PRATHAM ALOR BARTA
ShareChat
click to see wallet page
@1737913406
1737913406
PRATHAM ALOR BARTA
@1737913406
PRESS & PUBLICATION
অ্যাসেম্বলির বাইরে ঋতব্রত পলিটেক রিএকশন বাইট #political
political - ShareChat
01:52
ঋতব্রতর হাত ধরে বুধবার কি আত্মপ্রকাশ করবে 'নতুন তৃণমূল'? এমন একটা সম্ভাবনার কথা চারিদিকে প্রচার হলেও ৫২ জন সংখ্যাটা যে নেহাত কম নয়, তা সকলেই জানেন। মঙ্গলবার মমতার ধরনা মঞ্চে মাত্র ৫/৬ জন বিধায়ক উপস্থিত থাকায় অনেকেই আশাবাদী। বিধানসভায় শক্তি দেখিয়ে চিঠি দেবেন তৃণমূলের সদ্য বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়! ৫৩-৫৪ জন বিধায়ক সঙ্গে থাকলেই রাজ্যে ‘নতুন তৃণমূল’ আত্মপ্রকাশ করতে পারে। রাজ্যের বিরোধী দল হিসেবে তকমাও পেতে পারেন! জোড়া ফুল প্রতীকও চলে আসতে পারে তাঁদের কাছে? সেই জল্পনা চলছে বঙ্গ রাজনীতিতে। আগামী কালই কি বঙ্গে তৃণমূলের মুষলপর্বে নতুন চিত্রনাট্য দেখা যাবে? সেই জল্পনা আরও বাড়ছে বঙ্গ রাজনীতিতে। কয়েকদিন ধরে শোনা যাচ্ছে, প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৈরি হতে চলেছে নতুন তৃণমূল! জোড়া ফুল প্রতীক হাতছাড়া হতে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেই জল্পনাও তুঙ্গে রয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই তৃণমূলে ভাঙন তীব্র হয়েছে। এবার বড় সংখ্যায় বিধায়ক, সাংসদ দল ছাড়ছেন! সেই জল্পনা ক্রমে বাড়ছে। জানা যাচ্ছে,মঙ্গলবার ঋতব্রত বিধানসভায় ঢুকতেই শোনা গিয়েছিল, ৫০ জন বিক্ষুদ্ধ তৃণমূলের বিধায়কের সই সম্বলিত চিঠি জমা দিতে চলেছেন তিনি। তবে এদিন তেমন কোনও ঘটনা ঘটেনি। বিধানসভা থেকে বেরনোর সময় ঋতব্রত সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন। বিকেলে বিধানসভা থেকে বেরিয়ে চিঠি নিয়ে কিছুই জানেন না বলে দাবি করলেন ঋতব্রত। জানালেন, ব্যক্তিগত কাজে তিনি বিধানসভায় ছিলেন। তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করার কথাও শোনা গিয়েছিল গতকাল, সোমবার। যদিও সেই বৈঠকের কথাও উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ইউনিয়ন রুমে উইয়ে ধরা কয়েক লক্ষ টাকা উদ্ধার 'টাকা' আর তৃণমূল যেন সমার্থক। যেখানেই তৃণমূল সেখানেই অবৈধ টাকা। এবার কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে। বছর চারেক আগে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবীর ফ্ল্যাট থেকে টাকার পাহাড় উদ্ধার হয়েছে। আবার রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূল নেতার পাটখেত থেকে উদ্ধার হয়েছে বস্তা বস্তা ভর্তি টাকা। এবার টাকার পাহাড় কলেজের ইউনিয়ন রুমে। সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ইউনিয়ন রুমের আলমারি থেকে পাওয়া গেল লক্ষ লক্ষ উই ধরা টাকা। কলেজের ইউনিয়ন রুম থেকে দুই ব্যাগ ভর্তি উইয়ে খাওয়া টাকা উদ্ধারের ঘটনায় শোরগোল পড়েছে। তৃণমূলকে নিশানা করে কলেজের তৃণমূল ছাত্রনেতাদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। জানা গিয়েছে, মশার লার্ভা যাতে না হয়, সেজন্য মঙ্গলবার কলকাতা পৌরনিগমের তরফে আধিকারিকরা এসে সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ইউনিয়ন রুমের তালা ভাঙতে বলেন। সাফাই কর্মচারীরা অধ্যাপকদের অনুমতি নিয়ে তালা ভাঙেন। তারপর আলমারি থেকে দুই ব্যাগ ভর্তি টাকা পাওয়া যায়। প্রশ্ন উঠছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লক্ষ লক্ষ টাকা এল কোথা থেকে? অনেকে বলছেন, দুই ব্যাগ মিলিয়ে ৫০-৬০ লক্ষ টাকা রয়েছে। খবর পেয়ে আসে মুচিপাড়া থানার পুলিশ। অভিযোগ, দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় নামে এক তৃণমূল নেতা এক ইউনিয়ন রুম কন্ট্রোল করতেন। বরাহনগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলেন, “আর কী দেখতে হবে এই জীবনে সেটাই ভাবছি। আমরা দেখলাম পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবীর ঘরে টাকার ভান্ডার। তৃণমূল নেতার পাটখেতে টাকা। এবার ইউনিয়ন রুমে আলমারির ভেতর লাখ লাখ টাকা। সেটা উইয়ে খেয়েছে। কত টাকা থাকলে টাকা উইয়ে খায়? এর আগে আমি দেখিয়েছিলাম, এই কলেজের ফাংশন ফান্ডে এখনও দেড় কোটি টাকার বেশি রয়েছে। এই টাকা জনতার টাকা। ছেলেদের ভর্তির টাকা। টাকা নিয়ে যেমন চাকরি হয়েছে। তেমনই এইসব কলেজে কোটি টাকার বিনিময়ে ভর্তি হয়েছে। এতে মাথা থেকে পা পর্যন্ত জড়িত। পুলিশ কোনওদিন এদের কেশাগ্র স্পর্শ করেনি। তাই বলছি, এদের দ্রুত গ্রেফতার করা হোক।” #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
শেষ পর্যন্ত মোথাবাড়ি কাণ্ডে চার্জশিট দিলো NIA ঘটনার ৫৯ দিন পরে মোথাবাড়ি ৩১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিলো NIA। মোথাবাড়ি কাণ্ডের ৫৯ দিনের মাথায় চার্জশিট দিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। মঙ্গলবার কলকাতার নগর দায়রা আদালতের এনআইয়ের বিশেষ আদালতে এই চার্জশিট পেশ করা হয়েছে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে। এসআইআর পর্ব চলাকালীন উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কালিয়াচকের মোথাবাড়ি এলাকা। সমস্ত নথি থাকা সত্ত্বেও নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে, এই অভিযোগে বিডিও অফিসের ভিতরে এসআইআরের কাজে যাওয়া বিচারকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। মহিলা বিচারক সহ অন্যান্য বিচারকদের হেনস্তার ঘটনায় তদন্ত শুরু করে এনআইএ। তদন্তকারীরা যে ১২ টি মামলার তদন্ত করছে, এদিন তার মধ্যে ৪ টি মামলার চার্জশিট আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। ৪টি চার্জশিটে মোফাক্কেরুল-সহ মোট ৩১ জন অভিযুক্তের নাম রয়েছে ৷ এর মধ্যে কালিয়াচক থানার দু’টি ও মোথাবাড়ি থানার দু’টি মামলার চার্জশিট দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মোথাবাড়ি কাণ্ডে মোট ১২টি মামলা দায়ের হয়েছিল। তার মধ্যে আজ ৪টি মামলার চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতার নগর দায়রা আদালতের মুখ্য বিচারক সুদীপ্ত কুমার দে’র বেঞ্চে এই চার্জশিট জমা পড়ে। চারটি মামলার ক্ষেত্রে যথাক্রমে ৩, ১৫, ১০ এবং ৩ জন অভিযুক্তের নাম চার্জশিটে রয়েছে। সূত্রের খবর, এনআইএর-র পেশ করা চার্জশিটের এই চারটি মামলার মধ্যে দুটি মামলায় ধৃত মূল অভিযুক্ত মোফাক্কেরুল ইসলাম এবং একরামুল বাদনানির নাম রয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১২৬(২), ১৮৯(২), ১৮৯(১), ১৯৫(১), ২২১, ২২৩, ২২৪, ৩৫১(২) ধারায় চার্জশিট পেশ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
এবার কলকাতা পৌরনিগমের কাউন্সিলার অরিজিৎ দাস ঠাকুর পুলিশের হাতে ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন তৃণমূলের প্রতিনিধিদের একে একে গ্রেফতার করা হচ্ছে। মূলত চুরি ও তোলাবাজির অভিযোগে। প্রথমে সুদীপ পোল্লে। তারপর সচিন সিং। এবার অরিজিৎ দাস ঠাকুর। কলকাতা পৌরনিগমের আরও এক তৃণমূল কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করল পুলিশ। তোলাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগে কলকাতা পৌরনিগমের ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অরিজিৎকে গ্রেফতার করেছে গড়ফা থানার পুলিশ। বুধবার তাঁকে আদালতে তোলা হবে। তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তৃণমূল ক্ষমতায় থাকাকালীন এই নিয়ে বারবার সরব হতে দেখা গিয়েছিল বিরোধীদের। কিন্তু, কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছিল না বলে অভিযোগ। আর রাজ্যে পালাবদলের পরই একের পর এক তৃণমূল নেতা, কাউন্সিলর তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হচ্ছেন। এবার সেই তালিকায় যোগ হল অরিজিতের নাম। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা তোলার অভিযোগ দায়ের হয়েছে। সম্প্রতি অরিজিৎকে তৃণমূল নিজেদের আইটি টিমে বড় পদ দিয়েছিল। তিনি তৃণমূলের দীর্ঘদিনের শহরতলির নেতা দুলাল দাস ঠাকুরের ছেলে। এলাকায় তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠছিল। এবার অভিযোগ পাওয়ার পরই তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করল গড়ফা থানার পুলিশ। কলকাতা পৌরনিগমে প্রথম ১২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুদীপ পোল্লেকে কয়েকদিন আগে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপর গতকাল গ্রেফতার করা হয় ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সচিন সিংকে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ভাঙচুর, লুটপাট ও হামলার অভিযোগে গত ২৭ মে নারকেলডাঙা থানার একটি মামলায় সচিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অভিযোগকারী আদর্শ পাণ্ডে দাবি করেন, ২০২১ সালের ৪ মে বিকেল সাড়ে তিনটা নাগাদ সচিন কুমার সিং-সহ আরও কিছু লোকজন তাঁর বাড়িতে হামলা চালায়, ভাঙচুর করে, বিভিন্ন সামগ্রী লুঠ করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। সেই অভিযোগের তদন্তে নেমে অভিযুক্ত সচিন কুমার সিংকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তৃণমূলের অন্দরে ডামাডোলের মধ্যেই একের পর এক নেতা গ্রেফতার হচ্ছেন। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
অরূপ বিশ্বাসের প্রতি ক্ষোভ জানিয়ে বর্তমান ক্রীড়া মন্ত্রী নিশীথ প্রামানিকের প্রশংসা মমতার ভাই বাবুনের ঠিক ঝোপ বুঝে কোপ মেরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই বাবুন। ময়দানে পালাবদল হতেই রঙ বদলের চেষ্টা মমতার ভাইয়ের? টিকে থাকতে সামনে এবার বাবুনের ক্রীড়াপ্রেমী ফর্মুলা। অরূপের সঙ্গে বনিবনা হতো না, নিশীথের সঙ্গে কাজ করতে চাই। ২০১৩ সাল থেকেই আমি কোণঠাসা। যন্ত্রণা কেউ বোঝেনি। সাংবাদিকদের সামনে মুখ খুলে এভাবেই শিবির বদলের ইঙ্গিত দেন বাবুনের। কিন্তু সত্যিই কী মমতার আমলে কোণঠাসা ছিলেন মমতারই ভাই? জল্পনা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। রাজ্যে পরিবর্তনের পর ইতিমধ্যে বক্সিং এবং হ্যান্ডবল সংস্থা থেকে ইস্তফা দিয়েছেন মমতার ভাই।বাবুন বন্দ্য়োপাধ্যায় আবার ইতিহাস মনে করিয়ে বলছেন, যে ক্রীড়ামন্ত্রী থাকেন আমি তাঁর সঙ্গেই কাজ করি। সুভাষ চক্রবর্তী থাকাকালীন তাঁর সঙ্গেও সম্পর্ক রেখেছি। মদন মিত্রের সঙ্গেও ঠিক ছিল। কিন্তু অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে কাজ করতে পারিনি। কারণ আমাকে কোনওদিন উনি ভালো চোখে দেখেননি। আমার কাজে কোনওদিন সাপোর্ট করেনি। নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে কথা হয়েছে। আমি ওনার সঙ্গেও কাজ করব। এরপরই খানিক হতাশার সুরে বলেন, “আমি ২০১৩ সাল থেকে কোণঠাসা। কষ্ট কাউকে বলতে পারিনি।” তবে খোঁচা দিতে ছাড়ছে না বিজেপি। বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলছেন, “ওর যন্ত্রণা তো দিদিও বুঝতে পারেনি। ওকে ত্যাজ্য ভাই করেছিল। ও একবার তো বিজেপি করবে বলে দিল্লি চলে গিয়েছিল। আসলে এখন দেখছে দিদিকে দিয়ে আর কাজ নেই। কিন্তু দিদিকে দিয়েই এরা কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি করেছে।" #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
ঝাড়গ্রাম: মন্ত্রীত্বের শপথ গ্রহণের পর এলাকায় ফিরতেই উচ্ছ্বাসের জোয়ার মন্ত্রীত্বের শপথ গ্রহণের পর প্রথমবার ঝাড়গ্রামের খেমাশুলি এলাকায় পৌঁছতেই উষ্ণ অভ্যর্থনায় ভাসলেন রাজেশ মাহাতো। এলাকায় পৌঁছে তিনি প্রথমেই খেমাশুলী এলাকায় শিব মন্দিরে গিয়ে ভগবানের আশীর্বাদ গ্রহণ করেন। এরপর কুড়মি সমাজের মানুষজন ও অসংখ্য সমর্থক তাকে ঘিরে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন। মন্ত্রী হিসেবে তাঁর নতুন দায়িত্ব পাওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ ও গর্বের আবহ। খেমাশুলি জুড়ে দেখা যায় উৎসবের পরিবেশ, যেখানে সাধারণ মানুষ ফুল, শুভেচ্ছা ও করতালির মাধ্যমে তাঁকে অভিনন্দন জানান। স্থানীয়দের বক্তব্য, এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের স্বার্থে তাঁর নতুন দায়িত্ব আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। মন্ত্রীত্বের শপথের পর নিজ এলাকায় এই আগমনকে ঘিরে খেমাশুলিতে এক স্মরণীয় মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
01:18
তৃণমূল কংগ্রেসে মুষলপর্ব চলেছে। শেষ দেখার জন্য সবাই অপেক্ষা করছেন এরপর! এরপর কি হবে? দলে বিদ্রোহীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সাংসদ বিধায়ক থেকে শুরু করে পৌরসভা ও পঞ্চায়েতের অনেকেই এই লাইনে নাম লিখিয়েছেন। সই জাল কাণ্ডে ফাঁস তৃণমূলের জালিয়াতি! এদিনই এরপরেই অস্বস্তি ঢাকতে উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কার করল তৃণমূল। দল বিরোধী কাজের অভিযোগে এই দুই তৃণমূল বিধায়ককে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত। তৃণমূল কংগ্রেস থেকে ৫০ জন বিধায়ক বেরিয়ে যেতে পারেন! দল ভাঙতে পারে! সেই জল্পনাও তুঙ্গে উঠেছে। বঙ্গ রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর গুঞ্জন। তাহলে মহারাষ্ট্রের রাজনীতির মতোই হতে চলেছে বঙ্গ রাজনীতির তৃণমূলের অবস্থা? শরদ পওয়ার, উদ্ধব ঠাকরের হাত থেকে চলে গিয়েছিল তাঁদের দলের রাশ। প্রতীকও হাতছাড়া হয়েছিল। তাহলে কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকেও হাতছাড়া হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস! সই জাল কাণ্ডে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে তৃণমূল বহিষ্কার করেছে। এই মুহূর্তে তৃণমূলের বিধায়ক সংখ্যা ৮০ থেকে কমে ৭৮ হল। বঙ্গ রাজনীতিতে চর্চা, তৃণমূল কংগ্রেসে বড়সড় ভাঙন হতে চলেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের ৫০ জন বিধায়ক দল ছেড়ে বেরিয়ে যেতে পারেন! ‘নতুন তৃণমূল’ ঋতব্রত-সন্দীপনদের মাধ্যমে তৈরি হচ্ছে! সেই গুঞ্জনও চলছে বঙ্গ রাজনীতিতে। তেমন হলে তৃণমূল কংগ্রেস বিরোধী দল হিসেবেও মর্যাদা পাবে না রাজ্যে! শুধু তাই নয়, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকও হাতছাড়া হতে পারে নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে। অতীতে মহারাষ্ট্রের রাজনীতি এই ঘটনা ঘটেছে। এনসিপি ভাঙার কারণে শরদ পওয়ারের থেকে ক্ষমতা চলে গিয়েছিল। শিবসেনাতেও ভাঙন হয়েছিল। বিধায়করা বেরিয়ে যাওয়ায় উদ্ধব ঠাকরের হাত থেকে দলের রাশ চলে গিয়েছিল। প্রতীকও হাতছাড়া হয়েছিল। সেই একই ঘটনা ঘটতে চলেছে তৃণমূলে! সেই জল্পনা আরও বেড়েছে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
ঋতব্রত-সন্দীপনের বিধায়ক পদ কি চলে যেতে পারে? এমন প্রশ্ন অনেকের মনে উঠলেও উত্তরটা কিন্তু -'না'। দলবিরোধী কাজের অভিযোগে উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল। ইতিমধ্যে তৃণমূলের তরফে স্পিকারকে এই বিষয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বহিষ্কারের বিষয়ে এন্টালি এবং উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ককে ইমেল এবং হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে দলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও খবর। বস্তুত বঙ্গে পালাবদলের পর থেকেই দলের বিরুদ্ধে একাধিক ইস্যুতে সরব ঋতব্রত ও সন্দীপন। বিশেষ করে বিধায়কদের সই জালিয়াতি কাণ্ডে তাঁরা নিজেদের দলের ‘জালিয়াতি’ ফাঁস করার পর তাঁদের বহিষ্কার করা ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না কিন্তু এখন প্রশ্ন হল, দল থেকে বহিষ্কার করার পর এই দুই বিধায়কের বিধায়ক পদ কি বাতিল হবে? দলত্যাগ বিরোধী আইন বলে, একাধিক পরিস্থিতিতে কোনও বিধায়কের পদ বাতিল হতে পারে। এক, ওই বিধায়ক এক দল থেকে নির্বাচিত হয়ে এসে স্বেচ্ছায় সেই দল ত্যাগ করেন। দুই, এক দলের টিকিটে জিতে অন্য দলে যোগ দিলে। তিন, দলের হুইপ সত্ত্বেও বিধানসভায় গুরুত্বপূর্ণ কোনও বিলে দলের বিপক্ষে ভোটদান করলে বা ভোটদান থেকে বিরত থাকলে।তৃণমূলের তরফে ঋতব্রত বা সন্দীপনকে বহিষ্কার করার সময় দাবি করা হয়েছে, তাঁরা দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দেননি এবং দলবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত থেকেছেন। নিয়ম অনুযায়ী, এই ‘অপরাধে’ কাউকে দল থেকে বহিষ্কার করা গেলেও তাঁর বিধায়ক পদ বাতিল করা যায় না। কারণ ঋতব্রতরা নিজে থেকে তৃণমূলের সদস্যপদ ছাড়েননি, সরাসরি বিজেপি বা অন্য দলে যোগ দেননি এমনকী, বিধানসভায় দলের কোনও হুইপও অমান্য করেননি। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
হাওড়ার অরূপ রায়ের ক্ষোভ কিন্তু বাড়ছে দলের উপরে তৃণমূল দলের অন্দরে বিদ্রোহীর সংখ্যা বাড়ছে। সেই বিদ্রোহীর দলে যুক্ত হচ্ছেন তৃণমূলের হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়। দু’দিন আগে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা মধ্য হাওড়ার তৃণমূল বিধায়ক অরূপ রায়ের বাড়ি থেকে সরকারি ত্রাণ পাচার হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে তাঁর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন বিজেপি সমর্থকরা। এই ব্যাপারে মুখ খুললেন অরূপ। নিজের বাড়িতে হামলার অভিযোগ তুলে জড়িতদের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর করার কথা জানান তিনি। পাশাপাশি নিজের দলের প্রতিও একরাশ অভিমান ব্যক্ত করেন অরূপ। এমনকী বুঝিয়ে দেন, বিপদের সময় দল যদি তাঁর পাশে না থাকে তাহলে তাঁকে চিন্তাভাবনা করতে হবে। প্রয়োজনে তিনি পরিস্থিতি বুঝে রাজনৈতিক সন্ন্যাসও নিতে পারেন। তবে তা এখনই নয় বলেও স্পষ্ট জানান তিনি। সোমবার সকালে মধ্য হাওড়ায় নিজের বাড়িতে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন অরূপ রায়। সেখানে তিনি বলেন, ‘‘দু’দিন আগে আমি ত্রিপল পাচার করছি বলে আমার বাড়িতে এসে বাড়ির দরজায় লাথি মেরেছে বিজেপি কর্মীরা। বাড়ির সিসি ক্যামেরা ভেঙে দিয়ে গিয়েছে। এমনকী অশ্রাব্য গালিগালাজও করেছে। আমি বাড়িতে ছিলাম না। আমার বাড়িতে মহিলারা ছিল। তাঁরা এটা মেনে নিতে পারেননি। বিষয়টি রুচিসম্মত নয়। এ ধরনের জঘন্য কাজে জড়িত বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে আমি থানায় এফআইআর করব। পুলিশকে বলছি যাঁরা এ ধরনের কাজ করেছে তাঁদের চিহ্নিত করে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিক।’’ পাশাপাশি এদিন অরূপ রায়ের গলাতে দলের বিরুদ্ধে অভিমানের সুর শোনা গিয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘আমরা বিধায়করা যখন আক্রান্ত হচ্ছি তখন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব আমাদের খোঁজ নিচ্ছেন না। তাঁরা নিজেরাই ভীত সন্ত্রস্ত্র হয়ে আছেন। এতে দলের সাংগঠনিক দুর্বলতা প্রকাশ পাচ্ছে। এরকম পরিস্থিতি চলতে থাকলে আমাকে চিন্তাভাবনা করতে হচ্ছে।’’ #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat