আন্তর্জাতিক
ভারতের বিপদে হাত বাড়িয়ে দিলো পাকিস্তানের নৌসেনা
ভারত ধন্যবাদ জানিয়েছে পাকিস্তানকে। এমন ঘটনা সচরাচর ঘটে না। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আরব সাগরে আটকে পড়েছিল একটি ভারতীয় জাহাজ। বিপদ সংকেত পেয়ে পাশে দাঁড়াল পাকিস্তানি নৌবাহিনী! ভারতীয় জাহাজের নাবিকদের জন্য খাদ্য, চিকিৎসা ও অন্যান্য জরুরি সাহায্যের ব্যবস্তা করে পাক নৌসেনা। এমভি গৌতম নামের জাহাজটি ওমান থেকে ভারতে আসছিল। আরব সাগরে এসে গুরুতর যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সেটি থমকে যায়। কোনও ভাবেই এগোনো সম্ভব হচ্ছিল না বলেই বিপদ সংকতে পাঠায় সেটি। এর পরেই ভারতীয় জাহাজের পাশে দাঁড়াল পাক নৌবাহিনীর একটি জাহাজ। জানা গিয়েছে, মুম্বইয়ের মেরিটাইম রেসকিউ অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন সেন্টার ইসলামাবাদ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে সাহায্য চায়। এর পরেই এমভি গৌতমে থাকা ছ’জন ভারতীয় ও এক ইন্দোনেশীয় নাবিকের জন্য উদ্ধার ও সহায়তা অভিযান শুরু করে পাকিস্তানি নৌবাহিনী।
এর জন্য পিএমএসএস নামের একটি জাহাজকে কাজে লাগানো হয়। পাক নৌসেনা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিপদে পড়া নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এমভি গৌতমের কর্মীদের খাদ্য, চিকিৎসা সহায়তা করা হয়েছে। এইসঙ্গে কারিগরি সহায়তা-সহ জরুরি সাহায্য প্রদান করা হয়। এই উদ্ধার ও সহায়তা অভিযানে পাক নৌবাহিনীকে সাহায্য করেছে পাকিস্তান মেরিটাইম সিকিউরিটি এজেন্সি (পিএমএসএ)।
জানা গিয়েছে, মুম্বইয়ের মেরিটাইম রেসকিউ অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন সেন্টার ইসলামাবাদ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে সাহায্য চায়। এর পরেই এমভি গৌতমে থাকা ছ’জন ভারতীয় ও এক ইন্দোনেশীয় নাবিকের জন্য উদ্ধার ও সহায়তা অভিযান শুরু করে পাকিস্তানি নৌবাহিনী। এর জন্য পিএমএসএস নামের একটি জাহাজকে কাজে লাগানো হয়। পাক নৌসেনা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিপদে পড়া নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এমভি গৌতমের কর্মীদের খাদ্য, চিকিৎসা সহায়তা করা হয়েছে। এইসঙ্গে কারিগরি সহায়তা-সহ জরুরি সাহায্য প্রদান করা হয়।
#international
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
বিনোদন
দেব সৌজন্যবোধ এখনও বজায় রেখেছে
নির্বাচনের রেজাল্ট বের হবার পরে দেব কিন্তু একবারও বলেন নি এই রেজাল্ট আমি মানি না। বরং তিনি বিজেপিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল কংগ্রেস-এর ঘনিষ্ঠ মুখ হিসেবে পরিচিত দেব-এর একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিধানসভা ফল ঘোষণার পর দেবের বার্তায় মিলল রাজনৈতিক সৌজন্যের পাশাপাশি শিল্পীসত্তা ও ইন্ডাস্ট্রির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ। বিজেপিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দেব লিখেছেন, ‘বঙ্গের নতুন সরকার গঠনের জন্য প্রাপ্ত জনসমর্থনের জন্য বিজেপিকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। আশা করি, এই সরকার আমাদের রাজ্যের উন্নয়ন, শান্তি ও সামগ্রিক অগ্রগতির লক্ষ্যে কাজ করবে এবং সর্বস্তরের মানুষের কণ্ঠস্বরকে যথাযথ গুরুত্ব দেবে।’
চলচিত্র জগৎ নিয়ে দেবের লেখায় উঠে এসেছে, ‘জনজীবন ও চলচ্চিত্র জগত—উভয়ের সঙ্গেই যুক্ত একজন হিসেবে, নতুন সরকারের কাছে আমার আন্তরিক আবেদন, ঐক্য ও সৃষ্টিশীল স্বাধীনতার পরিবেশ বজায় রেখে বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হোক। চলচ্চিত্রের অন্দরে বিভাজন বা নিষেধাজ্ঞার সংস্কৃতি পরিহার করে পারস্পরিক সম্মান, সহাবস্থান ও সহযোগিতার মাধ্যমে এই শিল্পকে সমৃদ্ধ করা জরুরি। কারণ, সিনেমা শুধু বিনোদন নয়—এটি বাংলার সংস্কৃতি ও পরিচয়ের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ।’ ঘাটালের কথা বলতেও ভোলেননি দেব। লিখেছেন, ‘এর পাশাপাশি, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের দ্রুত বাস্তবায়নের দিকেও নতুন সরকারের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এটি ঘাটালবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ও অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি প্রকল্প। এই ব্যাপারেও তিনি বিজেপির সরকারের সাহায্য চান।
#Entertainment
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
অক্ষয় কুমার হাসপাতালে - কিন্তু কেন
সব সময় নিজেকে ফিট রাখেন ৫৯ বছরের চির যুবক অক্ষয় কুমার। কিন্তু এবার কি হল? সম্প্রতি ‘ভূত বাংলা’র বক্স অফিস সাফল্যের আনন্দে যখন গোটা টিম মেতে রয়েছে, তখনই সামনে এল এই খবর। প্রিয় তারকার অসুস্থতার কথা শুনে স্বাভাবিকভাবেই কপালে ভাঁজ পড়েছিল অনুরাগীদের। তবে এখন প্রশ্ন হল, ঠিক কী হয়েছে অক্ষয়ের? আসলে কেরালায় (Keralam) তাঁর আগামী ছবি ‘স্কাই ফোর্স’-এর (কিছু সূত্রে আনিস বাজমির ছবি বলা হচ্ছে) শুটিং নিয়েই চরম ব্যস্ত ছিলেন আক্কি। সঙ্গে ছিলেন বিদ্যা বালান ও রাশি খান্নার মতো তারকারা। কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরেই তাঁর চোখের সমস্যা তাঁকে বেশ ভোগাচ্ছিল। কাজ নিয়ে কোনও আপস করতে চান না বলেই হয়তো এতকাল চেপে রেখেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে তাকে নিতেই হল অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত। ৬ মে অক্ষয় কুমারের চোখের একটি ছোট অস্ত্রোপচার বা ‘ভিশন কারেকশন সার্জারি’ সম্পন্ন হয়েছে। জানা গিয়েছে, এটি একটি রুটিন প্রক্রিয়া ছিল এবং ভয়ের তেমন কিছু নেই।
অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে এবং অভিনেতা এখন দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন। তবে চোখের বিষয় বলেই চিকিৎসকরা তাঁকে আপাতত কড়া বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন। ফলে লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশনের চেনা জগত থেকে কয়েক দিনের জন্য বিরতি নিচ্ছেন তিনি। অক্ষয় মানেই ঝড়ের গতিতে কাজ। সবে ১৭ ই এপ্রিল মুক্তি পেয়েছে তাঁর ছবি ‘ভূত বাংলা’। খুব অল্প দিনেই দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে এই ছবি। সেই সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন প্রোজেক্টের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন তিনি। কিন্তু শরীর তো আর মেশিন নয়। তাই চোখের সমস্যার স্থায়ী সমাধান করে ফের বড় পর্দায় ফিরবেন অক্ষয়
#Entertainment
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
চন্দ্রনাথের খুন কি রাজনৈতিক? উঠেছে প্রশ্ন
বুধবার রাতে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথকে গুলি করে হত্যা করা হয়। আগে থেকে পরিকল্পনা করে তাঁর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে খুন করা হয়েছে। ঠান্ডা মাথায় এই কাজ করা হয়েছে। বুধবার মধ্যমগ্রামের হাসপাতালে পৌঁছে এমনই দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, ঠান্ডা মাথায় পূর্ব পরিকল্পনাভাবে চন্দ্রনাথকে খুন করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের বিজেপি কর্মী সমর্থকদের কাছে তিনি আবেদন করেছেন, কেউ যেন আইন নিজেদের হাতে তুলে না নেন। শুভেন্দু জানান, চন্দ্রনাথকে খুনের সঙ্গে রাজনীতির যোগ থাকতে পারে। তবে এখনই নিশ্চিতভাবে তা বলতে চাননি শুভেন্দু। পুলিশের তদন্তের উপরেই ভরসা রেখেছেন তিনি।
তিনি জানান, গত দুই তিন ধরে রেইকি করে খুনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার সঠিক তদন্ত করবে। এবিষয়ে তাঁর সঙ্গে রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্তার কথা হয়েছে। দলের কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশে শান্তি বজায় রাখার বার্তা দেন শুভেন্দু। তিনি আরও জানান, এদিনই খড়দহ, বরাহনগর ও বসিরহাটে আক্রান্ত হয়েছেন দলের কর্মী সমর্থকরা। ২-৩ দিনের মধ্যে দায়িত্ব নেবে বিজেপি সরকার। আর জি করের ঘটনার মতো যাতে কোনও ঘটনা বিচারহীন না থাকে তার ব্যবস্থা করা হবে। মৃতের পরিবার ও আহতদের চিকিৎসার সমস্ত দায়িত্ব বিজেপি নেবে বলে জানান শুভেন্দু।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
বিজেপির শপথ গ্রহনের সময় তৃণমূলের সমস্ত পার্টি অফিসে রবীন্দ্রসংগীত বাজানোর নির্দেশ মমতার
মমতা পদত্যাগ করছেন না। তিনি মনে করেন তৃণমূল হারে নি, হারানো হয়েছে। এদিকে ২৫ বৈশাখ কবিগুরুর জন্মদিনে নতুন সরকার শপথ নেবে। মমতা সাফ জানিয়ে দেন, “আমি গিয়ে পদত্যাগ করব না। রাষ্ট্রপতি শাসন হলে হোক। রেকর্ড থাকুক।” নতুন সরকারের শপথের দিন দলীয় কার্যালয়ে রবীন্দ্রসঙ্গীত বাজানোর নির্দেশও দেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো ভোটের ফলাফল অনুযায়ী ছাব্বিশের ভোটে ২০৭ আসনে জয়ী বিজেপি। হেরে গিয়েছে তৃণমূল। অথচ ভোটের ফল মানতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী দিনে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার ভাবনা রয়েছে তাঁর।
এই প্রসঙ্গে মমতা আরও বলেন, “আদালতে আমি, চন্দ্রিমা আবার আদালতে প্র্যাকট্রিস করব। নানা মামলা যা হচ্ছে আমি, চন্দ্রিমা, বিপ্লব মিত্র, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় সবাই আইনজীবী হিসাবে দেখব।” এর আগে মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন সাধারণ মানুষের স্বার্থে এসআইআর মামলায় সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে নিজে সওয়াল করেন মমতা। এদিনের বৈঠকে দলের ‘দুঃসময়ে’ সকলকে আরও একজোট হয়ে চলার বার্তা দেন তৃণমূলনেত্রী। দলীয় নেতা-কর্মীদের একাংশের মতে, এমন ভরাডুবির নেপথ্যে রয়েছে অন্তর্ঘাত। সেকথা মাথায় রেখে এদিন মমতা বলেন, “যে বা যারা অন্তর্ঘাত করছে তাদের নাম দিন।” দল যে ভিতর থেকে ভাঙছে, তার বোধহয় প্রাথমিক ইঙ্গিত পেয়েছেন মমতা। দলে ভাঙনের আশঙ্কা যে প্রবল মঙ্গলবারের সাংবাদিক বৈঠকে প্রকাশ করেছিলেন।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে প্রবল ক্ষোভ প্রকাশ করলেন জ্ঞানেশ কুমার
২০২৬ সালের ভোটকে সব দিক দিয়েই 'ঐতিহাসিক' বলা হচ্ছে। অথচ বিপুল ভোটে বিজেপির বিজয়ের পরেই বাংলার কোনো কোনো জায়গায় ভোট পরবর্তী হিংসা শুরু হয়েছে - যা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেনা না জ্ঞানেশ কুমার। ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এবার এই নিয়ে আরও কড়া বার্তা দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। ভোট পরবর্তী হিংসায় উস্কানিদাতা এবং ভাঙচুরকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিলেন তিনি। বাংলায় ভোটের ফল বেরনোর পর বিভিন্ন জায়গায় ভাঙচুরের খবর পাওয়া যায়। এই নিয়েই এবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার রাজ্যের মুখ্যসচিব, ডিজিপি, কলকাতা পুলিশ কমিশনার এবং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ডিজি-সহ সমস্ত ডিএম, এসপি এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের হিংসা রোধে কড়া পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন। নিরবচ্ছিন্ন টহল দিতে হবে বলে জানিয়েছেন। জ্ঞানেশ কুমারের নির্দেশ, ভাঙচুরকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করা হবে। ভোট পরবর্তী হিংসায় উস্কানিদাতারাও ছাড় পাবেন না বলে স্পষ্ট করে দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার।
বাংলায় ভোটপর্ব নির্বিঘ্নে মিটেছে। কোনও রক্তপাত হয়নি। ফল বেরনোর পরও বাংলায় যাতে কোনও অশান্তি না হয়, তা নিশ্চিত করাই যে কমিশনের উদ্দেশ্য, তা স্পষ্ট করে দিলেন জ্ঞানেশ কুমার।অন্যদিকে বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় গেরুয়া ঝড়ে উড়ে গিয়েছে তৃণমূল। ফল বেরনোর পর বিভিন্ন জায়গায় হিংসার ঘটনা নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বিজেপির পতাকা হাতে কোনওরকম হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। বিরোধীদের পার্টি অফিস দখল, ভাঙচুরে জড়িতদের দল থেকে বহিষ্কার করা হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
ভোট পরবর্তী হিংসায় সন্দেশখালিতে গুলিবিদ্ধ ৫ জন পুলিশ কর্মী
ভোট পর্ব যতই শান্তিতে মিটুক না কেন ভোট পরবর্তী হিংসা কিন্তু ছড়িয়ে পড়ছে। জ্ঞানেশ কুমার ও বিজেপির পক্ষ থেকে বার বার নিষেধ করার পরেও কেউ কারো কথা শুনছে না। এবার সন্দেসখালিতে হলো খুবই বাড়াবাড়ি। দুই দলের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হলেন ন্যাজাট থানার ওসি। শুধু ওসি নন, আরও দু’জন পুলিশকর্মী এবং দু’জন সিআরপিএফ জওয়ান গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। পুলিশের বক্তব্য, গতকাল রাতে সন্দেশখালির ন্যাজাট থানার রাজবাড়ি এলাকায় দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পায় তারা। একটি বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হচ্ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছতেই দুষ্কৃতীরা গুলি চালায়। একটি বাড়ির ভিতর থেকে গুলি চালানো হয়। ন্যাজাট থানার ওসি ভরত প্রসূন পুরকায়েতেরে পায়ে গুলি লাগে। এছাড়া একজন মহিলা কনস্টেবল-সহ দুই পুলিশকর্মী গুলিবিদ্ধ হন। শুধু তাই নয়, সিআরপিএফের দুই জওয়ানেরও গুলি লাগে।
ন্যাজাট থানার ওসি-সহ আহতদের কলকাতা চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের। এদিকে, ঘটনা ঘিরে রাত থেকে এলাকায় থমথমে পরিবেশ এলাকায়। বুধবার সকালে ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, কয়েক রাউন্ড গুলি ও তাজা বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ।নির্বাচন কমিশন ভোটের দিন ঘোষণার সময়ই জানিয়েছিল, ফল ঘোষণার পরও ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে বাংলায় মোতায়েত থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সেইমতো কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে রাজ্যে। তার মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ভাঙচুর, সংঘর্ষের খবর পাওয়া যাচ্ছে। বিজেপি নেতৃত্ব অবশ্য স্পষ্ট করে দিয়েছে, কোথাও ভাঙচুর, অন্য দলের পার্টি অফিস দখল বরদাস্ত করা হবে না।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
দিলীপ ঘোষের এই বিপুল জয়ে উদ্বেলিত হয়ে দিলীপ পত্নী বললেন -'এটাই বিয়ের সেরা রিটার্ন গিফট।’
দিলীপ ঘোষ মানে দিলীপ ঘোষ। তিনি স্পষ্ট কথা স্পষ্ট করে বলেন, বুক চিতিয়ে লড়াই করেন। আচমকা বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে কার্যত সকলকে চমকে দিয়েছিলেন দাবাং নেতা দিলীপ ঘোষ। তা নিয়ে বিতর্কও হয়েছে। দলের বিরাগভাজনও হয়েছেন। তবে ছাব্বিশে ফের নিজের ক্যারিশ্মার প্রমাণ দিয়ে গিয়েছেন দিলীপ। পুরনো আসন খড়গপুর সদরে ৩০ হাজারের বেশি মার্জিনে জিতেছেন তিনি।
স্বামীর এই জয়ে উচ্ছ্বসিত স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার। বললেন, ‘এটাই বিয়ের সেরা রিটার্ন গিফট।’ বাংলায় বিজেপির উত্থানের নেপথ্যে অন্যতম কারিগরদের মধ্যে নিঃসন্দেহে দিলীপ ঘোষ একজন। তাঁর হাত ধরেই ধীরে ধীরে রাজ্যে জমি শক্ত করেছে পদ্মশিবির। পরবর্তীতে নতুন মুখেদের আগমনে খানিকটা হলেও ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। বলা ভালো, তাঁকে কোণঠাসা করা হয়েছিল। চব্বিশে তার ফলে খানিকটা ধাক্কাও খেতে হয়েছিল বিজেপিকে। এসবের মাঝেই আচমকা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন দিলীপ। শোনা যায়, শীর্ষ নেতৃত্ব তা নিয়ে প্রথমদিকে খানিক আপত্তিও করেছিল। কিন্তু দিলীপ কোনওদিনই সেসবের তোয়াক্কা করেননি। পরবর্তীতে দলের সঙ্গে মান-অভিমান কমেছে। ছাব্বিশের বৈতরণী পার করতে দিলীপকে যে লাগবেই, তা ভালোই বুঝেছিল দল। তাই মান ভাঙানোর পাশাপাশি পছন্দের খড়গপুর সদর আসন তাঁকেই দিয়েছে দল।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
বঙ্গ বিজয়ের পরেই 'বন্দে মাতরম'কে জাতীয় সংগীতের সম্মান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলো মোদী সরকার
উত্তরপ্রদেশ বিহার ও বাংলা এই তিন প্রদেশের উপর দিয়েই প্রবাহিত হয়েছে পবিত্র গঙ্গা। আর সেই তিন প্রদেশ এখন বিজেপির দখলে। স্বাভাবিক কারণেই ভীষণ খুশি প্রধানমন্ত্রী। আর সেই কারণেই বঙ্কিমচন্দ্রের 'বন্দে মাতরম' নিয়েও উদ্বেলিত বিজেপি। বন্দে মাতরমকে জাতীয় সংগীত জনগণমন-র সমমর্যাদায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিল নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভা। বন্দে মাতরম গাওয়ার ক্ষেত্রে কোনওরকম অনীহা, অসম্মান করলে হতে পারে আর্থিক জরিমানা। এমনকি তিন বছরের জেলও। ন্যাশনাল অনার অ্যাক্ট অনুযায়ী এতদিন জাতীয় পতাকা, সংবিধান এবং জাতীয় সংগীত জনগণমনকে অসম্মান করলে আর্থিক জরিমানা এবং জেলে পাঠানোর আইনি সংস্থান ছিল। এবার এই আইনের সেকশন ৩ সংশোধন করে বন্দে মাতরমকেও সমমর্যাদায় উন্নীত করার সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম গাওয়ার ক্ষেত্রে কী কী পালন করা হবে সেই সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশিকা গত জানুয়ারি মাসে জারি করেছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা গানের ৬টি স্তবকই গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। এবার বন্দে মাতরমকে জাতীয় সংগীতের সমমর্যাদায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। বিজেপির বাংলা জয়ের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।বন্দে মাতরমের সার্ধশতবর্ষ দেশজুড়ে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র। এমনকি, সংসদেও বন্দে মাতরম নিয়ে আলোচনা হয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে অমিত শাহর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক একটি নির্দেশিকাও জারি করে। সেই নির্দেশিকায় বলা হয়, জাতীয় সংগীত ‘জনগণমন’-র মতো এবার থেকে সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় গীত ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া এবং বাজানো বাধ্যতামূলক করা হল।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
১৮০ ডিগ্রি ঘুরে কবীর সুমন বললেন -'আমি তৃণমূলপন্থী নই'
এবার শুরু হলো জামা বদলের খেলা। তৃণমূল ও বিজেপি - এই দুই দলের নেতা কর্মীরা জামা পরিবর্তনের মতো দল বদল করেছেন এতদিন। আর এবার শাসনে বিজেপি আসায় রঙ বদলানো শুরু হলো কবীর সুমনকে দিয়ে। ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে বাংলায় গৈরিক সূযোর্দয় হতেই ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে শিল্পী বললেন, “আমি তো তৃণমূলপন্থী নই!” গত দেড় দশকে বঙ্গবাসী যে তৃণমূল আর সুমনকে সমার্থক বলেই জেনে এসেছে, তা বললেও অত্যুক্তি হয় না। কিন্তু এবার রাজ্য রাজনীতির পালাবদলের আবহে কি কবীর সুমন ‘ডিগবাজি’ খেলেন? শিল্পী নিজস্ব রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করতেই মঙ্গলবার রাত থেকে এহেন প্রশ্নেই সরগরম নেটভুবন। বাংলায় পনেরো বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে ছাব্বিশে বাংলার মসনদে মোদি। ‘পরিবর্তনের ঢেউ’য়ে প্রথমবার রাজ্যে পদ্ম ফুটেছে। বাংলার রাজনীতির অতীত ট্রেন্ড ঘাঁটলে দেখা যায়, পরিবর্তনের নির্বাচনে শাসক শিবির বরাবরই ধুয়েমুছে সাফ হয়ে যায়। ঠিক যেমনটা এগারো সালে ঘটেছিল। ছাব্বিশে বিধানসভা নির্বাচনেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ম্যাজিক ফিগারের গণ্ডি পেরিয়ে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বাংলা দখল করেছে বিজেপি।
বঙ্গের এহেন গেরুয়া সুনামির মাঝেই বিস্ফোরক কবীর সুমন! সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শিল্পী জানান, “আমি তো তৃণমূলের সদস্য নই, আমি তৃণমূলপন্থীও নই। আমায় মমতা প্রায় হাতেপায়ে ধরে দাঁড় করিয়েছিলেন। তাঁর আগে আমি কোনও পার্টির সদস্যও ছিলাম না। আমার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়া মাত্রই আমি পদত্যাগ করি।” এখানেই শেষ নয়! সংশ্লিষ্ট সাক্ষাৎকারে তৃণমূলের বিধ্বংসী রেজাল্ট নিয়েও নিজস্ব মতামত ব্যক্ত করেন কবীর সুমন। তাঁর কথায়, “যেভাবে ভোটটা হল, হঠাৎ সামরিক বাহিনী ঢুকল। ভাবতে পারিনি যে, ট্যাঙ্ক ঢুকবে। তবে জনাদেশ কেন মমতার বিপক্ষে গেল, সেটা বলতে পারব না। কিন্তু আমি মনে করি, একাধিক ভুল হয়েছে। মানুষ সেটা ভালো চোখে নেয়নি।"
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta













