my beby

S M from@Sandy
480 views
15 hours ago
🕉️"ধুন্ধুমার তারকেশ্বর"🕉️ ❇️⚜️🔱⚜️🔱⚜️🔱❇️ 🙏🏼🙏🙏🏼🙏🙏🏼🙏🙏🏼🙏 ব্যাপকভাবে পূজিত,পশ্চিম বঙ্গের হুগলি জেলার তারকেশ্বর মন্দির ➡️ভারতের অন্যতম বিখ্যাত শিব মন্দির, যেখানে প্রতি বছর হাজার হাজার তীর্থযাত্রী আসেন,এই ভড়া শ্রাবণ মাস জুড়ে। এই মন্দিরের গভীর আধ্যাত্মিক ও ঐতিহাসিক তাৎপর্য রয়েছে। প্রতি বছর, ভক্তদের ঢল এই পবিত্র স্থানে আসে - বিশেষ করে পবিত্র শ্রাবণ মাসে - বাবা তারকনাথ নামে এই মন্দিরে পূজিত ভগবান শিবের আশীর্বাদ পেতে।.....অনেকেই সব জানেন হয়তো তবুও কিছু বলি....... ১৭২৯ সালে রাজা ভরমল্ল রাও এই পবিত্র মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন। শোনা যায় ......রাজা একটি ঐশ্বরিক স্বপ্ন দেখেছিলেন যেখানে ভগবান শিব তাকে বনের মধ্যে একটি লুকানো "শিবলিঙ্গ" সম্পর্কে বলেছিলেন। স্বপ্নের পর, রাজা ভরমল্ল শিবলিঙ্গটি আবিষ্কার করেন এবং সেই স্থানে একটি মন্দির নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন যাতে লোকেরা এসে ভগবান শিবের পূজা করতে পারে। মন্দিরটিতে একটি সরল কিন্তু ঐতিহ্যবাহী বাংলা স্থাপত্যশৈলী রয়েছে যার নাম "আট-চালা", মূল মন্দিরের উপরে একটি উঁচু মিনার এবং সামনে "নাটমন্দির" নামে একটি প্রার্থনা কক্ষ রয়েছে। এর আরও অতীত কাহিনী পরে বলছি......❗‼️❕ তারকেশ্বর মন্দিরকে এত বিশেষ করে তোলে কেবল এর বয়স বা নকশা নয়, বরং দেবতার সাথে মানুষের গভীর সংযোগ। অনেকেই বিশ্বাস করেন যে এই মন্দিরে প্রার্থনা করলে ইচ্ছা পূরণ হয়, অসুস্থতা নিরাময় হয় এবং জীবনে শান্তি আসে। যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে, এটি বাংলা এবং তার বাইরে লক্ষ লক্ষ মানুষের বিশ্বাস এবং ভক্তির প্রতীক হয়ে উঠেছে।★আমি নিজে অনেক বারই গিয়েছি।এর উৎপত্তি থেকে শুরু করে আজও এটি যে বিশাল জনতাকে আকর্ষণ করে,সেটা চোখে না দেখলে বোধগম্য হয় না। মায়েরা দুর দুরন্ত গ্রাম থেকে সন্তান সমেত এমনকি কোলে শিশু হাঁটতে শেখেনি ,অবস্থায় পায়ে হেঁটে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেন।মন্দিরটি এমন একটি স্থান যেখানে মানুষ তাদের হৃদয়ে আশা নিয়ে আসে এবং আধ্যাত্মিক সংযোগের অনুভূতি নিয়ে চলে যায়।বঙ্গদেশে অতি প্রাচীন শিবমন্দির তারকনাথ। ভক্তের ভগবান 🙏দেবাদিদেব মহাদেব স্বয়ং এখানে বিরাজমান। বাবা তারকনাথ এখানে বিরাজ করছেন রজো ও তমো-গুণাশ্রিত হয়ে। এখানে মহেশ্বর শিব মানুষের সকল কামনা বাসনা পূরণ করেন, তাই দূর দূরান্ত থেকে এই মন্দিরে ভক্তের আনাগোনা লেগেই থাকে,বিশেষ করে এই শ্রাবণ মাসের প্রত্যেক দিন, শিবরাত্রি, চৈত্র সংক্রান্তি এবং প্রত্যেক সোমবার লক্ষাধিক ভক্ত-প্রাণ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। আরও একটু গভীরে যাই.........🙏❗‼️❕ মন্দিরের সন্নিকটেই বর্তমান কালী ও লক্ষ্মী-নারায়ণের মন্দির। শিবমন্দিরের উত্তর দিকে দুধ-পুকুর নামে একটি পুকুর আছে। কথিত আছে, এই পুকুরে ডুব দিয়ে স্নান করলে নাকি যাবতীয় মনস্কামনা পূর্ণ হয়।★*★আমি নিজেও ছোট থেকে ,মা নিজে আমাকে ডুব দেয়াতো।স্মৃতি বড় বেদনার আজ মা নেই🥹🥹🥹😁😁😁😭😭😭👁️👁️👁️ শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসের অর্ধাঙ্গিনী তথা শ্রী শ্রী মা সারদা দেবীও একাধিক বার এই মন্দিরে পূজা দিতে এসেছিলেন।প্রাচীন ইতিহাস ঘেঁটে জানা গিয়েছে, ষোড়শ শতাব্দীর শেষ দিকে হুগলি জেলার রামনগর অঞ্চলে বিষ্ণুদাস নামে এক স্থানীয় ক্ষত্রিয় রাজা রাজত্ব করতেন, যাঁর ভাই ভরমল্ল ছিলেন সংসারবিবাগী যোগী। যেখানে বর্তমানে তারকেশ্বরের মন্দির, সেই অঞ্চলেই তখন ছিল তাড়পুরের জঙ্গল। রাজা বিষ্ণুদাসের ভাই ভরমল্ল রোজ ফলমূল ও মধু সংগ্রহ করতে বনে যেতেন। তিনি প্রায়ই লক্ষ্য করতেন একটি বড় কালো রঙের শিলাখণ্ডের ওপর গাভীরা এসে দুধ দিয়ে য়ায়। এই অদ্ভুত ঘটনা তিনি এসে বিষ্ণুদাসকে বললে জঙ্গলে এসে তিনি এই দৃশ্য দেখে শিহরিত হয়ে যান।ভরমল্ল তখন ওই শিলা-স্তম্ভকে শিবলিঙ্গ-রূপে রামনগরে এনে প্রতিষ্ঠা করতে উদ্যোগী হলেন। ★‼️❗❕কিন্তু অনেক মাটি খুঁড়েও পাথরের অন্ত খুঁজে পাওয়া গেল না। জনশ্রুতি, সেইসময় কোনও এক রাতে স্বয়ং মহাদেব ভরমল্ল'কে স্বপ্ন দেখালেন যে, তিনি "তারকেশ্বর শিব"। তিনি ওই বন থেকে গয়া ও কাশী পর্যন্ত ছড়িয়ে আছেন। সুতরাং তাঁকে তাড়পুরের জঙ্গল থেকে উচ্ছেদ না করে ওখানেই প্রতিষ্ঠা করা হোক। 🙏🙏 এরপর স্বপ্নাদিষ্ট ভরমল্ল ও শৈব মুকুন্দরাম ঘোষ রাজা বিষ্ণুদাসের সহযোগিতায় বন কেটে পরিষ্কার করে তাড়পুরেই সেই পাথরের স্তম্ভের উপর একটি মন্দির নির্মাণে ব্রতী হন। সে সময় মুকুন্দ ঘোষকে তারকেশ্বর শিবের সেবা পুজো করবার দায়ভার অর্পণ করা হয়। জানা যায়, তিনিই ছিলেন তারকনাথের প্রথম সেবক। এরপর রাজা বিষ্ণুদাসের মৃত্যুর পর রাজা হন ভরমল্ল। পরে, ১৭২৯ খ্রিস্টাব্দে রাজা ভরমল্ল তারকেশ্বর মন্দিরের প্রতিষ্ঠা করেন। বাবা তারকনাথ “বাবা তারকেশ্বর” বা “বাবা তারকেশ্বরনাথ” নামেও পরিচিত। প্রতি বছর শ্রাবণ মাসে শ্রাবণী মেলা উপলক্ষে এখানে অগণিত পুণ্যার্থীর ঢল নামে। এমনকি অত্যধিক ভক্ত সমাগমের জন্য পূর্ব রেলের পক্ষ থেকেও বাড়তি ট্রেন পরিষেবা চালানো হয়। মন্দিরের রহস্য ঘনঘটা অনেক'ই...একটি বিষয় বলি👉🏻 বহু প্রাচীন মন্দির, যে মন্দির নিয়ে ভক্তি ও বিশ্বাসের বহু কাহিনী রয়েছে। বাবা তারকনাথ এত জাগ্রত যে এই থানে কোন মানুষ নিজের মনবাঞ্ছা নিয়ে হত্যে দিয়ে পরে থাকলে বাবা সেই ভক্তের যে কোনো অসম্ভব মনস্কামনায় পূরণ করেন। এই মন্দিরে হত্যে দিয়ে বহু মানুষ ফল পেয়েছেন।★👉🏻আমি নিজেও ছোটবেলার নিজের ৫১ বর্তি বাড়ির আত্মীয়দের ঘটনা প্রবাহতে বাবা তারকনাথের আশীর্বাদের ফল উপলদ্ধি করেছি,যা ডাক্তার অপারগ, শেষে সেই বাবাই মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়ে তুলেছিল। 🙏জয় বাবা তারোকনাথ🙏তারকেশ্বরের মন্দিরে ভেতরে প্রবেশ করলে দেখতে পাবেন বাবা তারকনাথের ঘরের ঠিক সামনে একটা জায়গায় বহু বড় বড় ঘন্টা বাঁধা রয়েছে তালা চাবি দিয়ে। অনেকেই জানেন না যে কেন বাবা তারকনাথের মন্দিরের এরকম বড় বড় তালা ঝুলছে,সেই কথা লেখবার জন্যই আজকের এই প্রতিবেদন।আসলে বাবা তারকনাথ আওয়াজ প্রচন্ড পছন্দ করেন,সেই কারণে তার সন্ধ্যা আরতির সময় ঘন্টা থেকে শুরু করে নানান রকম কাঁসর,ঘন্টা,শিঙ্গা ইত্যাদি বাদ্যযন্ত্র বাজানো হয়। মন্দির প্রতিষ্ঠা শুরুর সময় যখন কোন বাদ্যযন্ত্র ছিল না তখন মুকুন্দ ঘোষ নিজের গাল বাজিয়ে বাবার আরতি করতেন এমনটা শোনা যায়।পরবর্তী'তে বাবার মন্দির যখন হয় তখন সন্ধ্যা আরতির সময় নানান রকম বাদ্যযন্ত্রের প্রয়োগ করা হয়। বাবা তারকনাথের মন্দিরে তাই কোন ব্যক্তি যখন মানসিক করেন তখন তিনি ঘন্টা মানসিক করেন। অর্থাৎ সেই ব্যক্তির মনোবাঞ্ছা পূর্ণ হলে তিনি বাবার মন্দিরে ঘন্টা নিয়ে আসেন।এরপর সেই ঘন্টাটি তালা, চাবি দিয়ে বন্ধ করে চাবিটা দুধ পুকুরের জলে ফেলে দেন।এছাড়া বাবার মন্দিরে অনেকে ঢিল'ও বাঁধে। এটা অবশ্য অনেক দেব দেবীর মন্দিরে দেখা যায় .....মনস্কামনা জানিয়ে ১০ টাকা দিয়ে ঢিল বেঁধে রাখা হয় তারপর মনষ্কামনা পূর্ণ হলে ঢিল খুলে ফেলতে হয়, ★★★তবে এক্ষেত্রে একটাই বিষয় মাথায় রাখতে হয় তা হল মনস্কামনা পূর্ণ হওয়ার পর নিজের ঢিল টাই খুলতে হবে,........⁉️⁉️⁉️## কিন্তু মোটেও তারা নিজের সেই ঢিল খোলেন না (৯০% ই ) প্রচুর ঢিলের মধ্যে নিজের ঢিল খুঁজে পাওয়াটা ৫ বছর পর একটা জটিল বিষয় ...? ফলে মোটেও তারা ফল পান না।তাই প্রচুর মানুষ বাবার মন্দিরে বাদ্যযন্ত্র ঘন্টা মানসিক করে থাকেন আর সেই কারণেই বাবা তারকনাথের মন্দিরে ঢুকলেই আপনি দেখতে পাবেন অজস্র ঘন্টা তালা চাবি দিয়ে ঝোলানো রয়েছে।অর্থাৎ ভবিষ্যততে এসে ঠিক ঠিক নিজের ঘণ্টা খুঁজে পেতে অসুবিধা হয় না।বাবার মাহাত্ম্য দীর্ঘ আবার কোনো এক সময় বলব। ....❗❗❗❗#ব্যান হয়ে থাকি সকলের পোষ্টে সময় কমেন্ট বা বেশি কমেন্ট দিতে পারি না❕এই তো দেখছেন কোনো রকম আবার অনেক ঝঞ্ঝাট করে এই অ্যাকাউন্ট 🥹🥹🥹‼️‼️‼️কবে লোপাট হয়ে যাবে ঠিক নেই........ তারকেশ্বর ও বাবা ভোলানাথের মহিমা নিয়ে একটি কবিতায় একরাশ ভক্তি ... রইলো, 🙏""তারকেশ্বরের ডাক""🙏🏼 🕉️🙏🏻🪘⚕️🪘🙏🏻🕉️ শ্রাবণ মাসে গেরুয়া বেশে,সবাই ছোটে আপন দেশে❗ মুখে মুখে একটাই রব,ভোলেবাবার জয় হবে সব❗ কাঁধে নিয়ে বাঁকের জল,পায়ে পায়ে বাড়ে বল। শেওড়াফুলি-তারকেশ্বর হাঁটা পথ,পূরণ হবে মনের রথ❗ তারকনাথে'র মন্দিরেতে,শান্তি ঘোরে বাতাসে তে❗ মাথায় ঢাললে গঙ্গার জল,সব দুঃখ হয় নির্মল❗ ভক্তি ভরে ডাকলে তাঁরে,বিপদ কাটে বারে বারে❗ তারকেশ্বরের মহিমার গান,জুড়িয়ে দেয় ভক্তের প্রাণ❗ 🙏🏻‼️⚕️⚜️🗝️🔓⚜️⚕️‼️🙏🏻 ⚜️🙏🏼জয় বাবা তারকনাথ🙏🏼⚜️ 🥁🔔🔔🔔🔱🔔🔔🔔🥁 🪘⚛️⚛️⚛️🕉️⚛️⚛️⚛️🪘 from@Sandy আজ 12.8.26, এ বছর মলমাস।তাই শ্রাবণের 5টি সোমবার আগামী 17.8.26 বাবার মাথায় জল ঢালার শেষ দিন এই শ্রাবণের। 🙏🙏🏼🙏🙏🏼 🥁🥁🥁🥁🥁🥁🥁🥁🥁 #ভক্তি #শুভ কামনা #জয় বাবা তারকনাথ 🛕🙏🕉️ #হর হর মহাদেব #🔴আজকের ভক্তি ভিডিও স্ট্যাটাস😀