বারাসাতের ৬০ বছরের আশিস বাবুর নামের পাশে 'ডিলিটেড' - ভেঙে পড়েছেন পুরো পরিবার
পেশায় আটো চালক আশিস বাবুর স্ত্রী ও ছেলের নাম আছে ভোটার লিস্টে। কিন্তু আশিস বাবুর নাম 'ডিলিটেড'। তালিকা প্রকাশের পর রীতিমতো ভেঙে পড়েছেন আশীষ দাস ও তার পরিবার।২০০২ এর তালিকায় আশিষ বাবুর বাবা-মা কারও নাম ছিলনা।নিজেরও নাম ছিলনা ২০০২ এর তালিকায়।কমিশনের জারি করা ১১ নথির একটিও দেখাতে পারেননি আশিষ বাবু।নো ম্যাপিং ভোটার হিসাবে প্রথম শুনানিতে কোনো নথি দেখাতে পারেননি।বিএলও ও ব্লক প্রশাসনের পরামর্শে দ্বিতীয় বার জমা দিয়েছিলেন ডমিসাইল সার্টিফিকেট।আশিষ বাবুর বাবা সুনীল কৃষ্ণ দাস ও মা লতা দাস।পূর্ব পাকিস্তান থেলে চলে এসেছিলেন ভারতে।পশ্চিমবঙ্গের বারাসাতে ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতেন।পাকিস্তানের হাইকমিশনারের স্ট্যাম্প লাগানো পাসপোর্ট এখনও বাড়িতে গচ্ছিত রেখেছেন আশীষ দাস।পাসপোর্টের বর্তমান কোনো অস্তিত্ব না থাকলেও বাবার স্মৃতি বা ডকুমেন্টস বলতে ওটুকুই।বর্তমানে চন্দ্রকোণার ভোটার রয়েছে ভোটার,আধারকার্ড,রেশন কার্ড।'সার' এর গেরোয় চুড়ান্ত তালিকা থেকে নাম বাদ পড়েছে চন্দ্রকোণার আশিষ দাসের।শেষ রক্ষা ছিল ডমিসাইল সার্টিফিকেট,তা দিয়েও তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া আটকাতে পারলেন না আশিষ বাবু।দুঃশ্চিন্তায় পরিবার।
#social
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta


