বিনোদম
জুনিয়র আর্টিস্টদের জন্য একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথা জানালেন স্বরূপ বিশ্বাস
স্টুডিওতে জুনিয়র শিল্পীরা চিরকাল অবহেলিত। তাদের দিকে কেউ ফিরেও টাকায় না। সকলেই ব্যবস্থা থাকেন মূল স্ট্রিমের নায়ক নায়িকাদের নিয়ে। এবার সেই অপবাদ কিছুটা ঘুচতে চলেছে। কাজের জায়গায় তাঁদের এই অসুবিধার দিকগুলো ফেডারেশন অব সিনে টেকনিশিয়ানস’ এন্ড ওয়ার্কাস’ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস মহাশয়ের প্রথম নজরে আসে, শুটিং স্টুডিওগুলো পরিদর্শনের সময়। সেই থেকে জুনিয়র আর্টিস্টদের অসুবিধা দূর করে তাদের সংগঠিত করার ভাবনা মাথায় আসে স্বরূপবাবুর। তারই ফলশ্রুতিতে গত ৮ই মার্চ মুভিটোন স্টুডিওতে ফেডারেশন ও তার সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাসের ডাকে, “ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র এন্ড কো আর্টিস্ট” গিল্ডের ব্যবস্থাপনায় প্রায় সহস্রাধিক জুনিয়র আর্টিস্ট (টকি ও নন টকি), আর্টিস্ট কো অর্ডিনেটর, সংশ্লিষ্ট গিল্ডের পদাধিকারী ব্যক্তিরা মিলে এক জনসভার আয়োজন করা হয়।
সেখানে ফেডারেশন প্রেসিডেন্ট স্বরূপ বিশ্বাসের তরফ থেকে উপস্থিত সবাইকে আশ্বস্ত করা হয় কর্মক্ষেত্রে তাদের অসুবিধাগুলোর আশু নিষ্পত্তির। টকি ও ননটকি দু’ধরনের আর্টিস্টের ক্ষেত্রে নূন্যতম পারিশ্রমিকের সীমারেখা নির্ধারণের ভাবনাও আলোচিত হয়। স্বরূপ বিশ্বাসের (Swarup Biswas) মতে, “শিল্পীর কোনও সিনিয়র, জুনিয়র শ্রেণিবিভাজন হয় না। সিনেমা বা সিরিয়ালে একটা দৃশ্যের সার্থক রূপায়ণে একজন পরিচিত শিল্পীর যতটা ভূমিকা থাকে, ততখানি ভূমিকা থাকে একজন ততটা না চেনা মুখের, তথা জুনিয়র আর্টিস্টের। একটি দৃশ্যে যদি পরিচিত নামী আর্টিস্ট ভালো অভিনয় করেন, আর সহযোগী শিল্পীদের অভিনয়ের মান তেমনটা না হয়, তাহলে দৃশ্যটির গুণগত মানে উত্তরণ ঘটে না। তাই আমাদের ইন্ডাস্ট্রি তাঁদের জুনিয়র আর্টিস্ট বলে তকমা দিয়েছে, তাঁরাও আসলে শিল্পী। প্রত্যেক শিল্পী ও কলাকুশলীর প্রাপ্য ও ন্যায্য অধিকারের লড়াইয়ে ফেডারেশন সবসময় পাশে থেকেছে।”
#social
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta


