ShareChat
click to see wallet page
search
#🎂 হ্যাপি বার্থডে শাস্ত্রীয় সংগীতের বাদ্যযন্ত্র শিল্পী "জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষের" শুভ জন্মবার্ষিকীতে আন্তরিক শ্রদ্ধা ও প্রণাম জানাই। 🙏🌹🙏🌼🙏🍁🙏🎂🙏🌻🙏🏵️🙏🌷🙏 জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষ (৮ মে ১৯০৯ – ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৭; যিনি 'গুরু' নামে পরিচিত) হলেন একজন হিন্দুস্তানী শাস্ত্রীয় সংগীতের (ফারুকাবাদ ঘরানার) বাদ্যযন্ত্র শিল্পী। তিনি হারমোনিয়াম এবং তবলা বাদক ছাড়াও একজন সঙ্গীতজ্ঞ ছিলেন। সঙ্গীত জীবন:- তিনি সংগীত প্রযোজক হিসাবে অল ইন্ডিয়া রেডিওতে ১৫ বছর ধরে কাজ করেছিলেন। তিনি শাস্ত্রীয় সংগীত, আধুনিক, অর্কেস্ট্রাল, করাল এবং পার্কাসন নানা বিষয়ের শৈলীর ওপর লিখেছিলেন। তিনি সৌরভ একাডেমি অফ মিউযিক এর প্রতিষ্ঠাতা এবং 'সংগীত গবেষণা একাডেমি'র সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি অনেক বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য সংগীত করেছেন, যেমন যদুভট্ট, অন্ধের আলো এবং রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত (১৯৫৮) উল্লেখযোগ্য তার কিছু সৃষ্টি। তিনি বিভিন্ন শিল্পীর দ্বারা গাওয়া বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় গ্রামোফোন রেকর্ডে সংগীত রচনা ও পরিচালনা করেছেন। দ্য ড্রামস অফ ইন্ডিয়া এবং হারমোনিয়াম এবং বেহালা দিয়ে পণ্ডিত ভি.জি. যোগের সাথে একটি যুগলবন্দি তাকে খুব জনপ্রিয়তা দিয়েছিল।তার একটি রচনা 'চতুরং' নামে পরিচিত - তাতে তবলা, পাখোয়াজ, কাঠক এবং তারানা ব্যবহার করেছিলেন। এমনকি শিষ্যদের তিনি অনেক রাত অবধি অনুশীলন করবার জন্য তার সাথে থাকার নির্দেশ দিতেন এবং বলা হত যে তিনি যদি কোন ত্রুটি শুনতে পেতেন তা তিনি তখনই সংশোধন করে দিতেন। তিনি কানাডার জাতীয় চলচ্চিত্র বোর্ডের জন্য ইশু প্যাটেল পরিচালিত একাডেমি পুরস্কারের জন্য মনোনীত অ্যানিমেটেড সংক্ষিপ্ত বিড গেমের জন্য সংগীত পরিচালনা করেছিলেন। তিনি কলকাতার বউবাজারের ২৫ নম্বর ডিক্সন লেনে তাঁর বাসা ছিল এবং সেখানে সংগীতজ্ঞরা সে স্থানীয় বা কলকাতা শহরের যারা আসতেন সবার অবাধ যাতায়াত ছিল। তাঁর বাসস্থান এক প্রকার সংগীত এবং আবৃত্তির চর্চার স্থান ছিল, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ১৯৪৪ সালে উস্তাদ বড়ে গোলাম আলী খানের দ্বারা পরিবেশিত রাগ "ছায়ানট"।
🎂 হ্যাপি বার্থডে - ப5 அம்ப ப5 அம்ப - ShareChat