ShareChat
click to see wallet page
search
"একেন বাবুর মাথায় চুল গজালেও গজাতে পারে, তবু তৃণমূল আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না।” শমীকে ভট্টাচার্য ফলতায় শেষ নির্বাচন আগামী ২১ মে। বিশেষ কিছু পরিবর্তন হয়তো হবে না। বিজেপির সিট সংখ্যা ২০৭ এর জায়গায় ২০৮ হবে। বাংলার মসনদে বিজেপি। ২৯৩ আসনের মধ্যে ২০৭ আসনই এখন গেরুয়াশবিরের দখলে। বাকি থাকা একটি আসনে কার্যত জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়েই শমীকের দাবি, “মানুষ তৃণমূলকে নির্বাসিত করে দিয়েছে। একেন বাবুর মাথায় চুল গজালেও গজাতে পারে, তবু তৃণমূল আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না।” গড় হিসেবে পরিচিত দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও বিজেপির ব্যাপক জয়ের কথা মনে করিয়ে শমীকবাবু বলেন, “ডায়মন্ড হারবারে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করেছে বিজেপি কর্মীরা। আগের সরকারের আমলে নেতা-নেত্রী-মন্ত্রী-পুলিশ-প্রশাসন মিলেমিশে একাকার। এখানকার নেতা অমিত শাহকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ৪ তারিখ রাত বারোটার পর ডিজে বাজাবেন বলে। এখন তিনি কোথায়? এখন ডিজের বদলে তৃণমূল নেতাদের ঘরে ঘরে হারমোনিয়াম বাজছে।” ২১ মে ফলতায় পুননির্বাচন। শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কড়া হুঁশিয়ারির পর রবিবার ফলতায় দাঁড়িয়ে একের পর এক বোল্ডআউট বার্তা দেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এদিন তাঁর বক্তৃতার আগাগোড়ায় বাংলা জয়ের আত্মবিশ্বাসী ছাপ ছিল। তৃণমূলকে ‘অতীত’ করে নতুন জমানায় প্রাণ ভরে শ্বাস নেওয়ার আশ্বাস দেন শমীক। ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গিমায় বিরোধী শিবিরের উদ্দেশে পরপর কটাক্ষ ছুড়ে দেন তিনি। প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের ভোটপ্রচারে বেরিয়ে বারবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে উঠে এসেছিল হুমকির সুর। আরামবাগে মিতালী বাগের উপর হামলার অভিযোগে গাড়ির মাথায় দাঁড়িয়ে অভিষেক বলেছিলেন, ‘৪ তারিখ রাত ১২টার পর আমিও দেখে নেব, কার কোন দিল্লির বাবা কাকে বাঁচায়। রবীন্দ্র সংগীতের সঙ্গে ডিজে বাজবে সেদিন।’ ৪ মে ফলপ্রকাশের পর তৃণমূলের নেতারা এখন জনরোষে জর্জরিত। ব্যাপক হারে মুখ লুকোনোর জায়গা পাচ্ছেন না মন্ত্রী-সান্ত্রীরা! #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat