ShareChat
click to see wallet page
search
ঋতব্রত-সন্দীপনের বিধায়ক পদ কি চলে যেতে পারে? এমন প্রশ্ন অনেকের মনে উঠলেও উত্তরটা কিন্তু -'না'। দলবিরোধী কাজের অভিযোগে উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল। ইতিমধ্যে তৃণমূলের তরফে স্পিকারকে এই বিষয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বহিষ্কারের বিষয়ে এন্টালি এবং উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ককে ইমেল এবং হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে দলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও খবর। বস্তুত বঙ্গে পালাবদলের পর থেকেই দলের বিরুদ্ধে একাধিক ইস্যুতে সরব ঋতব্রত ও সন্দীপন। বিশেষ করে বিধায়কদের সই জালিয়াতি কাণ্ডে তাঁরা নিজেদের দলের ‘জালিয়াতি’ ফাঁস করার পর তাঁদের বহিষ্কার করা ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না কিন্তু এখন প্রশ্ন হল, দল থেকে বহিষ্কার করার পর এই দুই বিধায়কের বিধায়ক পদ কি বাতিল হবে? দলত্যাগ বিরোধী আইন বলে, একাধিক পরিস্থিতিতে কোনও বিধায়কের পদ বাতিল হতে পারে। এক, ওই বিধায়ক এক দল থেকে নির্বাচিত হয়ে এসে স্বেচ্ছায় সেই দল ত্যাগ করেন। দুই, এক দলের টিকিটে জিতে অন্য দলে যোগ দিলে। তিন, দলের হুইপ সত্ত্বেও বিধানসভায় গুরুত্বপূর্ণ কোনও বিলে দলের বিপক্ষে ভোটদান করলে বা ভোটদান থেকে বিরত থাকলে।তৃণমূলের তরফে ঋতব্রত বা সন্দীপনকে বহিষ্কার করার সময় দাবি করা হয়েছে, তাঁরা দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দেননি এবং দলবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত থেকেছেন। নিয়ম অনুযায়ী, এই ‘অপরাধে’ কাউকে দল থেকে বহিষ্কার করা গেলেও তাঁর বিধায়ক পদ বাতিল করা যায় না। কারণ ঋতব্রতরা নিজে থেকে তৃণমূলের সদস্যপদ ছাড়েননি, সরাসরি বিজেপি বা অন্য দলে যোগ দেননি এমনকী, বিধানসভায় দলের কোনও হুইপও অমান্য করেননি। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat