ShareChat
click to see wallet page
search
#🎂 হ্যাপি বার্থডে বাঙালি সংগীত শিল্পী "বনশ্রী সেনগুপ্তের" শুভ জন্মবার্ষিকীতে আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাই। 🙏🌹🙏🍁🙏🌻🙏🎂🙏🌼🙏🪻🙏🌷🙏 বনশ্রী সেনগুপ্ত ( বনশ্রী সেনগুপ্ত ; ৬ মে ১৯৪৫ - ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৭) ছিলেন একজন ভারতীয় গায়িকা।তিনি তার দীর্ঘ কর্মজীবনে অসংখ্য বাংলা, হিন্দি, অসমীয়া, ভোজপুরি এবং ওড়িয়া ছবিতে কণ্ঠ দিয়েছেন। বনশ্রী সেনগুপ্ত তার প্রথম জীবনে পিতা উচ্চাঙ্গ-সঙ্গীতশিল্পী শৈলেন্দ্রনাথ রায়ের কাছেই সঙ্গীতশিক্ষা শুরু করেন। পরবর্তীকালে বিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ সুধীন দাশগুপ্তের কাছে দীর্ঘ ২০ বছর তালিম নেন।তিনি সুধীন দাশগুপ্ত, প্রবীর মজুুমদার, নীতা সেন, সাগরুদ্দিন খান, সন্তোষ সেনগুপ্ত, দীনেন্দ্র চৌধুরী প্রমুখ সুুরকারদের সঙ্গে কাজ করেছেন। বনশ্রী সেনগুপ্ত ১৯৬৬ সালে কণ্ঠশিল্পী হিসেবে প্রথম আত্মপ্রকাশ করেন।তার অসংখ্য গান ও অ্যালবাম রয়েছে।ষাট ও সত্তরের দশকে তিনি বহু হিট গান উপহার দিয়েছেন। এছাড়া তিনি বাংলা, হিন্দি, ভোজপুরি, উড়িয়া ও অহমিয়া চলচ্চিত্রশিল্পে কণ্ঠশিল্পী হিসেবে কাজ করেছেন। এরূপ চলচ্চিত্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: ছুুুটি (১৯৬৭), নিমন্ত্রণ (১৯৭১), বিন্দুর ছেলে (১৯৭৩), প্রান্তরেখা (১৯৭৪), রো ভরা বসন্ত (১৯৭৪), দুুুুলহন বোহি জো পিয়া মন ভায়ে (১৯৭৭), সানাই (১৯৭৭), এক যে ছিল দেশ (১৯৭৭), ন্যায় অন্যায় (১৯৮১), আলোয় ফেরা (১৯৮৫), বিদ্রোহী (১৯৮৭), অঞ্জলি (১৯৮৮), ছন্দনীড় (১৯৮৯), পথ ও প্রাসাদ (১৯৯১), নটী বিনোদিনী (১৯৯৪), বড় বউ (১৯৯৭) ইত্যাদি।তার গাওয়া উল্লেখযোগ্য ও বিখ্যাত গানের মধ্যে রয়েছে: “আজ বিকেলের ডাকে তোমার চিঠি পেলাম”, ”আমার অঙ্গে জ্বলে রংমশাল”, “ছি ছি ছি এ কী কাণ্ড করেছি”, “দূর আকাশে তোমার সুর”, “আমার আঁধার ঘরের প্রদীপ”, “সুন্দর বনে সুন্দরী গাছ”, “খুশিয়া হি খুশিয়া” ইত্যাদি। এছাড়া, তিনি আকাশবাণী ও দূূরদর্শনেও সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে কাজ করেন।
🎂 হ্যাপি বার্থডে - শুড় জন্মেদিন শুড় জন্মেদিন - ShareChat