🙏🥀বাসন্তী হে ভুবনমোহিনী🥀🙏
💮🥀🥀🙏"জয় মা দুর্গে"🙏🥀🥀💮
বেদে মা দুর্গার স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে - দুর্গাং দেবীং শরণম অহং প্রপদ্যে ।
দুর্গা পূজা বছরে দুই বার হয়।শরৎকালে আর বসন্তকালে ।বসন্তকালে হয় বলে এর নাম বাসন্তী পূজা।প্রধান শাস্ত্র ব্রহ্মবৈবত্ত পুরাণে আছে - ‼️পুরা স্তুতা সা গোলোকে কৃষ্ণেণ পরমাত্মনা।সংপূজ্য মধুমাসে চ প্রীতেন রাসমণ্ডলে ‼️
💫⭐👉পূর্বকালে গোলোকে রাস-মণ্ডলে বসন্তকালে পরমাত্মা শ্রীকৃষ্ণ সর্বপ্রথম দুর্গা পূজা করেছেন। ★দ্বিতীয়বার বিষ্ণু এবং ★পরে ব্রহ্মা দুর্গা পূজা করেছেন।শরৎকালে অকাল বোধনের মাধ্যমে দুর্গা পূজা করেছেন ভগবান রামচন্দ্র।ভাগবত পুরাণে স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ তাঁর যোগমায়া শক্তি দুর্গাকে বলছেন- ...‼️‼️তুমি পৃথিবীতে নানা নামে পূজিত হবে এবং ভক্তগণ তোমাকে নানা পূজা সামগ্রীর দ্বারা তোমার আরাধনা করবে।⭐⭐⭐⭐⭐ মহাভারতের যুদ্ধের পূর্বে স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে দুর্গা স্তব করতে আদেশ করেন ।
পরম বৈষ্ণব শ্রীজীব গোস্বামী ভাগবতের ব্যাখ্যায় বলেছেন - 👉‼️যঃ কৃষ্ণ সৈব দুর্গা স্যাৎ যা দুর্গা কৃষ্ণ এব সঃ ‼️অর্থাৎ যে কৃষ্ণ,সেই দুর্গা।যে দুর্গা,সেই কৃষ্ণ....!!!! উহারা অভিন্ন।তাহলে এমনটা দাঁড়ালো .....শক্তিমান ও শক্তি যেমন অভিন্ন,সেই ভাবেই,কৃষ্ণ ও দুর্গা এক ও অভিন্ন। কিরকম ভাবে ব্যাখ্যা দেখুন সকলে .......তিনি আরও বলেছেন -‼️👉 অতঃ স্বয়মেব শ্রীকৃষ্ণস্বরূপ শক্তিরুপেন দুর্গানাম --......____.....--অর্থাৎ শক্তিরূপিণী দুর্গার নামই স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণস্বরূপ।
🙏🙏 জয় জয় শ্রী কৃষ্ণ,রাধে রাধে 🙏🙏
অপূর্ব...⭐⭐⭐⭐⭐
সত্যিই,এমনটা ...স্বয়ং নিত্যানন্দ প্রভুর বাড়িতে আজও জাঁকজমকের সাথে দুর্গা পুজা হয়।🙏এক সময় স্বয়ং মহাপ্রভু মা দুর্গার রুপ ধরে ভক্তদের দর্শন দিয়েছেন।
আমি খালি চেতনা ফেরাচ্ছি,
কিন্তু স্বর্গলোকে'র পর মর্তে
জঙ্গলেই প্রথম পুজো করেন রাজা সুরথ!
দেবী দুর্গা,শক্তির মূর্ত প্রতীক।আমাদের বঙ্গদেশে তিনি পুত্রকন্যা নিয়ে সপরিবারে আসেন।রোগ,শোক-দুঃখ,অভাব থেকে নিষ্কৃতি পেতে আমরা দেবীর স্মরণ করি।উপাসনা করি। তবেই জীবন সার্থক হয়।দেবী ⭐সর্বশক্তি-প্রদায়িণী।⭐
🙏🙏🙏🙏 আমি খালি বলব নারীকে শক্তি দেও মা ,তবেই এই নরকে এই ধরাধামের সমূহ মঙ্গল হবে অন্যথায় নয়🙏🙏🙏🙏
অনেকেই রাজা সুরথের নম জানেন,আমি একটু বিষয়ের গভীরে নিয়ে যাই ,ভালো লাগবে পড়ে.......
বাংলার বিভিন্ন স্থানীয় লোক-কাহিনীতে রাজা সুরথ এর নাম পাওয়া যায় ঠিকই ।তিনি ছিলেন অত্যন্ত বীর একজন রাজা। আবার কোনো লোক-কাহিনীতে তাঁকে আবার অত্যাচারীও বলা হয়েছে। তবে তাঁর সমন্ধে খুব একটা বিশেষ জানা যায় না।
শ্রীশ্রী চণ্ডী গ্রন্থ থেকে বেশ কিছু তথ্য উঠে আসে। রাজা সুরথ যোগ্য রাজার মতোই প্রজাদের সেবা করতেন।সব সময় তাঁদের সুরক্ষা দিতেন।এমনও ধারণা আছে উপযুক্ত শাসকের মতো পুত্রের চোখে প্রজাদের দেখতেন।যাতে তাঁরা শান্তিতে বসবাস করেন ও সন্তুষ্ট থাকেন। চন্দ্রবংশ জাতো রাজা ছিলেন সুরথ।
তবে রাজধর্ম পালনে খারাপ ও বলবান লোকের অভাব থাকে না।
বর্তমানেও আছে রাজনীতি-বিদদের না না চেলা চামুণ্ডা পোষা যাদের দিয়ে নিজেদের মৌসরিপাট্টা,প্রতিপত্তি সাধারণের ওপর প্রভাব খাটানো,মুখ বুজিয়ে রাখার কৌশল ইত্যাদি চলমান।
আর বাংলা ভাষার সহজ কথা তো আছেই ঐ....চিরকাল সকলের সমানও নাহি যায়....
এরা সবসময় চায় ক্ষমতার হস্তান্তর।সেই লোকেদের আসুরী গুণের জন্যে রাজা কষ্ট পান।শোনা যায় সুরথের রাজধানীর নাম ছিল কোলা।সেখান থেকে তিনি বাংলার রাঢ় অঞ্চল বলিপুরে আশ্রয় নেন। প্রজা পালন ও শিষ্ঠাচার যথাযথ করেও নিজের রাজধানী পরিত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন।
রাজা সুরথের রাজধানী আক্রমণ করেন কাশ্মীর প্রদেশের রাজগণ।সুরথ রাজের সঙ্গে সেই রাজার এক ভীষণ যুদ্ধ বেঁধেছিল।এমন ঘটনায় বহু সৈন্য ও সাধারণ মানুষ মারা যান।রাজা সুরথ মহা বিক্রমের সঙ্গে যুদ্ধ করেছিলেন।তবে নিজের সমস্ত শক্তি ব্যবহার করেও সুরথ হেরে গিয়েছিলেন।রাজা নিজ রাজধানীতে ফিরলে দেখেন লোভী দুষ্ট মন্ত্রী সৈন্য, ধনসম্পদ,রাজ্য সুযোগ বুঝে অধিকার করে নিয়েছেন। রাজ্যের প্রজারাও রাজাকে প্রত্যাখ্যান করলেন।সমস্ত ঘটনার সঙ্গে তিনি রাজ্য আর পুনরুদ্ধার করতে পারলেন না।দীর্ঘ সময় অরণ্যে কাটিয়ে আসলেন মেধস মুনির আশ্রমে।এই বিষয়ে আরেকটি কাহিনী চালু আছে। ....প্রচলিত অনুসারে,সুরথ কর্ণাট দেশ জয় করবার জন্যে অভিযান করেছিলেন।বিজয় লাভের উদ্দেশ্যে সেই যাত্রা ব্যর্থ হয়।যা হাসিল করতে চেয়েছিলেন সেটি ব্যর্থ হওয়ার জন্যে প্রজারাও রাজাকে প্রত্যাখ্যান করেন।🙄🙄🙄🙄😎😎😱😱তিনি রাজ্য ত্যাগ করে গভীর অরণ্যে মেধস মুনির আশ্রমে আসেন।এখানেই তিনি শক্তি সাধনা করে জানতে চান,কেমন ভাবে হয় সেই পুজো?যেটি ছিল পৃথিবীর প্রথম দুর্গাপুজো।
অতীতে আশ্রমের সন্নিকেটে এক শাল গাছের নিচে মেধস মুনি কঠোর তপস্যা করতেন।
না আছে রাজা,না আছে রাজত্ব কিন্তু আজও সেই পুজোর স্থান আছে। আর আছে অরণ্যে মেধস মুনির আশ্রম।মেধস মুনির সঙ্গে দেখা হয় সুরথ ও বৈশ্যর।সমস্ত ঘটনা রাজা বলেন মুনিকে।পুরাণ অনুসারে,মেধস মুনিকে বশিষ্ঠ ঋষি বলা হয়েছে।মুনি তাঁদের আশ্রমে বসে শ্রীশ্রীচণ্ডীর বর্ণনা করেন।তিনি জানান,দেবীর আরাধনা ও ধ্যান করলে অভীষ্ট সিদ্ধ হবে। রাজা সুরথ ও সমাধি বৈশ্য মাটি দিয়ে মাতৃ-প্রতিমা নির্মাণ করেছিলেন।ক্রমে ক্রমে দেবীর রূপ ফুটে উঠলো।শাস্ত্র মতে পুজো করলেন রাজা।সুরথ কৃপা লাভ করলেন দেবীর।রাজা স্বরাজ্য ফিরে পেলেন দেবীর কৃপায়। ★এই কথা গুলো সত্যি...মার্কণ্ডেয় পুরাণে এই ঘটনার উল্লেখ আছে।যা সমগ্র পৃথিবী ও বঙ্গদেশের প্রথম দুর্গাপুজো।★★★
এবার জঙ্গলের পথে,বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুর ও পানাগড়ের কাছেই কাঁকসার গড় জঙ্গল বা গড় চণ্ডীধাম।এই জঙ্গলের মধ্যেই প্রথম দুর্গাপুজো শুরু করেন সুরথ।অতীতের সেই স্মৃতি মেনে ...এই বাসন্তী পুজো...🙏🙏🙏🙏পুজোর সময় এই জঙ্গলে বহু পুণ্যার্থী ছুটে আসেন।দুর্গাপুজোর চারদিন মহা সমারোহে পুজো হয়।প্রতি বছর পুজো আসে পুজো যায়,তবে তাকে কেন্দ্র করে বহু দূর দূরান্ত থেকে সাধারণ মানুষ জমায়েত হয়।সে যাই হোক এখনো সেখানে প্রায় প্রতি দিনই দুর্গাপুজো হয়।😎🙄🙄🙄😱😱😱🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
......লাল নুড়ি পথ ধরে এগোলেই পায়ে পায়ে রহস্য।দু-দিকে অরণ্যের আদিম পরিবেশ। ভাগ্যে জুটলে দর্শন মিলতে পারে দুলকি চালে কয়েকটি হাতির।তবে খুব একটা এদের আনাগোনা নেই। জঙ্গলে উইয়ের ঢিপি,শাল, পলাশ,মহুয়া দুপাশে রেখে বেশ খানিকটা এগোলেই ★মহর্ষি মেধসের আশ্রম ও শ্রী শ্রী গড় চণ্ডী ধাম চোখে পরবে।কাছেই পাশ দিয়ে বয়ে গেছে অজয় নদ।আর এখানে আছে এক পুরনো দেউল ও মাতা শ্যামরুপা দেবীর মন্দির।‼️👉আমি নিজেও একসময়টা পানাগর ডিফেন্স বেস ও দুর্গাপুরে এসব মিলিটারি বেসে যেতাম কর্ম সূত্রে কিন্তু সুযোগ হয়ে ওঠেনি শুনেছি,শুনতামও অনেক কিছু ..... ইতিউতি অনেক সাধু সন্ন্যাসীরা এখানে ঘুরে বেড়ান।সকলে এই জায়গায় একসঙ্গে বাস করেন।যেন গা ছমছমে এক রহস্যে ঢাকা পরিবেশ।সারা বছরই এখানে দুর্গাপুজো হয়। 🙄🙄🙄🙄🙄🙄রাজা সুরথের আমলের এক প্রাচীর ও কিছু স্থাপত্যের ধ্বংসাবশেষ এখানে আছে।এক সময় এই মন্দিরে আসতেন ★★দেবী চৌধুরাণী। তিনি এখানে সদলবলে এসে পুজো দিয়ে যেতেন😎😎😎।দেবী চৌধুরাণীর নামে এখানে এক সুড়ঙ্গ আছে।
😱😱আজ স্মৃতিচিহ্ন গুলো জঙ্গলের ভেতর সংরক্ষণের অভাবে বেশির ভাগটাই হারিয়ে গিয়েছে।এই জায়গা প্রাচীন সংস্কৃতির এক অন্যতম বড় নিদর্শন।সময় এসেছে .....ভোটের ....আমরা আছি পাশে আপনাদের জন্য ভোটটা দেবেন আমাকে।এরকম'টা শুনতে পাবেন সকলে ঠিক...কিন্তু ...
বেড়ালের গলায় ঘন্টা কে বাঁধবে???আশা করি বুঝতে পারলেন সকলে ⁉️😰⁉️😰😱😱😱😱
সকলের কল্যাণ কামনায়
🙏দুর্গা দেবী নমঃস্তুতে 🙏
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
🙏বাসন্তী দেবী নমঃস্তুতে🙏
#শুভেচ্ছা #🌼বাসন্তী পুজো ২০২৬ শুভেচ্ছা🪔 #ভক্তি #🌸বাসন্তী পুজো Status🙏 #💪নারী শক্তি👩
01:58

