PRATHAM ALOR BARTA
ShareChat
click to see wallet page
@1737913406
1737913406
PRATHAM ALOR BARTA
@1737913406
PRESS & PUBLICATION
নেতাজির পৌত্রি চন্দ্র বসুর আবার জামা পরিবর্তন নির্বাচনের আগে এমন দল পরিবর্তন হয়েই থাকে। তাইবলে চন্দ্র বসু! যিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েই মমতার বিরুদ্ধে ভবানীপুর থেকে লড়েছিলেন। হ্যাঁ, রবিবার তাই ঘটলো। রবিবার তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ ও রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর হাত থেকে তৃণমূলের পতাকা নিলেন তিনি। আর রাজ্যের শাসকদলে যোগ দিয়েই বিজেপিকে নিশানা করলেন নেতাজির পৌত্র চন্দ্র বসু। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেও কলকাতা দক্ষিণ আসন থেকে বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হয়েছিলেন চন্দ্র বসু। সেবারও হেরে যান। এরপর ধীরে ধীরে বিজেপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ে তাঁর। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি ছাড়ার ঘোষণা করেন তিনি। আর কয়েকদিন আগে (গত ২৭ মার্চ) সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়া তাঁর ঐতিহাসিক ভুল ছিল। ঐতিহাসিক ভুল ছিল, এই পর্যন্ত ঠিকই আছে। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই বিজেপিতে যোগ দেওয়া কি অন্য কোনো নির্দেশ করে? যথারীতি অন্য সকলের মতোই তৃণমূলের যোগ দিয়ে পুরোনো দলকে একহাত নিলেন। তিনি বলেন, “কয়েক বছর আগে বিজেপিতে যোগ দিয়ে আমি ঐতিহাসিক ভুল করেছিলাম। তৃণমূলে যোগ দিয়ে সেই ভুলটা আমি সংশোধন করে নিলাম। কারণ, বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সঙ্গে বিজেপির কোনও মিল নেই। আমি প্রচেষ্টা করেছিলাম। নরেন্দ্র মোদীজি ২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কিছু পদক্ষেপ করেছিলেন। সেটা ভালো লেগেছিল। কিন্তু, ২০১৬ সালে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর স্পষ্ট হয়ে যায়, ওরা ভারতের সংবিধানের বিরোধিতা করে।” তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কারণ জানিয়ে তিনি বলেন, “ভারতের ঐতিহ্য সর্বধর্ম সমন্বয়। আমার দাদামশাই শরৎচন্দ্র বসু ও তাঁর ছোট ভাই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আদর্শের উপর ভিত্তি করে আমার রাজনীতি। বিজেপিতে থেকে নেতাজির আদর্শ নিয়ে কাজ করা সম্ভব নয়।” #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - گ OUL C( گ OUL C( - ShareChat
ইরানের সব বন্দর অবরুদ্ধ করতে চলেছে ট্রাম্প শান্তি বৈঠক ব্যর্থ হয়েছে। আবার চেষ্টা করা হবে - এটাই তো নিয়ম। মাঝখান থেকে ট্রাম্পের দাদাগিরি যুদ্ধ বন্ধের সব আশ শেষ করে দিচ্ছে। উত্তেজনার পরিস্থিতির পারদ আরও একধাপ চড়িয়ে এবার ইরানের সমস্ত বন্দরগুলি অবরোধ করছে আমেরিকা। ১৩ এপ্রিল, সোমবার সকাল ১০টা ET (সন্ধ্যা ৭:৩০ IST) থেকে এই অবরোধ শুরু করা হবে। এরফলে ইরানের বন্দরগুলি থেকে কোনও জাহাজ বেরোতে বা ঢুকতে পারবে না। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের তরফে এই ঘোষণা করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে সেন্ট্রাল কমান্ডের তরফে জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্টের ঘোষণা অনুযায়ী মার্কিন বাহিনী ইরানের বন্দরগুলোতে এন্ট্রি ও এক্সিটের ক্ষেত্রে জাহাজ, ভেসেল-সহ সমস্ত ধরনের যান চলাচলের ক্ষেত্রে অবরোধ কার্যকর করবে। আরব উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের উপকূলবর্তী জায়গাগুলিতেও ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকা ব্যবহারকারী সব দেশের জাহাজের বিরুদ্ধে এই অবরোধ প্রয়োগ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ইরানের বন্দর অবরোধের পাশাপাশি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের তরফে জানানো হয়েছে, বরমুজ দিয়ে ইরান ছাড়া সমস্ত দেশের জাহাজই নিরাপদে চলাচল করতে পারবে। ইরান ছাড়া অন্য দেশের জাহাজ চলাচলে বাধা দেবে না মার্কিন নেভি। তবে অন্য দেশের জাহাজের নাবিকদের ওমান উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালীর পার্শ্ববর্তী এলাকায় চলাচলের সময় সরকারি সতর্কবার্তা বা নির্দেশিকায় নজর রাখতে বলেছে সেন্ট্রাল কম্যান্ড। প্রয়োজনে চ্যানেল ১৬-এ আমেরিকান নৌবাহিনীর সঙ্গেও তাঁরা যোগাযোগ করতে পারবেন। রবিবার ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, আমেরিকা শীঘ্রই হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে আটকানো শুরু করবে। তিনি আরও বলেন, যেসব জাহাজ ‘অবৈধ টোল’ দিচ্ছে, সেগুলোর ওপরই নজর রাখা হবে। #international #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
international - ShareChat
গান্ধীকে দেশদ্রোহী বলে গভীর সংকটে ধূপগুড়ির বিজেপি প্রার্থী নরেশ রায় একজনেই শেষ নয়, তিনি বাঙালির অস্মিতায় আঘাত করে বলেন, দেশ সম্পর্কে 'ক্ষুদিরাম কিছুই জানতেন না।' সমালোচনায় বিদ্ধ ধূপগুড়ির বিজেপি প্রার্থী। যা ভোটের মুখে অস্বস্তি বাড়াল পদ্মশিবিরের। এদিকে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে শাসকদল তৃণমূল। ঘটনার সূত্রপাত শনিবার রাতে। ওইদিন জলপাইগুড়ির বারোগরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এক নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মহাত্মা গান্ধীকে ‘দেশদ্রোহী’ বলে কটাক্ষ করেন বিজেপির ধূপগুড়ি বিধানসভা আসনের প্রার্থী নরেশ রায়। এখানেই থামেননি তিনি। ক্ষুদিরাম বসু ১৭ বছরে আত্ম বলিদান দিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু দেশ সম্পর্কে কিছুই জানতেন না বলেও মন্তব্য করেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর এই মন্তব্য সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল। যা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করে বলা হয়েছে, এই ধরনের মন্তব্য অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং যিনি এমন মন্তব্য করেন, তাঁকে ভোট দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। পাশাপাশি নরেশ রায়ের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়েরের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে। কংগ্রেসের ধুপগুড়ি বিধানসভার প্রার্থী হরিশচন্দ্র রায় এই মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, দেশের ইতিহাস ও স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত একজন ব্যক্তিত্বকে এভাবে অপমান করা উচিত নয়। অন্যদিকে প্রার্থীর এই মন্তব্যে বিজেপির অন্দরেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
এবার মমতার সুরে মোদী বললেন - 'সব আসনেই আমি প্রার্থী ' একেই বলে ভাষার অনুকরণ। সকলেরই ধারণা মমতার 'সব আসনে আমি প্রার্থী ' এই খন্ডবাক্য তৃণমূলকে ডিভিডেন্ট দিয়েছে। তাই এবার সেই পথেই হাঁটলেন প্রধানমন্ত্রী। রবিবার শিলিগুড়িতে জনসভা করেন নরেন্দ্র মোদি। সেই জনসভায় দাঁড়িয়েই মোদিকে (PM Modi) বলতে শোনা গেছে, ‘সব আসনে আমি প্রার্থী। মোদিকে একবার সুযোগ দিয়ে দেখুন।’ মোদির এই বক্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা। বঙ্গজয়ের স্বপ্ন সাকার করতে প্রাণ-পনে ঝাঁপিয়েছে গেরুয়াশিবির। খোদ দেশের প্রধানমন্ত্রীও বঙ্গে এসে প্রায় প্রতিদিনই প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন। বাংলার মানুষের আস্থা কুড়োতে কার্যত বদ্ধপরিকর মোদির প্রধান সেনাপতিও। বাংলা জয়ের লক্ষ্যে নির্বাচনী প্রচারে যাচ্ছেন না অমিত শাহও। বৃহস্পতিবারই তাঁর হাত ধরেই ভোটবঙ্গে প্রকাশিত হয়েছে বিজেপির ‘ভরসার শপথ’ অর্থাৎ নির্বাচনী ইস্তেহার। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, বাংলায় বিজেপির বুথস্তরের সংগঠনের ভিত যে পোক্ত নয়। তা কি আঁচ করতে পারছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী? বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই একাধিক জায়গায় প্রার্থী অসন্তোষ, গোষ্ঠীকোন্দলও মাথাচাড়া দিয়েছে গেরুয়াশিবিরের অন্দরে। সেই কারনেই হয়তো ঝুঁকি নিতে চাইছেন না মোদি। তাই বকলমে জনসভায় দাঁড়িয়েই তাঁকে বুঝিয়ে দিতে হচ্ছে মুখ নয়, প্রতীক দেখে ভোট দিন।সেই সঙ্গে জেলায় জেলায় প্রায় প্রতিটি জনসভাতেই তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘আর কাউকে দেখবেন না। ২৯৪ টি কেন্দ্রে আমিই প্রার্থী। সরকার গড়ব আমি। আপনাদের হয়ে লড়াইটা আমিই করব।’ #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
শিলিগুড়িতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পাহাড় নিয়ে একটি কথাও বললেন না প্রধানমন্ত্রী যথেষ্ট হতাশ হয়েছেন পাহাড় থেকে আসা সকলেই। তারা আশা করেছিলেন, পাহাড় নিয়ে কোনো বার্তা দেবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। বিধানসভা হোক কিংবা লোকসভা নির্বাচন, উত্তরবঙ্গের ভোটপ্রচারে এসে বারবার পাহাড়ের সমস্যাকে হাতিয়ার করে বক্তব্য রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কখনও গোর্খাল্যান্ড, আবার কখনও পাহাড়ে স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের কথা বলেছেন। স্বভাবতই এবারও অর্থাৎ ২৬ এর নির্বাচনে মোদির বক্তব্যে পাহাড় নিয়ে কোনও বক্তব্য রাখেন কিনা সেদিকে নজর ছিল। কিন্তু সবাইকে নিরাশ করেই পাহাড় ইস্যুতে স্পিকটি নট মোদি। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এদিন মোদির মঞ্চে থাকা গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার বিমল গুরুং, রোশন গিরি-সহ জিএনএলএফের মন ঘিসিং ও নীরজ জিম্বাদের সামনেও পাহাড় নিয়ে একটা শব্দও খরচ করলেন না। স্বভাবতই মন খারাপ পাহাড়ের। হতাশ পাহাড় থেকে আসা বহু গোর্খা সম্প্রদায়ের মানুষ। প্রথমদফার ভোটের বাকি আর কয়েকটা দিন। আগামী ২৩ এপ্রিল উত্তরবঙ্গ-সহ উত্তরবঙ্গের একাধিক আসনে ভোট রয়েছে। তার আগে আজ, রবিবার শিলিগুড়ির কাওয়াখালিতে জনসভা করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে উত্তরবঙ্গের বঞ্চনা নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হন। কিন্তু পাহাড় নিয়ে স্পিকটি নট ছিলেন মোদি। বিজেপির সংকল্পপত্র হোক কিংবা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের সাংবাদিক সম্মেলন সবেতেই অখণ্ড বাংলার কথা বলা হয়েছে। এদিন মোদিও কিছু না বলে যেন ওইদিকেই ইঙ্গিত করলেন! প্রশ্ন উঠছে। প্রধানমন্ত্রী এদিন বক্তব্যে বলেই দিলেন উত্তরবঙ্গ সবক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়েছে। তা পর্যটন হোক কিংবা শিল্প কিংবা যোগাযোগ। কেন্দ্র টাকা পাঠালেও তা সিন্ডিকেটের লোকজন ভাগ করে নিয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে উত্তরবঙ্গকে উপেক্ষা করা হয়েছে। আদিবাসী, রাজবংশীরা উপেক্ষিত। চা বাগানের শ্রমিকরা জমির মালিকানা পাচ্ছেনা। উত্তরে ভেদাভেদের রাজনীতি করে চলেছে তৃণমূল। মাদ্রাসার জন্য ওরা ৬হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করে অথচ উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের জন্য কোনও বরাদ্দ করেনা। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - [ [ - ShareChat
ভেস্তে গেলো পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা ইরান ও আমেরিকার শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায়, আর তখনই অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন এই শান্তি আলোচনা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। যে পাকিস্তান জঙ্গিদের ঘাঁটি তারা নেতৃত্ব দেবে শান্তির - এটা বাস্তব নয়। বাস্তবে তাই হলো। তাকিয়ে ছিল গোটা বিশ্ব। কিন্তু যা খবর মিলছে তাতে দেখা যাচ্ছে ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন বৈঠক কার্যত নিষ্ফলা। ব্যর্থ ইরান-আমেরিতা শান্তি বৈঠক। তাতেই আরও জটিল পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি। হরমুজ নিয়েও বের হল না কোনও রফাসূত্র। ইরানকে এক তরফা দোষারোপ মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের। শর্ত মানতে রাজি নয় ইরান, দাবি জেডি ভান্সের। তিনি বলছেন, কোনওভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র না তৈরির বিষয়ে রাজি নয় ইরান। পাল্টা ইরান বলছে, আমেরিকার অনায্য দাবি মানার প্রশ্নই নেই। হরমুজ প্রণালীতে আমেরিকার দাদাগিরি তারা কোনওভাবেই মানবে না। তাঁদের সাফ কথা, হরমুজের পুরো নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে। প্রসঙ্গত, গত ৬ সপ্তাহ যুদ্ধের পর গত মঙ্গলবার ইরানের সঙ্গে দু’সপ্তাহ যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তারপরই ইসলামাবাদে দুপক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতা বৈঠক শুরু হয়। তাতেই আশার আলো দেখতে শুরু করেছিল গোটা বিশ্ব। শেয়ার বাজারেও দেখা গিয়েছিল বড়সড় লাভ। ফের ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছিল সেনসেক্স, নিফটি। কিন্তু ২১ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বৈঠক চললেও তা সম্পূর্ণ নিষ্ফলা। কোনও সমাধান সূত্র বের হয়নি বলে জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। সূত্রের খবর, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট সহ যে তিনজন প্রতিনিধি ছিল আমেরিকার তরফে তাঁদের শর্ত কোনওভাবেই মানতে নারাজ ইরান। অন্যদিকে ইরানের দাবি মানতেও অপারগ আমেরিকা। তাতেই জট যেন আরও পাকিয়ে গেল বলেই মনে করা হচ্ছে। হরমুজ প্রণালীকে নিজেদের হাতে রাখা, ইরানের স্কুলে হামলার দায় স্বীকার করার মতো একাধিক দাবি আমেরিকার কাছে রাখে ইরান। পাল্টা হরমুজ থেকে ইরানের নিয়ন্ত্রণ সরানোর মতো একাধিক দাবি রাখে আমেরিকা। কিন্তু কেউই কারও অবস্থান থেকে সরে আসতে নারাজ। #international #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
international - ShareChat
সারা ভারত চলে আসছে বাংলায় ভোট প্রচারে একদম সর্ব শক্তিদিয়ে ময়দানে নেমে পড়েছে বিজেপি। শুধু নরেন্দ্র মোদী বা অমিত শাহ নয়, সেই তালিকায় আছে বহু না। প্রথমেই জ্বল জ্বল করছে যোগী আদিত্যনাথের নাম। ৩০টি কর্মসূচি ইতিমধ্যেই নির্ধারিত হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর। সাযুজ্য রেখেই বঙ্গ বিজেপির চার্জশিট থেকে সংকল্পপত্র প্রকাশ, সবটাই হয়েছে নরেন্দ্র মোদীর ডেপুটির হাত ধরে। আবার তিনিই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী হতে শুভেন্দু অধিকারীকে বলেছিলেন বলে খবর। শুধু বলেই ক্ষান্ত নয়। শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন পর্বে হাজিরও থাকলেন। এরইমধ্যে আবার জানিয়েও দিয়ে গেলেন ভোট বঙ্গে টানা ঘাঁটি গেড়ে বসার কথা। সাম্প্রতিক রাজনীতিতে অমিত শাহকে বারবার নিশানা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে লড়াইটা আর শুধু আর শুভেন্দু অধিকারী, শমীক ভট্টাচার্যদের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নয় বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সেই লড়াই ক্রমশ নিজের কাঁধেই তুলে নিচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী। তাঁর কর্মসূচি সাজানোতেই তা স্পষ্ট হচ্ছে বলে মত রাজনীতির কারবারিদের। আপাতত স্থির যা হয়েছে প্রথম দফায় নরেন্দ্র মোদীর ১১টি কর্মসূচি রয়েছে। অমিত শাহর কর্মসূচির সংখ্যা সেখানে ৩০টি। আসছেন যোগী আদিত্যনাথও। রয়েছে একেবারে ১১টি কর্মসূচি। পাশাপাশি নীতিন নবীন থেকে রাজনাথ সিং, কেউই বাদ নেই। সূত্রের খবর, নীতিন নবীনের কর্মসূচির সংখ্যা ১০টি। রাজনাথ সিংয়ের ৬টি। নীতিন গডকরির কর্মসূচির সংখ্যা ২টি। জে পি নাড্ডার কর্মসূচির সংখ্যা ৬, মানিক সাহা ৯, হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ৮, মোহন চরণ মাঝি ৬, রেখা গুপ্তার সংখ্যা সেখানে ৫টি। ময়দানে আছেন কঙ্গনা রানাওয়াতও। তাঁর কর্মসূচির সংখ্যা ৭টি। স্মৃতি ইরানির কর্মসূচির সংখ্যা ১৩টি। এই কর্মসূচিগুলোর মধ্যে জনসভা এবং রোড শো রয়েছে। বিপ্লব কুমার দেবের ক্ষেত্রে সংখ্যাটা সেখানে ৮টি। বাবুলাল মারান্ডির ক্ষেত্রে সংখ্যা ৪টি। অর্জুন মুণ্ডার ২ থেকে ৪। হেমা মালিনীর সেখানে একটি কর্মসূচি। বোঝাই যাচ্ছে প্রায় সারা ভারতকেই বিজেপি নিয়ে আসছেন বাংলায়। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
১৪ বছর পরে কলকাতায় পুলিশ পেলো আবার মহিলা গোয়েন্দা প্রধান এক ধাক্কায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরিয়ে দিয়েছিলেন দময়ন্তী সেনকে। তারপরে বহুদিন কেটে গেছে আর কোনো মহিলা কলকাতার গোয়েন্দা প্রধান হন নি। দময়ন্তী পার্ক স্ট্রিটের ঘটনাকে ‘সাজানো ঘটনা’ বলে সিলমোহর দেননি। যা নাকি পছন্দ হয়নি সরকারের। সেই কারণেই তাঁকে সরতে হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। তারপর থেকে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান পদে আর কোনও মহিলাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। অবশেষে শনিবার নির্বাচন কমিশন ১২ জন পুলিশকর্তাকে বদলি করেছে। তার মধ্যে নজর কেড়েছে কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট সিপি ক্রাইম পদটি। কেন? কমিশনের নির্দেশে আইপিএস (IPS) সোমা দাস মিত্রকে ডিআইজি সিআইডি পদ থেকে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান পদে নিয়ে আসা হয়েছে। ২০১২ সালের এপ্রিলের পর ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস, কলকাতা পুলিশ পেল নতুন মহিলা গোয়েন্দা প্রধান। হালিশহরের সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে সোমা। ২০০০ সালের WBPS অফিসার। ২০০৬ সালেই আইপিএস হন। চাকরি জীবনে বেশিরভাগ সময় তিনি সিআইডি’তেই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। সিআইডিতে ডিএসপি পদে নারী পাচার বিরোধী বিভাগে কাজের জন্য সুনাম কুড়িয়েছিলেন। সম্প্রতি সন্দেশখালির ঘটনায় গঠিত দশ সদস্যের কমিটিতেও নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। পুলিশ মহলের মতে,বেশিরভাগ সময় সিআইডির মত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কাজ করায় দুঁদে গোয়েন্দা হিসেবেই তাঁর পরিচয় রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তে তাঁর ‘পেপার ওয়ার্ক’ বিভিন্ন আদালতে সরকারের মুখ বাঁচিয়েছে বহুবার। তা সে রাজ্যের হাতে থাকা শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি হোক কিংবা গরু পাচার ঘটনার তদন্ত। সোমাকে নিয়ে ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিশ মহলে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। অনেকেই যেমন আশা করছেন দীর্ঘদিন খালি থাকা গোয়েন্দা প্রধান পদ এবার যোগ্য অফিসারের হাতে গিয়েছে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
রাজন্যার নমিনেশন কেন বাতিল হলো শুনলে অবাক হতে হয় তৃণমূলের দুর্দান্ত প্রতাপ ছাত্রনেতা রাজন্যা হালদার বেশ কিছুদিন আগেই একগুচ্ছ অভিযোগ জানিয়ে তৃণমূল ছাড়েন। তারপরে একাধিক দলের দরজায় ঘুরলেও তেমন কোনো উৎসাহ দেখায় নি কেউ। অবশেষে নিজেই ঠিক করেন নির্দল হয়ে ভোটে দাঁড়াবেন। সোনারপুর দক্ষিণের পাশাপাশি আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা আসন থেকেও নির্দল প্রার্থী হয়ে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছিলেন তিনি। কিন্তু আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্রে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় তৈরি হয় জটিলতা। তিনি সময় মতো মনোনয়ন জমা দিতে পৌঁছলেও দেখা যায়, তাঁর প্রস্তাবকরা এসে পৌঁছননি। মনোনয়ন পেশের জন্য মূলত ৬ জন প্রস্তাবকের প্রয়োজন হয়। কিন্তু রাজন্যার মনোনয়ন পেশের সময় আগে থেকে ঠিক করে রাখা ৬ জন প্রস্তাবকই অনুপস্থিত ছিলেন। তড়িঘড়ি নতুন প্রস্তাবকদের আনা হয়। কিন্তু তাঁরা সময়মতো মনোনয়নের রুমে পৌঁছতে পারেননি। এরপর বাধ্য হয়ে সময় শেষ হওয়ার আগে ৪ প্রস্তাবককে নিয়ে মনোনয়ন জমা করেন রাজন্যা। এরপর স্ক্রুটিনিতে তাঁর মনোনয়ন বাতিল হয়ে যায়। বিজেপির বিরুদ্ধে প্রস্তাবকদের আটকে রাখার অভিযোগ তুলেছেন রাজন্যা। যদিও বিজেপির জেলা সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্যের সাফ কথা, “কমিশনের নিয়মে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে, এতে আমাদের জড়ালে তো আর অযোগ্যতা ঢাকা পড়বে না।” রাজন্যা অভিযোগ করেন, ঘটনার সময় বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি প্রশান্ত চক্রবর্তী সেখানে বিষয়টি তদারকি করছিলেন, যদিও সেদিন বিজেপির কোনও কাজ ছিল না। প্রশান্ত বলেন, “উনি প্রস্তাবক জোগাড় করতেই পারেননি। নির্বাচন কমিশন কেন অনৈতিক কাজ করতে দেবে? নাচতে না জানলে উঠানের দোষ।” #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
ভোটের আগে নন্দীগ্রামের ৪৩ জন তৃণমূল নেতা-কর্মীকে ডেকে পাঠালো NIA ব্যাস শুরু বয়ে গেছে NIA ভার্সেস তৃণমূলের লড়াই। NIA এর এই নির্দেশ ভোটের আগে কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না রাজ্য তৃণমূল। ভোটের আগে নন্দীগ্রামের ৪৩ জন তৃণমূল নেতা কর্মীকে নোটিস পাঠালো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। যা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, যারা ভোট পরিচালনার কাজে নিযুক্ত, তাদের বেছে বেছে নোটিস পাঠানো হয়েছে। যদিও বিজেপির দাবি, তদন্তের স্বার্থে এনআইএ যে কাউকে নোটিস পাঠাতেই পারে। বঙ্গ ভোটে এবারও ‘হাইভোল্টেজ’ কেন্দ্র নন্দীগ্রাম। একদিকে বিজেপির প্রার্থী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, অন্যদিকে একদা তাঁর ঘনিষ্ঠ পবিত্র করকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। নন্দীগ্রামের ভোট প্রচারে কেউ কাউকে একটুকরো জমি ছাড়তে নারাজ। কিন্তু এনআইএ নোটিস ঘিরে ক্রমশ চড়ছে নন্দীগ্রামের রাজনীতি। জানা গিয়েছে, নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল কোর কমিটির সদস্য বাপ্পাদিত্য গর্গ, সামসুল ইসলাম-সহ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য, অঞ্চল সভাপতিদের এনআইএ নোটিস ধরানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, বুথ স্তরের নেতাকর্মীদের বাড়িতে বাড়িতেও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে খবর। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন সেই নোটিস হাতে পেয়েছেন বলেও খবর। যেখানে ১৭ এপ্রিল কলকাতার এইআইএ র দপ্তরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভোটের মুখে এই নোটিস ঘিরেই শুরু হয়েছে তরজা। তৃণমূলের দাবি, নন্দীগ্রামের ভোট বানচাল করতে বিজেপি তৃণমূল কর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে এনআইএ তদন্তের নামে নোটিশ পাঠাতে শুরু করেছে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - 4 M 4 M - ShareChat