বিনোদন
রাহুলের মর্মান্তিক মৃত্যু নিয়ে এবার মুখ খেললেন অরিন্দম শীল
রহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকাল মৃত্যু সবাইকে নাড়া দিয়ে গেছে। কেউই কিছুতেই ঘটনাকে মেনে নিতে পারছেন না। তালসারিতে মর্মান্তিক ঘটনার ৭২ ঘণ্টায় পেরলেও ‘চুপ’ প্রযোজনা সংস্থা ম্যাজিক মোমেন্ট মোশন পিকচার্স! একাধিক বিভ্রান্তিকর বিবৃতি, প্রোডাকশন ইউনিটের সদস্যদের বয়ানে অসঙ্গতির মাঝেই রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর দায় তাঁর উপরই চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। আউটডোরে শুটিং করাকালীন একজন খ্যাতনামা অভিনেতার বেঘোরে প্রাণ চলে যাওয়ার এই দায় কার? দিন তিনেক ধরেই এমন প্রশ্নে সরগরম টালিগঞ্জ স্টুডিওপাড়া। শোক সামলে এবার রাহুলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে বিস্ফোরক অরিন্দম শীল। খবর, বুধবার বেলা তিনটে নাগাদ গলফগ্রিন থানায় প্রযোজনা সংস্থা ম্যাজিক মোমেন্টস-এর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার কথা প্রিয়াঙ্কা সরকারের। অন্যদিকে নোটিস পাঠানোর পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আর্টিস্ট ফোরামও।
এমতাবস্থায় বাংলা সিনেইন্ডাস্ট্রির ৩৭ বছরের সদস্য হিসেবে বিচার চেয়ে গর্জে উঠলেন অরিন্দম শীল। এদিন সোশাল মিডিয়ায় বেশ কিছু ‘ইস্যু’ উত্থাপন করেছেন পরিচালক। যেখানে উল্লেখ, “রাহুলের এই মৃত্যুর কারণের অনেকটাই তাঁর উপর চাপিয়ে দেওয়ার যে চেষ্টা চলছে তার তীব্র প্রতিবাদ করছি। আমাদের বাবিন এর মৃত্যুর বিচার চাই।” অরিন্দম প্রশ্ন তুলেছেন, “সত্যি কোনও অনুমতি ছাড়া অন্য রাজ্যে গিয়ে শুটিং হচ্ছিল? কী করে প্রোডাকশন ম্যানেজার শুটিং করতে গেল বিনা অনুমতিতে? কার প্ররোচনায়? ফেডারেশন কি অবগত ছিল? জোয়ারের সময় কী করে শুট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল? এই সিদ্ধান্ত কখনও কোনও অভিনেতার হতে পারে না। কে নিল এই সিদ্ধান্ত? প্রতিদিন যেখানে ২০-২২ মিনিটের ফুটেজ তুলতে হয় সিরিয়ালের ক্ষেত্রে, সেখানে কোনও অভিনেতার কথায় দৃশ্য বাড়ানো যায় না।”
#Entertainment
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
আন্তর্জাতিক
হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়ার জন্য এবার থেকে বিস্তত 'টোল ট্যাক্স' বসাতে চলেছে ইরান
প্রথমিকভাবে মনে হয়েছে যে কিছু বন্ধু দেশের জন্য এই টোল ট্যাক্স লাগবে না। কিন্তু এখন ব্যাপারটা পরিষ্কার হচ্ছে যে সকলের জন্যই লাগবে। ইতিমধ্যে হরমুজ সংলগ্ন অঞ্চলে ভারতের পতাকাবাহী ১৮টি জাহাজ আটকে রয়েছে। ভারতকে বন্ধু দেশের তকমা দিয়ে হরমুজ পার হওয়ার অনুমোদন দিয়েছে তেহরান। কিন্তু তার পরেও তা সম্ভব হচ্ছে না সহজে। আরও দশটি জাহাজ পারস্য সাগরে আটকে রয়েছে। ফলে বড় প্রভাব পড়ছে ভারতের বাজারে। ইতিমধ্যে অপরিশোধিত তেল বহন করে ভারতে পৌঁছেছে মাত্র চারটি জাহাজ, যা দেশের চাহিদার তুলনায় খুবই কম। ভারতের জাহাজগুলি-সহ প্রায় পাঁচশো জাহাজ ওই অঞ্চলে আটকে রয়েছে বলে সূত্রের খবর। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরান হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচলার উপর টোল বসানোর পরিকল্পনা করে রেখেছিল। এবার তা বাস্তবায়িত হল।
হরমুজে জাহাজ যাতায়াতের জন্য চড়া হারে টোল আদায়ের সিদ্ধান্ত নিল ইরান। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ এটি। ইরান-ইজরায়েল সংকটের মধ্যে এই অংশটি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। আর ঠিক এহেন পরিস্থিতিতেই তেহরানের সিদ্ধান্ত, ওই জলপথ দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজগুলির উপর বেশি হারে টোল আরোপ করা হতে পারে। ওমানের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে ইরান এই ব্যবস্থা কার্যকর করবে। পাশাপাশি আমেরিকা ও ইজরায়েলের জাহাজগুলিকে এই প্রণালী ব্যবহার করতে দেবে না বলেও সাফ জানিয়ে দিল ইরান। ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানির বাজারে নতুন করে অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ইরানের পার্লামেন্টের নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি ইতিমধ্যেই এই পরিকল্পনায় সবুজ সংকেত দিয়েছে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, শুধু টোল নয়, এর সঙ্গে জাহাজ চলাচলের নতুন প্রোটোকল, পরিবেশ সুরক্ষা এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তার মতো বিভিন্ন বিষয়ও জড়িয়ে রয়েছে। একইসঙ্গে যেসব দেশ ইরানের বিরুদ্ধে একতরফা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, তাদের জাহাজগুলি নিয়েও কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভাবনা চিন্তা চলছে বলে জানা গিয়েছে।
#international
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
অফবিট
দুষণের দিল্লিতে বিক্রি হচ্ছে বোতলে ভরা তাজা হাওয়া
এ এক অভিনব চেষ্টা। এই চেষ্টা কতটা কার্যকরি তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও চেষ্টাটা শুরু হয়েছে। দূষণের শহর থেকে পালিয়ে দুটো দিন তাজা বাতাসে নিঃশ্বাস নিতে পাহাড়ে বেড়াতে যায় মানুষ। দার্জিলিং, শিমলা, উটি কী ধর্মশালার মতো হিল স্টেশনের বিশুদ্ধ বাতাস যদি দূষণের শহরেই মেলে! সম্প্রতি এমন অদ্ভূত ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সমাজমাধ্যমে। যেখানে দেখা গিয়েছে, দিল্লি শহরে বিক্রি হচ্ছে পাহাড়রাজ্য হিমাচলের হিল স্টেশন ধর্মশালার তাজা বাতাস। এক কৌটো পাহাড়ি হাওয়ার দাম নাকি ৫০ টাকা! ভিডিও দেখে সকলেই অবাক। অনেকেই অবশ্য বিষয়টিকে সন্দেহের চোখে দেখছেন। এক্স হ্যান্ডেল ভাইরাল হয়েছে ভিডিওটি। সেখানে দেখা গিয়েছে, কীভাবে ধর্মশালার পাহাড়ি এলাকায় পলিথিনের প্যাকেটে তাজা হাওয়া ভরা হচ্ছে। এরপর সেটিকে প্লাস্টিকের একটি জারে রাখা হচ্ছে। একটি পাম্পিং পদ্ধতিতে ওই হাওয়া আপনি চোখেমুখে নিতে পারেন।
ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, দূষণে জেরবার দিল্লিতে এক যুবক বিক্রি করছে ওই হাওয়া। প্ল্যাস্টিকের জারে রয়েছে একটি লেবেল। সেখানে হিন্দিতে লেখা— ‘পাহাড় কী তাজি হাওয়া’, অর্থাৎ পাহাড়ের তাজা হাওয়া। এই হাওয়ার দাম ৫০ টাকা। এই ভিডিও অধিকাংশ নেটিজেনকে বেজায় অবাক করেছে। এভাবেও যে পাহাড়ের হাওয়া খাওয়া যেতে পারে, তা ভাবার বাইরে ছিল। কেউ কেউ বলছেন, ভালোই তো, ব্যাপারটা সম্পূর্ণ নতুন, মজার। কারও কারও বক্তব্য, আদৌ এভাবে হাওয়া বিক্রি সম্ভব নয়। আদতে দিল্লির দূষণ কতটা বোঝাতেই স়ৃজনশীল ভিডিও তৈরি করা হয়েছে। অনেকে আবার বলছেন, স্রেফ জালিয়াতি করে টাকা কামানোর চেষ্টা।
#offbeat
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
অফবিট
এমন ভাষাহীন ভালোবাসা সত্যি বিরল - অবাক নাগরিক মহল
পশুদের প্রভুভক্তির কথা কমবেশি আমরা সকলেই জানি। টা অবশ্য প্রধানত কুকুরের ভালোবাসা। কিন্তু বাঁদর! এই সংবাদ খুব কম পাওয়া যায়। মানুষ ও বাঁদরের বন্ধুত্বের কথা আছে রামায়ণে। কে ভুলবে রামের বানরসেনার কথা! তাছাড়া বন্ধুত্বের বয়স হয় না। তাই কর্নাটকে ৮৫ বছরের বৃদ্ধার মৃত্যুতে শোকগ্রস্ত হতে দেখা গেল একটি বাঁদরকে। এলাকায় সকলেই জানত পর্বতাম্মা বাঁদরদের বন্ধু। রোজ ওদের খেতে দিতেন। বৃদ্ধার শেষযাত্রায় দেখা গেল চোখে জল আনা দৃশ্য। প্রাণহীন পর্বতাম্মার মাথার কাছে বসে আছে শোকে বিহ্বল একটি বাঁদর। এক সময় সে বৃদ্ধাকে দু’হাতে জড়িয়ে ধ’রে শেষবারের জন্য ভালোবাসা প্রকাশ করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, চোখের জল ফেলেছে বাঁদরটি। ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিও । যা দেখে আবেগে ভাসছে নেটাপাড়া।
এই ঘটনা কর্নাটকের রায়ারা রেড্ডির। স্থানীয় বাসিন্দারা পর্বতাম্মাকে বাঁদরপ্রেমী হিসাবে চিনতেন। গত কয়েক দশক ধরে নিয়ম করে বাঁদরদের খাবার খাওয়াতেন তিনি। এভাবেই এলাকার গাছে গাছে লাফিয়ে বেড়ানো ‘বানরসেনা’র সঙ্গে গভীর সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল তাঁর। পর্বতাম্মার প্রতিবেশীদের দাবি, খাবার দেওয়ার পাশাপাশি বাঁদরদের আদরে ভরিয়ে দিতেন বৃদ্ধা। পালটা আদর দেখাত পশুরাও। উভয়পক্ষে সম্পর্ক যে উপর উপর ছিল না, ভাইরাল ভিডিওতে তা প্রমাণ হয়েছে।
#offbeat
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
বিনোদন
কলকাতায় শুরু হয়ে গেলো সৌরভের বায়োপিকের শুটিং
মহা ধুমধাম করে এবার শুরু হলো সৌরভের বায়োপিকের কাজ। এই ছবিটা বেশিরভাগটাই হবে কলকাতায়। বুধবার ইডেন থেকে ‘প্রিন্স অফ ক্যালকাটা’র বায়োপিকের শুটিং শুরু হওয়ার খবর দিলেন রাজকুমার রাও। পাশাপাশি সিনেমার নামও প্রকাশ্যে আনলেন অভিনেতা।
বুধবার সন্ধেয় ইডেন থেকে সোশাল মিডিয়ায় দুটি ছবি ভাগ করে নিয়েছেন রাজকুমার। ক্যাপশনে উল্লেখ, ‘একমেবাদ্বিতীয়ম দাদা বায়োপিকের শুটিং শুরু হল।’ সেই পোস্টেই ক্ল্যাপস্টিকে জ্বলজ্বল করছে সিনেমার নাম। লাভরঞ্জন প্রযোজিত তথা বিক্রমাজিত্য মোতওয়ানে পরিচালিত এই বায়োপিকের নামকরণ করা হয়েছে ‘দাদা’। আপামর ক্রীড়াপ্রেমীদের কাছে ‘দাদা’র সমার্থক যে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, তা বললেও অত্যুক্তি হয় না। সেই প্রেক্ষিতেই সম্ভবত বায়োপিকের এহেন নামকরণ।
প্রথমটায় চলতি বছরের মার্চ মাসে শুটিং শুরু কথা ছিল। কিন্তু গত জানুয়ারি মাসে উজ্জ্বল নিকমের বায়োপিকের শুটিং শেষ করায় বড়সড় ‘ফিজিক্যাল ট্রান্সফরমেশনে’র মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে রাজকুমার রাওকে। সেকারণেই গত দেড় মাস ধরে কড়া শরীরচর্চার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে অভিনেতাকে। এবার পয়লা এপ্রিল ইডেনে সৌরভের বায়োপিক ‘দাদা’র শুটিং শুরু করলেন রাজকুমার। অভিনেতার তরফে খবর প্রকাশ্যে আসতেই আসমুদ্রহিমাচলের মহারাজ অনুরাগীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন অভিনেতার পোস্টের মন্তব্য বাক্সে।
#Entertainment
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
১৫ দিন আগেও ছিলেন তৃণমূল নেতা।তমলুকে ধলহরা এলাকায় তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচিত ছিল আজিজুল মল্লিক ওরফে নাসির মল্লিক।নানান ক্ষোভে কিছুদিন আগে তৃণমূল ছাড়েন নাসির বাবু।তারপরই নতুন দল জাতীয় উন্নয়ন পার্টি বা জে ইউ পি দলের তমলুক বিধানসভার প্রার্থী হন। জাতীয় উন্নয়ন পার্টি বা জে ইউ পি নতুন দল এসেই পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বেশ কয়েকটি বিধানসভা কেন্দ্রে লড়ছে। তার মধ্যে অন্যতম তমলুক বিধানসভা কেন্দ্র। নতুন এই দল শাসক এবং বিরোধী বিজেপির উভয়ের কাছেই এখন চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তমলুক বিধানসভা কেন্দ্রের জে ইউ পি প্রার্থী হয়েছেন আজিজুল মল্লিক ওরফে নাসির মল্লিক।নাম প্রকাশের পর থেকেই তিনি রীতিমতো রাজনীতির মাঠে নেমেছেন কোমর বেঁধে। আজ তমলুক বিধানসভার শহীদ মাতঙ্গিনী ব্লকের অন্তর্গত জামিট্যা, গোবরা,খারুই সহ বেশ কয়েকটি গ্রামে চালালেন নির্বাচনী প্রচার।বাড়িবাড়ি গিয়ে ও হাটে বাজারে করলেন ভোট প্রচার। তিনিও রীতিমতো জেতার ব্যাপারে আশাবাদী।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
বিনোদন
রাহুলের মৃত্যু - শ্রীজাত কবিতা
তালসাড়িতে শ্যুটিং করতে গিয়ে অকাল চলে গেলেন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের। অভিনেতার মর্মান্তিক মৃত্যু যেন কেউই মেনে নিতে পারছেন না৷ গ্ল্যামার জগতের চাকচিক্য কোনওদিনই তাকে ছুঁতে পারেনি৷ বরং ছাপোষা সাধারণ মানুষ হিসেবে সকলের মনে থেকে যাবেন বিজয়গড়ের ‘বাবিন’। প্রিয় অভিনেতার শোকের আবহে যখন গোটা শহর কাঁদছে,ঠিক তখন প্রিয় বন্ধুর বিদায়ে কলম ধরলেন কবি শ্রীজাত। তাঁর মনের গভীর শোকের কথা তুলে ধরলেন তার কবিতার মধ্য দিয়ে৷ কবির বলেছেন- একফালি নীল, একটু সবুজ…/ আর জীবনের মূল্য কত?/ যেতে তো চাই সবাই, তবু/ কেউ পারিনি তোমার মতো।
মাত্র ৪২ বছর বয়সে বন্ধু রাহুলের চলে যাওয়াটা কোনওভাবেই মেনে নিতে পারছেন না শ্রীজাত।কবিতার ছত্রে ছত্রে ফুটে উঠেছে বন্ধুবিয়োগের যন্ত্রণা। পরিবারের ইচ্ছে অনুযায়ী, কোনও স্টুডিও বা নন্দন চত্বরে রাহুলের দেহ রাখা হয়নি। সাদা কুর্তিতে পাথর হয়ে যাওয়া প্রিয়াঙ্কা সরকার আর ১১ বছরের সন্তান সহজ-এর উপস্থিতিতে অত্যন্ত ব্যক্তিগতভাবে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। শ্মশানে উপস্থিত ছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষ, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়-সহ টলিউডের বহু নক্ষত্র। সিপিম নেত্রী দীপ্সিতা ধর-এর নেতৃত্বে বামপন্থী সমর্থকদের কণ্ঠে শোনা যায় ‘ইন্টারন্যাশনাল’ গান।
#Entertainment
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
আজ থেকে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২১৮ টাকা
সব কিছুরই একটা সীমা থাকে। কিন্তু রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গ্যাস কর্পোরেশনগুলো সব সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ১ এপ্রিল থেকে তাদের এই গ্যাসের দাম বৃদ্ধিকে বৈপ্লবিক বলা চলে। এমনিতেই জ্বালানি পেতে গিয়ে দেশের বিভিন্ন শহরে রেস্তোরাঁগুলির কালঘাম ছুটছে। তারই মধ্যে ১ এপ্রিল বুধবার থেকে কমার্শিয়াল গ্যাসের দামে বিরাট বৃদ্ধি করল সরকার। এক ধাক্কায় বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২০০ টাকারও বেশি। যা কিনা এযাবৎকালের সর্বাধিক বৃদ্ধি। আজ থেকেই এই দাম কার্যকর হচ্ছে। আইওসিএল-এর ওয়েবসাইট অনুযায়ী, শুধু কলকাতা নয় মুম্বই, চেন্নাই, দিল্লির মতো শহরেও গ্যাসের দাম ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। ১৯কেজি সিলিন্ডার পিছু কলকাতায় দাম বেড়েছে ২১৮ টাকা। দিল্লিতে সিলিন্ডার পিছু দাম বেড়েছে ১৯৪ টাকা। মুম্বইয়ে দাম বেড়েছে ১৯৬ টাকা এবং চেন্নাইয়ে ২০৩ টাকা। আজ থেকেই দাম বৃদ্ধি লাগু হওয়ার ফলে কলকাতায় আজ বাণিজ্যিক গ্যাস কিনতে রেস্তোরাঁ মালিকদের খরচ করতে হবে ২২০৮ টাকা। দিল্লিতে সিলিন্ডার পিছু খরচ পড়বে ২০৭৮.৫০ টাকা, মুম্বইতে দাম হয়েছে ২০৩১ টাকা ও চেন্নাইকে নতুন দাম হয়েছে ২২৪৬.৫০ টাকা
কমার্শিয়াল গ্যাস সিলিন্ডার সাধারণত শহরের বড় বড় রেস্তোরাঁ, হোটেল মালিকরা ব্যবহার করেন। ফলে এই গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধির ফলে হোটেল, রেস্তোরাঁ মালিকদের পকেটে সরাসরি আঘাত লাগে। তবে এর প্রভাব পড়ে সাধারণ মানুষের পকেটে। যুদ্ধের বাজারে এমনিতেই বেশি দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছিল রেস্তোরাঁ মালিকদের, এরপর দাম বৃদ্ধির জেরে খাবারের প্লেটের দাম বাড়লে তা দিতে হবে আমজনতাকেই। ফলে ঘুরপথে চাপ এসে পড়বে সাধারণ মানুষের উপরেই। বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম বাড়লেও স্বস্তির বিষয় হল, ১ এপ্রিল গার্হস্থ্য ১৪ কেজির গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করা হয়নি। ফলে কলকাতায় গার্হস্থ্য গ্যাস সিলিন্ডারের দাম রয়েছে ৯৩৯ টাকাই। দিল্লিতে এই দাম রয়েছে ৯১৩ টাকা, মম্বইতে ৯১২.৫০ টাকা ও চেন্নাইতে ৯২৮.৫০ টাকা।
#social
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
তৃণমূল রাতে অবরুদ্ধ করে রাখলো সিইও - ক্ষোভে ফেটে পড়লেন মনোজ আগরওয়াল
এভাবে বার বার নির্বাচন কমিশনের কাজের বিঘ্ন ঘটেলে নির্বিঘ্নে ভোট করানো অসম্ভব। এভাবে চলতে পারে না। সারাদিন বিজেপি ও তৃণমূল অবস্থান বিক্ষোভ দেখোয়েছে সিইও অফিসের সামনে। আর রাতে তৃণমূলের আবার বিক্ষোভ। কমিশনের বিরুদ্ধে স্লোগান দিলেন। অবস্থানরত তৃণমূল কর্মীদের দাবি, সিইও দফতরে যাতে অবৈধভাবে ফর্ম ৬ জমা না পড়ে এবং এখান থেকে কোনও কিছু বের করে না নিয়ে যাওয়া হয়, সেজন্য রাতে তাঁরা অবস্থান করছেন। আবার রাতে সিইও দফতরের সামনে স্লোগান দেওয়া নিয়ে বুধবার সকালে কড়া বার্তা দিল মনোজ আগরওয়ালের দফতর। জানাল, “এই ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না।” মঙ্গলবার দুপুর থেকে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল সিইও দফতরের সামনে। তৃণমূলের অভিযোগ, অবৈধভাবে নাম ঢোকাতে ফর্ম ৬ জমা দিচ্ছে বিজেপি। সিইও দফতরের সামনে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। রাতেও সিইও দফতরের সামনে বসে থাকেন তৃণমূল কর্মীরা। সিইও দফতরের আসেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় কুমার নন্দ। কলকাতা পুলিশের পদস্থ আধিকারিকদেরও সেখানে দেখা যায়।
সিইও দফতরের সামনে ১৬৩ ধারা লাগু থাকা সত্ত্বেও তৃণমূলের বিশাল জমায়েত নিয়ে পুলিশের সঙ্গে অবস্থানকারীদের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে জমায়েতকারীরা কিছুটা সরে যান। উত্তর কলকাতা তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি শান্তিরঞ্জন কুন্ডু বলেন, “রাজ্যের বৈধ ভোটারদের নাম কেটে দেওয়া হচ্ছে। আর অবৈধভাবে উত্তর প্রদেশ, বিহারের মানুষের নাম ঢোকানো হচ্ছে ভোটার তালিকায়। সিইও অফিসে যাতে কেউ অবৈধভাবে ফর্ম ৬ জমা দিতে না পারে এবং এখান থেকে বাইরে কোনও কিছু না যেতে পারে, সেজন্য আমরা শান্তিপূর্ণ অবস্থান করছি।”
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
শান্ত শান্তিনিকেতন উত্তপ্ত করে তুললো SFI ও ABVP
নির্বাচনের আগে ঠিক নির্বাচনী ইস্যু নয়, তবে রাজনৈতিক ইস্যুতে উত্তপ্ত হয়ে উঠলো শান্তির শান্তিনিকেতন। মূলত, ২০১৯ সালের রূপান্তরকামীরদের জন্য আনা বিল সংশোধন করে ২০২৬ সালের ৩০ শে মার্চ রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষরের মাধ্যমে আইনে পরিণত করার উদ্দেশ্যে একটি প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়েছিল এসএফআইয়ের পক্ষ থেকে। শান্তিনিকেতনের রামকিঙ্কর মঞ্চে এই প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়। তারপরই স্লোগানিং ও সাউটিং নিয়ে বাধে বিতর্ক। এরপর শুরু হয় দু’পক্ষের হাতাহাতি। জানা যাচ্ছে, যেখানে এসএফআই সভা করছিল, তার পাশেই এবিভিপি একটি কর্মসূচির আয়োজন হয়েছিল আজ। কর্মসূচি শেষে গ্রুপ ফটো তোলার জন্য একসঙ্গে জড়ো হয় এবিভিপির সমস্ত সদস্যরা। সেখানে তারা ভারত মাতার জয় এবং বন্দেমাতরম স্লোগান দেয়। এরপর উত্তেজনা ছড়ায়। এবিভিপির অভিযোগ, কেন ভারত মাতার জয় এবং বন্দেমাতরম স্লোগান দেওয়া হবে এই নিয়ে এসএফআই এবং এবিভিপির মধ্যে শুরু হয় বাগ বিতন্ডা পরে হাতাহাতি।
তবে পাল্টা এসএফআই বলছে, তাদের শান্তিপূর্ণ সভায় বাধা দিতেই এবিভিপি প্রথম হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনায় এবিভিপির একজন আহত হয়েছেন। শান্তিনিকেতন থানার পুলিশ গিয়ে পরে পরিস্থিতির স্বাভাবিক করে। এবিভিপি-র এক কর্মী বলেন, “এসএফআই সব সময়ই দেশবিরোধী কার্যকলাপ করে থাকে। ভারত মাতার জয়-বন্দে-মাতরম শুনলে তো ওদের রক্ত গরম হয়ে যায়। সেই কারণে ওদের জ্বলন হয়। এরপর ওদের কয়েকজন এখানে চলে আসে। ধস্তাধস্তি করে। আমাদের গায়ে হাত দিয়েছে। আমরা প্রতিরোধ করি। পরে বাধ্য হয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ এসেছে।”
#social
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta












