এখনও আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী
আমাদের মনে আছে ২০১১ সালে বেলা ১২ টার সময় ভোটের ট্রেন্ড বোঝা যাওয়ার পরেই তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধুদেব ভট্টাচার্য রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগ পত্র পৌঁছে দিয়েছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু সেই পথে হাঁটলেন না। দুপুর ১২টা পর্যন্ত ট্রেন্ড বলছে, বিজেপির দিকেই পাল্লা ভারী। এই আবহে প্রথম প্রতিক্রিয়া দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সোশ্যাল মিডিয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভিডিয়ো বার্তা দিয়েছেন। তিনি তৃণমূল প্রার্থীদের আশ্বস্ত করেছেন, পাশাপাশি ভয় না পাওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি। হাত জোড় করে মমতা বলেন, “ক্যান্ডিডেটরা ও এজেন্টরা এলাকা ছেড়ে আসবেন না। স্ট্রং রুম, যেখানে কাউন্টিং হচ্ছে, সেটা ছেড়ে কেউ আসবেন না। এটা বিজেপির প্ল্যান। আগেই বলেছিলাম, প্রথম ২-৩ রাউন্ডে ওদেরগুলো আগে দেখাবে। ১০০টা জায়গায় কাউন্টিং বন্ধ করে রেখে দিয়েছে। সেন্ট্রাল ফোর্সকে দিয়ে চারদিকে তৃণমূলের উপর অত্যাচার করছে, অফিস ভাঙছে।”
মমতার আরও অভিযোগ, এসআইআরে নাম কেটে কার্যত ভোট লুঠ করেছে বিজেপি। যে সব জায়গায় তৃণমূলের জেতার সম্ভাবনা ছিল, সেখানে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এখনও এমন ৭০ থেকে ১০০ টা সিট আছে, যেগুলোতে তৃণমূল এগিয়ে আছে, কিন্তু সেই ফল প্রকাশ করা হচ্ছে না। ‘পুরোটাই খাওয়াচ্ছে’বলে মন্তব্য করেন তিনি। এর পরে মনে হয় হারটা স্বীকার করার ক্ষমতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেই।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta


