বিনোদন
নতুন সরকারের কাছে মমতা শঙ্করের চাহিদা জানিয়ে দিলেন
মমতা শঙ্কর একদম সোজাসাপটা মানুষ। তিনি চিরকার স্পষ্ট কথা স্পষ্ট করে বলেন। বাংলায় ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন মিটেছে। এবার ফলাফল আসার অপেক্ষায়। শহরের আনাচে কানাচে, চায়ের আড্ডায় চলছে নতুন কোন দল সরকার গড়বে সেই নিয়ে আলোচনা। তবে বাংলার জনগণ যে সরকার বেছে নিল, তার থেকে তাঁদের কি দাবি রয়েছে, সে নিয়ে নানা মুণির নানা মত। তবে তারকারা কি ভাবছে, কি চাওয়া পাওয়া তাদের? এই প্রশ্ন নিয়েই গিয়েছিলাম শিল্পী মমতা শঙ্করের কাছে। মমতা শঙ্কর জানালেন, ‘এতো কিছু বলার আছে যে একদুকথায় বলা যায় না। একটা ভদ্র সভ্য সমাজ যেন গড়তে পারা যায়। যেখানে মুখের ভাষা সংযত হবে, ভালো কাজ দিয়ে তারা প্রমাণ করবে, কেবল বাংলার ভালো নয়, সারা ভারতের ভালো হবে এমন কাজ চাই। আমি শুধু বাংলাকে আলাদা করে দেখতে চাই না। শুধু বাংলার নয় বাংলা ও ভারতের ভালো হবে সেই সেই রকম ভালো কাজ চাই। বাংলা ও ভারতের ভালো আলাদা কিছু নয়, বাংলা ও ভারতের ভালো করতে হবে। ভারতে গর্ব কে ফেরাতে হবে।’
মমতা শংকর আরও বলেন, ”আগেই বলা হত বাংলা আজ যা ভাবে গোটা পৃথিবী তাই ভাববে। বাংলা তার কাজ দিয়ে এবার পথ দেখাক। শালিনতা ভদ্রতা কি জিনিস , একটা ভদ্র সভ্য সমাজ কি করে গড়তে হয়, সেটা দেখাক। এটা গড়তে যদি কড়া হতে হয়,কড়া হাতে শাসন করতে হয়, তাই হতে হবে। মানুষকে ফিরিয়ে আনতে হবে ভালোর দিকে।”
#Entertainment
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
বিনোদন
ফারহা খানের রাঁধুনির বেতন মাসিক এক লক্ষ টাকার বেশি
বলিউডের হাই-প্রোফাইল পার্টি হোক বা শ্যুটিং সেট— ফারহা খানের ছায়াসঙ্গী হিসেবে এখন যাঁকে প্রায়ই দেখা যায়, তিনি হলেন বিহারের লাল দিলীপ মুখিয়া। এক সময় বিহারের দ্বারভাঙ্গা জেলার এক অখ্যাত গ্রামে মাঠে কাজ করতেন তিনি। আজ তিনি বলিউডের জনপ্রিয়তম রাঁধুনিদের একজন। কেবল রান্নাই নয়, নিজের অমায়িক ব্যবহার আর সারল্য দিয়ে দিলীপ এখন কোটি কোটি মানুষের প্রিয় ‘সোশ্যাল মিডিয়া স্টার’। ২০০৩ সালে সবিতার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধা দিলীপের সংসারে রয়েছে তিন ছেলে। প্রায় এক দশক আগে ভাগ্যান্বেষণে মুম্বইয়ে পা রেখেছিলেন তিনি। শুরুতে ছোটখাটো কাজ বা বিভিন্ন বাড়িতে রাঁধুনি হিসেবে কাজ করলেও বছর দশেক আগে তাঁর ভাগ্য খোলে। সুযোগ পান ফারহা খানের বাড়িতে কাজ করার। গত ১০ বছরে দিলীপ আর পাঁচজন কর্মীর মতো নন, বরং ফারহার পরিবারেরই একজন সদস্য হয়ে উঠেছেন।
বছর খানেক আগে ফারহা খান যখন ইউটিউব চ্যানেল শুরু করেন, তখন দিলীপকে তিনি ক্যামেরার সামনে নিয়ে আসেন। তারকাদের বাড়ি ঘুরে দেখানো হোক বা তাঁদের প্রিয় খাবারের রেসিপি শেয়ার করা— ফারহার সব ভ্লগেই এখন দিলীপের উজ্জ্বল উপস্থিতি। এমনকি, বড় বড় তারকাদের সঙ্গে শ্যুটিং সেটেও এখন নিয়মিত যাতায়াত তাঁর। এক
সময়ের দিনমজুর দিলীপের মাসিক আয় এখন ১ লক্ষ টাকারও বেশি। ফারহা খান মজা করে একবার জানিয়েছিলেন, ১ লক্ষ টাকার অভিনয়ের অফারও দিলীপ ফিরিয়ে দিয়েছেন কারণ তাঁর কাছে এখন সেই অঙ্কটি কম মনে হয়। শুধু তাই নয়, শোনা যায় দিলীপ এখন একটি বিলাসবহুল বিএমডব্লিউ (BMW) গাড়িরও মালিক।
#Entertainment
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
এবার কিন্তু গ্যাসের দাম আকাশ ছোঁয়া
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ লন্ডভন্ড করে দিতে চলেছে পৃথিবীটাকে। তেল ও গ্যাস নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাচ্ছে। বাণিজ্যক গ্যাসের দাম এক ধাক্কায় প্রচুর বেড়ে গেলো। আজ ১ মে থেকে ১৯ কেজির বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক ধাক্কায় ৯৯৪ টাকা বেড়ে গিয়েছে। নতুন দাম হয়েছে ৩২০২ টাকা। কলকাতাতে এই দাম আজ থেকেই কার্যকর হল।
প্রতি মাসের শুরুতেই অয়েল মার্কেটিং সংস্থাগুলি বিশ্ব বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম পর্যালোচনা করে দেশের বাজারে পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের দাম নির্ধারণ করা হয়। ইরান-আমেরিকা সংঘাত (Iran-US Conflict) ও আন্তর্জাতিক মহলে অস্থিরতার কারণে বিশ্ববাজারে ক্রুড তেলের দাম চড়চড়িয়ে বাড়ছে। গতকাল, বৃহস্পতিবারই বিশ্ব বাজারে ক্রুড তেলের (Crude Oil) দাম ১.৯৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১২০ ডলার হয়। এর প্রভাবেই ভারতেও জ্বালানির দাম বেড়ে গেল।
অন্যদিকে, কিছুটা হলেও স্বস্তিতে রয়েছে সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারগুলি, কারণ গৃহস্থের বাড়িতে ব্যবহৃত ১৪.২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ানো হয়নি। ৯৩৯ টাকাই রয়েছে ১৪.২ কেজি সিলিন্ডারের দাম। ৫ কেজির ছোট যে এলপিজি সিলিন্ডারগুলি ব্য়বহার করা হয়, তার দাম রয়েছে ৩৪৮ টাকা। ১০ কেজির কম্পোজিট এলপিজি সিলিন্ডারের দামও ৬৭১ টাকাই রয়েছে আগের মতো।
#social
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
শেষ পর্যন্ত ডোনাল্ড ট্রাম্প হয়তো নোবেল পুরস্কার পেতে চলেছেন
হ্যাঁ, ট্রাম্পের বাসনা এবার হয়তো পূরণ হতে চলেছে। আমেরিকার প্রেসিডেন্টের কুর্সিতে বসেই তিনি নাকি পৃথিবীর বহু যুদ্ধ থামিয়েছে। তাই তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দাবি করেছেন। রয়টার্স সূত্রে খবর, এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম নোবেল শান্তি পুরস্কারের (Nobel Peace Prize) জন্য মনোনীত হতে পারে। রয়টার্স সূত্রে খবর, দীর্ঘ সময় ধরে দাবি জানানোর পর এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হতে পারে। ইতিমধ্যেই কম্বোডিয়া, ইজরায়েল, পাকিস্তান তাঁর নাম মনোনয়ন করেছে। ট্রাম্প নিজেও ক্রমাগত দাবি করেন যে ১০ মাসে তিনি ১১টি যুদ্ধ থামিয়েছেন।
জানা গিয়েছে, নরওয়ে নোবেল কমিটির কাছে মোট ২৮৭টি মনোনয়ন জমা পড়েছে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য। সম্পূর্ণ তালিকা কনফিডেন্সিয়াল থাকলেও, বেশ কয়েকটি নাম সামনে এসেছে যারা এবারের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জ়েলেনস্কি, পরিবেশ আন্দোলনকারী গ্রেটা থুনবার্গ, মলডোভার প্রেসিডেন্ট মাইয়া সান্দু, মার্কিন সেনেটর লিসা মুরকোস্কি। প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্রমাগত দাবি করেছেন যে একাধিক দেশের মধ্য়ে যুদ্ধ থামিয়েছেন তিনি। নোবেল শান্তি পুরস্কার তাঁরই প্রাপ্য। গতবার নোবেল পুরস্কার না পাওয়ায় ক্ষুণ্ণও হন ট্রাম্প।
#international
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
হিন্দু ভোটের বড় অংশ ও মুসলিম ভোটের ৮ শতাংশ নিয়েই এবার বিজেপির ক্ষমতায় আসছে - শুভেন্দু
এক্সিট পোলের উপর বিশেষ আস্থা না রেখে শুভেন্দু বলেন, তার নিজের হিসাব আছে। এবার কেউ বিজেপিকে আটকাতে পারবে না। বৃহস্পতিবার, নন্দীগ্রামে দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, রাজ্যে পরিবর্তনের ঢেউ উঠেছে এবং বিজেপি সরকার গঠন করতে চলেছে। শুভেন্দু বলেন,”আমার কোনও বুথ ফেরত সমীক্ষা দেখার প্রয়োজন নেই। আমি নিশ্চিত যে বিজেপি ক্ষমতায় আসছে। ২০১১ সালের থেকেও এবার পরিবর্তনের তীব্র আকাঙ্ক্ষা মানুষের মধ্যে অনেক বেশি।’ বুথ ফেরত সমীক্ষা বা তৃণমূলের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি দাবি করেছেন, ‘হিন্দুরা জোটবদ্ধ হয়ে ভোট দিয়েছে এবং মুসলিম ভোটের একটি বড় অংশও (প্রায় ৮ শতাংশ) বিজেপির পক্ষে এসেছে।’
নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরে তৃণমূলের এজেন্ট খুঁজে না পাওয়া এবং গণনা কেন্দ্রে গণ্ডগোল করার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে তিনি পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। শুভেন্দু বলেন, ‘ভবানীপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্টরা বসতে না চাওয়ায় ছোট ছোট ছেলেদের ২-৩ হাজার টাকা দিয়ে এজেন্ট হিসেবে বসানো হয়েছিল। গণনার দিনও তৃণমূলের লোকই খুঁজে পাওয়া যাবে না।’ তৃণমূলের পক্ষ থেকে ইভিএম চুরির আশঙ্কার কথা বলা হচ্ছে, সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটা তাদের দীর্ঘ ১৫ বছরের পুরনো অভ্যাস যা সহজে যাবে না।’ ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রামে বুথ ভিত্তিক পর্যালোচনা শেষ করেছে বিজেপি। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু জানান, তাঁরা গণনার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং তৃণমূলের কোনও বাধা কাজে আসবে না।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
সিপিএম কি 'শূন্য' এর গেড়ো অতিক্রম করতে পারবে? উঠেছে জোরালো প্রশ্ন
যে দল একনাগাড়ে ৩৪ বছর রাজ্য শাসন করেছে। মানুষের আশীর্বাদ পেয়েছে, সেই দল একেবারে -'শূন্য'! সিপিএমের লক্ষ্য ছিল ভোট বাড়ানো। আর রামে চলে যাওয়া ভোট যতটা সম্ভব যাতে ফিরিয়ে আনা যায়। কাজেই ভোট মেটার পর খাতা-পেনসিল নিয়ে সিপিএম বসে গিয়েছে হারিয়ে যাওয়া ভোট কতটা ফিরে পাওয়া গেল। আলিমুদ্দিন থেকে আগেই নিচুতলায় বার্তা দেওয়া হয়েছিল দলের ভোট শতাংশ বাড়ানোর জন্য ঝাঁপাতেই হবে। একেবারে শেষমুহূর্ত পর্যন্ত দোদুল্যমান ও বাম মনোভাবাপন্ন ভোটারদের ভোট যাতে কাস্তে-হাতুড়িতেই পড়ে সেটা যেভাবে হোক চেষ্টা করতে হবে। ওই সমস্ত ভোটারদের সঙ্গে শেষমুহূর্ত পর্যন্ত যোগাযোগ চলবে।
দমদম থেকে টালিগঞ্জ, বাগুইআটি থেকে বালিগঞ্জ। কিংবা মধ্য হাওড়া থেকে উলুবেড়িয়া। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের দিন ভোটের ময়দানে বহু জায়গায় লাল ঝান্ডার ক্যাম্প অফিসের দেখা মিলেছে। কমরেডরা ভিড় করে ছিলেন ক্যাম্পে বা পার্টি অফিসে। যেখানে হাতেগোনা কয়েকটি ক্যাম্পে বিজেপির সাকুল্যে দুই থেকে তিনজনকে দেখা গিয়েছে। সেখানে সিপিএম কর্মীদের দেখা যাচ্ছিল ভোটারদের বুথ অবধি পৌঁছে দিতে। মাটি কামড়ে বুথ আগলে পড়ে থেকেছেন দমদম উত্তরের প্রার্থী দীপ্সিতা ধর থেকে শুরু করে উত্তরপাড়ায় মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়রা। সিপিএম যে শূন্যের গেরো কাটানোর লড়াই করছে, ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া সেটাই যেন টের পাওয়া গেল দ্বিতীয় পর্বের ভোটের দিন। এখন সবটাই জানা যাবে ৪ তারিখ।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
এমন সুন্দর ভোট আগে আর দেখা যায় নি - দাবি কমিশনের
পশ্চিমবঙ্গ ভোটে রেকর্ড গড়লো। নেই কোনো রক্তপাত, নেই মৃত্যু, দুএকটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া প্রথম দফার মতো দ্বিতীয় দফার ভোটও শান্তিতে কাটলো। এইভাবে ভোট করানোই ছিল মূলত নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) কাছে চ্যালেঞ্জ। ভোটাররা যাতে ভয়হীন ভাবে ভোট দিতে যেতে পারেন, সেই দিকে বারেবারে নজর রেখেছে কমিশন। ভোট শুরুর অনেক আগেই আস্থা জোগাতে বঙ্গে হাজির করানো হয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে (Central Force)। আর তার ফল মিলল ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল হাতে নাতে। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বাংলায় মোট ভোট পড়েছে ৯২.৫৬ শতাংশ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের দাবি, স্বাধীনতার পর যত ভোট হয়েছে এবারই রেকর্ড হয়েছে বাংলায়। কিন্তু মাত্র পাঁচ বছর আগেই ছবিটা কিন্তু এমন নয়। কমিশনের দেওয়া তথ্য বলছে, এবারের ভোটে পাঁচ লক্ষ কর্মী কাজ করেছেন।
ফলস ভোটিংয়ের অভিযোগ বেশি এসেছে ঠিকই, তবে হিংসা কম হয়েছে। সব থেকে উল্লেখযোগ্য, দুই দফা ভোটেই কোনও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।অথচ পাঁচ বছর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে ২৪ জনের প্রাণ গিয়েছিল বাংলায়। আবার তারও পাঁচ বছর আগে অর্থাৎ ২০১৬ সালে সাত জন নির্বাচনী হিংসার বলি হয়েছিলেন। কিন্তু এবার সেই সংখ্যাটাই শূন্য। এটা যে কমিশনের বড় সাফল্য তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আবার ২০২১ সালে ৬৯টি বোমা উদ্ধার হয়েছিল। কিন্তু এবার একটিও বোমা উদ্ধারের খবর নেই। কমিশন বলছে- একটা সময়ে এক শ্রেণির মানুষ ছিলেন যাঁরা ভোট দানে বিরত থাকতেন। তবে অবাধ ভয়হীন ভোটদানের প্রতি মুহূর্তে প্রচারের জন্য এমন হয়েছে তাঁরাও ভোট দিয়েছেন। বুথ থেকে পোলিং এজেন্টকে বের করে দেওয়া বিশেষ করে বিরোধী দলের পোলিং এজেন্টকে বের করে দেওয়ার ঘটনা বাংলায় নতুন কিছু নয়, তবে উল্লেখযোগ্য ভাবে এবার এমন কিছুই হয়নি।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
ফালতার বেশ কয়েকটি বুথে শুক্র বা শনিবার রিপোল
বুধবার রাতেই সমস্ত ফালতা জুড়ে রিপোল দাবি করেছিল বিজেপি। বিজেপির দাবি একদম পরিকল্পনা করে সমস্ত ফলতা জুড়েই তৃণমূল গন্ডগোল করেছে। CEO মনোজ আগরওয়াল বলেন, দরকার হলে গোটা ফলতা বিধানসভাতেই রিপোল হবে। অবজারভারদের রিপোর্ট খতিয়ে দেখছে কমিশন। বহু বুথে অনিয়মের অভিযোগ এলে, গোটা বিধানসভাতেই রিপোল হবে বলে জানিয়েছেন CEO। CEO মনোজ আগরওয়াল বলেন, “যেখানে যেখানে টেপ পাওয়া গিয়েছে, ওয়েব কাস্টিংয়ে দেখেছি, যা অবজারভার রিপোর্ট এসেছে, ওখান জিরো টলারেন্সে পদক্ষেপ করা হবে। আমরা আগাম বললাম, এই জায়গা ছাড়াও যেখানে যেখানে পাওয়া যাবে রিপোল হবে।”
যেখানে আতর পাওয়া গিয়েছে, সেখানেও রিপোল হবে। জানা যাচ্ছে, ফলতার ২৫২, ২৩৫,২২৬, ১৮৬, ২৪১ বুথে আতর লাগানোর অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগে রিপোর্ট চেয়েছেন কমিশন। CEO জানিয়েছেন, ডিটেল রিপোর্ট এলে সত্যি প্রমাণিত হলে রিপোল হবে। মগরাহাট থেকেও একই অভিযোগ উঠেছে। উল্লেখ্য, সকালে মোটামুটি শান্তিপূর্ণ থাকলেও বেলা ১০টা পর থেকে ফলতার একাধিক বুক থেকে অশান্তির খবর আসতে শুরু করে। তার মধ্যে কয়েকটি বুথে EVM-এ টেপ লাগিয়ে রাখারও অভিযোগ ওঠে। কয়েকটি ক্ষেত্রে বিক্ষোভ সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে লাঠিচার্জও করতেও দেখা যায়।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
বালুরঘাট কলেজে সিসি টিভি দীর্ঘ সময় বন্ধ - তীব্র ক্ষোভ তৃণমূলের
প্রাকৃতিক বা প্রযুক্তিগত কারণে ৪/৫ মিনিট ক্যামেরা বন্ধ থাকা মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু সারা রাত! অসম্ভব, তা কখনোই মানা যায় না। বালুরঘাট কলেজের স্ট্রং রুমে মধ্যরাতে সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ হয়ে যাওয়াকে ঘিরে বিতর্ক। অভিযোগ, গতকাল রাত ৩টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত বালুরঘাট বিধানসভার স্ট্রং রুমের সামনের ক্যামেরাগুলি কাজ করেনি। এই ঘটনায় ইতিমধ্য়েই তৃণমূল কংগ্রেস জেলা শাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে। বুধবার বিকেলে বালুরঘাটের তৃণমূল প্রার্থী অর্পিতা ঘোষের ইলেকশন এজেন্ট দেবাশীষ কর্মকার জেলা শাসক ও বালুরঘাটের রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন।
অভিযোগ পেয়ে সন্ধ্যায় বালুরঘাট কলেজের স্ট্রং রুম পরিদর্শন করেন জেলা শাসক বালা সুব্রমানিয়ান টি সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। খতিয়ে দেখেন সিসিটিভি ক্যামেরা। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার মধ্যরাতে ঝড়-বৃষ্টি-বজ্রপাতের জেরে কয়েকটি ক্যামেরা সাময়িকভাবে বিকল হয়ে যায়। তবে তৃণমূলের দাবি, ওই সময় কোনও ফুটেজ রেকর্ড না হওয়া অত্যন্ত সন্দেহজনক। এর পেছনে ষড়যন্ত্রেরও গন্ধ পাচ্ছে তারা। প্রায় ৪ ঘন্টা ক্যামেরা বন্ধ ছিল। যা নিয়েই প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূল-কংগ্রেস।এদিকে বালুরঘাট কলেজে বালুরঘাট, তপন, কুমারগঞ্জ ও গঙ্গারামপুর এই চার বিধানসভার স্ট্রং রুম রয়েছে। সেখানেই চার বিধানসভার ইভিএম সংরক্ষিত রয়েছে। স্ট্রং রুমের সামনেই রয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। কলেজের মূল গেটের পাশেই রয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরার মনিটর। যেখানে রাজনৈতিক দল ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা নজরদারি চালাচ্ছেন।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
দ্বিতীয় দফার ভোটে বিজেপির কি আদৌ তৃণমূলের সঙ্গে লড়াই দিতে পারলো?
উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গল মহলে বিজেপির যথেষ্ট থাকলেও দক্ষিণবঙ্গে সাম্রাজ্য তৃণমূলের। আর ২৯ তারিখ ভোট হয় মূলত তৃণমূল প্রভাবিত বিধানসভাগুলোতে। স্বাভাবিক কারণেই প্রশ্ন ওঠেছে, নিজেপি কি পারলো চোখে চোখ রেখে লড়াই করতে? দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনে ভোট হয়েছে বুধবার। কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, নদিয়া, হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্তমানে এই দফায় ভোট হয়েছে। নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনার মতুয়াগড় ও একটা বড় অংশ বাদ দিলে বাকি কোথাও বিজেপির শক্তি সেভাবে নেই। গত বিধানসভা ভোটে এই সাতটি জেলার ১৪২টি আসনের মধ্যে তৃণমূল পেয়েছিল ১২৩টি আসন। বিজেপির দখলে ছিল মাত্র ১৮টি। ২০২১ সালের নির্বাচনে এই সাতটি জেলার মধ্যে পূর্ব বর্ধমান, হাওড়া, কলকাতা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বিজেপি ছিল শূন্য।
হুগলির চারটি আসন ছাড়াও নদিয়া ও উত্তর ২৪ পরগনায় একটা অংশে বিজেপির জেতা আসন রয়েছে। যদিও গত লোকসভা ভোটের নিরিখে এই ১৪২টির মধ্যে ২৭টি আসনে এগিয়েছিল বিজেপি। আবার কলকাতায় জোড়াসাঁকো ও শ্যামপুকুর কেন্দ্রে এগিয়েছিল গেরুয়া শিবির। কিন্তু একুশের বিধানসভা ভোটের ফলাফলের সঙ্গে তুলনা করলে শেষ পর্বের ভোটে ১৪২টি আসনের মধ্যে বিজেপির প্রাধান্য খুবই কম আসনে। তৃণমুল তাদের ধরাছোঁয়ার বাইরেই রয়েছে। ফলে এই পর্বের ভোটে গেরুয়া শিবিরের লক্ষ্যই ছিল ভোটটা বাড়ানো। আরও বেশি সংখ্যক আসন যাতে দখলে আছে। ভোট শেষের পর সেটা কতটা সম্ভব হল, আদৌ আসন গতবারের থেকে বাড়বে কি না তা নিয়ে সমীক্ষা শুরু করেছে রাজ্য বিজেপি। দ্বিতীয় দফার ভোট কেমন হয়েছে তা নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে বারবার ফোন এসেছে রাজ্য নেতাদের কাছে।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta













