্জ দিই। এর নাম কি বেঁচে থাকা?"" "স্টেশন এসেগেছে। আমাকে নামতে হবে। কিন্তুু জানালার কাঁচে ওই ক্লান্ত অচেনা মানুষ টা. ... ও আমার সাথেই বাড়ি ফিরছে।" #কে এই মানুষ ট‌‌া?
কে এই মানুষ ট‌‌া? - ShareChat