৪০ দিন পরে ইরান খুলে দিলো হরমুজ প্রণালী
কিছুটা স্বস্তি মিললো বিশ্ববাসীর। হরমুজ প্রণালী খুলে গেলো। বৃহস্পতিবার লেবানন ও ইজরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষবিরতির ঘোষণার পরই খুশি ইরান। ৪০ দিনেরও বেশি সময় হরমুজ প্রণালী বন্ধ রাখার পর শুক্রবার তারা ফের একবার এই জলপথ সকলের জন্য খুলে দেওয়ার ঘোষণা করেছে। সুখবর দিয়ে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগাচি জানিয়েছেন, যতদিন সংঘর্ষবিরতি চলবে, ততদিন হরমুজ প্রণালী খোলা থাকবে। ইরানের বন্দর ও সামুদ্রিক প্রতিষ্ঠানের দেওয়া নির্দিষ্ট রুট অনুযায়ী জাহাজগুলিকে চলাচল করতে হবে। ইরানের এই সিদ্ধান্তে খুশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও।
তিনি নিজস্ব সোশ্যাল হ্যান্ডেল- ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তবে ইরান হরমুজ খুললেও জলপথে আর যে বাধা নেই, এমনটা নয়। এর কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজেই জানিয়েছেন যে ইরানের বন্দরে ঢুকতে-বেরতে মার্কিন নৈসেনা যে বাধা দিচ্ছিল, তা বর্তমানেও থাকবে। ইরানের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষবিরতি চুক্তি ১০০ শতাংশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোনও জাহাজকে ইরানের বন্দরে ঢুকতে বা বন্ধ করতে দেওয়া হবে না। ভারত যেহেতু ইরানের কাছ থেকে সরাসরি তেল কিনছিল, সেক্ষেত্রে আমেরিকার বাধা ফের নতুন সমস্য়া তৈরি করবে।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
মমতার জন্যই আটকে গেলো মহিলা সংরক্ষণ বিল - দাবি অখিলেশের
শত চেষ্টা করেও মোদী সরকার লোকসভায় পাশ করাতে পারলেন না মহিলা সংরক্ষণ ও লোকসভায় আসনবৃদ্ধি সংক্রান্ত ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল। এই খবর প্রকাশ পাবার পরেই আখিলেশ যাদব ফোনে ধন্যবাদ জানান মমতাকে। তৃণমূল নেত্রী মনে করেন,কেন্দ্রীয় সরকার মহিলা সংরক্ষণ বিল পাশের মাধ্যমে মহিলাদের ক্ষমতায়ণকেই রুখতে চাইছে। সেই ইঙ্গিত করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিলের বিরোধিতায় সবর হয়েছিলেন তিনি। সংসদের ভিতরে ও বাইরে তৃণমূলের সাংসদরা সবর হয়েছিলেন। এদিন মহিলা সংরক্ষণ বিল ফেল করতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করেন অখিলেশ যাদব। ‘দিদি’কে শুভেচ্ছা জানান তিনি। সূত্রের দাবি, দীর্ঘ এই আলোচনায় দুই নেতার মধ্যে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়েও কথা হয়। সব সাংসদ উপস্থিত থাকলে বিরোধীদের ভোটসংখ্যা ২৫০-র গণ্ডি ছাড়িয়ে যেত বলেও উল্লেখ করেন অভিষেক।
কথোপকথনের এক পর্যায়ে তিনি মন্তব্য করেন, “বিজেপির বিরুদ্ধে হাওয়া ঘুরতে শুরু করেছে।” একই সঙ্গে উঠে আসে ‘ক্রস ভোটিং’ প্রসঙ্গও। অতীতে বিরোধী শিবির থেকেই বিজেপির পক্ষে ক্রস ভোটিংয়ের নজির থাকলেও, এখন সেই প্রবণতা উলটো দিকে ঘুরতে পারে বলেই আলোচনা হয় বলে সূত্রের খবর। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ফোনালাপ কেবল সৌজন্য বিনিময় নয়, বরং বৃহত্তর বিরোধী ঐক্যের ভিত আরও মজবুত করার ইঙ্গিত। পাশাপাশি, সংসদের সংখ্যার লড়াইয়ে ভবিষ্যতে আরও চমক থাকতে পারে বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন ভালো সমন্বয় সাধন করেন। সেই বিষয়ে কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে ডেরেককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
এক নজরে প্রথম দফার প্রার্থীদের জীবনপঞ্জী - লজ্জায় অনেকটাই মাথা নেমে যায়
বিধানসভা ভোটে প্রতিদ্বান্দ্বীতা করতে চলেছেন, অথচ সেই অর্থে সম্পূর্ণ নিরক্ষর এমন প্রার্থী ঝখন দাঁড়ান, তখন বাংলার শিক্ষার দৈন্যের কথা বোঝা যায়। নির্বাচন কমিশন অফিস সূত্রে জানা যাচ্ছে, বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম দফার ১৫২ টি কেন্দ্রে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীদের মধ্যে ১৪ জন প্রার্থীই নিরক্ষর। নাম সই পর্যন্ত করতে পারেন না। বিশ্বাস হচ্ছে না? বিশ্বাস না হলে আবার পড়ন। যাঁদের ভোট দিয়ে রাজ্যের বিধানসভায় পাঠাবেন সাধারণ মানুষ, তাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা দেখে পিলে চমকানোর জোগাড়। সম্প্রতি প্রার্থীরা যে হলফনামা জমা দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনে, তা বিশ্লেষণ করেছে ওয়েস্ট বেঙ্গল ইলেকশন ওয়াচ এবং অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস। সেখানকার তথ্যেই দেখা যাচ্ছে, ১৪ জন প্রার্থী নিরক্ষর। ২৯ জন নাম সইটুকু করতে পারেন। মানে স্বাক্ষর। ভোটে লড়া প্রার্থীদের মধ্যে পঞ্চম শ্রেণি পাশ করেছেন ৩২জন। আর অষ্টম শ্রেণি পাশ করে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন ১৮০ জন। এই তথ্য দেখে অনেকেই হয়তো ভুরু কোঁচকাবেন। তবে এখানেই শেষ নয়, ক্লাস টেন পাস করে এবার ভোটে দাঁড়িয়েছেন ২৪৬ জন। এই পরিসংখ্যান আমাদের লজ্জা দিচ্ছে। বোঝাই যায়, এখানে শিক্ষা থেকেও প্রাধান্য পেয়েছে রাজনীতি।
যে দেশে শিক্ষার এই হাল, সেই দেশে যে খুবই বেশি দূর এগোতে পরনে বলে মনে হয় না। তাই এই মুহূর্তে রাজনৈতিক দলগুলোকে লড়াই করা উচিৎ শিক্ষা, স্বাস্থ্যর জন্য, ধর্ম ও রাজনীতির জন্য নয়। এবার নির্বাচনে ৭০টির বেশি দলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে মোট ১৪৭৫ জন প্রার্থী। তবে বেশিরভাগেরই যে পড়াশোনা নেই, তেমন নয়। এই প্রার্থীদের মধ্যে স্নাতক প্রার্থী রয়েছেন ৩৬১জন। আর স্নাতকোত্তর প্রার্থী ২২৫ জন। ডক্টরেট প্রার্থীও আছেন সেই তালিকায়। সংখ্যাটা ২০। এবারের এই প্রার্থীদের বয়সসীমার ভিত্তিতে যে বিশ্লেষণ করা হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে প্রথম দফার ভোটে ২৫-৩০ বছর বয়সি প্রার্থী রয়েছে ১০৩ জন। ৩১-৪০ বছর বয়সি ৩৪৭, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে রয়েছেন ৪৫৩ জন প্রার্থী। ৭১-৮০ বছর বয়সিদের মধ্যে ৪৯ জন। এবং সবচেয়ে প্রবীণ ৮১-৮৫ বছর বয়সিদের মধ্যে ২ জন। এবার লড়াইয়ে ১৪৭৫ জন প্রার্থীর মধ্যে পুরুষ প্রার্থী রয়েছেন ১৩০৮ জন, আর মহিলা প্রার্থী ১৬৭জন।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
বামজোট কিছুতেই এবছর ঠিকঠাক হল না - নন্দীগ্রাম তার প্রমাণ
শাসন থেকে একবার সরে গেলে দলীয় শৃঙ্খলা যে আর ধরে রাখা যায় না তা স্পষ্ট। আর সিপিএমের মত অত শৃঙ্খলাবদ্ধ দলে এটা দেখে অনেকেই বিস্মিত। ভোটের আগেই বামফ্রন্ট ও আইএসএফ জোট ঘিরে ঘোঁট চরমে নন্দীগ্রামে! বাংলার ভোটের ময়দানে ‘হটস্পট’ নন্দীগ্রামে কয়েকদিন আগে পর্যন্ত স্থানীয় সিপিআই প্রার্থীর সমর্থনেই ময়দানে নেমেছিলেন সিপিএম নেতারা। এবার সেখানেই নতুন করে লাল পার্টির সিদ্ধান্ত, বামফ্রন্টের শরিক সিপিআই প্রার্থী শান্তি গিরির সমর্থনে প্রচার আর নয়। এবার আইএসএফ প্রার্থী সবে মিরাজ আলির পক্ষে ভোট প্রচার শুরু করেছেন সিপিএম নেতৃত্ব। ফলে জোটে জট পাকিয়েছে বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের। তবে সিপিআই নিজেদের প্রার্থী নিয়ে অনড়। আলিমুদ্দিনের নির্দেশ বনাম শরিকি জেদের এই দ্বন্দ্বে এখন তোলপাড় গোটা নন্দীগ্রাম।
ভোটের মাত্র কয়েকদিন আগে প্রচারের ময়দানে প্রার্থী নিয়ে বিবাদ মিটিয়ে ফেলতে বৃহস্পতিবার রাতে সিপিএম ও আইএসএফ নেতৃত্ব এক জরুরি বৈঠকে বসে। অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই বৈঠকে বামফ্রন্টের অন্যতম শরিক দল সিপিআই-এর কোনও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। মূলত সিপিএম এবং আইএসএফ-এর মধ্যেই দ্বিপাক্ষিক আলোচনা সীমাবদ্ধ থাকে। দীর্ঘ আলোচনার পর সিপিএম জেলা নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নেয়, তারা জোটধর্ম মেনে আইএসএফ প্রার্থী সবে মিরাজ আলি খানের সমর্থনে প্রচার চালাবেন। এই বৈঠকের পরেই সিপিএম-সিপিআই-এর মধ্যে ফাটল প্রকাশ্যে চলে এসেছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সিপিএমের সম্পাদক তথা জেলা বামফ্রন্টের আহবায়ক নিরঞ্জন সিহি বলেন, “প্রথমে দলীয়ভাবে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে সিপিআই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। কিন্তু পরে জোট শরিক আইএসএফকে ওই আসন ছেড়ে দেওয়া হয়। সেই কারণে দলীয় নির্দেশ মেনে জোট শরিক আইএসএফ-এর প্রার্থীর হয়েই বামফ্রন্ট প্রচারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর বাইরে কিছুই নয়।” ফলে মানুষ কিছুটা বিপাকে পড়েছেন।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
৫ জন বিএলও সহ একজন পুলিশ কমিশনারেটকে সরিয়ে দিলো কমিশন
ভোটের সময় এগিয়ে আসছে ততোই যেন কঠিন হয়ে উঠছে কমিশন। কিন্তু এতে আদপেও বিশেষ কোন কাজ হবে বলে মনে করেনা নাগরিক মহল। তৃণমূলের হয়ে প্রচারের অভিযোগে ৫ বিএলও-র বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। শুক্রবার সাসপেন্ড করা হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা ও বীরভূমের মোট ৫ জন বিএলওকে। শুধু তাই নয়, বিধানসভা ভোটের (WB Assembly Election 2026) আগে সরিয়ে দেওয়া হল বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার মুরলিধরকে। তাঁর জায়গায় আইপিএস আধিকারিক ত্রিপুরারি অথর্বাকে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, যে ৫ জন বিএলওকে সাসপেন্ড করা হয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে সরাসরি তৃণমূলের হয়ে প্রচারের অভিযোগ ছিল।
এরা হলেন, উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের তিনজন বিএলও তপন কুমার সাহা, অভিজিৎ দে, কুমারজিৎ দত্ত। এবং বীরভূমের দুবরাজপুর, ময়ূরেশ্বরের দু’জন বিএলও। এই ৫ জনকে আগেই শোকজ করেছিল কমিশন। তবে জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় এদিন কড়া পদক্ষেপ করেছে কমিশন। এঁদের মধ্যে কুমারজিৎ শো কজের জবাব দিতে অস্বীকার করেন। এঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের পাশাপাশি এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৫ বিএলও-র বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পাশাপাশি এদিন বিধাননগরের পুলিশ কমিশনারকে সরিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাঁর জায়গায় আইপিএস আধিকারিক ত্রিপুরারি অথর্বাকে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৮ এপ্রিল অর্থাৎ শনিবার সকাল ১১টার মধ্যে মুখ্যসচিবকে নির্দেশ কার্যকর করতে বলা হয়েছে।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
*মোথাবাড়িকাণ্ডে ধৃত অন্যতম মূল প্ররোচনাকারী মোফাক্কারুল ইসলাম সহ মোট ৪৯ জন অভিযুক্তকে আজ NIA-র বিশেষ আদালতে পেশ করা হয়েছে।* ধৃতদের আদালতে নিয়ে আসার সময় কোর্ট চত্বরে জাতীয় পতাকা হাতে বিক্ষোভ দেখান বেশ কয়েকজন আইনজীবী। মোফাক্কারুল ইসলাম সহ বাকিদের বিরুদ্ধে দেশবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে বিক্ষোভ আদালত চত্বরে।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
জলপাইগুড়িতে যা হলো তা নিতান্তই 'কুসংস্কার'
যেকোনো 'কুসংস্কারের জন্মই বিজ্ঞান বুদ্ধির অভাব থেকে - আর তা যে রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে যথেষ্ট তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তেমনই দৃশ্য দেখা গেলো জলপাইগুড়িতে। তবে এবার জলপাইগুড়িতে যা ঘটল, তা দেখে হাসির রোল নেটপাড়ায়। খোদ পাখি আশীর্বাদ করে বসল প্রার্থীকে! ক’জনের ভাগ্যে মেলে বলুন তো! সেই বিরল সৌভাগ্যের অধিকারী হলেন তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ দাস। সৌজন্যে এক মিষ্টি কাকাতুয়া! জলপাইগুড়ি ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচার করছিলেন কৃষ্ণ দাস। গত কয়েকদিন ধরেই কৃষ্ণ বাবু চষে বেড়াচ্ছেন নিজের ওয়ার্ড। এদিন প্রচার করতে করতে তিনি পৌঁছে গিয়েছিলেন এক পশুপ্রেমীর বাড়িতে। বাড়ির সদস্যদের কাছে ভোট চেয়ে যখন হাসিমুখে বিদায় নিতে যাবেন, তখনই ঘটল সেই কাণ্ড!
বাড়ির গেটের পাশেই এক বিশাল খাঁচায় রাজকীয় ভঙ্গিতে বসেছিল এক সাদা ধবধবে কাকাতুয়া।
তাকে দেখা মাত্রই হাসিমুখে এগিয়ে যান প্রার্থী। যেই না খাঁচার সামনে গিয়ে কৃষ্ণ বাবু মাথা নিচু করে আশীর্বাদ চেয়েছেন, ওমনি ওস্তাদ কাকাতুয়া এক পা এগিয়ে এসে টপ করে প্রার্থীর কপালে দিয়ে দিল একখানা জম্পেশ চুমু!
ব্যস! কাকাতুয়ার এই কাণ্ড দেখে সেখানে উপস্থিত কর্মীদের মধ্যেও হাসির রোল পড়ে যায়। হাসির রোল নাগরিক মহলেও। কেউ বলছেন, “ভোটে জেতা এবার পাকা, খোদ পাখি আশীর্বাদ দিচ্ছে!” আবার কেউ মজা করে বলছেন, “কাকাতুয়াই যদি ভোটটা দিতে পারত, তবে তো আর চিন্তাই ছিল না!” প্রার্থী কৃষ্ণ দাসও বেশ আপ্লুত
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
মুখ্যমন্ত্রীর উল্লাসের কোনো কারণ নেই, পুরোনো ভোটার তালিকা ভোট হলেও মমতা হারছে - শমীক ভট্টাচার্য
বৃহস্পতিবার শীর্ষ আদালতের নির্দেশে উল্লোসিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'আজ আমার থেকে খুশি আর কেউ নন।’ এখান থেকেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি আলোচনা শুরু করেন। যদিও বিচলত নয় বিজেপি। সংবাদিক বৈঠকে কার্যত খোলা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর সাফ কথা, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে ভোট করাতে চাইছেন সেভাবেই করুন। পুরোনো ভোটার তালিকা দিয়েই ভোট করুন। তবুও চতুর্থবারের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন না। তৃণমূল চলে গিয়েছে। তৃণমূল শেষ”। অন্যদিকে ট্রাইব্যুনাল নিয়ে জল্পনা চলছিল পুরোদমে। সকলের নজর ছিল শীর্ষ আদালতের রায়ের দিকে। অবশেষে বাংলার এসআইআর মামলায় বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করল সুপ্রিম কোর্ট। সংবিধানের ১৪২তম অনুচ্ছেদ অনুসারে এই বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়েছে। এদিকে ইতিমধ্যেই ভোটার তালিকা ফ্রিজ করে ফেলেছিল নির্বাচন কমিশন। ফলে ট্রাইব্যুনালে বিচারের পর কারও নাম তালিকায় উঠলেও আসন্ন নির্বাচনে ভোট দেওয়ার কোনও সম্ভাবনা আর ছিল না।
তা নিয়েই জোর চাপানউতোর চলছিল। ফলে স্বভাবতই সুপ্রিম কোর্ট কী বলে সেদিকে নজর ছিল গোটা বাংলার। তার মধ্যেই এল ঐতিহাসিক নির্দেশ। অন্যদিকে এদিন কমিশনের বিরুদ্ধেও খানিক ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা গিয়েছে শমীককে। বলেন, “আমরা এই প্রক্রিয়ায় আমরা সন্তুষ্ট নই। আমাদের ফর্ম ৭ এর শুনানি হয়নি। নির্বাচন কমিশন আমাদের কথা পুরো শোনেননি। আমাদের অভিযোগ, আমাদের অভিমান কমিশনের বিরুদ্ধে। কিন্তু একটা সাংবিধানিক সংস্থা। আমরা তাঁদের আধিকারিকদের প্রতি সম্পূর্ণ সম্মান রেখেই বলছি আমরা সন্তুষ্ট নই।” একথাও ঠিক কখনোই সবাইকে কোনো রায়ে খুশি করা যায় না। এই রায়ে হয়তো বিজেপি খুশি হয় নি, কিন্তু মমতা হয়েছে।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
ইউরেনিয়ম কি হস্তান্তর করবে ইরান? - এমন দাবি ট্রাম্প করলেও সংসয় যাচ্ছে না
ইরানের উপর মার্কিন হামলার প্রধান কারণ ইরানকে কিছুতেই পরমাণু সমৃদ্ধ দেশ হতে দেওয়া যাবে না। তাই ইরান ইতিমধ্যে ইরান যা ইউরেনিয়ম সংগ্রহ করেছে তা আমেরিকার হাতে হস্তান্তর করতে হবে। কিন্তু তাতে কি রাজী হবে তেহেরণ? মজুত থাকা ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতে সম্মত হয়েছে ইরান। যুদ্ধ আবহে এমনই দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, উভয় পক্ষই এমন একটি চুক্তিতে পৌঁছতে পারে, যা ছয় সপ্তাহ ধরে চলা সংঘাতে ইতি টানতে পারে। সেই চুক্তি সম্পন্ন হতে যে খুব বেশি দেরি নেই, সেই দাবিও করেন ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমন দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সংঘাত নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তার মাঝে এই চুক্তির কথা একটা বড় অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি। ইউরেনিয়ামকে এদিন ‘পারমাণবিক ধূলিকণা’ বলে বর্ণনা করেছেন ট্রাম্প। ইরানের কাছে কেজি কেজি ইউরেনিয়াম মজুত রয়েছে, যা দিয়ে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা যেতে পারে বলে মনে করে ওয়াশিংটন।
তেহরান যাতে তাদের হাতে থাকা ইউরেনিয়াম আমেরিকার হাতে তুলে দেয়, তার জন্য বারবার চাপ দেওয়া হচ্ছিল বলে সূত্রের খবর। ট্রাম্প সতর্ক করেছেন যে আলোচনা ব্যর্থ হলে আবারও সংঘাত শুরু হতে পারে। আগামী সপ্তাহে শেষ হতে চলেছে ট্রাম্পের ঘোষণা করা যুদ্ধবিরতি। তারই মাঝে হোয়াইট হাউসের দাবি, ইরান এখন এমন শর্ত মেনে নিতে ইচ্ছুক যা তারা দু মাস আগেও মানতে রাজি ছিল না। বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা আছে বলে মনে করেন না ট্রাম্প। তবে তিনি দাবি করেছেন, তেহরান এখন আগের থেকে আরও নমনীয় অবস্থান নিয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, বর্তমানে আমেরিকার সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো, যা নাকি ভাবনারও অতীত। তিনি বলেন, “আমার মনে হয়, প্রায় চার সপ্তাহের বোমা হামলা এবং একটি অত্যন্ত কঠোর অবস্থানের ফলেই এটা সম্ভব হয়েছে।”
#international
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
রাজ্যসভায় সাংসদ হিসাবে পেনশন নেবেন না বিকাশ ভট্টাচার্য
এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে গেলে কিছুটা যে বুকের পাটা লাগে তাতে সন্দেহ নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া এমন সিদ্ধান্ত আর কেউ নিয়েছেন বলে জানা নেই। রাজ্যসভার মেয়াদ শেষের আগেই অবশ্য বিকাশকে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে সিপিএম। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে যাদবপুরে প্রার্থী হয়েছেন তিনি। জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছেন। তাঁকে ঘিরে যাদবপুরে জয়ের আশা বাড়ছে বামফ্রন্টের। এরই মাঝে রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ হিসেবে পেনশন না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন পেশায় আইনজীবী বিকাশ। এদিন রাজ্যসভার মহাসচিবকে চিঠিতে তিনি লিখেছেন, “একজন প্রাক্তন সাংসদ হিসেবে যে পেনশন পাওয়া যায়, তা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি।” তবে এই প্রথম নয়, এর আগে কলকাতা পৌরনিগমের মেয়র থাকাকালীনও কোনও সাম্মানিক নেননি বিকাশ। ২০০৫ সালের ৫ জুলাই থেকে ২০১০ সালের ১৬ জুন পর্যন্ত সিপিএম এই নেতা কলকাতা পৌরনিগমের মেয়র ছিলেন।
একজন রাজনীতিকের বাইরেও বছর চুয়াত্তরের বিকাশ একজন বর্ষীয়ান আইনজীবী। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে যাদবপুরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে যাদবপুরে সিপিএমের প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। তবে সেবার তৃণমূলের মিমি চক্রবর্তীর কাছে হেরে গিয়েছিলেন। এবার যাদবপুরে তিনি কতটা প্রভাব ফেলতে পারবেন, তা জানা যাবে ৪ মে। বৃহস্পতিবার রাজ্যসভার মহাসচিবকে চিঠি পাঠিয়ে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন রাজ্যসভার সদ্য প্রাক্তন এই সাংসদ।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta












