
nur molla
@203331693
সে ব্যর্থ যে-ব্যক্তি বাক্যে কর্মে ওচিন্তায় সত্য নয়
#☪ইসলামিক জ্ঞানের আলো ☪ 📢 যুক্তি, বিজ্ঞান এবং সত্যের সন্ধান
মূর্তিপূজা বনাম এক অদ্বিতীয় স্রষ্টা — আপনার বিবেক কী বলে?
১. স্রষ্টা কি আঞ্চলিক হতে পারেন?
এক এক অঞ্চলে এক এক দেবতার আধিপত্য—মহারাষ্ট্রে গণেশ, বাংলায় দুর্গা, দক্ষিণে বালাজী। কিন্তু সত্য কি ভৌগোলিক সীমানায় আটকে থাকে?
বিপরীত চিত্র: বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে যান, সব মুসলিম এক বাক্যে বলে: "আল্লাহু আহাদ" (আল্লাহ এক)। এটাই বিশ্বজনীন সত্যের প্রমাণ।
📖 "পৃথক পৃথক অনেক উপাস্য ভালো, না পরাক্রমশালী এক আল্লাহ?" — (সূরা ইউসুফ: ৩৯)
২. ধর্মগ্রন্থ কী বলে?
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মগ্রন্থগুলোও মূর্তিপূজাকে সমর্থন করে না:
🔸 যজুর্বেদ (৩২:৩): "ন তস্য প্রতিমা অস্তি" — অর্থাৎ, তাঁর (পরমেশ্বরের) কোনো প্রতিমা বা মূর্তি নেই।
🔸 চান্দোগ্য উপনিষদ (৬:২:১): "একমেবাদ্বিতীয়ম্" — অর্থাৎ, ঈশ্বর কেবল একজনই।
৩. হাতের গড়া মূর্তির অসহায়ত্ব:
যে মূর্তি নিজের গায়ে বসা একটি মাছি তাড়াতে পারে না, সে মানুষের ভাগ্য কীভাবে গড়বে?
📖 কুরআনের চ্যালেঞ্জ: "তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের ডাকো, তারা সবাই মিলে একটি মাছিও সৃষ্টি করতে পারবে না।" — (সূরা আল-হজ্জ: ৭৩)
৪. ভবিষ্যবাণী ও শেষ নবী (সা.):
হিন্দুশাস্ত্রে বর্ণিত 'কল্কি অবতার'-এর বর্ণনার সাথে নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর হুবহু মিল পাওয়া যায় (পিতার নাম: আব্দুল্লাহ/বিষ্ণুযশ, মাতার নাম: আমিনা/সুমতি, জন্মস্থান: মক্কা/শম্বল দ্বীপ)। এটি কি কেবলই কাকতালীয়? (সূরা আস-সাফ: ৬)
৫. শৃঙ্খলা বনাম বিভ্রান্তি:
হাজারো তীর্থস্থানে যাওয়ার বিভ্রান্তি কি স্রষ্টা চেয়েছেন? পৃথিবীর কেন্দ্র মক্কার দিকে মুখ করে সারা বিশ্বের মানুষের এক কিবলার অধীনে নামাজ পড়া—এটাই কি প্রকৃত শৃঙ্খলার পরিচয় নয়?
উপসংহার: স্লোগান বনাম চিরন্তন সত্য (শ্মশান বনাম কবর)
শ্মশানে যাওয়ার সময় বলা হয় "রাম নাম সত্য"। এটি মানুষের তৈরি প্রথা। কিন্তু ইসলামে মৃত ব্যক্তিকে কবরে রাখার সময় বলা হয়:
"আমি তোমাদের মাটি থেকে সৃষ্টি করেছি, ওই মাটিতেই ফিরিয়ে দেব এবং আবার ওই মাটি থেকেই বের করে আনব।" (সূরা ত্বোয়া-হা: ৫৫)। এটি কোনো ভক্তি নয়, এটি এক অমোঘ বাস্তব সত্য।
৬. প্রতিদিনের আকাশভেদী ডাক: আযান
আপনার কানে কি প্রতিদিন পাঁচবার আযানের সেই ঘোষণা পৌঁছে না? "আল্লাহু আকবার" (আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ), "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" (আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই)। এটি কেবল একটি ধ্বনি নয়, এটি আপনার রবের পক্ষ থেকে প্রতিদিনের এক একটি প্রেমময় আহ্বান।
📖 "নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একমাত্র গ্রহণযোগ্য দিন জীবনব্যবস্থা হলো ইসলাম।" — (সূরা আল-ইমরান: ১৯)
এক অদ্বিতীয় আল্লাহর অস্তিত্ব ও সৃষ্টির নিদর্শন
১. তাওহীদ ও ইবাদত: চন্দ্র-সূর্য আল্লাহর সৃষ্টি, তাই ইবাদত শুধু তাদের স্রষ্টারই প্রাপ্য।
রেফারেন্স: সূরা ফুসসিলাত (৪১), আয়াত: ৩৭।
২. মহাকাশ ও আসমান-জমিনের শৃঙ্খলা: আসমান ও জমিনের সৃষ্টি এবং দিন-রাতের পরিবর্তন জ্ঞানীদের জন্য আল্লাহর অস্তিত্বের বড় নিদর্শন।
রেফারেন্স: সূরা আল-ইমরান (৩), আয়াত: ১৯০।
৩. নূহ (আ.)-এর নৌকা: পরবর্তী প্রজন্মের শিক্ষার জন্য আল্লাহ নূহ (আ.)-এর কিশতিকে পাহাড়ের চূড়ায় নিদর্শন হিসেবে রেখে দিয়েছেন।
রেফারেন্স: সূরা হুদ (১১), আয়াত: ৪৪ এবং সূরা আল-ক্বামার (৫৪), আয়াত: ১৫।
৪. ফেরাউনের সংরক্ষিত দেহ: সাগরে ডুবে যাওয়া ফেরাউনের দেহকে আল্লাহ অক্ষত রেখেছেন যাতে আধুনিক মানুষ তা দেখে শিক্ষা নিতে পারে।
রেফারেন্স: সূরা ইউনুস (১০), আয়াত: ৯২।
৫. কুরআনের অপরিবর্তনীয়তা: ১৪০০ বছর ধরে পবিত্র কুরআনকে আল্লাহ নিজ দায়িত্বে বিকৃতি থেকে রক্ষা করেছেন।
রেফারেন্স: সূরা হিজর (১৫), আয়াত: ৯।
৬. মূর্তির অসারতা ও আল্লাহর অদ্বিতীয়তা: আল্লাহর কোনো শরিক নেই এবং তাঁর অস্তিত্ব প্রমাণের জন্য কোনো মূর্তির প্রয়োজন নেই।
রেফারেন্স: সূরা ইখলাস (১১২), আয়াত: ১-৪।
আমরা এই পৃথিবীতে চিরকাল থাকব না। পবিত্র কুরআনের ঘোষণা— "প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে" (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫)।
#🕌ইবাদাত🤲 #🥰শ্রদ্ধা জানাই সব ধর্মকে🙂📢 যুক্তি, বিজ্ঞান এবং সত্যের সন্ধান
মূর্তিপূজা বনাম এক অদ্বিতীয় স্রষ্টা — আপনার বিবেক কী বলে?
১. স্রষ্টা কি আঞ্চলিক হতে পারেন?
এক এক অঞ্চলে এক এক দেবতার আধিপত্য—মহারাষ্ট্রে গণেশ, বাংলায় দুর্গা, দক্ষিণে বালাজী। কিন্তু সত্য কি ভৌগোলিক সীমানায় আটকে থাকে?
বিপরীত চিত্র: বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে যান, সব মুসলিম এক বাক্যে বলে: "আল্লাহু আহাদ" (আল্লাহ এক)। এটাই বিশ্বজনীন সত্যের প্রমাণ।
"পৃথক পৃথক অনেক উপাস্য ভালো, না পরাক্রমশালী এক আল্লাহ?" — (সূরা ইউসুফ: ৩৯)
২. আপনার ধর্মগ্রন্থ (বেদ ও উপনিষদ) কী বলে?
আপনার প্রাচীন ও প্রধান ধর্মগ্রন্থগুলোই মূর্তিপূজাকে সমর্থন করে না:
যজুর্বেদ (৩২:৩): "ন তস্য প্রতিমা অস্তি" — অর্থাৎ, তাঁর (পরমেশ্বরের) কোনো প্রতিমা বা মূর্তি নেই।
চান্দোগ্য উপনিষদ (৬:২:১): "একমেবাদ্বিতীয়ম্" — অর্থাৎ, ঈশ্বর কেবল একজনই, দ্বিতীয় কেউ নেই।
৩. হাতের গড়া মূর্তির অসহায়ত্ব
যে মূর্তি নিজের গায়ে বসা একটি মাছি তাড়াতে পারে না, সে কীভাবে মানুষের ভাগ্য গড়বে?
কুরআনের চ্যালেঞ্জ: "তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের ডাকো, তারা সবাই মিলে একটি মাছিও সৃষ্টি করতে পারবে না।" — (সূরা আল-হজ্জ: ৭৩)
৪. কল্কি অবতার ও শেষ নবী (সা.)
হিন্দুশাস্ত্রে বর্ণিত ( উল্লেখ: ভবিষ্যোত্তর পুরাণে (৩:৩:৫) 'কল্কি অবতার'-এর সাথে নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর হুবহু মিল লক্ষ্য করুন:
পিতার নাম: বিষ্ণুযশ (ঈশ্বরের দাস = আব্দুল্লাহ)।
মাতার নাম: সুমতি (শান্ত/নিরাপদ = আমিনা)।
জন্মস্থান: শম্বল দ্বীপ (শান্তির শহর = মক্কা/বিলাদুল আমিন)। (সূরা আস-সাফ: ৬)।
৫. শৃঙ্খলার পথ বনাম বিভ্রান্তি! তারকেশ্বর, পুরী বা অমুক-তমুক জায়গায় যাওয়ার এই বিভ্রান্তি কি স্রষ্টা চেয়েছেন?
পৃথিবীর ভৌগোলিক কেন্দ্র (Center of the Earth) হলো মক্কা। সারা বিশ্বের মানুষ এক কিবলার দিকে মুখ করে সেই অদৃশ্য মহান স্রষ্টাকে সিজদা দেয়। এটিই প্রকৃত শৃঙ্খলা।
উপসংহার: নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন
প্রতিদিন পাঁচবার আযান আপনার কানে পৌঁছে— "আল্লাহু আকবার" (আল্লাহ মহান)। তিনি চিরঞ্জীব এবং সবকিছুর ধারক। সৃষ্টির গোলামি ছেড়ে আসুন আমরা সেই এক অদ্বিতীয় স্রষ্টার ইবাদত করি যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন।
"নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একমাত্র গ্রহণযোগ্য জীবনব্যবস্থা হলো ইসলাম।" — (সূরা আল-ইমরান: ১৯)
আসুন, মূর্তিপূজার অন্ধকার ছেড়ে সত্যের আলোয় ফিরে আসি।
#🥰শ্রদ্ধা জানাই সব ধর্মকে🙂 #🕌ইবাদাত🤲 📢 যুক্তি, বিজ্ঞান এবং সত্যের সন্ধান: আপনার বিবেক কী বলে?
প্রিয় হিন্দু ভাই ও বোনেরা, আসুন আজ কোনো আবেগ নয়, বরং যুক্তি এবং আপনাদের নিজস্ব ধর্মগ্রন্থের আলোয় সত্যকে যাচাই করি।
১. আঞ্চলিক 'ঈশ্বর' বনাম মহাবিশ্বের এক 'রব'
একটু লক্ষ্য করুন—এক এক অঞ্চলে এক এক দেবতার রাজত্ব! গণেশ, রাম, কৃষ্ণ, দুর্গা বা শঙ্কর—অঞ্চলভেদে উপাস্য বদলে যায়।
যুক্তি: সত্য কি ভৌগোলিক সীমানায় বদলে যায়?
কুরআনের সাক্ষ্য: "পৃথক পৃথক অনেক উপাস্য ভালো, না পরাক্রমশালী এক আল্লাহ?" (সূরা ইউসুফ: ৩৯)। বিশ্বের সব প্রান্তের মুসলিম এক বাক্যে বলে—আল্লাহ এক।
২. আপনার ধর্মগ্রন্থ (বেদ ও উপনিষদ) কী বলে?
যজুর্বেদ (৩২:৩): "ন তস্য প্রতিমা অস্তি" (তাঁর কোনো প্রতিমা বা মূর্তি নেই)।
চান্দোগ্য উপনিষদ (৬:২:১): "একমেবাদ্বিতীয়ম্" (ঈশ্বর কেবল একজনই)।
তাহলে কেন আমরা মানুষের গড়া মাটির মূর্তির সামনে মাথা নত করছি?
৩. শেষ নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর ভবিষ্যদ্বাণী
হিন্দুশাস্ত্রে যাকে 'কল্কি অবতার' বলা হয়েছে, তাঁর সাথে নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের অদ্ভুত মিল দেখুন:
পিতা ও মাতা: কল্কি পুরাণে বলা হয়েছে বাবার নাম 'বিষ্ণুযশ' (ঈশ্বরের দাস = আব্দুল্লাহ) এবং মায়ের নাম 'সুমতি' (শান্ত/নিরাপদ = আমিনা)।
জন্মস্থান: 'শম্বল' দ্বীপ (শান্তির দেশ = মক্কা)।
ঈসা (আ.)-এর সুসংবাদ: "আমি এমন একজন রাসূলের সুসংবাদ দিচ্ছি, যিনি আমার পরে আসবেন, তাঁর নাম 'আহমদ' (মুহাম্মদ সা.)।" (সূরা আস-সাফ: ৬)।
৪. প্রাণহীন মূর্তির অসহায়ত্ব ও চিরন্তন বাস্তব
বাস্তবতা: যে মূর্তি নিজের গায়ে বসা মাছিটিও তাড়াতে পারে না (সূরা হজ্জ: ৭৩), সে কীভাবে আপনার ভাগ্য গড়বে?
মৃত্যু: শ্মশানে "রাম নাম সত্য" বলা হয়, কিন্তু কবরে রাখা হয় এই ধ্রুব সত্য বলে— "আমি তোমাদের মাটি থেকে সৃষ্টি করেছি, ওতেই ফিরিয়ে দেব এবং ওখান থেকেই বের করে আনব।" (সূরা ত্বোয়া-হা: ৫৫)।
৫. প্রতিদিনের আকাশভেদী ডাক (আযান)
আপনার কানে কি প্রতিদিন পাঁচবার আযানের সেই ঘোষণা পৌঁছে না?
"আল্লাহু আকবার" (আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ), "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" (আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই), "হাইয়া আলাল ফালাহ" (সাফল্যের দিকে এসো)।
এটি কেবল একটি ধ্বনি নয়, এটি আপনার রবের পক্ষ থেকে প্রতিদিনের এক একটি প্রেমময় ডাক।
৬. উপসংহার:
মায়ের গর্ভে আপনাকে আকৃতি দিয়েছেন যিনি (সূরা আল-ইমরান: ৬), নূহের নৌকা বা ফেরাউনের সংরক্ষিত লাশের মতো নিদর্শন দেখিয়েছেন যারা—সবই সেই এক অদ্বিতীয় সত্তার অস্তিত্বের প্রমাণ।
একদিন আসবে যখন সত্য অস্বীকারকারীরা বলবে— "কতই না চমৎকার হতো যদি আমরা মুসলমান হতাম!" (সূরা আল-হিজর: ২)। সেই দিন আসার আগেই অন্ধকার ছেড়ে আলোর পথে ফিরে আসুন।
#📖কোরানের বাণী🤲🏻 সৃষ্টি যার, হুকুম চলবে কেবল তাঁর!
আজকের সমাজ দেখে মনে হয়, আমরা শুধু নামেই মুসলিম রয়ে গেছি। আমরা নামাজে দাঁড়িয়ে বলি, "হে আল্লাহ! আমরা কেবল তোমারই ইবাদত করি এবং তোমারই কাছে সাহায্য চাই" (সুরা ফাতেহা)। কিন্তু মসজিদ থেকে বের হয়েই আমরা মস্তানদের দাপট, ঘুষের প্রভাব আর মানুষের তৈরি অন্যায্য আইনের কাছে মাথা নত করি। এটা কি মুনাফেকী নয়?
⚠️ আমাদের বিবেককে জাগানোর কিছু তিক্ত সত্য:
বিলাসিতার নর্দমা বনাম সিরিয়ার কান্না: আমরা যখন 'সোনার টয়লেট' আর বিলাসিতায় মত্ত, তখন সিরিয়া ও ফিলিস্তিনের শিশুরা অনাহারে ধুঁকছে। আমরা ভুলে গেছি, আমাদের সম্পদে ওই বঞ্চিতদের অধিকার ছিল। আল্লাহ কি আমাদের এই অপচয় আর নির্লজ্জ নীরবতার হিসাব নেবেন না?
ধর্মীয় শোষণ ও আধুনিক ‘ব্রাহ্মণবাদ’: হিন্দু সমাজে যেমন ব্রাহ্মণরা ধর্মকে শোষণের হাতিয়ার করেছিল, আমাদের অনেক আলেম আজ ঠিক তাই করছেন। তারা টাকার বিনিময়ে জানাজা, খতম আর দোয়া বিক্রি করছেন। তারা শুধু নামাজের 'চাবিকাঠি'র কথা বলেন, কিন্তু নামাজের পরের 'আমানতদারি' আর 'হুকুম' নিয়ে নীরব। সুরা ইয়াসিন (২১) অনুযায়ী, যারা বিনিময়ে টাকা চায়, তাদের অনুসরণ করা কি সঠিক?
ডিজিটাল শিরক: সোশ্যাল মিডিয়ায় 'ছবি শেয়ার করলে কোটিপতি হবেন'—এমন নোংরা জালিয়াতি দিয়ে আমাদের ঈমান লুট করা হচ্ছে। আমরা আল্লাহর ওপর ভরসা ছেড়ে ফেসবুকের লাইক-শেয়ারে রিজিক খুঁজছি!
📖 আল্লাহর অকাট্য ফয়সালা (সুরা আল-মায়িদাহ):
আল্লাহ তায়ালা কোরআনে (৫:৪৪-৪৮) স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন:
"যারা আল্লাহর নাযিল করা বিধান অনুযায়ী ফয়সালা করে না, তারাই কাফের।"
"যারা আল্লাহর বিধান অনুযায়ী ফয়সালা করে না, তারাই জালেম।"
"যারা আল্লাহর বিধান অনুযায়ী ফয়সালা করে না, তারাই ফাসেক।"
তাহলে আমরা কিসের ভিত্তিতে মানুষের তৈরি মস্তানতন্ত্র বা প্রবৃত্তির পূজা করছি? কেন আমরা মানুষকে ভয় পাচ্ছি, যেখানে আল্লাহ বলেছেন— "তোমরা মানুষকে ভয় করো না, আমাকে ভয় করো"?
⚖️ চূড়ান্ত পরিণতির দিন:
সুরা আন-নিসার ৪২ নম্বর আয়াত অনুযায়ী, কিয়ামতের দিন জালেমরা আফসোস করে বলবে— "হায়! আমি যদি মাটির সাথে মিশে যেতাম!" সেদিন আপনার টাকা, নেতা বা মস্তান কেউ আপনাকে বাঁচাতে আসবে না। সুরা ফাতির (১৮) বলছে, সেদিন কেউ কারো পাপের বোঝা বহন করবে না।
আমার বার্তা:
আমি একজন সাধারণ মানুষ হতে পারি, টাইলস বা মার্বেলের কারিগর হতে পারি; কিন্তু আল্লাহর দলিলের সামনে আমি আপসহীন। জাতি আজ ভুল শিক্ষায় অন্ধ। আসুন, হুজুগে না মেতে কোরআনকে দলিল হিসেবে গ্রহণ করি। মনে রাখবেন— সৃষ্টি যার, হুকুম চলবে কেবল তাঁর!
#🕌ইবাদাত🤲 💐🌸🌺🕋📖📖📖📖📖📖📖🌹🌼🌷🌻
------------------THE HOLY QUR'AN-------------------- with Bengali and English translation's👇
50) Surah Qaf , Verse 45 (Landed in Mecca)
بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ
বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
Bichmillahir Rahmanir Rahim.
In the name of Allah, Most Gracious, Most Merciful.
ق وَالْقُرْآنِ الْمَجِيدِ (1
ক্বাফ! সম্মানিত কোরআনের শপথ;
Qaf: By the Glorious Qur'an (Thou art Allah.s Messenger..
بَلْ عَجِبُوا أَن جَاءهُمْ مُنذِرٌ مِّنْهُمْ فَقَالَ الْكَافِرُونَ هَذَا شَيْءٌ عَجِيبٌ (2
বরং তারা তাদের মধ্য থেকেই একজন ভয় প্রদর্শনকারী আগমন করেছে দেখে বিস্ময় বোধ করে। অতঃপর কাফেররা বলেঃ এটা আশ্চর্যের ব্যাপার।
But they wonder that there has come to them a Warner from among themselves. So the Unbelievers say: "This is a wonderful thing!
أَئِذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًا ذَلِكَ رَجْعٌ بَعِيدٌ (3
আমরা মরে গেলে এবং মৃত্তিকায় পরিণত হয়ে গেলেও কি পুনরুত্থিত হব? এ প্রত্যাবর্তন সুদূরপরাহত।
"What! When we die and become dust, (shall we live again?) That is a (sort of) return far (from our understanding)."
قَدْ عَلِمْنَا مَا تَنقُصُ الْأَرْضُ مِنْهُمْ وَعِندَنَا كِتَابٌ حَفِيظٌ (4
মৃত্তিকা তাদের কতটুকু গ্রাস করবে, তা আমার জানা আছে এবং আমার কাছে আছে সংরক্ষিত কিতাব।
We already know how much of them the earth takes away: With Us is a record guarding (the full account).
بَلْ كَذَّبُوا بِالْحَقِّ لَمَّا جَاءهُمْ فَهُمْ فِي أَمْرٍ مَّرِيجٍ (5
বরং তাদের কাছে সত্য আগমন করার পর তারা তাকে মিথ্যা বলছে। ফলে তারা সংশয়ে পতিত রয়েছে।
But they deny the Truth when it comes to them: so they are in a confused state.
أَفَلَمْ يَنظُرُوا إِلَى السَّمَاء فَوْقَهُمْ كَيْفَ بَنَيْنَاهَا وَزَيَّنَّاهَا وَمَا لَهَا مِن فُرُوجٍ (6
তারা কি তাদের উপরস্থিত আকাশের পানে দৃষ্টিপাত করে না আমি কিভাবে তা নির্মাণ করেছি এবং সুশোভিত করেছি? তাতে কোন ছিদ্রও নেই।
Do they not look at the sky above them?- How We have made it and adorned it, and there are no flaws in it?
وَالْأَرْضَ مَدَدْنَاهَا وَأَلْقَيْنَا فِيهَا رَوَاسِيَ وَأَنبَتْنَا فِيهَا مِن كُلِّ زَوْجٍ بَهِيجٍ (7
আমি ভূমিকে বিস্তৃত করেছি, তাতে পর্বতমালার ভার স্থাপন করেছি এবং তাতে সর্বপ্রকার নয়নাভিরাম উদ্ভিদ উদগত করেছি।
And the earth- We have spread it out, and set thereon mountains standing firm, and produced therein every kind of beautiful growth (in pairs)-
تَبْصِرَةً وَذِكْرَى لِكُلِّ عَبْدٍ مُّنِيبٍ (8
এটা জ্ঞান আহরণ ও স্মরণ করার মত ব্যাপার প্রত্যেক অনুরাগী বান্দার জন্যে।
To be observed and commemorated by every devotee turning (to Allah..
وَنَزَّلْنَا مِنَ السَّمَاء مَاء مُّبَارَكًا فَأَنبَتْنَا بِهِ جَنَّاتٍ وَحَبَّ الْحَصِيدِ (9
আমি আকাশ থেকে কল্যাণময় বৃষ্টি বর্ষণ করি এবং তদ্বারা বাগান ও শস্য উদগত করি, যেগুলোর ফসল আহরণ করা হয়।
And We send down from the sky rain charted with blessing, and We produce therewith gardens and Grain for harvests;
وَالنَّخْلَ بَاسِقَاتٍ لَّهَا طَلْعٌ نَّضِيدٌ (10
এবং লম্বমান খর্জুর বৃক্ষ, যাতে আছে গুচ্ছ গুচ্ছ খর্জুর,
And tall (and stately) palm-trees, with shoots of fruit-stalks, piled one over another;-
رِزْقًا لِّلْعِبَادِ وَأَحْيَيْنَا بِهِ بَلْدَةً مَّيْتًا كَذَلِكَ الْخُرُوجُ (11
বান্দাদের জীবিকাস্বরূপ এবং বৃষ্টি দ্বারা আমি মৃত জনপদকে সঞ্জীবিত করি। এমনিভাবে পুনরুত্থান ঘটবে।
As sustenance for ((Allah)'s) Servants;- and We give (new) life therewith to land that is dead: Thus will be the Resurrection.
كَذَّبَتْ قَبْلَهُمْ قَوْمُ نُوحٍ وَأَصْحَابُ الرَّسِّ وَثَمُودُ (12
তাদের পূর্বে মিথ্যাবাদী বলেছে নূহের সম্প্রদায়, কুপবাসীরা এবং সামুদ সম্প্রদায়।
Before them was denied (the Hereafter) by the People of Noah, the Companions of the Rass, the Thamud,
وَعَادٌ وَفِرْعَوْنُ وَإِخْوَانُ لُوطٍ (13
আদ, ফেরাউন, ও লূতের সম্প্রদায়,
The 'Ad, Pharaoh, the brethren of Lut,
وَأَصْحَابُ الْأَيْكَةِ وَقَوْمُ تُبَّعٍ كُلٌّ كَذَّبَ الرُّسُلَ فَحَقَّ وَعِيدِ (14
বনবাসীরা এবং তোব্বা সম্প্রদায়। প্রত্যেকেই রসূলগণকে মিথ্যা বলেছে, অতঃপর আমার শাস্তির যোগ্য হয়েছে।
The Companions of the Wood, and the People of Tubba'; each one (of them) rejected the apostles, and My warning was duly fulfilled (in them).
أَفَعَيِينَا بِالْخَلْقِ الْأَوَّلِ بَلْ هُمْ فِي لَبْسٍ مِّنْ خَلْقٍ جَدِيدٍ (15
আমি কি প্রথমবার সৃষ্টি করেই ক্লান্ত হয়ে পড়েছি? বরং তারা নতুন সৃষ্টির ব্যাপারে সন্দেহ পোষন করেছে।
Were We then weary with the first Creation, that they should be in confused doubt about a new Creation?
وَلَقَدْ خَلَقْنَا الْإِنسَانَ وَنَعْلَمُ مَا تُوَسْوِسُ بِهِ نَفْسُهُ وَنَحْنُ أَقْرَبُ إِلَيْهِ مِنْ حَبْلِ الْوَرِيدِ (16
আমি মানুষ সৃষ্টি করেছি এবং তার মন নিভৃতে যে কুচিন্তা করে, সে সম্বন্ধেও আমি অবগত আছি। আমি তার গ্রীবাস্থিত ধমনী থেকেও অধিক নিকটবর্তী।
It was We Who created man, and We know what dark suggestions his soul makes to him: for We are nearer to him than (his) jugular vein.
إِذْ يَتَلَقَّى الْمُتَلَقِّيَانِ عَنِ الْيَمِينِ وَعَنِ الشِّمَالِ قَعِيدٌ (17
যখন দুই ফেরেশতা ডানে ও বামে বসে তার আমল গ্রহণ করে।
Behold, two (guardian angels) appointed to learn (his doings) learn (and noted them), one sitting on the right and one on the left.
مَا يَلْفِظُ مِن قَوْلٍ إِلَّا لَدَيْهِ رَقِيبٌ عَتِيدٌ (18
সে যে কথাই উচ্চারণ করে, তাই গ্রহণ করার জন্যে তার কাছে সদা প্রস্তুত প্রহরী রয়েছে।
Not a word does he utter but there is a sentinel by him, ready (to note it).
وَجَاءتْ سَكْرَةُ الْمَوْتِ بِالْحَقِّ ذَلِكَ مَا كُنتَ مِنْهُ تَحِيدُ (19
মৃত্যুযন্ত্রণা নিশ্চিতই আসবে। এ থেকেই তুমি টালবাহানা করতে।
And the stupor of death will bring Truth (before his eyes): "This was the thing which thou wast trying to escape!"
وَنُفِخَ فِي الصُّورِ ذَلِكَ يَوْمُ الْوَعِيدِ (20
এবং শিঙ্গায় ফুঁৎকার দেয়া হবে এটা হবে ভয় প্রদর্শনের দিন।
And the Trumpet shall be blown: that will be the Day whereof Warning (had been given).
وَجَاءتْ كُلُّ نَفْسٍ مَّعَهَا سَائِقٌ وَشَهِيدٌ (21
প্রত্যেক ব্যক্তি আগমন করবে। তার সাথে থাকবে চালক ও কর্মের সাক্ষী।
And there will come forth every soul: with each will be an (angel) to drive, and an (angel) to bear witness.
لَقَدْ كُنتَ فِي غَفْلَةٍ مِّنْ هَذَا فَكَشَفْنَا عَنكَ غِطَاءكَ فَبَصَرُكَ الْيَوْمَ حَدِيدٌ (22
তুমি তো এই দিন সম্পর্কে উদাসীন ছিলে। এখন তোমার কাছ থেকে যবনিকা সরিয়ে দিয়েছি। ফলে আজ তোমার দৃষ্টি সুতীক্ষ্ন।
(It will be said:) "Thou wast heedless of this; now have We removed thy veil, and sharp is thy sight this Day!"
وَقَالَ قَرِينُهُ هَذَا مَا لَدَيَّ عَتِيدٌ (23
তার সঙ্গী ফেরেশতা বলবেঃ আমার কাছে যে, আমলনামা ছিল, তা এই।
And his Companion will say: "Here is (his Record) ready with me!"
أَلْقِيَا فِي جَهَنَّمَ كُلَّ كَفَّارٍ عَنِيدٍ (24
তোমরা উভয়েই নিক্ষেপ কর জাহান্নামে প্রত্যেক অকৃতজ্ঞ বিরুদ্ধবাদীকে,
(The sentence will be:) "Throw, throw into Hell every contumacious Rejecter (of Allah.!-
مَّنَّاعٍ لِّلْخَيْرِ مُعْتَدٍ مُّرِيبٍ (25
যে বাধা দিত মঙ্গলজনক কাজে, সীমালঙ্ঘনকারী, সন্দেহ পোষণকারীকে।
"Who forbade what was good, transgressed all bounds, cast doubts and suspicions;
الَّذِي جَعَلَ مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ فَأَلْقِيَاهُ فِي الْعَذَابِ الشَّدِيدِ (26
যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অন্য উপাস্য গ্রহণ করত, তাকে তোমরা কঠিন শাস্তিতে নিক্ষেপ কর।
"Who set up another god beside Allah. Throw him into a severe penalty."
قَالَ قَرِينُهُ رَبَّنَا مَا أَطْغَيْتُهُ وَلَكِن كَانَ فِي ضَلَالٍ بَعِيدٍ (27
তার সঙ্গী শয়তান বলবেঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমি তাকে অবাধ্যতায় লিপ্ত করিনি। বস্তুতঃ সে নিজেই ছিল সুদূর পথভ্রান্তিতে লিপ্ত।
His Companion will say: "Our Lord! I did not make him transgress, but he was (himself) far astray."
قَالَ لَا تَخْتَصِمُوا لَدَيَّ وَقَدْ قَدَّمْتُ إِلَيْكُم بِالْوَعِيدِ (28
আল্লাহ বলবেনঃ আমার সামনে বাকবিতন্ডা করো না আমি তো পূর্বেই তোমাদেরকে আযাব দ্বারা ভয় প্রদর্শন করেছিলাম।
He will say: "Dispute not with each other in My Presence: I had already in advance sent you Warning.
مَا يُبَدَّلُ الْقَوْلُ لَدَيَّ وَمَا أَنَا بِظَلَّامٍ لِّلْعَبِيدِ (29
আমার কাছে কথা রদবদল হয় না এবং আমি বান্দাদের প্রতি জুলুমকারী নই।
"The Word changes not before Me, and I do not the least injustice to My Servants."
يَوْمَ نَقُولُ لِجَهَنَّمَ هَلِ امْتَلَأْتِ وَتَقُولُ هَلْ مِن مَّزِيدٍ (30
যেদিন আমি জাহান্নামকে জিজ্ঞাসা করব; তুমি কি পূর্ণ হয়ে গেছ? সে বলবেঃ আরও আছে কি?
One Day We will ask Hell, "Art thou filled to the full?" It will say, "Are there any more (to come)?
وَأُزْلِفَتِ الْجَنَّةُ لِلْمُتَّقِينَ غَيْرَ بَعِيدٍ (31
জান্নাতকে উপস্থিত করা হবে খোদাভীরুদের অদূরে।
And the Garden will be brought nigh to the Righteous,- no more a thing distant.
هَذَا مَا تُوعَدُونَ لِكُلِّ أَوَّابٍ حَفِيظٍ (32
তোমাদের প্রত্যেক অনুরাগী ও স্মরণকারীকে এরই প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল।
(A voice will say:) "This is what was promised for you,- for every one who turned (to Allah. in sincere repentance, who kept (His Law),
مَنْ خَشِيَ الرَّحْمَن بِالْغَيْبِ وَجَاء بِقَلْبٍ مُّنِيبٍ (33
যে না দেখে দয়াময় আল্লাহ তা’আলাকে ভয় করত এবং বিনীত অন্তরে উপস্থিত হত।
"Who feared ((Allah)) Most Gracious Unseen, and brought a heart turned in devotion (to Him):
ادْخُلُوهَا بِسَلَامٍ ذَلِكَ يَوْمُ الْخُلُودِ (34
তোমরা এতে শান্তিতে প্রবেশ কর। এটাই অনন্তকাল বসবাসের জন্য প্রবেশ করার দিন।
"Enter ye therein in Peace and Security; this is a Day of Eternal Life!"
لَهُم مَّا يَشَاؤُونَ فِيهَا وَلَدَيْنَا مَزِيدٌ (35
তারা তথায় যা চাইবে, তাই পাবে এবং আমার কাছে রয়েছে আরও অধিক।
There will be for them therein all that they wish,- and more besides in Our Presence.
وَكَمْ أَهْلَكْنَا قَبْلَهُم مِّن قَرْنٍ هُمْ أَشَدُّ مِنْهُم بَطْشًا فَنَقَّبُوا فِي الْبِلَادِ هَلْ مِن مَّحِيصٍ (36
আমি তাদের পূর্বে বহু সম্প্রদায়কে ধ্বংস করেছি, তারা এদের অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী ছিল এবং দেশে-বিদেশে বিচরণ করে ফিরত। তাদের কোন পলায়ন স্থান ছিল না।
But how many generations before them did We destroy (for their sins),- stronger in power than they? Then did they wander through the land: was there any place of escape (for them)?
إِنَّ فِي ذَلِكَ لَذِكْرَى لِمَن كَانَ لَهُ قَلْبٌ أَوْ أَلْقَى السَّمْعَ وَهُوَ شَهِيدٌ (37
এতে উপদেশ রয়েছে তার জন্যে, যার অনুধাবন করার মত অন্তর রয়েছে। অথবা সে নিবিষ্ট মনে শ্রবণ করে।
Verily in this is a Message for any that has a heart and understanding or who gives ear and earnestly witnesses (the truth).
وَلَقَدْ خَلَقْنَا السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ وَمَا مَسَّنَا مِن لُّغُوبٍ (38
আমি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ছয়দিনে সৃষ্টি করেছি এবং আমাকে কোনরূপ ক্লান্তি স্পর্শ করেনি।
We created the heavens and the earth and all between them in Six Days, nor did any sense of weariness touch Us.
فَاصْبِرْ عَلَى مَا يَقُولُونَ وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ الْغُرُوبِ (39
অতএব, তারা যা কিছু বলে, তজ্জন্যে আপনি ছবর করুন এবং, সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের পূর্বে আপনার পালনকর্তার সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করুন।
Bear, then, with patience, all that they say, and celebrate the praises of thy Lord, before the rising of the sun and before (its) setting.
وَمِنَ اللَّيْلِ فَسَبِّحْهُ وَأَدْبَارَ السُّجُودِ (40
রাত্রির কিছু অংশে তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করুন এবং নামাযের পশ্চাতেও।
And during part of the night, (also,) celebrate His praises, and (so likewise) after the postures of adoration.
وَاسْتَمِعْ يَوْمَ يُنَادِ الْمُنَادِ مِن مَّكَانٍ قَرِيبٍ (41
শুন, যে দিন এক আহবানকারী নিকটবর্তী স্থান থেকে আহবান করবে।
And listen for the Day when the Caller will call out from a place quiet near,-
يَوْمَ يَسْمَعُونَ الصَّيْحَةَ بِالْحَقِّ ذَلِكَ يَوْمُ الْخُرُوجِ (42
যেদিন মানুষ নিশ্চিত সেই ভয়াবহ আওয়াজ শুনতে পাবে, সেদিনই পুনরত্থান দিবস।
The Day when they will hear a (mighty) Blast in (very) truth: that will be the Day of Resurrection.
إِنَّا نَحْنُ نُحْيِي وَنُمِيتُ وَإِلَيْنَا الْمَصِيرُ (43
আমি জীবন দান করি, মৃত্যু ঘটাই এবং আমারই দিকে সকলের প্রত্যাবর্তন।
Verily it is We Who give Life and Death; and to Us is the Final Goal-
يَوْمَ تَشَقَّقُ الْأَرْضُ عَنْهُمْ سِرَاعًا ذَلِكَ حَشْرٌ عَلَيْنَا يَسِيرٌ (44
যেদিন ভূমন্ডল বিদীর্ণ হয়ে মানুষ ছুটাছুটি করে বের হয়ে আসবে। এটা এমন সমবেত করা, যা আমার জন্যে অতি সহজ।
The Day when the Earth will be rent asunder, from (men) hurrying out: that will be a gathering together,- quite easy for Us.
نَحْنُ أَعْلَمُ بِمَا يَقُولُونَ وَمَا أَنتَ عَلَيْهِم بِجَبَّارٍ فَذَكِّرْ بِالْقُرْآنِ مَن يَخَافُ وَعِيدِ (45
তারা যা বলে, তা আমি সম্যক অবগত আছি। আপনি তাদের উপর জোরজবরকারী নন। অতএব, যে আমার শাস্তিকে ভয় করে, তাকে কোরআনের মাধ্যমে উপদেশ দান করুন।
We know best what they say; and thou art not one to overawe them by force. So admonish with the Qur'an such as fear My Warning!
50) সূরা ক্বাফ (মক্কায় অবতীর্ণ), আয়াত
#☪ইসলামিক জ্ঞানের আলো ☪ আমরা কি সত্যিই মুসলিম, নাকি শুধু ঐতিহ্যের গোলাম?
আজকের সমাজ দেখে মনে হয়, আমরা ইসলামের মূল ‘আকিদা’ আর ‘তৌহিদ’ ভুলে গিয়ে কেবল কিছু আচার-সর্বস্ব আনুষ্ঠানিকতায় আটকে পড়েছি। আমাদের চারপাশের এই অবক্ষয় দেখে কি আমাদের একটুও বুক কাঁপে না? হক কথা বলতে আমি ভয় পাই না, কারণ সত্য প্রকাশ করাই মুমিনের কাজ।
⚠️ আমাদের আজকের করুণ বাস্তবতা:
বিলাসিতার নর্দমা: একদল মানুষ যখন দুবেলা খাবারের জন্য হাহাকার করছে, তখন তথাকথিত মুসলিম দেশগুলো ‘সোনার গাড়ি’ আর ‘সোনার টয়লেটে’ হাগতে ব্যস্ত। কারুনের সেই অহংকার আর বিজাতীয় অন্ধ অনুকরণ কি আমাদেরও গ্রাস করল?
ধর্ম নিয়ে ব্যবসা: সুরা ইয়াসিনে আল্লাহ বলেছেন সেইসব মানুষের অনুসরণ করতে যারা দ্বীনের জন্য কোনো বিনিময় কামনা করে না। অথচ আজ আমাদের অনেক ইমাম ও আলেম ‘ভাতা’ আর ‘হাদিয়ার’ দরদামে ব্যস্ত। কোরবানি থেকে শুরু করে ঘরের দোয়া—সবকিছুই এখন চুক্তিতে চলে। যে জাতি নিজের হাতে কোরবানি দিতে ভয় পায় বা ২৫০ টাকার জন্য ইমামের সাথে দরদাম করে, তারা কীভাবে বিশ্ব শাসন করবে?
আমানতের খেয়ানত: রাষ্ট্রের সম্পদ বিক্রি হচ্ছে, ঋণের বোঝা আকাশচুম্বী, আর সেই টাকা দিয়ে মস্তান পোষা হচ্ছে ভোট কেনার জন্য। আমরা কোন ইসলামের কথা বলছি যেখানে জনগণের আমানত নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়?
সাংস্কৃতিক দাসত্ব: কাফেরদের চালচলন আর ডিজে গানের তালে আমাদের সমাজ আজ আসক্ত। আমরা মুখে আল্লাহকে ডাকি, কিন্তু চালচলনে অন্য জাতির গোলামি করি।
📖 আল্লাহর সেই চূড়ান্ত সতর্কবাণী:
পবিত্র কোরআনে (সুরা মুহাম্মাদ: ৩৮) আল্লাহ স্পষ্টভাবে বলেছেন—যদি তোমরা দ্বীনের হক আদায় না করো এবং রাসূলের আদর্শ থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও, তবে আল্লাহ তোমাদের বদলে অন্য জাতিকে স্থলাভিষিক্ত করবেন, যারা তোমাদের মতো অলস হবে না।
আজ আমরা ভারতবর্ষে বা বিশ্বে যে লাঞ্ছনা ভোগ করছি, তা আমাদেরই কর্মের ফল। আমরা তৌহিদ ছেড়ে দুনিয়াদারিতে মত্ত হয়েছি, তাই আল্লাহ আমাদের জব্দ করার জন্য অন্যদের হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়েছেন।
শেষ কথা:
আমরা যখন সত্যের দলিল নিয়ে কথা বলি, সমাজ আমাদের ‘পাগল’ বলে। নূহ (আ.)-কেও তাঁর জাতি পাগল বলেছিল। কিন্তু মনে রাখবেন, কিয়ামতের ময়দানে আমাদের এই চকমকে বাড়ি, সোনার গাড়ি বা মস্তানদের দাপট কোনো কাজে আসবে না। সেখানে বিচার হবে কেবল আমল আর ইনসাফের।
আসুন, হুজুগে না মেতে কোরআনটাকে অর্থসহ বুঝি। ধর্মকে ভাড়ার জিনিস না বানিয়ে আল্লাহর সরাসরি দাসত্ব করতে শিখি।
#🕌ইবাদাত🤲 ⚠️ সাবধান! মোবাইল কি আপনার 'রব' হয়ে যাচ্ছে? (একটি দাজ্জালি ভাইরাস)
"তোমরা অনুসরণ করো যা তোমাদের রবের পক্ষ থেকে এসেছে, আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য সাথীদের অনুসরণ করো না।" — (সূরা আরাফ: ৩)
আজ আমাদের সমাজের অবস্থা কী? আমরা কি এক অদৃশ্য দাজ্জালি ফিতনার গোলাম হয়ে পড়ছি না?
১. ডিজিটাল আসক্তি বনাম ঈমান:
মোবাইল ছিল যোগাযোগের জন্য, কিন্তু আজ এটি আমাদের ইবাদত গিলে খাচ্ছে। মাথায় টুপি দেওয়া মুরুব্বি থেকে শুরু করে অবুঝ শিশু—সবাই আজ স্ক্রিনের মায়াজালে বন্দি। আমরা নামাজ পড়ছি অর্থ না বুঝে, কিন্তু মোবাইলের অর্থহীন স্ক্রলিং, টিকটক আর অশ্লীলতায় সময় দিচ্ছি ঘণ্টার পর ঘণ্টা। পর্নোগ্রাফি আর নোংরামি দেখতে দেখতে আমাদের যুবসমাজের কাছে এখন আর পাপকে 'পাপ' মনে হয় না। এই ডিজিটাল ভাইরাস আমাদের ঈমান ও বিবেককে মৃত বানিয়ে দিচ্ছে।
২. সুদী শোষণ ও ইনসাফের অভাব:
একদিকে সাধারণ মানুষ ১ লাখ টাকা লোন নিলে ব্যাংক একদিনের কিস্তি ফেল হওয়ার সুযোগে হায়েনার মতো জরিমানা (Penalty) আর TDS কেটে নেয়। অথচ নিরব মোদীর মতো বড় বড় ব্যবসায়ী আর নেতারা জনগণের মিলিয়ন মিলিয়ন টাকা লুটে নিয়ে পার পেয়ে যায়। সরকার তাদের লোন মকুফ করে দেয়, আর সাধারণ মানুষকে ঋণের জালে পিষ্ট করে। এই বাতিল শক্তিগুলো চায় আমরা অভাব আর ঋণের চাপে থাকি, যেন আমরা কখনোই সত্য বুঝতে না পারি।
৩. রাজনৈতিক ধোঁকা ও ইসলামের শিক্ষা:
এই বাতিল শক্তিগুলো ইসলামের প্রকৃত শিক্ষাকে ভয় পায়। কারণ তারা জানে, ইসলামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠিত হলে মদ-জুয়া বন্ধ হবে, ধর্ষণ বন্ধ হবে এবং তাদের শোষণের রাজনীতি লাটে উঠবে। তাই তারা সুকৌশলে আমাদের শয়তানের শিক্ষায় শিক্ষিত করতে চায়, আমাদের সন্তানদের হাতে 'সঠিক শিক্ষার' বদলে বিনোদনের নামে বিষ তুলে দিচ্ছে।
৪. প্রয়োজন বনাম মোহ:
আজ আমাদের ছোট ছোট বাচ্চারাও বন্ধুদের দেখাদেখি দামী প্যান্ট আর ব্রান্ডের পেছনে ছুটছে। ৭০০-১০০০ টাকার প্যান্টের জন্য তারা ব্যাকুল, কিন্তু আল্লাহর হুকুম মানতে তাদের অনীহা। এই 'দেখাদেখি'র নেশা আমাদের সন্তানদের নৈতিকতা ধ্বংস করে দিচ্ছে।
⚠️ আমাদের চূড়ান্ত সতর্কবার্তা:
নূহ (আ.)-এর সেই কিশতি বা নৌকার মতো আমাদেরও নিজেদের পরিবারকে এই দাজ্জালি ফিতনা থেকে বাঁচাতে হবে। আল্লাহকে বাদ দিয়ে এই ডিজিটাল 'সাথীদের' এবং সুদী শোষকদের গোলামি ছাড়ুন।
আসুন আজই সিদ্ধান্ত নেই:
✅ মোবাইল হোক শুধু প্রয়োজনে; দিনের বাকি সময় কাটুক আল্লাহর কালাম নিয়ে।
✅ সুদের অভিশপ্ত শৃঙ্খল ছিঁড়ে হালাল পথে চলার চেষ্টা করি।
✅ সন্তানদের হাতে গেম নয়, হকের শিক্ষা এবং মানুষের প্রতি সহমর্মিতা তুলে দিন।
✅ সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দেবেন না; নতুবা আমাদের পরিণতিও ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিগুলোর মতো হবে।
আপনার এই চিন্তাগুলো যদি সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছায়, তবে ইনশাআল্লাহ মানুষ সচেতন হতে শুরু করবে।
#☪ইসলামিক জ্ঞানের আলো ☪ #দাজ্জালি_ফিতনা আমরা কি কেবল 'আবাদ' করছেন, নাকি 'জেহাদ' করছেন?
পবিত্র কোরআনের আয়নায় আজকের সমাজ ও দাজ্জালি ফিতনা
আল্লাহ তাআলা সূরা তাওবাহর ১৯ ও ২০ নম্বর আয়াতে এক কঠিন সত্য আমাদের জানিয়েছেন। আমরা অনেকে মনে করি নামাজ-রোজা করা, হাজীদের সেবা করা বা মসজিদ আবাদ করাই সব। কিন্তু আল্লাহ বলছেন, যারা আল্লাহর ওপর ঈমান এনে জান-মাল দিয়ে আল্লাহর পথে লড়াই (জেহাদ) করে এবং বাতিলের গোলামি ত্যাগ করে, তাদের মর্যাদা আল্লাহর কাছে সবার উপরে। তারাই প্রকৃত সফলকাম।
আজকের এই দাজ্জালি যুগে আমরা কি সেই সফলকামদের দলে আছি? দাজ্জালি সিস্টেমের কিছু নমুনা আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে আছে, যা আমরা দেখেও দেখছি না:
১. তথ্য ও মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ (The Information Trap): দাজ্জালের এক চোখ কেবল দুনিয়া দেখে। আজ মিডিয়া এবং 'রাষ্ট্রীয় সংকলিত খবরের' মাধ্যমে আমাদের মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। ইফতারের আগের মূল্যবান সময়ে মানুষ এখন কোরআন ছেড়ে রাশিয়ার যুদ্ধ বা দাজ্জালি প্রোপাগান্ডায় বুঁদ হয়ে থাকছে। এটি আমাদের আধ্যাত্মিক শক্তি চুরির একটি সূক্ষ্ম চাল।
২. সুদ ও ঋণের মায়াজাল (The Debt Trap): দাজ্জালি সমাজব্যবস্থা মানুষকে ঋণের গোলাম বানিয়ে রেখেছে। বাড়ি-গাড়ি করার প্রতিযোগিতায় আমরা ভুলে গেছি যে, এই ভোগবাদী সিস্টেম আমাদের আসলে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল (ভরসা) করা ভুলিয়ে দিচ্ছে।
৩. প্রযুক্তি ও সময়ের অপচয় (The Digital Addiction): যে সময়ে আমাদের সন্তানদের কোরআন আর হকের জ্ঞান নেওয়ার কথা, সেই সময়ে তারা গেম আর ভার্চুয়াল জগতের নেশায় বুঁদ। দাজ্জালি সিস্টেম চায় আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন আল্লাহর জিকির ভুলে 'অমানুষ'দের তৈরি করা বিনোদনের দাসে পরিণত হয়।
৪. ভোগবাদ ও পারিবারিক মোহ: আমরা সাহাবাদের মতো শাহাদাতের তামান্না ভুলে কেবল 'নাতি-পুতির মুখ দেখে' দুনিয়াতে আরও বেশিদিন টিকে থাকার মোহে পড়ে গেছি। সমাজ গোল্লায় গেলেও আমরা কেবল নিজেদের বিলাসিতা আর বাড়ি-গাড়ির পালিশ নিয়ে ব্যস্ত।
আমাদের বাঁচার পথ কী?
আল্লাহর পথে নিজের জান ও মাল দিয়ে এই সিস্টেমের অবাধ্য হওয়া। নূহ (আ.)-এর সেই কিশতির মতো আমাদেরও নিজের ঘরকে একটি 'ঈমানি দুর্গে' পরিণত করতে হবে। পরনির্ভরশীলতা কমিয়ে আল্লাহর দেওয়া প্রাকৃতিক সম্পদের (রোদ, মাটি ও পানি) ওপর ভরসা বাড়াতে হবে।
আসুন প্রশ্ন করি: আমরা কি কেবল সমাজ 'আবাদ' করছি, নাকি এই দাজ্জালি ফিতনার বিরুদ্ধে নিজের ঈমান রক্ষার 'জেহাদ' করছি?
আল্লাহ আমাদের এই অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসার তৌফিক দান করুন। আমিন।
share me
#🙂ভক্তি😊 #🥰শ্রদ্ধা জানাই সব ধর্মকে🙂
#সত্যের_সন্ধান!_মূর্তিপূজা বনাম এক অদ্বিতীয় স্রষ্টা: আপনার বিবেক কী বলে?
আমরা কি কখনও গভীরভাবে ভেবেছি আমাদের উপাসনার পদ্ধতিগুলো নিয়ে? আজ সময় এসেছে কোনো আবেগ বা অন্ধভক্তি নয়, বরং পরিষ্কার যুক্তি ও সত্য দিয়ে বাস্তবতা চেনার।
১. পৃথক উপাস্য বনাম এক মালিক: একটু লক্ষ্য করুন—এক এক রাজ্যে এক এক দেবতার রাজত্ব! মহারাষ্ট্রে এক উপাস্য বড়, বাংলায় আরেকজন, আবার দিল্লিতে অন্যজন। মানুষের পছন্দ অনুযায়ী কি ঈশ্বর বদলে যান? হযরত ইউসুফ (আ.) কারাগারে তাঁর সঙ্গীদের প্রশ্ন করেছিলেন: "পৃথক পৃথক অনেক উপাস্য ভালো, না পরাক্রমশালী এক আল্লাহ?" (সূরা ইউসুফ: ৩৯)। সত্য তো এটাই যে, স্রষ্টা কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের নন; তিনি পুরো বিশ্বজাহানের মালিক (রব্বুল আলামীন)।
২. হাতের গড়া মূর্তির অসারতা: মানুষ নিজের হাতে মাটি ও রঙ দিয়ে মূর্তি গড়ে, তারপর সেই প্রাণহীন মূর্তির কাছেই সাহায্য চায়! হযরত ইব্রাহিম (আ.) তাঁর জাতিকে বলেছিলেন—যাকে তোমরা নিজেরাই তৈরি করেছ, তার ইবাদত কীভাবে করো? যে মূর্তি একটি সাধারণ মাছি সৃষ্টি করতে পারে না, এমনকি নিজের গায়ে বসা মাছিটি তাড়াতে পারে না, সে আপনাকে রক্ষা করবে কীভাবে?
৩. জীবন্ত সব নিদর্শন: আল্লাহর অস্তিত্বের জন্য কোনো মূর্তির প্রয়োজন নেই। এই নিখুঁত আসমান-জমিন, সূর্য-চন্দ্রের সুশৃঙ্খল আবর্তন কি স্রষ্টার সাক্ষ্য দেয় না? ১৪০০ বছর ধরে অপরিবর্তনীয় পবিত্র কুরআন এবং সাগরের তলদেশ থেকে উদ্ধার হওয়া ফেরাউনের সংরক্ষিত দেহ—এগুলো কি আধুনিক মানুষের জন্য বড় নিদর্শন নয়?
৪. একমাত্র গ্রহণযোগ্য পথ: আল্লাহ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন— "নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একমাত্র গ্রহণযোগ্য জীবনব্যবস্থা হলো ইসলাম।" (সূরা আল-ইমরান: ১৯)। যারা সত্যের এত সব নিদর্শন দেখার পরেও অন্য পথ তালাশ করবে, পরকালে তারা হবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত।
৫. মহাজাগতিক সাক্ষ্য: স্বয়ং আল্লাহ, ফেরেশতারা এবং পৃথিবীর সমস্ত ন্যায়নিষ্ঠ জ্ঞানী ব্যক্তিরা সাক্ষ্য দিয়েছেন যে— আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। যখন মহাবিশ্বের প্রতিটি কণা একজনের সাক্ষ্য দিচ্ছে, তখন কেন আমরা মানুষের গড়া মূর্তির পেছনে ছুটছি?
উপসংহার:
একদিন আসবে যখন সত্য অস্বীকারকারীরা তীব্রভাবে আকাঙ্ক্ষা করবে— "কতই না চমৎকার হতো যদি আমরা মুসলমান হতাম!" (সূরা আল-হিজর: ২)। কিন্তু সেই আফসোস করার আগে আজই সময় বিবেককে জাগ্রত করার।
আসুন, সৃষ্টির গোলামি ছেড়ে আমরা সেই এক অদ্বিতীয় স্রষ্টার ইবাদত করি যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন।
#বিবেকের_প্রশ্ন
"সে কি জানে না যে, আল্লাহ দেখেন?" — অহংকারী মানুষের প্রতি এক চূড়ান্ত চ্যালেঞ্জ!
আজকের আধুনিক মানুষ বিজ্ঞানের দোহাই দেয়, অথচ নিজের হাতে গড়া মূর্তির সামনে মাথা নত করে। তারা ভাবে তারা অনেক শক্তিশালী, অভাবমুক্ত এবং অপরাজেয়। কিন্তু তাদের কি মনে নেই সেই মহান রবের কথা, যিনি মানুষকে এক ফোঁটা রক্তপিণ্ড থেকে সৃষ্টি করেছেন?
১. জ্ঞান এবং স্রষ্টাকে চেনা:
আল্লাহর প্রথম আদেশ ছিল— "পাঠ করুন আপনার পালনকর্তার নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন।" (সূরা আলাক: ১)। মহাবিশ্বের প্রতিটি কণা, তুরস্কের পাহাড়ের চূড়ায় পড়ে থাকা নূহ (আ.)-এর নৌকা, সাগরের নিচে থেকে উদ্ধার হওয়া ফেরাউনের মমি—সবকিছুই সেই এক স্রষ্টার পরিচয় দিচ্ছে। যিনি কলমের সাহায্যে মানুষকে শিক্ষা দিয়েছেন, যা সে জানত না। অথচ আজ মানুষ সেই স্রষ্টাকে ভুলে মাটির পুতুলকে ঈশ্বর মানছে!
২. মানুষের সীমালঙ্ঘন ও মূর্তিপূজা:
মানুষ যখন নিজেকে অভাবমুক্ত মনে করে, তখনই সে সীমালঙ্ঘন করে (সূরা আলাক: ৬-৭)। সে ভাবে তার ধন-সম্পদ আর নেতাদের ক্ষমতা তাকে রক্ষা করবে। কিন্তু সত্য যখন সামনে আসে, মিথ্যা তখন বিলুপ্ত হয়ে যায়। হযরত ইব্রাহিম (আ.) এবং ইউসুফ (আ.)-এর সেই অকাট্য যুক্তি কি আপনার বিবেককে নাড়া দেয় না? যে মূর্তি শুনতে পায় না, দেখতে পায় না—সে কীভাবে আপনার মাবুদ হতে পারে?
৩. সত্য অস্বীকারকারীর পরিণতি:
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ সেই অহংকারীকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যে মানুষকে আল্লাহর ইবাদত করতে বাধা দেয়। আল্লাহ বলেন— "যদি সে বিরত না হয়, তবে আমি তার মস্তকের সামনের মিথ্যাচারী, পাপীর কেশগুচ্ছ ধরে হেঁচড়াবই!" (সূরা আলাক: ১৫-১৬)। সেদিন কোনো নেতা, কোনো সভা-সদ বা কোনো মূর্তি আপনাকে আল্লাহর পাকড়াও থেকে বাঁচাতে পারবে না।
৪. প্রতিদিনের সেই আকাশভেদী ডাক:
আপনার কানে কি প্রতিদিন পাঁচবার আযানের ধ্বনি পৌঁছে না? যখন ঘোষণা করা হয়— 'আল্লাহু আকবার' (আল্লাহ মহান), 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' (আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই)। এটি কেবল একটি ধ্বনি নয়, এটি আপনার জন্য প্রতিদিনের এক একটি নিদর্শন। তবুও কেন আপনি সেই কল্পিত মূর্তির পেছনে ছুটছেন?
৫. সুনিশ্চিত প্রত্যাবর্তন:
মনে রাখবেন, আপনার পালনকর্তার দিকেই সবার প্রত্যাবর্তন (সূরা আলাক: ৮)। সেই কিয়ামতের দিন যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে, তখন আমলনামা হাতে পাওয়ার পর অপরাধীরা হাহাকার করে বলবে— "হায়! কতই না ভালো হতো যদি আজ আমরা মুসলমান হতাম!" (সূরা আল-হিজর: ২)।
উপসংহার:
আসমান-জমিনের বিশাল নিদর্শন দেখুন, ইতিহাসের ধ্বংসাবশেষ দেখুন আর নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন। মূর্তিপূজার অন্ধকার ছেড়ে আসুন সেই মালিকের সিজদায় লুটিয়ে পড়ি এবং তাঁর নৈকট্য অর্জন করি। (সূরা আলাক: ১৯)।
সত্যের ডাক আপনার দুয়ারে। সময় শেষ হওয়ার আগেই সিদ্ধান্ত আপনার!
Share me
#🕌ইবাদাত🤲
#সত্যের_সন্ধান!_মূর্তিপূজা বনাম এক অদ্বিতীয় স্রষ্টা: আপনার বিবেক কী বলে?
আমরা কি কখনও গভীরভাবে ভেবেছি আমাদের উপাসনার পদ্ধতিগুলো নিয়ে? আজ সময় এসেছে কোনো আবেগ বা অন্ধভক্তি নয়, বরং পরিষ্কার যুক্তি ও সত্য দিয়ে বাস্তবতা চেনার।
১. পৃথক উপাস্য বনাম এক মালিক: একটু লক্ষ্য করুন—এক এক রাজ্যে এক এক দেবতার রাজত্ব! মহারাষ্ট্রে এক উপাস্য বড়, বাংলায় আরেকজন, আবার দিল্লিতে অন্যজন। মানুষের পছন্দ অনুযায়ী কি ঈশ্বর বদলে যান? হযরত ইউসুফ (আ.) কারাগারে তাঁর সঙ্গীদের প্রশ্ন করেছিলেন: "পৃথক পৃথক অনেক উপাস্য ভালো, না পরাক্রমশালী এক আল্লাহ?" (সূরা ইউসুফ: ৩৯)। সত্য তো এটাই যে, স্রষ্টা কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের নন; তিনি পুরো বিশ্বজাহানের মালিক (রব্বুল আলামীন)।
২. হাতের গড়া মূর্তির অসারতা: মানুষ নিজের হাতে মাটি ও রঙ দিয়ে মূর্তি গড়ে, তারপর সেই প্রাণহীন মূর্তির কাছেই সাহায্য চায়! হযরত ইব্রাহিম (আ.) তাঁর জাতিকে বলেছিলেন—যাকে তোমরা নিজেরাই তৈরি করেছ, তার ইবাদত কীভাবে করো? যে মূর্তি একটি সাধারণ মাছি সৃষ্টি করতে পারে না, এমনকি নিজের গায়ে বসা মাছিটি তাড়াতে পারে না, সে আপনাকে রক্ষা করবে কীভাবে?
৩. জীবন্ত সব নিদর্শন: আল্লাহর অস্তিত্বের জন্য কোনো মূর্তির প্রয়োজন নেই। এই নিখুঁত আসমান-জমিন, সূর্য-চন্দ্রের সুশৃঙ্খল আবর্তন কি স্রষ্টার সাক্ষ্য দেয় না? ১৪০০ বছর ধরে অপরিবর্তনীয় পবিত্র কুরআন এবং সাগরের তলদেশ থেকে উদ্ধার হওয়া ফেরাউনের সংরক্ষিত দেহ—এগুলো কি আধুনিক মানুষের জন্য বড় নিদর্শন নয়?
৪. একমাত্র গ্রহণযোগ্য পথ: আল্লাহ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন— "নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একমাত্র গ্রহণযোগ্য জীবনব্যবস্থা হলো ইসলাম।" (সূরা আল-ইমরান: ১৯)। যারা সত্যের এত সব নিদর্শন দেখার পরেও অন্য পথ তালাশ করবে, পরকালে তারা হবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত।
৫. মহাজাগতিক সাক্ষ্য: স্বয়ং আল্লাহ, ফেরেশতারা এবং পৃথিবীর সমস্ত ন্যায়নিষ্ঠ জ্ঞানী ব্যক্তিরা সাক্ষ্য দিয়েছেন যে— আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। যখন মহাবিশ্বের প্রতিটি কণা একজনের সাক্ষ্য দিচ্ছে, তখন কেন আমরা মানুষের গড়া মূর্তির পেছনে ছুটছি?
উপসংহার:
একদিন আসবে যখন সত্য অস্বীকারকারীরা তীব্রভাবে আকাঙ্ক্ষা করবে— "কতই না চমৎকার হতো যদি আমরা মুসলমান হতাম!" (সূরা আল-হিজর: ২)। কিন্তু সেই আফসোস করার আগে আজই সময় বিবেককে জাগ্রত করার।
আসুন, সৃষ্টির গোলামি ছেড়ে আমরা সেই এক অদ্বিতীয় স্রষ্টার ইবাদত করি যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন।
#বিবেকের_প্রশ্ন
"সে কি জানে না যে, আল্লাহ দেখেন?" — অহংকারী মানুষের প্রতি এক চূড়ান্ত চ্যালেঞ্জ!
আজকের আধুনিক মানুষ বিজ্ঞানের দোহাই দেয়, অথচ নিজের হাতে গড়া মূর্তির সামনে মাথা নত করে। তারা ভাবে তারা অনেক শক্তিশালী, অভাবমুক্ত এবং অপরাজেয়। কিন্তু তাদের কি মনে নেই সেই মহান রবের কথা, যিনি মানুষকে এক ফোঁটা রক্তপিণ্ড থেকে সৃষ্টি করেছেন?
১. জ্ঞান এবং স্রষ্টাকে চেনা:
আল্লাহর প্রথম আদেশ ছিল— "পাঠ করুন আপনার পালনকর্তার নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন।" (সূরা আলাক: ১)। মহাবিশ্বের প্রতিটি কণা, তুরস্কের পাহাড়ের চূড়ায় পড়ে থাকা নূহ (আ.)-এর নৌকা, সাগরের নিচে থেকে উদ্ধার হওয়া ফেরাউনের মমি—সবকিছুই সেই এক স্রষ্টার পরিচয় দিচ্ছে। যিনি কলমের সাহায্যে মানুষকে শিক্ষা দিয়েছেন, যা সে জানত না। অথচ আজ মানুষ সেই স্রষ্টাকে ভুলে মাটির পুতুলকে ঈশ্বর মানছে!
২. মানুষের সীমালঙ্ঘন ও মূর্তিপূজা:
মানুষ যখন নিজেকে অভাবমুক্ত মনে করে, তখনই সে সীমালঙ্ঘন করে (সূরা আলাক: ৬-৭)। সে ভাবে তার ধন-সম্পদ আর নেতাদের ক্ষমতা তাকে রক্ষা করবে। কিন্তু সত্য যখন সামনে আসে, মিথ্যা তখন বিলুপ্ত হয়ে যায়। হযরত ইব্রাহিম (আ.) এবং ইউসুফ (আ.)-এর সেই অকাট্য যুক্তি কি আপনার বিবেককে নাড়া দেয় না? যে মূর্তি শুনতে পায় না, দেখতে পায় না—সে কীভাবে আপনার মাবুদ হতে পারে?
৩. সত্য অস্বীকারকারীর পরিণতি:
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ সেই অহংকারীকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যে মানুষকে আল্লাহর ইবাদত করতে বাধা দেয়। আল্লাহ বলেন— "যদি সে বিরত না হয়, তবে আমি তার মস্তকের সামনের মিথ্যাচারী, পাপীর কেশগুচ্ছ ধরে হেঁচড়াবই!" (সূরা আলাক: ১৫-১৬)। সেদিন কোনো নেতা, কোনো সভা-সদ বা কোনো মূর্তি আপনাকে আল্লাহর পাকড়াও থেকে বাঁচাতে পারবে না।
৪. প্রতিদিনের সেই আকাশভেদী ডাক:
আপনার কানে কি প্রতিদিন পাঁচবার আযানের ধ্বনি পৌঁছে না? যখন ঘোষণা করা হয়— 'আল্লাহু আকবার' (আল্লাহ মহান), 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' (আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই)। এটি কেবল একটি ধ্বনি নয়, এটি আপনার জন্য প্রতিদিনের এক একটি নিদর্শন। তবুও কেন আপনি সেই কল্পিত মূর্তির পেছনে ছুটছেন?
৫. সুনিশ্চিত প্রত্যাবর্তন:
মনে রাখবেন, আপনার পালনকর্তার দিকেই সবার প্রত্যাবর্তন (সূরা আলাক: ৮)। সেই কিয়ামতের দিন যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে, তখন আমলনামা হাতে পাওয়ার পর অপরাধীরা হাহাকার করে বলবে— "হায়! কতই না ভালো হতো যদি আজ আমরা মুসলমান হতাম!" (সূরা আল-হিজর: ২)।
উপসংহার:
আসমান-জমিনের বিশাল নিদর্শন দেখুন, ইতিহাসের ধ্বংসাবশেষ দেখুন আর নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন। মূর্তিপূজার অন্ধকার ছেড়ে আসুন সেই মালিকের সিজদায় লুটিয়ে পড়ি এবং তাঁর নৈকট্য অর্জন করি। (সূরা আলাক: ১৯)।
সত্যের ডাক আপনার দুয়ারে। সময় শেষ হওয়ার আগেই সিদ্ধান্ত আপনার!












