#🌜শুভ রাত্রি🌙
বিশ্ব ধরিত্রী দিবস ২২ শে এপ্রিল
World Earth Day, 22 April
যে পৃথিবীতে বাস করছি সেই পৃথিবীর কথা একটু হলেও ভাবার সময় এসে গেছে, বৃষ্টির জন্য গাছ না কেটে গাছ লাগানোর কথা ভাবি, পৃথিবীকে সুস্থ ও নির্মল রাখার জন্য এগিয়ে আসি।🙏
#🎂 হ্যাপি বার্থডে
স্বনামধন্য কবি শঙ্খ ঘোষ এর আজ চতুর্থ মৃত্যুবর্ষিকীতে জানাই শ্রদ্ধাঞ্জলি।
শঙ্খ ঘোষ (৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২ – ২১ এপ্রিল ২০২১) ছিলেন একজন বিশিষ্ট ভারতের একজন শক্তিমান বাঙালি কবি ও সাহিত্য-সমালোচক। তিনি একজন বিশিষ্ট রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ হিসাবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। তাঁর আসল নাম চিত্তপ্রিয় ঘোষ। তার বাবা মণীন্দ্রকুমার ঘোষ এবং মা অমলা ঘোষ। ১৯৩২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের বর্তমান চাঁদপুর জেলায় তাঁর জন্ম। বংশানুক্রমিকভাবে পৈতৃক বাড়ি বরিশালের বানারীপাড়ায়। তবে শঙ্খ ঘোষ বড় হয়েছেন পাবনায়। বাবার কর্মস্থল হওয়ায় তিনি বেশ কয়েক বছর পাবনায় অবস্থান করেন এবং সেখানকার চন্দ্রপ্রভা বিদ্যাপীঠ থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। ১৯৫১ সালে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলায় স্নাতক এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
বাংলা কবিতার জগতে শঙ্খ ঘোষের অবদান অপরিসীম। ‘দিনগুলি রাতগুলি’, ‘বাবরের প্রার্থনা’, ‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’, ‘গান্ধর্ব কবিতাগুচ্ছ’ তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। রবীন্দ্রবিশেষজ্ঞ হিসেবেও তাঁর নামডাক ছিল। ‘ওকাম্পোর রবীন্দ্রনাথ’ তাঁর উল্লেখযোগ্য গবেষণা গ্রন্থ। ‘শব্দ আর সত্য’, ‘উর্বশীর হাসি’, ‘এখন সব অলীক’ উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ। তাঁর লেখা ‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’, ‘গান্ধর্ব কবিতাগুচ্ছ’, ‘জন্মদিনে’, ‘আড়ালে’, ‘সবিনয়ে নিবেদন’, ‘দিনগুলি রাতগুলি’, ‘বাবরের প্রার্থনা’ বছরের পর বছর দুই বাংলায় চর্চিত, জনপ্রিয়।
২০১৯ সালে প্রথমা প্রকাশন থেকে রের হয় ‘সন্ধ্যানদীর জলে: বাংলাদেশ’। ‘সন্ধ্যানদীর জলে’ বইটি মূলত বাংলাদেশ প্রসঙ্গেই নানান সময়ে লেখা তাঁর স্মৃতিকথা, ভ্রমণপঞ্জি ও অন্তরঙ্গ বিশ্লেষণময় লেখাগুচ্ছের সংকলন। ‘একুশে, একাত্তর ও নববর্ষ’, ‘ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান’, ‘গানের ভিতর দিয়ে’, ‘শিক্ষা আন্দোলন’ ও ‘স্মৃতি, ভ্রমণ’—এই পাঁচটি পর্বে বিভক্ত হয়েছে বইটি।
দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে একাধিক সম্মানে সম্মানিত হয়েছেন শঙ্খ ঘোষ। ১৯৭৭ সালে ‘বাবরের প্রার্থনা’ কাব্যগ্রন্থটির জন্য তিনি দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার পান। ১৯৯৯ সালে কন্নড় ভাষা থেকে বাংলায় ‘রক্তকল্যাণ’ নাটকটি অনুবাদ করেও সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার পান তিনি। এ ছাড়া রবীন্দ্র পুরস্কার, সরস্বতী সম্মান, জ্ঞানপীঠ পুরস্কার পেয়েছেন। ১৯৯৯ সালে বিশ্বভারতীর দ্বারা দেশিকোত্তম সম্মানে এবং ২০১১ সালে ভারত সরকারের পদ্মভূষণ সম্মানে সম্মানিত হন শঙ্খ ঘোষ।
২১ এপ্রিল ২০২১, বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় কলকাতার নিজের বাসায় ৮৯ বছর বয়সে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।
গ্রন্থপঞ্জি:-
কাব্যগ্রন্থ:-
দিনগুলি রাতগুলি (১৯৫৬)
এখন সময় নয় (১৯৬৭)
নিহিত পাতালছায়া (১৯৬৭)
শঙ্খ ঘোষের শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৭০)
আদিম লতাগুল্মময় (১৯৭২)
মূর্খ বড় সামাজিক নয় (১৯৭৪)
বাবরের প্রার্থনা (১৯৭৬)
মিনিবুক (১৯৭৮)
তুমি তেমন গৌরী নও (১৯৭৮)
পাঁজরে দাঁড়ের শব্দ (১৯৮০)
কবিতাসংগ্রহ -১ (১৯৮০)
প্রহরজোড়া ত্রিতাল (১৯৮২)
মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে (১৯৮৪)
বন্ধুরা মাতি তরজায় (১৯৮৪)
ধুম লেগেছে হৃদকমলে (১৯৮৪)
কবিতাসংগ্রহ - ২ (১৯৯১)
লাইনেই ছিলাম বাবা (১৯৯৩)
গান্ধর্ব কবিতাগুচ্ছ (১৯৯৪)
শঙ্খ ঘোষের নির্বাচিত প্রেমের কবিতা (১৯৯৪)
মিনি কবিতার বই (১৯৯৪)
শবের উপরে শামিয়ানা (১৯৯৬)
ছন্দের ভিতরে এত অন্ধকার (১৯৯৯)
জলই পাষাণ হয়ে আছে (২০০৪)
সমস্ত ক্ষতের মুখে পলি (২০০৭)
মাটিখোঁড়া পুরোনো করোটি (২০০৯)
গোটাদেশজোড়া জউঘর (২০১০)
হাসিখুশি মুখে সর্বনাশ (২০১১)
প্রতি প্রশ্নে জেগে ওঠে ভিটে (২০১২)
প্রিয় ২৫ : কবিতা সংকলন (২০১২)
বহুস্বর স্তব্ধ পড়ে আছে (২০১৪)
প্রেমের কবিতা (২০১৪)
শঙ্খ ঘোষের কবিতাসংগ্রহ (২০১৫)
শুনি নীরব চিৎকার (২০১৫)
এও এক ব্যথা উপশম (২০১৭)
সীমান্তবিহীন দেশে (২০২০)
গদ্যগ্রন্থ:-
কালের মাত্রা ও রবীন্দ্রনাটক (১৯৬৯)
নিঃশব্দের তর্জনী (১৯৭১)
ছন্দের বারান্দা (১৯৭২)
এ আমির আবরণ (১৯৮০)
উর্বশীর হাসি (১৯৮১)
শব্দ আর সত্য (১৯৮২)
নির্মাণ আর সৃষ্টি (১৯৮২)
কল্পনার হিস্টোরিয়া (১৯৮৪)
জার্নাল (১৯৮৫)
ঘুমিয়ে পড়া এলবাম (১৯৮৬)
কবিতার মুহূর্ত (১৯৮৭)
কবিতালেখা কবিতাপড়া (১৯৮৮)
ঐতিহ্যের বিস্তার (১৯৮৯)
ছন্দময় জীবন (১৯৯৩)
কবির অভিপ্রায় (১৯৯৪)
এখন সব অলীক ক১৯৯৪)
বইয়ের ঘর (১৯৯৬)
সময়ের জলছবি (১৯৯৮)
কবির বর্ম (১৯৯৮)
ইশারা অবিরত (১৯৯৯)
এই শহর রাখাল (২০০০)
ইচ্ছামতির মশা : ভ্রমণ (২০০২)
দামিনির গান (২০০২)
গদ্যসংগ্রহ ১-৬ (২০০২)
অবিশ্বাসের বাস্তব (২০০৩)
গদ্যসংগ্রহ - ৭ (২০০৩)
সামান্য অসামান্য (২০০৬)
প্রেম পদাবলী (২০০৬)
ছেঁড়া ক্যামবিসের ব্যাগ (২০০৭)
সময়পটে শঙ্খ ঘোষ : কবিতা সংকলন (২০০৮)
ভিন্ন রুচির অধিকার (২০০৯)
আরোপ আর উদ্ভাবন (২০১১)
বট পাকুড়ের ফেনা (২০১১)
গদ্যসংগ্রহ - ৮ (২০১৩)
দেখার দৃষ্টি (২০১৪)
আয়ওয়ার ডায়েরি (২০১৪)
নির্বাচিত প্রবন্ধ : রবীন্দ্রনাথ (২০১৪)
নির্বাচিত প্রবন্ধ : নানা প্রসঙ্গ (২০১৪)
নির্বাচিত গদ্যলেখা (২০১৫)
গদ্যসংগ্রহ - ৯ (২০১৫)
হে মহাজীবন : রবীন্দ্র প্রসঙ্গ (২০১৬)
বেড়াতে যাবার সিঁড়ি (২০১৬)
অল্প স্বল্প কথা (২০১৬)
নিরহং শিল্পী (২০১৭)
গদ্যসংগ্রহ-১০ (২০১৮)
লেখা যখন হয় না (২০১৯)
পরম বন্ধু প্রদ্যুমন (২০১৯)
সন্ধ্যানদীর জলে :বাংলাদেশ সংকলন (২০১৯)
ছেড়ে রেখেই ধরে রাখা (২০২১)
ছোট ও কিশোরদের জন্যে লেখা:-
বিদ্যাসাগর (১৯৫৬)
সকালবেলার আলো (১৯৭২)
শব্দ নিয়ে খেলা : বানান বিষয়ক বই {কুন্তক ছদ্মনামে লেখা } (১৯৮০)
রাগ করো না রাগুনী (১৯৮৩)
সব কিছুতেই খেলনা হয় (১৯৮৭)
সুপারিবনের সারি (১৯৯০)
আমন ধানের ছড়া (১৯৯১)
কথা নিয়ে খেলা (১৯৯৩)
সেরা ছড়া (১৯৯৪)
আমন যাবে লাট্টু পাহাড় (১৯৯৬)
ছোট্ট একটা স্কুল (১৯৯৮)
বড় হওয়া খুব ভুল (২০০২)
ওরে ও বায়নাবতী (২০০৩)
বল তো দেখি কেমন হত (২০০৫)
অল্পবয়স কল্পবয়স (২০০৭)
আমায় তুমি লক্ষ্মী বল (২০০৭)
শহরপথের ধুলো (২০১০)
সুর সোহাগী (২০১০)
ছড়া সংগ্রহ (২০১০)
ছোটদের ছড়া কবিতা (২০১১)
ইচ্ছে প্রদীপ (২০১৪)
ছোটদের গদ্য (২০১৭)
আজকে আমার পরীক্ষা নেই (২০১৮)
বক্তৃতা / সাক্ষাৎকার ভিত্তিক সংকলন
সম্পাদনা
অন্ধের স্পর্শের মতো (২০০৭)
এক বক্তার বৈঠক: শম্ভু মিত্র (২০০৮)
কথার পিঠে কথা (২০১১)
জানার বোধ (২০১৩)
হওয়ার দুঃখ (২০১৪)
অগ্রন্থিত রচনা সংকলন:-
মুখজোড়া লাবণ্য (২০০৯)
অগ্রন্থিত শঙ্খ ঘোষ (২০১৭)
#🎂 হ্যাপি বার্থডে
শুভ জন্মদিন বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম বিশিষ্ট অভিনেত্রী ও রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী "শকুন্তলা বড়ুয়া"
🥀🌻🥀🌷🥀🌼🥀🎂🥀🌹🥀🍁🥀🏵️🥀
বাঙালি অভিনেত্রী শকুন্তলা বড়ুয়ার জন্ম ১৯৪৭ সালের ২২শে এপ্রিল কলকাতায়, শকুন্তলা বড়ুয়া একজন ভারতীয় অভিনেত্রী এবং প্লেব্যাক গায়িকা, তিনি মূলত বাংলা চলচ্চিত্র জগতে কাজের জন্য পরিচিত। তিনি ১৯৭৩ সালে অনুতাপের মাধ্যমে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। বহু বছর ধরে শকুন্তলা বড়ুয়া সন্ধ্যা রাগ (১৯৭৭), সাহেব (১৯৮১), ধুসর গোধুলি (১৯৯৪), শেষ ঠিকানা (২০০০), পিতৃভূমি (২০০৭), মনের অজান্তে (২০০৯), আমি মন্ত্রী হবোর মতো সিনেমায় অভিনয়ের জন্য পরিচিত (২০১১), অলিক সুখ- ক্ষণিকের সুখের একটি গল্প (২০১৩) এবং চাপ - দ্য প্রেসার (২০১৩)। ২০১৭ সালে শকুন্তলা বড়ুয়া অভিনয় করেছেন সঞ্জয় গুহর সেদিন বসন্তে। তিনি ২০১৮ সালে পার্থ সারথি মান্নার সিনেমা অস্কারে অভিনয় করেছিলেন। ২০১৯ এর মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি যেতে নাহি দিবো তেও শকুন্তলা দেবী অভিনয় করেছে।
চলচ্চিত্র:-
গোগোলের কীর্তি (২০১৪)
ফিরে এসো তুমি (২০১২)
অমরিতা (২০১২)
পিরিতি কাঁঠালের আঠা (২০১১)
সেদিন দেখা হয়েছিলো (২০১০)
বেজন্মা (২০১০)
মনের অজান্তে (২০০৯)
নায়ক (২০০৬)
বিশ্বাসঘাতক (২০০৩)
পরিণতি (২০০১)
শেষ আশ্রায় (২০০১)
আপন হলো পর (২০০০)
খোলানগর (২০০০)
সজনী আমার সোহাগ (২০০০)
শেষ ঠিকানা (২০০০)
দাবিদার (১৯৯৯)
দহন (১৯৯৮)
মান অপমান (১৯৯৭)
মনসা কণ্যা (১৯৯৭)
সপ্তমি (১৯৯৭)
মশাল (১৯৯৫)
শেষ প্রতিক্ষা (১৯৯৫)
বাাবা লোকনাথ (১৯৯৪)
শেষ চিঠি (১৯৯৪)
তুমি যে আমার (১৯৯৪)
দুরন্ত প্রেম (১৯৯৩)
প্রেমি (১৯৯৩)
কথা দিলাম (১৯৯১)
বদনাম (১৯৯০)
বলিদান (১৯৯০)
দেবতা (১৯৯০)
এখানে আমার স্বর্গ (১৯৯০)
জীবন সঙ্গী (১৯৯০)
মন্দিরা (১৯৯০)
আমার তুমি (১৯৮৯)
আমানত (১৯৮৯)
আমার প্রেম (১৯৮৯)
আশা ও ভালোবাসা (১৯৮৯)
চোখের আলো (১৯৮৯)
মনে মনে (১৯৮৯)
তুফান (১৯৮৯)
আগমন (১৯৮৮)
কিডনাফ (১৯৮৮)
ওরা চারজন (১৯৮৮)
অমর সঙ্গী (১৯৮৭)
লাল গোলাপ (১৯৮৪)







