PRATHAM ALOR BARTA
ShareChat
click to see wallet page
@1737913406
1737913406
PRATHAM ALOR BARTA
@1737913406
PRESS & PUBLICATION
আলিপুরে এবার থেকে শুভেন্দুর স্থায়ী ঠিকানা হতে চলেছে কাঁথি থেকে তো প্রতিদিন মহাকরনে আসা যায় না। কলকাতায় একটা থাকার জায়গা চাই। অবশেষে ঠিক হয়ে গেলো কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রীর স্থায়ী ঠিকানা। সূত্রের খবর, এবার থেকে আলিপুরের ‘সৌজন্য’-এ থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল সরকারের আমলে এই সৌজন্য (Soujanya) নির্মাণ করা হয়েছিল। ২০১৮ সালে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘সৌজন্য’ উদ্বোধন করেছিলেন। মূলত, ভিভিআইপিদের থাকার জন্য এই ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছিল। সূত্রের খবর, এবার এই সৌজন্য-ই স্থায়ী ঠিকানা হতে চলেছে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর। ইতিমধ্যে তার প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে। গতকালই দেখা যায় সৌজন্য-এর নিরাপত্তা আঁটসাটো করা হয়েছে। এই নিয়ে পূর্ত দফতরের আধিকারিকেরা বৈঠকও করেন। তারপর থেকেই খবর পাওয়া যাচ্ছে, এবার থেকে তাঁর ঠিকানা হতে চলেছে সৌজন্য। তবে কবে থেকে শুভেন্দু থাকবেন তা জানা যায়নি। শুভেন্দুর পৈতৃক বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরর কাঁথিতে। বাড়ির নাম ‘শান্তিকুঞ্জ’। শনিবার শপথগ্রহণের পর প্রয়োজনীয় কর্মসূচি শেষ করে শনিবার রাতেই বাড়ি গিয়েছিলেন শুভেন্দু। রবিবার সকাল থেকেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে দেখার জন্য ভিড় করেছিলেন বহু মানুষ। দিনভর বাড়িতেই ছিলেন। মা-মাসির হাতের রান্না করা খাবার খেয়েছেন পাত পেড়ে। মধ্যাহ্নভোজে মুখ্যমন্ত্রীর পাতে করলা সেদ্ধ, মোচার তরকারি থেকে সর্ষে ইলিশ ভাপা,মুরগির মাংস…কী ছিল না। পরে বিকেলেই শান্তিকুঞ্জ থেকে কলকাতার উদ্দেশে রওয়ান দেন। আজ শুভেন্দু অধিকারীর প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক। সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ নতুন মন্ত্রীদের নিয়ে ক্যাবিনেট বৈঠক হবে। আটকে থাকা কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি নিয়ে বৈঠক হতে পারে। তার আগে শুভেন্দুকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হবে। পরে নবান্নে সব বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক হতে পারে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - সৌডল্য  সৌডল্য - ShareChat
আন্তর্জাতিক তেল রাখার জায়গা নেই ইরানের, তেল ফেলে দিচ্ছে সমুদ্রে - ব্যাপক সমুদ্র দুষনের সম্ভাবনা সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘ইন্ডিয়া টুডে’র একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, হরমুজে আমেরিকার অবরোধের ফলে কোনও ট্যাঙ্কারই পারস্য উপসাগর ছাড়তে পারছে না। অন্যদিকে, ইরানের বন্দরেও প্রবেশ করতে পারছে কোনও ট্যাঙ্কার। ফলে ইরানের খার্গ দ্বীপে যতটা তেল উৎপাদিত হচ্ছে, তার প্রায় কিছুই রপ্তানি করতে পারছে না তেহরান। তাই ফুরিয়ে যাচ্ছে তেল মজুতের স্থান। সম্প্রতি একটি উপগ্রহ চিত্রে ইরানের খার্গ দ্বীপের প্রধান তেল রপ্তানি টার্মিনালের কাছে সমুদ্রপৃষ্ঠে বড় বড় কালো ছোপ দেখা গিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, অতিরিক্ত মজুত স্থান না থাকায় হাজার হাজার ব্যারেল তেল সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ইরান। সমুদ্রপৃষ্ঠে কালো ছোপগুলি তেল ছাড়া আর কিছুই নয়।   ইরানের ‘প্রাণভোমরা’ হল খার্গ দ্বীপ। দৈনিক প্রায় ৩ লক্ষ ব্যারেল তেল এখানে উৎপাদিত হয়। এই দ্বীপ থেকেই ইরানের মূল ভূখণ্ডে পরিবাহিত হয় তেল। কিন্তু আমেরিকার হরমুজ অবরোধের চালে এখন ভয়ংকর সমস্যার মুখে ইরান। শুধু তা-ই নয়, মার্কিন এই  পদক্ষেপের ফলে দেখা দিয়েছে সমুদ্র সংকটও। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান যদি সত্যিই উদ্বৃত্ত তেল সমুদ্রে ফেলে, তাহলে ভয়ংকর সমুদ্র সংকট তৈরি হবে। যার প্রভাব পড়তে পারে গোটা বিশ্বে। তাঁদের দাবি, এর নেতিবাচক প্রভাব শুধুমাত্র উপসাগরীয় দেশের উপকূলীয় অংশে বসবাসকারী জনবসতির উপরই যে পড়তে পারে, তা নয়। ঘটনায় বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে ওই এলাকার সামুদ্রিক প্রাণীকুলও। পরিবেশগত বিপর্যয় যেমন অচিরেই ঘটতে পারে এবং তার ফলে সমস্যায় পড়তে পারেন হাজার হাজার মানুষ, তেমনই মাছ থেকে শুরু করে কচ্ছপ, ডলফিন, তিমি-সহ একগুচ্ছ সামুদ্রিক প্রাণীর জীবন সংকটে পড়তে পারে।  #international #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
international - ShareChat
আন্তর্জাতিক এবার কি পুতিন শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে চলেছেন ? দীর্ঘ চার বছর ধরে চলা রক্তাক্ষয়ী যুদ্ধ এবার কি শেষের পথে? তেমনটাই ইঙ্গিত দিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সূত্রের খবর, সংঘাত থামাতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন তিনি। শীঘ্রই তিনি ইউক্রেনের সঙ্গে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেন বলেও খবর। রাশিয়ার বিজয় দিবস উপলক্ষে শনিবার মস্কোতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন পুতিন। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “আমার মনে হয় এই দীর্ঘ সংঘাত এবার শেষ হতে চলেছে।” রুশ প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্যের পরই কূটনৈতিক মহলে শুরু হয়ে গিয়েছে চর্চা। কারণ, ক্রেমলিন বছরের পর বছর ধরে ইউক্রেনের উপর নিজেদের সামরিক শক্তি প্রদর্শন করে আসছে। আচমকা রুশ প্রেসিডেন্টের সুর নরমে দুই বিবাদমান দেশ যেন এখন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের স্বপ্ন দেখছে। ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে সাক্ষাৎ নিয়ে পুতিনকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে উভয় পক্ষ যদি একটি সমঝোতায় রাজি হয়, তাহলেই একমাত্র দ্বিপাক্ষিক বৈঠক সম্ভব।” এদিকে শুক্রবারই রাশিয়া-ইউক্রেনের তিন দিনের একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সমাজমাধ্যম ট্রুথ সোশালে তিনি লেখেন, ‘আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলা যুদ্ধ তিন দিনের জন্য বন্ধ থাকবে।’ এর পরই জেলেনস্কি তাঁর এক্স হ্যান্ডলে নিশ্চিত করেন, চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে এই তিন দিনের সাময়িক যুদ্ধবিরতির ব্যবস্থা করা হয়েছে। #international #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
international - ShareChat
বিনোদন 'মোদির গ্যারান্টি’! - স্মরণ করলেন জিৎ শনিবার বিজেপির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিনোদন জগতের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা জিৎ। মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের দিন উপস্থিত থাকলেও কখনও সরাসরি রাজনীতির মঞ্চে দেখা যায়নি তাঁকে। টলিউডের ‘বস’ জিৎ বরাবরই নিজেকে রাজনৈতিক রঙ থেকে দূরে রাখতে পছন্দ করেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের দিন দেখা গেল অন্য ছবি। সকালে ব্রিগেডের জনসভায় অভিনেতা জিতের উপস্থিতি ঘিরে এখন টলিউড থেকে রাজনৈতিক মহল- সর্বত্রই চর্চা তুঙ্গে। পশ্চিমবঙ্গের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার এবং রাজ্যের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের আশা প্রকাশ করে একটি বার্তা সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন অভিনেতা। সেখানে তিনি লিখেছেন, এই জয় কেবল রাজনৈতিক জয় নয়, বরং মানুষের প্রতি এক বড় অঙ্গীকার। বাংলার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং শিক্ষাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই যেন তাঁর এই বার্তায় সুর মেলালেন অভিনেতা।  প্রধানমন্ত্রীর ‘মোদী গ্যারান্টি’-র ওপর সাধারণ মানুষের যে অগাধ বিশ্বাস রয়েছে, সেই প্রসঙ্গেরও উল্লেখ রয়েছে জিতের এই পোস্টে। দীর্ঘদিন ধরে বাংলার গৌরব ম্লান হয়েছে বলে মনে করেন অভিনেতা, তা নিয়ে নিজের যন্ত্রণার কথা গোপন রাখেননি জিৎ। তাঁর কথায়, পশ্চিমবঙ্গ মেধা ও পরিশ্রমের ভূমি। সেই ভূমিকে পুনরায় ‘সোনার বাংলা’ হিসেবে দেখার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। রাজনীতির আঙিনায় পা না রাখা এই তারকার এমন পোস্ট এবং ব্রিগেডে হাজিরা কি তবে নতুন কোনও সমীকরণের ইঙ্গিত? জিতের এই পদক্ষেপ টলিউডের অন্দরেও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
প্রবল ক্ষোভে ফেটে পারেন অক্ষয় খান্না ফিল্ম জগতে অক্ষয় খান্না একজন মানবিক মুখ বলেই পরিচিত। তেমনই পরিচয় আবার পাওয়া গেলো। সেটে খুব একটা কথা বলেন না, নিজের চরিত্র আর কাজ নিয়েই মগ্ন থাকেন সারাক্ষণ। কিন্তু সেই শান্ত মানুষটাই একদিন সেটে এমন রুদ্রমূর্তি ধারণ করেছিলেন যে উপস্থিত সকলের রক্ত হিম হয়ে গিয়েছিল। শুধু তাই নয়, এক জুনিয়র বা স্বল্প পরিচিত অভিনেতার আত্মসম্মান রক্ষা করতে গিয়ে রীতিমতো ‘আগ্নেয়গিরি’র মতো ফেটে পড়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই অজানা গল্প শুনিয়েছেন অভিনেতা অমিত বহেল। ঘটনাটি ঘটেছিল একটি সিনেমার শ্যুটিং চলাকালীন। শ্যুটিং ইউনিটের মূল তারকাদের জন্য যে হোটেলে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা ছিল, সেখানে ভুল করে চলে এসেছিলেন এক স্বল্প পরিচিত অভিনেতা। তিনি অন্য একটি সাধারণ হোটেলে ছিলেন। খিদের মুখে সেই অভিনেতা যখন বুফে থেকে প্রথম গ্রাসটি মুখে তুলতে যাবেন, ঠিক তখনই বাধা দেন প্রযোজকের এক আত্মীয়।  সবার সামনেই তাঁকে অপমান করে বলা হয়, “আপনি এখানে খেতে পারবেন না।” অপমানে মাথা নিচু করে খাবারের প্লেটটি সরিয়ে রেখে একপাশে গিয়ে বসেন সেই অভিনেতা। পুরো ঘটনাটি অক্ষয় খান্না দূর থেকে লক্ষ্য করছিলেন। সাধারণত তিনি সেটে কারও সঙ্গে খুব একটা কথা বলেন না, কিন্তু সহকর্মীর এই অপমান তিনি মুখ বুজে সহ্য করতে পারেননি। অমিত বহেল জানান, সেই মুহূর্তে অক্ষয় যা বলেছিলেন তা সারা জীবন মনে রাখার মতো। তিনি প্রযোজক এবং উপস্থিত কর্মকর্তাদের সটান জানিয়ে দেন, “খিদের কোনও জাত হয় না, আর মানুষের সম্মানের চেয়ে বড় কিছু নেই।” অক্ষয় সেদিন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছিলেন যে, শ্যুটিং সেটে কেবল নামী তারকারাই সব নন, প্রতিটি শিল্পীই সমান সম্মানের দাবিদার। তিনি চিৎকার করে বলেছিলেন, “কটা প্লেট খাবার নষ্ট হল বা কত খরচ হল, তা দিয়ে সিনেমা হিট হয় না; সিনেমা তৈরি হয় মানুষের আশীর্বাদে।” এক শান্ত মানুষের এমন রণংদেহী রূপ দেখে সেদিন সেটে উপস্থিত প্রত্যেকেই স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন। #Entertainment #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
Entertainment - after BOMBA   studios after BOMBA   studios - ShareChat
বিনোদন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন একগুচ্ছ অভিনেতা অভিনেত্রী ১৫ বছর পরে এবার নতুন সরকার। শুভেন্দুর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে শনিবার উপস্থিত ছিলেন অনেকেই। সবার নজর ছিল এই অনুষ্ঠানে বিনোদন জগত থেকে কারা কারা অংশ নেবেন। সম্ভাব্য তালিকায় উঠে এসেছিল বহু শিল্পীদের নাম। শেষমেশ কারা হাজির ছিলেন ব্রিগেড গ্রাউন্ডে? প্রথম থেকেই জল্পনা ছিল টলিউড সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্য়ায়কে দেখা যাবে কিনা, এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে। তবে সব জল্পনা মিটল একটা ক্লিকেই। সাদা শার্ট-ডেনিম ট্রাউজারে এদিন ব্রিগেডে হাজির হয়েছিলেন টলিউডের বুম্বাদা।সেভাবে কখনই সরাসরি রাজনীতিতে দেখা যায়নি তাঁকে। কখনও মুখ ফুটে রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে কখনও বক্তব্যও রাখেননি। তবে ব্রিগেডে সকাল সকালই পৌঁছে গিয়েছেন টলিউডের 'বস' অভিনেতা জিৎ। প্রসেনজিৎ ও জিতের পাশাপাশি এদিন ব্রিগেডে দেখা মিলল যিশু সেনগুপ্তকেও। হালকা বাদামি রঙের শার্ট, ট্রাউজার এবং চোখে রোদ চশমা পরে হাজির হয়েছিলেন শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে। তবে জিৎ, প্রসেনজিৎই শুধু নয় এদিন অনুষ্ঠানে এসেছিলেন পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীও।অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী মমতাশঙ্কর। এদিন তাঁকেও দেখা গেল ব্রিগেডে।প্রসেনজিৎ, জিৎ, যিশু, অজয় চক্রবর্তী ও মমতাশঙ্কর ছাড়াও এসেছিলেন টলিপাড়ার পরিচিত মুখ ঋষি কৌশিক। দেখা মিলেছে টেলিপাড়ার অনেক শিল্পীদের। মঞ্চে ছিলেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী। এদিন মিঠুনকে দেখা গেল সেই পুরনো মেজাজেই।অনুষ্ঠানের ফাঁকে একফ্রেমে ধরা দিলেন প্রসেনজিৎ, জিৎ, যিশু, অজয় চক্রবর্তী ও মমতাশঙ্কর। #Entertainment #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
Entertainment - ShareChat
আন্তর্জাতিক পুতিন কি খুন হতে পারে ? একদম উডিয়ে দেওয়া যাচ্ছে না একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের কাছে গোপন রিপোর্ট ইউক্রেনের একটা বাহিনী গোপনে পুতিনের বাড়ির উপর নজর রাখছে। যেকোনো মুহূর্ত তারা ঝটিকা হামলা করতে পারে। দীর্ঘ ৪ বছরে যুদ্ধ না থামায় মরিয়া হয়ে উঠেছে ইউক্রেন। এই অবস্থায় যুদ্ধ থামাতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে খুনের ষড়যন্ত্র! সম্প্রতি সামনে এসেছে এমনই চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট। যেখানে দাবি করা হয়েছে, পুতিনের ব্যক্তিগত বাসভবনের কাছে তাঁর উপর হামলার পরিকল্পনা করছে ইউক্রেনের ঘাতক বাহিনী। ইউরোপীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলির ফাঁস হয়ে যাওয়া রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। যার ভিত্তিতে রুশ কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, নভগোরোদ এলাকায় পুতিনের ব্যক্তিগত বাসভবনের কাছে তাঁর উপরে হামলা চালানোর চেষ্টা করেছে ইউক্রেন। যদিও ইউক্রনে ও আমেরিকা দুই দেশই এই দাবিকে উড়িয়ে দিয়েছে। হামলার আশঙ্কায় রুশ প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা ব্যাপকভাবে বাড়ানো হয়েছে। তাঁর বাসভবনের নিরাপত্তা এমনভাবে বাড়ানো হয়েছে যাতে সেখান থেকে মাছিও না গলতে পারে। এই রিপোর্টে জানা গিয়েছে, রুশ প্রেসিডেন্টকে খুনের জল্পনা এতটাই মাথাচাড়া দিয়েছে যে মস্কোর ওবলাস্ট ও নভগোরোদ ওবলাস্টের ভ্যালডাইয়ের বাড়িতে যাওয়া কমিয়ে দিয়েছেন পুতিন। রুশ গোয়েন্দাদের আশঙ্কা প্রেসিডেন্টকে নিশানা করে ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হতে পারে। রাশিয়ার লেফতেন্যান্ট জেনারেল ফানিলসারভারোভকে হত্যার পরে রুশ গয়েন্ডাদের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। #প্রথমআলোরবার্তা #international #prathamalorbarta
international - ShareChat
আন্তর্জাতিক গোপনে হলেও চিন চিরকাল পাকিস্তানের পক্ষে 'ওপারেশন সিঁদুর' এতো সময় পাকিস্তানকে গোপনে সাহায্য করেছিল চিন - যা এতকাল গোপন রাখলেও এবার স্বীকার করে নিলো। আসল কথা ভারত বিরোধিতার প্রশ্ন চিন পাকিস্তান বন্ধু দেশ। চিনা সংবাদমাধ্যম সাউথ চিন মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেই সময় পাকিস্তানে গিয়ে যুদ্ধবিমান মেরামত করে দিয়েছিলেন চিনের ইঞ্জিনিয়াররা। পাশাপাশি প্রযুক্তিগত নানা সহায়তাও করেছিলেন তাঁরা। এই প্রথম পাকিস্তানকে সাহায্য করার মতো বিষয় নিয়ে সরাসরি মন্তব্য এল বেজিং থেকে। বৃহস্পতিবার চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে দিয়েছিলেন অ্যাভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রি কর্পোরেশন অফ চায়না-র ইঞ্জিনিয়ার ঝাং হেং। সেখানে তিনি চিন ও পাকিস্তানের মধ্যে সহযোগিতার সম্পর্ক নিয়ে মুখ খোলেন। ওই প্রতিষ্ঠানটি চিনের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এবং মনুষ্যবিহীন আকাশযান নির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। এদিন ঝাং বলেন, তিনি এমন একটি দলের সদস্য ছিলেন, যারা ২০২৫ সালের মে মাসে পাক সেনাকে সাহায্য করেছিল চারদিন ব্যাপী যুদ্ধের সময়। উল্লেখ্য, ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে ২৬ নিরস্ত্রকে হত্যা করে লস্করের ছায়া সংগঠন টিআরএফের চার জঙ্গি। এই হামলার জবাবে ৭ মে ভোর-রাতে অপারেশন সিঁদুর শুরু করে ভারত। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নয়টি জঙ্গিঘাঁটি। এরপর ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির জনবহুল এলাকা এবং সেনাঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় পাকিস্তান। সেই হামলা প্রতিহত করার পাশাপাশি প্রত্যাঘাত করে ভারত। তাতেই তছনছ হয়ে যায় পাকিস্তা নের অন্তত ১১টি বায়ু সেনাঘাঁটি। ভারতীয় সেনার অভিযানে নিহত হয় ১০০ জনের বেশি জঙ্গি ও ৩৫-৪০ জন পাক সেনা। #international #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
international - OPERATION SIND OR OPERATION SIND OR - ShareChat
২৫ বৈশাখ আমির আসলেন কলকাতায় সূত্রের খবর কোনো সরকারি বা বেসরকারি কাজে নয়, একদম ব্যক্তিগত কারণেই আমির খান দুপুরে মুম্বাই থেকে ছুটে আসলেন আমির খান। রবীন্দ্রজয়ন্তীর পুণ্যলগ্নেই রাজ্যে শুরু হচ্ছে এক নতুন অধ্যায়। রাজভবন থেকে ব্রিগেড, সর্বত্রই এখন প্রস্তুতির চূড়ান্ত ব্যস্ততা। শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে বাংলায় প্রথমবার প্রস্ফুটিত হতে চলেছে ‘পদ্ম’। ঠিক এই ঐতিহাসিক মুহূর্তেই কলকাতায় পা রাখলেন বলিউডের মেগাস্টার আমির খান। শুক্রবার দুপুরে কলকাতা বিমানবন্দরে আমির খানকে দেখা যেতেই জল্পনার পারদ চড়তে শুরু করেছে। যেখানে গোটা শহর শুভেন্দু অধিকারীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান নিয়ে মশগুল, সেখানে আমিরের এই ‘সিক্রেট’ ভিজিট নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। নেটিজেনদের মনে একটাই প্রশ্ন— তবে কি শনিবারের শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আমির খানও? তবে সূত্র থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, কলকাতায় একটি ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানেই হাজির হয়েছিলেন আমির। সেই অনুষ্ঠানের ছবিও পোস্ট করেছেন, অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিবর্গরা। বিষয়টির সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। এর আগে গত জানুয়ারি মাসে ছেলে জুনেইদ খানের সিনেমার কাজে অরিজিৎ সিংয়ের বাড়ি জিয়াগঞ্জে গিয়েছিলেন আমির। গায়ক অরিজিৎ সিং প্লেব্যাক থেকে বিরতি নেওয়ার কথা বললেও, আমিরের সঙ্গে তাঁর সখ্যতা সর্বজনবিদিত। তবেত্র থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, কলকাতায় একটি ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানেই হাজির হয়েছিলেন আমির। সেই অনুষ্ঠানের ছবিও পোস্ট করেছেন, অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিবর্গরা। বিষয়টির সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। এর আগে গত জানুয়ারি মাসে ছেলে জুনেইদ খানের সিনেমার কাজে অরিজিৎ সিংয়ের বাড়ি জিয়াগঞ্জে গিয়েছিলেন আমির। গায়ক অরিজিৎ সিং প্লেব্যাক থেকে বিরতি নেওয়ার কথা বললেও, আমিরের সঙ্গে তাঁর সখ্যতা সর্বজনবিদিত। #Entertainment #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
Entertainment - ShareChat
বিনোদন ইশা আম্বানির রেড কার্পেট সকলের নজর কাড়লেন ৬১তম আন্তর্জাতিক শিল্প প্রদর্শনী – লা বিয়েনালে দি ভেনেজিয়া-তে ভারতের জাতীয় প্যাভিলিয়নের উদ্বোধনে শ্রীমতি ইশা আম্বানি বিশ্বের সঙ্গে ভারতের ক্রমবিকাশমান সাংস্কৃতিক সংলাপ নিয়ে আলোকপাত করেন। নীতা মুকেশ আম্বানি কালচারাল সেন্টারের প্রতিনিধিত্ব করে তিনি তাঁর মা শ্রীমতী নীতা আম্বানির স্বপ্ন ও অনুরাগ গ্রহণ করেছেন, যাঁর শিল্পকলার প্রতি অবিচল অঙ্গীকার ‘ভারতের সেরা জিনিস বিশ্বে নিয়ে যাওয়া এবং বিশ্বের সেরা জিনিস ভারতে নিয়ে আসা’—এনএমএসিসি-র এই লক্ষ্যকে আজও রূপদান করে চলেছে। ভারতকে ‘ঘরের ধারণা’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি ‘ভারত ও ভেনিসের মধ্যে এক দীর্ঘ সংলাপের আশা’ ব্যক্ত করেন, ‘যা নিয়ে আমাদের পূর্বপুরুষেরা গর্বিত হবেন এবং আমাদের সন্তানেরা এর উত্তরাধিকারী হবে।’ আপনাদের জানিয়ে রাখি যে, বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ফ্যাশন ইভেন্ট ২০২৬ মেট গালার রেড কার্পেট আরও একবার ভারতীয় শিল্প ও ঐতিহ্যের এক ভিন্ন ঝলক তুলে ধরেছে। মুকেশ ও নীতা আম্বানির কন্যা ইশা আম্বানি যেখানে খাঁটি সোনার সুতোয় বোনা শাড়িতে রেড কার্পেটে হেঁটেছেন, সেখানে তাঁর ভাবীর ছোট বোন দিয়া মেহতা জাতিয়াও তাঁর গ্ল্যামারাস স্টাইল দিয়ে সকলের মন জয় করে নিয়েছেন। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের মেট গালার জন্য প্রস্তুত হওয়ার পর দিয়াকে তাঁর বড় বোন শ্লোকার ভাবি ইশা আম্বানির সঙ্গে বাইরে বের হতে দেখা যায়। তাঁদের একটি ভিডিও বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে। #Entertainment #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
Entertainment - ShareChat