PRATHAM ALOR BARTA
ShareChat
click to see wallet page
@1737913406
1737913406
PRATHAM ALOR BARTA
@1737913406
PRESS & PUBLICATION
শনিবার সকাল এগারোটার সময় গম্ভীর কালিঘাটে পূজো দিতে যান। #social #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
social - ShareChat
00:50
নতুন ভোটার তালিকায় আপনার নাম আপনি খুজবেন কি করে? অনেক লড়াই, বিতর্কের পরে আসছে নতুন ভোটার লিস্ট। শনিবারই প্রকাশিত হচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। SIR প্রক্রিয়া শেষে এদিন এই ফাইনাল লিস্ট প্রকাশ করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। জানা গিয়েছে, দুপুর ২টো নাগাদ প্রকাশিত হওয়ার পর নিজেদের নাম চূড়ান্ত তালিকায় দেখতে পারবেন পশ্চিমবঙ্গের ভোটাররা। অনলাইন এবং অফলাইন, দুই পদ্ধতিতেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। নির্বাচন কমিশনের মূল ওয়েবসাইট (eci.gov.in), রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের ওয়েবসাইট (ceowestbengal.wb.gov.in) এবং ECI Net App-এ দেখতে পাওয়া যাবে। ফাইনাল লিস্ট টাঙানো থাকবে BDO, SDO অফিস এবং জেসাশাসকের দফতরেও। তবে চূড়ান্ত তালিকায় বুথে দেখার সুবিধা এখনই থাকছে না। নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট বা অ্যাপে গিয়ে ফাইনাল ভোটার লিস্ট অপশনে ক্লিক করতে হবে (দুপুরের মধ্যেই ওয়েবসাইট এবং অ্যাপে তা চলে আসবে)। সেখানে নিজের নাম এবং এপিক নম্বর (ভোটার কার্ডের নম্বর) দিলেই ভোটার দেখতে পাবেন, তাঁর নাম কমিশনের তালিকায় কী অবস্থায় রয়েছে। * কোন কোন ক্যাটেগরি থাকবে ভোটার লিস্টে? - বৈধ ভোটার: যদি ইতিমধ্যে তাঁর নাম যাচাই করা হয়ে গিয়ে থাকে এবং কোনও সমস্যা না থাকে, তবে স্বাভাবিক ভাবেই নাম উঠে আসবে তালিকায়। অর্থাৎ যাঁদের নামের পাশে কিছু লেখা থাকবে না তাঁরা বৈধ এবং ভোট দিতে পারবেন। - 'ডিলিটেড': কারও নাম কাটা হলে নীচে লেখা থাকবে ‘ডিলিটেড’। তাঁরা ভোটদান করতে পারবেন না। -'অ্যাডজুডিকেশন': যদি নাম এখনও যাচাই না-করা হয়ে থাকে, তবে তার নীচে ‘অ্যাডজুডিকেশন’ বা 'বিচারাধীন’ লেখা থাকবে। এখনও পর্যন্ত সেই সংখ্যাটা ৬০ লক্ষ ৬৭৫। এঁরা ভোট দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে এখনই কোনও নিষ্পত্তি হয়নি। #social #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
social - ভোটার তালিকায় নাম খুঁজুন স্টেপ বাই স্টেপ পদ্ধতি ভোটার তালিকায় নাম খুঁজুন স্টেপ বাই স্টেপ পদ্ধতি - ShareChat
রাজ্যসভায় তৃণমূলের প্রার্থী তলিকায় অভিনবত্বের ছোঁয়া আমরা সকলে ইতিমধ্যে জেনে গেছি শুক্রবার সন্ধ্যাতেই তৃণমূল তাদের রাজ্যসভার প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে। প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দলের তরফে জানানো হয়েছে, এই ব্যক্তিরা তৃণমূলের ‘সহনশীলতা’ এবং ‘প্রতিরোধের’ ঐতিহ্যকে সংসদে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। প্রতিটি ভারতীয়র অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার জন্য দলের যে ‘অবিচল অঙ্গীকার’, তা এই নতুন প্রতিনিধিরা আরও মজবুত করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। সেই তালিকায় আছে - বাবুল সুপ্রিয়, পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন ডিজিপি রাজীব কুমার, বিশিষ্ট আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী এবং টলিউড অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। * রাজীব কুমার রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক দীর্ঘকাল ধরে আলোচনার কেন্দ্রে। বিশেষ করে সারদা ও রোজভ্যালি চিটফান্ড কেলেঙ্কারির তদন্ত চলাকালীন রাজীব কুমারের পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে দাঁড়িয়েছিলেন, তা ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাসে এক বেনজির ঘটনা। সারদা কেলেঙ্কারির তদন্তে সিবিআই কলকাতার তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের লাউডন স্ট্রিটের বাসভবনে হানা দিলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। তিনি রাজীব কুমারের বাড়িতে গিয়ে সিবিআই অভিযানের তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং কলকাতার রাজপথে, মেট্রো চ্যানেলে দুদিন ধরে ধর্নায় বসেন। তিনি রাজীব কুমারকে ‘বিশ্বের অন্যতম সেরা অফিসার’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন। * বাবুল সুপ্রিয় গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বাবুল সুপ্রিয়র রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে যে জল্পনা চলছিল, অবশেষে তাতে দাঁড়ি পড়ল। বালিগঞ্জের বর্তমান বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয়কে আগামী রাজ্যসভা নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে বেছে নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের এই সিদ্ধান্তের ফলে জল্পনার মেঘ কেটে গেল যে, তাঁকে ফের বিধানসভা ভোটে লড়তে হবে কি না।২০২১ সালে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর আসানসোলের প্রাক্তন সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় উপনির্বাচনে বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন। সম্প্রতি শোনা যাচ্ছিল, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বালিগঞ্জ কেন্দ্রেই তাঁকে টিকিট দেওয়া হবে কি না তা নিয়ে দলের অন্দরে আলোচনা চলছিল। তবে রাজ্যসভার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে তৃণমূল নেতৃত্ব স্পষ্ট করে দিল, বাবুলকে সংসদের উচ্চকক্ষেই পাঠানোর পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়েছে। * কোয়েল মল্লিক কয়েকদিন আগেই ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ শোনানোর অছিলায় দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের বাড়িতে গিয়ে দীর্ঘ বৈঠক করেছিলেন। সেই রুদ্ধদ্বার বৈঠকের কয়েকদিনের মধ্যেই রঞ্জিতকন্যা কোয়েলকে রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক মহলে তীব্র কৌতূহল তৈরি করেছে।গত কদিন ধরেই তৃণমূলের অন্দরে রাজ্যসভার প্রার্থী নিয়ে চর্চা চলছিল। সেই আবহে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রঞ্জিত মল্লিকের বাড়িতে যাওয়া ও সেখানে তৃণমূলের নীতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার বিষয়টি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। * মেনকা গুরুস্বামী তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার তালিকায় অন্যতম বড় চমক সুপ্রিম কোর্টের প্রখ্যাত আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার সংমিশ্রণের পাশাপাশি আইনি লড়াইয়ে দলের অবস্থান পোক্ত করতে কৌশলী এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। মেনকা গুরুস্বামী সুপ্রিম কোর্টের একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী আইনজীবী হিসেবে পরিচিত। সমকামী অধিকার (ধারা ৩৭৭ বাতিল) বা একাধিক সাংবিধানিক মামলার ক্ষেত্রে তাঁর আইনি লড়াই জাতীয় স্তরে প্রশংসিত হয়েছে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
ট্রেন আসার জন্য রেল গেট পড়ছিলো, তাড়াহুড়ো করে গেট পার করতে গিয়ে সেই রেল গেট ভেঙ্গে পালালো গাড়ি। ব্যান্ডেল কাটোয়া শাখায় ব্যান্ডেল স্টেশন ছাড়ার পরেই ঈশ্বরবাগ এলাকায় জিটি রোডের উপর রয়েছে রেল গেট।ট্রেন আসার আগে গেট পড়ছিলো, তারাহুড়ো করে সেই গেট পার হতে গিয়েই ঘটলো বিপত্তি। জানা যায়, ঘটনাটি ঘটে রাত সাড়ে দশটা নাগাদ। ট্রেন আসছিল বলে পড়ছিল রেলগেট। ট্রেনের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে না থেকে তাড়াহুড়ো করে রেল গেট পার হতে যায় একটি ছোট ট্রাক। তখনই ওই গাড়ির সাথে ধাক্কা লাগে রেলগেটের। রেলগেট পড়ন্ত অবস্থাতেই বেঁকে যায়।তবে ধাক্কা মারার পর ট্রাকটি পালিয়ে যায়। কিন্তু রেল গেট ওই অবস্থাতেই আটকে যাওয়ায় ঘটে বিপত্তি। যানজট সৃষ্টি হয় জিটি রোডে। বড় লরি থেকে শুরু করে চার চাকা গাড়ি সব আটকে পড়ে। শুধুমাত্র বাইক পার হতে পারে। কিন্তু ট্রেন আসার সময় স্লাইডিং গেট ব্যবহার করে গেটম্যান। খবর দেওয়া হয় ব্যান্ডেল আরপিএফ এর পুলিশদের ও রেলের আধিকারীকদের।প্রায় ঘন্টা খানেক পর রেলের কর্মীরা এসে গেট মেরামতির কাজ শুরু করে। গেটে আটকে থাকা লরি চালক জানান,প্রায় ঘন্টাখানেক ধরে দাঁড়িয়ে আছেন। রেলগেট সারানো না হওয়ায় তিনি গাড়ি নিয়ে বেরোতে পারছেন না। প্রায় ঘন্টাখানেক বাদে রেলের আধিকারিকরা আসেন, গেট মেরামতির কাজ শুরু করেছেন। কিন্তু কখন ঠিক হবে বা কখন তিনি রেলগেট পার হতে পারবেন সেটা তিনি এখনো পর্যন্ত জানেন না। যদিও এই ঘটনায় রেলের কোন আধিকারিক মুখ খুলতে চাননি। প্রায় ঘন্টা দেড়েক পর ভাঙা গেট খুলে সরিয়ে জিটি রোডের যানজট মুক্ত করে যান চলাচল স্বভাবিক করা হয়।। #social #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
social - ShareChat
01:15
রুজিরার বিরুদ্ধে কোনো রকম মানহানিকর কথা বলাযাবে না - হাইকোর্ট অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা কোনো রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নয়, অথচ বিরোধী দলের মানুষেরা কাছে মাঝেই বক্তব্য রাখতে উঠে রুজিরাকে টেনে আনেন এবং খুবই মানহানিকর মন্তব্য করেন। আর তা সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ পায়। ফলে দ্রুত ছড়িয়ে পরে সেই কথাগুলো। এবার থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কোনওরকম মানহানিকর বা অবমাননাকর মন্তব্য করা যাবে না। শুধু তাই নয়, অকারণে তাঁর নাম জড়িয়ে সংবাদমাধ্যমে কোনও প্রচার করা যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। তিনি একটি রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হওয়ার জন্য তাঁর নাম জড়িয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তি সংবাদমাধ্যম ইচ্ছামতো প্রচার করছে। এই অভিযোগে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। সেই মামলায় বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের স্পষ্ট নির্দেশ, রুজিরার বিরুদ্ধে কোনওরকম মানহানিকর বা অকারণে তাঁর নাম জড়িয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রচার করা চলবে না। আগামী ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত এই অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি থাকবে বলে জানিয়েছে আদালত। ওই দিনই এই মামলার বিস্তারিত শুনানি হবে। রুজিরা যেহেতু কোনো রাজনৈতিক চরিত্র নয়, তাই তাকে rআজনীতির ময়দানে টেনে নামানো ও তা সংবাদ মাধ্যমে প্রচারের বিষয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে হাইকোর্ট।প্রসঙ্গত, এই সংক্রান্ত মামলায় আগেই বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডিকে তাদের তদন্তের বিষয়ে আগে থেকে সংবাদমাধ্যমে প্রচার না-করা বা ইনফর্ম না-করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমও যাতে অকারণে রুজিরার নাম ব্যবহার করে প্রচার না-করে সে বিষয়ে সতর্ক করেছিল আদালত। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি তদন্তের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরাকে ডেকে পাঠিয়েছিল। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাকের তলব করা হয়েছিল। তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়েওছিলেন। সেই নিয়ে বিরোধীরা ক্রমাগত মন্তব্য শুরু করেছিল। মানহানির জন্য তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। এখন কিছুদিনের জন্য হলেও স্বস্তি পেলেন রুজিরা। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
"পশ্চিমবঙ্গে যে অনুপ্রবেশকারীরা এখনও আছে, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরে আমাদের সরকার গঠন হলে সব বের করে দেবো" - বিহার থেকে অমিত শাহ স্বরাষ্ট্রেমন্ত্রী অমিত শাহ আবার বাংলার শাসকদলের বিরুদ্ধে চরম হুঙ্কার দিলেন। যদিও তাঁত এই হুঙ্কারকে ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল। বৃহস্পতিবার বিহারের আরারিয়া জেলার সীমাঞ্চল এলাকায় এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়ছে। আমি নিশ্চিত বিজেপি সরকার গড়বে। নতুন সরকার গঠনের পর প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে বের করে দেশছাড়া করা হবে।” শাহর বাংলা জয়ের দাবিকে তুলোধোনা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি বলেছেন, “অমিত শাহ কতদিন ফাটা রেকর্ড বাজাবেন। বারবার বলেন সরকার গড়বেন। বাংলা থেকে ওঁদের সাংসদ কমে গিয়েছে। উনি একজন ব্যর্থ জ্যোতিষী।” অনুপ্রবেশ ইস্যুও যে আদতে শাহর ব্যর্থতা, তা তুলে ধরে যুক্তিও দিয়েছেন কুণাল। তিনি বলেছেন, “অনুপ্রবেশ নিয়ে অমিত শাহ যতবার বলবেন, ততবার আত্মঘাতী গোল হবে। অনুপ্রবেশ রোখার সঙ্গে কারও সরকারে আসার সম্পর্ক নেই। আন্তর্জাতিক সীমানা পেরিয়ে কারা ঢুকছে, সেটা দেখার দায়িত্ব কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের। বিএসএফ-এর দেখার দায়িত্ব নিজেরাই বাড়িয়ে নিয়েছেন। ফলে অনুপ্রবেশ রোখার কাজ রাজ্যের পুলিশের নয়। আপনার ব্যর্থতা যে, আপনার বাহিনী রুখতে পারছে না। ত্রিপুরায় আপনাদের সরকার আছে। সেখানে কী করে রোহিঙ্গা ধরা পড়ল। আসলে ব্যর্থতা আপনাদের।” এই উত্তরের কোনো প্রতিক্রিয়া এখন পর্যন্ত সেইভাবে পাওয়া যায় নি। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
কল্যাণী জহরলাল নেহেরু মেডিকেল কলেজের হোস্টেল থেকে চিকিৎসক পড়ুয়ার পচা গোলাম মৃতদেহ উদ্ধার। নদিয়া: কল্যাণী জহরলাল নেহেরু মেমোরিয়াল হাসপাতালের হোস্টেল থেকে ফাইনাল বর্ষের এক ডাক্তারি পড়ুয়ার পচা গলা মৃত উদ্ধার কে ঘিরে চাঞ্চল্য। মৃত ডাক্তারি ছাত্রের নাম পুলক হালদার তার বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার ধামুয়ায়। স্থানীয় সূত্রে খবর গত ২০ ফেব্রুয়ারি বন্ধুদের সাথে হোস্টেলের ক্যান্টিনে খেতে দেখা গিয়েছিল তাকে। তারপর থেকে নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। বন্ধুবান্ধব থেকে শুরু করে কেউ তাকে আর দেখতে পায়নি বলে দাবি। আজ সকালে হঠাৎ ই ছাত্রের ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হতে থাকে। এরপরই হোস্টেলের অনন্য ছাত্ররা কলেজের উদ্ধতন কর্তৃপক্ষকে খবর দেয়। খবর দেওয়া হয় কল্যাণী থানায়। কল্যাণী থানার পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে তার মৃতদেহটি উদ্ধার করে। হোস্টেলের অন্যান্য ছাত্ররা জানায় আগামী মাসে তার পরীক্ষা ছিল। তবে মৃত্যুর কারণ এখনো পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে কল্যানী থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলে রয়েছে অন্যান্য পড়ুয়া থেকে শুরু করে কলেজ কর্তৃপক্ষ। #social #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
social - ShareChat
01:28
রেকর্ড গড়ে ‘যুবসাথী’ প্রকল্পে আবেদন ৬০ লক্ষ পার, সময়সীমা বৃদ্ধির দাবী রাজ্য বাজেটে ঘোষিত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘যুবসাথী’ প্রকল্পকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন উন্মাদনা তৈরি হয়েছে রাজ্যজুড়ে। বিধানসভা নির্বাচনের মুখে এই প্রকল্প যে তুরুপের তাস হতে চলেছে, তা স্পষ্ট হয়ে গেল আবেদনের পরিসংখ্যানেই। সরকারি তথ্য বলছে, নাম নথিভুক্তিকরণ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই আবেদনের সংখ্যা ৬০ লক্ষ ৯৫ হাজার ১৮১-এর গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। গত ১৬ তারিখ থেকে এই প্রকল্পের আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। সরকারি পোর্টাল খোলার পর থেকেই লক্ষ্য করা গেছে আবেদনকারীদের উপচে পড়া ভিড়। পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, কেবলমাত্র গত বুধবারই নতুন করে ৩ লক্ষ ২৪ হাজার ৭১টি আবেদন জমা পড়েছে। অর্থাৎ, প্রতি মুহূর্তে হাজার হাজার যুবক-যুবতী এই প্রকল্পের আওতায় আসতে চাইছেন। পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবারই ছিল আবেদনের শেষ দিন। কিন্তু আবেদনের এই বিপুল স্রোত এবং সার্ভারের ওপর অতিরিক্ত চাপের কথা মাথায় রেখে প্রশাসনিক স্তরে আলোচনা শুরু হয়েছে। নবান্ন সূত্রে খবর, বিপুল সংখ্যক আবেদনকারী যাতে সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন, সেজন্য আবেদনের সময়সীমা আরও বাড়ানো হতে পারে। যদিও সরকারিভাবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা এখনও হয়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সরকারের এই উদ্যোগে যুবসমাজের এই অভূতপূর্ব সাড়া রাজ্যের বর্তমান সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
রাজনীতির অলিন্দে কান পাতলেই ‘টিকিট-কীর্তন’ মেদিনীপুর থেকে পাহাড়, ঘাসফুল শিবিরে এখন ‘পারফরম্যান্স’ বনাম ‘গ্ল্যামার’ ধাঁধা বাংলার রাজনীতির মহাকাব্য কি এবার নতুন কোনও মোড় নিতে চলেছে? ২০২৬-এর নির্বাচনের ঘণ্টা বাজার আগেই গোটা রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে এক অলিখিত স্নায়ুযুদ্ধ। মেদিনীপুরের দুই জেলার ১৬ ও ১৫— মোট ৩১টি আসনের রেষারেষি সামনে আসতেই জানা গেল এটা তো হিমশৈলের চূড়া মাত্র; উত্তর থেকে দক্ষিণ, বাংলার ২৯৪টি আসনেই এখন তৃণমূলের অন্দরে ‘টিকিট-লটারি’র ভিড়। নেতাদের গন্তব্য এখন গঙ্গার ধারের নবান্ন নয়, বরং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিট বা কালীঘাটের অন্দরমহল। মেদিনীপুরের নেতারা যখন জেলাশাসকের দপ্তরে উন্নয়নের ‘সার্টিফিকেট’ জমা দিতে ব্যস্ত, তখন মালদা বা মুর্শিদাবাদের বিধায়করা কলকাতায় ঘাঁটি গেড়েছেন স্রেফ নিজের অস্তিত্ব রক্ষায়। রহস্যটা দানা বেঁধেছে সেখানেই— দল কি এবার ‘পুরনো চাল ভাতে বাড়ে’ নীতিতে চলবে, নাকি ‘অভিষেক-মডেল’-এ নতুন রক্তের ইনজেকশন দেবে? পটাশপুর বা চণ্ডীপুরের মতো আসনে যেমন পুরনো সেনাপতিরা নিজের ঘর সামলাতে নাজেহাল, তেমনই উত্তরবঙ্গের চা-বলয়ে প্রার্থী তালিকায় বড়সড় কাঁচি চলার গুঞ্জনে ঘুম উবেছে বহু ডাকসাইটে নেতার। ধাঁধাটা আরও জটিল হয়েছে ‘গ্ল্যামার’ ফ্যাক্টরে। তমলুক থেকে টলিউড— রাজনীতির ময়দানে হঠাৎই কিছু ‘অচেনা’ মুখের আনাগোনা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, অনেক পুরনো মহীরুহ এবার স্রেফ দর্শকাসনে ঠাঁই পেতে পারেন। দুই মেদিনীপুরের ১৬ ও ১৫ আসনের অঙ্ক মেলাতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে, একেকটি আসনে দাবিদার অন্তত ৫ জন। এই ‘ওভারক্রাউডিং’ দশা এখন রাজ্যের সব জেলাতেই। কিন্তু ধাঁধাটা হলো অন্য জায়গায়— যাঁরা উন্নয়নের দোহাই দিয়ে জেলাশাসকের দপ্তরে ফাইল ছুটাচ্ছেন, তাঁদের জনপ্রিয়তার গ্রাফ কি সত্যিই উর্ধ্বমুখী? নাকি নিচুতলার কর্মীদের ক্ষোভ প্রশমিত করতে ব্যর্থ হয়ে এখন ‘প্রশাসনিক শংসাপত্র’-কেই শেষ অস্ত্র হিসেবে দেখছেন তাঁরা? পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে যারা লোকসভা ভোটে ‘লিড’ দিতে পারেননি, তাঁদের কি ব্রাত্য করে রাখা হবে? এই প্রশ্নটাও ভাবাচ্ছে অনেককেই। তদ্বির না কি লড়াই নেতাদের মধ্যে কেন এখন এলাকার মানুষের চেয়ে কলকাতার ‘দাদা-দিদিদের’ খুশি করার হিড়িক বেশি? রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের পর্যবেক্ষণ "বাংলার রাজনীতিতে এখন এক অদ্ভুত ‘মিউজিক্যাল চেয়ার’ চলছে। মেদিনীপুরের নেতাদের প্রশাসনিক দৌড়ঝাঁপ আসলে হারানো জমি ফিরে পাওয়ার এক মরিয়া কৌশল। তবে শেষ হাসি কে হাসবেন, তা ভোটারদের ইভিএম-এর আগে দলের স্ক্রিনিং কমিটির টেবিলেই নির্ধারিত হয়ে যাবে।" শীতের শেষে বসন্তের হাওয়া দিলেও, বাংলার রাজনীতির অলিন্দে এখন শুধুই টিকিট পাওয়ার উত্তাপ। কে গদি বাঁচাবেন আর কে গদি হারাবেন— এই ধাঁধার সমাধান আপাতত নবান্ন আর কালীঘাটের রেড ফাইলের মধ্যেই বন্দি। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
ফের সীমান্তে কর্তব্যরত অবস্থায় আত্মঘাতী বিএসএফ জওয়ান। নিজের সার্ভিস রিভলভার থেকে গুলি করে আত্মঘাতী ঐ বিএসএফ ইন্সপেক্টরের নাম রাকেশ শর্মা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে মঙ্গলবার জলঘর সীমান্তের গোপীনগর বিওপির ঘরে নিজেই নিজের মাথায় গুলি করে আত্মঘাতী হয়েছেন। ঠিক কি কারনে তিনি আত্মঘাতী হলেন সে ব্যাপারে বিএসএফ এর তরফে মঙ্গলবার রাত অবধি কিছুই জানা যায়নি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে বেশ কিছুদিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন তিনি। এদিন গোপীনগর বিওপি থেকে তাঁর দেহ বালুরঘাটে জেলা হাসপাতালে পৌঁছালে তা পোস্টমর্টেমের জন্য মালদহে স্থানান্তরিত করা হয়। #social #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
social - ShareChat
00:20