PRATHAM ALOR BARTA
ShareChat
click to see wallet page
@1737913406
1737913406
PRATHAM ALOR BARTA
@1737913406
PRESS & PUBLICATION
বিনোদন সৌরভের বায়োপিকে ডোনার ভূমিকায় কে? অবশেষে জট কাটলো কোনো জটিলতায় দীর্ঘদিন থেকে না। একসময় সেই জটিলতা অবশ্যই পরিষ্কার হয়। এই ক্ষেত্রেও তাই হলো। সিনেপর্দায় সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বর্ণময় ক্রিকেট কেরিয়ার থেকে ব্যক্তিগতজীবন, কবে চাক্ষুষ করতে পারবেন দর্শক? সেই প্রশ্ন আজকের নয়, বিগত দু’-তিন বছর ধরেই দর্শকদের কৌতূহল, উৎকণ্ঠার অন্ত নেই। ‘প্রিন্স অফ ক্যালকাটা’র ভূমিকায় সদ্য পয়লা এপ্রিল কলকাতায় শুটিং শুরু করেছেন রাজকুমার রাও। কিন্তু স্ত্রী ডোনার ভূমিকায় কোন অভিনেত্রীকে দেখা যাবে? সেই কৌতূহল এখনও জিইয়ে রেখেছেন নির্মাতারা। যদিও প্রাথমিকভাবে সৌরভকন্যা সানা গঙ্গোপাধ্যায়ের পছন্দমাফিক তৃপ্তি দিমরির নাম শোনা গিয়েছিল, তবে এবার সিনেইন্ডাস্ট্রির অন্দরমহল সূত্রে জব্বর খবর! কানাঘুষো, ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়ের চরিত্রের জন্য বলিউডেরই বর্তমান প্রজন্মের এক অভিনেত্রীকে নির্বাচন করা হয়েছে লাভ রঞ্জনের প্রযোজনা সংস্থার তরফে। কিন্তু কে সে? কৌতূহল অস্বাভাবিক নয়। কারণ ডোনার ভূমিকায় অভিনয়ের জন্য সেই অভিনেত্রীকে নাচেও পারদর্শী হতে হবে। খবর, মহারাজের বায়োপিকে সৌরভপত্নীর ভূমিকায় অভিনয় করতে চলেছেন সানিয়া মালহোত্রা। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে সানিয়ার নাম ঘোষণা হয়নি, তবে এই জল্পনা কিন্তু নস্যাৎ করে দেওয়ার মতো নয়। কারণ সানিয়া মালহোত্রা নিজেও দারুণ নাচ করেন। নায়িকার সোশাল মিডিয়ায় উঁকি দিলেই তাঁর নাচ-প্রীতির ঝলক পাওয়া যাবে। উল্লেখ্য, পঁচিশ সালে সৌরভের বায়োপিকে নায়িকা হিসেবে প্রাথমিক পর্যায়ে মিমি চক্রবর্তী এবং ইশা সাহার নাম উঠে এসেছিল। আসলে সেসময়ে কলকাতায় পা রেখেছিলেন মুম্বইয়ের জনপ্রিয় কাস্টিং ডিরেক্টর মুকেশ ছাবড়া। আর তাতেই এহেন গুঞ্জনের পালে হাওয়া লাগে। কিন্তু শেষমেশ সর্বভারতীয় দর্শকের কথা মাথায় রেখে নাকি ডোনার ভূমিকায় সানিয়া মালহোত্রাকেই চূড়ান্ত করা হয়েছে প্রযোজনা সংস্থার তরফে। জল্পনা সত্যি হলে, রাজকুমারের বিপরীতে এইপ্রথমবার অভিনয় করবেন সানিয়া। #Entertainment #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
Entertainment - ' ' - ShareChat
বিনোদন জিৎ কি বামপন্থী? অন্তত তার পোষ্ট দেখে তো তাই মনে হয়। বিষয়টা একটা খোলসা করা দরকার। সিনেমার ডিভিডেন্ট যারা রাজনীতি থেকে তুলতে ছেন, অন্তত জিৎ সেই দলে নেই তা স্পষ্ট। সেই জিৎকে নিয়েই নতুন প্রচার। ভোটমুখী বাংলায় আচমকাই ভাইরাল জিতের নাম করে এক পোস্ট। যেখানে তৃণমূল সরকারের সমালোচনা করে রাজ্যে ফের বামদূর্গ প্রতিষ্ঠার আবেদন জানানো হয়েছে। আর সুপারস্টারের নামে সোশাল পাড়ায় এহেন পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই তা দাবানল গতিতে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রশ্ন, উঠেছে, জিৎ কি আদতে বামপন্থী? এদিকে ঘাসফুল শিবিরের কর্মী-সমর্থকরাও পালটা সুপারস্টারের সমালোচনায় সরব হয়েছেন। বিতর্কের পারদ চড়তেই শেষমেশ বিষয়টি খোলসা করতে ময়দানে নামলেন জিৎ খোদ। আসলে অভিনয় জগৎ থেকে রাজনীতির ময়দানে আসা নতুন ঘটনা নয়! টলিপাড়ার বহু তারকাই এযাবৎকাল রাজনীতির ময়দানে নাম লিখিয়েছেন। তালিকায় যেমন দেব, সোহম রয়েছেন তেমনই রুদ্রনীল ঘোষ, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, লকেট চট্টোপাধ্যায়রাও রয়েছেন। অতঃপর জিতের নাম করে ভাইরাল হওয়া পোস্ট দেখে খুব একটা হতবাক হয়নি আমজনতা! কিন্তু সন্দেহ প্রকাশ করে একাংশ প্রশ্ন ছোড়েন, টলিউডের ‘বস’ যেখানে বাংলা সিনে ইন্ডাস্ট্রিতে তেইশটি বসন্ত পার করলেও রাজনীতি থেকে শতহস্ত দূরে থাকেন, সেখানে ভোটের আবহে খুল্লমখুল্লা বামেদের হয়ে ভোট চাইবেন? বিষয়টি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, শেষমেশ জিৎ নিজেই মাঠে নামেন। এক বিবৃতিতে তিনি সাফ বলেন, “আমার নামে সামাজিক মাধ্যমে যে রাজনৈতিক বক্তব্য ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বিভ্রান্তিকর। আমি এধরণের কোনও মন্তব্য করিনি।” কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কে করেছে? বামপন্থীরা সাধারণত এই ধরনের কাজ করে না, বিকল্প হলো বামেদের বদনাম করার জন্য অন্য কেউ করেছে। সে যাইহোক, সমস্যার সমাধানটা হয়েছে। #Entertainment #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
Entertainment - ShareChat
আবার বরানগরে আক্রান্ত বিজেপি এবারের ভোটে 'ভরকেন্দ্র' যদি হয় ভবানীপুর,'অন্যতম কেন্দ্র' যদি হয় নন্দীগ্রাম তাহলে অবশ্যই 'ব্যাটল ফিল্ড' বরানগর। বার বার করে মুখোমুখি বাক বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ছেন সজল ঘোষ ও সায়ন্তিকা। এবার অবশ্য অকুস্থলে সায়ন্তিকা ছিলেন না। সোমবার রাতে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বরাহনগর। বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, প্রচারের পর হঠাৎ বিজেপি কর্মীদের উপর চড়াও হয় বেশ কয়েকজন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী। ঘটনার প্রতিবাদে থানার সামনে বিক্ষোভ দেখালেন বরাহনগরের বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ। তাঁর দাবি, অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। এদিকে, বিক্ষোভ প্রর্দশনের সময়ই সজল ঘোষকে ফোন করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনারও আশ্বাস দিয়েছেন। সোমবার রাতে বরাহনগরের ৭ নং ওয়ার্ডে আমতলায় বিজেপির একটা সভা ছিল। সজলের অভিযোগ, সভা শেষ হওয়ার পর সেখানে হঠাৎ হাজির হয় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। প্রথমে বিজেপি কর্মীদের হুমকি, গালিগালাজের অভিযোগ ওঠে। তারপর হঠাৎ তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়। অভিযোগ, বন্দুকের বাট দিয়ে তাঁদের মারধর করা হয়েছে। বিজেপির দাবি, তাঁদের তিন-চারজন কর্মী আহত হয়েছেন। সজল ঘোষের অভিযোগ, তৃণমূলের গুন্ডা অজয় গুপ্তার নেতৃত্বেই হামলা চালানো হয়েছে। এর আগেও অজয় ও তাঁর লোকেরা বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। সেইসময় পুলিশকে জানানো হলেও কোনও কাজ হয়নি বলে দাবি সজলের। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি প্রার্থী সজল। তাঁর অভিযোগ, পুলিশের সামনে এই ঘটনা ঘটেছে। সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীও মজুত ছিল। কিন্তু, কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি পুলিশের তরফে। তারপরই বিজেপি কর্মীদের নিয়ে বরাহনগরে পৌঁছন সজল ঘোষ। থানার সামনেই বিক্ষোভ শুরু করেন। বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও জানান। তাঁদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিও করেছেন। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
ভোটের মুখেই ইডি গ্রেফতার করলো আইপ্যাকের অন্যতম কর্ণধার ভিনেশ চান্ডেলকে এবার কি রাজনীতি অন্যকোনো দিকে মোড় নেবে। কারণ এই গ্রেফতার ভালোভাবে নিচ্ছে না তৃণমূল। তা আবার গ্রেফতার হয়েছে কয়লা পাচার কাণ্ডে। বেআইনি লেনদেন সংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতার ভিনেশ চান্ডেল। তাঁকে দিল্লি থেকে গ্রেফতার করেছে ইডি। গত ২ এপ্রিল ভিনেশের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চলেছিল। ভোটের আগে এই গ্রেফতারি তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। ইডির তরফে দাবি করা হয়েছে, ভিনেশের বাড়িতে তল্লাশির পরও তাঁদের তদন্ত প্রক্রিয়া চলছিল। সেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসে। সেই তথ্যের উপর ভিত্তি করেই এই গ্রেফতারি বলে দাবি কেন্দ্রীয় এজেন্সির। ইডি সূত্রে খবর, আইপ্যাকের অন্যতম ডিরেক্টরের উত্তরে সন্তুষ্ট না হওয়ার কারণেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, এখানেও রয়েছে হাওয়ালা যোগ। ২০ কোটি টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে এই সংস্থায় এসেছিল বলে অভিযোগ। যেই টাকা সরাসরি কয়লা পাচারের সঙ্গে যোগ ছিল বলে দাবি এজেন্সির। এই বিষয়েই তদন্ত করতে আইপ্যাকের বিভিন্ন কর্ণধারের বাড়িতে যান ED আধিকারিকরা। ঠিক যেমন কয়েক মাস আগে আইপ্যাকের অন্যতম কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ও সেক্টর ফাইভের অফিসে এসেছিলেন আধিকারিকরা। তবে তাঁদের বাধার মুখে পড়তে হয় এবং তাঁদের হাত থেকে নথি ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ ওঠে তৃণমূল সুপ্রিমোর বিরুদ্ধে। ঘটনার জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। তবে ভোটের আগে দিল্লিতে আইপ্যাকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতার গ্রেফতারি তাৎপর্যপূর্ণ। বস্তুত, রবিবার খণ্ডঘোষের সভা মঞ্চ থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “অনেককে গ্রেফতার করার চেষ্টা করা হবে। আজ মধ্যরাত থেকে অপারেশন শুরু হবে।” #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
বাংলায় ঝাঁপিয়ে পড়েছেন মোদী - আজ বসছেন বুথকর্মীদের সঙ্গে দেশের প্রধানমন্ত্রী ভোটের আগে যখন কোনো অঙ্গরাজ্যের দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন, তখন সহজেই বোঝা যায় এই নির্বাচন কতটা গুরুত্বপূর্ণ।বাংলায় ভোটে জিততে গেলে শুধু হাই প্রোফাইল প্রচার দিয়ে কাজ হবে না। কাজ হবে না দেওয়াল লিখন, পোস্টার বা ব্যানারে। বরং তৃণমূল কংগ্রেসকে আটকাতে দরকার বুথ সংগঠন। আর এটা ভালই বোঝে ভারতীয় জনতা পার্টি। তাই বুথ লেভেলের সংগঠনকে চাঙ্গা করতে, তাঁদের দিশা দিতে সরাসরি কথোপকথনে যেতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই মতো মঙ্গলবার, বিকেল ৪টে নাগাদ নমো অ্যাপের মাধ্যমে বিজেপি বুথ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বললেন মোদী। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটে জেতার জন্য বুথ সংগঠন খুবই জরুরি। এঁরাই মূলত প্রচারের কাজটা সামলায়। বাড়ি বাড়ি যায়। ভোট চায়। মানুষের সুখ-দুঃখের খবর রাখে। এছাড়া ভোটের সময় পোলিং বুথের ভিতরে এজেন্ট হিসেবেও থাকে এঁরাই। তাই বুথ কর্মীরা যে কোনও রাজনৈতিক দলের জন্যই খুব জরুরি। একদম তৃণমূল স্তরে কর্মীরা যদি কাজ না করতে পারে, তাঁরা যদি ভয় পায়, তাঁরা যদি উদ্বুদ্ধ না থাকে, তাহলে ভোটে জেতা একপ্রকার অসম্ভব। আর বিজেপির মতো সংগঠন কেন্দ্রিক দল এই বিষয়টা খুবই ভালই জানে। তাই তারা 'মেরা বুথ সাবসে মজবুত' নামের একটি কর্মসূচি সামনে এনেছে। সেই মতোই আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বুথ স্তরের কর্মীদের বার্তা দেবেন বলে জানা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আজকের বৈঠকে বুথ লেভেল কর্মীদের কাজ করার রূপরেখা দেখাতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। কীভাবে প্রচার সামলাতে হবে এবং বুথের দায়িত্ব নিতে হবে, এই সব বিষয়ে নির্দিষ্ট কিছু নির্দেশ দিতে পারেন। সেই মতোই বুথ লেভেল কর্মীদের কাজ করতে হবে। এটাই হল এই আলোচনার মূল উদ্দেশ্য। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
নেতাজির পৌত্রি চন্দ্র বসুর আবার জামা পরিবর্তন নির্বাচনের আগে এমন দল পরিবর্তন হয়েই থাকে। তাইবলে চন্দ্র বসু! যিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েই মমতার বিরুদ্ধে ভবানীপুর থেকে লড়েছিলেন। হ্যাঁ, রবিবার তাই ঘটলো। রবিবার তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ ও রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর হাত থেকে তৃণমূলের পতাকা নিলেন তিনি। আর রাজ্যের শাসকদলে যোগ দিয়েই বিজেপিকে নিশানা করলেন নেতাজির পৌত্র চন্দ্র বসু। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেও কলকাতা দক্ষিণ আসন থেকে বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হয়েছিলেন চন্দ্র বসু। সেবারও হেরে যান। এরপর ধীরে ধীরে বিজেপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ে তাঁর। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি ছাড়ার ঘোষণা করেন তিনি। আর কয়েকদিন আগে (গত ২৭ মার্চ) সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়া তাঁর ঐতিহাসিক ভুল ছিল। ঐতিহাসিক ভুল ছিল, এই পর্যন্ত ঠিকই আছে। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই বিজেপিতে যোগ দেওয়া কি অন্য কোনো নির্দেশ করে? যথারীতি অন্য সকলের মতোই তৃণমূলের যোগ দিয়ে পুরোনো দলকে একহাত নিলেন। তিনি বলেন, “কয়েক বছর আগে বিজেপিতে যোগ দিয়ে আমি ঐতিহাসিক ভুল করেছিলাম। তৃণমূলে যোগ দিয়ে সেই ভুলটা আমি সংশোধন করে নিলাম। কারণ, বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সঙ্গে বিজেপির কোনও মিল নেই। আমি প্রচেষ্টা করেছিলাম। নরেন্দ্র মোদীজি ২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কিছু পদক্ষেপ করেছিলেন। সেটা ভালো লেগেছিল। কিন্তু, ২০১৬ সালে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর স্পষ্ট হয়ে যায়, ওরা ভারতের সংবিধানের বিরোধিতা করে।” তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কারণ জানিয়ে তিনি বলেন, “ভারতের ঐতিহ্য সর্বধর্ম সমন্বয়। আমার দাদামশাই শরৎচন্দ্র বসু ও তাঁর ছোট ভাই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আদর্শের উপর ভিত্তি করে আমার রাজনীতি। বিজেপিতে থেকে নেতাজির আদর্শ নিয়ে কাজ করা সম্ভব নয়।” #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - گ OUL C( گ OUL C( - ShareChat
ইরানের সব বন্দর অবরুদ্ধ করতে চলেছে ট্রাম্প শান্তি বৈঠক ব্যর্থ হয়েছে। আবার চেষ্টা করা হবে - এটাই তো নিয়ম। মাঝখান থেকে ট্রাম্পের দাদাগিরি যুদ্ধ বন্ধের সব আশ শেষ করে দিচ্ছে। উত্তেজনার পরিস্থিতির পারদ আরও একধাপ চড়িয়ে এবার ইরানের সমস্ত বন্দরগুলি অবরোধ করছে আমেরিকা। ১৩ এপ্রিল, সোমবার সকাল ১০টা ET (সন্ধ্যা ৭:৩০ IST) থেকে এই অবরোধ শুরু করা হবে। এরফলে ইরানের বন্দরগুলি থেকে কোনও জাহাজ বেরোতে বা ঢুকতে পারবে না। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের তরফে এই ঘোষণা করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে সেন্ট্রাল কমান্ডের তরফে জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্টের ঘোষণা অনুযায়ী মার্কিন বাহিনী ইরানের বন্দরগুলোতে এন্ট্রি ও এক্সিটের ক্ষেত্রে জাহাজ, ভেসেল-সহ সমস্ত ধরনের যান চলাচলের ক্ষেত্রে অবরোধ কার্যকর করবে। আরব উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের উপকূলবর্তী জায়গাগুলিতেও ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকা ব্যবহারকারী সব দেশের জাহাজের বিরুদ্ধে এই অবরোধ প্রয়োগ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ইরানের বন্দর অবরোধের পাশাপাশি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের তরফে জানানো হয়েছে, বরমুজ দিয়ে ইরান ছাড়া সমস্ত দেশের জাহাজই নিরাপদে চলাচল করতে পারবে। ইরান ছাড়া অন্য দেশের জাহাজ চলাচলে বাধা দেবে না মার্কিন নেভি। তবে অন্য দেশের জাহাজের নাবিকদের ওমান উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালীর পার্শ্ববর্তী এলাকায় চলাচলের সময় সরকারি সতর্কবার্তা বা নির্দেশিকায় নজর রাখতে বলেছে সেন্ট্রাল কম্যান্ড। প্রয়োজনে চ্যানেল ১৬-এ আমেরিকান নৌবাহিনীর সঙ্গেও তাঁরা যোগাযোগ করতে পারবেন। রবিবার ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, আমেরিকা শীঘ্রই হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে আটকানো শুরু করবে। তিনি আরও বলেন, যেসব জাহাজ ‘অবৈধ টোল’ দিচ্ছে, সেগুলোর ওপরই নজর রাখা হবে। #international #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
international - ShareChat
গান্ধীকে দেশদ্রোহী বলে গভীর সংকটে ধূপগুড়ির বিজেপি প্রার্থী নরেশ রায় একজনেই শেষ নয়, তিনি বাঙালির অস্মিতায় আঘাত করে বলেন, দেশ সম্পর্কে 'ক্ষুদিরাম কিছুই জানতেন না।' সমালোচনায় বিদ্ধ ধূপগুড়ির বিজেপি প্রার্থী। যা ভোটের মুখে অস্বস্তি বাড়াল পদ্মশিবিরের। এদিকে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে শাসকদল তৃণমূল। ঘটনার সূত্রপাত শনিবার রাতে। ওইদিন জলপাইগুড়ির বারোগরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এক নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মহাত্মা গান্ধীকে ‘দেশদ্রোহী’ বলে কটাক্ষ করেন বিজেপির ধূপগুড়ি বিধানসভা আসনের প্রার্থী নরেশ রায়। এখানেই থামেননি তিনি। ক্ষুদিরাম বসু ১৭ বছরে আত্ম বলিদান দিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু দেশ সম্পর্কে কিছুই জানতেন না বলেও মন্তব্য করেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর এই মন্তব্য সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল। যা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করে বলা হয়েছে, এই ধরনের মন্তব্য অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং যিনি এমন মন্তব্য করেন, তাঁকে ভোট দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। পাশাপাশি নরেশ রায়ের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়েরের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে। কংগ্রেসের ধুপগুড়ি বিধানসভার প্রার্থী হরিশচন্দ্র রায় এই মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, দেশের ইতিহাস ও স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত একজন ব্যক্তিত্বকে এভাবে অপমান করা উচিত নয়। অন্যদিকে প্রার্থীর এই মন্তব্যে বিজেপির অন্দরেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
এবার মমতার সুরে মোদী বললেন - 'সব আসনেই আমি প্রার্থী ' একেই বলে ভাষার অনুকরণ। সকলেরই ধারণা মমতার 'সব আসনে আমি প্রার্থী ' এই খন্ডবাক্য তৃণমূলকে ডিভিডেন্ট দিয়েছে। তাই এবার সেই পথেই হাঁটলেন প্রধানমন্ত্রী। রবিবার শিলিগুড়িতে জনসভা করেন নরেন্দ্র মোদি। সেই জনসভায় দাঁড়িয়েই মোদিকে (PM Modi) বলতে শোনা গেছে, ‘সব আসনে আমি প্রার্থী। মোদিকে একবার সুযোগ দিয়ে দেখুন।’ মোদির এই বক্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা। বঙ্গজয়ের স্বপ্ন সাকার করতে প্রাণ-পনে ঝাঁপিয়েছে গেরুয়াশিবির। খোদ দেশের প্রধানমন্ত্রীও বঙ্গে এসে প্রায় প্রতিদিনই প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন। বাংলার মানুষের আস্থা কুড়োতে কার্যত বদ্ধপরিকর মোদির প্রধান সেনাপতিও। বাংলা জয়ের লক্ষ্যে নির্বাচনী প্রচারে যাচ্ছেন না অমিত শাহও। বৃহস্পতিবারই তাঁর হাত ধরেই ভোটবঙ্গে প্রকাশিত হয়েছে বিজেপির ‘ভরসার শপথ’ অর্থাৎ নির্বাচনী ইস্তেহার। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, বাংলায় বিজেপির বুথস্তরের সংগঠনের ভিত যে পোক্ত নয়। তা কি আঁচ করতে পারছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী? বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই একাধিক জায়গায় প্রার্থী অসন্তোষ, গোষ্ঠীকোন্দলও মাথাচাড়া দিয়েছে গেরুয়াশিবিরের অন্দরে। সেই কারনেই হয়তো ঝুঁকি নিতে চাইছেন না মোদি। তাই বকলমে জনসভায় দাঁড়িয়েই তাঁকে বুঝিয়ে দিতে হচ্ছে মুখ নয়, প্রতীক দেখে ভোট দিন।সেই সঙ্গে জেলায় জেলায় প্রায় প্রতিটি জনসভাতেই তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘আর কাউকে দেখবেন না। ২৯৪ টি কেন্দ্রে আমিই প্রার্থী। সরকার গড়ব আমি। আপনাদের হয়ে লড়াইটা আমিই করব।’ #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat
শিলিগুড়িতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পাহাড় নিয়ে একটি কথাও বললেন না প্রধানমন্ত্রী যথেষ্ট হতাশ হয়েছেন পাহাড় থেকে আসা সকলেই। তারা আশা করেছিলেন, পাহাড় নিয়ে কোনো বার্তা দেবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। বিধানসভা হোক কিংবা লোকসভা নির্বাচন, উত্তরবঙ্গের ভোটপ্রচারে এসে বারবার পাহাড়ের সমস্যাকে হাতিয়ার করে বক্তব্য রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কখনও গোর্খাল্যান্ড, আবার কখনও পাহাড়ে স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের কথা বলেছেন। স্বভাবতই এবারও অর্থাৎ ২৬ এর নির্বাচনে মোদির বক্তব্যে পাহাড় নিয়ে কোনও বক্তব্য রাখেন কিনা সেদিকে নজর ছিল। কিন্তু সবাইকে নিরাশ করেই পাহাড় ইস্যুতে স্পিকটি নট মোদি। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এদিন মোদির মঞ্চে থাকা গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার বিমল গুরুং, রোশন গিরি-সহ জিএনএলএফের মন ঘিসিং ও নীরজ জিম্বাদের সামনেও পাহাড় নিয়ে একটা শব্দও খরচ করলেন না। স্বভাবতই মন খারাপ পাহাড়ের। হতাশ পাহাড় থেকে আসা বহু গোর্খা সম্প্রদায়ের মানুষ। প্রথমদফার ভোটের বাকি আর কয়েকটা দিন। আগামী ২৩ এপ্রিল উত্তরবঙ্গ-সহ উত্তরবঙ্গের একাধিক আসনে ভোট রয়েছে। তার আগে আজ, রবিবার শিলিগুড়ির কাওয়াখালিতে জনসভা করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে উত্তরবঙ্গের বঞ্চনা নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হন। কিন্তু পাহাড় নিয়ে স্পিকটি নট ছিলেন মোদি। বিজেপির সংকল্পপত্র হোক কিংবা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের সাংবাদিক সম্মেলন সবেতেই অখণ্ড বাংলার কথা বলা হয়েছে। এদিন মোদিও কিছু না বলে যেন ওইদিকেই ইঙ্গিত করলেন! প্রশ্ন উঠছে। প্রধানমন্ত্রী এদিন বক্তব্যে বলেই দিলেন উত্তরবঙ্গ সবক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়েছে। তা পর্যটন হোক কিংবা শিল্প কিংবা যোগাযোগ। কেন্দ্র টাকা পাঠালেও তা সিন্ডিকেটের লোকজন ভাগ করে নিয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে উত্তরবঙ্গকে উপেক্ষা করা হয়েছে। আদিবাসী, রাজবংশীরা উপেক্ষিত। চা বাগানের শ্রমিকরা জমির মালিকানা পাচ্ছেনা। উত্তরে ভেদাভেদের রাজনীতি করে চলেছে তৃণমূল। মাদ্রাসার জন্য ওরা ৬হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করে অথচ উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের জন্য কোনও বরাদ্দ করেনা। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - [ [ - ShareChat