আসানসোল :-----বিজেপি জেলা সাংগঠনিক পক্ষ থেকে পরিবর্তন রথযাত্রা শুরু করা হয় দক্ষিণ বিধানসভা চিত্রা মোড় থেকে।
পরিবর্তন যাত্রা উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল, বিজেপি নেতা ও নেত্রীরা।
পরিবর্তন রথযাত্রাটি কুলটি হয়ে পুরুলিয়া জেলায় যাবে বলে এমনটা জানা যায়।
বাইট, বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
বৃহস্পতিবার রাতে অসমে ভেঙে পরে ভারতীয় যুদ্ধবিমান - মৃত ২
আবার ভেঙে পরলো বিমান। ভারতীয় বায়ুসেনার এই বিমানটি ওড়ার কিছু পরেই ভেঙে পরে। খবরে প্রকাশ, বৃহস্পতিবার রাতেই নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল ভারতীয় বায়ুসেনার সুখোই সু-৩০এমকেআই। তারপরই যুদ্ধবিমানের সন্ধানে শুরু হয়েছিল তল্লাশি। পরে ভারতীয় বায়ুসেনার তরফে জানানো হয়, অসমের কার্বি আংলং জেলায় ভেঙে পড়েছে যুদ্ধবিমানটি। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে দু’জন পাইলটের। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা। বৃহস্পতিবার সন্ধে ৭টার আশেপাশে নাগাদ অসমের পাহাড়ে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল বায়ুসেনার বিমানটি। ভারতীয় বায়ুসেনা এক্স হ্যান্ডেলে এই বিষয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। সেখানে জানানো হয়, এসইউ-৩০- যু্দ্ধবিমানটি অসমের জোরহাট বায়ুসেনাঘাঁটি থেকে উড়েছিল। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ৭টা ৪২ নাগাদ শেষ বার যোগাযোগ করা সম্ভব হয়েছিল। তারপর থেকে তল্লাশি অভিযান শুরু করে ভারতীয় বায়ুসেনার হেলিকপ্টার।
বায়ুসেনার তরফে জানানো হয়েছে, শেষবার যোগাযোগের সময় যুদ্ধবিমানটির অবস্থান ছিল অরুণাচল প্রদেশের সীমানাবর্তী এলাকায়। পরে ভারতীয় সেনার তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, প্রশিক্ষণ চলাকালীন জোরহাট থেকে প্রায় ৬০ কিমি দূরে অসমেরর কার্বি অ্যাংলং জেলায় ভেঙে পড়েছে। ওই বিমানে থাকা দু’জন পাইলটেরই মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে বায়ুসেনা। একটি বিবৃতিতে বায়ুসেনার তরফে জানানো হয়েছে, ঘটনায় স্কোয়াড্রন লিডার অনুজ এবং ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট পূর্বেশ দুরাগকরের মৃত্যু হয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে ভারতীয় সেনা জানিয়েছে, দুই সদস্যকে হারিয়ে আমরা শোকাহত।তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। তাঁদের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। ভারতীয় বায়ুসেনার কাছে ২৬০টিরও বেশি সু-৩০এমকেআই সুখোই রয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালের জুন মাসে মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলায় একটি সুখোই যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়েছিল।
#social
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
রাজ্যসভায় রাহুলের মনোনয়ন কি বাতিল হতে পারে?
ঠিকঠাক নথি জমা না পড়লে বিজেপি প্রার্থী রাহুল সিনহার প্রার্থী পদ বাতিল হতেই পারে - এমনই বলছে রাজনীতিকরা। জানা গেছে, গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাজ্যসভা নির্বাচনে মনোনয়ন পেশ করেছিলেন বিজেপির রাহুল (বিশ্বজিৎ সিনহা)। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি সাংসদ হবেন, তা নিশ্চিত ছিলই। কিন্তু জানা যাচ্ছে, তিনি মনোনয়ন পত্রের সঙ্গে যে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়েছেন তার একটিতে গলদ রয়েছে। শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে স্ক্রুটিনি শুরু হয়েছে। নজিরবিহীনভাবে বিধানসভায় উপস্থিত হয়েছেন সিইও মনোজ আগরওয়াল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সঠিক নথি দিতে না পারলে বাতিল হতে পারে রাহুলের মনোনয়ন। আজ, শুক্রবার সকাল ১১ টায় রাজ্যসভার নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র স্কুটিনি শুরু হয়েছে। এবার নজিরবিহীনভাবে বিধানসভায় উপস্থিত হয়েছেন সিইও মনোজ আগরওয়াল। যা আদতে বিজেপির কৌশল বলেই মনে করছে একাংশ। কারণ, গতকাল মনোনয়নপত্র পূরণে বিস্তর ভুলভ্রান্তি করেছিলেন বিজেপির একমাত্র প্রার্থী রাহুল সিনহা।
দফায় দফায় নতুন করে ফর্ম পূরণ করেন তিনি। শেষে সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করে প্রাথমিকভাবে মনোনয়পত্র গৃহীত হওয়ার খবর নিয়ে বের হন তিনি। তবে একটি নথিতে সমস্যা রয়েছে। রাহুলকে জানানো হয়েছে, যে নথি তিনি দিতে ভুল করেছেন, তা স্ক্রুটিনি শুরুর আগেই জমা করতে হবে। তা না হলে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। সেক্ষেত্রে আর সাংসদ হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হবে না তাঁর। ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, রাহুলকে বিপন্মুক্ত করতেই বিধানসভায় হাজির হয়েছেন মনোজ আগরওয়াল। সত্যিই যদি রাহুলের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়, সেক্ষেত্র কী হবে? নিয়ম বলছে, নতুন করে একটি আসনের জন্য ভোট ঘোষণা করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। তেমন হলে সেই আসনে ভোটাভুটি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা। এতে একটি আসনের জন্য তৃণমূলও আরেকবার প্রার্থী দেওয়ার সুযোগ পেয়ে যাবে।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
মুর্শিদাবাদঃ
সামশেরগঞ্জে পুলিশের অভিযানে তিন আগ্নেয়াস্ত্র ও পাঁচ কার্তুজ উদ্ধার, গ্রেফতার দুই
গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র ও পাঁচটি তাজা কার্তুজ উদ্ধার করল পুলিশ। এই ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতার করেছে সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ। বুধবার রাতে দুটি পৃথক এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই সাফল্য পায় পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আইসি সুব্রত ঘোষের নেতৃত্বে পুলিশের দুটি দল অভিযান চালায়। প্রথমে রতনপুর স্টেশন মোড় এলাকায় নবীরুল শেখ (২৭) নামে এক যুবককে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে একটি দেশি পাইপগান ও দুটি তাজা কার্তুজ উদ্ধার হয়। ধৃত নবীরুল শেখের বাড়ি ঝাড়খণ্ডের পাকুড় জেলার জিকরঘাটি এলাকায় বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ধূসরিপাড়া কলোনি এলাকায় উমর হালদার (৪০)-এর বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকে দুটি দেশি পাইপগান ও তিনটি তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই উমর হালদারকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, নবীরুল শেখ আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ পাচারের উদ্দেশ্যে ঝাড়খণ্ড থেকে সামশেরগঞ্জে নিয়ে এসেছিল। অন্যদিকে উমর হালদার গরু পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ। সেই কারণেই বাড়িতে আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ মজুত করে রেখেছিল বলে পুলিশের অনুমান।
এই অস্ত্রগুলি কোথা থেকে আনা হয়েছে, কী উদ্দেশ্যে মজুত রাখা হয়েছিল এবং এর পিছনে কোনও বড় অস্ত্র পাচার চক্র জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ। ধৃত দু’জনকে বৃহস্পতিবার জঙ্গিপুর মহকুমা আদালতে পাঠায় পুলিশ।
#social
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
'বড়মা' বীণাপানির দেবীর তিরোধান মমতার বার্তা -'অন্যায় মানব না। লড়াই চলবে।
বৃহস্পতিবার মতুয়া সংঘের বড়মা বীণাপানি দেবীর তিরোধান দিবসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক বার্তা তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। মতুয়াদের নিয়ে বিজেপি-কে নিশানা করে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘বড়মা’ বীণাপানি দেবীর তিরোধান দিবসে মতুয়া ‘অস্ত্রে’ শান তৃণমূলের। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, বিজেপির চক্রান্তে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতিতে মতুয়ারা। নাগরিকত্ব দেওয়ার নামে রাজনীতির খেলা চলছে। সামাজিক মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “নতুন করে নাগরিকত্ব দেওয়ার নামে অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড় করাচ্ছে। অন্যায় মানব না। লড়াই চলবে।” মতুয়াদের নাগরিকত্ব পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। বিশেষ করে মতুয়া মহাসঙ্ঘের অনুসারীরা দীর্ঘদিন ধরে নাগরিকত্ব প্রশ্নে রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন। অনেক মতুয়া পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ভারতে থাকলেও তাদের কাছে প্রাথমিক নাগরিকত্ব নথি (যেমন পুরোনো দলিল বা কাগজ) নেই।
তাই নাগরিকত্বের বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এবারের SIR-এর যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, তাতে দেখা গিয়েছে, অধিকাংশ মতুয়া গড়ে মতুয়াদের নাম ‘বিচারাধীন’। বসিরহাট, নদিয়া, রানাঘাট, বনগাঁ বিস্তীর্ণ এলাকায় ‘বিচারাধীন’ অসংখ্য মতুয়া। অথচ বনগাঁ, রানাঘাট, বারাসত, গাইঘাটা মতুয়া ভোট বড় ফ্যাক্টর। প্রতিটি নির্বাচনের আগেই মতুয়াদের নাগরিকত্বের বিষয়টি সামনে আসে। কিন্তু এবার SIR আবহে তা আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। ২০১৯ সালে কেন্দ্র সরকার ‘Citizenship Amendment Act’ (CAA) পাশ করে। এই আইনে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়। ভারতীয় জনতা পার্টি দাবি করে, এই আইনের ফলে মতুয়া শরণার্থীরা সহজে নাগরিকত্ব পাবেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস বলে, মতুয়ারা ইতিমধ্যেই ভারতের নাগরিক; নতুন করে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই এবং CAA–র মাধ্যমে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
রাজ্যসভায় মনোনয়ন জমা দিলেন তৃণমূলের ৫ সদস্য
বেশ নাটকীয় ভাবেই বৃহস্পতিবার তৃণমূলের ৫ সদস্য মনোনয়ন জমা দিলেন রাজ্যসভায়। পশ্চিমবঙ্গের আরেকটিতে অবশ্য বিজেপির রাহুল সিনহা। প্রার্থীপদে রীতিমতো চমক দিয়েছে তৃণমূল। প্রার্থী করা হয়েছে অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক, অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস রাজীব কুমার, রাজ্যের মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় ও আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী। আজ, বৃহস্পতিবার মনোনয়ন জমা দিলেন তাঁরা। প্রার্থী হিসেবে আগামিদিনে কীভাবে কাজ করবেন, জানালেন সেই পরিকল্পনার কথাও। মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মেনকা গুরুস্বামী এদিন সাম্যের বার্তা দেন। ভারতীয় সংবিধান যে সম অধিকারের কথা বলে, সেটা রক্ষা করাই আগামিদিনে তাঁর কর্তব্য হবে বলে উল্লেখ করেন আইনজীবী।
তিনি বলেন, “আমি সংবিধান মেনে কাজ করার পক্ষে, সে সংসদ হোক বা আদালত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আমায় সুযোগ দিয়েছেন রাজ্যসভায়। তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞ। সংবিধান মানুষকে সমান অধিকার দেয়। সেই সমান অধিকারের জন্য লড়াই করার সুযোগ পেলাম সংসদের উচ্চ কক্ষে।” অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক বলেন,“আমি চিরকাল মানুষের জন্য কাজ করতে চেয়েছিলাম। সেই সুযোগ, সেই দায়িত্ব আমি পেলাম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ।” অন্যদিকে, বাবুল সুপ্রিয় জানান, তাঁর কাছে পুরোটাই একটা পারফরম্যান্স। তিনি বলেন, “ভোটে জিতে এসে কাজ করা একটা প্রিপেড ব্যবস্থা। আগে ভোটে জেতা, তার পরে মানুষের জন্য কাজ করা। আগে রিকোয়েস্ট আসত গানের। সেখানে পারফর্ম করতে হত। পরে লোকসভায় জিতে কাজ করা শুরু করি, মানুষের রিকোয়েস্ট নিয়ে পারফর্ম শুরু করি। তারপর আবার মন্ত্রিসভায়। এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আবার আমার উপর ভরসা করেছেন।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
ভোটের দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা হয়নি, তবে তার আগেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে দিল জনতা উন্নয়ন পার্টি।
আজ দলের শীর্ষ নেতা হুমায়ুন কবির বীরভূমে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে দুইটি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন।
তিনি জানান, বোলপুর বিধানসভা কেন্দ্রে দলের প্রার্থী হিসেবে লড়বেন সৈয়দ সারোয়ার্দি। আর ময়ূরেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী হচ্ছেন দলের জেলা সভাপতি শেখ কলিমুদ্দিন।
ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের আগেই প্রার্থী ঘোষণা করে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, অন্যান্য রাজনৈতিক দল কবে তাদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে এবং নির্বাচনী লড়াই কতটা জমে ওঠে।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
ঝাড়গ্রামে দেবাংশুর সভায় বিজেপির ছেড়ে ৫০ টি পরিবার যোগ দিল তৃণমূলে
মঙ্গলবার তৃণমূলের ঝাড়গ্রামের সভা থেকে তৃণমূল নেতা দেবাংশু তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন নির্বাচন কমিশন ও বিজেপির বিরুদ্ধে। এসআইআর নিয়ে বিজেপির বৃহৎ ষড়যন্ত্র চলছে, বাংলার ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। দেবাংশুর কথায়, “বাংলায় ভোটাধিকার কেড়ে নিতে বিজেপি নানা পথ খুঁজছে। নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করে এসআইআর-এর নামে নতুন করে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। কিন্তু বাংলার মানুষ এসব মেনে নেবে না।” জঙ্গলমহলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ২০১১ সালের আগে এলাকায় অশান্তি ছিল, মাওবাদী প্রভাব ছিল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর উন্নয়নের মাধ্যমে জঙ্গলমহলে শান্তির পরিবেশ ফিরেছে। রাস্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনে পরিবর্তন এসেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দু’কোটি চাকরির প্রতিশ্রুতির কথা তুলে কটাক্ষ করেন। পাশাপাশি গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি, ১০০ দিনের কাজের টাকা বকেয়া রাখা এবং আবাস যোজনার অর্থ আটকে দেওয়ার অভিযোগও তোলেন কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। সভায় উপস্থিত ছিলেন গোপীবল্লভপুরের বিধায়ক ডা. খগেন্দ্রনাথ মাহাতো, ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদের মেন্টর স্বপন পাত্র, ব্লক তৃণমূল সভাপতি টিংকু পাল, যুব সভাপতি সুমন সাহু, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শর্বরী অধিকারী সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। সভাকে ঘিরে বেলিয়াবেড়া এলাকায় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।এদিন সভায় বিজেপি ছেড়ে পঞ্চাশটি পরিবার তৃণমূলের দলীয় পতাকা হাতে তুলে নিয়ে শাসক শিবিরে যোগদান করেন।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
বারাসাতের ৬০ বছরের আশিস বাবুর নামের পাশে 'ডিলিটেড' - ভেঙে পড়েছেন পুরো পরিবার
পেশায় আটো চালক আশিস বাবুর স্ত্রী ও ছেলের নাম আছে ভোটার লিস্টে। কিন্তু আশিস বাবুর নাম 'ডিলিটেড'। তালিকা প্রকাশের পর রীতিমতো ভেঙে পড়েছেন আশীষ দাস ও তার পরিবার।২০০২ এর তালিকায় আশিষ বাবুর বাবা-মা কারও নাম ছিলনা।নিজেরও নাম ছিলনা ২০০২ এর তালিকায়।কমিশনের জারি করা ১১ নথির একটিও দেখাতে পারেননি আশিষ বাবু।নো ম্যাপিং ভোটার হিসাবে প্রথম শুনানিতে কোনো নথি দেখাতে পারেননি।বিএলও ও ব্লক প্রশাসনের পরামর্শে দ্বিতীয় বার জমা দিয়েছিলেন ডমিসাইল সার্টিফিকেট।আশিষ বাবুর বাবা সুনীল কৃষ্ণ দাস ও মা লতা দাস।পূর্ব পাকিস্তান থেলে চলে এসেছিলেন ভারতে।পশ্চিমবঙ্গের বারাসাতে ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতেন।পাকিস্তানের হাইকমিশনারের স্ট্যাম্প লাগানো পাসপোর্ট এখনও বাড়িতে গচ্ছিত রেখেছেন আশীষ দাস।পাসপোর্টের বর্তমান কোনো অস্তিত্ব না থাকলেও বাবার স্মৃতি বা ডকুমেন্টস বলতে ওটুকুই।বর্তমানে চন্দ্রকোণার ভোটার রয়েছে ভোটার,আধারকার্ড,রেশন কার্ড।'সার' এর গেরোয় চুড়ান্ত তালিকা থেকে নাম বাদ পড়েছে চন্দ্রকোণার আশিষ দাসের।শেষ রক্ষা ছিল ডমিসাইল সার্টিফিকেট,তা দিয়েও তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া আটকাতে পারলেন না আশিষ বাবু।দুঃশ্চিন্তায় পরিবার।
#social
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
#ব্রেকিং নিউজ#
*চন্দ্রকোনায় "ছেলেধরা" আতঙ্কে উত্তাল, পরিস্থিতি সামাল দিতে নামলো কেন্দ্রীয় বাহিনী!*
চন্দ্রকোনা, পশ্চিম মেদিনীপুর: আজ হোলি! রঙের উৎসবে মেতেছে গোটা বাংলা। রং এর উৎসবে রঙিন হওয়ার সময়, হঠাৎই ছেলে ধরা আতঙ্ক ছড়ায়। ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা থানার জাড়া গ্রামে এক অপরিচিত ব্যক্তিকে উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘুরতে দেখেন স্থানীয়রা। আর তা থেকেই দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে ‘ছেলেধরা’ গুজব! তবে একটি ছেলে জানায় তাকে জোর করে ওই অচেনা ব্যক্তিটি মোটরসাইকেলে চাপিয়ে তুলে নিয়ে যাচ্ছিল। সেই সময় গ্রামবাসীদের চোখে পড়ায় গ্রামবাসীরা তাকে ধরে ফেলে। কোনো কিছু না বুঝে, সত্য-মিথ্যা যাচাই না করেই ওই ব্যক্তির ওপর চড়াও হয় উত্তেজিত জনতা। মুহূর্তের মধ্যে এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।" "খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় চন্দ্রকোনা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। কিন্তু জনরোষ এতটাই তীব্র ছিল যে পরিস্থিতি আয়ত্তের বাইরে চলে যায়। শেষ পর্যন্ত উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করতে এবং শান্তি বজায় রাখতে এলাকায় নামানো হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী বা সিআরপিএফ (CRPF)। বর্তমানে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে, তবে এলাকায় এখনও চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।" "পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে বারবার সতর্ক করা হচ্ছে—গুজবে কান দেবেন না। আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না। কোনো ব্যক্তিকে সন্দেহজনক মনে হলে মারধর না করে সরাসরি পুলিশের হাতে তুলে দিন।" "স্রেফ গুজবের জেরে এই অশান্তি আর কতদিন? প্রশ্ন তুলছে সচেতন সমাজ। আটক ব্যক্তির নাম সিরাজুল আলী, হুগলি গোঘাটের বাসিন্দা এমনটাই জানালেন ওই ব্যক্তি। তবে তার কথায় যথেষ্ট অসঙ্গতি লক্ষ্য করা যায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ, ওই ব্যক্তি কে আনা হয়েছে রামজীবনপুর ফাঁড়িতে। জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
#social
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta









