PRATHAM ALOR BARTA
ShareChat
click to see wallet page
@1737913406
1737913406
PRATHAM ALOR BARTA
@1737913406
PRESS & PUBLICATION
বিনোদন ইশা আম্বানির রেড কার্পেট সকলের নজর কাড়লেন ৬১তম আন্তর্জাতিক শিল্প প্রদর্শনী – লা বিয়েনালে দি ভেনেজিয়া-তে ভারতের জাতীয় প্যাভিলিয়নের উদ্বোধনে শ্রীমতি ইশা আম্বানি বিশ্বের সঙ্গে ভারতের ক্রমবিকাশমান সাংস্কৃতিক সংলাপ নিয়ে আলোকপাত করেন। নীতা মুকেশ আম্বানি কালচারাল সেন্টারের প্রতিনিধিত্ব করে তিনি তাঁর মা শ্রীমতী নীতা আম্বানির স্বপ্ন ও অনুরাগ গ্রহণ করেছেন, যাঁর শিল্পকলার প্রতি অবিচল অঙ্গীকার ‘ভারতের সেরা জিনিস বিশ্বে নিয়ে যাওয়া এবং বিশ্বের সেরা জিনিস ভারতে নিয়ে আসা’—এনএমএসিসি-র এই লক্ষ্যকে আজও রূপদান করে চলেছে। ভারতকে ‘ঘরের ধারণা’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি ‘ভারত ও ভেনিসের মধ্যে এক দীর্ঘ সংলাপের আশা’ ব্যক্ত করেন, ‘যা নিয়ে আমাদের পূর্বপুরুষেরা গর্বিত হবেন এবং আমাদের সন্তানেরা এর উত্তরাধিকারী হবে।’ আপনাদের জানিয়ে রাখি যে, বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ফ্যাশন ইভেন্ট ২০২৬ মেট গালার রেড কার্পেট আরও একবার ভারতীয় শিল্প ও ঐতিহ্যের এক ভিন্ন ঝলক তুলে ধরেছে। মুকেশ ও নীতা আম্বানির কন্যা ইশা আম্বানি যেখানে খাঁটি সোনার সুতোয় বোনা শাড়িতে রেড কার্পেটে হেঁটেছেন, সেখানে তাঁর ভাবীর ছোট বোন দিয়া মেহতা জাতিয়াও তাঁর গ্ল্যামারাস স্টাইল দিয়ে সকলের মন জয় করে নিয়েছেন। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের মেট গালার জন্য প্রস্তুত হওয়ার পর দিয়াকে তাঁর বড় বোন শ্লোকার ভাবি ইশা আম্বানির সঙ্গে বাইরে বের হতে দেখা যায়। তাঁদের একটি ভিডিও বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে। #Entertainment #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
Entertainment - ShareChat
এবার ফিরহাদ কন্যা প্রিয়দর্শীনি একহাত নিলেন মমতাকে ভোটে এই ভয়ঙ্কর বিপর্যয়ের পরে মমতা যতই বলুন, আমরা হারি নি, তার দলের ভেতর থেকেই উঠেছে দলের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা। আর সমস্ত আক্রমনের কেন্দ্রেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের ‘বিপর্যয়ে’র সময়ে তৃণমূলের একের পর এক নেতার তোপের মুখে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। কোচবিহারের রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, মালদহের কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী সহ একাধিক নেতা অভিষেকের ‘কর্পোরেট’ স্টাইল ও আইপ্যাক নির্ভরতার সমালোচনা করে সরাসরি তোপ দেগেছেন। তা নিয়ে অবশ্য তাঁদের কপালে নেমে এসেছে শাস্তির খাড়া। এবার মুখ খুললেন ফিরহাদ হাকিমের মেয়ে প্রিয়দর্শিনী। সামাজিক মাধ্যমে তিনি মহাকাব্যের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে মমতাকে ‘ধৃতরাষ্ট্র’,অভিষেককে ‘দুর্যোধন’ বলে খোঁচা দিলেন। লিখলেন, “চোখে ঠুলি বেঁধে থেকো না। কান দিয়ে দেখো না।” দুই মহাকাব্যের তুলনা টেনে মমতাকে খোঁচা দিলেন পরিবারতন্ত্র নিয়ে। প্রিয়দর্শিনীর ইঙ্গিত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যক্তিগতভাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি অতিরিক্ত দুর্বল, আর সেই কারণেই আজ দলের এই বেহাল দশা। এখানেই শেষ নয়, তিনি নেত্রীকে বিঁধে বলেন, মমতা এখন অন্যের কথায় ওঠেন বসেন। দলের দীর্ঘদিনের সেনাপতিদের চেয়েও নবীন প্রজন্মের কথাকেই তিনি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে দাবি করেছেন। পরিবারতন্ত্র নিয়ে আক্রমণ করতে গিয়ে প্রিয়দর্শিনী হাকিম টেনে এনেছেন রামায়ণ ও মহাভারতের প্রসঙ্গ। দুই মহাকাব্যের তুলনা টেনে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, অতীতেও পরিবারতন্ত্রের কারণে বড় বড় সাম্রাজ্যের পতন হয়েছে। মমতাকে দেওয়া তাঁর এই খোঁচা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
উদার হাতে বাংলাকে টাকা দেওয়া শুরু করেছে কেন্দ্র এতদিন প্রচুর আন্দোলন করেও নে টাকা পায় নি মমতা সরকার। এবার শুভেন্দুর সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গে চলে আসছে জল প্রকল্পের টাকা। জল জীবন মিশন প্রকল্পের ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা পেতে চলেছে বিজেপির নতুন সরকার। নবান্ন সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই রাজ্য সরকারের সঙ্গে মউ স্বাক্ষরের পরেই রাজ্যের কোষাগারে ঢুকবে ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। প্রসঙ্গত, গত ২ বছর ধরে জল জীবন মিশনের টাকা বরাদ্দ করেনি কেন্দ্র। কিন্তু নতুন সরকার আসতেই কোষাগারের মুখ খুলে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় জল শক্তি মন্ত্রকের সচিব ভি এল কান্থা রাও এর সঙ্গে রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের সচিবের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে বলে নবান্ন সূত্রের খবর। বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া চলার মধ্যেই কেন্দ্র থেকে রাজ্যের জন্য বড় অঙ্কের বকেয়া বরাদ্দ মঞ্জুর করা হয়েছে।জলজীবন মিশনের অধীনে রাজ্যের জন্য প্রায় ২৭০০ কোটি টাকার বকেয়া বরাদ্দ অনুমোদন করেছে কেন্দ্র। বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার এই প্রকল্পের বকেয়া টাকা ছাড়ার জন্য কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যের দ্রুত চুক্তি স্বাক্ষর করার প্রক্রিয়া চলছে। বকেয়া বরাদ্দের পাশাপাশি, রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু করার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে এবং ন্যাশনাল হেলথ অথরিটির সঙ্গে রাজ্যের বৈঠক হয়েছে বলে জানা গিয়েছ। মূলত, নতুন করে সরকার গঠন ও প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হতেই কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বকেয়া টাকা ছাড়ার এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে নবান্ন সূত্রের খবর। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ~ " ~ - ShareChat
নন্দীগ্রামে বিজেপির নতুন প্রার্থী হতে পারে প্রলয় পাল প্রশ্ন উঠেছে আগেই শুভেন্দু অধিকারী কোন সিট ছাড়ছেনা? - নন্দীগ্রাম না ভবানীপুর। নন্দগ্রাম শুভেন্দুর হৃদয়ের জায়গা হলেও কিছু টেকনিক্যাল কারণে শেষ শেষ পর্যন্ত শুভেন্দু হয়তো নন্দীগ্রামই ছাড়ছেন। ২০২১। বিধানসভার আগে নন্দীগ্রামে প্রচারে গিয়ে আচমকা ঘোষণা করেছিলেন, সেখান থেকেই লড়বেন। বলেছিলেন, ভবানীপুর তাঁর ‘বড় বোন’। নন্দীগ্রাম ‘মেজো বোন’। একুশে সেই ‘মেজো বোন’ আসনে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) কাছে হেরেছিলেন মমতা। ছাব্বিশে ফের নন্দীগ্রামে তো বটেই সেই সঙ্গে মমতার তথাকথিত ‘বড় বোন’ ভবানীপুরেও তাঁকে চ্যালেঞ্জ জানান শুভেন্দু। রাজ্যে বিজেপির বিপুল হাওয়ায় দুই আসন থেকেই জিতেছেন হবু মুখ্যমন্ত্রী। আগের বার তৃণমূলনেত্রীকে হারান নিজের গড়ে, এবার হারান মমতার গড়েই। সঙ্গে সঙ্গে উঠে আসে অবধারিত প্রশ্ন, দুই আসনের বিধায়ক কোন আসন নিজের হাতে রাখবেন? আর কোন আসন ছাড়বেন? বিজেপি সূত্রের খবর, এর আগে যে আসন তিনবার তাঁকে বিধানসভায় পাঠিয়েছে সেই নন্দীগ্রাম ছেড়ে দিচ্ছেন শুভেন্দু। দলীয় স্তরেই ওই সিদ্ধান্ত হয়েছে। আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁরই গড়ে ঢুকে হারানোটা চাট্টিখানি কথা নয়। এটা শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক কেরিয়ারের অন্যতম সেরা সাফল্য। ফলে ভবানীপুর ছেড়ে দিলে ভালো বার্তা যাবে না। তাছাড়া শুভেন্দু যেহেতু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন, তাই কলকাতার কোনও আসনে তিনি বিধায়ক থাকলে প্রশাসনিক কাজেরও সুবিধা। নাহলে জেলা থেকে রাজধানীতে যাতায়াতটা প্রশাসনিকভাবে বেশ কঠিন। বিজেপি মনে করছে, শুভেন্দু অধিকারীর নিজের জেলার নন্দীগ্রাম আসন তিনি ছেড়ে দিলেও রাজনৈতিকভাবে বিশেষ প্রভাব পড়বে না। তাছাড়া ওই আসনটি শুভেন্দুর পকেট সিট। সেখান থেকে জিতে আসতে কোনও কাঠখড়ও পোড়াতে হবে না। ফলে ওই আসনে শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ কাউকে প্রার্থী করে বিধানসভায় আনা যাবে। সেই প্রার্থীটি কে হবেন, সেটাও একপ্রকার চূড়ান্ত। শোনা যাচ্ছে, নন্দীগ্রাম থেকে বিজেপি প্রার্থী করতে পারে শুভেন্দুর দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ অনুগামী প্রলয় পালকে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - 099 099 - ShareChat
ভবানীপুর বাসীদের ধন্যবাদ জানালেন অমিত শাহ ও শুভেন্দু গেরুয়া শিবিরের এই বিশাল জয়ে খুশি সমস্ত বাংলা। বিশেষ করে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হচ্ছে ভবানীপুর বাসীকে। শুক্রবার বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টার থেকে তাঁর নাম ঘোষণা করেন অমিত শাহ (Amit Shah)। নিজের নাম শুনে চোখ ছলছল হয়ে ওঠে শুভেন্দুর। ঘোষণার পর বঙ্গবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দুর লড়াইকে কুর্নিশ জানালেন শাহ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘ভবানীপুরবাসীকে আমার বিশেষ ধন্যবাদ এখান থেকে শুভেন্দুদাকে বিজয়ী করার জন্য। মমতাজি, আপনি তো বলতেন যে ভবানীপুরের ঘরের মেয়ে আপনি। মনে রাখুন, আপনার ঘরে ঢুকেই শুভেন্দুদা আপনাকে হারিয়েছেন।” উল্লেখ্য, ভবানীপুরের মতো হাইভোল্টেজ কেন্দ্র থেকে ১৫ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বছর ছয়েক আগে অমিত শাহর হাত ধরেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। নিজের উজ্জ্বল রাজনৈতিক কেরিয়ারের কারণে সেই থেকে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিশ্বাসভাজন হয়ে উঠেছিলেন। একুশ এবং ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে বাংলার মাটিতে পদ্ম ফুটিয়ে তোলার গুরুভার তাঁকেই দিয়েছিল দিল্লির শীর্ষ নেতৃত্ব। একুশে সফল না হলেও ছাব্বিশে কার্যত গেরুয়া সুনামি হয়েছে রাজ্যে। একুশে বাংলায় ৭৭ জন বিধায়ক সংখ্যা ছাব্বিশে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০৭-এ। এত লড়াইয়ের পুরস্কার হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীকে। শুক্রবার সেই ঘোষণা করতে গিয়ে শুভেন্দুর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন অমিত শাহ। বললেন, ‘‘শুভেন্দুদা অত্যন্ত কঠিন লড়াই করেছেন। নন্দীগ্রামের সঙ্গে সঙ্গে ভবানীপুর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় থেকে তাঁকে হারিয়েছেন। আমি শুভেন্দুদাকে অনেকদিন ধরে চিনি। তৃণমূলে থাকার সময় থেকে তাঁকে জানি। আমরা মনে করি, বাংলায় সুশাসন এবং জনতার সুরক্ষা দিতে তিনিই যোগ্যতম ব্যক্তি।" #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
এবার আরো ভয়ঙ্কর অভিযোগ করলেন তৃণমূল বিধায়ক নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায় এই অভিযোগ অবশ্য আগে অনেকবার উঠেছে। মূল অভিযোগ তৃণমূল 'তোলাবাজি' পার্টি। সেই কথাটাই স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন বিধায়ক নড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়। আইপ্যাকের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহা, আর এবার দলের অন্দরের দুর্নীতির ছবিটা তুলে ধরলেন বহরমপুরের তৃণমূল চেয়ারম্যান তথা বিধানসভা নির্বাচনে দলের প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে নাড়ুগোপাল দাবি করলেন, তৃণমূলের এভাবে শেষ হওয়ার একমাত্র কারণ দুর্নীতি। কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ এতদিন সামনে এনেছেন সাধারণ মানুষ, ছোট ব্যবসায়ীরা। আর এবার সেই অভিযোগ শোনা গেল দলের নেতা তথা বহরমপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান নাড়ুগোপালের মুখে। চেয়ারম্যান বলেন, “সরকার পরিবর্তন হয়েছে। সরকার যে নিয়ম কার্যকরী রাখবে, সেই ভাবে চলবে পৌরসভা। নাগরিকরা যেন সহযোগিতা করে। সরকার চাইলে পৌরসভা ভেঙে দেবে, সরকার চাইলে ভোট করাবে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাম আমলে বিরোধী দলের পৌরসভা বা পঞ্চায়েতগুলিতে কাজ করার সুযোগ ছিল, কোনওদিন সরকারি প্রকল্পে বাধা হয়নি। সেই রাজনীতির বদল ঘটিয়েছে তৃণমূল। তৃণমূল পরিচালিত না হলে কোনও কাজ হত না বলে মন্তব্য করেন তিনি। পৌরসভাগুলি বঞ্চিত হতো বলেই নাকি তৃণমূলের ছাতার তলায় আসতে হত। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
বিধানসভায় মন্ত্রীদের ঘরে আর শোভা পাচ্ছে না মমতার ছবি সাধারণভাবে কোনো মহা মানবের ছবিই স্থান পায় দেওয়ালে। সে ঘরের দেওয়ালেই হোক অথবা বিধানসভায়। কিন্তু ২০১১ সালে মমতার নতুন দিয়েছিইল প্রত্যেকের ঘরে তার ছবি লাগানো বাধ্যতামূলক। এইবার সেই অহংকারের পতন হল। ইতিমধ্যেই বিধানসভার মন্ত্রীদের ঘর থেকে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমস্ত ছবি খুলে ফেলা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন মন্ত্রীদের ঘরে বা অন্যত্র কোথাও কোনও সমস্যা থাকলে সেখাবে মেরামতির কাজ চলছে। যেমন কোন সুইচ বোর্ডের সমস্যা থাকলে, কোথাও শীততাপ যন্ত্রের সমস্যা থাকলে মেরামত করার কাজ চলছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজ চলছে গোটা বিধানসভাজুড়েই। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার মূলত এই নির্দেশ বহাল থাকছে। নতুন সরকার শপথ নেওয়ার পরে আবার পুনরায় কাজ কর্ম শুরু হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বিধানসভার মন্ত্রীদের ঘর থেকে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমস্ত ছবি খুলে ফেলা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন মন্ত্রীদের ঘরে বা অন্যত্র কোথাও কোনও সমস্যা থাকলে সেখাবে মেরামতির কাজ চলছে। যেমন কোন সুইচ বোর্ডের সমস্যা থাকলে, কোথাও শীততাপ যন্ত্রের সমস্যা থাকলে মেরামত করার কাজ চলছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজ চলছে গোটা বিধানসভাজুড়েই। একইভাবে বিধানসভার অ্যানেক্স বিল্ডিংয়ে বারবার প্রয়োজনীয় পরিদর্শন করছেন পূর্ত দফতরের আধিকারিকরা। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও করছেন। নতুন নতুন নির্দেশও দেওয়া হচ্ছে কর্মীদের। সূত্রের খবর, ওখানেই তৈরি হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়। গোটা বিধানসভায় বাড়ানো হয়েছে পুলিশি বন্দোবস্ত। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
যেমন পুত্র স্নেহে ধ্বংস হয়েছিল কৌরব বংশ তেমনই অভিষেক স্নেহে শেষ হয়ে গেলো তৃণমূল - রত্না দে নাগ তৃণমূলের অন্দরে চারিদিকে বিদ্রোহ শুরু হয়েছে মূলত অভিষেকের বিরুদ্ধে। এবার কিছুটা হলেও অভিযোগ উঠলো মমতার বিরুদ্ধে। এবার দলের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের সঙ্গী রত্না দে নাগ। সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে লিখলেন, ‘পুত্র স্নেহে অন্ধ ধৃতরাষ্ট্র কৌরব বংশের ধ্বংসের একমাত্র কারণ।’ তিনি কারও বিরুদ্ধে নাম করে আক্রমণ করেননি। তবে তৃণমূল ও জেলা রাজনৈতিক মহলের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেছেন তিনি।পেশায় চিকিৎসক রত্না দে নাগ দীর্ঘ দিনের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গী। হুগলি থেকে কয়েকবারের সাংসদ ছিলেন। ২০২১ সালে তিনি পাণ্ডুয়া থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার তাঁকে টিকিট দেয়নি তৃণমূল। এই নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবি হওয়ার পর দলীয় নেতৃত্বের একাংশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর গ্রহণ করা একাধিক নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ভোট কুশলী সংস্থা আইপ্যাকের সাহায্যে দল পরিচালনা করার বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন নেতারা। অনেকেই বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে অভিষেকের সিদ্ধান্ত না মেনে নেওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। মমতার হাতে পুরো রাশ থাকলে এই ফলাফল হত না বলে দাবি বিক্ষুব্ধ নেতাদের একাংশের। সেই দলে এবার নাম লেখালেন প্রাক্তন বিধায়ক ও সাংসদ রত্না দে নাগ। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
প্রকাশিত হল মাধ্যমিকের ফল - প্রথম অভিরূপ ভদ্র সকাল থেকেই টান টান উত্তেজনার মধ্যে অবশেষে প্রকাশির হল মাধ্যমিকের ফল। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৮৪ দিনের মাথায় ফল প্রকাশ হল মাধ্যমিকের। আজ সকাল সাড়ে ৯টায় সাংবাদিক বৈঠক করে ফলপ্রকাশ করল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE)। এবছর মাধ্যমিকে পাশের হার সামান্য বেড়েছে। গত বছর পাশের হার ছিল ৮৬.৫৬ শতাংশ। এবছর পাশের হার ৮৬.৮৩ শতাংশ। পাশের হারে এগিয়ে কালিম্পং। তারপরেই রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর। ৯০-১০০ শতাংশ পেয়েছে ১.৪৬ শতাংশ। ৮০-৯০ শতাংশ পেয়েছে ২.৮৯ শতাংশ। ৭০-৮০ শতাংশ পেয়েছে ৯.৬৪ শতাংশ। প্রথম দশে রয়েছেন ১৩১ জন ছাত্রছাত্রী। ১৯ টি জেলা থেকে প্রথম দশে জায়গা পেয়েছেন ছাত্রছাত্রীরা। প্রথম হয়েছেন অভিরূপ ভদ্র। উত্তর দিনাজপুরের সারদা বিদ্যাপীঠের ছাত্র। ৯৯.৭১ শতাংশ নম্বর পেয়েছে সে। আরো বিস্তারিত খবর আসছে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
আন্তর্জাতিক ভারতের বিপদে হাত বাড়িয়ে দিলো পাকিস্তানের নৌসেনা ভারত ধন্যবাদ জানিয়েছে পাকিস্তানকে। এমন ঘটনা সচরাচর ঘটে না। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আরব সাগরে আটকে পড়েছিল একটি ভারতীয় জাহাজ। বিপদ সংকেত পেয়ে পাশে দাঁড়াল পাকিস্তানি নৌবাহিনী! ভারতীয় জাহাজের নাবিকদের জন্য খাদ্য, চিকিৎসা ও অন্যান্য জরুরি সাহায্যের ব্যবস্তা করে পাক নৌসেনা। এমভি গৌতম নামের জাহাজটি ওমান থেকে ভারতে আসছিল। আরব সাগরে এসে গুরুতর যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সেটি থমকে যায়। কোনও ভাবেই এগোনো সম্ভব হচ্ছিল না বলেই বিপদ সংকতে পাঠায় সেটি। এর পরেই ভারতীয় জাহাজের পাশে দাঁড়াল পাক নৌবাহিনীর একটি জাহাজ। জানা গিয়েছে, মুম্বইয়ের মেরিটাইম রেসকিউ অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন সেন্টার ইসলামাবাদ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে সাহায্য চায়। এর পরেই এমভি গৌতমে থাকা ছ’জন ভারতীয় ও এক ইন্দোনেশীয় নাবিকের জন্য উদ্ধার ও সহায়তা অভিযান শুরু করে পাকিস্তানি নৌবাহিনী। এর জন্য পিএমএসএস নামের একটি জাহাজকে কাজে লাগানো হয়। পাক নৌসেনা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিপদে পড়া নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এমভি গৌতমের কর্মীদের খাদ্য, চিকিৎসা সহায়তা করা হয়েছে। এইসঙ্গে কারিগরি সহায়তা-সহ জরুরি সাহায্য প্রদান করা হয়। এই উদ্ধার ও সহায়তা অভিযানে পাক নৌবাহিনীকে সাহায্য করেছে পাকিস্তান মেরিটাইম সিকিউরিটি এজেন্সি (পিএমএসএ)। জানা গিয়েছে, মুম্বইয়ের মেরিটাইম রেসকিউ অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন সেন্টার ইসলামাবাদ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে সাহায্য চায়। এর পরেই এমভি গৌতমে থাকা ছ’জন ভারতীয় ও এক ইন্দোনেশীয় নাবিকের জন্য উদ্ধার ও সহায়তা অভিযান শুরু করে পাকিস্তানি নৌবাহিনী। এর জন্য পিএমএসএস নামের একটি জাহাজকে কাজে লাগানো হয়। পাক নৌসেনা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিপদে পড়া নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এমভি গৌতমের কর্মীদের খাদ্য, চিকিৎসা সহায়তা করা হয়েছে। এইসঙ্গে কারিগরি সহায়তা-সহ জরুরি সাহায্য প্রদান করা হয়। #international #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
international - ٣ ٣ - ShareChat