বিনোদন
টলিপাড়ায় স্বাস্থ্যসাথী রেজিস্ট্রেশন কতটা হলো তা খতিয়ে দেখতে কোয়েলকে নিয়ে উপস্থিত হলেন দেব
দেবের উদ্যোগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টলিপাড়ায় স্বাস্থ্যসাথী নিয়ে ক্যাম্প করার উদ্যোগ নেন। ক্যাম্পে কাজ পুরো দমে চলেছে। বৃহস্পতিবারই দলের সুপারস্টার সাংসদের মহানুদ্যোগে অনুমোদন দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেদিনই জানা গিয়েছিল যে, টালিগঞ্জ টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে একটি রেজিস্ট্রেশন ক্যাম্প বসবে। যে বিশেষ ক্যাম্পের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের জন্য নাম নথিভুক্ত করাতে পারবেন কলাকুশলীরা। পরিকল্পনামাফিক শনিবার সকালেই নাম নথিকরণের কাজ শুরু হয়েছে। কতদূর এগোল কাজ? সেটা খতিয়ে দেখতেই এদিন দুপুরে বন্ধু দেবের সঙ্গে টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে হাজির কোয়েল মল্লিক। বাবুল সুপ্রিয়, রাজীব কুমারের পাশাপাশি সোমবারই বিধানসভায় রাজ্যসভার সাংসদ পদের সার্টিফিকেট পেয়েছেন কোয়েল মল্লিক। ভোটমুখী বঙ্গে রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে নায়িকার নাম ঘোষণা নিয়ে কম চর্চা হয়নি! তবে সেসবে কান না দিয়ে রাজনীতিক হিসেবে নতুন ইনিংস শুরু করেই অ্যাকশনে নামলেন কোয়েল মল্লিক।
শনিবার বন্ধু তথা দলের সতীর্খ সাংসদ দেবের সঙ্গে টেকনিশিয়ান স্টুডিওয় পৌঁছে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। সেখানে স্বাস্থ্যসাথী ক্যাম্পে কলাকুশলীদের নাম রেজিস্ট্রেশনের প্রক্রিয়া কেমন চলছে? তার তদারকি করতেই স্টুডিওপাড়ায় পৌঁছন দেব-কোয়েল। দুই তারকা সাংসদের উপস্থিতিতে আপ্লুত কলাকুশলীরাও। শনিবার টেকনিশিয়ান স্টুডিয়োয় স্বাস্থ্যসাথী কার্ড করাতে আসেন পরিচালক সুদেষ্ণা রায়, অভিজিৎ গুহ, আর্টিস ফোরামের সম্পাদক শান্তিলাল-সহ ইন্ডাস্ট্রির আরও অনেকেই।
#Entertainment
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
মোদীর সভার ভিড় দেখে উচ্ছ্বসিত তাঁর ডেপুটি অমিত শাহ
অমিত শাহ শনিবার রাতে বলেই দিলেন, এই ভিড় প্রমাণ করছে যে বাংলা এবার পরিবর্তন চায়। আর হাতে গোনা কয়েকটা মাত্র দিন, তারপরেই নির্বাচন। আর এই নির্বাচন দুটি দলের কাছেই 'ডু অর ডাই' লড়াই। ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর সভার ভিড় দেখে উচ্ছ্বসিত তাঁর ডেপুটি অমিত শাহ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলে দিলেন, ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর সভায় ভিড় বুঝিয়ে দিয়েছে বাংলায় মানুষ পরিবর্তন চাইছেন। ব্রিগেডে সভার একটি ভিডিয়ো এক্স হ্যান্ডলে শেয়ার করেছেন মোদী। আর তার পরই এক্স হ্যান্ডলে শাহ লিখেছেন, “কলকাতায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজির সভায় এই বিপুল জনসমাগম পরিষ্কার বার্তা দিচ্ছে যে বাংলার মানুষ পরিবর্তন চাইছেন। বাংলার মানুষ মমতা দিদিকে ক্ষমতাচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। এবং তাঁরা বিজেপি-র সরকারকে নির্বাচিত করবেন।” একুশের নির্বাচনের সময় ব্রিগেডে সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ৫ বছর পর সেই ব্রিগেডে ফের সভা করলেন তিনি। বাংলায় এবার পরিবর্তন হবে বলে আশাবাদী বঙ্গ বিজেপি।
আর এদিন ব্রিগেড থেকে রাজ্যে পরিবর্তনের বার্তা দিয়ে গেলেন মোদী। নিজের বক্তব্যে আগাগোড়া বাংলায় বিজেপি সরকার গঠনের কথা বললেন। নতুন বাংলা গড়ার ডাক দিলেন। প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, “এই জনপ্লাবন বলে দিচ্ছে বাংলা কী চাইছে। কারও মনে সন্দেহ থাকলে এই ছবি দেখে নিন। আজ থেকেই মহাজঙ্গলরাজ শেষের কাউন্টডাউন শুরু। অনাচার হলেই ঐতিহাসিক ব্রিগেড থেকে প্রতিবাদের আওয়াজ উঠেছে। আজ ফের নতুন বাংলা গড়ার বিউগল বাজল। তৃণমূলকে বাঁচানোর আর কেউ নেই।”
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
পাকিস্তানের অর্থনীতি একদম তলানিতে - সরকারি কর্মীদের থেকে ৩০ শতাংশ বেতন কাটা হবে
সম্ভবত বিশ্বে এমন নজির আগে নেই। পাকিস্তানের তীব্র অর্থ সংকট। দিশেহারা সরকার। তাই প্রথম কোপটা পড়তে চলেছে সরকারি কর্মচারীদের উপর। খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে থাকা পাকিস্তানের অর্থনীতি এবার কার্যত পতনের দোরগোড়ায়। আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধি আর বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডারে টান পড়ার পর এবার সরকারি কর্মীদের পকেটে কাঁচি চালাতে বাধ্য হলো ইসলামাবাদ। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলোর কর্মীদের বেতনে এক ধাক্কায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কোপ মারার সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিয়েছেন। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং লোহিত সাগরের সংকটের জেরে দেশজুড়ে চলা তীব্র জ্বালানি আকাল সামাল দিতেই এই ‘নজিরবিহীন’ কৃচ্ছ্রসাধন বলে দাবি করছে পাক সরকার।
পাকিস্তানি আমজনতার কাছে এই সিদ্ধান্ত যেন ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’। এমনিতেই নিত্যপণ্যের দাম সাধারণের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে, তার ওপর আয়ের এই ব্যাপক হ্রাসে ঘোর সঙ্কটে পড়লেন কয়েক লক্ষ সরকারি কর্মচারী। শাহবাজ সরকারের এই কঠোর সিদ্ধান্ত আসলে প্রমাণ করে দিচ্ছে যে, প্রতিবেশী রাষ্ট্রটির কোষাগার এখন কতটা শূন্য। কেবল বেতন ছাঁটাই নয়, জ্বালানি বাঁচাতে সরকারি দপ্তরে এসি বা বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহারের ওপরও নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছে। শাহবাজ শরিফ জানিয়েছেন, দেশের এই কঠিন সময়ে ত্যাগ স্বীকার করা ছাড়া আর কোনও পথ খোলা নেই। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) কঠিন শর্ত পূরণ এবং দেউলিয়া হওয়া আটকাতে এই ধরণের ‘তিতা’ দাওয়াই দেওয়া ছাড়া সরকারের হাতে কোনো বিকল্প নেই।
#international
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
"বিয়ে করলেন, মিষ্টি খাওয়ালেন না'' - রসিকতা করে দিলীপকে বললেন প্রধানমন্ত্রী
বেশ একটা রসিকতার পরিবেশ তৈরী হয়েছিল। সকলেই বিষয়টাকে খুবই এনজয় করেছেন। প্রধানমন্ত্রী যে এতটা রসিক মানুষ তা অনেকেরই জানা ছিল না। দীর্ঘদিন দলীয় অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি তাঁকে। সিঙ্গুরে মোদির জনসভাতেও গরহাজির ছিলেন দিলীপ ঘোষ। ব্রিগেডের সভার দিন অবশ্য স্বমহিমায় প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। মোদির মঞ্চে বসলেন প্রথম সারিতে। আবার বক্তব্য রাখলেন। নরেন্দ্র মোদি বক্তব্য শেষ করার পর মঞ্চে উপস্থিত সকলের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন। সেখানেই দিলীপ ঘোষের সঙ্গে করমর্দন করেন মোদি। দিলীপকে দেখে হাত ধরলেন। বললেন, “বিয়ে করলেন, মিষ্টি খাওয়ালেন না তো!”
একথা শুনে হা হা করে হেসে ওঠেন দিলীপ ঘোষ। পাশে থাকা সকলেও হেসে ওঠেন। এরপর মাথা নেড়ে সম্মতি জানান দিলীপ। ছাব্বিশের ভোট মিটে যাওয়ার পর মিষ্টিমুখ করাবেন বলেও জানান তিনি। দলের কাজ, মিটিং, মিছিল সামলানোর মাঝে দলীয় সহকর্মী রিঙ্কুর প্রেমে পড়েন দিলীপ। তাঁর সঙ্গে বিয়ে করবেন বলেও স্থির করেন। গত বছরের ১৮ এপ্রিল মধুরেণ সমাপয়েৎ। ‘রাফ অ্যান্ড টাফ’ দিলীপ ঘোষ টোপর মাথায় বিবাহ বন্ধনে বাঁধা পড়েন। বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ঘরোয়া, জাঁকজমকহীন বিয়ে সারেন। নিউটাউনে নিজের বাসভবনেই বসে বিয়ের আসর। বিয়েতে মেরেকেটে শ’খানেক লোক ছিল কি না সন্দেহ।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
পিএনজি ও এল পি জি দুটো কানেকশন আর একসঙ্গে নেওয়া যাবে না - কেন্দ্রের নতুন নির্দেশ
পশ্চিম এশিয়ায় প্রবল যুদ্ধ, হরমুজ প্রণালী বন্ধ - সবটা মিলিয়ে তীব্র তেল সংকটের মুখে ভারত। সেই সময় কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক তাদের এক নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাড়িতে পিএনজি কানেকশন থাকলে এবার থেকে আর ডোমেস্টিক এলপিজি (LPG) সিলিন্ডার ব্যবহার করা যাবে না। ১৪ মার্চ, ২০২৬ তারিখে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের তরফে এই মর্মে একটি কড়া নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। নতুন এই নির্দেশিকা বলছে, যে সমস্ত গ্রাহকের বাড়িতে পিএনজি সংযোগ রয়েছে, তাঁদের অবিলম্বে রান্নার গ্যাসের সংযোগ সমর্পণ বা সারেন্ডার করতে হবে। গ্যাসের কালোবাজারি রুখতে, বণ্টন আরও স্বচ্ছ করতে এই পদক্ষেপ বলে জানা যাচ্ছে। সংশোধন আনা হয়েছে ২০০০ সালের ‘এলপিজি (সরবরাহ ও বণ্টন নিয়ন্ত্রণ) অর্ডারে। ‘লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস (রেগুলেশন অফ সাপ্লাই অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন) অর্ডার’-এর নতুন এই অ্যামেন্ডমেন্ট অর্ডার বলছে, পিএনজি ব্যবহারকারীরা কোনও সরকারি তেল কোম্পানি (যেমন- IOCL, BPCL, HPCL) বা তাদের ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছ থেকে এলপিজি সিলিন্ডারের রিফিল করতে পারবেন না।
যাদের এই দু’টি সংযোগই রয়েছে, তাঁদের দ্রুত ডিস্ট্রিবিউটরের কাছে গিয়ে এলপিজি কানেকশন সারেন্ডার করতে হবেই। একইসঙ্গে স্পষ্টভাবে এও বলা হয়েছে যে ব্যক্তির বাড়িতে ইতিমধ্যেই পিএনজি সংযোগ রয়েছে, তিনি নতুন করে কোনও ডোমেস্টিক এলপিজি সংযোগের জন্য আবেদন করতে পারবেন না। শুধু গ্রাহক নয়, তেল সরবরাহকারী সংস্থাগুলির জন্য কড়া নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। কোনও পিএনজি গ্রাহককে এলপিজি সংযোগ দিলে বা সিলিন্ডার রিফিল করলে কোম্পানিগুলির জন্য এখন থেকে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
#social
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
Update
ব্রিগেডগামী বাস আটকে তাণ্ডব! কাঁচ ভাঙচুরে উত্তপ্ত বেলদা
#social
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
আজ 'নন্দীগ্রাম দিবস' - মুখ্যমন্ত্রী পোষ্ট করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলেন
এখান থেকেই সম্ভবত পরিবর্তন যাত্রার শুরু হয়েছিল। পরে অবশ্য সিঙ্গুর আন্দোলনও সামনে আসে। সেই ১৯ বছর আগে রক্তে ভেসেছিল নন্দীগ্রাম। সেকথা কখনো ভোলেন নি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রাম দিবসে শহিদদের স্মরণ করে পোস্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লেখেন, ‘নন্দীগ্রাম দিবসে নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর ও নেতাই-সহ সমগ্র বিশ্বের সকল শহিদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং অন্তরের গভীর প্রণতি।’ ২০০৭ সালের সেই ঘটনার পর তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতার আন্দোলন তৃণমূল স্তর পর্যন্ত পৌঁছে যায়। ২০১১ সালে সরকার পরিবর্তন। সরকারে আসার পর থেকই নন্দীগ্রাম দিবস পালনে আরও জোর দেয় তৃণমূল। সেই ধারা বজায় রেখে আজ শনিবার পোস্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিকে আজই ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর মেগা সভা। বঙ্গের দুয়ারে আরও একটা বিধানসভা নির্বাচন। এই প্রায় দু’দশকে বদলেছে রাজ্যে রাজনৈতিক চিত্রপট। সেই দিনের বিরোধী দল তৃণমূল আজ ক্ষমতায়। তৎকালীন শাসকদল সিপিএম রাজ্যের রাজনীতিতে কার্যত উধাও। বিধানসভায় তাদের অস্তিত্বই নেই। সেই সময় ‘রেডারে’ না থাকা বিজেপি এখন প্রধান বিরোধী দল। তখন মমতার সঙ্গে থাকা শুভেন্দু অধিকারী সেই দলের বিরোধী দলনেতা। ২০২১ সালে শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগদানের পর নন্দীগ্রাম দিবসও ভাগ হয়েছে। নন্দীগ্রাম মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হৃদয়ের খুব কাছের। ২০০৭ সালের মর্মান্তিক ঘটনা আজও ভুলতে পারেননি তিনি। সেই মর্মান্তিক ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের সঙ্গে তুলনা করেন মমতা। নন্দীগ্রামে ভূমিউচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির নেতৃত্বে জমি রক্ষা আন্দোলনের সময় ২০০৭ সালের ১৪ মার্চ পুলিশ অভিযান চালায়। ওইদিন পুলিশের গুলিতে ১৪ জন গ্রামবাসীর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। নিহতদের স্মরণে প্রতি বছর ১৪ মার্চ রাজ্য জুড়ে নন্দীগ্রাম দিবস পালন করে তৃণমূল-সহ বিভিন্ন সংগঠন।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
গ্যাসের লাইনে দাঁড়িয়ে মারা গেলেন ৬৬ বছরের এক বৃদ্ধ
এমন মর্মান্তিক ঘটনা আবার স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে সেই নোটবন্দি দিনগুলোর কথা। এই ঘটনাটা ঘটেছে পাঞ্জাবে। ভোর থেকে গ্যাসের লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছিল লাইন। আর সেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন ৬৬ বছরের বৃদ্ধ। এমনই এক মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী হয়েছে পাঞ্জাব। দেশজুড়ে রান্নার গ্যাসের হাহাকারের করুণ ছবি হয়ে দাঁড়িয়েছে ভুষণ কুমার মিত্তলের মর্মান্তিক মৃত্যু। জানা গিয়েছে, শুক্রবার পাঞ্জাবের বারনালা জেলায় ঘটেছে এই ঘটনা। সেখানকার শেহনা ব্লকে ভোরবেলায় লাইন দেন ভুষণ। সকাল আটটায় তিনি কুপন পান। দেখেন তাঁর নম্বর ২৫। ক্রমে লাইন দীর্ঘ হচ্ছে। প্রায় ঘণ্টা দুয়েক দাঁড়ানোর পরও সিলিন্ডার পাননি বৃদ্ধ। সকাল দশটা নাগাদ দেখা যায়, ঢলে পড়ে গিয়েছেন তিনি।
সঙ্গে সঙ্গে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। জানা গিয়েছে, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। দেশের বহু অঞ্চলের মতোই পাঞ্জাবেও গ্যাসের আকাল দেখা দিয়েছে। গ্যাস এজেন্সিগুলি ও জেলা প্রশাসনের আশ্বাস সত্ত্বেও বারনালাতেও একই ছবি। সিলিন্ডারের জন্য দীর্ঘ লাইন এক চেনা ছবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উল্লেখ্য, দাম বাড়ার পরেও দেশজুড়ে কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বাণিজ্যিক গ্যাসের জোগান। বাংলা-সহ গোটা দেশেই রান্নার গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। গ্যাস বুকিং করতে গিয়ে রীতিমতো হয়রানির মধ্যে পড়তে হয়েছে আমআদমিকে।
#social
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
নন্দীগ্রামে শহীদ দিবসে উপস্থিত শুভেন্দু
আজ, শনিবার বিজেপির মেগাসভা ব্রিগেডে। তার মধ্যেই নন্দীগ্রামে শহীদ দিবসে উপস্থিত হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সেই ২০০৭ সালের ঘটনা। জমি আন্দোলনের কর্মীদের উপর সরকার গুলি চালিয়েছিল। আর তার পর থেকেই চলছে শহীদ দিবস। '২০০৭ এর ১৪ মার্চ ভুলছি না ভুলব’, মোদী আসছেন ব্রিগেডে আর সেই দিনই নন্দীগ্রামে শহিদ বেদিতে মাল্যদান দিয়ে পরপর স্লোগান তুলতে দেখা গেল বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। অন্যদিকে শহিদ দিবস পাল করছে তৃণমূলও। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করতে দেখা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। সকাল ৯টার পোস্টে তিনি লেখেন, ‘নন্দীগ্রাম দিবসে নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর ও নেতাই-সহ সমগ্র বিশ্বের সকল শহিদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং অন্তরের গভীর প্রণতি।’ অন্যদিকে এদিন সকাল ৯টায় মালোপাড়ায় যান শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে শহিদ বেদীতে মাল্যদান করেন। শুভেন্দু অধিকারী সহ ভূমি আন্দোলনের নেতৃত্ব ও বিজেপির পদাধিকারীরা ছিলেন। সেখান থেকেই শুভেন্দু তিনি বলেন, “আমরা ১৪ই মার্চ ভুলতে পারি না। জমি বাড়ি বাঁচানোর লড়াই ছিল নন্দীগ্রামের সাধারণ মানুষের কাছে। ওই ঐতিহাসিক দিনটি ভুলছি না।”
প্রসঙ্গত, প্রতি ভোটেই বারবার চর্চায় ফিরে ফিরে আসে এই নন্দীগ্রাম। শেষ বিধানসভা নির্বাচনে এই নন্দীগ্রামেই শুভেন্দুর কাছে হারতে হয়েছিল মমতাকে। এবার ভোটে জমি আন্দোলনের আঁতুরঘর সেই নন্দীগ্রামই ফের প্রাসঙ্গিক বঙ্গ রাজনীতিতে। সূত্রের খবর, কিছু সময় অধিকারী পাড়ার শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানাবেন রাজ্যের শাসকদলের পক্ষে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী, ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির পদাধিকারী এবং তৃণমূলের নেতৃতরা। যদিও আগে শুভেন্দু অধিকারীরা অধিকারী পাড়ায় কর্মসূচি করছেন। পরে সোনাচূড়া শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
সকালেই শান্তিপুর স্টেশনে উপস্থিত রাম, হনুমান
মোদীজির ব্রিগেড সভা নিয়ে একদিন আগের থেকেই তুঙ্গে উত্তেজনা। কর্মী ও নেতাদের মধ্যে তৎপরতা। এই অবস্থায় শান্তিপুর স্টেশনে দেখে গেলো সুন্দর দৃশ্য। শনিবার সকালে শান্তিপুর স্টেশনে দেখা গেল এক অনন্য দৃশ্য। নিজের সন্তানকে ভগবান রাম সাজিয়ে, নিজে হনুমানের বেশ ধরে লোকাল ট্রেনে চেপে ব্রিগেডের পথে রওনা দিলেন এক বিজেপি কর্মী। পেশায় পরিযায়ী শ্রমিক ওই ব্যক্তি এদিন নিজেকে পুরোপুরি হনুমানজির রূপে সাজিয়ে তোলেন। তাঁর কাঁধে ছিল রাম-রূপী ছোট্ট সন্তান। সঙ্গে ছিলেন আরও কয়েকজন কর্মী-সমর্থক। তাঁদের এই সাজ দেখতে শান্তিপুর স্টেশনে সাধারণ যাত্রীদের একেবারে ভিড় জমে যায়। বিজেপি কর্মীদের দাবি, রাম, সীতা ও হনুমানজি শুভ শক্তির প্রতীক। রাজ্যে আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করে বিজেপি ক্ষমতায় আসবেই। এই বিশ্বাস থেকেই তাঁরা দেব-দেবীর সাজে কলকাতার উদ্দেশ্যে পাড়ি দিচ্ছেন।
তাঁদের মতে, এই আধ্যাত্মিক আবহ রাজ্যে পালাবদলের আবহকে আরও শক্তিশালী করবে। শনিবার সকাল থেকেই শান্তিপুর থেকে শিয়ালদহগামী ট্রেনগুলোতে বিজেপি নেতা ও কর্মীদের ব্যাপক ভিড় দেখা যায়। ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে স্টেশন চত্বর। গেরুয়া শিবিরের এই অভিনব প্রচার, ধর্মীয় আবেগকে সঙ্গী করে ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর সভায় যোগ দেওয়ার বিষয়টি রাজনৈতিক মহলেও বেশ চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে শুধু শান্তিপুর নয়, উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ সব প্রান্ত থেকেই মানুষ এসে ভিড় করছেন হাওড়া, শিয়ালদহে। তারপর সেখান থেকে সোজা ব্রিগেডে।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta












