নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিন ও সরস্বতী পুজোর শুভেচ্ছা
#prathamalorbarta #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিন ও সরস্বতী পুজো আমরা এই বছর একই সাথে পালন করবো #prathamalorbarta #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
খেলার খবর
বাংলাদেশ কি টি ২০ বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়তে চলেছে?
এবার সত্যি কি টি ২০ বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়তে চলেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ যদি তার জেদ না ছাড়ে তালে বাদ অবধারিত। পাকিস্তান শত চেষ্টা করেও বাংলাদেশকে খেলাতে পারবে না বলেই মনে হয়। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই লিটন দাসদের বিকল্প খুঁজে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে আইসিসি। তবে সেই খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থাতেও ‘ভাইজান’ বাংলাদেশের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল পাকিস্তান। শোনা যাচ্ছে, পাক বোর্ডের তরফে বলা হয়েছে তারা বাংলাদেশের সমস্ত ম্যাচ আয়োজন করতে আগ্রহী।বুধবারই বাংলাদেশকে ডেডলাইন দেওয়া হয়েছিল বিশ্বকাপে খেলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য। এখনও বিসিবি সেই সিদ্ধান্ত জানায়নি। তার মধ্যেই ভারচুয়াল বৈঠকে বসেছে আইসিসি। প্রত্যেক দেশের বোর্ডের প্রতিনিধি রয়েছেন সেই বৈঠকে। সূত্রের খবর, বাংলাদেশ যদি বিশ্বকাপ না খেলে তাহলে বিকল্প দল নেওয়ার সিদ্ধান্তে ভোট দিয়েছেন অধিকাংশ সদস্য।
তারপরেই আইসিসি কিছুটা নরম হয়েছে বিসিবির উপর। বাংলাদেশ বোর্ডকে আরও ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে যেন সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে আসা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে বিসিবি। ওই বৈঠকেই আবারও বাংলাদেশকে সমর্থনের বার্তা দিয়েছে পাক বোর্ড, এমনটাই সূত্রের খবর। পিসিবির তরফ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের দাবি যথেষ্ট যৌক্তিক। সেই দাবি মেনে নেওয়া উচিত। যদি বাংলাদেশের ম্যাচগুলি শ্রীলঙ্কায় আয়োজন করতে সমস্যা হয় তাহলে পাকিস্তান তৈরি আছে। পাকিস্তানের মাটিতে বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে পারে বাংলাদেশ। তবে এই নিয়ে সরাসরি কিছু জানায়নি পাক বোর্ড। বুধবার আইসিসির বৈঠকে অংশ নিয়েছেন পাক বোর্ডের প্রধান মহসিন নকভি। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ বোর্ডের তরফে ওই ডেডলাইনের কথা এতদিন অস্বীকার করা হয়েছে। মহম্মদ ইউনুস সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আঙুল তুলেছেন ভারতীয় বোর্ডের দিকেও। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, ভারতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ। তবে বিসিবি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই বুধবার পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করে ফেলল আইসিসি। বাংলাদেশ না খেললে বিকল্প দেশকে বিশ্বকাপ খেলার আমন্ত্রণ জানানো হবে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, বাংলাদেশ কি এখনও নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকবে? নাকি ক্রিকেটারদের ইচ্ছাকে সম্মান দিয়ে ভারতে খেলতে আসবে?
#prathamalorbarta #প্রথমআলোরবার্তা
অবশেষে ১৪/২ ভোটে হেরে গেলো বাংলাদেশ
এবার বাংলাদেশের সামনে 'do or die' অবস্থা। বেশ কিছুদিন ধরে নানা জটিলতার পরে বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের পীঠ দেওয়ালে ঠেকেছে। এখন আর সারার জায়গা নেই। আসলে মুখ
পুড়ল বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের। আইসিসি-র টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারতেই খেলতে হবে বাংলাদেশকে। অন্য কোনও দেশে ম্যাচ স্থানান্তরিত করা যাবে না। ভোটাভুটির পর এই সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ ভারতে খেলতে আসবে কি না এবার তাদের জানাতে হবে। আগামিকাল সন্ধের মধ্যে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে হবে। সূত্রের খবর, বাংলাদেশ যদি ভারতে খেলতে আসতে না চায় সেক্ষেত্রে স্কটল্যান্ড সুযোগ পাবে। সেই মোতাবেক ব্যবস্থা করবে আইসিসি। আইসিসি ইতিমধ্যেই বিসিবিকে জানিয়ে দিয়েছে, যদি বাংলাদেশ নিজের সিদ্ধান্ত অনড় থাকে, অর্থাৎ ভারতে খেলতে না য়ায় তাহলে তাহলে তাদের টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়া হবে।
বাংলাদেশ এবারের বিশ্বকাপে ভারতে খেলতে চায়নি। খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে চিঠি লিখেছিল তারা আইসিসিকে। দাবি করেছিল, ভারতের বদলে তাদের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরিত করা হোক। সূত্রের খবর, আইসিসি তাদের দাবি মানেনি। নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ভোটাভুটির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই জন্য আজ বুধবার ১৬টি ক্রিকেট খেলিয়ে দেশ ভোটে অংশ নেয়। সেই ভোটে গোহারা হারে বাংলাদেশ। তাদের পক্ষে ভোট পড়ে মাত্র ২টি। বাংলাদেশের পক্ষে ভোট দেয় সেই দেশ নিজে ও পাকিস্তান। সূত্রের দাবি, ভোটে হারার পরও বাংলাদেশ যদি নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে তাহলে তাদের টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়া হবে। স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। তবে আইসিসি এখনও এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। ঘটনার সূত্রপাত বাংলাদেশের ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল-থেকে বাদ দেওয়ার পর থেকে। বিসিসিআই জানিয়েছিল, নিরাপত্তার কারণে মুস্তাফিজুরকে ভারতে খেলানো যাবে না। তখনই বাংলাদেশ ভারতে খেলার ব্যাপারে অনিচ্ছা প্রকাশ করে। তারপর থেকেই জটিলতা বাড়তে থাকে।
#prathamalorbarta #প্রথমআলোরবার্তা
অবশেষে মেয়র মেনে নিলেন কলকাতার বায়ুদূষণ সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে
সাধারণত কলকাতার বায়ুদূষণ মানতেই চাইতো না মেয়র। ভারতের বায়ুদূষণ মানেই সব দায় চাপিয়ে দেওয়া হতো দিল্লির ঘাড়ে। এবার মেয়র স্বীকার করে নিলেন যে কলকাতার বায়ুদূষণ সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেছেন, দিল্লি এবং কলকাতার কারণে দূষণ বাড়ছে। দু’টি শহরের কাছে কোনও সমুদ্র নেই। ফলে যে দূষণ তৈরি হচ্ছে, তা বসে যাচ্ছে। দক্ষিণা বাতাস না থাকায় সেই দূষণ শহর থেকে বেরিয়ে যেতে পারছে না। ফলে বায়ু দূষণের মাত্রা এই জায়গায় পৌঁছেছে। পরিবেশবিদদের মতে, কলকাতার দূষণ কখনোই মানতে চাননি পুরসভার কর্তারা। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে কার্যত মেয়র বাধ্য হলেন কলকাতা পুরসভায় পরিবেশ নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডাকতে।গত কয়েকদিন ধরে শহরের বায়ুদূষণের অবস্থা ক্রমশ খারাপ হয়েছে। AQI অর্থাৎ বায়ু দূষণের সূচক অনুযায়ী বাতাসের দূষণের মাত্রা ক্রমশ খারাপ হয়েছে। বুধবার রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড, কলকাতা পুরসভা, কলকাতা পুলিশ, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদকে নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম।
সেই বৈঠকে বেশ কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কলকাতা পুলিশকে মেয়র নির্দেশ দিয়েছেন, দূষণ যাচাই সংক্রান্ত সার্টিফিকেট যে গাড়িগুলিতে নেই, সেগুলি নিয়ে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে। গাড়িগুলিকে ভালভাবে পরীক্ষা করতে হবে। দীর্ঘক্ষণ গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকায়, এখানে যেভাবে ধোঁয়া বেরোচ্ছে, তাতে দূষণ তৈরি হচ্ছে। দ্রুত গাড়িগুলিকে রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করাতে হবে। যানজট মুক্ত করতে হবে। একইসঙ্গে কলকাতা পৌরসভার আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, রাস্তায় বালি যাতে না পড়ে থাকে। পাশাপাশি, রাস্তায় যত্রতত্র নির্মাণ সামগ্রী পড়ে থাকছে। যেখান থেকে ধুলো উড়ে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে বলে মেয়র জানিয়েছেন। মেয়র আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, “সাফল্যের জন্য কলকাতা পৌরসভার বেশ কিছু গাফিলতি রয়েছে। যতক্ষণ না ঠেলা দিয়ে কাজ করানো হয়, ততক্ষণ কেউ কাজ করতে চায় না।”
#prathamalorbarta #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
হিরনের দ্বিতীয় বিয়ে কি বৈধ - উঠছে নানা প্রশ্ন
বুধবার বরানসির গঙ্গাপারে বিজেপি নেতা তথা অভিনেতা হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায় দ্বিতীয় বিবাহ সেরে ফেলেন। তার দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম ঋতিকা গিরি। আবার আমরা জানি ২৫ বছর আগে হিরন প্রথম বিয়ে করেন অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়কে। এবার খেলা নতুন খাঁদে বইতে শুরু করেছে। হিরণের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায় প্রকাশ্যে দাবি করেছেন, তিনি ও হিরণ আইনি ভাবে এখনও বিবাহিত এবং তাদের মধ্যে কোনও ডিভোর্স হয়নি। তিনি বলেন, “আমাদের মধ্যে কোন আলাদা হওয়া বা ডিভোর্স হয়নি, তাই এই দ্বিতীয় বিয়ে বৈধ নয়।” অনিন্দিতার অভিযোগ, দীর্ঘদিন তিনি মানসিক ও ঘরোয়া সমস্যার সম্মুখীন হলেও পরিবার ও মেয়ে-নিরাপত্তার কারণে চুপ ছিলেন। খবরে প্রকাশ বুধবার রাতে তিনি থানায় গিয়েছিলেন।
অনিন্দিতা আরও অভিযোগ করেন, তাঁর ১৯-বছর বয়সী মেয়ে এই অবস্থার কারণে শারীরিক ও মানসিক চাপের সম্মুখীন, এবং বর্তমানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনি বলেছেন, এই ঘটনায় তিনি আইনগত পথে যেতে পিছপা হবেন না এবং সব প্রমাণসহ থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।বুধবার সন্ধ্যায় অনিন্দিতা তাঁর মেয়ে নিয়াসাকে সঙ্গে নিয়ে আনন্দপুর থানায় হাজির হয়ে হিরণ ও ঋতিকা-র বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের ভিত্তিতে FIR রেজিস্টার করা হতে পারে। এই অভিযোগে মূল বিষয় আইনি বিবাহ অবস্থা, ডিভোর্সের প্রমাণ এবং দ্বিতীয় বিয়ের বৈধতা-সম্পর্কিত তথ্য থাকবে। এখন দেখার একজন বিধায়ক হিসাবে হিরণ কিভাবে সামলায় এই আইনি আক্রমন!!
#prathamalorbarta #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
হিরনের দ্বিতীয় বিয়ে কি বৈধ - উঠছে নানা প্রশ্ন
বুধবার বরানসির গঙ্গাপারে বিজেপি নেতা তথা অভিনেতা হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায় দ্বিতীয় বিবাহ সেরে ফেলেন। তার দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম ঋতিকা গিরি। আবার আমরা জানি ২৫ বছর আগে হিরন প্রথম বিয়ে করেন অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়কে। এবার খেলা নতুন খাঁদে বইতে শুরু করেছে। হিরণের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায় প্রকাশ্যে দাবি করেছেন, তিনি ও হিরণ আইনি ভাবে এখনও বিবাহিত এবং তাদের মধ্যে কোনও ডিভোর্স হয়নি। তিনি বলেন, “আমাদের মধ্যে কোন আলাদা হওয়া বা ডিভোর্স হয়নি, তাই এই দ্বিতীয় বিয়ে বৈধ নয়।” অনিন্দিতার অভিযোগ, দীর্ঘদিন তিনি মানসিক ও ঘরোয়া সমস্যার সম্মুখীন হলেও পরিবার ও মেয়ে-নিরাপত্তার কারণে চুপ ছিলেন। খবরে প্রকাশ বুধবার রাতে তিনি থানায় গিয়েছিলেন।
অনিন্দিতা আরও অভিযোগ করেন, তাঁর ১৯-বছর বয়সী মেয়ে এই অবস্থার কারণে শারীরিক ও মানসিক চাপের সম্মুখীন, এবং বর্তমানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনি বলেছেন, এই ঘটনায় তিনি আইনগত পথে যেতে পিছপা হবেন না এবং সব প্রমাণসহ থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।বুধবার সন্ধ্যায় অনিন্দিতা তাঁর মেয়ে নিয়াসাকে সঙ্গে নিয়ে আনন্দপুর থানায় হাজির হয়ে হিরণ ও ঋতিকা-র বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের ভিত্তিতে FIR রেজিস্টার করা হতে পারে। এই অভিযোগে মূল বিষয় আইনি বিবাহ অবস্থা, ডিভোর্সের প্রমাণ এবং দ্বিতীয় বিয়ের বৈধতা-সম্পর্কিত তথ্য থাকবে। এখন দেখার একজন বিধায়ক হিসাবে হিরণ কিভাবে সামলায় এই আইনি আক্রমন!!
#prathamalorbarta #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
আবার ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে ট্রাম্প বললেন -'মোদি একজন দারুণ নেতা'
রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে 'গিরগিটির' তুলনা করা হয় মাঝে মাঝেই। তাই বলে ট্রাম্পের মতো একজন আন্তর্জাতিক নেতা নিজের স্ট্যান্ড পয়েন্ট এতো দ্রুত পরিবর্তন করবেন? সে যাই হোক। বাণিজ্যচুক্তি না হওয়া এবং পরবর্তীকালে শুল্কবাণের জেরে দু’দেশের সম্পর্কে ভাটা পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর কথায়, “মোদি একজন দারুণ নেতা।” একইসঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়েও বড় ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বুধবার সুইৎজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে যোগ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। সেখানে বক্তৃতা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “মোদির সঙ্গে আমার সম্পর্ক সুমধুর। তাঁর প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। মোদি দারুণ একজন নেতা। শীঘ্রই আমরা ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যচুক্তি করতে চলেছি।” বলে রাখা ভালো, এর আগেও একাধিকবার মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন ট্রাম্প।
তবে বিশ্ব রাজনীতির বর্তমান পরিস্থিতি অন্য পথে বইছে।ইতিমধ্যেই ভারতের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্যচুক্তির বার্তা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে কয়েকদিন আগামী ২৫ তারিখ ভারত সফরে আসবেন ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অ্যান্তোনিও কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন। তাই ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যচুক্তি হওয়ার আগেই নিজের দেশের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যচুক্তি সেড়ে ফেলতে চাইছেন ট্রাম্প। প্রসঙ্গত, মার্কিন কর্পোরেট সংস্থাগুলির চাপে কৃষিপণ্য, মৎস্য এবং ডেয়ারি পণ্যের ভারতীয় বাজার উন্মুক্ত করতে চায় আমেরিকা। সেই শর্তে রাজি নয় ভারত। তার ফলেই আটকে রয়েছে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যচুক্তি। উল্লেখ্য, ব্রিটেনের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তিতেও এই তিনটি ক্ষেত্রের বাজার খোলেনি ভারত। তার কারণ, এই তিন ক্ষেত্রে ভারত নিজের বাজার খুলে দিলে প্রবল সমস্যায় পড়বেন দেশের কৃষকরা। যেহেতু আমেরিকার এই প্রস্তাবে ভারত রাজি নয়, তাই বাণিজ্যচুক্তি বিশ বাঁও জলে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে ট্রাম্পর এই কথা হয়তো নতুন ইঙ্গিত দিচ্ছে।
#prathamalorbarta #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হল বীরভূমের বিখ্যাত তাঁতিপাড়ার জিলিপি।
আজ বীরভূমের দুবরাজপুর থানার অন্তর্গত গোহালিয়ারা ফুটবল ময়দানে ভারতীয় জনতা পার্টির ডাকে জনসভায় এসেছিলেন বিখ্যাত অভিনেতা বিজেপি নেতা ও মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী। সেই মিঠুন চক্রবর্তীর হাতে তাকে সম্বর্ধনা জানিয়ে তার হাতে তুলে দেওয়া হল বীরভূমের রাজনগর ব্লকের অন্তর্গত তাঁতিপাড়া গ্রামের বিখ্যাত কালো কলায় তৈরি জিলাপি। এই একটি মাত্র জিলাপির ওজন ছিল প্রায় দু কেজি। বীরভূমের তাঁতিপাড়ার এই বিখ্যাত মিষ্টান্ন পেয়ে আপ্লুত অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। স্বভাবতই তাতিপাড়ার এই বিখ্যাত জিলিপি মিঠুন চক্রবর্তী সাদরে গ্রহণ করায় গর্বিত তাঁতিপাড়া জিলিপি তৈরির কারিগররা মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা এবং তাঁতি পাড়ার বাসিন্দারা।তাঁতিপাড়ার এই বিখ্যাত ২ কেজি ওজনের জিলিপিটি আজ তৈরি করেন মিষ্টান্ন ব্যাবসায়ী সুমন রুজ।।
#prathamalorbarta #প্রথমআলোরবার্তা
বাংলাদেশে কি নতুন করে কোনো উত্তেজনা তৈরী হতে চলেছে?
বাংলাদেশে বসবাসকারী ভারতীয় রাষ্ট্রদূত ও অন্যান্য আধিকারিকদের পরিবারের লোকজনকে দ্রুত ভারতে ফেরার নির্দেশ দিল ভারত সরকার। কেন এই নির্দেশ? প্রশ্ন সকলের মনেই। সরকারি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে পিটিআই-এর তরফে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়ে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে একই সঙ্গে এটাও জানানো হয়েছে, আধিকারিকদের পরিবারের সদস্যদের দেশে ফেরার পরামর্শ দেওয়া হলেও বাংলাদেশে ভারতের দূতাবাস ও অন্যান্য সব কেন্দ্রই খোলা থাকবে। কিন্তু কেন হঠাৎ এমন নির্দেশ দিল বিদেশমন্ত্রক? জানা যাচ্ছে, এর নেপথ্যে রয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে নির্বাচন হওয়ার কথা। নির্বাচন উপলক্ষে ইতিমধ্যেই সরগরম গোটা বাংলাদেশ। পাশাপাশি বাংলাদেশজুড়ে বাড়তে থাকা মৌলবাদের দাপাদাপি আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছে ওয়াকিবহাল মহল। ফলে সেখানে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে কোনওরকম ঝুঁকি নিতে নারাজ কেন্দ্র। যার জেরেই এই নির্দেশ বলে জানা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, নির্বাচনের প্রাক্কালে ইনকিলাব মঞ্চের প্রধান ওসমান হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তেতে রয়েছে গোটা বাংলাদেশ। অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে উপদেষ্টা সরকারকে চরম সময়সীমা দিয়ে দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। পাশাপাশি ভয়ংকরভাবে সেদেশে বেড়েছে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর অত্যাচার। গণপিটুনির পর নৃশংসভাবে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে ময়মনসিংয়ের হিন্দু যুবক দীপু দাসকে। এর পর থেকে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশে হিংসার বলি হয়েছেন বহু হিন্দু ব্যবসায়ী ও সাধারণ নাগরিক। গোটা পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়েই এবার আগাম সতর্কতা মূলক পদক্ষেপ করল বিদেশমন্ত্রক। বোঝা যাচ্ছে আবার বাংলাদেশে ভারত বিরোধী আন্দোলন শুরু হতে পারে।
#prathamalorbarta #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta











