কেন্দ্রীয় শ্রম কোড আইন বাতিল সহ একাধিক দাবীতে ২১ টি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের ডাকে শিল্প ধর্মঘট।
বাঁশবেড়িয়ার গ্যাঞ্জেস জুট মিলেও শ্রমিকরা কাজে যোগ দেয়নি।মিল গেটের পিকেটিং করে ধর্মঘট সমর্থনকারীরা।
#social
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
বাংলাদেশের তরুণ সমাজকে ভোট বয়কটের আহ্বান হাসিনা পুত্র সজীবের
শেখ হাসিনা তো বটেই তার পুত্র এই ভোটকে নিতান্তই প্রহসন বলেছেন। সজীবের বক্তব্য বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাসে সবচেয়ে বড়ো প্রহসন এটাই যা শুক্রবার হচ্ছে। ওয়াশিংটন ডিসি থেকে একটি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ভোট বয়কটের আহ্বান জানান এবং জামাত-ই-ইসলামি ক্ষমতায় এলে দেশ ‘গভীর সংকটে’ পড়তে পারে বলে সতর্ক করেন। সজীব ওয়াজেদের দাবি, নির্বাচনের ফল আগেই ঠিক করে রাখা হয়েছে এবং ব্যাপক কারচুপি হতে পারে। তাঁর অভিযোগ, কুয়েত ও বাহরাইন থেকে ডাকযোগে জাল ভোটের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ঐতিহাসিকভাবে ৩০-৪০ শতাংশ ভোট পাওয়া আওয়ামি লীগ বর্তমানে নিষিদ্ধ, বহু নেতা-কর্মী কারাবন্দি, দলীয় কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ রয়েছে। গত দেড় বছরে ৫০০-র বেশি নেতা-কর্মী নিহত এবং ৩০ জনেরও বেশি পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর দাবি করেন তিনি। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও তোলেন।
সজীব ওয়াজেদ বলেন, জামাত-ই-ইসলামি শক্তিশালী হলে দেশে শরিয়াহ আইন জোরদার হতে পারে, নারীর অধিকার ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। তিনি আরও দাবি করেন, অতীতে দণ্ডপ্রাপ্ত জঙ্গিদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে এবং জঙ্গি সংগঠনের সক্রিয়তা বেড়েছে। যা প্রতিবেশী দেশগুলির জন্যও উদ্বেগের কারণ হতে পারে। বাংলাদেশের তরুণ সমাজকে ভোট বয়কটের আহ্বান জানিয়ে সাজীব বলেন, এটি কোনও একক দলের স্বার্থ নয়, বরং গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই। প্রয়োজনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমী দেশগুলিকে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে চাপ তৈরি ও নিষেধাজ্ঞা বিবেচনার আবেদন জানান তিনি। শেখ হাসিনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন বলেও উল্লেখ করেন।
#international
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ভোট নির্বিঘ্নে
এবার মূলত দ্বিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা - বিএনপি ও জামাত। লড়াই প্রায় জমানে সমানে। পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, গন্ডগোলের প্রবল সম্ভাবনা। তবে সকাল ৯ পর্যন্ত ভালোভাবে ভোট সম্পন্ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেড়ে যাওয়া কুর্সিতে কে বসবেন? তা নির্ধারণ করতেই ভোটাধিকার প্রয়োগ বাংলাদেশের। দৌড়ে এখন দু’জন প্রতিদ্বন্ধী। দ্যপ্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেখ রহমান এবং কট্টরপন্থী ইসলামি সংগঠন জামায়েত ইসলামির আমির শফিকুর রহমান। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টে পর্যন্ত ভোটগ্রহণ। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে নির্বাচন হবে। একই সঙ্গে হবে জুলাই সনদ নিয়ে গণভোটও।
ছাত্র আন্দোলনকে অনুঘটক করে শুরু হওয়া গণবিক্ষোভের জেরে ২০২৪ সালে ৫ অগাস্ট পতন ঘটেছিল শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লিগ সরকারের। হাসিনা তাঁর দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। ক্ষমতার বসেছিল নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। যুদ্ধাপরাধ এবং গণহত্যার অভিযোগে ইউনূসের জমানায় ফাঁসির সাজা হয়েছে হাসিনার। অধিকাংশ জনমত সমীক্ষা রিপোর্টেই এগিয়ে রাখা হয়েছে BNP-কে। শেখ হাসিনা দেশ ছাড়া। আর খালেদা জিয়া প্রয়াত। দীর্ঘ ৩৫ বছর পরে এই প্রথম বাংলাদেশের ভোটে বেগমদের ছাড়াই। ১৮ মাস মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তিকালীন সরকারের আওতায় থাকার পরে এখন দেখার হাসিনার গদিতে কাকে বসান ওপার বাংলার নাগরিকরা।
#international
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
*Samik Bhattacharya*, MP and State President on *Humayun Kabir Issue*
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
দ্বিতীয় ম্যাচে খেলতে পারছেন না অভিষেক, তার জায়গায় কে?
আগেই জানা গিয়েছিল ভারতের অন্যতম ব্যাটার অভিষেক পেটের রোগে ভুগছেন। এবার জানা গেলো দ্বিতীয় খেলায় অভিষেক খেলতে পারছেন না। তাহলে? মঙ্গলবার ভারতীয় দলের সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে বলেছিলেন, “অভিষেকের পেটের সমস্যাটা এখনও ভোগাচ্ছেন। তবে আমরা দু’দিন বাদে ওকে মাঠে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী।” কিন্তু সেই সম্ভাবনা ক্রমশ কমছে। সেক্ষেত্রে অভিষেকের বিকল্প হিসাবে সঞ্জু স্যামসনের কপালে শিকে ছিঁড়তে পারে। তবে অভিষেক না খেললে সেটা ভারতীয় দলের জন্য বিরাট ধাক্কা হতে চলেছে।
ভারতীয় ক্রিকের দল সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিষেকের পাকস্থলীতে সংক্রমণ হয়েছে। আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের আগে থেকেই সমস্যায় ভুগছিলেন। ম্যাচের পর পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। জ্বরের জন্য উচ্চ তাপমাত্রা ছিল এবং তাৎক্ষণিক উপশমের জন্য ওষুধ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাতে সমস্যা কমেনি। দলের সঙ্গে অনুশীলনও করতে পারেননি। দিল্লিতে কোচ গৌতম গম্ভীর যে নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন, তাতেও কিছুক্ষণ পর বেরিয়ে যান অভিষেক। হাসপাতালে ভর্তি অভিষেক শর্মা। বিশ্বকাপে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে প্রবল উদ্বেগে টিম ইন্ডিয়া। দিল্লিতে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে অভিষেক নামতে পারবেন না বলেই মনে করা হচ্ছে। পেটের সমস্যায় আগের ম্যাচ থেকেই ভুগছিলেন। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানোয় দুশ্চিন্তা আরও বেড়েছে। তবে অভিষেক কেমন আছেন, কবে ছাড়া পাবেন বা দ্বিতীয় ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না, তা ম্যানেজমেন্টের তরফ থেকে জানানো হয়নি।
#sport
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
বাবরি মসজিদ নিয়ে যোগী আদিত্যনাথ ও হুমায়ুন কবিরের চূড়ান্ত বিতর্ক
ইতিমধ্যেই লক্ষনৌতে বেশ কয়েকটা ফেস্টুন দেওয়ালে দেওয়ালে টাঙানো হয়েছে - মুর্শিদাবাদের বাবরি মসজিদ ভাঙবো। এটা জানতে পেরে প্রবল ক্ষুব্ধ হুমায়ুন। এছাড়াও বাবরি মসজিদ নিয়ে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের মন্তব্যের বিরোধিতা করলেন জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবির। তাঁর দাবি, বাবরি মসজিদ হবেই। ক্ষমতা থাকলে আটকে দেখাবেন যোগী। হুমায়ুন কবির বাবরি মসজিদ নামে নতুন এক মসজিদ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা করেছেন মুর্শিদাবাদে। গত বছরের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বার্ষিকীতে ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেছিলেন। ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে এর নির্মাণকার্য শুরু হওয়ার কথা। মঙ্গলবার যোগী বলেন, 'যাঁরা বাবরি কাঠামো ফেরানোর স্বপ্ন দেখছেন, তাঁরা কখনও সেই স্বপ্ন পূরণ হতে দেখবেন না। রাম সকলের, কিন্তু কিছু সুবিধাবাদী মানুষ নিজেদের স্বার্থে তাঁকে ভুলে যান। রামমন্দির শুধুই একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়, এটি ভারতের চিরন্তন ঐতিহ্য ও সনাতন সংস্কৃতির প্রতীক।' যোগী আদিত্যনাথের এই মন্তব্য সামনে আসার পরই আসরে নেমে পড়েন হুমায়ুন।
তিনি চ্যালেঞ্জ ছোড়েন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীকে। বলেন, 'ক্ষমতা থাকলে আটকে দেখাক এই মসজিদ নির্মাণ।'হুমায়ুন আক্রমণ করে বলেন, 'দেশটা যোগী আদিত্যনাথের পৈতৃক সম্পত্তি নয়। উনি যা বলছেন, বলতে দিন। আমরা বাংলার মানুষ। এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তো মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। যোগী আদিত্যনাথ নন। ভারতের সংবিধান আমাকে ক্ষমতা দিয়েছে মসজিদ বানানোর। নির্দিষ্ট ধর্মের মানুষ মন্দির, মসজিদ, চার্চ বানাতে পারেন। আমি একজন মুসলমান তাই মসজিদ বানাতে পারি। এটা উত্তরপ্রদেশের লখনউ নয় যে উনি যা বলবেন সেই মোতাবেক সবাই চলবে। এটা পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলা। এখানে বাবরি মসজিদ হবেই। পারলে উনি আটকে নেবেন।'
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
পশ্চিম বর্ধমান আসানসোল রানিগঞ্জ
অবশেষে কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার বালু ও কয়লা ব্যাবসায়ী।
কিছুদিন আগে পশ্চিম বর্ধমান জেলার রাণীগঞ্জে বালু ও কয়লা ব্যাবসায়ী কিরণ খানের বক্তারনগরের বাড়ীতে ইডি হানা দিয়েছিল প্রায় চার ঘন্টা পর তারা বার হয়েছিল এবং একইসাথে চিন্ময় মন্ডল নামে আরো এক বালু ও কয়লা ব্যাবসায়ীর বাড়ীতে হানা দিয়েছিল ইডি। দুজনের বাড়ী থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে তারা চলে গেছিল। সোমবার দুজনকে কলকাতার ইডি দপ্তরে তাদের হাজিরা দেবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। গতকাল সকালে দুজনেই ইডি দপ্তরে হাজিরা দেবার পর তাদের কথাবার্তায় অসঙ্গতি পাওয়াতে গভীর রাত্রে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়, মঙ্গলবার তাদের আদালতে পেশ করার কথা আছে।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
বারাসাতে শুধু ২টি ওয়ার্ডেই উন্নয়ন খাতে দেওয়া হয়েছে প্রায় দু'কোটি - ক্ষোভে ফুঁসছে বাকি কাউন্সিলারা
বারাসাতের বিধায়ক চিরঞ্জিত কি এবার বিদায় নেবেন? যখন এই প্রশ্ন ঘোরাঘুরি করছে ঠিক তখনই নতুন বিতর্ক। বারাসাতে ৩৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে মাত্র ২টি ওয়ার্ডেকে বিস্তত টাকা দেওয়া হলো উন্নয়ন খাতে। বাকিরা কিছু পেলো না কেন? এখানেই উঠেছে নানা প্রশ্ন। বিগত তিন বছরের বিধায়ক তহবিলের অর্থ খরচ হয়নি! যা নিয়ে বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। আর শুরু হতেই দুটি ওয়ার্ডের জন্য বরাদ্দ হল প্রায় দু’কোটি। তাও আবার কিনা একদিনেই। বারাসতের তিনবারের তারকা বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর এহেন সিদ্ধান্তে ক্ষোভে ফুঁসছেন বঞ্চিত কাউন্সিলররা। প্রসঙ্গত, আগে বিধায়করা নিজের নির্বাচিত এলাকার উন্নয়ন খাতে ৬০ লক্ষ টাকা প্রতি বছরে পেতেন। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষ থেকে বরাদ্দ অর্থের পরিমাণ বেড়ে হয় ৭০ লক্ষ টাকা প্রতি বছর। নাগরিক পরিষেবা বা উন্নয়নের কাজে সাধারণত প্রতি বুথে সমান ভাগে এই অর্থ ব্যয় হয়ে থাকে।
বারাসত বিধানসভা এলাকায় বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর উন্নয়ন তহবিলের অর্থ থেকে ১কোটি ৯৮লক্ষ ৩৫হাজার ১৪২ টাকা খরচের একটি খবর সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসে। বারাসত পুরসভার ১ নম্বর ও ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে এই টাকা খরচ হবে বলেই সূত্রের খবর। এর মধ্যে ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর সিঁথির একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৭ লক্ষ ৭৪ হাজার ৭৯৭টাকা। বাকি ১কোটি ৯০লক্ষ ৬০হাজার ৩৪৫টাকা বরাদ্দ হয়েছে ২৫নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত কেএনসি রোডের আনন্দময়ী থেকে হাটখোলা মোড় পর্যন্ত আন্ডারগ্রাউন্ড বৈদ্যুতিক তার বিছানোর জন্য। বিষয়টি বারাসত পুরসভার বাকি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরা জানার পর থেকেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এনিয়ে ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর চৈতালি ভট্টাচার্য বলেন, “জনপ্রতিনিধি হিসাবে প্রতিটি ওয়ার্ডে উন্নয়নের জন্য টাকা দেওয়া উচিত। আমাদের ওয়ার্ডের মানুষও তো ভোট দিয়েছেন। তারপরেও কেন উন্নয়নের জন্য আমাদের ওয়ার্ড উন্নয়ন খাতে বিধায়ক তহবিলের টাকা পাবে না?”
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
হুমায়ূনের বাবরি মসজিদ ভাঙার হুমকি দিল হিন্দু সংঘঠন
স্বাধীনতার পরে প্রথম কয়েক বছর বাদ দিলে বাংলা যথার্থ অর্থেই ছিল সেকুলার। বাম আমালের অনেক ত্রুটি নাগরিকমহল বললেও কখনো বলে নি যে পশ্চিমবঙ্গে সম্প্রদায়িক রাজনীতি হচ্ছে - যা হচ্ছে এখন। মমতার জগন্নাথ মন্দিরের বদলে হুমায়ূন ঘোষণা করলেন বাবরি মসজিদ। পরে মমতা বললেন দুর্গা অঙ্গন ও মহাকাল মন্দির। আর এবার কোনো এক হিন্দু সংগঠন জানালো তারা মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ হতে দেবে না। আর এই বাবরি মসজিদ নিয়েই শোরগোল রয়েছে গোটা দেশে। এবার লখনউ থেকে সরাসরি বাবরি মসজিদ ভেঙে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। হিন্দু সংগঠনগুলি ইতিমধ্যেই প্রতিবাদ করে জানিয়েছে,তারা কোনও পরিস্থিতিতেই মসজিদটি নির্মাণ করতে দেবে না। লখনউয়ের রাস্তায় চোখে পড়ছে বেশ কয়েকটি পোস্টার। সেই পোস্টারে ১০ ফেব্রুয়ারি বাংলার 'মুর্শিদাবাদ চলো'র ডাক দেওয়া হয়েছে। পোস্টারে লেখা রয়েছে, 'হুমায়ুন, আমরা আসব', 'বাবরি আবার ভেঙে ফেলা হবে', 'মুর্শিদাবাদ চলো'র মতো শ্লোগান।
উল্লেখ্য বিষয় হল, বিশ্ব হিন্দু রক্ষা পরিষদের তরফে লখনউতে এই বিলবোর্ড বসানো হয়েছে। লখনউয়ের ১০৯০ স্কোয়ার, আম্বেদকর স্কোয়ার, হযরতগঞ্জ স্কোয়ার এবং শহরের একাধিক জায়গায় হিন্দুদের মুর্শিদাবাদে পদযাত্রা করার আহ্বান জানিয়ে হোর্ডিং লাগানো হয়েছে। বিশেষ বিষয় হল, এই পোস্টারেই মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের ছবিও ব্যবহার করা হয়েছে। যা একাধিক প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। তবে কি বাংলায় ধর্মীয় মেরুকরণ বা তোষণ রাজনীতির জন্য মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়কেই দায়ী করছে এই হিন্দু সংগঠন? বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছে, যদি ধর্মীয় ভিত্তিতে মুর্শিদাবাদের জনগণ ভোট দিতে শুরু করে, তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে হিন্দু ও মুসলিম ভোটের মধ্যে রাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। কারণ হুমায়ুন কবীর যে সংখ্যালঘু ভোট ব্যাঙ্ককে টার্গেট করছে তা আসলে দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলকেই ভোট দিয়ে আসছে। যদি কোনও কারণে সেই ভোট সরে যায় এবং উল্টোদিকে বিজেপি হিন্দুদের ভোট একত্রিত করতে পারে, তবে তা তৃণমূলের জন্য আশঙ্কার কারণ হতে পারে।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta
*জলপাইগুড়ি*
রাতের অন্ধকারে ধূপগুড়ি রেগুলেটেড মার্কেটে আগুন। বিচ্ছিন্ন ভাবে বেশ কয়েকটি জায়গায় আগুনে পুড়ে ছাই কয়েকটি ঝুপড়ি দোকান।ম্যান মেড অগ্নিকান্ড বলে দাবি । পাশাপাশি প্রসাশনের উদাসীনতাকে দায়ী করছে স্থানীয়রা। রবিবার রাতে ধূপগুড়ি রেগুলেটেড মার্কেট চত্বরে দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে দেখে পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দারা।তারা ছুটে এসে দেখতে পায় রেগুলেটেড মার্কেট চত্বরে থাকা বেশ কয়েকটি ঝুপড়ি দোকান সহ মার্কেট চত্বরে বিচ্ছিন্ন ভাবে প্রায় ৩-৪ জায়গায় আগুনে জ্বলছে।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ধূপগুড়ি দমকল বাহিনী সহ ধূপগুড়ি থানার পুলিশ।এক সাথে কয়েকটি যায়গায় আগুন লাগায় দমকলের তিনটি ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।এক সাথে রেগুলেটেড মার্কেট চত্বরে তিনটি জায়গায় আগুন কিভাবে লাগলো তা নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠছে শুরু করেছে।সকলের আশঙ্কা এটি ম্যান মেড । কেউ আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে বেশ কয়েকটি ঝুপড়ি দোকান ভস্মীভূত হয়েছে।আগুন সহজে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আরও বড় দুর্ঘটনা ঘটত।
#social
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta









