নেতাজী সুভাষ চন্দ্র/ব্যক্তিত্ব
🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳
বক্তৃতা দ্বারা লোককে মুগ্ধ করবার অসামান্য শক্তি সুভাষ চন্দ্রের ছিল।সহজ ও সরল ভাষায় তাঁর মনোমুগ্ধকর বক্তৃতা শুনবার সৌভাগ্য যাঁদের হয়েছে,তাঁরাই সাক্ষ্য দান করবেন যে,এমন বক্তৃতা করবার শক্তি খুব কম লোকেরই থাকে।
⏩🌟⏩আজ আমি তাঁর মনুষত্ব ও চারিত্রিক দৃঢ়তা নিয়ে অন্য কিছু বলব......
পরো-দুঃখে সুভাষ চন্দ্রের কোমল হৃদয় কেঁদে আকুল হতো।বহু বন্যা ও দুর্ভিক্ষ-পীড়িত নর-নারীর সেবায় তাঁর এই চিত্ত-বৃত্তির পরিচয় পাওয়া গেছে।যুদ্ধকালেও তাঁর গভীর ভালবাসা ও স্নেহ-প্রবণ হৃদয় বহুবার আত্ম-বিকাশ করেছে।
⁉️🤓🤓❔❔মনে কেউ কিছু করবেন না, সত্যি বিষয় বেরিয়েই যায় লিখতে গিয়ে....
হতভাগ্য দেশ এই ভারতবর্ষ❕❕নতুবা এত বড় একজন আদর্শ নেতা লাভ করেও আমরা তাঁকে হারিয়ে ফেলেছিলাম...আর বর্তমানে কোনো কোনো চুনোপুটি শাসক দলে থেকে তাঁর সন্মান নিয়ে টানাটানি করে।
👉👉⁉️⁉️ইতিহাস সব সময় অনেক কিছু বলে না গোপন করে।সেই নোংরা রাজনৈতিক কারণে।নাহলে,এদেশের দ্বিতীয় প্রধান মন্ত্রী(লাল বাহাদুর শাস্ত্রী) তাসখন্দে কিভাবে হঠাৎ মৃত্যুর কোলে ঢুলে পরেছিলেন তার হদিস করেনি দেশ সেই আমলে।কেনো❔❔ পরো দেশ তাসখন্দ??? সেখানে ইহলোকে চলে গেলেন শাস্ত্রী মশাই...‼️❔‼️❔‼️ইতর রাজনীতি তেমনই,বেশি ঘাটলে দেখা যাবে নিজ দেশেরই কেউ সেই রক্তবীজের সাক্ষর বহন করেছে।......🤓!!!আবার বলে ফেললাম......🤓!!না আর বলবো না সত্যি কথা❕❕❕😳❕❕❕
আজাদ-হিন্দ ফৌজের অন্তর্গত ঝান্সীর রাণী-বাহিনীর মধ্যে সর্ব্বাপেক্ষা বয়ো-বৃদ্ধা ছিলেন শ্রীযুক্তা চন্দ্রমুখী দেবী।তাঁর বয়স ৫৪ বৎসর।ইনি আজাদ-হিন্দ ফৌজে যোগদান করে নার্সের পদ গ্রহণ করেন এবং শেষ পর্য্যন্ত জড়িয়ে ছিলেন।আজাদ-হিন্দ ফৌজের বিভিন্ন হাসপাতাল,এমন কি,যুদ্ধ ক্ষেত্রের কয়েকটি হাসপাতালেও কাজ করেছেন,ঝান্সীর রাণী-বাহিনীতে সিপাহীর পদে ছিলেন।ওনার তিনটি পৌত্র বালসেনা-দলে যুক্ত ছিল।নেতাজী সুভাষচন্দ্র এবং আজাদ-হিন্দ ফৌজের সকলেই তাঁকে ‘মাতাজী’ বলে সম্বোধন করতেন।
‘মাতাজী’ আনন্দবাজার পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টোরে'র সঙ্গে আলাপ-আলোচনা-প্রসঙ্গে নেতাজী সুভাষচন্দ্র তাঁর ফৌজের লোকদের কিরূপ গভীরভাবে ভালবাসতো এবং তাঁদের সেবার জন্য দারুণ বোমাবর্ষণের মধ্যেও কয়েক বার কিরূপ ভাবে নিজের জীবন বিপন্ন করে ছিলেন,তা তিনি ভাবাবেগে বর্ণনা করে ছিলেন।এরূপ ধরণের একটি দৃষ্টান্ত—যা তিনি স্বচক্ষে দেখেছেন—বর্ণনা-প্রসঙ্গে মাতাজী বলেন যে,👉👉👉👉 """ব্রহ্ম-রণাঙ্গনে যুদ্ধের শেষ পর্য্যায়ে ব্রিটিশরা একবার রেঙ্গুণে মিয়ান হাসপাতালের উপর বোমা-বর্ষণ করে।ইহা কতকটা কার্পেট-বোম্বিংয়ের ন্যায় হইয়াছিল; দুই বর্গমাইল স্থান জুড়িয়া বোমা বর্ষিত হয়।ঐ হাসপাতালের অতি নিকটেই মাতাজীর বাসগৃহ ছিল।শত-শত নাগরিক এবং আজাদ-হিন্দ ফৌজ এই বোমাবর্ষণের ফলে আহত হয়।নেতাজী আহত'দের দেখিবার জন্য ছুটিয়া যান।➡️(★ইতিহাস এসব বলে না লিখতে গিয়ে গায়ের লোম খাড়া হয়ে যায়)➡️➡️এই সময় মাথার উপর আবার একদল বোমারু বিমান দেখা দেয় এবং ঐগুলি বোমাবর্ষণ করিতে থাকে।🤓😳😳😳😱😱😱🙄🙄🇮🇳🙏🇮🇳★নেতাজীর গাড়ীটি একটি বোমার আঘাতে নষ্ট হইয়া যায়;কিন্তু নেতাজী তাহাতে কিছুমাত্র ভীত না হইয়া হাঁটিয়াই ঐ হাসপাতাল অভিমুখে অগ্রসর হন।তিনি তথায় উপস্থিত হইলে আহত'গণ দারুণ বিপদের মধ্যেও উল্লাসিত হইয়া উঠেন।"""
......★★★🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏👉👉👉⭐⭐⭐⭐⭐
বিদেশে ভারতীয়-দিগের হৃদয় সুভাষচন্দ্রের প্রতি কি পরিমাণে আকৃষ্ট হয়েছিল,তা জব্বলপুর ক্যাম্প-জেল থেকে সদ্য-মুক্ত সাত জন ভারতীয় জাতীয় বাহিনীর সৈনিক, এলাহাবাদের বাদসাহী মণ্ডী কংগ্রেস-কমিটীর সম্বর্দ্ধনা-সভায় বিগত ৫ই নভেম্বর (১৯৪৫) সন্ধ্যা-কালে বিবৃতি-দান-প্রসঙ্গে বলেছিলেন।...❕❕
তাঁরা বলেছিলেন, """সুভাষচন্দ্র'কে স্বর্ণ-পরিমাপে ওজন করা হয়েছিল।এই স্বর্ণ দক্ষিণ-পূর্ব্ব এসিয়ায় প্রতিষ্ঠিত জাতীয় ব্যাঙ্কের সম্পত্তি রূপে গণ্য হয়েছিল।শুধু তাই না,বিদেশে সুভাষ চন্দ্র এত গভীর সম্মান ও মর্য্যাদা লাভ করেছিলেন যে,তাঁর গল-দেশের একটি সামান্য পুষ্পমাল্যও জনৈক ব্যবসায়ী তাঁর যথা-সর্ব্বস্ব ব্যয়ে,বারো লক্ষ টাকা মূল্যে ক্রয় করে ছিলেন...‼️‼️আর কোন এক বক্তৃতা-সভায় নেতাজী সুভাষচন্দ্রের পাদ-মূলে যে ভক্তির অর্ঘ্য পরেছিল,তাহার মূল্য সামান্য দু’ একশত টাকা নহে—তাহামূল্য আট কোটি টাকা..."""‼️‼️‼️★★★🙏🙏🙏👆👆👆🙏🙏🙏🙏👆👆👆🙏🙏🙏🙏👆👆👆🙏🙏🙏🇮🇳🇮🇳🇮🇳😳😳😳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🙏🙏🙏🙏🙏
সুভাষ চন্দ্রের প্রতিভা বহুমুখী,যদিও তা কেবল দেশের স্বাধীনতা-লাভের উপায়-উদ্ভাবনেই নিরত ছিল।দেশের শিল্প-বাণিজোর জন্য প্রতিষ্ঠিত ‘"বেঙ্গল স্বদেশী লীগ"’ দ্বারা তিনি দেশের অর্থনীতিক উন্নতির বিষয়েও মনোনিবেশ করেছিলেন।😳😳দর্শনের ছাত্র হিসাবে জগৎকে নূতন কোন মতবাদ প্রদান করাও হয়ত তাঁহার পক্ষে অসম্ভব হতো না; কিন্তু যে দর্শন-শাস্ত্রের চর্চ্চায় তাঁর জীবন আরম্ভ,সেই বিষয়ের মধ্যে ডুবে থাকার অবকাশ তিনি পাননি—🤓😱😱😳😳😱😱নয়তো আজ পৃথিবী হয়ত সক্রেটিস,প্লেটো,অ্যারিস্টটল,কাণ্ট, হেগেল,শঙ্কর,রামানুজ প্রভৃতি দার্শনিক গণের মত সুভাষ চন্দ্রের কাছ থেকেও জীবনের ব্যাখ্যায় কোন নূতন তত্ত্ব লাভ করতে পারত।
সাংবাদিক সম্মেলন গুলোতেও তাঁর আচরণ ছিল ধীর-স্থির অথচ অতীব দৃঢ়।তিনি কদাচিৎ হাসতেন,কিন্তু হাসলে মৃদু ও মধুর হাসি হাসতেন।আমার মনে হয় যে,★হৃদয়া-বেগ ও ন্যায়-যুক্তির মধ্যে তিনি অবিচলিত সাম্য রক্ষা করতেন।🇮🇳🙏🇮🇳
সুভাষ চন্দ্রের রহস্য-জনক অন্তর্দ্ধানে তাঁর অপূর্ব্ব উদ্ভাবনী শক্তির পরিচয় পাওয়া যায়। মোগল-যুগে ঔরঙ্গজেবের রাজধানী দিল্লী থেকে মহারাষ্ট্র-সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছত্রপতি শিবাজীর ফলের ঝুঁড়ি করে পলায়নের মত সুভচন্দ্রের পলানোর অভিনব কৌশলের পরিচায়ক।
সর্ব্বোপরি সুভাষচন্দ্রের স্বদেশ-প্রেম অতুলনীয়।👉তাঁর অতি বড় শত্রুকে'
ও স্বীকার করতে হবে যে,তাঁর স্বদেশ-প্রেম জীবনে-মরণে,শয়নে-স্বপনে অবিরাম-গতিতে জল-প্রপাতের বারি-রাশির মত উদ্দাম বেগে ছুটে চলত— কোনরূপ বাধা-বিঘ্ন মানত না।দেশের পরাধীনতায় তাঁর অন্তর-লোকে যে বেদনার সুর ঝঙ্কৃত হত,সেটাই তাঁকে অগ্নি-দগ্ধ খধূপের(হায়ুই বাজি) মত সুদূরের পথে নিয়ে গিয়েছিল❕❕😳😳😳🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏😳😳😳😳🙏🙏🙏😱😱😱😱😱😱😱😱😱😱😱😱😱😱😱
🇮🇳হে ভারতবর্ষ তুমি কাঁদিয় না🇮🇳.....❕আজ তাঁর জন্মদিনে শ্রদ্ধা নিবেদনে যে চারিত্রিক বিশ্লেষণ করব তাতে সাধু ভাষায় বলি আচ্ছা ??গ্যারিবল্ডি কি মরিয়াছেন?শিবাজী কি মৃত?রাণা প্রতাপ সিংহ চিরদিন অমর।জর্জ্জ ওয়াশিংটনের বিনাশ নাই।নেতাজী সুভাষ চন্দ্রও চিরজীবী❕এ কথা তো প্রত্যেকেই স্বীকার করবে❕
🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏
সর্ব্বত্যাগী—তেজস্বী—বাগ্মী—পরদুঃখকাতর—বন্ধুবৎসল—অতুলন স্বদেশ প্রেম—অসাম্প্রদায়িক—চির-অমর।‼️🙏🙏🙏🙏‼️🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳
সুভাষ চন্দ্রের নৈতিক চরিত্রে কখন কোন কলঙ্কে রেখা পরেনি;তিনি নিষ্কলঙ্ক চরিত্র নিয়ে চির-ব্রহ্মচারীর মত পরলোকে প্রস্থান করেছেন।সুভাষচন্দ্র দেশ-সেবার জন্য যে স্বার্থ-ত্যাগ করে গেছেন,তা প্রাচীন যুগে ভীষ্ম এবং ঐতিহাসিক যুগে রাণা প্রতাপের মধ্যে পরিদৃষ্ট হয়।তিনি ইচ্ছা করলে গভর্ণমেণ্টের উচ্চপদে অধিষ্ঠিত থেকে সাধারণ বাঙালী জীবনের ভোগ-সুখে কালাতিপাত করতে পারতেন।নবীন যৌবন,সুন্দর-সৌম্য আকৃতি, পাণ্ডিত্য,অর্থোপার্জ্জনের সুযোগ-সুবিধা তিনি সমস্তই দেশ-মাতৃকার হোমানলে আহুতি দিলেন।🤓😱😱🙄🙄🙄😱😱🤓🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳
তাঁর এই ত্যাগের কথা পর্য্যালোচনা করলে...মহাকবি কালিদাস এসে পরে.. ...‼️ রঘুবংশে মহারাজ দিলীপের প্রতি সিংহের উক্তি মনে পরে—👉👉⏩⏩
❕“একাতপত্রং জগতঃ সভুত্বম্
নবং বয়ঃ কান্তমিদং বপুশ্চ।
অল্পস্য হেতোর্বহু হাতুমিচ্ছন্
বিচারমূঢ়ঃ প্রতিভাসি মে ত্বম্।”❕
🔽🔽🔽🔽🔽🔽🔽🔽🔽
↕️↕️↕️↕️↕️↕️↕️↕️↕️
সিংহ যেমন মহারাজ দিলীপকে “বিচারমূঢ়” বলিয়া তিরস্কার করিয়াছিল,সাধারণ লোকও হয়ত সুভাষ চন্দ্রকে ঠিক সেইরূপ মনে করিবে।কিন্তু মহৎ যাঁহার উদ্দেশ্য,ক্ষুদ্রে তাঁহার তৃপ্তি কোথায়? “নাল্পে সুখমস্তি।”
🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏
সেইজন্য মহা-মানবে'রা আত্ম-সুখের প্রয়াসী হতে পারেন না—সুভাষচন্দ্রও পারেননি। আই.সি.এস্.(ICS -Indian Civil Service)পরীক্ষায় চতুর্থ স্থান অধিকার করেও তিনি দাস-মনোবৃত্তির বশীভূত হতে পারলেন না—হেলায় আই.সি.এস.-পদ পরিত্যাগ করে অসহযোগ আন্দোলনে যোগদান করে কারাবাস ও নির্ব্বাসনের দুঃখ-কষ্ট মাথায় তুলে নিলেন।😳😱😳😱😳
সুভাষচন্দ্রের চরিত্রের মহৎ গুণ তেজস্বিতা। জীবনের প্রথম ভাগে প্রেসিডেন্সী কলেজে যে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ আত্মপ্রকাশ করেছিল,পরবর্ত্তী জীবনে তাই কংগ্রেসে মহাত্মা গান্ধীর আপোষ-মীমাংসাকে অসার মনে করে মহাত্মার বিরুদ্ধাচরণেও কুণ্ঠিত হননি এবং দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন পণ করে ভারতীয় জাতীয় বাহিনী পরিচালনায় দাবানলের সৃষ্টি করেছিলেন।❕🙏❕
আজও💥💥💥🔥🔥🔥 পৃথিবীতে যুদ্ধ চলছে ...⁉️❕❕😳😳😳🤓🤓🤓
শুধু ভারতের নয়,শুধু এসিয়ার নয়,পৃথিবীর যেখানে যে দেশে,যে কোন পরাধীন জাতি আছে,সেই খানেই,সেই দেশে,সেই মানব-সমাজের প্রত্যেকটি নর-নারী সুভাষ চন্দ্রের নামের পাদমূলে পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে ধন্য ও কৃতার্থম্মন্য হবে।🙏🙏🙏🙏🙏
🇮🇳😱🙏😱🙏😱🇮🇳
আমরাও তাঁকে ভক্তিপ্লুত হৃদয়ে শ্রদ্ধানত শিরে আমাদের প্রণতি জানাচ্ছি🙏##বলুন এটাই কি ঠিক করলাম না???⁉️⁉️এবং তাঁরই প্রদত্ত অমর বাণীতে তাঁকে সাদর সম্ভাষণ নিবেদন করছি—🇮🇳🙏“"জয় হিন্দ..! দিল্লী চলো..!”"🙏🇮🇳
❕❕কারণ,তাঁর সেই দিল্লী-অভিযান আজও তো শেষ হয়নি-ই।❕❕🇮🇳😱😱😱🇮🇳
বিশেষ দ্রষ্টব্য👉👉আমি সর্বদাই ব্যান হয়ে যাই।ব্যান উঠলেও...!!!! মাত্র দু দিন দু/এক জনের বেশি পোষ্টে কমেন্ট দিলেই হঠাৎ করে ব্যান করে দেয়🙄😱🙄 ফলে সকলের পোষ্টে ইচ্ছে হলেও কমেন্ট দেওয়া ভাগ্যে থাকে না।আশাকরি বোঝাতে পারলাম।মনে মনে অসন্তোষ হবেন না।সকলেই আমার কাছে সমান।শুভ কামনা সকলের জন্য রইলো।
🇮🇳🙏🇮🇳🙏🙏🇮🇳🙏🙏🇮🇳🙏🇮🇳
🥀🥀🥀
#শুভেচ্ছা #🙏নেতাজি জন্ম জয়ন্তী💐 #🙏🏻দেশনায়ক নেতাজির অবদান🎖️ #🙏🏻দেশনায়ক নেতাজির অবদান🎖️ #🇮🇳🇮🇳প্রজাতন্ত্র দিবস Coming Soon🇮🇳🇮🇳 #🙂ভক্তি😊
01:58

