এবার প্রশ্ন - বাংলার ভাবি মুখ্যমন্ত্রী??
কমবেশি আমরা সকলেই উদ্বিগ্ন এবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন। অনেক নাম সামনে এসেছে। তবে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব শেষ সিদ্ধান্ত নেবেন। মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে কে এগিয়ে, তা নিয়ে জল্পনা চলছে সর্বত্র। এরই মাঝে আগামিকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার রাজ্যে আসছেন রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। পরিষদীয় দলের বৈঠক, মুখ্যমন্ত্রীর নাম নির্ধারনের পর তাঁরা যাবেন রাজ্যপালের কাছে। একুশেই বঙ্গ জয়ের স্বপ্ন দেখেছিল বিজেপি। সেই লক্ষ্যে প্রচারও করেছিল। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। বঙ্গজয়ের স্বপ্ন অধরাই থেকে গিয়েছিল পদ্মশিবিরের। কিন্তু ছাব্বিশে তৃণমূলকে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়েনি বিজেপি। ফলাফলই তার প্রমাণ। স্বাভাবিকভাবেই বাংলায় সরকার গঠনের তোড়জোর শুরু করেছে বিজেপি। বিজেপি সূত্রে খবর, আগামিকালই বাংলায় আসছেন রাজনাথ সিং। পরিষদীয় দলের বৈঠক করবেন তিনি। শোনা যাচ্ছে, ওই বৈঠকেই চূড়ান্ত হবে বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম। তারপরই তাঁরা সরকার গঠনের জন্য লোকভবনে যাবেন তাঁরা।
প্রশ্ন একটাই, কে হবে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী? বিজেপির এই বিরাট জয়ে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে অবশ্যই সবচেয়ে এগিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বঙ্গে বিজেপির এই বিরাট জয়ের অন্যতম কারিগর তিনি। রাজ্যে আজ যে ধর্মীয় মেরুকরণ, প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা, এসব তৈরির নেপথ্যে তিনি। তাছাড়া তিনি নিজে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুরেও জিতেছেন। হারিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee)। বস্তুত তৃণমূলের বিরুদ্ধে যে সমানে সমানে লড়াই করা যায়, সেটা কর্মীদের বোঝাতেও সক্ষম হয়েছেন এই শুভেন্দুই। তাছাড়া বিরোধী দলনেতা থাকার দরুন দলের বিধায়কদের একটা বড় অংশেরও আস্থা রয়েছে তাঁর উপর। তবে শুভেন্দুর ক্ষেত্রে সমস্যা হল, তিনি আদি বিজেপি নন। জোরগলায় হিন্দুত্বের রাজনীতি করলেও আরএসএসের সঙ্গে তাঁর যোগ নেই। তবে বিজেপি ইদানিং মুখ্যমন্ত্রীর পদে চমক দেওয়া পছন্দ করে।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
ইনডাস্ট্রিতে বড়ো ভাঙন তৃণমূলের - এবার কোন পথে হাঁটবে টলিপাড়া?
একে একে বড়ো পতন হয়ে গেলো তৃণমূলের শিল্পী ও কলা কুশলিদের। যে বিপুল আবেগ নিয়ে তারা এসেছিলেন, এবার কি সেভাবেই ফিরবেন! জেতা আসন খড়গপুর কেন্দ্র হাতছাড়া হলেও ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে শ্যামপুর কেন্দ্রে পদ্ম ফোটালেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়। গোড়ার দিকে তৃণমূল প্রার্থী নদেবাসী জানার থেকে পিছিয়ে থাকলেও পরে ২২ হাজার ২৬০ ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন। চলতিবারে যাদবপুরের বিজেপি প্রার্থী শর্বরী মুখোপাধ্যায়ের 'জেতা' নিয়ে অনেকেই সন্দিহান ছিলেন। তবে ২৬ রাউন্ড ভোটগণনা শেষে তৃণমূল প্রার্থী দেবব্রত মজুমদার ও বামপ্রার্থী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের মতো পোড় খাওয়া দুই রাজনীতিকদের টেক্কা দিয়ে ২৩ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ের পথে শর্বরী মুখোপাধ্যায়।
সোনারপুর দক্ষিণে তৃণমূল-বিজেপি দুই তারকাপ্রার্থীর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ছিল। তবে পাঁচ বছরের বিধায়ক লাভলি মৈত্রকে ৩৫ হাজার ৭৮২ ভোটের মার্জিনে পরাজিত করলেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। ২০১৫ সালে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দেন অভিনেত্রী রূপা। অন্যদিকে ২০২১ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসাবে সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে দাঁড়িয়েছিলেন লাভলি। বিরোধীদলের প্রার্থী হিসাবে ছিলেন অভিনেত্রী অঞ্জনা বসু। সেই সময়ে বিপুল সংখ্যক ভোটে বিজেপির অঞ্জনাকে হারিয়ে জয়ী হন লাভলি। তবে ছাব্বিশের ভোটে দুঁদে নেত্রী রূপাকে পরাস্ত করতে ব্যর্থ হলেন। রুদ্রনীল ঘোষের হাত ধরে শিবপুরে ঘাসফুলের বাগানে উঁকি দিল পদ্ম। তৃণমূল প্রার্থী রানা চট্টোপাধ্যায়কে ১৬ হাজারেরও বেশি ভোটের মার্জিনে পরাস্ত করে ভোটের ময়দানে প্রথমবার 'খাতা খুললেন' রুদ্রনীল। সোমবার সকাল থেকেই শিবপুরে পদ্ম-ঝড় উঠেছিল। শেষমেশ বাম থেকে ভায়া তৃণমূল হয়ে বিজেপিতে যাওয়া 'ঘরের ছেলে'কে জিতিয়ে আনন্দে ভাসল শিবপুর।টালিগঞ্জ কেন্দ্রে তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থী অরূপ বিশ্বাসের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে লড়েছেন পাপিয়া অধিকারী। টিকিট পেয়েই বলেছিলেন, 'সব কা সাথ, সব কা প্রয়াস, সব কা বিশ্বাস- মোদিজির এই মূলমন্ত্র নিয়েই ভোটের মাঠে নামব।' দীর্ঘদিন সিনেদুনিয়ায় ব্রাত্য থাকলেও ৬ হাজার ভোটের ব্যবধানে শেষ হাসি হাসলেন পাপিয়াই।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
বেশ কিছুটা সংখ্যালঘু ভোট বাম-কংগ্রেসের ঝুলিতে গেছে বলেই তৃণমূলের এই ধরাসায়ী অবস্থা
ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে ভোটের রেজাল্ট নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ। ভোট কুশলিদের একটা অংশ মনে করছেন সংখ্যালঘুদের একটা বড় অংশ এবার হাত ছেড়েছে মমতার। তারা পুরোনো সাথী বাম-কংগ্রেসেই ফিরে গেছেন। কারণ, সোমবারের বিকেলে রাজ্যের ভোট আকাশে ‘রং দে তু মোহে গেরুয়া’র মধ্যেও যে টুকু নীল-সাদা পেঁজা তুলো ঘুরে বেড়াচ্ছে ঘাসফুলের উপর, তা স্পষ্ট করছে ওই আকাশ দখলের নির্ণায়ক শক্তি বাম ও কিছুটা কংগ্রেস তাদের পক্ষে সংখ্যালঘু ভোটের বড় অংশকে নিজেদের দিকে টানতে সফল হয়েছে। যে ভোট ছিল একেবারে তৃণমূলের পকেটে। সেই সব পকেটের অনেকটাই খালি হয়েছে এই ভোটে। রাজ্যে প্রায় ৮৫টি আসন রয়েছে যেখানে মুসলিম জনসংখ্যা ৩৫ শতাংশের বেশি। তার মধ্যে অতখানি না হলেও অনেকটাই ভোট রয়েছে নন্দীগ্রামেও। সেখানেও গতবারের চেয়ে বেশি মার্জিনে জিতেছেন শুভেন্দু অধিকারী, কারণ আইএসএফ এবং সিপিআইয়ের ভোট কাটা, হিন্দুভোটের আরও বেশি এককাট্টা হওয়া।
সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আসনগুলির দিকে তাকালে বোঝা যাচ্ছে সেগুলিতে নির্ণায়ক শক্তি হয়ে উঠেছে বামেরা, কোথাও কংগ্রেস। কোনও ক্ষেত্রে এবারেও ভাঙড়ে জয়ী নওশাদ সিদ্দিকির আইএসএফ। তবে সবচেয়ে চমক রয়েছে মুর্শিদাবাদে। সেখানে ২২টি আসনের মধ্যে ১৭টিই মুসলিম-প্রধান। ডোমকলে সিপিএমের প্রার্থী, সংখ্যালঘু মুখ মোস্তাফিজুর রহমান জয়ের বড় কারণও সেই অঙ্কেই। সেখানেই কংগ্রেস পেয়েছে প্রায় ২৪ হাজার ভোট। ফরাক্কার কংগ্রেস প্রার্থী মহতাব শেখের নামই বাদ গিয়েছিল এসআইআরে। সুপ্রিম কোর্টে মামলা করে তাঁর নাম ওঠে তালিকায়, তাই তাঁর জয়ও একটা চমক। রানিনগরের কংগ্রেস প্রার্থী জুলফিকার আলিও যে বিধানসভায় পা রাখবেন, সেটারও বড় কারণ সেখানকার সংখ্যালঘু ভোট তৃণমূলের পকেট থেকে সরে গিয়ে হাত ধরা।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে এখন অবাধ যাতায়াত - তুলে নেওয়া হয়েছে সমস্ত গার্ডওয়াল
বিষয়টা এতো দ্রুত হবে, তা কেউই প্রত্যাশা করেন নি। কিন্তু এখন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন আম-আদমি, মুখ্যমন্ত্রী নন। ফলে তার নিরাপত্তা ধীরে ধীরে সব উঠে যাচ্ছে। দুই শতাধিক আসন পেয়ে পশ্চিমবঙ্গে জয়ী হয়েছে বিজেপি। এমনকী মমতার ঘরের কেন্দ্র ভবানীপুরেও ১৬ হাজার ভোটে হারতে হয়েছে তাঁকে। মমতার পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে যখন আলোচনা চলছে, তারই মধ্যে তাঁর বাড়ির সামনে থেকে সরল নিরাপত্তা।
৩০বি, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটেই বরাবর থেকেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এটাই তাঁর পৈতৃক বাড়ি। রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকে মুখ্যমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত, তাঁর সেই বাড়িতে খুব বেশি বদল হয়নি। তবে বদলে গিয়েছিল হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের পরিবেশ। মমতা মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর তাঁর বাড়ির সামনের রাস্তাটা কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। মেইন রোড থেকে ঢুকতে গেলে গার্ডরেল পেরতে হত। জানা যাচ্ছে নবান্নের নির্দেশে সমস্ত গার্ডরেল তুলে নিয়েছে পুলিশ। তবে কিছু পুলিশ এখনো পাহারায় আছে। একেই বলে ভাগ্যের পরিহাস।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
হেরে যাওয়ার পরে কলতান বললেন 'উই ওয়ান্ট জাস্টস'
হেরে গেলেও লড়াইয়ের ময়দান থেকে সরছেন না বলেই জানালেন কলতান। তাঁর কথায়, “গতকালের মতোই আজও আমরা সুবিচার চাই।” বিজেপির মসনদে আসা আসলে বাংলার জন্য আরও অন্ধকারে তলিয়ে যাওয়া বলেও মন্তব্য করলেন তিনি। বামেদের পরিচিত মুখ কলতান দাশগুপ্ত। অভয়া আন্দোলনকে কেন্দ্র করে চর্চায় উঠে এসেছিলেন তিনি। জেলেও গিয়েছেন। ছাব্বিশে পানিহাটি আসনে সেই কলতানেই আস্থা রেখেছিল সিপিএম। যা মোটেই ভালোভাবে নেননি অভয়ার মা। পরবর্তী তিনি ভোটে লড়ার সিদ্ধান্ত নেন। মেয়ের আবেগে শান দিয়ে পানিহাটি আসন জিতে নিয়েছেন অভয়ার মা অর্থাৎ রত্না দেবনাথ। কাকিমার বিরুদ্ধে ক্ষোভ না থাকলেও বিজেপির এই জয়কে বাংলার আরও অন্ধকারে তলিয়ে যাওয়ার সূচনা বলেই মনে করছেন কলতান।
তিনি বলেন, “মানুষের রায় আমরা মাথা পেতে নিয়েছি। আমরা গতকালও অভয়ার জন্য পথে ছিলাম। সুবিচার আজও মেলেনি। ফলে সেই দাবিতে আমরা আবারও পথে নামব। উই ওয়েন্ট জাস্টিস।” বিজেপি বহুবার বহু ফাইল খোলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তৃণমূলকে। এবার সেই ফাইল খুলবে কি না, তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন বলে জানালেন কলতান। অন্যথায় হুঁশিয়ারি দিলেন পথে নামার। বুঝিয়ে দিলেন, জয় না এলেও মানুষের পাশে তিনি ছিলেন, আছেন, থাকবেন।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
গেরুয়া আবিরে ভরে উঠছে প্রায় সর্বত্র - ক্ষমতার খুবই কাছে বিজেপি
একপ্রকার বলাই যায়, সকালের দিকে টক্করে লড়াই থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উড়ে যাচ্ছে তৃণমূল। এই মুহূর্তে ১৬৫ আসনে এগিয়ে বিজেপি আর ১০৩ আসনে এগিয়ে তৃণমূল। অন্যান্য ৭। বোঝাই যাচ্ছে বিজেপির জয় হয়তো শুধু সময়ের অপেক্ষা।
তবে প্রতি মুহূর্তে বদলে যাচ্ছে এই হিসাব। আর তা প্রতি মুহূর্তের নজরে রাখছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল থেকে দিল্লির কন্ট্রোল রুমে রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁকে গণনার ‘মিনিট টু মিনিট’ রিপোর্ট সল্টলেক পার্টি অফিসের কন্ট্রোল রুমে থেকে পাঠানো হচ্ছে বলে খবর। এবারের নির্বাচন বিজেপির কাছে প্রেস্টেজিয়াস ফাইট ছিল। প্রায় ১৪ দিন রাজ্যে পড়ে থেকে একের পর এক সভা, রোড শো করেছেন অমিত শাহ। শুধু তাই নয়, দফায় দফায় সমস্ত স্তরের কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকও সেরেছেন তিনি। এবার সবার নজর ফলাফলের দিকে। চাপা টেনশন। প্রত্যাবর্তন নাকি পরিবর্তনের পক্ষে মানুষের রায় গোটা বাংলার নজর রয়েছে।
রাজধানীতে বসে নজর রাখছেন মোদির ডেপুটিও। জানা গিয়েছে, রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা এদিন কলকাতাতেই রয়েছেন। সল্টলেকের কন্ট্রোল রুম থেকে গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন তাঁরা। সেখান থেকেই ২৯৩ টি আসনে গণনার গতিপ্রকৃতি, কোন আসনে বা কত আসন এগিয়ে দলের প্রার্থীরা, সে সব খবর শাহকে রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা পাঠাচ্ছেন বলে খবর। বলে রাখা প্রয়োজন, গত কয়েকদিনে ভোট গণনার প্রস্তুতি নিয়ে দলীয় স্তরে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা। মালদহ, শিলিগুড়ি, কলকাতায় আলাদা আলাদা বৈঠক করেন রাজ্যের পর্যবেক্ষক সুনীল বনশল। ছিলেন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। চার ধাপে ভাগ করে জেলা সভাপতি, প্রার্থী, কেন্দ্রভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের নিয়ে বৈঠক চলে। গণনার দিন দলের সব প্রার্থী থেকে শুরু করে সমস্ত স্তরের নেতা ও কর্মীদের এবং কাউন্টিং এজেন্টদের কী ভূমিকা থাকবে তা নিয়ে বিস্তারিত নির্দেশ দেন বনশলরা। এমনকী প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়।
#political
এখনও আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী
আমাদের মনে আছে ২০১১ সালে বেলা ১২ টার সময় ভোটের ট্রেন্ড বোঝা যাওয়ার পরেই তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধুদেব ভট্টাচার্য রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগ পত্র পৌঁছে দিয়েছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু সেই পথে হাঁটলেন না। দুপুর ১২টা পর্যন্ত ট্রেন্ড বলছে, বিজেপির দিকেই পাল্লা ভারী। এই আবহে প্রথম প্রতিক্রিয়া দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সোশ্যাল মিডিয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভিডিয়ো বার্তা দিয়েছেন। তিনি তৃণমূল প্রার্থীদের আশ্বস্ত করেছেন, পাশাপাশি ভয় না পাওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি। হাত জোড় করে মমতা বলেন, “ক্যান্ডিডেটরা ও এজেন্টরা এলাকা ছেড়ে আসবেন না। স্ট্রং রুম, যেখানে কাউন্টিং হচ্ছে, সেটা ছেড়ে কেউ আসবেন না। এটা বিজেপির প্ল্যান। আগেই বলেছিলাম, প্রথম ২-৩ রাউন্ডে ওদেরগুলো আগে দেখাবে। ১০০টা জায়গায় কাউন্টিং বন্ধ করে রেখে দিয়েছে। সেন্ট্রাল ফোর্সকে দিয়ে চারদিকে তৃণমূলের উপর অত্যাচার করছে, অফিস ভাঙছে।”
মমতার আরও অভিযোগ, এসআইআরে নাম কেটে কার্যত ভোট লুঠ করেছে বিজেপি। যে সব জায়গায় তৃণমূলের জেতার সম্ভাবনা ছিল, সেখানে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এখনও এমন ৭০ থেকে ১০০ টা সিট আছে, যেগুলোতে তৃণমূল এগিয়ে আছে, কিন্তু সেই ফল প্রকাশ করা হচ্ছে না। ‘পুরোটাই খাওয়াচ্ছে’বলে মন্তব্য করেন তিনি। এর পরে মনে হয় হারটা স্বীকার করার ক্ষমতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেই।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
আন্তর্জাতিক
ইউরোপীয় ইউনিয়নের উপর ক্ষোভে ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপালো ট্রাম্প
আদালতের কোপে শুল্ক যুদ্ধে কিছুদিনের জন্য বিরতি দিয়ে ফের স্বমহিমায় ফিরে এলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনান্ড ট্রাম্প। এবার আমেরিকার কোপের মুখে পড়ল ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। বাণিজ্য চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগে ইইউ থেকে আমদানি করা সব ধরনের গাড়ি ও ট্রাকের উপর ২৫ শতাংশ করার ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকে কার্যকর হতে পারে নয়া এই নিয়ম। শুক্রবার নিজের সোশাল মিডিয়ায় এই ইস্যুতে বার্তা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানে তিনি লেখেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাণিজ্য চুক্তির শর্ত মানছে না। তাঁর বার্তায়, আমেরিকার শিল্প ও কর্মসংস্থান রক্ষায় এই কঠোর পদক্ষেপ করা একান্ত প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, গত বছরের জুলাইয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্য চুক্তি হয়। সেখানে ইউরোপীয় অটোমোবাইল ও যন্ত্রাংশের ওপর ১৫ শতাংশ শুল্ক ধার্য করা হয়েছিল। তবে ট্রাম্পের দাবি, ইউরোপীয় দেশগুলি বিশেষ করে জার্মানি সেই শর্ত সঠিকভাবে পালন করছে না। নয়া এই শুল্ক কার্যকর হলে আমেরিকার বাজারে মার্সিডিজ-বেঞ্জ, বিএমডব্লিউ এবং অডির মতো ইউরোপীয় গাড়ি নির্মাণ সংস্থাগুলির খরচ অনেক বেড়ে যাবে। ফলে এই ধরনের গাড়ির গ্রাহকদের পকেটে বিরাট কোপ পড়বে। একইসঙ্গে ট্রাম্প অবশ্য জানিয়েছেন, যেসব সংস্থা আমেরিকার মাটিতে তাদের পণ্য উৎপাদন করবে তাদের ক্ষেত্রে কোনও বাড়তি শুল্ক প্রযোজ্য হবে না।
#international
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
বিনোদন
সত্যজিৎ রায়ের ১০৫ তম জন্মদিনে ভক্তের ঢল
সত্যজিৎ রায় - এই নামটাই বাংলা, ভারত তথা বিশ্বের কাছে এক বিশেষ প্রতিভা। এবছর সত্যজিৎ রায়ের ১০৫-তম জন্মদিন। সকাল থেকেই বিশপ লেফরয় রোডের বাড়িতে বহু মানুষের সমাগম। এদিন ভিড় জমান তারকা থেকে সাধরণ মানুষ প্রত্যেকে। মালদা, বর্ধমান, চন্দননগর থেকে শুরু করে রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে মানুষেরা এসেছেন আজ সত্যজিৎ রায়ের বাড়ি ঘুরে দেখতে, তাঁর ছবিতে মালা দিয়ে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে। রায় বাড়িতে বছরের এটা সবচেয়ে বড় উৎসব। সকলের জন্য এই দিন অবারিত দ্বার। সত্যজিৎ পুত্র সন্দীপ রায় সকলকে এদিন স্বাগত জানান এবং প্রত্যেকের সঙ্গে দেখা করেন ও তাদের নানা জিজ্ঞাসার উত্তর দেন। থাকে মিষ্টি মুখের ব্যবস্থাও। এবছরও রাস্তা থেকে বাড়ির চারতলা অবধি ভোর থেকে লম্বা লাইন।
মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে একবার সত্যজিৎ রায়ের ছবিতে ফুলমালা দিয়ে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানোর জন্য অপেক্ষা করছেন। সন্দীপ রায় বলেন, ‘প্রজন্মের পর প্রজন্ম, ৮ থেকে ৮০ প্রত্যেকে এখনও সেই সম্মানের সঙ্গে সত্যজিৎ রায়কে মনে রেখেছেন এর থেকে বড় প্রাপ্তি আর কিছু হতে পারে না’।
#Entertainment
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
বিনোদন
'লাগান’ ছবির পরিচালক আশুতোষ গোয়ারিকর আইএফএফআই-এর উৎসব পরিচালক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন
৫৭তম আন্তর্জাতিক ভারতীয় চলচ্চিত্র উৎসবের পরিচালক হিসেবে নিযুক্ত হলেন পরিচালক আশুতোষ গোয়ারিকর। ‘লাগান’ ছবির পরিচালক আশুতোষ গোয়ারিকর আইএফএফআই-এর উৎসব পরিচালক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন, যিনি এর আগেও এই পদে ছিলেন। এই পদ পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছেন পরিচালক আশুতোষ গোয়ারিকর। ৫৭তম আইএফএফআই-এর উৎসব পরিচালক হিসেবে নিযুক্ত চলচ্চিত্র নির্মাতা আশুতোষ গোয়ারিকর বলেন, এটি আমার জন্য সম্মানের। চলচ্চিত্র নির্মাতা আশুতোষ গোয়ারিকর, লাগান, স্বদেশ, এবং যোধা আকবর-এর মতো সিনেমার জন্য পরিচিত৷ গোয়ারিকর চলচ্চিত্র নির্মাতা শেখর কাপুরের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন, যিনি গোয়ায় প্রতি বছর অনুষ্ঠিত এই উৎসবের ৫৫তম ও ৫৬তম সংস্করণ পরিচালনা করেছিলেন।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গোয়ারিকর একজন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা যিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। আরও বলেছে, “আইএফএফআই-এর সঙ্গে গোয়ারিকরের সম্পর্ক কয়েক দশক পুরনো। এটি চলচ্চিত্র শিল্প এবং আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র সংস্কৃতির বিকাশে তাঁর গভীর সম্পৃক্ততার প্রতিফলন।”
গোয়ারিকর বলেন যে তিনি এই নিয়োগে অত্যন্ত গর্বিত ও আনন্দিত। তিনি বলেন, “এই উৎসবের অগ্রগতি প্রত্যক্ষ করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। ১৯৮৪ সালে যোগদান করা থেকে শুরু করে বছরের পর বছর ধরে এর সঙ্গে যুক্ত থাকাটা এক চমৎকার যাত্রা। ২০২৪ সালে আমি আন্তর্জাতিক সিনেমার জুরি সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি।”
#Entertainment
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta













