
Brahma of Mirpur Khas, Sindh, Pakistan (Now in National Museum of Pakistan in Karachi) English translation in Photo description একজন চাষী তার মাঠে লাঙল দিচ্ছিলেন। দিতে দিতে কি যেন একটা ধাতব বস্তুর শব্দ পেলেন। লাঙলের ফলা আটকে গেল কিছুতে। চাষী কৌতূহলী হয়ে মাটি সরিয়ে দেখলেন — একটা অদ্ভুত ধাতব মূর্তি উঠে এলো! চারটি মুখ, দুই হাত, পুরনো পিতল-কাঁসার মতো চেহারা। সেই মাঠ ছিল সিন্ধের মিরপুর খাসের কাছে। বছরটা ১৯২০-এর দশকের শুরু। স্কটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক হেনরি কুসেন্স যখন খবর পেলেন, তিনি অবাক হয়ে গেলেন। এটা ছিল চতুর্মুখ ব্রহ্মার মূর্তি — গুপ্ত যুগের (৫ম-৬ষ্ঠ শতাব্দী) এক অমূল্য ব্রোঞ্জ মূর্তি, যার উচ্চতা ৩ ফুট ২ ইঞ্চি। চারটি মুখই মসৃণ, চোখ অর্ধ-নিমীলিত, মাথায় জটামুকুট, কাঁধে যজ্ঞোপবীত আর সম্ভবত মৃগচর্ম। বাম হাতে মালা গোনার ভঙ্গি, ডান হাতে বেদের বই ধরার ভঙ্গি। মূর্তিটি এত সুন্দরভাবে তৈরি যে আজও দেখলে মনে হয় যেন কালের গভীরে হারিয়ে যাওয়া কোনো মন্দির থেকে উঠে এসেছে। আজ এই মূর্তি করাচির ন্যাশনাল মিউজিয়াম অফ পাকিস্তানে সংরক্ষিত। সিন্ধের প্রাক-ইসলামি ঐতিহ্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। কল্পনা করুন — একজন সাধারণ চাষীর লাঙলের আঘাতে ১৪০০ বছরের পুরনো দেবতা জেগে উঠলেন মাটির নিচ থেকে! আপনার মতে এই আবিষ্কারের সবচেয়ে অবাক করা বিষয় কী? কমেন্টে জানান। #মিরপুরখাস_ব্রহ্মা #সিন্ধের_প্রাচীন_ঐতিহ্য #গুপ্তযুগ #প্রত্নতত্ত্ব #BrahmaStatue #SindhHeritage


