S M from@Sandy
"হলুদ সুতোর বাঁধন"
🎊✨✨✨✨🎊
🥹🌀😭😭😭🌀😭😭😭🌀🥹
১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদ ও হিন্দু-মুসলমানের ঐক্যের প্রতীক হিসেবে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাখীবন্ধন উৎসবকে এক নতুন মাত্রা দেন। প্রতিবাদ ছিল
বঙ্গ-ভঙ্গের❗❗১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর লর্ড কার্জনের ঘোষণায় বাংলার বিভাজন কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। এর প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ এই দিনটিকে 'সংহতি দিবস' বা রাখীবন্ধন হিসেবে পালনের ডাক দেন।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় তিনি হিন্দু ও মুসলমান নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষকে একে অপরের হাতে হলুদ সুতো বা রাখী পরানোর আহ্বান জানান।এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ দের এটা বুঝিয়ে দেওয়া যে, প্রশাসনিক ভাবে বাংলাকে ভাগ করা গেলেও বাংলার মানুষকে মানসিকভাবে বা সামাজিক ভাবে বিভক্ত করা যাবে না।গঙ্গা স্নানের পর রবীন্দ্রনাথ নিজে সাধারণ মানুষ, এমনকি পথচলতি মানুষদেরও হাতে রাখী পরিয়ে দেন এবং শান্তি মিছিলে নেতৃত্ব দেন। যা ছিল অমর সৃষ্টি।এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটেই তিনি রচনা করেছিলেন তাঁর বিখ্যাত গান 'বাংলার মাটি বাংলার জল, পুণ্য কর পুণ্য কর হে ভগবান' এবং 'আমার সোনার বাংলা আমি
তোমায় ভালোবাসি'.....❗❗❗😎😎
আজকের রাখীবন্ধন উৎসবের রূপ ও প্রেক্ষাপট কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৯০৫ সালের ঐতিহাসিক রাখীবন্ধন থেকে অনেকটাই আলাদা।মূল ভাবনার পরিবর্তন কত🌀🥹🌀🥹🌀🥹❗❗❗❗
১৯০৫ সালের উৎসব ছিল মূলত একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিবাদ। হিন্দু-মুসলমানের মিলন এবং দেশের অখণ্ডতা রক্ষা করাই ছিল এর মূল উদ্দেশ্য।
আজকের উৎসব মূলত একটি পারিবারিক ও ব্যক্তিগত উদযাপন। এটি এখন মূলত ভাই ও বোনের মধ্যকার ভালোবাসা এবং সুরক্ষার সম্পর্কের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
১৯০৫ সালে এর পরিধি ছিল অত্যন্ত ব্যাপক এবং ধর্মনিরপেক্ষ। ধর্মীয় ভেদাভেদ ভুলে যেকোনো অপরিচিত মানুষের হাতেও সেদিন রাখী পরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
আজকের উৎসব মূলত নির্দিষ্ট ধর্মীয় ও পারিবারিক রীতির অংশ। তবে আধুনিক সময়ে অনেক জায়গায় বন্ধু, সহকর্মী বা সমাজের সুরক্ষাকর্মীদের (যেমন পুলিশ বা সেনা সদস্য) রাখী পরিয়ে এর সামাজিক পরিধি বাড়ানোর চেষ্টা করা হয় মাত্র।.....❗❗🌀🌀🌀আমার এই হতাশা এবং আক্ষেপ অত্যন্ত স্বাভাবিক কিনা জানিনা🥹🥹🥹 তবে বর্তমান সময়ের অনেক বাস্তব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এটি অনেকেরই মনে হয়। সমাজ ও রাজনীতির নানা চড়াই-উতরাইয়ের কারণে অনেক সময় মনে হতেই পারে যে সেই ঐতিহাসিক সৌহার্দ্য আজ আর নেই। তবে মুদ্রার যেমন দুটো পিঠ থাকে, তেমনি আমাদের সমাজেও ভাঙনের পাশাপাশি এখনও মিলনের অনেক উদাহরণ টিকে আছে।রবীন্দ্রনাথের সেই ঐতিহাসিক ভাবনার আলোকেই আজকের বাস্তবতার দুটি দিক যা একান্তই আমার নিজের ভাবনা......❗😎😭🌀😭😎❗নিচে কিছুটা লিখলাম....
ফাটলের কারণ (কেন এমন মনে হয়)
রাজনৈতিক ফায়দা: 👉🏻অনেক সময় রাজনৈতিক স্বার্থে মানুষের ধর্মীয় আবেগকে ব্যবহার করে বিভেদ তৈরি করা হয়।
সোশ্যাল মিডিয়া ও গুজব: 👉🏻ইন্টারনেটে নেতিবাচক খবর এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য খুব দ্রুত ছড়ায়, যা পারস্পরিক বিশ্বাস কমিয়ে দেয়।
দূরত্ব বৃদ্ধি:👉🏻 আধুনিক জীবনযাত্রা এবং সমাজ ব্যবস্থার কারণে দুই সম্প্রদায়ের সাধারণ মানুষের মধ্যে আগের মতো নিবিড় সামাজিক মেলামেশা বা যৌথ উৎসব উদযাপনের সুযোগ কমে আসছে।
🙏🏻আশার আলো (যেখানে আজও মিল খুঁজে পাওয়া যায়)‼️‼️‼️
যৌথ উৎসব:👉🏻 আজও বাংলার বহু জায়গায় দুর্গোৎসবে মুসলিম প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন এবং ঈদের আনন্দে হিন্দু বন্ধুরা শামিল হন।
বিপদের দিনে পাশে থাকা:👉🏻 বন্যা, মহামারী বা যেকোনো মানবিক সংকটে সাধারণ মানুষ ধর্মীয় পরিচয় না দেখে একে অপরকে বাঁচানোর জন্য ঝাঁপিয়ে পরে।
সংস্কৃতি ও ভাষা: 👉🏻লালন, নজরুল বা রবীন্দ্রনাথের গান আজও দুই সম্প্রদায়ের মানুষকেই সমানভাবে টানে। আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতি আজও এক ও অবিভাজ্য।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বাস করতেন যে, কৃত্রিম উপায়ে বাইরে থেকে বিভেদ তৈরি করা হলেও মানুষের ভেতরের মানবিক সম্পর্ককে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা যায় না। আজকের দিনেও সাধারণ স্তরে বহু মানুষ এই সম্প্রীতি বজায় রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আমি বোধ হয়
অনেকটাই ঠিক বললাম।.......!!!!আজ রাখী উৎসব...............📍📍📍📍তাঁর.উদার নীতির ওপর আঘাত পরছে... রবীন্দ্রনাথ যে সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদ বা ধর্মীয় মেরুকরণের বিরোধিতা করেছিলেন, বর্তমান রাজনৈতিক মেরুকরণের কারণে সেই উদারপন্থী চিন্তাভাবনা অনেক সময় আক্রমণের মুখে পরছে।
সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রোলিং: ????বর্তমান ট্রোল সংস্কৃতিতে অনেক সময় না বুঝেই তাঁর বিভিন্ন উক্তি বা জীবনযাত্রাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করা হয়, যা তরুণ প্রজন্মের একটি অংশের মধ্যে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ কমিয়ে দিচ্ছে।😭🌀😭🌀😭🌀তবে এটাও ঠিক ,বাইরের কিছু বিতর্ক বা অবমাননার চেষ্টা সত্ত্বেও, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূল সম্মান তাঁর সৃষ্টির গভীরতায় নিহিত।............................★★★আমি তার একটি উদাহরণ হিসেবে এই পোস্ট করলাম আশাকরি মন ছোঁবে আপনাদের.............................................যতদিন মানুষের মধ্যে মানবিকতা, শিল্পবোধ এবং ভাষা টিকে থাকবে, ততদিন তাঁর সম্মান অপরাজিত থাকবে।........................
প্রসংক্রমে বলি
পৌরাণিক কাহিনীতেও রাজনীতি ভঙ্গ হয়েছিল। মহাভারতের যুগে দ্রৌপদী শ্রীকৃষ্ণের হাতে রাখি বা সুরক্ষাসূত্র বেঁধেছিলেন। একটা সুতার বন্ধন।
রাজসূয় যজ্ঞের সময় অসাবধানতা বশত শ্রীকৃষ্ণের তর্জনী কেটে রক্তপাত শুরু হয়।তা দেখে দ্রৌপদী সঙ্গে সঙ্গে তাঁর পরনের শাড়ির আঁচল থেকে এক টুকরো কাপড় ছিঁড়ে কৃষ্ণের জখম আঙুলে বেঁধে দেন।
এই নিঃস্বার্থ স্নেহের নিদর্শন ও প্রতি-শ্রদ্ধায় মুগ্ধ হয়ে শ্রী কৃষ্ণ দ্রৌপদীকে বিপদে রক্ষা করার আজীবন প্রতিশ্রুতি দেন, যা পরবর্তীতে দ্রৌপদীর বস্ত্র-হরণের সময় সেই অঙ্গীকার রক্ষা করেছিলেন। কি ঠিক বললাম তো????‼️❗😎😎😭😭🌀🌀🥹🥹🥹 মঙ্গল হোক সকলের এই আশা করি।💫💫💫💫🥀🥀🥀💫💫💫
#শুভ কামনা #😎আমার প্রিয় ভিডিও স্ট্যাটাস ❤ #শুভ রাখী পূর্ণিমার প্রীতি ও শুভেচ্ছা #ভক্তি