PRATHAM ALOR BARTA
ShareChat
click to see wallet page
@1737913406
1737913406
PRATHAM ALOR BARTA
@1737913406
PRESS & PUBLICATION
"পাকিস্তানে ঢুকে মারবো" - পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রীর উদ্দেশ্যে অভিষেক ঠিক নির্বাচনের আগে একটা হাতে গরম ইস্যু। কিন্তু রাজ্যে এসেও সেই ইস্যু নিয়ে সম্পূর্ণ নীরব ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু মুখ খুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ কলকাতায় হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। সেই ইস্যুতে মুখ খুললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মালদার একটি রোড শো থেকে তাঁর আক্রমণ, 'পাকিস্তানে ঢুকে মারব।' আজ সোমবার মালদার হরিশচন্দ্রপুর ও চাঁচল বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীর সমর্থনে একটি রোড শো করেন অভিষেক। তারপর বক্তৃতা দেন। তখনই আক্রমণ করেন পারিস্তানকে। বলেন, 'কাগজে খোয়াজা আসিফের নামটা লিখে রাখছি। যেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ইন্ডিয়া জোটের সরকার ক্ষমতায় আসবে সেদিন পাকিস্তানে ঢুকে মারব।' প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংকেও এই ইস্যুতে আক্রমণ করেন অভিষেক। বলেন, 'আজ থেকে ২ দিন আগে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ কলকাতাকে হুমকি দিয়েছেন। অথচ প্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চুপ। পাকিস্তানে বসে ভারতকে হুমকি দেওয়া হবে। আর দেশের প্রধানমন্ত্রী কোচবিহারে এসে বলবেন, তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে। সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার না করে বিএসএফ, সিআরপিএফ, ইন্ডিয়ান আর্মিকে স্বাধীনতা দেওয়া হোক, যাতে তারা পাকিস্তানের লাহোরের দখল নিতে পারে।' অভিষেকের অভিযোগ দেশের প্রধানমন্ত্রী সেনাকে ব্যবহার করছেন বিরোধীদের শায়েস্তা করার জন্য। বলেন, 'ইরান লড়ছে আমেরিকার বিরুদ্ধে, ইজরায়েলের বিরুদ্ধে। আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মেরুদণ্ড বলে কিছু নেই। আমাদের ওরা পাকিস্তানি, বাংলাদেশি বলে। আর ওই দুই দেশ থেকে বসে আমাদের হুমকি দেয়, আর প্রধানমন্ত্রী বসে বসে আঙুল চোষে। এই হল বিজেপির ক্ষমতা।' #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি অডিষেকের পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি অডিষেকের - ShareChat
তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষের বার্ষিক আয় - একটা প্রতিবেদন ভোটে নমিনেশন ফর্ম জমা দেবার সঙ্গে সঙ্গে প্রার্থী ও তার স্ত্রী/স্বামীর রোজগারের তালিকাও জমা দিতে হয়। যতটা আয় প্রকাশ্যে আনা যাও ততটা প্রার্থীরা হিসাবের মধ্যে আনে। কুনাল ঘোষ - তিনি রাজনৈতিক, লেখক, অভিনেতা ও সাংবাদিক। হলফনামায় নিজের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিয়ে কী জানিয়েছেন তিনি? তাঁর কত সম্পত্তি রয়েছে? স্ত্রীর নামেই বা কত সম্পত্তি? দেখে নিন হলফনামায় কী জানিয়েছেন কুণাল। তাঁর বাবা চিকিৎসক ছিলেন। আর কুণাল কম বয়সেই সাংবাদিকতা শুরু করেন। সারদা মামলায় তাঁর গ্রেফতারি নিয়ে বিরোধীরা বিভিন্ন সময় খোঁচা দেয়। যদিও কুণাল বারবার দাবি করেছেন, জ্ঞানত তিনি কোনও অন্যায় করেননি। তাঁর আয়ের উৎস নিয়ে কয়েকদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় কুণাল লিখেছিলেন, “কিছু কুৎসাকারীর কৌতূহল, আমার রোজগার কীসে? এক, ঠাকুরদাদার কেনা বাংলো স্টাইলের বাড়ি ছিল পেল্লায়। বাবার মৃত্যুর পর রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতির খরচের চাপে ২০০০ সালে সেটি ভেঙে ফ্ল্যাট G+4. একটি মায়ের নামে রেখেছিলাম। বাকিটা রাখিনি, এখন অন্যদের। তা আমার একটু টাকা থাকবে না?” এখনও উচ্চপদে চাকরি করেন বলে সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে লেখেন। সেই কুণালের গত পাঁচ অর্থবর্ষে আয় কত? হলফনামায় কুণাল জানিয়েছেন, ২০২০-২১ অর্থবর্ষে তাঁর আয় ছিল ১৫ লক্ষ ৫৪ হাজার ৪৮০ টাকা। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে সেই আয় কিছুটা কমে হয় ১০ লক্ষ ৬৪ হাজার ৩৯০ টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থীর আয় অনেকটাই বাড়ে। ওই অর্থবর্ষে তাঁর আয় ছিল ১৮ লক্ষ ৫৫ হাজার ৪৭০ টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে কুণালের আয় ছিল ১৭ লক্ষ ৬৬ হাজার ১৬০ টাকা। আর ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে তাঁর আয় ছিল ২১ লক্ষ ৮৪ হাজার ৬৪০ টাকা। হলফনামায় তাঁর স্ত্রী শর্মিতা ঘোষের গত পাঁচ অর্থবর্ষের আয়ও উল্লেখ করেছেন কুণাল। জানিয়েছেন, ২০২০-২১ অর্থবর্ষে তাঁর স্ত্রীর আয় ছিল ৮ লক্ষ ৮৪ হাজার ৪৭০ টাকা। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে আয় ছিল ৭ লক্ষ ৪৭ হাজার ৭৭০ টাকা। আবার ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে কুণালের স্ত্রীর আয় ছিল ১০ লক্ষ ১৮ হাজার ৪৪০ টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে শর্মিতার আয় ছিল ১১ লক্ষ ৬২ হাজার ৩০০ টাকা। আর ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে কুণালের স্ত্রীর আয় বেড়ে হয় ১৭ লক্ষ ১০ হাজার ৩৪০ টাকা। অর্থাৎ পাঁচ বছরে শর্মিতা ঘোষের আয় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
বন্দরে বিজেপির এবারের বাজি সেই রাকেশ সিং রাকেশ সিংকে কেউ বিখ্যাত আবার কেউ কুখ্যাত বলেই জানেন। তবে প্রার্থী হিসাবে যথেষ্ট ভারী। একটা খুনের কেসে তিনি জেলবন্দি ছিলেন। শর্তসাপেক্ষে জামিন পেলেন বিজেপি নেতা রাকেশ সিং। অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ১ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে রাকেশ সিংকে জামিন দেওয়া হয়। জামিন মঞ্জুর করে বিচারপতি কৌশিক চন্দের বেঞ্চ। তাঁর জামিন হতেই জল্পনা উস্কে দিচ্ছে কলকাতা বন্দর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে পারেন রাকেশ সিং। সেক্ষেত্রে তাঁর বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন তৃণমূল প্রার্থী ফিরহাদ হাকিম। তাঁর টিকিট পাওয়া নিয়ে চলছে জোর জল্পনা। কলকাতা হাইকোর্ট এ দিন শর্তসাপেক্ষে তাঁর জামিন মঞ্জুর করে। তাতে জানানো হয়, নিজের বিধানসভা এলাকার বাইরে বেরোতে পারবেন না, মনোনয়ন জমা দেওয়া বা রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার প্রয়োজনে তিনি বিধানসভা এলাকার বাইরে যেতে পারবেন। এই দিনের নির্দেশে আরও জানানো হয়, প্রচারের সময় তাঁকে নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইন মেনে চলতে হবে। তবে যদি তিনি টিকিট না পান তবে পুলিশ জামিন বাতিলের আর্জি জানাতে পারবে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, মামলার পরবর্তী শুনানি ৬ মে। প্রসঙ্গত, গত বছর অক্টোবর মাসে খুনের হুমকির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় রাকেশ সিংকে। সেই থেকে জেলবন্দি ছিলেন তিনি। তার আগেই ৪ মে ফল প্রকাশ হলে সমস্ত বিষয়টা পরিষ্কার হবে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
সাসপেন্ড করা হলো নৈহাটী থানার আই সিকে নির্বাচনী বিধি ভেঙে কমিশনের রোশনলে পড়তে হলো নৈহাটী থানার আই সি মহাবীর বেড়াকে। একটি ভিডিও প্রকাশ করেন অর্জুন সিং । তার ভিত্তিতে থানার আইসি-কে সাসপেন্ড করা হয়। ইতিমধ্যেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ চড়ছে। সোমবার প্রথম দফার ভোটের মনোনয়ন জমার শেষদিন ছিল। গতকাল বহু প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। নৈহাটির তৃণমূল বিধায়ক সনৎ দেও মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। তাঁর মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন নৈহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক চট্টোপাধ্যায়। অভিযোগ, নৈহাটি থানার আইসি-র গাড়ি চড়ে ওই এসিডও অফিসে পৌঁছেছিলেন অশোক। অন্তত ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োতে সেরকমই দেখা গিয়েছে। জানা গিয়েছে পুলিশের গাড়িতে নৈহাটি পুরসভার সিআইসি এবং সাংসদ পার্থ ভৌমিকের ভাই শেখর ভৌমিকও ছিলেন। ঘটনার পরই নোটিস আসে নির্বাচন কমিশনের তরফে। নোটিসে বলা হয়, পুরসভার চেয়ারম্যানকে পুলিশের গাড়িতে করে এসিডও অফিসে পৌঁছানোর জন্য নৈহাটি থানার আইসি মহাবীর বেরাকে সাসপেন্ড করা হয় । কমিশন সূত্রে খবর, তার বদলে নতুন আইসি হন প্রকাশ ধারা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। ভিডিয়োটি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। একইসঙ্গে কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ক্যাপশনে অর্জুন সিং লেখেন, “নির্বাচন কমিশন চেষ্টা করছে যাতে পুলিশ সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে কাজ করে, কিন্তু অভ্যাস তো অভ্যাসই। নৈহাটির পুরসভার চেয়ারম্যান এবং তৃণমূল নেতা অশোক চট্টোপাধ্যায়কে ব্যারাকপুরের এসডিও অফিসে দেখা গেল পুলিশের একটি গাড়ি থেকে নামতে। গাড়িটি নৈহাটি থানার। ব্যারাকপুর পুলিশের অধীনে।" #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে আনা ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব খারিজ সংসদের ২ কক্ষেই বিরোধী দল হিসাবে তৃণমূল যা করার করেছে। কিন্তু তারাও জানে এই ইমপিচমেন্ট খারিজ হবে। কিন্তু গণতন্ত্রে প্রতিবাদ জানানোর এটাই রীতি। রাজ্যসভা ও লোকসভার উভয় কক্ষেই খারিজ হয়েছে এটি। লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা এবং রাজ্য সভার চেয়ারম্যান সিপি রাধাকৃষ্ণণ এই প্রস্তাব খারিজ করেছেন। ইমপিচমেন্টের জন্য কংগ্রেস, তৃণমূল, সমাজবাদী পার্টির মতো বিরোধী সকল দলগুলি সাংসদে নোটিস জমা করেছিলেন। সোমবার সেটাই গ্রহণ করা হয়নি। ভারতের সংসদীয় ইতিহাসে এই প্রথমবার নির্বাচন কমিশনের প্রধানকে সরানোর জন্য এমন নোটিস দেওয়া হয়েছিল। এই প্রস্তাবে লোকসভার ১৩০ জন এবং রাজ্যসভার ৬৩ জন সদস্য স্বাক্ষর করেছিলেন। তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) নেতৃত্বে বিরোধীরা এই পদক্ষেপ গ্রহণ করে। কিন্তু কোনও কক্ষেই তা গৃহীত হয়নি। প্রসঙ্গত, ফেব্রুয়ারি মাসের ৩ তারিখ সংসদের দুই কক্ষের দলীয় সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, সেখানেই জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনার ব্যাপারে প্রস্তুতি শুরু করেছিলেন তাঁরা।এ দিকে আজ, রাজ্যসভার চেয়ারম্যান প্রস্তাবটি খারিজ করার পর তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে। তাদের দাবি, বিজেপি সংসদীয় ব্যবস্থা মানে না। পাল্টা বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছেন, বিরোধীদের উচিত নির্বাচন কমিশনের ওপর দোষ না চাপিয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে মন দেওয়া। যাইহোক এখন এই কমিশনকে সকলের মেনে নিতে হবে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - -0 -0 - ShareChat
এখন থেকে আর গোডাউন থেকেই LPG সিলিন্ডার কেনা যাবে না এই দূরমূল্যের বাজারে LPG সিলিন্ডার নিয়ে রীতিমত কালোবাজারি শুরু হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে পর্যাপ্ত জোগানের ব্যবস্থা করা হলেও, কালোবাজারি ও অবৈধভাবে সিলিন্ডার মজুত করার কারণে অনেককেই দ্বিগুণ, তিনগুণ দাম দিয়ে এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা। এবার থেকে আর গো়ডাউন (Godown) থেকে সরাসরি এলপিজি সিলিন্ডার কেনা যাবে না। যদি কেউ গোডাউন থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি করেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। দিল্লির অয়েল মার্কেটিং কোম্পানিগুলি সমস্ত ডিস্ট্রিবিউটরদের নির্দেশ দিয়েছে যে এবার থেকে স্টোরেজ পয়েন্ট থেকে কোনও ধরনের এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি করা বেআইনি। বাসিন্দাদেরও সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে কোনওভাবে গোডাউনে গিয়ে সিলিন্ডার সংগ্রহ করা যাবে না। এলপিজি বুক করলে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সরাসরি বাড়িতেই সিলিন্ডার ডেলিভারি করা হবে। গৃহস্থ ও বাণিজ্যিক সংস্থাগুলির সুবিধার জন্য ছোট পাঁচ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। বৈধ আইডি ব্যবহার করে গ্যাস এজেন্সি থেকে এই এলপিজি সিলিন্ডার কেনা যাবে। এর জন্য কোনও অ্যাড্রেস প্রুফ লাগবে না। এতে পরিযায়ী শ্রমিকদের বিশেষ সুবিধা হবে। #social #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
social - ShareChat
বিনোদন বিয়ে ভাঙার পাঁচ মাস পর ফের পরিচালনায় ফিরছেন পলাশ বিনোদন জগতে 'বিয়ে' যেমন একটা গুরুত্বপূর্ণ খবর, তেমনই 'বিয়ে ভাঙা'ও একটা গুরুত্বপূর্ণ খবর। এবার পলাশ ও স্মৃতি মন্ধানা। ২০২৫-এর ২৩ নভেম্বর গায়ক পলাশ মুচ্ছলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার কথা ছিল মহিলা ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়ী তারকা ব্যাটার স্মৃতি মন্ধানার। প্রাক বিবাহ অনুষ্ঠানের নানান রঙিন মুহূর্তও সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছিলেন প্রাক্তন জুটি। কিন্তু, জীবনের নতুন ইনিংস শুরুর আগেই সব শেষ। বহু বিতর্কের মাঝেই সম্পর্কে ইতি টানেন। তবে ঠিক কী কারণে এই বিচ্ছেদ সেই নিয়ে আজও মুখে কুলুপ এটে রয়েছেন পলাশ-স্মৃতি। ঘটনার পাঁচ মাস পর ফের পরিচালনায় ফিরছেন পলাশ। ‘সাই বাবা’-কে নিয়ে ‘তেরা সাই’ সিনেমা তৈরির কথা ঘোষণা করেছেন। কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করবেন বলিউডের দাপুটে অভিনেতা সঞ্জয় মিশ্র। ভিন্ন স্বাদের চরিত্রে সঞ্জয়ের অভিনয় পর্দায় উপভোগ করে দর্শক। এবার ‘সাই বাবা’-র আশীর্বাদ নিয়ে নতুন জার্নির প্রস্তুতি শুরু করবেন সঞ্জয়। পলাশ মুচ্ছল সোশাল মিডিয়ায় বেশ কয়েকটি ছবি শেয়ার করেছেন। সেখানেই দেখা যাচ্ছে শিরডিতে সাই বাবার মন্দিরে আশীর্বাদ নিচ্ছেন পরিচালক-অভিনেতা। সঙ্গে ছিলেন শিরডির শ্রী সাই বাবা সংস্থার ট্রাস্টের ডেপুটে চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ভ্রিমরাজ দরাদে। সাই বাবার বেশে সঞ্জয় মিশ্রের মনোক্রম লুকের সঙ্গে ‘তেরা সাই’-এর পোস্টার শেয়ার করেছেন পলাশ মুচ্ছল। সঞ্জয় মিশ্রও তাঁর সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে শেয়ার করেছেন নতুন ছবির পোস্টার। চলতি বছরের শেষেই পলাশের নির্দেশনায় বড় পর্দায় মুক্তি পাবে ‘তেরা সাই’। #Entertainment #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
Entertainment - TERA SAI TERA SAI - ShareChat
রবিবার গোসাবায় বিশ্বাসঘাতক দলীয় কর্মীদের উদ্দেশ্যে অভিষেকের কড়া বার্তা দলের ভিতরে থেকে দলবিরোধী কাজ করে চলেছে করা সেই তালিকা অভিষেকের কাছে আছে। তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেন ৪ তারিখের পরে তারা কোথায় যাবেন, আগের থেকে ঠিক করে রাখবেন। এভাবেই নিজের দলের কর্মীদের একাংশকে অভিষেক রীতিমত ধমক দেন। তৃণমূলে থেকে কি শাসকদলকে দুর্বল করার চেষ্টা হচ্ছে? তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক মন্তব্যে এই নিয়ে নতুন করে জল্পনা বাড়ল। রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবায় নির্বাচনী জনসভা থেকে দলের বিক্ষুব্ধ নেতা ও কর্মীদের কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। নাম না করে সুর চড়িয়ে তিনি স্পষ্ট জানান, কারা তৃণমূলকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে, সেই তালিকা তাঁর কাছে তৈরি আছে। অভিষেক এদিন বলেন, “কেউ কেউ ভাবছে তৃণমূলকে দুর্বল করবে, আমি তাঁদের চিহ্নিত করেছি। আমি জানি কারা করছে, কোথা থেকে টাকা নিয়ে করছে এবং রাতের অন্ধকারে কার সঙ্গে মিটিং করছে। যার সঙ্গে মিটিং করছে সে-ই আমাকে সব বলে দিয়েছে।” এরপরই দলের শক্তি স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, “তৃণমূল কংগ্রেস আজ একটা বিশাল বটবৃক্ষ। যদি কেউ ষড়যন্ত্র করে একে দুর্বল করার কথা ভাবে, তবে চার তারিখ (ভোট গণনার দিন) বিকেলেই দেখা হবে। চার তারিখের পর বাকি জীবনটা কীভাবে কাটবে, সেটা মাথায় রাখবেন।” রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, গোসাবার এই সভা থেকে অভিষেক কার্যত দলের ‘গদ্দার’ ও অন্তর্ঘাতকারীদের কড়া বার্তা দিলেন। বুঝিয়ে দিলেন, ভোটের ফল বেরোনোর পর তাঁদের বিরুদ্ধে বড়সড় ব্যবস্থা নিতে পিছুপা হবে না জোড়াফুল শিবির। জানিয়ে অভিষেক বলেন, “আমি তো বলেছি, বিজেপিকে ৫০-র নিচে নামাব। এসআইআর করুক আর এফআইআর করুক, তৃণমূলের আসন বাড়বে।” #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
১০৬ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন বিখ্যাত চিকিৎসক মনি ছেত্রী চিকিৎসা জগতে বিরাট বিপর্য। সবাইকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন ডাঃ মনি ছেত্রী। দেশের অন্যতম সেরা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ছিলেন পদ্মশ্রী প্রাপক এই চিকিৎসক। নামকরা সকল চিকিৎসকদের ‘স্যর’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। রবিবার সন্ধ্যায় নিজের বাড়িতেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ১০৬ বছর। তার মৃত্যুতে গভীর শোকের ছায়া চারিদিকে। ১৯২০ সালের ২৩ মে পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিংয়ে জন্ম গ্রহণ করেন মণি ছেত্রী। ১৯৪৪ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিবিএস (সমতুল্য) পাস করেন। এরপর এমডি ও এমআরসিপি ডিগ্রিও অর্জন করেন তিনি। রাজ্যের অন্যতম উৎকর্ষ কেন্দ্র এসএসকেএম হাসপাতালে সার্জেন-সুপারিনটেনডেন্ট পদে ছিলেন মণি কুমার ছেত্রী। আইপিজিএমইআরে কার্ডিওলজি ও মেডিসিন বিভাগের প্রফেসর-ডিরেক্টর হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন। তিনি ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর চিকিৎসক। চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৭৪ সালে পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত করা হয় তাঁকে। ১৯৮২ সালে তিনি অবসর নেন। তবে পেশাদারিত্ব ও রোগীদের সেবার দায়িত্ব ছাড়তে পারেননি। অবসরের পরও চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তার পদও সামলেছেন তিনি। তৈরি করেছেন একাধিক চিকিৎসা কেন্দ্র ও পরিকাঠামো।কিছুদিন আগেই বাড়িতে পড়ে গিয়ে আঘাত প্যান ডঃ মণি ছেত্রী। বেশ কিছুদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সম্প্রতি বাড়ি ফিরলেও শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন। রবিবার সন্ধ্যায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বার্ধক্যজনিত কারণেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। #social #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
social - ShareChat
সিকিমে বিরাট ভূমিধ্বস - অন্তত ১০০০ বাঙালি আটকে পড়েছেন ঠিক গরমের শুরুতেই সিকিমে টানা কয়েকদিন ধরেই চলেছে টানা বৃষ্টি। আর তার ফলেই এই বিপর্যয়। জানা গিয়েছে,সিকিমের মাঙ্গান জেলার লাচেনে রাস্তা বন্ধ। সেখানে একাধিক জায়গায় ধস নেমেছে। লাচেন থেকে চুংথাং-র সংযোগকারী রাস্তার একটা বড় অংশ ভেঙে গিয়েছে। তারুম চু ব্রিজের কাছে বিরাট ভাঙন ধরেছে। এর জেরে ওই রাস্তা দিয়ে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আটকে পড়েছেন প্রায় ১০০০-রও বেশি বাঙালি পর্যটক। রাস্তাতেই কয়েকশো গাড়ির লম্বা লাইন পড়েছে। লাচেনে থাকা পর্যটকদের সঙ্গে সিকিমের মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। লাগাতার বৃষ্টিতে নামল ভয়ঙ্কর ভূমিধস(Landslide), ভেঙে গেল সিকিমের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। ঝুলছে সদ্য তৈরি হওয়া সেতুর একাংশ। এর জেরে আটকে প্রায় এক হাজারের কাছাকাছি বাঙালি পর্যটক। তারা রাতভর রাস্তাতেই অপেক্ষা করলেন উদ্ধার হওয়ার। আজ, সোমবার সকাল থেকে উদ্ধারকাজ শুরু হবে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, আজ সকাল থেকেই উদ্ধারকাজ চালু করা হচ্ছে। আইটিবিপি, বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন, ভারতীয় সেনাবাহিনী ও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন মিলে যৌথভাবে উদ্ধারকাজ চালাবে। পর্যটকরা যেন আতঙ্কিত না হন। দ্রুত তাদের উদ্ধার করা হবে। যে যেখানে আছেন, সেখানেই যেন থাকেন। ইতিমধ্যেই বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে সিকিমে। ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা তাই আবহাওয়া খারাপ হলে আরও বিপদ বাড়তে পারে। #social #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
social - ShareChat