ShareChat
click to see wallet page
search
জলেশ্বরে জল থেকে তোলা হলো শিবলিঙ্গ - হাজার হাজার মানুষের ভিড় জলেই ঈশ্বরের বাস - সেই থেকেই গাইঘাটায় এক গ্রামের নাম জলেশ্বর। প্রতি বছর চৈত্র মাসের তৃতীয় সপ্তাহে জল থেকে তোলা হয় সেই ঈশ্বরকে। চৈত্র মাসের তৃতীয় সোমবার উপলক্ষে বছরের এই একটি মাত্র দিনে জলের তলা থেকে দেবাদিদেব মহাদেবের মূল শিবলিঙ্গ তুলে আনার বিরল রীতি ঘিরে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। মন্দির সংলগ্ন শিবপুকুর এলাকায় সকাল থেকেই হাজার হাজার পুণ্যার্থীর সমাগম হয়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পর চড়কের সন্ন্যাসীরা পুকুরের জলের নীচ থেকে শিবলিঙ্গ উদ্ধার করেন। সেই মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে ভক্তদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। স্থানীয়দের মতে, বছরের বাকি সময় জলের নীচেই অবস্থান করেন মহাদেব, ফলে এই বিশেষ দিনটিকেই ঘিরে বাড়তি ধর্মীয় গুরুত্ব তৈরি হয়। মন্দির সূত্রে জানা যায়, প্রায় সাড়ে আটশো বছরের প্রাচীন এই মন্দিরে দ্বাদশ শতকের শেষ দিকে শিবপুজোর প্রচলন শুরু হয়। স্থানীয়দের মতে, বছরের বাকি সময় জলের নীচেই অবস্থান করেন মহাদেব, ফলে এই বিশেষ দিনটিকেই ঘিরে বাড়তি ধর্মীয় গুরুত্ব তৈরি হয়। মন্দির সূত্রে জানা যায়, প্রায় সাড়ে আটশো বছরের প্রাচীন এই মন্দিরে দ্বাদশ শতকের শেষ দিকে শিবপুজোর প্রচলন শুরু হয়। পরবর্তীতে গোবরডাঙ্গার জমিদার রমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় মন্দিরের উন্নয়নের জন্য প্রায় ৬০ বিঘা জমি দান করেন। মন্দিরের পাশেই প্রায় চার একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত শিবপুকুর, সেখানেই বছরভর জলের তলায় রাখা থাকে মূল বিগ্রহ।প্রথা অনুযায়ী, পুকুর থেকে তোলা শিবলিঙ্গকে সন্ন্যাসীরা শোভাযাত্রার মাধ্যমে হালিশহরে নিয়ে গিয়ে গঙ্গাস্নান করান। এরপর স্থানীয় আটটি গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে পুজো হয়। অবশেষে পয়লা বৈশাখের দিন পুনরায় শিবলিঙ্গকে শিবপুকুরে রেখে আসা হয়। #social #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
social - ShareChat