ShareChat
click to see wallet page
search
ভয় কিসের৷ এক-এক করে ঝাঁপ দিলেন তিন ইনস্ট্রাকটরর৷ এবার পালা গীতার৷ নির্দিষ্ট সময়ে উড়ন্ত ডাকোটা বিমান থেকে ঝাঁপিয়ে পড়লেন ডা আপনার এলাকার সব ভাইরাল ভিডিওর জন্য ডাউনলোড করুন শুরু অ্যাপ (Shuru App) 👇🏻 https://shuru.co.in/dl/L0b9do #pingla barta
pingla barta - ShareChat
ভয় কিসের৷ এক-এক করে ঝাঁপ দিলেন তিন ইনস্ট্রাকটরর৷ এবার পালা গীতার৷ নির্দিষ্ট সময়ে উড়ন্ত ডাকোটা বিমান থেকে ঝাঁপিয়ে পড়লেন ডাক্তার গীতা চন্দ৷ একজন ব্যতিক্রমী সাহসী নারী, নিজের দক্ষতার প্রতি আস্থা রেখে হয়ে উঠেছিলেন অসাধারণ, অসামান্য। ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স থেকে প্রস্তাব পেয়ে লুফে নিতে বিলম্ব করেননি। তিনি ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রথম মহিলা প্যারাট্রুপার গীতা চন্দ্র একজন বাঙালি কন্যা। ঐতিহাসিক সেই মুহূর্ত,এক হাজার ফুট ওপর দিয়ে ওড়া ভারতীয় বিমানবাহিনীর উড়ন্ত ডাকোটা বিমান থেকে প্যারাসুটের সাহায্যে আকাশে ঝাঁপ দিয়েছিলেন গীতা চন্দ্র একদম নিঁখুত ল্যান্ডিং৷ ইংরেজি ক্যালেণ্ডারে দিনটি ছিল ১৯৫৯ সালের ১৭জুলাই। © ধ্রুবতারাদের খোঁজে গীতা চন্দ ডাক্তার হিসেবে ভারতীয় বিমান বাহিনীতে যোগ দেন।বিমান বাহিনীর ডাক্তারদের প্যারাট্রুপার হবার আহবান জানিয়ে সব স্টেশনে সার্কুলার পাঠানো হয়। শুনতে অবাক লাগলেও সত্যি কোনও পুরুষ ডাক্তার প্যারাট্রুপারের স্বেচ্ছায় প্রশিক্ষণের প্রস্তাব গ্রহণ করেননি এবং বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করে নিজেদের আপত্তির কথা জানিয়েছিলেন। কারণ অনেকে মনে করেছিলেন প্যারা-ট্রুপিং একটি বিপজ্জনক কাজ যেটি শুধুমাত্র সৈন্যদের জন্যই প্রযোজ্য। ১৯৫৯ সালের ১৪মে গীতা প্যারাট্রুপার ট্রেনিং স্কুলে যোগ দিলেন৷ তারপর কঠোর অনুশীলন৷ তিনি একমাত্র শিক্ষানবিশ হিসেবে সুযোগ পেয়েছিলেন। শারীরিক সক্ষমতা,কঠোর পরিশ্রমে সব প্রতিকূল পরিস্থিতি জয় করলেন৷ অবশেষে এল কাঙ্খিত সেই দিন,আসল পরীক্ষা বিমান থেকে ঝাঁপ দিয়ে প্যারাসুটের সাহায্যে নামতে হবে মাটিতে৷ . ১৭জুলাই ১৯৫৯সাল, উড়ন্ত বিমান থেকে প্যারাসুটের সাহায্যে ঝাঁপ দেবার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ডাক্তার গীতা চন্দ৷ ঐতিহাসিক ও দুঃসাহসিক সেই দৃশ্য দেখতে বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত হয়েছেন৷ গীতা শক্ত হয়ে বিমানে দাঁড়িয়ে, সবুজ আলোর সঙ্কেতে লাফিয়ে পড়বেন ডাকোটা বিমান থেকে৷ দু'চার সেকেণ্ডের জন্য গীতার মনে হল সব যেন নিশ্চল হয়ে গেল৷ যেন দেহ,মন,চিন্তাশক্তি যেন তাদের সত্ত্বা হারিয়ে ফেলেছে৷ হঠাৎ তিনি জেগে উঠলেন প্যারাসুটের টানে৷ বোধশক্তি ফিরে পেলেন৷ ওপরের দিকে তাকিয়ে দেখলেন প্যারাসুট পূর্ণমাত্রায় স্ফীত হয়ে বায়ুপথে দেহের অধোগতিকে মন্থর করছে৷ এক হাজার ফুট ওপর থেকে ঝাঁপ দেওয়ার কুড়ি সেকেন্ডের মধ্যে মাটির নীচের জিনিসগুলো স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর হচ্ছে৷ চল্লিশ সেকেণ্ডের মধ্যে খুব নীচে নেমে এসে নামবার জন্য নিজেকে তৈরি করে ফেললেন৷ সুষ্ঠু ভাবে মাটিতে নেমে এলেন বাঙালি তথা দেশের প্রথম মহিলা প্যারাট্রুপার গীতা চন্দ৷ সবাই অভিনন্দিত করছেন তাঁকে৷ সবার প্রশ্ন কেমন লাগল৷ এক মিনিটের কম হলেও অভিজ্ঞতাটা তিনি বর্ণনা করবেন কিভাবে! সবাই যে তাঁকে কেবল অভিনন্দন জানিয়ে যাচ্ছেন৷ একই বছর ২৫ জুলাই আবার প্যারাসুটের সাহায্যে ঝাঁপ দিতে হবে৷ সেটা আবার ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শ্রীকৃষ্ণ মেননের সামনে৷ প্রথমবার নিখুঁত ল্যান্ডিং হলেও সেদিন কিন্তু গীতার প্যারাসুটের দড়িতে জট পাকিয়ে গিয়েছিল৷ তবে প্যারাসুটকে নিয়ন্ত্রন করে গীতা নেমে এসেছিলেন একই রকম দক্ষতায়৷ এভাবে তাঁকে দিতে হয়েছিল সাতটি জাম্প,এর মধ্যে একটি রাতের বেলা৷ শেষ হল ট্রেনিং ,আসলো তাঁর জীবনের স্মরণীয় দিন ১৮আগস্ট ১৯৫৯৷ সেদিন তাঁকে প্যারাট্রুপারের ব্যাজ দেওয়া হয়,উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় বিমান বাহিনীর এয়ার মার্শাল সুব্রত মুখার্জি৷ ভারতের প্রথম মহিলা প্যারাট্রুপার হলেন একজন বাঙালি কন্যা,গীতা চন্দ্র। অসংখ্য মানুষ গীতাকে অভিনন্দিত করেছেন৷ নীলরতন সরকার মেডিকেল কলেজ থেকে এলএমএফ ও কনডেন্সড কোর্স করে মেডিকেল কলেজ থেকে গীতা এমবিবিএস পাশ করে আর্মি মেডিকেল কোরে যোগ দিয়েছিলেন ১৯৫৭সালে৷ সেখান থেকে প্যারাট্রুপার হয়েছেন৷ প্রথমে ছিলেন ফ্লাইং অফিসার,পরে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট৷ আদি বাড়ি কুমিল্লায়৷ শৈশব কেটেছে রংপুরে৷ © ধ্রুবতারাদের খোঁজে #GitaChandra #BengaliGirl #FirstFemaleParatrooper #IndianAirForce #Dakotaaircraft. গ্রন্থঋণ,চিত্রঋণ,খেলাধূলায় বাঙলার মেয়ে,মুকুল