PRATHAM ALOR BARTA
ShareChat
click to see wallet page
@1737913406
1737913406
PRATHAM ALOR BARTA
@1737913406
PRESS & PUBLICATION
Update ব্রিগেডগামী বাস আটকে তাণ্ডব! কাঁচ ভাঙচুরে উত্তপ্ত বেলদা #social #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
social - ShareChat
00:38
আজ 'নন্দীগ্রাম দিবস' - মুখ্যমন্ত্রী পোষ্ট করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলেন এখান থেকেই সম্ভবত পরিবর্তন যাত্রার শুরু হয়েছিল। পরে অবশ্য সিঙ্গুর আন্দোলনও সামনে আসে। সেই ১৯ বছর আগে রক্তে ভেসেছিল নন্দীগ্রাম। সেকথা কখনো ভোলেন নি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রাম দিবসে শহিদদের স্মরণ করে পোস্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লেখেন, ‘নন্দীগ্রাম দিবসে নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর ও নেতাই-সহ সমগ্র বিশ্বের সকল শহিদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং অন্তরের গভীর প্রণতি।’ ২০০৭ সালের সেই ঘটনার পর তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতার আন্দোলন তৃণমূল স্তর পর্যন্ত পৌঁছে যায়। ২০১১ সালে সরকার পরিবর্তন। সরকারে আসার পর থেকই নন্দীগ্রাম দিবস পালনে আরও জোর দেয় তৃণমূল। সেই ধারা বজায় রেখে আজ শনিবার পোস্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে আজই ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর মেগা সভা। বঙ্গের দুয়ারে আরও একটা বিধানসভা নির্বাচন। এই প্রায় দু’দশকে বদলেছে রাজ্যে রাজনৈতিক চিত্রপট। সেই দিনের বিরোধী দল তৃণমূল আজ ক্ষমতায়। তৎকালীন শাসকদল সিপিএম রাজ্যের রাজনীতিতে কার্যত উধাও। বিধানসভায় তাদের অস্তিত্বই নেই। সেই সময় ‘রেডারে’ না থাকা বিজেপি এখন প্রধান বিরোধী দল। তখন মমতার সঙ্গে থাকা শুভেন্দু অধিকারী সেই দলের বিরোধী দলনেতা। ২০২১ সালে শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগদানের পর নন্দীগ্রাম দিবসও ভাগ হয়েছে। নন্দীগ্রাম মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হৃদয়ের খুব কাছের। ২০০৭ সালের মর্মান্তিক ঘটনা আজও ভুলতে পারেননি তিনি। সেই মর্মান্তিক ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের সঙ্গে তুলনা করেন মমতা। নন্দীগ্রামে ভূমিউচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির নেতৃত্বে জমি রক্ষা আন্দোলনের সময় ২০০৭ সালের ১৪ মার্চ পুলিশ অভিযান চালায়। ওইদিন পুলিশের গুলিতে ১৪ জন গ্রামবাসীর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। নিহতদের স্মরণে প্রতি বছর ১৪ মার্চ রাজ্য জুড়ে নন্দীগ্রাম দিবস পালন করে তৃণমূল-সহ বিভিন্ন সংগঠন। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
গ্যাসের লাইনে দাঁড়িয়ে মারা গেলেন ৬৬ বছরের এক বৃদ্ধ এমন মর্মান্তিক ঘটনা আবার স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে সেই নোটবন্দি দিনগুলোর কথা। এই ঘটনাটা ঘটেছে পাঞ্জাবে। ভোর থেকে গ্যাসের লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছিল লাইন। আর সেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন ৬৬ বছরের বৃদ্ধ। এমনই এক মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী হয়েছে পাঞ্জাব। দেশজুড়ে রান্নার গ্যাসের হাহাকারের করুণ ছবি হয়ে দাঁড়িয়েছে ভুষণ কুমার মিত্তলের মর্মান্তিক মৃত্যু। জানা গিয়েছে, শুক্রবার পাঞ্জাবের বারনালা জেলায় ঘটেছে এই ঘটনা। সেখানকার শেহনা ব্লকে ভোরবেলায় লাইন দেন ভুষণ। সকাল আটটায় তিনি কুপন পান। দেখেন তাঁর নম্বর ২৫। ক্রমে লাইন দীর্ঘ হচ্ছে। প্রায় ঘণ্টা দুয়েক দাঁড়ানোর পরও সিলিন্ডার পাননি বৃদ্ধ। সকাল দশটা নাগাদ দেখা যায়, ঢলে পড়ে গিয়েছেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। জানা গিয়েছে, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। দেশের বহু অঞ্চলের মতোই পাঞ্জাবেও গ্যাসের আকাল দেখা দিয়েছে। গ্যাস এজেন্সিগুলি ও জেলা প্রশাসনের আশ্বাস সত্ত্বেও বারনালাতেও একই ছবি। সিলিন্ডারের জন্য দীর্ঘ লাইন এক চেনা ছবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। উল্লেখ্য, দাম বাড়ার পরেও দেশজুড়ে কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বাণিজ্যিক গ্যাসের জোগান। বাংলা-সহ গোটা দেশেই রান্নার গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। গ্যাস বুকিং করতে গিয়ে রীতিমতো হয়রানির মধ্যে পড়তে হয়েছে আমআদমিকে। #social #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
social - ShareChat
নন্দীগ্রামে শহীদ দিবসে উপস্থিত শুভেন্দু আজ, শনিবার বিজেপির মেগাসভা ব্রিগেডে। তার মধ্যেই নন্দীগ্রামে শহীদ দিবসে উপস্থিত হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সেই ২০০৭ সালের ঘটনা। জমি আন্দোলনের কর্মীদের উপর সরকার গুলি চালিয়েছিল। আর তার পর থেকেই চলছে শহীদ দিবস। '২০০৭ এর ১৪ মার্চ ভুলছি না ভুলব’, মোদী আসছেন ব্রিগেডে আর সেই দিনই নন্দীগ্রামে শহিদ বেদিতে মাল্যদান দিয়ে পরপর স্লোগান তুলতে দেখা গেল বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। অন্যদিকে শহিদ দিবস পাল করছে তৃণমূলও। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করতে দেখা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। সকাল ৯টার পোস্টে তিনি লেখেন, ‘নন্দীগ্রাম দিবসে নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর ও নেতাই-সহ সমগ্র বিশ্বের সকল শহিদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং অন্তরের গভীর প্রণতি।’ অন্যদিকে এদিন সকাল ৯টায় মালোপাড়ায় যান শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে শহিদ বেদীতে মাল্যদান করেন। শুভেন্দু অধিকারী সহ ভূমি আন্দোলনের নেতৃত্ব ও বিজেপির পদাধিকারীরা ছিলেন। সেখান থেকেই শুভেন্দু তিনি বলেন, “আমরা ১৪ই মার্চ ভুলতে পারি না। জমি বাড়ি বাঁচানোর লড়াই ছিল নন্দীগ্রামের সাধারণ মানুষের কাছে। ওই ঐতিহাসিক দিনটি ভুলছি না।” প্রসঙ্গত, প্রতি ভোটেই বারবার চর্চায় ফিরে ফিরে আসে এই নন্দীগ্রাম। শেষ বিধানসভা নির্বাচনে এই নন্দীগ্রামেই শুভেন্দুর কাছে হারতে হয়েছিল মমতাকে। এবার ভোটে জমি আন্দোলনের আঁতুরঘর সেই নন্দীগ্রামই ফের প্রাসঙ্গিক বঙ্গ রাজনীতিতে। সূত্রের খবর, কিছু সময় অধিকারী পাড়ার শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানাবেন রাজ্যের শাসকদলের পক্ষে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী, ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির পদাধিকারী এবং তৃণমূলের নেতৃতরা। যদিও আগে শুভেন্দু অধিকারীরা অধিকারী পাড়ায় কর্মসূচি করছেন। পরে সোনাচূড়া শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
সকালেই শান্তিপুর স্টেশনে উপস্থিত রাম, হনুমান মোদীজির ব্রিগেড সভা নিয়ে একদিন আগের থেকেই তুঙ্গে উত্তেজনা। কর্মী ও নেতাদের মধ্যে তৎপরতা। এই অবস্থায় শান্তিপুর স্টেশনে দেখে গেলো সুন্দর দৃশ্য। শনিবার সকালে শান্তিপুর স্টেশনে দেখা গেল এক অনন্য দৃশ্য। নিজের সন্তানকে ভগবান রাম সাজিয়ে, নিজে হনুমানের বেশ ধরে লোকাল ট্রেনে চেপে ব্রিগেডের পথে রওনা দিলেন এক বিজেপি কর্মী। পেশায় পরিযায়ী শ্রমিক ওই ব্যক্তি এদিন নিজেকে পুরোপুরি হনুমানজির রূপে সাজিয়ে তোলেন। তাঁর কাঁধে ছিল রাম-রূপী ছোট্ট সন্তান। সঙ্গে ছিলেন আরও কয়েকজন কর্মী-সমর্থক। তাঁদের এই সাজ দেখতে শান্তিপুর স্টেশনে সাধারণ যাত্রীদের একেবারে ভিড় জমে যায়। বিজেপি কর্মীদের দাবি, রাম, সীতা ও হনুমানজি শুভ শক্তির প্রতীক। রাজ্যে আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করে বিজেপি ক্ষমতায় আসবেই। এই বিশ্বাস থেকেই তাঁরা দেব-দেবীর সাজে কলকাতার উদ্দেশ্যে পাড়ি দিচ্ছেন। তাঁদের মতে, এই আধ্যাত্মিক আবহ রাজ্যে পালাবদলের আবহকে আরও শক্তিশালী করবে। শনিবার সকাল থেকেই শান্তিপুর থেকে শিয়ালদহগামী ট্রেনগুলোতে বিজেপি নেতা ও কর্মীদের ব্যাপক ভিড় দেখা যায়। ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে স্টেশন চত্বর। গেরুয়া শিবিরের এই অভিনব প্রচার, ধর্মীয় আবেগকে সঙ্গী করে ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর সভায় যোগ দেওয়ার বিষয়টি রাজনৈতিক মহলেও বেশ চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে শুধু শান্তিপুর নয়, উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ সব প্রান্ত থেকেই মানুষ এসে ভিড় করছেন হাওড়া, শিয়ালদহে। তারপর সেখান থেকে সোজা ব্রিগেডে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের নবনিযুক্ত রাজ্যপাল এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজ্যের বিরোধিতা শুভেন্দু অধিকারীর। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
00:31
প্রথম দফায় প্রায় দেড়শো প্রার্থীর নাম ঠিক করে ফেলেছে বিজেপির ইতিমধ্যে তৃণমূলও তাদের অনেক প্রার্থীর নাম মোটামুটি ঠিক করেছে। যদিও ঘোষণা করে নি। সূত্রের খবর বৃহস্পতিবার বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ১৫০ জনের বেশি নামে শিলমোহর দিয়েছেন। দলীয় সূত্রের খবর, দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন, ৭ লোককল্যাণ মার্গে অনুষ্ঠিত BJP-র কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠকে অর্ধেকের বেশি আসনে প্রার্থীদের নামে সিলমোহর পড়েছে। শনিবার ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার পরই দল প্রথম দফার প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করতে পারে। সূত্রের দাবি, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠকে প্রায় ১৬০ জন প্রার্থীর নাম নিয়ে একমত হয়েছেন নেতারা। দল বেশিরভাগ বর্তমান বিধায়কদের আবারও প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিতর্কহীন সিট গুলো প্রথমেই ঠিক হয়ে গেছে। বেশিরভাগ বিজয়ী প্রার্থী থেকে যাচ্ছে। প্রথম তালিকায় রাজ্য BJP-র বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতার নাম থাকতে পারে। এর মধ্যে বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের মতো বড় মুখ রয়েছেন। এছাড়াও BJP কয়েকজন প্রাক্তন সাংসদকে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে এবার দল বর্তমান সাংসদদের নির্বাচনে প্রার্থী না করারই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেক্ষেত্রে রাজ্যসভার সাংসদ তথা রাজ্য BJP-র সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য লড়তে না-ও পারেন বলেই মনে করা হচ্ছে। এছাড়াও দলীয় সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে, এবারের প্রার্থী তালিকায় মহিলা এবং তরুণ মুখদের বেশি গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে অন্য দল থেকে BJP-তে যোগ দেওয়া অনেক নেতার টিকিট পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তাও রয়েছে। নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেপি নাড্ডা, অমিত শাহ, রাজনাথ সিংহ, বিপ্লব দেব, সুনীল বনসল। রাজ্য থেকে বৈঠকে ছিলেন BJP-র সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, রাজ্যের সাংগঠনিক সচিব অমিতাভ ভট্টাচার্য। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন কবে, দিনক্ষণ এখনও জানা যায়নি। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই তা ঘোষণার সম্ভাবনা। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - s s - ShareChat
মহিলাদের ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক হতে পারে না - প্রধান বিচারপতি প্রধান বিচারপতির বক্তব্যটা স্পষ্ট যে যদি প্রতি মাসে যদি মহিলাদের অতিরিক্ত ৩/৪ টে ছুটি দিতে হয়, তাহলে অনেক কম্পানি আর মহিলাদের চাকরিতে নিয়োগ করবে না। এমন বেনজির মন্তব্য করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে ঋতুকালীন ছুটি সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলছিল। আবেদনকারী জানান, শীর্ষ আদালত যেন রাজ্যগুলিকে ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দেয়। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। তাঁর মতে, ঋতুকালীন ছুটি যদি আইনভাবে বাধ্যতামূলক করা হয় তাহলে কোনও সংস্থা মহিলা কর্মীদের নিয়োগ করবে না। শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী নামে এক আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন ঋতুকালীন ছুটি চেয়ে। তাঁর আপিল ছিল, ছাত্রী হোক বা কর্মরত মহিলা কর্মী-সকলের জন্যই ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করা উচিত। উদাহরণ হিসাবে কেরল সরকারের একটি সিদ্ধান্তের উল্লেখ করা হয়। ২০১৩ সালে রাজ্যের অধীনস্থ সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে মহিলাদের ঋতুকালীন ছুটি দেওয়া হয়েছিল। বেশ কিছু বেসরকারি সংস্থাও ঋতুকালীন ছুটি মঞ্জুর করেছে। তাই সব রাজ্যেই যেন ঋতুকালীন ছুটির আইন কার্যকর হয়, সেই আবেদন জানিয়ে পিটিশন দায়ের হয় শীর্ষ আদালতে। কিন্তু প্রধান বিচারপতি সেই আবেদন সটান খারিজ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “এই ছুটি দিলে মহিলাদের মনে ভয় ঢুকে যাবে। তাঁদের মনে হবে পুরুষদের তুলনায় তাঁরা পিছিয়ে। ঋতুকালীন সমস্যা নিয়ে সচেতনতা গড়ে তোলা ঠিক আছে। কিন্তু যে মুহূর্তে ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করা হবে, একের পর এক সংস্থা মহিলা কর্মীদের চাকরি দেওয়া বন্ধ করে দেবে। #social #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
social - ShareChat
আজকেই জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা হচ্ছে সংসদে মূলত তৃণমূলের নেতৃত্বে সমস্ত বিরুধীরা মিলে আনতে চলেছেন এই ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি জানিয়ে প্রস্তাব জমা দিতে চলেছে ইন্ডিয়া জোট। তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে আনা এই প্রস্তাবে লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে অন্তত ১৯৩ জন সাংসদের স্বাক্ষর জোগাড় হয়েছে। এর মধ্যে লোকসভায় ১৩০ জন এবং রাজ্যসভায় ৬৩ জন সাংসদ রয়েছেন। বিরোধী শিবিরের অভিযোগ, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জ্ঞানেশ কুমার পক্ষপাতদুষ্ট-বৈষম্যমূলক আচরণ করেছেন। সংসদে জমা দেওয়া নোটিসে তাঁর বিরুদ্ধে মোট সাতটি অভিযোগ তোলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘পক্ষপাতদুষ্ট ও বৈষম্যমূলক আচরণ’, ‘নির্বাচনী জালিয়াতির তদন্তে ইচ্ছাকৃত বাধা সৃষ্টি’ ও এসআইআর-এর মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক ভোটারকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ। এছাড়াও রয়েছে একগুচ্ছ অভিযোগ। সব মিলিয়ে জ্ঞানেশকে কড়া বাঁধনে বাঁধতে চাইছে বিরোধীরা। এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের এক বর্ষীয়ান নেতার দাবি, লোকসভা ও রাজ্যসভা-দুই কক্ষেই সাংসদদের মধ্যে মুখ্য কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হওয়ায় প্রস্তাবে দ্রুত স্বাক্ষর সংগ্রহের কাজ হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্টের কোনও বিচারপতিকে অপসারণের যে প্রক্রিয়া, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ক্ষেত্রেও তার অন্যথা হয় না। তবে এর আগে যেহেতু কোনো মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে এধরনের উদ্যোগ সই সংগ্রহ পর্যন্ত গড়ায়নি, তাই অত্যন্ত সাবধানে, আইনি দিক খতিয়ে দেখেই পা ফেলছে তৃণমূল। নিয়ম অনুযায়ী, ওই প্রস্তাব সংসদের দুই কক্ষেই জমা দেবে বিরোধীরা। এরপর স্পিকার এবং রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ওই প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে কিনা তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। প্রস্তাব গৃহীত হলে ৩ সদস্যের কমিটি গঠিত হবে। সেই কমিটি ছাড়পত্র দিলে সেটি সংসদে পেশ করা হবে এবং তা নিয়ে আলোচনা হবে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ard On ard On - ShareChat
শনিবার মোদীর সভায় আমন্ত্রণ জানানো হলো মমতাকে শনিবার দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মেগা সভা। আর আশ্চর্যের বিষয় হলো সেই সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এই কর্মসূচিতে একদিকে যেমন জনসভা হবে, তেমনি একটি প্রশাসনিক অনুষ্ঠান থেকেও একাধিক রাস্তা ও রেল প্রকল্পের উদ্বোধন করা হবে বলে জানা গেছে। ব্রিগেডের সভামঞ্চকে ঘিরে বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করেছে বিজেপি। জানা গেছে, মঞ্চটি তৈরি করা হচ্ছে দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দিরের আদলে। মঞ্চসজ্জায় তুলে ধরা হচ্ছে বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির নানা প্রতীক। মঞ্চের দেওয়ালে আঁকা থাকবে কোচবিহার রাজবাড়ির ছবি, বাঁকুড়ার বিখ্যাত টেরাকোটার ঘোড়া এবং উত্তরবঙ্গের জঙ্গলের দৃশ্য। বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রায় ১২ জন শিল্পী এই শিল্পকর্ম তৈরি করছেন বলে জানা গেছে। বিজেপির এক নেতার বক্তব্য, বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দেওয়ার বার্তা দিতেই এই ধরনের মঞ্চসজ্জা করা হচ্ছে। তাঁদের দাবি, বাঙালির সংস্কৃতি ও গৌরবকে সামনে এনে বিজেপি প্রমাণ করতে চাইছে যে তারা বাঙালির সংস্কৃতির সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত। কয়েকটি নির্বাচনে শাসক দল তৃণমূল বিজেপির বিরুদ্ধে ‘বাঙালি-বিরোধী’ তকমা লাগিয়ে রাজনৈতিক সুবিধা পেয়েছিল। বিশেষ করে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই ইস্যুটি বেশ গুরুত্ব পেয়েছিল। এবার সেই অভিযোগের জবাব দিতে বিজেপি নিজেদের আরও বেশি করে বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত দল হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat