ভোটের দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা হয়নি, তবে তার আগেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে দিল জনতা উন্নয়ন পার্টি।
আজ দলের শীর্ষ নেতা হুমায়ুন কবির বীরভূমে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে দুইটি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন।
তিনি জানান, বোলপুর বিধানসভা কেন্দ্রে দলের প্রার্থী হিসেবে লড়বেন সৈয়দ সারোয়ার্দি। আর ময়ূরেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী হচ্ছেন দলের জেলা সভাপতি শেখ কলিমুদ্দিন।
ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের আগেই প্রার্থী ঘোষণা করে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, অন্যান্য রাজনৈতিক দল কবে তাদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে এবং নির্বাচনী লড়াই কতটা জমে ওঠে।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
ঝাড়গ্রামে দেবাংশুর সভায় বিজেপির ছেড়ে ৫০ টি পরিবার যোগ দিল তৃণমূলে
মঙ্গলবার তৃণমূলের ঝাড়গ্রামের সভা থেকে তৃণমূল নেতা দেবাংশু তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন নির্বাচন কমিশন ও বিজেপির বিরুদ্ধে। এসআইআর নিয়ে বিজেপির বৃহৎ ষড়যন্ত্র চলছে, বাংলার ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। দেবাংশুর কথায়, “বাংলায় ভোটাধিকার কেড়ে নিতে বিজেপি নানা পথ খুঁজছে। নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করে এসআইআর-এর নামে নতুন করে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। কিন্তু বাংলার মানুষ এসব মেনে নেবে না।” জঙ্গলমহলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ২০১১ সালের আগে এলাকায় অশান্তি ছিল, মাওবাদী প্রভাব ছিল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর উন্নয়নের মাধ্যমে জঙ্গলমহলে শান্তির পরিবেশ ফিরেছে। রাস্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনে পরিবর্তন এসেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দু’কোটি চাকরির প্রতিশ্রুতির কথা তুলে কটাক্ষ করেন। পাশাপাশি গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি, ১০০ দিনের কাজের টাকা বকেয়া রাখা এবং আবাস যোজনার অর্থ আটকে দেওয়ার অভিযোগও তোলেন কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। সভায় উপস্থিত ছিলেন গোপীবল্লভপুরের বিধায়ক ডা. খগেন্দ্রনাথ মাহাতো, ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদের মেন্টর স্বপন পাত্র, ব্লক তৃণমূল সভাপতি টিংকু পাল, যুব সভাপতি সুমন সাহু, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শর্বরী অধিকারী সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। সভাকে ঘিরে বেলিয়াবেড়া এলাকায় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।এদিন সভায় বিজেপি ছেড়ে পঞ্চাশটি পরিবার তৃণমূলের দলীয় পতাকা হাতে তুলে নিয়ে শাসক শিবিরে যোগদান করেন।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
বারাসাতের ৬০ বছরের আশিস বাবুর নামের পাশে 'ডিলিটেড' - ভেঙে পড়েছেন পুরো পরিবার
পেশায় আটো চালক আশিস বাবুর স্ত্রী ও ছেলের নাম আছে ভোটার লিস্টে। কিন্তু আশিস বাবুর নাম 'ডিলিটেড'। তালিকা প্রকাশের পর রীতিমতো ভেঙে পড়েছেন আশীষ দাস ও তার পরিবার।২০০২ এর তালিকায় আশিষ বাবুর বাবা-মা কারও নাম ছিলনা।নিজেরও নাম ছিলনা ২০০২ এর তালিকায়।কমিশনের জারি করা ১১ নথির একটিও দেখাতে পারেননি আশিষ বাবু।নো ম্যাপিং ভোটার হিসাবে প্রথম শুনানিতে কোনো নথি দেখাতে পারেননি।বিএলও ও ব্লক প্রশাসনের পরামর্শে দ্বিতীয় বার জমা দিয়েছিলেন ডমিসাইল সার্টিফিকেট।আশিষ বাবুর বাবা সুনীল কৃষ্ণ দাস ও মা লতা দাস।পূর্ব পাকিস্তান থেলে চলে এসেছিলেন ভারতে।পশ্চিমবঙ্গের বারাসাতে ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতেন।পাকিস্তানের হাইকমিশনারের স্ট্যাম্প লাগানো পাসপোর্ট এখনও বাড়িতে গচ্ছিত রেখেছেন আশীষ দাস।পাসপোর্টের বর্তমান কোনো অস্তিত্ব না থাকলেও বাবার স্মৃতি বা ডকুমেন্টস বলতে ওটুকুই।বর্তমানে চন্দ্রকোণার ভোটার রয়েছে ভোটার,আধারকার্ড,রেশন কার্ড।'সার' এর গেরোয় চুড়ান্ত তালিকা থেকে নাম বাদ পড়েছে চন্দ্রকোণার আশিষ দাসের।শেষ রক্ষা ছিল ডমিসাইল সার্টিফিকেট,তা দিয়েও তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া আটকাতে পারলেন না আশিষ বাবু।দুঃশ্চিন্তায় পরিবার।
#social
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
#ব্রেকিং নিউজ#
*চন্দ্রকোনায় "ছেলেধরা" আতঙ্কে উত্তাল, পরিস্থিতি সামাল দিতে নামলো কেন্দ্রীয় বাহিনী!*
চন্দ্রকোনা, পশ্চিম মেদিনীপুর: আজ হোলি! রঙের উৎসবে মেতেছে গোটা বাংলা। রং এর উৎসবে রঙিন হওয়ার সময়, হঠাৎই ছেলে ধরা আতঙ্ক ছড়ায়। ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা থানার জাড়া গ্রামে এক অপরিচিত ব্যক্তিকে উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘুরতে দেখেন স্থানীয়রা। আর তা থেকেই দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে ‘ছেলেধরা’ গুজব! তবে একটি ছেলে জানায় তাকে জোর করে ওই অচেনা ব্যক্তিটি মোটরসাইকেলে চাপিয়ে তুলে নিয়ে যাচ্ছিল। সেই সময় গ্রামবাসীদের চোখে পড়ায় গ্রামবাসীরা তাকে ধরে ফেলে। কোনো কিছু না বুঝে, সত্য-মিথ্যা যাচাই না করেই ওই ব্যক্তির ওপর চড়াও হয় উত্তেজিত জনতা। মুহূর্তের মধ্যে এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।" "খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় চন্দ্রকোনা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। কিন্তু জনরোষ এতটাই তীব্র ছিল যে পরিস্থিতি আয়ত্তের বাইরে চলে যায়। শেষ পর্যন্ত উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করতে এবং শান্তি বজায় রাখতে এলাকায় নামানো হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী বা সিআরপিএফ (CRPF)। বর্তমানে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে, তবে এলাকায় এখনও চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।" "পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে বারবার সতর্ক করা হচ্ছে—গুজবে কান দেবেন না। আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না। কোনো ব্যক্তিকে সন্দেহজনক মনে হলে মারধর না করে সরাসরি পুলিশের হাতে তুলে দিন।" "স্রেফ গুজবের জেরে এই অশান্তি আর কতদিন? প্রশ্ন তুলছে সচেতন সমাজ। আটক ব্যক্তির নাম সিরাজুল আলী, হুগলি গোঘাটের বাসিন্দা এমনটাই জানালেন ওই ব্যক্তি। তবে তার কথায় যথেষ্ট অসঙ্গতি লক্ষ্য করা যায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ, ওই ব্যক্তি কে আনা হয়েছে রামজীবনপুর ফাঁড়িতে। জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
#social
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে - বারাসাতের সুলেখা দাস আটকে গেছেন বাহারিনে
মেয়ে বাহারিনে আটকে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগের আছে সুলেখা দাসের পরিবার। মধ্যপ্রাচ্যে মহারণ। আমেরিকা এবং ইজরায়েলের হামলায় তছনছ ইরান। লাগাতার হামলা-পালটা হামলার খবর প্রতিদিনই প্রকাশ্যে আসছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে। যুদ্ধ পরিস্থিতির এই অস্থিরতার ছায়া এসে পড়েছে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের এক সাধারণ পরিবারের জীবনে। বারাসাতের ন’পাড়া কালীবাড়ি এলাকার বাসিন্দা শঙ্কর দাসের কন্যা সুলেখা দাস বর্তমানে কর্মসূত্রে রয়েছেন মধ্যপ্রাচ্যের দেশ বাহরিনে। হোটেল মধ্যপ্রাচ্যের দেশ বাহরিনে। হোটেল ম্যানেজমেন্ট পড়াশোনা শেষ করে গত তিন বছর ধরে সেখানেই একটি হোটেলে কর্মরত তিনি। দেড় বছর আগে এক মাসের জন্য ছুটিতে বাড়ি এলেও তার পর থেকে আর দেশে ফেরা হয়নি।
হামলার পর থেকে সুলেখার সঙ্গে ফোন ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে যোগাযোগ থাকলেও উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে দাস পরিবারের। বাবা শঙ্কর দাস জানান, মেয়ের সঙ্গে নিয়মিত কথা হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ভীষণ দুশ্চিন্তায় গোটা পরিবার। কবে বাড়ির মেয়ে নিরাপদে দেশে ফিরবে, সেটাই এখন একমাত্র চিন্তা। পরিবারের দাবি, সংঘাত যত দীর্ঘায়িত হচ্ছে, ততই উদ্বেগ বাড়ছে। শুধু তাঁদের মেয়ে নয়, ওই জায়গায় কর্মরত অন্যান্য ভারতীয়দেরও দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হোক। শঙ্কর দাস বলেন, ভারত সরকার যেন দ্রুত পদক্ষেপ করে তার মেয়ে- সহ সমস্ত ভারতীয়কে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনে। প্রত্যেক পরিবারেরই একই অবস্থা, সবাই আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। সুলেখাও মানসিকভাবে চাপে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর বাবা।
#social
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
গঙ্গার জলকে দূষণমুক্ত রাখতে এবার ড্রোনের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে
যত দিন এগোচ্ছে, ততোই এগিয়ে চলেছে নানা আধুনিক প্রযুক্তি। এবার সেই প্রযুক্তির সাহায্যেই গঙ্গার জলকে পর্যবেক্ষণ করা শুরু হতে চলেছে। এবার হুগলি নদীতে করা হবে ‘ড্রোন সার্ভে’। দেখা হবে নর্দমার খোলা মুখ থেকে দূষিত জল গঙ্গায় পড়ছে কিনা। ডায়মন্ডহারবার থেকে কল্যানী পর্যন্ত এই সমীক্ষা চলবে। গঙ্গার দূষণ রোধে রাজ্য সরকারের অভিনব এই পদক্ষেপ সাড়া ফেলেছে। এই প্রথম ড্রোনের সাহায্যে নদীর তীরের ১২০ কিলোমিটার এলাকায় চালানো হবে সমীক্ষা। নদীর দুই পাড়ে কোথায় কোথায় নর্দমার খোলা মুখ বা ‘আউটফল’ রয়েছে, তা খুঁজে বের করতেই এই ড্রোন সার্ভে চলবে। স্টেট মিশন ফর ক্লিন গঙ্গা এবং কেএমডিএ যৌথ ভাবে এই কাজের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এই ড্রোন নদী পাড়ের পর থেকে ১০০ মিটার ভূমি অংশেও সমীক্ষা করবে। দুই তীরেই এই কাজ চলবে। নদীর তীরের প্রায় ৮০ মিটার এবং জলের ২০ মিটার পর্যন্ত এলাকা দেখা হবে। ড্রোনের মাধ্যমে প্রতিটি নর্দমার অবস্থান ও তার আকার ম্যাপ করা হবে। এর ফলে সরকারি আধিকারিকরা জানতে পারবেন, ঠিক কোন কোন জায়গা দিয়ে নোংরা জল গঙ্গায় মিশছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ৪০০ নর্দমার তথ্য মিলেছে। ড্রোনের মাধ্যমে পাওয়া নতুন তথ্যের সঙ্গে এই পুরনো তালিকা মিলিয়ে দেখা হবে। আগে শুধুমাত্র পায়ে হেঁটে বা সশরীরে হাজির থেকে এই সমীক্ষা করা হত। কিন্তু ড্রোনের ব্যবহারের ফলে এখন এমন সব নর্দমা খুঁজে পাওয়া যাবে, যা আগে নজরে আসেনি।
#social
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
নিজস্ব সংবাদদাতা, আরামবাগ ঃ
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে আরামবাগ শহরে নিরাপত্তা জোরদার করতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার সকাল থেকে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল এলাকায় এই রুটমার্চ চালানো হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ বাড়ানো এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শহরের প্রধান সড়ক, বাজার এলাকা ও স্পর্শকাতর অঞ্চলগুলি ঘুরে দেখেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন আরামবাগের এসডিপিও সুপ্রভাত চক্রবর্তী এবং আইসি রাকেশ সিং।
রুটমার্চ চলাকালীন বাহিনীর কড়া নজরদারিতে গোটা শহর জুড়ে নিরাপত্তার বার্তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন পুলিশ আধিকারিকরা এবং যেকোনও গুজব বা উত্তেজনায় কান না দেওয়ার আবেদন জানান।প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচন পর্ব সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সমস্তরকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আরও রুটমার্চ ও নজরদারি বাড়ানো হবে বলেও জানানো হয়েছে।শহরের বাসিন্দাদের একাংশ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে এলাকায় নিরাপত্তা ও আস্থার পরিবেশ তৈরি হয়।সবমিলিয়ে, নির্বাচনকে ঘিরে আরামবাগে প্রশাসনের তৎপরতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এই রুটমার্চের মাধ্যমে।
#social
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
জ্বলছে ইরান, খোঁজ নেই ইরানে বসবাসকারী বসিরহাটের গাজী পরিবারের
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন বেড়েই চলেছে। এদিকে বসিরহাটের গাজী পরিবারের কোনো খোঁজ পাচ্ছে না তাদের বাড়ির লোকেরা। জ্বলছে ইরান, পুড়ছে ইরান! দ্বিতীয় দিনেও ইরানে বড়সড় হামলা চালাল আমেরিকা। মার্কিন সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সদর দফতর ধ্বংস করা হয়েছে। ইরানের এহেন উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে দুই দিন ধরে কোনও খোঁজ মিলছে না ছেলের, উদ্বিগ্ন বসিরহাটের পরিবার। উৎকণ্ঠা আর অনিশ্চয়তার মধ্যে সময় কাটছে বসিরহাটের মাঠপাড়া এলাকার গাজি পরিবারের। ইরানে থাকা আমির হোসেন গাজির সঙ্গে কোনওরকম যোগাযোগ সম্ভব হচ্ছে না। ফোন বা ইন্টারনেট, কোনও মাধ্যমেই তার বা তার পরিবারের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত খবর মিলছে না। প্রায় আট বছর আগে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে ইরানে পাড়ি দেন আমির।
পড়াশোনা শেষ করে সেখানেই শিক্ষকতার পেশায় যুক্ত হন তিনি। স্ত্রী ঊষা পারভীন, দুই পুত্র ও এক কন্যাকে নিয়ে ইরানেই স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেছিলেন আমির। সবকিছু স্বাভাবিকভাবেই চলছিল। কিন্তু আচমকাই ছন্দপতন। হঠাৎ করেই এক দিন আগে সকালের পর থেকে বন্ধ হয়ে যায় সব যোগাযোগ। পরিবারের সদস্যদের দাবি, দু’দিন আগে বৃদ্ধা মায়ের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল আমিরের। সেটাই ছিল শেষ কথা। তখন আমির জানিয়েছিলেন, ইরানের পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। তার পর থেকেই তার ফোনে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হচ্ছে না। ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকায় অনলাইন যোগাযোগও সম্ভব হচ্ছে না বলে অভিযোগ পরিবারের।
#social
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
এবারে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তৈরী হচ্ছে রাসায়নিকমুক্ত সুগন্ধি আবির
একদিন পরেই দোল ও হোলি সারা বাংলা জুড়ে মানুষ মেতে উঠবে রঙের খেলায়। আর সেই রঙের একটা বড়ো অংশ আসে দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে। ঋতুরাজের আগমনী বার্তায় ইতিমধ্যেই রঙিন হয়ে উঠছে চারপাশ। দোল ও হোলিতে আর বেশি দেরি নেই। বসন্তের মিঠে হাওয়ায় রঙের উচ্ছ্বাসে মেতে উঠবে রাজ্যবাসী। সেই রঙের উৎসবকে ঘিরেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন আবির কারখানায় চরম ব্যস্ততা। এখানে বিভিন্ন রঙের পাশাপাশি বিভিন্ন ফ্লেভারের বিভিন্ন ধরনের সুগন্ধিত আবির তৈরির কাজ চলছে। প্রত্যেক বছরের মতো এবারও রঙের উৎসবের আগে উৎপাদন তুঙ্গে। সকাল হতেই কারখানায় শুরু হয়ে যায় কাজ। গভীর রাত পর্যন্ত চলে রং মেশানো, শুকোনো, ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নেওয়া এবং প্যাকেটজাত করার প্রক্রিয়া।
নাওয়া-খাওয়া ভুলে কারিগররা দিনরাত এক করে আবির তৈরির কাজ করে চলেছেন। কারখানার ভিতরে ঢুকলেই চোখে পড়ে রঙের বাহার। টকটকে লাল, উজ্জ্বল হলুদ, সবুজ, নীল, গোলাপি, কমলা, বেগুনি ও সাদা সহ মোট আট ধরনের আবির তৈরি হচ্ছে এখানে। এবারের বিশেষ আকর্ষণ রাসায়নিকমুক্ত সুগন্ধি আবির।
#social
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
*IMPORTANT*
*District wise cases under adjudication*
#social
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta










