সিপিএম কি 'শূন্য' এর গেড়ো অতিক্রম করতে পারবে? উঠেছে জোরালো প্রশ্ন
যে দল একনাগাড়ে ৩৪ বছর রাজ্য শাসন করেছে। মানুষের আশীর্বাদ পেয়েছে, সেই দল একেবারে -'শূন্য'! সিপিএমের লক্ষ্য ছিল ভোট বাড়ানো। আর রামে চলে যাওয়া ভোট যতটা সম্ভব যাতে ফিরিয়ে আনা যায়। কাজেই ভোট মেটার পর খাতা-পেনসিল নিয়ে সিপিএম বসে গিয়েছে হারিয়ে যাওয়া ভোট কতটা ফিরে পাওয়া গেল। আলিমুদ্দিন থেকে আগেই নিচুতলায় বার্তা দেওয়া হয়েছিল দলের ভোট শতাংশ বাড়ানোর জন্য ঝাঁপাতেই হবে। একেবারে শেষমুহূর্ত পর্যন্ত দোদুল্যমান ও বাম মনোভাবাপন্ন ভোটারদের ভোট যাতে কাস্তে-হাতুড়িতেই পড়ে সেটা যেভাবে হোক চেষ্টা করতে হবে। ওই সমস্ত ভোটারদের সঙ্গে শেষমুহূর্ত পর্যন্ত যোগাযোগ চলবে।
দমদম থেকে টালিগঞ্জ, বাগুইআটি থেকে বালিগঞ্জ। কিংবা মধ্য হাওড়া থেকে উলুবেড়িয়া। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের দিন ভোটের ময়দানে বহু জায়গায় লাল ঝান্ডার ক্যাম্প অফিসের দেখা মিলেছে। কমরেডরা ভিড় করে ছিলেন ক্যাম্পে বা পার্টি অফিসে। যেখানে হাতেগোনা কয়েকটি ক্যাম্পে বিজেপির সাকুল্যে দুই থেকে তিনজনকে দেখা গিয়েছে। সেখানে সিপিএম কর্মীদের দেখা যাচ্ছিল ভোটারদের বুথ অবধি পৌঁছে দিতে। মাটি কামড়ে বুথ আগলে পড়ে থেকেছেন দমদম উত্তরের প্রার্থী দীপ্সিতা ধর থেকে শুরু করে উত্তরপাড়ায় মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়রা। সিপিএম যে শূন্যের গেরো কাটানোর লড়াই করছে, ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া সেটাই যেন টের পাওয়া গেল দ্বিতীয় পর্বের ভোটের দিন। এখন সবটাই জানা যাবে ৪ তারিখ।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
এমন সুন্দর ভোট আগে আর দেখা যায় নি - দাবি কমিশনের
পশ্চিমবঙ্গ ভোটে রেকর্ড গড়লো। নেই কোনো রক্তপাত, নেই মৃত্যু, দুএকটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া প্রথম দফার মতো দ্বিতীয় দফার ভোটও শান্তিতে কাটলো। এইভাবে ভোট করানোই ছিল মূলত নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) কাছে চ্যালেঞ্জ। ভোটাররা যাতে ভয়হীন ভাবে ভোট দিতে যেতে পারেন, সেই দিকে বারেবারে নজর রেখেছে কমিশন। ভোট শুরুর অনেক আগেই আস্থা জোগাতে বঙ্গে হাজির করানো হয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে (Central Force)। আর তার ফল মিলল ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল হাতে নাতে। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বাংলায় মোট ভোট পড়েছে ৯২.৫৬ শতাংশ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের দাবি, স্বাধীনতার পর যত ভোট হয়েছে এবারই রেকর্ড হয়েছে বাংলায়। কিন্তু মাত্র পাঁচ বছর আগেই ছবিটা কিন্তু এমন নয়। কমিশনের দেওয়া তথ্য বলছে, এবারের ভোটে পাঁচ লক্ষ কর্মী কাজ করেছেন।
ফলস ভোটিংয়ের অভিযোগ বেশি এসেছে ঠিকই, তবে হিংসা কম হয়েছে। সব থেকে উল্লেখযোগ্য, দুই দফা ভোটেই কোনও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।অথচ পাঁচ বছর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে ২৪ জনের প্রাণ গিয়েছিল বাংলায়। আবার তারও পাঁচ বছর আগে অর্থাৎ ২০১৬ সালে সাত জন নির্বাচনী হিংসার বলি হয়েছিলেন। কিন্তু এবার সেই সংখ্যাটাই শূন্য। এটা যে কমিশনের বড় সাফল্য তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আবার ২০২১ সালে ৬৯টি বোমা উদ্ধার হয়েছিল। কিন্তু এবার একটিও বোমা উদ্ধারের খবর নেই। কমিশন বলছে- একটা সময়ে এক শ্রেণির মানুষ ছিলেন যাঁরা ভোট দানে বিরত থাকতেন। তবে অবাধ ভয়হীন ভোটদানের প্রতি মুহূর্তে প্রচারের জন্য এমন হয়েছে তাঁরাও ভোট দিয়েছেন। বুথ থেকে পোলিং এজেন্টকে বের করে দেওয়া বিশেষ করে বিরোধী দলের পোলিং এজেন্টকে বের করে দেওয়ার ঘটনা বাংলায় নতুন কিছু নয়, তবে উল্লেখযোগ্য ভাবে এবার এমন কিছুই হয়নি।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
ফালতার বেশ কয়েকটি বুথে শুক্র বা শনিবার রিপোল
বুধবার রাতেই সমস্ত ফালতা জুড়ে রিপোল দাবি করেছিল বিজেপি। বিজেপির দাবি একদম পরিকল্পনা করে সমস্ত ফলতা জুড়েই তৃণমূল গন্ডগোল করেছে। CEO মনোজ আগরওয়াল বলেন, দরকার হলে গোটা ফলতা বিধানসভাতেই রিপোল হবে। অবজারভারদের রিপোর্ট খতিয়ে দেখছে কমিশন। বহু বুথে অনিয়মের অভিযোগ এলে, গোটা বিধানসভাতেই রিপোল হবে বলে জানিয়েছেন CEO। CEO মনোজ আগরওয়াল বলেন, “যেখানে যেখানে টেপ পাওয়া গিয়েছে, ওয়েব কাস্টিংয়ে দেখেছি, যা অবজারভার রিপোর্ট এসেছে, ওখান জিরো টলারেন্সে পদক্ষেপ করা হবে। আমরা আগাম বললাম, এই জায়গা ছাড়াও যেখানে যেখানে পাওয়া যাবে রিপোল হবে।”
যেখানে আতর পাওয়া গিয়েছে, সেখানেও রিপোল হবে। জানা যাচ্ছে, ফলতার ২৫২, ২৩৫,২২৬, ১৮৬, ২৪১ বুথে আতর লাগানোর অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগে রিপোর্ট চেয়েছেন কমিশন। CEO জানিয়েছেন, ডিটেল রিপোর্ট এলে সত্যি প্রমাণিত হলে রিপোল হবে। মগরাহাট থেকেও একই অভিযোগ উঠেছে। উল্লেখ্য, সকালে মোটামুটি শান্তিপূর্ণ থাকলেও বেলা ১০টা পর থেকে ফলতার একাধিক বুক থেকে অশান্তির খবর আসতে শুরু করে। তার মধ্যে কয়েকটি বুথে EVM-এ টেপ লাগিয়ে রাখারও অভিযোগ ওঠে। কয়েকটি ক্ষেত্রে বিক্ষোভ সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে লাঠিচার্জও করতেও দেখা যায়।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
বালুরঘাট কলেজে সিসি টিভি দীর্ঘ সময় বন্ধ - তীব্র ক্ষোভ তৃণমূলের
প্রাকৃতিক বা প্রযুক্তিগত কারণে ৪/৫ মিনিট ক্যামেরা বন্ধ থাকা মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু সারা রাত! অসম্ভব, তা কখনোই মানা যায় না। বালুরঘাট কলেজের স্ট্রং রুমে মধ্যরাতে সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ হয়ে যাওয়াকে ঘিরে বিতর্ক। অভিযোগ, গতকাল রাত ৩টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত বালুরঘাট বিধানসভার স্ট্রং রুমের সামনের ক্যামেরাগুলি কাজ করেনি। এই ঘটনায় ইতিমধ্য়েই তৃণমূল কংগ্রেস জেলা শাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে। বুধবার বিকেলে বালুরঘাটের তৃণমূল প্রার্থী অর্পিতা ঘোষের ইলেকশন এজেন্ট দেবাশীষ কর্মকার জেলা শাসক ও বালুরঘাটের রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন।
অভিযোগ পেয়ে সন্ধ্যায় বালুরঘাট কলেজের স্ট্রং রুম পরিদর্শন করেন জেলা শাসক বালা সুব্রমানিয়ান টি সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। খতিয়ে দেখেন সিসিটিভি ক্যামেরা। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার মধ্যরাতে ঝড়-বৃষ্টি-বজ্রপাতের জেরে কয়েকটি ক্যামেরা সাময়িকভাবে বিকল হয়ে যায়। তবে তৃণমূলের দাবি, ওই সময় কোনও ফুটেজ রেকর্ড না হওয়া অত্যন্ত সন্দেহজনক। এর পেছনে ষড়যন্ত্রেরও গন্ধ পাচ্ছে তারা। প্রায় ৪ ঘন্টা ক্যামেরা বন্ধ ছিল। যা নিয়েই প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূল-কংগ্রেস।এদিকে বালুরঘাট কলেজে বালুরঘাট, তপন, কুমারগঞ্জ ও গঙ্গারামপুর এই চার বিধানসভার স্ট্রং রুম রয়েছে। সেখানেই চার বিধানসভার ইভিএম সংরক্ষিত রয়েছে। স্ট্রং রুমের সামনেই রয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। কলেজের মূল গেটের পাশেই রয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরার মনিটর। যেখানে রাজনৈতিক দল ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা নজরদারি চালাচ্ছেন।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
দ্বিতীয় দফার ভোটে বিজেপির কি আদৌ তৃণমূলের সঙ্গে লড়াই দিতে পারলো?
উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গল মহলে বিজেপির যথেষ্ট থাকলেও দক্ষিণবঙ্গে সাম্রাজ্য তৃণমূলের। আর ২৯ তারিখ ভোট হয় মূলত তৃণমূল প্রভাবিত বিধানসভাগুলোতে। স্বাভাবিক কারণেই প্রশ্ন ওঠেছে, নিজেপি কি পারলো চোখে চোখ রেখে লড়াই করতে? দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনে ভোট হয়েছে বুধবার। কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, নদিয়া, হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্তমানে এই দফায় ভোট হয়েছে। নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনার মতুয়াগড় ও একটা বড় অংশ বাদ দিলে বাকি কোথাও বিজেপির শক্তি সেভাবে নেই। গত বিধানসভা ভোটে এই সাতটি জেলার ১৪২টি আসনের মধ্যে তৃণমূল পেয়েছিল ১২৩টি আসন। বিজেপির দখলে ছিল মাত্র ১৮টি। ২০২১ সালের নির্বাচনে এই সাতটি জেলার মধ্যে পূর্ব বর্ধমান, হাওড়া, কলকাতা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বিজেপি ছিল শূন্য।
হুগলির চারটি আসন ছাড়াও নদিয়া ও উত্তর ২৪ পরগনায় একটা অংশে বিজেপির জেতা আসন রয়েছে। যদিও গত লোকসভা ভোটের নিরিখে এই ১৪২টির মধ্যে ২৭টি আসনে এগিয়েছিল বিজেপি। আবার কলকাতায় জোড়াসাঁকো ও শ্যামপুকুর কেন্দ্রে এগিয়েছিল গেরুয়া শিবির। কিন্তু একুশের বিধানসভা ভোটের ফলাফলের সঙ্গে তুলনা করলে শেষ পর্বের ভোটে ১৪২টি আসনের মধ্যে বিজেপির প্রাধান্য খুবই কম আসনে। তৃণমুল তাদের ধরাছোঁয়ার বাইরেই রয়েছে। ফলে এই পর্বের ভোটে গেরুয়া শিবিরের লক্ষ্যই ছিল ভোটটা বাড়ানো। আরও বেশি সংখ্যক আসন যাতে দখলে আছে। ভোট শেষের পর সেটা কতটা সম্ভব হল, আদৌ আসন গতবারের থেকে বাড়বে কি না তা নিয়ে সমীক্ষা শুরু করেছে রাজ্য বিজেপি। দ্বিতীয় দফার ভোট কেমন হয়েছে তা নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে বারবার ফোন এসেছে রাজ্য নেতাদের কাছে।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
দ্বিতীয় ভোট পর্বের বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা
সকাল থেকেই বেশ উত্তেজনা ভবানীপুরে। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী সকালেই বেরিয়ে পড়েছেন। বেরিয়ে পড়েছেন শুভেন্দু অধিকারীও।
* দ্বিতীয় দফার 'ভরকেন্দ্র' ভবানীপুরে মেগা শো-ডাউন। এদিনা সকালে বুথ পরিদর্শন করে চক্রবেড়িয়ার বুথে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিছুক্ষণ পরেই সেখানে হাজির হন বিরোধী দলনেতা তথা ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী।
* কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী ততা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "দেখুন রাতে আমাদের কর্মীদের কেমন মেরেছে। এটা কেমন গুন্ডামি চলছে? এভাবে ভোট হয়না। এটা গণতন্ত্রের উৎসব। বিজেপি গণতন্ত্রকে হত্যা করছে। আমাদের কর্মীরা প্রাণ দিতে রাজি। ওরা জায়গা ছাড়বে না।"
* লিলুয়ার অভয় গুহ রোডের সোহনলাল স্কুলে উত্তেজনা। তৃণমূল এজেন্টকে মারার অভিযোগ। লাঠিচার্জ কেন্দ্রীয় বাহিনীর। তিনজন আটক। বুথের সামনে লম্বা লাইন। বৃষ্টি মাথায় করে দাঁড়িয়ে প্রচুর মানুষ।
* জগদ্দল বিধানসভার কেউটিয়া ৩৪ নম্বর বুথে উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র। কেন্দ্রীয় বাহিনী পুলিশের তৎপরতায় এড়ানো গিয়েছে অশান্তি। খবর পেয়ে তৎপর হয়ে ওঠেন জগদ্দলের বিজেপি প্রার্থী রাজেশ কুমার।
* ৯১ চাকদহ বিধানসভা কেন্দ্রের ভবানীপুর সুকান্ত বিদ্যা নিকেতন স্কুলের ১১৪ নম্বর বুথে ভোট দিলেন হরিণঘাটা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী অসীম কুমার সরকার।
#political
সকাল থেকেই 'সিংঘম' ঘুরে বেড়াচ্ছেন তার বাহিনী নিয়ে
'সিংঘম' নামেই পরিচিত উত্তর প্রদেশের এই অফিসার। রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোট শান্তিপূর্ণভাবে করতে নতুন করে মোট ১১ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন। তার মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় সবচেয়ে বেশি – ৩ জন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম আইপিএস অজয় পাল শর্মা। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ডিআইজি এই আইপিএস পরিচিত ‘এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট’ হিসেবে। এমন একজনকে কেন বঙ্গভোটের দায়িত্ব দেওয়া হল, তা নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন উঠেছে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে তৃণমূল। সম্প্রতি তাঁর একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন তৃণমূল নেত্রী মহুয়া মৈত্র। অজয়পালের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের বাড়িতে পৌঁছে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই ভিডিও ভাইরাল হয়। রাজ্যে পুলিশ পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই রীতিমতো অ্যাকশন মোডে অজয়পাল।
উত্তরপ্রদেশের এই অফিসার ‘সিংঘম’ নামেই পরিচিত। এদিন সকাল থেকে তাঁর কনভয় ডায়মন্ড হারবারের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরছে। সাঁজোয়া গাড়ি ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁর সঙ্গে রয়েছেন। জানা গিয়েছে, ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে তিনি ফলতা সহ ডায়মন্ড হারবার, মগরাহাট (পশ্চিম) বিধানসভা এলাকায় ঘুরে ভোট পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন। এখনও পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ রয়েছে এলাকা। এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ চলছে।
#political
"৩০ হাজার ভোটে জিতবো" - শুভেন্দু অধিকারী
সকাল থেকেই সকলের লক্ষ এবারের নির্বাচনের 'ভরকেন্দ্র' ভবানীপুরের দিকে। বেশ ভোরেই এখানে চলে এসেছেন দুই প্রার্থী - মমতা ও শুভেন্দু। সকাল থেকেই ভবানীপুরে বুথে বুথে পরিদর্শনে গেলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী৷ চেতলায় বুথ পরিদর্শনে গেলেন বিজেপি নেতা৷ নন্দীগ্রামের পর ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিপরীতে লড়ছেন শুভেন্দু, জানিয়ে দিলেন জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তিনি৷ শুভেন্দু বলেন, ‘‘৩০ হাজার ভোটে হারবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গুন্ডামি করতে দেবো না। ভয় দেখিয়ে ভোট নিতে দেব না৷’’ বুথ পরিদর্শনে এসে ফিরহাদ হাকিমের কন্যা প্রিয়দর্শিনী হাকিমের সঙ্গেও কথা বলেন শুভেন্দু৷
ভবানীপুরে সকাল সকাল বুথ পরিদর্শনে বেরিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও৷ ভবানীপুরের ভোটের দিন সকালে ফের কেন্দ্রীয় বাহিনীর বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুললেন মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়৷ মমতার দাবি, ‘‘বাইরে থেকে বেশ কয়েকজন পর্যবেক্ষক এসেছেন এবং বিজেপির নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করছেন। মানুষের ভোট দেওয়ার কথা, এভাবে কি ভোটগ্রহণ হতে পারে?”
#political
পানিহাটিতে চরম বিক্ষোভের মুখে অভয়ার মা রত্না দেবনাথ
এতদিন অভয়ার মা রত্না দেবনাথকে কিছুটা স্পেস দিলেও ভোটের সকালে তাকে সামান্য জমি ছাড়তে রাজী না তৃণমূল। তাঁর গাড়ির সামনে ওঠে গো ব্যাক স্লোগান। বুধবার সকালে পানিহাটি পৌরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের আগরপাড়া নিউ আদর্শ নগর অঞ্চলে বিজেপি প্রার্থীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। অভয়ার মায়ের অভিযোগ, তৃণমূলের লোকজন তাঁকে আটকাতে এই কাজ করছেন। বিক্ষোভকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন তিনি। এই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বুধবার সকালে ভোট দেন অভয়ার মা রত্না দেবনাথ। এদিনও তাঁর পরনের শাড়িতে ছিল বিশেষত্ব। সাদা শাড়ির কালো পাড়ে লেখা ছিল, ‘মেরুদণ্ড বিক্রি নেই।'
ভোট দিয়ে বেরিয়েই তিনি বলেন, “আমরাই জিতব, আমরা বিচার পাব, মানুষ আমাদের ভোট দেবে।” অভয়ার বাবা বললেন, “মেয়ের মৃত্যুর সুবিচারের জন্য এই পথে হাটতে হবে এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। কিন্তু আমরা জিতবই।” ভোট দিয়ে পানিহাটি বিধানসভা এলাকায় ঘুরছিলেন তিনি। সেই সময় কয়েকজন তাঁর গাড়ি ঘিরে ধরে স্লোগান দিতে থাকেন। এ বিষয়ে রত্না দেবনাথ বলেন, “তৃণমূলের লোকজন ঝামেলা শুরু করেছে। আমার গাড়ি দেখে আমার উপর চড়াও হয়েছে। গাড়ি ঘেরাও করেছে। আমাকে দেখে গো ব্যাক স্লোগান দেওয়া হয়েছে। সবাইকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি। তা না হলে এলাকায় শান্তিপূর্ণ ভোট হবে না।”
#political
আন্তর্জাতিক
ওমান সাগরে এবার বাড়াবাড়ি শুরু করেছে ইরানি সেনা
ওমান সাগরে ফের এক বাণিজ্যতরীতে হামলা চালাল ইরান। জানা যাচ্ছে, টোগোর পতাকাবাহী ওই জাহাজটিতে মোট ১২ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন। জাহাজটি লক্ষ্য করে ইরানের উপকূল রক্ষী বাহিনী গুলি চালিয়েছে বলে অভিযোগ। সোমবার ওমানের সিনাস প্রদেশের বন্দরের কাছে রাসায়নিক পদার্থ বোঝাই জাহাজটিতে হামলা চালায় তেহরান। জাহাজটির নাম ‘এমটি চিরন’। জাহাজটিতে মোট ১২ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন। সাগরে ওই জাহাজটির আশপাশে আরও বেশ কয়েকটি জাহাজ ছিল। সেই সময় টোগোর পতাকাবাহী ওই জাহাজটির পথ আটকায় ইরানের উপকূল রক্ষী বাহিনী। শুধু তা-ই নয়, গুলিও চালানো হয় বলে অভিযোগ।
তবে সূত্রের খবর, জাহাজটিকে সতর্ক করার জন্যই ওই গুলি চালানো হয়েছে। ঘটনায় ভারতীয় নাবিকদের কোনও ক্ষতি হয়নি। প্রত্যেকেই সুরক্ষিত রয়েছেন। গত ১৮ এপ্রিল হরমুজ প্রণালী পেরনোর সময়ে হামলার মুখে পড়ে ভারতের পতাকাবাহী দুই জাহাজ। ইরাক থেকে জ্বালানি ভরে ফিরছিল ভারতের দুই জাহাজ জাগ অর্ণব ও সামনার হেরাল্ড। জাহাজগুলিতে ছিল প্রায় ২০ লক্ষ ব্যারেল তেল। কিন্তু উত্তর ওমান উপকূলে পৌঁছতেই অতর্কিতে ওই দুই জাহাজের উপর হামলা চালায় ইরানের নৌসেনা। চলে গুলিবৃষ্টি
#international
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta













