ShareChat
click to see wallet page
search
সাহিত্যিক, কবি এবং সমাজসাধিকা অনুরূপা দেবী (জন্মঃ- ৯ সেপ্টেম্বর, ১৮৮২ - মৃত্যুঃ- ১৯ এপ্রিল, ১৯৫৮) অনুরূপা দেবী তাঁর দিদি আপনার এলাকার সব ভাইরাল ভিডিওর জন্য ডাউনলোড করুন শুরু অ্যাপ (Shuru App) 👇🏻 https://shuru.co.in/dl/hGAD0g #pingla barta
pingla barta - ShareChat
সাহিত্যিক, কবি এবং সমাজসাধিকা অনুরূপা দেবী (জন্মঃ- ৯ সেপ্টেম্বর, ১৮৮২ - মৃত্যুঃ- ১৯ এপ্রিল, ১৯৫৮) অনুরূপা দেবী তাঁর দিদি ইন্দিরা দেবীর অনুপ্রেরণায় সাহিত্য চর্চা আরম্ভ করেন। তাঁর প্রথম কবিতা ঋজুপাঠ অবলম্বনে রচিত। ‘কুন্তালিন পুরস্কার’ প্রতিযোগিতায় প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম গল্প। ‘রানী দেবী’ ছদ্মনামে তিনি এই গল্পটি লেখেন। পরবর্তীসময়ে তিনি ছোটগল্পের পাশাপাশি উপন্যাস রচনায় মনোনিবেশ করেন। ১৯০৪ সালে ‘নবনূর’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘টিলকুঠি’। এরপর ১৯১১ সালে ‘ভারতী’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয় তাঁর পরবর্তী উপন্যাস ‘পোষ্যপুত্র’। এই উপন্যাসটি সাহিত্যসমাজে ভীষণভাবে সমাদৃত হয়। এরপর তাঁর লেখনীর স্বর্ণস্পর্শ বাংলা সাহিত্যে একাধিক জনপ্রিয় উপন্যাসের জন্ম দেয়। কালানুসারে সজ্জিত অনুরূপা দেবীর রচিত উপন্যাসগুলি হল –‘পোষ্যপুত্র’ (১৯১১), ‘বাগদত্তা’ (১৯১৪), ‘জ্যোতিহারা’ (১৯১৫), ‘মন্ত্রশক্তি’ (১৯১৫), ‘মহানিশা’(১৯১৯), ‘মা’(১৯২০), উত্তরায়ণ’ (১৯২৩), পথহারা’(১৯২৩) প্রভৃতি। মা, মহানিশা, মন্ত্রশক্তি ও বাগদত্তা এই চারটি উপন্যাস পরবর্তীকালে নাট্যরূপ দিয়ে মঞ্চস্থও করা হয়। তাঁর অন্যান্য জনপ্রিয় গ্রন্থগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল –‘বিদ্যারত্ন’ (১৯২০), ‘রামগড়’ (১৯১৮), ‘পথের সাথী’ (১৯১৮), ‘রাঙাশাঁখা’ (১৯১৮) ‘সোনার খনি’ (১৯২২) প্রভৃতি। তাঁর রচিত গ্রন্থের সংখ্যা ৩৩টি। তাঁর পিতার নাম মুকুন্দদেব মুখোপাধ্যায় এবং পিতামহ ছিলেন বিশিষ্ট লেখক ভূদেব মুখোপাধ্যায়। তাঁর দিদি ইন্দিরা দেবী ছিলেন একজন ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার এবং কবি। তিনি তাঁর আইন ব্যবসায়ী স্বামী শিখরনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে মজঃফরপুরে বসবাস করতেন। তিনি সমকালীন নারীর অধিকার আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন। ১৯৪৯ সালে তিনি ‘সাহিত্যে নারী -স্রস্টী ও সৃষ্টি’ নামে একটি আলোচনাধর্মী নিবন্ধগ্রন্থ রচনা করেন। গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের এক অন্যতম সমাদৃত গ্রন্থবিশেষ। ভারতী পত্রিকার পৌষ সংখ্যায় ১৩১৭ বঙ্গাব্দ (জানুয়ারি ১৯১১) ‘দেবদূতের প্রতি রাজা অরিস্টনেমি’ এবং বৈশাখ সংখ্যা, ১৩২৩ (মে, ১৯১৬) তে ‘মৃত্যুঞ্জয়’ নামে অনুরূপা দেবী রচিত দুটি কবিতা পাওয়া যায়। সাহিত্যরচনার পাশাপাশি একজন সমাজসেবী হিসেবেও অনুরূপা দেবী ছিলেন অগ্রগণ্য। মেয়েদের শিক্ষার প্রসার ও প্রচারের কাজে তিনি নিজেকে নিয়োজিত করেন। কাশী এবং কোলকাতায় বেশ কয়েকটি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপনের সাথে তিনি যুক্ত ছিলেন। একাধিক নারীকল্যাণ আশ্রমেরও প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দে তিনি ‘মহিলা সমবায় প্রতিষ্ঠান’ স্থাপন করেন। সাহিত্য কৃতীর পুরষ্কারস্বরূপ অনুরূপা দেবী একাধিক সাহিত্য সম্মানে ভূষিত হন। কুন্তালিন সাহিত্যপুরস্কার প্রতিযোগিতার জন্যই তিনি তাঁর প্রথম ছোটগল্প লেখেন এবং ‘কুন্তালিন পুরস্কারে’ পুরস্কৃত হন। নিজ ধর্মের প্রতি অনুরাগ এবং সংস্কারমূলক কাজকর্মের জন্য শ্রীভারতধর্ম মহামণ্ডল নামক ধর্মীয় সংগঠন থেকে তিনি ১৯১৯ সালে ‘ধর্মচন্দ্রিকা’ এবং শ্রী শ্রী বিশ্বমানব মহামণ্ডল থেকে ১৯২৩ সালে ‘ভারতী’ উপাধি লাভ করেন। অনুরূপা দেবী ১৯৩৫ সালে কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ‘জগত্তারিনী স্বর্ণপদক’-এ সম্মানিত হন। ছাড়াও ১৯৪১ সালে তিনি ‘ভুবনমোহিনী দাসী স্বর্ণপদক’ লাভ করার মধ্য দিয়ে তাঁর মুকুটে আরও একটি স্বর্ণপালক সংযোজিত হয়। ১৯৪৪ সালে তিনি ‘লীলা লেকচারার’ পদে অধিষ্ঠিত হন। তাঁর রচিত উপন্যাস মন্ত্রশক্তি, মা, মহানিশা, পথের সাথী, বাগদত্তা প্রভৃতি নাটক এবং চলচ্চিত্রে রূপান্তরিত হয়েছিল। তিনি ৩৩টি গ্রন্থ রচনা করেছিলেন। জীবনের স্মৃতিলেখা তাঁর অসমাপ্ত রচনা। আপনি সন্ন্যাসী তুমি, সর্ব্বত্যাগী শিব, ভোলা ব্যোমকেশ। তাই নিজ ভক্ত পেলে তারেও সন্ন্যাসী সাজাও মহেশ! আপনি শ্মশানবাসী, অঙ্গে মাখ ছাই, ভিক্ষাপাত্র সার, শ্মশানবহ্নির দাহ, বক্ষে দাও তাই, ভক্তে আপনার। উন্মাদ তাণ্ডব খেলা তব, প্রলয়ের গরজন গান তোমার আনন্দ-গীত ভকতের রোদনের তান। কালকূটে কন্ঠ ভরা তবু মৃত্যু-জয়ী, তুমি মৃত্যুঞ্জয়। অসীম দুঃখের বিষে জর্জ্জরিত নর তবু বেঁচে রয়।