এবার আরো ভয়ঙ্কর অভিযোগ করলেন তৃণমূল বিধায়ক নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়
এই অভিযোগ অবশ্য আগে অনেকবার উঠেছে। মূল অভিযোগ তৃণমূল 'তোলাবাজি' পার্টি। সেই কথাটাই স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন বিধায়ক নড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়।
আইপ্যাকের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহা, আর এবার দলের অন্দরের দুর্নীতির ছবিটা তুলে ধরলেন বহরমপুরের তৃণমূল চেয়ারম্যান তথা বিধানসভা নির্বাচনে দলের প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে নাড়ুগোপাল দাবি করলেন, তৃণমূলের এভাবে শেষ হওয়ার একমাত্র কারণ দুর্নীতি। কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ এতদিন সামনে এনেছেন সাধারণ মানুষ, ছোট ব্যবসায়ীরা। আর এবার সেই অভিযোগ শোনা গেল দলের নেতা তথা বহরমপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান নাড়ুগোপালের মুখে। চেয়ারম্যান বলেন, “সরকার পরিবর্তন হয়েছে। সরকার যে নিয়ম কার্যকরী রাখবে, সেই ভাবে চলবে পৌরসভা। নাগরিকরা যেন সহযোগিতা করে। সরকার চাইলে পৌরসভা ভেঙে দেবে, সরকার চাইলে ভোট করাবে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাম আমলে বিরোধী দলের পৌরসভা বা পঞ্চায়েতগুলিতে কাজ করার সুযোগ ছিল, কোনওদিন সরকারি প্রকল্পে বাধা হয়নি। সেই রাজনীতির বদল ঘটিয়েছে তৃণমূল। তৃণমূল পরিচালিত না হলে কোনও কাজ হত না বলে মন্তব্য করেন তিনি। পৌরসভাগুলি বঞ্চিত হতো বলেই নাকি তৃণমূলের ছাতার তলায় আসতে হত।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
বিধানসভায় মন্ত্রীদের ঘরে আর শোভা পাচ্ছে না মমতার ছবি
সাধারণভাবে কোনো মহা মানবের ছবিই স্থান পায় দেওয়ালে। সে ঘরের দেওয়ালেই হোক অথবা বিধানসভায়। কিন্তু ২০১১ সালে মমতার নতুন দিয়েছিইল প্রত্যেকের ঘরে তার ছবি লাগানো বাধ্যতামূলক। এইবার সেই অহংকারের পতন হল। ইতিমধ্যেই বিধানসভার মন্ত্রীদের ঘর থেকে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমস্ত ছবি খুলে ফেলা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন মন্ত্রীদের ঘরে বা অন্যত্র কোথাও কোনও সমস্যা থাকলে সেখাবে মেরামতির কাজ চলছে। যেমন কোন সুইচ বোর্ডের সমস্যা থাকলে, কোথাও শীততাপ যন্ত্রের সমস্যা থাকলে মেরামত করার কাজ চলছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজ চলছে গোটা বিধানসভাজুড়েই।
বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার মূলত এই নির্দেশ বহাল থাকছে। নতুন সরকার শপথ নেওয়ার পরে আবার পুনরায় কাজ কর্ম শুরু হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ইতিমধ্যেই বিধানসভার মন্ত্রীদের ঘর থেকে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমস্ত ছবি খুলে ফেলা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন মন্ত্রীদের ঘরে বা অন্যত্র কোথাও কোনও সমস্যা থাকলে সেখাবে মেরামতির কাজ চলছে। যেমন কোন সুইচ বোর্ডের সমস্যা থাকলে, কোথাও শীততাপ যন্ত্রের সমস্যা থাকলে মেরামত করার কাজ চলছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজ চলছে গোটা বিধানসভাজুড়েই। একইভাবে বিধানসভার অ্যানেক্স বিল্ডিংয়ে বারবার প্রয়োজনীয় পরিদর্শন করছেন পূর্ত দফতরের আধিকারিকরা। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও করছেন। নতুন নতুন নির্দেশও দেওয়া হচ্ছে কর্মীদের। সূত্রের খবর, ওখানেই তৈরি হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়। গোটা বিধানসভায় বাড়ানো হয়েছে পুলিশি বন্দোবস্ত।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
যেমন পুত্র স্নেহে ধ্বংস হয়েছিল কৌরব বংশ তেমনই অভিষেক স্নেহে শেষ হয়ে গেলো তৃণমূল - রত্না দে নাগ
তৃণমূলের অন্দরে চারিদিকে বিদ্রোহ শুরু হয়েছে মূলত অভিষেকের বিরুদ্ধে। এবার কিছুটা হলেও অভিযোগ উঠলো মমতার বিরুদ্ধে। এবার দলের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের সঙ্গী রত্না দে নাগ। সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে লিখলেন, ‘পুত্র স্নেহে অন্ধ ধৃতরাষ্ট্র কৌরব বংশের ধ্বংসের একমাত্র কারণ।’ তিনি কারও বিরুদ্ধে নাম করে আক্রমণ করেননি। তবে তৃণমূল ও জেলা রাজনৈতিক মহলের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেছেন তিনি।পেশায় চিকিৎসক রত্না দে নাগ দীর্ঘ দিনের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গী। হুগলি থেকে কয়েকবারের সাংসদ ছিলেন।
২০২১ সালে তিনি পাণ্ডুয়া থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার তাঁকে টিকিট দেয়নি তৃণমূল। এই নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবি হওয়ার পর দলীয় নেতৃত্বের একাংশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর গ্রহণ করা একাধিক নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ভোট কুশলী সংস্থা আইপ্যাকের সাহায্যে দল পরিচালনা করার বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন নেতারা। অনেকেই বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে অভিষেকের সিদ্ধান্ত না মেনে নেওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। মমতার হাতে পুরো রাশ থাকলে এই ফলাফল হত না বলে দাবি বিক্ষুব্ধ নেতাদের একাংশের। সেই দলে এবার নাম লেখালেন প্রাক্তন বিধায়ক ও সাংসদ রত্না দে নাগ।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
প্রকাশিত হল মাধ্যমিকের ফল - প্রথম অভিরূপ ভদ্র
সকাল থেকেই টান টান উত্তেজনার মধ্যে অবশেষে প্রকাশির হল মাধ্যমিকের ফল।
পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৮৪ দিনের মাথায় ফল প্রকাশ হল মাধ্যমিকের। আজ সকাল সাড়ে ৯টায় সাংবাদিক বৈঠক করে ফলপ্রকাশ করল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE)। এবছর মাধ্যমিকে পাশের হার সামান্য বেড়েছে। গত বছর পাশের হার ছিল ৮৬.৫৬ শতাংশ। এবছর পাশের হার ৮৬.৮৩ শতাংশ। পাশের হারে এগিয়ে কালিম্পং। তারপরেই রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর। ৯০-১০০ শতাংশ পেয়েছে ১.৪৬ শতাংশ। ৮০-৯০ শতাংশ পেয়েছে ২.৮৯ শতাংশ। ৭০-৮০ শতাংশ পেয়েছে ৯.৬৪ শতাংশ। প্রথম দশে রয়েছেন ১৩১ জন ছাত্রছাত্রী। ১৯ টি জেলা থেকে প্রথম দশে জায়গা পেয়েছেন ছাত্রছাত্রীরা। প্রথম হয়েছেন অভিরূপ ভদ্র। উত্তর দিনাজপুরের সারদা বিদ্যাপীঠের ছাত্র। ৯৯.৭১ শতাংশ নম্বর পেয়েছে সে। আরো বিস্তারিত খবর আসছে।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
আন্তর্জাতিক
ভারতের বিপদে হাত বাড়িয়ে দিলো পাকিস্তানের নৌসেনা
ভারত ধন্যবাদ জানিয়েছে পাকিস্তানকে। এমন ঘটনা সচরাচর ঘটে না। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আরব সাগরে আটকে পড়েছিল একটি ভারতীয় জাহাজ। বিপদ সংকেত পেয়ে পাশে দাঁড়াল পাকিস্তানি নৌবাহিনী! ভারতীয় জাহাজের নাবিকদের জন্য খাদ্য, চিকিৎসা ও অন্যান্য জরুরি সাহায্যের ব্যবস্তা করে পাক নৌসেনা। এমভি গৌতম নামের জাহাজটি ওমান থেকে ভারতে আসছিল। আরব সাগরে এসে গুরুতর যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সেটি থমকে যায়। কোনও ভাবেই এগোনো সম্ভব হচ্ছিল না বলেই বিপদ সংকতে পাঠায় সেটি। এর পরেই ভারতীয় জাহাজের পাশে দাঁড়াল পাক নৌবাহিনীর একটি জাহাজ। জানা গিয়েছে, মুম্বইয়ের মেরিটাইম রেসকিউ অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন সেন্টার ইসলামাবাদ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে সাহায্য চায়। এর পরেই এমভি গৌতমে থাকা ছ’জন ভারতীয় ও এক ইন্দোনেশীয় নাবিকের জন্য উদ্ধার ও সহায়তা অভিযান শুরু করে পাকিস্তানি নৌবাহিনী।
এর জন্য পিএমএসএস নামের একটি জাহাজকে কাজে লাগানো হয়। পাক নৌসেনা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিপদে পড়া নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এমভি গৌতমের কর্মীদের খাদ্য, চিকিৎসা সহায়তা করা হয়েছে। এইসঙ্গে কারিগরি সহায়তা-সহ জরুরি সাহায্য প্রদান করা হয়। এই উদ্ধার ও সহায়তা অভিযানে পাক নৌবাহিনীকে সাহায্য করেছে পাকিস্তান মেরিটাইম সিকিউরিটি এজেন্সি (পিএমএসএ)।
জানা গিয়েছে, মুম্বইয়ের মেরিটাইম রেসকিউ অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন সেন্টার ইসলামাবাদ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে সাহায্য চায়। এর পরেই এমভি গৌতমে থাকা ছ’জন ভারতীয় ও এক ইন্দোনেশীয় নাবিকের জন্য উদ্ধার ও সহায়তা অভিযান শুরু করে পাকিস্তানি নৌবাহিনী। এর জন্য পিএমএসএস নামের একটি জাহাজকে কাজে লাগানো হয়। পাক নৌসেনা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিপদে পড়া নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এমভি গৌতমের কর্মীদের খাদ্য, চিকিৎসা সহায়তা করা হয়েছে। এইসঙ্গে কারিগরি সহায়তা-সহ জরুরি সাহায্য প্রদান করা হয়।
#international
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
বিনোদন
দেব সৌজন্যবোধ এখনও বজায় রেখেছে
নির্বাচনের রেজাল্ট বের হবার পরে দেব কিন্তু একবারও বলেন নি এই রেজাল্ট আমি মানি না। বরং তিনি বিজেপিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল কংগ্রেস-এর ঘনিষ্ঠ মুখ হিসেবে পরিচিত দেব-এর একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিধানসভা ফল ঘোষণার পর দেবের বার্তায় মিলল রাজনৈতিক সৌজন্যের পাশাপাশি শিল্পীসত্তা ও ইন্ডাস্ট্রির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ। বিজেপিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দেব লিখেছেন, ‘বঙ্গের নতুন সরকার গঠনের জন্য প্রাপ্ত জনসমর্থনের জন্য বিজেপিকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। আশা করি, এই সরকার আমাদের রাজ্যের উন্নয়ন, শান্তি ও সামগ্রিক অগ্রগতির লক্ষ্যে কাজ করবে এবং সর্বস্তরের মানুষের কণ্ঠস্বরকে যথাযথ গুরুত্ব দেবে।’
চলচিত্র জগৎ নিয়ে দেবের লেখায় উঠে এসেছে, ‘জনজীবন ও চলচ্চিত্র জগত—উভয়ের সঙ্গেই যুক্ত একজন হিসেবে, নতুন সরকারের কাছে আমার আন্তরিক আবেদন, ঐক্য ও সৃষ্টিশীল স্বাধীনতার পরিবেশ বজায় রেখে বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হোক। চলচ্চিত্রের অন্দরে বিভাজন বা নিষেধাজ্ঞার সংস্কৃতি পরিহার করে পারস্পরিক সম্মান, সহাবস্থান ও সহযোগিতার মাধ্যমে এই শিল্পকে সমৃদ্ধ করা জরুরি। কারণ, সিনেমা শুধু বিনোদন নয়—এটি বাংলার সংস্কৃতি ও পরিচয়ের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ।’ ঘাটালের কথা বলতেও ভোলেননি দেব। লিখেছেন, ‘এর পাশাপাশি, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের দ্রুত বাস্তবায়নের দিকেও নতুন সরকারের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এটি ঘাটালবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ও অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি প্রকল্প। এই ব্যাপারেও তিনি বিজেপির সরকারের সাহায্য চান।
#Entertainment
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
অক্ষয় কুমার হাসপাতালে - কিন্তু কেন
সব সময় নিজেকে ফিট রাখেন ৫৯ বছরের চির যুবক অক্ষয় কুমার। কিন্তু এবার কি হল? সম্প্রতি ‘ভূত বাংলা’র বক্স অফিস সাফল্যের আনন্দে যখন গোটা টিম মেতে রয়েছে, তখনই সামনে এল এই খবর। প্রিয় তারকার অসুস্থতার কথা শুনে স্বাভাবিকভাবেই কপালে ভাঁজ পড়েছিল অনুরাগীদের। তবে এখন প্রশ্ন হল, ঠিক কী হয়েছে অক্ষয়ের? আসলে কেরালায় (Keralam) তাঁর আগামী ছবি ‘স্কাই ফোর্স’-এর (কিছু সূত্রে আনিস বাজমির ছবি বলা হচ্ছে) শুটিং নিয়েই চরম ব্যস্ত ছিলেন আক্কি। সঙ্গে ছিলেন বিদ্যা বালান ও রাশি খান্নার মতো তারকারা। কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরেই তাঁর চোখের সমস্যা তাঁকে বেশ ভোগাচ্ছিল। কাজ নিয়ে কোনও আপস করতে চান না বলেই হয়তো এতকাল চেপে রেখেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে তাকে নিতেই হল অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত। ৬ মে অক্ষয় কুমারের চোখের একটি ছোট অস্ত্রোপচার বা ‘ভিশন কারেকশন সার্জারি’ সম্পন্ন হয়েছে। জানা গিয়েছে, এটি একটি রুটিন প্রক্রিয়া ছিল এবং ভয়ের তেমন কিছু নেই।
অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে এবং অভিনেতা এখন দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন। তবে চোখের বিষয় বলেই চিকিৎসকরা তাঁকে আপাতত কড়া বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন। ফলে লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশনের চেনা জগত থেকে কয়েক দিনের জন্য বিরতি নিচ্ছেন তিনি। অক্ষয় মানেই ঝড়ের গতিতে কাজ। সবে ১৭ ই এপ্রিল মুক্তি পেয়েছে তাঁর ছবি ‘ভূত বাংলা’। খুব অল্প দিনেই দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে এই ছবি। সেই সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন প্রোজেক্টের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন তিনি। কিন্তু শরীর তো আর মেশিন নয়। তাই চোখের সমস্যার স্থায়ী সমাধান করে ফের বড় পর্দায় ফিরবেন অক্ষয়
#Entertainment
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
চন্দ্রনাথের খুন কি রাজনৈতিক? উঠেছে প্রশ্ন
বুধবার রাতে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথকে গুলি করে হত্যা করা হয়। আগে থেকে পরিকল্পনা করে তাঁর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে খুন করা হয়েছে। ঠান্ডা মাথায় এই কাজ করা হয়েছে। বুধবার মধ্যমগ্রামের হাসপাতালে পৌঁছে এমনই দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, ঠান্ডা মাথায় পূর্ব পরিকল্পনাভাবে চন্দ্রনাথকে খুন করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের বিজেপি কর্মী সমর্থকদের কাছে তিনি আবেদন করেছেন, কেউ যেন আইন নিজেদের হাতে তুলে না নেন। শুভেন্দু জানান, চন্দ্রনাথকে খুনের সঙ্গে রাজনীতির যোগ থাকতে পারে। তবে এখনই নিশ্চিতভাবে তা বলতে চাননি শুভেন্দু। পুলিশের তদন্তের উপরেই ভরসা রেখেছেন তিনি।
তিনি জানান, গত দুই তিন ধরে রেইকি করে খুনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার সঠিক তদন্ত করবে। এবিষয়ে তাঁর সঙ্গে রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্তার কথা হয়েছে। দলের কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশে শান্তি বজায় রাখার বার্তা দেন শুভেন্দু। তিনি আরও জানান, এদিনই খড়দহ, বরাহনগর ও বসিরহাটে আক্রান্ত হয়েছেন দলের কর্মী সমর্থকরা। ২-৩ দিনের মধ্যে দায়িত্ব নেবে বিজেপি সরকার। আর জি করের ঘটনার মতো যাতে কোনও ঘটনা বিচারহীন না থাকে তার ব্যবস্থা করা হবে। মৃতের পরিবার ও আহতদের চিকিৎসার সমস্ত দায়িত্ব বিজেপি নেবে বলে জানান শুভেন্দু।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
বিজেপির শপথ গ্রহনের সময় তৃণমূলের সমস্ত পার্টি অফিসে রবীন্দ্রসংগীত বাজানোর নির্দেশ মমতার
মমতা পদত্যাগ করছেন না। তিনি মনে করেন তৃণমূল হারে নি, হারানো হয়েছে। এদিকে ২৫ বৈশাখ কবিগুরুর জন্মদিনে নতুন সরকার শপথ নেবে। মমতা সাফ জানিয়ে দেন, “আমি গিয়ে পদত্যাগ করব না। রাষ্ট্রপতি শাসন হলে হোক। রেকর্ড থাকুক।” নতুন সরকারের শপথের দিন দলীয় কার্যালয়ে রবীন্দ্রসঙ্গীত বাজানোর নির্দেশও দেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো ভোটের ফলাফল অনুযায়ী ছাব্বিশের ভোটে ২০৭ আসনে জয়ী বিজেপি। হেরে গিয়েছে তৃণমূল। অথচ ভোটের ফল মানতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী দিনে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার ভাবনা রয়েছে তাঁর।
এই প্রসঙ্গে মমতা আরও বলেন, “আদালতে আমি, চন্দ্রিমা আবার আদালতে প্র্যাকট্রিস করব। নানা মামলা যা হচ্ছে আমি, চন্দ্রিমা, বিপ্লব মিত্র, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় সবাই আইনজীবী হিসাবে দেখব।” এর আগে মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন সাধারণ মানুষের স্বার্থে এসআইআর মামলায় সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে নিজে সওয়াল করেন মমতা। এদিনের বৈঠকে দলের ‘দুঃসময়ে’ সকলকে আরও একজোট হয়ে চলার বার্তা দেন তৃণমূলনেত্রী। দলীয় নেতা-কর্মীদের একাংশের মতে, এমন ভরাডুবির নেপথ্যে রয়েছে অন্তর্ঘাত। সেকথা মাথায় রেখে এদিন মমতা বলেন, “যে বা যারা অন্তর্ঘাত করছে তাদের নাম দিন।” দল যে ভিতর থেকে ভাঙছে, তার বোধহয় প্রাথমিক ইঙ্গিত পেয়েছেন মমতা। দলে ভাঙনের আশঙ্কা যে প্রবল মঙ্গলবারের সাংবাদিক বৈঠকে প্রকাশ করেছিলেন।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে প্রবল ক্ষোভ প্রকাশ করলেন জ্ঞানেশ কুমার
২০২৬ সালের ভোটকে সব দিক দিয়েই 'ঐতিহাসিক' বলা হচ্ছে। অথচ বিপুল ভোটে বিজেপির বিজয়ের পরেই বাংলার কোনো কোনো জায়গায় ভোট পরবর্তী হিংসা শুরু হয়েছে - যা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেনা না জ্ঞানেশ কুমার। ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এবার এই নিয়ে আরও কড়া বার্তা দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। ভোট পরবর্তী হিংসায় উস্কানিদাতা এবং ভাঙচুরকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিলেন তিনি। বাংলায় ভোটের ফল বেরনোর পর বিভিন্ন জায়গায় ভাঙচুরের খবর পাওয়া যায়। এই নিয়েই এবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার রাজ্যের মুখ্যসচিব, ডিজিপি, কলকাতা পুলিশ কমিশনার এবং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ডিজি-সহ সমস্ত ডিএম, এসপি এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের হিংসা রোধে কড়া পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন। নিরবচ্ছিন্ন টহল দিতে হবে বলে জানিয়েছেন। জ্ঞানেশ কুমারের নির্দেশ, ভাঙচুরকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করা হবে। ভোট পরবর্তী হিংসায় উস্কানিদাতারাও ছাড় পাবেন না বলে স্পষ্ট করে দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার।
বাংলায় ভোটপর্ব নির্বিঘ্নে মিটেছে। কোনও রক্তপাত হয়নি। ফল বেরনোর পরও বাংলায় যাতে কোনও অশান্তি না হয়, তা নিশ্চিত করাই যে কমিশনের উদ্দেশ্য, তা স্পষ্ট করে দিলেন জ্ঞানেশ কুমার।অন্যদিকে বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় গেরুয়া ঝড়ে উড়ে গিয়েছে তৃণমূল। ফল বেরনোর পর বিভিন্ন জায়গায় হিংসার ঘটনা নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বিজেপির পতাকা হাতে কোনওরকম হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। বিরোধীদের পার্টি অফিস দখল, ভাঙচুরে জড়িতদের দল থেকে বহিষ্কার করা হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta













